• ১৯ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

রনজি সেমিফাইনালের আগে মনোজ তেওয়ারিকে নিয়ে কেন অস্বস্তিতে বাংলা?‌

মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে রনজি সেমিফাইনাল। প্রথম সেমিফাইনালে কর্ণাটকের আলুরে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে বাংলা। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে উত্তরপ্রদেশের মুখোমুখি হবে মুম্বই। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে স্বস্তিতে নেই বাংলা শিবির। চোটের জন্য সেমিফাইনালে অনিশ্চিত বাংলা দলের মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি। একান্তই তিনি খেলতে না পারলে তাঁর পরিবর্তে হয়তো প্রথম একাদশে ঢুকবেন সুদীপ চ্যাটার্জি।ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৭৩ রান করেছিলেন মনোজ। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৫ বলে ১৩৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ম্যাচের শেষদিন দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করার পর হাঁটুর সমস্যা শুরু হয় মনোজের। চোট কতটা গুরুতর তা পরীক্ষা করার জন্য এমআরআই করা হয়। রিপোর্টে গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি। হাঁটু ফুলে থাকায় দু্দিন ধরে অনুশীলন করতে পারেননি মনোজ। কোচ অরুণলাল অবশ্য আশাবাদী মনোজের খেলার ব্যাপারে। তাঁর জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে টিম ম্যানেজমেন্ট।কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটারদের ফর্ম আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বাংলা শিবিরের। তবে জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডের মতো ব্যাটিং সহায়ক উইকেট আলুরে পাবে না বাংলা। আলুরের উইকেটের চরিত্রে তফাত রয়েছে। স্পিনাররা সাহায্য পেতে পারেন। তবে বাংলা শিবিরের সুবিধা, এই মাঠ ক্রিকেটারদের কাছে যথেষ্ট পরিচিত। বহু ম্যাচ এই মাঠে খেলেছেন অভিমন্যুরা। তবে সেমিফাইনালে বাংলাকে চাপে রাখবেন মধ্যপ্রদেশের স্পিনার কুমার কার্তিকেয়।মধ্যপ্রদেশকেও একেবারে অবহেলা করা যাবে না। কোয়ার্টার ফাইনালে পাঞ্জাবকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে এসেছে। দলের কোচ চন্দ্রকান্ত পন্ডিত যথেষ্ট উর্বর মস্তিষ্কসম্পন্ন। এছাড়াও দলে রয়েছেন রজত পতিদার, অক্ষত রঘুবংশী, শুভম শর্মা, কুলদীপ সেনের মতো ক্রিকেটাররা। তথাকথিত তারকা না থাকলেও বাংলাকে শক্ত চ্যালেঞ্জ দিতে পারে মধ্যপ্রদেশ।আলুরের উইকেট দেখে বাংলার কোচ অরুণলালের মনে হয়েছে, স্পিনাররা সাহায্য পেতে পারেন। তাই তিন পেসার, দুই স্পিনার নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা বাংলার। অরুণলাল বলেন, আগের ম্যাচে কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই এক স্পিনার খেলিয়েছিলাম। তবে দুই স্পিনার থাকলে দলে ভারসাম্য ঠিক থাকে। তবে আলুরে আগের ম্যাচে পেসারদের দাপটের বিষয়টি মাথায় রাখছেন অরুণলাল। ম্যাচের আগে উইকেট দেখে প্রথম একাদশ চূড়ান্ত করবেন। পেসার কমানো হলে সায়ন শেখর মণ্ডল বাইরে থাকতে পারেন। শাহবাজ আমেদের সঙ্গী হতে পারেন ঋত্বিক অথবা প্রদীপ্ত প্রামাণিক।

জুন ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে?‌ কী বললেন ভুবনেশ্বর

সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ২১১ রান করেও শেষরক্ষা হয়নি। ডেভিড মিলার ও রাসি ভান ডার ডুসেনের দাপটে হারতে হয়েছিল। কটকে সিরিজে সমতা ফেরানোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারত। ঋষভ পন্থের দলের কাছে কাজটা খুব একটা সহজ হবে না।কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্য কিন্তু খারাপ নয়। ২০১৫ সালে এই বরাবটি স্টেডিয়ামেই ভারতকে ৯২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে ভরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বরাবাটি স্টেডিয়ামে ৫ বছর পর টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত। ভারত অবশ্য তাকিয়ে ৭ বছর আগের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে।করোনার জন্য এতদিন ক্লোজড ডোর অনুশীলনই হচ্ছিল। শনিবার কটকের ছবিটা ছিল আলাদা। অনুশীলন দেখতেই গ্যালারি ভর্তি। কটকে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অনুশীলন করছে ভারতীয় দল। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সহ অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়ার ব্যাটিং অনুশীলনে আগ্রাসী মেজাজ, বড় শট খেলা দেখা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ভাল হয়েছে। বোলিংয়ের জন্যই ডুবতে হয়েছিল ভারতকে। সেকথা মাথায় রেখে বোলিং বিভাগে উন্নতির জন্য পরিকল্পনা করছে ভারতীয় শিবির।কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সবথেকে অভিজ্ঞ বোলার ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমাদের কোথায় ভুলত্রুটি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সকলেই আইপিএল খেলে এসেছে এবং এই দলে যারা রয়েছে, প্রত্যেকেই আইপিএলে ভাল খেলেছে। সবাই জানে ম্যাচে কী কী করতে হবে। একটা দিন খারাপ যেতেই পারে। আগের ম্যাচে বোলিং বিভাগের সেটাই হয়েছিল। আমরা সকলেই ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে রয়েছি।ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরাবাটি স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে বোলিং আক্রমণে পরিবর্তন আসে কিনা সেটা দেখার। তবে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় নিজে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চান না। সকলকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে চান। বরাবাটির উইকেটে হাইস্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা। পেসার কমিয়ে স্পিনার রবি বিষ্ণোইকে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্শদীপ সিং বা উমরান মালিকের অভিষেক কটকে হয় কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে প্রথম একাদশে পরিবর্তন না হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে শেষমুহূর্তের গোলে নাটকীয় জয় ভারতের

এএফসি এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ারের গ্রুপ লিগের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় তুলে নিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধের দশ মিনিটের চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে আফগানিস্তানকে ২-১ গোলে পরাজিত করল ভারত। ভারতের জয়সূচক গোলটি আসে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের হয়ে গোল দুটি করেন সুনীল ছেত্রী এবং সাহাল আব্দুল সামাদ।দুই দলই এদিন চাপ নিয়ে মাঠে নেমেছিল। এদিন দিনের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারায় হংকং। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা পৌঁছে যায় গ্রুপ শীর্ষে। পরের পর্বে যেতে গেলে আফগানিস্তান ও ভারতের কাছে জেতাটা জরুরি ছিল। ভাল শুরু করে আধিপত্য দেখালেও প্রথমার্ধে গোল তুলতে ব্যর্থ ভারত। আফগানিস্তানের গা-জোয়ারি ফুটবলের কাছে সমস্যায় পড়তে হয় সুনীল ছেত্রীদের। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে কয়েকটি পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলে ভারতীয় দলের কোচ uiইগর স্টিম্যাক। অনিরুদ্ধ থাপা ও ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের জায়গায় শুরু থেকেই মাঠে নামান জিকসন ও আশিক কুরুনিয়ানকে। আশিকের গতিকে কাজে লাগানোর জন্য এই স্ট্রাটেজি নিয়েছিলেন স্টিম্যাক। ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে আফগানিস্তান রক্ষণকে চাপে রাখেন মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারেননি। এদিন সুনীল ছেত্রীকে কড়া নজরে রেখেছিলেন আফগান ডিফেন্ডাররা। সুনীল আটকে যেতেই ভারতের কাছে গোল করার কাজটা কঠিন হয়ে যায়। প্রথমার্ধে গোল করার মতো সহজ সুযোগ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে, আফগানিস্তানও ঘর বাঁচাতেই বেশি ব্যস্ত ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ভারত। নাটক জমে ওঠে ম্যাচের শেষলগ্নে। ৮৬ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রী। কিন্তু এই এগিয়ে যাওয়া বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ভারত। দুমিনিটের মধ্যেই আফগানিস্তান সমতা ফিরিয়ে আনে প্রতি আক্রমণ থেকে পাওয়া কর্নার থেকে হেড করে। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, তখনই জ্বলে ওঠেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ৯২ মিনিটে তাঁর করা গোলেই জয় ছিনিয়ে নেয় ম্ভারত। এই ম্যাচে জয়ের ফলে পরবর্তী ম্যাচে হংকংকে হারালেই ভারত পৌঁছে যাবে এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে। তবে, সেই ম্যাচে যদি ভারত ড্র করে বা হেরে যায় তা হলে সরাসরি এএফসি এশিয়ান কাপে পৌঁছে যাবে হংকং। ড্র করলে গোল পার্থক্যে এগিয়ে যাবে তারা। তবে, ভারত দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও পরবর্তী রাউন্ডে যেতে পারবে। সেক্ষেত্রে সেরা পাঁচটি দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের মধ্যে জায়গা করে নিতে হবে ভারতকে।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ঘর ভাঙছে ইস্টবেঙ্গলে, গত মরশুমের সেরা ফুটবলার যাচ্ছেন কেরালা ব্লাস্টার্সে

আবার ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে আর দেখা যাবে না আন্তোনীয় পেরেসোভিচকে। ক্রোয়েশিয়ার এই তারকার সঙ্গে কেরালা ব্লাস্টার্সের কথা অনেকদূর এগিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এখনও সই করেননি লুকা মদ্রিচইভান রাকিটিচের দেশের এই ফুটবলার।গত মরশুমে আইএসএলে লালহলু্দ জার্সিতে যে কজন ফুটবলার নজরকাড়া পারফরমেন্স করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আন্তোনীয় পেরেসোভিচ। যদিও আইএলএলের মাঝপথে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে ৫ ম্যাচ নির্বাসনের কবলে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তাঁকে শাস্তি দিয়েছিল। শাস্তির কমানোর জন্য আবেদন করেও লাভ হয়নি। ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে শেষ স্থান পেলেও পেরেসোভিচের খেলা ভাল লেগেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স কর্তাদের। তাঁরা ক্রোয়েশিয়ার এই ফুটবলারকে পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখান। পেরেসোভিচের এজেন্টের সঙ্গে এক প্রস্থ কথা হয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের কর্তাদের।গত মরশুমে পেরেসোভিচ লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৪টি, একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। কেরালা ব্লাস্টার্স ছাড়াও পেরেসোভিচকে পাওয়ার জন্য ভারতের আরও কয়েকটি ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্সের পাল্লা ভারি। ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলেছেন পেরেসোভিচ। নিজের দেশের ক্লাবেরও প্রস্তাব রয়েছে তাংর কাছে।অন্য দিকে, বিশাল কাইথকে নিশ্চিত করে ফেলল এটিকে মোহনবাগান। কাইথকে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তির অফার করা হয়েছে এবং মোটা অঙ্কেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন তিনি। চেন্নাইয়িন এফসির সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ হওয়ায় ফ্রি এজেন্ট ছিলেন কাইথ। তাঁকে পাওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গল আগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল এবং লাল-হলুদের রিক্রুটারদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়ে ছিল এরই মাঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। অপর দিকে, পাঞ্জাবের ডিফেন্ডর গুরমুখসিং-এর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করল চেন্নাইয়িন এফসি। আই লিগের দল রাজস্থান ইউনাইটেড থেকে গুরমুখ এলেন দুই বারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়নে। যদিও গুরমুখের সঙ্গে যোগ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। লাল-হলুদের অ্যাকাডেমি থেকে এই ফুটবলার উঠে এসেছেন। মিনার্ভা অ্যাকাডেমি এফসিতেও ছিলেন এই পাঞ্জাব তনয়। রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে মোট ২২ ম্যাচ খেলেছেন এই তরুণ ডিফেন্ডার।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার আবার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’‌, প্রোটিয়াদের কাছে ৭ উইকেটে হার ভারতের

বোর্ডে ২১২ রান তুলেও শেষরক্ষা হল না। এবার দেশের হয়ে খেলতে নেমে কিলার হয়ে উঠলেন ডেভিড মিলার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। দুজনের দুরন্ত ব্যাটিংই ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল প্রোটিয়াদের। ভারতের ২১১/৪ রান ৫ বল বাকি থাকতেই তুলে ফেলল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ভারতের দুই ওপেনার ঈশান কিশান ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ওপর কোনও প্রভাব খেলতে পারেননি কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাডা, আনরিখ নর্টিয়েরা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ভারত তুলে ফেলে ৫১। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই পার্নেলের বলে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৫ বলে তিনি করেন ২৩। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ঈশান। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৭৬ রান করে তিনি আউট হন। আইপিএলে সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দেশের হয়ে নিজেকে মেলে ধরলেন। শ্রেয়স আয়ার করেন ২৭ বলে ৩৬। তাঁকে তুলে নেন প্রিটোরিয়াস। শ্রেয়স যখন আউট হন, ভারতের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১৫৬। পাওয়ার প্লেতে ঝড় তোলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও হার্দিক পান্ডিয়া। দুজনে ১৪ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১৯.১ ওভারের মাথায় আউট হন ঋষভ। ভারতের রান তখন ২০২। ১৬ বলে ২৯ রান করেন ঋষভ। ঝড় তুলে ১২ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১১ রান তোলে ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রান। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের স্কোর ভারতের।জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের বিরুদ্ধে এই সিরিজকে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য বেছে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। সিরিজ শুরুর আগেই অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা বলেছিলেন, বিশ্বকাপের জন্য ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করে নিতে চান। কুইন্টন ডিককের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন বাভুমা। তিনি নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন। ৮ বলে মাত্র ১০ রান করে তিনি ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ১৩ বলে ২৯ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বোল্ড হন। কুইন্টন ডিকক ১৮ বলে করেন ২২।৮.৪ ওভারে ৮১ রানে ৩ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও ডেভিড মিলার। আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটার। ভারতের বিরুদ্ধেও সেই ছন্দ অব্যাহত রাখেন। ২২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন। অন্যদিকে, শুরুতে সতর্ক থাকলেও পরের দিকে ঝড় তুলে ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ডুসেন। শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য ৩৪ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ১৭ তম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ২২ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন মিলার ও ডুসেন। ১৯.১ ওভারে ২১২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৬ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন। ৩১ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মিলার।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার ব্যাটিং!‌ রানের ফুলঝুড়ি ছুটিয়েও কেন আশ মেটেনি অভিমন্যুদের?‌

প্রথম ইনিংসে রানের ফুলঝুড়ি ছুটিয়েও আশা মেটেনি অভিমন্যু ঈশ্বরণদের। অনেকেই ভেবেছিলেন, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে সরাসরি জয়ের রাস্তায় হাঁটবে বাংলা। কিন্তু সেই রাস্তায় হাঁটেনি অরুণলালের দল। সেমিফাইনালের কথা ভেবে ব্যাটিং অনুশীলনের রাস্তা বেছে নেয়। তাই ঝাড়খণ্ডকে ২৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে। চতুর্থ দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭৬। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য জ্বলে উঠতে পারলেন না অভিষেক রমণ, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ ঘরামিরা।আগের দিনের ৫ উইকেটে ১৩৯ রান হাতে নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ঝাড়খণ্ড। এদিন আরও ১৫৯ রান যোগ করে। একা কুম্ভের মতো লড়াই করেন বিরাট সিং। ২৩৯ বল খেলে ১১৩ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শাহবাজ নাদিম করেন ২৫। নীচের সারির বাকি ব্যাটাররা রান পাননি। ৯৬ ওভারে ২৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ঝাড়খণ্ডের ইনিংস। বাংলার হয়ে ৪টি করে উইকেট নেন সায়ন শেখর মণ্ডল ও শাহবাজ আমেদ।প্রথম ইনিংসে ৪৭৫ রানে এগিয়ে থেকে আবার ব্যাট করতে নামে বাংলা। দশম ওভারের শেষ বলে প্রথম উইকেট পড়ে। শাহবাজ নাদিমের বলে আউট হন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। তিনি করেন ১৩। ২২ রান করে আউট হন অভিষেক রমণ। তাঁকে ফেরান নাদিম। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত ব্যাট করা সুদীপ ঘরামিও (৫) রান পাননি। তিনিও নাদিমের শিকার। দিনের শেষে ৩১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান তুলেছে বাংলা। দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলা এখনও ৫৫১ রানে এগিয়ে রয়েছে। এদিকে, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৭৭৩ রান করার সঙ্গে সঙ্গে আরও একটা নজির গড়েছে বাংলা। ৭০ বছর আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ১৯৫১৫২ মরশুমে ইডেনে আসামের বিরুদ্ধে ৭৬০ রান করেছিল বাংলা। ওই ইনিংসই ছিল রনজিতে বাংলার সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। রনজিতে এক ইনিংসে সব থেকে বেশি রানের রেকর্ড অবশ্য হায়দরাবাদের দখলে। ১৯৯৩-৯৪ মরসুমে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ৬ উইকেট হারিয়ে ৯৪৪ রান তুলেছিল।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলের বাজারে আবার ধাক্কা, ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের

ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সামনের মরশুমে আইএসএলে দল কেমন হবে, তা নিয়েও ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই আবার ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের। লালহলুদের দুই বাঙালী ফুটবলারকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। আবার পুরনো ক্লাবে ফিরে গেলেন মহম্মদ রফিক। পাশাপাশি মাঝমাঠের উদীয়মান সৌরভ দাসকেও তুলে নিয়েছে চেন্নাইন এফসি।এবছর দল বদলে বাঙালী ফুটবলারদের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে চেন্নাইন এফসি। আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের অধিনায়র মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বাঙালী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এবার সৌরভ দাস ও মহম্মদ রফিকের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করল।গত মরশুমের শেষ থেকেই সৌরভ দাসের ওপর নজর ছিল চেন্নাইন এফসি কর্তাদের। এই বাঙালী মিডফিল্ডারকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন চেন্নাইন কর্তারা। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে ৩১ মে পর্যন্ত চুক্তি থাকায় চেন্নাইনের চুক্তিপত্রে সই করেননি। মহম্মদ রফিকেরও একই অবস্থা। যদিও এই দুই ফুটবলার লালহলুদ কর্তাদের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করা হবে। কোনও ঝুঁকি নেননি সৌরভরা।ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এটিকে মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির হয়ে আইএসএলে খেলেছেন সৌরভ দাস। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডারের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয় ২০১৬ সালে মোহনবাগানের জার্সিতে। মোহনবাগানের হয়ে ১৬টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সৌরভ। ২০১৭ এএফসি কাপের ম্যাচে মোহনবাগানের হয়েও খেলেন তিনি। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি যোগ দেন মুম্বই সিটি এফসিতে। দুই মরসুমে মুম্বইয়ের দলটির হয়ে মোট আটটি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। গত মরসুমে আইএসএলে লালহলুদের জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেন সৌরভ। চেন্নাইন এফসিতে সই করার পর সৌরভ বলেছেন, চেন্নাইন এফসি পরিবারে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। এই ক্লাব দুবার আইএসএল জিতেছে। সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য ম্যানেজমেন্টের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি, ২ গোলে জয় ভারতের

১০৬ আর ১৭১ নম্বরের মধ্যে পার্থক্য যে অনেকটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন সুনীল ছেত্রিরা। এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। প্রত্যাশামতোই ২০ প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল। ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। এদিন দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে জোড়া গোল করেন তিনি।কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। দল সাজানোর পরিকল্পনাতেই তার প্রমাণ। সামনে একা মনবীর সিংকে রেখে দল সাজিয়েছিলেন ইগর স্তিমাচ। সুনীল ছেত্রিকে রেখেছিলেন একটু নীচের দিকে। সুনীলের পাশে দুই প্রান্তে ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ এবং লিস্টন কোলাসো। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে প্রথম থেকেই কম্বোডিয়াকে চাপে রেখেছিল ভারত। প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুদুটি গোলের সুযোগ চলে এসেছিল সুনীল ছেত্রিদের সামনে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। আক্রমণে ঝড় তুলে ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় ভারত। একক প্রয়াসে বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে যান লিস্টন কোলাসো। তাঁকে অবৈধভাবে আটকান কম্বোডিয়ার চোউন চানচাভ। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ডান পায়ের দুরন্ত শটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও ভারতের দাপট অব্যাহত থাকে। একাধিক বার গোল করার মতো পরিস্থিত তৈরি করেছিলেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ, রোশন সিং নাওরেমরা। কিন্তু ফাইনাল থার্ডে গিয়ে শেষ কাজটা ঠিক মতো করতে পারছিল না ভারত। সুনীল ছেত্রিও একবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। কিন্তু তিন কাঠিতে বল পাঠাতে পারেননি। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচে ৫৯ মিনিটে। ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের ক্রস থেকে হেডে দ্বিতীয় পোস্টের কোন ঘেঁসে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। দ্বিতীয়ার্ধে বেশি সময় সুনীলকে মাঠে রাখেননি স্টিম্যাচ। ৬৮ মিনিটে দলের প্রধান অস্ত্রকে তিনি তুলে নেন। পুরো ম্যাচ খেললে হয়তো এদিন হ্যাটট্রিক করতে পারতেন সুনীল। কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণে সুনীলের প্রধান সঙ্গী মনবীর সিং একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি। মাঝমাঠে ভাল খেলতে পারেননি অনিরুদ্ধ থাপাও। এই দুই ফুটবলারকেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পরিবর্তন করে দেন স্টিম্যাচ। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ভারত তৃতীয় গোলটিও পেয়ে যেতে পারত যদি সহজ সুযোগ নষ্ট না করতেন মহম্মদ আশিক কুরুনিয়ান।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙল বাংলা, জানতেনই না অভিমন্যুরা

রনজি সেমিফাইনালের পথে বাংলা। বাংলার ৭৭৩/৭ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের শেষে ঝাড়খণ্ড তুলেছে ৫ উইকেটে ১৩৯ রান। এখনও ৬৩৪ রানে পিছিয়ে ঝাড়খণ্ড। হাতে এখনও দুদিন সময়। যা পরিস্থিতি দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলার রান টপকে ঝাড়খণ্ডের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। একমাত্র অলৌকিক কিছু ঘটলেই বাংলার সেমিফাইনালে যাওয়া আটকে যেতে পারে। প্রায় আড়াই দিন ব্যাট করে বাংলা ঝাড়খণ্ডের ওপর বিশাল রানের বোঝা চাপিয়ে দেয়। একই সঙ্গে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিল বাংলা। অনন্য কৃতিত্বের নজির গড়লেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বাংলার নজন ব্যাটার হাফসেঞ্চুরি বা তার বেশি রান করেছেন। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন রেকর্ড কোনও দলের নেই। ১২৯ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার একটি দলের ৮ জন ব্যাটার ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত দলের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান বা তার বেশি করেছিলেন। সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বাংলার হয়ে হাফসেঞ্চুরি বা তার বেশি রান করেছেন অভিষেক রমণ (৬১), অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৬৫), সুদীপ ঘরামি (১৮৬), অনুষ্টুপ মজুমদার (১১৭), মনোজ তেওয়ারি (৭৩), অভিষেক পোড়েল (৬৮), শাহবাজ আমেদ (৭৮), সায়নশেখর মণ্ডল (অপরাজিত ৫৩), আকাশদীপ (অপরাজিত ৫৩)। এদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলে সায়নশেখর মণ্ডল যখন হাফসেঞ্চুরি করেন, তখনই রেকর্ডের ইতিহাসে নাম লেখায় বাংলা। এরপর ব্যাটিং করতে নামা আকাশ দীপও হাফসেঞ্চুরি করেন। তারই সঙ্গে বাংলা ভেঙে দেয় ১২৯ বছরের প্রাচীন রেকর্ড। পাশাপাশি প্রথম নজন ব্যাটসম্যানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫০ রানের বেশি করার নজির প্রথম বার তৈরি হয়। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বাধিক পঞ্চাশ কিংবা তার বেশি রান করার রেকর্ড এতদিন ছিল অস্ট্রেলিয়ানদের দখলে। ১৮৯৩ সালে অক্সফোর্ড অ্যান্ড কেমব্রিজ পাস্ট অ্যান্ড প্রেজেন্ট দলের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ান্স দল প্রথম ইনিংসে করে ৮৩৩। যার মধ্যে ৮ জন ব্যাটার ৫০ বা তার বেশি রান করেছিলেন। রেকর্ড ভাঙার কথা অবশ্য জানতই না বাংলা শিবির।বিশাল রানের সামনে ঝাড়খণ্ডের ব্যাটাররা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। দিনের শেষে তুলেছে ১৩৯/৫। বাংলার হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন সায়নশেখর মণ্ডল। ২টি উইকেট নিয়েছেন শাহবাজ আমেদ। ঝাড়খণ্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন নাজিম সিদ্দিকি (৫৩)।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আক্ষেপ নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় মহিলা ক্রিকেটের ‘‌শচীনের’‌

৩৯ বছর বয়সেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দাপিয়ে খেলা চাট্টিখানি কথা নয়। তাও আবার মহিলা ক্রিকেটে। জুনিয়রদের টেক্কা দিয়ে সেই কঠিন কাজটা এতদিন ধরে করে চলেছিলেন মিতালি রাজ। অবশেষে তাঁর সেই পথ চলা শেষ হল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে পুরোপুরি বিদায় জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটের মহিলা শচীন। আক্ষেপ নিয়েই ক্রিকেট থেকে সরে গেলেন মিতালি রাজ। বছর তিনেক আগে টি২০ ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল একদিনের বিশ্বকাপ জিতে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর। সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। এবছর মার্চে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত একদিনের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল মিতালিদের। এবছর বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে মিতালি তাকিয়েছিলেন জীবনের শেষ বিশ্বকাপে স্বপ্নপূরণের দিকে। সতীর্থদের কাঁধে চেপে ভিকট্রি ল্যাপ দিচ্ছেন, সেই স্বপ্নই দেখেছিলেন। বলেও ছিলেন, বিশ্বকাপ জিততে পারলে আমার ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। কিন্তু তাঁর সেই ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত অসম্পূর্ণ থেকে গেল। শচীনের মতো ঝুলিতে অজস্র রেকর্ড মিতালি রাজের। মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। গতবছরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেই ভেঙে দিয়েছেন শার্লট এডওয়ার্ডসের ১০২৭৩ রানের রেকর্ড। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ম্যাচে ৭ হাজারের বেশি রান। টানা ৭ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির অনন্য নজির। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড। পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটার মিলিয়ে দেশের মধ্যে প্রথম টি২০ ক্রিকেটে ২ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছনো।Thank you for all your love support over the years!I look forward to my 2nd innings with your blessing and support. pic.twitter.com/OkPUICcU4u Mithali Raj (@M_Raj03) June 8, 2022এখানেই শেষ নয়। মিতালির মুকুটে রয়েছে আরও পালক। মহিলা ক্রিকেটে তিনিই প্রথম অধিনায়ক, যিনি দুদুটি একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ২০০৫ ও ২০১৭ সালে। আর কী চাই? শচীনের মতোই মহিলাদের ক্রিকেটে নিজেকে কিংবদন্তীতে পরিণত করেছেন মিতালি রাজ। পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার, পদ্মশ্রী সম্মানও। এছাড়াও অনেক মিল রয়েছে। সীমিত ওভার ক্রিকেটে একসময় নিয়মিত ওপেন করেছেন। শচীনের মতোই পার্ট টাইম লেগ স্পিনার।মিতালি রাজের ভারতীয় ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ সালের জুন মাসে। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ভারত এবং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে অবসর নিলেন। শেষ হল ২৩ বছরের যাত্রা। বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন মিতালি। ওই ম্যাচ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ভারত ওই ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের বাধা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু মিতালি ওই ম্যাচে ৮৪ বলে ৬৮ রান করেছিলেন। টুইটারে পোস্ট করা এক আবেগঘন পোস্টে মিতালি রাজ লিখেছেন আমি একটি ছোট মেয়ে হিসাবে নীল জার্সি পড়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। দেশের হয়ে খেলাটাই তখন থেকে আজ পর্যন্ত আমার কাছে সর্বোচ্চ সম্মান হয়ে থেকেছে। পথ সহজ ছিল না। কখনও খুব ভালো সময় গিয়েছে আবার এসেছে খারাপ সময়ও। তবে মাঠের প্রতিটি ঘটনা আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে। আমার জীবনে প্রচুর চ্যালেঞ্জ এসেছে তবে সবসময় সব চ্যালেঞ্জকে আমি উপভোগ করেছি।মিতালি আরও বলেছেন, সমস্ত যাত্রার মতো, এটিও অবশ্যই একদিন না একদিন শেষ হত। সেটাই হল। আমি অবসর নিলাম ক্রিকেট থেকে। আমি যখনই মাঠে নেমেছি, ভারতকে জেতানোর জন্য আমি সেরাটা দিয়েছি। আমি মনে করি এখন আমার খেলার ক্যারিয়ারে ইতি টানার উপযুক্ত সময় কারণ দল এখন কিছু অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়ের হাতে রয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যত উজ্জ্বল। আমি বিসিসিআই এবং জয় শাহ স্যারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ তাঁদের দারুণ সমর্থন পেয়েছি। প্রথমে একজন খেলোয়াড় হিসেবে এবং তারপর ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে। এত বছর ধরে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একটি সম্মানের বিষয়। এটি অবশ্যই একজন ব্যক্তি হিসাবে আমাকে তৈরি করেছে এবং আশা করি ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটকেও নতুন রূপ দিতে সাহায্য করেছে। ৩৯ বছর বয়সী মিতালি মহিলাদের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং এই ফরম্যাটে তিনি ৭৮০৫ রান করেছেন। সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭, হাফ সেঞ্চুরি ৬৪টি। ৮৯ টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ২৩৬৪ রান করেছেন মিতালি। ১৭টি হাপ সেঞ্চুরি। ১২ টেস্ট ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৬৯৯ রান। সেঞ্চুরির সংখ্যা ১টি।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহিলা সাইক্লিস্টের ঘরে ঢুকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা!‌ মারাত্মক অভিযোগ কোচের বিরুদ্ধে

হোটেলের ঘরে ঢুকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব!। স্ত্রীর মতো আচরণ করার দাবি! জাতীয় কোচের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন ভারতের এক মহিলা সাইক্লিস্ট। যার অভিযোগের ভিত্তিতে স্লোভেনিয়া থেকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হল ভারতীয় সাইক্লিং দলকে। কড়া চিঠি পাঠানো হয়েছে অভিযুক্ত কোচ আরকে শর্মাকে। এশিয়ান ট্র্যাক সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্রস্তুতি এবং একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পুরুষ দলের সঙ্গে স্লোভেনিয়া গিয়েছিলেন এক মহিলা সাইক্লিস্ট। স্লোভেনিয়ায় হোটেলে সাইক্লিস্টের ঘরে জোর করে ঢুকে পড়েন কোচ আরকে শর্মা। ঘরে ঢুকে তিনি মহিলা সাইক্লিস্টের বিছানায় শুয়ে পড়েন। জোর করে মহিলা সাইক্লিস্টকে নিজের কাছে টানার চেষ্টা করেন। তখনই তাঁকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন। অভিযুক্ত কোচ আরকে শর্মা ওই সাইক্লিস্টকে বলেন, তাঁর সঙ্গে স্ত্রীর মতো আচরণ করতে হবে। তিনি ওই সাইক্লিস্টকে স্ত্রী বানাতে চান। বাধা দেওয়ায় সাইক্লিস্টের কেরিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। বলেন, অভিযোগ জানালে কোনও লাভ হবে না।এরপরই মহিলা সাইক্লিস্ট টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিমএর সিইও পুস্পেন্দ্র গর্গকে স্লোভেনিয়া থেকে সমস্ত ঘটনা জানান। গর্গ তখনই সাইক্লিস্টকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেন। সাইও যোগাযোগ রেখেছিল। মানসিক ভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েন ওই সাইক্লিস্ট। এরপর মহিলা সাইক্লিস্টকে স্লোভেনিয়া থেকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেয় ভারতের সাইক্লিং সংস্থা। স্লোভেনিয়া থেকে ট্রেনিংয়ের জন্য জার্মানি গিয়েছিল ওই সাইক্লিং দল। সেখানে যাওয়ার আগে ১৯ মে অনুশীলনের পর ওই সাইক্লিস্টকে নিজের ঘরে ম্যাসাজ করার জন্য ডেকেছিলেন কোচ আরকে শর্মা। কিন্তু তিনি যাননি। ২৫ মে বিশেষ প্রস্তুতি নিতে ছেলেদের দলের সঙ্গে জার্মানি যাওয়ার কথা ছিল ওই মহিলা সাইক্লিস্টের। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কোচ তাঁকে নিয়ে যাননি। জার্মানি থেকে স্লোভেনিয়া ফেরার পরেই চরম বিতর্ক তৈরি হয়। মহিলা সাইক্লিস্টকে স্লোভেনিয়া থেকে আগেই দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার গোটা দলকেই দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে সাই। কোচ আরকে শর্মাকে তদন্ত কমিটির সামনে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের কোচকে দায়িত্ব দেওয়ার ভাবনা ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের

ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হওয়ার পর জোরকদমে দল গঠনের কাজে হাত দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শুধু ভাল দল গঠন করলেই তো হবে না, চাই ভাল কোচ। এই ব্যাপারেও চমক দিতে চলেছে লালহলুদ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের প্রাক্তন ফুটবলারকে আইএসএলে কোচের হট সিটে বসাতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। জর্জ কোস্তার নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে লালহলুদের অন্দরমহলে।কলকাতা লিগের জন্য ইতিমধ্যেই বাংলার সন্তোষ ট্রফির কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যর সঙ্গে পাকা কথা বলে রেখেছেন লালহলুদ কর্তারা। বড় অঘটন না ঘটলে তিনিই কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব সামলাবেন। আইএসএলের জন্য ডুরান্ডের আগে নতুন কোচ নিয়োগ করা হবে। যাতে তিনি ডুরান্ড কাপে দল গুছিয়ে নিতে পারেন। লাল হলুদ কর্তারা চান জর্জ কোস্তাকে দায়িত্ব দিতে। কারণ, আইএসএলে তাঁর কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে তিনি মুম্বই সিটি এফসির কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলেছেন।ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের এই কোচ নিজের ফুটবল কেরিয়ারের সিংহভাগ কাটিয়েছেন পোর্তোতে। পোর্তোর জার্সিতে ২৫১ ম্যাচে ১৬ গোল করেন তিনি। ১৯৯২ থেকে ২০০২এর মধ্যে পর্তুগালের হয়ে খেলেছেন ৫০টি ম্যাচ এবং করেছেন ২টি গোল। পোর্তোর হয়ে জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ১৯৯১ সালে পর্তুগালের হয়ে জেতেন অনূর্ধ্ব২০ বিশ্বকাপ ফুটবল কেরিয়ারের মতোই কোস্তার কোচিং কেরিয়ার বর্ণময়। তিনি কোচিং করিয়েছেন ব্রাগা, গ্যাবনের মতো দলে।ম্যানেজার হিসেবে পর্তুগালের ক্লাব এস সি ওলহানেনসেকে দ্বিতীয় ডিভিশন লিগ চ্যাম্পিয়ন করে তুলে নিয়ে প্রথম ডিভিশনে। ক্লুজের হয়ে জেতেন রোমানিয়া লিগা ১। তবে, ভারতের তাঁর কোচিং পারফরমেন্ট তেমন আহামরি নয়। মুম্বই সিটি এফসির হয়ে ৩৯ ম্যাচে ১৭টি ম্যাচ জিতেছেন এবং ১৪টি হেরেছেন। ড্র করেছেন ৮টি ম্যাচে।এদিকে, মঙ্গলবার লালহলুদে বসছে কর্মসমিতির বৈঠক। সেই বৈঠকে ঠিক হবে ইমামির সঙ্গে কোন পথে চুক্তি করা হবে, কত শতাংশ শেয়ার দেওয়া হবে। তারপরই ইমামির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন লালহলুদ কর্তারা। চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার আগে অবশ্য দলগঠনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। কলকাতা লিগের জন্য ইস্টবেঙ্গল প্রাকচুক্তিতে সই করিয়েছে বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের স্ট্রাইকার শুভম ভৌমিককে।

জুন ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুদীপ ঘরামির দুরন্ত সেঞ্চুরি, ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বড় রানের পথে বাংলা

ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রনজি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখেছিলেন বাংলার কোচ। তাঁর আশঙ্কা যে অমূলক ছিল, প্রমান করে দিলেন সুদীপ ঘরামি, অনুষ্টুপ মজুমদার, অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। বেঙ্গালুরুর জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রীতিমতো দাপট দেখালেন বাংলার টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩১০। দুরন্ত সেঞ্চুরি সুদীপ ঘরামির। সেঞ্চুরির মুখে দাঁড়িয়ে অনুষ্টুপ মজুমদার।জাস্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডের বাইশ গজে ঘাসের আভা দেখে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান ঝাড়খণ্ড অধিনায়ক সৌরভ তেওয়ারি। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তকে বুমেরাং করে দিয়ে দারুণ শুরু করেন বাংলার দুই ওপেনার অভিষেক রমণ ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কিন্তু ইনিংসের ২৫ তম ওভারে রান নিতে গিয়ে পিঠের পেশিতে টান লাগে অভিষের রমণের। তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে আসেন। ৭২ বলে ৪১ রান করেন অভিষেক। এরপর বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ও তরুণ সুদীপ ঘরামি। ৩৯.৫ ওভারে বাংলার প্রথম উইকেট পড়ে। বাংলার রান তখন ১৩২। সুশান্ত মিশ্রর বলে এলবিডব্লু আউট হন অভিমন্যু। ১২৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি।অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সুদীপ ঘরামি ও অনুষ্টুপ মজুমদার। তাঁদের অসমাপ্ত ১৭৮ রানের পার্টনারশিপ বাংলাকে বড় রানে পৌঁছে দেয়। প্রথম দিন ৮৯ ওভারে বাংলা তোলে ১ উইকেটে ৩১০। সুদীপ ঘরামি ২০৪ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। অন্যদিকে ১৩৯ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার। ইনিংসের ৮১ তম ওভারে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সুদীপ ঘরামি। গ্রুপ লিগের ম্যাচে রান পাননি বাংলার এই তরুণ ব্যাটার। তাসত্ত্বেও তাঁর ওপর আস্থা রেখেছিলেন কোচ অরুণলাল। অভিজ্ঞ সুদীপ চ্যাটার্জিকে বাইরে রেখে তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেন। কোচের আস্থার মর্যাদা দিলেন সুদীপ ঘরামি। তাঁর ইনিংস নিয়ে বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছে। সুদীপ ঘরামি দুর্দান্ত প্রতিভা। তাই গ্রুপ পর্যায়ে রান না পেলেও ওর ওপর আস্থা হারাইনি। আমাদের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিল।

জুন ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে ফরাসি ওপেন জিতে নিলেন নাদাল

তিনিই যে ক্লে কোর্টের রাজা, আবার প্রমান করে দিলেন রাফায়েল নাদাল। ক্যাসপার রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে জিতে নিলেন কেরিয়ারের ১৪তম ফরাসি ওপেন খেতাব। ফরাসি ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে গেলেন ২২ তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাবে।সাম্প্রতিককালে নরওয়ের ক্যাসপার রুড ক্লে কোর্টে দারুন দাপট দেখাচ্ছেন। অনেকেই ভেবেছিল, ফরাসি ওপেনের ফাইনালে রাফায়েল নাদালকে বেগ দেবেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারলেন না। নাদালের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি রুড। এবারের ফরাসি ওপেনে নাদাল খেলতে নেমেছিলেন পঞ্চম বাছাই হিসেবে। নরওয়ের রুড ছিলেন অষ্টম বাছাই। নরওয়ের প্রথম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রথম কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেললেন নাদাল-ভক্ত রুড। ৩৬ বছরের নাদাল সবচেয়ে বেশি বয়সের টেনিস তারকা হিসেবে জিতলেন ফরাসি ওপেন খেতাব। ৫০ বছর আগে স্পেনের আন্দ্রে জিমেনো ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন ৩৪ বছর বয়সে। ২০০৫ সালে ১৯ বছর বয়সে নাদাল প্রথমবার ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন। তখন এই রুডের বয়স ছিল মাত্র ৬। রুড মালোর্কায় রাফায়েল নাদালের আকাদেমিতে প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন। গুরুর বিরুদ্ধে গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেলা তাঁর কাছে স্বপ্নপূরণ বলেও জানান তিনি।প্রথম দুটি সেট নাদাল ৬-৩, ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন। প্রথম সেটে নাদাল একটা সময় ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ অবধি ৪৮ মিনিটে তিনি ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন প্রথম সেট। ঠাণ্ডা আবহাওয়া, হাওয়াও দিচ্ছিল। দ্বিতীয় সেট চলাকালীন রোদ ওঠে। একটা সময় দ্বিতীয় সেটে রুড ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নাদাল নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে এরপরই টানা পাঁচটি গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় সেটে নাদাল মাত্র পাঁচটি আনফোর্সড এরর করেন। তৃতীয় সেটেও অসাধারণ দাপট দেখালেন রাফা। তৃতীয় সেটে রুডকে দাঁড়াতেই দেননি। আগাগোড়া দুরন্ত সার্ভেই বাজিমাত করেন ক্লে কোর্ট কিং রাফা। তৃতীয় সেট নাদাল জিতে নেন ৬-০ ব্যবধানে। এদিন রাফা বনাম রুডের ফাইনাল চলল ২ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ধরে। এই জয়ের ফলে রোলাঁ গারোয় নাদাল জিতলেন ১১২টি ম্যাচ, হেরেছেন মাত্র তিনটিতে। ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ এবং নরওয়ের রাজপুত্র হাকন। পাশাপাশি বসেই তাঁরা দেখলেন ক্লে কোর্টের রাজার শ্রেষ্ঠত্ব।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌অভিমন্যু, মনোজরা কেন ঘুম কেড়ে নিলেন বাংলার কোচ অরুণলালের?‌

রনজির কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারবে তো বাংলা? একসময় অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলকে নিয়ে তুমুল অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। শেষপর্যন্ত গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে চণ্ডীগড়কে ১৫২ রানে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল বাংলা। সোমবার থেকে শুরু হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের লড়াই। বাংলার সামনে ঝাড়খণ্ড।খাতায় কলমে ঝাড়খণ্ড খুব একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নয়। বাংলা শিবির বিপক্ষকে নিয়ে খুব বেশি চিন্তিতও নয়। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বাংলার কোচ অরুণলালে ঘুম কেড়েছে নিজের দলের ব্যাটাররা। গ্রুপ লিগে ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়তে হয়েছিল বাংলাকে। সেই রোগ যে সারেনি কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার আগে দুদুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। কর্ণাটক ও উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলা। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই জ্বলে উঠতে পারেননি অভিমন্যুরা। এটাই চিন্তা বাড়িয়েছে বাংলা শিবিরে।ম্যাচের আগের দিন সরকারিভাবে অনুশীলনে ছুটি ছিল বাংলার। ব্যাটারদের কিন্তু রেহাই দেননি অরুণলাল। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির নেটে নামিয়ে দেন অভিমন্যু, মনোজ, সুদীপদের। এমনিতে জোরে বোলিং নিয়ে মাথাব্যাথা রয়েছে বাংলার। তার ওপর যে মাঠে বাংলাকে খেলতে হবে, সেই মাঠেও বাইশ গজ সবুজে ভরা। ফলে চিন্তা একটা থাকছেই। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৪ জোরে বোলার নিয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলার। সেক্ষেত্রে আকাশদীপ, ঈশান পোড়েল ও মুকেশ কুমারের সঙ্গী হবেন সায়নশেখর মণ্ডল। একমাত্র স্পিনার শাহবাজ আহমেদ। যদি শেষ মুহূর্তে ৩ জোরে বোলার নিয়ে মাঠে নামা হয়, তাহলে সায়নের পরিবর্তে ঢুকবেন ঋত্বিক চ্যাটার্জি।ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও ম্যাচের আগের দিন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বাংলা। ওপেনিংয়ে অভিমন্যু ঈশ্বরণ নিশ্চিত। তাঁর সঙ্গে কে জুটি বাঁধবেন, ঠিক হয়নি। সুদীপ ঘরামিও হতে পারেন, আবার অভিষেক রমণের কথাও ভাবা হয়েছে। চারে অনুষ্টুপ মজুমদারকে পাঠানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে মনোজ তেওয়ারি যাবেন ৬ নম্বরে। সুদীপ চ্যাটার্জির প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেন স্টোকসকে প্রতিদান দিলেন জো রুট, কীভাবে?‌

জো রুট নেতৃত্বে থাকার সময় অনেক টেস্ট জিতিয়েছিলেন বেন স্টোকস। উত্তরসূরীকে এবার প্রতিদান দিলেন জো রুট। প্রাক্তন অধিনায়কের ব্যাটে ভর করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে দারুণ জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। কেন উইলিয়ামসনের দলকে ৫ উইকেট হারিয়ে সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন বেন স্টোকসরা। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে অপরাজিত থাকেন জো রুট। এদিন সেঞ্চুরি করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পৌঁছে যান ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে।প্রথম ইনিংসে দুই দলই ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখে পড়েছিল। নিউজিল্যান্ড শেষ হয় ১৩২ রানে। জবাবে ইংল্যান্ড ১৪১ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ড্যারিল মিচেলের দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে তোলে ২৮৫। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭৭। তৃতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে ৬৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে একসময় যথেষ্ট চাপের মুখে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান জো রুট ও অধিনায়ক বেন স্টোকস। জুটিতে ওঠে ৯০। ৫৪ রান করে আউট হন স্টোকস। এরপর রুটের সঙ্গে জুটি বাঁধেন বেন ফোকস,তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল পাঁচ উইকেটে ২১৬। চতুর্থদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই ১৩.৫ ওভারে বাকি রান তুলে নেয় ইংল্যান্ড। প্রাক্তন অধিনায়ক জো রুট অপরাজিত ছিলেন ৭৭ রানে। ১৭০ বলে ১১৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। মেরেছেন ১২টি চার। এরই ফাঁকে এদিন তিনি পেরিয়ে যান টেস্টে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোন।এই বছরে জো রুটের এটা তৃতীয় সেঞ্চুরি। ১১৮ টেস্টে তাঁর রান ১০ হাজার ১৫। গড় ৪৯.৫৭, ২৬টি শতরান ও ৫৩টি অর্ধশতরান করেছেন। বিশ্বের ১৪ নম্বর ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ১০ হাজার রানের ক্লাবে ঢুকে পড়লেন রুট। টেস্টে সবচেয়ে বেশি রান সচিন তেন্ডুলকরের। তিনি করেছেন ১৫ ৯২১। এরপর রয়েছেন রিকি পন্টিং, জ্যাক কালিস, রাহুল দ্রাবিড়, অ্যালিস্টার কুক, কুমার সাঙ্গাকারা, ব্রায়ান লারা, শিবনারায়ণ চন্দ্রপাল, মাহেলা জয়বর্ধনে, অ্যালান বর্ডার, স্টিভ ওয়া, সুনীল গাভাসকর ও ইউনিস খান।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছাড়বেন?‌ কী বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো?‌

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু গত মরশুমে চূড়ান্ত ব্যর্থ সি আর সেভেন। দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ব্যর্থ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও প্রথম চারের মধ্যে জায়গা হয়নি ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের। ফলে সামনের মরশুমেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। গত মরশুমে চূড়ান্ত হতাশাজনক পারফরমেন্সের পর ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড কি রাখবে রোনাল্ডোকে? কিংবা তিনিও কি থাকবেন পুরনো ক্লাবে? নতুন কোচ এরিক টেন হ্যাগের অধীনে মানিয়ে নিতে পারবেন?ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ক্লাবের সাথে তাঁর ভবিষ্যত সম্পর্কে সমস্ত জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। এই পর্তুগীজ সুপারস্টার বলেছেন যে, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে তিনি সন্তুষ্ট। পরের মরশুমে দলকে চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে সাহায্য করার জন্য তিনি পুরোপুরি মনোনিবেশ করছেন। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে প্রত্যাবর্তনের প্রথম মরশুমে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি রোনাল্ডো। ট্রফিহীন কেটেছিল ম্যান ইউয়ের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলবেন বলেই জুভেন্টাস থেকে ম্যান ইউতে ফিরেছিলেন। বায়ার্ন মিউনিখেরও প্রস্তাব ছিল রোনাল্ডোর কাছে। সেই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে ২ বছরের চুক্তিতে সই করেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে। কিন্তু সামনের মরশুমে তাঁর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না। তাই অনেকেই ভেবেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে যাবেন রোনাল্ডো। শুক্রবার রাতে নেশনস লিগে স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল পর্তুগালের। এই ম্যাচের পর ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড প্রসঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো বলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড আমার ফুটবলজীবনকে ওপরে তুলে ধরেছিল। এই ক্লাবে ফিরে আসতে পেরে আমি খুশি। ফিরে আসার সময় অবিশ্বাস্য অনুভূতি হচ্ছিল। আমি এই ক্লাবে ফিরে আসতে পেরে খুশি ছিলাম, এখনও আছি। রোনাল্ডো আরও বলেন, আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ম্যাচ জেতার চেষ্টা করা এবং দলকে ট্রফি এনে দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি যে ম্যাঞ্চেস্টার তাদের যেখানে ছিল, সেই পুরনো জায়গায় ফিরে আসবে। কখনও কখনও সময় লাগে। কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস একদিন না একদিন ফিরবেই।২০২১২২ মরশুমে ওলে গুনার সোলস্কজায়ের এবং রালফ রাঙ্গনিক দুজনই ম্যান ইউকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। প্রিমিয়ার লিগে ৬ নম্বরে শেষ করেছিল ম্যান ইউ। আগের মরশুমে হতাশাজনক পারপরমেন্সের পর নতুন ম্যানেজার এরিক টেন হ্যাগ নতুন যুগের সূচনা করতে প্রস্তুত। এর আগে তিনি আয়াখসের কোচ ছিলেন। সেখানে অবিশ্বাস্য ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে এরিক টেন হ্যাগের। ৩ বার দলে লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২ বার ডাচ কাপ জিতিয়েছিলেন।

জুন ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্পর্ক ছিন্ন করে এটিকে মোহনবাগান সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কী বললেন রয় কৃষ্ণা?‌

শুক্রবারই টুইট করে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণাকে শুভেচ্ছাও জানানো হয়। টুইটারে লেখা হয়েছে, সমস্ত স্মৃতির জন্য ধন্যবাদ রয়! বিদায় এবং শুভকামনা রইল! পুরনো ক্লাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি ফিজির এই তারকা। সবুজমেরুণ সমর্থক, টিম ম্যানেজমেন্ট ও কর্তাদের কাছ থেকে মাঠে এবং মাঠের বাইরে যে ভালবাসা পেয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে ৩১ মে চুক্তি শেষ হয় রয় কৃষ্ণার। ফলে ১ জুন থেকেই ফ্রি এজেন্ট তিনি। অবশেষে ৩ জুন সরকারি ভাবে রয় কৃষ্ণার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে এটিকে মোহনবাগান। এটিকে মোহনবাগানের টুইটের পরই এক আবেগঘন টুইট করেন রয় কৃষ্ণা। সেই টুইটে তিনি লিখেছেন, এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর আমি কেমন অনুভব করছি, তা কোনও শব্দই ব্যাখ্যা করতে পারবে না। ক্লাব, অনুগামী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা মাঠে এবং মাঠের বাইরে যেভাবে আমাকে ভালবাসা উপহার দিয়েছেন, তারজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবাই আমাদের জন্য যা করেছেন, তা আমার পরিবার এবং আমি সত্যিই প্রশংসা করি। সমর্থকদের যে ভালবাসা পেয়েছি, তা মিস করব। তবে এই স্মৃতিগুলিকে সারাজীবন লালন করব।সবুজমেরুণ ছেড়ে ফিজির এই তারকা ফুটবলার কোন ক্লাবে যোগ দিচ্ছেন, তা নিয়ে অবশ্য এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। রয় কৃষ্ণর কাছে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গল, মুম্বই সিটি এফসিসহ আইএসএলের একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে। বেঙ্গালুরু এফসিও এই তারকা স্ট্রাইকারকে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়া তাঁর পুরনো ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের ক্লাব ওয়েলিংটন ফনিক্সেরও প্রস্তাব রয়েছে। সেখান থেকেই ভারতে খেলতে এসেছিলেন তিনি। তবে কোথায় খেলবেন তাএখনও ঠিক করেননি রয় কৃষ্ণা।এটিকে এবং মোহনবাগানের হয়ে তিন মরশুমে ৬০ টি ম্যাচ খেলেছেন রয় কৃষ্ণা। গোল করেছেন ৩৬টি। তাঁর পাস থেকে ১৮টি গোল এসেছে। যা তাঁর ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি। সামগ্রিকভাবে ৩৪ বছর বয়সী বার্থলোমিউ ওগবেচে (৩৬), সুনীল ছেত্রী (৫১) এবং ফেরান করোমিনাসের (৪৮) পরে আইএসএলের সর্বকালের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতা রয় কৃষ্ণা। ২০১৯২০ মরশুমে ১৫টি গোল করে এটিকেকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২০২০২১ মরশুমে এটিকে মোহনবাগানকে ফাইনালে তোলার পেছনে তাঁর অবদান ছিল যথেষ্ট। ১৪ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার সম্মান ছিনিয়ে নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা।

জুন ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আমাদের খবরই সত্যি হল, এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ রয় কৃষ্ণার

ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। জনতার কথা নিউজ পোর্টালেও খবরটা প্রকাশিত হয়েছিল, এটিকে মোহনবাগান ছাড়বেন রয় কৃষ্ণা। আমাদের খবর মান্যতা পেল। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন রয় কৃষ্ণা। এদিনই তিনি সরকারি ভাবে সবুজমেরুনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করলেন। এবছর আইএসএল চলাকালীন শেষদিকে চোট পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। ফিট হয়ে উঠলেও কোচ জুয়ান ফেরান্দো ভরসা রাখেননি রয় কৃষ্ণার ওপর। তখন থেকেই কোচের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে ফিজির এই তারকার। ৩১ মে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয় রয় কৃষ্ণার। ফলে ১ জুন থেকেই ফ্রি এজেন্ট তিনি। অবশেষে ৩ জুন সরকারী ভাবে রয় কৃষ্ণার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করল এটিকে মোহনবাগান।এক নিকট আত্মীয় মারা যাওয়ায় এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জনকারী পর্বের ঠিক আগে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। সূত্রের খবর, কোচ জুয়ান ফেরান্দোর সঙ্গে মনোমালিন্যর জন্যই নাকি ফিজি চলে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যেতেন ফেরান্দো। কোচের সঙ্গে রয় কৃষ্ণার সম্পর্কে অবনতি যে হয়েছে তা স্বষ্ট ছিল। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে যদিও পেশাদারিত্ব দেখিয়ে রয় কৃষ্ণা জ্বলে ওঠেন।শুক্রবার এটিকে মোহনবাগানের মিডিয়া টিমের পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানানো হয়। এটিকে মোহনবাগানের পক্ষ থেকে টুইট করে রয় কৃষ্ণাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। টুইটারে লেখা হয়েছে, সমস্ত স্মৃতির জন্য ধন্যবাদ রয়! বিদায় এবং শুভকামনা রইল! রয় কৃষ্ণর কাছে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গল, মুম্বই সিটি এফসিসহ আইএসএল-এর একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া তাঁর পুরনো ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের ক্লাব ওয়েলিংটন ফনিক্সেরও প্রস্তাব রয়েছে। সেখান থেকেই ভারতে খেলতে এসেছিলেন তিনি। তবে কোথায় খেলবেন তাএখনও ঠিক করেননি রয় কৃষ্ণা।

জুন ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • ...
  • 66
  • 67
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal