• ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: দুর্যোগ চলবে দিনভর, লক্ষ্মীপুজোতেও রেহাই পাবে না দক্ষিণবঙ্গ

সোমবার রাতভর বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৪১.৭ মিলিমিটার। মঙ্গলবারও সারাদিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোতেও বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই নেই। বুধবারের পর থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকাশুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি চলবে এই কদিন। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।মঙ্গলবার কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর। অর্থাৎ এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। এই দুই জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বুধবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টি না হলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।বৃষ্টি ছাড়াও উপকূলের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওডিশার উপরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে শক্তিশালী পূবালি হাওয়া ঢুকছে রাজ্যে। ফলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Market Price: লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকা

লক্ষ্মীপুজোর আগেই বাজারদরের আগুনের ছ্যাঁকায় নাজেহাল গৃহস্থেরা।দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সোমবার সকাল থেকেই বৃষ্টির মধ্যেই বাজারে বেরিয়েছেন ক্রেতারা। তবে উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ বা পশ্চিম মেদিনীপুরফল, শাকসব্জি থেকে লক্ষ্মীপ্রতিমার দর শুনে আঁতকে উঠেছেন তাঁরা।আরও পড়ুনঃ সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়গৃহস্থের মতোই স্বস্তিতে নেই দোকানি থেকে প্রতিমাশিল্পীরা। অসময়ের বৃষ্টিতে তাঁদের মাথায় হাত। লক্ষ্মীপুজোর আগের কদিন বিক্রিবাটা জমবে তো? বৃষ্টির চোখরাঙানিতে আশঙ্কায় বিক্রেতারা।করোনার আবহে গত বছর পুজোর বাজার তেমন জমেনি। চলতি বছর আশায় বুক বেঁধেছেন দোকানিরা। তবে নিম্নচাপের বৃষ্টি তাতেও জল ঢেলে দিয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বার লক্ষ্মীপ্রতিমার দাম বেশ বেড়েছে। ছোট মূর্তিই ১০০ টাকার আশপাশে। বড় আকারের সাজের প্রতিমার দাম ৬০০-৮০০। খড়ের মূর্তির দর আরও বেশি। তবে ফলের দর তেমন বাড়েনি বলে দোকানিদের দাবি। তাতেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। আপেল বা নাসপাতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা প্রতি ডজন। শাঁকালু প্রতি কেজি ১০০ টাকা। শশা এবং খেজুর কেজি প্রতি যথাক্রমে ৫০-৬০ ও ১২০ টাকা। সোমবার ফল-আনাজপাতির দর শুনে নামমাত্র বাজার সারছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

BJP Murder: উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির জেলা সহ সভাপতিকে খুন

বিজেপির যুব মোর্চার উত্তর দিনাজপুর জেলা সহ সভাপতি মিঠুন ঘোষকে গুলি করে খুন করল একদল দুষ্কৃতী। ইটাহারের দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের রাজবাড়ি এলাকার বাড়ির সামনে তিন দুষ্কৃতী ওই যুব নেতাকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে বাড়ির সামনে লুটিয়ে পড়ে ছিল ওই নেতা। শেষপর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের লোকজনেরা উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।@MedinipurSp (Purba) seems to be in a hurry to pass on judgement before conducting a conclusive investigation. If his assertion is true, why doesnt he release the CCTV footage to the Media?By the way, the twitter handle is unverified, keeping the door open for denial in future. pic.twitter.com/Qdckvb7AHn Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) October 18, 2021রবিবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, ইটাহারে খুন হওয়া ওই ব্যক্তি উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি। কে বা কারা তাঁকে খুন করল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।Shri Mithun Ghosh, District Yuva Morcha Secretary was brutally shot dead by Trinamool goons.One after another opposition activist in West Bengal is being killed in a jihadist manner! Intellectuals are tight-lipped. Death of democracy in West Bengal! pic.twitter.com/FHrBi6UvWC BJP Bengal (@BJP4Bengal) October 18, 2021 ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গুন্ডার হাত রয়েছে বলে মত তাঁর। রাজ্য বিজেপির তরফেও নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।ফের একবার রাজ্যে দলীয় কর্মী হত্যার ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়

রবিবারের বিকেলেই বদলে গেল কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া। কালো মেঘে ঢাকল আকাশ। ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টিতে সোমবারও ভিজবে তিলোত্তমা, এমনটাই খবর৷ ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই বৃষ্টি হবে বলে জানান হয়েছে৷রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি সোমবার থেকে বাড়তে শুরু করেছে৷ সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবারও বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে, হাওয়া অফিস সূত্রে এমনটাই খবর। সোমবার উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কোচবিহার, মালদা ও দুই দিনাজপুরে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে সোমবার খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত। উপকূলের জেলাগুলিতে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস। সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। রবিবারের মধ্যেই মাঝ সমুদ্র থেকে তাদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫.৭ মিলিমিটার।মৌসম ভবনের তরফে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে দুটি নিম্নচাপ রয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে রয়েছে একটি নিম্নচাপ। অন্য নিম্নচাপটি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ দক্ষিণ ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান। শক্তি হারাচ্ছে নিম্নচাপটি। অভিমুখ উত্তরপ্রদেশ। ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যুও। শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। রবিবারের বুলেটিনে দুক্ষেত্রেই পারদ উপরের দিকে উঠেছে। একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একই সময়ের মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬৩৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৮টি। পজিটিভিটি রেট ২.৩০ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যএক লাফে কলকাতার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। মারা গিয়েছেন চারজন। শনিবার ১০৮ জন কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। একজনের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিংয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা তিন করে। হুগলিতে দুজন করোনার বলি হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন একজন।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Durgapuja Vandalism: বাংলাদেশের পথেই এগোচ্ছে বাংলা – কেন এমন বললেন দিলীপ-শুভেন্দুরা?

একুশের নির্বাচনের সময় প্রচারে বিজেপি নেতারা বলেছিলেন বাংলায় দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হয় না। এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক দাবি শুধু বাংলাদেশেই নয় বাংলাতেও প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের ঘটনাকে সামনে এনেছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি লিখেছেন যারা বাংলাদেশের দুর্গাপুজোর উপর হামলা নিয়ে খুব চিন্তিত, তারা কি জানেন যে খোদ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডের একটি পুজোর দুর্গা প্রতিমা কিছু দুষ্কৃতী এসে ভেঙে দিয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্যের পুলিশ ও তার উচ্চ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তড়িঘড়ি প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করে। তবে কী পশ্চিমবঙ্গ এবার বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে?একই সুরে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীইও। টুইট করে তিনি বলেছেন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ সবটা দেখেছে। এখন কোথায় গেল সব বুদ্ধিজীবীরা?

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া

দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও বৃষ্টির বিরাম নেই। লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি। শনিবার মাঝরাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। রবিবারও বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরে আজ ভারী বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি ওই নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার সন্ধে থেকে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টিপাতের ফলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় এরকমই আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ১৯ তারিখ থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আওয়া দপ্তর।টানা বৃষ্টিতে ফের দুর্যোগ, দুর্ভোগের আশঙ্কা। দ্বাদশীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো বাতাসও। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভারী বৃষ্টি হলে লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। ক্ষতি হতে পারে ধানেরও।পুজোর আগে থেকেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কপালে ভাঁজ উপকূলবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দাদের। পূর্বাভাস সত্যি করেই দশমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়। কলকাতায় বৃষ্টি নামে শুক্রবার সন্ধ্যা হতেই। এবার ফের জোড়া নিম্নচাপের জের। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। এই মুহূর্তে নিম্নচাপটি মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর রয়েছে। যা ধীরে ধীরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে। তবে তার থেকেও উল্লেখ্য, এই দুই দিন ঝোড়ো বাতাস বইবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Mother: দেবী পক্ষে অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দুর্দশায় ফেলে পালালো গুণধর ছেলে

দেবী পক্ষে বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালো গুনধর পুত্র। অসুস্থ বৃদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন ভরসা পূর্ব বর্ধমানের গলসির নবখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা।নিজের ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কান্তি তাঁর বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালেও বৃদ্ধাকে মাতৃস্নেহে আগলে রেখেছেন নবখন্ডের বাসিন্দারই। তাঁরা পুলিশের কাছে বৃদ্ধার নিষ্ঠুর ছেলে সুপ্রিয়র কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দারা পাশে থাকলেও নিজের গর্ভের সন্তানের এমন দুর্ব্যাবহার মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না বৃদ্ধা। তাই প্রতিনিয়ত চোখের জল মুছতে মুছতে বৃদ্ধা মমতাদেবী ঈশ্বরের কাছে মুক্তি প্রার্থনা করে চলেছেন। নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, নবখন্ড গ্রামের বাড়িটি বৃদ্ধার দেশ বাড়ি। হাওড়ার বকুলতলা থানার দক্ষিণ বাকসারার কেঠোপুল এলাকায় বৃদ্ধার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা এখন থাকে। বৃদ্ধার ছেলে সুপ্রিয় বার্জার পেন্টস কোম্পানীতে মোটা টাকা মাস মাইনের চাকরি করেন। বৃদ্ধার স্বামী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাওয়ার পর সুপ্রিয় সেই চাকরিতে যোগ দেয়। কয়েকবছর আগে দুর্ব্যবহার করে সুপ্রিয় নিজের বৃদ্ধা মাকে হাওড়ার বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর থেকে অসুস্থ শরীর নিয়ে এক প্রকার অনাহারেই নবখন্ড গ্রামের বাড়িতে থাকছিলেন বৃদ্ধা মমতাদেবী। বৃদ্ধার অসুস্থতা বাড়লে প্রতিবেশীরা বৃদ্ধার ছেলেকে ফোন করে বৃদ্ধার চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা কার কথা বলেন।চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গত ৫ অক্টোবর সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মাকে হওড়ায় নিয়ে যায়।চিকিৎসা করিয়ে সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মায়ের শেষ সম্বল টুকুও হাতিয়ে নেয়। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে মাকে চাপিয়ে নিয়ে এসে সুপ্রিয় নবখন্ড এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স দাঁড় করিয়ে একটু আসছি বলে নেমে পড়ে গুনধর ছেলে সুপ্রিয় পালিয়ে যায়। রাত্রি দেড়টা পর্যন্ত ছেলে সুপ্রিয় আর ফিরে না আসায় অ্যাম্বুলেন্স চালক বৃদ্ধাকে তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌছে দেয়। পরদিন সকালে ওই বাড়ির বাইরে বৃদ্ধাকে কাতরাতে দেখে প্রতিবেশীরা তাঁকে পুুরসা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।অ্যাম্বুলেন্স চালক অচিন্ত্যকুমার মন্ডল বলেন, হাওড়ায় চিকিৎসা করতে নিয়ে গিয়ে মমতা দেবীর পরনের কাপড়, নগদ টাকাকড়ি ও সোনা হাতিয়ে নিয়ে কেটে পরেছে তাঁর ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়। অমানবিক এই ঘটনার জানার পর প্রতিবেশীরা সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে গলসি থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করেছেন। বৃদ্ধা মায়ের প্রতি এমন নির্মম ব্যবহারের কারণ জানতে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Teachers at Doors: পূর্ব বর্ধমানে ’দুয়ারে শিক্ষক“-এ শিক্ষকদের মানবিকতা ও মাতৃভক্তির পাঠ মন্ত্রীর, তুঙ্গে বিতর্ক

দুয়ারে শিক্ষক শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের মাানবিকতা ও মাতৃভক্তি সংক্রান্ত পাঠ বিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রবীন্দ্র পরিষদে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, করোনা অতিমারিতে শিক্ষকরা ঘরে বসেই প্রতি মাসের বেতন পেয়ে গেছেন। তাঁরা নিজের পরিবারের জন্য নিয়মিত বাজার করেছেন। কিন্তু অতিমারিতে দুঃস্থ মানুষের পাশে শিক্ষকরা সেভাবে দাঁড়াননি। এটা তিনি লক্ষ্য করেছেন বলে স্বপন দেবনাথ জানান। একই সঙ্গে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষকরা মাটির দুর্গাকে প্রণাম করেন, পুষ্পাঞ্জলি দেন। কিন্তু নিজের বাড়িতে মাকে অভুক্ত রাখেন। বাড়িতে বসে থাকা জ্যান্ত মা কেন অভুক্ত থাকবেন? কেন অনাদরে পড়ে থাকবেন? মন্ত্রী দাবি করেন, নিজের মাকে অনাদরে রাখার সংখ্যা কম নয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন শিক্ষকদের উপদেশ দেন, দুর্গামাকে প্রণাম করুন। কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু গর্ভধারিণী মাকে যেন অভুক্ত রাখবেন না। জ্যান্ত মাকে হাসিখুশি রাখুন। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রীর করা এমন মন্তব্য শিক্ষক মহলে যেমন শোরগোল ফেলে দিয়েছে তেমনই তৈরি হয়ছে বিতর্ক।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যঅনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পুজোর সময়ে শিক্ষকদের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান। স্বপনবাবু বলেন, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক মিলিয়ে জেলায় ২০ হাজারের বেশী শিক্ষক রয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষক যদি দুটো করে জামা-প্যান্ট দুঃস্থ শিশুদের কিনে দেন তাহলে অনেক শিশু পুজোয় নতুন জামা পরতে পারবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকগণ মন্ত্রীর এই আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন ঠিকই। তবে মন্ত্রীর করা বাকি বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।আরও পড়ুনঃ রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহজেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক বিশ্বনাথ সাহা এদিন দাবি করেন, করোনা অতিমারির সময়ে কাটোয়ার বিধায়কের উদ্যোগে কাটোয়ার শিক্ষকরা সর্বোতভাবে দুঃস্থ মানুষ জনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সদস্য কৌশিক দে দাবি করছেন, করোনা অতিমারি কালে শিক্ষকরা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজেদের সাধ্য মতো দান করেছেন। বহু শিক্ষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারপরেও মন্ত্রী তাঁর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে গোটা শিক্ষক সমাজকে ছোট করলেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Electric Shock: চাষের জমিতে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মৃত কৃষক

ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তার দশদিন ধরে পড়েছিল চাষের জমিতে। সেই তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শুক্রবার মারা গেলেন এক প্রান্তিক চাষি। মৃতর নাম সুকান্ত বাগ (৫৮)। মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার নবস্তা ১ পঞ্চায়েতের বেগুট গ্রামে। চাষির এমন অকাল মৃত্যুর জন্য বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিকে দায়ি করে এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবার-পরিজন ও এলাকাবাসী।বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে সন্ধ্যার মুখে চাষির মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই চাষির মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ চাষির মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাষি সুকান্ত বাগ এদিন সকালে চাষের জমিতে যান। তখনই তিনি মাঠে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন। মৃতর ছেলে উত্তম বাগ জানিয়েছেন, দশ দিন আগে ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনের বিদ্যুতের তার গ্রামের চাষ জমি এলাকায় ছিঁড়ে পড়ে। সেই ঘটনার কথা গ্রামবাসীরা বহুবার বিদ্যুৎ দফতরে জানায়। কিন্তু বিদ্যুৎ দফতর কোনও হেলদোল দেখায়নি। উত্তম বাগ বলেন, এদিন সকালে তাঁর বাবা ধান জমিতে কীটনাশক ছড়াতে যান। ছিঁড়ে পড়ে থাকা ওই বিদ্যুতের তার তখন কোনওভাবে তাঁর বাবার শরীর ঠেকে যায়। উত্তম বাগ দাবি করেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জমিতেই পড়ে থাকেন তাঁর মৃত বাবা। সেই কথা কেউ জানতেও পারেননি। অনেকটা দুপুর পর্যন্ত সুকান্তবাবু বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ শুরু করেন। তখন জমিতে গিয়ে তাঁরা দেখেন সেখানেই তাঁর বাবা মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। এই ঘটনার কথা তিনি গ্রামবাসীদের জানালে গ্রামবাসীরা তৎক্ষণাৎ বিদ্যুৎ দফতরে খবর দেয়। বিদ্যুৎ দফতরকে খবর দেওয়ার পর প্রায় তিন ঘন্টা বাদ বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। তারা ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর সন্ধ্যার মুখে সুকান্ত বাবুর মৃতদেহ জমি থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে ছেলে উত্তম বাগ জানিয়েছেন। এলাকার অপর চাষি ধীরেন বাস্কে ও অনুজ হাজরা বলেন, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতির জন্যই তাঁদের এলাকার এক চাষিকে অকালে প্রাণ খোয়াতে হল। তার ছিঁড়ে যাবার পর বিদ্যুৎ দফতর যদি দ্রুত ব্যবস্থা নিত তাহলে সুকান্ত বাগকে এইভাবে প্রাণ খোয়াতে হত না।এদিনের ঘটনার পর নবস্তার বিদ্যুৎ দফতরের অফিসে যোগাযোগ করা হলে কেউ সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। তবে এলাকার বিধায়ক নিশীথ মালিক এদিন স্পষ্ট জানান, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিতেই ওই চাষির মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎ দফতরের অফিসাররা তাঁর কাছে এই গাফিলতির কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ দফতর ওই চাষি পরিবাকে সহায়তা প্রদানের আশ্বাসও তাঁকে দিয়েছে। ব্লক প্রশাসনও চাষি পরিবারকে সরকারি অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে বলে নিশীথ মালিক জানিয়েছেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Murder: রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ

রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হল নিখোঁজ এক যুবকের মৃতদেহ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শুক্রবার চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতর নাম শাহাজান শেখ(৩৩)। তাঁর বাড়ি স্থানীয় নসরতপুর পঞ্চায়েতের পারুলডাঙ্গা গ্রামের পূর্বপাড়ায়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পরিবারের সদস্যরা আশঙ্কা করছেন যুবককে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ রেল লাইনের ধারে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরাপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় তাঁত শ্রমিক ছিলেন শাহাজান শেখ। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও চার শিশু সন্তান ছাড়াও অন্য সদস্যরা রয়েছেন। পরিবার সদস্যরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে শাহাজান বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেনি। সারারাত নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার সকালে রেল লাইনের ধারে শাহাজানের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পড়ে থাকে। সেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করেন। মৃতের ভাই আহম্মদ শেখ জানান, সমুদ্রগড় স্টেশনের ৪ নম্বর লাইনের ধারে তাঁর দাদার মৃতদেহ পড়েছিল। ওই লাইন দিয়ে কোনও ট্রেন চলে না। সেই কারণে তাঁরা মনে করছেন কোনও দুর্ঘটনায় তাঁর দাদা শাহাজান শেখ মারা যায়নি। তাঁর দাদাকে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ ওই লাইনের ধারে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। শাহাজানের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দাবি করেছে পরিবার।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Allegations against RPF: আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরা

দাবি মতো টাকা দিতে অস্বীকার করায় এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠলো আরপিএফের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকালে ব্যাপক ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী স্টেশান এলাকায়। ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষজন আরপিএফের জুলুমবাজির প্রতিবাদে ট্রেন আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেন। তা নিয়ে স্টেশন চত্ত্বরে উত্তেজনা চরমে ওঠে। সেই খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার আইসির নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী ও পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভ সামাল দেন। আরপিএফের মারধরে জখম সেলুন মালিক জুয়েল শেখকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় পূর্বস্থলী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। প্রতিবাদে এদিন দুপুর পর্যন্ত জারি থাকলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকে।পূর্বস্থলী স্টেশন বাজার এলাকার ব্যবসায়ী বিজন দত্ত এদিন বলেন, গত দুবছর ধরে রেল স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ীদের উপরে চুড়ান্ত জুলুমবাজি চালানো শুরু করেছে আরপিএফ। দোকানে একটা পেরেক পুঁতলেও আরপিএফকে পয়সা দিতে হয়। এদিন পূর্বস্থলী স্টেশন বাজারে থাকা সেলুনের মালিক জুয়েল শেখ তাঁর দোকানের একটি ঝাঁপ সারানোর প্রস্তুতি নিতেই আরপিএফ পরিচয় দিয়ে কয়েকজন তাঁর কাছে এসে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে। জুয়েল শেখ তা দিতে অস্বীকার করায় আরপিএফ বাহিনী তাঁকে প্রচণ্ড মারধর শুরু করে। এমনকি জোরপূর্বক জুয়েল শেখকে সকালের আপ ট্রেনে চাপিয়ে নিয়ে আরপিএফ অফিসে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে আরপিএফ বাহিনী। তা দেখে সমস্ত ব্যবসায়ীরা রুখে দাঁড়ায়। তাঁরা আপ ট্রেন অবরোধ করে রাখেন। মিনিট দশেক অবরোধ চলে। সেই খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার আইসি এবং পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌছান। তাঁদের সাথেও আরপিএফ বাহিনী বাকবিতণ্ডা শুরু করে দেয়। প্রতিবাদ চরম আকার নিলে শেষ পর্যন্ত জুয়েল শেখকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আরপিএফ।এর পর জুয়েলকে পূর্বস্থলী ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়। অপর বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা চাঞ্চল্যকর অভিযোগে এনেছেন আরপিএফের বিরুদ্ধে। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার সবজি চাষিদের মান্থলি টিকিট করা থাকে। তবুও তাঁরা যখন সবজি অন্যত্র বিক্রি করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রেনে তোলেন তখন চাষিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকার দাবি করে আরপিএফের লোকজন। টাকা না দিলে ট্রেনে সবজি তুলতে দেওয়া হয় না। আরপিএফের এমন কাজ-কারবারের জন্য চাষিদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এদিনের ঘটনার প্রতিবাদে স্টেশন এলাকার সবজি বাজার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা। এদিনের ঘটনা নিয়ে আরপিএফ বাহিনীর কোন সদস্য সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা বলতে চাননি। তবে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় আরপিএফের বিরুদ্ধে এদিন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি জানান, আরপিএফ সাধারণ মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। তা জানার পর এদিন সকালে তিনি স্টেশন বাজারে এসেছিলেন। আরপিএফ বাহিনী তাঁর সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেছে। আরপিএফ যে অরাজকতা চালাচ্ছে তা চলতে দেওয়া হবে না বলে বিধায়ক স্পষ্ট জানিয়েদেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

crops wasted: শষ্যগোলা পূর্ব বর্ধমানে কোটি কোটি টাকার ফসল নষ্ট, মাথায় হাত কৃষকদের, রইল বিস্তারিত তথ্য

নিম্নচাপের জেরে হওয়া বৃষ্টিপাত ও জলাধার থেকে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়ার ফলে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ফসলের ক্ষতির পরিমাণ ১৯৩ কোটি টাকা ছাড়ালো। এছাড়াও ক্ষতি হয়েছে সেচ দফতরেরও। তাদের ক্ষতির পরিমাণ ১০ কোটি টাকা। সব থেকে বেশী ক্ষতি হয়েছে জেলার অজয় তীরবর্তী এলাকায় ধান ও আনাজ চাষে। আনাজে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্যোগের কারণে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ব্লক দফতর থেকে পাঠানো রিপোর্ট অনুযায়ী জেলায় ৭১৮ টি বাড়ি পুরোমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১৩০০ টি বাড়ির। প্রণী দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গরু মারা গিয়েছে ১৮ টি। ২২০০টি মুরগি খামারের ক্ষতি হয়েছে। সেচ দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী জেলায় তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১০ কোটি টাকা।সেচ দফতরের দাবি, দামোদরের জলে গলসি, খণ্ডঘোষে ও ভাগীরথীর ধারে অগ্রদ্বীপে বাঁধের যে ক্ষতি হয়েছে তারই পরিমাণ ২কোটি টাকা। এছাড়াও অজয়ের জলের তোড়ে আউশগ্রামের সাঁতলা ও কেতুগ্রাম ২ ব্লকে চারটি জায়গাতে বাঁধ ভেঙেছে। পাশাপাশি মঙ্গলকোটের নবগ্রাম, পালিগ্রামেও বাঁধের ক্ষতি হয়েছে। কেতুগ্রামের অংশ বাদ দিয়ে আউশগ্রাম ও মঙ্গলকোটের প্রায় ৩ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কার ও তৈরির জন্য পাঁচ কোটি টাকা খরচ ধরেছে সেচ দফতর। এই কাজ খুব দ্রুত শুরু করতে চাইছেন সেচ দফতরের কর্তারা।জেলা কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়ের বাঁধ ভেঙে কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ার কারণে আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট ও কেতুগ্রামে কৃষিজমির প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। ওই সব এলাকায় জমিতে বালি ও পলি পড়ে গিয়েছে। জলে ভেসে আসা পানা মঙ্গলকোটের জমিতে জমে গিয়ে চাষের ক্ষতি করেছে।জেলা কৃষি দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী জেলার মোট ১৬টি ব্লকের ৬২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪০৪টি মৌজায় চাষজমি ক্ষতির মুখে পড়েছে। ওই সব এলাকার আউশ ধানের চাষ হওয়া ১৪৪ হেক্টর জমির মধ্যে ১১২ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫৬০ টন আউশ ধানের ক্ষতি হয়েছে। যার ক্ষতির পরিমান ১০ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা। একই ভাবে আমন চাষ হওয়া ৪০০০৪ হেক্টর জমির মধ্যে ২০০০৮ হেক্টর জমির চাষে ক্ষতি হয়েছে। আনাজ চাষ হওয়া ৯৮৭ হেক্টর জমির মধ্যে ৫১৩ হেক্টর পরিমাণ জমির আনাজ চাষের ক্ষতি হয়েছে। ১ লক্ষ ৪০ টন আমন ধানে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যার আর্থিক ক্ষতি ধরা হয়েছে ১৮৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ২০০ টাকা। কৃষি দফতরের আশঙ্কা ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Memari Samabay: পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে মেমারির সমবায়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা

দোরগোড়ায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। তার প্রাক্কালেও জমানো টাকা তুলতে পারছেন না উপভোক্তারা। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটি-তে বিক্ষোভ দেখালেন উপভোক্তারা। এমনকি অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া থেকেও সমবায়ের কর্মীর পরিজনরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। যদিও সমবায় কর্তৃপক্ষ সমবায়ের আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েই দায় এড়াচ্ছেন।গোপ গন্তার সমবায়ের পরিচালনার সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত অমল ঘোষ বলেন, বিভিন্ন ব্যাপারে সমবায় সমিতি তাঁদের সদস্যদের ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ বাবদ সমবায় সমিতির সদস্যদের দেওয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে রয়েছে। সেই টাকার সুদও নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে না। সুদ নিয়মিত পাওয়া গেলে আমানতকারীদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকবে না। সমবায়ের একাধিক কর্মী এদিন বলেন, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা শোধ করতে চাইছেন না। এরজন্য তাঁদের বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। এইসব কারণে গত বছর থেকে তাঁদের সমবায় সমিতি আর্থিক দুরাবস্থায় ধুঁকছে।এদিন গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটিতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দা তথা সমিতির অবসরপ্রপ্ত কর্মী রজত সিংহের স্ত্রী সুপ্রিয়াদেবী। তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তাঁর স্বামীর অবসরকালীন টাকা পাওয়ার জন্যে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক আমানতকারী তাঁদের জমানো টাকা পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে নিদারুন অসুবিধার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। এমনই এক আমানতকারী সুব্রত রায় বলেন, তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে। পুজোর প্রাক্কালে প্রয়োজন মতো টাকা তুলতে না পারায় তিনি তাঁর মায়ের পুজোর শাড়ি, জামা কিনে উঠতে পারেননি।ক্ষোভের যেন কোনও শেষ নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম শেখ, নূরবানু শেখরা জানান, বহু কাকুতি মিনতি করে সমবায় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকার বেশি পান না। শঙ্করপুরের বাসিন্দা কাকলি টুডু একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সমবায়ে টাকা জমা রেখে তিনি মহা ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেলেও টাকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিয়ের দিন ঠিক করতে পারছি না। সমবায়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসা অন্য অনেক আমানতকারী আবার বলেন, সার কেলেঙ্কারির কোনও সুরাহা এখনও এই সমবায় ব্যাঙ্ক করেনি। সমবায় থেকে সমবায় সার না কিনেও অনেককে টাকা মেটাতে হয়েছে। তাছাড়াও নিয়োগে দুর্নীতি, অডিট রিপোর্টে গন্ডগোল, কোনও নথি ছাড়াই ঋণ দেওয়ার ফলে এখন আমানতকারীদের ভুগতে হচ্ছে। সমবায় সমিতির জেলার এআরসিএস(রেঞ্জ ১) সত্যজিৎ মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, সমবায় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Sarbamangala Temple: ৩০০ বছরের পুরনো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিষ্ঠার সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গে দামামা বাজল শারদ উৎসবের

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে নবমী পর্যন্ত চলবে পুজো। তবে রাজ আমলের রীতি মেনে পুজো হলেও কোভিড বিধি মেনে এবারও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় জমানোয় নিষেধাঞ্জা বলবৎ রেখেছে সর্বঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ড। বৃহস্পতিবার রীতি মেনে বর্ধমান শহরের কৃষ্ণসায়র থেকে রুপোর ঘটে জল ভরে সেই ঘট ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নিয়ে যাওয়া হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত অরুণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্বমঙ্গলার জন্য ঘটে জল ভরে আনার নিয়ম রয়েছে। কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সেই ঘট মন্দিরে নিয়ে গিয়ে এদিন প্রতিষ্ঠা করা হল। কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট আনার জন্য শোভাযাত্রা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোহিত জানান, ঘটস্থাপনের পর থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো চলবে। সঙ্গে হবে চণ্ডীপাঠ ও দেবীকে ভোগ নিবেদন। সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজো শুরু নিয়ে বর্ধমানে নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত কাহিনী অনুসারে জানা যায়, বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায়, সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোলা নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি। সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে এসে সর্বমঙ্গলা নামে পুজো শুরু করেন। ঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করান। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারও মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যাঁর দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপের সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯-তে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন, তাঁদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন ও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে। আগে সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন আর হয় না। পূর্বে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোয় কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। নবমীতে নব কুমারি মায়ের পুজোর রীতি আজও চালু রয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Durga Puja: সম্প্রীতির অনন্য নজির, মন্ডপে মন্ডপে ঠাঁই পায় নূর মহম্মদের প্রতিমা

সম্প্রীতির এ এক অনন্য নজির। মুসলিম কারিগড়ের তৈরি দুর্গা মূর্তি পুজিত হচ্ছে মন্ডপে মন্ডপে। নিজ সম্প্রদায় থেকে বাধা এলেও তাকে পাত্তা দেননি। বরং সম্প্রীতির উদাহরণ টেনে তাঁদের বোঝাতে চেষ্টা করেছেন। অন্য়দিকে মূর্তি গড়ার কাজ করেছেন একাত্ম হয়ে। কয়েক দশক ধরেই এই মৃৎ শিল্পীর কদর রয়েছে জেলাজুড়ে।পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নূর মহম্মদ চৌধুরী। প্রাথমিক বিদ্য়ালয়ে পড়ার সময় থেকেই মূর্তি গড়ায় হাতেখড়ি। খেলার ছলে ছোট্ট নূর পুরনো কাঠামোয় বানিয়েছিল প্রতিমা। নূর মহম্মদ বলেন, প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম। তখন বিভিন্ন প্যান্ডেলে পুজো হতো। প্রতিমা দেখতে যেতাম। সেই দেখতে দেখতে মনের ইচ্ছা জাগলো যে প্রতিমা বানাবো। পুরনো কাঠামো তুলে এনে খেলার ছলে প্রতিমা বানিয়ে ফেললাম। তারপর শিল্পী রাধাকৃষ্ণ সামন্তের সঙ্গে যোগোযোগ হয়। ওনার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিমা গড়া শুরু করি। এখন বিভিন্ন ক্লাব, বিভিন্ন গ্রামের পুজোর প্রতিমা গড়ার কাজ করছি।স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে তাঁকে সঙ্গত দেনভিন ধর্মের হওয়ায় কোনও দিক থেকে বাধা আসেনি? বছর পঞ্চান্নর নূর মহম্মদের কথায়, বাধা যে একেবারে আসেনি তা নয়। আমাদের ধর্মের মৌলানারা একটু আধটু বাধা দিয়েছিলেন। আমি তাঁদের বোঝালাম, নজরুল ইসলাম যদি মুসলিম হয়ে শ্যামাসঙ্গীত গাইতে পারেন, ভক্তিমুলক কৃষ্ণের গান গাইতে পারেন, তাহলে আমি কেন মূর্তি বানাতে পারব না। বাংলাদেশের গোলাম রসুল বাউল শিল্পী। অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। না বুঝলে সেটা তাঁর ব্যাপার। তবে বাড়িতে কোনও সমস্যা নেই। বাড়ি থেকে বাবা-মা খুব সমর্থন করেছেন। এখন তো বাড়ির সবাই এর পিছনে কাজ করছে। দরকারে কাদা লেপে দিচ্ছে। এই মৃৎ শিল্পী জানান, এবার মোট ৮টা প্রতিমা তৈরি করছেন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুকয়েক দশক ধরে নূর মহম্মদের প্রতিমা পুজিত হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের মন্ডপে মন্ডপে। তাঁর স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে যোগ্য সঙ্গত দেন। তিনি বলেন, বাড়ির কাজ আছে, লোকজনের রান্না আছে, তার বাইরে সময় পেলে কাজ করি। আমি সাপোর্ট না করলে কে করবে? আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই কাজ করে সংসার চালাই আমাদের ভাল লাগবে না? আমার বাবা জেনেই এই পরিবারে বিয়ে দিয়েছেন। প্রতিমা বানায় বলে অনেকে বাবাকে মেয়ে দিতে বারন করেছিল। কথা না শোনায় বাবাকে একঘরেও করেছিল।প্রতিমা তৈরি করলেও নিজ ধর্মের প্রতি অবহেলা করেন না নূর মহম্মদ। নিয়ম করে নামাজ পড়েন। মসজিদেও যান। ধর্মীয় ভেদাভেদ নয়, মানুষ মানুষকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিক, এটাই চান নূর মহম্মদ।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Brutal Torture: প্রেমিকের নৃশংস নির্যাতনে গুরুতর জখম প্রেমিকা-মন্তেশ্বরে গ্রেপ্তার প্রেমিক

প্রেমিকের প্রতিশোধের আগুনে কখনও মুখ পুড়েছে প্রেমিকার। আবার কখনও ব্যর্থ প্রেমিকের হাতে খুন হতে হয়েছে প্রেমিকাকে। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে আদিবাসী মহিলার উপর হওয়া নৃশংস অত্যাচারের কাহিনী এইসব কিছুকেই হার মানিয়ে দিয়েছে। বছর ৩৫ বয়সী আদিবাসী মহিলার সঙ্গে বিরোধ তৈরি হওয়ায় তাঁর উপর হাড়হিম করা নির্যাচন চালয় প্রেমিক সুনীল টুডু। নির্যাতন চালিয়ে প্রেমিকার গোটা শরীর ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েই খান্ত হয়নি প্রেমিক সুনীল।মুগুর জাতীয় কিছু দিয়ে যৌনাঙ্গে আঘাত করেও প্রেমিকাকে চুড়ান্ত ভাবে তিনি ঘায়েল করে দিয়েছে। এমনকি জলে মুখ ডুবিয়ে তিনি তাঁর প্রেমিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলার মুখ থেকে এমন অত্যাচারের কাহিনী শোনার পর মঙ্গলবার পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা জানার পর শিউরে উঠেছেন মন্তেশ্বরের বাসিন্দারা। তারা সুনীল টুডুর কঠোরতম শাস্তির শাস্তির দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনীল টুডুর বাড়ি মন্তেশ্বরের মামুদপুর ১ পঞ্চায়েতের পুরুনিয়া গ্রামে। তাঁর প্রেমিকার বাড়ি জেলার নাদনঘাট থানা এলাকায়। তাঁর সন্তান রয়েছে। বছর দেড়েক আগে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী। মহিলা খেত মজুরির কাজ করেন। মাস ছয় আগে মহিলার সঙ্গে সুনীলের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তার পর থেকে আদিবাসী ওই মহিলা সুনীলের সঙ্গেই থাকা শুরু করেন। কিন্তু সম্পর্কে চিড় ধরায় দু জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। মহিলা রাগারাগি করে নাদনঘাট চলে যান। সুনীল রবিবার তাঁর প্রেমিকাকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনতে নাদনঘাটে যান। মহিলা সুনীলের সঙ্গে আসতে প্রথমে রাজি হয়নি।পরে নানারকম বুফিয়ে রবিবার সুনীল তাঁর প্রেমিকাকে নাদনঘাট থেকে মন্তেশ্বরে নিয়ে আসেন।ওইদিন সন্ধ্যায় পুরুনিয়া গ্রামে ঢোকার মুখে দুজনের মধ্যে ফের ঝামেলা বাঁধে। তখনই সুনীল তাঁর প্রেমিকার উপর চড়াও হয়ে হাড়হিম করা নির্যাতন চালায়। নিজের এই কুকীর্তি আড়াল করতে পরদিন সকালে সুনীল স্থানীয়দের কাছে দুস্কৃতী হামলার গল্প বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করে । কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওই মহিলার সঙ্গে পুলিশ কথা বলে। জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে জানায় তাঁর ওপর এমন অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে সুনীল টুডু। এরপরেই পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। কেন সুনীল মহিলার উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চালালো তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 141
  • ...
  • 196
  • 197
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন’— মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চাঞ্চল্য

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন।একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেলেন না সরকারি কর্মীরা? আমি তো সব পরিষ্কার করে দিয়ে এসেছিলাম।এই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়কার একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমি ২০১৬ সালে মন্ত্রী হই। ২০১৯ সালে আমি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে পে কমিশনের টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি হয়নি। আমি বলি, সেটা ভুল কথা। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন।শুভেন্দুর দাবি, তখন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন যে অর্থমন্ত্রী তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বারণ করেছিলেন, কারণ সরকারের কাছে টাকা ছিল না। তিনি বলেন, আমি তখনই বলেছিলাম, রিপোর্টটি দিয়ে দিন।পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বহুদিন পেন-ডাউন আন্দোলনও চলেছে।এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ২০২০ সালে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডিএ তুলে দেওয়া হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই লড়াইয়ে আমারও ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। যারা থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা পান, তাঁদের বিষয়টিও আমরা দেখছি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমানো হবে। অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে, আবার কেউ কেউ ১০ শতাংশের কথা বলছিলেন। আমরা কোনওটাই করিনি। হিসাব করে যা দেওয়া হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাকি অংশও পূরণ করা হবে।তাঁর এই আশ্বাসে সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘বিজেপির পাশবালিশ হয়ে যান’— ঋত শিবিরকে মমতার কড়া বার্তা

এবারের ২১ জুলাইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ভিন্ন ছবি সামনে এল। একদিকে মেয়ো রোডে বিদ্রোহী ঋত শিবিরের কর্মসূচি, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভা। একই সময়ে দিল্লিতেও বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের উদ্যোগে একুশে স্মরণ পালন করা হয়। সব মিলিয়ে দলের ভিতরের বিভাজন প্রকাশ্যে চলে আসে।কালীঘাট তৃণমূলের মঞ্চ থেকে বিদ্রোহী শিবিরকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়। ভিড়ের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষও।কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে ফাঁকা চেয়ার। বিজেপিকে ফোন করে লোক আনার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের প্রতীকে জিতে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বাংলার মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী একজন, বাকি আমরা সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ও প্রতীকের বিরুদ্ধে কেউ গেলে তার কোনও জায়গা নেই।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী শিবিরকে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক দেশ, এক ভোট চালু হলে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও বিধানসভা নির্বাচন হবে। তখনই ডেট অফ এক্সপায়ারি দেখা যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে বিদ্রোহী ঋত শিবিরকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। দলের প্রতীক নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। আমি ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট। আইনত আমাদের প্রতীক কাড়তে পারবে না। যদি কাড়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে মনে রাখবে তোমাদের সবটা কেড়ে নেব।মমতা আরও বলেন, অভিষেকের বিরুদ্ধে চারশো মামলা হয়েছে। কিন্তু কোনও মামলায় প্রমাণ দিতে পারবে না। তিনি দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রতিও সমর্থন জানান। তাঁর বক্তব্য, দরকার হলে আমি নিজেও তাদের কর্মসূচিতে যাব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে, থাকবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরকে উদ্দেশ করে বলেন, পাঁচ ওয়াট, দশ ওয়াটের বাল্ব এখন ভাবছে সে হ্যালোজেন হয়ে গিয়েছে। আমি নেত্রীকে অনুরোধ করব, যারা দল ছেড়ে গেছে, তাদের কাউকে আর ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আয়কর, সিআইডি, এসটিএফ সবাই একসঙ্গে লাগলেও ভয় পাই না। গলা কেটে দিলেও আমার শরীর থেকে জয় বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ শোনা যাবে।মঞ্চ থেকে উপাসনা চৌধুরীও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, যখনই মা-মাটি-মানুষের উপর আঘাত আসবে, তখনই সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবে।এবারের একুশে জুলাই তাই শুধু শহিদ স্মরণ নয়, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রকাশ্য মঞ্চ হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকল।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমের টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমার আরও এক যুবকের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

সিকিমে টানেল নির্মাণের কাজে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল নাগরাকাটা ব্লকের মনমোহনধুরা গ্রামের যুবক অর্জুন সাউতালের। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও গোটা এলাকায়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন অর্জুন। সেখানে টানেল নির্মাণের কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে মনমোহনধুরা গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা।অর্জুন সাউতাল ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য। পরিবারে বাবা-মা, চার ভাই ও বৌদিদের নিয়ে বড় সংসার। সংসারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত দুঃস্বপ্নে পরিণত হল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমের এই টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমা থেকে এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মেটেলি ও নাগরাকাটা ব্লক মিলিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর গোটা মহকুমাজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীদের অভিযোগ, নাগরাকাটা ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। বাধ্য হয়েই বহু যুবক জীবিকার সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। কিন্তু কাজের খোঁজে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে বহু মানুষকে আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতে হতো না।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

বিরোধীদের চাপের মুখে কি নতি স্বীকার? নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সরকারের বড় ঘোষণা

নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র সরকার। বুধবার সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিরোধীরা সরব। একই সঙ্গে আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানায়।সোমবার সিজেপি সংসদ অভিযানের ডাক দেয়। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের কাছে ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী -সহ কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদবও। পরে দিল্লি পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।ধরনার সময় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তখন তিনি নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, সেই আশ্বাসের পরও রাহুল গান্ধী ধরনা তুলতে রাজি হননি।এই পরিস্থিতিতে কিরেণ রিজিজু বলেন, বিরোধীরা আলোচনার সময় তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনা শুরুর আগেই যদি শর্তের পাহাড় তোলা হয়, তাহলে বোঝা যায় তারা আসলে আলোচনা চায় না।সরকারি সূত্রের খবর, বিরোধীরা চাইলে বৃহস্পতিবার থেকেই নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা শুরু হতে পারে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

উচ্ছেদ নয়, এবার কলেজ স্ট্রিটের ‘মেকওভার’! কী কী বদল আসছে জানেন?

কলেজ স্ট্রিটকে উচ্ছেদ নয়, নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। বুধবার ভোরবেলা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কলেজ স্ট্রিটে গিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্মিতা পাণ্ডে ও কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা।এলাকা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পথচারী ও বই বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন, কীভাবে কলেজ স্ট্রিটকে আরও সুন্দর করে তোলা যায়।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিটের একটি অংশকে নো ভেহিকেলস জোন করা হবে। সেখানে কোনও গাড়ি চলবে না, হর্ন বাজবে না। বইপ্রেমীরা ওই এলাকায় সাইকেলে ঘুরতে পারবেন। তবে বাইরে থেকে সাইকেল আনা যাবে না; নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইকেল ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। বয়স্কদের জন্য ব্যাটারি চালিত গাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সেখানে ক্যাফে, বই পড়ার বেঞ্চ এবং শান্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, কলেজ স্ট্রিট হল বইপাড়া। এখানে শুধু বই, খাতা, নোটপ্যাডের দোকান থাকবে। আমরা চাই জায়গাটি সুন্দর ও শান্ত হোক। তবে মূল কলেজ স্ট্রিট রাস্তায় আপাতত কোনও পরিবর্তন করা হবে না, কারণ সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাফিক জোন।তিনি আরও জানান, রেলিংয়ের সামনে থাকা কিছু দোকানকে অন্যত্র সরিয়ে একইরকম নকশার স্টলে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্দেশ্য হল, এলোমেলো টিনের দোকানের বদলে একটি সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় বইপাড়া গড়ে তোলা।দোকানদারদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, যাঁদের বইয়ের দোকান রয়েছে, তাঁদেরই পুনর্বাসন করা হবে। কারও রুজিরুটিতে আঘাত করা হবে না। শুধু জায়গাটিকে আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে।বই বিক্রেতারাও এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক বিক্রেতা বলেন, সরকার বলছে দোকান তোলা হবে না, শুধু সুন্দর করে সাজানো হবে। সেটা হলে ভালোই। আরেকজনের কথায়, আমরা চাই কলেজ স্ট্রিট সুন্দর হোক, কিন্তু আমাদের পেটে যেন লাথি না পড়ে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব এবার বিধানসভায়! মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

বিধানসভায় ফের বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিল। বুধবার অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে উঠে আবার বসে পড়তে হল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলার সময় শোভনদেব বক্তব্য রাখতে উঠেছিলেন। কিন্তু তিনি বক্তব্য শুরু করতে পারেননি। তাঁকে বসে পড়তে হয়।এরপর কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হচ্ছে, তা কেটে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিধায়কদের বক্তব্য রাখার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।আলিফা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভার সদস্য হিসেবে সকলের নির্দিষ্ট সময় আছে। আগে থেকে জানা গেলে সুবিধা হয়। তাই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, এখানে অনেক বিরোধী দল আছে। কালীঘাটপন্থী আছেন, আইএসএফ আছে, সিপিআইএম আছে, কংগ্রেস আছে। আমরা চাই সবাই সময় ভাগ করে নিক।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও পাঁচ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। তখন চিফ হুইপ বক্তব্য রাখার সময় ঠিক করতেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই। নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।উল্লেখ্য, বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন। অন্যদিকে ঋতব্রতপন্থীরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে কোন শিবিরের তালিকা অনুযায়ী বক্তব্য হবে, তা নিয়ে বারবার বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal