• ১০ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

কলরব হোক পরিবেশ নিয়ে, খোঁজা হোক অসুখের বীজ, মুক্ত চিন্তার আকাশ যাদবপুর ফিরে পাক হৃত গৌরব

সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের পাতায়, টি ভি চ্যানেলে ও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত ভেসে উঠছে যাদবপুরের নাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে র্যাগিংয়ে ছাত্র মৃত্যুতে তোলপাড় রাজ্য। জনমানসেও ছড়িয়েছে গভীর উদ্বেগ। তুমুল নিন্দা আর সমালোচনার ঝড় বইছে। অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গড়ে ওঠা এবং এগিয়ে চলার মধ্যে রয়েছে এক আকাশ সমান ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যের ধারক হল রবীন্দ্রনাথের মুক্ত চিন্তার আধারে শিক্ষা দানের পথ নির্দেশ। রয়েছে অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের পড়ুয়াদের প্রতি গভীর দায়িত্ববোধ। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু এক অন্ধকার জগতকে প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে।যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারণত তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। প্রথম, অধ্যাপক -অধ্যাপিকারা, দ্বিতীয়, পড়ুয়ারা, তৃতীয়, প্রশাসন বিভাগ। এই তিন স্তম্ভের নির্মাণ ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম যাদবপুরের প্রথম উপাচার্য ত্রিগুনা সেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ শুরু করার জন্য তিনি ডেকে এনেছিলেন পঁচিশ বছরের এক যুবককে। সেই যুবকের মস্তিষ্কে ছিল রবীন্দ্রনাথের মুক্ত চিন্তার আকাশ। সেই যুবক আজকে নবতিপর বিশ্ববন্দিত অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। দেড় দশক আগে পর্যন্ত এই ঐতিহ্যের পথে চলা অধ্যাপক অধ্যাপিকারা সংখ্যায় ভারী ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংখ্যাটি কমেছে। এখনও যে দু-এক জন রয়েছেন তাঁরা নিভৃতে কর্মজীবনের শেষ প্রহরের জন্য অপেক্ষা করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতারপ্রশ্ন উঠেছে যে বিদ্যালয়ের ব্রত তমসো মা জ্যোতির্গময়... সেখানে আজ এই অন্ধকার কেন? অনেকে বলছেন এই অন্ধকারের শুরু নকশাল আন্দোলনের সময় থেকে। সেদিন পরীক্ষা পিছোনোর দাবি না মানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুন হয়েছিলেন উপাচার্য গোপালচন্দ্র সেন। কিন্তু সেদিন অন্ধকারের পাশে আলোও ছিল। সেই সময়ই তো কলকাতার রাজপথে যাদবপুরের এক নকশালপন্থি ছাত্রর গুলিবিদ্ধ দেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষের কলম লিখেছিল, ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই তোমার ছিন্ন শির, তিমির। সেই আলো অন্ধকারের দিনেও জাগ্ৰত ছিল বোধ, তাই বোধহীন রাজনীতির শিকার যখন পিতৃসম এক অধ্যাপক তখন আরেক পিতৃসম অধ্যাপক এক ছাত্রের ছিন্নশির কোলে তুলে নেন পরম মমতায়।কয়েক বছর আগে যাদবপুর থেকে পাশ করে বেরোনো বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের সম্পর্কের এই রসায়ন প্রায় শুন্যে এসে ঠেকেছে। আর এর মধ্যেই রয়েছে যাদবপুরের অসুখের বীজ। প্রাক্তনদের মতে এই অসুখ শুধু হোস্টেলের মধ্যেই ছড়িয়েছে তা নয়, গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ই তা ছড়িয়ে পড়েছে।পেশাগত কারণে তিন দশক ধরে রাজ্যের ছাত্র রাজনীতিকে খুব কাছ থেকে দেখছি। বাম আমলে যখন রাজ্যের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে সিপিআইএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের ক্ষমতায়ন সম্পুর্ন তখনও যাদবপুরের ছবিটা ছিল ভিন্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগে এসএফআইয়ের দাপট থাকলেও বাকি বিভাগ গুলোতে তারা ছিল সংখ্যালঘু। যাদবপুরের সবচেয়ে বড় বিভাগ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ছাত্র সংসদ FETSU নির্বাচনে প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে জিতে আসছে Democratic Student Federation। এই সংগঠন বামপন্থী হলেও কোনো প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের অনুগামী নয়। We the Independent বা WTI এই ছাত্র সংগঠন তিন দশক ধরে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সংসদ। SFSU য়ের নির্বাচনে জিতে আসছে। এরাও কোনো রাজনৈতিক দলের শাখা সংগঠন নয়। কলা বিভাগের ছাত্র সংসদ AFSU তে নির্বাচনে এসএফআই অতীতে দীর্ঘকাল জিতেছে। মাঝে মাঝে ছাত্রর সংসদের নির্বাচনে জিতেছিল বামপন্থী সংগঠন AISA । তবে ২০০৫ সালে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে তৈরি হয় Forum for Arts Students বা FAS, এই সংগঠনের মধ্যে রয়েছে Radical Left ছাড়াও বিভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাসী পড়ুয়া। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কয়েকটি ছোট ছোট নকশাল পন্থি সংগঠন।আরও পড়ুনঃ র্যাগিং কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, মমতা বড় দায়িত্ব দিলেন টিএমসিপি নেত্রী রাজন্যাকেঅনেকেই বলছেন যাদবপুর মানেই রাজনীতির আখড়া। এই প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে উত্তাল বাংলায় এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়। জাতীয়তাবাদী নেতা অরবিন্দ ঘোষ, সতীশ চন্দ্র মুখার্জি এবং রাজা সুবোধ চন্দ্র মল্লিক প্রতিষ্ঠা করেন কাউন্সিল অফ এডুকেশন। ভারতীয় পড়ুয়াদের জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় উচ্চ মানের শিক্ষার সুযোগ করে দিতেই এই প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়। ১৯৫৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। তাই জন্মলগ্ন থেকেই যাদবপুরের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে ধারাবাহিকতা রয়েছে। ছয়ের দশকে বাংলায় উত্তাল ছাত্র আন্দোলন ও সত্তরের নকশালবাড়ি আন্দোলনে প্রথম সারিতে ছিল যাদবপুর সিঙ্গুর-নন্দীগ্ৰাম যাদবপুরের পড়ুয়ারা আন্দোলনে নেমেছিল। ২০১৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে হোক কলরব আন্দোলন দেখেছে যাদবপুর।বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে কোন একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠন জেতেনি। বিভিন্ন বিভাগে নির্বাচনে বিভিন্ন দল জেতায় হস্টেল থেকে শুরু করে বিভাগীয় অলিন্দে ক্ষমতাও ভাগাভাগি হয়েছে। ছাত্র রাজনীতি এই আবহের মধ্যে র্যাগিংয়ের মত কদর্য প্রথা যে অঞ্চলে যে ছাত্রর সংগঠনে ক্ষমতা রয়েছে সে সেখানে র্যাগিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতা জাহির করেছে। তাই নানান বিষয়ে ভিন্ন মত থাকলেও র্যাগিং আটকাতে কতৃপক্ষ কড়া হলেই সব সংগঠনই বাধা দিয়ে এসেছে। বহু প্রাক্তনীর মতে গত দেড় দশকে শুধু হস্টেলে নয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেও অনেকেই র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি Indian Express য়ে যাদবপুরের এমেরিটা অধ্যাপক সুপ্রিয়া চৌধুরী লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে ২০০৯ সালে নতুন পড়ুয়াদের জন্য আলাদা হস্টেলের ব্যাবস্থা করা হয়। সেই সময় এর বিরুদ্ধে সব ছাত্র সংগঠন ই প্রতিবাদে নামে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে Anti Ragging Committee মাঝরাতে হস্টেলে হস্টেলে নজরদারি চালায়। নজরদারি চালিয়ে ২০১৩ সালে দুই ছাত্রকে র্যাগিংয়ের অভিযোগে দুটি সেমেস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু, অভিযুক্তদের বাঁচাতে পড়ুয়ারা উপাচার্য সৌভিক ভট্টাচার্যকে ঘেরাও করেন। কোনো ছাত্র সংগঠনই এর প্রতিবাদ করেনি। এমনকি Dean ও শাস্তির সিদ্ধান্ত বিবেচনা করতে বলেন। এই পরিস্থিতিতে উপাচার্য পদত্যাগ করেন।প্রাক্তন অধ্যাপিকার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যাদবপুরের র্যাগিংয়ের শিকড় অনেক গভীরে। আর এই অপরাধ চলার পিছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পক্ষই দায় এড়াতে পারে না। এই কলুষিত পরিবেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্ত করতে হবে। তবে বিভিন্ন মহল থেকে যে ভাবে একপেশে সমালোচনা চলছে সেটাও বন্ধ হওয়া উচিৎ। শিক্ষাক্ষেত্রে যাদবপুর যে উৎকর্ষতা ছুঁয়েছে তাকেও স্বীকার করতে হবে এবং রক্ষা করতে হবে। ২০২২ সালে National Institutional Ranking Framework (NIRF) য়ের সমীক্ষায় এই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রথম স্থানে ছিল যাদবপুর। গোটা দেশের মধ্যে ছিল চতুর্থ স্থানে। চলতি বছরেও NIRF য়ের তালিকায় দেশের মধ্যে চতুর্থ স্থান পেয়েছে যাদবপুর। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও দেশের নটি আইআইটির পরে। সম্প্রতি ইসরোর চন্দ্রায়ন team য়েও যাদবপুরের একাধিক অধ্যাপক ও গবেষক বিজ্ঞানী রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ যাদবপুর কাণ্ড: সমস্ত জায়গায় সিসি টিভির সিদ্ধান্ত ঝুলে, তবে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণাযে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েরই গবেষণার মান উচ্চ পর্যায়ের না হলে উৎকর্ষতা ছুঁতে পারে না। উচ্চমানের গবেষণার জন্য অর্থের প্রয়োজন। অথচ ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন খাতে কেন্দ্রীয় অনুদান প্রায় বন্ধ রয়েছে। রাস্ট্রীয় উচ্চতর শিক্ষা অভিযান প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ পায়নি এই বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নীতি আয়োগ থেকে অর্থ আসার কথা Special Assistance Program খাতে যে কেন্দ্রীয় অর্থ আসার কথা তাও প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গত ছবছর ধরে Major Research Project প্রকল্পে UGC অনুদান দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ২০১৯ সালে UGC যাদবপুরকে দেশের Institutes of Eminence য়ের তালিকায় রাখে। এরফলে পাঁচ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০০কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার কথা ছিল। এই অনুদানের চল্লিশ শতাংশ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। কিন্তু রাজ্য সরকার তা না দেওয়ায় UGC যাদবপুরের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষা বাজেটেও যাদবপুরের জন্য বরাদ্দ প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য বছরে ৫৫-৬০কোটি টাকা প্রয়োজন। তবে চলতি বছরে যাদবপুরের জন্য রাজ্যের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকা। যাদবপুরের অস্তিত্ব বিপন্ন হলে আর্থিক ভাবে দুর্বল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ ও বিপন্ন হবে। যাদবপুরের কলা বিভাগের পড়ুয়াদের মাসিক বেতন ৭৫ টাকা। বিজ্ঞান বিভাগে ১৫০ টাকা। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ২০০ টাকা। হস্টেলে থাকার মাসিক খরচ ২৫ টাকা। এই কারণে গ্ৰাম, মফস্বল ও শহরে আর্থিক ভাবে দুর্বল মেধাবী পড়ুয়ারা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বেরিয়ে দেশে বিদেশে নামি দামী প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। অনেকে দেশ বিদেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করছেন অথবা পড়াচ্ছেন। এই আকালের সময় এমন একটি শিক্ষা কেন্দ্রকে টিঁকিয়ে রাখাও সামাজিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। তাই কাঠ কাটতে গিয়ে গোটা গাছটা কেটে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৩
রাজ্য

বাড়ল দুর্গা পুজোর আর্থিক সহযোগিতা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

১০ দিয়ে শুরু, ২৫, ৫০ থেকে ৬০ ছুঁয়ে এবছর ৭০ হাজার। ২০২২ এর দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ছিল ৬০ হাজার টাকা। সেই পড়িমান বেড়ে ক্লাব পিছু ৭০ হাজার টাকা করল রাজ্য সরকার। আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দুর্গা পুজো নিয়ে একাধিক ছাড়ের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান যে, সরকারি বিভিন্ন দফতরের বিজ্ঞাপনও পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া হবে। বিজ্ঞাপন বাবদও কিছু টাকা ক্লাবগুলি পাবে।২০২৩ র এই বছর দুর্গাপুজোর বিসর্জন করারও দিন ধার্য করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো কমিটিগুলিকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিমা নিরঞ্জন শেষ করে ফেলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী সেরা পুজোগুলিকে নিয়ে পূজা কার্নিভ্যাল রেড রোডে অনুষ্টিত হবে লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন, অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার সাথে সাথেই যেনো পুজো কমিটিগুলিতে বেজে উঠলো বাজলো তোমার আলোর বেণু...। তিনি এই অনুদানের ঘোষনার সাথে সাথেই সকলকে অনুরোধ করেন, সকলেই যেন সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শারদীয় উৎসব পালন করেন।আজ মঙ্গলবার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসন ও বাংলার পুজো কমিটিগুলো নিয়ে বৈঠকে বসেন। সারা রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিসে এই বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সেখানেও স্থানীয় জেলাশাসক সহ এলাকার সাংসদ, মহকুমাশাসক, বিধায়ক সহ বিশিষ্ট সরকারি আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দফতরকে সতর্কতামূলক বিষয়ে নানা পরামর্শ প্রদান করে বলেন, স্কুল ছাত্রদের স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে যেন পুলিশের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। প্রত্যেক পূজা মণ্ডপের প্রবেশ ও বাহিরের পথ যেন আলাদা হয়। প্রাথমিক অগ্নি নির্বাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও মণ্ডপে রাখতে হবে। এছাড়াও প্রতিমা নিরঞ্জনের জায়গায় জলাশয়ের পাশে যেন আলো ও ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করা হয়। যে সমস্ত জায়গায় দর্শক সমাগম বেশি হয় সেখানে জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সরকারি জরুরি বিভাগগুলির হেল্পলাইন নম্বরগুলো যেন পুজোর সময় কার্যকারি থাকে। পুজো কমিটিগুলিকে তাঁদের ভিড় নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রতিনিয়ত মাইকে ঘোষণা করতে হবে। সরকার প্রদত্ত জনকল্যাণমূলক হোর্ডিং সকলের দৃষ্টির সামনে লাগাতে হবে। এছাড়াও সরকারের বিভিন্ন দফতর বিজ্ঞাপন হিসাবে যে হোর্ডিং দেবে সেগুলিও সঠিক জায়গায় লাগাতে হবে। বাংলার আড়ম্বরপুর্ণ দুর্গাপুজো যে বহু মানুষের এক বিরাট রোজগারের দিশা সেই কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই পুজোকে কেন্দ্র করে বঙ্গে ৬০ হাজার কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়। তিনি প্রত্যেক পুজো কমিটিগুলির উদ্দশ্যে বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন লোকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের তাঁরা যেন তাঁদের পুজোয় জায়গা করে দেন। তাঁদেরও যাতে পুজোর সময় কিছু বাড়তি রোজগার হয় সেটাও আমাদের দেখতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার বারোয়ারিতে দুর্গা পুজো হয়। শহর কলকাতার তিন হাজার বাদ দিলে বাকি ৩৭০০০ পূজা হয় জেলায়। তিনি বিভিন্ন আবাসনের পুজোরও ভুয়াসী প্রশংসা করেন। তিনি পরিবহণ দপ্তর ও রাজ্য পুলিশকে পুজোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।২০১৮ তে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোয় সরকারের তরফ পুজো কমিটিগুলির পাশে দাড়ানোর জন্য ১০হাজার টাকা অনুদান দেন। বছর গড়াতে গড়াতে সেই অনুদান ৭০ হাজারে পৌঁছে গেল। উল্লেখ্য ২০২২ এ পুজো কমিটি পিছু ৬০ হাজার অনুদান ছিল। গতবছর ২০২২ এ সারা রাজ্যে মোট ৪২ হাজার ২৮টি পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এ ছাড়াও এবছরে বিদ্যুতের বিলে ছাড়ের পরিমানও বাড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, গতবছর বিদ্যুতের বিলে ছাড় ছিল ২/৩ এবছরে তে বেড়ে হল ১/৪। তিনি এবিষয়ে সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদকে নির্দেশ দিয়ে দেন এই বৈঠকে।তিনি জানান, ২০২২ থেকেই অগ্নিনির্বাপক সংস্থার অনুমতি বাবদ কোনও টাকা দিতে হয় না। এবছরেও কোনও টাকা দিয়ে হবে না সেই সংক্রান্ত বিষয়ে। তাছাড়া তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার মহিলা পরিচালিত পুজোগুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট দফতর গুলিকে।

আগস্ট ২২, ২০২৩
রাজ্য

ফারাক্কা সেতুতে মালগাড়ি-ট্রাকের সংঘর্ষ, বড় বিপদ থেকে রক্ষা

মালদার ফারাক্কা সেতুতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ে ধাক্কা মারল পণ্য বোঝাই ট্রাক। সেই সময় ডাউন লাইন দিয়ে যাচ্ছিল একটি মালগাড়ি। সেই লরির সঙ্গে ধাক্কা লাগে মালগাড়ির। মুহূর্তের মধ্যে এই দুর্ঘটনায় ফারাক্কা ব্যারেজে রেলপথ এবং সড়কপথে যান চলাচল দীর্ঘক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এই দুর্ঘটনার খবর জানতে পেরে এই ব্যারেজে কর্মরত কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর জাওয়ানেরাও তড়িঘড়ি সেখানে ছুটে আসে। এরপর ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।জানা গিয়েছে, মালদার দিক থেকে মুর্শিদাবাদ অভিমুখে যাচ্ছিল একটি পন্য বোঝাযই ট্রাক। চালকের ভুলেই সেই লরিটি আচমকায় ফারাক্কা ব্যারেজের রেললাইন এবং রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। লরির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। জখম হয় ওই লরির চালক। সেই মুহূর্তেই ডাউন লাইন দিয়ে একটি মালগাড়ি যাচ্ছিল। সেই মালগাড়ির সঙ্গে দুর্ঘটনাগ্রস্ত পণ্য বোঝায় লরির হালকা সংঘর্ষ বাঁধে । যদিও তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যদি ওই মাল গাড়ির বদলে যাত্রীবাহী কোন এক্সপ্রেস ট্রেন থাকতো, তাহলে ভয়ানক ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। এই ঘটনায় ফারাক্কা ব্রিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে মঙ্গলবার এই ঘটনার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি রিপোর্ট রাজ্য প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। পুলিশ এবং প্রশাসনের প্রাথমিক অনুমান, সম্ভবত ওই লরির চালক গাড়ি চালানোর সময় ঘুমিয়ে পড়েছিল। যার কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।তদন্তের পর দুই জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা জানতে পেরেছে, এতটাই গতি ছিল যে রেলিং ভেঙে মালগাড়িতে ধাক্কা মারে ট্রাকটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে ট্রাক্টারকে ধাক্কা মারে ওই লরিটি। পরে ফারাক্কা ব্যারেজের রেলিং ভেঙে ডাউন মালগাড়িতে ধাক্কা মারে। এমার্জেন্সি ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে পড়ে মালগাড়িটি। মালগাড়ি চালকের তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর আতঙ্কে পড়ে যান অন্যান্য গাড়ির চালকেরাও। এর দরুন দীর্ঘক্ষণ ফারাক্কা ব্যারেজের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রশাসনিক তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আগস্ট ২২, ২০২৩
রাজ্য

ইমাম, মোয়াজ্জেমদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ভাতা বাড়ল পুরোহিতদেরও

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় ভাতা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। তার ফলে ইমামদের ভাতা বেড়ে হল ৩,০০০ টাকা। মোয়াজ্জেমদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তাঁরা কোনওকিছু করতে চাইলে ঋণও পেতে পারেন। ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের সঙ্গেই সভায় পুরোহিতদের ভাতাও ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ফলে পুরোহিতদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তিনি বলেন, রাজ্যে তিনটি অর্থনৈতিক করিডর হচ্ছে। তাই রাজ্য ছেড়ে বাইরে যাওয়ার কথা কাউকে ভাবতে হবে না। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ভাতা বাড়ানোর ঘোষণায় খুশি নন ইমাম-মোয়াজ্জেমরা। এই ব্যাপারে রাজ্য ইমামস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, আমরা চাই ইমামদের ভাতা ২,৫০০ টাকা আর মোয়াজ্জেমদের ১,০০০ টাকা বাড়ানো হোক। দরকার হলে আগামী মাসে ফের ইমাম-মোয়াজ্জেমদের নিয়ে সভা ডাকুন। এটাই আমাদের অনুরোধ।

আগস্ট ২১, ২০২৩
রাজ্য

১৮ অগাষ্ট বাংলার এই জেলায় পালিত হল স্বাধীনতা দিবস, কেন ১৫ অগাস্ট নয়?

একই দেশ। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসের দিন ভিন্ন। গত মঙ্গলবার ১৫ অগাস্ট দেশ জুড়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। কিন্তু মালদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৫ নয়, ১৮ অগাস্ট। এই দিনে স্বাধীনতা পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলা। আর সেই পুরনো স্মৃতিকে সামনে রেখেই শুক্রবার মালদায় পালিত হলো স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ সালে ভারত যখন স্বাধীন হয়েছিল। ইংরেজরা দেশ ছেড়েছিল। ঠিক সেই সময় মালদা জেলা পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদেশ) অধীনে চলে গিয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যখন সর্বত্র ছিল আলোর রোশনাই তখন মালদা ডুবেছিল গাঢ় অন্ধকারে। সেই সময়কার স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ব্যারিস্টারদের হস্তক্ষেপেই তিনদিন পর স্বাধীনতা পায় আমের জন্য খ্যাত মালদা জেলা। মালদার কালেক্টরের ভবনে পূর্ব পাকিস্তানের ঝান্ডা নামিয়ে উড়ানো হয় ভারতীয় তিরঙ্গা। আর সেই পুরনো স্মৃতিকে বজায় রেখেই আজও মালদায় ১৮ আগস্টে সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে স্বাধীনতা দিবস।শুক্রবার মালদা শহরের গ্রন্থাগারের বই বাগানে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাসের উদ্যোগে এবং মালদার বিশিষ্ট শিল্পীরা হাজির ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। অন্যদিকে ইংরেজবাজার পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকায় স্থানীয় কাউন্সিলর অম্লান ভাদুড়ীর নেতৃত্বে ১৮ আগস্ট উপলক্ষে মালদার স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। এদিন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রবীণ মানুষদের উপস্থিতিতে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট যখন ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়। তখন গোটা দেশ এই স্বাধীনতার উৎসবে মেতে উঠেছিল। সেই সময় মালদা ছিল পরাধীন। পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) অধীনে চলে গিয়েছিল মালদা জেলার দশটি থানা। এই নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়। মালদার কালেক্টারে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উড়েছিল। কিন্তু সেই সময় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ব্যারিস্টারদের হস্তক্ষেপেই শুরু হয় সীমানা নির্ধারণের লড়াই। এরপর ১৮ আগস্ট মালদা জেলা ভারতের অংশ বলেই ঘোষণা করা হয়। আর সেই ১৮ আগস্ট থেকেই শুরু হয় মালদার স্বাধীনতা দিবস। পূর্ব স্মৃতি ও অতীত বিজড়িত অনেক কাহিনী মালদার এই স্বাধীনতাকে ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে। দুটি জায়গাতেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। কচিকাঁচা থেকে বড়রা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৩
রাজ্য

হঠাৎ বুকে ব্যথা! হাসপাতালে ভর্তি সূর্যকান্ত মিশ্র

আচমকা বুকে ব্যথা! নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।বুধবার রীতিমতো উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। স্বাস্থ্য থেকে পঞ্চায়েত, বাম জমানায় দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী, পরবর্তীতে বিরোধী দলনেতা, নানা ভূমিকায় সূর্যকান্ত মিশ্রকে দেখেছে রাজ্য রাজনীতি। আগের দিন মুজফফর আহমেদ ভবনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র।স্বভাবতই এদিন বিভিন্ন মহল থেকে এই চিকিৎসক-নেতার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। সেই উদ্বেগ নিরসন করে হাসপাতালের পক্ষে জানানো হয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রী বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। সিপিএমের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের এই পলিটব্যুরো সদস্য আরও কিছুদিন এসএসকেএমে ভর্তি থাকবেন। চিকিৎসকরা তাঁকে নজরদারিতে রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন।আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য দফতরের কাছেই বেকবাগানে সূর্যকান্ত মিশ্রের মেয়ের বাড়ি। তিনি সেখানেই থাকেন। প্রতি বুধবার মুজফফর আহমেদ ভবনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক হয়। কিন্তু, এদিন (বুধবার) সকাল থেকেই শরীর খারাপ থাকায় সিপিএমের এই পলিটব্যুরো নেতা বৈঠকে যোগ দেননি। বদলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।কিছু দিন আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। গত বুধবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। ঠিক তার একসপ্তাহ পরেই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভার এই সদস্যকে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হাসপাতালে থাকাকালীন, দলের সঙ্গে হাসপাতালের সংযোগ রক্ষায় বড় ভূমিকা নিতেন সূর্যকান্ত মিশ্র।রাজ্য রাজনীতিতে সূর্যকান্ত মিশ্রর উত্থান ১৯৭৮ সালে। তিনি অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার সভাধিপতি হয়েছিলেন। তারপর থেকে ক্রমশ রাজ্য রাজনীতিতে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে ওঠেন। ২০১১ সালে বামেদের পরাজয়ের পর তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হন। ২০১৫ সালে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক পদে বসেন। ২০২২ সালের মার্চ অবধি ওই দায়িত্বে ছিলেন।

আগস্ট ১৬, ২০২৩
রাজ্য

জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ককে নাম না করে কটাক্ষ সাংসদ অর্জুন সিংয়ের

বর্ষা এলে মশা, মাছি, মৌমাছির উৎপাত বাড়ে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ওষুধ দিলে ঠিক হয়ে যায়। নাম না করে দলীয় কার্যালয়ের জবরদখলের ঘটনায় এভাবেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে কটাক্ষ করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। কয়েকদিন আগেই ভাটপাড়া পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাডাঙ্গায় সম্মেলনী ক্লাব সন্নিহিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের দখলদারী নিয়ে আচমকা বির্তকের অভিযোগ উঠেছিল দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। এমনকি ওই কার্যালয়ে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই খবর পৌঁছেছিল সাংসদ অর্জুন সিং এর কাছে। দিল্লি থেকে ফিরে শনিবার সাংসদ পৌছলেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সেই দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর দেবপ্রসাদ সরকার। এছাড়াও ছিলেন তৃণমূল নেতা মন্নু সাউ ও অন্যরা। এদিন অর্জুন সিং বলেন, সিপিএম আমলে যখন কোথাও কোনও বসার জায়গা ছিল না এটাই ছিলো আমাদের দলীয় কার্যালয়। তখন কোনও তৎকাল তৃণমূল নেতাকে সেখানে দেখা যায়নি। শ্রমিক ইউনিয়নের পার্টি অফিস মিলের গেটের সামনে হয়। এখানে কারা এরকম ঘটনা করাচ্ছে সেই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কিছু অ্যাকসিডেন্টাল তৃণমূল নেতার জন্য দলের এভাবে বদনাম হচ্ছে বলে দাবি অর্জুন সিংয়ের। যদিও বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের প্রতিক্রিয়া জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া মেলেনি। জানা গিয়েছে, তিনি এদিন শনি পুজো দিতে ব্যাস্ত ছিলেন।

আগস্ট ১৩, ২০২৩
রাজ্য

কাটোয়ায় 'দেবতার গ্রাস', মৃত পূণ্যার্থী, পরোক্ষে শব্দ দানবের হাত! অসহায় জনপ্রতিনিধি...

শিবের মাথায় জল ঢালার উদ্দশ্যে বেড়িয়ে কাটোয়ায় মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হল এক পূণ্যার্থীর। পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরের ঢোকার কিছুটা আগে বিদ্যুতের হাইটেনশন লাইনের তারে ধাতব ত্রিশুল ঠেকে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। ২৫ শে শ্রাবন বর্ধমান শহরের অধিষ্টার্থী দেবতা বাবা বর্ধমানেশ্বরের (শিব) জলাভিষেক শোভাযাত্রায় অংশ নেন লক্ষাধিক মানুষ। সেই জলাভিষেক শোভাযাত্রা উপলক্ষ্যে বেরিয়ে প্রাণ গেল এই তরতাজা পৃণ্যার্থীর। বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর বারোটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়া-পাঁচঘড়া বাইপাস রাস্তায়।বিদ্যুৎস্পৃষ্ট পৃণ্যার্থীকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি স্থানীয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় মানুষজন ও তাঁর সতীর্থরা। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বছর তেইশের এই তরতাজা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত যুবকের নাম সৌরভ পন্ডিত। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানা যায়, মৃত পূন্যার্থী সৌরভের হাতে একটি ধাতব ত্রিশুল ছিল, উচ্চশ্বব্দ সৃষ্টিকারী ডিজে সাউন্ড সিস্টেমে গানের সাথে নাচতে নাচতে ত্রিশূলটি বিদ্যুতের হাইটেনশন তারের সাথে সংস্পর্ষ হয়ে যায় এবং সাথে সাথে সৌরভ লরি থেকে ছিটকে পড়েন। তিনি পড়ে যাওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়ে যান ওই লরিতে থাকা বাকি পৃণ্যার্থীরা।প্রতি বছর বাংলার শ্রাবণ মাসের ২৫ তারিখে বর্ধমান শহরের প্রাচীন দেবতা বর্ধমানেশ্বরের প্রতিষ্ঠা দিবস মহা সমারোহে পালন করা হয়। ওই দিন বর্ধমান শহরের লক্ষাধিক শিবভক্ত লড়ি, টেম্পো, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাইকে চড়ে কাটোয়া শহর থেকে গঙ্গা জল নেওয়ার জন্য যান। পিতল, আলুমিনিয়াম, মাটির ঘড়ায় জল ভরে তাঁরা পদব্রজে বর্ধমান শহরের উদ্দশ্যে যাত্রা করেন। পৃণ্যার্থীরা কাটোয়া থেকে জল নিয়ে সারারাত ধরে দীর্ঘ ৭০ কিমি রাস্তা পায়ে হেঁটে বর্ধমান শহরে পৌঁছে বর্ধমানেশ্বরের মাথায় জল ঢালেন।এবারেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই লক্ষাধিক পৃণ্যার্থী বিভিন্ন গাড়িতে চড়ে কাটোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন জল আনতে। সেই রকমই একটি লরিতে চড়েছিলেন বর্ধমান শহরের মিড্ডেডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা সৌরভ পন্ডিত। বৃহস্পতিবার দুপুরে সৌরভ ও তাঁর লড়ির অন্য পৃণ্যার্থীরা কাটোয়ার মড়িঘাট থেকে গঙ্গাজল ঘটে ভরে বর্ধমান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তাঁরা কাটোয়ার জাজিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়ে হেটে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জনতার কথাকে জানান, লরিতে ডিজে সিস্টেমে তারস্বরে গান বাজছিল। সেই গানের তালে তালে মৃত সৌরভ-ও নাচছিলেন। তার হাতে ছিল একটা স্টিলের (ধাতব) ত্রিশুল। লরিটি জাজিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড ছাড়িয়ে কিছুটা এগিয়ে কাটোয়া পাঁচঘড়া বাইপাসের কাছে পৌঁছাতেই এক বিকট আওয়াজ হয়। সম্বিৎ ফিরে আসতেই যানা যায়, রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের হাইটেনশন লাইনের তারের সাথে সৌরভের ত্রিশুলের সংস্পর্শে সৌরভকে গাড়ি থেকে ছিটকে ফেলে দেয়। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন সৌরভ। তার মৃত্যুতে শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে গোটা পরিবার।উল্লেখ্য, ঠিক এক বছর আগে, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত চ্যাংড়াবান্ধার ধরলা সেতু সংলগ্ন এলাকায় ডিজের বিদ্যুতে সর্টসার্কিটে বাবা জল্পেশ মন্দিরে জল দিতে যাওয়া ১০ জন পূন্যার্থীর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর, সামাজিক মাধ্যমে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই উচ্চগ্রামে শব্দ-দানবের ব্যবহার নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্থান হয়। সেই ঘটনার পর থেকে কোচবিহার জেলা প্রশাসন জল্পেশ মন্দিরে জল ঢালতে আসা পুর্নার্থীদের ডিজে বাজানো নিষিদ্ধ করে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বর্ধমান শহরের সুস্থ, রুচিশীল ও সমাজ সচেতন মানুষ জন এই শব্দদানবের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। শহর সংলগ্ন দেওয়ানদিঘী থেকে রেল ওভারব্রিজের রাস্তার পাশে যাঁদের বাস তাঁদের অনেকেই এই মহাজাগতিক শব্দের আতঙ্কে বাস্তবিক ঘরছাড়া। তাঁদের কেউ কেউ শহরের দূরবর্তী কোনও জায়গায় দুদিনের জন্য ঠাঁই নিয়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন তাঁরা কোনও ধর্মাচরণের বিরুদ্ধে নন, কিন্তু ধর্মের নামে যে নরক যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে তাঁর তীব্র প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা প্রশাসনের উদাসীনতা দেখে তাজ্জব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানালেন, যে অঞ্চল দিয়ে পূন্যার্থীরা এই বিকট শব্দ সৃষ্টিকারি শোভাযাত্রা নিয়ে যাবেন, তাঁর থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে জেলার সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা থাকেন। যদিও এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখে চূপ থাকেননি ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আলম (সাহেব)। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে ডিজে সাউন্ড দানবের কাছে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অসহায় বোধ করছি.. চাইলেও কিছু করা যাচ্ছে না এখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এক জন প্রতিনিধি যদি কোট আনকোট অসহায় বোধ করেন, তখন সাধরণ মানুষের কি অবস্থা হয়? নুরুলের সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন, এখন দেখার সেই ঝড়ের দাপটে কি আদৌ শব্দ দানবের অপমৃত্যু হবে? ......

আগস্ট ১১, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে ‘দালাল’, সম্বোধন করে নিশানা মমতার

ফের নবান্ন রাজভবন সংঘাত চরমে। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়ে রাজযপালের একের পর এক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের লাগাতার আক্রমণ। আজ, বুধবার ঝাড়গ্রাম থেকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে বেনজির আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। দালাল বলতেও ছাড়লেন না সিভি আনন্দ বোসকে।বুধবার ঝাড়গ্রামে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করতে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বকেয়া অর্থ না পাওয়া, ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে বাংলাকে টাকা না দেওয়া, আবাস যোজনা নিয়ে এদিন আগাগোড়া মোদী সরকারকে তোপ দাগতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনও উপাচার্য নেই। নেই রেজিস্ট্রারও। কৃতী পড়ুয়ারা সার্টিফিকেট পাচ্ছেন না। এ জন্য আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমি জানি ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যেটা তরি হয়েছে আমাদের গভর্নর মহাশয়, তিনি এখন কালো চশমা পড়ে- সেটা অবশ্য তিনি পড়তেই পারেন একটার জায়গায় দশটা, জ্ঞান দিয়ে বেরাচ্ছেন। আমরা পাঠালেও করেনা। নিজের ইচ্ছামত কেরালা থেকে লোক এনে ঢুকি দিচ্ছে (উপাচার্য)। কেরালার অনেক বন্ধু আমার এখানে থাকে, তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে ভিসি হতে গেলে ১০ বছর তাঁর প্রফেসর হিসাবে অভিজ্ঞতা থাকা উচিত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একজনকে ভিসি করেছেন যিনি কেরালায় আইপিএস ছিলেন, যাঁর এডুকেশনের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। এখানে ঝাড়গ্রাম ইউনিভার্সিটি করে দিয়েছি। কিন্ত না আছে কোনও উপাচার্য, না আছে কোনও রেজিস্ট্রার। তার কারণ পাঠালেই উনি উনি ওনার মত বিজেপির একটা লোককে বসিয়ে দেবেন। এরপরই মুখ্যসচিবকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ যে, ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নির্বাচনের জন্য উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে যেন অবিলম্বে তিনটি সুপারিশ করে দেওয়া হয়।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আমি সব করে দিচ্ছি, আর উনি (রাজ্যপাল) দালালি করে সব আটকে দিচ্ছেন। আমরা এটা মানবো না। স্ট্রেট মানবো না।এদিন রাজ্যপাল আনন্দ বোসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি আপনার সৎ সাহস থাকে যেটা বিধানসভায় পাস হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী সব রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হবে তবে সেটা পাস করিয়ে দিন।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
রাজ্য

গ্রেফতারির পালা ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের, এবার তলব বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে

ঘুষ দিয়ে বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি। এমন অভিযোগে ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদের চার শিক্ষক গ্রেফতার হয়েছেন। এবার বাঁকুড়ায় কর্মরত ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষক নুয়ে ধন্দ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষককে বুধবার নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই। এই সাত জনের বিরুদ্ধে ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। তলব পাওয়া সাত শিক্ষক ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পাশ করে চাকরি পেয়েছিলেন। মূলত ২০১৪-র টেট দুর্নীতির অভিযোগ মামলাতেই সোমবার প্রাথমিকের ৪ শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। শিক্ষকের চাকরি পেতে এঁরা প্রত্যেকে ৫-৬ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের ধৃত ওই ৪ জন অযোগ্য প্রাথমিক শিক্ষক জেরায় নিজেরা দোষ কবুল করেছে।সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রথম টাকার বিনিময়ে চাকরি মেলার অভিযোগে ৪ শিক্ষককে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। গ্রেফতার হওয়া ৪ শিক্ষক মুর্শিদাবাদ জেলার। সিবিআই-এর চার্জশিটে এই ৪ ধৃত শিক্ষকের নাম ছিল সাক্ষী হিসাবে। কিন্তু বিচারক প্রশ্ন তোলেন যে চার্জশিটে কেন সাক্ষী হিসেবে নাম রয়েছে তাদের? এরপরই এই ৪ জন অযোগ্য শিক্ষিককে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন বিচারক। ৪ ধৃত অযোগ্য শিক্ষিক হলেন- জাহিরউদ্দিন শেখ, সায়গল হোসেন, সীমার হোসেন ও সৌগত মণ্ডল। বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায় জন ধৃত ৪ শিক্ষককে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এবার বুধবার বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে সিবিআই তলবের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব

এসএসসিতে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি গিয়েছিল তৎকালীন শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ের। এবার আরেক মন্ত্রীর মেয়ে বড় পদ পেলেন শিক্ষা দফতরে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব পদে নিযুক্ত হলেন প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। যিনি সম্পর্কে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে । ৩১ জুলাই নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও এই নিয়োগের বিষয়টি জানা গিয়েছে বুধবারই। প্রিয়দর্শিনী তিন বছর সচিবের দায়িত্ব সামলাবেন বলেই নির্দেশিকায় উল্লেখ রয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় কন্যা আশুতোষ কলেজের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা হিসাবে কর্মরতা ছিলেন।তাপস কুমার মুখোপাধ্যায় স্বয়ং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। তাপসবাবুর যুক্তি ছিল, আগামী বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। কিন্তু ৪ তারিখ তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর নতুন যিনি তাঁর জায়গায় আসবেন, তিনি সেই দায়িত্ব সামলাতে মুশকিলে পড়বেন। তাই আগেভাগেই পদ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন তাপসবাবু। প্রশাসন তাপস মুখোপাধ্যায়ের আবেদনকে মান্যতা দিয়েছে। সংসদের সচিব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাঁকে। শেষমেষ প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে সচিব হিসাবে পেল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে নির্দেশের প্রতিলিপি হাতে না মেলায় এখনই সংবাদ মাধ্যমে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি প্রিয়দর্শিনী।রাজ্যের এক মন্ত্রীর মেয়েকে শিক্ষা প্রশাসনে নিয়োগ ঘিরে জোর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপা এবং কন্যা প্রিয়দর্শিনীর মল্লিকের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল প্রধান বিরোধী দল। বিজেপি-র অভিযোগ ছিল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ করেছিলেন। এর সঙ্গে জড়িত মন্ত্রীর স্ত্রী ও কন্যাও। রীতিমতো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং আয়কর রিটার্ন-এর কাগজপত্র পেশ করে অভিযোগের বিষয়টি জোড়ল করতে চেয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব।

আগস্ট ০২, ২০২৩
রাজ্য

কলকাতায় সিবিআই ডিরেক্টর, গতি বাড়বে তদন্তের?

বুধবার সিবিআই ডিরেক্টর হবার পর প্রথমবার কলকাতায় এলেন প্রবীণ সুদ। বুধবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সোজা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যান প্রবীণ। সেখানে দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি দফায় দফায় বৈঠক করপন। সেখানে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন সিবিআইয়ের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।সিবিআই সূত্রে খবর, কলকাতার সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব শেষে, বিভিন্ন তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়েও আলোচনা শুরু করেন সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ। প্রতিটি মামলাগুলির কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, কি কি তথ্য উঠে এসেছে এবং আদালতের নির্দেশে কোন মামলার গতিপ্রকৃতি কত পর্যন্ত এগিয়েছে সবটাই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চান তিনি। সিবিআই অফিসারদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে তিনি দেন বলে সূত্রের খবর।প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, ইতিমধ্যে সিবিআই এর ভূমিকা নিয়ে আদালত বেশ কয়েকবার উষ্মা প্রকাশ করেছে। হাইকোর্টের এক বিচারপতিকে সম্প্রতি একটি মামলার শুনানিতে বলতে শোনা গিয়েছিল সিবিআই অফিসাররা যদি সঠিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিবিআই-এর বিরুদ্ধে নালিশ করতে বাধ্য হবেন। এখন দেখার বিষয় সিবিআই এর নবনিযুক্ত ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ কলকাতায় আসার পর সিবিআই এর আধিকারিকদের এই রাজ্যে যে সকল মামলা তাদের হেফাজতে রয়েছে তা নিয়ে তাদের পরবর্তী ভূমিকা কি হয়।

আগস্ট ০২, ২০২৩
রাজ্য

আমাকে দেখে হাত নেড়েছেন, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দেখে বেরিয়ে বললেন মমতা

কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন তিনি। তাঁর সিওপিডি আছে। সোমবার তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ভেন্টিলেশন থেকে মুক্ত হলে বাইপ্যাপ সাপোর্টে আছেন বুদ্ধদেববাবু। সোমবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে উডল্যান্ডস হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট দশেক ছিলেন তিনি। কেমন আছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী? উডল্যান্ডস থেকে বেরিয়ে তা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, হাসপাতালে ঢুকেই সোজা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কেবিনের কাছে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে চিকিৎসকদের থেকে বুদ্ধদেবের স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজখবর নেন।পরে সংবাদ মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার যতটুকু মনে হল উনি আমাকে দেখে হাত নাড়লেন। এখন উনি ভালই আছেন, স্টেবল আছেন। বাইপ্যাপ চলছে। ওনার জ্ঞান আছে, বাদবাকিটা উনি কেমন আছেন, এটা যাঁরা এখানে মেডিক্যাল বোর্ডে আছেন, ট্রিটমেন্ট করছেন তাঁরাই বলতে পারেন। আমি তো আর ডাক্তার নই।মুখ্যমন্ত্রীর বলার পরই বুদ্ধদেববাবুর জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এক চিকিৎসকের কথায়, ওনাকে একটু আগেই আমরা ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করতে পেরেছি সাফল্যেপ সঙ্গে। ওনার সব প্যারামিটার স্টেবল আছে। আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভালো আছেন উনি।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ইনভেনসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করে আনা হয়েছে। আপাতত শুধু মাত্র বাইপ্যাপ সার্পোটের উপরেই রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আপাতত ভেন্টিলেশনের বাইরে রয়েছেন তিনি। এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে গিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রক্তদান শিবির বর্ধমানে

রবিবার (৩০/০৭/২০২৩) উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (UUPTWA)পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখার উদ্যোগে টেরেসা ওম ব্লাড সেন্টার এর সহযোগিতায় এক রক্তদান শিবির ও বৃক্ষচারা প্রদান এবং ফোর্টিস হাসপাতাল (Fortis Hospital) এর সহযোগিতায় উস্থী সংগঠনের অভয় গ্রুপ মেডিক্লেম এর বিনামূল্যে স্বাস্থ্যপরীক্ষা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় লায়ন্স ক্লাব অফ বর্ধমান মিডটাউন, ইন্দ্রকানন, শ্রীপল্লীতে।পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৪১ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন ও ৬৬ জন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য অভীক নন্দী ও অমলেশ রায় বলেন যে প্রাথমিক শিক্ষকদের ঐতিহাসিক দিন ২৬/০৭/২০১৯ কে সামনে রেখেই প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও রক্তদান শিবির ও বৃক্ষচারা প্রদান অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এছাড়া আরও বলেন যে উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের গ্রুপ মেডিক্লেম AVAY পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সঙ্কটে, তবু তীব্র বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে

এখনও সঙ্কট কাটেনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। ভেন্টিলেশন সাপোর্টে আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, আগামিকাল সিটি স্ক্যান করা হতে পারে। রাইলস টিউবে খাওয়ানো হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। সুগার নিয়ন্ত্রণে তাঁকে ইনসুলিন দেওয়া হচ্ছে। সচেতন রয়েছেন, ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। শুনতে পাচ্ছেন, জানাচ্ছে মেডাক্যাল বোর্ড। ফুসফুস ও শ্বাসনালীতে সংক্রমণ কাটাতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আগামিকাল আরও রক্তসহ নানা শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এদিন হঠাৎ তাঁর রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছিল। কিডনিতেই সমস্যা রয়েছে বুদ্ধদেববাবুর। এদিকে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তবে তাঁকে নিয়ে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, বুদ্ধদেববাবুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। তবে যাঁরা তাঁকে মহাপুরুষ বানাচ্ছেন সেটাও ঠিক নয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিকিৎসার দিকে নজর রাখছেন। তাঁর এই মন্তব্যকে তীব্র ধিক্কার জানিয়েছেন সিপিএম নেত্রী কনীনিকা ঘোষ। তিনি বলেন, জেলখাটা আসামী এমন কথা বলতেই পারেন। এরা কি মানুষ! লজ্জা হয়। আমি ধিক্কার জানাই। কুণালের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কুণাল ঘোষের শিক্ষা-দিক্ষা, রুচি নিয়ে কিছু বলতে চাই না। উনি যা বলেছেন তিনি তাঁর রুচি অনুযায়ী বলেছেন। আমরা দেখতে গিয়েছি তাতে কারও যদি আদিখ্যেতা মনে হয় কিছু বলার নেই।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভর্তি হওয়ার পর হাসপাতালে গিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। তাঁরা প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রীকে সৎ বলেই আখ্য়া দিয়েছেন। তারপর এদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের বক্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সুত্রপাত হয়।

জুলাই ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, হাসপাতালে গেলেন রাজ্যপাল

অসুস্থ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে শনিবার ভর্তি করা হল হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর অক্সিজেনের মাত্রা ৭০-এর নীচে নেমে গিয়েছিল। কমে গিয়ছিল পটাশিয়ামের মাত্রাও। এদিন সকাল ১১টা থেকেই তাঁর সমস্যা শুরু হয়। সেই কারণেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী, ধ্রুব ভট্টাচার্য, সৌতিক পণ্ডা, সুস্মিতা দেবনাথ, আশিস পাত্র, অঙ্কন বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি বসু ও সরোজ মণ্ডলের মত পালমোনোলজিস্ট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, মেডিসিন-সহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে আট সদস্যের এক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এই মেডিক্যাল টিমই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথা বলেই চিকিৎসা করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সি-প্যাপ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে।তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল শনিবার সংস্কৃত কলেজের অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে তিনি খবর পান। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যান হাসপাতালে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার পর রাজ্যপাল জানান, দক্ষ চিকিৎসকরা তাঁর দেখভাল করছেন। আশা করা যায়, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। সিপিএমের তরফে রবীন দেবও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অক্সিজেনের মাত্রা বর্তমানে স্বাভাবিকের পথে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দিকে। হাসপাতালের তরফে নিয়মিত মেডিক্যাল বুলেটিনে যাবতীয় বিষয়গুলো জানানো হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। টুইট করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও।দীর্ঘদিন ধরেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অসুস্থ। বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। মাঝে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। শ্বাসকষ্ট, সিওপিডিও এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যায় রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটার পর পরিবারের লোকজন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে খবর দেন। তারপরই হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন পাম এভিনিউয়ের বাড়ি থেকে বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ক্রিটিক্যাল কেয়ারের অ্যাম্বুল্যান্সে চাপিয়ে আনা হয় হাসপাতালে। অ্যাম্বুল্যান্সে ছিলেন সপ্তর্ষি বসু-সহ দুজন চিকিৎসকও। এরপর গ্রিন করিডরে অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আনা হয় দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। এদিন বাড়িতে রুটিন চেক আপে ধরা পড়ে মুখ্যমন্ত্রী অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যাপারে বরাবর অনীহা রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।

জুলাই ২৯, ২০২৩
রাজ্য

বুলডোজারের কথা বললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বেআইনি নির্মাণে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ

শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক সিবিআই তদন্তের নির্দেশ থেকে একের পর এক রায়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিচিতি এখন বাংলার ঘরে ঘরে। তিনি দুর্নীতির লড়াইয়ে দমবেন না সেকথা বারে বারে ঘোষণা করেছেন। এবার কলকাতা পুরসভা এলাকায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কি ধরনের পদক্ষেপ করতে তা বোঝাতে বুলডোজার তত্ত্ব সামনে নিয়ে এলেন। কোনও গুন্ডাগিরি বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বিচারপতি।কলকাতা পুর এলাকায় বেআইনি নির্মাণ আটকাতে কীভাবে পদক্ষেপ করতে হবে? শুক্রবার তা বোঝাতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রসঙ্গ টানলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মহানগরে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, দরকার পড়লে যোগী আদিত্যনাথের থেকে কিছু বুলডোজ়ার ভাড়া করুন। সেই সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, কোনও গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না, গুন্ডাদের কীভাবে শায়েস্তা করতে হয় তা আমি জানি।কলকাতা পুরসভা এলাকায় বেআইনি নির্মাণের বহু অভিযোগ রয়েছে। তা নিয়ে মামলাও চলছে বছরের পর বছর ধরে। বেআইনি নির্মাণগুলির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বোঝাতে গিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বুলডোজার শব্দের ব্যবহার বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এদিন কলকাতা পুলিশের গুন্ডাদমন শাখার প্রশংসা করে বলেন, কলকাতা পুলিশের গুন্ডাদমন শাখার আধিকারিকেরা জানেন, কী ভাবে গুন্ডাদের শায়েস্তা করতে হয়। তবে পুলিশ আর পুরসভা নিয়ে আমি কিছু বলব না। আমি জানি তাদের কী বাহ্যিক চাপের মুখে কাজ করতে হয়।

জুলাই ২৮, ২০২৩
রাজ্য

উনি (মমতা) মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন, বিজেপি রাজ্যনেতা করেছে, বললেন শুভেন্দু

একসময় দুজনই একদলে ছিলেন। জনগণ মনো অধিনায়কা বলে বক্তব্য শুরু করতেন। এখন ২ জন সম্মুখ সমরে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করতেই ওয়াকআউট করে পরে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।শুভেন্দুর বক্তব্য, উনি আমাকে মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি আমাকে রাজ্যে নেতা করে দিয়েছে। বিরোধী দলনেতাকে হজম করা মুশকিল তাই ভাববাচ্যে কথা বলছেন। ২০১৮ সালে আমার এলাকা কাঁথিতে ভোট লুঠ করতে দিইনি বলেই উনিশের নির্বাচনে কাঁথি-তমুলকে আপনাকে জিতিয়েছিলাম।২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের সাংসদ হয়েছিলেন। তার আগে ২০১৮-তেও ঘাসফুল ভোট লুট করেছিল বলে ফের সরব বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেছেন, ২০১৮ সালে ভোট লুঠ করেছিলেন বলেই উনিশের লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর, মালদহ উত্তর, বালুরঘাট, রানাঘাট, ব্যারাকপুর, বর্ধমান, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রামে হেরেছিলেন। যাদের ভোট দিতে আটকেছেন তাঁরাই বদলা নেবে।শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জেলার নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি তাঁকে রাজ্যের নেতা করেছে।

জুলাই ২৭, ২০২৩
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের পর্ষদ চেয়ারম্যান মধুসূদন ভট্টাচার্যকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রাথমিকের পোস্টিং দুর্নীতির তদন্তে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে তোলপাড় কাণ্ড। মঙ্গলবার রাতেই অপসারিত পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এরপর বুধবার সকাল থেকে মানিককে দফায় দফায় জেরা চলে। এসবের মধ্যেই এদিন হাইকোর্টে ফের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের তরফে শিক্ষা দফতরের সচিবকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পূর্ব বর্ধমানের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য। শিক্ষকের স্থানান্তর সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, পূর্ব বর্ধমান জেলা শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে আদালতে হলফনামা জমা দিতে হবে। কিন্তু চেয়ারম্যানের পরিবর্তে পর্ষদের একজন আপার ডিভিশন ক্লার্ক এই হলফনামা জমা দেওয়ায় চরম অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। সেই কারণে পর্ষদ চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।কেন তিনি নিজে যাননি? তারওপর আপার ডিভিশন ক্লার্ককে পাঠিয়েছেন দিয়ে হলফনামা জমা দিতে। জবাবে মধুসূদন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, তিনি করোনা ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই তিনি নিজে না গিয়ে অন্য একজন পর্ষদ কর্মীকে দিয়ে হলফনামা জমা করিয়েছেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনাও করেন তৃণমূল বিধায়ক।মধুসূদনের বক্তব্য শুনে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থ হলে পদত্যাগ করুন। অন্য লোক কাজ করবেন। আমি মনে করি আপনি শারীরিকভাবে এই পদে কাজ করতে অপারগ। এরপরই পর্ব বর্ধমানের জেলা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশের দেন বিচারপতি। পাশাপাশি শিক্ষাসচিবকে আদালতের নির্দেশ কার্যকরে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে বলেন।দিল্লি থেকে দুপুরে কলকাতায় ফিরে বিমানবন্দরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রণম্য। আমি আমার রাজনৈতিক পরিচয় সরিয়ে বলছি, উনি সমাজ সংস্কারক। তাঁর একের পর এক নির্দেশ বঞ্চিত হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীদের আশার আলো দেখাচ্ছে। শুধু চাইব দোষীদের শাস্তি হোক।

জুলাই ২৬, ২০২৩
রাজ্য

আপাতত মুক্তি মিলল মালদার দুই নির্যাতিতার, সংবর্ধনা সমাজসেবী সংস্থার

জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মালদার দুই নির্যাতিতা মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হল। মঙ্গলবার মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের সম্বর্ধনা জানানো হয়। নতুন শাড়ি, ফুলের মালা এবং কিছু খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়ে মালদার দুই নির্যাতিতা মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হয় এদিন। উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মধুময় সরকার। উল্লেখ্য, মালদার পাকুয়াহাট এলাকায় চোর সন্দেহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর করার ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এই ঘটনার পর পাল্টা দোষীদের গ্রেপ্তার না করে ওই দুই নির্যাতিতা মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশ দুই মহিলাকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পরে। এদিকে পাকুয়া পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ দিয়ে জেলে পাঠানো হয় দুই মহিলাকে বলে জানা যায়। ঘটনার প্রতিবাদে ঝড় উঠে গোটা জেলা জুড়ে। অবশেষে সোমবার মালদা জেলা আদালত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে। মঙ্গলবার মালদা জেলা সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পান তাঁরা। জানা গিয়েছে, এরপর মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় নির্যাতিতা এই দুই মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে।

জুলাই ২৫, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 62
  • ...
  • 185
  • 186
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফিরে এল পাঁচ বছর আগের স্মৃতি! তৃণমূল কর্মীর বাইকে সওয়ার হলেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রায় পাঁচ বছর আগে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৈদ্যুতিক স্কুটারে চড়ে নজর কেড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি ফের যেন ফিরে এল এবারের ভোট প্রচারে। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম উত্তর কেন্দ্রে রোড শো করতে গিয়ে হঠাৎই দলীয় কর্মীর বাইকে চড়ে প্রচার সারলেন তিনি।দমদম উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সমর্থনে এদিন বিরাটির বণিক মোড় থেকে বিরাটি মোড় পর্যন্ত রোড শো ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে তিনি গাড়িতে করে বিরাটি মিনি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছন। তারপর কিছুটা রাস্তা হেঁটে এগোন। এরপর আচমকাই এক দলীয় কর্মীর বাইকে উঠে পড়েন তিনি। বাইকে চড়েই বাকি পথ পাড়ি দেন এবং সেইভাবেই জনসংযোগ করেন।এই দৃশ্য দেখে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমে যায়। সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। অনেকেই বলছেন, এইভাবেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা পরিচয়।দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচার জোরকদমে চলছে। তৃণমূল নেতৃত্ব একাধিক জেলায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করছেন। কখনও হুগলি, কখনও উত্তর ২৪ পরগনা, আবার সন্ধ্যায় কলকাতাএভাবেই টানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন তাঁরা। তারই মাঝে এই বাইক যাত্রা নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।উল্লেখ্য, একুশ সালের আগে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি গাড়ি নয়, বৈদ্যুতিক স্কুটারে করে নবান্নে যাবেন। সেই মতো কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্কুটিতে চড়ে তিনি নবান্নে পৌঁছেছিলেন। এবার আবার ভোটের মাঝেই বাইকে চড়ে প্রচারে নামায় সেই পুরনো ঘটনার স্মৃতি উসকে দিল।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে মোদি-মমতা নিশানায়! শ্রীরামপুরে রাহুলের বিস্ফোরক আক্রমণ

রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। হুগলির শ্রীরামপুরে শনিবারের সভা থেকে তিনি দুর্নীতির ইস্যুতে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপির উত্থানের জন্য তৃণমূলও দায়ী।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেমন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তেমনই বাংলার তৃণমূল সরকারও দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, নরেন্দ্র মোদি যেমন হিংসার রাজনীতি করেন, তৃণমূলও বাংলায় একই কাজ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন, তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে এবং তাঁকে কতবার জেরা করা হয়েছে।তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে না বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কংগ্রেসই নীতির ভিত্তিতে লড়াই করছে এবং সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও তারা লড়ছে।সভায় তিনি আবারও সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই সব ঘটনায় সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের অবনতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। রাহুলের দাবি, একসময় বাংলা ছিল শিল্পের কেন্দ্র, কিন্তু এখন সেই জায়গা হারিয়েছে এবং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অপরাধে আসানসোলে খুন! সিসিটিভিতে ধরা পড়তেই গ্রেফতার ৩, তীব্র চাঞ্চল্য

আসানসোলে (Asansol) কংগ্রেস কর্মী খুনের ঘটনায় শনিবার তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনা রাজনৈতিক হিংসার নয়। জেলা নির্বাচন আধিকারিক কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন, রাস্তায় গণ্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কংগ্রেস (Asansol) প্রার্থী প্রসেনজিৎ পুইতুণ্ডি দাবি করেছেন, নিহত যুবক দেবদীপ চট্টোপাধ্যায় তাঁর পরিচিত এবং তাঁর হয়েই প্রচার করেছিলেন।প্রসেনজিৎ জানান, শুক্রবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে গাড়িতে ফিরছিলেন দেবদীপ। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। এরপর দেবদীপ গাড়ি থেকে নামলে তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয় (Asansol)। অভিযোগ, দেবদীপ তাঁর নাম করে অভিযোগ জানাবেন বলতেই দুষ্কৃতীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে। লাথি-ঘুষিতে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় তাঁকে। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় বলে দাবি কংগ্রেস প্রার্থীর। তাঁর অভিযোগ, এই দুষ্কৃতীরা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল উত্তর বিধানসভা এলাকার একটি আবাসনে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতেই মারধরের ঘটনা ঘটে এবং শনিবার সকালে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনার পর কংগ্রেস প্রার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আসানসোল দক্ষিণ থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান (Asansol)।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দাউদাউ আগুনে ছাই বস্তি! একের পর এক সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার আক্রা-সন্তোষপুর এলাকায় একটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুনে বহু ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্তত ৪০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মোট ৫০ থেকে ৬০টি ঘর আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শনিবার আচমকা আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আগুনের তীব্রতায় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দূর থেকেও সেই ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। আতঙ্কে বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন।প্রথমদিকে স্থানীয়রাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। জল ঢেলে ও বিভিন্নভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশও পৌঁছে উদ্ধারকাজে সাহায্য করছে।এই অগ্নিকাণ্ডে রেললাইনের ওভারহেড তার পুড়ে যাওয়ায় বজবজ-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গায় নৌকাবিহার ঘিরে মোদিকে তোপ! মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষে তোলপাড় রাজনীতি

উত্তরপাড়ার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গঙ্গায় নৌকাবিহার নিয়ে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি দাবি করেন, সেনাবাহিনীর বিশেষ নৌকায় চড়েই গঙ্গায় ঘুরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই নৌকায় কোনও দুর্ঘটনার ভয় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন নৌকাবিহার করছেন এবং হুগলি নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। তাঁর কথায়, সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই এই সফর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের ঘাটগুলি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে, সেগুলিও নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতীতের একটি ঘটনাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি দাবি করেন, কোভিডের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা পরে মালদহে পাওয়া যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন তিনি।এছাড়া দিল্লির যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গঙ্গা পরিষ্কার রাখতে রাজ্য চেষ্টা করে, কিন্তু কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য মেলে না। ড্রেজিংয়ের জন্য অর্থ দেওয়া হয় না বলেও দাবি করেন তিনি। বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, দিল্লিতে যমুনার দূষণ কতটা বেড়েছে, তা একবার দেখে নেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, যমুনার জল এতটাই দূষিত যে সেখানে নামলে ক্ষতি হতে পারে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! ডায়মন্ড হারবারে ৫ পুলিশ অফিসার সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য রাজনীতিতে

ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পাঁচজন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে তাঁদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার পুলিশ সুপার ড. ইশানি পালকে সতর্ক করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডিশনাল এসপি সন্দীপ গড়াই, এসডিপিও সাজিল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ এবং উস্তি থানার ওসি সুবেচ্ছা বাগ। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত ২২ তারিখে নিযুক্ত পুলিশ অবজার্ভার এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।তবে ঘটনার মধ্যেই নতুন বিতর্কও সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, ওই পুলিশ অবজার্ভার নাকি এক বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে একটি হোটেলে বৈঠক করেছিলেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এর আগে পুলিশ পর্যবেক্ষক পি এস পুরুষোত্তম দাসকে অপসারণের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না এবং ডায়মন্ড হারবার, ফলতা ও মগরাহাট অঞ্চলে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নিচ্ছেন। তৃণমূলের আইনজীবীর দাবি ছিল, বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে তিনি আলাদা করে হোটেলে বৈঠক করেছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়।এই পুরো ঘটনার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে ডায়মন্ড হারবারের প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেই বদলে গেল আবহাওয়া! বাংলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, কোথায় কতটা প্রভাব?

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র গরমের পর এবার রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে ভোটের সময় আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এপ্রিলের শেষ ভাগে রাজ্যে কিছুটা স্বস্তির বৃষ্টি দেখা দিতে পারে। তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।কলকাতার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দুপুর বা বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রাও বেশি থাকবে, যা অস্বস্তি বাড়াতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকদিনের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে, যা ভোটের সময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে মৎস্যজীবীদের জন্যও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশার উপকূলে আগামী কয়েকদিন সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও ভিন্ন। সেখানে ইতিমধ্যেই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ধূপগুড়ি, বানারহাট ও গয়েরকাটা এলাকায় ঝড়বৃষ্টিতে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। বহু জায়গায় গাছ পড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে, বাজার-হাটও প্রভাবিত হয়েছে। কৃষক ও শ্রমিকদের কাজেও বড় প্রভাব পড়েছে এবং ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের মুখে বাংলার আবহাওয়া নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি এলেও ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা ভোটের দিনগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই হাবড়ায় ইডির হানা! একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভোররাতের তল্লাশি

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায় রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই এই অভিযান শুরু হয়। হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডে চাল ব্যবসায়ী সমীর চন্দের বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। অভিযোগ, রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। কোথা থেকে চাল কেনা হয়, কী দামে বিক্রি হয় এবং বাজারে কীভাবে সরবরাহ করা হয়, সেই সমস্ত আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একই দিনে হাবড়ার শ্রীনগর রোডে আরও এক চাল ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে পৌঁছে কিছু সময় বাইরে অপেক্ষার পর ভিতরে ঢুকে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। পরিবারের সদস্যদেরও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় হাবড়ার অন্তত তিনজন চাল ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই একাধিক দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অভিযোগ, রেশন সামগ্রী কালোবাজারিতে বিক্রি করা হচ্ছিল এবং বিপুল আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার ঘটনাও সামনে এসেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই এই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা রয়েছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, যাঁকে এই একই মামলায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল।শনিবার ভোরের এই অভিযানের সময় অধিকাংশ পরিবারই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বারবার দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত অভিযান চলছে বলে খবর।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal