• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজ্য

Soumitra Khan: উত্তরবঙ্গের পর পৃথক রাজ্যের দাবি সৌমিত্রেরও

দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত উত্তরবঙ্গ। স্রেফ এই অভিযোগ তুলেই উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য কিংবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি (BJP) সাংসদ জন বার্লা। তা নিয়ে বিজেপির অন্দরেই মতানৈক্য তৈরি হয়েছে। দলের কেউ কেউ তাঁকে সমর্থন করেছেন, কেউ আবার বিরোধিতা। এসবের মাঝেই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan)। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগাভ্যাসের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুন্নয়ন নিয়ে বার্লার দাবিকে সমর্থন জানালেন তিনি। বললেন, রাঢ়বঙ্গও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এখানকার কোনও যুবকের চাকরি হয় না। এখানকার সম্পদ নিয়ে যাওয়া হয় অন্যত্র। কিন্তু উন্নয়নের লেশমাত্র নেই। এখন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম নিয়ে পৃথক রাজ্যের দাবি উঠতেই পারে।আরও পড়ুনঃ দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকারবঙ্গভঙ্গ চাইছে বিজেপি। জন বার্লার দাবির পর থেকে এই অভিযোগে সরব শাসকদল তৃণমূল (TMC)। দলের নেতারা এর বিরোধিতায় তীব্র সমালোচনায় মুখর। এই অবস্থায় সৌমিত্র খাঁর দাবি ঘিরে আরেকপ্রস্ত বিতর্কের অবকাশ তৈরি হল। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে বলব, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বহিরাগত শব্দটি এনেছেন, তাতে এই দাবি উঠবেই। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে ২৩ জন মন্ত্রী রয়েছেন। আমাদের এলাকার মানুষ বঞ্চিত। রাঢ়বঙ্গের যুবকদের চাকরি নেই। আমাদের এলাকার সম্পত্তি রাজ্যের কোষাগারে যাচ্ছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। আগামী দিনে রাঢ়বঙ্গ থেকেও পৃথক রাজ্যের দাবি উঠবে। অর্থাৎ যে কোনও বঞ্চনার শিকার হলেই পৃথক রাজ্যের দাবি ওঠাকে যুক্তিসঙ্গত বলেই মনে করেন সৌমিত্র খাঁ। জন বার্লার পর সৌমিত্র খাঁ। প্রায় একইসুরে অনুন্নয়নের অভিযোগ তুলে পৃথক রাজ্যের দাবিতে বিজেপির একের পর এক নেতার বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।

জুন ২১, ২০২১
রাজনীতি

Alipurduar BJP: সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন আলিপুরদুয়ার বিজেপি সভাপতি

উত্তরবঙ্গে বিজেপিতে (BJP) বড়সড় ভাঙন। অবশেষে তৃণমূল শিবিরে যোগ দিলেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা (Gangaprasad Sharma)। সোমবার তৃণমূল ভবনে তাঁর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন মুকুল রায় ও ব্রাত্য বসু। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা-সহ আলিপুরদুয়ারের মোট ৮ জন বিজেপি নেতা এদিন যোগ দিলেন তৃণমূলে। আরও পড়ুনঃ জেমিসনের বলের দাপটে দিশেহারা ভারতবহুদিন ধরেই আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে আলিপুরদুয়ারের বিজেপির জেলা সভাপতির দায়িত্ব পান তিনি। তারপরই লোকসভায় ভাল ফল করে বিজেপি। একুশেও গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার জোরেই আলিপুরদুয়ারের ৫ টি আসন বিজেপির দখলে রয়েছে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। তবে ভোটের আগে থেকেই গঙ্গাপ্রসাদের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্কের অবনতি হয়। দলের হয়ে কাজ করলেও সুমধুর সম্পর্কে ছেদ পড়েছে, এমন কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল। দিন কয়েক আগে নিজেই তৃণমূলে (TMC) যোগদানের কথা প্রকাশ করেন তিনি। পূর্ব নির্ধারিত সময়ে সোমবার যোগ দেন তৃণমূলে। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা নিজেই জানিয়েছেন, ভোটের আগে থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তাঁর। তিনি বলেন, ভোটের আগে জেলা নেতৃত্বকে না জানিয়ে একের পর এক নেতাকে কলকাতায় এনে এবং কিছু নেতাকে দিল্লিতে পাঠিয়ে যোগদান করানো হয়েছে। আমাদের কোনও কিছু জানানো হয়নি। জেলা নেতৃত্বকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তখন থেকেই দূরত্ব। তবে সেই সময় দল ছাড়িনি, কারণ ভোটের আগে ছাড়লে লোকে গদ্দার বলত। ভোটের ফল দেখিয়ে দিয়েছি। ৫ টা আসনই বিজেপির দখলে। তবে আগে থেকেই তৃণমূলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

জুন ২১, ২০২১
রাজ্য

Alipurduar-BJP: ফের ভাঙন বিজেপিতে, তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন ১১ জন শীর্ষ নেতৃত্ব

বড়সড় ভাঙন বিজেপিতে। বিজেপি আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা, বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র বারা ওরাঁও, বিজেপির জেলা-সহ সভাপতি বিপ্লব সরকার, বিজেপি জেলা সম্পাদক বিনোদ মিঞ্জ, বিজেপির কালচিনি নেতা কৃপাশঙ্কর জয়সওয়াল-সহ বিজেপির সাত জন আলিপুরদুয়ার জেলা শীর্ষ নেতৃত্ব তৃণমূলে যোগদান করছেন। সোমবারই তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের হাত ধরে এই ৭ নেতৃত্ব তৃণমূলে যোগদান করবে বলে খবর। বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা ফোনে জানান যে, আমরা সাত জন আগামীকাল তৃণমূলে যোগদান করছি। আমরা কলকাতায় আছি। ইতিমধ্যে অভিষেক ব্যানার্জির সাথে আমাদের কথা হয়েছে। আগামীকাল তৃণমূলে যোগদান করছি।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশের স্থগিতাদেশের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর এই বিষয়ে বিজেপি যুব মোর্চার আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি বিপ্লব দাস জানান, এই বিষয়ে আমারা কিছু জানিনা। আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। বিজেপি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দল এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বিজেপিতেই আছেন। তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলা কো অর্ডিনেটর এবং তৃণমূল এসটি সেলের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক পাসাং লামা জানান, সাতজন বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব কলকাতা পৌঁছে গিয়েছে এবং আরও চার জন বিজেপি নেতা আজ কোলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত লোকসভা ভোটে আলিপুরদুয়ারে বিজেপি ভালো ফল করে। জন বার্লা ব্যাপক ভোটে লিড নিয়ে সাংসদ হন। এমনকী, বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ার জেলায় বিজেপি ভালো ফল করে। আলিপুরদুয়ার জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই বিজেপি জয়যুক্ত হয়। সব গুলো আসনে ভালো ভোটের ব্যবধানে জয়যুক্ত হন বিজেপি প্রার্থীরা।

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

Post-poll violence: হাইকোর্টের নির্দেশের স্থগিতাদেশের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানাতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। রবিবারই তিনি আবেদন জানাতে পারেন বলে খবর। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HC) আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপরই স্থগিতাদেশ চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২ মে, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে বিজেপির (BJP) অভিযোগ, ব্যাপক হিংসা চলছে। যার নেপথ্যে রয়েছেন শাসকদলের কর্মীরাই। বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা ভয়ে এলাকাছাড়া হয়ে পড়ছেন। কেউ কেউ ভিনরাজ্যেও পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একটা নির্বাচিত সরকার আসার পর এ ধরনের হিংসা কাম্য নয় বলেও একাধিকবার উষ্মাপ্রকাশ করেছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের সমর্থকদের নিরাপত্তার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলাও দায়ের করেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মামলার শুনানিতে ভিনরাজ্যে চলে যাওয়া বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের ফেরানো নিয়ে পদক্ষেপ করতে মানবাধিকার কমিশনের তত্বাবধানে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, এই কমিটি বিশেষ কাজই করেনি। এখনও ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো যায়নি। এমনকী এ বিষয়ে রাজ্য সরকারও যথেষ্ট উদসীনতার পরিচয় দিয়েছে। অথচ এই সমস্যা সমাধানে রাজ্যেরই সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেওয়ার কথা, এমনই উল্লেখ করেছেন বিচারপতিরা।

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

High Court: নন্দীগ্রাম মামলায় 'পক্ষপাতদুষ্ট' বিচারপতিকে সরানোর আবেদন মমতার

ভোটের লড়াই এখন পৌঁছে গিয়েছে সোজা হাইকোর্টে(High court)। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী করা মামলায় এ বার বিচারপতিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠল। এবং যে বিচারপতির এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে তা সরানোর আবেদন জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। বিচারপতি কৌশিক চন্দের (Kaushik Chanda) এজলাস থেকে মামলা সরানোর আবেজন জানিয়ে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালকে একটি চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Bannerjee) আইনজীবী। এদিকে, নন্দীগ্রাম মামলা বিচারপতি চন্দের এজলাসে পাঠানোর প্রতিবাদে মুখে কালো মাস্ক এবং হাতে পোস্টার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আইনজীবীরা। পোস্টারে লেখা ছিল, বিচারব্যবস্থার সঙ্গে রাজনীতি করবেন না।বিচারপতি কৌশিক চন্দের ইতিহাস টেনে মমতা দাবি করেছেন, আইনজীবী থাকাকালীন কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। তিনি এই মামলার বিচার করলে রায় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে, এমন দাবি তোলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে।ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া চিঠিতে মমতা মনে করিয়ে দিয়েছেন, কোনও আইনজীবী বিচারপতি হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতির প্রয়োজন হয়। কৌশিক চন্দ আইনজীবী থেকে বিচারপতির পদে উন্নীত হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও এই বার্তা গিয়েছিল এবং সেই সময় তিনি আপত্তি তুলেছিলেন। যেহেতু কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি সমর্থক ছিলেন তাই মুখ্যমন্ত্রীর তাঁকে বিচারপতির পদে উন্নীত করা নিয়ে আপত্তি ছিল।যদিও তারপর বিচারপতির পদে শপথ নেন কৌশিক চন্দ। ঠিক এখানেই মমতার প্রশ্ন, যেখানে স্পর্শকাতর মামলাটি খোদ একজন বিজেপি প্রার্থীর জয়ের বিরুদ্ধে, সেখানে এই বিচারপতি কী ভাবে মামলাটি শুনতে পারেন! তিনি শুনলেও রায় পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, শুক্রবার মামলাটি এজলাসে উঠলে আইনজীবীদের একাংশও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এ দিন দেখা যায়, যখন হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের হয় সেদিনই আপত্তি তোলেন মমতা।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Kailash Vijayvargiya: বিজয়বর্গীয়র নামে গো ব্যাক পোস্টার!

বিজেপির (BJP) অন্দরের ফাটল কী ক্রমশই চওড়া হচ্ছে! বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তর মুরলিধর সেন লেনের বাইরে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার। তাতে তাঁকে TMC Setting Master বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। এক, দুটি নয় রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরের বাইরে এই পোস্টারে ছয়লাপ। একইরকম পোস্টার দেখা গেল হেস্টিংসের কার্যালয়ে এবং বিমানবন্দরের কাছেও দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে এসব পোস্টার দেখা গেল। যা থেকে আরও স্পষ্ট, একুশের ভোটে বঙ্গে বিজেপির ভরাডুবির পর থেকে কৈলাস দলের অন্দরেই আরও চক্ষুশূল হয়ে উঠছেন।মুকুল রায়ের সঙ্গে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র (Kailash Vijayvargiya) সুসম্পর্ক গেরুয়া শিবিরের চেনা ছবি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি মুকুল রায় (Mukul Roy)দলবদল করে তৃণমূলে ফেরার পর থেকে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ নিয়ে তো বিজেপির রাজ্য নেতা তথাগত রায় টুইটে কটাক্ষ করে ভোদা বিড়াল নামে ডেকেই ফেলেন। এবার মুকুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কৈলাসকে বিঁধতে ছাড়লেন না অন্যরাও। পোস্টারে মুকুলের সঙ্গে আলিঙ্গনরত অবস্থায় কৈলাসকে দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ বঙ্গে আশানুরূপ ফলাফল না হওয়ার জন্য রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব কার্যত কেন্দ্রীয় নেতাদেরই দায়ী করছেন। নিশানায় অন্যতম কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, তিনি বেশ কয়েক বছর ধরেই এ রাজ্যের পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। বাংলায় সংগঠনের প্রতিটি খুঁটিনাটি জেনে সেইমতো নীল নকশা ছকে তবেই ভোটযুদ্ধে এগোনো উচিৎ তাঁর। কিন্তু ভোটের ফলাফল বলছে, সেই কাজে তিনি ব্যর্থ। তাই তাঁর অপসারণের দাবিও উঠেছে। এবার বিজেপি রাজ্য দপ্তরের তরফেও সেই ক্ষোভের বহিপ্রকাশ ঘটছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

Sanitisation: বালুরঘাটে ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশন

ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশন! বালুরঘাটে বিজেপির উদ্যোগে করা হয় এই স্যানিটাইজেশন। বিজেপির দাবি, দ্রুত এলাকা জীবাণুমুক্ত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।করোনা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সদর বালুরঘাট শহরে। বুধবার সকালে বালুঘাটের থানা মোড়, প্রশাসনিক ভবন এবং আদালতের সামনে ড্রোন উড়তে দেখে কৌতুহল তৈরি হয় পথচলতি মানুষদের মধ্যে। আর, বিজেপির উদ্যোগে ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশন ঘিরেও বেধেছে বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, লোকদেখাতে এসব করছে বিজেপি। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কোঅর্ডিনেটর সুভাষ চাকি বলেছেন, ড্রোন থেকে ধোঁয়া বা ঔষধি জল বের হতে দেখা যায়নি। রাজনীতির স্বার্থেই এটা প্রচার করতে চাইছে বিজেপি, এটা ভাঁওতাবাজির রাজনীতি। সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। করোনা অতিমারিতে তৃণমূলই লাগাতার কাজ করে চলেছে মানুষের জন্য।বিজেপির পাল্টা দাবি, করোনাকালে শহরবাসীকে নিরাপদে রাখতেই এই উদ্যোগ। বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশনের কাজ করলে অল্প সময়ে কাজ হয়, আমরা অনুমতি নিয়ে কাজ করেছি। ড্রোনের সাহায্য নিয়ে সমগ্র এলাকায় অতি দ্রুত স্যানিটাইজ করা সম্ভব। বালুরঘাটের পাশাপাশি চকভৃগু এবং গঙ্গারামপুরেও ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশনের পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। তবে ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশন নিয়ে কিন্তু চলছে রাজনৈতিক তরজা।

জুন ১৬, ২০২১
রাজ্য

একাধিক দলবদলুদের বিরুদ্ধে পোস্টার

রাজ্যজুড়ে বিজেপি (BJP) ছাড়ার হিড়িক পড়েছে। মুকুল রায়ের দল বদলের পর থেকেই বহু বিধায়ক, নেতা-কর্মীই তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন। এবার তাঁদের নিয়ে দলে ফেরানো নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই কোন্দল শুরু হয়েছে। কোথাও পোস্টার পড়ছে তো কোথাও আবার সরাসরি বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। যেমন সোমবার বাগদায় বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের বিরুদ্ধে পোস্টার (Posters) পড়ল। নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী সুনীল সিংয়ের বিরুদ্ধেও পোস্টার পড়েছে। হাওড়ায় আবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তৃণমূল কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সবমিলিয়ে দলত্যাগী নেতাদের তৃণমূলে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হতেই দলের অন্দরেই বাড়ছে ক্ষোভ।সোমবার সকালে বাগদার হেলেঞ্চাতে থানার সামনে, রাস্তার ডিভাইডারে, বিভিন্ন দোকানের সামনে পোস্টার পড়ে। সেই পোস্টারে বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসকে মীরজাফর বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। সঙ্গে লেখা হয়েছে, মীরজাফরের স্থান নেই তৃণমূলে। বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস গোরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত। প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা তুলত এখান থেকে। গোরু পাচারকারী স্মাগলার বিশ্বজিৎ দাসের তৃণমূলে কোনও স্থান নেই। পোস্টারের নিচে লেখা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীবৃন্দ। যদিও এই পোস্টারের দায় নিতে চায়নি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এ নিয়ে বাগদার বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।এদিকে নোয়াপাড়া প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং তৃণমূলে যেতে পারেন এমন সম্ভাবনা তৈরি হতেই তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলন করেন গারুলিয়া তৃণমূল কার্যকরী সভাপতি পঙ্কজ দাস। তিনি জানিয়েছিলেন, যদি সুনীল সিংকে তৃণমূলে নেওয়া হয় তাহলে তারা আন্দোলনে নামবেন। এরপর রবিবার রাতেই এলাকার মানুষ সুনীলের বিরুদ্ধে পোস্টারে সাঁটিয়েছেন। যার কোনওটায় লেখা হয়েছে, বাংলার দৈত্য সুনীল সিংকে তৃণমূলে নেওয়া যাবে না। কোনওটায় লেখা, তোলাবাজ, দাঙ্গাবাজ সুনীল সিং। সবশেষে লেখা, বাংলার সর্ব ধর্মের মানুষ নোয়াপাড়া। যদিও দলছাড়ার জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন সুনীল সিং। একই ছবি হাওড়াতেও। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর ওয়াপসির সম্ভাবনা তৈরি হতেই পথে নেমে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে যাতে তৃণমূলে ফিরিয়ে নেওয়া না হয়, তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সেই আবেদন জানিয়ে সোমবার ডোমজুড়ে হাওড়া-আমতা রোড অবরোধ করেন এলাকাবাসীদের একাংশ। এদিন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুত্তলিকাও দাহ করেন তাঁরা।

জুন ১৪, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: একাধিক ইস্যু নিয়ে আজ রাজভবনে যাচ্ছেন বিজেপি বিধায়করা

বিজেপি বিধায়করা আজ বিকেলে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের (Governor Jagdeep Dhankhar) সঙ্গে দেখা করবেন। সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে (Suvendu Adhikari) সঙ্গে রাজভবনে যাবেন বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও করোনা টিকা দুর্নীতিকরণ নিয়ে আলোচনা করবেন বিজেপি বিধায়করা।এর আগেও রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর আচমকাই রাতারাতি শুভেন্দু অধিকারীকে তলব করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। গত সোমবার দিল্লিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। দিল্লিতে অমিত শাহের বাসভবনে প্রায় ১৫ মিনিট বৈঠক করেন তিনি। সেখানে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা করেন।তারপর দিনই দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সেখানেই রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। এরপর আবার অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এরপর বাংলায় ফিরে আসেন। উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ডাকা হয় তিন সাংসদ- নিশীথ প্রামাণিক, অর্জুন সিং ও সৌমিত্র খাঁকেও। তাঁদের সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনা করা হয়। আজ, রাজ্যপালের সঙ্গে এই পরিস্থিতি নিয়েই বৈঠক করবেন বিজেপি বিধায়করা। তবে নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে যেভাবে দলবদলের হিড়িক পড়েছে, তাতে এদিনের বৈঠকের যথেষ্ট রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জুন ১৪, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: ফেসবুকে বেসুরোদের কড়া বার্তা দিলীপের

মুকুল রায় (Mukul Roy) দল ছাড়ার পর নতুন করে ভাঙনের আশঙ্কায় গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের দিকে আর কারা এবার পা বাড়াতে চলেছেন? মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন কারা? এটা নিয়েই কার্যত আতঙ্কে এখন বঙ্গ বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে ফেসবুক পোস্টে সুর চড়ালেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রয়োজন পড়লে দলই বহিষ্কার করবে কর্মীদের, এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।রবিবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ফেসবুক পোস্ট করেন মেদিনীপুরের সাংসদ। তাতে লেখা, দল ছাড়াটা অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বিজেপি সেই লোকেদের উপর নির্ভর করে যাঁরা রক্ত দিয়ে, ঘাম ঝড়িয়ে দলটাকে দাঁড় করিয়েছে। বিজেপিতে থাকতে হলে ত্যাগ তপস্যা করতে হবে। যারা শুধু ক্ষমতা ভোগ করতে চান, তাঁরা বিজেপিতে থাকতে পারবেন না, আমরাই রাখব না।বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ-বিক্ষোভ, বেসুরোদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তার মধ্যেই মুকুল রায়ের মতো শীর্ষ নেতার দল ছেড়ে যাওয়াটা দলের কাছে যেমন বড় ধাক্কা তেমনই আশঙ্কারও। তাঁর দলত্যাগে দলে যেন কোনও প্রভাব না পড়ে সেদিকে তাই সতর্ক গেরুয়া শিবির। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর মুকুল রায় বলেছেন, বিজেপি ছেড়ে অনেকেই চলে আসবেন। প্রবীণ এই রাজনীতিকের এহেন মন্তব্য নিয়ে বিজেপির অন্দরে আশঙ্কা তাই আরও বেড়েছে। মুকুল দল ছাড়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁরই অনুগামী হিসাবে পরিচিত বাগদার বিজেপি বিধায়ক (BJP) বিশ্বজিৎ দাস ও নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিংরা বেসুরো। কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় দল বিরোধী পোস্ট করার পর শনিবার বিকেলে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে আবার দেখা করে এসেছেন বিজেপির রাজ্য কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee)। এই পরিস্থিতি শক্ত হাতে মোকাবিলা করতেই ফেসবুক পোস্টে কর্মী-সমর্থকদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ ঘোষ, তা বলাই বাহুল্য।

জুন ১৩, ২০২১
রাজ্য

Homeless: জঙ্গলে তাবু খাটিয়ে দিন কাটানো ঘরছাড়া বিজেপি নেতাদের পাশে নকশাল নেতৃত্ব

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে জঙ্গলে তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটানো বিজেপি কর্মী পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াননি কোনও বিজেপি নেতা।মানবিকতার খাতিরে শেষ পর্যন্ত নকশাল নেতৃত্বই পাশে দাঁড়ালেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের প্রেমগঞ্জ গ্রামের ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের পাশে।তাদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্য আউশগ্রাম ২ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানালেন সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক। এই ঘটনা বিজেপি নেতাদের মুখ যথেষ্টই পোড়াল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল । আউশগ্রাম ২ ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম প্রেমগঞ্জ। এবারের বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর প্রেমগঞ্জ গ্রামে বিজয় মিছিল করে তৃণমূল । তার পরেই গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। ঘরছাড়া থাকা বিজেপি কর্মী কমল বাগদি ,বলরাম বাগদি প্রমুখরা বলেন , তৃণমূলের বিজয় মিছিলে থাকা লোকজন বেছে বেছে এলাকার বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে চড়াও হয় । বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধোর শুরু হয় । এরপর প্রাণভয়ে ওইদিন রাতেই তাঁরা প্রায় ২৫ - ৩০ টি বিজেপি সমর্থক পরিবার বাড়ি ছাড়েন। তার পর থেকে এক মাসের বেশি দিন হয়েগেল তারা প্রেমগঞ্জ থেকে বহু দূরে কাঁকশা লাগোয়া ভাতকুণ্ডা গ্রামের অদূরে জঙ্গলের ভিতরে দুটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। সঙ্গে ১০টি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। কমল বাগদি জানান, বাড়ি ফিরলে ফের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হামলার মুখে পড়তে হতে পারে, এই ভয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। আধপেটা খেয়ে তাঁবুতে অসহায়ভাবে দিন কাটিয়ে চললেও বিজেপি নেতারা কেউ পাশে দাঁড়াননি। ঘরছাড়ারাই জানান, এই অসময়ে তাঁদের কিছুটা হলেও সহযোগিতা করছে একমাত্র নকশাল সংগঠন।এই বিষয়ে সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের জেলা সম্পাদক ফতেমা বেগম বলেন, ঘরছাড়া অসহায় পরিবারগুলি রাজনৈতিক হিংসার শিকার।তাঁরা খুব কষ্টে দিন কাটচ্ছে বলে মানবিকভাবেই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফতেমা বেগম জানান, ওই ঘর ছাড়াদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্যে তিনি চিঠি লিখেও আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দর আলি বলেন,যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ওদের গ্রামে ফিরতে কেউ নিষেধ করেনি।ওরা গ্রামে ফিরুক, কোন অসুবিধা নেই ।জেলা বিজেপির সম্পাদক শ্যামল রায় বলেন, ঘরছাড়াদের পাশে বিজেপি নেতারা দাঁড়ায়নি এই কথা সঠিক নয় । ওদের বিষয়ে প্রশাসনকে বলা হলেও কোন কাজ হয়নি। বাড়ি ফিরলেই তৃণমূলের লোকজন ফের আক্রমণ করবে এই ভয়ে ঘরছাড়ারা ঘরে ফিরতে পারছেন না।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

বড় খবরঃ এবার বেসুরো রাজীব, ৩৫৬ ধারার জুজু নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন

হঠাৎ উদয় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দীর্ঘ দিন চুপ থাকার পর বেসুরো রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সোশাল মিডিয়ায় ৩৫৬ ধারা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন এই বিজেপি নেতা। সমর্থন করলেন মমতা সরকারকে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কী ঘরে ফিরতে চাইছেন রাজীব? এদিকে বিজেপির রাজ্যকমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর অসহায় কর্মীদের পাশে না থাকার জন্য দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় তোপ দেগেছেন।এদিনই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বলা হচ্ছে ৩৫৬ ধারা লাগু করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে। ঠিক এমন সময়ে একমাস নীরবে থাকার পর দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজীব। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজীব। নির্বাচনে পরাজিত হন প্রাক্তন বনমন্ত্রী। তারপর থেকে প্রকাশ্য কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। এমনকী বারংবার ফোন করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি সাংবাদিকরা। তারপর এদিন এই ফেসবুক পোস্ট।কী লিখেছেন রাজীব?সমালোচনা তো অনেক হলো..........।মানুষের বিপুল সমর্থনে নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি, আার ৩৬৫ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালভাবে নেবে না। তারপরই তিনি লিখেছেন আমাদের সকলের উচিত রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে কোভিড ও ইয়াস মোকাবিলায় বাংলার মানুষের পাশে থাকা। এভাবেই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজীব।সোনালী গুহ, দিপেন্দু বিশ্বাসরা সহ একঝাঁক দলবদলু তৃণমূলে ফিরতে চান। এদিন বিজেপির হেস্টিংসে সাংগঠনিক বিঠকেও হাজির ছিলেন না রাজীব। দলকেও কিছু জানাননি। তৃণমূলে ফেরার পরিস্থিতি তৈরি করছেন বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।এদিকে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ ফেসবুক পোস্টে দলের নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই কর্মীদের বাড়ি, দোকান লুট হতে শুরু করে। তাঁরা ভীত ও সন্ত্রস্ত, পাশে নেই কোনও রাজ্য বা জেলা নেতৃত্ব। দলীয় নেতৃত্বের কেউ ফোন ধরছেন না। দিশা দেখাবার কেউ নেই। কর্মীদের নামে যথেচ্ছ মামলা করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামান্য সৈনিক হিসাবে এই পরিস্থিতিতে নিজেকে অসহায় লাগছে। অস্থির পরিস্থিতির জন্য বিরোধীদের দায়ী না করে, নিজেদের পর্যালোচনা করা উচিত।একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। তাঁর বক্তব্য, কেন ২রা মে-র ভরাডুবির পর জেলা নেতৃত্ব সামান্য কর্মীদের অসহায় পরিস্থিতিতে ফেলে কলকাতায় চলে গেলেন? তাহলে যে গুজব রটছে এটাকেই কি সাধারণ কর্মীরা সত্য বলে ধরবে? যে পরিযায়ী নেতারা রাজ্যের কিছু নেতার যোগসাজসে কিসের বিনিময়ে সিটগুলো বিক্রি করলেন এই অনুপযুক্ত লোকেদের কাছে?

জুন ০৮, ২০২১
কলকাতা

রাজ্য বিজেপির প্রধান কার্যালয়ের কাছ থেকে উদ্ধার তাজা বোমা

বিজেপির হেস্টিংসের কার্যালয়ের খুব কাছ থেকে উদ্ধার প্রচুর পরিমাণ তাজা বোমা। লালবাজারের গোয়েন্দারা বোমাগুলি উদ্ধার করেন। কে বা কারা এই বোমাগুলি রেখে গেল, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের গুণ্ডাদমন শাখার আধিকারিকরা খিদিরপুর রোড ও হেস্টিংসের মোড়ের সংযোগস্থলে হানা দেন। সেখানেই একটি বড় সাদা রঙের বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। তাতে উঁকি দিতেই সামনে চলে আসে আসল ঘটনা। বস্তাবন্দি ৫১টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। তদন্তকারীদের দাবি, বোমাগুলি নিয়ে এসে পাচার করার চেষ্টা হচ্ছিল। পুলিশ দেখে তিন দুষ্কৃতী পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে হেস্টিংস থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বম্ব স্কোয়াড এসে বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করে। এগুলি দেখে কৌটোবোমা বলেই প্রাথমিক সন্দেহ পুলিশের। যারা এই বোমা এনেছিল তাদের এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

জুন ০৬, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূলের ছোড়া বোমায় জখম ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক

বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, এই খবর পেয়ে অকুস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট। অভিযোগ, সেখানে যেতেই তাঁর উপরও এসে পড়ে বোমা। শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা গুরুতর আহত অবস্থায় শীতলকে ভর্তি করা হয়েছে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। বিধায়কের পাশাপাশি বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীও। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধে নাগাদ ঘাটালের ৩ নম্বর অঞ্চলে বাগানালা গ্রামে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিধায়ক শীতল কপাট একটি কাজে যান। সেখানে বিনা প্ররোচনায় তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় বিজেপি বিধায়ককে লক্ষ্য করেও বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন শীতল। আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্মীদের সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, বিধায়ক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এই বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপি সংঘাত। বিজেপির অভিযোগ, এদিনের ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারা পরিকল্পনামাফিক বিধায়কের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অভিযোগ লকডাউন ভেঙে সভা করছিল বিজেপি। পুলিশের কাছে তা জানাতে এখন নজর ঘোরাতে নিজেরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

মে ২২, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূলের ছোড়া বোমায় জখম ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক

বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, এই খবর পেয়ে অকুস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট। অভিযোগ, সেখানে যেতেই তাঁর উপরও এসে পড়ে বোমা। শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা গুরুতর আহত অবস্থায় শীতলকে ভর্তি করা হয়েছে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। বিধায়কের পাশাপাশি বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীও। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধে নাগাদ ঘাটালের ৩ নম্বর অঞ্চলে বাগানালা গ্রামে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিধায়ক শীতল কপাট একটি কাজে যান। সেখানে বিনা প্ররোচনায় তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় বিজেপি বিধায়ককে লক্ষ্য করেও বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন শীতল। আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্মীদের সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, বিধায়ক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এই বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপি সংঘাত। বিজেপির অভিযোগ, এদিনের ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারা পরিকল্পনামাফিক বিধায়কের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অভিযোগ লকডাউন ভেঙে সভা করছিল বিজেপি। পুলিশের কাছে তা জানাতে এখন নজর ঘোরাতে নিজেরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

এবার অর্জুন সিং ও তাঁর ভাইপোকে তলব সিআইডির

এবার সিআইডির নজরে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। আর্থিক জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগে বিজেপি সাংসদকে তলব করল তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অর্জুনের দাবি, তিনি কোনওরকম প্রতারণাতে জড়িত নন। তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।ভাটপাড়া পুরসভা এবং ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের টাকা তছরুপের অভিযোগে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদের পাশাপাশি তাঁর ভাইপো সৌরভ সিংকেও হাজিরার নোটিস দিয়েছে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। সব মিলিয়ে অর্জুনের বিরুদ্ধে সাড়ে ৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে রয়েছে। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত নটা নাগাদ সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল পৌঁছয় জগদ্দলের মেঘনা মোড়ে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি মজদুর ভবনে। সেসময় বাড়িতে ছিলেন না ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। বাড়ির বাইরে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেন সিআইডি কর্তারা। কিন্তু তখনও অর্জুন না ফেরায় ভবানী ভবনের তরফে মজদুর ভবনের দেওয়ালে নোটিস সেঁটে দিয়ে আসা হয় সিআইডি তরফে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর আর্থিক তছরুপের দায়ে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিআইডি। আগামী ২৫ মে সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মূলত ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অর্থ তছরুপের অভিযোগ রয়েছে অর্জুনের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে ভাটপাড়া পুরসভার টেন্ডার বেআইনিভাবে পাইয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে। যে মামলায় আবার ইতিমধ্যেই পুরসভার এক কর্মী এবং এক ঠিকাদার গ্রেপ্তার হয়েছেন। যদিও এখনই অর্জুনের গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা নেই। তাঁর দাবি, এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে তাঁর। বিজেপি সাংসদের সাফ কথা, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে আমার। আমাকে ডাকতে পারে, কিন্তু গ্রেপ্তার করতে পারবে না। পাশাপাশি রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি নেতা।

মে ২১, ২০২১
রাজনীতি

বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নিশীথ-জগন্নাথ

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেন বিজেপির দুই সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার দুপুরে একসঙ্গে বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা দিয়ে আসেন বিজেপির দুই সাংসদ তথা বিধায়ক। দলের নির্দেশেই বিধায়ক পদ ছেড়ে সাংসদ পদে বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তি একই সঙ্গে সাংসদ এবং বিধায়ক পদে থাকলে ৬ মাসের মধ্যে কোনও একটি পদ তাঁকে ছাড়তে হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধায়ক পদ ছাড়লেন তাঁরা। যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদকে। বিরোধীরা বলছেন, এভাবে ইস্তফা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস ভেঙেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। দুই বিধায়কের ইস্তফার অর্থ, ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের এই ব্যাপক খরচ কে দেবে? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা ভোটে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে অবশ্য এদিন সাফাই দিয়ে বিজেপির দুই নেতা বলছেন, এটা পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্ত। আগের বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক ছিল মাত্র ৩ জন। পরিষদীয় রাজনীতিতে সেভাবে কারও অভিজ্ঞতা ছিল না। সাংসদদের অনেকের সেই অভিজ্ঞতা থাকায় দল তাঁদের প্রার্থী করেছিল। বিজেপির দুই নেতা স্বীকার করে নিয়েছেন, দলের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। তাই দলের সিদ্ধান্ত মেনেই ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। তবে, বিজেপির দুই সাংসদের দাবি, উপনির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জিতবে গেরুয়া শিবির। ভোটের পর তৃণমূল যেভাবে বেলাগাম হিংসা চালাচ্ছে, মানুষ তারই জবাব দেবে।

মে ১২, ২০২১
রাজ্য

সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিতে চায় বিজেপি

পশ্চিমবঙ্গের সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আওতায় আনতে চায় বিজেপি। তবে ৭৭ জন বিধায়কের মধ্যে অনেকেই সেই সুবিধা পান। যাঁরা পান না তাঁদের আবেদন করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪০ জনের বেশি বিধায়ক আবেদনের ফর্ম পূরণ করেছেন। তবে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি-সহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিতে চান না বলে দলকে জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে বিধায়কদের চলাফেরায় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই দল তাঁদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। যাঁরা চাইবেন তাঁদের জন্য নিরাপত্তার কথা বলা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে।অন্য একটি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও বাংলার বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়কের উপরে হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। সেই মর্মে ৬১ জন বিধায়কের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। সোমবারই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নির্বাচনের আগে থেকে জেড ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ও একই রকম নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও দ্বিতীয়বারের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন করে কোচবিহারের সাংসদ তথা দিনহাটার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিকের নিরাপত্তা বাড়তে পারে। তিনি ওয়াই প্লাস ক্যাটিগরি অর্থাৎ, ২ জন কম্যান্ডো-সহ ১১ জন নিরাপত্তা রক্ষী পেতে পারেন। এখন নিশীথ ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ বিধায়ককে ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ভাবছে বিজেপি। এই ক্যাটিগরিতে ৮ জন নিরাপত্তা রক্ষী থাকবেন। বাকি ইচ্ছুক বিধায়করা এক্স ক্যাটিগরিতে ২ জন করে নিরাপত্তা রক্ষী পাবেন। তবে এই নিরাপত্তা নেওয়া বা না নেওয়া নির্ভর করছে বিধায়কদের উপরে। তাঁরা না চাইলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে নাসোমবার কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপি দফতরে দলের সব বিধায়কদের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচন। সেই পর্ব মেটার পরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিধায়কদের তথ্য নেওয়া হয়। মোট ৫২ জন বিধায়ক সোমবার উপস্থিত ছিলেন। সকলকেই নাম, বাসস্থান এবং কোন এলাকায় তিনি বেশি যাতায়াত করেন সে সব লিখে দিতে বলা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, সেই সময়েই তা জমা দেননি বালুরঘাটের অর্থনীতিবিদ বিধায়ক অশোক। নিরাপত্তা পাওয়ার তালিকায় নাম থাকলেও যাঁরা সোমবার উপস্থিত ছিলেন না তাঁদেরকেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। তালিকায় যাঁদের নাম নেই তাঁরাও যদি নিরাপত্ত চান সে ক্ষেত্রে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা বাছতে ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বিজেপি

দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছে বিজেপি। এছাড়া এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব।বিরোধী দলনেতা বাছতে রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদবকেই দায়িত্ব দিয়েছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারা। সেই মতো এদিন সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককে ডাকা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া, রাজ্যের শীর্ষনেতারাও থাকবেন। বৈঠকে বিধায়কদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বিরোধী দলনেতা ঠিক করার বিষয়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।এদিকে সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা উপর থেকে কাউকে চাপিয়ে দিতে নারাজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ, রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ার পিছনে সেই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলে নতুন আসা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার ফলেই এই অবস্থা বলে দাবি আদি নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পেয়ে যাওয়াদের অধিকাংশই হেরে গিয়েছেন। এই দলবদলুদের ভালভাবে নেয়নি মানুষ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতা-কর্মীরা। কাজেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সহমতের ভিত্তিতেই করতে চায় শীর্ষনেতৃত্ব। তবে বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের নাম প্রথমে থাকলেও মুকুলবাবুর শরীর ভাল নেই। বিরোধী দলনেতা হলে সারা রাজ্যজুড়েই ছুটে বেড়াতে হবে। মুকুল রায়ের পক্ষে সেই ছোটাছুটি সম্ভব নয়। কারণ তাঁর শরীর ঠিক নেই। কিন্তু রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতৃত্বের একটা বড় অংশই আবার চাইছে মনোজ টিগ্গাকেই বিরোধী দলনেতা করা হোক। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবারও জয়ী হয়েছেন। এর আগে পরিষদীয় দলের নেতাও তিনি ছিলেন।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

'বিজেপির সৈনিক হিসেবেই কাজ করব'

২০ বছর বাদে সংসদীয় রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর একটু খাপছাড়া লেগেছিল তাঁকে। শুক্রবার বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে শপথ নিতে যাওয়া মুকুল রায়কে দেখা গিয়েছিল, বিজেপি পরিষদীয় দলের বৈঠক এড়িয়ে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মগ্ন। জল্পনা উস্কে উঠেছিল ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে পদ্মশিবিরের এই নেতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে। তবে ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই টুইট করে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন বঙ্গ রাজনীতির এই দুঁদে নেতা। টুইট করলেন, বিজেপির সৈনিক হয়েই পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র ফেরানোর কাজ করবেন। সমস্ত জল্পনা থামাতে চাইছি। নিজের রাজনৈতিক পথে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।প্রায় ২০ বছর পর নির্বাচনী যুদ্ধে নেমেছিলেন মুকুল রায়। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি অনেক কম প্রচার করেও কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বেশ বড় ব্যবধানেই জিতেছেন। তবে শুক্রবার বিধায়ক পদে শপথ নিতে বিধানসভায় তাঁর আচরণ কিন্তু উসকে দিয়েছিল একাধিক জল্পনা। এদিন বিধানসভা কক্ষে শপথ গ্রহণের পর মুকুল তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে যান। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন, অন্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যান। একটিবারও ঢোকেননি তাঁর নিজের দল বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে। এমনকী পরিষদীয় দলের বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছেন।

মে ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • ...
  • 46
  • 47
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal