• ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Political Party

রাজ্য

বুধে' ই 'নব তৃণমূল'-র আত্মপ্রকাশ? বিধানসভায় বিরোধী কারা? জল্পনায় উত্তাল বঙ্গরাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সদ্য বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি নতুন রাজনৈতিক গোষ্ঠী আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বলে জল্পনা তুঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বুধবারই বিধানসভায় সংখ্যার জোর দেখিয়ে নতুন শিবিরের অস্তিত্বের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হতে পারে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নানা খবর সামনে এসেছে। একাধিক বিধায়ক ও নেতা দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেই আবহেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামকে কেন্দ্র করে নতুন সমীকরণের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।মঙ্গলবার বিধানসভা চত্বরে ঋতব্রতের উপস্থিতি ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়ায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি ছিল, প্রায় ৫০ জনেরও বেশি বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনপত্র তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে পারেন। যদিও দিনভর সেই জল্পনার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত স্পষ্টভাবে জানান, তিনি ব্যক্তিগত কাজেই বিধানসভায় এসেছিলেন এবং কোনও চিঠি জমা দেওয়ার বিষয়ে তাঁর জানা নেই।শুধু তাই নয়, তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে গোপন বৈঠকের যে খবর ছড়িয়েছিল, সেটিও তিনি অস্বীকার করেন। তবে তাঁর বক্তব্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। বরং তিনি বলেন, আমি আজকে বিশ্বাস করি। আগামীকাল কী হবে, তা এখনই বলতে পারব না। এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনার খোরাক জুগিয়েছে।সূত্রের দাবি, বুধবার পরিস্থিতি অন্য মোড় নিতে পারে। খবর অনুযায়ী, ৫৩ থেকে ৫৪ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে একটি পৃথক পরিষদীয় গোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে বিধানসভায় একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দেওয়া হতে পারে। যদি এমনটা ঘটে, তবে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।তবে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রশ্নও উঠে আসছে। কেবলমাত্র উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন থাকলেই কি কোনও গোষ্ঠী নিজেকে মূল দলের উত্তরাধিকারী হিসেবে দাবি করতে পারে? দলীয় প্রতীক, সংগঠনের সম্পত্তি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিষয়টি এতটা সরল নয় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দলের প্রকৃত উত্তরাধিকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিধায়কদের সংখ্যা নয়, দলের সাংগঠনিক কাঠামো, নেতৃত্বের সমর্থন এবং অন্যান্য একাধিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। ফলে কয়েক ডজন বিধায়কের সমর্থন পাওয়া গেলেও দলীয় প্রতীক বা সংগঠনের মালিকানা নিয়ে আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।এদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বুধবার যদি সত্যিই কোনও নতুন গোষ্ঠীর আত্মপ্রকাশ ঘটে, তবে তা শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য নয়, পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন নজর বিধানসভার দিকেসেখানে সংখ্যার অঙ্ক কতটা বাস্তব এবং কতটা রাজনৈতিক জল্পনা, তার উত্তর মিলতে পারে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই।বঙ্গ রাজনীতির চলমান অস্থিরতার আবহে নতুন তৃণমূল ঘিরে এই জল্পনা এখন রাজ্যের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক বিষয়। বুধবারের ঘটনাপ্রবাহই নির্ধারণ করবে এই আলোচনা শুধুই গুঞ্জন হয়ে থাকে, নাকি তা নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার জন্ম দেয়।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়

বিশেষজ্ঞদের মতে মনিপুর মেইতি আর কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষ দুই সম্প্রদায়ের ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়। সারা দেশে যে সংখ্যাগুরুবাদের রাজনীতির প্রতিষ্ঠা হচ্ছে তারই ফল। অনেকেই এখন পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ঘটনার সঙ্গে মনিপুরের তুলনা টানছেন। আমার মতে এই তুলনা স্থান-কাল বিচারে অত্যন্ত ভুল। কয়েক দশক ধরেই এই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর উৎস খুঁজতে হলে ফিরতে হবে ছয়ের দশকের শেষ দিকে। অনেকেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার উৎস খুঁজতে গিয়ে নকশাল আন্দোলনের কথা বলেন। এই দিকচিহ্নেও অনেক ভ্রান্তি রয়েছে। এই রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসার উৎস মুখ রয়েছে ছয়ের দশকের গ্ৰাম বাংলায় অর্থ সামাজিক ও সামাজিক রাজনৈতিক পরিবেশের এক বড় পরিবর্তনের মধ্যে।১৯৪২সালে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গনদেবতা উপন্যাসে এই পরিবর্তনের ভিত্তিভূমির ছবিটি নিপুণ শৈলীতে এঁকেছিলেন। তাঁর উপন্যাসে যে জনপদের পরিচয় পাওয়া যায় সেখানে প্রকৃতি অফুরান সম্পদ নিয়ে ছড়িয়ে আছে আর সমাজকাঠামো এক কঠিন নিগড়ে বাঁধা। সেই জনপদে আদিগন্ত বিস্তৃত জমি আছে আর সে জমিতে যারা খাটে তাদের কারো সামান্য জমিও নেই। সেখানে নাপিত সারাদিন খেটেও পেট ভরার অন্ন যোগাতে পারে না। ধাইমা সম্পন্ন ঘরের সাস্থবান পুত্র-কন্যার জন্মের সহায়ক কিন্তু তার সন্তানদের শরীর অপুষ্টিতে ভরা। কামার উদয়াস্ত খাটে তবু তার পেট চালাতে মহাজনের কাছে চড়া সুদে ধার নিতে হয়। ছুতর এর অবস্থা আরওই বেহাল।এমন এক নির্মম আর্থসামাজিক ব্যাবস্থার সামনে আমাদের দাঁড় করায় তারাশঙ্করের গনদেবতা উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখকের কল্পনা থেকে জন্ম নেয়নি, আজকের টেলিভিশনের ভাষায় গ্রাউন্ড জিরোতে দাঁড়িয়ে লেখা। ছয়ের দশকের কথায় ফিরি। যুগান্তর সংবাদ পত্রে ১৯৬৩ সালে ২৭শে জুলাই থেকে ১৯৬৮ সালের ২৭শে মে পর্যন্ত প্রকাশিত হয় তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠি, সেখানে গ্ৰাম বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের যে রিপোর্টিং রয়েছে তার অনেক নামী সাংবাদিক কে লজ্জায় ফেলবে। গ্রাম বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের যে লেখচিত্র তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠিতে রয়েছে তার উপরিকাঠামোয় রাখতে হবে ১৯৬৭ সালের রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে।১৯৬৭ সালে বামপন্থীরা প্রথম ক্ষমতায় আসে। তার পেছনে ছিল ১৯৫১সাল থেকে একটার পর একটা আন্দোলনের ইতিহাস। ১৯৬৭ সালে শেষবারের মতো একসঙ্গে লোকসভা ও সমস্ত রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। ১৯৫১ সাল থেকে যে গত আন্দোলনগুলিতে রাজ্য উত্তাল হয়েছিল তার পেছনে ছিল তারাশঙ্করের উপন্যাসের গ্রাম বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের একটি বড় অংশ। এই আন্দোলনগুলো কংগ্রেস নামের মহীরুহকে ধাক্কা দিতে শুরু করেছিল। যার ফলে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে পাঁচ বছরে রাজ্যে চারবার বিধানসভা ভোট হয়।১৯৬৭ থেকে ৭২ এই চার বছরে চার বার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। যা ভারতের আর কোথাও হয়নি। ১৯৬৭ সাল থেকে রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তন শুরু হলেও তখন শাসক শাসিতের দ্বন্দ্ব ছিল পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধী রাজনীতির। এই দ্বন্দ্বে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের হিংসাত্মক সংঘর্ষের চেহারাটা প্রথম ধরা পড়ে ৭০ সালে বাংলায় হরতালের দিনে। ১৯৭০ সালের ১৭ই মার্চ বাংলায় হরতাল হয়েছিল। নৈহাটির গৌরিপুর চটকলে সিপিএম - আইএনটিউসির সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যু হয়। সেদিনই বর্ধমানে সাঁই বাড়ির ঘটনা হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে একদিনে চৌত্রিশ জনের মৃত্যু হয়। কংগ্রেস বনাম বামপন্থীদের রাজনৈতিক সংঘর্ষে সেখান থেকেই ক্রমশ জটিল আকার নেয়। এই হিংসার আবহে নতুন মাত্রা যোগ করে নকশালপন্থিরা।তবে গ্রাম বাংলায় বামপন্থীরা কংগ্রেসী আধিপত্যের বেদী ইউনিয়ন বোর্ডে ধাক্কা দিতে শুরু করে। কংগ্রেস সমর্থক জোতদার, জমিদার ও গ্রামীন ব্যাবসায়ী দের আধিপত্যে ভিত ও বামপন্থীদের নেতৃত্বে আন্দোলনে কাঁপতে শুরু করে। এই উত্তাল সময় বিস্তৃত আলোচনা সংক্ষিপ্ত পরিসরে সম্ভব নয়। তাই চলে আসি ১৯৭৭ সালে। সেই বছর জুন মাসে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে। ভাগ চাষীদের উচ্ছেদ রুখতে ও ফসলের ন্যায্য ভাগ দিতে সরকার শুরু করে অপারেশন বর্গা। শুরু হয় হাজার হাজার একর বেনামী জমি উদ্ধার করে ভূমিহীন চাষীদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া। ১৯৭৩ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সরকার পঞ্চায়েত আইন করলেও তারা পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে পারেনি। ১৯৭৮ সালের ৪ঠা জুন বামফ্রন্ট সরকার প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচন করে। পঞ্চায়েত ভোটের পরে গ্রাম বাংলার গরীব ও প্রান্তিক মানুষের যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষমতায়নের পর্ব শুরু হয় তা সারা দেশে আগে দেখা যায় নি। এর দুই তিন দশক পরে গ্রাম বাংলায় কম্যুনিস্ট পার্টি হয়ে ওঠে দাতা, আর সাধারণ মানুষ হয় গ্রহীতা। সেদিন থেকেই রাজ্যের মানুষের সিটিজেন থেকে বেনিফিসিয়ারী তে পরিণত হওয়া শুরু। একটি দলের রাজনৈতিক আধিপত্য সর্বগামী হওয়ায় কোথাও কোথাও মানুষের স্বাধীন পছন্দের উপরে নির্ভরতা কমে পেশীবলে ক্ষমতা দখলের পর্ব শুরু হয়। এর ফলে শুধু বিরোধী দল নয় বামফ্রন্টের শরিক দলের সঙ্গে ও সিপিআইএম এর রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। এরই মাঝে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক বরাদ্দ বিপুল হারে বাড়তে থাকা ক্ষমতা ব্যবহার করে পঞ্চায়েত দখলে রাখা দস্তুর হয়ে পড়ে।সাতের দশক থেকে রাজ্যের যুবশক্তি ব্যবহারেও পরিবর্তন আসে। বামপন্থী ছাত্র যুব দলের মোকাবিলায় রাজ্যের নব কংগ্রেস যুব কংগ্রেস ও ছাত্রপরিষদের ছাতার তলায় যুবকদের সংঘটিত করে। এই যুবশক্তি কে আর্থিক সুবিধা দিতে পথে নামে মিনিবাস। সিদ্ধার্থ সরকারের বদান্যতায় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের ঋনে মিনিবাসের মালিক হয় তারা। জানা যায়, সেই ঋনের প্রায় নব্বই শতাংশই ফেরত পায়নি ব্যাঙ্ক। এর পরে বামফ্রন্টের আমলে বাম দলের ছাতার তলায় থাকা বেকার, অল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত যুবকের সংখ্যা পথে নামে অটো রিক্সা ও টোটো। বর্তমানে তৃনমূলের আমলে এই সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বাড়ায় সেই জায়গা নিয়েছে অবৈধ বালি খাদান, পাথর খাদান, কয়লা খাদান ও সিন্ডিকেট ব্যবসা। এরই পাশাপাশি বেড়ে উঠেছে বামফ্রন্ট আমলে সৃষ্টি হওয়া প্রোমোটার রাজ। যার অবসম্ভাবী ফল রাজনীতিতে পেশীশক্তি ব্যাবহারের প্রথমাবস্থা পার করে পর্বতের আকার নেওয়া।এখন এই রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখতে এবং এই সব সুবিধা পাইয়ে দিতে গ্রাম বাংলায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত জোরালো হাতিয়ার। তাই রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে আদর্শ নয় ক্ষমতা ধরে রাখাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্ম দিয়ে চলেছে। এর শেষ কোথায়, কী ভাবে হবে সেই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে ভবিষ্যতের গর্ভে। তবে রাজনীতি তো সমাজ নিরপেক্ষ নয়। আমরা যারা সমাজে বাস করি, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নই তারাও এর দায় এড়াতে পারি না। আমাদের এড়িয়ে চলার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ক্ষমতার দর্শনের মান্যতা। আমরা মুখে বলি ভারতবর্ষ শান্তির পথ যাত্রী আমরা বুদ্ধদেব, মহাবীর, শিবের পূজারী। অথচ এই উচ্চারনে বিপরীত মেরুতে আমাদের অবস্থান।প্রাক্তন রাজ্যপাল ও প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গান্ধী সম্প্রতি এক দৈনিক ইংরেজি সংবাদপত্রে তাঁর লেখা আমাদের দ্বিচারিতার ছবিটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, রোজ সকালে যে পার্কে তিনি হাঁটতে যান সেখানে অনেক দুর্লভ প্রজাতির গাছ রয়েছে। তার পাশাপাশি রয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারে থাকা বিভিন্ন ক্ষেপনাস্ত্র, বিবিধ ট্যাঙ্ক ও অস্ত্রের রেপ্লিকা। সেখানে তিনি দেখেন অনেক বাবা-মায়েরা ছেলেমেয়েদের নিয়ে ওই পার্কে আসেন। পার্কে এসে তাঁরা সন্তানদের সেই সব রেপ্লিকার সামনে দাঁড় করিয়ে গর্বিত মুখে ছবি তোলেন। অনেকে সেলফি ও তোলেন। কিন্তু কেউই পার্কে থাকা দূর্লভ বনানীকুলের কাছে ছেলেমেয়েদের নিয়ে গিয়ে পরিচয় করান না। মহাত্মা গান্ধীর বংশধরের এই অনুভব কি আমাদের কিছু শিখতে বলে? আমরা কি তাঁর সেই অনুভবের সামনে মনের দরজা খুলে দাঁড়াবো?

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে আম আদমি পার্টির পোস্টার, শহরজুড়ে আলোড়ন

দিল্লিতে ক্ষমতাসীন ছিল আম আদমি পার্টি তথা আপ। দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন হয়েছে আপ। বেশ কিছুকাল থেকেই আপ এর পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হচ্ছিল সদস্য হওয়ার জন্য। শহর বর্ধমান রাজনৈতিক সচেতন বলে সকলের ধারণা। সদ্য পৌরসভা নির্বাচনে ৩৫টি ওয়ার্ডেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এরপর শহরের বিভিন্ন জায়গায় আপের পোস্টার পড়লো। তাতে যোগাযোগের জন্য ফোন নাম্বার সহ আপের সুপ্রিমো কেজরিওয়ালের ছবিও রয়েছে। নতুন করে এই পোস্টর রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ছড়িয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র আছে। যেকোনও রাজনৈতিক দল পোস্টার লাগাতে পারে। এতে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রে কোনও প্রভাব দেখা দেবে না। এখন দেখার আম আদমি পার্টি বা আপ আগামী দিনে শহরে কতটা প্রভাব ফেলে। উল্লেখ্য, মালদা শহরে আপের সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
রাজনীতি

প্রথম দফার ভোটে প্রার্থীদের তালিকায় আধিক্য কোটিপতি ও লাখপতিদের

হাতে মাত্র আর একটা দিন, তারপরই শুরু হয়ে যাবে একুশের হাইভোল্টেজ নির্বাচনী লড়াই। আগামী ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ জঙ্গলমহলের মোট ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় ভাগ্য পরীক্ষায় নামছেন নানা দলের মোট ১৯১ জন প্রার্থী। এইসব প্রার্থীদের আর্থিক দশা কেমন, কোন দলের প্রার্থীরা কতটা ধনী, কারাই বা আর্থিকভাবে দুর্বল। ভোটপ্রার্থীদের সম্পত্তির খতিয়ান সর্বদাই মুখরোচক বিষয় আম জনতার জন্য। রাজনৈতিক দলের নেতারা হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব জানতে চান অনেকেই। এতে কোনও ভুল নেই। দেখা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে নিজেদের ভার্গ নির্ধারণ করতে নামা এইসব প্রার্থীদের তালিকায় কোটিপতির ছড়াছড়ি। এ মধ্যে কিছু লাখপতিও রয়েছেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক ঠিক কতজন প্রার্থী কোটিপতি ও লাখপতি। তালিকায় কোটিপতিদের ছড়াছড়িসম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি থেকে তার বেশি, প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় এমন সাত জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। যা মোট প্রার্থীর ৪ শতাংশ। এর পরের ধাপে ৫০ রয়েছেন তাঁরা যাদের সম্পত্তির পরিমাণ ৫০ লক্ষ থেকে ২ কোটি। প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৪০ জন। যা মোট প্রার্থীদের ২১ শতাংশ।লাখপতিদের আধিক্যই বেশিকোটিপতিদের থেকে নজর ঘোরালে দেখা যাবে, এই তালিকায় লাখপতিদের সংখ্যাই সর্বাধিক। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ, প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৬৯ জন। যা মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশ।অন্যদিকে, আর্থিকভাবে তুলনায় কম ধনীর তালিকায় রয়েছে ৭৫ জন প্রার্থী। এদের সকলের স্থাবর এ অস্থাবর সম্পত্তির মিলিত পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকার কম। মোট প্রার্থীদের মধ্যে এদের হার ৩৯ শতাংশ।

মার্চ ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

প্লাস্টিকের ভিড়ে কাঠের রথের কদর অটুট, বর্ধমানের গোলাপবাগে কচিকাঁচাদের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কাষ্ঠশিল্পী

রথযাত্রা মানেই ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে টানার আনন্দে মেতে ওঠা ছোট-বড় সকলের উৎসব। আধুনিক সময়ে প্লাস্টিক, ফাইবার কিংবা বিভিন্ন কৃত্রিম উপকরণে তৈরি রথের ব্যবহার বেড়েছে ঠিকই, তবুও ঐতিহ্যবাহী কাঠের রথের আবেদন আজও অমলিন।রথযাত্রাকে সামনে রেখে শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রথ নির্মাণে যুক্ত শিল্পীরা। ছোটদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নানান আকারের কাঠের রথ তৈরি করতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন তাঁরা। রঙের ছোঁয়া, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জায় ব্যস্ত শিল্পীদের কর্মশালাগুলি যেন উৎসবের আগাম বার্তা বহন করছে।ঠিক তেমনই এক ছবি ধরা পড়ল পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরের গোলাপবাগ চত্বরে। একটি আবাসনের কচিকাঁচাদের জন্য ঐতিহ্যবাহী কাঠের রথ নির্মাণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত এক কাষ্ঠশিল্পী। নিষ্ঠার সঙ্গে রথের প্রতিটি অংশে শেষবারের মতো হাতের ছোঁয়া দিচ্ছেন তিনি, যাতে রথযাত্রার দিন খুদেদের আনন্দে কোনও খামতি না থাকে।স্থানীয়দের মতে, প্রযুক্তি ও আধুনিকতার যুগেও কাঠের রথের প্রতি মানুষের ভালোবাসা কমেনি। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার সংস্কৃতি ও আবেগকে বাঁচিয়ে রাখতেই অনেক আবাসন ও পরিবার এখনও কাঠের রথ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।রথযাত্রার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই গোলাপবাগের এই কাষ্ঠশিল্পীর কর্মব্যস্ততা যেন বাংলার চিরন্তন ঐতিহ্য, শিল্পকলা এবং উৎসবের আবহকেই নতুন করে তুলে ধরছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
দেশ

ইরানের বড় পদক্ষেপে কাঁপছে বিশ্ব! পেট্রোল-ডিজেল থেকে গ্যাস, কী অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য?

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ফের উত্তেজনা বাড়তেই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে । এর জেরে ভারতে পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দামে প্রভাব পড়তে পারে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।রবিবার ইরান ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হবে। অন্যদিকে আমেরিকার দাবি, প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে। তবে দুই দেশের সংঘাতের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।ভারতের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের প্রয়োজনীয় তেলের বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এবং গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়েই বিভিন্ন দেশে পৌঁছায়। তবে আপাতত ভারতীয় শোধনাগারগুলিতে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত নতুন সংঘাতের প্রভাব তেল আমদানিতে বড়ভাবে পড়েনি।বর্তমানে ভারত শুধু একটি দেশের উপর নির্ভর করে না। রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেল আসে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ভেনেজুয়েলা থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল আমদানি করা হয়। ফলে বিকল্প উৎস থাকায় আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।গত জুন মাসে ভারত প্রতিদিন প্রায় চার দশমিক তিরানব্বই মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। এর মধ্যে রাশিয়া থেকেই এসেছে সবচেয়ে বেশি, প্রতিদিন প্রায় দুই দশমিক সাত মিলিয়ন ব্যারেল।তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রান্নার গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে। আগেরবার ইরান-আমেরিকা সংঘাতের সময় দেশে গ্যাসের সরবরাহে চাপ পড়েছিল। অনেক মানুষ আতঙ্কে অতিরিক্ত গ্যাসের সিলিন্ডার বুক করেছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে সরবরাহের নিয়ম কঠোর করতে হয়েছিল। এবারও যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়ে বা সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে বড় বাধা তৈরি হয়, তাহলে গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যরাতে আনন্দের আসর মুহূর্তে মৃত্যুকূপ! পানশালার আগুনে মৃত অন্তত ২৭, আতঙ্কে বিশ্ব

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কেঁপে উঠল থাইল্যান্ডের রাজধানী। ব্যাঙ্ককের একটি জনপ্রিয় পানশালায় মধ্যরাতে আগুন লেগে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।রবিবার গভীর রাতে উত্তর ব্যাঙ্ককের একটি পানশালায় প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। সেই সময় হঠাৎ আগুন লাগে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো পানশালায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারদিক। আতঙ্কে সবাই বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও অনেকেই আগুনের মধ্যে আটকে পড়েন। আগুন প্রবেশপথ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় বহু মানুষের বেরোনোর পথ বন্ধ হয়ে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় আধ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ব্যাঙ্ককের গভর্নর এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২২ জনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। পানশালার পিছনের অংশ থেকেও একাধিক দেহ উদ্ধার হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে মঞ্চের কাছে একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। এরপরই বিস্ফোরণ হয় এবং কয়েক মুহূর্তের মধ্যে পুরো পানশালা আগুনে গ্রাস হয়ে যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

জুলাই ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দলবল নিয়েই বেরিয়েছিলেন, ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে! দমদমে কুখ্যাত দুষ্কৃতীর খুনে তোলপাড়

দমদমে খুন হল কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্ত। সোমবার ভোরে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধারে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গ্যাং দ্বন্দ্বের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দমদম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দমদম পৌরসভার খলিসাকোটা এলাকায় ভোরের দিকে রাজা দত্ত তাঁর দুই সঙ্গীকে নিয়ে বাইকে করে পৌঁছেছিলেন। সেখানে কয়েকজনের সঙ্গে বচসা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সময় রাজা দত্তের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে তাঁকেই গুলি করে খুন করা হয়। তবে ঠিক কী কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।রাজা দত্তকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুই সহযোগী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা না হলেও পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার আগের দিন এলাকায় একটি রাজনৈতিক কার্যালয়ে বচসা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে এই খুনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে দাবি, রাজা দত্তের বিরুদ্ধে একাধিক খুন-সহ নানা অপরাধমূলক মামলার অভিযোগ ছিল। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কুখ্যাত দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর খুনের ঘটনায় নতুন করে অপরাধচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

আট দিন পর ট্রলার মিলতেই শিউরে ওঠার দৃশ্য! একসঙ্গে মিলল ৯ মৎস্যজীবীর দেহ, এখনও নিখোঁজ অনেকে

বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার হল ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ। পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর বন্দর থেকে ২ জুলাই মাছ ধরতে বেরিয়েছিল মা কালী নামে ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। দীর্ঘ আট দিন ধরে তল্লাশির পর বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছে ট্রলারটির খোঁজ মেলে।রবিবার দুপুরে পুলিশ, বন দপ্তর এবং ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটিকে সীতারামপুরে নিয়ে এসে রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ট্রলারের ভিতর থেকে একে একে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, ট্রলারটিতে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। এখনও ৬ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের সন্ধানে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান, খারাপ আবহাওয়া বা সমুদ্রের দুর্যোগের জেরে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। খবর পেয়ে ট্রলারের মালিকপক্ষ এবং মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। একাধিক ট্রলারের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে উপকূলে আনা হয়।ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুন্দরবন উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থলে এসেছেন। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। তাঁর কথায়, এখনও ট্রলারের ভিতরে আরও কয়েকজন মৎস্যজীবীর দেহ আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘খেলা হবে’ দিবস বাতিল! ষোলো অগস্টে শুভেন্দু সরকারের বড় ঘোষণা, বদলে কী পালিত হবে জানেন?

দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূলের অন্যতম জনপ্রিয় স্লোগান ছিল খেলা হবে। পরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষোলো অগস্ট দিনটিকে খেলা হবে দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই সিদ্ধান্তে বড় পরিবর্তন আনল রাজ্যের নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে ষোলো অগস্ট আর খেলা হবে দিবস হিসেবে পালন করা হবে না। তার বদলে দিনটি পালিত হবে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে।রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় দলীয় নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ষোলো অগস্ট বিজেপি সরকারের একশো দিন পূর্ণ হওয়ার দিন। একই সঙ্গে এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উনিশশো ছেচল্লিশ সালের ষোলো অগস্ট দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর ঘটনা ঘটেছিল। সেই কারণেই এই দিনকে নতুনভাবে স্মরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, অতীতে এই দিনে খেলা হবে দিবস পালন করা হলেও বর্তমান সরকার এটিকে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে পালন করবে।আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়েও এদিন আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সত্তর বছরের বেশি বয়সিদের পাশাপাশি যোগ্য উপভোক্তারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁদের জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু থাকবে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক উপভোক্তার কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা যোগ্য, তাঁদের সবাইকে ধাপে ধাপে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। তবে অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে ষোলো অগস্ট খেলা হবে দিবস হিসেবে পালিত হত। সরকার পরিবর্তনের পর একাধিক পুরনো সিদ্ধান্তে বদল আনা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ষোলো অগস্ট পালন নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত।

জুলাই ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বাবার পর এবার ছেলে! গভীর রাতে হোটেল থেকে গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়কের পুত্র, বাড়ল চাপ

দীর্ঘদিন গা ঢাকা দেওয়ার পর সম্প্রতি প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হল নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে । চলতি বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পানিহাটি কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন, যদিও ভোটে পরাজিত হন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক ড্রাইভারের লটারির টাকা বন্দুক দেখিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে । অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তাঁকে খড়দহ থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, লটারির টাকা কীভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছিল, এই ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল এবং ওই টাকা কোথায় গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোট-পরবর্তী হিংসার একাধিক অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে । আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে।এদিকে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধেও একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তোলাবাজি, জমি দখল, ভয় দেখানো এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই তিনি কার্যত লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। যদিও সম্প্রতি তিনি দাবি করেন, তিনি আত্মগোপনে ছিলেন না এবং তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পানিহাটির নির্মল ঘোষকে তারা আমন্ত্রণ জানায়নি। পশ্চিম মেদিনীপুরের আর এক নির্মল ঘোষকে ডাকা হয়েছিল।এই নামের বিভ্রান্তি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যখন জোর চর্চা চলছে, তখনই প্রাক্তন বিধায়কের ছেলের গ্রেফতার নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। এখন নজর নির্মল ঘোষের দিকে। তদন্তে নতুন তথ্য মিললে তাঁর বিরুদ্ধেও আরও বড় পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

সূর্যপুরে অশান্তির নেপথ্যে কে? সিপিএম নেতাকে গ্রেফতার করতেই তুঙ্গে রাজনৈতিক ঝড়

সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। সিপিএম নেতা তথা ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী লাহেক আলিকে রবিবার তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন এবং অশান্তি ছড়াতে ভূমিকা নিয়েছিলেন। এই গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভের মধ্যে সূর্যপুরে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর লাহেক আলি-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় যেমন দোষীরা শাস্তি পাবেন, তেমনই অশান্তি ছড়ানো বা প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাউকেই ছাড়া হবে না।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তা অবরোধ, ভাঙচুর, পুলিশকর্মীদের উপর হামলা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগে লাহেক আলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি পুলিশের। তাঁকে নরেন্দ্রপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং আদালতে তোলা হবে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সিপিএমের অভিযোগ, ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাঁদের নেতাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। দলের নেতাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই পদক্ষেপ করেছে সরকার। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আইন নিজের পথে চলবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবেই বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা।সূর্যপুর অশান্তির তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এলে আরও পদক্ষেপ করা হতে পারে।

জুলাই ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal