• ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ২২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikari

কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়ল জনতার দরবার! তারপরই নবান্নে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ বৈঠক

সোমবার নবান্নে বসছে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। তার আগেই সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবারে হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছন। উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা শুভেন্দুকে স্বাগত জানান। এরপর সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ শুনতে শুরু করেন তিনি। প্রথম দিনেই সেখানে চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় চোখে পড়ে।সূত্রের খবর, জনতার দরবার শেষ করেই শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে যাবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পাশাপাশি দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আর জি কর কাণ্ড, নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন এবং বকেয়া ডিএ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।গত সপ্তাহেই বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়া, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তাই দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন কী ঘোষণা হতে পারে, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, সুশাসন এবং নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েই এগোবে নতুন সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।সরকারি কর্মীদের সবচেয়ে বড় নজর এখন বকেয়া ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশনের দিকে। আগের সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিলেও পুরো টাকা এখনও মেলেনি। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের একাংশের বকেয়া দেওয়া হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ডিএ এখনও বাকি রয়েছে।নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশা তৈরি হয়েছে যে, এবার হয়তো পুরো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারেও সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকারি কর্মীদের দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন চালু হলে তাঁদের বেতন অনেকটাই বাড়বে। তাই আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অ্যাম্বুলেন্সে দালালরাজ শেষ! মুখ্যমন্ত্রীর নতুন সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে রোগীর পরিবার

রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল ফেরাতে একের পর এক বড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সম্প্রতি হওয়া বৈঠকেই তিনি কড়া বার্তা দেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায় দালালরাজ বন্ধ করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্স বুক করতে পারবেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি সমস্ত অ্যাম্বুলেন্সে বসানো হবে জিপিএস ট্র্যাকার।সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি অ্যাম্বুলেন্স চালকরাও। তাঁদের দাবি, এর ফলে রোগীর পরিবারের সঙ্গে আর কোনও সমস্যা হবে না এবং ভাড়াও কম লাগবে। অ্যাম্বুলেন্স চালক দিলীপ কুমার দে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ খুবই ভালো। গাড়ির প্রয়োজন হলে অ্যাপের মাধ্যমেই বুকিং হবে। আগে দালালের মাধ্যমে বুকিং আসত, এখন সরাসরি পরিষেবা দেওয়া যাবে। এতে রোগীর পরিবারের খরচও কমবে। আগে যেখানে পাঁচশো টাকা লাগত, এখন সেখানে চারশো টাকাতেই পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁর।শুধু অ্যাম্বুলেন্স নয়, সরকারি হাসপাতালের পরিষেবাতেও বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলিতে বসানো হবে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড। সেখানে রিয়েল টাইমে জানা যাবে কত বেড খালি রয়েছে। খালি বেডের তথ্য নজরে রাখতে তৈরি হচ্ছে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা। পাশাপাশি বাড়ানো হবে বেডের সংখ্যাও। রোগীরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধাও পাবেন বলে জানানো হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও বসানো হচ্ছে বিশেষ কিয়স্ক।সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক রোগীর আত্মীয় বলেন, এই ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। আগে হাসপাতালে কত বেড খালি আছে তা জানা যেত না। এবার সেই তথ্য সহজেই পাওয়া যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

‘নেপথ্যের আসল কারিগর মিঠুন’! মুখ্যমন্ত্রীর মুখে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলাজুড়ে লাগাতার প্রচার করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। একের পর এক সভা, বৈঠক এবং প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সেই জয়ের পর এবার বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার সকালে নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে যান শুভেন্দু। ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগেই তিনি মহাগুরুর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা কথা হয় দুজনের মধ্যে।মিঠুনকে বিজেপির জয়ের অন্যতম নেপথ্য কারিগর বলেই উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, বাংলাকে বাঁচানো, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং মা-বোনেদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। গত কয়েক মাস ধরে তিনি একের পর এক সভা, বৈঠক ও প্রচার করেছেন। শুধু বড় মঞ্চ নয়, মাইক্রো স্তরেও কাজ করেছেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, জনগণের আশীর্বাদ এবং দলের সিদ্ধান্তে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু এই জয়ের পিছনে যাঁদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মিঠুন চক্রবর্তী।কেন আচমকা মিঠুনের বাড়িতে গেলেন, সেই কারণও স্পষ্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, জয়ের পর মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। তখনই শুভেন্দু বলেন, তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মিঠুনের বাড়িতে গিয়ে দেখা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতেই শনিবার সকালে নিউটাউনে যান তিনি।এই বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়, তবে কি বিজেপি সরকারে কোনও বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী? যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কোনও পদ নিয়ে মিঠুনের আগ্রহ নেই। দল তাঁকে ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিঠুন চক্রবর্তী। হাসিমুখে শুভেন্দুর কাঁধে হাত রেখে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পেতে পারত না। শপথ নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মিঠুন আরও বলেন, আগামী দিনেও মানুষ বুঝতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী কেমনভাবে রাজ্য চালাচ্ছেন। তাঁর কথায়, শুভেন্দু একজন যোদ্ধা এবং তিনি সবসময় তাঁর পাশে থেকে লড়াই করবেন।উল্লেখ্য, এর আগেও নতুন বিজেপি সরকারের প্রশংসা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে বেরিয়েই ডায়মন্ড হারবারের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কান্ডে বড় পদক্ষেপ! তিন আইপিএস সাসপেন্ড, ফের খুলছে তদন্তের ফাইল; মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের বহুল আলোচিত চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে নতুন করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারবিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি-র ভূমিকা নিয়েও খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় পুলিশ প্রশাসন কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছিল, কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে এবং কোন স্তরে তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যত্যয় ঘটেছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। বিশেষ করে ঘটনার পর যথাসময়ে এফআইআর দায়ের, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তদন্তের প্রাথমিক ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরকারি স্তরে আর্থিক সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সামনে আসতেই সারা রাজ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। চিকিৎসক সমাজের লাগাতার আন্দোলন, প্রতিবাদ মিছিল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে কলকাতা পুলিশের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর এডিজি ও আইজিপি পদে বদলি করা হয়েছিল।একই সময়ে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে ছিলেন অভিষেক গুপ্ত। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠার পর তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে থাকা ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও আরজি কর-পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায় আসছে।শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই তদন্ত শুধু প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নির্ধারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন হলে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধীরা একে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেও, শাসকদলের একাংশ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই কটাক্ষ করেছে।আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তের দরজা খোলায় ফের সামনে আসছে সেই ভয়াবহ রাতের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন। এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

প্রথম ক্যাবিনেটেই বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! নিহত ৩২১ বিজেপি কর্মীর পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার

নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিহত ৩২১ জন বিজেপি কর্মীর পরিবারের দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাও জানানো হয়েছে।প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পর শুভেন্দু বলেন, দীর্ঘদিন পর বাংলায় ভয়মুক্ত ও অবাধ নির্বাচন হয়েছে। ভোটকর্মী, গণনাকর্মী, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া সমস্ত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, ডবল ইঞ্জিন সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে।এদিনের বৈঠকে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের কাজের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।এছাড়া কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে রাজ্য সরকার। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও, বিশ্বকর্মা যোজনা এবং আয়ুষ্মান ভারত-এর মতো প্রকল্প বাংলায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে নতুন সরকার। এতদিন রাজ্যের আইএএস ও আইপিএস অফিসাররা কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারতেন না বলে অভিযোগ ছিল। এবার থেকে তাঁরা সেই সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।সবচেয়ে বড় ঘোষণাগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালুর সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এতদিন বাংলায় অসাংবিধানিকভাবে আইপিসি চালু ছিল। আজ থেকেই রাজ্যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্যও বড় স্বস্তির খবর দিয়েছে সরকার। চাকরিতে আবেদন করার বয়সসীমার ঊর্ধ্বসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, পূর্বতন সরকার রাজ্যের অনেক ক্ষতি করে গিয়েছে। তবে কোনও চালু সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। আগামী সপ্তাহ থেকে দিলীপ ঘোষ এবং অগ্নিমিত্রা পল সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

নন্দীগ্রাম বিতর্কে থাকা অফিসারও এবার সিএমও-তে! শুভেন্দুর প্রশাসনিক দলে বড় বদল

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনে বড় রদবদল শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে আরও শক্তিশালী করতে একের পর এক নতুন আমলাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হচ্ছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যুগ্ম সচিব পদে নিয়োগ করা হল দুই তরুণ আইএএস অফিসারকে। পাশাপাশি সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নতুন দায়িত্ব পাওয়া আইএএস অফিসারদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৯ ব্যাচের পি প্রমোথ। এতদিন তিনি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প এবং বস্ত্র দফতরের যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ২০২০ ব্যাচের আইএএস অফিসার নবনীত মিত্তলকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।একইসঙ্গে সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকে সিএমও-তে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সুরজিৎ রায়। ভোটের সময় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার ছিলেন। এর আগে নন্দীগ্রামের বিডিও থাকাকালীন তাঁকে শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। এবার সেই সুরজিৎকেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারের এসডিও অয়ন দত্তগুপ্ত এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি রাজর্ষি নাথকেও সিএমও-তে নিয়োগ করা হয়েছে।শুধু প্রশাসনিক পদেই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু। শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএফ অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে সেই সময় বিস্তর আলোচনা হয়েছিল।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, শপথ নেওয়ার পর থেকেই নিজের দফতর গুছিয়ে দ্রুত কাজে নামতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট করছে।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথের খুনি সন্দেহে তিন ব্যক্তি গ্রেফতার, ভবানী ভবনে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল তদন্তকারী দল। উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের দ্রুত কলকাতায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। দলে রয়েছেন এসটিএফ এবং সিআইডির অভিজ্ঞ আধিকারিকরা। তদন্তে নেমে সূত্র ধরে ভিনরাজ্যে অভিযান চালিয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন জনকে পাকড়াও করা হয়।উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। জানা যায়, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকাই একটি চারচাকা এসে দাঁড়ালে গাড়ি থামাতে বাধ্য হন চালক। সেই সময় দুদিক থেকে বাইকে চেপে আসা আততায়ীরা চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল। বালি টোলপ্লাজায় অনলাইনে টোলের টাকা মেটানোর সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের সন্ধান মেলে। ইতিমধ্যেই খুনে ব্যবহৃত চারচাকা এবং দুটি বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবকটি গাড়ির নম্বরপ্লেটই ভুয়ো।পুলিশের ধারণা, অন্তত এক থেকে দেড় মাস আগে থেকেই এই খুনের ছক কষা হয়েছিল। চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে কারও শত্রুতা বা সাম্প্রতিক কোনও বিরোধ ছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার নেপথ্যে আরও বড় চক্রান্তের তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

‘আমি না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথ বাঁচত!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু, কাঁপছে বাংলা রাজনীতি

নতুন সরকার গঠনের আবহের মধ্যেই ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ফল প্রকাশের মাত্র দুদিনের মাথায় খুন হলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার চন্দ্রনাথের দেহ কলকাতা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন হতে হতো না। আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবেও ও টার্গেট হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, এই খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা পড়বে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় দশটা পনেরো নাগাদ মধ্যমগ্রামে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। গাড়িতে চালকের পাশাপাশি পিছনের সিটে আরও একজন ছিলেন। হামলার সময় তিনি সিটের নীচে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গিয়েছে।গুলিতে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। দ্রুত তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে’! চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছে এই ঘটনাকে ঠান্ডা মাথায় খুন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।চন্দ্রনাথ রথ দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। গত প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক সফর থেকে সাংগঠনিক কাজ সবক্ষেত্রেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইক এবং গাড়িতে করে আসা একদল দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের স্করপিও গাড়ির পথ আটকায়। তারপর খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অন্তত আটজন হামলাকারী চারটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানা গিয়েছে।তদন্তে আরও উঠে এসেছে একটি সন্দেহজনক গাড়ির তথ্য। শিলিগুড়ির নম্বরযুক্ত একটি গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই গাড়ি থামতেই আততায়ীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রনাথের বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসকেরা প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব নামে আরও এক ব্যক্তি। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি এখনও সচেতন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁর অস্ত্রোপচার করা হবে।এদিকে রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। গাড়ির গতিবিধি এবং হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।ঘটনার খবর ছড়াতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। সেখানে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং-সহ আরও অনেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে খুন ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির

কাজের সূত্রে মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। অভিযোগ, মাঝ রাস্তায় তাঁর গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই খুন, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল?চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি সরাসরি তৃণমূল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। অর্জুনের দাবি, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হামলা এবং পেশাদার খুনিদের দিয়েই এই কাজ করানো হয়েছে। তাঁর কথায়, খুব কাছ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, হামলার সময় গাড়িতে তিনজন ছিলেন। একজন নিচু হয়ে যাওয়ায় বেঁচে যান, তবে চালক এবং চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হন।অন্যদিকে বিজেপি মুখপাত্র শঙ্কুদেব পণ্ডাও দাবি করেছেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, দিনের পর দিন নজরদারি চালিয়ে তারপর চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। নির্বাচনে ফল খারাপ হওয়ার পরও শাসকদলের কোনও শিক্ষা হয়নি বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শঙ্কুদেব। তাঁর দাবি, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারীকে এভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।এদিকে একই রাতে বসিরহাটেও বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে এক রাতেই পরপর দুই বিজেপি কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে জনস্রোত! বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজর কাড়লেন শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে জনসমাগমে ভেসে গেল সভাস্থল। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁর নামে জয়ধ্বনি উঠল চারদিকে। এলাকার মানুষও নতুন আশায় বুক বাঁধছেন।এই সভা থেকেই ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, দলের ঘোষিত সংকল্পপত্র সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ জোর দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মহিলারা যখন খুশি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন, রাতেও বেরোতে ভয় পাবেন না। আগের মতো কোনও বাধা বা ভয় থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভেন্দু আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। যতদিন না স্থায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে, ততদিন উপযুক্ত ভাতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাবেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূরণ করা হবে বলেও জানান।দল আগেই জানিয়েছে, অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়া, সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা এবং তোলাবাজি বন্ধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শুভেন্দু কর্মী-সমর্থকদেরও সতর্ক করে দেন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে তুমুল সংঘাত! শুভেন্দুকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তোপ দাগলেন পবিত্র কর

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আবহে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাঁরই একসময়ের সতীর্থ এবং বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।ঘটনার সূত্রপাত একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রাম থানায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়।এই ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন পবিত্র কর। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে যত মামলা রয়েছে, তার সবকিছুর পেছনেই শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং চাপে রাখতে এই সব মামলা করা হচ্ছে।পবিত্র কর কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু চাইলে সব কিছুই সম্ভব। তাঁর কথায়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করানোই যেন এক বিশেষ দক্ষতা। তিনি আরও বলেন, সব কিছু জেনেই তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন।উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আবারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের মতোই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ চলছে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবিত্র কর। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে। গুরু-শিষ্যের এই দ্বন্দ্ব এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত! শুভেন্দুর মনোনয়নে থাকছেন অমিত শাহ

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন শুভেন্দু অধিকারী। এই কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুধু ভবানীপুর নয়, একই দিনে রাসবিহারী ও বালিগঞ্জ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরাও মনোনয়ন জমা দেবেন।আজ দুপুর প্রায় বারোটা নাগাদ হাজরা মোড় থেকে রোড শো শুরু হবে। সেই রোড শো-তে একসঙ্গে অংশ নেবেন অমিত শাহ ও শুভেন্দু অধিকারী। রোড শো শেষে তাঁরা সার্ভে ভবনে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন। সার্ভে ভবনের কিছুটা আগে গাড়ি থামিয়ে পায়ে হেঁটে মনোনয়ন জমা দিতে যাবেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন দলের আরও কয়েকজন নেতা।বঙ্গ রাজনীতিতে এই প্রথমবার কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন জমার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাই এই কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভবানীপুর, যা দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, সেখানে এই রোড শো-কে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে শুভেন্দু অধিকারী সকালে ভবানীপুরের একটি গুরুদ্বারায় যান। সেখান থেকে তিনি একটি মন্দিরে যান এবং তারপর হাজরা মোড়ে এসে রোড শো-তে যোগ দেন।এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অমিত শাহের উপস্থিতি বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়িয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে আজকের এই কর্মসূচি ভবানীপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেক্টর ফাইভ থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ! ৭৮ লক্ষ টাকার রহস্যে চাঞ্চল্য

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসপাড়ায় ভর সন্ধেবেলায় দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটল। অপহৃত যুবকের নাম অঙ্কন সাহা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৭৮ লক্ষ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।ঘটনাটি ঘটেছে আরডিবি ভবনের সামনে। মঙ্গলবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে করে কয়েকজন এসে অঙ্কনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজ থেকেই সাদা স্করপিও গাড়ির নম্বর শনাক্ত করা হয়। এরপর গাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভারের ফোন নম্বর পাওয়া যায়।পরে পুলিশ ফোন ট্র্যাক করে জানতে পারে, গাড়িটি বড়জাগুলিয়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ১২-র কাছে রয়েছে। হরিণঘাটা থানার সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাড়িটি আটক করা হয় এবং তার ভিতর থেকে অঙ্কন সাহাকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অঙ্কন সাহার কাছে অভিযুক্তদের ৭৮ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল বলে দাবি। সেই টাকা আদায় করতেই তাঁকে মারধর করে সেক্টর ফাইভ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই অপহরণের পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

একুশের মঞ্চে ঋতব্রতের বড় প্রতিশ্রুতি! শহিদ পরিবার পাবে মাসে ১০ হাজার টাকা?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের শহিদদের পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।ঋতব্রতের দাবি, এই টাকা তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকেই দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা অঙ্ক কষে দেখেছি, এটা সম্ভব। বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে বিরোধ নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দুই শিবিরই আলাদাভাবে শহিদ দিবস পালন করেছে। বিড়লা তারামণ্ডলের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। অন্যদিকে, গান্ধী মূর্তির সামনে সভা থেকে একই দাবি করেন ঋতব্রত।তিনি বলেন, আমরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারসহ পূর্ণ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেছি। কেন আমরাই আসল তৃণমূল, তার সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা রাখি।ঋতব্রত আরও বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকেই আমরা শহিদ পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেব। এই টাকা তাদের জন্যই খরচ হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, আগের দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ জুলাই নিয়ে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, কমিশন শহিদ পরিবারগুলিকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের সুপারিশ করেছিল।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্বতন তৃণমূল সরকার শহিদ পরিবারগুলিকে মাত্র ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিল। তিনি আরও জানান, শহিদদের পরিবার আবেদন করলে রাজ্য সরকার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য দেবে।এই ঘোষণার পরদিনই ঋতব্রত শহিদ পরিবারগুলিকে মাসিক আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

দু’মাস পর অবশেষে মুখ খুললেন মোদী! নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুমাসেরও বেশি সময় পরে তিনি বলেন, এই ঘটনা ঘোর অন্যায় এবং এক ধরনের পাপ।গত ৩ মে ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বহু ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও ওঠে। লাদাখের শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এই দাবিতে। সোমবার সংসদ অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির লক্ষাধিক সদস্য অংশ নেয়। তবে এতদিন নিট কাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় বৈঠকে প্রথমবার এই বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেন মোদী। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত ১৩ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে।সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, নিট পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা ভেবেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

বিরোধী ঝড়ের মাঝেই মোদীর বড় বৈঠক! এনডিএ সাংসদদের কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

আজ এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দির, ইথানলসহ একাধিক ইস্যুতে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছে। এর মধ্যেই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাই বিরোধী আন্দোলনের মোকাবিলায় এনডিএর রণকৌশল কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনেই নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দিরে প্রণামী চুরি এবং অন্যান্য ইস্যুতে বিরোধীদের বিক্ষোভে সংসদের দুই কক্ষ বারবার মুলতুবি হয়। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করতে পারে বলে সূত্রের খবর।সরকারের লক্ষ্য, গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে এনডিএ শরিক সাংসদদের শতভাগ সমর্থন নিশ্চিত করা। বৈঠকে এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাবে এনডিএ সাংসদদের একই সুরে কথা বলার পরামর্শ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।তবে এই বৈঠকে এনসিপিআইকে ডাকা হয়নি। এনডিএর শরিক হলেও স্পিকারের কাছ থেকে এখনও এনসিপিআই দলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি। যদিও সর্বদলীয় বৈঠকে দলটি উপস্থিত ছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জটিলতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে রাখতেই আপাতত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ডাকা হয়নি।উল্লেখ্য, গত রবিবারও স্পিকার অফিস থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে নতুন করে একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে।অন্যদিকে আজ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরাও বৈঠকে বসবেন। সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন মল্লিকার্জুন খার্গে। উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধীও।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ঘুরছে। শোনা যাচ্ছে, শরদ পওয়ারের এনসিপি ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে অবস্থান বদল করতে পারে। যদি কেন্দ্র এই বিল সংসদে পেশ করে, তবে সেই বিলে শরদ পওয়ারের এনসিপি সমর্থন জানাতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

একুশের মঞ্চ থেকে ফিরতেই মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন! নতুন মোড় পুরনিয়োগ মামলায়

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র কে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৯ জুলাই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার আগে ২৩ জুলাই মদন মিত্রের স্ত্রীকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।সূত্রের খবর, মদন মিত্র তদন্তে সহযোগিতা করবেন। এর আগে কামারহাটি পুরসভার অবৈধ নিয়োগ মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। জুন মাসে ইডি ভবানীপুর, দক্ষিণেশ্বর-সহ তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে।গত ১৪ জুলাই ইডি মদন মিত্রের পরিবারকে নোটিস পাঠায়। সেই দিন সন্ধ্যায় তিনি এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা, প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পরের দিন তিনি বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন।শিবির বদলের পর থেকেই মদন মিত্র প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে শুরু করেন। একুশে জুলাইয়ের সভায় তিনি বলেন, আমি মমতাকে বলছি, অভিষেক এক ঘণ্টা সময় দিয়েছে, আমি আপনাকে এক মাস সময় দিচ্ছি। অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠানেও মদন মিত্র অভিষেককে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটির নোটিস পাঠান।এই রাজনৈতিক সংঘাতের আবহেই একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফেরার পর মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন পৌঁছেছে। ফলে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

২১ জুলাইয়েও কি নামবে বৃষ্টি? মমতার সভা ঘিরে বড় পূর্বাভাস

গত ১৫ বছর ধরে ২১ জুলাইয়ের সভায় রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজির হতেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। বৃষ্টির মধ্যেই বহুবার মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃষ্টি নামলে মমতা একে বলতেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এবার ২১ জুলাইয়ের আয়োজন বদলেছে, মঞ্চ বদলেছে, সমর্থকদের জমায়েতের ধরনও বদলেছে। কিন্তু আবহাওয়া কি আগের মতোই থাকবে? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মঙ্গলবার সারাদিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র দমদমে ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হয়েছে বীরভূম,মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। বিকেলের পর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট দেখা যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তাই মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে কয়েক দফা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, লাগোয়া জেলা, উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবারের প্রবল বৃষ্টির পর কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। দমদম ও আশপাশের এলাকায় জল নামেনি কৈখালি ও হলদিরামের রাস্তা এখনও জলের তলায়। এর ফলে কৈখালি থেকে হলদিরাম ও চিনার পার্ক পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। সাধারণত ৩-৪ মিনিটের রাস্তা পেরোতে এখন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, বুধবার দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

সিকিমের টানেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, এখনও ভিতরে আটকে ১৮ জন

সিকিমের নামচি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং প্রবেশপথের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আরও অন্তত ১৮ জন শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে।আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলে এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন রয়েছে।জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ এই টানেলটি ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশনের তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে।বিস্ফোরণের পর টানেলের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকজন শ্রমিক কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও বহু শ্রমিক ভিতরেই আটকে পড়েন।সোমবার বিস্ফোরণের সময় টানেলের ভিতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এনএইচপিসির কর্মীরাও ছিলেন। জেলা প্রশাসন ৭ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। বাকি ১৮ জনকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মিথেন গ্যাস, অক্সিজেনের ঘাটতি, কম দৃশ্যমানতা এবং টানেলের সংকীর্ণ পথ। ফলে উদ্ধারকারী দল সহজে ভিতরে পৌঁছতে পারছে না।সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে জেলা প্রশাসন দুর্ঘটনার খবর পায়। এরপরই এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, জেলা পুলিশ এবং দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।প্রথমে দমকল কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করলেও মিথেন গ্যাস ও অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হওয়ায় অভিযান মাঝপথে বন্ধ করতে হয়। উদ্ধারকারী দলের কয়েকজন সদস্যও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনডিআরএফ উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও একই কারণে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।সিকিম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নামচি জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতর রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। তবে এখনও আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগের রাতে চাঞ্চল্য! মঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগে রাতভর পাহারায় মমতা-অভিষেক

২১ জুলাইয়ের সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। একদিকে মেয়ো রোডে শহিদ তর্পণের কর্মসূচি নিয়েছে ঋতব্রত শিবির, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এর মধ্যেই সভামঞ্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চে বিজেপির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি তিনি। রাতভর বিড়লা তারামণ্ডল চত্বরে থেকে মঞ্চ পাহারা দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতা।সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রস্তুতির কাজ খতিয়ে দেখেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ তারামণ্ডল এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ফের সভাস্থলে পৌঁছন মমতা ও অভিষেক।সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে মমতা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজন এসে সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে। তিনি লেখেন, এটি শুধু একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও আমাদের কর্মী-সমর্থকদের অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।সভাস্থলে দাঁড়িয়ে মমতা আরও বলেন, চারিদিকে আমাদের মঞ্চ ভাঙা হচ্ছে। বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল। পোস্টার-ব্যানার সব ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বিজেপির ৬০-৬৫ জন বাইক নিয়ে এসেছে। তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এক অপরাধী, যিনি আদালতের নির্দেশে বাইরে আছেন।তাঁর অভিযোগ, কর্মী-সমর্থকদের সভাস্থলে আসতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। কালীঘাট তৃণমূল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার অভিযোগ পুলিশের কাছে জানিয়েছে।সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির গুণ্ডারা জড়ো হয়ে আছে। সকালের আগে মঞ্চ ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু দিদি এখানে থাকবেন, আমরাও এখানে থাকব। মঞ্চ পাহারা দেব।তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও অভিযোগ করেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করা হলেও নানা ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো রাত থেকেই মমতা ও অভিষেক সভাস্থলের সামনে ছিলেন। ডেরেক, মহুয়া, কল্যাণসহ একাধিক নেতা দফায় দফায় মঞ্চ পাহারা দেন। মঙ্গলবার সকালে মমতা দলের নেতাদের নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন। পরে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে, সকাল থেকেই কর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন।

জুলাই ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal