• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজনীতি

রাজনীতি

খড়গপুরের সভায় পৌঁছলেন নরেন্দ্র মোদি

অমিত শাহ ঘুরে গিয়েছেন কয়েক দিন আগেই। এ বার খড়গপুরে প্রচারে নরেন্দ্র মোদি।একদিনের ব্যবধানে ফের একবার বঙ্গে পা রাখলেন তিনি। শনিবার বেলা ১১টা নাগাদ কলাইকুণ্ডা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। সেখান থেকে গাড়িতে চেপে বেলা ১১টা বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ বিএনআর মাঠে পৌঁছন। বঙ্গের আসন দখল করতে অভিনেতা হিরণকে খড়গপুরে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে সম্প্রতি সেখানে পদযাত্রা করে গিয়েছেন অমিত শাহ। এবার সভা করতে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মার্চ ২০, ২০২১
রাজনীতি

প্রচারে 'গো ব্যাক' স্লোগান, ক্ষুব্ধ বাবুল

প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন টালিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। দীর্ঘক্ষণ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিও টুইট করে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাবুল।বৃহস্পতিবার রাতে নিজের এলাকা অর্থাৎ টালিগঞ্জে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। নিজের বিধানসভা এলাকার বহু মানুষের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রচারের মাঝে ভবানীপুর এলাকার একটি ধাবায় চা খাওয়ার জন্য গাড়ি দাঁড় করান বাবুল। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে ফেলেন। গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।পাশাপাশি চলে তৃণমূলের স্লোগানও। একসময়ে বাধ্য হয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন বাবুল সুপ্রিয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে এলাকা ছাড়েন বিজেপি প্রার্থী।শুক্রবার সকালে এই ঘটনার ভিডিও টুইট করেন বাবুল। সেখানেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে গণতন্ত্র কোথায়? পাশাপাশি লেখেন, ২ মে সবকিছু শেষ হবে। খেলা নয়, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এবার উন্নয়ন হবে।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক

শেষবার ভোট দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। এই ২০২১এ ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে তাঁকে। তিনি আর কেউ নন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনে ১৪৮ টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির। তাতে একদিকে যেমন রয়েছেন একাধিক বিধায়ক, তেমনই রয়েছেন রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকাও। অর্থাৎ বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক। ভোটযুদ্ধে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মুকুল রায়। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। প্রার্থী হয়েই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী একদা তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক মুকুল রায়। এছাড়া প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জগন্নাথ সরকারের মতো সাংসদ, সব্যসাচী দত্ত, পবন সিং, অরিন্দম ভট্টাচার্যর মতো বিধায়ক, রয়েছেন দলের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মীরা। আজকের বিজেপির ঘোষিত তালিকায় কে, কোথা থেকে লড়ছেন, দেখে নিন একঝলকে কৃষ্ণনগর উত্তর মুকুল রায় কৃষ্ণনগর দক্ষিণ মহাদেব সরকারডাবগ্রাম শিখা চট্টোপাধ্যায়ধূপগুড়ি বিষ্ণুপদ রায়ময়নাগুড়ি কৌশিক রায়মাল- মহেশ বাগেশিলিগুড়ি- শংকর ঘোষশান্তিপুর জগন্নাথ সরকারকৃষ্ণগঞ্জ আশিস বিশ্বাসরানাঘাট দক্ষিণ মুকুটমনি অধিকারীরানাঘাট উত্তর-পশ্চিম অসীম বিশ্বাসপানিহাটি সন্ময় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ভবানীপুর রুদ্রনীল ঘোষ চৌরঙ্গি শিখা মিত্রপাণ্ডবেশ্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারি বরানগর- পার্নো মিত্র মধ্যমগ্রাম- রাজশ্রী রাজবংশীহাবড়া রাহুল সিনহা বিধাননগর সব্যসাচী দত্ত হেমতাবাদ চাঁদিমা রায়রাজারহাট-গোপালপুর শমীক ভট্টাচার্য রাজারহাট-নিউটাউন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়জগদ্দল অরিন্দম ভট্টাচার্যনৈহাটি ফাল্গুনী পাত্রব্যারাকপুর চন্দ্রমণি শুক্লাখড়দহ শীলভদ্র দত্তনোয়াপাড়া সুনীল সিংভাটপাড়া পবন সিংবীজপুর শুভ্রাংশু রায়কামারহাটি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়দমদম বিমলশংকর নন্দমানিকতলা কল্যাণ চৌবেআসানসোল দক্ষিণ অগ্নিমিত্রা পল বসিরহাট দক্ষিণ তারকনাথ ঘোষবর্ধমান দক্ষিণ সন্দীপ নন্দীকালনা বিশ্বজিৎ কুণ্ডুমন্তেশ্বর সৈকত পাঁজাদুর্গাপুর পূর্ব কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

আরও চার আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির

চার আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল বিজেপি। চার জনের মধ্যে একজন আবার তারকা। বুধবার রাতে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির বৈঠকের পরই এই চার প্রার্থীর নাম ঘোষিত হয়। উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন পাপিয়া অধিকারী। ফলতা থেকে বিজেপির হয়ে লড়াই করবেন বিধান পাড়ুই। বারুইপুর পূর্ব থেকে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন চন্দন মণ্ডল এবং জগৎবল্লভপুরের প্রার্থী অনুপম ঘোষ। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই রুপোলি পর্দার তারকা পাপিয়া অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এর আগে যশ দাশগুপ্ত, পায়েল সরকার, তনুশ্রী, অঞ্জনা বসুদের মতো তারকাকে প্রার্থী করেছেল বিজেপি। এই নিয়ে চারবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। এর মধ্যেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বিজেপির অন্দরে। সেই ক্ষোভ আছড়ে পড়েছিল রাজপথেও। কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের বাইরে দুদিন ধরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন দলের কর্মীরা। সেই ক্ষোভ সামাল দিতে নিউটাউনের হোটেলে রাতভর বৈঠক সেরেছেন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। তারপরই ফের বাকি আসনের প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করতে বৈঠক হয় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বাড়িতে। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এই বৈঠকের মাঝেই চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষ ও মুকুল রায়কে প্রার্থী করা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এক বিজেপি নেতার দাবি, প্রার্থী হচ্ছেন না দিলীপ। যদিও মুকুলকে প্রার্থী করতে মরিয়া বিজেপি নেতৃত্ব।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহারে একগুচ্ছ চমক

তৃণমূল ভবন থেকে বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কী কী প্রতিশ্রুতি রইল তৃণমূলের ইস্তেহারে, দেখে নেওয়া যাক এক নজরে: বছরে চার বার দুয়ারে সরকার। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জাত-ধর্ম নির্বিশেষে বিধবা ভাতা। দুয়ারে দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। দেড় কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। বাংলার প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ১.৬ কোটি পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা। তপসিলি পরিবারকে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৬৮ লক্ষ কৃষককে প্রতি বছর দশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। কোনও জামিনদার লাগবে না। সরকার-ই জামিনদার। ১০ লক্ষ টাকা ঋণ মিলবে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স। মাহিষ্য, তিলি, তামুলি, সাহা, কিষানদের ওবিসি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তোলা হবে। বড় শিল্পে ৫ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ করা হবে। ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্বের হার কমিয়ে অর্ধেক করা হবে। দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার। ইতিমধ্যে দুয়ারে রেশন অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার মতো পরিকল্পনার কথা প্রচারে গিয়ে বলেছেন মমতা। তার পাশাপাশিই রইল পিছিয়ে পড়া নানা সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়নের কথা। রইল পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকারও।ইতিমধ্যে জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া নিয়ে কড়াকড়ি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও মূল্যে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে, জাতিগত শংসাপত্র পেতে যেন কোনও সমস্যা না হয়। তার পর থেকেই কয়েক লক্ষ শংসাপত্র দেওয়ার কাজ হয়েছে দুয়ারে সরকারের শিবিরে। এ কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। ইস্তেহারেও এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাজেটে যে প্রকল্পগুলোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোও চলবে।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্য নেতাদের রাতেই দিল্লি তলব অমিতের

ভোট-পূর্ববর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলার শীর্ষনেতাদের মঙ্গলবার রাতেই দিল্লিতে জরুরি তলব করলেন অমিত শাহ। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার পর বিজেপি-র নির্বাচনী কার্যালয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা কী ভাবে মোকাবিলা করা যায়, তার প্রাথমিক আলোচনা সোমবার গোটা রাত ধরে করেছেন বিজেপি-র শীর্ষনেতা অমিত। আলোচনার শেষে কিছু পরামর্শও দিয়ে গিয়েছেন। সেই মতো মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা শুরু করেছেন দলের নেতা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নেতাদের আশা, আলোচনার মাধ্যমে ক্ষোভ প্রশমিত হবে।বিজেপি সূত্রে খবর, যেন তেন প্রকারেণ বাংলার নীলবাড়ি দখল করতে চাইছেন অমিত। সে কারণেই সমস্ত ইতিবাচক আসনে দলের ওজনদার নেতানেত্রীকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। সাংসদদেরও ভোটের ময়দানে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কেও টালিগঞ্জ বিধানসভা আসনে টিকিট দেওয়া হয়েছে। তিনি মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রচার এবং জনসংযোগও শুরু করে দিয়েছেন। টিকিট দেওয়া হয়েছে হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কেও। কিন্তু তার চেয়েও একধাপ এগিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়কেও ভোটের ময়দানে প্রার্থী হিসেবে হাজির করানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন অমিত। দিলীপ-ঘনিষ্ঠরা জানাচ্ছেন, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। সেই আসনটি দুবরাজপুর হলেও হতে পারে। তবে দুবরাজপুর সংরক্ষিত আসন। সেখানে দিলীপের পক্ষে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। তবে বীরভূমের কোনও একটি সাধারণ আসনে দিলীপকে টিকিট দেওয়া হতে পারে। দিলীপ-ঘনিষ্ঠদের মুখে ভবানীপুরের কথাও শোনা যাচ্ছে। আর মুকুলকে দাঁড় করানো হতে পারে নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ আসন থেকে। অন্তত মুকুলের ঘনিষ্ঠরা তেমনই বলছেন।

মার্চ ১৬, ২০২১
রাজনীতি

তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ৬৩ আসনের বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফার প্রার্থীতালিকা আগেই ঘোষণা করেছে বিজেপি। রবিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফার আরও ৬৩ আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল গেরুয়াশিবির। প্রথম দফার মতো এই দফাতেও রয়েছে একাধিক চমক।টানা আলোচনা। দফায় দফায় বৈঠক। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা। কিন্তু এত কিছুর পরও তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। শুরুতে শোনা যাচ্ছিল, আজ তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার তো বটেই, আরও কয়েকটি আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে গেরুয়া শিবির। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সম্পূর্ণ তালিকাই ঘোষণা করতে পারল না তারা। সব মিলিয়ে এদিন ঘোষণা করা হল মাত্র ৬৩ টি আসনের তালিকা। অর্থাৎ এখনও অবধি ১২২টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে, তালিকা ছোট হলেও তাতে চমকের কোনও অভাব নেই। লক্ষণীয়ভাবে বিজেপি এবার বিধানসভার লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন বর্তমান সাংসদকে আসরে নামাচ্ছে। টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। প্রার্থী হচ্ছেন হুগলির সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির অন্যতম বড় নাম লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি ভোটে দাঁড়াচ্ছেন নিজেরই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চুঁচুড়া কেন্দ্রে। প্রার্থী হচ্ছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও। তিনি দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে লড়বেন। প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও। তিনি লড়বেন তারকেশ্বর থেকে।শুধু হেভিওয়েটরা নন, বিজেপির প্রার্থী তালিকায় একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল নেতাও জায়গা পেয়েছেন। যাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হাওড়ার ডোমজুড় থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। আরেক তৃণমূল ত্যাগী তথা প্রবীণ নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে সিঙ্গুর থেকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। এই কেন্দ্রে টিকিট না পেয়েই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যান সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই। একইভাবে নিজেদের কেন্দ্রে টিকিট পেয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক দীপক হালদার এবং হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়া রন্তিদেব সেনগুপ্ত, দেবজিত সরকাররাও টিকিট পেয়েছেন।এঁরা ছাড়াও একাধিক সিনেতারকাকে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বেহালা পূর্ব থেকে প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, যশ দাশগুপ্ত প্রার্থী হচ্ছেন চণ্ডীতলা থেকে। তনুশ্রী চক্রবর্তী টিকিট পেয়েছেন হাওড়ার শ্যামপুর থেকে।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

পরের দু’দফা ভোটের জন্য বিজেপির তালিকা আজ

শনিবার পরের দুদফার ভোটের জন্য বাংলার প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করে ফেলল বিজেপি। আজ, রবিবার সেই তালিকা প্রকাশ হবে। প্রথম দুই পর্বের তালিকা আগেই প্রকাশ করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে শনিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় বিজেপি কাদের টিকিট দেবে সেই নামের তালিকায় সিলমোহর বসেছে। এই দুই দফা মিলিয়ে ৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে পরবর্তী দফাগুলোর আরও কিছু আসনের নাম রবিবার ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে কয়েকজন তারকা প্রার্থীও থাকতে পারেন। মিঠুন চক্রবর্তী ভোটে লড়ছেন না। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিটির বৈঠকের শেষে বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন শুধু প্রচারেই অংশ নেবেন। তাঁর প্রার্থী হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।এই দফায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাঁরা বর্তমান বিধায়ক, তাঁদের প্রার্থী হতে হলে নিজেদের পুরনো কেন্দ্রেই দাঁড়াতে হবে। কিন্তু ব্যতিক্রম কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে। যেহেতু বেহালা পূর্বে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়, তাই চাইলে শোভন অন্য কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন। ডোমজুড় থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দুদফার ক্ষেত্রে যতটা মসৃণভাবে বিজেপির প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হয়েছিল, তা পরবর্তী দফাগুলোর ক্ষেত্রে হচ্ছে না। কারণ, প্রতিটি আসনেই বহু দাবিদার। সূত্রের খবর, এদিন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পরেও গভীর রাতে আলাদা করে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়-সহ বেশ কয়েকজন এমপি বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হতে পারেন। এদিন রাতের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না বলে জানান মুকুল রায়। আজ, রবিবার নন্দীগ্রাম দিবস থাকায় শুভেন্দু শনিবার রাতেই কলকাতা ফিরে যান।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা

আগে বহুবার তাঁকে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করতে। উনিশের লোকসভার আগে মমতার হয়ে প্রচার করেছেন। যোগ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রীর ডাকা ব্রিগেড সমাবেশে। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। এবার সরাসরি তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা একসময়ের প্রথম সারির বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা । আজই তৃণমূল ভবনে এসে রাজ্যের শাসকদলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন তিনি। তৃণমূল ভবনে ডেরেক ওব্রায়েন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে দলে যোগ দেন তিনি। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই যোগদান তৃণমূলের জন্য নিঃসন্দেহে উৎসাহ ব্যঞ্জক হতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের ২৯১ আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে যশবন্তকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা নেই। তবে, তাঁকে তারকা প্রচারক হিসেবে কাজে লাগাতে পারে তৃণমূল। বিশেষ করে হিন্দিভাষী এলাকাগুলিতে শাসকদলকে সাহায্য করতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৩, ২০২১
রাজনীতি

দিল্লিতে কমিশনের দরবারে তৃণমূল, পাল্টা বিজেপিরও

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহত হওয়ার ঘটনায় যে রাজনৈতিক চাপানউতোর এরাজ্যে শুরু হয়েছিল, তার উত্তাপ পৌঁছে গিয়েছে নয়াদিল্লিতে। তৃণমূল এবং বিজেপির দুই পৃথক প্রতিনিধিদল এদিন দিল্লি নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে গিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে এসেছে। তৃণমূলের দাবি, মমতার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা করা হয়েছে। একাধিক বিজেপি নেতার মন্তব্যে তার ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল। প্রমাণ হিসেবে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁর তিনটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের স্ক্রিনশট তৃণমূলের তরফে কমিশনে জমা দিয়ে আসা হয়েছে। বিকেলে পাল্টা অভিযোগ করেছে বিজেপিও। তাঁদের দাবি, নন্দীগ্রামের ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত হোক।মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, এই অভিযোগ তুলে এদিন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডেরেক ও ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সৌগত রায়, প্রতিমা মণ্ডল, শতাব্দী রায় এবং শান্তনু সেন। কমিশনে অভিযোগ দায়ের করে সৌগত রায় বলেন, বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ইঙ্গিত ছিল যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হামলার মুখে পড়তে পারেন। এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমরা সেসব জানিয়েছি কমিশনকে। এ প্রসঙ্গে তিনি দিলীপ ঘোষ, সৌমিত্র খাঁর নাম উল্লেখ করেন। পার্থর দাবি, মমতার নিরাপত্তার দায়িত্ব যে কমিশনেরই ছিল, সেটা স্বীকারও করে নিয়েছে কমিশন।এদিকে, বিজেপিও এই অভিযোগের পাল্টা দিয়েছে কমিশনের দপ্তরে। ভূপেন্দ্র যাদব এবং পীযুষ গোয়েলের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের এক বিজেপি প্রতিনিধি দল কমিশনের দ্বারস্থ হয়। বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামের ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত তাঁরা চাইছেন। বিজেপির অভিযোগ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব রটিয়ে বিজেপিকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর আহত হওয়ার সঙ্গে বিজেপি নেতাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কোনও সম্পর্ক নেই। স্বপন দাশগুপ্তর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর যেসব নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন বা গাড়ির চালকরা ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে এই রহস্যের সমাধান করা হোক। গোটা ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আনা হোক।

মার্চ ১২, ২০২১
রাজনীতি

লোকসভায় দলনেতার দায়িত্ব থেকে সরলেন অধীর

সামনেই বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তাই সংসদে সময় দিতে পারছেন না। সেই কারণে আপাতত লোকসভায় অধীররঞ্জন চৌধুরীর জায়গায় দলনেতার পদে এলেন পঞ্জাবের লুধিয়ানার সাংসদ রভনীত সিং বিট্টু। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার জন্য বঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত অধীর। অন্যদিকে, নিম্নকক্ষে কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার গৌরব গগৈও ব্যস্ত অসমের নির্বাচন নিয়ে। একইভাবে দুই চিফ হুইপ মানিক্কম টেগোর ও কে সুরেশও ব্যস্ত তামিলনাড়ু এবং কেরলের নির্বাচন নিয়ে। তাই লোকসভায় অন্যতম অফিস বেয়ারার রভনীত সিং বিট্টুকেই এই দায়িত্ব দিয়েছেন লোকসভার কংগ্রেসের দলনেতা। যেহেতু তিনি আগে থেকেই অফিস বেয়ারার রয়েছেন, তাই এই নিয়ে নতুন করে কোনও অফিসিয়াল পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার হয়নি। শুধু ফোনে লোকসভা অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। ফলে আপাতত সংসদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলাবেন লুধিয়ানার সাংসদ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ব্যস্ত থাকার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। আর এটা করা হয়েছে অধীরের পরামর্শ মেনেই। তবে এটা একেবারেই সাময়িক সিদ্ধান্ত। বিট্টুকে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিভিন্নমহল থেকে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। কংগ্রেস সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিন বারের সাংসদ বিট্টুকে দায়িত্ব দেওয়ার পিছনে আসল কারণ হল সংসদের প্রোটোকল। গত অগস্টে বিট্টুকে লোকসভায় অন্যতম হুইপ করে দলীয় প্রতিনিধি দলে নিয়ে আসা হয়।

মার্চ ১১, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চক্রান্ত করে আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় তিনি ঘরভাড়াও নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিযোগ করেছেন,গাড়ি দাঁড় করিয়ে মন্দিরে প্রণাম করছিলাম তখন চার-পাঁচ জন আমাকে ঠেলে দেয়। তখনই আমার মুখে ও পায়ে আগাত লাগে। আপাতত কলকাতায় যাচ্ছি।এদিন হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। রাণীচকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। এদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল। বিজেপি পুরো বিষয়টা নাটক হিসাবে দেখছেন। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, এই ঘটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত। সূত্রের খবর,, ভিড়ের মধ্যে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ধাক্কা-ধাক্কিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যান মমতা। তাঁর পায়ে প্রচণ্ড চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এসএসকেএম-এ তাঁর চিকিৎসা হবে। ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বা কোনও রাজ্য পুলিশ ছিল না। বলেই অভিযোগ মমতার। জানা গগিয়েছে, খবর জানাজানি হতেই নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে।ভোটের বাংলায় এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। জেড প্লাস নিরাপত্তা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার মধ্যেই নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে কীভাবে এত মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিলেন? সব মহলেই এই প্রায় উঠেছে।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আজ যুযুধান মমতা-শুভেন্দু

ভোট যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। আর তার আগে কার্যত একই এলাকায় কর্মসূচিতে আসছেন মমতা-শুভেন্দু। সামনাসামনি না হলেও দুই প্রতিপক্ষই আজ নন্দীগ্রামের মাটিতে। হলদিয়ায় মহকুমা শাসকের দপ্তরে মনোনয়ন পেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকালে রেয়াপাড়ার শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে নন্দীগ্রাম থেকে চপারে হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা।হলদিয়া হেলিপ্যাডে নেমে রোড শো করে মমতা যাবেন হলদিয়া মহকুমাশাসকের দপ্তরে। নন্দীগ্রাম আসনের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেবেন তিনি। আজ আন্দোলনের মাটিতে শুভেন্দুও। গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে এক সময়ের নেত্রীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রস্তুত ভূমিপুত্র। প্রায় কাছাকাছি সময়ে আজ নন্দীগ্রামে নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনে করবেন শিশির পুত্র বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও। নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে চান বলে আগে মমতাই ঘোষণা করেছিলেন। গত শুক্রবার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করে তাতে নিজেই সিলমোহর দেন। এরপর একদা পূর্ব মেদিনীপুরের কৃষিজমি রক্ষা আন্দোলনের কেন্দ্রে শুভেন্দুকে দাঁড় করানোর কথা জানায় বিজেপি। প্রার্থী হওয়ার পর মঙ্গলবার প্রথম নন্দীগ্রামে হাজির হয়েছিলেন মমতা। স্টেট ব্যাংক লাগোয়া মাঠে কর্মিসভা করেন তিনি।এর আগেও একাধিকবার নন্দীগ্রামে দেখা গিয়েছে তাঁদের দুজনকে। তবে সহযোদ্ধা হিসেবে, একই মঞ্চে পাশাপাশি। বুধবার প্রথম বার প্রতিপক্ষ হিসেবে নন্দীগ্রামের মাটিতে তাঁদের দেখা যাবে। আগামী ১ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ে নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ হবে। আর আগামী ২ মে সেই মহারণের ফল জানতে এখন থেকেই প্রতীক্ষার প্রহর গুণছে নন্দীগ্রাম-সহ গোটা রাজ্য।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

হিন্দু কার্ড খেলা নিয়ে হুঁশিয়ারি মমতার

বিজেপির খেলার সঙ্গে এবার চ্যালেঞ্জ জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু জয় শ্রী রাম বলা ভোটারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলেন। বলেছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক আমাদের পক্ষে রয়েছে। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, আমিও হিন্দু ঘরের মেয়ে। আমার সঙ্গে হিন্দু কার্ড খেলতে যাবেন না। হিন্দু ধর্মের আদর্শ মানুষকে ভালবাসা। আমি সকালে চণ্ডীপাঠ করি। তারপর বাড়ি থেকে বের হই।এদিন তিনি চণ্ডীপাঠ থেকে সরস্বতী পাঠও করেন। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রোচ্চারণে ভুল ছিল বলে টুইটে কটাক্ষ করেছেন।এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মেরুকরণ একটা বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হিন্দু ধর্ম আমায় শেখাচ্ছেন। ধর্ম নিয়ে খেলবেন তো, খেলা হবে। এদিন তিনি স্থানীয় মন্দিরে পুজোও দেন। তিনি আগাম শিবচতুর্দশীর শুভেচ্ছা জানান নন্দীগ্রামবাসীকে। শিবরাত্রির দিন দলের ইস্তেহার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মমতা। এদিনের সভামঞ্চ থেকে মন্দির, মসজিদ ও গীর্জার কাছ থেকেও সমর্থন চান তৃণমূলনেত্রী।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগদান মেলা, গেরুয়া শিবিরে ৫ তৃণমূল বিধায়ক

অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসময়ের সঙ্গী সোনালি গুহ, তৃণমূলের হবিবপুরের প্রার্থী সরলা মুর্মু যোগ দিলেন বিজেপিতে। পদ্ম পতাকা হাতে নিয়েছেন সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শিবপুরের তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ি, সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার। সোমবার দুপুরে হেস্টিংসে বিজেপির নির্বাচনী অফিসে রীতিমতো যোগদান মেলা। সবমিলিয়ে তৃণমূলের ৫ বিধায়ক একইদিনে সামিল হলেন বিজেপিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন সোনালি গুহ । বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার তথা সাতগাছিয়ার বিধায়ককে এবার প্রার্থী করেননি তৃণমূল নেত্রী । ক্ষোভ গোপন রাখেননি সোনালি। ফোন করেন মুকুল রায়কে। অভিমানে তৃণমূল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সোনালি এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে এলেন। সরলা মুর্মুকে মালদহের হবিবপুরে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল । তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছে জানতে পেরে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রার্থী বদল করে তৃণমূল। হবিবপুরে প্রার্থী হয়েছেন প্রদীপ বাস্কে। অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছিল। সেই জনশ্রুতি সত্যি হল আজ। সোনালি, সরলার সঙ্গে পদ্ম শিবিরে সামিল হলেন তিনি। সিঙ্গুরের চারবারের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থীতালিকা ঘোষণার সময় জানিয়েছিলেন, করোনার কারণে আশির ঊর্ধ্বে কাউকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। বাদ পড়েন মাস্টারমশাই ও শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ি। তাঁরা এ দিন নাম লেখালেন বিজেপিতে। বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসকে এবার আর প্রার্থী করেনি তৃণমূল। তিনিও শিবির বদল করলেন। বিজেপিতে এলেন সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

লাল-সবুজ পেরিয়ে এবার গেরুয়া পথে মহাগুরু

কোনও দলের নাম না করে নিজের আগের ভুল সিদ্ধান্তের কথা বললেন। রবিবার ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে মিঠুন স্পষ্ট বলেন, তাঁর আগের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তাঁর কথায়, কারও দিকে আঙুল তুলতে চাই না। কাউকে দোষও দিচ্ছি না। আমারই সিদ্ধান্তে ভুল ছিল।প্রসঙ্গত, ব্রিগেডের সভার পরে মঞ্চের পিছনে মিঠুনের সঙ্গে আলাদা করে অন্তত ১৫ মিনিট কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিঠুনের কথায়, ওঁর সঙ্গে আমার খুব ভাল আলোচনা হয়েছে। সব কথা তো প্রকাশ্যে বলা যায় না। তাঁর আরও বক্তব্য, বাংলায় বিজেপি যথেষ্ট জায়গা তৈরি করেছে। বাংলার মানুষ বিশ্বাস করছে, ওরা রাজ্যের জন্য ভাল কিছু করবে। তারা ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেটা কখনও মিথ্যে হতে পারে না। তার মধ্যে কিছু সততা থাকে। মিঠুন আগেও বলেছেন, তিনি রাজনীতি নয়, মানবনীতি বোঝেন। কিন্তু তাঁর কথায়, সকলেরই একটা পতাকা প্রয়োজন হয়। প্রধানমন্ত্রী আমায় ডেকে যখন কথা বললেন, আমি বললাম, আমি বাংলার জন্য কাজ করতে চাই। আমি বাংলাকে ভালবাসি। তবে এক সময়ে বাম সঙ্গ থেকে শুরু করে অধুনা সঙ্ঘের হাত ধরা। বেশ কয়েকদিন ধরা চলা জল্পনা সত্যি প্রমাণ করে এদিন মোদির ব্রিগেড মঞ্চে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন হল মহাগুরুর। আর তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটাগরিকরা।

মার্চ ০৭, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারীই। শনিবার প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে এমনটা্ই জানিয়ে দিল বিজেপি। শুভেন্দু বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পরেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল নন্দীগ্রাম। যে জমি আন্দোলন থেকে উত্থান মমতার, সেখানে একসময় তাঁর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন শুভেন্দু। পরবর্তী সময়ে শুভেন্দু এবং অধিকারী পরিবারের গড় হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। তাই সেখানে জমির দখল টিকিয়ে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তৃণমূল এবং মমতার কাছে। তাই ফেব্রুয়ারি মাসে তেখালির মাঠে দাঁড়িয়ে নন্দীগ্রাম থেকে নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়ে দেন মমতা।মমতার এই ঘোষণায় স্বভাবতই হইচই পড়ে যায় বিজেপি-র অন্দরে। নন্দীগ্রামকে পাখির চোখ করলেও, তখনও সেখানে কাকে নামানো হবে, তখনও তা ভেবে উঠতে পারেননি গেরুয়া নেতৃত্ব। তবে মমতার ঘোষণার পর থেকেই শুভেন্দুকে সেখানে তৃণমূল দলনেত্রীর বিরুদ্ধে নামানোর দাবি জোরালো হয়ে উঠতে শুরু করে। তার নেপথ্যে শুভেন্দুর ভূমিকাও কম ছিল না। নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে চান কি না, স্পষ্ট না করলেও, মমতাকে নন্দীগ্রামে ৫০ হাজার ভোটে হারিয়ে ছাড়বেন বলে হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করেন তিনি। এমনকি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়লে, শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই মমতাকে লড়তে হবে, মুখরক্ষার জন্য ভবানীপুরকে হাতে রাখা চলবে না বলেও সুর চড়াতে শুরু করেন তিনি। বিজেপির অন্য নেতারাও তাতে গলা মেলান।এখনও পর্যন্ত যে তালিকা পাওয়া গিয়েছে, তা থেকে জানা গিয়েছে বিনপুরে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন পালন সোরেন। দাঁতনে প্রার্থী হচ্ছেন শক্তিপদ নায়েক। নয়াগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন বকুল মুর্মু। গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থী সঞ্জিত মাহাত। ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থী সুখময় শতপতি। কেশিয়ারিতে বিজেপির প্রার্থী সোনালি মুর্মু। খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তপন ভুঁইয়া। গড়বেতায় বিজেপির প্রার্থী মদন রুইদাস, শালবনিতে রাজীব কুণ্ডু। বিষ্ণপুরে বিজেপি প্রার্থী তন্ময় ঘোষ, ইন্দাস থেকে বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়া। হলদিয়ায় বিজেপির প্রার্থী তাপসী মণ্ডল। নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সবংয়ে বিজেপি প্রার্থী অমূল্য মাইতি। ডেবরায় বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তমলুকে বিজেপির প্রার্থী হরেকৃষ্ণ বেরা। ময়নায় বিজেপির প্রার্থী অশোক ডিন্ডা। নন্দকুমারে বিজেপির প্রার্থী নীলাঞ্জন অধিকারী।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

উত্তরবঙ্গে ভোটের প্রচারে মমতা

শুক্রবার দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরদিনই আজ উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার শিলিগুড়ি শহরেই তাঁর এক রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে। কালীঘাটের সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছেন, সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ওই দিন শিলিগুড়ি শহরে সিলিন্ডার নিয়ে মিছিল করবেন তিনি। মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে এই মিছিল হবে শিলিগুড়ির প্রাণকেন্দ্রে। নির্বাচন ঘোষণার পর আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেননি মমতা। কিন্তু এখন নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে দলীয় প্রার্থীদের নামও প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি। অনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের প্রচার শিলিগুড়ি থেকে শুরু করছেন মমতা। সূত্রের খবর, শিলিগুড়ির মিছিলে তাঁর সঙ্গে থাকবেন এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র। মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়িতে এই কর্মসূচি করলেও, রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কর্মীদের সিলিন্ডার মিছিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।ঘটনাচক্রে রবিবারই বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্রিগেড সমাবেশ দিয়েই বিজেপি এ রাজ্যে নিজেদের ভোটপ্রচার শুরু করতে চায়। সেই সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী যে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই আক্রমণ করবেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই রবিবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণের জবাব দেবেন মমতা। সোমবার সকালেই বিমানে কলকাতায় ফিরবেন তিনি। কলকাতায় নেমেই আরও একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা তাঁর। আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস উপলক্ষে ভবানীপুর থেকে যাদবপুর পর্যন্ত একটি মিছিলে হাঁটবেন। এই মিছিল আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মহিলা তৃণমূল নেতৃত্বকেই। রবিবার কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত অভিযোগ করবেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে, তার জবাব মিছিলের শেষে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া আরও একটি তাৎপর্য রয়েছে এই মিছিলের। এ বার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন এক ঝাঁক মহিলা বিধায়ক। বাদ পড়া সেই সমস্ত মহিলা বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর মিছিলে আসেন কি না সে দিকে নজর থাকবে রাজনীতির কারবারিদের।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

"খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে", প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বললেন মমতা

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। কালিঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই জানিয়ে দেন পাহাড়ের তিনটে সিট গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে ছাড়া হয়েছে। বাকি ২৯১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন তিনি। এদিন তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন সুব্রত বক্সী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৫০ জন মহিলা প্রার্থী দেবে তৃণমূল। ৪২ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী হচ্ছেন। তপসিলি ৭৯ জন। মমতা বললেন, খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে। মমতা এদিন বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি নন্দীগ্রামেই দাঁড়াব। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রাসবিহারী কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হবেন দেবাশিস কুমার। অতীন ঘোষ কাশীপুর-বেলগাছিয়া, রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুর, কাঞ্চন মল্লিক উত্তরপাড়া, ইদ্রিস আলি ভগবানগোলা, রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব, সিঙ্গুর বেচারাম মান্না, মদন মিত্র কামারহাটি, বিধাননগর সিজিত বসু, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মন্তেশ্বর। বীরবাহা হাঁসদা ঝাড়গ্রা, কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী ইংরেজবাজার, উদয়ন গুহ দিনহাটা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম, হুমায়ুন কবির ডেবরা, সায়নী ঘোষ আসানসোল দক্ষি, জ্যোতিপ্রয় মল্লিক হাবড়া, অদিতি মুন্সী রাজারহাট-গোপালপুর, চিরঞ্জিত চট্টোপাধ্যায় বারাসাত, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী বাঁকড়া, সোহম চক্রবর্তী চন্ডীপুর, মনোজ তিওয়ারি শিবপুর, লাভলি মিত্র সেনারপুর দক্ষিন, অরূপ বিশ্বাস টালিগঞ্জ, অরূপ চক্রবর্তী তালডাংরা, চন্দ্রনাথ সিনহা বোলপুর, ব্রাত্য বসু দমদম, কোশানূ মুখোপাধ্যায় কৃষ্ণনগর উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal