• ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

North Bengal

রাজ্য

এবার পুজোয় বাসেই সিকিম, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্স, তাকলাগানো প্যাকেজ NBSTC-র!

আসন্ন দুর্গাপুজোয় উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম (এনবিএসটিসি) পর্যটকদের জন্য নিয়ে আসছে নতুন চমক। সবুজের পথে হাতছানি নামে একাধিক ভ্রমণ প্যাকেজ চালু করতে চলেছে সংস্থা। ফলে সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং কিংবা ডুয়ার্স ঘোরার সুযোগ মিলবে অনেক কম খরচে। খাওয়াদাওয়া মিলিয়ে ভ্রমণের ব্যয় ধরা হয়েছে মাত্র ৭০০ টাকা থেকে সর্বাধিক ২৫০০ টাকার মধ্যে। বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়িতে এমনটাই ঘোষণা করেছেন নিগমের চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায়।তিনি জানান, এক দিনের ট্যুর থেকে শুরু করে দুদিন-এক রাত কিংবা তিন দিন-দু রাতের মতো নানা রকমের প্যাকেজ সাজানো হচ্ছে। খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। অনলাইন ও অফলাইন দুই পদ্ধতিতেই টিকিট বুকিংয়ের সুবিধা রাখা হবে। পাশাপাশি পর্যটক আকর্ষণে রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ডে মাইকিং, লিফলেট বিলি এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার থেকে এই বিশেষ প্যাকেজ পরিষেবা চালানো হবে। প্রতিটি জায়গায় দুটি করে বাস থাকছে ১৬ সিট ও ২৬ সিটের। চাহিদা বাড়লে গাড়ির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।পর্যটন মানচিত্রে সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক ছাড়াও থাকছে দার্জিলিং, কালিম্পং, লাভা, লোলেগাঁও, ঝালং, বিন্দু, লাটাগুড়ি, মূর্তি, গোরুমারা, জলদাপাড়া, রাজাভাতখাওয়া ও জয়ন্তী। নিগমের চেয়ারম্যানের বক্তব্য, আমাদের লক্ষ্য একটাই স্বল্প খরচে বেশি জায়গা ভ্রমণের সুযোগ করে দেওয়া। পুজোর সময় উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলায় দুর্গাপুজো ঘোরার বিশেষ ব্যবস্থাও থাকবে।এই উদ্যোগে খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। লাটাগুড়ি হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দিব্যেন্দু দেব বলেন, খুবই ইতিবাচক পদক্ষেপ। জলপাইগুড়ি বা লাটাগুড়ি থেকে সরাসরি দার্জিলিং বা গ্যাংটক গেলে বহু পর্যটক প্রথমে ডুয়ার্স ঘুরে পাহাড়ে যেতে চাইবেন। এতে খরচ কমবে এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতাও বাড়বে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বিহার থেকে ডুয়ার্সের সরাসরি সরকারি বাস চালু হলে আরও পর্যটক টানতে সুবিধা হবে। নিগম কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।এছাড়া মহালয়ার পরদিন থেকে চতুর্থী পর্যন্ত প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ পুজো পরিক্রমা চালানোর পরিকল্পনাও করছে এনবিএসটিসি। একইসঙ্গে পুজোর সময় কলকাতা-উত্তরবঙ্গ রুটে অতিরিক্ত বাস নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যে ১১টি বাস প্রতিদিন চলছে, তার সঙ্গে আরও দশটি যোগ করার চেষ্টা চলছে। দীঘা রুটেও সপ্তাহে দুদিনের বদলে চার দিন বাস চালানো হবে।সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, পুজোর মরসুমে উত্তরবঙ্গের পর্যটনকে নতুন গতি দিতে একাধিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে এনবিএসটিসি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়ল। পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সামনেই বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। কোচবিহার শহরে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার টার্মিনাসে বিজেপি কর্মীরা পিকেটিং শুরু করেন। সরকারি বাস আটকে দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। মাথাভাঙায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। এদিন শিলিগুড়িতে সকাল থেকে বেশ কিছু দোকানপাট বন্ধ ছিল। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার শহরে সরকারি বাস ডিপোর গেট বন্ধ করে পিকেটিং শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। অসমের বারোবিশা সীমানায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শিলিগুড়িতে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। এমজি মোড়ে যুব মোর্চা মিছিল করতে গেলে রাস্তা আটকানো হয়। প্রতিবাদে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় যুব মোর্চা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টারে। ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও কোচবিহার জেলা পরিষদ দপ্তরে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। বালুরঘাটে এনবিএসটিসি স্ট্যান্ডের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ কৃষক সংগঠনগুলোর ডাকে ভারত বনধে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে রেল ও রাস্তা অবরোধ প্রসঙ্গত, বিজেপির অভিযান ঘিরে গতকাল রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ি। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা এগোনোর চেষ্টা করলে পাল্টা জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। হয় লাঠিচার্জও। ফুলবাড়িতে পুলিশের মারে তাদের কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। ই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধের ডাক দেয় বিজেপি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির

আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধ ডাকল বিজেপি। উত্তরকন্যা অভিযানে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে। তাঁদের দাবি, আহত হয়েছে ৪০ জন কর্মী। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। প্রত্যেকের গায়ে গুলির দাগ রয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। একজন মারা গেছেন। আহতদের দেখতে দিলীপ ঘোষ ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় হাসপাতালে গেছেন। আরও পড়ুন ঃ আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের এদিকে রাজভবনে রাজ্যপালের কাছে গেলেন বিজেপি প্রতিনিধি দল। ছিলেন লকেট এবং জয়প্রকাশ এবং ভারতী ঘোষ, শোভন এবং বৈশাখী। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা জানালেন, আগামিকাল রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ করবে বিজেপি। যদিও প্রশাসনের দাবি, পুলিসের মারে মৃত্যু হয়নি ওই ব্যক্তির। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। এদিন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আশপাশের বাড়ির ছাদ থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা পাথর ছুঁড়েছে। একেবারে নন্দীগ্রামের কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড়

এবার কৃষকদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে অভিযোগ করেন, এ রাজ্যের কৃষকরা প্রত্যেকে কেন্দ্রের দেওয়া ১২০০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন না। এভাবে ক্ষতি হয়েছে মোট ৮৪০০ কোটি টাকার। প্রশাসনিক উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী। এদিন আরও একটি টুইটে রাজ্যপাল মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি-কে বিঁধেছেন। নাম উল্লেখ করেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্থ এবং রিনা মিত্রের। তাঁর অভিযোগ, মমতা সরকারে আমলে পুলিশ নিয়ম ভাঙছে। তারা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয় প্রসঙ্গত, এরাজ্যে রাজভবন ও নবান্নের সংঘাত এখন নিত্যদিনের বিষয়। রাজ্যপালের সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এখানকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিয়ে। তাদের গাফিলতিতে রাজ্যে বহু অপরাধ খুব সহজেই সংগঠিত হতে পারছে বলে অভিযোগ ধনকড়ের। এদিনও একাধিক টুইটে নিজের সেই বক্তব্য তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড়

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ফের রাজ্য সরকার ও পুলিশ -প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হলেন জগদীপ ধনকড়। মঙ্গলবার সকালে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করে রাজ্যপাল লেখেন , একদিকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হচ্ছে শাসকদলের সাংসদকে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে রাজ্যের পুলিশ। রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করছে। এই ঘটনা রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কর্তব্যচ্যুতি। সাংসদকে বাধা দেওয়ার পিছনে কোনও কারণ নেই বলেই দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর উল্লেখ্য , শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে শাসক দলের বিধায়ক - সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় বিজেপি সাংসদ সেখানে প্রবেশ করতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন রাজ্যপালের টুইট।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল

পুলিশ নিয়মমাফিক রাজ্যপালকে গার্ড অব অনার দেয়নি। এবার তা নিয়ে রাজ্য সরকার তথা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এ প্রসঙ্গে একটি টুইটও করেন তিনি। রাজ্য পুলিশ রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণাধীন বলেও অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। আরও পড়ুন ঃ দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবিঃ শুভেন্দু বৃহস্পতিবার প্রথমে পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী। এছাড়াও বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও ছিলেন রাজ্যপালের সঙ্গে। তারপর সেখান থেকে মদনমোহন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। কোচবিহার রাজবাড়িও ঘুরে দেখার পর সার্কিট হাউসে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। এরপর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যু্তে ক্ষোভ উগড়ে দেন। উপাচার্যরা তার সঙ্গে দেখা না করায় তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন এবং রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন, বার্তা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করে সোমবার একাধিক টুইট করেন । একটি টুইটে তিনি লেখেন , সংবিধানের বাইরে গিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা এবার সেসব বাতিল করুন। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে ক্ষমতার অলিন্দে বেআইনি অনুপ্রবেশ চলবে না। রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন। আরও পড়ুন ঃ ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি আরেকটি টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, পুলিশ ও প্রশাসনকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। এর জন্য তিনি ১৯৬৮ সালের এআইএস কন্ডাক্ট রুলস-এর কথা মনে করিয়ে দেন । আর তা মানা না হলে যে ফল ভালো হবে না তাও জানান রাজ্যপাল। রাজ্যপালের মতে, তাঁর বার বার সংবিধান মেনে চলার পরামর্শ কিছুটা প্রশাসনের উপর প্রভাব ফেলেছে । তবে এখনও অনেকে তা মানছেন না ৷ এরপরই তিনি বলেন, যতই উপরে উঠে যান, আইন সবার ঊর্ধ্বে। প্রসঙ্গত , এর আগেও একাধিকবার টুইট করে রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ধনকড়। দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের কাছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ্পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্টও করেছেন তিনি। এবার তার এই টুইটের জেরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের যে অবনতি হবে , তা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করবঃ ধনকড়

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করব। শনিবার শনিবার সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি গোটা নভেম্বর মাসই দার্জিলিংয়ে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। পাহাড় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, সাংবিধানিক সীমার মধ্যে থেকে তিনি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। এছাড়াও এই সফরে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন , অনেক আশা নিয়ে যাচ্ছি এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে বিমল গুরুং আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন। তার কিছুদিন পরেই রাজ্যপালের দার্জিলিং সফর নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেট ভেঙে বিপত্তি এদিন সকালে টুইট করে রাজ্যপাল জানান , সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাপূরণে উত্তরবঙ্গ পাড়ি দিচ্ছেন। পর্যটন, আর্থিক এবং শিক্ষাগত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের উন্নতি করা সম্ভব বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে তিনি টুইটে আরও জানান, চলতি সফরে সাধারণ মানুষ এবং প্রশাসনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবেন। এদিন তিনি কাঞ্চনজংঘা এক্সপ্রেসে করে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। রাজ্যপালের সফরসূচি অনুযায়ী ১ নভেম্বর শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তিনি। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকার কথা রয়েছে তাঁর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ মমতার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতেও উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখতেই এই সফর মমতার। উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ১০০ শতাংশ কাজ চাই। চা শ্রমিকদের জন্য করলেন বিশেষ ঘোষণা। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে মানুষের উন্নয়নের কাজে কেনও গাফিলতি না হয় এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ইনস্পেক্টর রাজ বেশি চলছে। জনস্বার্থে কাজ বেশি চাই। খোলনলচে সব বদলে দেব। ১০০ পার্সেন্ট কাজ চাই, ১০০ পার্সেন্ট অভিযোগের সমাধান করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুই জেলার সব কাজ শেষ করার জন্য ডিএম-এসডিও-বিডিওদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অর্থদপ্তর টাকা দেওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় কাজ হচ্ছে না বলে রিপোর্ট পেয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জেলা সভাধিপতিদের নির্দেশ দেন ডিএম-বিডিওদের সঙ্গে কথা বলে অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করুন। বুধবার দার্জিলিং, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ের রিভিউ বৈঠক করবেন মমতা। এদিন চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের বাড়ি বানিয়ে দেবে সরকার। চা সুন্দরী প্রকল্পে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ আগামী ২ মাসের মধ্যে শুরু হবে। তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প সম্পূর্ণ করা হবে। উত্তরবঙ্গে ৩৭০টি চা বাগানে প্রায় ৩ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রথম পর্যায়ে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের মোট ৭টি চা বাগানের ৩,৬৯৪টি পরিবার এই প্রকল্পের বাড়ি পাবেন। আলিপুরদুয়ারে ৫টি চা বাগানের ২,৬৪১ টি পরিবার রয়েছে। আর জলপাইগুড়িতে ২টি চা বাগানে ১,০৫৩টি পরিবার থাকছে। তিনশো কামতাপুরি আন্দোলনকারী রাজ্যের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরছে। এদিন ১৩০ জন কেএলও অ্যাক্টিভিস্ট ও লিংকম্যান মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাকি ১৬১ জন আগামীকাল, বুধবার ফিরবেন। এদিন জল্পেশ মন্দিরের পুরোহিত বিজয় চক্রবর্তীর হাতে পুরোহিত ভাতা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অন্নপূর্ণা যোজনায় বড় আপডেট, ১৭ সেপ্টেম্বর কাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩,০০০ টাকা? অতিরিক্ত ১০ লক্ষ মহিলা পাবেন সুবিধা

পশ্চিমবঙ্গের অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় আপডেট। সেপ্টেম্বর মাসের ৩,০০০ টাকার কিস্তি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা পড়বে। ১৭ সেপ্টেম্বর দিনটিকে অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবেও পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণার খবর অনুযায়ী, অগস্টে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেয়েছিলেন। সেপ্টেম্বরের কিস্তিতে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে আরও প্রায় ১০ লক্ষ মহিলা এই কিস্তির আওতায় আসবেন।মাসে কত টাকা মিলবে?২০২৬ সালের জুন মাসে চালু হওয়া অন্নপূর্ণা যোজনায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই অর্থ সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে উপভোক্তার আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।কারা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা?সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি পশ্চিমবঙ্গের মহিলা বাসিন্দারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। স্থায়ী সরকারি চাকরিতে থাকা এবং কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের নিয়মিত বেতন বা পেনশন পাওয়া মহিলারা এই প্রকল্পের আওতায় থাকবেন না। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরাও বাদ পড়বেন। পাশাপাশি আয়করদাতারাও এই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নন।১৭ সেপ্টেম্বর কারা টাকা পাবেন?সেপ্টেম্বরের কিস্তির জন্য উপভোক্তার নাম যোগ্য তালিকায় থাকা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই সম্পূর্ণ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আধার ও ব্যাঙ্কের তথ্যের মধ্যে গরমিল, DBT সংক্রান্ত সমস্যা বা অন্য কোনও তথ্যগত ত্রুটি থাকলে টাকা জমা পড়তে দেরি হতে পারে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তথ্যের ভুলের কারণে কিছু উপভোক্তার টাকা আটকে থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।তাই যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগী, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে কি না এবং আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংযোগ সঠিক রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের ৩,০০০ টাকা ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের আবেদন ও স্ট্যাটাস সংক্রান্ত তথ্যও নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে জানা যায়।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

১০০ কেজি সোনার দুর্গা! বাংলার বুকে এবার পুজোর সেরা আয়োজন, সোনার দুর্গাকে ঘিরে তুমুল আগ্রহ

দুর্গাপুজোয় এবার নজরকাড়া আয়োজন শিলিগুড়িতে। নিউ জলপাইগুড়ির সেন্ট্রাল কলোনি দুর্গাপুজো কমিটির দাবি, এ বছর তাদের প্রতিমা এবং দুর্গা পরিবারের অন্যান্য দেবদেবীকে সাজানো হবে ১০০ কেজি সোনার গয়নায়। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই গয়নার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। শিলিগুড়ি ও আশপাশের এলাকায় কোনও পুজো কমিটির পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ এই প্রথম বলে দাবি তাঁদের।এবার সেন্ট্রাল কলোনি দুর্গাপুজো পা দিতে চলেছে তাদের ৬৪তম বর্ষ। প্রতি বছরই নতুন আকর্ষণের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে এই পুজো। মঙ্গলবার আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে পুজো কমিটির সভাপতি কাঞ্চন রায় জানান, এ বছর দুর্গা প্রতিমা এবং পরিবারের অন্যান্য প্রতিমাকে ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় এর আগে কোনও পুজোয় এত বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না দিয়ে প্রতিমা সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।বছরের পর বছর নিউ জলপাইগুড়ির গেট বাজার এলাকার কাছে রেলওয়ে ইনস্টিটিউট গ্রাউন্ডে এই পুজোর আয়োজন হয়ে আসছিল। তবে বর্তমানে রেল কর্তৃপক্ষ ওই মাঠকে ক্রিকেট মাঠ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে। সেই কারণে এ বছর পাশের একটি জমিতে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। জমিটি নিউ জলপাইগুড়িতে অতিরিক্ত ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের দফতরের কাছেই অবস্থিত।পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি নামী গয়না প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতা সংস্থা প্রতিমার জন্য প্রয়োজনীয় সোনার গয়না সরবরাহ করবে। এত বিপুল পরিমাণ সোনা থাকায় নিরাপত্তার বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুজো প্রাঙ্গণের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। পাশাপাশি প্যান্ডেলে মোতায়েন থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী।দর্শনার্থীদেরও প্রতিমার খুব কাছে যেতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রতিমার প্রায় আট ফুট আগে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে। সেখান থেকেই দর্শনার্থীরা প্রতিমা দর্শন করে নির্দিষ্ট পথ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবেন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার সশস্ত্র রক্ষীদেরও মোতায়েন করা হবে।পুজো কমিটির সভাপতি কাঞ্চন রায় জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। সোনার গয়না সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুজোর দিনগুলিতে গোটা এলাকা সিসিটিভির নজরদারিতে রাখা হবে। ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সজ্জিত দুর্গা প্রতিমা ও দুর্গা পরিবারের অন্যান্য দেবদেবীকে দেখতে এবার শিলিগুড়ির এই পুজোয় বিপুল দর্শনার্থীর সমাগম হতে পারে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ফের কমল সোনার দাম, কলকাতায় ২৪ ক্যারেটের দর জানলে চমকে উঠবেন

Gold Price Today: সোনার দামে ফের পতন। একদিন স্থিতিশীল থাকার পর টানা তৃতীয় দিনের মতো কমল হলুদ ধাতুর দাম। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দরে চাপ তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধিও বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে মার্কিন ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে, এমন আশঙ্কায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ কিছুটা কমেছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং ১৬ সেপ্টেম্বর সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশের কথা। ফলে ওই সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের।গত তিন দিনে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম মোট ১,৪২০ টাকা কমেছে। একই সময়ে ২২ ক্যারেট সোনার দর কমেছে ১,৩১০ টাকা। বুধবারও ২৪ ও ২২ ক্যারেটদুই ধরনের সোনার দাম ১০ টাকা করে কমেছে।কলকাতায় আজকের সোনার দামকলকাতায় ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১,৫৩,১৬০ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৪,৮৭০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দর ১.১৫ লক্ষ টাকার সামান্য নিচে।দেশের অন্যান্য বড় শহরেও সোনার দরে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। দিল্লিতে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা। মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেটের দাম ১,৫৩,১৬০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৪,৮৭০ টাকা।পাটনা ও আহমেদাবাদে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,২১০ টাকা। সেখানে ২২ ক্যারেটের দর ১,৪০,৪৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৪,৯২০ টাকা। জয়পুরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা।তবে চেন্নাইয়ের ক্ষেত্রে ২৪ ক্যারেট সোনার দরে দেওয়া তথ্যে সংখ্যাগত অসঙ্গতি রয়েছে। সেখানে ২২ ক্যারেটের দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৮,০৯০ টাকা। তবে কেনার আগে স্থানীয় বাজার বা বিক্রেতার কাছ থেকে ২৪ ক্যারেটের বর্তমান দর যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।চার দিন পর কমল রুপোর দামসোনার পাশাপাশি রুপোর দামেও বুধবার কিছুটা পতন দেখা গিয়েছে। টানা চার দিন স্থিতিশীল থাকার পর এক কেজি রুপোর দাম ১০০ টাকা কমেছে।দিল্লিতে এক কেজি রুপোর দাম এখন ২,৪৪,৯০০ টাকা। কলকাতা ও মুম্বইয়েও একই দরে রুপো বিক্রি হচ্ছে বলে দেওয়া হয়েছে। তবে চেন্নাইয়ে রুপোর দাম তুলনামূলক বেশিএক কেজি ২,৪৯,৯০০ টাকা। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর এক কেজি রুপোর দাম ৫,০০০ টাকা বেড়েছিল। পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর, ফের এক কেজিতে ১০,০০০ টাকা কমেছিল। বুধবারের পতনের ফলে রুপোর বাজারেও ফের কিছুটা দুর্বলতা দেখা গেল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

৪০ বছরের পুরনো গৌরব ফেরানোর উদ্যোগ! বক্সার জঙ্গলে রাজ করতে আনা হচ্ছে বাঘিনী

বাঘশূন্য বক্সার জঙ্গলে ফের বাঘের সংসার গড়ার প্রস্তুতি শুরু। বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে একটি বাঘিনীকে বক্সা টাইগার রিজার্ভে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বন দপ্তর। সেই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই ১৫ জনের একটি বিশেষ দল বিহারে পৌঁছেছে। বাঘিনীকে নিরাপদে নিয়ে আসার জন্য বিশেষ আম্বুল্যান্স এবং খাঁচাও সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২ অক্টোবর বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে বাঘিনীকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তার আগে বাঘিনীকে বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে নিরাপদে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। বন দপ্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের আগে ঘুমপাড়ানি গুলি প্রয়োগ করে বাঘিনীকে কাবু করা হবে। এরপর বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে তাকে বক্সার দিকে নিয়ে আসা হবে।বাঘিনীকে নিয়ে আসার সময় তৈরি করা হবে সবুজ করিডর। অর্থাৎ যাতায়াতের পথে যাতে কোনও ধরনের বাধা বা বিলম্ব না হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। বক্সা টাইগার রিজার্ভে পৌঁছনোর পর সরাসরি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে না তাকে। প্রথমে বিশেষ ভাবে তৈরি এনক্লোজারে রাখা হবে। সেখানে কয়েক দিন তার গতিবিধি, শারীরিক অবস্থা এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নজরে রাখা হবে।এরপর সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে ২ অক্টোবর বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার এই বিশেষ অনুষ্ঠান হবে আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডে। সেখানে সাধারণ মানুষের জন্যও অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা থাকবে। জঙ্গলের ভিতরে বাঘিনীকে ছেড়ে দেওয়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে প্যারেড গ্রাউন্ডে দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ।বনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২ অক্টোবর বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভের বাঘিনীকে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে এই উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলেও জানানো হয়েছে। জঙ্গলে বাঘিনী ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দেখতে পারবেন।বক্সা টাইগার রিজার্ভের সঙ্গে বাঘের ইতিহাস অবশ্য বেশ পুরনো। ১৯৮২ সালে আলিপুরদুয়ারের এই বনাঞ্চল দেশের ১৫তম বাঘ সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সেই সময় বক্সার জঙ্গলে ২০টিরও বেশি বাঘ থাকার রেকর্ড ছিল। পাহাড় এবং সমতল মিলিয়ে প্রায় ৭৬০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল বনাঞ্চল।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বক্সার জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা কমতে কমতে একসময় শূন্যে পৌঁছয়। বর্তমানে বক্সা টাইগার রিজার্ভে স্থায়ী ভাবে বসবাসকারী কোনও বাঘ নেই। যদিও গত কয়েক বছরে ভুটানের দিক থেকে বক্সার জঙ্গলে বাঘের যাতায়াতের ছবি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ফলে বাঘের জন্য বক্সার জঙ্গল এখনও উপযুক্ত আবাসস্থল কি না, তা নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন বনকর্তারা।এই পরিস্থিতিতে বক্সা টাইগার রিজার্ভে ফের বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে বাঘ এনে তাদের বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে ধীরে ধীরে বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বন দপ্তরের। সেই পরিকল্পনারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে বাঘিনী আনা হচ্ছে।এখন নজর ২ অক্টোবরের দিকে। বিশেষ দল, খাঁচা, আম্বুল্যান্স এবং নিরাপত্তার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। বাঘিনী বক্সার পরিবেশে কী ভাবে মানিয়ে নেয় এবং ভবিষ্যতে সেখানে বাঘের স্থায়ী প্রজনন সম্ভব হয় কি না, তার উপরই এই উদ্যোগের পরবর্তী সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
বিদেশ

মক্কা কি সত্যিই নিশানায়? ড্রোন হামলার দাবি নিয়ে মুখোমুখি সৌদি ও হাউথি

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হাউথি এবং সৌদি আরবের সংঘাতকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সৌদির দাবি, মঙ্গলবার পবিত্র শহর মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, মক্কার আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ড্রোনটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কড়া উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত।সৌদির দাবি অনুযায়ী, হাউথিরাই ওই ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। গত প্রায় এক দশকের মধ্যে মক্কার পবিত্র তীর্থক্ষেত্রকে ঘিরে এমন হামলার অভিযোগ এই প্রথম বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ড্রোনটি মক্কার ঠিক কতটা কাছে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে সৌদির তরফে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য জানানো হয়নি।সৌদির এই দাবি অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছে হাউথিরা। বুধবার গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, তাঁদের লক্ষ্য ছিল সৌদির তেলের ভাণ্ডার এবং সামরিক ঘাঁটি। তাঁর বক্তব্য, সেই লক্ষ্যগুলি মক্কা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মক্কাকে নিশানা করে হামলার যে দাবি সৌদি করেছে, তা মিথ্যা বলেও পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।এর ফলে মক্কার কাছে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট পার্থক্য তৈরি হয়েছে। সৌদি বলছে, হাউথির ড্রোন মক্কার দিকে এগিয়েছিল এবং আকাশেই সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে। অন্য দিকে হাউথির দাবি, তাদের লক্ষ্য ছিল মক্কা থেকে দূরে সৌদির তেল ও সামরিক পরিকাঠামো।এই ঘটনার পর মক্কার নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মক্কার ধর্মীয় গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে পবিত্র শহরের কাছাকাছি কোনও সামরিক হামলার অভিযোগ স্বাভাবিক ভাবেই আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ তৈরি করেছে।মক্কার কাছে ড্রোন হামলার অভিযোগের তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, মক্কার কাছে ড্রোন হামলার ঘটনায় ভারত উদ্বিগ্ন। সৌদি আরবের সার্বভৌম ভূখণ্ডে হামলা এবং সাধারণ নাগরিক ও বেসামরিক পরিকাঠামোকে বিপদের মধ্যে ফেলার যে কোনও প্রচেষ্টার কড়া নিন্দা করেছে ভারত।রণধীর আরও বলেন, সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে মক্কার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই কারণে মক্কার কাছাকাছি হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওই অঞ্চলে দ্রুত শান্তি এবং স্থিতিশীলতা ফিরে আসার আশাও প্রকাশ করেছে ভারত।অন্য দিকে, হাউথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের মাত্রাও ক্রমশ বাড়ছে। সৌদির পশ্চিম উপকূল লক্ষ্য করে হাউথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যেই মক্কার কাছে ড্রোন হামলার দাবি নতুন করে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে।তবে মক্কার কাছে ড্রোনটি ঠিক কোথা থেকে এসেছিল, তার লক্ষ্য কী ছিল এবং সৌদির দাবি অনুযায়ী সেটি কতটা কাছে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য এক নয়। ফলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। এ নিয়ে সৌদি আরব ও হাউথিদের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যেই নজর রয়েছে পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রতীক না মিললে প্রচারেই যাবেন না মমতা? নন্দীগ্রাম-রেজিনগর ভোটের আগে বড় বার্তা

পুজোর আগেই রাজ্যে ফের ভোটের দামামা। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের প্রতীক-জট নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। তার মধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।সূত্রের খবর, দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রচারে যাবেন না। যদিও এটি এখনও তাঁর প্রকাশ্য ঘোষণা নয়। ফলে উপনির্বাচনের প্রচারে মমতার ভূমিকা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই শিবির আলাদা ভাবে প্রার্থী দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবির নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরও দুই কেন্দ্রে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ফলে একই দলের দুই শিবিরের প্রার্থীদের মধ্যে সরাসরি লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।প্রতীক নিয়ে এই টানাপড়েনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দুই পক্ষের একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। কমিশনের কাছে দুই শিবিরই নিজেদের দাবি ও নথি জমা দিয়েছে। কিন্তু জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে মনোনয়ন পর্বের পাশাপাশি প্রতীক নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।এই পরিস্থিতিতে রেজিনগরের কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে আশীর্বাদ নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে জট না কাটলে মমতা প্রচারে আসবেন না বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। এই বক্তব্যের পরই মমতার প্রচার নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের মনোনয়ন ঘিরে একাধিক পরিচিত নেতাকে দেখা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রামে ওই শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ এতেসামূল হকের মনোনয়ন কর্মসূচিতেও দলীয় নেতাদের উপস্থিতি ছিল। ফলে দুই শিবিরের সাংগঠনিক তৎপরতা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের নন্দীগ্রাম প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-র মনোনয়ন ঘিরে জেলার নেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক ভাবে কম ছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। তবে এই উপস্থিতির ভিত্তিতে দলের চূড়ান্ত প্রচার কৌশল সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।এরই মধ্যে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে বিজেপিও প্রচার শুরু করেছে। শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থীর হয়ে মনোনয়ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। তিনি উপনির্বাচনে তৃণমূলের ফল নিয়ে নিজের দাবি জানিয়েছেন। তবে সেটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।নন্দীগ্রাম আসনটি বরাবরই রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর হাইভোল্টেজ লড়াই হয়েছিল। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়ে পরে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রেজিনগরেও একই ভাবে বিধায়ক পদ খালি হওয়ায় উপনির্বাচন হচ্ছে।এখন মূল নজর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে। জোড়াফুল প্রতীক কোন শিবির পাবে, দুই পক্ষকে একই প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, নাকি অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবেতা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের লড়াইয়ের সমীকরণও বদলাতে পারে।সব মিলিয়ে ৬ অক্টোবরের ভোটের আগে তৃণমূলের প্রতীক-জট এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে নামা না-নামা এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং দুই শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

‘রাক্ষুসে’ গঙ্গার গ্রাসে ভূতনি! ত্রাণের আশায় টিনের ডোঙা নিয়ে ছুটছেন বানভাসিরা

রাক্ষুসে গঙ্গার জলে কার্যত জলবন্দি মালদহের ভূতনির বিস্তীর্ণ এলাকা। যেদিকে তাকানো যাচ্ছে, শুধু জল আর জল। কোথাও ঘরবাড়ি ডুবে গিয়েছে, কোথাও আবার বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলমগ্ন। বহু পরিবার উঁচু রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির ছাদে ত্রিপল টাঙিয়ে দিন কাটাচ্ছে। খাবার বলতে ভরসা ত্রাণের সামগ্রী। আর সেই ত্রাণ আসার খবর পেলেই টিনের তৈরি ডোঙা নিয়ে ছুটে আসছেন বানভাসি মানুষজন।বুধবার ভূতনি সেতুর কাছে ত্রাণ পৌঁছনোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দূরদূরান্তের জলবন্দি এলাকা থেকে ডোঙা নিয়ে ছুটে আসেন বহু মানুষ। মহিলা এবং শিশুরাও সেই ভিড়ে ছিলেন। চিঁড়ে, গুড়ের মতো শুকনো খাবার সংগ্রহের জন্য জল পেরিয়ে ভূতনি সেতুর কাছে পৌঁছন তাঁরা। ত্রাণ নিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সেখানে পৌঁছতেই জলবন্দি এলাকার মানুষ ডোঙা নিয়ে তাঁদের দিকে এগিয়ে আসেন।মালদহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের মতো ত্রাণ নিয়ে বড় ধরনের কাড়াকাড়ির পরিস্থিতি কোথাও তৈরি হয়নি। তবে প্রত্যন্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে সমস্যা হচ্ছে। অনেক জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে নৌকার সাহায্যেই দুর্গত এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে।জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বানভাসি এলাকায় ১১টি ত্রাণশিবির এবং ১৫টি লঙ্গরখানা চালু করা হয়েছে। দুর্গত মানুষের কাছে খাবার, পানীয় জল এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে একশোর বেশি নৌকা কাজে নামানো হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও উদ্ধার ও ত্রাণকাজে মোতায়েন করা হয়েছে।মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল জানিয়েছেন, ত্রাণ এবং পানীয় জলের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের পাশাপাশি রামকৃষ্ণ মিশন, রেডক্রস এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। দূরবর্তী গ্রামগুলিতে ত্রাণ পৌঁছনোর কাজ আরও দ্রুত করতে উত্তর চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে বিশেষ ত্রাণ দফতর চালু করেছে জেলা প্রশাসন।তবে দুর্গতদের একাংশের অভিযোগ, প্রত্যন্ত এলাকার সব জায়গায় এখনও নিয়মিত ত্রাণ পৌঁছচ্ছে না। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বিধায়ক, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা স্পিডবোট ও নৌকা নিয়ে জলবন্দি মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। শুকনো খাবার এবং ওষুধও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।মালদহের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিও ত্রাণকাজে এগিয়ে এসেছে। জেলা প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে চাল, ডাল, চিঁড়ে, মুড়ি, পানীয় জল এবং মশারি-সহ বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে তিনটি বড় ট্রাক মানিকচকে পাঠানো হয়েছে।বন্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের উদ্ধারে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জলবন্দি এলাকা থেকে ১৮০ জনেরও বেশি অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ভূতনি থানার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু তাতে মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। এখনও প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ বন্যার জলে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বহু গ্রাম জলবন্দি। কোথাও ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। আবার কোথাও বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলে ডুবে গিয়েছে।উঁচু জায়গা এবং বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন বহু পরিবার। দুর্গত মানুষের সঙ্গে দেখা করতে নিয়মিত এলাকায় ঘুরছেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল। সিভিল ডিফেন্সের দুই আধিকারিককে সঙ্গে নিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং ত্রাণ ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে কি না, তা খোঁজ নেন। কয়েকটি এলাকায় বানভাসিরা ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগও জানিয়েছেন। দ্রুত তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক।সব মিলিয়ে ভূতনির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও জলযন্ত্রণা এখনও কাটেনি। ঘরবাড়ি হারিয়ে উঁচু রাস্তা ও ছাদে আশ্রয় নেওয়া মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় ভরসা ত্রাণ। আর সেই ত্রাণের আশাতেই জল পেরিয়ে ডোঙা নিয়ে ছুটছেন ভূতনির বানভাসিরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সেই মন্তব্য নিয়ে হাই কোর্টে মামলা, বুধবার এল বড় রায়! কী বলল আদালত?

গত ২ জুন ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের একটি ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বুধবার সেই মামলাই খারিজ করে দিল হাই কোর্ট।মামলাটি শুনেছিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানিতে মমতার মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত। বুধবার সেই রিপোর্ট আদালতে জমা দেয় রাজ্য। রাজ্যের রিপোর্টে জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই মন্তব্যে কোনও আদালতগ্রাহ্য অপরাধ সংঘটিত হয়নি। এরপরই মামলাটি খারিজ করে দেয় আদালত।গত ২ জুন ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের একটি ঘটনা প্রসঙ্গে বক্তব্য রেখেছিলেন মমতা। তিনি সরাসরি কারও নাম নেননি। তবে তাঁর মন্তব্য বাংলাদেশের একটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করেছিল বলে অনেকে মনে করেছিলেন। সেই মন্তব্য নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন অভ্রতনু সরকার।মামলাটি আদালতে ওঠার পর শুরু থেকেই এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আগের শুনানিতে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বেঞ্চ প্রশ্ন তুলেছিল, কোনও রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য নিয়ে এই ধরনের মামলা কী ভাবে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা যায়। আদালত জনস্বার্থ মামলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।এর পরেই মমতার মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের রিপোর্ট চায় হাই কোর্ট। বুধবার সেই রিপোর্ট জমা পড়ে। রাজ্যের বক্তব্য ছিল, ওই মন্তব্যের মধ্যে এমন কোনও বিষয় পাওয়া যায়নি, যা আদালতগ্রাহ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। রাজ্যের এই রিপোর্টের পরই প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে দেয়।মামলাটি খারিজ হওয়ার ফলে ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে দায়ের হওয়া এই জনস্বার্থ মামলার আইনি পর্ব আপাতত শেষ হল। তবে ওই মন্তব্য ঘিরে যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে সেই সময় থেকেই আলোচনা চলছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal