• ২৯ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কলকাতা

কলকাতা

কলকাতায় তিনতলা বাড়ি ভেঙে চাপা পড়ে মৃত্যু, কি দিয়ে বানিয়েছিল এই বাড়ি?

কলকাতায় বাড়ির ছাদ ভেঙে বিপর্যয়। এবার বাগুইআটিতে তিনতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হল ওই বাড়িরই বাসিন্দা এক কিশোরের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানা গিয়েছে, একেই বাড়ি তৈরির সঠিক দ্রব্যসামগ্রী ব্য়বহার করা হয়নি, নেওয়া হয়নি পুরসভার অনুমতি। তারওপর টানা বর্ষণ। যার ফলে এই দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে একটানা বৃষ্টি চলছে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টির পর রাতের দিকে বাগুইআটি অশ্বিনীনগরে আচমকা একটি তিনতলা বাড়ির ছাদের একাংশ ভেঙে পড়ে। ঘটনার সময় নীচের ঘরে ছিলেন ধ্রুবজ্যোতি মণ্ডল নামে ওই কিশোর। ছাদের চাঙর কিশোরের মাথার উপর ভেঙে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাতে ৬ ঘন্টার চেষ্টার অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পরে বিশাল সিমেন্টের চাঙরের নিচেই চাপা পড়ে ছিল ওই কিশোর। অভিযোগ, খবর পাওয়ার পর বহুক্ষণ পর এলাকায় বিপর্যয় মোকাবিলার দল পাঠায় প্রশাসন। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সেই বাড়ির ভিতরে ঢুকে সিমেন্টের চাঙর সরিয়ে উদ্ধার করে ওই কিশোরকে। কিন্তু কেন ভেঙে পড় তিনতলার ওই অংশ।স্থানীয়দের দাবি, এই বাড়িটির ছাদ ঢালাইতে লোহার রড দেওয়া হয়নি। বাঁশ বা কঞ্চি দিয়ে ঢালাই করা হয়েছিল। পাথরের বদলে ইঁটের টুকরোও দেখা গিয়েছে ভাঙা অংশে। এই বাড়িটি ভেঙে নতুন করে করার কথা ছিল। তার আগেই ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটলো। স্থানীয়দের আরও বক্তব্য, মৃত কিশোরের বাবা নিষেধ করা হয়েছিল ওই ভাবে ঢালাই দিতে, তিনি তা শোনেননি। তারই পরিণতিতে প্রাণ গেল কিশোরের। অন্যদিকে, হাওড়ার সালকিয়ায় টানা বৃষ্টির জেরে জমা জলে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু চহয়েছে এক তরুণীর। বৃহস্পতিবার রাতে বোনকে সঙ্গে নিয়ে বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন সালকিয়ার তাঁতি পাড়ার বাসিন্দা পূরবী দাস। তাঁদের বাড়ির সামনেই জল জমে ছিল। জমা জলে কোনওভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ওই তরুণী। বাবার সামনেই এই ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই তরুণীর বাড়ির সামনে একটি বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে। সেই খুঁটি থেকে কোনওভাবে একটি তার বেয়ে পড়েছিল রাস্তার জলে। তা থেকেই ওই তরুণী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০২, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতায় মেট্রো যাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর, জানতে হলে এই খবর আগে পড়ুন

কলকাতার চতুর্দিকে মেট্রো পরিষেবার বহর বাড়ছে। অরেঞ্জ লাইনেও এবার মেট্রো চালুর সময় এগিয়ে এসেছে। বেড়েছে মেট্রোর সংখ্যা। মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, কবি সুভাষ ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় স্টেশনের মধ্যে পরিষেবার সংখ্যা ও পরিষেবার সময় দুটোই বাড়তে চলেছে আগামী ৫ অগাস্ট অর্থাৎ সোমবার থেকে। এখন দৈনিক ৪৮ টি পরিষেবা এই লাইনে চলে। ওই দিন থেকে মোট ৭৪ টি মেট্রো পরিষেবা (৩৭ আপ ও ৩৭ ডাউন)এই লাইনে চালানো হবে। পরিষেবাগুলি পাওয়া যাবে ২০ মিনিট অন্তর। এমনকি শনিবারেও এই মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। জানা গিয়েছে, প্রথম মেট্রো পরিষেবা কবি সুভাষ ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু হবে সকাল ৯ টার বদলে সকাল ৮ টায়। আর দিনের শেষ মেট্রো পরিষেবা এই দুই স্টেশন থেকে পাওয়া যাবে বিকেল ৪:৪০ এর বদলে রাত ৮ টায়। রবিবার দিন কোনও পরিষেবা চলবে না।প্রথম পরিষেবা-কবি সুভাষ থেকে: সকাল ৯ টার পরিবর্তে সকাল ৮ টায়হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে: সকাল ৯ টার পরিবর্তে সকাল ৮ টায়শেষ পরিষেবা--কবি সুভাষ থেকে: বিকেল ৪:৪০ এর পরিবর্তে রাত ৮ টায়হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে: বিকেল ৪:৪০ এর পরিবর্তে রাত ৮ টায়

জুলাই ৩০, ২০২৪
কলকাতা

নিউ টাউনে মাথার খুলি সহ কঙ্কাল উদ্ধার, চাঞ্চল্য

মাটি খুঁড়লেই কোথাও কিছু না কিছু মিলছে। এর আগে পূর্ব বর্ধমানে মানুষের কঙ্কাল মিলেছিল। এবার নিউটাউন। কোথা থেকে এল এই কঙ্কাল তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।নিউ টাউন থানার অন্তর্গত তারুলিয়া সেকেন্ড লেনে নর্দমার পাশ থেকে মাথার খুলি ও কঙ্কাল উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন একটি খোলা কালো প্লাস্টিক থেকে মাথার খুলি ও হাড়গোড় বেরিয়ে আছে। এমন দৃশ্য় দেখে তাঁরা খবর দেন নিউ টাউন থানায়। নিউটন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই কঙ্কাল উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কঙ্কাল সেখানে কি করে এলো তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতার পর সল্টলেকেও চরম অমানবিকতার নজির, মোবাইল চোরের দাগ লাগিয়েই পিটিয়ে খুন

কলকাতার বৌবাজারের পর সল্টলেক। একটা গণপিটুনি গতকাল রাতে, আরেকটা আজ ভোরে। ১২ ঘন্টার মধ্যে দুই সভ্যনগর কলকাতা ও সল্টলেকে দুজনকে পিটিয়ে খুন করা হল। দুটি ক্ষেত্রেই মোবাইল চুরির সন্দেহে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। দ্বিতীয় গণপিটুনি হয়েছে সল্টলেক ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানা এলাকার পোলেনাইটে। মৃতের নাম প্রসেন মন্ডল (২২)।পুলিশ সূত্রে খবর, আজ শনিবার ভোর বেলায় করুণাময়ীর কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে থানায় খবর যায় এক ব্যক্তি একটি যুবককে নিয়ে এসেছে মৃত অবস্থায়। এবং যে নিয়ে এসেছে তাকে আটকে রেখেছে। এর পর পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, আজ ভোর বেলায় মোবাইল চুরির অভিযোগে তাকে ওই অভিযুক্ত, তার ছেলে ও এক বন্ধু মারধর করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি দুজনের খোঁজ পায় তাদেরকেও আটক করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশ এর বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।ধৃতরা হল তপন সরকার, হরসিত সরকার ও শ্রীদাম মন্ডল।

জুন ২৯, ২০২৪
কলকাতা

কোরপান শাহের অমানবিকতার স্মৃতি ফিরল কলকাতায়, গণপিটুনিতে খুন, অভিযোগ ছাত্রাবাসের আবাসিকদের বিরুদ্ধে

১৬ নভেম্বর ২০১৪। ২৮ জুন ২০২৪। প্রায় ১০ বছরের ব্য়বধানে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ১০ বছর আগে চোর সন্দেহে কোরপান শাহকে এনআরএসের হবু চিকিৎসকরা পিটিয়ে মেরে দিয়েছিল। হাওড়ার এই যুবক ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন। শুক্রবার রাতে ফের কলকাতায় বৌবাজারে মোবাইল চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠলো হস্টেলের আবাসিকদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফৎতার করেছে কলকাতা পুলিশ। ছাত্রদের মানবিকতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। পড়ুয়ারাই যদি এমন অসহিষ্ণু হয় তাহলে সমাজে সর্বনাশ হওয়ার কোনও বাকি থাকে, এই মতবাছেলেধরা গুজব নিয়ে তোলপাড় চলছে বেশ কিছু দিন ধরেই। তার জেরে একাধিক গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে মূলত কলকাতা লাগায়ো উত্তর ২৪ পরগণায়। তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে পূর্ব বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগণাতেও ঘটেছে। তবে কোনও ক্ষেত্রেই যাঁরা আক্রমণের শিকার হয়েছেন তাঁরা কেউই দোষী তো নয়ই একেবারে সাধারণ মানুষ বা ভবঘুরে-ভারসাম্যহীন। এবার খাস কলকাতায় ঘটে গেল মানবিকতার চরম বিপর্যয়। চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বউবাজার এলাকার একটি ছাত্রাবাসের আবাসিকদরে বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, পুলিশ এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ, খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা বিভিন্ন কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান পড়ুয়া। হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি ব্যাট, একটি লাঠি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার কাজ করছে পুলিশ। সিসি ট্যাম্পারিংয়েরও অভিযোগ উঠেছওই যুবক মোবাইল চুরি করেছে বলে সন্দেহ করে বউবাজারে ছাত্রাবাসের আবাসিক ছাত্ররা। অভিযোগ, ব্যাট, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারা হয় ওই যুবককে। তাতে মৃত্যু হয়েছে তার। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম ইরশাদ আলম, বয়স ৪৭। তিনি চাঁদনিচক এলাকায় একটি টিভি সারাইয়ের দোকানে কাজ করতেন। জানা গিয়েছে, ওই হোস্টেলের এক আবাসিক ছাত্রের একটি মোবাইল ফোন খোয়া যায়। শুক্রবার সকালে হস্টেলের পাশেই একটি দোকানের মালিক ছাত্রদের জানান, এক ব্যক্তি ওই চত্ত্বরে ঘোরাফেরা করছেন। ছাত্রাবাসের পাশেই রয়েছেন একটি নামি মিষ্টির দোকান। সেখান থেকে টেনে হিঁচড়ে ছাত্ররা ওই যুবককে হস্টেলে তুলে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেই অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছায় বউ বাজার থানার পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে আসে মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর আহত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসকরা ওই যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কোরপান শাহ প্রাণ দিয়েই বোঝাতে পারেনি শহর কলকাতা কতটা অমানবিক। ছাত্র সমাজ কতটা অমানসিকতার নজির গড়তে পারে। বউবাজারের ছাত্রাবাসের আবাসিকরা প্রমাণ করল ছাত্র সমাজ শুধু সমাজ গড়ে না, অন্ধকার সমাজ গড়তেও সাহায্য় করে। এই গণপিটুনির ঘটনায় ধিক্কার জানাচ্ছে সমাজের সমস্ত মহল।

জুন ২৯, ২০২৪
কলকাতা

একের পর এক আগ্নিকাণ্ড কলকাতায়, এবার গার্স্টিন প্লেস

আগুনের গ্রাস থেকে যেন কলকাতাকে আটকানো যাচ্ছে না। পার্ক স্ট্রিট, কসবার শপিং মলের পর এবার গার্স্টিন প্লেস! ফের ভয়াবহ আগুন শহর কলকাতায়। শনিবার ভোর চারটে নাগাদ ব্যাঙ্কশাল কোর্টের পিছনের একটি পুরনো বহুতলে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দুদফায় দমকলের ছটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।যথারীতি আগুনকে কেন্দ্র করে সাতসকালে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ছড়িয়েছে তীব্র আতঙ্ক। সূত্রের খবর, পুরনো ওই বহুতলের তিনতলা আগুনে পুড়ে গিয়েছে। আগুন ছড়িয়েছে বহুতলের চারতলাতেও। বাড়িটি পুরনো হওয়ায় বহুতলের একাংশ ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দমকলের অনুমান, এসির শর্টসার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ড।

জুন ২২, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতায় রাতের শেষ মেট্রোর সময় বদল, জানুন টিকিট কাটার পদ্ধতিও

যাত্রীদের সুবিধার জন্য মেট্রো রেলওয়ে গত ২৪ মে থেকে পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে ব্লু লাইনে বিশেষ রাত্রিকালীন মেট্রো পরিষেবা চালু করেছে। আপ এবং ডাউন উভয় দিকের এই পরিষেবা দুটি সোম থেকে শুক্রবার রাত ১১ টায় কবি সুভাষ এবং দমদম স্টেশন থেকে ছাড়ছে। রাতে প্রচুর সংখ্যক মানুষের চাহিদা পূরণ করা যাবে এই আশা নিয়ে চালু করা হয়েছিল এই পরিষেবা। রাতের এই পরীক্ষামূলক পরিষেবাগুলি মেট্রো যাত্রীদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হচ্ছে না। কলকাতা মেট্রো রেল জানাচ্ছে, দমদম এবং কবি সুভাষের মধ্যে যাতায়াতকারী রাত ১১ টার প্রতিটি ট্রেনে গড়ে মাত্র ৩০০ জন যাত্রী হচ্ছে। এই পরিষেবাগুলি চালাতে মেট্রো রেলের প্রচুর খরচ হচ্ছে(চালানোর খরচ হিসাবে প্রায় ২.৭ লক্ষ টাকা এবং অন্যান্য খরচ হিসাবে ৫০ হাজার টাকা )। কিন্তু বিনিময়ে এই দুটি ট্রেন থেকে আয় হচ্ছে খুবই কম(গড়ে মাত্র ৬ হাজার টাকা )। এটিও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেক স্টেশনে কাউন্টার খোলা রেখে গড়ে মাত্র ১ বা ২ টি টোকেন বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ টোকেন বিক্রির হারও খুবই কম।মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র মেট্রো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আগামী ২৪ জুন (সোমবার)থেকে এই পরীক্ষামূলক রাত্রিকালীন পরিষেবার সময় ২০ মিনিট এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২৪ জুন থেকে ব্লু লাইনে এই পরীক্ষামূলক রাত্রিকালীন পরিষেবাগুলি কবি সুভাষ এবং দমদম থেকে রাত ১০.৪০টায় ছাড়বে। এই পরিষেবা সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পাওয়া যাবে এবং সমস্ত স্টেশনে থামবে। কোনও স্টেশনে টোকেন, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি বিক্রির জন্য কোনও টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে না। যাত্রীদের UPI পেমেন্ট মোড ব্যবহার করে সমস্ত স্টেশনে বসানো ASCRM মেশিন থেকে টোকেন কেনার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। স্মার্ট কার্ড থাকা যাত্রীরাও এই পরীক্ষামূলক রাতের পরিষেবায় চড়তে পারবেন।

জুন ১৯, ২০২৪
কলকাতা

পার্ক স্ট্রিটে ভয়াবহ আগুন, কালো ধোঁয়া-আতঙ্ক এলাকাজুড়ে

ফের পার্ক স্ট্রিটে আগুন। মঙ্গলবার পার্ক সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড মনে করিয়ে দিল ১৬ বছর আগের ঘটনা! ১/১ নম্বর পার্ক স্ট্রিটে আগুন লাগে এদিন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় পার্ক স্ট্রিটের আকাশ। ক্যামাক স্ট্রিট ও পার্ক স্ট্রিটের সংযোগ স্থলের কাছাকাছি এই বাড়িটি। এলেন পার্কের উল্টোদিকে। অনর্গল কালো ধোঁয়া ও আগুনের শিখা চোখে পড়ছে বহু দূর থেকে।বহুতলের নিচেই রয়েছে রেস্তরাঁ এবং ক্যাফে। আশেপাশে বেশ কয়েকটি অফিস রয়েছে। পাশে রয়েছে আবাসনও। এলাকা থেকে মানুষজন সরিয়ে দেওয়া হয়। দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে দমকল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। তবে আগুন ইতিমধ্যেই অনেকটা ছড়িয়ে পড়ায় গোটা এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়।জানা গিয়েছে, পার্ক সেন্টারের উপরে একটি নাইট ক্লাব কাম রেস্তরাঁ রয়েছে। সেখানেই আগুন লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকা খালি করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। আগুনের তীব্রতায় ভেঙে পড়ছে রেস্তরাঁর অ্যাসবেস্টসের ছাদ। দমবন্ধ করা ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে পুরো বহুতল। জল এবং ফোম দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে দমকল। আগুনের উৎসস্থল খুঁজে বার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও জানা যায়নি।ভিতরে যতটুকু যাওয়া যায়। গিয়ে দেখেছি, অস্থায়ী শেড থেকে আগুন লেগেছে। দমকল কর্মীরা ভাল কাজ করেছে। ১২টা ৪২মিনিট নাগাদ দমকলমন্ত্রী আরও জানান আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার আর কোনও সম্ভানা নেই।

জুন ১১, ২০২৪
কলকাতা

শনিবার কলকাতায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী, রবিবার ২ জোড়া জনসভা বাংলায়

রবিবার সকালে ব্যারাকপুর থেকে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী জনসভা। সকাল ১১টা নাগাদ ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জগদ্দলে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে সভা করবেন। তার পর সেখান থেকে তিনি চলে যাবেন হুগলিতে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে দুপুর ১২টা নাগাদ চুঁচুড়ায় নির্বাচনী জনসভা রয়েছে তাঁর। হুগলির সভা সেরে আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পুরশুড়ায় বিজেপি প্রার্থী অরূপকান্তি দিগড়ের হয়ে প্রচার করবেন। নির্বাচনী প্রচারে হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীর সমর্থনে জনসভা দিয়ে শেষ করবেন কর্মসূচি। শেষ সভাটি হবে হাওড়া জেলার সাঁকরাইলে। বিকেল ৪টে নাগাদ এই সভাস্থলে পৌঁছনোর কথা রয়েছে তাঁর।

মে ১১, ২০২৪
কলকাতা

মুক্তিতে স্বস্তি! কেজরিওয়ালের নামে পুজো কালীঘাট মন্দিরে

আজ আম আদমী পার্টি, পশ্চিমবঙ্গের তরফ থেকে আম আদমী পার্টির সুপ্রিমো শ্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নামে পুজো দেওয়া হল কলকাতার কালীঘাট মন্দিরে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আগামী দিন গুলির রাজনৈতিক সাফল্য কামনা করে এবং দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করে আজ এই প্রার্থনা করা হয় দলের তরফে । দলের তরফ থেকে প্রধান মুখপাত্র, অর্ণব মৈত্র জানিয়েছেন, দেশে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে যাতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের লড়াই সফল হয় সেই জন্য আজকের এই পুজো আয়োজন করা হয়েছিল। তার সাথে সমগ্র দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করি আমরা।। মায়ের কাছে আমাদের প্রার্থনা সকলে ভালো থাকুক এবং অরবিন্দ কেজরিওয়াল দেশের স্বৈরাতন্ত্র কে পরাজিত করে দেশকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর করুন।

মে ১১, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতা মেট্রোয় খুচরোর সমস্যা থেকে শীঘ্রই মুক্তি, সাড়া জাগানো উদ্যোগ

মেট্রো স্টেশনের টিকিট কাউন্টারেটিকিট কাটতে গিয়ে খুচরোর সমস্যার পরিচিত দৃশ্য খুব শীঘ্রই অতীত হতে চলেছে। কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল লেনদেনের এক নতুন পন্থা হিসাবে ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা খুব তাড়াতাড়ি চালু করছে। এর ফলে কাউন্টারে খুচরো টাকা বা পয়সার মাধ্যমে সঠিক ভাড়া দিতে গিয়ে বর্তমানে মেট্রো যাত্রীরাযে সমস্যার সম্মুখীন হন তা আর হবে না।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস ) এর সহায়তায় মেট্রো কর্তৃপক্ষ ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করছেন। মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী পি উদয় কুমার রেড্ডির উপস্থিতিতে মঙ্গলবার গ্রিন লাইনের শিয়ালদহ স্টেশনে এই ব্যবস্থার মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। শ্রী রেড্ডি নিজে এই ব্যবস্থার সাহায্যে একটি টিকিট কাটেন। মেট্রো রেলওয়ের প্রিন্সিপাল চিফ অপারেশন্স ম্যানেজার শ্রী সৌমিত্র বিশ্বাসের উদ্যোগে ও তৎপরতায় এই নতুন টিকিটিং ব্যবস্থা মেট্রোয় চালু হচ্ছে।এই মহড়া সম্পূর্ণ হলেই নতুন এই টিকিটিং ব্যবস্থা প্রথমে গ্রিন লাইনে চালু হবে। এই সুবিধা নিতে আগ্রহী যাত্রীদের টিকিট কাউন্টারে গিয়ে প্রথমে তাদের গন্তব্য স্টেশনের নাম বলতে হবে। এরপর কাউন্টারের ডুয়াল ডিসপ্লে বোর্ডে ভেসে ওঠা কিউ আর কোডটি স্ক্যান করে স্মার্ট ফোনের সাহায্যে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করতে হবে। এই লেনদেন সম্পূর্ণ হলেই কিউ আর কোড বেসড কাগজের টিকিটটি তিনি হাতে পাবেন এবং মেট্রোয় সফর করতে পারবেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মেট্রো যাত্রীরা নিজেদের স্মার্ট কার্ডও রিচার্জ করতে পারবেন।Shri P Uday Kumar Reddy,GM, conducted the trial of #UPI Payment Based Ticketing System at #Sealdah #Metro station today.Once the trial is over,this ticketing system will be introduced in #GreenLine first then #BlueLine,#PurpleLine #OrangeLine for the benefit of the commuters. pic.twitter.com/IuWm4rEk4t Metro Railway Kolkata (@metrorailwaykol) May 7, 2024কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইনে এই ব্যবস্থা সফল হলে যাত্রীদের সুবিধার্থে তা ব্লু লাইন , পার্পল লাইন ও অরেঞ্জ লাইনেও চালু করা হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।মেট্রো রেল , স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস )-এর বরিষ্ঠ আধিকারিকরা আজকের এই মহড়ায় শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন।

মে ০৮, ২০২৪
কলকাতা

"সত্যের জয় হবেই, বাংলায় দুর্নীতি ও হিংসার বিরুদ্ধে আমার লড়াই থামবে না", অভিযোগের পর বিবৃতি রাজ্যপালের

রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসার আগে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলো। রাজভবনের এক অস্থায় মহিলা কর্মী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ এনেছেন। যদিও রাজভবনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে নির্বাচনে ফায়দা তোলার জন্য এমন অভিযোগ করা হয়েছে।রাজভবন থেকে এক বিবৃতিতে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, সত্যের জয় হবেই। আমি কারও চক্রান্তকে ভয় করি না। কেউ যদি আমার নামে কুৎসা করে নির্বাচনী সুবিধা পেতে চায়, ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন। কিন্তু তাঁরা বাংলায় দুর্নীতি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আমার লড়াই থামাতে পারবে না।Truth shall triumph. I refuse to be cowed down by engineered narratives. If anybody wants some election benefits by maligning me, God Bless them. But they cannot stop my fight against corruption and violence in Bengal. Raj Bhavan Kolkata (@BengalGovernor) May 2, 2024এই ঘটনার তৃণমূল কংগ্রেস রেরে করে নেমে পড়েছে। তয়ঁদের বক্তব্য, এই রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থাকবেন। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় সরকার।

মে ০২, ২০২৪
কলকাতা

দিদি নম্বর ১ স্টুডিওয় আগুন, হতাহতের কোনও খবর নেই

রাজারহাট ডি আর আর স্টুডিওতে আগুন। জনপ্রিয় টিভি শো দিদি নম্বর ১ এবং দাদাগিরি শুটিং হয়। প্রথমে ষ্টুডিওর ভিতরে রাখা একটি মেকআপ (ভেনেটি) ভ্যানে আগুন লাগে। এরপর পাশে থাকা আরো একটি ভেনেটি ভ্যানে আগুন লাগে। পাশে থাকা একটি টিনের শেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ষ্টুডিও এর মধ্যে থাকা জলাশয় থেকে জল তুলে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায় ষ্টুডিও কর্মীরা। আগুনে দুটি গাড়ি পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে রাজারহাট থানার পুলিশ। দমকল এর একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে আসে। দমকল এর গাড়ি দেরিতে আসায় বিক্ষোভ দেখায় কর্মীরা।উল্লেখ্য, দিদি নম্বর ওয়ান টেলিভিশন শো-এর প্রধান অ্যাঙ্কার রচনা ব্যানার্জী ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে হুগলী লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্বাচনী প্রচারে তাঁর ধোয়া ধোঁয়া মন্তব্য নিমিষে ভাইরাল হয়ে যায়। এহেন অভিনেত্রীর বহুল প্রচারিত টেলিভিশন শো দিদি নম্বর ১-এ সেটেও লেলিহান আগুনের ধোঁয়ায় জেরবার। সুত্রে জানা গেছে এই মুহুর্তে ওখানে দিদি নম্বর ১-এর শুটিং ছিল না, তাই অভিনেত্রী ওখানে থাকার সম্ভাবনাও ছিল না।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
কলকাতা

বাংলার অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্যে দাবিপত্র প্রকাশ বাংলা পক্ষ-র

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলা পক্ষর কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ দাবিপত্র প্রকাশ করেন বাংলা পক্ষর সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। এই দাবিপত্র প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী ও কলকাতা জেলার সম্পাদক সৌম্য বেরা।বাংলা পক্ষ-র দাবিপত্রে ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট, কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষা বাংলায় দেওয়ার সুযোগ, শিক্ষাকে যুগ্ম তালিকা থেকে রাজ্য তালিকায় ফেরত আনা, শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর জেলায় লোকাল ট্রেন পরিষেবা, শিলিগুড়িতে মেট্রো রেল, একাধিক জেলায় গঙ্গাভাঙন রোধ, রাজ্যের প্রাপ্য টাকার দাবি, জলপাইগুড়িতে AIIMS, দুই সন্তান নীতির ভিত্তিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন সহ ২২ টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়েছে।সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন আমরা এই দাবিপত্র নিয়ে বাংলায় ভোটে লড়া সকল রাজনৈতিক দলের কাছে যাবো। রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীরা জয়ী হয়ে লোকসভায় যাতে এই বিষয়গুলি সরব হন, আমরা সেই প্রতিশ্রুতি চাই। প্রত্যেকটি দাবিই বাঙালি জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার প্রয়োজনে দলমতের ঊর্ধে উঠে লোকসভায় সাংসদরা সরব হবেন, এটাই বাংলা পক্ষ আশা করে। কৌশিক মাইতি জানান সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক প্রার্থীর কাছে এই দাবিপত্র পৌঁছে দেবেন সংগঠনের সহযোদ্ধারা।২০২৪ লোকসভা ভোটে বাংলার রাজনৈতিক দলগুলির কাছে বাংলা পক্ষর দাবি১) ভারত রাষ্ট্রকে রক্ত দিয়ে স্বাধীন করেছে বাঙালি জাতি। বিহার, মারাঠা, কাশ্মীর, গোর্খা, মাদ্রাজ সবার রেজিমেন্ট আছে। বাঙালি রেজিমেন্ট নেই।অবিলম্বে ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট গঠন করতে হবে।২) ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশকে যে ১০ হাজার একর জমি দিয়েছে তা ভারতে অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গে ফেরত আনতে হবে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশকে দেওয়া পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র এলাকা পুনরায় ভারতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।৩) ইংরেজি ও হিন্দির মত বাংলা ভাষাকেও কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ (দাপ্তরিক ভাষা) ঘোষণা করতে হবে এবং পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সকল কাজ বাংলা ভাষায় হতে হবে।৪) কোন অজুহাতে বিভিন্ন খাতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বাংলার প্রাপ্য অর্থ আটকে রাখা চলবেনা।৫) বাংলায় ১টি AIIMS, কিন্তু বিহারে ২টো, অথচ বাংলা কেন্দ্র সরকারকে বিহারের থেকে বেশি ট্যাক্স দেয়। বাংলায় জলপাইগুড়ির দোমোহনিতে রেলের বিস্তীর্ণ জমিতে বা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় AIIMS চাই।৬) যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য NJP কেন্দ্র করে হাওড়া বা শিয়ালদার মত কোচবিহার এবং এদিকে মালদা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক গঠন করতে হবে।৭) শিক্ষা, বন সহ স্বাধীনতার পর থেকে রাজ্য তালিকা থেকে সরানো সব বিষয় পুনরায় রাজ্য তালিকায় ফেরত আনতে হবে। রেসিডুয়াল পাওয়ার ও সাবজেক্টগুলি রাজ্য তালিকাভুক্ত করতে হবে।৮) কলকাতায় মেট্রো আছে। আগ্রা শহরে মেট্রো রেল চালু হয়েছে। আসানসোল ও শিলিগুড়িতে মেট্রো রেল চাই।৯) UPSC সহ সমস্ত কেন্দ্র সরকারি চাকরিতে রাজ্য কোটা থাকতে হবে এবং রাজ্য কোটার পরীক্ষা নিতে হবে রাজ্যের প্রধান ভাষা ও ইংরেজিতে।১০) ভারত-ব্যাপী Delimitation-কে স্থায়ীভাবে বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন করতে হবে।১১) ফিন্যান্স কমিশনের মাধ্যমে রাজ্যের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে ৫১% করতে হবে৷ হিসেব হবে ১৯৭১ জনসংখ্যার ভিত্তিতে।১২) কয়লা খনি, তেলের খনি ও বন্দরের মালিকানায় কেন্দ্রের অংশীদারিত্ব কমিয়ে ৫০% সেই রাজ্যকে দিতে হবে।১৩) DVC-র মালিকানা ৫০% ঝাড়খন্ড সরকার ও ৫০% বাংলার অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাতে চাই।১৪) করোনা সময়কালে বাতিল হওয়া সব লোকাল ট্রেন পুনরায় চালু করতে হবে।১৫) কোন কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার সদর বা আঞ্চলিক দপ্তর বাংলা থেকে সরিয়ে অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করা যাবেনা।১৬) কৃষি প্রধান বাংলার কৃষকেরা কেন্দ্রীয় সরকারের সার বরাদ্দ নীতিতে বৈষম্যের শিকার। কেরোসিনের ক্ষেত্রেও তাই। খরা, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলার প্রতি আর্থিক বঞ্চনা করে দিল্লি। এসব অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।১৭) বাঙালিকে বাংলাদেশি দাগানোর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।১৮) পশ্চিমবঙ্গে থাকা রাষ্ট্রীয় সড়কগুলিতে টোল ট্যাক্স নেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।১৯) স্বাধীনতার পর থেকে বাংলায় একটিও নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি তাই বাংলায় নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চাই, যার ৭৫% আসন পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত হবে।২০) কলকাতা থেকে বিভিন্ন দূরবর্তী জেলা বিশেষত উত্তরের জেলাগুলির সাথে রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।২১) মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান জেলায় গঙ্গা নদী ভাঙনের সমস্যার সমাধান করতে হবে।২২) সারা ভারতে দুই সন্তান নীতির ভিত্তিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন পাশ করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। আইন লঙ্ঘন করলে সব সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার বিধান থাকবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৪
কলকাতা

লেকটাউনে পরিতক্ত বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার ঘিরে রহস্য।

সোমবার সকালে লেকটাউন যশোর রোডের ধারে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার ঘিরে রহস্য। লেকটাউন ব্লক এ ৮৪৮ বি/১ একটি বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার হয়। এদিন রাস্তায় প্যান্ডেল করার সময় এক কর্মী কঙ্কাল দেখতে পায়। এরপরে লেকটাউন থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছে। স্থানীয় সূত্রে ওই ব্যক্তির নাম রাজীব বড়াল। এদিন পুলিশ সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাঁধা দেয়।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
কলকাতা

'টাকা মিছিল'! বাঙালির ব্যবসা উদযাপন করতে নববর্ষে বাংলা পক্ষর অভিনব উদ্যোগ

পয়লা বৈশাখ বাঙালির হালখাতার দিন। হালখাতা কথাটির অর্থ জিজ্ঞ্যাসা করলে কতজন পারবে তা নিয়ে একসন্ধ্যা চায়ের পেয়ালাতে তুফান তোলা আলোচনা চলতেই পারে। আজকের ডিজিটাইজেসন যুগে কিউ আর এবং ইউপিআই এর দৌলতে ক্যাসলেস বাঙালীর হালখারাপ হতে বসা হালখাতা! তবুও পয়লা বৈশাখ বাঙালির আবেগের দিন। ব্যবসা উদযাপনের দিন। পয়লা বৈশাখ মানে শুধু গান-কবিতা না, পয়লা বৈশাখ মানে ব্যবসাও।বাঙালি তরুন প্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে, বাঙালি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এক অভিনব ও বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল এর কথা আয়োজন করল বাংলা পক্ষ। এটি টাকা মিছিলর দ্বিতীয় বছর। রবিবার নববর্ষের প্রথম দিনের সন্ধ্যায় কলকাতার রাসবিহারী মোড় থেকে গড়িয়াহাট মোড় পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল হয়।মিছিলে বাঙালি শিল্পপতিদের (যেমন আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, চন্দ্রশেখর ঘোষ, রাজেন মুখার্জী, মতিলাল শীল, আলামোহন দাস, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ) বিশাল বিশাল কাট আউট নিয়ে মিছিলে হাঁটা হয়। বাংলা ও বাঙ্গালীর সংগঠন বাংলা পক্ষর তরফে জানানো হয়, শুধুমাত্র সিনেমা বা খেলার নায়ক-নায়িকাদের চিনলে হবে না, বাঙালি পুঁজিপতিদের চিনতে হবে। মিছিলে ছিল ঢাক, রণ পা ও নানা সুসজ্জিত ট্যাবলো।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষ দাবী তোলে।রাজ্য সরকারি টেন্ডার বাঙালিদের দিতে হবে।খুচরো বাজার থেকে পাইকারি বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷সমস্ত শহরাঞ্চলের হকারি স্পট ভূমিপুত্রদের দিতে হবে।এই টাকা মিছিলর নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মনন মন্ডল, এমডি সাহীন, সৌম্য ঘোড়াই ও জেলা সম্পাদকরা।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
কলকাতা

সোশাল মিডিয়ায় যুবতীর ছবি পোস্ট, সেক্টর ফাইভের অফিস থেকে যুবক গ্রেফতার

আইটি কর্মীর নামে ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট খুলে অশ্লীল ছবি পোস্টের অভিযোগ। আইটি কর্মী যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি আইটি সংস্থায় কাজ করতেন এক যুবতী। কিছু বছর আগে এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। সেই যুবকও তার সঙ্গে একই অফিসে কাজ করতে বলে পুলিশকে জানান তিনি। এরপরই তার সাথে একই জায়গায় থাকতে শুরু করে তারা। কেষ্টপুর এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তারা বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এরপরেই যুবতীর সঙ্গে যুবকের সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তার কিছুদিন পরে যুবতী জানতে পারে এই যুবতীর নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট তৈরি করে কেউ বা কারা তার কিছু গোপনীয় ছবি প্রকাশ করছে। ঘটনা তদন্ত শুরু করে পুলিশ লোকেশন ট্র্যাক করে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি অফিসে হানা দিয়ে বিহারের বাসিন্দা সুভাষ বলে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। আজ তাকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতের নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কি কারনে এই ধরনের ঘটনা তিনি ঘটিয়েছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
কলকাতা

সল্টলেকে পরিচারিকা কি দেখলেন? ঘটনাস্থলে বিধাননগরের পুলিশ এসে হতবাক!

সল্টলেকের জি সি ব্লকে প্রাক্তন সেনা কর্মী যদুনাথ মিত্র স্ত্রী মন্দিরা মিত্রর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার। পাশাপাশি গুরুতর আহত প্রাক্তন সেনা কর্মী যদুনাথ মিত্র কে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে।পুলিশ সূত্রে খবর, আজ সকাল বেলা জিসি ব্লকের ৩০ নম্বর বাড়িতে কাজ করতে আসেন পরিচারিকা। এরপরে তিনি দেখেন প্রাক্তন সেনা কর্মী যমুনাথ মিত্র ও তার স্ত্রী দুজনই রক্তাক্ত অবস্থায় রয়েছেন। তড়িঘড়ি বেরিয়ে এসে স্থানীয়দের খবর দেন। স্থানীয়রা বিধাননগর দক্ষিণ থানাতে খবর দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দক্ষিণ থানার পুলিশ, পাশাপাশি বিধাননগর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ও বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সূত্রে খবর, তিন পাতার একটি তিন পাতার সুসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, যদুনাথ বাবু প্রথম স্ত্রীকে খুন করেন। এরপরে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এমনটাই প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশ সমস্ত ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও বিষয় রয়েছে খতিয়ে দেখছে বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

মার্চ ২৭, ২০২৪
কলকাতা

সাত সকালে নিউটাউনে লাল সুটকেসে কি? বিরাট চাঞ্চল্য

নিউটাউনের পার্শ্ববর্তী এলাকা ধর্মতলা পাচুরিয়ার ছোট খালে একটি লাল রঙের সুটকেশ প্রথমে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পুলিশে খবর দেওয়া হলে টেকনো সিটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে, শুটকেসের তালা খুলতেই দেখে এক ব্যক্তির মৃতদেহ। অনুমান করা হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়স ওই মৃত ব্যক্তির। সেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত নেমেছে পুলিশ উদ্ধার হওয়া মৃত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার পাশাপাশি, কিভাবে তার মৃত্যু হল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান তাকে খুন করে কেউ বা কারা এখানে ফেলে রেখে গেছে। তবে সামনেই লোকসভায় নির্বাচন তার আগে সুটকেস বন্দী এই মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

মার্চ ২৩, ২০২৪
কলকাতা

বহুতল ভেঙে বস্তিতে, বড়সড় বিপর্যয় কলকাতায়, মৃত ৬, জখম বহু

বিকেল গড়িয়ে গেলেও বহুতলের নীচে চাপা পড়ে রয়েছেন ৪ জন। তাদের জল ও অক্সিজেন দেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস কাটার দিয়ে সিমেন্টের চাই সরিয়ে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। গতকাল রাতের দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। আহত হয়েছেন ১৫ জন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকালের ঘটনায় ২২ জন আটকে পড়েন বলেই স্থানীয় সূত্রে খবর। তাদের মধ্যে ১৫-১৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ৬ জন এখনও আটকে রয়েছেন ধ্বংসস্তুপের নীচে।বাম আমল থেকে গার্ডেনরিচ এলাকায় বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে এনেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বামেরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, জলাশয় ভরাট করে গত এক বছর ধরে চলছে বেআইনি এই নির্মাণ। আর স্থানীয় বাসিন্দাদের এমন অভিযোগ সামনে আসতেই প্রবল অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস।উল্লেখ্য, আজ সকালে মাথায় চোট নিয়েই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলেন স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে। বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরব হন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি স্থানীয় মানুষদের আশ্বাস দিয়েছেন, দুর্ঘটনায় যাঁদের ঘরবাড়ি ভেঙে গিয়েছে, তাঁদের নতুন করে ঘর বানিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্মাণের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গোটা ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।রবিবার মধ্যরাতে ঘুমের মধ্যে বহুতল ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। তারপর সময় এগোতে তা বেড়ে হয় ৬। আহত কমপক্ষে ১৫ জন। বেআইনি নির্মাণ নিয়ে একদিকে শাসক দলকে নিশানা করেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তখনই দুর্ঘটনাস্থল থেকে অবৈধ নির্মাণের তত্ত্ব কার্যত মেনে নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এরপরই আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী।গার্ডেনরিচে বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই অ্যাকশনে নেমে পড়েছে পুলিশ। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে এই ঘটনায় বিল্ডিংয়ের প্রোমোটারকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

মার্চ ১৮, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • ...
  • 65
  • 66
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

“বয়কটই ভালো ছিল?” ভারতের কাছে ফের চূর্ণ পাকিস্তান, প্রশ্নে নেটদুনিয়া

গত বছর এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে টানা তিন ম্যাচে হারানোর পর ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেছিলেন, এখন আর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সেই আগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই, খেলা একপেশে হয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সেই কথাই যেন আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সাম্প্রতিক ম্যাচেও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এভাবে হারতে হলে বয়কটই কি ভালো ছিল না?পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘার একাধিক সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এত বড় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। শুরুতে স্পিনাররা ভালো বল করলেও দলের অন্যতম ভরসা উসমান তারিককে দেরিতে আনা হয়। যখন তিনি বোলিংয়ে এলেন, তখন ভারতের স্কোর প্রায় একশোর কাছাকাছি। ততক্ষণে ঈশান কিষান ঝড় তুলে ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছেন।শেষ দিকেও প্রশ্ন উঠেছে অধিনায়কের সিদ্ধান্ত নিয়ে। স্পিনারদের ওভার বাকি থাকা সত্ত্বেও শেষ ওভারে শাহিন আফ্রিদিকে বল দেওয়া হয়। সেই ওভারেই ১৬ রান তুলে নেয় ভারত। ম্যাচের শেষভাগে এই রানই বড় ব্যবধান তৈরি করে দেয়। ১৭৬ রানের লক্ষ্য অজেয় ছিল না, কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরু থেকেই ভেঙে পড়ে।প্রথম কয়েক ওভারেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। দেখে মনে হচ্ছিল, দলটি যেন আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের রেকর্ডও তাদের পক্ষে কথা বলে না। আট ম্যাচের মধ্যে একবার ছাড়া প্রতিবারই হারতে হয়েছে। কখনও বোল আউটে নাটকীয় পরাজয়, কখনও ফাইনালে মিসবা উল হকের ভুল শট, কখনও মেলবোর্নে বিরাট কোহলির ঐতিহাসিক ইনিংসপ্রতিবারই ভারতের বিরুদ্ধে হারের আলাদা গল্প রয়েছে পাকিস্তানের।২০২১ সালে একমাত্র জয়টি পাওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন আসে। নেতৃত্বে বদল হয়, নতুন পরিকল্পনা আসে, এবং পরবর্তীতে আইসিসি ট্রফিও জেতে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেটে সেই ধারাবাহিক উন্নতি চোখে পড়ে না। বরং বড় ম্যাচে বারবার একই ভুল, একই ভাঙন দেখা যাচ্ছে।একসময় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই ছিল টানটান উত্তেজনা, শেষ বল পর্যন্ত অনিশ্চয়তা। এখন সেই রোমাঞ্চ অনেকটাই কমে গিয়েছে। মাঠের লড়াই একপেশে হয়ে গেলে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ম্লান হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, যদি এমন পারফরম্যান্সই চলতে থাকে, তবে এই মহারণের মান কোথায় দাঁড়াবে? পাকিস্তানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিজেদের নতুন করে গড়ে তোলা। না হলে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের সেই পুরনো মর্যাদা আর ফিরবে কি?

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বয়কটের হুঙ্কার, শেষে ৬১ রানে ধ্বংস! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সুপার এইটে ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় ভারতের। শ্রীলঙ্কার কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ৬১ রানে হারিয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নিল টিম ইন্ডিয়া। এই নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে আটবার হারাল ভারত। বড় ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের পরিসংখ্যান বদলাল না।টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি ভারত। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত নিজেদের হাতে নিয়ে নেন ঈশান কিষান। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। পাকিস্তানের বোলারদের একের পর এক বাউন্ডারি মেরে চাপে ফেলে দেন। শাদাব খান ও শাহিন আফ্রিদির বলেও সমান আক্রমণাত্মক ছিলেন ঈশান। ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ভারতের ইনিংসের শক্ত ভিত গড়ে দেন তিনি।মাঝে তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার দ্রুত আউটে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। সূর্যকুমার যাদব চেষ্টা করলেও বড় রান করতে পারেননি। ৩২ রানে আউট হন তিনি। উসমান তারিকের স্পিন কিছুটা সমস্যায় ফেলেছিল ভারতীয় ব্যাটারদের। তবে শেষ দিকে রিঙ্কু সিং ও শিবম দুবের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ওভারে ১৬ রান ওঠে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারতের রান দাঁড়ায় ১৭৫।১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান হার্দিক পাণ্ডিয়া। পরের ওভারে জশপ্রীত বুমরাহ জোড়া আঘাত করেন। সাইম আয়ুব ও সলমন আলি আঘা দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সেখান থেকেই ম্যাচ কার্যত ভারতের দিকে ঝুঁকে যায়।বাবর আজম কিছুটা সময় ক্রিজে থাকলেও রানের গতি বাড়াতে পারেননি। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হয়ে ফেরেন তিনি। উসমান খান লড়াইয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে। শাদাব খান, মহম্মদ নওয়াজ কেউই বড় রান করতে পারেননি। কুলদীপ যাদব ও তিলক বর্মাও উইকেট নেন। অক্ষর প্যাটেলের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে আউট হন উসমানও। শেষ দিকে শাহিন আফ্রিদি ১৯ বলে ২৩ রান করে ব্যবধান কিছুটা কমান।শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। হার্দিক, বুমরাহ, অক্ষর ও বরুণপ্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। ৬১ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করে ভারত। আর বিশ্বকাপে আবারও ভারতের সামনে থমকে দাঁড়াল পাকিস্তান।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাই ভোলটেজ ম্যাচে ৬ স্পিনার! কৌশল না বাধ্যবাধকতা?

এক সময় বিশ্ব ক্রিকেটে পেস ফ্যাক্টরি হিসেবে পরিচিত ছিল পাকিস্তান। ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস,আকিব জাভেদ, শোয়েব আখতার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মে মহম্মদ আমির দাপুটে পেসারদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ব কাঁপিয়েছে তারা। কিন্তু সেই পাকিস্তানই আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ৬ জন স্পিনার খেলানোয় বিস্মিত ক্রিকেটবিশ্ব ও বিশেষজ্ঞ মহল। আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ছয় জন স্পিনার খেলিয়ে পাকিস্তান গড়ল অনন্য বিশ্বরেকর্ড আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক দলে সর্বাধিক স্পিন বোলার বল করানোর নজির গড়ল পাকিস্তান।নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০-এর দশক পাকিস্তানের শক্তির মূল স্তম্ভ ছিল আগ্রাসী পেস আক্রমণ। রিভার্স সুইং ছিল তাদের অস্ত্র। ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কিত করা, শর্ট বলের চাপে ভুল করানো এটাই ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটের পরিচয়। তাই আজকের দলগঠনে হঠাৎ স্পিননির্ভর কৌশল অনেককেই অবাক করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে১. পিচের চরিত্রযদি উইকেট শুষ্ক ও ধীরগতির হয়, তাহলে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্পিনার কার্যকর হতে পারে।২. প্রতিপক্ষের ব্যাটিং কম্বিনেশনপ্রতিপক্ষ দলে যদি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকে বা স্পিনে দুর্বলতা থাকে, তাহলে স্পিন আক্রমণ বাড়ানো হতে পারে পরিকল্পিত কৌশল।৩. পেস আক্রমণে আস্থার ঘাটতিসাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পেস বোলিং ধারাবাহিকভাবে আগের মতো ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারছে না এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়াঅনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান নিজেদের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অতিরিক্ত পরীক্ষানিরীক্ষায় যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বৈচিত্র্য জরুরি হলেও ৬ জন স্পিনার কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। পাওয়ারপ্লেতে গতি না থাকলে প্রতিপক্ষ দ্রুত রান তুলতে পারে।আবার অন্য একদল বলছেন, আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী দল গঠনই আসল নামের চেয়ে কৌশল গুরুত্বপূর্ণ।পেসের দেশ পাকিস্তানের স্পিনমুখী কৌশল সময়ই বলবে সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল। তবে এতদিনের ঐতিহ্য মাথায় রাখলে আজকের দলগঠন যে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান: মহারণ নয়, একতরফা বার্তা, পেস বলের দেশ -৬ জন স্পিনার!

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বয়কটের হুঁশিয়ারি, তারপর হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলএই নাটকীয়তার আবহেই নামতে হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানকে। কিন্তু মাঠে যে লড়াই দেখা গেল, তাতে মহারণ শব্দটা কেবল নামেই রয়ে গেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি পরিসংখ্যান ৭১ থেকে বেড়ে ৮১ভারতের পক্ষে।কলম্বোর মন্থর উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৭৫/৭। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ঝড়ো কয়েকটি শট না থাকলে তিন অঙ্কও হয়তো ছোঁয়া হত না। ম্যাচের প্রথম দুওভারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফলাফল কোন দিকে যাবে।ঈশানের আগুনে ইনিংস: মন্থর পিচে আলাদা আলোকলম্বোর পিচ ধীরগতিরএই ধারণা ম্যাচের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সেই পিচে যেভাবে ব্যাট করলেন ঈশান, তা শুধু ম্যাচ নয়, টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুরুতেই শাহিনকে ছয় মেরে বার্তা দেন তিনিআত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই।স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পায়ের ব্যবহার, ফাঁকা জায়গা খুঁজে বাউন্ডারি বের করার দক্ষতাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন অন্য ট্র্যাকে খেলছেন। ভারতীয় দল দীর্ঘদিন পর এমন এক ইনিংস পেল, যা স্কোরবোর্ডে শুধু রান যোগ করেনি, মানসিক দিক থেকেও পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। ঈশানের এই ইনিংস না থাকলে ১৭৫ রান নাগালের বাইরে থাকত।সূর্য-তিলকের মাপা ব্যাটিং: ঝুঁকি নয়, বুদ্ধির খেলাঈশানের আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি বুঝে খেলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা। তাঁরা জানতেন, একই ছন্দে চালালে উইকেট পড়তে পারে দ্রুত। তাই বেছে নেন খুচরো রান ও স্ট্রাইক রোটেশনের পথ। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি ম্যাচের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সূর্য আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেনঅধিনায়কের মতোই। রানের গতি খানিক কমলেও স্কোরবোর্ড কখনও থামেনি। এই মাপা ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়।শেষের ঝড়: শিবম-রিঙ্কুর কাঁধে বাড়তি ২৫-৩০ রান১৫০ পার হওয়াই যেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানে শেষ তিন ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিংহ। শিবমের ১৭ বলে ২৭ ও রিঙ্কুর ৪ বলে ১১এই দ্রুত রানই ভারতের স্কোর ১৭৫-এ পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারে শাহিনের হাতে বল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য ব্যুমেরাং হয়ে যায়। অতিরিক্ত ১৫-১৬ রানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।প্রথম চার ওভারেই ধস: সূর্যের কৌশলে কাবু পাকিস্তানপাকিস্তানের ইনিংস শুরু হতেই সূর্যের কৌশল নজর কাড়ে। স্পিনে ভরসা না করে প্রথম চার ওভার বল করান জোরে বোলারদের দিয়ে। ফল? আট বলের মধ্যে দুই উইকেট। হার্দিকের বলে ফারহানের বিদায়, তারপর বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কারে সাইম আয়ুবের স্টাম্প উড়ে যাওয়াপাকিস্তান চাপে পড়ে যায় শুরুতেই।সলমনের একটি ঢিলেঢালা শট ধরে নেন হার্দিক। তিন উইকেট পড়ে গেলে মন্থর পিচে ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব। পাকিস্তান আর সেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারেনি।স্পিন-ঝুঁকি ও সিদ্ধান্তের ফারাকপাঁচ স্পিনার নিয়ে নামা পাকিস্তান ইতিহাসে নজির গড়লটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ছজন স্পিনার ব্যবহার। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে গেল।অন্যদিকে সূর্যের সিদ্ধান্ত ছিল পরিস্থিতি-ভিত্তিক। প্রথমে পেসে আঘাত, তারপর স্পিনে চেপে ধরাএই কৌশলই ম্যাচের রাশ টেনে নেয় ভারতের হাতে। ফিল্ডিং সেটআপেও দেখা যায় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, যা পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলে।নামেই মহারণ, মাঠে একতরফাদুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ, বয়কটের নাটকসবকিছুর পরেও ক্রিকেটপ্রেমীরা চেয়েছিলেন সমানতালে লড়াই। কিন্তু কলম্বোয় দেখা গেল একতরফা আধিপত্য। ভারত শুধু জিতল না, কৌশল, মানসিকতা ও কার্যকারিতায় প্রতিপক্ষকে অনেক পিছনে ফেলে দিল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের ঐতিহাসিক আবেগ থাকলেও, এদিনের ম্যাচ প্রমাণ করলমহারণ হতে হলে দুই পক্ষের সমান প্রস্তুতি ও স্থিরতা দরকার। কলম্বোয় সেই সমতা দেখা যায়নি। ফলাফল তাই শুধু স্কোরলাইনে নয়, খেলায়ও স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শুধু ফোন নয়, ফুল মিষ্টিতে দিয়ে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে তারেককে চমকে দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। এই আবহে এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় পৌঁছল শুভেচ্ছা বার্তা।শনিবার সন্ধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে কথা বলেন তারেক রহমানের সঙ্গে। ফোনালাপে ঠিক কী কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে সৌজন্য শুধু ফোনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল ও মিষ্টিও পাঠানো হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সেই উপহার পৌঁছয় ঢাকার গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন সেই শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।শুক্রবার প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ৩০০টির মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়। একা বিএনপি জিতেছে ২০৯টি আসন। শরিকদের নিয়ে তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। তারেক রহমান নিজে ঢাকা ১৭ এবং বগুড়া ৬এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছেন।২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর পর সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হল। দেশে ফিরে ১৭ বছরের রাজনৈতিক নির্বাসন কাটিয়ে নতুন করে নেতৃত্বে উঠে এলেন তারেক রহমান।এর আগেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, বাংলাদেশের এই জয়ের জন্য তিনি তারেকভাই, তাঁর দল এবং সহযোগী দলগুলিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। পাশাপাশি দুই বাংলার সুসম্পর্ক বজায় থাকার আশাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা-ঢাকার সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

১৫০০ টাকার আশায় লম্বা লাইন! যুবসাথী ক্যাম্পে ভিড়, তবু মুখে একটাই দাবি—চাকরি চাই

১ এপ্রিল চালু হবে যুবসাথী প্রকল্প। তার আগে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ক্যাম্প। ২১-৪০ বছরের বেকার যুবক-যুবতীদের আবেদন, তবে অনেকেরই দাবিভাতা নয়, চাকরি চাই।রবিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন শিবির। আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রকল্প চালু হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। তার আগে আবেদন গ্রহণের জন্য টানা এগারো দিন ধরে চলবে ক্যাম্প।কলকাতা-সহ জেলায়-জেলায় একই ছবি দেখা গেল। ক্যাম্পের সামনে লম্বা লাইন। তরুণ-তরুণীরা দাঁড়িয়ে আবেদনপত্র জমা দিচ্ছেন। অনেকেই উচ্চশিক্ষিত। বিএ, বিকম, বিএসসি এমনকি এমএ পড়ুয়ারাও এসেছেন ভাতার আবেদন করতে।এক তরুণী বলেন, কলকাতায় চাকরি নেই, তাঁর পড়াশোনার ক্ষেত্রেও সুযোগ খুব কম। এক যুবক জানান, ভাতা দেওয়ার বদলে যদি চাকরির সুযোগ তৈরি করা হতো, তা হলে ভালো হতো। আর এক যুবতীর কথায়, আপাতত ভাতা ঠিক আছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হল চাকরি। কেউ কেউ বলছেন, যে টাকা ভাতা দেওয়া হচ্ছে, সেই টাকাতেই যদি চাকরি দেওয়া যায়, তাতেও রাজি।মালদহে বারোটি বিধানসভা এলাকায় ব্লকভিত্তিক ক্যাম্প বসেছে। সকাল থেকেই সেখানে আবেদনকারীদের ভিড়। এক স্নাতক স্তরের পড়ুয়া বলেন, ১৫০০ টাকায় কিছুই হয় না, তাঁর দরকার চাকরি। ইতিহাসে এমএ পড়ুয়া এক তরুণী জানান, ভাতা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না, বাধ্য হয়েই আবেদন করতে এসেছেন।আর এক যুবক বলেন, তিনি প্রতিদিন দুলিটার তেল ভরেন, সামান্য সাহায্য হলেও কাজে লাগবে। সাক্ষী নামে এক তরুণী জানান, চাকরি আছে কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না, তাই আপাতত ভাতার আশ্রয়।যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ যেমন রয়েছে, তেমনই শোনা যাচ্ছে ক্ষোভ ও হতাশার সুর। এখন দেখার, ১ এপ্রিল থেকে ভাতা চালু হলে কতটা স্বস্তি পান রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা, একই কলেজে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল দ্বিতীয় বর্ষের এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। মৃতের নাম লাবণ্য প্রতাপ, বয়স ২২। তিনি বিহারের পাটনার বাসিন্দা। শনিবার রাতে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, তাঁদের কেউ আগে কিছু জানায়নি। দরজা খুলে তিনি দেখেন, তাঁর ছেলে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এরপরই প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাবা বলেন, অভিভাবকেরা টাকা দেন পড়াশোনার জন্য, কিন্তু ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কলেজেরই।সম্প্রতি কলেজে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সেই ফল ভাল না হওয়ায় মানসিক চাপে এই ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর এই একই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরে জঙ্গলে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন স্থানীয় যুবক এবং একজন সহপাঠী। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই কলেজে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে জঙ্গলমহলে ‘মাওবাদী’ পোস্টার! তৃণমূল নেতাদের নামে গণ-আদালতের হুঁশিয়ারি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টারকে ঘিরে। রবিবার ভোরে বান্দোয়ান থানার কুমড়া অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় এবং যজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা একাধিক পোস্টার দেখা যায়। স্থানীয় মানুষ বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কে বা কারা এই পোস্টার সাঁটিয়েছে এবং এর পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পোস্টারে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ভবতোষ দাস-সহ মোট আট জনের নামে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গণ-আদালতে তাঁদের বিচার হবে। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে ওই পোস্টারে।এর আগেও সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার হয়েছিল। তালডাংরা ও ওন্দা থানা এলাকার গাছের গুঁড়ি এবং বাসস্ট্যান্ডের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা পোস্টার মিলেছিল। সেখানেও নিহত মাওবাদী নেতা হিডমাকে সম্মান জানানো হয়েছিল।ভোটের আগে জঙ্গলমহলে এই ধরনের পোস্টার ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকাজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal