• ২৭ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mayureswar

রাজ্য

চোখের সামনে 'ভোটলুঠ', নিরাপত্তার অভাব, আর কখনও ভোটের কাজে নয়, শপথ প্রিসাডিংয়ের

ভোট গ্রহণের প্রথম তিক্ত অভিজ্ঞতায় মহিলা পরিচালিত বুথের ভোট কর্মীরা তিতিবিরক্ত। চাকরি না থাকলেও আর কখনও ভোটের কাজে অংশগ্রহণ করতে চান না তাঁরা। এদিন ঘটনার পর থেকে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। ভয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন প্রিজাইডিং অফিসার অঙ্গনা শেঠ।বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ এবার মহিলা পরিচালিত ছিল। সেখানে পাঁচজন মহিলা ভোট কর্মী ছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ছিল একজন জুনিয়ার কনস্টেবল এবং একজন সিভিক ভলন্টিয়ার। ভোট কর্মীরা জানান, বেলা ১১ টা পর্যন্ত ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। তখন প্রায় ২০০ ভোট হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই একদল দুষ্কৃতী মুখে কাপড় বেঁধে লাঠি হাতে ভিতরে ঢুকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে স্ট্যাম্প মেরে বক্সে ঢোকাতে শুরু করে। এরকম কিছুক্ষণ চলার পর আরও কিছু দুষ্কৃতী ভিতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বুথের ভিতর তাণ্ডব চালায়।অঙ্গনা শেঠ বলেন, আমাদের মহিলা পরিচালিত বুথ হলেও ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। একপ্রকার আমাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। দুষ্কৃতীরা আমাদেরও মারতে উদ্যত হয়। জুনিয়ার কনস্টেবল এবং সিভিক দুজনেই নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। বাইরে তখন ধুন্দুমার চলছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে দুটি মোটর বাইক।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহিরাগত দুষ্কৃতীরা এখানে মোটরবাইক নিয়ে ভোট লুঠ করতে এসেছিল। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষই তাদের মোটরবাইক জ্বালিয়ে দিয়েছে।ঘটনার পর থেকে মহিলা ভোট কর্মীদের চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল আতঙ্কের চাপ।। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পরেন। পুলিশকে খবর দেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ পুলিশের দেখা মেলেনি। ফলে চাকরি চলে গেলেও তাঁরা যে ভোট প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে কখনও অংশগ্রহণ করবেন না সেটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন বীরভূমের মহম্মদবাজারে, অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ সহ সভাপতিকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।মৃত বিজেপির বুথ সভাপতির নাম দিলীপ মাহারা (৪৮)। বাড়ি বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের হিংলো অঞ্চলের সারেন্ডা গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের কুলু পুকুরের কাছে চন্দ্রপুর গ্রাম যাওয়ার রাস্তার ধারে তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। তাঁর স্ত্রী ছবি হিংলো গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নম্বর আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ওই আসনে সিপিএম, তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চন্দ্রপুর গ্রামের সারদা সাহা। বিজেপির দাবি কৌশলগত কারণে তারা ছবিকে নির্দল প্রার্থী করেছে।এদিকে ঘটনার পর থেকে চন্দ্রপুর-সারেন্ডা রাস্তার উপর মৃতদেহ রেখে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা সাংগঠনিক সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ দলের জেলা নেতারা। দাবি ওঠে, পুলিশ কুকুর এনে ঘটনার তদন্ত করতে হবে। বিজেপির দাবি মেনে বিকেলের দিকে পুলিশ কুকুর এলে অবস্থান বিক্ষোভ উঠে যায়। ধ্রুব সাহা বলেন, খুব কাছ থেকে মাথার পিছনে গুলি করা হয়েছে দিলীপ মাহারাকে। গুলির খোল পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়রা এরকম ঘটনা ঘটিয়ে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করে পাঁচ বছরের জন্য চুরির লাইসেন্স পেতে চাইছে। পুলিশের পক্ষপাতিত্ব করছে। তাই এই খুনের ঘটনা ঘটল। আমরা মহম্মদবাজার থানার ওসিকে ক্লোজ করার জন্য সাত দিন আগে পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। জেলা রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আমরা প্রশাসনকে বলেছিলাম এই ওসি থানায় থাকলে নিরপেক্ষ ভোট হবে না। তাই আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি। আমরা দাবি করছি ওসির বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত করতে হবে।ছবি মাহারা বলেন, বুধবার বিকেলে ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এদিন সকালে মৃত্যুর খবর পাই। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বামীকে খুন করেছে। একই বক্তব্য তাঁর ছেলে উৎপল মাহারার। তিনি বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দিতে শুরু করে। মনোয়ন তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল। কিন্তু মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় বাবাকে হারাতে হল। আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি।সারেন্ডা গ্রামের বিজেপি প্রার্থী পরিতোষ পাল বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকে তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি বাড়ি হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই কারণে আমরা সব আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছিলাম। একজন তুলে নিলে আরেকজন থেকে যাবে এই ভেবে। সেই ভেবেই ছবিকে প্রার্থীকে করা হয়েছিল। কিন্তু ভয়ে গা ঢাকা দেওয়ায় মনোনয়ন তোলার সময় আসতে পারেননি। তবে ওই পরিবার আমাদের বিজেপির সক্রিয় কর্মী। আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ কোনরকম সাহায্য করেনি। এমনকি এদিন সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুলির খোল চুপচাপ নিয়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের চাপে পরে ফের একই জায়গায় রাখতে বাধ্য হয়।এদিকে বিজেপির দাবি মেনে পুলিশ কুকুর এসে ঘটনাস্থলের পর সোজা চলে যায় পুকুর ঘাটে। সেখান থেকে দিলীপের বাড়ি হয়ে পৌঁছে যায় প্রতিবেশী প্রদীপ মাহারার বাড়িতে। পুলিশ প্রদীপ মাহারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কেউ যুক্ত নয়। ওটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য হয়েছে। জেলা পুলিস সুপার রাজ নারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত চলছে। পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

দলের দুর্নীতি ও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধানের

পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগ। দুর্নীতির অভিযোগ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন বীরভূমের দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলে দে। প্রধানের অভিযোগ, অর্থ তছরুপে বাধা দেওয়ায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও প্রধানকেই দুর্নীতিগ্রস্থ বলে অভিযোগ করেছেন দলের অন্য গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, বুধবার ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও-র কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দেন দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি দে। দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দলের চাপে পড়ে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে বলে জানান শিউলি দে। তিনি বলেন, দলের নেতারা দুর্নীতিতে যুক্ত। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত দলের অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল ও ব্লক সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক অভিজিৎ রায়। প্রতিবছর পুজোর আগে অঞ্চল সভাপতির মাধ্যমে আড়াই লক্ষ টাকা নিত ব্লক নেতৃত্ব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মোটা অঙ্কের টাকা বাড়ি প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি নিত। এমনকি রুপশ্রী ও কন্যাশ্রীর টাকাও তুলত। সমস্ত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাটমানি নিত অঞ্চল সভাপতি। আমি এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিলাম। তাতেই আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিজিৎ রায়কে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। কারণ তার কাছেও কাটমানির টাকা যেত। আমাকে অসুস্থ বলা হলেও আমি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি।প্রধানের স্বামী জয়দেব দে বলেন, সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু অঞ্চল কমিটি পঞ্চায়েত সদস্যদের কাজ করতে দিত না। নিজেরাই কাজ করত। তারা টিউবওয়েলের জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে নিম্নমানের। ফলে কোন সদস্য ওই জিনিসপত্র নিতে চাইছে না। সেগুলি পঞ্চায়েতেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই পদত্যাগ করেছেন। ব্লক সভাপতি তথা বিধায়ক অভিজিৎ রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রধানের সঙ্গে কোন সদস্যর হচ্ছিল না। তাই জেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে উনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এরপর উনি কি বললেন সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। ওনার সঙ্গে সদস্যদের হচ্ছিল না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দলকে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাংলায় বদলের ঝড় বইছে! অমিত শাহর বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বাংলায় জোরদার প্রচারে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। একের পর এক সভা ও প্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি দলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পর থেকেই প্রচারে আরও গতি এসেছে। সেই ইস্তাহারে পনেরোটি বড় সংকল্পের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ডেবরার সভা থেকেও অমিত শাহ তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দিয়েছেন। বাংলায় পরিবর্তন আনা এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ দাবি করেছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে বিপুল মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে, তা শুধুই জনসমাগম নয়, বরং বড় পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। তাঁর মতে, ভোটের শুরুতেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। আগের নির্বাচনে যেসব জেলায় দল তেমন ভালো ফল করতে পারেনি, সেখানেও এবার অভূতপূর্ব জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও, অমিত শাহ পাল্টা বলেন, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর উপর আস্থা রেখেছেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, আগে সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ভয়ে আতঙ্কে থাকত, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন তৃণমূলের কর্মীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে ভয় পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে সরাসরি বর্তমান নির্বাচনের যোগ খোঁজা ঠিক নয়।সাম্প্রতিক এক সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ বাংলায় বিজেপির বাড়তে থাকা শক্তির প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভোটের হার প্রায় একচল্লিশ শতাংশে পৌঁছয় এবং দল আঠারোটি আসন পায়। দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে সেই হার কিছুটা কমে প্রায় ঊনচল্লিশ শতাংশ হয় এবং দল বারোটি আসন পায়। দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেখানে বিজেপি মাত্র দশ শতাংশ ভোট ও তিনটি আসন পেয়েছিল, সেখানে দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনে তাদের ভোটের হার বেড়ে প্রায় আটত্রিশ শতাংশ হয় এবং আসনের সংখ্যা বেড়ে সাতাত্তরে পৌঁছয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

ফের দাপট দেখাবে গরম! দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়বে ৭ ডিগ্রি, সামনে ভয়াবহ দাবদাহ

মনোরম আবহাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ধীরে ধীরে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। উল্টে রোদের তেজ বাড়বে এবং তাপমাত্রা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কিছু জেলায় চরম দাবদাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গরম অনেকটাই বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিও। যদিও সোমবার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা গরম কমাতে খুব একটা সাহায্য করবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।উত্তরবঙ্গে অবশ্য আবহাওয়ার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাবে। শনিবার ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।কলকাতাতেও গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে। রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে আগামী কয়েক দিনে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়বে। বুধবার পর্যন্ত এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
বিদেশ

প্রণালী খুলেও বিপদ কাটেনি! নিজের পোঁতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান, আতঙ্কে জাহাজ চলাচল

যুদ্ধবিরতির ফলে আপাতত থেমেছে গোলাগুলি ও হামলা। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ কিছুটা থামলেও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে। শর্ত মেনে ইরান প্রণালী খুলে দিলেও আগের মতো জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি।এর মূল কারণ জলের নীচে পোঁতা মাইন। জানা যাচ্ছে, এই প্রণালী জুড়ে বহু জায়গায় মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হল, এখন সেই মাইন ঠিক কোথায় রয়েছে, তা নিজেরাই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না ইরান। ফলে সেগুলি সরানোও সম্ভব হচ্ছে না।এক মার্কিন আধিকারিকের দাবি, জলের নীচে থাকা মাইনগুলির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা যাচ্ছে না বলেই পুরোপুরি প্রণালী খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। এমনকি যেখানে কিছু মাইনের অবস্থান জানা রয়েছে, সেখান থেকেও সেগুলি সরানোর মতো প্রযুক্তিগত দক্ষতা ইরানের নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন যাতে দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ খুলে দেওয়া হয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি অবশ্য জানিয়েছেন, কিছু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণেই পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে সময় লাগছে। যদিও মার্কিন পক্ষের দাবি, আসল সমস্যা হল এই মাইন।বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান এই পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি সমুদ্রপথে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এই মাইন।জানা গিয়েছে, ছোট নৌকা ব্যবহার করে দ্রুততার সঙ্গে এই মাইন পোঁতা হয়েছিল। কিন্তু তাড়াহুড়োর কারণে তা সঠিকভাবে নথিবদ্ধ করা হয়নি। ফলে এখন নিজেরাই বুঝতে পারছে না কোথায় কত মাইন রয়েছে। এর মধ্যে আবার স্রোতের কারণে মাইন সরে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যা বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও জাহাজের নোঙর বা প্রপেলার যদি এই মাইনের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তাহলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড বাহিনী নিরাপদ পথের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে সেই পথের আশেপাশেও অজানা মাইন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সামান্য ভুল হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
দেশ

লোকসভা ভোটেই কি বড় বদল? মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন, চমক দিতে পারে কেন্দ্র

আগামী লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও জোরদার হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিলের সংশোধন নিয়ে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। সেই উদ্দেশ্যে আগামী ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এই অধিবেশনেই বিলটি সংসদে পেশ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম পাস হয়েছিল। এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল সংসদ এবং বিধানসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো। সেই অনুযায়ী মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে সম্পূর্ণ বিধান তৈরি হয়নি।প্রথমে ঠিক হয়েছিল, জনগণনা এবং আসন পুনর্বিন্যাসের পরই এই সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২০২৯ সালের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন থেকেই এই সংরক্ষণ চালু করা হতে পারে। ফলে আসন বিন্যাসে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এদিকে এই বিলের সংশোধন নিয়ে নিজেদের অবস্থান ঠিক করতে বিরোধী জোটের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৫ এপ্রিল বিরোধী জোটের বৈঠক ডাকতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আবহে এই বৈঠকে সব দল যোগ দেবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে তৃণমূলের অবস্থান এখনও স্পষ্ট হয়নি।অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে যে, তারা এই সংশোধনীকে সমর্থন করতে পারে। তবে জনগণনা ছাড়া আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবে আপত্তি রয়েছে তাদের। এই বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি তুলতে পারে বিরোধীরা।বিশেষ অধিবেশন ডাকার সময় নিয়েও ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধীরা। পাল্টা বিজেপি অভিযোগ তুলেছে, বিরোধীরা মহিলাদের অধিকার নিয়ে আন্তরিক নয়।সব মিলিয়ে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র। এই বিল সংসদে পাস হলে দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

বাঁকুড়ায় ভয়াবহ হামলা! প্রকাশ্য রাস্তায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত, তোলপাড় রাজনীতি

বাঁকুড়ার স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা অরিন্দম মণ্ডলের উপর প্রায় ৪০ জন দুষ্কৃতী লাঠি ও হকি স্টিক নিয়ে নৃশংস হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।শুক্রবার শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এবিটিএ-র হলঘরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের একটি বৈঠক ছিল। বৈঠক শেষ হওয়ার পর মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ ও আরও কয়েকজন স্থানীয় মাজারের কাছে বসে ছিলেন। সেই সময় আচমকাই একদল দুষ্কৃতী সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের ছাত্র নেতা সুরজ বক্সের নেতৃত্বে এই হামলা হয়। হামলাকারীরা লাঠি, বাঁশ এবং হকি স্টিক দিয়ে অরিন্দম মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর মাথা ও মুখ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর জখম হন।সহকর্মীরাই দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।ভাস্কর ঘোষের অভিযোগ, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের হাতে তৃণমূলের পতাকা বাঁধা লাঠিও ছিল। তাঁদের লক্ষ্য ছিল অরিন্দমকে প্রাণে মেরে ফেলা। এমনকি তাঁকেও আক্রমণের লক্ষ্য করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে তুমুল সংঘাত! শুভেন্দুকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তোপ দাগলেন পবিত্র কর

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আবহে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাঁরই একসময়ের সতীর্থ এবং বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।ঘটনার সূত্রপাত একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রাম থানায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়।এই ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন পবিত্র কর। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে যত মামলা রয়েছে, তার সবকিছুর পেছনেই শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং চাপে রাখতে এই সব মামলা করা হচ্ছে।পবিত্র কর কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু চাইলে সব কিছুই সম্ভব। তাঁর কথায়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করানোই যেন এক বিশেষ দক্ষতা। তিনি আরও বলেন, সব কিছু জেনেই তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন।উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আবারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের মতোই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ চলছে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবিত্র কর। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে। গুরু-শিষ্যের এই দ্বন্দ্ব এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন হঠাৎ বাতিল কেন

নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক চুক্তি থাকার জটিলতার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।অভিনব ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে দলের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। এবারের নির্বাচনে তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চমক তৈরি করেছিল। শিক্ষিত এবং স্পষ্টভাষী হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। অনেকেই মনে করেছিলেন, স্থানীয় এবং গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে তাঁকে প্রার্থী করে বিশেষ কৌশল নিয়েছিল তৃণমূল।কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রটি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিরোধী শক্তিও যথেষ্ট প্রভাবশালী। এমন পরিস্থিতিতে অভিনব ভট্টাচার্যের পরিষ্কার ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের পক্ষে বড় শক্তি হতে পারত বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তবে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতার কারণেই তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি সরকারের সঙ্গে সরাসরি ঠিকাদারি বা ব্যবসায়িক স্বার্থে যুক্ত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। সেই নিয়ম মেনেই তাঁর মনোনয়ন খারিজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal