• ১ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কলকাতা

কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
কলকাতা

পূর্ণিমা ও চন্দ্রগ্রহণের দোসরে দুর্যোগ বাড়ার আশঙ্কা

আম্ফানের চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে ঘূর্ণিঝড় যশ। আশঙ্কা প্রকাশ করেই রাজ্যবাসীকে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্রমেই শক্তি বৃদ্ধি করে বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়টি। আর এরই মধ্যে অপেক্ষারত দুই দোসর পূর্ণিমা ও পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই দুই কারণে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার জেরে উপকূল এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।পূর্ণিমার প্রভাবে বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ শুরু হবে জোয়ার। যা নিজের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছবে সকাল ১০টা ৪৮ নাগাদ। এরপর থেকে জলের উচ্চতা ধীরে ধীরে নামতে থাকবে। সন্ধে ৬টার খানিক পরই ভাটার জেরে জলতল একেবারে নিচে নেমে যাবে। এরপর আবারও শুরু হবে জোয়ারের প্রভাব। যা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছতে ঘড়ির কাঁটায় বাজবে রাত ১১টা ৪। সেই দিনই অন্যদিকে বেলা ৩:১৫ মিনিট থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী থাকবে বিশ্ব। যা চলবে সন্ধে ৬টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত। এটিই চলতি বছরের প্রথম ও শেষ ব্লাড মুন। ঘূর্ণিঝড় যশ যখন স্থলভাগে আছড়ে পড়বে, সেই সময়ের যদি সামান্য হেরফের হয়, তাহলেই চিন্তা বাড়বে। কারণ সকাল অথবা একটু রাতের দিকে আছড়ে যদি সুপার সাইক্লোনটি স্থলভাগ স্পর্শ করে তাহলে তার প্রভাব অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হবে বলেই মনে করছে হাওয়া অফিস।ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগের দিকে এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এর গতিবেগ আরও বাড়বে। ঘণ্টায় ১১৮-১৮৫ কিলোমিটার গতিতে আছড়ে পড়ার কথা যশের। তাই যে আনুমানিক সময়ে তা স্থলভাগে পড়ার কথা তার আগেই ধাক্কা মারতে পারে। আর সেক্ষেত্রেই বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে পারে উপকূলের এলাকাগুলি। কারণ তাহলে এই ঘূর্ণিঝড় আরও শক্তিশালী হবে বলেই আশঙ্কা করছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ৭২ ঘণ্টা দুর্যোগ থাকবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সব মিলিয়ে তাই উদ্বেগের প্রহর গুনছেন বঙ্গবাসী।

মে ২৪, ২০২১
কলকাতা

শিয়রে যশ, প্রস্তুতি হাওড়ার জেটিঘাটেও

ঘূর্ণিঝড় যশ-এর সতর্কতা হিসেবে হাওড়া জেটিঘাটেও নেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যবস্থা। লঞ্চগুলিকে দড়ির সাহায্যে এবং লোহার চেনের সাহায্যে বেঁধে রাখা হয়েছে। কর্মীদের যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিপদ মোকাবিলার কাজে। এর আগেও আয়লা, বুলবুল, আম্ফান প্রমুখ ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলা যেভাবে করা হয়েছিল সেইভাবেই আসন্ন ঘূর্ণিঝড় যশ- এর মোকাবিলা করা হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের কাজে কর্মীরা প্রস্তুত থাকছেন। লাইফ জ্যাকেট রাখা হয়েছে। সরকারি যা নির্দেশ আসবে এবং দপ্তরের আধিকারিকরা যা নির্দেশ দেবেন সেই অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় যশ- এর মোকাবিলায় কাজে নামা হবে। জেটিঘাটের রক্ষণাবেক্ষণ প্রসঙ্গে লঞ্চ কর্মী প্রবীর কুমার হাইত বলেন, এটি আমাদের চতুর্থ অভিজ্ঞতা। এর আগে আয়লা, বুলবুল, আম্ফান হয়ে গিয়েছে। এবার যশ। আমরা পুরনো এবং নতুন দড়ি দিয়ে ভালোভাবে লঞ্চগুলোকে বেঁধে রেখেছি। এক একটা লঞ্চের সাতজন করে কর্মী আছেন। এদিন সব কর্মী উপস্থিত থাকবেন। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১০ থেকে ১২ জন কর্মী থাকেন। তাঁরা সকলেই উপস্থিত থাকবেন। এদিন ব্যবস্থা থাকবে লাইভ বোট, লাইভ জ্যাকেটের। অফিসের সকল কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। প্রশাসনের নির্দেশমতো কাজ হবে।

মে ২৪, ২০২১
কলকাতা

তথাগত রায়ের নামে দায়ের এফআইআর

বিপাকে প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপি নেতা তথাগত রায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে গিরিশ পার্ক থানায় দায়ের হয়েছে এফআইআর। বিভাস রায়চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি থানায় রবিবার ওই বিজেপি নেতার নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন।এই ব্যাপারে পুলিশ জানিয়েছে, বিভাস রায়চৌধুরি নামে ওই ব্যক্তি বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন। এই অভিযোগে বলা হয়েছে, শনিবার অভিযুক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি টুইট করেন। সঙ্গে আবার একটি ভিডিও শেয়ার করেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, যে তথ্য পোস্ট করা হয়েছে, তা মিথ্যা। এর ফলে রাজ্যের সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। এমনকী হিংসা ছড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। মানুষের শান্তি নষ্ট হতে পারে। তারই ভিত্তিতে ওই অভিযোগ দায়ের করা হল। ইতিমধ্যে তথাগতবাবুর সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই মন্তব্য এবং ভিডিও খতিয়ে দেখে তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ভোট মিটলেও টুইটে রাজ্যের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনেছেন তথাগত রায়। কখনও আবার নিজের দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুলেছেন। কটাক্ষ করেছেন বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়ানো টলিউডের অভিনেত্রীদেরও। তবে গত কয়েকদিনে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে তৃণমূল সরকারকে একাধিকবার বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন তথাগত। এমনকী পরপর বেশ কিছুদিন ভিডিও কিংবা খবরের প্রতিবেদনও শেয়ার করেছেন। সেরকমই একটি পোস্টের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়।

মে ২৪, ২০২১
কলকাতা

কল্যাণের বক্তব্যের টুইট-জবাব রাজ্যপালের

তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। রবিবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের একটি ভিডিও নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে আপলোড করে রাজ্যপাল লেখেন, উনি একজন বর্ষীয়ান সাংসদ, আইনজীবী। তাঁর কথায় আমি হতবাক। রাজ্যের মানুষই এর বিচার করবেন।রবিবার, রিষড়া ওয়েলিংটন জুটমিলের মাঠে এক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ দাগেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে। রাজ্যপালকে রক্তচোষা বলেন তিনি। এমনকী জগদীপ ধনখড় গণতন্ত্রকে শেষ করতে উদ্যত বলেও কটাক্ষ করেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। এরপরই রাজ্যবাসীকে কল্যাণ পরামর্শ দেন, আমি সারা বাংলার মানুষকে বলব আপনারা থানায় থানায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কেস করে রাখুন। এখন রাজ্যপাল থাকাকালীন তো কোনও কেস হবে না। কিন্তু যখন যখন রাজ্যপাল পদে থাকবেন না তখন তাঁর বিরুদ্ধে এই কেস করা যাবে। ওঁকে প্রেসিডেন্সি জেলে যেতে হবে।এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নারদাকাণ্ডে তৃণমূলের দুই মন্ত্রী-বিধায়ককে গ্রেপ্তারের জন্য রাজ্যপালকে কাঠগড়ায় তোলেন। তিনি বলেন রাজ্যপাল সকলকে ইনফ্লুয়েন্স করছেন। সিবিআই চার্জশিট পেশের অনুমতি চাইল জানুয়ারি মাসে। রাজ্যপাল সেটা চেপে রেখে দিল। তারপর গত ৭ মে হঠাৎ মনে হল আর অনুমতি দিয়ে দিল? সম্পূর্ণ আইনবিরোধী কাজ করেছেন রাজ্যপাল। ওঁর ল্যান্ড ফোন, মোবাইল ফোন ট্যাপ করা হোক। দেখা যাবে কখন কোথায় কোথায় কোন অফিসারদের সঙ্গে কী কী কথা হয়েছে। তখনই সত্যিটা বেরিয়ে আসবে।He is senior functionary @AITCofficial @MamataOfficialHe is senior parliamentarian @LokSabhaSecttHe is senior advocate @barcouncilindia @barandbenchJust stunned but leave the matter to sound discretion of cultured people of West Bengal and media @PTI_News @IndEditorsGuild pic.twitter.com/i7bZ0wE5G9 Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) May 23, 2021এরই জবাব দিতে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে টুইট করেন রাজ্যপাল। লেখেন, একজন বর্ষীয়ান নেতা, একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য, একজন বরিষ্ঠ আইনজীবী কী ভাবে এমন ভাবে কথা বলতে পারেন। সঙ্গে কল্যাণের বক্তব্যের ভিডিওটি আপলোড করেন তিনি।

মে ২৩, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন শোভন, ফিরছেন গোলপার্কের বাড়িতে

নারদা মামলায় অভিযুক্ত শোভন চট্টোপাধ্যায়কে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিচ্ছে এসএসকেম। শনিবার উডবার্ন ওয়ার্ডের বারান্দা থেকে আদালতের নির্দেশে গৃহবন্দি শোভন অভিযোগ করেন তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে এসএসকেএমে। তিনি সুস্থ। বাড়ি নয়ত প্রেসিডেন্সি জেলেও ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে আর এক দণ্ড থাকতে রাজি নন তিনি। এই প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধেবেলা এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ শোভনকে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের হাতে সঁপে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। এদিন এসএসকেএম থেকে বেরিয়ে ফিরহাদ হাকিমের মতো শোভনও গৃহবন্দি থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে তিনি গোলপার্কের বাড়িতেই ফিরছেন তিনি। নারদ মামলা নিয়ে জল ঘোলা শুরু হতেই ফের আলোচনায় এসেছেন শোভন-বৈশাখী জুটি। এবার নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন মেয়রের গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ প্রসঙ্গ কে কেন্দ্র করে ফের তাঁর পারিবারিক কূনাট্য সামনে এসেছে। এতদিন দল হিসাবে এসব পারিবারিক বিবাদ থেকে দূরত্ব রাখছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবার ঘটনাপ্রবাহে যুক্ত হয়ে পড়েছে পড়েছে রাজনীতি। শনিবার শোভন চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতাল থেকে মুক্তি দেওয়া নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, আদালত গৃহবন্দি থাকার রায় দিলেও শোভনকে এসএসকেএম হাসপাতালে একপ্রকার জোর করে আটকে রাখা হচ্ছে। এটা দুই সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার বলে তিনি সরব হন।ব্যক্তিগত রিস্ক বন্ড দিয়ে তাঁকে বাড়ি ফেরানোর আবেদন করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। নিজের আইনজীবীর মারফত একইদিনে হাসপাতাল এবং জেল কর্তৃপক্ষের কাছে মোট পাঁচটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শোভনের ঠিকঠাক চিকিৎসা করাবেন তিনি।এদিকে শনিবার বিকালে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হন শোভন। সেখানে অভিযোগ করেন, যুক্তি দেখাতে গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এভাবে তাঁকে ডমিনেট করা যাবে না। তিনি জানান এসএসকেএমে না খেয়ে রয়েছেন। এখানে যদি না বলা কথা থেকে যায় তাই সাংবাদিকদের কাছে তাঁর আসা।শোভন প্রশ্ন তোলেন, কেন নারদ মামলায় মাত্র চারজনকে আটক করে রাখা হয়েছে? জানান, তাঁর আর শারীরিক অসুবিধা নেই। তাঁকে প্রেসিডেন্সি জেলেও পাঠিয়ে দেওয়া হোক, কিন্তু হাসপাতালে আর তিনি থাকতে রাজি নন।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

সরলেন অনুজ, এলেন জ্ঞানবন্ত

সরকার গঠনের ১৫ দিনের মাথায় ফের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রদবদল রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে শুক্রবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের ৭ আইপিএসের রদবদলের বিষয়টি জানানো হয়েছে। বদলির তালিকায় বহু হেভিওয়েট আইপিএস অফিসারের নাম রয়েছেন। বদলি করা হয়েছে কলকাতার প্রাক্তন কমিশনার অনুজ শর্মাকে। আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংয়ের নামও রয়েছে এই বদলির তালিকায়।সিআইডি-র এডিজি ও আইজিপি পদ থেকে এ দিন সরানো হয়েছে আইপিএস অনুজ শর্মাকে। তাঁকে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে পরিচিত সশস্ত্র পুলিশের এডিজি পঠে পাঠানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সিআইডি-র এডিজি পদে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিং। একই সঙ্গে অতিরিক্ত নিরাপত্তা অধিকর্তার দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয়েছে জ্ঞানবন্ত সিংয়ের কাঁধে। উল্লেখ্য, এর আগে ডিরেক্টর অব সিকিওরিটির পদে ছিলেন অভিজ্ঞ এই আইপিএস অফিসার। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর।এ ছাড়াও বদলির তালিকায় রয়েছেন আইপিএস অজয় রানাডে। তিনি রাজ্য পুলিশের ট্রেনিংয়ের এডিজি পদে ছিলেন। তাঁকে একেবারেই কম গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে পরিচিত রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন বোর্ডের পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। নবান্নর তরফে একে সম্পূর্ণভাবে রুটিন বদলি হিসেবেই আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

মে ২১, ২০২১
কলকাতা

নারদে গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ ববি-শোভনদের, বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ

তিন দিনের রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষার পর নারদ মামলায় চার নেতা মন্ত্রী কিছুটা স্বস্তি পেলেন। শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে তাদের জেল থেকে বেরনোর অনুমতি দিয়েছে আদালত।তবে বন্দিদশা পুরোপুরি ঘোচেনি ওই চারজনের। তাদের আপাতত গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।জামিন দেওয়ার ব্যপারে ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতির পুরোপুরি ঐক্যমত্য না হওয়ায় পরবর্তি প্রক্রিয়া না সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে নজরবন্দি হয়ে থাকতে হবে চার অভিযুক্তকে। অন্যদিকে ভিন রাজ্যে নারদ মামলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আর্জিও এদিন নাকচ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। যাকে নৈতিক জয় হিসাবে দেখছে রাজ্যের শাসক দল। শুক্রবার ছিল নারদ মামলার বহু প্রতিক্ষিত শুনানি। একদিনের বিরতির পর এদিন সকাল এগারোটায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানির শুরু হওয়ার পরই বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ৪ জন নেতা-মন্ত্রীর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু, তার বিরোধিতা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। তারপরই ঠিক হয়, সিঙ্গল বেঞ্চ অথবা বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে এই মামলার শুনানি ফের শুরু হবে। সেই মতো এদিনই বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করলেন বিচারপতিরা। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে বিষয়টির নিষ্পত্তি করার জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সেই বেঞ্চে আগামী সোমবার নারদ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ছাড়াও এই বেঞ্চে রয়েছেন, বিচারতপতি সৌমেন সেন, বিচারপতি আই.পি মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে নারদ মামলা ফের উঠবে। সিবিআই ও চারজন হেভিওয়েট যে মামলা করেছিলেন, তার সবগুলিই ওই ৫ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হবে। সেই বেঞ্চে কোনও ফয়সলা না হওয়া পর্যন্ত ওই ৪ হেভিওয়েটের উপর গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ কার্যকর থাকবে। তবে গৃহবন্দি থেকেও ওই ৪ জনকে হাইকোর্টের কতগুলি নির্দেশ মেনে চলতে হবে। বিচারপতিদের নির্দেশ, যে নেতা-মন্ত্রীরা সরাসরি প্রশাসনিক কাজে যুক্ত, তাঁরা গৃহবন্দি থাকলেও, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত প্রশাসনিক কাজকর্ম ও মিটিং করতে পারবেন। সমস্ত ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু, চারজনের কেউই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে, কোনও মিটিং বা প্রশাসনিক কাজ করতে পারবেন না।আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরই এদিন চেতলায় নিজের বাড়িতে পৌঁছে যান ফিরহাদ হাকিম। বাকি ৩ জন যদিও শারীরিক অবস্থার কারণে এদিনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

মে ২১, ২০২১
কলকাতা

এবার অর্জুন সিং ও তাঁর ভাইপোকে তলব সিআইডির

এবার সিআইডির নজরে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। আর্থিক জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগে বিজেপি সাংসদকে তলব করল তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অর্জুনের দাবি, তিনি কোনওরকম প্রতারণাতে জড়িত নন। তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।ভাটপাড়া পুরসভা এবং ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের টাকা তছরুপের অভিযোগে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদের পাশাপাশি তাঁর ভাইপো সৌরভ সিংকেও হাজিরার নোটিস দিয়েছে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। সব মিলিয়ে অর্জুনের বিরুদ্ধে সাড়ে ৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে রয়েছে। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত নটা নাগাদ সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল পৌঁছয় জগদ্দলের মেঘনা মোড়ে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি মজদুর ভবনে। সেসময় বাড়িতে ছিলেন না ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। বাড়ির বাইরে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেন সিআইডি কর্তারা। কিন্তু তখনও অর্জুন না ফেরায় ভবানী ভবনের তরফে মজদুর ভবনের দেওয়ালে নোটিস সেঁটে দিয়ে আসা হয় সিআইডি তরফে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর আর্থিক তছরুপের দায়ে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিআইডি। আগামী ২৫ মে সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মূলত ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অর্থ তছরুপের অভিযোগ রয়েছে অর্জুনের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে ভাটপাড়া পুরসভার টেন্ডার বেআইনিভাবে পাইয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে। যে মামলায় আবার ইতিমধ্যেই পুরসভার এক কর্মী এবং এক ঠিকাদার গ্রেপ্তার হয়েছেন। যদিও এখনই অর্জুনের গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা নেই। তাঁর দাবি, এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে তাঁর। বিজেপি সাংসদের সাফ কথা, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে আমার। আমাকে ডাকতে পারে, কিন্তু গ্রেপ্তার করতে পারবে না। পাশাপাশি রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি নেতা।

মে ২১, ২০২১
কলকাতা

বিবাদী বাগে যুব কল্যাণ দপ্তরে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড

একই দিনে জোড়া অগ্নিকাণ্ড শহর কলকাতায়। পার্ক স্ট্রিটের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বিবাদী বাগে টেলিফোন ভবন ও রাজভবন সংলগ্ন যুব কল্যাণ দপ্তরে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে আকাশ। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা করেছে দমকল কর্মীরা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৯ টা নাগাদ টেলিফোন ভবনের কাছে যুব কল্যাণ দপ্তরের তিনতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। প্রথমে যায় তিনটে ইঞ্জিন। তবে ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছে আগুন। তিনতলার জানলা থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। এরপর ঘটনাস্থলে যায় আরও ৭ টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হলেও প্রথমে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। পরে হাইড্রোলিক ল্যাডারের মাধ্যমে তিনতলায় পৌঁছতে পারেন তাঁরা। আহতও হন এক কর্মী। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। কালো ধোঁয়ায় মুড়ে রয়েছে গোটা এলাকা। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু । পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন তিনি। কী থেকে এই আগুন, তা এখনও জানা যায়নি। আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পরই কারণ জানা যাবে বলেই জানিয়েছেন দমকলকর্মীরা।যে বহুতলে আগুন লেগেছে তার কাছেই রাজভবন ও টেলিফোন ভবন। অফিস পাড়ায় এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডে বহুতলের ভিতরে কেউ আটকে পড়েননি বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এদিন দুপুরে পার্ক স্ট্রিটের এপিজে স্কুলের পাশে একটি বহুতলে শাড়ির গুদামে আগুন লাগে। দাহ্য পদার্থ থাকায় দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। প্রথমে দমকলের ৯টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তারপর আরও একটি ইঞ্জিন পৌঁছয়। হাইড্রলিক ল্যাডার ব্য়বহার করে উপরের তলার আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন কর্মীরা।

মে ২১, ২০২১
কলকাতা

কোভিড শ্মশানের চুল্লিতে আগুন

হাওড়ার একমাত্র কোভিড শ্মশানে দাহ কাজ চলার সময়েই চুল্লিতে আগুন লেগে আতঙ্ক ছড়ায়। দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। একমাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার এই শ্মশানের চুল্লিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটল। কেন আগুন লাগল তার কারণ অনুসন্ধান করতে ঘটনাস্থলে যান হাওড়া পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা। অতিরিক্ত চাপের কারণেই এই ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই হাওড়ার শিবপুর শ্মশানকে কোভিড শ্মশানে পরিনত করে হাওড়া পুরসভা। তারপর থেকেই সারা জেলায় কোভিডে মৃতদেহের সৎকারের কাজ এই শ্মশানেই করা হতে থাকে। বাড়তে থাকে চাপ। সেই চাপ সহ্য করতে দিনরাত দাহ কাজ চালিয়ে যেতে হয় এই চুল্লিতে। গত এপ্রিল মাসের ২৭তারিখেও দাহ কাজ চলার সময়ে চুল্লির চিমনি গরম হয়ে আগুন লেগে যায়। ওই ঘটনার পর হাওড়া পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, টানা ২৪ ঘণ্টা ফারনেস চলায় সেটি মারাত্মক গরম হয়ে যাচ্ছে। ওই সময় শ্মশানের দুটি চুল্লির মধ্যে একটিই মাত্র সচল ছিল। পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে দ্বিতীয় চিমনিটি সারাবার পর সেটিতেও কোভিড দেহ পোড়াবার কাছে লাগানো হয়। তবে দুটো চুল্লিকেই একসঙ্গে কাজে না লাগিয়ে একটিকে বন্ধ রেখে অন্যদিকে চালানো হচ্ছিল। তারপরে এক মাসেরও কম সময়ে আবার আগুন লাগার ঘটনায় উদ্বিগ্ন এলাকার মানুষ। হাওড়া পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, সারাক্ষণ চুল্লি জ্বলতে থাকায় চুল্লি বা চিমনি কোনওটাই ঠাণ্ডা করা যাচ্ছে না। সেই কারণেই এদিন এই ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন আগুন নেভানোর পর আর এক নম্বর চুল্লিটি ব্যবহার করা হয়নি। দ্বিতীয় চুল্লিতে পরে দাহ কাজ শুরু করা হয়। এই ঘটনার জেরে বেশ কিছু সময় ব্যাহত হয় মৃতদেহের অন্তিম সংস্কারের কাজ।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

জোড়া রদবদল রাজ্য প্রশাসনে, সরলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

ফের রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তিু জারি করে আমলাস্তরে জোড়া রদবদল করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর একাধিক পদের রদবদল করেছেন। দুটি পরিবর্তন সেই তালিকায় নবতম সংযোজন।নির্বাচনের আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন সংঘমিত্রা ঘোষ। নির্বাচনের মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একাধিক আধিকারিককে সরানো হয়। সেই সময় কমিশনের অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে আনা হয় ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সংঘমিত্রা ঘোষকে। ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকার গঠন হতেই তাঁকে পুরনো পদেই ফেরানো হল। আরেক অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার স্মারকি মহাপাত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল। বদলে তাঁকে রাজ্যে অর্থদপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হল। তিনি ২০০২ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ২০০-রও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোট মিটতেই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ভোটের পরই বদলানো হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসক এবং এসডিপিও-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ডিরেক্টর। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাবেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে করা হয়েছে বস্ত্রমন্ত্রকের ডিরেক্টর। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। যে পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন। সেই রদবদলের তালিকা এদিন আরও দীর্ঘ হল।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

কোভিড রোগীদের সাহায্যার্থে রাজ্যকে ২০০টি ফ্লো মিটার দান বেলুড়ের ব্যবসায়ীর

কোভিড রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহে ফ্লো মিটারের অপ্রতুলতা যাতে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তাই নিজের কারখানায় তৈরি ২০০টি ফ্লো মিটার রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিলেন বেলুড়ের এক ব্যবসায়ী। করোনা অতিমারির এই দুঃসহকালে অক্সিজেনের জন্য যখন প্রাণ যাচ্ছে মানুষের, কখনও বা সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও ফ্লো মিটারের অভাবে দেওয়া যাচ্ছে না অক্সিজেন । অতিমারির এই সময়ে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের আকাল। বহু জীবনহানির ঘটনা ঘটছে রোগীকে সময়মত অক্সিজেন দিতে না পারার কারণে। অক্সিজেনের আকালের পাশাপাশি,অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে রোগীকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহের করতে ব্যাবহার করা হত ফ্লো মিটার নামক এক যন্ত্র। যা ছাড়া অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও অক্সিজেন রোগীকে দেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে অনেক সময়েই ফ্লো মিটার না পাওয়ায় অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কিছুদিন আগেই এক হাসপাতালে ফ্লো মিটার না থাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও অক্সিজেন না পেয়ে একই দিনে মৃত্যু হয় দুই রোগীর। এবারে সেই ফ্লো মিটারের সংকট কাটাতে এগিয়ে এলেন হাওড়ার এক ব্যবসায়ী। নিজের কারখানায় তৈরি ২০০টি ফ্লো মিটার বিনামূল্যে তিনি তুলে দিলেন রাজ্য সরকারের হাতে। বুধবার ওই সংস্থার কর্ণধার উৎপল দাস রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় ও হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্যর হাতে এই ফ্লো মিটারগুলো তুলে দেন। এদিন উৎপলবাবু জানান, আপাতত রাজ্য সরকারকে বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য ২০০টা ফ্লো মিটার দেওয়া হল। ভবিষ্যতে প্রয়োজনমতো তাঁর সংস্থার তরফে আরও সরবরাহ করা হবে। এমনকী, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো ভিনরাজ্যেও স্বল্পমূল্যে এই অক্সিজেন ফ্লো মিটার পাঠানো হবে বলে জানান তিনি । তাঁর কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে ফ্লো মিটার পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে এর ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বাজারে অল্প সংখ্যক ফ্লো মিটার থাকলেও তার অগ্নিমূল্য। নূন্যতম মূল্য প্রায় তিন হাজার টাকা। তাই একথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে যাতে এই অক্সিজেন ফ্লো মিটার সরবরাহ করা যায় সেই চিন্তা থেকেই তিনি এই কাজ করেন। সিলিন্ডার থেকে অক্সিজেন নলের মাধ্যমে সরবরাহ থেকে শুরু করে সিলিন্ডারে অক্সিজেনের পরিমাণ কত রয়েছে? তা শেষ হয়ে যাচ্ছে কি না , এসব কিছুর জন্যেই ফ্লো মিটারের প্রয়োজন। বেলুড়ের ওই ক্ষুদ্র শিল্পদ্যোগী তাঁর নিজের কারখানায় এই ফ্লো মিটার উৎপাদন করেন। ফ্লো মিটারগুলি নেওয়ার পর এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, অক্সিজেনের অভাবে মানুষ যাতে মারা না যায় সেজন্য রাজ্য সরকার ইতিপূর্বেই উদ্যোগী হয়েছে। বাজারে ফ্লো মিটারের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি মেটাতেই বেলুড়ের শিল্পদ্যোগী এগিয়ে এসেছেন। ওনার দেওয়া ফ্লো মিটারগুলি হাওড়া জেলা হাসপাতাল, বালিটিকুরি হাসপাতাল ও টি এল জয়সওয়াল হাসপাতালের মতো কোভিড হাসপাতালগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে ওনার কাছ থেকে রাজ্য সরকারের তরফে আরও সাহায্য নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ওই সংস্থার তরফে বেলুড়ে তিনটি জায়গায় অক্সিজেন হাব করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলেও জানান ওই সংস্থার কর্ণধার উৎপল দাস। সম্প্রতি কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে যথেষ্ট সংখ্যায় অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ফ্লোমিটারের অভাবে প্রাণবায়ু দেওয়া যায়নি অনেক রোগীকে। সেই ঘটনার কথা জানতে পেরেই তিনি কারখানায় উৎপাদিত ফ্লো মিটার রাজ্য সরকারের কাছে বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেন বলেও জানান তিনি।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

মিলল না জামিন, কাল ফের আদালতে ভাগ্যপরীক্ষা ববি-মদনদের

বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে নারদ কাণ্ডে ধৃত মন্ত্রীদের জামিন সংক্রান্ত মামলার কোনও নিষ্পত্তি হল না।টানা আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাবের পরে বিকেলে এদিনের মত নারদ মামলায় শুনানি শেষ করে কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টোয় পরবর্তী শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে। ফলে আরও ২৪ ঘণ্টাও জেলেই কাটাতে হচ্ছে অভিযুক্ত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চ্যাটার্জীকে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে চলবে শুনানি । বুধবার দুপুর ২ টো থেকে সওয়াল জবাব শুরু হ। যেখানে নানা ইস্যু ও উদাহরণ তুলে আনেন সিবিআই-এর আইনজীবি সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা ও চার নেতার তরফে থাকা আইনজীবি কল্যাণ ব্যানার্জী ও অভিষেক মনু সিংভি। এদিন প্রথমেই সিবিআই-এর আইনজীবি প্রধান বিচারপতিকে জানান, এমন ঘটনা দেশে আগে ঘটেনি। চার নেতার গ্রেপ্তারিতে নিজাম প্যালেসে বিক্ষোভ হয়। চারজনকে জামিন দেওয়া ঠিক হবে না। সেই আর্জির প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জামিন হবে কি হবে না আমরা কেন সিদ্ধান্ত নেব? শুধুমাত্র মানুষের চাপের অভিযোগ ছিল বলে স্থগিতাদেশ দিয়েছি। তারপরেই তুষার মেহতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চার্জশিট পেশ করা হয়ে গিয়েছে, এই ৪ জনকে আগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাহলে এই করোনাকালে এঁদের শুধুশুধু জেলে রাখার প্রয়োজন আছে কি? ধৃতেরা অসহযোগিতা করেছেন এমন কোনও উদাহরণ আছে কী সিবিআই-এর কাছে? জানতে চান বিচারপতি। পাল্টা তুষার মেহতা যুক্তি দেন, অভিযুক্তরা জেলে নেই, তাঁরা হাসপাতালে আছেন। এই আদালতই সিবিআইকে নিয়োগ করেছিল। তাদেরকেই কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। যাতে ন্যায্য বিচার না হয় তার চেষ্টা করা হচ্ছে। নিজাম প্যালেস ঘেরাও হয়েছে, জোর করে ভেতরে ঢুকতে চেয়েছে কিছু দুষ্কৃতী। মুখ্যমন্ত্রী নিজে ঢুকে তাঁকে গ্রেপ্তারের কথা বলেছেন। তিনি নিঃশর্তভাবে অভিযুক্তদের ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। সিবিআই অফিসারদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এটা পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো হয়েছে। ৪ জনের মেডিক্যাল করানো যায়নি। শারীরিকভাবে বিচারকের সামনে পেশ করা যায়নি। আইনমন্ত্রী নিজে সারাদিন নিম্ন আদালতে উপস্থিত ছিলেন বহু মানুষকে নিয়ে। এতে বিচারকের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। কেস ডায়েরি পেশ করতে সিবিআইয়ের আইনজীবীদের বাধা দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের ওপর চাপ তৈরির কৌশল নেওয়া হয়েছে। তাই ভিন রাজ্যে মামলা যাওয়া উচিত। আদালতকে আর্জি জানিয়েছেন তুষার মেহতা। পাল্টা হাল ছাড়েননি অভিষেক মনু সিংভি, তিনিও আদালতকে জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের না জানিয়ে আদালতে মামলা হচ্ছে। তখন তাদের ন্যায় বিচারের কথা মনে ছিল না? ছলে-বলে-কৌশলে সিবিআই এই চারজনকে জেলে ঢোকাতে চাইছে। সলিসিটার জেনারেল তখন পাল্টা বলেন, পুনর্বিবেচনার আবেদনপত্রের কপি আমরা আজ সকালে পেয়েছি। আমাকে উত্তর দেওয়ার সময় দেওয়া হোক, এরপর মুখ্যমন্ত্রীর নিজাম প্যালেস যাত্রা ও বাইরে বিক্ষোভ নিয়ে জাস্টিস বিন্দাল প্রশ্ন করেন আইনজীবি অভিষেক মনু সিংভিকে। তিনি তাঁর উত্তরে জানান, মুখ্যমন্ত্রী এবং বাকি বিধায়করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিবাদ করেছেন। তাঁরা কোনও অশান্তি করেননি, ২০১১ থেকে এনারা মন্ত্রী-বিধায়ক, মাটির সঙ্গে সম্পর্ক। এত পুরনো মামলায় হঠাৎ করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। মানুষ সুবিচার পাচ্ছে না বলে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। সিবিআই পুরো সত্যি না বলেই মামলা করছে। পুরোটাই গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ। কাউকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়নি। বিচারব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করা হয়নি। বলেই জানিয়েছেন সিংভি। আইনমন্ত্রীর নিম্ন আদালতে অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করায় প্রধান বিচারপতিকে উত্তরে আইনজীবি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মন্ত্রী আদালত কক্ষে ছিলেন না। প্রধান বিচারপতিদের কাছে সিবিআই-এর প্রভাবশালী তকমার জেরে অভিষেক মনু সিংভি জানিয়েছেন, সলমন খান, সঞ্জয় দত্তের মামলাও আদালতে হয়েছে। তাঁরা হেভিওয়েট বলে তো আদালত প্রভাবিত হয়নি। এই মহামারীর সময় আদালত পর্যন্ত বলেছে গুরুতর অপরাধ ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার না করতে। আর সিবিআই এভাবে গ্রেপ্তার করছে। সিবিআই পুরো কথা বলছে না। ফিরহাদ হাকিম নিজে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় কর্মীদের শান্ত থাকার কথা বলেছেন। আমার কাছে ভিডিও আছে। এরপরেই শুনানি শেষ হয়। ভারপ্রাপ্ত দুই বিচারপতি জানিয়ে দেন বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টোয় পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ততক্ষণ অবধি জেলেই থাকতে হবে চার নেতাকে।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

এবার করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর স্ত্রীর শরীরেও। মীরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যেরও উপসর্গ ছিল। সেই কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তাঁরা। দুজনেরই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। বুদ্ধদেববাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে মীরাদেবী অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০-৮৫ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলেই খবর। সেই কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বিপর্যস্ত দেশবাসী। রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই বহু রাজনীতিবিদের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। বহু বিশিষ্টজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতিত মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। একাধিক ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

রাজভবনের সামনে ভেড়ার পাল এনে অভিনব প্রতিবাদ

খাস কলকাতায় একেবারে রাজভবনের সামনে ঘোরাফেরা করছে ভেড়ার পাল। রাজভবনের বিরাট ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত ডেকেও চলেছে তারা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়া কলকাতার রাজপথে এহেন দৃশ্য রীতিমতো হতবাক করার মতোই। কিন্তু ব্যাপারটা কী?মঙ্গলবার দুপুরের এমন আজব কাণ্ড দেখে অনেকেই হকচকিয়ে গিয়েছেন। আচমকা কোথা থেকে এল ভেড়ার দল? কীভাবেই বা এল! আর ঠিক রাজভবনের সামনেই বা তারা ভিড় জমিয়েছে কেন? ভেড়ার পালের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের প্রশ্ন করে জানা গেল, সিটিজেন এগেনস্ট ডার্টি পলিটিক্স অ্যান্ড কর্পোরেশন নামে একটি সংগঠনই ভেড়ার পালকে নিয়ে আসে রাজভবনের সামনে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতেই এই কাণ্ড করেছে তারা।অভিনব কায়দায় বিক্ষোভ দেখিয়ে সংগঠনের এক কর্মী বলে দেন, করোনা ভাইরাসের জেরে বিধ্বস্ত গোটা বাংলা। কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। হাসাপাতলে বেড নেই, অক্সিজেনের অভাব। আর এমন পরিস্থিতিতে অন্য বিষয় নিয়ে ব্যস্ত রাজ্যপাল। রাজনীতি আর প্রতিহিংসার নোংরা খেলা চলছে বাংলায়। কেন এমনটা হবে? কেন রাজ্যপাল রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে ভাবছেন না? প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য। প্রাণ হারিয়েছিলেন একাধিক রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। তারপরই ভোট ও পরবর্তীতে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে উত্তরবঙ্গ ছুটে যান ধনখড়। বারবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এমনকী, সোমবার চার হেভিওয়েট নেতাদের গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দপ্তরের সামনে যেভাবে তৃণমূল সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখান, তারও কড়া সমালোচনা করতে দেখা যায় রাজ্যপালকে। আর এসব নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিয়ে ভেড়ার পাল নিয়ে এই অভিনব প্রতিবাদ।পুলিশের হস্তক্ষেপে অবশ্য খুব বেশিক্ষণ সেখানে আর থাকতে পারেনি ভেড়ার পাল। তবে চর্চায় উঠে এসেছে এই অবাক করা প্রতিবাদের ধরন।

মে ১৮, ২০২১
কলকাতা

গরমে নাজেহাল কলকাতা

গরমে নাজেহাল অবস্থা রাজ্যবাসীর। প্রতি দিন গরম বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তিসূচক। রাস্তায় বের হওয়া কষ্টকর হয়ে উঠছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। পর পর পাঁচ দিন প্রায় ৫ ডিগ্রি বাড়ল শহরের তাপমাত্রা। মঙ্গলবার বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৮৯ শতাংশ ও সর্বনিম্ন পরিমাণ ৪৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। যদিও মঙ্গলবার কলকাতার আকাশে সামান্য মেঘ দেখা দিলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর।যদিও এই অবস্থার মধ্যেই সামান্য স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, উত্তর ২৪ পরগনা প্রভৃতি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ -সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর। শুক্রবার থেকে ঝড়-বৃষ্টি কমবে বলেই পূর্বাভাস।আলিপুর জানিয়েছে, এই মুহূর্তে একাধিক ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। একটি ঘূর্ণাবর্ত জম্মু, একটি মধ্যপ্রদেশ ও একটি অসমের উপর অবস্থান করছে। এই ঘূর্ণাবর্তগুলির ফলেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

মে ১৮, ২০২১
কলকাতা

অসুস্থ মদন ও শোভন, ভর্তি এসএসকেএম হাসপাতালে

সোমবার সকালে গ্রেপ্তার, সন্ধেয় জামিন এবং তার কিছুক্ষণ পরে জামিনের নির্দেশের উপর কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ। নারদ কাণ্ডে চার বিধায়ক-মন্ত্রীর গ্রেপ্তারি নিয়ে নাটকীয় টানাপোড়েনে উত্তাল রাজনীতির অলিন্দ। তারই মাঝে সোমবার গভীর রাতে প্রেসিডেন্সি জেলেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, প্রাক্তন তৃণমূল ও বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। মদন এবং শোভন বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি। তবে সুব্রত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি।জেল হেপাজত হওয়ার পর সোমবার রাতে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় নারদ কাণ্ডে ধৃত চার হেভিওয়েটকে। তবে ভোররাতে সেখানেই ঘটে বিপত্তি। আচমকাই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগতে থাকেন মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় । অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও। ভোররাত ৩টে ৪০ মিনিট নাগাদ তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ এবং ১০৬ নম্বর কেবিনে ভরতি রয়েছেন মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। সদ্য করোনাজয়ী মদন মিত্রের সামান্য শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।এছাড়াও একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। যা নিয়ে সোমবার রাতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর ছেলে এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে শোভনের শ্বাসকষ্টের সমস্যাই রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় দুজনের শারীরিক অবস্থাই স্থিতিশীল। এদিকে, ভোররাতে অসুস্থ বোধ করেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও । তাঁকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। যদিও তিনি হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালের দিকে অসুস্থ মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। প্রয়োজন বুঝলে একাধিক চিকিৎসককে নিয়ে তাঁদের চিকিৎসায় তৈরি হতে পারে মেডিক্যাল টিমও।

মে ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 42
  • ...
  • 65
  • 66
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে ছাপিয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের প্রশংসা মার্কিন অ্যাডমিরালের! চাপে পাকিস্তান

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আমেরিকার মুখে ভারতের প্রশংসা শোনা গেল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের প্রধান স্যামুয়েল জে পাপারো ভারতীয় সেনার সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাম না করেও ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।রবিবার এক সাক্ষাৎকারে পাপারো বলেন, এই ধরনের সামরিক অভিযান যে কোনও শান্তিপ্রিয় দেশের কাছেই উদ্বেগের বিষয়। তবে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারত যেভাবে সংযম দেখিয়েছে, তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, ভারতীয় সেনার কৌশল ও পরিকল্পনা যথেষ্ট পরিণত এবং দায়িত্বশীল ছিল।সাক্ষাৎকারে তাঁকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ও চিনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। যদিও তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি, তবে বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগে থেকে প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সব সময় সতর্ক থাকতে হয় এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায় স্পষ্ট, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোই একমাত্র পথ।এর পাশাপাশি চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিতও দেন মার্কিন সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত স্বার্থ অনেকটাই এক। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। ভারত মহাসাগরে ভারতের ভূমিকার জন্য আমেরিকা কৃতজ্ঞ বলেও জানান তিনি। সার্বভৌমত্ব, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের নিরাপত্তা এই নীতিগুলিতে দুই দেশই অটল বলে মন্তব্য করেন পাপারো।ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। বিশ্বের মোট জিডিপির ৬০ শতাংশেরও বেশি আসে এখান থেকে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সামরিক শক্তির মধ্যে সাতটি এই অঞ্চলে অবস্থিত। তাই এখানে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।সব মিলিয়ে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের সংযম ও কৌশলের প্রশংসা করে আমেরিকার এই বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চিনকে ঘিরে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমীকরণে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মুখে সিপিএমে বড় ভাঙন! রাজ্য কমিটি ছাড়লেন প্রতীক-উর-রহমান

ভোটের মুখে সিপিএমে বড়সড় ধাক্কা। দলের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক-উর-রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নিজের পদত্যাগপত্র দলকে পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন এসএফআই রাজ্য সভাপতি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পদত্যাগপত্রে প্রতীক-উর জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্ত ও কাজের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। সেই কারণে তিনি মানসিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়াই ঠিক বলে মনে করেছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি রাজনৈতিক পর্ব। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, নিজের দল নিয়ে ভোটে লড়বেন এবং তৃণমূল ছাড়া অন্য সব বিরোধী দলকে জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে সিপিএমকেও প্রস্তাব পাঠানো হয়।এরপর নিউটাউনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন। এই বৈঠক ঘিরেই দলের অন্দরে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে জানা যায়। দলের একাংশ এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও তখন তরুণ নেতা শতরূপ এই বৈঠকের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সিপিএম এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। অন্য দল হুমায়ুনকে প্রার্থী করলে বা মন্ত্রী করলে আপত্তি না থাকলেও, সিপিএম কথা বললেই কেন সমস্যা হবে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।শতরূপের ওই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন প্রতীক-উর। সেখানে তিনি লেখেন, নীতি ও নৈতিকতা ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি হতে পারে না। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, কিন্তু দলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয় যে এই মন্তব্য আসলে শতরূপকেই উদ্দেশ্য করে।এরপর রবিবার দলকে পাঠানো চিঠিতে প্রতীক-উর স্পষ্ট ভাষায় জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।প্রতীক-উরের পদত্যাগের পর রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সিপিএমকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, সিপিএমের নেতৃত্বের একাংশ ও ফেসবুক নির্ভর রাজনীতির জেরে দলের প্রথম সারির যুবনেতাদের এই পরিণতি হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।ভোটের আগে সিপিএমের এই পদত্যাগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর চর্চা। প্রতীক-উরের এই পদক্ষেপ কি শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি বড় কোনও ভাঙনের ইঙ্গিত সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্ত ইস্যুতে রাহুলকে কড়া বার্তা! “পড়াশোনা করুন আগে”, বিস্ফোরক রিজিজু

দেশের জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাহুল গান্ধী, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। চিন সীমান্ত সফরের মধ্যেই তিনি বলেন, সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে রাহুলের যথেষ্ট জ্ঞান নেই। এই বিষয়ে তাঁর আরও পড়াশোনা করা উচিত।সোমবার অরুণাচল প্রদেশের বুমলা সীমান্তে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রিজিজু। সেখান থেকেই তিনি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-কে তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, যে বই এখনও প্রকাশই হয়নি, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন? জাতীয় সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খুব সতর্কভাবে কথা বলা উচিত। এই ইস্যুকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি লোকসভায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে-এর অপ্রকাশিত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাহুল। সেই বইয়ের নাম Four Stars of Destiny। একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত অংশে দাবি করা হয়, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা সেনা ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল। সেনাপ্রধান বিষয়টি জানানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই অংশ তুলে ধরেই গালওয়ান সংঘাত প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল।রিজিজুর অভিযোগ, সংসদে এই ধরনের মন্তব্য করে শুধু অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এতে কোনও বাস্তব সমাধান হয় না। তিনি বলেন, সীমান্ত নিয়ে রাহুল কিছুই জানেন না বলেই এমন মন্তব্য করছেন। তাঁর মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।লোকসভায় রাহুলের বক্তব্যের সময় স্পিকার তাঁকে বাধা দেন বলেও জানা যায়। গালওয়ান সংঘাত ও চিন সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে কেন্দ্র ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। জাতীয় সুরক্ষা ইস্যুতে এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে তলবের পরেই বড় পদক্ষেপ, বাংলায় একযোগে ৭ আধিকারিক সাসপেন্ডের নির্দেশ

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন পর্বের শেষ পর্যায়ে এসে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। বাংলার সাত জন আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সাত জনই এসআইআর পর্বের কাজে যুক্ত ছিলেন এবং এএইআরও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।কমিশনের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোটের আগে এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এর আগেও রাজ্যের চার জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে। দিল্লিতে গিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে। পাশাপাশি চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।এই আবহেই রবিবার আরও সাত জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাসপেন্ডের নির্দেশ আসে। কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় তাঁদের নাম ও কর্মস্থলের উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে তিন জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন সামশেরগঞ্জের এএইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এএইআরও নীতীশ দাস এবং সুতির এএইআরও শেখ মুর্শিদ আলম।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে ক্যানিং পূর্বের এএইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুর নাম রয়েছে তালিকায়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরার বিডিও তথা এএইআরও দেবাশিষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সাসপেন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এএইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকেও একই নির্দেশের আওতায় আনা হয়েছে।ভোটের আগে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে রাজ্য প্রশাসনের উপর চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কমিশনের এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও কোনও পদক্ষেপের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় রোদের তেজ বাড়ছে, সপ্তাহেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে হাওয়া অফিস?

বসন্তের শুরুতেই গরমের আভাস মিলতে শুরু করেছে। শীতের মেয়াদ কার্যত শেষের পথে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দিনের বেলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং রোদের তেজও বাড়তে পারে। তার ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের অনুভূতি বাড়বে। তবে ভোর ও রাতের দিকে এখনও কয়েক দিন হালকা ঠান্ডা থাকবে।রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। চলতি সপ্তাহেই ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ চড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং এই সপ্তাহে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যেতে পারে। সপ্তাহের শেষে সেখানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটোই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং-সহ সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস।তবে আগামী তিন থেকে চার দিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার প্রকোপ কিছুটা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে শীত বিদায়ের মুখে, আর ধীরে ধীরে গরমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

এপস্টেইন ফাইলসে অনিল আম্বানির নাম! ‘সুইডিশ সুন্দরী’ প্রস্তাব থেকে ম্যানহাটনের নৈশভোজ

যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিশ্বের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগের অভিযোগ আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। সদ্য প্রকাশিত নথিতে সেই তালিকায় আবার উঠে এসেছে ভারতীয় শিল্পপতি অনিল আম্বানির নাম। এপস্টেইনের প্রাসাদে নৈশভোজে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত বার্তা আদানপ্রদানবিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে আমেরিকার বিচার দপ্তরের নথিতে।নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২০ এপ্রিল অনিল এপস্টেইনকে একটি ব্যক্তিগত বার্তায় কর্পোরেট স্তরের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। জবাবে এপস্টেইন লিখেছিলেন, তাঁর বাড়িতে বহু ব্যবসায়ী আসেন এবং অনিলেরও ভালো লাগবে। পরে জানা যায়, ম্যানহাটনে এপস্টেইনের বাড়িতে দুজনের মধ্যে সাক্ষাৎ ও নৈশভোজ হয়েছিল। সেই সাক্ষাতে মূলত ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়েই আলোচনা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অনিলের তরফে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।২০১৭ সালের মার্চ মাসে আদানপ্রদান হওয়া আর একটি বার্তায় এপস্টেইন এক দীর্ঘাঙ্গী সুইডিশ শ্বেতাঙ্গ মহিলার কথা উল্লেখ করেন। জবাবে অনিল জানতে চান, কাকে প্রস্তাব করা হচ্ছে। এপস্টেইন বলেন, দেখা হলে আনন্দ হবে। কিছুক্ষণ পর অনিল লেখেন, ব্যবস্থা করুন। এই কথোপকথন নিয়েই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নথিতে আরও জানা যায়, ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্যারিসে দুজনের সাক্ষাতের পরিকল্পনা ছিল, যদিও তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। ২০১৮ সালে ডাভোসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষণ নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। অনিল নিউ ইয়র্ক সফরের পরিকল্পনার কথা জানালে এপস্টেইন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার আমন্ত্রণ জানান।একটি কথোপকথনে এপস্টেইন অনিলকে জিজ্ঞেস করেন, তাঁর কেমন ধরনের মহিলা পছন্দ। সেখানে অভিনেত্রী বা মডেলের প্রসঙ্গও ওঠে। অনিল একটি উত্তরে রসিকতার সুরে একটি হলিউড অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ করেন। এই বার্তাগুলিই এখন প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।উল্লেখযোগ্য যে, এপস্টেইনের বিরুদ্ধে একাধিক নাবালিকা পাচার ও যৌন অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল। তাঁর যোগাযোগের পরিধি ছিল রাজনীতি, ব্যবসা ও বিনোদন জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে। নতুন নথি প্রকাশ্যে আসায় সেই যোগাযোগের বিস্তার নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠছে। অনিল আম্বানির নাম জড়ানোয় ভারতে বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অবাধ্য থেকে অবিশ্বাস্য! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানে জ্বলে উঠলেন ঈশান

একসময় তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল। অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খলএমন অনেক বিশেষণই জুড়ে দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিষানের নামের সঙ্গে। জাতীয় দল থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করে আবার নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েই যেন আগুন ঝরালেন।ভারতের ইনিংসের শুরুটা ভালো ছিল না। দ্রুত অভিষেক শর্মার উইকেট পড়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকেই দায়িত্ব তুলে নেন ঈশান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকেন। পাকিস্তানের বোলারদের উপর এক মুহূর্তের জন্যও চাপ কমতে দেননি। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শাদাব খান হোক বা শাহিন আফ্রিদি, কাউকেই রেয়াত করেননি।মাঠের চারদিকে শট খেলেছেন ঈশান। দর্শকেরা অপেক্ষা করছিলেন, পরের বলটি কোন দিকে পাঠাবেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ফেরেন। সাইম আয়ুবের বলে আউট হওয়ার সময় ভারতের ইনিংস শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর এই ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ম্যাচ শেষে ঈশান বলেন, এই ম্যাচ সব সময় আলাদা। এই জয় শুধু দলের জন্য নয়, দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, পাকিস্তানের দলে কয়েকজন ভালো স্পিনার রয়েছে, তাই এই জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। পাশাপাশি জশপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রশংসাও করেন তিনি। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বলেন, এই জয় দেশের জন্য।ঈশানের কাছে এই ইনিংস ব্যক্তিগতভাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁর জায়গা স্থায়ী হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দল থেকে বাদ পড়েন। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন লড়াই। এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে রয়েছে ভগবদ্গীতার প্রেরণা। বাবার কাছ থেকে গীতার শ্লোকের অর্থ জেনে তিনি ধীরে ধীরে সেই দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ব্যাট ও গ্লাভসের পাশাপাশি গীতা হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী। কঠিন সময়েও সেই শিক্ষাই তাঁকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানের এই ইনিংস শুধু একটি ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স নয়, বরং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। আর প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে বড় মঞ্চেই তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘নো হ্যান্ডশেক’ নিয়ম ভেঙে আক্রমের সঙ্গে করমর্দন! রোহিতকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন তলানিতে। ক্রিকেট মাঠেও তার প্রভাব স্পষ্ট। দুই দেশের ম্যাচে এখন আর অধিনায়কদের করমর্দন দেখা যায় না। বোর্ডের অঘোষিত নির্দেশ মেনে অনেক ক্রিকেটারই দূরত্ব বজায় রাখছেন। সেই আবহেই ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে রোহিত শর্মার করমর্দন ও হাসিমুখে গল্পের ছবি নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা। তাঁর হাত ধরেই শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এবারের আসরে ট্রফি মাঠে আনার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম। সেখানেই দেখা যায়, দুজন বেশ কিছুক্ষণ কথা বলছেন, করমর্দন করছেন, হাসিমুখে খোশগল্প করছেন। মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে।অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যখন ভারত-পাক ম্যাচে নো হ্যান্ডশেক প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে, তখন রোহিতের এই আচরণ কতটা সমীচীন? এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। টি-২০ বিশ্বকাপেও কলম্বোয় টসের সময় দুই অধিনায়ককে গম্ভীর মুখে দেখা যায়। করমর্দন হয়নি। বয়কটের আবহে ম্যাচের গুরুত্বও ছিল অনেক বেশি।এই পরিস্থিতিতে রোহিত ও আক্রমের খোলামেলা আলাপ অনেকের চোখে বেমানান লেগেছে। তবে অন্য দিকও রয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে রোহিত ভারতীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তি ও টুর্নামেন্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা হিসেবে আরেক কিংবদন্তির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করায় দোষের কিছু আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।ওয়াসিম আক্রম শুধু পাকিস্তানের নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ময়দানে তাঁর অবদান সীমান্তের গণ্ডি ছাপিয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে দুই প্রজন্মের দুই তারকার সাক্ষাৎ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হতে পারে।তবু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই এখন অতিরিক্ত আবেগ, উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক ছায়া। তাই ছোট একটি মুহূর্তও বড় বিতর্কে রূপ নিচ্ছে। রোহিতের এই করমর্দন কি শুধুই সৌজন্য, না কি অঘোষিত নিয়ম ভাঙার বার্তাসেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal