• ৭ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest

কলকাতা

Gyaneswari Incident: 'মৃত' ব্যক্তিকে আটক করল সিবিআই

জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তি আচমকাই জীবিত হয়ে উঠলেন। শুধুই বেঁচে ওঠেননি। একই সঙ্গে সরকারি ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরিও ভোগ করছিলেন এতদিনে। কিন্তু জালিয়াতি বেশিদিন চালানো গেল না। শনিবার কলকাতার জোড়াবাগান এলাকা থেকে ভুয়ো নথি, ডিএনএ রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অমিতাভ চৌধুরী। আটক করা হয়েছে অভিযুক্তের বাবাকেও।২০১০ সালের ২৮ মে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় প্রায় ১৫০ জনের। মৃতদের পরিবারে জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরির ঘোষণা করে রেল। তবে নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়, ক্ষতিপূরণের জন্য মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর শংসাপত্র জমা করতে হবে। একই সঙ্গে মৃত ব্যক্তির ডিএনএ-র নমুনা মিলবে এমন কোনও পরিবারের ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, এই ডেথ সার্টিফিকেট এবং এবং ডিএনএ রিপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেই কারচুপি করেছিলেন অভিযুক্ত অমিতাভ।জীবিত মানুষকেই কাগজপত্রের মাধ্যমে মৃত ঘোষণা করে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরি বাগিয়ে নেওয়া হয়। নথিতে মৃত অমিতাভ চৌধুরীর বোন রেলের একটি উর্ধ্বতন পদে সেই চাকরি পান। সেই ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর রেলের অভ্যন্তরীণ অডিটে এই বেআইনি কার্যকলাপ ধরা পড়ে। অভিযোগ দায়ের করা হয় সিবিআই-এর দুর্নীতিদমন শাখায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুক্রবার রাতে জোড়াবাগান থাকা এলাকায় অভিতাভ চৌধুরীর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। এরপর গতকাল রাতেই অমিতাভ চক্রবর্তী এবং তাঁর বাবাকে আটক করে সিবিআই। বর্তমানে তাঁদের নিজামে প্যালেসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, এর পিছনে একটি বড় চক্র কাজ করতে পারে। এই ধরনের ভুয়ো নথি জমা পড়লে সাধারণত গোড়াতেই তদন্তের সময় ধরা পড়ে। তাহলে কেন আগে এদের ধরা গেল না? তবে কি রেলের কোনও আধিকারিকও গোটা ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে? আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না সিবিআই।

জুন ১৯, ২০২১
কলকাতা

New Town Encounter: মোহালি থেকে গ্রেপ্তার আসল সুমিত কুমার

নিউটাউন এনকাউন্টার (Newtown Encounter) কাণ্ডে ফের নয়া মোড়। এতদিন জানা গিয়েছিল, সুখবৃষ্টি আবাসনে ভাড়া নেওয়া ভরত কুমারই আসলে সুমিত কুমার। এই নামে নিজের সমস্ত তথ্য, পরিচয়পত্র দিয়েই সে ভাড়ার চুক্তিপত্র বানিয়েছিল। বুধবার, নিউটাউন এনকাউন্টারের দিন দুপুরে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিওর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবার তার থেকে পাওয়া নথি পরীক্ষা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সত্যিই সুমিত কুমার নামে এক ব্যক্তি রয়েছেন। যাঁর নথি ব্যবহার করেই ভরত যাবতীয় কুকীর্তি চালিয়েছিল। বুধবার দুপুরে ভরত কুমারের গ্রেপ্তারি এবং তার ঠিক পরপরই নিউটাউনের সুখবৃষ্টি আবাসনে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের (STF) এনকাউন্টার। নিহত কুখ্যাত দুই গ্যাংস্টার জয়পাল, জসপ্রীত। সেই ঘটনার তদন্ত চলাকালীনই সামনে আসতে থাকে নতুন নতুন তথ্য। যার মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য ভরত কুমার নামের ব্যক্তি সুমিত কুমারের পরিচয়পত্র দিয়ে নিউটাউনের ওই অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে আশ্রয় দিয়েছিলেন জসপ্রীতদের। কিন্তু শনিবার সেই ঘটনায় আবার নতুন মোড়।গোয়ালিওর থেকে ধৃত ভরতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া কাগজপত্রের সূত্র ধরে তল্লাশি চালাতে গিয়ে তদন্তকারীরা পৌঁছে যান হরিয়ানার মোহালি। সেখানেই দেখা যায়, সুমিত কুমার নামে এক ব্যক্তি রয়েছেন। তাঁর সমস্ত পরিচয়পত্র দিয়েই কলকাতায় এসে ভাড়ার চুক্তিপত্র বানিয়েছিল ভরত কুমার। সুমিত কুমারকে গ্রেপ্তার করেছে পঞ্জাব পুলিশের একটি দল। এখন প্রশ্ন উঠছে, সুমিতের ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র কীভাবে ভরতের কাছে গেল? উত্তরে সুমিত জানিয়েছেন, কেউ তাঁর থেকে আধার কার্ড ও পাসপোর্টের নথি চেয়েছিল। তিনি তা দিয়েছেন। কিন্তু কী কারণে তা চাওয়া হয়েছিল, কাকেই বা ভরসা করে তিনি এসব দিয়েছিলেন, তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি সুমিত কুমার। আর তাতেই রহস্য বাড়ল আরও। তবে কি মোহালির সুমিতও এই চক্রের সঙ্গেই জড়িত? নাকি তিনি স্রেফ দাবার মতো এই বিশাল জটিল চক্রের বোড়ে? এদিকে, নিউটাউনের সুখবৃষ্টি আবাসনের ওই অভিশপ্ত ফ্ল্যাট থেকে তৃতীয় এক ব্যক্তির ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলেছে বলে খবর তদন্তকারী সূত্রে। তিনি কে, তা জানার চেষ্টা চলছে। নিহত দুই গ্যাংস্টার জয়পাল ও জসপ্রীতের দেহ আজই থানা থেকে ছাড়া হয়েছে। তা নিয়ে দুপুরের বিমানে পঞ্জাবের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

জুন ১২, ২০২১
বিদেশ

সাত বছরের জেল গান্ধিজির প্রপৌত্রীর

প্রাথমিক ভাবে আটক করা হয়েছিল গান্ধিজির প্রপৌত্রী আশিস লতা রামগোবিনকে। পরে তাঁকে সাত বছরের জেলের সাজা দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তাঁর বিরুদ্ধে ৬.২ মিলিয়ন বা ভারতীয় মুদ্রায় ৩.২২ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানের একটি আদালত তাঁর এই আজা ঘোষণা করেছে।এসআর মহারাজ নামে এক ব্যবসায়ী তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন। ২০১৫ সালে ঘটে ওই ঘটনা। জানা গিয়েছে, কিছু কাগজপত্র দেখিয়ে ওই টাকা নেন রামগোবিন। কিন্তু সে সব কাগজপত্র আসলে ছিল ভুয়ো। অভিযোগ, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপের পর রামগোবিন তাঁকে জানিয়েছিলেন যে তিনি খুবই আর্থিক সংকটে ভুগছেন। এদিকে, ভারত থেকে তাঁর অর্ডার করা তিনটি কন্টেনার ভর্তি লিনেন কাপড় বন্দরে আটকে রয়েছে। সেগুলি ছাড়িয়ে আনতে প্রচুর টাকা আমদানি শুল্ক দিতে হবে। মহারাজের কাছে সেই টাকা সাহায্য হিসেবে চান রামগোবিন।রামগোবিন বলেছিলেন, মহারাজ পরবর্তীকালে ব্যবসার লাভের অংশ পাবেন। এরপর কিছু ভুয়ো কাগজপত্রও ওই ব্যবসায়ীকে প্রমাণস্বরূপ পাঠান গান্ধিজির প্রপৌত্রী। এরপর ওই টাকাটি রামগোবিনকে পাঠিয়ে দেন মহারাজ। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন, সমস্ত কাগজপত্রই ভুয়ো। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন ওই ব্যবসায়ী।

জুন ০৯, ২০২১
কলকাতা

নারদে গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ ববি-শোভনদের, বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ

তিন দিনের রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষার পর নারদ মামলায় চার নেতা মন্ত্রী কিছুটা স্বস্তি পেলেন। শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে তাদের জেল থেকে বেরনোর অনুমতি দিয়েছে আদালত।তবে বন্দিদশা পুরোপুরি ঘোচেনি ওই চারজনের। তাদের আপাতত গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।জামিন দেওয়ার ব্যপারে ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতির পুরোপুরি ঐক্যমত্য না হওয়ায় পরবর্তি প্রক্রিয়া না সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে নজরবন্দি হয়ে থাকতে হবে চার অভিযুক্তকে। অন্যদিকে ভিন রাজ্যে নারদ মামলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আর্জিও এদিন নাকচ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। যাকে নৈতিক জয় হিসাবে দেখছে রাজ্যের শাসক দল। শুক্রবার ছিল নারদ মামলার বহু প্রতিক্ষিত শুনানি। একদিনের বিরতির পর এদিন সকাল এগারোটায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানির শুরু হওয়ার পরই বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ৪ জন নেতা-মন্ত্রীর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু, তার বিরোধিতা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। তারপরই ঠিক হয়, সিঙ্গল বেঞ্চ অথবা বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে এই মামলার শুনানি ফের শুরু হবে। সেই মতো এদিনই বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করলেন বিচারপতিরা। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে বিষয়টির নিষ্পত্তি করার জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সেই বেঞ্চে আগামী সোমবার নারদ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ছাড়াও এই বেঞ্চে রয়েছেন, বিচারতপতি সৌমেন সেন, বিচারপতি আই.পি মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে নারদ মামলা ফের উঠবে। সিবিআই ও চারজন হেভিওয়েট যে মামলা করেছিলেন, তার সবগুলিই ওই ৫ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হবে। সেই বেঞ্চে কোনও ফয়সলা না হওয়া পর্যন্ত ওই ৪ হেভিওয়েটের উপর গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ কার্যকর থাকবে। তবে গৃহবন্দি থেকেও ওই ৪ জনকে হাইকোর্টের কতগুলি নির্দেশ মেনে চলতে হবে। বিচারপতিদের নির্দেশ, যে নেতা-মন্ত্রীরা সরাসরি প্রশাসনিক কাজে যুক্ত, তাঁরা গৃহবন্দি থাকলেও, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত প্রশাসনিক কাজকর্ম ও মিটিং করতে পারবেন। সমস্ত ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু, চারজনের কেউই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে, কোনও মিটিং বা প্রশাসনিক কাজ করতে পারবেন না।আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরই এদিন চেতলায় নিজের বাড়িতে পৌঁছে যান ফিরহাদ হাকিম। বাকি ৩ জন যদিও শারীরিক অবস্থার কারণে এদিনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

মে ২১, ২০২১
বিদেশ

গ্রেপ্তারি দিয়ে শুরু চিত্রনাট্যের যবনিকাপাত জামিনে

দিনভরের টানটান চিত্রনাট্যের যবনিকাপাত হল সন্ধ্যায়। সোমবার সকালে নারদ মামলায় সিবিআইয়ের হাতে রাজ্যের তিন মন্ত্রী বিধায়কের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল টানাপড়েন তৈরি হয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে। সন্ধ্যায় চার অভিযুক্তই জামিন পাওয়ায় কিছুটা আচমকাই তার সমাপ্তি ঘটল। সিবিআইয়ের তরফে অভিযুক্তদের হেপাজতের চেয়ে আর্জি জানানো হলেও আদালত তা খারিজ করে তাদের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছে। এর ফলে করোনা রুখতে রাজ্য সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে দিনভর সারা রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের যে বিক্ষোভের ছবি দেখা গিয়েছিল তাও সন্ধ্যার পরে অনেকটাই প্রশমিত হয়। কিন্তু এই ঘটনার রাজনৈতিক ও আইনি প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।অন্যদিকে, এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সিবিআই হাইকোর্টে যেতে পারে বলেও আজ ইঙ্গিত মিলেছে।ফলে আগামী দিনেও এই ঘটনার রেশ যে রয়ে যাবে তা সম্পর্কে একপ্রকার নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল।সোমবার সাত সকালে ফিল্মি কায়দায় নারদ মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের দুই মন্ত্রী ও দুই প্রাক্তন মন্ত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই। কলকাতার নিজাম প্যালেসে সংস্থার দপ্তরে নিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।এর পরবর্তী ঘটনা আরও চমকরপ্রদ। গ্রেপ্তারির ঘটনা জানতে পেরে সিবিআই দপ্তরে পৌঁছে যান সপার্ষদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লকডাউন উপেক্ষা করে গেটের বাইরে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ভিড় ঘনীভূত হতে শুরু করে ছড়ায় বিক্ষোভের আগুন। দফায় দফায় বিক্ষোভ ইটবৃষ্টি- কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জে ওই এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। যা দেখে ওই নেতাদের আদালতে সশরীরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বদল করে সিবিআই। বিকেল চারটে নাগাদ অভিয়ুক্ত চার নেতাকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে বিশেষ সিবিআই আদালতে বিচারকের সামনে পেশ করা হয়। যদিও সিবিআইএর তরফে দাবি করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত।এদিন আদালতে ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেপাজতের আবেদন জানায় সিবিআই। তাদের সওয়াল ছিল, ধৃতরা প্রত্যেকেই প্রভাবশালী। চার্জশিট পেশ হলেও তারা তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে পারেন। সাক্ষীদের শাসাতে পারেন। পালটা ধৃতদের পক্ষে দাবি করা হয়, তারা প্রত্যেকেই তদন্তে সাহায্য করেছেন। ধৃতদের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, এই গ্রেপ্তারি বেআইনি। রাজ্যপাল কীভাবে মঞ্জুর করেন চার্জশিট মেমো? পাশাপাশি রাজ্যের করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ হাকিম। তিনি জেলে থাকলে সেই উদ্যোগ বড়সড় ধাক্কা খাবে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, প্রতিহিংসার বশে এদেরকে বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়েছে। রাজ্যপালের এক্তিয়ার নেই গ্রেপ্তারিতে সই করার। ধৃতেরা তদন্তে সহযোগিতা করেনি এমনটা নয়। যখনই ডেকেছে হাজিরা দিয়েছে। তাঁর দাবি, এঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যে ছিলেন। কোথাও পালিয়ে যায়নি। জামিন মামলায় সিবিআই কোনও নথিএ পেশ করতে পারেনি। বিকেল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে সওয়াল জবাব। সন্ধ্যা ৭টায় রায়দান করেন ব্যাঙ্কশাল আদালতের সিবিআই বিশেষ আদালতের বিচারক। রায়ে চার অভিযুক্তকেই অন্তর্বর্তী জামিন দেন তিনি। ব্যক্তিগত ৫০,০০০ টাকার বন্ডে তাঁদের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করা হয়। এদিন জামিনের খবর আসতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন নিজাম প্যালেসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল কর্মীরা।যদিও সিবিআই সূত্রের খবর, রায়ে মোটেও সন্তুষ্ট নয় তারা। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে তদন্তকারী সংস্থা।

মে ১৭, ২০২১
রাজনীতি

নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন, নিজাম প্যালেসে মমতা

নিজাম প্যালেসে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্রকে তুলে আনা হয় সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে। নিয়ে আসা হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। কোনও নোটিস ছাড়া মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ব্যবধানে চার জনকে তুলে আনা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের।সোমবার সকালে ফিরহাদকে চেতলার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মমতা যান ফিরহাদের বাড়িতে। সেখান থেকে তার পর সোজা চলে আসেন নিজাম প্যালেসে। সেখানে সাংবাদিকরা মমতাকে জিজ্ঞেস করেন তাঁর আসার কারণের বিষয়ে। তিনি বলেন, ওদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। সোমবার সকালে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, তৃণমূলের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল নটা নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সিবিআই। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিরহাদ বলেন, নারদ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বিনা নোটিসে আমাকে গ্রেপ্তার করা হল। ফিরহাদ আরও বলেন, স্পিকারের অনুমতি ছাড়াই আমায় গ্রেপ্তার করা হল। আদালতে দেখে নেব। সোমবার সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজাম প্যালেসে আনা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। সেখানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে অ্যারেস্ট মেমোয় সই করানো হয় এই চার জনকে।বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, একজন বিধায়ককে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া এভাবে গ্রেপ্তার করা অনৈতিক। আদালতে সব বোঝাপড়া হবে। ফিরহাদ আত্মবিশ্বাসী, তাই আদালতের কথা বলেছেন। এই গ্রেপ্তারি প্রতিহিংসামূলক, তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য,ফিরহাদ বা মদনের গ্রেপ্তারির সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগই নেই।

মে ১৭, ২০২১
কলকাতা

পামেলার গাড়িতে মাদককাণ্ডে পুনে থেকে গ্রেপ্তার অমৃত সিং

পামেলা গোস্বামী মাদককাণ্ডে নয়া মোড়। এবার পুলিশের জালে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অমৃত সিং। শনিবার রাতে পুনেতে কলকাতা পুলিশের জালে ধরা পড়েন অমৃত। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, পামেলার গাড়িতে এই অমৃত সিংই মাদক রেখেছিলেন। বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের ঘনিষ্ঠ অমৃতের নাম প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছিলেন পামেলা। অমৃতের সঙ্গে যোগসাজস করে রাকেশই পামেলা ফাঁসিয়েছিলেন বলে প্রথম থেকে তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত সোমবারই নিউ আলিপুর কোকেনকাণ্ডে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। কলকাতা পুলিশেক অ্যান্টি নারকোটিকস বিভাগ ৭৪ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা করে। চার্জশিটে নাম ছিল না বিজেপি যুব মোর্চা নেত্রী পামেলা গোস্বামী, পামেলার বন্ধু প্রবীর দে ও নিরাপত্তারক্ষী সোমনাথ গোস্বামীর। তাঁদেরকে কার্যত ক্লিনচিট দেওয়া হয়।চার্জশিটে নাম ছিল আট জনের। তাঁরা হলেন, জিতেন্দ্র কুমার সিং, সুরাজ কুমার সা, আরিয়ান দে, অমৃত সিং, দেইম আখতার, ফারহান আহমেদ ও অমৃত রাজ। প্রায় বারোশো পাতার এই চার্জশিটের এই মামলায় সাক্ষী রয়েছেন ৮০ জন। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা উল্লেখ চার্জশিটে।উল্লেখ্য, ১৯ ফেব্রুয়ারি নিউ আলিপুরে একটি নামী রেস্তোরাঁর সামনে থেকে পামেলা ও তাঁর সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের গাড়ি থেকে উদ্ধার বহু টাকার মাদক। এরপর তদন্ত যত এগোতে থাকে, ঘটনার মোড় নিতে থাকে অন্য।

মে ০৯, ২০২১
কলকাতা

করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ, একদিনে গ্রেপ্তার ১৬৭ জন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করছে কলকাতাকে। করোনা রুখতে চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে শুরু হয়েছে পুলিশের প্রচার। মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ধরপাকড়ের উপর আরও গুরুত্ব দিল পুলিশ। বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাস্ক না পরার অভিযোগে ১৫০ জনের উপর পথচারীকে ধরা হয়। এর মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে হাতেনাতে ধরা পড়ে ১৫ জন। অন্যান্য বাজারেও মাস্ক না পরলেই তাকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, করোনা আক্রান্তর সংখ্যা কলকাতায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বহু পথচারী ও গাড়ি, বাস আরোহীর মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক নেই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরও। এবার সেদিকেও বিশেষ নজর পুলিশের। পুলিশের উপর ভোটের ডিউটির চাপ রয়েছেই। সেই সঙ্গে এবার করোনা রোখারও ব্যবস্থা নিল পুলিশ।গত বছর করোনার ঢেউ কলকাতায় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার সচেতনতার প্রচার শুরু করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু আক্রান্তর সংখ্যা কমতে থাকায় সেই প্রচারে ভাটা পড়ে। যদিও সংখ্যায় কম হলেও মাস্ক না পরার অভিযোগে চলছিল ধরপাকড়। গত মাস থেকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবার গত বছরের আদলেই প্রচার করতে শুরু করেছে পুলিশ।এদিকে, বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে করোনা বিরোধী সচেতনতার প্রচার শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি থানা। পুলিশের অভিযোগ, এই বছর এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই করোনা নিয়ে সচেতন নন। তাই বাজারগুলিতে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা, এমনকী, বিক্রেতাদের মুখেও নেই মাস্ক। পারস্পরিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না। এদিন নিউ মার্কেট অঞ্চলে মাস্ক না পরে নামতে দেখলেই ওই যাত্রীকে ধরেছে পুলিশ। একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, যাদবপুর, হাতিবাগানের মতো বাজারগুলিতেও। এ ছাড়াও ওই বাজারগুলিতে মাস্ক না পরে কেনাকাটা করার অভিযোগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
কলকাতা

দমদম মেট্রো স্টেশনে উদ্ধার প্রচুর গয়না

ব্যাগ ভর্তি শুধুই সোনার গয়না। দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার উপক্রম। সবমিলিয়ে ওজন প্রায় ৪৫০ গ্রাম! বাজারমূল্য কমবেশি ২৫ লক্ষ টাকা। ঘটনা দমদম মেট্রো স্টেশনের। আপাতত সোনাভর্তি ব্যাগ-সহ ওই ব্যক্তিকে সিঁথি থানার পুলিশ আটক করেছে।কলকাতা মেট্রো রেলের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, শনিবার বিকেল প্রায় চারটে নাগাদ দমদম মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ করছিলেন এক ব্যক্তি। প্রবেশের মুখে স্ক্যানারে তাঁর ব্যাগটি পরীক্ষা করতে গিয়ে চক্ষুচড়কগাছ নিরাপত্তারক্ষীদের। দেখা যায়, ব্যাগভর্তি সোনার গয়না। প্রায় ৪৩১ গ্রাম সোনা রয়েছে। এরপর তাঁকে প্রাথমিকভাবে এই সোনার উৎস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাতে তিনি তেমন সন্তোষজনক কোনও উত্তর দিতে পারেননি বলে দাবি নিরাপত্তারক্ষীদের। ওই ব্যক্তির কাছ থেকে সোনা কেনার কোনও বৈধ কাগজপত্রও পাওয়া যায়নি। এরপর মেট্রোর তরফে খবর দেওয়া হয় সিঁথি থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাগটি বাজেয়াপ্ত করে, আটক করা হয় ব্যক্তিকেও। যদিও ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনও জানানো হয়নি পুলিশের তরফে। ফলে সোনা পাচারের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে এত বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না নিয়ে মেট্রো পথে কোথাও যাওয়ার চেষ্টা আগে কখনও হয়নি বলেই মত কর্তৃপক্ষের। আসলে কলকাতা মেট্রোয় নিরাপত্তা বরাবরই বেশি। তাই কোনও সন্দেহজনক বস্তু নিয়ে স্ক্যানারের নজরদারি এড়িয়ে বেরিয়ে যাওয়া কার্যত অসম্ভব। তা সত্ত্বেও ওই ব্যক্তি কেন এত সোনার গয়না নিয়ে, কোনও নথি ছাড়াই পাতালপথ ধরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, তা জানা যায়নি।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের উপর হামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ১৬

দিলীপ ঘোষের উপর হামলার ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে কোচবিহারের শীতলকুচি। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কমপক্ষে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।বুধবার শীতলকুচিতে সভা ছিল রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের। সেই সভা সেরে বেরনোর সময় দিলীপের কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, যে মাঠে তাঁর সভা হয়েছিল, সেখানেই আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয়। দিলীপের অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও দুটি বোমা পড়েছে। শুধু তাই নয়, আধলা ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তাঁর নিজের গায়েও ইটের আঘাত লেগেছে। কনভয়ের অন্য গাড়িতেও বোমা পড়েছে বলেও দাবি করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই তোলপাড় শুরু হয়। তদন্তে নামে পুলিশ।অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদ, অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে কলকাতায় কমিশনের বাইরে ধরনা দেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও দলের নেতা-কর্মীরা। ফলে কোচবিহারের ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কলকাতাতেও। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতভর কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায় বোমাবাজি করা হয়। বিজেপি ও তৃণমূল উভয় দলের কর্মীরাই অভিযোগ করেছেন রাতে তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এবিষয়ে কোচবিহারের এসপি দেবাশিস ধর বলেন, গতকাল প্রায় ১৫০ জন ঘটনাস্থলে ছিল। রাতভর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসপি জানিয়েছেন, এই ঘটনার কারণেই ভোটে শুধু কোচবিহারেই ১৮৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশন। থাকবে ৬ হাজার রাজ্যপুলিশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

ভোট মিটতেই এনআইএ-র হাতে গ্রেপ্তার ছত্রধর মাহাতো

প্রথম দফার ভোট মিটতেই ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। শনিবার রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ লালগড়ে আমলিয়ার গ্রামের বাড়ি থেকে তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ছত্রধরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতে তাঁর বাড়িতে প্রায় ৪০ জনের একটা দল এসেছিল বলে খবর। ছত্রধরের ৪ জন নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছেন। অভিযোগ, তাঁদের সরিয়ে গেঞ্জি ও গামছা পরিহিত অবস্থায় ছত্রধরকে তুলে নিয়ে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। সেই সময় ধস্তাধস্তি হয় বলেও অভিযোগ পরিবারের। ছেলে ধৃতীপ্রসাদ জানান, কোনও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখায়নি এনআইএ। শুধু বলেছে রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানোর ঘটনায় প্রচুর তথ্য রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যেতে হবে। কাকভোরে গ্রেপ্তার করার পরেই তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়।অনেক দিন ধরেই নজরে রয়েছেন ছত্রধর। শালবনির কোবরা শিবিরে ছত্রধরকে ৩ বার জেরা করেছিল এনআইএ। এর পর ১৫ মার্চ কলকাতায় এনআইএ-র কার্যালয়ে নতুন করে জেরা করা হয় তাঁকে। পরের দিন, অর্থাৎ ১৬ মার্চ তাঁকে জেরার জন্য কলকাতায় তলব করা হয়। দাঁতে ব্যথা হচ্ছে জানিয়ে ওই দিন হাজিরা দেননি ছত্রধর। যদিও ১৭ মার্চ লালগড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় হাজির হয়ে বক্তৃতাও করেছিলেন তিনি।ছেলে ধৃতিপ্রসাদ জানিয়েছেন, শনিবার রাতে যখন বাড়ি থেকে ছত্রধরকে নিয়ে যায় এনআইএ তখন লালগড় থানায় ফোন করা হলেও, পরিবারকে কিছুই জানানো হয়নি। ২০০৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর লালগড় থেকেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ছত্রধর। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। বেশ কিছু মামলা থেকে মুক্ত হলেও কয়েকটি মামলার বিচার চলছে। হাইকোর্ট সাজা কমানোয় জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ফেব্রুয়ারিতে লালগড়ের আমলিয়া গ্রামের বাড়িতে ফেরেন ছত্রধর। তার বেশ কয়েক দিন পর নতুন করে ২০০৯ সালে লালগড়ে সিপিএম কর্মী প্রবীর মাহাতো খুন ও ঝাড়গ্রামের বাঁশতলায় ভুবনেশ্বর-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস আটকের ঘটনার তদন্ত শুরু করে। সেই সূত্রেই ছত্রধরকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ।

মার্চ ২৮, ২০২১
রাজ্য

বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র-সহ মুর্শিদাবাদে গ্রেপ্তার ১

ভোটের আগে ফের মুর্শিদাবাদ থেকে উদ্ধার হল প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র । বেশিরভাগই মুঙ্গের থেকে আনা হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ এবং সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করার পাশাপাশি গ্রেপ্তার করেছে একজনকে। ধৃতের নাম টেম্পু মণ্ডল। সে মুঙ্গেরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেল নাগাদ গোপন খবর পেয়ে সামশেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত চাদপুর ব্রিজের কাছে নাকা চেকিং করছিল পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন এসটিএফের অফিসাররাও। ডাকবাংলো পাকুর রোডের কাছে একজনকে আটক করা হয়।তার কাছ থেকেই উদ্ধার হয় বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র। একটি পিস্তল, ১৫০ টি গুলি, দুপ্যাকেট সাদা রঙের বিস্ফোরক পাউডার। পাওয়া গিয়েছে কমলা রঙের গুঁড়ো। সবমিলিয়ে মোট ওজন হবে প্রায় ১০ কেজি। সব বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে টেম্পু মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে। বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা এই টেম্পু। অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সব সরঞ্জাম মুঙ্গের থেকে আনা হচ্ছিল বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। চলছে তদন্ত। ধৃত টেম্পু শেখকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চায় পুলিশ।সামনেই বঙ্গে নির্বাচন । অন্যান্যবারের তুলনায় এবারের নির্বাচন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং লড়াই আরও জমজমাট হতে চলেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে এবার বাড়তি নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিকভাবে খানিকটা উত্তপ্ত বঙ্গের ভূমিতে সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন সম্পন্ন করা কমিশনের কাছে চ্যালেঞ্জ। ইতিমধ্যে রাজ্যে নির্বাচনী আচরণ বিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও নাশকতার উদ্দেশে নানা জেলায় উদ্ধার হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। মুর্শিদাবাদের মতো স্পর্শকাতর এলাকা থেকে মুঙ্গেরের তৈরি অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় চিন্তা আরও বেড়েছে। ভোটে আগে মুঙ্গের থেকে এ রাজ্যে অস্ত্র পাচারের বিষয়টি নতুন করে মাথাব্যথা তৈরি করেছে রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে।

মার্চ ১৩, ২০২১
রাজ্য

কয়লা-কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি

কয়লা-কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি। সিআইডির জালে রণধীর সিং নামের এক ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, কয়লা পাচারচক্রের প্রধান অনুপ মাজি ওরফে লালার ঘনিষ্ঠ ওই ব্যবসায়ীকে অন্ডাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের পাঁচ তারিখে সিআইডির ডিআইজি অজয় ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল দুর্গাপুর আসানসোলের যে সমস্ত জায়গায় অবৈধভাবে কয়লা তোলা হচ্ছিল বলে অভিযোগ সেসব জায়গায় তদন্ত চালায়। সেসময় অন্ডালের কাজোরা এরিয়ার লছিপুর, হরিশপুর, তালডাঙা, জে কে রোপওয়ে, বক্তারনগর এলাকাগুলোতে অবৈধ খাদানগুলো পরিদর্শন করেন সিআইডি গোয়েন্দারা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন সিআইডির আধিকারিকরা। সিআইডি ডিআইজি জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন সময়ে বেআইনি কয়লা পাচার ও চুরির অভিযোগ করেছিল ইসিএল। সংস্থার অভিযোগের ভিত্তিতেই অবৈধ কয়লা কারবারের বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলা হবে।এবার তার মাসখানেক পরেই অন্ডাল থানা এলাকার কাজোরা এরিয়ায় তাঁর বাড়ি থেকে অনুপ মাজির ঘনিষ্ঠ রণধীর সিংকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি বলে সূত্রের খবর। আজ শনিবার রণধীরকে আদালতে তোলা হবে। ধৃতকে সিআইডি হেপাজতে নিয়ে তদন্তের গতি দ্রুত করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। বাম আমল থেকেই অন্ডাল, পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা পাচারে জড়িত রণধীর বলে অভিযোগ। কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল তাঁর। বাংলায় পালাবদলের পর অনুপ মাজির ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন রণধীর। পাশাপাশি, তিনি জিতেন্দ্র তিওয়ারির অনুগামী বলেও এলাকায় পরিচিত।

মার্চ ১৩, ২০২১
দেশ

ফের শিরোনামে হাথরাস

ফের শিরোনামে বিতর্কিত হাথরাস। হাথরাস রয়েছে হাথরাসেই। গত বছর উত্তরপ্রদেশের এই জেলায় এক দলিত তরুণীকে গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে উত্তাল হয়েছিল দেশ। এক তরুণীর শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত যুবক গৌরব শর্মা গুলি করে মারল নির্যাতিতার বাবাকে! এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন ইতিমধ্যেই।আরও পড়ুন: বিজপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী২০১৮ সালে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। তরুণীর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেপ্তারও করে গৌরবকে। কিন্তু মাসখানেক পরে জামিন পেয়ে যায় সে। সেই থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি। যা চরম আকার নেয় গতকাল। সোমবার বিকেলে নির্যাতিতা তরুণীর গ্রামের মন্দিরে পুজো দিতে যান অভিযুক্তের স্ত্রী ও কাকিমা। সেই সময় সেখানে আসেন নির্যাতিতা ও তাঁর বোনও। শুরু হয় ঝগড়া। পরে সেখানে আসেন তরুণীর বাবা ও গৌরব। গৌরবের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল বলে জানা গিয়েছে। ক্রমেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। তারপরই আচমকা গৌরব গুলি চালিয়ে দেয়। গুরুতর আহত হন তরুণীর বাবা। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ই তাঁর মৃত্যু হয়। এমন ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ইতিমধ্যেই গৌরবের পরিবারের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: কোকেন-কাণ্ডে আটক রাকেশ সিং

গলসি থেকে আটক কোকেন কাণ্ডে অভিযুক্ত রাকেশ সিং। ইতিমধ্যেই গলসির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। রাকেশকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতার ফিরবেন তাঁরা। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য তাঁর দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।কোকেন কাণ্ডে রাকেশ যোগ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত অরফানগঞ্জ। মঙ্গলবার তার লালবাজারে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও সুকৌশলে তা এড়ানোর চেষ্টা করে বিজেপি নেতা। জানান, দলের কাজে দিল্লিতে রয়েছেন তিনি। তবে পুলিশের হাজিরের নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানাতে কলকাতা হাইকোর্টে যান তিনি। এরপরই পুলিশ আধিকারিকরা নিশ্চিত হন রাকেশ সিংয়ের সাক্ষাৎ পাওয়া সহজ হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই কোকেন কাণ্ডে অভিযুক্ত রাকেশ সিংয়ের অরফানগঞ্জ এলাকার বাড়িতে হাজির হয় কলকাতা পুলিশের বিশাল বাহিনী। প্রথমে সিআইএসএফ তাঁদের বাড়ির ভিতরে ঢুকতে বাধা দেয়। এরপর সামনে আসেন রাকেশ-পুত্র। পুলিশ আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে তিনি বাধা দেন বলে অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, পুলিশের কাছে যথাযথ নথি নেই। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিকেল ৫ টায় অবশেষে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন আধিকারিকরা। সেই সময়ই জানা গিয়েছিল, এদিনই গোটা বাড়িতে তল্লাশি চালানো হবে। তিনঘণ্টা তল্লাশি চালানোর পর রাত আটটা নাগাদ রাকেশ সিংয়ের বাড়ি থেকে বের হন পুলিশ আধিকারিকরা। সন্ধেয় রাকেশ সিংয়ের দুই ছেলে সাহেব ও শুভমকে আটক লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেই আটক করা হয়েছে এই দুই যুবককে। এরপর রাতে গলসি থেকে আটক করা হয় রাকেশকে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
বিদেশ

দিশার গ্রেপ্তারিতে এবার সরব গ্রেটা

কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে গ্রেটা থুনবার্গের শেয়ার করা টুলকিট বিতর্ক নয়া মোড় নিয়েছে দিশা রবির গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওই বিতর্কিত টুলকিটটি সম্পাদনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন। এরপর দিশাকে তাঁর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুললেন গ্রেটা। টুইট করে প্রতিবাদ জানালেন দিশার গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে।শুক্রবার ওই টুইট করেন গ্রেটা। বরাবরের মতো স্পষ্ট ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন তিনি। লিখেছেন, বাকস্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল হল অ-আলোচনাযোগ্য মানবাধিকার। এটা যে কোনও গণতন্ত্রেই মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। সেই সঙ্গে তিনি একটি হ্যাশট্যাগও জুড়ে দেন, স্ট্যান্ডউইথদিশারবি-এরই পাশাপাশি ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার গ্রুপের একটি বিবৃতিও যোগ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, গ্রেটার শুরু করা ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার প্রচার অভিযানের ভারতীয় শাখার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২১ বছরের দিশা। সেই গ্রুপের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা দিশার পাশেই আছে।গ্রেটার টুলকিট নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয় এমাসের গোড়ায়। দিল্লি পুলিশের দাবি, বিশ্বের পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম মুখ গ্রেটার শেয়ার করা ওই টুলকিট আসলে খলিস্তানিদের তৈরি। তার মধ্যে হিংসায় উস্কানি দেওয়ার যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। আছে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করার বার্তা। এমনকী, ২৬ জানুয়ারির ঘটনার সঙ্গে টুলকিটে দেওয়া উসকানির সম্পর্ক রয়েছে বলেও পুলিশের ধারণা। যদিও গ্রেটা সেটি পরে শেয়ার করেছেন, তবুও খলিস্তানিদের মতো ভারত-বিরোধী শক্তিরা যে ষড়যন্ত্র সাধারণতন্ত্র দিবসে করেছিল, তার সঙ্গে এর উস্কানির সাযুজ্য রয়েছে বলেই মত পুলিশ প্রশাসনের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
কলকাতা

কোকেন-সহ গ্রেপ্তার বিজেপি যুব নেত্রী

মাদক-সহ গ্রেপ্তার বিজেপি যুব মোর্চা নেত্রী পামেলা গোস্বামী। নিউ আলিপুর থেকে কয়েক লক্ষ টাকার কোকেন উদ্ধার করা হয়েছে তাঁর থেকে। গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁর সঙ্গী প্রবীর দে-ও। জানা গিয়েছে, শুক্রবার নিউ আলিপুরে নিজের আবাসনের কাছে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য পামেলা যান। সেখানেই তাঁকে হাতেনাতে ধরা হয়। নিউ আলিপুর থানার পুলিশ তাঁর গাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গ্রাম কোকেনের প্যাকেট পেয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।এ নিয়ে এখনও বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।হুগলি জেলা বিজেপি যুব মোর্চার পর্যবেক্ষক পামেলা গোস্বামী। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিলই। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর করছিল। এদিন নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে নিউ আলিপুরের এনআর অ্যাভিনিউ দিয়ে যাওয়ার সময়ে পামেলার গাড়ি ধাওয়া করে জালে আনা হয় বিজেপি যুব নেত্রীকে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ৮ টি গাড়ি করে তাঁকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরা হয়। এরপর আর বিজেপি নেত্রীর পালানোর পথ ছিল না। পামেলাকে যিনি মাদক সরবরাহ করতেন, সেই প্রবীর দে-ও বিজেপি নেতা বলে পরিচিত। শুক্রবার দুপুরের রাস্তায় গাড়ি ধাওয়া করে পামেলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশির সময়ে নেত্রী পামেলার হাতব্যাগ, গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় কোকেন।পুলিশ সূত্রে খবর, লক্ষ লক্ষ টাকার কোকেন-সহ অন্যান্য মাদক পাচারের নাম জড়াচ্ছিল বিজেপি যুব নেত্রীর। চুপিসাড়েই কুকীর্তি চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। খাস কলকাতায় বসেই তিনি দিব্যি পাচার করছিলেন। সঙ্গী বিজেপি নেতা প্রবীর দে তাঁকে মাদক সরবরাহ করতেন বলে খবর। তবে শেষরক্ষা আর হল না।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১
কলকাতা

বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকান। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। এ নিয়ে দিনের শুরুতে নবান্ন অভিযান নিয়ে অশান্তি ছড়াল। এরপর বেলা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। ধর্মতলা চত্বর থেকে প্রায় চার হাজার সদস্য নবান্নের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চান বাম ছাত্র,যুবরা। প্রথম জলকামান, টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাঁদের রোখার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাতেও আন্দোলনকারীরা দমে যাননি। এরপর পুলিশ নির্বিচার লাঠিচার্জ করলে অনেকে আহত হন, অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ। গুরুতর জখমদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও, তা অমান্য করে সিধু-কানু-ডহরে ঢুকে পড়েন কয়েকজন ছাত্র ও যুব। আন্দোলনকারীদের শক্তি দেখে কার্যত বিভ্রান্ত পুলিশও।শূন্যপদে নিয়োগ, সকলের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষার অধিকার-সহ একগুচ্ছ দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র-যুব সংগঠন। এসএফআই, ছাত্র ফেডারেশন, ডিওয়াইএফআই -সহ মোট ৮ বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র, যুব সংগঠনকেও। সবমিলিয়ে ১০ টি সংগঠনের ডাকে এদিন নবান্ন অভিযানে নেমেছে বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বাম ছাত্রনেতা তথা পাঁশকুড়ার সিপিএম বিধায়ক ইব্রাহিম আলি আচমকা নবান্নের সামনে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিদায় ঘটে গিয়েছে, এই বার্তা দিয়ে স্লোগান তোলেন। সেখান থেকেই আটক করা হয় তাঁকে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। একইভাবে আটক করা হয়েছে আরও ৫ জনকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
দেশ

লালকেল্লার হিংসার ঘটনায় গ্রেপ্তার দীপ সিধু

গ্রেপ্তার লালকেল্লা হিংসার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত গায়ক-অভিনেতা দীপ সিধু। এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল। কয়েকদিন আগেই দীপ সিধুর হদিশ দিতে পারলেই দেওয়া হবে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিল দিল্লি পুলিশ। সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লা দখলের ঘটনায় দীপের আরও দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়। এর মধ্যে একজন যুগরাজ সিং। যাঁর বিরুদ্ধে লালকেল্লায় নিশান সাহিবের পতাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের খোঁজে ইতিমধ্যেই দিল্লি ও পঞ্জাবের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রায় ৪৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ১২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও শোনা গিয়েছে। জজবীর সিং, বুটা সিং, সুখদেব সিং এবং ইকবাল সিং নামের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেও লুকআউট নোটিস জারি করা হয়েছে। তাদের হদিশ দিতে পারলে মিলবে ৫০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার। অভিযুক্তদের ছবিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। যাতে কেউ চিনতে পারলেই পুলিশে খবর দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
কলকাতা

মণীশ খুনে গ্রেপ্তার শার্পশুটার

অবশেষে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনে অভিযুক্ত শার্প শুটার অনীশ ঠাকুর। তামিলনাড়ুতে একটি ডাকাতি ঘটনায় তাঁকে আটক করে সে রাজ্যের পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, অনীশকে রাজ্যে আনতে সিআইডি টিম যাচ্ছে।সূত্রের খবর, মণীশ শুক্লাকে হত্যার পর দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে গা ঢাকা দীয়েছিল অনীশ। শেষমেশ তামিলনাড়ুতে দুষ্কৃতীদের একটি গ্যাংয়ে শামিল হয়ে যায় সে। সেখানেই একটি ডাকাতির চেষ্টা চালায় ওই সমাজবিরোধীরা। কিন্তু এবার আর ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি অনীশের। পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। পরিচয় যাচাই করে তামিলনাড়ু পুলিশ জানতে পারে যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত অনীশ। তারপরই বিষয়টি জানানো হয় লালবাজারকে। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে রাজ্যে আনতে কলকাতা থেকে আজই সিআইডি টিম তামিলনাড়ু যাচ্ছে বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সমীকরণ, নির্বাচনের পরই খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় আবার খুলতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ এর দলীয় কার্যালয়। ঢাকা সহ একাধিক জেলা ও উপজেলায় বন্ধ অফিস খুলে প্রবেশ করছেন নেতা কর্মীরা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ সময় পর কি আবার সক্রিয় হতে চলেছে দলটি এবং রাজনীতিতে নতুন করে ভূমিকা নিতে পারে কি না।নির্বাচনের পর তারেক রহমান এর নেতৃত্বে সরকার গঠন অনেককে চমকে দিয়েছে। এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা এবং কর্মীদের তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অনেকেই জানতে চাইছেন, কর্মীরা কি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অফিস খুলছেন, নাকি দলের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।২০২৪ সালের অগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মহম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়। সেই কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি। এই সময় বহু দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরে শেখ মুজিবর রহমান এর ঐতিহাসিক বাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে।তবে নির্বাচন শেষ হতেই আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কার্যালয় খুলে সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও আবার পাল্টা দখল ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দলটি হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম জানিয়েছেন, দলের কার্যালয় বাজেয়াপ্ত করা হয়নি এবং নেতা কর্মীদের সেখানে যাতায়াতে কোনও বাধা নেই। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই আশাতেই তৃণমূলের কর্মীরা কার্যালয়ে ফিরছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিদেশে অবস্থান করেও শেখ হাসিনা বিভিন্ন মাধ্যমে দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাঁদের কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার নেতা কর্মীদের দাবি, নির্বাচনের আগে স্থানীয়ভাবে সমর্থন পাওয়ার আশায় বিরোধী শিবিরের কিছু নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং নির্বাচনের পর কার্যালয় খোলার আশ্বাস দিয়েছিলেন।নির্বাচনের পরদিনই পঞ্চগড়ে একটি কার্যালয়ের তালা খোলার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসে এবং তা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চাঁদপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও খুলনা সহ একাধিক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কার্যালয়ে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

দলবদলের তকমা কি মুছবে, দীপেন্দুর প্রত্যাবর্তনে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

খেলার মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দান, দলবদলের বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না প্রাক্তন ফুটবলার ও রাজনীতিক দীপেন্দু বিশ্বাসকে। ভোটের আগে আবার তৃণমূল কংগ্রেস এ ফিরলেন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন এই বিধায়ক। একসময় জাতীয় দলের ফুটবলার হিসেবে পরিচিত দীপেন্দু কলকাতার বড় ক্লাবগুলিতেও খেলেছেন। তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং এর জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন এবং নব্বইয়ের দশকে ফুটবল মহলে পরিচিত মুখ ছিলেন।রাজনীতিতে প্রবেশের পরও দলবদলের অভিযোগ তাঁকে ঘিরে থেকেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে আবার পুরনো দলে ফিরে এলেন। রবিবার বসিরহাটে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পুনরায় দলে যোগ দেন তিনি।দলে ফিরে দীপেন্দু বিশ্বাস জানান, অভিমান থেকেই তিনি দল ছেড়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তাঁকে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে সেটাই পালন করবেন এবং টিকিট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।একই দিনে বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল কাদের সরদার সহ বিভিন্ন দল থেকে বহু কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।২০১৪ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন দীপেন্দু। সেই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। পরে ২০১৬ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। তবে ২০২১ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলত্যাগ করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দলবদলের প্রবণতা নতুন নয়। ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা পুরনো দলে ফিরতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কেও তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভোটের আগে দলবদলের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, ঘন ঘন দল পরিবর্তন রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, দশ দিনের লড়াই শেষে প্রাণ গেল যুব ইঞ্জিনিয়ারের

নাইট ডিউটিতে যাওয়ার পথে গণপ্রহারের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন এক যুব ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ, বয়স তেত্রিশ। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট ফেব্রুয়ারি রাতে খড়গপুরে কাজে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় একদল মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে আটকায় এবং বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা শোনা হয়নি এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত হাইটেক হাসপাতাল ভুবনেশ্বর এ স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার রাত দশটা চৌত্রিশ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে তাঁর দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ জানান, হাসপাতালে গিয়ে তাঁর অবস্থা দেখে তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। পরিবারের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক, তৃণমূল বিজেপি যোগাযোগে বিস্ফোরক দাবি

রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের ঝড় তুললেন মৌসম বেনজির নূর। কংগ্রেসে ফিরে তিনি দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস এর কিছু নেতা গোপনে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বোঝাপড়া রয়েছে এবং তিনি দলে থাকাকালীন টাকার লেনদেন ও ক্ষমতার রাজনীতির জন্য এমন যোগাযোগের ঘটনা দেখেছেন।একই দিনে প্রায় একই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির রাজ্য নেতা ও উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর দাবি, মালদহের এক তৃণমূল বিধায়ক, জেলার দুই সহ সভাপতি, তিন সাধারণ সম্পাদক এবং আরও কয়েকজন নেতা বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। গোপন বৈঠকের কথাও জানিয়েছেন তিনি।খগেন মুর্মুর বক্তব্য, এই তালিকায় জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা, নাম প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বা সুযোগসন্ধানী নেতাদের বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না।অন্যদিকে মালদহ জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন চৈতালি সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তাঁর বক্তব্য, দলে কিছু নেতা রয়েছেন যারা শুধু অর্থ ও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন এবং তারাই অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মালদহ জেলা তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। বিভিন্ন পদ না পেয়ে অনেক নেতা ক্ষুব্ধ বলেও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, এসআইআর ঘিরে রাজ্যের সব বিচারকের ছুটি বাতিল

এসআইআর সংক্রান্ত কাজ এবার বিচার বিভাগের তদারকিতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত বিচারকের ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অসুস্থতা ছাড়া কোনও বিচারক ছুটি নিতে পারবেন না। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে বড় দায়িত্ব বিচার বিভাগের উপর দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আগে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।এসআইআর-এর কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিম্ন আদালতের কাজ স্বাভাবিক রাখতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রত্যেক জেলায় জেলা বিচারক, জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় আড়াইশো বিচারকের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চাওয়া হয়েছিল এবং সেই তালিকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন।জানা গিয়েছে, মাদক ও পকসো সংক্রান্ত আদালতের প্রায় একশো বিচারক এবং অন্যান্য মামলার দেড়শো বিচারকের নাম এই তালিকায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জেলা বিচারক বা অতিরিক্ত জেলা বিচারকদের বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে এবং তাঁদের কাজে কোনও বাধা বা অসম্মান বরদাস্ত করা হবে না। সব প্রশাসনিক স্তরকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal