• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengali Language

রাজ্য

স্কুল সহ রাজ্য সরকারি চাকরিতে বাংলা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে রাজপথে বিক্ষোভ বাংলা পক্ষ'র

১৮ ই ফেব্রুয়ারি রবিবার ডাব্লু বি সি এস (WBCS) সহ সব রাজ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা ও বাধ্যতামূলক ভাবে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা শিক্ষার দাবিতে কলকাতায় রাজপথে মহামিছিল করল বাংলা ও বাঙ্গালিত সংগঠন বাংলা পক্ষ। ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ঠিক তার প্রাক্কালে এই মিছিল ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর পাড়া হাজরা মোড় থেকে শুরু হয়ে বরীন্দ্রসদন চত্বরে শেষ হয় এই পদযাত্রা। এও পদযাত্রায় হাজার হাজার বাঙালি অংশগ্রহণ করেন।মূলত বাঙ্গালি যুব সমাজের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। এই মিছলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। মিছিল থেকে স্পষ্ট হিন্দি-উর্দু তোষণ বিরোধী আওয়াজ ওঠে। দাবী ওঠে বাংলার মাটিতে এই ধরনের কোনও তোষণ চলবে না। তাঁরা এও দাবী রাখে, WBCS এ হিন্দি-উর্দু ঢোকানো চলবে না। সমস্ত স্কুলে এবং রাজ্য সরকারি চাকরিতে বাংলা বাধ্যতামূলক করার জোরালো দাবী তোলে তাঁরা। তাঁদের দাবী, বাংলার সর্বস্তরের বিশিষ্টরা বাংলা পক্ষর পাশে আছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বাঙালির কথা ভাবার অনুরোধ বাংলা পক্ষের।সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় জনতার কথাকে জানান- ভারতের অন্য রাজ্যে যা স্বাভাবিক বাংলায় তা অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে, বাংলা পক্ষ এই অবস্থার বদল চায়। আজকের এই মিছিলে বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে বাঙালি দল, ধর্মের ঊর্ধে বাংলা পক্ষর দাবির পাশে আছে। বাঙালি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাও এই দাবিতে বাংলা পক্ষর পাশে আছেন। সার্বিক ভাবে বাঙালি নিজের অধিকারের দাবিতে জেগে উঠছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে যে চিঠি দেওয়া হচ্ছে, সমর্থন জানিয়ে তাতে স্বাক্ষর করেছেন প্রবীন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, শিক্ষাবিদ ও গবেষক পবিত্র সরকার, গায়ক নচিকেতা চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী, কবি সুবোধ সরকার, নাট্যকার চন্দন সেন, ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য সহ সমাজের নানা ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত বাঙালিরা। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে ভাষাদিবস পালন অর্থহীন, ভাষা কিভাবে বাঁচবে, বাঙালি কিভাবে বাঁচবে সেই বিষয়ে আন্দোলন দরকার। পথে নেমে বাঙালির দাবিতে সোচ্চার বাংলা পক্ষর আগে আর কেউ হয়নি এই বাংলার মাটিতে। আজকের এই মিছিলের গুরুত্ব এখানেই, হাজার বাঙালি আজ চাকরি থেকে স্কুল শিক্ষায় বাংলা বাধ্যতামূলকের দাবিতে পথে নেমেছে, সমর্থন জানিয়েছেন বাঙালি সমাজের বিভিন্ন জগতের কৃতী সন্তানরা, এ এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন। বাঙালির এই ঐক্যবদ্ধ দাবি বাংলার সরকারকে ভাবতে বাধ্য করবে বলেই তিনি আশাপ্রকাশ করেন।গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক মাইতি ছাড়াও রবিবাসরীয় পদযাত্রায় বাংলা পক্ষের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, মনন মন্ডল, রজত ভট্টাচার্য, সম্রাট কর, ডাঃ আব্দুল লতিফ, মহঃ সাহীন, সৌম্যকান্তি ঘোড়ই সহ জাতীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বিভিন্ন জেলা নেতৃত্ব।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪
কলকাতা

বাংলা সহ নানা অহিন্দি রাজ‍্যে 'হিন্দি দিবস' এর নামে হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে রাজপথে মশাল মিছিল

১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটি হিন্দি দিবস হিসাব পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন বাংলা পক্ষ আজকের দিনটিকে কালো দিন বলে আক্ষা দিচ্ছে৷ বাংলা পক্ষের মতে, বাংলা সহ সমস্ত অহিন্দি ভাষার দ্বিতীয় শ্রেণীর হওয়ার দিন ১৪ই সেপ্টেম্বর। বাংলা পক্ষের যুক্তিতে, ভারতীয় যুক্ত রাষ্ট্রের কেন্দ্র সরকার হিন্দি ভাষার ব্যবহার ও প্রসারকে উৎসাহিত করতে শুধু নয়, হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দিতে আজকের দিনটিকে বেছে নিয়েছে। শুধু আজকের দিনটিই নয় এক পক্ষকাল ধরে সব কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে হিন্দি পক্ষ পালনের নামে প্রশাসনিক থেকে শিক্ষা, সবস্তরেই হিন্দি ব্যবহার করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করা হয়।বাংলা পক্ষ মনে করে, ভারতের মতো একটি বহুভাষিক যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র একটি ভাষার জন্য এই উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী ও অহিন্দি জাতিগুলির মৌলিক অধিকার হরণের হীন প্রচেষ্টা। ভারতের হিন্দিভাষী অঞ্চল থেকে যে কর আদায় হয়, তার পরিমাণ অহিন্দি জাতিগুলির এলাকা থেকে আদায় হওয়া করের থেকে অনেক কম। অথচ সেই অহিন্দি জাতির করের টাকাতেই রাষ্ট্র জুড়ে হিন্দি ভাষার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে উৎসব হচ্ছে। ভারতের সব অহিন্দি জাতির মতোই বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষ এই বিমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদ করছে।বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষের সেই প্রতিবাদের একটি রূপ আজ দেখা গেল কলকাতার রাজপথে মশাল মিছিলের মাধ্যমে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মশাল মিছিলে বাঙালির গর্জন দেখলো কলকাতার রাজপথ। বাংলা পক্ষ আজ রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে দাবি ওঠে হিন্দি আগ্রাসন তথা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস করার। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক তথা শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক মামুদ আলি মন্ডল, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ের পথসভা থেকে গর্গ চট্টোপাধ্যায়, আজকের দিনটিকে সকল অহিন্দি জাতির জন্য কালো দিন আখ্যাদিয়ে বলেন আজ থেকে প্রতিটা বছর বাংলা জুড়ে ১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে মশাল মিছিল করে কালো দিন হিসাবে পালন করবে। আমাদের টাকায় মানে অহিন্দি জাতির টাকায় অহিন্দি জাতির উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। বাংলা ভাষার সমানাধিকার চাই। আমরা হিন্দি বিরোধী না। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের নখ -দাঁত উপড়ে দেব। আমরা সকল অহিন্দি জাতি একসাথে লড়াই করছি, লড়াই আরও জোরদার হবে।কৌশিক মাইতি বলেন বাংলা পক্ষ হিন্দি ভাষার বিপক্ষে নয়, কিন্তু হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিপক্ষে। বিহার, উত্তর প্রদেশে হিন্দি দিবস সাড়ম্বরে পালিত হোক, কিন্তু বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো অহিন্দি রাজ্যে হিন্দি দিবস পালন মানে আগ্রাসন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
রাজ্য

বাংলার পুলিসে এসআই (SI) নিয়োগের পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের বাধ্যতামূলক বাংলা পেপারের দাবিতে আরক্ষা ভবনে বাংলা পক্ষর ডেপুটেশন

বুধবার বাংলা পক্ষ সংগঠনের পক্ষ থেকে পুলিসে এসআই (SI) নিয়োগে ১০০ নম্বরের বাংলা পেপার বাধ্যতামূলক করার দাবিতে ডেপুটেশন জমা দিল বাংলা পক্ষ। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন এবং অন্যান্য সদস্যরা।পুলিস রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের অফিসাররা কথা বললেন বাংলা পক্ষর দুই প্রতিনিধি গর্গ চট্টোপাধ্যায় এবং কৌশিক মাইতির সাথে বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ জানান, পুলিস রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের পক্ষ থেকে স্মারকলিপির রিসিভ কপি দেয়নি। বাংলার শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে বাঙালিকে দৈনন্দিন জীবনে নিশ্চয়তা ও আইনের শাসন পৌঁছে দিতে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই পুলিশের চাকরিতে সাব ইন্সপেক্টর (S.I) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ। বিভিন্ন থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে প্রথমেই এই SI পদমর্যাদার আধিকারিকদের সঙ্গেই কথা বলতে হয়।বাংলার জনসংখ্যার ৮৬% বাঙালি এবং তারমধ্যে ৮৩% শুধুই বাংলা ভাষায় কথা বলেন। সুতরাং ভাষা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে অভিযোগকারী ও পুলিশ আধিকারিকের সমন্বয়ের ক্ষেত্রে। বাংলায় বাংলাভাষী পুলিশ আধিকারিক হবেন এটাই আশা করা যায়। কৌশিক জানান, ভারতের অন্যান্য রাজ্যের এই সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদায় নিয়োগ পরীক্ষায় রাজ্যের মূল ভাষার একটি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ভাবেই রাখা হয়। যেমন- গুজরাতে ১০০ নম্বর গুজরাটি, তামিলনাড়ুতে ১০০ নম্বর তামিল, অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানায় ১০০ তেলেগু, বিহারে ২০০, উত্তরপ্রদেশে ১০০ এবং রাজস্থানে ২০০ নম্বর হিন্দি, কর্ণাটকে ৫০ নম্বর কণ্ণড় বাধ্যতামূলক, পাঞ্জাব, মহারাষ্ট্রেও রাজ্যের মূলভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।তিনি আরও জানান, দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৮৬% বাঙালির রাজ্যে তিন নং পেপারে (Paper-III) ভাষার পরীক্ষায় বাংলা ও নেপালীর সঙ্গে হিন্দি এবং উর্দু রয়েছে। এরফলে বাংলা না জেনেই বাংলার পুলিশে S.I পদমর্যাদার অতি গুরুত্বপূর্ণ চাকরি পাওয়া যায়। এরফলে যেমন বাংলার চাকরি বাংলার বাইরে থেকে এসেও পাওয়া যায় তেমনি প্রশাসন ও সাধারণ বাঙালির মধ্যে ভাষাগত ব্যবধান থেকেই অবিশ্বাসের অবাঞ্চিত বাতাবরণ তৈরী হয়।কৌশিক মাইতি জানান, আমরা দেখেছি অতীতে কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় আপনারা নিয়োগ প্রক্রিয়া সংশোধন করে শুধুমাত্র বাংলা ও নেপালী ভাষা রেখেছিলেন, এরফলে যেমন চাকরিপ্রার্থী বাঙালি উপকৃত হয়েছে তেমনি সাধারণ বাঙালি জনসাধারণও উপকৃত। আমরা আশা রাখি S.I নিয়োগের পরীক্ষাতেও দ্রুত সংশোধনী এনে বাংলা (দার্জিলিঙে নেপালী) ভাষার ন্যূনতম ১০০ নম্বরের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করবেন।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

BanglaPokkho: বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগের

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাদের এই সিদ্ধান্ত জানালেন। বংলাপক্ষে-র তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালানো হচ্ছিলো যাতে সরকারি বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশিকা বাংলায় প্রকাশ করা হয়। বাংলাপক্ষের প্রথম সারির ব্যাক্তিত্ব কৌশিক মাঝি দাবি করেন তাদের আন্দোলনকে মান্যতা দিয়েই এই সিদ্ধান্ত। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে তাদের ত্রৈমাসিক বিলের স্পট প্রিন্টিং এবার থেকে বাংলায় করার সিদ্ধান্ত নিলো। তবে এটা ঐচ্ছিক, স্পট মিটার রিডিং নেওয়ার পর তারা গ্রাহকের চাহিদা মতো বাংলা অথবা ইংরাজি তে প্রিন্ট করে দেবেন।বাংলাপক্ষের পক্ষ থেকে কৌশিক মাঝি জনতার কথা কে জানান গ্রাম বাংলার সাধরণ মানুষ ইংরাজি ভাষায় ততটা সড়্গড় নন, ইংরাজি ভাষায় বিল বোঝাটা তাদের পক্ষে খুব সমস্যার কারণ হ্যে ওঠে, সেই সমস্ত মানুষজনকে অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় বিলটা বোঝা জন্য। এবার থেকে তাঁরা নিজেদের বিল নিজেরাই বুঝে নিতে পারবেন। আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি বিদ্যুৎ দপ্তরের এই সিদ্ধান্ত-কে। তিনি জনতার কথা কে আরও জানান যে বিদ্যুৎ দপ্তরের বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা ডব্লু বি এস ই ডি সি এল (WBSEDCL) -র চাকরি বহিরাগতরা দখল করে নিচ্ছিল দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার চাকরির পরীক্ষায় বাংলা ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়েছে। এর ফলে আরও বেশী করে বাংলার মানুষ এই দপ্তরে চাকরির সুবিধা পাবেন।তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে দাবী করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বাংলাপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন চলিয়ে যাচ্ছেন সরকারি ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর জন্য। তাঁদের দাবি, তাঁদের আন্দোলের ফলে কলকাতা মেট্রোরেলের স্মার্ট কার্ডে ও রেলের টিকিটে বাংলা ফিরে এসেছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলার পুলিস কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হয়েছে (পরীক্ষা বাংলা ও নেপালী ভাষায় হয়), এছাড়া বাংলা জুড়ে বিভিন্ন ব্যাংকে ও পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবার দাবিতে ডেপুটেশন দেওয়ার ফলে নানা ব্যাংকের ফর্ম, এটিএমে বাংলা এসেছে। শিলিগুড়ি পোস্ট অফিস সহ অন্যান্য জায়গায় বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসন অফ বেঙ্গল এর প্রথম ডিভিশন ও দ্বিতীয় ডিভিশনে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলা ভাষায় সাইনবোর্ড লেখা বাধ্যতামূলক করে আসানসোল কর্পোরেশনে আইন পাশ হয়েছে যাতে সমস্ত দোকান ও কোম্পানীতে এই নির্দেশ মানে। কৌশিক মাঝি আরও জানান তাঁদের আন্দোলের ফলে সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজ ও টেন্ডারে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে বাংলা পক্ষর ক্রমাগত লড়াইয়ের ফলে নানা কারখানা ও কোম্পানীতে বাঙালিরা কাজ পাচ্ছে। তাঁরা বিধানসভায় আইন পাশের দাবিতে লড়াই চলাচ্ছেন। তিনি বলেন সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অহিন্দি জাতির ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের কপি বাংলা ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে, বাংলার বিমানবন্দর গুলোয় বাংলায় ঘোষণা শুরু হয়েছে, ব্যাংকে চাকরির পরীক্ষা বাংলা সহ ভারতের ২২ টি সরকারি ভাষায় দেওয়ার সুযোগ এসেছে এবং সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়া যায়।কৌশিক মাঝি বলেন তাঁদের দাবি হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা-এই মিথ্যে প্রচার বাংলা পক্ষর জোরালো প্রচারেই ধ্বংস হয়েছে। বাঙালির কাছে এখন এই সত্য পরিষ্কার -হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা না, ভারতের কোনো রাষ্ট্রভাষা নেই। বহিরাগত নানা কোম্পানীতে কাজ করে বাঙালি হেনস্থার শিকার হলে, কাজ হারালে এবং বেতন না পেলে বাংলা পক্ষর চাপে নানা জায়গায় বাঙালি তার অধিকার ফিরে পাচ্ছে। রাজ্য সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারি অধ্যাপক নিয়োগের চাকরির জন্য স্টেট ইলিজিবিলিটি (SET) পরীক্ষা প্রথমবার বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ পাবে বাঙালি। এটা বাংলা পক্ষর আন্দোলনেরি ফসল। তিনি জানান বাংলা পক্ষর আন্দোলনে এমাজন (Amazon), ফ্লিপকার্ট (Flipkart) সহ নানা কোম্পানীর পরিষেবা বাংলায় পাওয়া যাচ্ছে। কোকোকলা (Coca-Cola), নেস্টলে (Nestle), বিসলেরি (Bisleri) সহ নানা বড় কোম্পানীর পণ্যের লেবেল বাংলা ভাষাই ছাপছে। তাদের উল্লেখযোগ্য দাবী বর্তমান বাংলার রাজনীতি আজ বাঙালিময়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাংলার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে তার কাণ্ডারী বাংলা পক্ষ।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
বিদেশ

অস্ট্রেলিয়ায় বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের স্বীকৃ্তি , চালু বাংলায় সরকারি ওয়েবসাইট

বেদান্ত লাহিড়ীঃ কলকাতার বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের ফল এবার সুদূর অস্ট্রেলিয়াতেও। বাংলাপক্ষ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষার জন্য যেভাবে লড়াই শুরু করেছে , সূদুর অস্ট্রেলিয়াতে সেই একই লড়াইয়ে সামিল বারাসতের ছেলে অর্ণব ঘোষ রায়। মূলত তারই উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া স্টেটের স্বাস্থ্য দফতরে বাংলা ওয়েবসাইট চালু হল। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির আইনের ছাত্র অর্ণব। বয়স ৩৮ বছর। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির আইনের ছাত্র সে। তাঁর অদম্য লড়াইয়ে এল এই ঐতিহাসিক সাফল্য। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বাঙালিদের কথা চিন্তা করেই এই ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতের ৫৪,৫৬৬জন বাঙালি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। এছাড়াও সেখানে বাংলাদেশের বাঙালিও আছেন । দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় থাকার পর অর্ণব জানতে পারেন , ভাষাগত কারণে বাঙালি প্রবীণরা সেখানে নানা ধরনের অসুবিধায় পড়ছেন। ভাষাগত অসুবিধা দূর হলে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তা সহজ হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে আলোচনা করেন অর্ণব। এমনকী বিষয়টি মেলবোর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনার জন্য উত্থাপিত করেন তিনি। সেখান থেকেই সরকারি স্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়।কারণ, অস্ট্রেলিয়ায় সরকারি নীতি নির্ধারনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। অনেকদিনের ঐকান্তিক লড়াইয়ের পর দিন চারেক আগেই স্বাস্থ্য দফতরের বাংলা ওয়েবসাইট চালু হল। স্বীকৃতি পায় অর্ণবের লড়াই। অর্ণব বললেন, এর ফলে বেশ কয়েকজন যুবকের কাজেরও সুযোগ হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্ণবের বাবা ছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী। ২০০৩ সালে তিনি পড়াশুনো করতে অষ্ট্রেলিয়া পাড়ি দেন। দুবছর পর ফেডারেল ইউনিভার্সিটি থেকে কমার্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৭-তে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার অব ইন্সটিটিউট অব পাবলিক অ্যাকাউন্টেন্ট। ২০০৯ সালে সেখানে নাগরিকত্বের অধিকার পান। ২০১৪ তে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন তিনি। সলিসিটর হওয়ার লক্ষ্যে এখন ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব ল পড়ছেন অর্ণব। তাঁর এই লড়াইয়ের পাশে রয়েছে পৃথিবী্র আপামর বাঙালি।

অক্টোবর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal