• ১৮ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

টুকিটাকি

টুকিটাকি

শরীরে পুষ্টি বাড়াতে নিয়মিত খান পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। ১৫২ গ্রামের পেঁপেতে ৫৯ ক্যালরি থাকে। তার মধ্যে ৩ গ্রাম ফাইবার , ১ গ্রাম প্রোটিন ও ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। এছাড়া এই ১৫২ গ্রাম পেঁপেতে আরডিআই- এর ১৫৭ শতাংশ ভিটামিন সি , ৩৩ শতাংশ ভিটামিন এ , ১৪ শতাংশ ফো্লেট ও ১১ শতাংশ পটাসিয়াম থাকে। আরও পড়ুনঃ শরীরে ক্লান্তি দূ্র করতে পুজোয় নিয়ম মেনে করুন খাওয়াদাওয়া চলুন দেখে নেওয়া যাক , পাকা পেঁপে খেলে আমাদের কি কি উপকার হয়। পেঁপেতে পাপাইন নামক উৎসেচক থাকে , যা ওজন কমাতে বড় ভূমিকা নেয়। এই উৎসেচক প্রোটিন ভাল করে হজম করতে সাহায্য করে। এতে পেশি তৈ্রি হয়। বাড়ে মেটাবলিজম। এতে যে ফাইবার আছে, তা শরীর থেকে বের করে টক্সিনকে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরে ক্লান্তি দূ্র করতে পুজোয় নিয়ম মেনে করুন খাওয়াদাওয়া

বাড়িতে রয়েছেন বলে খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম করবেন , এরকমটা কিন্তু একেবারেই নয়। এতে শরীরে ক্লান্তি ডেকে আনতে পারে। যা শরীরের পক্ষে একদমই ভাল নয়। বরং , এটা শরীরের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা বয়ে আনতে পারে। জেনে রাখুন , ক্লান্তি দূর করতে কি করবেন। শরীর থেকে ক্লান্তি দূর করতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খান। মাসল , ত্বক, শরীরের জয়েন্ট , মস্তিষ্ক সবই ঠিকঠাক কাজ করবে প্রোটিন খেলে। আরও পড়ুনঃ সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ছোট মাছ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান। অর্থাৎ লেবু , পেয়ারা সহ বিভিন্ন ধরণের ফল। মিষ্টি কিন্তু একেবারেই নৈব নৈব চ ! এর জেরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হবে। এছাড়াও বাড়িতে বসে অফিসের কাজ করার সময় ঘণ্টায় ঘণ্টায় চা ও কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

অক্টোবর ২১, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ছোট মাছ

ছোট মাছ শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। ছো্ট মাছ খেলে শরীরে কো্নদিক থেকে ভাল হবে , তা জেনে নিন। শিশুদের জন্য প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন ডি যুক্ত গুঁড়া মাছ খুবই উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খনিজ লবণ সমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ উপকারী। হৃদরোগী, স্ট্রোকের রোগীর ও গর্ভবতী মা ও দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য গুঁড়া মাছ খুবই উপকারী। ছোট মাছে অসম্পৃক্ত চর্বি আছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। আরও পড়ুনঃ কলাপাতা ত্বকের জন্য উপকারী , না জানলে জেনে নিন ! এ ছাড়া আয়রন, প্রোটিন, ফসফরাস, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ২, ফ্যাটি অ্যাসিড, লাইসনি ও মিথিওনিনেরও ভাল উৎস ছোট মাছ।ছোট মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে যা রাতকানা, অন্ধ হয়ে যাওয়া ছাড়াও দৈনন্দিন অনেক শারিরীক সমস্যা দূর করতে সক্ষম। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ তাদের ব্ল্যাডপ্রেসার কমাতে সাহায্য করবে।

অক্টোবর ২০, ২০২০
টুকিটাকি

কলাপাতা ত্বকের জন্য উপকারী , না জানলে জেনে নিন !

কলাপাতা ত্বকের জন্য অব্যর্থ ওষুধ। কলাপাতা ব্লেন্ড করে রস ক্ষত স্থানে সামান্য সময় রেখে ধুয়ে ফেলুন। যদি এই রস ব্যবহারের পর ত্বক জ্বালাপোড়া করে তাহলে তাড়াতাড়ি ধুয়ে ফেলুন, বেশিক্ষন রাখবেন না। বিভিন্ন ক্রিমে লেবেলে আলাটোয়িং নামক একটি ব্যয়বহুল এবং সক্রিয় উপাদান দেখা যায়। যার উপস্থিতি কলাপাতার মধ্যে পাওয়া যায়। আরও পড়ুনঃ শরীর সুস্থ রাখতে পাতে রাখুন মোচা কলাপাতার উপর কয়েকটি বরফের কিউব ঘষে নিয়ে ত্বকের উপর প্রয়োগ করলে ত্বক আরও উজ্জ্বল ও সতেজ হয়ে উঠবে। তাছাড়া কলাপাতায় নিয়মিত খাবার খেলেও ত্বক ভিতর থেকে সুস্থ ও সতেজ হয়ে ওঠে। কারণ এই পাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিক বেড়িয়ে যেতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে আরও বেশি উজ্জ্বল এবং সতেজ।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে পাতে রাখুন মোচা

মোচার মধ্যে থাকা নির্যাসে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য প্রোটিন থাকে। এটি শরীরের জন্য উপকারী। মোচায় থাকা ম্যাগনেশিয়াম উদ্বেগ ও হতাশা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও মন ও মেজাজ ভাল রাখতে সাহায্য করে মোচা। মোচায় রয়েছে ফেনোলিক অ্যাসিড , যা রক্তের শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। মোচায় রয়েছে প্রাকৃ্তিক গ্যালাক্টাগাগ , যা স্তন্যদান কারী মায়ের বুকের দুধ বৃ্দ্ধিতে সাহায্য করে।এছাড়াও মোচা কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় দেহ গঠনের কাজে সাহায্য করে। আরও পড়ুনঃ মারণ ব্যধি ক্যান্সারকে হারাতে অদ্বিতীয় ব্রোকলি ! মোচায় লৌহ থাকায় এটি খেলে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করতে দারুণ সহায়তা করে। মোচার মধ্যে যেই পরিমাণে আঁশ পাওয়া যায় তাতে সহজে হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মোচায় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় এটি শিশুদের দাঁত ও হাঁড়ের লম্বাটে মজবুত রাখতে সাহায্য করে।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
টুকিটাকি

মারণ ব্যধি ক্যান্সারকে হারাতে অদ্বিতীয় ব্রোকলি !

ব্রোকলি ফুলকপি নয়। এই সবজীকে কাঁচাও খাওয়া যায়। রান্না করেও খাওয়া যায় এই সবজী। তবে এই সবজী নিয়মিত খেলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো তো থাকবেই, বাড়বে পুষ্টির পরিমাণ। ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, যার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিএজিংএর গুণ। এছাড়াও পুষ্টিকর সবজি হিসেবে এর জুড়ি মেলা ভার। আমেরিকান ক্যানসার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তালিকা অনুযায়ী ক্যান্সার প্রতিরোধী খাবার হিসেবে এর স্থান দশম। আরও পড়ুনঃ শরীরের উন্নতিতে কাঁচালঙ্কার ভূমিকা অমূল্য ব্রোকলি হল ক্রুসেফেরি প্রজাতির সবজী, যারা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ও রোগ প্রতিরোধ করার মত ক্ষমতা রাখেন। এছাড়াও ফুসফুস, মলাশয়, বুক, জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এই সবজীর গুণ রয়েছে। ক্যান্সার প্রতিরোধক ফলিক অ্যাসিডের উপস্থিতি এই সবজীকে ক্যানসার প্রতিরোধের বিষয়ে বিশেষ ক্ষমতা দেয়।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরের উন্নতিতে কাঁচালঙ্কার ভূমিকা অমূল্য

কাঁচালঙ্কা আমরা রান্নায় ঝাল বাড়ানো্র জন্য ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু কাঁচালঙ্কার অনেক উপকারী গুণ আছে , সে বিষয়ে কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না। চলুন এবার জেনে নিই , কাঁচালঙ্কা আমাদের শরীরে কি কি উপকার করে। রোজ একটি করে কাঁচালঙ্কা খেলে শরীরে ভিটামিন সির ঘাটতি কমবে। আরও পড়ুনঃ সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল , উপকার পাবেন হাজার গুণ এছাড়াও কাঁচালঙ্কা খেলে জ্বর ও কাশি থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। ্প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রেও কাঁচালঙ্কার ভূমিকা অনবদ্য। হজমশক্তি বাড়ানো্র ক্ষেত্রেও কাঁচালঙ্কার ভূমিকা রয়েছে। কাঁচালঙ্কা শরীরে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
টুকিটাকি

সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল , উপকার পাবেন হাজার গুণ

সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল খেলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই কিসমিস ভেজানো জল নিয়মিত খেলে অ্যা্নিমিয়া রোগীরা রক্তশূন্যতা থেকে মুক্তি পায়। টানা চার থেকে পাঁচদিন কিসমিস ভেজানো জল পান করলে পেট একদম পরিস্কার হয়ে যাবে। পেটের গণ্ডগো্লও উধাও হয়ে যাবে। কিশমিশ হার্ট কে ভালো রাখে। এর পাশাপাশি শরীরের ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল আছে তাকেও দূর করে।কিশমিশে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। কিশমিশ না খেয়ে শুধু কিশমিশ ভেজা জল খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। জলে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে। আরও পড়ুনঃ দাঁতের যন্ত্রনায় কাতর ? প্রয়োগ করুন এই ঘরোয়া উপায়গুলি রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালো ভাবে কাজ করতে হবে। কিশমিশের জল তৈরি করবেন জেনে নিন ২ কাপ জল (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। খুব চকচক করছে এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। একটি পাত্রে দু কাপ জল দিয়ে সারারাত কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেঁকে নিয়ে, সেই জল হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
টুকিটাকি

দাঁতের যন্ত্রনায় কাতর ? প্রয়োগ করুন এই ঘরোয়া উপায়গুলি

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে গেলে প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই দরকার। যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করা আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা খুবই দরকারি। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মেনে চলেন না। এবার জেনে নিন দাঁতের ব্যথা হলে তা কমানোর জন্য কি কি ঘরোয়া উপায় আছে। প্রথমেই দাঁতের ব্যথা কমানোর জন্য যে ঘরোয়া উপায়ের কথা মনে পড়ে যায় , তা হল লবণ জল। আরও পড়ুনঃ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী কোনটি ? ভাত না রুটি? লবণ এমন একটি উপাদান যা প্রত্যেক ঘরেই থাকে। দাঁতে ব্যথা হলে উষ্ণ গরম জল করে একটু লবণ মিশিয়ে বারবার কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ব্যথা কমবে আর মুখে থাকা জীবাণু থাকলে নাশ হবে। এর সঙ্গে মাড়িতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে ফলে মাড়ির ব্যাথাও কমে যাবে। এছাড়াও যে ঘরোয়া টোটকার কথা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা হল লবঙ্গ। এই জিনিসটি যদিও সব বাড়িতেই থাকে। যখন দাঁতে ব্যথা হবে তখন যে দাঁতটি ব্যথা তার ওপরে একটি লবঙ্গ উলটো দিক দিয়ে চেপে ধরে থাকুন। দাঁতে লবঙ্গ তেল ব্যবহারও করতে পারেন। এর ফলে ব্যথা থেকে সাময়িক হলেও মুক্তি পাবেন। এছাড়াও দাঁতে ব্যথা কমানোর জন্য অমূল্য ঘরোয়া দাওয়াই হল আদা। এক টুকরো আদা নিয়ে ব্যাথা যুক্ত দাঁত দিয়ে চিবতে থাকুন। যে দাঁতে ব্যাথা তার ওপরে আর আশে পাশে আদার রস দিন। কিছুক্ষন পর অবশ্যই ব্যাথা থেকে আরাম পাবেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী কোনটি ? ভাত না রুটি?

ওজন নিয়ে আমরা সকলেই কম-বেশি চিন্তিত। আর ওজন ঠিক রাখতে গেলে খাদ্য তালিকায় নজর নিতে হবে আমাদের। তবে ওজন কমাতে ভাত না রুটি উপকারী তা নিয়ে আমরা সকলেই একটা দ্বিধার মধ্যেই থাকি। বেশ কিছু তথ্য বিবেচনা করে জানা যাচ্ছে ভাত ও রুটির মধ্যে পুষ্টিগুণের তেমন পার্থক্য নেই। আরও পড়ুনঃ শরীর ভাল রাখতে অনবদ্য কালো জিরে, না জানলে জেনে নিন দুটি খাদ্যই শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করেই পাওয়া যায়। তবে যে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় সেটি হল ভাতে নগদ পরিমাণে ১২০ গ্রাম সোডিয়াম থাকে অন্যদিকে গমে সোডিয়াম থাকে ১৯০ মিলিগ্রাম। এছাড়া ৬০ গ্রাম চালে ১ গ্রাম প্রোটিন, ৮০ ক্যালোরি, ০.১ গ্রাম ফ্যাট ও ১৮ গ্রাম কার্বস থাকে। অন্যদিকে একটি ছোট ৬ ইঞ্চি পরিমাপের রুটিতে প্রায় ৩ গ্রাম প্রোটিন, ৭১ ক্যালোরি, 0.৪ গ্রাম ফ্যাট ও ১৫ গ্রাম কার্বস থাকে। উল্লেখ্য রুটি গম থেকে তৈরি হয় সেকারনে চালের তুলনায় বেশি পুষ্টি থাকে রুটিতে। তাই ভাত ও রুটি খেলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু কোনওটিই খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর ভাল রাখতে অনবদ্য কালো জিরে, না জানলে জেনে নিন

রান্নায় তো আমরা কালো জিরে দিয়ে থাকি। কিন্তু শরীর ভাল রাখতে যে কালো ্জিরের গুরুত্ব অপরিসীম , সে বিষয়ে হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। চলুন এবার জেনে নিই , কালো ্জিরে খেলে আমাদের কি উপকার হয়। কালো জিরেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টস , যা আমাদের শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও কালো জিরে খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। আরও পড়ুন ঃ ইমিউনিটি বাড়াতে সকালে খালি পেটে খান এই পাঁচটি পানীয় ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষে্ত্রেও আমরা কালো ্জিরের অবদান অস্বীকার করতে পারি না। ব্যাকটেরিয়া রোধেও ্কালো জিরের ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের লিভার সুরক্ষায় কালো ্জিরে খুব ভাল কাজ করে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে কালো জিরে। এছাড়াও প্রদাহ কমানোর ক্ষে্ত্রে কালো ্জিরের গুরুত্ব অপরিসীম। এছাড়াও ্পেটের আলসার রোধ করে কালো জিরে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
টুকিটাকি

ইমিউনিটি বাড়াতে সকালে খালি পেটে খান এই পাঁচটি পানীয়

সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খান না , এমন মানুষ খুব কমই আছে। কিন্তু এখন করোনার গ্রাফ ও মৃত্যুর হার যখন ক্রমশই বেড়ে চলেছে , তখন করোনাকে রোখার ক্ষেত্রে ইমিউনিটিকে মূল হাতিয়ার হিসেবে মনে করছেন চিকিৎসক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। ইমিউনিটি বাড়াতে চা এর পরিবর্তে যে পানীয়গুলি ব্যবহার করতে হবে , তা হল লেবু জল। সকালে খালি পেটে লেবু জল শরীরে মেটাবলিজম বাড়ায় এবং একই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে অ্যালোভেরা জুসের অসামান্য অবদান আছে। সকালে খালি পেটে এলোভেরা জুস স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। আরও পড়ুন ঃ করো্নার সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান এই বিশেষ ৫ টি ফল এছাড়াও গাজর এবং বিটের রসে থাকে ভিটামিন-এ, সি ও ই। একইসঙ্গে এতে থাকে আয়রন ও ক্যালসিয়ামও। চায়ের অভ্যাস বদলে গাজর ও বিটের রস খেলে নিঃসন্দেহে শরীর তাজা হয়ে উঠবে। এছাড়াও ডাবের জলে সর্বাধিক পরিমাণ ইলেকট্রোলাইট থাকার কারণে তা সবসময়ই শরীরে পক্ষে ভাল। এছাড়াও ইমিউনিটি গ্রিন টির অবদানও আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। পলিফেনলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকার কারণে গ্রিন টি শরীরের কোষক্ষয় হ্রাস করে। আর সেকারণেই চা কিংবা কফির থেকে তুলনামূলক ভাল গ্রিন টি খাওয়া।

অক্টোবর ১১, ২০২০
টুকিটাকি

করো্নার সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান এই বিশেষ ৫ টি ফল

ফল খেলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, তা বলাই বাহুল্য। এই করো্না পরিস্থিতিতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো খুবই জরুরি। তাই এখানে এমন ৫ টি ফল নিয়ে আলোচনা করা হল , যা আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ ্প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী। কমলালেবু আমাদের শরীরের প্রতিদিনের ভিটামিন সি -এর চাহিদাকে মেটায়। ভিটামিন সি কোষের ক্ষয় কম করে। গ্রেপফ্রুটেও ্প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার ও ভিটামিন এ থাকে। এগুলি শরীরে রোগ ্প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী। আরও পড়ুনঃ লেবুর খোসার উপকারিতা জানেন, জানলে চমকে যাবেন ব্লুবেরি খুব কম ক্যালোরির একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে , যা আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এছাড়াও আপেলের খোসায় কো্রেসটিন রয়েছে। এটা এক ধরণের ফ্ল্যাভোনয়েড , যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও ন্যা্সপাতির কথা কোনওভাবেই ভুলে গেলে চলবে না। ন্যা্সপাতিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও পটাসিয়াম। যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী।

অক্টোবর ১০, ২০২০
টুকিটাকি

লেবুর খোসার উপকারিতা জানেন, জানলে চমকে যাবেন

লেবু খেতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছে। গরমে ক্লান্তি ও পিপাসা দূর করতে অনেকের প্রথম পছন্দ লেবুর শরবত। এছাড়াও শরবত না খেলেও লেবু খান না , এমন মানুষ খুব কমই আছে। তবে এর খোসাও বেশ উপকারী। চলুন জেনে নেওয়া লেবুর খোসা থেকে কী কী উপকার পাওয়া যায়- লেবুর খোসায় ভিটামিন সি ও সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ও একাধিক রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। আরও পড়ুনঃ দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে পিঠ কোমরে ব্যথা ? জেনে নিন সমাধানের উপায় এছাড়াও লেবুর খোসায় সাই্ট্রাস বায়ো ফ্লেভোনয়েড থাকে,যা মানসিক চাপ কমানোর জন্য ভীষণ উপকারী। নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরে সাইট্রিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়াও শরীরের ফ্যাট বার্ন করার ক্ষেত্রেও লেবুর খোসায় উপস্থিত পেকটিন নামক উপাদান সবচেয়ে উপকারী।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
টুকিটাকি

দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে পিঠ কোমরে ব্যথা ? জেনে নিন সমাধানের উপায়

অনেকক্ষণ অফিসে বসে কাজ করলে পিঠে ও কোমরে অসহ্য ব্যথা হয়, চিন্তা করবেন না। এর সমাধান আছে। মাঝেমধ্যে ব্রেক নিয়ে ২-৩ মিনিট হেঁটে আসুন। চিকিৎসকদের মতে, ২ ঘন্টা একসঙ্গে বসে থাকলে শরীরে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ কমে যেতে পারে। এছাড়াও ডায়াবেটিসের সমস্যাও হয়। বাইরে বেরনোর আগে আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিয়ে থাকি। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দুকাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধে বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবেই নিতে হবে যাতে দুকাঁধে সমান চাপ পড়ে।ফ্রোজেন শোল্ডারের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘ মেয়াদী হলেই বিপদের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনও চোট, আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস-এর উপর নির্ভর না করাই ভাল। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভাল।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে কোনও তুলনা নেই ঘিয়ের

বাঙালিদের নানা পছন্দের খাবারের মধ্যে অন্যতম হল ঘি। প্রথম পাতে ভাতের সঙ্গে ঘি না থাকলে অনেকেরই মন ভরে না। এর ব্যতি্ক্রমও আছে। অনেকেই কোলেস্টেরল, ওবেসিটি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ঘি খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তবে ঘি আমাদের নানা রোগ নিরাময়ে সহায়তাও করে থাকে। তাই নিয়মিত খাবার তালিকায় ঘি থাকা উপকারী।ঘি এর সাহায্যে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়। সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হয় এবং ঘি তে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের এনার্জি এবং নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তাই নিয়মিত পাতে ঘি থাকা কিন্তু মাস্ট। আরও পড়ুনঃ ভুলেও এই জিনিসগুলির সাথে কখনই খাবেন না দই এছাড়া যাদের ব্লাড প্রেসার আছে তারাও ঘি খেতে পারেন। কারণ ঘি গুড কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে ও লিপিড প্রোফাইল এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।অন্যদিকে ঘি রাতে ভালো ঘুম হওয়ার ক্ষেত্রেও উপকারী। এছাড়া আয়ুর্বেদিক মত অনুযায়ী, যারা ঠাণ্ডা লাগার ধাত রয়েছে তারা সকালে নিয়মিত ঘি গরম করে নাকে টানলে ঠাণ্ডা লাগার উপশম থেকে মুক্তি পাবেন। তবে দৈনিক ৩-৬ চামচ ঘি খাওয়া উচিত। তার বেশি খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এছাড়া শুধু যে খাবার পাতেই ঘি খেতে হবে তা নয়, বেশ কিছু রান্নায় ঘি দিলে রান্নার স্বাদও ভালো হয়।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
টুকিটাকি

ভুলেও এই জিনিসগুলির সাথে কখনই খাবেন না দই

দই স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। দইতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিমায় সহ নানা ভিটামিন ও প্রোটিন আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযোগী। তবে এমন অনেক খাবার জিনিস আছে যা দইয়ের সঙ্গে খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে থাকে। যেমন চিকেন রান্না সুস্বাদু তৈরি করার জন্য দই ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। চিকেনে দই এর ব্যবহার পেট খারাপ এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দই চিকেনের সাথে না খাওয়ায় ভালো। অন্যদিকে দই বড়া জাতীয় খাবার খাওয়াও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে ডাল ও দই একসাথে খেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আরও পড়ুনঃ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে পান করুন ভেষজ চা অন্যদিকে কলা ও দই একসাথে খেলে ফ্লোরিয়া হতে পারে। তাই কলা ও দই একসাথে না খেয়ে প্রায় দু ঘন্টার ব্যবধানে খেতে পারেন। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হবে না। এছাড়া আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী কোন টক জাতীয় ফল ও দই একসাথে খাওয়া একদমই উচিত নয়। কারণ দুটি টকযুক্ত খাবারে ভিন্ন এনজাইম থাকে ফলে হজমে সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও আয়ুর্বেদ অনুযায়ী আম ও দই একসাথে খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারণ আম গরম স্বাদের হয় এবং দই ঠাণ্ডা স্বাদের হয়ে থাকে। তাই আম ও দই একসাথে না খাওয়ায় ভালো।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
টুকিটাকি

সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা খাওয়ার উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন

ছোলাতে রয়েছে পটাসিয়াম, আঁশ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি ৬। যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। যেহেতু ছোলায় বেশ ভালো পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড থাকে, সেটা শরীরে অ্যানিমিয়া রোধ করে রক্ত বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে উপকারী। এছাড়াও ছোলা খেলে হাইপারনেটশন হওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায়। ছোলা খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্তচাপও । এছাড়ও মেয়েদের পিরিয়ডের সময় এই ফলিক অ্যাসিড কাজে দেয়।মহিলাদের কয়েক প্রকার ক্যান্সারের ঝুকি কমানোর ক্ষেত্রেও ছোলা্র অবদান অস্বীকার করা যায় না।বেশি পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের ফলে মেয়েদের কোলন ক্যান্সার ও রেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।এছাড়াও নিয়মিত কাঁচা ছোলা খেলে অ্যাজমা রোগের প্রকোপও কমতে থাকে। নিয়মিত কাঁচা ছোলা খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থেকেও সহজে মুক্তি পাওয়া যায়। আর ডায়াবেটিস রোগেও এটি ভালোভাকে কাজ করে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
টুকিটাকি

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে পান করুন ভেষজ চা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে অনেকেই ভেষজ চা খাচ্ছেন। আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, মধু, পাতিলেবু, তুলসিপাতা দেওয়া চা খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এর ফলে স্বাস্থ্য ভালও হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই চা অতিরিক্ত পান করলে শরীরের ক্ষতিও হতে পারে।যাঁরা সর্দি-কাশিতে ভোগেন, তাঁদের পক্ষে এই চা খাওয়া খুবই উপকারী। এর ফলে তাঁদের শরীর ভাল হতে পারে। কিন্তু যাঁদের পিত্ত বা বাতের সমস্যা আছে, তাঁদের পক্ষে উষ্ণ পানীয় সেবন ঠিক নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, শারীরিক অবস্থা বুঝে এই চা খাওয়া উচিত। যাঁদের বাত রয়েছে, তাঁরা একদিনে সর্বোচ্চ দুবার এই চা খেতে পারেন।এই ধরনের ব্যক্তিরা ভেষজ চায়ে সামান্য ঘি মিশিয়ে খেতে পারেন। তবে যাঁদের শরীরে পিত্তর সমস্যা আছে, তাঁদের দিনে একবারের বেশি ভেষজ চা খাওয়া উচিত নয়। সন্ধেবেলা খেলেই সবচেয়ে ভাল হয়। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে রোজ ভেষজ চা খেলে উল্টে অনেকরকম ক্ষতি হতে পারে। একজন মানুষের বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং আবহাওয়া বিচার করে তবেই তাঁর জন্য ভেষজ চা তৈরি করা উচিত। সবার ক্ষেত্রে এই চা সমান কাজ দেয় না। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে তবেই ভেষজ চা খাওয়া উচিত।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
টুকিটাকি

গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন! জেনে নিন সমাধানের উপায়গুলি

শসা : শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাদ্য উপাদান।এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমাতে সাহায্য করে। দই : দই আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়। পেঁপে : পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা আমাদের হজমশক্তি বাড়ায়।নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে যায়। কলা ও কমলা : কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান।পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার। আদা : আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার।পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে খুব সহজেই। ঠাণ্ডা দুধ : পাকস্থলির গ্যাসট্রিক অ্যাসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ।এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূর হয়।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকার ভোটে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জয়জয়কার! লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র হলেন কেরলের নিত্যা

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল রিপাবলিকান শিবির। কংগ্রেসের দুই কক্ষ, সেনেট এবং হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল। অন্য দিকে, বিভিন্ন জায়গায় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে বিশেষ ভাবে নজর কেড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিকেরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম কেরলে জন্ম নেওয়া নিত্যা রমন। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। এই জয়ের ফলে শহরটির প্রথম এশীয়-আমেরিকান মেয়র হলেন নিত্যা। প্রতিদ্বন্দ্বী কারেন বাসকে হারিয়ে ৫১.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। বাস পেয়েছেন ৪৮.৩৩ শতাংশ।এই নির্বাচনে শুধু নিত্যাই নন, জয় পেয়েছেন আরও কয়েক জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অরুণা মিলার। ১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর হায়দরাবাদে জন্ম তাঁর। মাত্র সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে আমেরিকায় চলে যান অরুণা। পরে মিসৌরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে স্নাতক হওয়ার পর দীর্ঘ দিন সরকারি চাকরি করেন তিনি। পরে রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে মেরিল্যান্ডের আইনসভায় নির্বাচিত হন অরুণা। ২০২২ সালে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিসাবে মেরিল্যান্ডের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হন তিনি। এ বারও নির্বাচনে জয় পেয়েছেন অরুণা।এ বারের নির্বাচনে আরও এক নতুন মুখ পিয়া ডান্ডিয়া। ফ্লোরিডার ২২ নম্বর কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রায় ৫১.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন পিয়া। পেশায় শিক্ষাবিদ এই ডেমোক্র্যাট নেত্রী ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টিতে জন্মগ্রহণ করেন। কর্মজীবনের শুরুতে শিক্ষকতা করতেন তিনি। পরে নিউ ইয়র্কের হারলেম এলাকার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হন। এই জয়ের ফলে ওই কেন্দ্র থেকে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রতিনিধি হিসাবে মার্কিন কংগ্রেসে জায়গা করে নিলেন পিয়া।আমেরিকার রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের এই সাফল্য নতুন করে নজর কেড়েছে। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী কিংবা শিক্ষাবিদ নানা পেশা থেকে উঠে এসে রাজনীতির ময়দানে নিজেদের জায়গা তৈরি করছেন তাঁরা। জন্ম বা বেড়ে ওঠা আমেরিকায় হলেও তাঁদের শিকড় জড়িয়ে রয়েছে ভারতের সঙ্গে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

২০২১ সালে বেকসুর খালাস, পরে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত! তেজপালের সাজা নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় আপাতত কোনও স্বস্তি পেলেন না তেহেলকা পত্রিকার প্রাক্তন প্রধান সম্পাদক তরুণ তেজপাল। তাঁর ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা স্থগিত করতে রাজি হল না সুপ্রিম কোর্ট। ফলে সাজা ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিরুদ্ধে তাঁর আবেদন বিচারাধীন থাকলেও আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। বম্বে হাই কোর্টের ৬ অগস্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন তেজপাল।২০১৩ সালে নিজের এক জুনিয়র সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তেজপালের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে নিম্ন আদালত তাঁকে এই মামলায় বেকসুর খালাস করেছিল। কিন্তু সেই রায় খারিজ করে বম্বে হাই কোর্ট তাঁকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়।হাই কোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তেজপাল। তাঁর আবেদন ছিল, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাজা স্থগিত রাখা হোক। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই আর্জিতে সাড়া দেয়নি শীর্ষ আদালত। ফলে ধর্ষণ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা আপাতত বহাল থাকল।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

বোমাতঙ্ক বম্বে হাই কোর্টে! নিশানায় অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’ও, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল পুলিশ?

বম্বে হাই কোর্টে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানোকে কেন্দ্র করে শুক্রবার মুম্বইয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল। ওই ইমেলে আদালত চত্বর, মহালক্ষ্মী রেসকোর্স এবং বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের বাংলো জলসায় হামলার আশঙ্কার কথা জানানো হয়। খবর পেয়েই তিনটি জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে কোথাও সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।এই হুমকি ইমেলটি কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইমেল পাঠানোর পিছনে কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও বিপজ্জনক বস্তু বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।এর আগে গত ২ নভেম্বর, সোমবার মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলা ও দায়রা আদালতেও বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়েছিল। আদালত চত্বরে বিস্ফোরণ ঘটানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। সেই খবর পাওয়ার পরেই সংশ্লিষ্ট আদালতগুলিতে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।বোমা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়কারী দলও তল্লাশিতে অংশ নেয়। তবে দীর্ঘক্ষণ ধরে পরীক্ষা চালানোর পরেও কোথাও সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। পর পর আদালতে বোমা হামলার হুমকি এবং এ বার বম্বে হাই কোর্টের পাশাপাশি অমিতাভ বচ্চনের বাড়ির নাম উঠে আসায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন হকি অধিনায়কের বাড়িতে চুরি! নগদ-গয়নার সঙ্গে উধাও ১৯৮০ সালের অলিম্পিকের সোনার পদক

নগদ টাকা, সোনা-রুপোর গয়না তো ছিলই। এ বার চোরেদের হাত থেকে রেহাই পেল না অলিম্পিকের সোনার পদকও! প্রাক্তন ভারতীয় হকি অধিনায়ক এম এম সোমায়ার বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে ভারতীয় দলের জেতা সোনার পদক-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পদক চুরি গিয়েছে। পাশাপাশি নগদ টাকা এবং মূল্যবান গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও ধরা পড়েনি অভিযুক্তেরা। উদ্ধার হয়নি চুরি যাওয়া সামগ্রীও।বেঙ্গালুরুর হ্যাল থার্ড স্টেজ এলাকায় থাকেন সোমায়া। এলাকাটি ইন্দিরানগর থানার অধীনে। গত ২৮ অক্টোবর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। সেই সময় পরিবারের সঙ্গে কোডাগুতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন হকি তারকা। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে চোরেরা সেখানে ঢুকে পড়ে। পরে প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। তাঁরাই ফোন করে সোমায়াকে বিষয়টি জানান। এর পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।পুলিশ সূত্রে খবর, চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে পাওয়া সোনার পদক। এ ছাড়াও ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে পাওয়া রুপোর পদক এবং ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমস ও ১৯৮২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ব্রোঞ্জ পদকও চুরি গিয়েছে। অর্থাৎ, সোমায়ার দীর্ঘ ক্রীড়াজীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক এখন চোরেদের হাতে।এ ছাড়া বাড়ি থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা, সোনা ও রুপোর গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা।ঘটনার তদন্তে এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নজরদারি ক্যামেরার ছবি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সোমায়ার বাড়ির উল্টো দিকের একটি বাড়ির ক্যামেরায় দুজন সন্দেহভাজনের ছবি ধরা পড়েছে। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ২৮ অক্টোবর রাত ২টো ৩৪ মিনিট নাগাদ ওই দুজন সোমায়ার বাড়িতে ঢুকেছিল। একজনের পরনে ছিল নীল রঙের জামা, অন্য জনের লাল।অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সমস্ত সামগ্রী উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন সোমায়া। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য দুটি বিশেষ দল তৈরি করেছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৩১(৪) এবং ৩০৫ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।ভারতীয় হকির ইতিহাসে পরিচিত নাম এম এম সোমায়া। দীর্ঘ দিন দলের হাফ ব্যাক হিসেবে খেলেছেন তিনি। তিনটি অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভারতীয় দলের অধিনায়কত্বও সামলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৮ সালে নাইরোবিতে পুজো কাপ জেতে ভারত। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯৮৫ সালে তাঁকে অর্জুন পুরস্কার দেওয়া হয়।দেশের হয়ে অলিম্পিকে সোনা জেতা এক ক্রীড়াবিদের বাড়ি থেকে সেই পদকই চুরি যাওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন ক্রীড়ামহল। যে পদক এক সময় দেশের সাফল্যের স্মারক ছিল, সেটি এখন কোথায়, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রথমে স্ত্রীকে খুন, পরের দিন পার্টির নামে বাড়িতে ডেকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড! কীভাবে সামনে এল ঘটনা?

স্ত্রীর বাপের বাড়ি যাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের অশান্তি। সেই রাগ থেকেই স্ত্রী-সহ তাঁর পরিবারের সাতজনকে খুনের অভিযোগ উঠল এক গাড়িচালকের বিরুদ্ধে। বেঙ্গালুরুতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাত বছরের এক শিশুও। অভিযুক্তের নাম ইন্দুশেখর। দুদিন ধরে পরিকল্পনা করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে নিজের স্ত্রী সুনীতাকে খুন করেন ইন্দুশেখর। তার পর তাঁর দেহ কাপড়ে মুড়ে নন্দী পাহাড়ের কাছে ফেলে আসেন। স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি যাতে কারও সন্দেহ না হয়, তার জন্য তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন অভিযুক্ত। প্রতিবেশীদের জানান, স্ত্রী বেড়াতে গিয়েছেন।এর পরের দিন আরও ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। দুই শ্যালক শিবকুমার ও শঙ্করকে নিজের বাড়িতে পার্টির জন্য আমন্ত্রণ জানান ইন্দুশেখর। তাঁরা স্ত্রীদের নিয়ে বাড়িতে আসেন। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালান অভিযুক্ত। একে একে খুন করা হয় দুই শ্যালক, তাঁদের স্ত্রী দিব্যা ও নলিনী, শাশুড়ি রূপবতী এবং শিবকুমারের সাত বছরের ছেলে পুনীতকে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শ্যালক ও শাশুড়ির সঙ্গে সুনীতার ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া সাহায্য পছন্দ করতেন না ইন্দুশেখর। এই বিষয়টি নিয়েই তাঁর মনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমেছিল। সেই আক্রোশ থেকেই পরিবারের সকলকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্ত্রী সুনীতাকে শিলবাটার পাথর দিয়ে আঘাত করে খুন করেন অভিযুক্ত। পরে সেই একই পাথর ব্যবহার করে শ্যালক ও পরিবারের অন্য সদস্যদেরও খুন করা হয় বলে অভিযোগ। হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ির রক্তের দাগ মুছে ফেলতে রাসায়নিক ব্যবহার করেন তিনি। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার নলিনীর মা শ্রীরামপুরা থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় ইন্দুশেখরকে।অভিযুক্তের ব্যবহৃত গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ওই গাড়িতে করেই দেহগুলি অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। খুনে ব্যবহৃত শিলবাটার পাথরও উদ্ধার করা হয়েছে।এ দিকে নন্দী পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে সাত বছরের শিশু পুনীতের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সেটিই প্রথম উদ্ধার হওয়া দেহ বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, জেরায় ইন্দুশেখর সাতজনকে খুনের কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁর সমস্ত দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকি দেহগুলির খোঁজেও তল্লাশি চলছে।এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ সাহায্য করেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এমনকি অভিযুক্তের মেয়ের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। পাশাপাশি, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়িতে এতগুলি হত্যাকাণ্ড ঘটলেও প্রতিবেশীরা কেন কিছু বুঝতে পারলেন না, তা নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক অশান্তি থেকে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আপাতত অভিযুক্তের বয়ান, উদ্ধার হওয়া তথ্যপ্রমাণ এবং নিখোঁজদের খোঁজের উপরেই নির্ভর করছে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৮ বছরের অপেক্ষা শেষ করতে মরিয়া ভারত! নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামছেন বুমরাহ-জাদেজা, পন্থকে নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে শেষ বার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল ভারত ২০০৮-০৯ মরসুমে। তার পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ১৮ বছর। এ বার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে মরিয়া ভারতীয় দল। আসন্ন টেস্ট সিরিজের জন্য প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাই চোটের ঝুঁকি থাকলেও দলের প্রথম সারির ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়েও এই সিরিজ ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে দুটি চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন ভারতীয় টেস্ট দলের কয়েক জন নিয়মিত ক্রিকেটার। এ বার সেই প্রস্তুতি ম্যাচের তৃতীয়টিতে খেলতে নামবেন জসপ্রীত বুমরাহ ও রবীন্দ্র জাডেজা। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা এই ম্যাচের জন্য ভারত এ দলে যোগ দিয়েছেন দুজনেই। তাঁদের সঙ্গে দলে রয়েছেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণও।দীর্ঘ দিন মাঠের বাইরে থাকার পর ম্যাচের ছন্দ ফিরে পেতেই বুমরাহ ও জাডেজাকে এই ম্যাচে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজের আগে দুজনের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি বলে মনে করছে ভারতীয় শিবির। অন্য দিকে, চোটের কারণে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজে খেলতে পারবেন না প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তাই তিনিও এই প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।তবে ভারতীয় শিবিরে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলতে পারছেন না ঋষভ পন্থ। এখনও পুরোপুরি চোটমুক্ত হতে পারেননি ভারতীয় দলের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বর্তমানে তিনি রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে। তাঁর পরিবর্তে ভারত এ দলে জায়গা পেয়েছেন তিলক বর্মা।শেষ বার অগস্ট মাসে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিলেন পন্থ। সেই ম্যাচেই তাঁর পাঁজরের পাশের পেশিতে চোট লাগে। নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচেই পন্থের খেলার কথা ছিল। কিন্তু চোটের কারণে প্রথম দুটি ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। তৃতীয় ম্যাচ থেকেও ছিটকে গেলেন।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা প্রথম টেস্টের আগে পন্থ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন কি না। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় শিবির। শুধু চোট সারলেই হবে না, নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ ও পিচের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্যও কিছুটা সময় প্রয়োজন। প্রথম টেস্টের আগে কতটা ম্যাচ অনুশীলন করতে পারবেন পন্থ, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চাইছে ভারত। সেই লক্ষ্যেই বুমরাহ, জাডেজাদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে পন্থের চোট কতটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

এসআইআর বিতর্কের মাঝেই নির্বাচন কমিশনে বড় রদবদল! সীমা খন্নার ক্ষমতায় কাটছাঁট, নয়া নির্দেশ জারি

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ফের বড় পরিবর্তন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টনে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছে। এ বার থেকে কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার অধীনে থাকা বিভিন্ন বিভাগের ফাইল সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পবন কুমার শর্মার মাধ্যমে পাঠাতে হবে। গত ৪ নভেম্বর এই সংক্রান্ত নতুন নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের সময় বার বার উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশনের কাজে তিনি অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করছেন। এমনকি ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ক্ষমতা কমিয়ে দিল্লি থেকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে নতুন নির্দেশ ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। অনেকের প্রশ্ন, তবে কি সীমা খান্নার ক্ষমতা কিছুটা কমানো হল?যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশের ফলে সীমা খান্নার পদমর্যাদা বা রিপোর্ট করার নিয়মে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। কমিশনের এক আধিকারিকের বক্তব্য, সীমা খান্না আগেও ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পর্যায়ের আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট করতেন। এখনও সেই ব্যবস্থাই থাকছে। কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই নতুন করে কাজের দায়িত্ব ভাগ করা হয়েছে।কেন বার বার বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টন? গত কয়েক মাস ধরে এই বিষয়টি নিয়ে কমিশনের অন্দরেই মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে খবর। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ছাড়াও কমিশনের অন্য দুই সদস্য বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিং সান্ধু কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে কাজের দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত একটি নির্দেশও ছিল।এর আগে চলতি বছরের ২৮ জুলাই কাজের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছিল। সেই নির্দেশে তৎকালীন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমারের কাছ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব সরিয়ে সীমা খান্নার হাতে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে তিনি সরাসরি রিপোর্ট করার সুযোগ পান। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানান কমিশনের দুই সদস্য।নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ডেপুটেশনে থাকা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এক আইএএস আধিকারিক ওই নির্দেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি কার্যকর হয়নি। ২৯ জুলাই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দুই নির্বাচন কমিশনার আলাদা ভাবে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দেন। পরের দিন, অর্থাৎ ৩০ জুলাই, তাঁদের যৌথ নির্দেশের পর ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি বলে জানিয়েছে কমিশন।এ দিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য নতুন উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যাঁদের নাম এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকায় ওঠেনি এবং যাঁরা নতুন করে ভোট দেওয়ার যোগ্য হয়েছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন প্রক্রিয়া চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন ভোটারদের নাম তোলা এবং ভোটার তালিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ওই তালিকা নিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর শেষ দিন ১২ ডিসেম্বর। জমা পড়া দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হবে ২০২৭ সালের ১৬ জানুয়ারির মধ্যে। তার পর ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এই নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর অভিযোগেও উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৭ মে-র নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর প্রক্রিয়া বহাল রেখেছে। ফলে এক দিকে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ এগোচ্ছে, অন্য দিকে কমিশনের অন্দরে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভায় এখনই ভোট নয়! হাই কোর্টের নির্দেশে বড় ধাক্কা, কবে হবে নির্বাচন?

কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের সাতটি পুরসভায় এখনই হচ্ছে না নির্বাচন। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তে পুরভোট নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।শুক্রবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরসভাগুলির নির্বাচন নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না। অর্থাৎ, আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জট কাটাতে হবে। তার পরেই ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু করে সরকার। কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। তাদের আপত্তি শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়ায়।পুজোর ছুটির মধ্যে মামলা দায়ের হওয়ায় বিষয়টি হাই কোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে ওঠে। শুক্রবার সেই মামলার শুনানির পর আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের মামলা মিটে যাওয়ার আগে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যাবে না। ফলে নভেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন হতে পারে বলে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের একাধিক পুরসভা ও পুরনিগমে নির্বাচন হয়নি। কোথাও পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে, কোথাও আবার পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর প্রশাসকেরা দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন নাগরিক পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দ্রুত নির্বাচন করানোর পক্ষে সওয়াল করে আসছিল রাজ্য সরকারও।আদালতের নির্দেশের পর এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশের পর এ বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার থাকতে পারে না। তবে দীর্ঘদিন ভোট না হলে সাধারণ মানুষকেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর কলকাতা, হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আপাতত ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal