কালীপুজোর আগে নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বড়সড় সোনা পাচারের চেষ্টা বানচাল করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী। রাতের অন্ধকারে ডিঙিনৌকায় করে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন সাত জন বাংলাদেশি। তাঁদের বাধা দিতে গুলি চালান সীমান্তে টহলরত জওয়ানেরা। সেই গুলিতে জখম হয়েছেন এক যুবক। তাঁর নাম মণিরুল ইসলাম। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে তিন কেজি সোনা। বাকি ছয় জন পালিয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের টুঙ্গি সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে খবর, মণিরুল-সহ সাত জন বাংলাদেশি ডিঙিনৌকায় করে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছেছিলেন। তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে টহলরত জওয়ানদের। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের থামতে বলা হয়। কিন্তু সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ও রবার বুলেট ছোড়েন জওয়ানেরা। তাতেই মণিরুলের ডান পায়ে গুলি লাগে। পিঠেও রবার বুলেটের আঘাত লাগে বলে জানা গিয়েছে। বাকি ছয় জন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
এর পর জখম মণিরুলকে উদ্ধার করেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানেরা। ঘটনাস্থল থেকে তিন কেজি সোনাও উদ্ধার হয়েছে। আহত যুবককে প্রথমে উদ্ধার করে কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এবং উদ্ধার হওয়া সোনার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হয়েছে।
কালীপুজোর আগে এই অভিযানকে বড় সাফল্য বলে মনে করছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। ওই যুবককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে খবর। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, সোনা কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কোথায় তা নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। শীতের মরশুমে নদিয়ার সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হবে বলেও বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে।
- More Stories On :
- Indo Bangladesh border
- Nadia
- BSF
- Bangladeshi

