• ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Political Party

রাজ্য

বুধে' ই 'নব তৃণমূল'-র আত্মপ্রকাশ? বিধানসভায় বিরোধী কারা? জল্পনায় উত্তাল বঙ্গরাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সদ্য বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি নতুন রাজনৈতিক গোষ্ঠী আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বলে জল্পনা তুঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বুধবারই বিধানসভায় সংখ্যার জোর দেখিয়ে নতুন শিবিরের অস্তিত্বের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হতে পারে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নানা খবর সামনে এসেছে। একাধিক বিধায়ক ও নেতা দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেই আবহেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামকে কেন্দ্র করে নতুন সমীকরণের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।মঙ্গলবার বিধানসভা চত্বরে ঋতব্রতের উপস্থিতি ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়ায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি ছিল, প্রায় ৫০ জনেরও বেশি বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনপত্র তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে পারেন। যদিও দিনভর সেই জল্পনার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত স্পষ্টভাবে জানান, তিনি ব্যক্তিগত কাজেই বিধানসভায় এসেছিলেন এবং কোনও চিঠি জমা দেওয়ার বিষয়ে তাঁর জানা নেই।শুধু তাই নয়, তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে গোপন বৈঠকের যে খবর ছড়িয়েছিল, সেটিও তিনি অস্বীকার করেন। তবে তাঁর বক্তব্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। বরং তিনি বলেন, আমি আজকে বিশ্বাস করি। আগামীকাল কী হবে, তা এখনই বলতে পারব না। এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনার খোরাক জুগিয়েছে।সূত্রের দাবি, বুধবার পরিস্থিতি অন্য মোড় নিতে পারে। খবর অনুযায়ী, ৫৩ থেকে ৫৪ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে একটি পৃথক পরিষদীয় গোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে বিধানসভায় একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দেওয়া হতে পারে। যদি এমনটা ঘটে, তবে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।তবে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রশ্নও উঠে আসছে। কেবলমাত্র উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন থাকলেই কি কোনও গোষ্ঠী নিজেকে মূল দলের উত্তরাধিকারী হিসেবে দাবি করতে পারে? দলীয় প্রতীক, সংগঠনের সম্পত্তি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিষয়টি এতটা সরল নয় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দলের প্রকৃত উত্তরাধিকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিধায়কদের সংখ্যা নয়, দলের সাংগঠনিক কাঠামো, নেতৃত্বের সমর্থন এবং অন্যান্য একাধিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। ফলে কয়েক ডজন বিধায়কের সমর্থন পাওয়া গেলেও দলীয় প্রতীক বা সংগঠনের মালিকানা নিয়ে আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।এদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বুধবার যদি সত্যিই কোনও নতুন গোষ্ঠীর আত্মপ্রকাশ ঘটে, তবে তা শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য নয়, পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন নজর বিধানসভার দিকেসেখানে সংখ্যার অঙ্ক কতটা বাস্তব এবং কতটা রাজনৈতিক জল্পনা, তার উত্তর মিলতে পারে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই।বঙ্গ রাজনীতির চলমান অস্থিরতার আবহে নতুন তৃণমূল ঘিরে এই জল্পনা এখন রাজ্যের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক বিষয়। বুধবারের ঘটনাপ্রবাহই নির্ধারণ করবে এই আলোচনা শুধুই গুঞ্জন হয়ে থাকে, নাকি তা নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার জন্ম দেয়।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়

বিশেষজ্ঞদের মতে মনিপুর মেইতি আর কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষ দুই সম্প্রদায়ের ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়। সারা দেশে যে সংখ্যাগুরুবাদের রাজনীতির প্রতিষ্ঠা হচ্ছে তারই ফল। অনেকেই এখন পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ঘটনার সঙ্গে মনিপুরের তুলনা টানছেন। আমার মতে এই তুলনা স্থান-কাল বিচারে অত্যন্ত ভুল। কয়েক দশক ধরেই এই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর উৎস খুঁজতে হলে ফিরতে হবে ছয়ের দশকের শেষ দিকে। অনেকেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার উৎস খুঁজতে গিয়ে নকশাল আন্দোলনের কথা বলেন। এই দিকচিহ্নেও অনেক ভ্রান্তি রয়েছে। এই রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসার উৎস মুখ রয়েছে ছয়ের দশকের গ্ৰাম বাংলায় অর্থ সামাজিক ও সামাজিক রাজনৈতিক পরিবেশের এক বড় পরিবর্তনের মধ্যে।১৯৪২সালে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গনদেবতা উপন্যাসে এই পরিবর্তনের ভিত্তিভূমির ছবিটি নিপুণ শৈলীতে এঁকেছিলেন। তাঁর উপন্যাসে যে জনপদের পরিচয় পাওয়া যায় সেখানে প্রকৃতি অফুরান সম্পদ নিয়ে ছড়িয়ে আছে আর সমাজকাঠামো এক কঠিন নিগড়ে বাঁধা। সেই জনপদে আদিগন্ত বিস্তৃত জমি আছে আর সে জমিতে যারা খাটে তাদের কারো সামান্য জমিও নেই। সেখানে নাপিত সারাদিন খেটেও পেট ভরার অন্ন যোগাতে পারে না। ধাইমা সম্পন্ন ঘরের সাস্থবান পুত্র-কন্যার জন্মের সহায়ক কিন্তু তার সন্তানদের শরীর অপুষ্টিতে ভরা। কামার উদয়াস্ত খাটে তবু তার পেট চালাতে মহাজনের কাছে চড়া সুদে ধার নিতে হয়। ছুতর এর অবস্থা আরওই বেহাল।এমন এক নির্মম আর্থসামাজিক ব্যাবস্থার সামনে আমাদের দাঁড় করায় তারাশঙ্করের গনদেবতা উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখকের কল্পনা থেকে জন্ম নেয়নি, আজকের টেলিভিশনের ভাষায় গ্রাউন্ড জিরোতে দাঁড়িয়ে লেখা। ছয়ের দশকের কথায় ফিরি। যুগান্তর সংবাদ পত্রে ১৯৬৩ সালে ২৭শে জুলাই থেকে ১৯৬৮ সালের ২৭শে মে পর্যন্ত প্রকাশিত হয় তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠি, সেখানে গ্ৰাম বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের যে রিপোর্টিং রয়েছে তার অনেক নামী সাংবাদিক কে লজ্জায় ফেলবে। গ্রাম বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের যে লেখচিত্র তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠিতে রয়েছে তার উপরিকাঠামোয় রাখতে হবে ১৯৬৭ সালের রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে।১৯৬৭ সালে বামপন্থীরা প্রথম ক্ষমতায় আসে। তার পেছনে ছিল ১৯৫১সাল থেকে একটার পর একটা আন্দোলনের ইতিহাস। ১৯৬৭ সালে শেষবারের মতো একসঙ্গে লোকসভা ও সমস্ত রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। ১৯৫১ সাল থেকে যে গত আন্দোলনগুলিতে রাজ্য উত্তাল হয়েছিল তার পেছনে ছিল তারাশঙ্করের উপন্যাসের গ্রাম বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের একটি বড় অংশ। এই আন্দোলনগুলো কংগ্রেস নামের মহীরুহকে ধাক্কা দিতে শুরু করেছিল। যার ফলে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে পাঁচ বছরে রাজ্যে চারবার বিধানসভা ভোট হয়।১৯৬৭ থেকে ৭২ এই চার বছরে চার বার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। যা ভারতের আর কোথাও হয়নি। ১৯৬৭ সাল থেকে রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তন শুরু হলেও তখন শাসক শাসিতের দ্বন্দ্ব ছিল পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধী রাজনীতির। এই দ্বন্দ্বে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের হিংসাত্মক সংঘর্ষের চেহারাটা প্রথম ধরা পড়ে ৭০ সালে বাংলায় হরতালের দিনে। ১৯৭০ সালের ১৭ই মার্চ বাংলায় হরতাল হয়েছিল। নৈহাটির গৌরিপুর চটকলে সিপিএম - আইএনটিউসির সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যু হয়। সেদিনই বর্ধমানে সাঁই বাড়ির ঘটনা হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে একদিনে চৌত্রিশ জনের মৃত্যু হয়। কংগ্রেস বনাম বামপন্থীদের রাজনৈতিক সংঘর্ষে সেখান থেকেই ক্রমশ জটিল আকার নেয়। এই হিংসার আবহে নতুন মাত্রা যোগ করে নকশালপন্থিরা।তবে গ্রাম বাংলায় বামপন্থীরা কংগ্রেসী আধিপত্যের বেদী ইউনিয়ন বোর্ডে ধাক্কা দিতে শুরু করে। কংগ্রেস সমর্থক জোতদার, জমিদার ও গ্রামীন ব্যাবসায়ী দের আধিপত্যে ভিত ও বামপন্থীদের নেতৃত্বে আন্দোলনে কাঁপতে শুরু করে। এই উত্তাল সময় বিস্তৃত আলোচনা সংক্ষিপ্ত পরিসরে সম্ভব নয়। তাই চলে আসি ১৯৭৭ সালে। সেই বছর জুন মাসে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে। ভাগ চাষীদের উচ্ছেদ রুখতে ও ফসলের ন্যায্য ভাগ দিতে সরকার শুরু করে অপারেশন বর্গা। শুরু হয় হাজার হাজার একর বেনামী জমি উদ্ধার করে ভূমিহীন চাষীদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া। ১৯৭৩ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সরকার পঞ্চায়েত আইন করলেও তারা পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে পারেনি। ১৯৭৮ সালের ৪ঠা জুন বামফ্রন্ট সরকার প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচন করে। পঞ্চায়েত ভোটের পরে গ্রাম বাংলার গরীব ও প্রান্তিক মানুষের যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষমতায়নের পর্ব শুরু হয় তা সারা দেশে আগে দেখা যায় নি। এর দুই তিন দশক পরে গ্রাম বাংলায় কম্যুনিস্ট পার্টি হয়ে ওঠে দাতা, আর সাধারণ মানুষ হয় গ্রহীতা। সেদিন থেকেই রাজ্যের মানুষের সিটিজেন থেকে বেনিফিসিয়ারী তে পরিণত হওয়া শুরু। একটি দলের রাজনৈতিক আধিপত্য সর্বগামী হওয়ায় কোথাও কোথাও মানুষের স্বাধীন পছন্দের উপরে নির্ভরতা কমে পেশীবলে ক্ষমতা দখলের পর্ব শুরু হয়। এর ফলে শুধু বিরোধী দল নয় বামফ্রন্টের শরিক দলের সঙ্গে ও সিপিআইএম এর রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। এরই মাঝে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক বরাদ্দ বিপুল হারে বাড়তে থাকা ক্ষমতা ব্যবহার করে পঞ্চায়েত দখলে রাখা দস্তুর হয়ে পড়ে।সাতের দশক থেকে রাজ্যের যুবশক্তি ব্যবহারেও পরিবর্তন আসে। বামপন্থী ছাত্র যুব দলের মোকাবিলায় রাজ্যের নব কংগ্রেস যুব কংগ্রেস ও ছাত্রপরিষদের ছাতার তলায় যুবকদের সংঘটিত করে। এই যুবশক্তি কে আর্থিক সুবিধা দিতে পথে নামে মিনিবাস। সিদ্ধার্থ সরকারের বদান্যতায় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের ঋনে মিনিবাসের মালিক হয় তারা। জানা যায়, সেই ঋনের প্রায় নব্বই শতাংশই ফেরত পায়নি ব্যাঙ্ক। এর পরে বামফ্রন্টের আমলে বাম দলের ছাতার তলায় থাকা বেকার, অল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত যুবকের সংখ্যা পথে নামে অটো রিক্সা ও টোটো। বর্তমানে তৃনমূলের আমলে এই সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বাড়ায় সেই জায়গা নিয়েছে অবৈধ বালি খাদান, পাথর খাদান, কয়লা খাদান ও সিন্ডিকেট ব্যবসা। এরই পাশাপাশি বেড়ে উঠেছে বামফ্রন্ট আমলে সৃষ্টি হওয়া প্রোমোটার রাজ। যার অবসম্ভাবী ফল রাজনীতিতে পেশীশক্তি ব্যাবহারের প্রথমাবস্থা পার করে পর্বতের আকার নেওয়া।এখন এই রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখতে এবং এই সব সুবিধা পাইয়ে দিতে গ্রাম বাংলায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত জোরালো হাতিয়ার। তাই রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে আদর্শ নয় ক্ষমতা ধরে রাখাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্ম দিয়ে চলেছে। এর শেষ কোথায়, কী ভাবে হবে সেই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে ভবিষ্যতের গর্ভে। তবে রাজনীতি তো সমাজ নিরপেক্ষ নয়। আমরা যারা সমাজে বাস করি, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নই তারাও এর দায় এড়াতে পারি না। আমাদের এড়িয়ে চলার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ক্ষমতার দর্শনের মান্যতা। আমরা মুখে বলি ভারতবর্ষ শান্তির পথ যাত্রী আমরা বুদ্ধদেব, মহাবীর, শিবের পূজারী। অথচ এই উচ্চারনে বিপরীত মেরুতে আমাদের অবস্থান।প্রাক্তন রাজ্যপাল ও প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গান্ধী সম্প্রতি এক দৈনিক ইংরেজি সংবাদপত্রে তাঁর লেখা আমাদের দ্বিচারিতার ছবিটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, রোজ সকালে যে পার্কে তিনি হাঁটতে যান সেখানে অনেক দুর্লভ প্রজাতির গাছ রয়েছে। তার পাশাপাশি রয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারে থাকা বিভিন্ন ক্ষেপনাস্ত্র, বিবিধ ট্যাঙ্ক ও অস্ত্রের রেপ্লিকা। সেখানে তিনি দেখেন অনেক বাবা-মায়েরা ছেলেমেয়েদের নিয়ে ওই পার্কে আসেন। পার্কে এসে তাঁরা সন্তানদের সেই সব রেপ্লিকার সামনে দাঁড় করিয়ে গর্বিত মুখে ছবি তোলেন। অনেকে সেলফি ও তোলেন। কিন্তু কেউই পার্কে থাকা দূর্লভ বনানীকুলের কাছে ছেলেমেয়েদের নিয়ে গিয়ে পরিচয় করান না। মহাত্মা গান্ধীর বংশধরের এই অনুভব কি আমাদের কিছু শিখতে বলে? আমরা কি তাঁর সেই অনুভবের সামনে মনের দরজা খুলে দাঁড়াবো?

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে আম আদমি পার্টির পোস্টার, শহরজুড়ে আলোড়ন

দিল্লিতে ক্ষমতাসীন ছিল আম আদমি পার্টি তথা আপ। দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন হয়েছে আপ। বেশ কিছুকাল থেকেই আপ এর পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হচ্ছিল সদস্য হওয়ার জন্য। শহর বর্ধমান রাজনৈতিক সচেতন বলে সকলের ধারণা। সদ্য পৌরসভা নির্বাচনে ৩৫টি ওয়ার্ডেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এরপর শহরের বিভিন্ন জায়গায় আপের পোস্টার পড়লো। তাতে যোগাযোগের জন্য ফোন নাম্বার সহ আপের সুপ্রিমো কেজরিওয়ালের ছবিও রয়েছে। নতুন করে এই পোস্টর রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ছড়িয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র আছে। যেকোনও রাজনৈতিক দল পোস্টার লাগাতে পারে। এতে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রে কোনও প্রভাব দেখা দেবে না। এখন দেখার আম আদমি পার্টি বা আপ আগামী দিনে শহরে কতটা প্রভাব ফেলে। উল্লেখ্য, মালদা শহরে আপের সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
রাজনীতি

প্রথম দফার ভোটে প্রার্থীদের তালিকায় আধিক্য কোটিপতি ও লাখপতিদের

হাতে মাত্র আর একটা দিন, তারপরই শুরু হয়ে যাবে একুশের হাইভোল্টেজ নির্বাচনী লড়াই। আগামী ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ জঙ্গলমহলের মোট ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় ভাগ্য পরীক্ষায় নামছেন নানা দলের মোট ১৯১ জন প্রার্থী। এইসব প্রার্থীদের আর্থিক দশা কেমন, কোন দলের প্রার্থীরা কতটা ধনী, কারাই বা আর্থিকভাবে দুর্বল। ভোটপ্রার্থীদের সম্পত্তির খতিয়ান সর্বদাই মুখরোচক বিষয় আম জনতার জন্য। রাজনৈতিক দলের নেতারা হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব জানতে চান অনেকেই। এতে কোনও ভুল নেই। দেখা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে নিজেদের ভার্গ নির্ধারণ করতে নামা এইসব প্রার্থীদের তালিকায় কোটিপতির ছড়াছড়ি। এ মধ্যে কিছু লাখপতিও রয়েছেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক ঠিক কতজন প্রার্থী কোটিপতি ও লাখপতি। তালিকায় কোটিপতিদের ছড়াছড়িসম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি থেকে তার বেশি, প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় এমন সাত জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। যা মোট প্রার্থীর ৪ শতাংশ। এর পরের ধাপে ৫০ রয়েছেন তাঁরা যাদের সম্পত্তির পরিমাণ ৫০ লক্ষ থেকে ২ কোটি। প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৪০ জন। যা মোট প্রার্থীদের ২১ শতাংশ।লাখপতিদের আধিক্যই বেশিকোটিপতিদের থেকে নজর ঘোরালে দেখা যাবে, এই তালিকায় লাখপতিদের সংখ্যাই সর্বাধিক। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ, প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৬৯ জন। যা মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশ।অন্যদিকে, আর্থিকভাবে তুলনায় কম ধনীর তালিকায় রয়েছে ৭৫ জন প্রার্থী। এদের সকলের স্থাবর এ অস্থাবর সম্পত্তির মিলিত পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকার কম। মোট প্রার্থীদের মধ্যে এদের হার ৩৯ শতাংশ।

মার্চ ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! অনুপ্রবেশ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ভূমি দখল, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের মতো অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই সরকার এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবে।বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কলেজ স্ট্রিট এবং নৈহাটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে একই ধরনের কর্মসূচি করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বন্দে মাতরম শুধু একটি গান নয়, এর মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয় চেতনার গভীর বার্তা রয়েছে। সেই মূল্যবোধ সমাজে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দে মাতরমকে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই এখন নিয়ম মেনে গান গাইছেন। সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই গান গাইবেন বলেই তাঁর আশা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গিরকে দড়ি বেঁধে ঘোরানো নিয়ে বড় প্রশ্ন! মানবাধিকার ইস্যুতে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে এবং অস্বাভাবিক পোশাকে প্রকাশ্যে ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী সারিকা বিবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত চললেও কোনও অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করা যাবে না, যা তাঁর মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই।প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। পরে ভোটের আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তিনি প্রকাশ্যে আর দেখা না গেলেও পরে বাংলা-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী।গ্রেপ্তারের পর ফলতার সহরারহাট এলাকায় জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে এবং সাধারণ পোশাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ প্রথমে তাঁকে চিনতে না পারলেও পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়।এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী। মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া চলবে ঠিকই, তবে কোনও অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে অধীর, বড় অভিযোগে চাঞ্চল্য

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার নামে রাজ্যে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষের নাম খামখেয়ালিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই ঘটনায় তিনি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন।আদালতে দাখিল করা আবেদনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, কোনওরকম শুনানির সুযোগ না দিয়েই সামান্য ভুলের অজুহাতে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।অধীরের আরও দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর আপিলের শুনানির গতি আরও কমে গিয়েছে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন অল্প সংখ্যক মামলার শুনানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা সব মামলার নিষ্পত্তি হতে আরও চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ফলে বহু দরিদ্র মানুষ সরকারি প্রকল্প এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত অতিরিক্ত আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।অধীর রঞ্জন চৌধুরী আদালতের কাছে আরও আবেদন করেছেন, মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো জেলায় ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হোক। পাশাপাশি মামলার চাপ কমাতে পর্যাপ্ত কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মামলার তালিকা এবং রায় সহজে দেখার জন্য একটি স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আবেদনও করা হয়েছে।একইসঙ্গে আদালতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নাগরিকের সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা! আদালতে নিয়ে যেতেই যা করল জনতা, তোলপাড় ক্যানিং

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন ক্যানিংয়ের এক তৃণমূল নেতা। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাঁকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটল, তা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে থানার বাইরে আনা মাত্রই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ তাঁকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকটি ডিম তাঁর মাথাতেও লাগে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায় এবং মারধরের মতো নানা অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও ওঠে। এছাড়া একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের একাংশ।স্থানীয়দের দাবি, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশও। ধৃতকে থানার বাইরে আনার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, অস্ত্র মামলার তদন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal