• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IFA

রাশিফল

বিদেশ যাত্রার সুযোগ সিংহের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন?

১৮ অগ্রহায়ণ ( ৪ ডিসেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ বাড়িতে বহু আত্মীয় স্বজনের আগমন হতে পারে। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ ঠিকাদারী কাজে প্রভাবশালী ব্যক্তির সাহায্য কাজে আসবে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ কোনও বন্ধু বা পরিচিত জনের কাছ থেকে কিছু অর্থ ধার করতে হবে। মকর ঃ জীবন সাথীর সাথে দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। কুম্ভ ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাশিফল

বিদেশ যাত্রার সুযোগ সিংহের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন?

১৭ অগ্রহায়ণ ( ৩ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাশিফল

প্রেমে অপমান  বৃষের, অন্যান্য রাশির ভাগ্যে কি আছে প্রাপ্তি ?

১৬ অগ্রহায়ণ ( ২ ডিসেম্বর) বুধবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাশিফল

বকেয়া টাকা আদায় মিথুনের, অন্যান্য রাশির কি হবে মঙ্গল?

১৫ অগ্রহায়ণ ( ১ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাশিফল

ভাল কাজের জন্য প্রশংসা কুম্ভের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

১৪ অগ্রহায়ণ ( ৩০ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাশিফল

প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি কর্কটের, অন্যান্য রাশির ছুটির দিন কেমন কাটবে?

১৩ অগ্রহায়ণ ( ২৯ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাশিফল

বিপদ থেকে উদ্ধার কর্কটের, অন্যান্য রাশির কপালে কি শনি?

১২ অগ্রহায়ণ ( ২৮ নভেম্বর) শনিবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাশিফল

প্রেমে বাধা বৃশ্চিকের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১১ অগ্রহায়ণ ( ২৭ নভেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাশিফল

দাম্পত্য ক্ষেত্রে সুখ কর্কটের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১০ অগ্রহায়ণ ( ২৬ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ ব্যবসায়ীরা নতুন কোন ব্যবসায়িক আলোচনায় সফল হবেন। বৃষ ঃ আমদানি রফতানি নির্ভর ব্যবসায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। মিথুন ঃ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে কিছু লাভের আশা করা যায়। কর্কট ঃ দাম্পত্য ক্ষেত্রে আজ সুখ শান্তি ফিরে পাবেন। সিংহ ঃ কর্মস্থলে কোনও কারণে মনোমালিন্য দেখা দেবে। কন্যা ঃ শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তুলা ঃ পারিবারিক কাজে কিছুটা ব্যস্ত থাকতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ বিদেশ থেকে ভালো কোনও সংবাদ পেতে পারেন। ধনু ঃ সামাজিক কাজে অংশ নিতে পারেন। মকর ঃ প্রবাসীদের কর্মস্থলে সাফল্য লাভের যোগ প্রবল। কুম্ভ ঃ দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা। মীন ঃ বকেয়া কোনও বিল আদায় করতে পারেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাশিফল

কাজে ক্ষতি বৃশ্চিকের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৯ অগ্রহায়ণ ( ২৫ নভেম্বর) বুধবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাশিফল

ভাল কাজের জন্য প্রশংসা কুম্ভের , অন্যান্য রাশির কি হবে মঙ্গল ?

৮ অগ্রহায়ণ ( ২৪ নভেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাশিফল

উত্তেজনায় বিপদ কন্যার , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

৭ অগ্রহায়ণ ( ২৩ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাশিফল

সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা মকরের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

৬ অগ্রহায়ণ ( ২২ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাশিফল

কর্মে সাফল্য তুলার , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৫ অগ্রহায়ণ ( ২১ নভেম্বর) শনিবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাশিফল

বিয়ের যোগাযোগ  বৃষের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৪ অগ্রহায়ণ ( ২০ নভেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাশিফল

পিতার সাথে মনোমালিন্য মকরের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৩ অগ্রহায়ণ ( ১৯ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাশিফল

প্রেমে বাধা বৃশ্চিকের , অন্যান্য রাশির ভাগ্যে কি রয়েছে বুধে ?

২ অগ্রহায়ণ ( ১৮ নভেম্বর) বুধবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাশিফল

বিনিয়োগে লাভ মিথুনের , অন্যান্য রাশির কি আজ হবে মঙ্গল ?

১ অগ্রহায়ণ ( ১৭ নভেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ ব্যবসায়ীরা নতুন কোন ব্যবসায়িক আলোচনায় সফল হবেন। বৃষ ঃ আমদানি রফতানি নির্ভর ব্যবসায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। মিথুন ঃ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে কিছু লাভের আশা করা যায়। কর্কট ঃ দাম্পত্য ক্ষেত্রে আজ সুখ শান্তি ফিরে পাবেন। সিংহ ঃ কর্মস্থলে কোনও কারণে মনোমালিন্য দেখা দেবে। কন্যা ঃ শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তুলা ঃ পারিবারিক কাজে কিছুটা ব্যস্ত থাকতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ বিদেশ থেকে ভালো কোনও সংবাদ পেতে পারেন। ধনু ঃ সামাজিক কাজে অংশ নিতে পারেন। মকর ঃ প্রবাসীদের কর্মস্থলে সাফল্য লাভের যোগ প্রবল। কুম্ভ ঃ দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা। মীন ঃ বকেয়া কোনও বিল আদায় করতে পারেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাশিফল

কাজের জায়গায় সমস্যা সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

৩০ কার্তিক ( ১৬ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
রাশিফল

ব্যয় বৃদ্ধি  কুম্ভের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

২৯ কার্তিক ( ১৫ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কট ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। কন্যা ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভালো যাবে না। তুলা ঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকরঃ অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে। কুম্ভ ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে। মীন ঃ বন্ধুর সাহায্যে বকেয়া বিল আদায় করা সম্ভব হবে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভুতনির বন্যা দেখতে নদীপথে মন্ত্রীদল! বানভাসিদের জন্য কী পরিকল্পনা রাজ্যের?

মালদহের ভুতনিতে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ এলাকায় পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদল। ইতিমধ্যেই মালদহে পৌঁছেছেন একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন জেলার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলমগ্ন দুর্গম এলাকাগুলি নদীপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মন্ত্রীদের।মন্ত্রীদলের মধ্যে রয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং দমকল ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। প্রথমে মন্ত্রীরা রতুয়ায় যাবেন। সেখান থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে ভুতনিতে। দুপুরে বন্যাত্রাণ শিবিরও পরিদর্শন করবেন তাঁরা।এর পাশাপাশি ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রীরা। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, ত্রাণের ব্যবস্থা এবং মানুষের প্রয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই সফরের পর ভুতনির জলবন্দি এলাকাগুলিতে পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।ভুতনির পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও রিপোর্ট দেবেন মন্ত্রীরা। অর্থাৎ শুধু বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন নয়, বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর এলাকায় কী ভাবে কাজ শুরু করা হবে, সেই বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, মালদহে নদীভাঙন এবং বন্যা দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।এদিকে ভুতনিতে গঙ্গার জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর ১৭ সেন্টিমিটার কমেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। চলতি মরশুমে এক দিনে জলস্তর কমার ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পতন বলে দাবি করা হচ্ছে।তবে জল কমলেও এখনও স্বস্তি ফেরেনি ভুতনিতে। মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ২৫.৩৪ মিটারে নেমে এসেছে বলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যা চরম বিপদসীমার থেকে এখনও চার সেন্টিমিটার বেশি। ফলে নদীর জলস্তর কমলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি।ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। কোথাও তাকালেই চোখে পড়ছে জল। টানা বহু দিন ধরে জলবন্দি থাকার কারণে একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দুর্গম এলাকায় অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।চরম বিপদসীমার উপরে থাকা গঙ্গা পেরিয়ে দুর্গম এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। নৌকায় করে জল পেরিয়ে অসুস্থ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁদেরও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। অন্যের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই তাঁরা কাজ করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।জলস্তর কমার ফলে পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও ভুতনির বহু এলাকায় এখনও জল রয়েছে। তাই এখন নজর শুধু গঙ্গার জলস্তরের দিকে নয়, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসা, ত্রাণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকেও। মন্ত্রীদের এই সফরের পর ভুতনির পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

২৪৯ বছরের ঐতিহাসিক মহাকরণে ফিরছে সচিবালয়! ১৩ বছর পর বদলাতে চলেছে বাংলার প্রশাসনিক ঠিকানা

দীর্ঘ ১৩ বছরের ব্যবধানের পর ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার আবহে পুরনো মহাকরণে ফিরতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের ছয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দফতরের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয় নবান্ন থেকে। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলছে সংস্কারের কাজ।১৩ বছর আগে নবান্নে সরেছিল সচিবালয়প্রায় ২৪৯ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং একসময় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ১৩ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। এরপর থেকে সেখান থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়ে আসছে।তবে পুরনো ভবনের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ না হওয়ায় এতদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে পুরোপুরি ফেরা সম্ভব হয়নি। এবার সেই কাজ দ্রুত শেষ করে ঐতিহাসিক মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।সংস্কারকাজ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকরাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। পূজা উৎসবের আগেই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের দফতরও দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর দফতর তৈরির প্রস্তুতিরাইটার্স বিল্ডিংয়ে যাঁদের দফতর চালু করার প্রস্তুতি চলছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেনশুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীদিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীঅগ্নিমিত্রা পাল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীশঙ্কর ঘোষ পর্যটন মন্ত্রীশারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীঅজয় পোদ্দার পূর্তমন্ত্রীসব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আগে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে ঠিক কবে থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু হবে, তা সরকারি ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

‘কিছু প্রত্যাহার করব না’, হলদিয়া আদালতে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মিলন প্রধানের! নন্দীগ্রামে নতুন মোড়

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার হলদিয়া আদালতে তোলা হল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। আদালত চত্বরে তাঁকে ঘিরে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। কংগ্রেসের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন? জবাবে মিলন বলেন, শাসক দল ভয় পেয়েছে, কিছু প্রত্যাহার করব না।শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকার একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের চারটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।মিলনকে গ্রেফতার করার পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তারা দাবি করেছে।কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছে। রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, মিলন প্রধানের গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে বিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাইছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তারা পিছিয়ে যাবে না।তবে পুলিশের বক্তব্য আলাদা। তাদের দাবি, পুরনো মামলায় আদালতের জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করতেই মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে গ্রেফতারির আইনি কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগদুই দিকই সামনে এসেছে।এর মধ্যেই শনিবার আদালতে দাঁড়িয়ে মিলন প্রধান জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রার্থী পদ থেকে কিছু প্রত্যাহার করবেন না। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাঁর নিজের বক্তব্যে তার জবাব মিলেছে।নন্দীগ্রাম এমনিতেই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমি আন্দোলনের পর থেকেই এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেই নন্দীগ্রামেই এ বার উপনির্বাচনের আগে প্রার্থী প্রত্যাহার, নতুন সমর্থন এবং কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। ফলে ভোটের আগে এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

গুগল ম্যাপ দেখেই বাইক চালাচ্ছিলেন! হঠাৎ রাস্তা শেষ, বাইক-সমেত খাদের নীচে যুবক

মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে সেই পথ দেখেই বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন যুবক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটি যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এবং পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। আচমকাই রাস্তার একটি ভাঙা অংশের কাছে গিয়ে বাইক-সহ গভীর খাদে পড়ে যান। দীর্ঘ সময় পর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আহত যুবকের নাম প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর। কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাল এলাকার বাসিন্দা প্রসূন শুক্রবার রাতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। অচেনা পথে সুবিধার জন্য মোবাইলে গুগল ম্যাপ চালু করেছিলেন তিনি। ম্যাপে যে রাস্তা দেখানো হচ্ছিল, সেই পথ ধরেই বাইক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছনোর পর বিপদ ঘটে। ওই এলাকা পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে গিয়ে সেখানে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাপে সেই বিপজ্জনক অংশের কোনও ইঙ্গিত ছিল না বলে জানা গিয়েছে।অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোর সময় প্রসূন সেই খাদের কাছে পৌঁছে যান। বাইকের গতি বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পাননি বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। বাইক-সহ তিনি খাদের নীচে পড়ে গুরুতর জখম হন।এ দিকে রাতে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও প্রসূন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর তাঁর মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু হয়। মোবাইলের অবস্থান পাণ্ডবেশ্বরের ওই খনি এলাকার আশপাশে দেখাচ্ছিল।এর পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, খাদের মধ্যে পড়ে রয়েছে প্রসূনের বাইক। কিছুটা দূরে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত প্রসূনকে খাদের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। তা হলে প্রসূন কী ভাবে সেই পথে পৌঁছলেন, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কি শুধুমাত্র গুগল ম্যাপে দেখানো পথ অনুসরণ করেই ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, নাকি অন্য কোনও কারণে সেই রাস্তা ব্যবহার করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি কত ছিল, রাস্তার পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং ঠিক কোন জায়গায় বাইকটি খাদে পড়ে যায়, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গুগল ম্যাপে ওই রাস্তা কেন দেখাচ্ছিল এবং বিপজ্জনক অংশটি কেন চিহ্নিত ছিল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।তবে আপাতত পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি আহত প্রসূনের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুর্ঘটনার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে, ঠিক কী ভাবে গুগল ম্যাপের পথ ধরে চলতে গিয়ে পরিত্যক্ত খনি এলাকার গভীর খাদে বাইক-সহ পড়ে গেলেন ওই যুবক।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সকালে বললেন মনোনয়ন তুলবেন, দুপুরে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন! রবিউলকে ঘিরে রেজিনগরে নাটক

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, রেজিনগরেও কি একই পথে হাঁটবেন মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী? শনিবার সকালে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। রবিউল নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না।শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের উপর চাপ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক কর্মী সরে যাচ্ছেন বলেও জানান রবিউল। ফলে কর্মীদের ছাড়া কী ভাবে ভোটের লড়াই করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি।রবিউলের কথায়, কর্মীরাই যদি না থাকেন, তা হলে একা ঘুরে ভোট করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সেই কারণেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল জানান, তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁর এই মতবদল বলে জানান তিনি। রবিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতার নির্দেশ মেনে তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন।রবিউল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের যে চিন্তাভাবনা করেছিলেন, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারে নামার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ, সকালের সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থীর অবস্থান বদলে যায়।রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। দুই কেন্দ্রেই আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্তের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়।নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।সেই জল্পনার মধ্যেই প্রথমে রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত এবং পরে মমতার সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা তৈরি করে। তবে পরবর্তী আপডেটে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে সকালের সিদ্ধান্ত, দুপুরের মতবদল এবং পরে ফের মনোনয়ন প্রত্যাহারসব মিলিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনে রবিউলকে ঘিরে তৈরি হয় একাধিক নাটকীয় মোড়।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal