• ২১ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

টুকিটাকি

টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে শীতের মরশুমে নিয়মিত খান কমলালেবু

শীতের মরশুমে ফলের মধ্যে অন্যতম হল কমলালেবু। আর এই ফলের উপকারিতাও রয়েছে অনেক। অন্যদিকে কমলালেবু আমাদের বহু রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে থাকে। চলুন জেনে নিন কমলালেবুর নানা উপকারিতা সম্পর্কে.. ঠাণ্ডা লাগা, কানের সমস্যা দূর করতে ভীষণ উপকারী কমলা। কমলায় রয়েছে বিটা ক্যারোটিন; যা শরীরের কোষের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। লিমোনয়েড নামে এক ধরনের পদার্থ রয়েছে কমলালেবুতে যা মুখ, ত্বক, ফুসফুস, স্তন, পাকস্থলীতে ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য জরুরি উপাদন ফলিক অ্যাসিডও যথেষ্ট পরিমাণে থাকে কমলায়। আরও পড়ুন ঃ সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খান এক কোয়া রসুন বিশেষজ্ঞদের মতে, কমলায় থাকে ভিটামিন বি৬; যা মানবদেহে প্রয়োজনীয় হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। কমলালেবু জাতীয় ফল আমাদের স্ট্রোক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকটাই দূর হবে। কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভীষণ সহায়ক কমলালেবু। কমলা খেলে খিদে বাড়ে, খাওয়ার রুচি তৈরি হয়। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও কমলার জুড়ি মেলা ভার। লিভার কিংবা হার্টের বিভিন্ন রোগে কমলা খুবই উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীদের ক্ষেত্রেও কমলা খেলে উপকার মেলে।তবে শুধু কমলার কোয়াতেই নয়; এর খোসাতেও রয়েছে অনেক গুণ।যেমন, কমলার খোসা রূপচর্চায় অত্যন্ত উপকারী। স্কিনে ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সহায়ক পাঁকা কমলার খোসা। তাছাড়া কমলার খোসা একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের হলদে ভাব দূর করে। তাই কমলার তাজা খোসা বেঁটে টুথপেস্টের মতো ব্যবহার করা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চাই এক কোয়া রসুন

সুস্থ থাকতে রোজ খেতে হবে এক কোয়া কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনেই উপকার৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খাওয়া দরকার ৩৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷ রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷ টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০১৫ শতাংশ কমে যায়৷ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিনএর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ আরও পড়ুন ঃ ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে! তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷ যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷ ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

নভেম্বর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে!

শীতের তীব্রতায় আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে মানব শরীরে বিভিন্ন ধরণের ঠান্ডাজনিত অসুখ সর্দি - কাশির প্রকোপ বাড়ে। জেনে নিন , কি করে সর্দি - কাশির প্রকোপ থেকে ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যায়। দারুচিনি যে কেবল রান্নার স্বাদ বাড়াতেই ব্যবহার করা হয় এমন নয়। ঠাণ্ডা লাগা কমাতে দারুচিনি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎসও এই দারুচিনি। গরম জলে কয়েক টুকরো দারুচিনি দিয়ে তা ফুটিয়ে পান করুন প্রতিদিন। এতে বুকে কফের সমস্যা থাকলেও তা কমে যাবে। এমন কি সাইনাস ও মাইগ্রেনের সমস্যাও কমিয়ে আরাম দেয় এই পানীয়। আরও পড়ুন ঃ ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপ জল , রূপ লাবণ্যে হয়ে উঠবেন অনন্য ! পিপারিন থাকায় গোল মরিচ শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। শুধু তাই-ই নয়, গোল মরিচ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও। গলা বসে যাওয়া, নাক বন্ধ ইত্যাদি সমস্যা থেকে আরাম দেয় এই পানীয়। অন্যদিকে ঠাণ্ডার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতারও বাড়ায় এই গোল মরিচ। এই শীতে চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন এই গোল মরিচ। প্রতিদিন মরিচ চা খেলে শীতে সুস্থ থাকবে শরীর। ভাল ফল পেতে এতে কিছুটা মধু মেশাতে পারেন। আদা যে সর্দি-কাশির মতো অসুখে কাজে আসে, তা অনেকেরই জানা। আদায় থাকা জিঞ্জারল, জিঞ্জারন প্রভৃতি উপাদান অ্যান্টিইনফ্লেমটরি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ঠাণ্ডা লাগা থেকে বাঁচতে খুবই কাজে আসে আদা। এক কাপ জলে আদা কুঁচি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এতে যোগ করুন লেবুর রস ও মধু। লেবু ও মধু দুই-ই প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়ম করে খালি পেটে এই পানীয় খেলে শীতের অসুখের হাত থেকে তো রক্ষা পাবেন। এছাড়া শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

নভেম্বর ২১, ২০২০
টুকিটাকি

ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপ জল , রূপ লাবণ্যে হয়ে উঠবেন অনন্য !

ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপের জল ব্যবহারের কোনো জুড়ি নেই। এটি রুক্ষ্ম, শুক্ষ ও তৈলাক্ত সব রকমের ত্বকের জন্যই উপকারি। ফেস প্যাক, স্ক্রাব ও স্কিন টোনার সব কিছুর সঙ্গে গোলাপের জল মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকের পরিচর্যা করার সময় পিইচ লেবেলের দিকে বিশেষ ধ্যান দিতে ভুলবেন না, দূষণ ও সূর্যের ইউবি রশ্মির জন্য আজ আমাদের ত্বক খুবই ক্ষতিগ্রস্ত, এর জন্য ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা যায়, এক্ষেত্রে গোলাপের জল পিএইচ লেবেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ও আমাদের ত্বক সতেজ থাকে। গোলাপ জল এস্ট্রিঞ্জেন্ট-এর মতো কাজ করে, যার ফলে আপনি যখনি নিজের ত্বকে গোলাপ জলের ব্যবহার করেন তখন তা আপনার ত্বক থেকে ধুলো দূর করতে সাহায্য করে। গোলাপ পানির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই কারণে গোলাপ জল এন্টি-এজিং হিসাবে ব্যবহার করা হয়, এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলিকে ভেতর থেকে দৃঢ়তা প্রদান করে তা সতেজ রাখে। যাতে করে মুখের ত্বক টানটান থাকে। গোলাপ জল এক মুহূর্তে আপনার মুডকে সতেজ করে দিতে পারে। আসলে,আপনি যখনই মুখে গোলাপজল ব্যবহার করেন, তখনি এটির সুন্দর গন্ধ আপনার মন সতেজ করে দেয়, যার ফলে স্ট্রেস আপনার আশেপাশে ঘেঁষতে পারে না। আরও পড়ুন ঃ সারাদিন চোখ কম্পিউটার - মোবাইলে , বিপদ রুখতে কি করণীয় ? এবার জেনে নিন , কিভাবে ব্যবহার করবেন গোলাপ জল । মুখ ধোয়ার পরে, তুলোয় গোলাপ জল নিয়ে মুখের নিচের থেকে ওপর দিকে আলতো করে গোলাপ জল লাগান। আপনি রাতে শোয়ার আগে এর ব্যবহার করতে পারেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
টুকিটাকি

সারাদিন চোখ কম্পিউটার - মোবাইলে , বিপদ রুখতে কি করণীয় ?

সারাদিন বিভিন্ন কাজের জন্য চোখ রাখতে হয় কম্পিউটার , ল্যাপটপ ও মোবাইলে। আর এর জন্য চোখের উপর চাপ পড়ে। কাজের সময় চোখ ভালো রাখতে মাঝেমধ্যে চোখে জলের ঝাপটা দিন। কারণ , টানা আট থেকে নয় ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে কাজ করা ও ফোনে সারাদিন কথা বলা। সব মিলিয়ে চোখের সমস্যা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই এখন বেশিরভাগ মানুষই চশমা ব্যবহার করেন। আসুন জেনে নিই কীভাবে চোখের যত্ন নেবেন- কাজের সময় খেয়াল রাখুন চারদিক থেকে অতিরিক্ত আলো যেন আপনার কম্পিউটারে না আসে। চোখ ভালো রাখতে কম্পিটারের আলোর সমন্বয় করে নিতে হবে। প্রতি তিন থেকে চার সেকেন্ড পর পর চোখের পাতা ফেলা চোখের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করে। তাই ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। একটানা কাজ করবেন না। আরও পড়ুন ঃ তরকারিতে নুন বেশি পড়ে গেলে কি করণীয় , জেনে নিন ! মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে চোখকে বিশ্রামও দিন। এতে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখকে বিশ্রাম দিন। ৩০ মিনিট পর পর কাজ বন্ধ রাখুন দুই থেকে তিন মিনিটের জন্য। এতে চোখের রক্ত সরবরাহ বাড়বে এবং চোখের পেশি সক্রিয় থাকবে। মাঝেমধ্যে চোখে পানির ঝাপটা দিন। সারা দিনে ১০ থেকে ১৫ বার চোখে পানির ঝাপটা দিতে পারেন। এতে চোখ ঠাণ্ডা থাকে। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, বাদাম, কমলালেবু খেতে পারেন। এসব খাবার চোখের কর্নিয়া ভালো রাখে। পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। সারাদিনের কাজের পর অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
টুকিটাকি

তরকারিতে নুন বেশি পড়ে গেলে কি করণীয় , জেনে নিন !

রান্নায় নুন বেশি হলে সেই অতিরিক্ত নুন-এর মাত্রা ঠিক করতে ব্যবহার করতে পারেন এই সহজ ঘরোয়া টোটকা। দেখে নিন সেগুলি কি কি ? তরকারি বা মাছের ঝোলে নুন বেশি হয়ে গেলে তাতে কয়েকটুকরো সেদ্ধ করা আলু দিয়ে দিন। দেখবেন নুনের কটাভাব কমে যাবে। এছাড়াও তরকারিতে নুনের ভাব কমানোর জন্য ব্যবহার করতে পারেন দই বা দুধ। দুগ্ধজাত এই খাবারগুলির মাধ্যমে সহজেই রান্নায় অতিরিক্ত নুনের পরিমাণ কমিয়ে আনা যেতে পারে। তরকারিতে যদি নুনের মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে যায় , তাহলে এক চামচ ভিনিগার ও সমপরিমাণ চিনি যোগ করুন। আরও পড়ুন ঃ কচুর লতির উপকারিতা জানলে চমকে যাবেন আপনিও ! এই মিশ্রণের মাধ্যমে খাবারে নুনের মাত্রা সঠিক রাখা সম্ভব। কাঁচা পেয়াজ তরকারিতে নুনের কটাভাব দূর করতে সাহায্য করে। সেক্ষেত্রে পেঁয়াজটি খানিকক্ষণ তরকারিতে রেখে দিয়ে তারপর তুলে নিতে হবে। দেখবেন খাবারে অতিরিক্ত নুনের ভাব চলে গিয়েছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
টুকিটাকি

কচুর লতির উপকারিতা জানলে চমকে যাবেন আপনিও !

বাঙালির হেসেলে এমন কিছু খাওয়ার আছে যা সত্যি ভাবনার বাইরে। কচুর পাতা থেকে শিকড় কোন কিছুই বাদ যায়না খাওয়ার ক্ষেত্রে। কচুর লতির নাম শুনতেই জিভে জল চলে আসে। তবে শুধু সুস্বাদু নয় এর উপকারিতাও অনেক। কচুর লতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন।যা প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।গর্ভস্থ অবস্থা, খেলোয়াড়, বাড়ন্ত শিশু, কেমোথেরাপি পাচ্ছে এমন রোগীদের জন্য কচুর লতি ভীষণ উপকারি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম।যা হাড় শক্ত করে ও চুলের ভঙ্গুরতা রোধ করে। আরও পড়ুন ঃ ঘরোয়া উপায়ে সামান্য খরচে রোধ করুন চুলের অকালপক্কতা এই সবজিতে ডায়াটারি ফাইবার বা আশের পরিমান খুব বেশি।যা খাবার হজমে সাহায্য করে।দীর্ঘ বছরের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কচুর লতিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি আছে যা সংক্রামক রোগের থেকে আমাদের দূরে রাখে।শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী।ভিটামিন সি চর্মরোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। অনেকেই কচুর লতি খান চিংড়ি মাছ দিয়ে।চিংড়ি মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল।তাই যারা হৃদরোগী,ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় আক্রান্ত বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তারা চিংড়ি মাছ ও শুটকি মাছ বর্জন করুন।কচুর লতি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়ায় না।তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা নিঃসংকোচে খেতে পারেন কচুর লতি। খাবার হজমের পর বর্জ্য দেহ থেকে সঠিকভাবে বের হতে সাহায্য করে।তাই কচুর লতি খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুবই কম।আয়োডিন দাঁত, হাড় ও চুল মজবুত করে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
টুকিটাকি

ঘরোয়া উপায়ে সামান্য খরচে রোধ করুন চুলের অকালপক্কতা

কম বয়সে অনেকেরই চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। আর তরুণ বয়সে চুল পাকা বেশ বিব্রতকর ব্যাপারই বটে। যদিও সাময়িক সমাধান হিসেবে অনেকে চুলে কলপ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এতে চুল একেবারে কালো হয় না। তার পাশাপাশি কলপের উপাদান নিম্নমানের হলে তা মাথার চামড়ার ক্ষতি করতে পারে। অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে। অথচ, প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে থাকা নানা উপাদান দিয়ে চুলের অকালপক্কতার চিকিৎসা উপকরণ তৈরী করা সম্ভব। সেই সমস্যা থেকে উদ্ধার পেতে কি করণীয় , তা দেখে নেওয়া যাক। পেঁয়াজ বাটা চুলের অকালে পেকে যাওয়া ঠেকাতে অত্যন্ত উপকারী। তাই পেঁয়াজ বেটে প্রতিদিন চুলের গোড়ায় মালিশ করুন। এরপর চুলে তা ভাল ভাবে মিশে যাওয়ার পর ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে পাকা চুলের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। আরও পড়ুন ঃ কাশির সিরাপ খেয়ে শরীরের ক্ষতি করছেন না তো ! আমলকি ও লেবু এই দুটো ফলের পুষ্টি গুণ অত্যন্ত বেশি। শরীরের মেদ কমানো, হৃদপিন্ডের সমস্যা ইত্যাদি অভ্যন্তরীণ সমস্যার পাশাপাশি চামড়ার ইনফেকশন এবং মাথার চামড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগান দেয়ার ক্ষেত্রে এই দুটো ফলের জুড়ি নেই। তাই অকালে চুল পাকা রোধের জন্য বাজার থেকে আমলকির গুঁড়া কিনে এনে তা লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা করে মাথার চামড়ায় ম্যাসাজ করুন, তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ফলাফল নিজেই টের পাবেন। পাকা চুলের হাত থেকে রেহাই পেতে হলে প্রতিদিন ৪ চা চামচ নারিকেল তেলের সাথে আড়াই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে উক্ত মিশ্রণ চুলের গোড়ায় এবং মাথার চামড়ায় লাগান। দুই সপ্তাহের মধ্যেই পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। তার পাশাপাশি আপনার মাথার চামড়া সুস্থ থাকবে, খুশকি হবে না এবং চুলও হবে উজ্জ্বল।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

কাশির সিরাপ খেয়ে শরীরের ক্ষতি করছেন না তো !

শীত এসে গিয়েছে। সকাল ও রাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে সকলের। আবার বেলার দিকে গরম লাগছে। এই তাপমাত্রার তারতম্যের কারণেই সর্দি-কাশি খুব সহজেই ধরে যাচ্ছে ৮ থেকে ৮০ বয়সী প্রায় সকল মানুষের। এদিকে, কাশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অনেকে ওষুধের দোকান থেকে কফ-সিরাপ কিনে খাওয়া শুরু করে দেন। কিন্তু কাফ সিরাপ কতটা মারাত্মক হতে পারে আপনার শরীরের জন্য , তা কি জানেন ? চিকিৎসকদের অনেকেই জানিয়েছেন, কাফ সিরাপ খেলে অনেক সময় খিঁচুনি, ঝিমুনি, অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন, কিডনি, যকৃতের সমস্যাসহ নানা ক্ষতি হতে পারে। তাই কাশি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া কাফ সিরাপ খাওয়া বন্ধ করুন। আরও পড়ুন ঃ থানকুনি পাতার জাদুকরী উপকারিতার কথা জানলে চমকে যাবেন আপনিও ! জানা গিয়েছে , কাশির সিরাপে হাইড্রোকার্বন থাকে। মূলত বুকব্যথা ও কাশি কমাতে এটা ব্যবহৃত হয়। হাইড্রোকার্বন একধরনের মাদক, যা ক্ষতিকর। এটা ছাড়াও কাশির সিরাপে অনেক উপাদান থাকে, যেগুলোর কারণে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে, ঝিমুনি আসে, ঘুম ঘুম ভাব হয়। সিরাপের মরফিন স্নায়ু ও পেশিকে শিথিল করে দেয়। এফিড্রিনের কারণে শ্লেষ্মা শুকিয়ে যায়।

নভেম্বর ১০, ২০২০
টুকিটাকি

থানকুনি পাতার জাদুকরী উপকারিতার কথা জানলে চমকে যাবেন আপনিও !

থানকুনি পাতা আমাদের শরীরের নানা রোগ দূর করে। চলুন জেনে নিন থানকুনি পাতার উপকারিতা সম্পর্কে। সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে। এছাড়াও কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। রক্ত শুদ্ধ করতে সাহায্য করে থানকুনি পাতার রস। যার ফলে দেহের সকল কোষে শুদ্ধ রক্ত পৌঁছে যায় এবং শরীর রোগমুক্ত হয়। এছাড়া ভালো ঘুমের জন্য থানকুনি পাতা ভিজিয়ে খেতে পারেন। আরও পড়ুন ঃ শরীরে নানাবিধ রোগ দূর করতে অনবদ্য গাজর থানকুনি পাতা ভেজানো জল স্নায়ু শিথিল করে ফলে সহজেই ঘুম আসে। থানকুনি পাতা আলসার, আমাশয় দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে কাশির কোনও চিহ্নই থাকবে না।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরে নানাবিধ রোগ দূর করতে অনবদ্য গাজর

সব মানুষের শরীরে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকে। কিন্তু গাজর খেলে শরীরের অনেক সমস্যা একেবারে মিটে যেতে ্পারে। চলুন এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক , গাজরে উপস্থিত খাদ্যআঁশ আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। ফলে দ্রুত খাবার হজম হয়ে যায়। এছাড়া গাজর চুল পড়ার সমস্যা, ব্রণের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। এরজন্য নিয়মিত গাজর খাওয়া খুবই উপকারী। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ঢেঁড়স অনবদ্য গাজর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে থাকে। গাজর চোখের জন্য খুব ভাল। অন্যদিকে গাজরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ডায়েটারি ফাইবার আমাদের শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। এর ফলে আমাদের হার্ট ভাল থাকে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
টুকিটাকি

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ঢেঁড়স অনবদ্য

ঢেঁড়স খেতে ভালবাসেন না , এমন বাঙালি খুব কমই আছে রাজ্যে। কিন্তু রোগ প্রতিরোধে ঢেঁড়সের ভূমিকা যে কত , তা জানলে সকলে চমকে যাবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক , ঢেঁড়স খেলে আমাদের কি কি উপকার হতে পারে। কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ঢেঁড়স। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে জুড়ি নেই ঢেঁড়সের। মারণ ব্যধি ক্যান্সার প্রতিরোধে ঢেঁড়সের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান শুক্তো , ছাতু এছাড়াও ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে ঢেঁড়সের। রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করতে জুড়ি নেই ঢেঁড়সের। এছাড়াও হাড়কে শক্তপোক্ত করে ঢেঁড়স। হাঁপানি প্রতিরোধেও ঢেঁড়সের জুড়ি মেলা ভার।

নভেম্বর ০১, ২০২০
টুকিটাকি

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান শুক্তো , ছাতু

কোভিড আতঙ্কে এখনও আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। কোভিড ১৯-এর হাত থেকে বাঁচতে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করার পাশাপাশি চিকিৎসকরা জোর দিচ্ছেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরকে ভিতর থেকে সতেজ রাখার জন্য ভিটামিন বা সাপ্লিমেন্টের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবারও খেতে হবে। দেশেরই বিভিন্ন রাজ্যের নিজস্ব এমন কিছু খাবার রয়েছে যা সস্তার অথচ প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। আরও পড়ুন ঃ নিরামিষ খেলে বাড়ে স্ট্রোকের সম্ভাবনা , দাবি গবেষণায় নিয়মিত সেগুলি খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে বলে মত পুষ্টিবিদদের। সেই তালিকায় রয়েছে শুক্তো , ছাতু। বিভিন্ন খাদ্যবস্তুর পাশাপাশি বিভিন্ন মশলাতেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। পুষ্টিবিদদের মতে, দিল্লিবাসীর খাদ্য তালিকায় স্থান পাওয়া ছোলা ওজন কমাতে, অন্ত্র ভাল রাখতে এবং টাইপ টু ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
টুকিটাকি

নিরামিষ খেলে বাড়ে স্ট্রোকের সম্ভাবনা , দাবি গবেষণায়

এখনকার দিনে অনেক মানুষই আমিষ ছেড়ে নিরামিষ খাবার খাচ্ছেন। শরীর-স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে অনেকে মাছ -মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, নিরামিষ খেলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে। এই গবেষণাটি করেছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। এই গবেষণা বলছে, নিরামিষ খাবার খেলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা কমতে পারে, কিন্তু বেড়ে যায় স্ট্রোকের সম্ভাবনা। প্রায় ৪৮৮১৮ মানুষের উপর পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুনঃ অ্যাসিডিটি সহ বিভিন্ন প্রকার রোগের যম শসা এই রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরামিশাষীদের হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা ২২ শতাংশ কম। কিন্তু তাঁদেরই আবার স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। হ্যামরেজিক স্ট্রোক যাতে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় এদেঁর বেশি হতে পারে। জরুরি ভিটামিন থেকে বঞ্চিত হন নিরামিশাষীরা। আর সেই কারণে স্ট্রোক হতে পারে। তবে এই প্রসঙ্গে আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
টুকিটাকি

অ্যাসিডিটি সহ বিভিন্ন প্রকার রোগের যম শসা

শসা আমাদের শরীরের জন্য ভীষণই উপকারী। এছাড়াও এই ফলটি সারা বছরই ্পাওয়া যায় বাজারে। অন্যান্য ফলের তুলনায় শসার দামও অনেকটাই সস্তা। এবার শসা খাওয়ার উপকারিতা একবার দেখে নেওয়া যাক। বদ হজম, অ্যাসিডিটি, অরুচি, গ্যাস্ট্রাইটিস লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের সমস্যা থাকলে শসা খাওয়া উচিত। বয়স্কদের মধ্যে অ্যালঝাইমার্স ও অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে শসায় থাকা ফিসটিন নামক এক ধরনের আন্টি ইনফ্লামেটরি যৌগ। আরও ্পড়ুনঃ শরীরের পক্ষে ভীষণই উপকারী হারবাল ও গ্রিন টি এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও ভাল কাজ করে শসা। এছাড়াও প্রচণ্ড গরমে দেহের ওয়াটার ইলেক্ট্রোলাইটৈর ভারসাম্য বজায় রাখে শসা । হার্টের রোগ অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে শসা ভাল কাজ করে। এছাড়া কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও অন্যান্য প্রদাহজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে শসা।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরের পক্ষে ভীষণই উপকারী হারবাল ও গ্রিন টি

একাধিক গবেষণায় জানা গেছে, নিয়মিত হারবাল ও গ্রিন টি খেলে তা শরীরের পক্ষে ভালো। উল্লেখ্য নানা ধরনের রোগ নির্মূলেও উপকারী চা। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, চায়ের কি গুণ আছে । গ্রিন টি-তে বেশকিছু উপাদান অবস্থান করে যা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি আটকে দেয়। এছাড়াও চায়ে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম থাকার কারণে চা পান করলে কফির তুলনায় কম ক্ষতি হয়। চা- এ রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আরও পড়ুনঃ রূপচর্চার ক্ষেত্রে ভীষণই উপকারী তেজপাতা লিকার চায়ে বেশকিছু এনজাইম থাকে, যা হার্টে রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে দেয় ফলে হৃদপিন্ড সুস্থ থাকে। চায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধি করে। ফলে নার্ভ শান্ত হয়। ল্যাভেন্ডার চায়ে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ, যা মস্কিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দিয়ে মাইগ্রেন-এর যন্ত্রণা হ্রাস করে।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
টুকিটাকি

রূপচর্চার ক্ষেত্রে ভীষণই উপকারী তেজপাতা

রূপচর্চার ক্ষে্ত্রে তেজপাতার ব্যবহার আমরা অনেকেই জানি না। জেনে নিন রূপচর্চায় তেজপাতার অসাধারণ তেজের কথা৷ একটি প্যানে ২ কাপ জলে ৫ টি শুকনো তেজপাতা নিয়ে ঢেকে জ্বাল দিন। এরপর ঢাকনা খুলে ২ মিনিট জ্বাল দিয়ে একটি সসপ্যানে নামিয়ে নিন। এরপর একটি তোয়ালে দিয়ে মাথাসহ সসপ্যানটি ঢেকে ভাপ আপনার ত্বকে নিন। এভাবে মিনিট দশেক ভাপ নিলেই যথেষ্ট। আরও ্পড়ুনঃ শরীরে পুষ্টি বাড়াতে নিয়মিত খান পাকা পেঁপে এছাড়াও জলে তেজপাতা ভালো করে ফুটিয়ে তা ছেঁকে নিয়ে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এতে চুল পড়ার সমস্যা একেবারেই দূর হয়ে যাবে।এছাড়াও ৫০ গ্রাম তেজপাতা গুঁড়ো করে নিয়ে ৪০০ মিলি জলে জ্বাল দিতে থাকুন, যতক্ষণ না ১০০ মিলিতে পৌঁছায়। শুকিয়ে এলে ছেঁকে জল আলাদা করে নিন। সেই জল চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে ম্যাসেজ করে নিন।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরে পুষ্টি বাড়াতে নিয়মিত খান পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। ১৫২ গ্রামের পেঁপেতে ৫৯ ক্যালরি থাকে। তার মধ্যে ৩ গ্রাম ফাইবার , ১ গ্রাম প্রোটিন ও ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। এছাড়া এই ১৫২ গ্রাম পেঁপেতে আরডিআই- এর ১৫৭ শতাংশ ভিটামিন সি , ৩৩ শতাংশ ভিটামিন এ , ১৪ শতাংশ ফো্লেট ও ১১ শতাংশ পটাসিয়াম থাকে। আরও পড়ুনঃ শরীরে ক্লান্তি দূ্র করতে পুজোয় নিয়ম মেনে করুন খাওয়াদাওয়া চলুন দেখে নেওয়া যাক , পাকা পেঁপে খেলে আমাদের কি কি উপকার হয়। পেঁপেতে পাপাইন নামক উৎসেচক থাকে , যা ওজন কমাতে বড় ভূমিকা নেয়। এই উৎসেচক প্রোটিন ভাল করে হজম করতে সাহায্য করে। এতে পেশি তৈ্রি হয়। বাড়ে মেটাবলিজম। এতে যে ফাইবার আছে, তা শরীর থেকে বের করে টক্সিনকে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

শরীরে ক্লান্তি দূ্র করতে পুজোয় নিয়ম মেনে করুন খাওয়াদাওয়া

বাড়িতে রয়েছেন বলে খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম করবেন , এরকমটা কিন্তু একেবারেই নয়। এতে শরীরে ক্লান্তি ডেকে আনতে পারে। যা শরীরের পক্ষে একদমই ভাল নয়। বরং , এটা শরীরের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা বয়ে আনতে পারে। জেনে রাখুন , ক্লান্তি দূর করতে কি করবেন। শরীর থেকে ক্লান্তি দূর করতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খান। মাসল , ত্বক, শরীরের জয়েন্ট , মস্তিষ্ক সবই ঠিকঠাক কাজ করবে প্রোটিন খেলে। আরও পড়ুনঃ সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ছোট মাছ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান। অর্থাৎ লেবু , পেয়ারা সহ বিভিন্ন ধরণের ফল। মিষ্টি কিন্তু একেবারেই নৈব নৈব চ ! এর জেরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হবে। এছাড়াও বাড়িতে বসে অফিসের কাজ করার সময় ঘণ্টায় ঘণ্টায় চা ও কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

অক্টোবর ২১, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ছোট মাছ

ছোট মাছ শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। ছো্ট মাছ খেলে শরীরে কো্নদিক থেকে ভাল হবে , তা জেনে নিন। শিশুদের জন্য প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন ডি যুক্ত গুঁড়া মাছ খুবই উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খনিজ লবণ সমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ উপকারী। হৃদরোগী, স্ট্রোকের রোগীর ও গর্ভবতী মা ও দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য গুঁড়া মাছ খুবই উপকারী। ছোট মাছে অসম্পৃক্ত চর্বি আছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। আরও পড়ুনঃ কলাপাতা ত্বকের জন্য উপকারী , না জানলে জেনে নিন ! এ ছাড়া আয়রন, প্রোটিন, ফসফরাস, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ২, ফ্যাটি অ্যাসিড, লাইসনি ও মিথিওনিনেরও ভাল উৎস ছোট মাছ।ছোট মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে যা রাতকানা, অন্ধ হয়ে যাওয়া ছাড়াও দৈনন্দিন অনেক শারিরীক সমস্যা দূর করতে সক্ষম। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ তাদের ব্ল্যাডপ্রেসার কমাতে সাহায্য করবে।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চিনুন একটুকরো অচেনা বাংলাকে! রইল দুর্গাপুজোয় মন ভাল করা সেরা ৫ অফবিট ট্রাভেল ডেস্টিনেশন

দুর্গাপুজোর ছুটি মানেই বাঙালির বেড়ানোর পরিকল্পনা। দিঘা, পুরী কিংবা দার্জিলিংয়ের মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে প্রতি বছরই পুজোর সময় উপচে পড়ে ভিড়। ফলে পরিবার নিয়ে নিরিবিলিতে কয়েকটা দিন কাটানোর সুযোগ অনেক সময়ই মেলে না। তাই এবার যদি ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতি, পাহাড়, সমুদ্র কিংবা বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য উপভোগ করতে চান, তাহলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি তুলনামূলক অফবিট গন্তব্য। রইল এমনই পাঁচ জায়গার হদিশ।দাওয়াইপানি, দার্জিলিংদার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট গ্রাম দাওয়াইপানি। পর্যটকদের ভিড় থেকে অনেকটাই দূরে এই গ্রাম থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম প্যানোরামিক দৃশ্য। দিনের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের আলোয় পাহাড়ের রং বদলে যাওয়ার দৃশ্য এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।জঙ্গলঘেরা পরিবেশ, নিরিবিলি সকাল এবং পাহাড়ি পথে হাঁটার সুযোগসব মিলিয়ে পুজোর ছুটিতে শান্তিতে সময় কাটানোর জন্য দাওয়াইপানি হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।কলকাতা থেকে প্রায় ৬২৪ কিলোমিটার দূরে এই পাহাড়ি গ্রাম। ট্রেনে গেলে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশনে নেমে প্রায় ৭৬ কিলোমিটার সড়কপথ পাড়ি দিতে হয়। বিমানপথে নিকটতম বিমানবন্দর বাগডোগরা। দাওয়াইপানিতে বেশ কিছু হোমস্টে রয়েছে। সেখানে প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া মিলিয়ে মাথাপিছু প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।বাগুরান জলপাই, পূর্ব মেদিনীপুরদিঘা বা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাগুরান জলপাই হতে পারে ভালো বিকল্প। কাঁথি মহকুমার এই তুলনামূলক কম পরিচিত সমুদ্রসৈকত ঘিরে রয়েছে সবুজ ঝাউবন। সৈকতে প্রায়ই দেখা মেলে লাল কাঁকড়ার।ভোরের শান্ত পরিবেশে সমুদ্রের ধারে হাঁটা কিংবা বিকেলে সূর্যাস্ত উপভোগসব মিলিয়ে নিরিবিলি সমুদ্রভ্রমণের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়। রাতে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দে তৈরি হয় অন্যরকম আবহ।কলকাতা থেকে বাগুরান জলপাইয়ের দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। হাওড়া থেকে ট্রেনে কাঁথি গিয়ে সেখান থেকে টোটো বা অটো করে পৌঁছনো যায়। সৈকতের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সাধারণ রিসর্ট ও হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ৮০০ থেকে ১,৮০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা।বরন্তি, পুরুলিয়াপাহাড়, জলাশয়, জঙ্গল এবং আদিবাসী সংস্কৃতির স্বাদ একসঙ্গে পেতে চাইলে পুরুলিয়ার বরন্তি হতে পারে পুজোর ছুটির অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বিহারীনাথ ও পাঞ্চেত পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত এই ছোট্ট গ্রামটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ মুরাডি লেক।পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা জলাশয়ের ধারে সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। পাশাপাশি ঘুরে দেখা যায় অযোধ্যা পাহাড়। স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। সময় ও সুযোগ থাকলে ছৌ নৃত্যের অনুষ্ঠানও উপভোগ করা যেতে পারে।কলকাতা থেকে বরন্তির দূরত্ব প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার। ট্রেনে আসানসোল পৌঁছে সেখান থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কপথে বরন্তি যাওয়া যায়। এলাকায় রয়েছে ইকো-রিসর্ট ও গ্রামীণ হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু আনুমানিক খরচ ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা।কোচবিহার রাজবাড়িপুজোর ছুটিতে প্রকৃতির পাশাপাশি ইতিহাস ও বাংলার ঐতিহ্য উপভোগ করতে চাইলে গন্তব্য হতে পারে কোচবিহার। কোচবিহার রাজবাড়িকে ঘিরে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর ঐতিহ্যও বহু পুরনো। ফলে কলকাতার ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে বাংলার প্রাচীন পুজোর রীতি ও রাজপরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলবে।রাজবাড়ির পাশাপাশি ঘুরে দেখা যেতে পারে প্রাচীন মদনমোহন মন্দির। সময় হাতে থাকলে কাছাকাছি ডুয়ার্সের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও ঘুরে আসা যায়।কলকাতা থেকে কোচবিহারের দূরত্ব প্রায় ৬৮০ কিলোমিটার। ট্রেনে সরাসরি কোচবিহার স্টেশনে পৌঁছনো সম্ভব। বিমানপথে বাগডোগরা গিয়ে সেখান থেকে সড়কপথে কোচবিহার যাওয়া যায়। পর্যটকদের জন্য রয়েছে পর্যটন লজ, হোমস্টে ও বাজেট হোটেল। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ আনুমানিক ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা হতে পারে।টাকি, উত্তর ২৪ পরগনাপুজোর ছুটিতে একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা চাইলে উত্তর ২৪ পরগনার টাকিও হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য। ইছামতী নদীর তীরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই শহরের দুর্গাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ বিজয়া দশমীর বিসর্জন।দশমীর দিন ইছামতী নদীতে ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিমা কাছাকাছি সময়ে বিসর্জন দেওয়ার দৃশ্য দেখতে প্রতি বছরই বহু মানুষের সমাগম হয়। প্যান্ডেল বা আলোর চাকচিক্যের বদলে এই ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনই টাকির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।কলকাতা থেকে টাকির দূরত্ব প্রায় ৭৫ কিলোমিটার। লোকাল ট্রেনে টাকি রোড স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া যায়। সড়কপথেও রয়েছে যোগাযোগের সুবিধা। থাকার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের লজ, নদীর ধারের রিসর্ট এবং বাজেট হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু মোট খরচ প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হতে পারে।পুজোর ছুটিতে এবার একটু অন্যরকম ভ্রমণদুর্গাপুজোর ছুটিতে একই পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রে ভিড়ের মধ্যে সময় কাটানোর বদলে এবার চাইলে বেছে নিতে পারেন এই পাঁচ গন্তব্যের যে কোনও একটি। দাওয়াইপানিতে পাহাড় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা, বাগুরান জলপাইয়ে সমুদ্র, বরন্তিতে পাহাড়-জঙ্গল ও জলাশয়, কোচবিহারে ইতিহাস-ঐতিহ্য কিংবা টাকিতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনপুজোর ছুটিতে মিলতে পারে একেবারে ভিন্ন ধরনের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যা কবে? জেনে নিন তারাপীঠের বিশেষ পুজোর দিনক্ষণ

ভাদ্র মাসের অমাবস্যা তিথি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তিথিতে স্নান, দান, পিতৃতর্পণ-সহ নানা ধর্মীয় আচার পালনের রীতি রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে ভাদ্র অমাবস্যার আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। বিশেষ করে বীরভূমের তারাপীঠে এই অমাবস্যা কৌশিকী অমাবস্যা বা তারা রাত্রি হিসেবে বিশেষভাবে পালিত হয়। এই উপলক্ষে মা তারার দর্শন ও পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্ত তারাপীঠে ভিড় করেন।১০ না ১১ সেপ্টেম্বরকবে কৌশিকী অমাবস্যা?২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার তারিখ নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কারণ, অমাবস্যা তিথি শুরু হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে। এই তিথি শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে।তবে কৌশিকী অমাবস্যার মূল তাৎপর্য অমাবস্যার রাতকে ঘিরে। সেই কারণে তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যার প্রধান পুজো ও বিশেষ রাত্রিকালীন অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতেই। অর্থাৎ, ২০২৬ সালে কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত হিসেবে ধরা হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বরের রাতকে।কেন তারা রাত্রি নামে পরিচিত কৌশিকী অমাবস্যা?কৌশিকী অমাবস্যার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে তারাপীঠের নাম। বীরভূমের এই ঐতিহ্যবাহী শক্তিসাধনার ক্ষেত্রটি মা তারার অন্যতম প্রধান সাধনভূমি হিসেবে পরিচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কৌশিকী অমাবস্যার রাতে মা তারার আরাধনা করলে ভয়, সংকট ও নেতিবাচকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার মানসিক শক্তি লাভ করা যায়।এই বিশেষ রাতে তারাপীঠ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকায় পুজো, আরতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। রাতভর চলে মা তারার আরাধনা। ভক্তদের পাশাপাশি সাধকরাও মন্ত্রজপ, ধ্যান ও সাধনায় মগ্ন থাকেন।কৌশিকী অমাবস্যায় কী করেন ভক্তরা?এই তিথিতে ভক্তরা মা তারা বা মা কালীর পুজো করেন। প্রদীপ জ্বালানো, মন্ত্রজপ, নামস্মরণ এবং ধ্যানের পাশাপাশি অনেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের খাবার ও বস্ত্র দান করেন। পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণও এই দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার।অনেকেই এই দিন জীবনের নেতিবাচক চিন্তা ও অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার সংকল্প নেন। তবে তন্ত্রসাধনার মতো বিশেষ ধর্মীয় আচার অভিজ্ঞ গুরু বা সাধকের নির্দেশ ছাড়া না করাই শ্রেয়। সাধারণ ভক্তরা বাড়িতেই সহজভাবে মা তারা বা মা কালীর পুজো, দীপদান ও নামস্মরণ করতে পারেন।বাড়িতে কীভাবে করবেন কৌশিকী অমাবস্যার পুজো?কৌশিকী অমাবস্যার সন্ধ্যায় স্নান করে পুজোর স্থান পরিষ্কার করে মা তারা বা মা কালীর ছবি কিংবা মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালানো যেতে পারে। এরপর লাল ফুল, ফল ও মিষ্টি নিবেদন করে পারিবারিক রীতি অনুযায়ী মন্ত্রজপ বা নামস্মরণ করা যায়।ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পুজোয় বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে ভক্তি, একাগ্রতা ও নিষ্ঠাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুজোর শেষে পরিবারের সুখ-শান্তি, মঙ্গল এবং সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষার জন্য মা তারার কাছে প্রার্থনা করতে পারেন ভক্তরা।তাই ২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত্রিকালীন পুজো ও তারাপীঠের মূল অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতে। যদিও অমাবস্যা তিথি পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
দেশ

দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে নতুন বিস্ফোরণ! বাগেশ্বর বাবাকে কী বললেন পরমাত্মানন্দ?

দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক থামার নাম নেই। এবার তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন পরমাত্মানন্দজী মহারাজ। তাঁর দাবি, কে কী পরবেন, কীভাবে চলবেন বা কী খাবেন, তা ঠিক করে দেওয়ার অধিকার বাগেশ্বর বাবার নেই।বাগেশ্বর বাবাকে বাচাল ছেলে বলেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তাঁর কথায়, বাঙালির খাবার নিয়ে এভাবে নির্দেশ দেওয়া এক ধরনের অসভ্যতা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালি নিজের পছন্দমতো মাছ-মাংস খাবেন। তাঁর বক্তব্য, পুজোর কয়েক দিন বাঙালি কচি পাঠার ঝোল, ইলিশ মাছের ভাপা, মাছের কাটলেট বা মাংসের নানা পদ খেতেই পারেন। দেবতাকে মাছ-মাংস দিয়ে ভোগ দেওয়ার বিষয়েও আপত্তি থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।পরমাত্মানন্দ মহারাজের আরও দাবি, অন্য রাজ্যের মানুষকে বাগেশ্বর বাবা নিজের মতো করে ধর্মের কথা বলতে পারেন। কিন্তু বাঙালিকে সেইভাবে বোঝাতে গেলে বাঙালি তা মেনে নেবে না। তাঁর বক্তব্য, শাস্ত্রে দেবীকে মদ্য মাংস বলি প্রিয়া বলা হয়েছে। তাই বাঙালির ধর্মীয় রীতি ও খাবারের সংস্কৃতিকে অন্য জায়গার নিরামিষ ভাবনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা উচিত নয়।বাগেশ্বর বাবার আমিষবিরোধী মন্তব্যের প্রসঙ্গে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মোবাইলের আলো জ্বেলে তাঁরা পরমাত্মানন্দ মহারাজের বক্তব্যকে সমর্থন করেন বলে জানানো হয়েছে।এই বক্তব্যের মধ্যেই সিপিএমকেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, রাজ্যে দীর্ঘ ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনের শেষের দিকেও ব্রিগেড সমাবেশে বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। কিন্তু মানুষের সেই উপস্থিতি সত্ত্বেও পরে রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বাগেশ্বর বাবাকেও কটাক্ষ করেন। তাঁকে হনু বাবা বলেও মন্তব্য করেন মহারাজ।এর আগে রাজ্য সফরে এসে দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, নবরাত্রির সময়ে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের পিছনে আমিষ রান্না করা হয় এবং সেখানে নানা ধরনের খাবার তৈরি হয়, যা তাঁর পছন্দ নয়।এই মন্তব্যের পরেই বাঙালিকে পাখণ্ডী বা ভণ্ড বলেও আক্রমণ করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা বলে অভিযোগ। আমিষভোজীদের বহিষ্কার করার বার্তাও তিনি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য ঘিরে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়।বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে বিজেপির একাধিক নেতাও জানান, ওই মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত মত। অন্যদিকে, বাঙালির ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ তুলে বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কে এবার নতুন করে উত্তাপ ছড়াল পরমাত্মানন্দ মহারাজের মন্তব্যে। বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি বাঙালির নিজস্ব খাদ্যাভ্যাস ও ধর্মীয় রীতির পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

নিহত আপ্তসহায়কের মা-ই কি নন্দীগ্রামে বিজেপির মুখ? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

নন্দীগ্রাম মানেই হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক লড়াই। তার উপর এবার সেখানে উপনির্বাচন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গোটা বাংলার রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নন্দীগ্রামের দিকে। উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ইতিমধ্যেই নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরে এখনও সেই তৎপরতার ছবি দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।রেয়াপাড়ার বিধায়ক কার্যালয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিজেপির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। সেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। এর মধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে একাধিক নাম নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে হাসি রথের নাম। তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই হাসি রথ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণেই তাঁকে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে খবর।চন্দ্রনাথ রথকে ঘিরেও রয়েছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে আততায়ীদের গুলিতে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ নিহত হন বলে জানানো হয়েছে। সেই চন্দ্রনাথের মা হাসি রথের নাম এবার নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে শুধু হাসি রথই নন, বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অঞ্জন ভারতী, মেঘনাদ পাল এবং প্রলয় পালের নামও শোনা যাচ্ছে। তিনজনই তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পরিচিত কার্যকর্তা। ফলে শেষ পর্যন্ত কার নাম নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হয়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মলয় সিনহা জানিয়েছেন, দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থী কে হবেন, তা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই ঘোষণা করবে। এই বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের মধ্যে এখনও তেমন কোনও তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। এমনকি প্রশাসনের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও তৃণমূলের উপস্থিতি দেখা যায়নি বলে জানা গিয়েছে।বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলার তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ জোড়াফুল প্রতীক থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর থেকে জেলার নেতাদের তেমন কোনও বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও দেখা যাচ্ছে না বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এর মধ্যে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক অখিল গিরিকে দু-একটি বৈঠকে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু উপনির্বাচন ঘোষণার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। দলের অন্য নেতাদেরও ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বিজেপি যখন প্রার্থী বাছাই ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন তৃণমূল শিবিরের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হাসি রথের নাম কি শেষ পর্যন্ত বিজেপির প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাবে, নাকি অন্য কোনও পরিচিত মুখকে বেছে নেওয়া হবে, এখন সেটাই দেখার। একইসঙ্গে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে যায়, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
বিদেশ

কোমরে শিকল, রাস্তায় টেনে নিয়ে যাওয়া হল কিশোরীকে! ভিডিও ভাইরাল হতেই হতবাক নেটিজেন

বাংলাদেশের সিলেট নগরীতে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে কোমরে শিকল বেঁধে রাস্তায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। ভিডিয়োতে কিশোরীকে শিকল দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে তালিবানি কায়দা চলছে বলেও কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন।ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। শাহজালালপুরের ডি-ব্লক মসজিদ মার্কেটের একটি দোকানে চুরির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ১৬ বছরের ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ব্যবসায়ীরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে জানা গিয়েছে।এর পর রাত ১১টা নাগাদ কিশোরীর কোমরে শিকল বাঁধা হয় বলে অভিযোগ। তাকে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিয়োতে কিশোরীকে কাঁদতে কাঁদতে হাঁটতে দেখা যায় এবং কয়েক জন তাকে শিকল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরে স্থানীয়রা কিশোরীকে উদ্ধার করে শাহপরাণ থানার পুলিশের কাছে নিয়ে যান।ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশও নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভিডিয়ো দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার পর তিন জনকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম জাকির হোসেন, তাঁর ভাই মোজাক্কির হোসেন এবং বুরহান উদ্দিন।শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োর ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, কিশোরীর বিরুদ্ধেও চুরির চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকেও আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি ঘিরে এখন একাধিক প্রশ্ন উঠছে। চুরির অভিযোগ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কিশোরীর সঙ্গে এমন আচরণ করা হল কেন, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছে। ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে তিন জন গ্রেফতার হলেও গোটা ঘটনা নিয়ে বিতর্ক এখনও অব্যাহত।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ নেই, অপেক্ষা ডিএনএ রিপোর্টের! শুভ্রাংশুর নতুন ছবিতে বাড়ল উৎকণ্ঠা

নেপালে হড়পা বানের পর নিখোঁজ শর্মিষ্ঠা রায়। প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। প্রশাসন থেকে বিদেশ মন্ত্রক, এমনকি কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসেও যোগাযোগ করেছেন পরিবার। কিন্তু এখনও কোনও ইতিবাচক খবর মেলেনি বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে স্ত্রী শর্মিষ্ঠাকে সঙ্গে নিয়ে একটি সাদা-কালো ছবি নিজের প্রোফাইলের ছবি করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। সেই ছবি ঘিরেই নতুন করে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ওই ছবি দেখে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অগস্ট। হাওড়ার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে কয়েক জন সহযোগীর সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। ২৫ অগস্ট রাতেও স্বামীর সঙ্গে তাঁর স্বাভাবিক কথাবার্তা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু পরের দিন, ২৬ অগস্ট নেপালে হড়পা বান আসার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর তাঁর সঙ্গে পরিবারের কোনও যোগাযোগ হয়নি।স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যান শুভ্রাংশু। নেপালের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দফতরেও যোগাযোগ করেন।ভবানী ভবন থেকে স্থানীয় থানা, বিদেশ মন্ত্রকসব জায়গাতেই শর্মিষ্ঠার খোঁজে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও নিশ্চিত সন্ধান মেলেনি।এর মধ্যেই নেপালে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি পরিচয়হীন দেহ শনাক্ত করার প্রক্রিয়াও চলছে। পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।ফলে এক দিকে শর্মিষ্ঠার সন্ধান না মেলা, অন্য দিকে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষাসব মিলিয়ে পরিবারের উৎকণ্ঠা আরও বেড়েছে। তার মধ্যেই শুভ্রাংশুর সাদা-কালো ছবি সামাজিক মাধ্যমে নজর কাড়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।শুভানুধ্যায়ীদের একাংশ ওই ছবিকে উদ্বেগের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তবে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট এবং নেপালে চলা অনুসন্ধানের পরেই গোটা বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ির স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধর! ঘটনার নেপথ্যে আসলে কী, তদন্তে শিক্ষা দপ্তর

জলপাইগুড়ির জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। ঘটনার আগে ঠিক কী হয়েছিল, ছাত্রদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের কী নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এবং কেন পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠল, তা খতিয়ে দেখতে বুধবার স্কুলে পৌঁছন জেলা স্কুল পরিদর্শকের নেতৃত্বাধীন দল।স্কুল পরিদর্শক সুজিত সরকারের নেতৃত্বে এদিন তদন্ত শুরু হয়। স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন পরিদর্শক দলের সদস্যরা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কারা ছিলেন, ছাত্রদের কী অভিযোগ ছিল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি, সেই সব বিষয় জানতে চাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, গোটা ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী ভাবে পরিস্থিতি বদলেছিল, তা খতিয়ে দেখে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। জলপাইগুড়ির জেলা স্কুল পরিদর্শককে এই নির্দেশ দিয়েছেন স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিব বিনোদ কুমার।মঙ্গলবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ খাওয়াদাওয়ার আয়োজনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্কুলের মিড ডে মিলের ঘরে ওই আয়োজন হয়েছিল। কয়েক জন ছাত্র সেখানে উঁকি দেওয়ায় তাঁদের প্রধান শিক্ষক মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই পরে ছাত্রদের একাংশ প্রধান শিক্ষকের উপর চড়াও হয় বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, ছাত্ররা প্রধান শিক্ষককে মারধর করে তাঁর মাথায় আঘাত করে। এর পর স্কুল চত্বরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ স্কুলে পৌঁছয়। পরে পুলিশই প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রধান শিক্ষক ধর্মুচাঁদ বারুইয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক এবং ছাত্রদের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে সেই অভিযোগগুলির সঙ্গে মঙ্গলবারের ঘটনার কী সম্পর্ক রয়েছে, তা-ও তদন্ত করে দেখছে শিক্ষা দপ্তর।এখন মূল প্রশ্ন, শিক্ষক দিবসের আয়োজন ঘিরে ঠিক কী থেকে এত বড় অশান্তি তৈরি হল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে স্কুলে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তদন্তকারী দলের রিপোর্টেই সেই প্রশ্নগুলির উত্তর মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গেরুয়ার অসম্মান বরদাস্ত নয়! যাদবপুরের মঞ্চ থেকে ‘শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার’ হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার গেরুয়া সম্মান যাত্রা শেষে যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, গেরুয়াকে যারা অপমান করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি-র মতো স্লোগান নিয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি।যাদবপুরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, তিনি এই এলাকায় দাঁড়িয়ে একটি শপথ নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগান এবং কয়েকটি রাজনৈতিক অবস্থানের প্রসঙ্গ উঠে আসে। যারা গেরুয়া নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।এর পাশাপাশি নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ২০১১ সালে কমিউনিস্ট সরকারকে সরানোর লক্ষ্য নিয়ে তিনি পণ করেছিলেন। পরে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০২৬ সালে জামাতি সরকারকে সরানোর কথাও তিনি বলেছিলেন বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষের সহযোগিতায় সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।যাদবপুরের মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীচৈতন্য এবং প্রণবানন্দের ভূমিতে গেরুয়ার গুরুত্ব আরও বাড়বে। বক্তব্যের শেষে তিনি বার বার বলেন, গেরুয়াই হবে।এদিনের গেরুয়া সম্মান যাত্রা শুরু হয়েছিল গোলপার্ক থেকে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শঙ্খধ্বনি এবং উলুধ্বনিতে মিছিলের পরিবেশ বদলে যায়। গেরুয়া পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন সাধু-সন্তরাও।মিছিলে শুভেন্দুর পাশে ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তাপস রায়। উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও। পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজকেও শুভেন্দুর পাশে মিছিলে হাঁটতে দেখা যায়।মিছিল যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছনোর পর বন্দে মাতরম গানে অংশ নেন উপস্থিত সকলে। এরপর মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই গেরুয়ার অসম্মান এবং দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।শুভেন্দুর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। গেরুয়া সম্মান যাত্রা এবং তার শেষে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বক্তব্যকে ঘিরে আগামী দিনে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal