• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Manifesto

রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বেকার ভাতা! ইস্তাহারে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের ইস্তাহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিজ্ঞা নামে এই ইস্তাহারে দশটি অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক প্রকল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে আবারও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহিলারা সারা জীবন এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আগে ঘোষণা করা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।যুবকদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এতে বহু বেকার যুবক-যুবতী উপকৃত হবেন বলে দাবি করা হয়েছে।কৃষিক্ষেত্রেও বড় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কৃষির উন্নতির জন্য ত্রিশ হাজার কোটি টাকার বাজেটের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যে নতুন বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।স্বাস্থ্য পরিষেবায় দুয়ারে চিকিৎসা নামে নতুন প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি বছর প্রতিটি ব্লক ও শহরে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছয়।প্রবীণদের জন্যও বিশেষ উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকেন, ফলে বয়স্ক মানুষদের দেখাশোনার সমস্যা হয়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। নতুন সাতটি জেলা গঠন এবং পৌরসভার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি আবাস প্রকল্পে কাঁচা বাড়িকে পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।পানীয় জলের ক্ষেত্রেও বড় লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু বাড়িতে জল পৌঁছেছে বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী দিনে প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছেন।সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই ইস্তাহার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিশ্রুতিগুলি কতটা বাস্তবায়িত হবে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক! নতুন ইস্তেহারে কী দিচ্ছে তৃণমূল, জানলে অবাক হবেন

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুব সাথীর মতো একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বেশ কিছু ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এবার নজর তৃণমূলের নতুন ইস্তেহারের দিকে। সূত্রের খবর, ইস্তেহার প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই সেটি সামনে আসতে পারে।জানা যাচ্ছে, এবারের ইস্তেহারে সামাজিক সুরক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন পরিকল্পনার কথা থাকতে পারে। নতুন কোনও প্রকল্প ঘোষণা করা হবে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।এবারের ভোটে তৃণমূল আবারও বাংলা অস্মিতাকে বড় ইস্যু করতে চাইছে। অতীতে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বাঙালিদের সম্মান এবং অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন। ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদও করেছেন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বাংলা-বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ এনে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করেছেন তিনি। সেই ধারাই বজায় রাখতে চায় শাসক দল।২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূলের স্লোগান ছিল বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। এবার নতুন স্লোগান সামনে এসেছেযে লড়ছে সবার ডাকে, সেই বাঁচাবে বাংলা মা কে। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামতে প্রস্তুত তৃণমূল। এখন দেখার, সাধারণ মানুষের জন্য কী কী প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে এই ইস্তেহার।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

এবার ‘পাড়ায় সমাধান’-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের

আসন্ন পুরনির্বাচনে ইস্তাহারের বদলে উন্নয়নের রূপরেখা প্রকাশ করল তৃণমূল। যার মূল লক্ষ্যই হল সরকারি পরিষেবাকে আরও নাগরিকমুখী করা। শুক্রবার বিধানগর, শিলিগুড়ি ও চন্দননগর এই তিন জায়গার ইস্তাহার একই সময় প্রকাশে করেছে তৃণমূল। শিলিগুড়িতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। অন্যদিকে চন্দননগরে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল রায়, বিধাননগরে দলের ইস্তাহার প্রকাশে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায় এবং দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।কলকাতার মতো নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তিন পুরসভাতেই চালু করা হবে পাড়ায় সমাধান নামে বিশেষ অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে রাস্তা থেকে জলনিকাশি যে কোনও সমস্যার ছবি ও তথ্য জিওট্যাগ-সহ আপলোড করা যাবে। ইস্তাহারে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ১৪ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করা হবে।জল নিকাশি ও অন্যান্য পরিষেবায় জোর দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এলাকার পযর্টন ক্ষেত্রের উন্নয়নেও। এ দিন বিধাননগরে সংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, দলের কেউ যদি ভোট বানচালের চেষ্টা করে তবে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

TMC-Manifesto: তৃণমূলের ‘১০ দিগন্ত’ উন্নয়নের আশ্বাস

কলকাতার ১০ দিগন্ত।কলকাতা পুরভোটে তথাকথিত ইস্তাহার-এর বদলে নাগরিক পরিষেবার উন্নতিতে জোর দিয়ে তার রূপরেখা প্রকাশ করল তৃণমূল। অন্যান্য নাগরিক পরিষেবার উন্নতিতে জোর দেওয়া, পুর-প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে নাগরিকের দুয়ারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।দক্ষিণ কলকাতার মহারাষ্ট্র নিবাসে এক ঝাঁক তৃণমূল নেতার উপস্থিতিতে এই ইস্তাহার প্রকাশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, শশী পাঁজা-সহ দলের প্রার্থীরা।তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রত বক্সি বলেন, গত ১০ বছর ধরে কলকাতার নাগরিক পরিষেবার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তার আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে এই রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বৃষ্টি হলে জল দাঁড়াবে। কিন্তু সেই জল কত দ্রুত বেরিয়ে যাচ্ছে সেটাই দেখার বিষয়। এই রূপরেখাতে নিকাশি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।এই লক্ষ্যে গঠন করা হবে ওয়ার্ড পরিকল্পক কমিটি। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিনিধিত্বে এই কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রত্যেক মাসে বৈঠক করবে। এ ছাড়া পুরপ্রতিনিধির অফিসে একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল থাকবে। যেখানে ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করবেন। একটি নতুন মোবাইল অ্যাপও চালু করা হবে। যে অ্যাপে নাগরিকরা খারাপ রাস্তা, নর্দমা ও পরিষেবা অন্যান্য সমস্যা ছবি-সহ আপলোড করতে করতে পারবেন।একপলকে দেখে নিন কলকাতার ১০ দিগন্তের রূপরেখা : পাড়ায় পাড়ায় তৈরি হবে নিষ্পত্তি সেল। কোথাও সমস্যা হলে দ্রুত সুরাহা করার চেষ্টা হবে। নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি আরও ২০০ টি পাম্প । পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহে আরও জোর। ৩০ টি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য সেন্টার তৈরি করবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র মিলবে সম্পূর্ণ অনলাইনে। নাইট শেল্টার বাড়ানোর চেষ্টা। ৮ টি আছে। আরও ৪টি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কলকাতার পার্ক, বাজারহাট পরিচ্ছন্নতায় জোর।এ ছাড়াও শহরের মহিলাদের জন্য নিরাপত্তা, শহরের রাস্তায় সবুজায়ন, কলকাতার সংস্কৃতি ও পর্যটনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। গৃহহীনদের জন্য যে আশ্রয়স্থল কলকাতায় রয়েছে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয় এ দিন।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

BJP-Manifesto: 'কলকাতা জিতবে, জিতবে বিজেপি'-তে স্বচ্ছতা-শিক্ষা-সংস্কৃতি

আজ আসন্ন পুরভোটের গেরুয়া শিবিরের ইস্তাহারও প্রকাশিত হয়েছে। রয়েছে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বচ্ছতা, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বিজেপির-ইস্তাহারে।আজ ইস্তাহার প্রকাশের সময় শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, কলকাতাতে স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় গ্রিন সিটি,স্মার্ট সিটির রূপ দিতে চায় বঙ্গ বিজেপি। তিনি আরও জানিয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বাধীন এক দল এই ঘোষণাপত্র তৈরি করেছে।আগামী দিনে স্বচ্ছ ভারত ২.০-র আওতায় কলকাতাকে পরিচ্ছন্ন শহরের তালিকায় শীর্ষস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীরা। ইস্তাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শহরের প্রতিটি বাড়িতে যাতে শৌচাগার থাকে তা নিশ্চিত করা হবে এবং শহরে সর্বজনীন শৌচাগারের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে। এর পাশাপাশি কলকাতায় কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুরু করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির ইস্তাহারে। নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে ধাপার মাঠ পরিষ্কার করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।বাড়তি জোর দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উপরেও। নাগরিকদের সর্বোত্তম স্বাস্থ্য পরিষেবার অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। শহরের দূষণ মোকাবিলায় ১০ টি স্মগ টাওয়ার বসানো এবং ভুয়ো ভ্যাকসিন চক্রের হাত থেকে নাগরিকদের বাঁচাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকাকরণের কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ইস্তাহারে।বিজেপির পুরভোটের ইস্তেহারের প্রতিশ্রুতিগুলি নিম্নরূপ- ইস্তেহারের নাম দেওয়া হয়েছে কলকাতা জিতবে, জিতবে বিজেপি। পাড়ায় পাড়ায় হবে সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র। হর ঘর জল প্রকল্প ও আম্রুত প্রকল্পে মাধ্যমে ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে টিকাকরণ। কলকাতাকে দূষণ মুক্ত করতে ১০টি স্মোগ টাওয়ার তৈরি হবে। বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের বিশেষ ব্যবস্থা। আদিগঙ্গার পুনরজ্জীবন। দুর্গাপুজোর প্রতিমা তৈরি থেকে বিসর্জন-প্রতিটি ঘটনা তুলে ধরার জন্য জাদুঘর তৈরি হবে। দুর্গাপুজোর প্রধান মণ্ডপগুলি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য থাকবে সরকারি ট্যুর গাইড। রাজ্যের তৃণমূল সরকার দুর্গাপুজোর জন্য একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্লাবগুলিকে আর্থিক সাহায্য করা থেকে প্রতিমা বিসর্জনের সময় কার্নিভালের আয়োজন করা হয়েছে। পাড়ায়-পাড়ায় সংগীতের শিক্ষাকেন্দ্রে তৈরি হবে। কলকাতা মেট্রো, ট্রেন, ট্রাম, বাস যাত্রীদের জন্য ইউনিফায়েড কার্ড আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Left-Manifesto: প্রার্থী তালিকার পর ইস্তাহারেও অনেকটাই এগিয়ে বামেরা

প্রাথী তালিকা সবার আগেই প্রকাশ করেছিল বামেরা। ইস্তাহারে টিজার, খসড়া এবং চূড়ান্ত প্রকাশ সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকল বামেরা। জল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক লড়াই বিভিন্ন ভাবনার মিশেলের এই ইস্তাহারে বাকিদের অনেকটাই পিছনে ফেলেছে বামেরা।কোভিড কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি উঠোনে পাঠশালা হোক কিংবা শ্রমজীবীদের ক্যান্টিন, রেড ভলান্টিয়ার টিম থেকে শুরু করে বয়স্কদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অ্যাপ বা তৃতীয় লিঙ্গের জন্য বিশেষ ভাবনা, প্রতিটি ইস্যুকেই দেওয়া হয়েছে বাড়তি গুরুত্ব।বাম ইস্তাহারে পরিবেশ ধ্বংস কিংবা খেলার মাঠ নষ্ট, সে সব নিয়ে স্পষ্ট নীতির কথা বলা হয়েছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও প্রতিশ্রুতি পালন করতে চান বাম নেতারা। একইসঙ্গে এক পদ এক ব্যক্তি নীতি কার্যকর করারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মেয়রের হাতেই সব নয়, বরং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ কথা বলা হয়েছে। ইস্তাহারে উল্লেখ করা হয়েছে শ্রমিকদের সুরক্ষার কথাও। কলকাতা পুরনিগমের প্রতিটি ওয়ার্ডে শ্রমজীবী ক্যান্টিন এবং শ্রমজীবী বাজার চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১০০ দিনের কর্মী জন্য দৈনিক মজুরি ন্যূনতম ৩২৭ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি, পুরনিগমের প্রতিটি বরো এলাকায় অন্তত একটি করে নাইট শেল্টার তৈরি করা হবে দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষদের জন্য।এ ছাড়া দূষণমুক্ত কলকাতা গড়ার দিকেও নতুন দিশা দেখানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বামেরা। সিএনজি অথবা ইলেকট্রিক বাস চালু করার পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় গ্রিন জোন তৈরি করা হবে বলেও জানানো হয়েছে । এর পাশাপাশি পুকুর ভরাট কিংবা গাছ কাটার মতো সমস্যগুলির মোকাবিলায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বামেরা। প্রতিটি বাজার এলাকায় পরিবেশ বান্ধব ক্যারিব্যাগের স্টোর তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাজনীতি

ইস্তেহারে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসেরও

সোমবার বাংলার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। সেখানে রাজ্যের প্রতি পরিবারকে মাসিক মোটা অঙ্কের সরাসরি অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে নারী সুরক্ষা ও শিক্ষার উপর। এদিকে এদিন কংগ্রেসের আরও দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। বিধাননগর আসনটি থেকে কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাটোয়া থেকে প্রার্থী হচ্ছেন প্রবীর গঙ্গোপাধ্যায়।ছত্তিশগড়ের মডেলেই বাংলায় পরিবার পিছু সরাসরি আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিল কংগ্রেস। তাদের ইস্তেহারে বলা হয়েছে, বঙ্গে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে প্রতি পরিবারকে মাসিক ৫ হাজার ৭০০ টাকা সরাসরি অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দাবি, লকডাউনের ফলে বাজারে চাহিদা কমেছে। সেই চাহিদা বাড়াতে প্রতি পরিবারের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া দরকার। বারবার কেন্দ্র সরকারকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। তাই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে আমরাই এই ব্যবস্থা করব। যাতে মানুষের হাতে টাকার জোগান বাড়ে। ফলে বাজারের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। তাতে কর্মসংস্থান বাড়বে। উল্লেখ্য, বামেদের তরফে মাসিক ৯ হাজার টাকা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের তরফে সাধারণ পরিবারকে মাসিক ৫০০ টাকা ও তপসিলি জাতি-উপজাতির পরিবারকে মাসিক হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আর বিজেপির তরফে পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি না থাকলেও, মহিলাদের বিনামূল্য পরিবহণ, শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরাসরি আর্থিক সাহায্য ছাড়াও নারী ও মহিলা সুরক্ষায় জোর দিয়েছে কংগ্রেস। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কর্মসংস্থান ও শিল্পের উন্নয়ন নিয়েও। এদিন অধীর জানিয়েছেন, কংগ্রেসের তরফে আন্দোলন ডট ইন নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। যেখানে দলের সমর্থক-কর্মীরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি, মতামত তুলে ধরতে পারেন। রাজনৈতিক মহল বলছে, এবার নির্বাচনে বঙ্গবাসীর মন জয় করতে এবার সব দলই পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কংগ্রেসও সেই পথেই হাঁটল।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

একাধিক প্রতিশ্রুতির ঝুলি নিয়ে ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অমিত শাহ

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতা লাগোয়া পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির ইস্তেহারে রয়েছে একাধিক চমক। ইস্তেহার প্রকাশের আগে শাহ বলেন, ইস্তেহার শুনে আমাকে প্রশ্ন করবেন না যে এর টাকা কোথা থেকে আসবে? আমি বণিক পরিবারের সদস্য, পাই পয়সার হিসাব করে ইস্তেহার বানিয়েছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ অন্য নেতৃবৃন্দ। এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে অমিত শাহ বলেন, এটা সংকল্প পত্র। এটা মেনেই বিজেপি সরকার চলবে। সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এই ইস্তেহার। এই ইস্তেহার খুব গুরুত্বপূর্ণ বিজেপির কাছে। বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা চরমে। রাজনীতির দুরবৃত্তায়ণ হয়েছে। বাংলায় ভোট ব্যাংকের রাজনীতি। তৃণমূলের কুশাসনে বাংলার কালো অধ্যায়। এই আমলে পিছিয়ে পড়েছেন মহিলারা।ইস্তেহার প্রকাশ করে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি সবসময় সংকল্পপত্রকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছে। সংকল্পপত্রের উপর ভিত্তি করেই বিজেপি সরকার চালিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতে কীভাবে সোনার বাংলা তৈরি করব, তা এই সংকল্পপত্রে আছে। রাজ্যের মানুষের মতামত নিয়ে সংকল্পপত্র তৈরি হয়েছে। সোনার বাংলা কোনও অলীক কল্পনা নয়। অতীতে বাংলা ভারতের থেকে এগিয়ে থাকত। বাংলা থেকেই স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। জনগণমন, বন্দেমাতরমের সৃষ্টি হয়েছে বাংলার মাটিতেই। শিক্ষা, বিজ্ঞান, সাহিত্য সব ক্ষেত্রে বাংলা এগিয়ে ছিল। কিন্তু গত ৭৩ বছর ধরে বাংলা একটু একটু করে পিছিয়ে গিয়েছে। ১৯৬৭ সালের পর থেকে বাম ও মমতার শাসন বাংলাকে পিছিয়ে দিয়েছে। নারীসুরক্ষায় বাংলা আজ পিছিয়ে পড়েছে। গত ১০ বছরে তৃণমূলের কুশাসনে অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছে। তোষণ, দুর্নীতি, গোরুপাচার, অনুপ্রবেশ ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। মমতা প্রশাসনের রাজনীতিকরণ করেছেন। রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন করেছেন মমতা। পঞ্চায়েত ভোটে মানুষ ভোট দিতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙেছেন মমতা। কংগ্রেস, বাম, তৃণমূলকে স্বাধীনতার পর থেকে সুযোগ দিয়েছেন। একবার বিজেপিকে সুযোগ দিন, সোনার বাংলা তৈরি করব।বিজেপি-র ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, রাজ্য সরকারি চাকরিতে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ। কিষাণ সম্মান নিধিতে বকেয়া ১৮ হাজার টাকা ব্যাংক ট্রান্সফার। তারপর বছরে ১০ হাজার টাকা প্রতিবছর দেওয়া হবে। মৎস্যজীবীদের বছরে ৬ হাজার টাকা অনুদান। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের প্রত্যেক গরিবকে আনা হবে। অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে। সরস্বতী, দুর্গাপুজোর জন্য আদালতে যেতে হবে না। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আগামী ৫ বছর শরণার্থী পরিবারকে বছরে ১০ হাজার টাকা অনুদান। কেজি থেকে পিজি পর্যন্ত মহিলাদের পঠনপাঠন বিনামূল্যে। সরকারি বাসে মহিলাদের যাতায়াত বিনামূল্যে। রাজ্যে আরও ৩টি এইমস তৈরি হবে। ক্ষমতায় এসেই ৭ম বেতন কমিশন বসাব। নোবেল পুরস্কারের মতো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে পুরস্কার চালু হবে। বিধবাদের পেনশন ১ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার করা হবে। মহিলাদের সুরক্ষায় পুলিশে পৃথক ব্যাটেলিয়ন চালু হবে। কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটির তহবিল তৈরি হবে। মৎস্যজীবীদের জন্য ৩ লক্ষ টাকার দুর্ঘটনা বিমা। মৎস্যজীবীদের সব নৌকা যন্ত্রচালিত করা হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে ১০ হাজার কোটির তহবিল। স্কুল পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের জন্য বিদ্যাসাগরের নামে ২০ হাজার কোটির তহবিল। রাজ্য সরকারি চাকরির জন্য কমন এলিজিবল টেস্ট চালু হবে। শৈলেন মান্না স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি তৈরি করা হবে। আধাসেনায় নারায়ণী সেনা ব্যাটালিয়ন চালু হবে। রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা নিশ্চিহ্ন করব। এমএসএমই-তে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টার ছাড়াই ঋণ। শহরে পরিকাঠামো উন্নয়নে ৩০ হাজার কোটি বরাদ্দ। বাগডোগরা বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের তৈরি হবে। গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মানের গড়ে তুলতে ২৫০০ কোটির তহবিল। সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহার আবশ্যিক করার চেষ্টা। শান্তিনিকেতনকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠা দিতে ১৫০ কোটি বরাদ্দ হবে। বাংলায় মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার প্রশ্ন। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে মনীষীদের জন্য চেয়ার থাকবে।বিজেপির ইস্তেহারে আরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, টলিউডের কলাকুশলীদের সাহায্য করা হবে। রাজ্যে ৯টি পৃথক পর্যটন সার্কিট তৈরি হবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ৫ টাকায় ৩ বেলার আহারের ব্যবস্থা হবে। এসসি, এসটি সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন প্রক্রিয়া চালু হবে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি হবে। চা বাগানের শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩৫০ করা হবে। আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য মডেল স্কুল তৈরি হবে। কলকাতার উন্নয়নে ২২ হাজার কোটির তহবিল। কালীঘাটের আদিগঙ্গার সংস্কার করা হবে।

মার্চ ২১, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহারে একগুচ্ছ চমক

তৃণমূল ভবন থেকে বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কী কী প্রতিশ্রুতি রইল তৃণমূলের ইস্তেহারে, দেখে নেওয়া যাক এক নজরে: বছরে চার বার দুয়ারে সরকার। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জাত-ধর্ম নির্বিশেষে বিধবা ভাতা। দুয়ারে দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। দেড় কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। বাংলার প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ১.৬ কোটি পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা। তপসিলি পরিবারকে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৬৮ লক্ষ কৃষককে প্রতি বছর দশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। কোনও জামিনদার লাগবে না। সরকার-ই জামিনদার। ১০ লক্ষ টাকা ঋণ মিলবে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স। মাহিষ্য, তিলি, তামুলি, সাহা, কিষানদের ওবিসি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তোলা হবে। বড় শিল্পে ৫ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ করা হবে। ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্বের হার কমিয়ে অর্ধেক করা হবে। দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার। ইতিমধ্যে দুয়ারে রেশন অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার মতো পরিকল্পনার কথা প্রচারে গিয়ে বলেছেন মমতা। তার পাশাপাশিই রইল পিছিয়ে পড়া নানা সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়নের কথা। রইল পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকারও।ইতিমধ্যে জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া নিয়ে কড়াকড়ি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও মূল্যে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে, জাতিগত শংসাপত্র পেতে যেন কোনও সমস্যা না হয়। তার পর থেকেই কয়েক লক্ষ শংসাপত্র দেওয়ার কাজ হয়েছে দুয়ারে সরকারের শিবিরে। এ কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। ইস্তেহারেও এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাজেটে যে প্রকল্পগুলোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোও চলবে।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি

নির্বাচনের আগে ইস্তেহার নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠকে বসল বিজেপির ইস্তাহার বিষয়ক কমিটি। বৃহস্পতিবার শহরের একটি হোটেলে তারা বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়-সহ দলের ১৪ জন সাংসদ। সাধারণত ভোটের কাছাকাছি সময়ে শুরু হয় ইস্তাহার তৈরির প্রক্রিয়া। তবে অপেক্ষা করতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলই আসল ভোগীঃ দিলীপ ইস্তাহার বিষয়ক কমিটির সুভাষ সরকার, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় ও অসীম ঘোষ। হাজির হন ১৪ জন সাংসদ। রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নথিবদ্ধ করা হয়েছে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের অভাব-অভিযোগ। এ দিনই দিলীপ ঘোষ ডাক দিয়েছেন, সবাই মিলে লড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। সংবিধান দিবস নতুন কর্মসূচির সূচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নাম দেওয়া হয়েছে, আমরা সবাই সাংসদ। আমাদের দিলীপদা ওয়েবসাইটে সরাসরি সমস্যা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন , বিহারের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি বিজেপির

সামনেই বিহারে নির্বাচন। তার আগে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করে তাতে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বিজেপির প্রকাশ করা সংকল্পপত্রে সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি হল ক্ষমতায় ফিরলে বিনামূল্যে সকলের জন্য করোনার ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা এবং বিহারবাসীর জন্য ১৯ লক্ষ চাকরি। এছাড়াও, ৩ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, বিহারকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তোলা, এক কোটি মহিলাকে আত্মনির্ভর করা সহ বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বোনাসের ঘোষণা কেন্দ্রের তিনি এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে বলেন, বিহারের বৃদ্ধি ভারতের বিকাশের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তিনি ভোটারদের এনডিএর মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নীতীশ কুমারের সমর্থন বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের

এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির উদ্যোগে বুধবার প্রকাশিত হল বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিকল্প বক্তব্য হাজির করা হয়েছে এই বইতে। 'মহামারীর শিক্ষা ও শিক্ষায় মহামারী ' আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন প্রাক্তন ছাত্র-যুব নেতৃত্ব কমরেড মহ: সেলিম।এছাড়াও এদিনের বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচায।বইটি এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির দফতর, জেলা দফতরে পাওয়া যাবে। এছাড়াও এনবিএ'র বিপণি কেন্দ্রে পাওয়া যাবে। দাম ২৫ টাকা।প্রসঙ্গত, জাতীয় শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বামেদের অভিযোগ রয়েছে। এবার সেটাই বই আকারে প্রকাশ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে এসএফআই।

অক্টোবর ০৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal