• ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া

দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও বৃষ্টির বিরাম নেই। লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি। শনিবার মাঝরাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। রবিবারও বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরে আজ ভারী বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি ওই নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার সন্ধে থেকে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টিপাতের ফলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় এরকমই আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ১৯ তারিখ থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আওয়া দপ্তর।টানা বৃষ্টিতে ফের দুর্যোগ, দুর্ভোগের আশঙ্কা। দ্বাদশীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো বাতাসও। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভারী বৃষ্টি হলে লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। ক্ষতি হতে পারে ধানেরও।পুজোর আগে থেকেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কপালে ভাঁজ উপকূলবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দাদের। পূর্বাভাস সত্যি করেই দশমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়। কলকাতায় বৃষ্টি নামে শুক্রবার সন্ধ্যা হতেই। এবার ফের জোড়া নিম্নচাপের জের। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। এই মুহূর্তে নিম্নচাপটি মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর রয়েছে। যা ধীরে ধীরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে। তবে তার থেকেও উল্লেখ্য, এই দুই দিন ঝোড়ো বাতাস বইবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Mother: দেবী পক্ষে অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দুর্দশায় ফেলে পালালো গুণধর ছেলে

দেবী পক্ষে বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালো গুনধর পুত্র। অসুস্থ বৃদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন ভরসা পূর্ব বর্ধমানের গলসির নবখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা।নিজের ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কান্তি তাঁর বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালেও বৃদ্ধাকে মাতৃস্নেহে আগলে রেখেছেন নবখন্ডের বাসিন্দারই। তাঁরা পুলিশের কাছে বৃদ্ধার নিষ্ঠুর ছেলে সুপ্রিয়র কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দারা পাশে থাকলেও নিজের গর্ভের সন্তানের এমন দুর্ব্যাবহার মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না বৃদ্ধা। তাই প্রতিনিয়ত চোখের জল মুছতে মুছতে বৃদ্ধা মমতাদেবী ঈশ্বরের কাছে মুক্তি প্রার্থনা করে চলেছেন। নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, নবখন্ড গ্রামের বাড়িটি বৃদ্ধার দেশ বাড়ি। হাওড়ার বকুলতলা থানার দক্ষিণ বাকসারার কেঠোপুল এলাকায় বৃদ্ধার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা এখন থাকে। বৃদ্ধার ছেলে সুপ্রিয় বার্জার পেন্টস কোম্পানীতে মোটা টাকা মাস মাইনের চাকরি করেন। বৃদ্ধার স্বামী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাওয়ার পর সুপ্রিয় সেই চাকরিতে যোগ দেয়। কয়েকবছর আগে দুর্ব্যবহার করে সুপ্রিয় নিজের বৃদ্ধা মাকে হাওড়ার বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর থেকে অসুস্থ শরীর নিয়ে এক প্রকার অনাহারেই নবখন্ড গ্রামের বাড়িতে থাকছিলেন বৃদ্ধা মমতাদেবী। বৃদ্ধার অসুস্থতা বাড়লে প্রতিবেশীরা বৃদ্ধার ছেলেকে ফোন করে বৃদ্ধার চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা কার কথা বলেন।চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গত ৫ অক্টোবর সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মাকে হওড়ায় নিয়ে যায়।চিকিৎসা করিয়ে সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মায়ের শেষ সম্বল টুকুও হাতিয়ে নেয়। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে মাকে চাপিয়ে নিয়ে এসে সুপ্রিয় নবখন্ড এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স দাঁড় করিয়ে একটু আসছি বলে নেমে পড়ে গুনধর ছেলে সুপ্রিয় পালিয়ে যায়। রাত্রি দেড়টা পর্যন্ত ছেলে সুপ্রিয় আর ফিরে না আসায় অ্যাম্বুলেন্স চালক বৃদ্ধাকে তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌছে দেয়। পরদিন সকালে ওই বাড়ির বাইরে বৃদ্ধাকে কাতরাতে দেখে প্রতিবেশীরা তাঁকে পুুরসা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।অ্যাম্বুলেন্স চালক অচিন্ত্যকুমার মন্ডল বলেন, হাওড়ায় চিকিৎসা করতে নিয়ে গিয়ে মমতা দেবীর পরনের কাপড়, নগদ টাকাকড়ি ও সোনা হাতিয়ে নিয়ে কেটে পরেছে তাঁর ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়। অমানবিক এই ঘটনার জানার পর প্রতিবেশীরা সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে গলসি থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করেছেন। বৃদ্ধা মায়ের প্রতি এমন নির্মম ব্যবহারের কারণ জানতে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Teachers at Doors: পূর্ব বর্ধমানে ’দুয়ারে শিক্ষক“-এ শিক্ষকদের মানবিকতা ও মাতৃভক্তির পাঠ মন্ত্রীর, তুঙ্গে বিতর্ক

দুয়ারে শিক্ষক শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের মাানবিকতা ও মাতৃভক্তি সংক্রান্ত পাঠ বিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রবীন্দ্র পরিষদে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, করোনা অতিমারিতে শিক্ষকরা ঘরে বসেই প্রতি মাসের বেতন পেয়ে গেছেন। তাঁরা নিজের পরিবারের জন্য নিয়মিত বাজার করেছেন। কিন্তু অতিমারিতে দুঃস্থ মানুষের পাশে শিক্ষকরা সেভাবে দাঁড়াননি। এটা তিনি লক্ষ্য করেছেন বলে স্বপন দেবনাথ জানান। একই সঙ্গে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষকরা মাটির দুর্গাকে প্রণাম করেন, পুষ্পাঞ্জলি দেন। কিন্তু নিজের বাড়িতে মাকে অভুক্ত রাখেন। বাড়িতে বসে থাকা জ্যান্ত মা কেন অভুক্ত থাকবেন? কেন অনাদরে পড়ে থাকবেন? মন্ত্রী দাবি করেন, নিজের মাকে অনাদরে রাখার সংখ্যা কম নয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন শিক্ষকদের উপদেশ দেন, দুর্গামাকে প্রণাম করুন। কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু গর্ভধারিণী মাকে যেন অভুক্ত রাখবেন না। জ্যান্ত মাকে হাসিখুশি রাখুন। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রীর করা এমন মন্তব্য শিক্ষক মহলে যেমন শোরগোল ফেলে দিয়েছে তেমনই তৈরি হয়ছে বিতর্ক।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যঅনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পুজোর সময়ে শিক্ষকদের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান। স্বপনবাবু বলেন, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক মিলিয়ে জেলায় ২০ হাজারের বেশী শিক্ষক রয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষক যদি দুটো করে জামা-প্যান্ট দুঃস্থ শিশুদের কিনে দেন তাহলে অনেক শিশু পুজোয় নতুন জামা পরতে পারবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকগণ মন্ত্রীর এই আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন ঠিকই। তবে মন্ত্রীর করা বাকি বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।আরও পড়ুনঃ রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহজেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক বিশ্বনাথ সাহা এদিন দাবি করেন, করোনা অতিমারির সময়ে কাটোয়ার বিধায়কের উদ্যোগে কাটোয়ার শিক্ষকরা সর্বোতভাবে দুঃস্থ মানুষ জনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সদস্য কৌশিক দে দাবি করছেন, করোনা অতিমারি কালে শিক্ষকরা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজেদের সাধ্য মতো দান করেছেন। বহু শিক্ষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারপরেও মন্ত্রী তাঁর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে গোটা শিক্ষক সমাজকে ছোট করলেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Electric Shock: চাষের জমিতে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মৃত কৃষক

ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তার দশদিন ধরে পড়েছিল চাষের জমিতে। সেই তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শুক্রবার মারা গেলেন এক প্রান্তিক চাষি। মৃতর নাম সুকান্ত বাগ (৫৮)। মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার নবস্তা ১ পঞ্চায়েতের বেগুট গ্রামে। চাষির এমন অকাল মৃত্যুর জন্য বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিকে দায়ি করে এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবার-পরিজন ও এলাকাবাসী।বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে সন্ধ্যার মুখে চাষির মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই চাষির মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ চাষির মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাষি সুকান্ত বাগ এদিন সকালে চাষের জমিতে যান। তখনই তিনি মাঠে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন। মৃতর ছেলে উত্তম বাগ জানিয়েছেন, দশ দিন আগে ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনের বিদ্যুতের তার গ্রামের চাষ জমি এলাকায় ছিঁড়ে পড়ে। সেই ঘটনার কথা গ্রামবাসীরা বহুবার বিদ্যুৎ দফতরে জানায়। কিন্তু বিদ্যুৎ দফতর কোনও হেলদোল দেখায়নি। উত্তম বাগ বলেন, এদিন সকালে তাঁর বাবা ধান জমিতে কীটনাশক ছড়াতে যান। ছিঁড়ে পড়ে থাকা ওই বিদ্যুতের তার তখন কোনওভাবে তাঁর বাবার শরীর ঠেকে যায়। উত্তম বাগ দাবি করেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জমিতেই পড়ে থাকেন তাঁর মৃত বাবা। সেই কথা কেউ জানতেও পারেননি। অনেকটা দুপুর পর্যন্ত সুকান্তবাবু বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ শুরু করেন। তখন জমিতে গিয়ে তাঁরা দেখেন সেখানেই তাঁর বাবা মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। এই ঘটনার কথা তিনি গ্রামবাসীদের জানালে গ্রামবাসীরা তৎক্ষণাৎ বিদ্যুৎ দফতরে খবর দেয়। বিদ্যুৎ দফতরকে খবর দেওয়ার পর প্রায় তিন ঘন্টা বাদ বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। তারা ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর সন্ধ্যার মুখে সুকান্ত বাবুর মৃতদেহ জমি থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে ছেলে উত্তম বাগ জানিয়েছেন। এলাকার অপর চাষি ধীরেন বাস্কে ও অনুজ হাজরা বলেন, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতির জন্যই তাঁদের এলাকার এক চাষিকে অকালে প্রাণ খোয়াতে হল। তার ছিঁড়ে যাবার পর বিদ্যুৎ দফতর যদি দ্রুত ব্যবস্থা নিত তাহলে সুকান্ত বাগকে এইভাবে প্রাণ খোয়াতে হত না।এদিনের ঘটনার পর নবস্তার বিদ্যুৎ দফতরের অফিসে যোগাযোগ করা হলে কেউ সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। তবে এলাকার বিধায়ক নিশীথ মালিক এদিন স্পষ্ট জানান, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিতেই ওই চাষির মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎ দফতরের অফিসাররা তাঁর কাছে এই গাফিলতির কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ দফতর ওই চাষি পরিবাকে সহায়তা প্রদানের আশ্বাসও তাঁকে দিয়েছে। ব্লক প্রশাসনও চাষি পরিবারকে সরকারি অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে বলে নিশীথ মালিক জানিয়েছেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Murder: রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ

রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হল নিখোঁজ এক যুবকের মৃতদেহ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শুক্রবার চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতর নাম শাহাজান শেখ(৩৩)। তাঁর বাড়ি স্থানীয় নসরতপুর পঞ্চায়েতের পারুলডাঙ্গা গ্রামের পূর্বপাড়ায়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পরিবারের সদস্যরা আশঙ্কা করছেন যুবককে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ রেল লাইনের ধারে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরাপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় তাঁত শ্রমিক ছিলেন শাহাজান শেখ। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও চার শিশু সন্তান ছাড়াও অন্য সদস্যরা রয়েছেন। পরিবার সদস্যরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে শাহাজান বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেনি। সারারাত নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার সকালে রেল লাইনের ধারে শাহাজানের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পড়ে থাকে। সেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করেন। মৃতের ভাই আহম্মদ শেখ জানান, সমুদ্রগড় স্টেশনের ৪ নম্বর লাইনের ধারে তাঁর দাদার মৃতদেহ পড়েছিল। ওই লাইন দিয়ে কোনও ট্রেন চলে না। সেই কারণে তাঁরা মনে করছেন কোনও দুর্ঘটনায় তাঁর দাদা শাহাজান শেখ মারা যায়নি। তাঁর দাদাকে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ ওই লাইনের ধারে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। শাহাজানের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দাবি করেছে পরিবার।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Allegations against RPF: আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরা

দাবি মতো টাকা দিতে অস্বীকার করায় এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠলো আরপিএফের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকালে ব্যাপক ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী স্টেশান এলাকায়। ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষজন আরপিএফের জুলুমবাজির প্রতিবাদে ট্রেন আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেন। তা নিয়ে স্টেশন চত্ত্বরে উত্তেজনা চরমে ওঠে। সেই খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার আইসির নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী ও পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভ সামাল দেন। আরপিএফের মারধরে জখম সেলুন মালিক জুয়েল শেখকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় পূর্বস্থলী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। প্রতিবাদে এদিন দুপুর পর্যন্ত জারি থাকলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকে।পূর্বস্থলী স্টেশন বাজার এলাকার ব্যবসায়ী বিজন দত্ত এদিন বলেন, গত দুবছর ধরে রেল স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ীদের উপরে চুড়ান্ত জুলুমবাজি চালানো শুরু করেছে আরপিএফ। দোকানে একটা পেরেক পুঁতলেও আরপিএফকে পয়সা দিতে হয়। এদিন পূর্বস্থলী স্টেশন বাজারে থাকা সেলুনের মালিক জুয়েল শেখ তাঁর দোকানের একটি ঝাঁপ সারানোর প্রস্তুতি নিতেই আরপিএফ পরিচয় দিয়ে কয়েকজন তাঁর কাছে এসে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে। জুয়েল শেখ তা দিতে অস্বীকার করায় আরপিএফ বাহিনী তাঁকে প্রচণ্ড মারধর শুরু করে। এমনকি জোরপূর্বক জুয়েল শেখকে সকালের আপ ট্রেনে চাপিয়ে নিয়ে আরপিএফ অফিসে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে আরপিএফ বাহিনী। তা দেখে সমস্ত ব্যবসায়ীরা রুখে দাঁড়ায়। তাঁরা আপ ট্রেন অবরোধ করে রাখেন। মিনিট দশেক অবরোধ চলে। সেই খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার আইসি এবং পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌছান। তাঁদের সাথেও আরপিএফ বাহিনী বাকবিতণ্ডা শুরু করে দেয়। প্রতিবাদ চরম আকার নিলে শেষ পর্যন্ত জুয়েল শেখকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আরপিএফ।এর পর জুয়েলকে পূর্বস্থলী ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়। অপর বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা চাঞ্চল্যকর অভিযোগে এনেছেন আরপিএফের বিরুদ্ধে। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার সবজি চাষিদের মান্থলি টিকিট করা থাকে। তবুও তাঁরা যখন সবজি অন্যত্র বিক্রি করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রেনে তোলেন তখন চাষিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকার দাবি করে আরপিএফের লোকজন। টাকা না দিলে ট্রেনে সবজি তুলতে দেওয়া হয় না। আরপিএফের এমন কাজ-কারবারের জন্য চাষিদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এদিনের ঘটনার প্রতিবাদে স্টেশন এলাকার সবজি বাজার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা। এদিনের ঘটনা নিয়ে আরপিএফ বাহিনীর কোন সদস্য সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা বলতে চাননি। তবে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় আরপিএফের বিরুদ্ধে এদিন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি জানান, আরপিএফ সাধারণ মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। তা জানার পর এদিন সকালে তিনি স্টেশন বাজারে এসেছিলেন। আরপিএফ বাহিনী তাঁর সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেছে। আরপিএফ যে অরাজকতা চালাচ্ছে তা চলতে দেওয়া হবে না বলে বিধায়ক স্পষ্ট জানিয়েদেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

crops wasted: শষ্যগোলা পূর্ব বর্ধমানে কোটি কোটি টাকার ফসল নষ্ট, মাথায় হাত কৃষকদের, রইল বিস্তারিত তথ্য

নিম্নচাপের জেরে হওয়া বৃষ্টিপাত ও জলাধার থেকে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়ার ফলে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ফসলের ক্ষতির পরিমাণ ১৯৩ কোটি টাকা ছাড়ালো। এছাড়াও ক্ষতি হয়েছে সেচ দফতরেরও। তাদের ক্ষতির পরিমাণ ১০ কোটি টাকা। সব থেকে বেশী ক্ষতি হয়েছে জেলার অজয় তীরবর্তী এলাকায় ধান ও আনাজ চাষে। আনাজে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্যোগের কারণে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ব্লক দফতর থেকে পাঠানো রিপোর্ট অনুযায়ী জেলায় ৭১৮ টি বাড়ি পুরোমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১৩০০ টি বাড়ির। প্রণী দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গরু মারা গিয়েছে ১৮ টি। ২২০০টি মুরগি খামারের ক্ষতি হয়েছে। সেচ দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী জেলায় তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১০ কোটি টাকা।সেচ দফতরের দাবি, দামোদরের জলে গলসি, খণ্ডঘোষে ও ভাগীরথীর ধারে অগ্রদ্বীপে বাঁধের যে ক্ষতি হয়েছে তারই পরিমাণ ২কোটি টাকা। এছাড়াও অজয়ের জলের তোড়ে আউশগ্রামের সাঁতলা ও কেতুগ্রাম ২ ব্লকে চারটি জায়গাতে বাঁধ ভেঙেছে। পাশাপাশি মঙ্গলকোটের নবগ্রাম, পালিগ্রামেও বাঁধের ক্ষতি হয়েছে। কেতুগ্রামের অংশ বাদ দিয়ে আউশগ্রাম ও মঙ্গলকোটের প্রায় ৩ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কার ও তৈরির জন্য পাঁচ কোটি টাকা খরচ ধরেছে সেচ দফতর। এই কাজ খুব দ্রুত শুরু করতে চাইছেন সেচ দফতরের কর্তারা।জেলা কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়ের বাঁধ ভেঙে কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ার কারণে আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট ও কেতুগ্রামে কৃষিজমির প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। ওই সব এলাকায় জমিতে বালি ও পলি পড়ে গিয়েছে। জলে ভেসে আসা পানা মঙ্গলকোটের জমিতে জমে গিয়ে চাষের ক্ষতি করেছে।জেলা কৃষি দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী জেলার মোট ১৬টি ব্লকের ৬২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪০৪টি মৌজায় চাষজমি ক্ষতির মুখে পড়েছে। ওই সব এলাকার আউশ ধানের চাষ হওয়া ১৪৪ হেক্টর জমির মধ্যে ১১২ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫৬০ টন আউশ ধানের ক্ষতি হয়েছে। যার ক্ষতির পরিমান ১০ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা। একই ভাবে আমন চাষ হওয়া ৪০০০৪ হেক্টর জমির মধ্যে ২০০০৮ হেক্টর জমির চাষে ক্ষতি হয়েছে। আনাজ চাষ হওয়া ৯৮৭ হেক্টর জমির মধ্যে ৫১৩ হেক্টর পরিমাণ জমির আনাজ চাষের ক্ষতি হয়েছে। ১ লক্ষ ৪০ টন আমন ধানে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যার আর্থিক ক্ষতি ধরা হয়েছে ১৮৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ২০০ টাকা। কৃষি দফতরের আশঙ্কা ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Memari Samabay: পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে মেমারির সমবায়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা

দোরগোড়ায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। তার প্রাক্কালেও জমানো টাকা তুলতে পারছেন না উপভোক্তারা। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটি-তে বিক্ষোভ দেখালেন উপভোক্তারা। এমনকি অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া থেকেও সমবায়ের কর্মীর পরিজনরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। যদিও সমবায় কর্তৃপক্ষ সমবায়ের আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েই দায় এড়াচ্ছেন।গোপ গন্তার সমবায়ের পরিচালনার সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত অমল ঘোষ বলেন, বিভিন্ন ব্যাপারে সমবায় সমিতি তাঁদের সদস্যদের ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ বাবদ সমবায় সমিতির সদস্যদের দেওয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে রয়েছে। সেই টাকার সুদও নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে না। সুদ নিয়মিত পাওয়া গেলে আমানতকারীদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকবে না। সমবায়ের একাধিক কর্মী এদিন বলেন, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা শোধ করতে চাইছেন না। এরজন্য তাঁদের বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। এইসব কারণে গত বছর থেকে তাঁদের সমবায় সমিতি আর্থিক দুরাবস্থায় ধুঁকছে।এদিন গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটিতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দা তথা সমিতির অবসরপ্রপ্ত কর্মী রজত সিংহের স্ত্রী সুপ্রিয়াদেবী। তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তাঁর স্বামীর অবসরকালীন টাকা পাওয়ার জন্যে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক আমানতকারী তাঁদের জমানো টাকা পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে নিদারুন অসুবিধার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। এমনই এক আমানতকারী সুব্রত রায় বলেন, তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে। পুজোর প্রাক্কালে প্রয়োজন মতো টাকা তুলতে না পারায় তিনি তাঁর মায়ের পুজোর শাড়ি, জামা কিনে উঠতে পারেননি।ক্ষোভের যেন কোনও শেষ নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম শেখ, নূরবানু শেখরা জানান, বহু কাকুতি মিনতি করে সমবায় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকার বেশি পান না। শঙ্করপুরের বাসিন্দা কাকলি টুডু একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সমবায়ে টাকা জমা রেখে তিনি মহা ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেলেও টাকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিয়ের দিন ঠিক করতে পারছি না। সমবায়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসা অন্য অনেক আমানতকারী আবার বলেন, সার কেলেঙ্কারির কোনও সুরাহা এখনও এই সমবায় ব্যাঙ্ক করেনি। সমবায় থেকে সমবায় সার না কিনেও অনেককে টাকা মেটাতে হয়েছে। তাছাড়াও নিয়োগে দুর্নীতি, অডিট রিপোর্টে গন্ডগোল, কোনও নথি ছাড়াই ঋণ দেওয়ার ফলে এখন আমানতকারীদের ভুগতে হচ্ছে। সমবায় সমিতির জেলার এআরসিএস(রেঞ্জ ১) সত্যজিৎ মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, সমবায় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Sarbamangala Temple: ৩০০ বছরের পুরনো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিষ্ঠার সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গে দামামা বাজল শারদ উৎসবের

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে নবমী পর্যন্ত চলবে পুজো। তবে রাজ আমলের রীতি মেনে পুজো হলেও কোভিড বিধি মেনে এবারও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় জমানোয় নিষেধাঞ্জা বলবৎ রেখেছে সর্বঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ড। বৃহস্পতিবার রীতি মেনে বর্ধমান শহরের কৃষ্ণসায়র থেকে রুপোর ঘটে জল ভরে সেই ঘট ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নিয়ে যাওয়া হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত অরুণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্বমঙ্গলার জন্য ঘটে জল ভরে আনার নিয়ম রয়েছে। কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সেই ঘট মন্দিরে নিয়ে গিয়ে এদিন প্রতিষ্ঠা করা হল। কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট আনার জন্য শোভাযাত্রা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোহিত জানান, ঘটস্থাপনের পর থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো চলবে। সঙ্গে হবে চণ্ডীপাঠ ও দেবীকে ভোগ নিবেদন। সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজো শুরু নিয়ে বর্ধমানে নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত কাহিনী অনুসারে জানা যায়, বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায়, সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোলা নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি। সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে এসে সর্বমঙ্গলা নামে পুজো শুরু করেন। ঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করান। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারও মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যাঁর দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপের সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯-তে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন, তাঁদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন ও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে। আগে সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন আর হয় না। পূর্বে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোয় কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। নবমীতে নব কুমারি মায়ের পুজোর রীতি আজও চালু রয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Durga Puja: সম্প্রীতির অনন্য নজির, মন্ডপে মন্ডপে ঠাঁই পায় নূর মহম্মদের প্রতিমা

সম্প্রীতির এ এক অনন্য নজির। মুসলিম কারিগড়ের তৈরি দুর্গা মূর্তি পুজিত হচ্ছে মন্ডপে মন্ডপে। নিজ সম্প্রদায় থেকে বাধা এলেও তাকে পাত্তা দেননি। বরং সম্প্রীতির উদাহরণ টেনে তাঁদের বোঝাতে চেষ্টা করেছেন। অন্য়দিকে মূর্তি গড়ার কাজ করেছেন একাত্ম হয়ে। কয়েক দশক ধরেই এই মৃৎ শিল্পীর কদর রয়েছে জেলাজুড়ে।পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নূর মহম্মদ চৌধুরী। প্রাথমিক বিদ্য়ালয়ে পড়ার সময় থেকেই মূর্তি গড়ায় হাতেখড়ি। খেলার ছলে ছোট্ট নূর পুরনো কাঠামোয় বানিয়েছিল প্রতিমা। নূর মহম্মদ বলেন, প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম। তখন বিভিন্ন প্যান্ডেলে পুজো হতো। প্রতিমা দেখতে যেতাম। সেই দেখতে দেখতে মনের ইচ্ছা জাগলো যে প্রতিমা বানাবো। পুরনো কাঠামো তুলে এনে খেলার ছলে প্রতিমা বানিয়ে ফেললাম। তারপর শিল্পী রাধাকৃষ্ণ সামন্তের সঙ্গে যোগোযোগ হয়। ওনার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিমা গড়া শুরু করি। এখন বিভিন্ন ক্লাব, বিভিন্ন গ্রামের পুজোর প্রতিমা গড়ার কাজ করছি।স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে তাঁকে সঙ্গত দেনভিন ধর্মের হওয়ায় কোনও দিক থেকে বাধা আসেনি? বছর পঞ্চান্নর নূর মহম্মদের কথায়, বাধা যে একেবারে আসেনি তা নয়। আমাদের ধর্মের মৌলানারা একটু আধটু বাধা দিয়েছিলেন। আমি তাঁদের বোঝালাম, নজরুল ইসলাম যদি মুসলিম হয়ে শ্যামাসঙ্গীত গাইতে পারেন, ভক্তিমুলক কৃষ্ণের গান গাইতে পারেন, তাহলে আমি কেন মূর্তি বানাতে পারব না। বাংলাদেশের গোলাম রসুল বাউল শিল্পী। অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। না বুঝলে সেটা তাঁর ব্যাপার। তবে বাড়িতে কোনও সমস্যা নেই। বাড়ি থেকে বাবা-মা খুব সমর্থন করেছেন। এখন তো বাড়ির সবাই এর পিছনে কাজ করছে। দরকারে কাদা লেপে দিচ্ছে। এই মৃৎ শিল্পী জানান, এবার মোট ৮টা প্রতিমা তৈরি করছেন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুকয়েক দশক ধরে নূর মহম্মদের প্রতিমা পুজিত হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের মন্ডপে মন্ডপে। তাঁর স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে যোগ্য সঙ্গত দেন। তিনি বলেন, বাড়ির কাজ আছে, লোকজনের রান্না আছে, তার বাইরে সময় পেলে কাজ করি। আমি সাপোর্ট না করলে কে করবে? আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই কাজ করে সংসার চালাই আমাদের ভাল লাগবে না? আমার বাবা জেনেই এই পরিবারে বিয়ে দিয়েছেন। প্রতিমা বানায় বলে অনেকে বাবাকে মেয়ে দিতে বারন করেছিল। কথা না শোনায় বাবাকে একঘরেও করেছিল।প্রতিমা তৈরি করলেও নিজ ধর্মের প্রতি অবহেলা করেন না নূর মহম্মদ। নিয়ম করে নামাজ পড়েন। মসজিদেও যান। ধর্মীয় ভেদাভেদ নয়, মানুষ মানুষকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিক, এটাই চান নূর মহম্মদ।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Brutal Torture: প্রেমিকের নৃশংস নির্যাতনে গুরুতর জখম প্রেমিকা-মন্তেশ্বরে গ্রেপ্তার প্রেমিক

প্রেমিকের প্রতিশোধের আগুনে কখনও মুখ পুড়েছে প্রেমিকার। আবার কখনও ব্যর্থ প্রেমিকের হাতে খুন হতে হয়েছে প্রেমিকাকে। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে আদিবাসী মহিলার উপর হওয়া নৃশংস অত্যাচারের কাহিনী এইসব কিছুকেই হার মানিয়ে দিয়েছে। বছর ৩৫ বয়সী আদিবাসী মহিলার সঙ্গে বিরোধ তৈরি হওয়ায় তাঁর উপর হাড়হিম করা নির্যাচন চালয় প্রেমিক সুনীল টুডু। নির্যাতন চালিয়ে প্রেমিকার গোটা শরীর ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েই খান্ত হয়নি প্রেমিক সুনীল।মুগুর জাতীয় কিছু দিয়ে যৌনাঙ্গে আঘাত করেও প্রেমিকাকে চুড়ান্ত ভাবে তিনি ঘায়েল করে দিয়েছে। এমনকি জলে মুখ ডুবিয়ে তিনি তাঁর প্রেমিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলার মুখ থেকে এমন অত্যাচারের কাহিনী শোনার পর মঙ্গলবার পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা জানার পর শিউরে উঠেছেন মন্তেশ্বরের বাসিন্দারা। তারা সুনীল টুডুর কঠোরতম শাস্তির শাস্তির দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনীল টুডুর বাড়ি মন্তেশ্বরের মামুদপুর ১ পঞ্চায়েতের পুরুনিয়া গ্রামে। তাঁর প্রেমিকার বাড়ি জেলার নাদনঘাট থানা এলাকায়। তাঁর সন্তান রয়েছে। বছর দেড়েক আগে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী। মহিলা খেত মজুরির কাজ করেন। মাস ছয় আগে মহিলার সঙ্গে সুনীলের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তার পর থেকে আদিবাসী ওই মহিলা সুনীলের সঙ্গেই থাকা শুরু করেন। কিন্তু সম্পর্কে চিড় ধরায় দু জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। মহিলা রাগারাগি করে নাদনঘাট চলে যান। সুনীল রবিবার তাঁর প্রেমিকাকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনতে নাদনঘাটে যান। মহিলা সুনীলের সঙ্গে আসতে প্রথমে রাজি হয়নি।পরে নানারকম বুফিয়ে রবিবার সুনীল তাঁর প্রেমিকাকে নাদনঘাট থেকে মন্তেশ্বরে নিয়ে আসেন।ওইদিন সন্ধ্যায় পুরুনিয়া গ্রামে ঢোকার মুখে দুজনের মধ্যে ফের ঝামেলা বাঁধে। তখনই সুনীল তাঁর প্রেমিকার উপর চড়াও হয়ে হাড়হিম করা নির্যাতন চালায়। নিজের এই কুকীর্তি আড়াল করতে পরদিন সকালে সুনীল স্থানীয়দের কাছে দুস্কৃতী হামলার গল্প বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করে । কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওই মহিলার সঙ্গে পুলিশ কথা বলে। জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে জানায় তাঁর ওপর এমন অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে সুনীল টুডু। এরপরেই পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। কেন সুনীল মহিলার উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চালালো তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

BAY: অবাস যোজনায় টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করা উপভোক্তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ পূর্ব বর্ধমানে

বাংলা আবাস যোজনায় টাকা পেয়েও যাঁরা বাড়ি তৈরি করেননি তাঁদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করলো প্রশাসন। টাকা পেয়েও দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি এমন ৪৩ জন উপভোক্তাকে মঙ্গলবার লাল চিঠি ধরালো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসন। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে বলেও প্রশাসনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন এমন কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এবার মহা-ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছে বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরির কজ শুরু না করা উপভোক্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর এমন উপভোক্তার সংখ্যা জেলার অন্য অনেক ব্লকেও রয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রশাসন একই পদক্ষেপ নিতে চলেছে।খণ্ডঘোষ ব্লকের বিডিও সত্যজিৎ কুমার জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির অগ্রগতির ক্ষেত্রে গোটা জেলার মধ্যে খণ্ডঘোষ ব্লক সবথেকে এগিয়ে রয়েছে। এদিন যে ৪৩ জন উপভোক্তাকে লাল চিঠি ধরানো হয়েছে তাঁরা খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের কেউ দেড় বছর আগে আবার কেউ দুবছর আগে বাংলা আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তাঁরা বাড়ি তৈরির কাজই শুরু করেননি। বিডিও ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ওই ৪৩ জন উপভোক্তাকে এর আগে গ্রাম পঞ্চায়েত ও ব্লকের যুগ্ম বিডিও বাড়ি তৈরির কাজ শুরুর কথা জানিয়ে ছিলেন। কিন্তু তারপরেও তাঁরা কেউ হেলদোল দেখাননি। তাই এদিন ওই ৪৩ জনকে লাল চিঠি ধরিয়ে এক সপ্তাহের অন্তিম সময় বেঁধে দেওয়া হল। তাঁর মধ্যে ওই উপভোক্তারা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে।বিডিওর এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার উপভোক্তাদের এ্যাকাউন্টে যথা সময়েই বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু টাকা পেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু না করার দায় একন্ত ভাবেই উপভোক্তাদের। এক্ষেত্রে প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না ।খণ্ডঘোষের কিছু বাসিন্দা এই প্রসঙ্গে বলেন, এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পেয়ে সেই টাকা ব্যবসায় লাগিয়েছে। আবার কেউ সুদে খাটাচ্ছে। তাই তাঁরা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে পারেননি। লাল চিঠি পৌছে যাওয়ার এবার তাঁরা কি করেন সেটাই এখন দেখার বলে বাসিন্দারা মন্তব্য করেছেন। জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরি করবে বলে সরকারের টাকা নিয়ে বাড়ি তৈরি করবে না এমনটা হতে পারে না। যাঁরা বাংলা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা নিয়ে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। প্রশাসন সঠিক কাজই করেছেন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: পুজোতেও বৃষ্টি কলকাতায়! কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর?

সোমবার থেকে বৃষ্টি কমলেও একেবারে বর্ষা বিদায় নেয়নি। পুজোয় বৃষ্টির আশঙ্কা এখনই উড়িয়ে দেওয়ায় যাচ্ছে না। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত কয়েকদিন রোদ-ঝলমলে আবহাওয়া থাকলেও মাঝে মাঝে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন আকাশ মেঘলাই থাকবে। রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাসও। এদিকে মঙ্গলবার দুপুরেই কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। কয়েক ঘণ্টা ধরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর। কলকাতা ছাড়াও হুগলি ও হাওড়ার কিছু এলাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।যদিও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। তবে, শনিবার থেকে উত্তরবঙ্গে শুরু হবে বৃষ্টি।সপ্তাহান্তে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, বর্ষা বিদায় নিচ্ছে দেশ থেকে। কিন্তু এখনও বেশ কিছু রাজ্যে বৃষ্টি হচ্ছে। এ রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও উত্তরে বেড়েছে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টি হচ্ছে না। মূলত স্থানীয়ভাবে তৈরি হওয়া বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে এই বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে বিস্তৃত এলাকায় না হয়ে ছোট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে বৃষ্টি।কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৭ শতাংশ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Rape: মুখ চাপা দিয়ে রাস্তা থেকে আদিবাসী মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চাঞ্চল্য মন্তেশ্বরে

অন্ধকার রাস্তায় মুখ চাপা দিয়ে আদিবাসী মহিলাকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানা এলাকায়। দুস্কৃতিরা আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণ করেছে লোক মুখে এলাকায় ছড়িয়ে। এই খবর পেয়েই পুলিশ মন্তেশ্বরের বরুনা এলাকার ক্যানেল পাড়ে থাকা নির্যাতিতা মহিলাকে উদ্ধার করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় মহিলাকে সেখান থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করে শুরু হয়েছে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,সোমবার ভোর রাতে মন্তেশ্বরের বরুনা গ্রামের ক্যানেল পাড়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরের ট্রলির নিচে পড়ে কাতরাচ্ছিলেন এক আদিবাসী মহিলা। তাঁর স্বামী মহিলার চোখে মুখে জল দিচ্ছিলেন। এমনটা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাঁদের কাছে যান। কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই মহিলার স্বামী তাঁর স্ত্রীর উপর রবিবার রাতে হওয়া নির্যাতনের কথা স্থানীয়দের জানায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পৌছায় মন্তেশ্বর থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। স্থানীয়রা বলেন,জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে বলে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে মন্তেশ্বরের রাইগ্রামের বাজারে গিয়েছিলেন। বাজারে কাজ মেটাতে তাঁদের দেরী হয়। তাই তাঁর স্বামী রান্না করবে বলে ঘরে ফিরে যান। বাজারের কাজ মিটিয়ে সন্ধ্যার পর মহিলা একা ঘরে ফিরছিলেন। তাঁর অভিযোগ, অন্ধকার রাস্তা দিয়ে তিনি যখন একা হেঁটে আসছিলেন তখন কয়েকজন মিলে তাঁর মুখ চাপা দিয়ে জোরপূর্বক তাঁকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে যায়। তারা সেখানে তাঁর উপরে নির্যাতন চালানো শুরু করে। এছাড়াও মহিলার স্বামী পুলিশকে জানায়, অনেকটা সময় কেটে যাবার পরেও স্ত্রী ঘরে ফিরছে না দেখে তিনি স্ত্রীকে আনতে রাতের অন্ধকারেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। কিছুটা যাওয়ার পরেই পুরুনিয়া এলাকায় পুকুর পাড়ে থাকা একটি জায়গা থেকে তিনি মহিলার আর্তনাদ শুনতে পান। সেখানে এগিয়ে যেতেই তিনি তাঁর স্ত্রীর উপর নির্যাতন চালানোর ঘটনা দেখতে পান। মহিলার স্বামীর অভিযোগ নির্যাতন চালাোর ঘটনায় জড়িত দু্কৃতিদের তিনি বাধা দিলে তারা তাঁকে মারধোর করে পালিয়ে যায়। দুস্কৃতিরা মিলে তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে বুঝতে পেরে রাতে তিনি স্ত্রীকে ওই জায়গা থেকে উদ্ধার করে কিছুটা দূরে বরুনার ক্যানেল পাড়ে নিয়ে গিয়ে বসে পড়েন। মহিলার স্বামী এদিন সকালে স্থানীয়দের এই ঘটনা জানালে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।রাকিব মল্লিক নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি কালনা মহকুমার নাদনঘাট থানা এলাকায়। মহিলা পেশায় খেত মজুর। খেত মজুরির কাজের জন্য মহিলা তাঁর সঙ্গে থাকা পুরুষ ব্যক্তি কয়েকদিন আগে তাঁদের গ্রামে এসেছেন। তাঁরা নিজেদের কে স্বামী স্ত্রী বলেই পরিচয় দিয়েছিলেন। মহিলার উপরে হওয়া নির্যাতনের কথা এদিন তাঁদের কাছ থেকেই জানতে পারেন বলে রাকিব মল্লিক জানিয়েছেন।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Galsi-2 BDO: ১৫২ তম গান্ধী জয়ন্তীতে অভিনব উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমানের গলসী -২ ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্ম জয়ন্তী সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও মহাসমারোহে পালন করা হয়। পুর্ব-বর্ধমান জেলার গলসী-২ ব্লক এমপ্লইয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এই দিনটি মহাসমারোহে পালন করা হয়। দিনটিকে স্মরণ করে রাখতে তাঁরা অফিস প্রাঙ্গণে মহাত্মা গান্ধীর একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়। মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারন) সুপ্রিয় অধিকারী।এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) গলসী-২ ব্লকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এর উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, আমরা কর্মজীবন শুরু বিডিও হিসাবেই। সেই সময়ে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কাজ করার চেষ্টা করা হত। কিন্তু বেশীরভাগ ব্লক অফিস হয় বড় রাস্তার ধারে নাহলে রেল স্টেশনের কাছাকাছি হওয়ায়, দূরের মানুষজনকে পরিষেবা পেতে খুব-ই কষ্ট করে ব্লক অফিস আসতে হয়। তিনি বলেন, বৈদ্যুতিন ব্যবহার যত বেড়েছে ততই মানুষ যেকোনও জিনিস অতি সহজেই জানতে পারছেন, তা সে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক বা দুয়ারে সরকার-এর পরিষেবা। তিনি আরও বলেন, গলসী-২ এর এই ওয়েবসাইটের জন্য মানুষ খুব সহজেই বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্বন্ধে বাড়িতে বসেই বিশদে জানতে পারবেন।গলসী-২ বিডিও সঞ্জীব সেন জানান, এই বিশেষ দিনে গলসী-২ ব্লক এমপ্লয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এলাকার দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র ও আবশ্যক খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ব্লক স্বাস্থ আধিকারিকের সহায়তায় স্থানীয় অপুষ্ট শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পৌষ্টিক আহার বিতরণ করা হয়। তিনি জানান, বর্তমানকালে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ব্যবহার ছাড়া কোনও গতি নেই। সেই উদ্দেশ্যেই এই ওয়েবসাইট বানানো। মানুষ ঘরে বসে ব্লকের পরিষেবা সমন্ধে অনেক কিছুই জানতে পারবে এর মাধ্যমে। করোনা ভ্যাকসিনের টোকেনের জন্য মানুষকে রাত জেগে লাইন দিতে হবে না, এখন অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তাঁরাও অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পেরে যাবেন তাঁর টিকা কবে কোথায় কখন পাবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরি, গলসি-২ ব্লকের আধিকারিকগন, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ-প্রধান।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Flood : পূর্ব বর্ধমানে বন্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন অরুপ বিশ্বাস

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য শনিবার আরামবাগে গিয়েও কেন্দ্রকে দুষেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই পূর্ব বর্ধমানের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের কথা ডিভিসি কর্তৃপক্ষকেই ভাবতে হবে। মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসও পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৈরি হওয়া বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যানমেড বন্যা বলেই অবিহিত করেন। জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে খোঁজ খবর নেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস।পরে তিনি জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলার অন্যান্য নেতাদের কাছেও বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে খোঁজ খবর নেন। এরপর দুপুরে তিনি যান বর্ধমান টাউনস্কুলে। সেখানে জেলার জল প্লাবিত এলাকার মানুষদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বোঝাই দুটি গাড়ি নিয়ে এরপর মন্ত্রীরা কাটোয়া মহকুমার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এখানে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দলের কর্মীরা সর্বত্র বানভাসি মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্যে কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষের কী কী ক্ষতি হয়েছে সেইসব প্রশাসনিক বিষয়গুলি প্রশাসনিক স্তরে দেখা হবে। আপাতত দলনেত্রীর নির্দেশে তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে অরুপ বিশ্বাস বলেন, রাতের অন্ধকারে একতরফা ভাবে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাটোয়ার বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস কাটোয়ার ভারতীভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে বন্যা দুর্গত মানুষের পরিস্থিতি দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষজনকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোন অসুবিধা হবে না। উপরে ভগবান। আর নিচে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন । ত্রাণশিবিরে গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষদের পরিস্থিতি দেখেন। ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের শিশুদের হাতে দুধ ও বিস্কুটের প্যাকেট তিনি তুলে দেন। ভারতী ভবন বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কাটোয়া পৌরসভা এলাকায় অন্যান্য ফ্লাড সেন্টারেও বন্যা কবলিত পরিবারগুলিকে রাখা হয়েছে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস কাটোয়ার অন্যান্য ত্রাণ শিবিরগুলি ঘুরে দেখেন ও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গেও কথা বলেন। এদিনই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে জেলার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বন্যা দুর্গতদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই নির্দেশও তিনি বিধায়কদের দেন।এদিকে জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়া কমতেই শনিবার থেকে জেলায় বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় জলস্তর কমেছে দামোদরে। একই ভাবে অজয় নদে জল কমায় ধীরে ধীরে জেলার মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম ও আউশগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার দুই দফায় ডিভিসি জলাধার থেকে ৪ লক্ষেল কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছিল। এদিন ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে ১লক্ষ ৫৫ হাজার ৩০০ কিউসেকে নামে। তেনু ঘাট থেকে ১৩ হাজার কিউসেক, মাইথন থেকে ৫০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত ড্যাম থেকে ৬০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার হয়। জলাধার থেকে জল ছাড়া কমার সঙ্গে সঙ্গেই অজয় নদের তীরবর্তী মঙ্গলকোটের পালিগ্রাম, লাখুড়িয়া, ঝিলু ১, মাঝিগ্রাম, ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু গ্রাম ও কেতুগ্রামের পাণ্ডুগ্রাম, পালিটা, নবগ্রাম, বিল্লেশ্বর, তেওরা, চরখি প্রভৃতি গ্রামে বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। তবে কাটোয়া ও মঙ্গলকোটের কয়েক হাজার হেক্টর ধান জমি এখনও জলের তলায় রয়ে আছে। কাটোয়া-সিউড়ি রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে এদিন সকালেও জল বয়ে যেতে দেখা যায়। অন্যদিকে জল কমলেও আউসগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চলের মানুষজনের দুর্দশা কমেনি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে গিয়ে আউসগ্রামের সাঁতলা, ধুকুর বাগবাটি, বঙ্গপল্লী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম জলপ্লাবিত হয়ে পড়ে। জল ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে কেউ ভয়ে বাঁধে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেন। শিশু সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে এখন তাঁরা বিষধর সাপের সঙ্গেই সহাবস্থান করছেন। চিড়ে, গুড় ও জল খেয়েই সেখানে তাঁদের দিন কাটছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের অনেকেরই ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নষ্ট হয়েছে জমির ফসলও। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান অজিত কুমার মণ্ডল এদিন যদিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ভেঙে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করা হবে ।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Water Drowned: ঠাকুমার সঙ্গে মাছ ধরতে নেমে অজয় নদের গভীর জলে তলিয়ে গেল ৯ বছরের নাতি

অজয় নদে জল একটু কমতেই ঠাকুমার সঙ্গে মাছ ধরতে নেমেছিল নাতি। কিন্তু তাঁর মাছ ধরা আর হয়ে উঠলো না। ঠাকুমার চোখের সামনেই অজয়ের গভীর জলে তলিয়ে গেল ৯ বছর বয়সী তাঁর নাতি আনন্দ থান্ডার। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের নতুনহাট এলাকায়। এই খবর পেয়েই মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ও ব্লকের বিডিও জগদীশচন্দ্র বারুই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছেন। প্রশাসনের নির্দেশে এনডিআরএফ টিম অজয় নদে বালকের খোঁজ চালানো শুরু করে দেয়। কিন্তু এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত অজয় নদে তলিয়ে যাওয়া বালকের কোনও হদিশ না মেলায় উৎকন্ঠায় কাটাচ্ছেন পরিবার সদস্যরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের নতুনহাটের লোচন দাস এলাকার বাসিন্দা সান্তনা থান্ডার। তাঁর মেয়ে পূজা থান্ডারের ছেলে আনন্দ থান্ডার। এই বালকের বাবা বুদ্ধদেব থান্ডার কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে থাকেন। বালক আনন্দ থান্ডার নতুনহাট এলাকায় তাঁর দাদু ঠাকুমার কাছেই থাকতো। সান্তনাদেবী এদিন দুপুরে তাঁর নাতিকে সঙ্গে নিয়েই অজয় নদে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরার ফাঁকেই আচমকা অজয়ের গভীর জলের মধ্যে পড়ে যায় আনন্দ। তার পর থেকে জলে নাতিকে আর খুঁজে পান না সান্তনাদেবী। তিনি চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করতেই স্থানীয় মানুষজন ঘটনাস্থলে পৌছান। স্থানীয়দের মাধ্যমে বালক আনন্দ থান্ডারেরঅজয় নদে তলিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েই মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌছান। খবর দেওয়া হয় এনডিআরএফকে। এনডিআরএফ টিম ঘটনাস্থলে পৌছে অজয় নদে বালকের খোঁজ চালানো শুরু করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজ চালিয়েও তারা বালকের কোনও হদিশ পাননি। বালকের খোঁজে এনডিআরএফ টিম রবিবার ফের অজয়ে তল্লাশী চালাবে বলে প্রশাসনিক কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Child Abuse: একরত্তি শিশুকে আছড়ে ফেলছেন পরিচারিকা, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠলেন বাবা-মা

এমন দৃশ্য দেখে যে কেউ আঁতকে উঠতে বাধ্য। এক রত্তি শিশুকে কাঁধের ওপর তুলে বিছানায় সজোরে আছড়ে ফেলছে পরিচারিকা। শিশুটির পিঠেও আঘাত করা হচ্ছে। সিসিটিভির এই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠেছেন বাড়ির কর্তা-গিন্নি। দুজনকেই কাজের তাগিদে বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে পরিচারিকা রেখেছেন শিশুটিকে দেখাভালের জন্য। বাবা-মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত পরিচারিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, বাবা দেবাশিস দাস বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক, মা নবমিতা ভট্টাচার্য মেদিনীপুরের পাবলিক হেলথের ডিস্ট্রিক্ট ম্য়ানেজার। তাঁদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে শিশুটিকে দেখভালের জন্য রেখেছেন জনৈক কল্পনা সেনকে। বছর পঞ্চাশের এই স্থানীয় মহিলা ২০১৮ সাল থেকে দেবাশিসবাবুদের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বাবার বাড়িতে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে গত মে মাসে ফের ফ্ল্যাটে এসে ওঠেন নবমিতা। দেবাশিসবাবু প্রতি শনিবার ফ্ল্যাটে আসেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিচারিকা কল্পনার অচরণে সন্দেহ হয় দেবাশিসবাবু ও নবমিতার। তাঁরা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করেন। কিন্তু সিসিটিভির বিষয়টা পরিচারিকা জানাননি। তাঁরা মোবাইলে অনলাইনে সিসিটিভির মাধ্যমে বাড়ির প্রতি নজর রাখতেন। বৃহস্পতিবার মোবাইলে অনলাইনে মেয়েকে দেখতে গিয়ে আঁতকে ওঠেন দেবাশিসবাবু। তিনি দেখেন পরিচারিকা তাঁর একরত্তি শিশুর ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। বিছানার ওপর আছড়ে মারছে তাঁর শিশু সন্তানকে। মারধরও করছে। বিষয়টি স্ত্রী নবমিতাকে জানান দেবাশিসবাবু। তড়িঘড়ি দুজনে বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। আপাতত পরিচারিকার স্থান শ্রীঘরে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 119
  • ...
  • 174
  • 175
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাম শিবিরে অস্বস্তি বাড়ছে, প্রতীক উরের পথেই কি হাঁটবেন আরও তরুণ নেতা

চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন প্রতীক উর রহমান। সময়ের ব্যবধানে সেই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীই এখন তাঁর সহযোদ্ধা। শনিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলা এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রতীক উর রহমান। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিক মহলে জোর আলোড়ন ফেলেছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক সময়ের বাম যুবনেতার দলবদলকে ঘিরে গত এক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছিল। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি চিঠিতে প্রতীক উর রহমান রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার কথা জানান। পরে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি মার্ক্সবাদী দলীয় নিয়ম মেনে তাঁকে বহিষ্কার করে। তবে তার আগে দলের একাংশ তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা চালায় এবং বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলেও জানা যায়।দুদিনের রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁর কাছে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার মতো। তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রতীককে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেন। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বরং প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়।এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রতীক উর। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি। অবশেষে শনিবার বিকেলে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটে। দুপুরে আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে প্রতীক উরের যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয় এবং দুজনেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, প্রতীক উরের পথ অনুসরণ করে আরও বাম যুবনেতা দলবদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য এবং দীপ্সিতা ধর-এর নাম ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি, তবু আলিমুদ্দিনের অন্দরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাষা দিবসের মঞ্চে মমতার পাশে অনন্ত, বঙ্গ রাজনীতিতে কি বড় সমীকরণ বদল

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বড় রাজনৈতিক চমক দেখা গেল। দেশপ্রিয় পার্কের অমর একুশে উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র পাশেই মঞ্চে বসে থাকতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। শনিবার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরীয় পরিয়ে ও স্মারক তুলে দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে অনন্ত মহারাজ রাজবংশী ভাষায় মহারাজা চিলা রায়ের লেখা কবিতা পাঠ করেন এবং নিজের জাতিগত পরিচয় ও ভাষার প্রতি আবেগের কথা তুলে ধরেন। ভাষা দিবসের মঞ্চে তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।মুখ্যমন্ত্রী ও অনন্ত মহারাজের সম্পর্ক নতুন নয়। লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় থেকেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। গ্রেটার কোচবিহারের দাবিকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন অনন্ত মহারাজ এবং পরে বিজেপি তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করে। কিন্তু গ্রেটার কোচবিহারের দাবি খারিজ হওয়ায় বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। কোচবিহারে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পর অনন্ত মহারাজের সমর্থনের কথাও উঠে আসে, যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং তাঁর পাশেই বসান। পরে তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দেওয়া হলে জল্পনা আরও জোরদার হয়। সম্মান পেয়ে অনন্ত মহারাজ কৃতজ্ঞতা জানালেও নিজের ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্নে তিনি দৃঢ় অবস্থানের কথাই তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও কোচ রাজবংশী সম্প্রদায়ের স্বার্থে তেমন কাজ হয়নি। এর পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের আগে কি তবে রাজনৈতিক অবস্থান বদলাতে পারেন অনন্ত মহারাজ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফাঁস অডিওতে বড় দাবি, টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম, বাগদায় তোলপাড়

উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মাথাপিছু টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন এক বুথ স্তরের আধিকারিক। এই আবহে একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভাইরাল অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিকের নাম চন্দ্রকান্ত মণ্ডল। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেও জানা গিয়েছে। ভাইরাল অডিওতে শোনা যায়, এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য মাথাপিছু দশ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। মোট ছয় জনের নাম তোলার কথা উল্লেখ করে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মাইক্রো পর্যবেক্ষকের নাম করে এই টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর ইমেলের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।যাঁদের নাম তোলার জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলেও দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি এ দেশে এসেছেন এবং বিভিন্ন উপায়ে পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের কারও নাম ছিল না বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার আবহে পরিবারের সদস্যদের নাম তুলতে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আধিকারিক। তাঁর দাবি, প্রযুক্তির সাহায্যে কণ্ঠস্বর নকল করে এই অডিও তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি-র মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তরুণ ঘোষ জানান, কেউ অন্যায় করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, শাসকদলের মদতেই এই ধরনের কাজ হচ্ছে। যে পরিবারকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তা, বাংলায় ঢুকছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশে আগামী পয়লা মার্চ থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে। মোট চারশো আশি কোম্পানি আধাসেনা দুই দফায় রাজ্যে আসবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় পয়লা মার্চ দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ বাকি বাহিনী পৌঁছবে।এই বিষয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের ডিজিপির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক ভাবে চারশো আশি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় যে বাহিনী আসছে তার মধ্যে একশো দশ কোম্পানি সিআরপিএফ, পঞ্চান্ন কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, একুশ কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, সাতাশ কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং সাতাশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল থাকবে।দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ আরও দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। সেই দফায় একশো কুড়ি কোম্পানি সিআরপিএফ, পঁয়ষট্টি কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ষোলো কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, কুড়ি কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং উনিশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীর কাজ হবে স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দেওয়া, ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়ানো এবং ভোটযন্ত্র পাহারা দেওয়া।জানা গিয়েছে, মোট নয়টি সেকশনের মধ্যে আটটি সেকশন বুথের নিরাপত্তা ও টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে। একটি সেকশন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসাবে প্রস্তুত থাকবে, যাতে কোথাও বড় অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বাহিনী মোতায়েনের সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জয় যাদবকে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এত বিপুল বাহিনীর থাকা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থার দায়িত্ব রাজ্য প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ওয়াক আউট নিয়ে স্পিকারের ক্ষোভ, বিরোধীদের সতর্কবার্তা

বিধানসভায় শাসক-বিরোধী বিধায়কদের হট্টগোল এবং বিরোধী বিধায়কদের ওয়াক আউট গত পাঁচ বছরে বারবার দেখা গেছে। সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বেলায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি মূলত বিরোধী বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ওরা বিধানসভাকে কাজে লাগাতে পারেনি। ওয়াক আউট করলে হয়তো কাগজে খবর হবে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ চলে যায়।স্পিকার নতুন বিধায়কদেরও কড়া ভাষায় বলেন, আমি সবসময় সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু নতুন বিধায়করা প্রস্তুত না হলে কী লাভ? প্রশ্ন করলে প্রস্তুত হয়ে আসতে হবে।এছাড়াও স্পিকার রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, বছরে বিধানসভা কমপক্ষে ৬০ দিন চলা উচিত, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা হয়নি। সরকারের বিল ছাড়া বিধানসভা নিজে চলতে পারে না। নতুন বিধানসভা তৈরি হলে সরকার এই বিষয়টি মনোযোগ দেবে আশা করি।বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পিকারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জানান, দুর্ভাগ্যের বিষয় এই রাজ্য সরকার বিধানসভা ঠিকমতো চলতে দিতে চাইছে না। তারা চায় না বিরোধীরা কথা বলুক বা মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরুক। নতুন স্বর আসায় তারা অস্বস্তিতে রয়েছে।বিধানসভায় গত পাঁচ বছরে ১৬৬ দিন অধিবেশন হয়েছে, মোট ঘণ্টা ৪৫৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। সপ্তদশ বিধানসভায় ৪১৬২টি প্রশ্ন এসেছে, যার মধ্যে ১৬০৪টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। ৯১টি বিল, ৩৯টি মুলতুবি প্রস্তাব, ২৭২টি দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব এবং ৯৩২টি মেনশন এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

শিশুদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক গুলি চালাল, গুরুতর আহত এক

রঘুনাথগঞ্জ থানার বানিপুর এলাকায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি বাড়ির সামনে খেলতে থাকা শিশুদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত। ঘটনায় এক শিশু আহত হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করেছে।ধৃত শিক্ষকের নাম সমীর কুমার মণ্ডল, তিনি ওমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অভিযোগ, শুক্রবারের মতো কয়েকজন শিশু তার বাড়ির পাশে একটি ফাঁকা মাঠে খেলছিল। মাঝেমধ্যে তাদের বল শিক্ষকের বাড়ির ভিতরে পড়ে যেত। আগে থেকেও এই নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিশুরা খেলতে থাকায় রেগে গিয়ে সমীর বন্দুক নিয়ে শিশুগুলোর দিকে গুলি চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। আতঙ্কিত শিশুরা ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে এক শিশুর হাতে গুলি লাগে।আহত শিশুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, প্রতিদিনের মতো ১০-১২ জন বাচ্চা খেলছিল। বল বাড়ির দরজায় লাগতেই শিক্ষক বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে এসে গুলি চালাল। আমার ছেলের হাতে গুলি লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাই।বর্তমানে শিশুটি জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে এবং বাড়ি থেকে একটি আধুনিক এয়ারগান উদ্ধার করে। পুলিশ অস্ত্র পরীক্ষা করে দেখছে এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে তা যাচাই করছে। ধৃত শিক্ষক দাবি করেছেন, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই গুলি চালিয়েছিলাম, কারও গায়ে লেগেছে তা বুঝতে পারিনি।এলাকায় ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদালতের! দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে করা নতুন আবেদনের শুনানিতে আদালত সিবিআইয়ের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জানিয়েছে, পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে না থাকলেও এটি গ্রহণ করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে এবং দ্রুততা আনা প্রয়োজন।পরিবারের আবেদনে কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, সিবিআই এই বিষয়টি সঠিকভাবে দেখার বিষয়টি এড়িয়েছে। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চললেও এখনও পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি।তিলোত্তমা ছাত্রী নিহতের পরিবারের তরফে গত মঙ্গলবার আদালতে নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এতে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক, কলকাতা পুলিশের অন্যান্য অফিসার এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রথম এবং পরবর্তী রিপোর্টে বড় পার্থক্য রয়েছে, যা কোর্টকে বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা আরও দাবি করেছেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার।সিবিআই-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতারির আবেদন করা হয়েছে, তাদের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হবে, কারণ অনেককে ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal