• ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ সিআইডির

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস খুনের মামলায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। শনিবার এটি আদালতে জমা পড়েছে। খুনের ষড়যন্ত্রে মুকুল রায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৩০২ ও ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুকুল রায় ছাড়াও এই খুনের ঘটনায় রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে আগেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পণ্ডারি ও আরও একজনের সঙ্গে খুনের আগে ও পরে ফোনে কথা বলেছিলেন জগন্নাথ। জগন্নাথ সরকার এই খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ সিআইডির। এফআইআরে নাম ছিল মুকুলের। সন্দেহভাজন হিসেবে আগে জমা দেওয়া চার্জশিটে নাম ছিল মুকুলের। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ এদিন মুকুল রায় বলেন, সত্যজিত বাচ্চা ছেলে। আমি এই খুনের ব্যাপারে জানি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো পুলিশমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশেই তো এই চার্জশিট হয়েছে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, বুকে হাত দিয়ে বলুন , মুকুল কি খুন করতে পারেন ? তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে ৪৪টি মামলা আছে। আমার আইনের উপর ভরসা আছে। আইনের পথেই লড়ে নেব। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি গুলি করে খুন করা হয় সত্যজিত বিশ্বাসকে। সেই খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তখন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিল আদালত। তবে আদালত জানিয়েছিল, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে সহযোগিতা করতে হবে। নদিয়া জেলায় যেতে পারবেন না তিনি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ

পূর্ব মেদিনীপুর থেকেই বাংলায় পরিবর্তনের সূত্রপাত হবে বলে দাবি করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে বালিঘাইতে প্রাতঃভ্রমণ ও চা চক্র করেন তিনি। সেখানে দিলীপবাবু বলেন, বিজেপিতে অনেকে এসেছেন। এসে পদ পেয়েছেন। এমএলএ, এমপি করেছি। মুকুল রায়কে এমপি সহ অনেক পদ দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে বেশি লাফালাফি করলে ওখানে চাকরবৃত্তি করতে হবে। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২ এদিন নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, কোলে চড়া নেতারা ছড়ি ঘোরাবে, তা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। এদিন দিলীপবাবু এগরায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন। পরে পাঁচটি বাড়িতে গৃহসম্পর্ক অভিযান করেন তিনি। এদিকে , এদিন সকালে দিলীপ ঘোষের চা চক্র উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল একটি মঞ্চ। তার উপর দাঁড়িয়ে দলীয় পতাকা হাতে নিতেও দেখা যায় তাঁকে। সেই সময় তাঁকে মঞ্চের উপরে ছিলেন বেশ কিছু স্থানীয় নেতা। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করেই দেখা যায় সবাইকে নিয়ে নীচের দিকে বসে পড়েছে মঞ্চ। যদিও মঞ্চ খুব উঁচু না হওয়ায় তেমন কেউ চোট পাননি। এই ঘটনার পরই মাইক হাতে নিয়ে বসে যাওয়া মঞ্চে দাড়িয়েই দিলীপের কটাক্ষ, আজ মঞ্চ ভাঙল। মে মাসে সরকারটাই ভেঙে যাবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২

বিজেপির আর নয় অন্যায়কর্মসূচিতে গুলি ও বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি। এই ঘটনায় দুজন পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম স্বপন বাউড়ি ও সাধন রাউত। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে মিছিল বের করেছিল বিজেপি। বারাবনির জামগ্রাম থেকে কাপিস্টা পর্যন্ত বিজেপির মিছিল যাওয়ার কথা ছিল। তার জন্য সকাল থেকে কর্মী, সমর্থকরা জমায়েত হয়েছিলেন জামাগ্রামে। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই মিছিলকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা। বোমাবাজিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। মোটরবাইকও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আরও পড়ুনঃ বর্ধমান শহরে দাদার অনুগামী পোস্টার, চাঞ্চল্য অন্যদিকে, বারাবনি তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, জামগ্রাম এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে শিবির করেছিলেন দলীয় কর্মীরা। ব্লক তৃণমূল সভাপতি অসিত সিংয়ের দাবি, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তারাই ঝাড়খণ্ড থেকে দুষ্কৃতীদের জড়ো করে বোমা-গুলি চালিয়েছে। আর যেসব গাড়ি পুড়েছে, তা তৃণমূল সমর্থকদেরই। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বারাবনি থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিজেপির মিছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস বেশ কিছু তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। যে মোটরবাইকে আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ, সেই আগুন নিভিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

বর্ধমান শহরে দাদার অনুগামী পোস্টার, চাঞ্চল্য

এবার বর্ধমান শহরে পড়ল দাদার অনুগামী পোস্টার। শনিবার বর্ধমান শহরের টাউন হলের গেটে এই পোস্টারটি দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও বর্ধমানের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কয়েক জায়গায় এদিন পোস্টার দেখতে পাওয়া যায়। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ জেলা সাধারণ সম্পাদকের যদিও এর আগে পূর্ব বর্ধমান জেলার বেশ কিছু জায়গায় দাদার অনুগামী পোস্টার দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু বর্ধমান শহরে পোস্টার পড়ার ঘটনা এই প্রথম। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের দাবি দাদার অনুগামী বলে বর্ধমানে কিছু নেই। তাদের অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ জেলা সাধারণ সম্পাদকের

শাসক দলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে অভিযুক্ত মহম্মদ সেলিমকে গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও হল বর্ধমানে। আর সেই থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খোদ তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস। ঘন্টা দেড়েক বিক্ষোভ চলার পর পুলিশি আশ্বাসে ঘেরাও কর্মসূচি উঠে যায়। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় নতুন পুর কমিশনার ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দুপুরে। বর্ধমানের লোকো কলোনীতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিবদমান গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় । এই ঘটনায় দুই গোষ্ঠীরই বেশ কয়েকজন জখম হয়। বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছিল। সেখানেই ক্যাম্পের দখলদারি নিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস ও ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের অনুগামীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। অভিযোগ , শিবু ঘোষ তার বৌদি ও স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। তখন মহম্মদ সেলিমের অনুগামীরা খোকন দাসের অনুগামী শিবু ঘোষকে মারধর করে। এরপর এলাকার একটি বাড়িতে শিবু ঘোষ আশ্রয় নিলে সেখানেও ঢুকে মারধর করা হয়। পাশের দলীয় কার্যালয়ে হামলা হয় ও ভাঙচুর চালানো হয়। খোকন দাস পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন যদি বিকেলের মধ্যে অভিযুক্তদের না ধরা হয়, তাহলে তারা থানা ঘেরাও করবেন। পুলিশ প্রশাসন ঠিক মত কাজ করছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম বলেন, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাজির হয়ে শিবু ঘোষের নেতৃত্বে কয়েকজন দাদাগিরি করছিল। এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে প্রথমে বাদানুবাদ হয়।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের তাড়া করলে ছুটে পালাতে গিয়ে কেউ আহত হতে পারে। কেউ তাদের মারধর করেনি। আর ওখানে কোন তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস নেই। শিবু ঘোষের দাবি, সেলিমের নেতৃত্বে একদল যুবক তাঁদের উপর হামলা করে। ব্যাপক মারধর করেছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ায় নতুন পুর কমিশনার

ফের বদল করা হল হাওড়ার পুর কমিশনার। এবারে হাওড়া পুরসভার কমিশনার করা হল পশ্চিমবঙ্গের ২০১২ ব্যাচের আইএএস অভিষেক কুমার তেওয়ারিকে। তিনি এতদিন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিবের পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এর আগে হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন কমিশনার ধবল জৈনকে মূল্যায়ন পর্ষদে বদলি করা হয়েছিল। তাঁকে এদিন নতুন নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য কৃষি বিপণন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করা হয়েছে। মাসখানেক আগে ধবল জৈনকে হাওড়া পুরসভার কমিশনার পদ থেকে বদলি করার পর এখানকার জেলাশাসক মুক্তা আর্য্যকে পুরসভার কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ চলন্ত ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যাওয়া যাত্রীকে বাঁচিয়ে সাহসিকতার পরিচয় আরপিএফ কর্মীর প্রসঙ্গত, প্রায় দুবছর ধরে হাওড়ায় কোনও নির্বাচিত পুর বোর্ড না থাকায় প্রায় শিকেয় উঠেছে পুর পরিষেবা। সেই পরিস্থিতিতে কখনও পুরবাসীকে সুষ্ঠ পরিষেবা দিতে তৈরী করা হচ্ছে প্রশাসক মন্ডলী। কখনও তা ভেঙ্গে দিয়ে পুর কমিশনারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে দায়িত্ব। পুরসভার কাজ চালাতে পূর্ণ সময়ের একজন কমিশনারের দাবিও উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। যদিও বারেবারে পুর কমিশনার বদলের ফলে পুর পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন হাওড়ার বাসিন্দারা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

চলন্ত ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যাওয়া যাত্রীকে বাঁচিয়ে সাহসিকতার পরিচয় আরপিএফ কর্মীর

ফের চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে গেলেন যাত্রী। আরপিএফ কর্মীর চেষ্টায় ওই যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেলেন। ডিউটিতে থাকা আরপিএফ কর্মীর নাম মাইকেল সোরেন। যাত্রীর নাম বিপ্লব চ্যাটার্জি। তিনি বর্ধমানের বাসিন্দা। ঘটনাটি ঘটেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় কেপমারি, প্রায় ২লক্ষ টাকার সোনার গহনা লুট হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সের চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে চলতে শুরু করা ৩৬৮৩৭আপ হাওড়া -বর্ধমান(মেন) লোকালে দৌড়ে এসে উঠতে যান তিনি। কিন্তু পা স্লিপ করায় প্ল্যাটফর্মে পড়ে যান বিপ্লববাবু। তাঁর পা কিছুটা চলে যায় ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের ভিতরে। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা আরপিএফ কর্মী মাইকেল সোরেনের নজরে আসে বিষয়টি। সঙ্গে সঙ্গেই ছুটে গিয়ে নিজের জীবন বিপন্ন করে ওই যাত্রীকে উদ্ধার করেন তিনি বলে পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই আরপিএফ কর্মীর সাহসিকতার প্রশংসা করেন নিত্যযাত্রীরা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

অভিনব কায়দায় কেপমারি, লক্ষাধিক টাকার সোনার গহনা লুট

প্রকাশ্য রাস্তায় এক প্রৌঢ়াকে কথার জালে ভুলিয়ে প্রায় ২লক্ষ টাকার সোনার গহনা নিয়ে চম্পট দিল দুই যুবক। প্রৌঢ়ার নাম বাসন্তী দেবী শর্মা (৬০)। বাড়ি হাওড়া থানা এলাকার ভগবান গাঙ্গুলি লেনে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে শিবপুরে জনবহুল জিটি রোডে। বৃদ্ধার ছেলে হেমন্ত কুমার শর্মা জানালেন, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর মা বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। জিটি রোড ধরে বাসন্তী দেবী শিবপুরের দিকে কাজে যাচ্ছিলেন। তখনই এক অপরিচিত যুবক তাঁর পিছনে আসতে শুরু করে। সে বৃদ্ধাকে জানায়, লকডাউনের পর থেকে আর্থিক কষ্টে ভুগছে তার পরিবার। এই কথা বলে বৃদ্ধার কাছে আর্থিক সাহায্য চায় সে। বাসন্তীদেবী ওই যুবককে জানান, তিনি সামান্য কিছু টাকা দিয়ে আর্থিক সাহায্য করতে পারেন। এর থেকে বেশি কিছু করতে পারবেন না। তখন ওই যুবক অপর এক যুবককে দেখিয়ে জানান, ওই যুবককে টাকা দিতে না পারলে তাকে মেরে ফেলবে অপর ওই যুবক। বৃদ্ধার গায়ের গয়না খুলে বিক্রি করে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ওই যুবক তাকে ছেড়ে দেবে। কিছুক্ষনের জন্য বৃদ্ধা গয়না খুলে দিলে সে উপকৃত হবে। অনেক পীড়াপীড়ির পরে বৃদ্ধা ওই যুবককে তার গায়ের সমস্ত গয়না খুলে দেন। হাতের সোনার একটি বালা, তিনটি সোনার আংটি ও গলার একটি সোনার চেন তার হাতে তুলে দেন। আরও পড়ুন ঃ বদলি করা হল পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে তারপর ওই যুবক তার মাকে ডেকে আনতে যাচ্ছে বলে বৃদ্ধাকে সন্ধ্যাবাজার এলাকার একটি জায়গায় বসিয়ে চম্পট দেয়। পালিয়ে যায় অপর এক যুবকও। ওই বৃদ্ধা শিবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিকের কথায়, বৃদ্ধা ও তাঁর ছেলের বক্তব্য শুনে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কিভাবে সামান্য কয়েক মিনিটের পরিচয়ে এক অপরিচিত যুবকের হাতে নিজের গায়ে পরে থাকা গহনা নিজের হাতে খুলে তুলে দিতে পারেন এক মহিলা সেই কথাও ভাবচ্ছে তদন্তকারীদের।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

বদলি করা হল পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে

সরিয়ে দেওয়া হল পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে । এতদিন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন সুনীল কুমার যাদব। তার জায়গায় প্রবীণ প্রকাশকে নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে শিলিগুড়ির ডাবগ্রামে র্যাফের ব্যাটেলিয়নে পোস্টিং করা হয়েছে। এতদিন অনুপম সিং সেই পোস্টে ছিল। তাকে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের উত্তরাঞ্চলের ডিসি করা হয়েছে। প্রবীণ প্রকাশ সেখানে দায়িত্বে ছিলেন। আরও পড়ুন ঃ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে একগুচ্ছ কর্মসূচি তৃণমূলের প্রসঙ্গত, রাজ্য রাজনীতিতে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা চরমে উঠেছে। শুক্রবারই শিশির অধিকারীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, যারা দল বিরোধী কাজ করছেন, তাদের অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে। এদিনই পুলিশ সুপারের বদলির সিদ্ধান্তের মধ্যে রাজনীতির বিষয়টিকে কেউ উড়িয়ে দিতে পারছেন না। অন্তত এমনটাই মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

দিল্লিতে কৃষক আন্দোলন, এবার কলকাতায় পথে তৃণমূল কংগ্রেস

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অলআউট আক্রমণে ঝাপাতে চলেছে তৃণমূল।আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে তৃণমূলের বঙ্গধ্বনি যাত্রা। ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। সরকারের কাজের খতিয়ান নিয়ে রাজ্যের সবকটি কেন্দ্রে পথে নামবেন তৃণমূল নেতা-বিধায়করা। রাজ্যের ৪২ হাজার ৬০০ গ্রামে এই কর্মসূচি নিয়ে পৌছে যাবে বিধায়করা। শুক্রবার বৈঠকে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় পথে নেমে আন্দোলন হবে। আগামী ৮,৯ ও ১০ ডিসেম্বর কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধি মূর্তির পাদদেশে অবস্থান করবে তৃণমূল কংগ্রেস কিষাণ ও ক্ষেতমজুর সমিতি। হরিপালের বিধায়ক বেচারাম মান্নাকে তিনদিনের সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১০ তারিখ অবস্থানে উপস্থিত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন তিনি বক্তৃতা রাখবেন বলে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের এছাড়াও ৬ ডিসেম্বর ব্লকে ব্লকে সংহতি দিবস পালন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর জেলা সদরে বিক্ষোভ দেখাবে কৃষক শ্রমিকরা। এছাড়াও ৭ ডিসেম্বর থেকে জেলা সফর শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন মেদিনীপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। ৮ ডিসেম্বর রানীগঞ্জে তাঁর সভা রয়েছে। ৯ ডিসেম্বর বনগাঁ, ১৫ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার বা পার্শ্ববর্তী এলাকায়, ১৬ ডিসেম্বর কোচবিহারে সভা রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফান দুর্নীতি মামলার অডিট করবে ক্যাগ। প্রসঙ্গত , দুদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল আমফানের ত্রাণে কোনও দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তার তদন্ত করবে ক্যাগ। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল। শুক্রবার রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের আরও কিছু বক্তব্য রয়েছে। সেগুলো শোনা হোক। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না। রাজ্যের যদি এরপরেও কিছু বলার থাকে, তাহলে তারা সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। আরও পড়ুন ঃ আদর্শের জন্য লড়াই চলবে, সভায় জানালেন শুভেন্দু গত ১ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এক নির্দেশে জানায়, এখনও পর্যন্ত আমফান ঝড়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ক্যাগকে তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। পাশাপাশি ক্যাগেকে সমস্ত রকমের সহযোগিতা করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ প্রসঙ্গত, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণবণ্টন নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে, এই মর্মে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষক সংগঠন। মামলা করেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংও। গত মঙ্গলবার সবকটি মামলার একত্রে শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

আদর্শের জন্য লড়াই চলবে, সভায় জানালেন শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী লড়াই চালিয়েছেন আদর্শের জন্য। সেই লড়াই তিনি থামাবেন না। বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর গড়বেতায় ক্ষুদিরাম বসুর পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে গিয়ে একথাই জানান তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেই লড়াইয়ে সবাই যাতে তাঁর সঙ্গে থাকেন, তার জন্যও আমন্ত্রণ জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, গ্রামের পান্তাভাত খাওয়া, মুড়ি খাওয়া গ্রামের ছেলেটা আদর্শের জন্য লড়ছে, আদর্শের জন্য লড়বে। আপনারা সঙ্গে থাকবেন। আজকে একটা সংবাদ মাধ্যম লিখেছে, আমি নাকি কমফোর্ট জোনে রাজনীতি করি। এই গড়বেতায় তো ২০১১ সালের আগে সব চেয়ে বেশি আমি আসতাম। এখন ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকা কারও কারও অসুবিধে হচ্ছে গ্রামের ছেলেটা রাস্তায় বেরিয়েছে বলে। আরও পড়ুন ঃ অনলাইন ক্লাসের সুবিধায় সাড়ে ৯ লক্ষ পড়ুয়াকে দেওয়া হবে ট্যাব দেবে সরকারঃ মমতা তারপরেই ক্ষুদিরাম বসু জন্মবৃতান্ত, তাঁর আত্মত্যাগ নিয়ে বলতে শুরু করেন। বলেন, ক্ষুদিরাম বসু সম্বন্ধে বর্তমান প্রজন্মকে জানতে হবে। ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগ সম্বন্ধে জানতে হবে। যাঁরা আমরা দেশকে ভালোবাসি, তাঁদের জানতে হবে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

সাড়ে ৯ লক্ষ পড়ুয়াকে ট্যাব দেবে সরকারঃ মমতা

করোনা পরিস্থিতির জেরে অনলাইনে চলছে ক্লাস। কিন্তু যাদের স্মার্টফোন নেই, তারা অনলাইন ক্লাস করতে পারছে না। এবার সেই সমস্যার সমাধানে কল্পতরু হয়ে এগিয়ে এল রাজ্য সরকার। অনলাইন ক্লাসের সুবিধার্থে রাজ্যের সাড়ে ৯ লক্ষ দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াকে বিনামূল্যে ট্যাব দেবে রাজ্য সরকার। সরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা পড়ুয়াদের এই ট্যাব দেবে সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক ছিল। সেখানেই একথা জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ জানুয়ারিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তিন শতাংশ ডিএ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের ৯ লক্ষ পড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে ট্যাব। তাতে কারও বাড়িতে স্মার্টফোন না থাকলেও সে অনায়াসেই করতে পারবে অনলাইন ক্লাস। এছাড়াও রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্কুলে ট্যাব কিংবা কম্পিউটার দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। যার মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব হবে। অতিমারী পরিস্থিতিতে কমল বেসরকারি ল্যাবে আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এবার থেকে মাত্র ৯৫০ টাকাতেই করা যাবে পরীক্ষা। তার ফলে সাধারণ মধ্যবিত্ত যে যথেষ্ট উপকৃত হবেন, তাতে কোনও দ্বিমত নেই।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

জানুয়ারিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তিন শতাংশ ডিএ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর। জানুয়ারি মাসে তিন শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পাবেন রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এই ঘোষণা করে বলেন, এর জন্য রাজ্যের ২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতি চলছে। রাজ্য সরকারের হাতে টাকা কম। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র অসুস্থ। আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। তবু প্রতি বছরের মতো এবারও জানুযারি মাসে ৩ শতাংশ ডিএ পাবেন আপনারা। কর্মচারীদের জানান নতুন পে কমিশন কার্যকর করার কথা তাঁর মাথায় আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি বাংলার ছেলে, মানুষের কাজ করবঃ শুভেন্দু মমতা বলেন, আমি খুশি হলে আপনারা বুঝতে পারবেন। আমি বিরক্ত হলেও আপনারা বুঝতে পারবেন। রাজনীতিতে আমি কোনও ছলনা করি না। যদিও আমার টাকা নেই, পয়সা নেই। ৮৫ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র থেকে পাই। তবু সরকারি কর্মচারীদের গায়ে হাত পড়ুক তা আমরা চাইনি। কর্মচারীদের তাঁর পরামর্শ, ভোটের সময় রাজনীতি করুন, ঠিক আছে। কিন্তু কাজের সময় আপনি সরকারি কর্মচারী। সে কথা ভুলবেন না। আমিও রাজনীতি করি। কিন্তু এই চেয়্যারে বসলে আমার কাছে সকলেই সমান।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

আমি বাংলার ছেলে, মানুষের কাজ করবঃ শুভেন্দু

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মুখ খুললেন না বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতি্বার শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন উপলক্ষে এক পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। ১৩১ তম জন্মদিনে বৃহস্পতিবার তমলুকের হাসপাতাল মোড়ে শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিধায়ক শুভেন্দু অদিকারী। সেখান থেকে হেঁটে যান শহিদের স্মৃতি বিজড়িত হ্যামিলটন স্কুলে। পদযাত্রা সেরে হ্যামিলটন হাইস্কুলে একটি সভা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ক্ষুদিরাম বসু উদযাপন কমিটির আয়োজনে প্রত্যেক বছরই এই অনুষ্ঠানে আসি, এবারও এসেছি। হাতে জাতীয় পতাকা, পিছনে অনুগামীদের বুকে শহিদ ক্ষুদিরামের ছবি, গলায় বন্দেমাতরম স্লোগান। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় কোনও রাজনৈতিক কথা বলেননি ্তিনি। আরও পড়ুন ঃ আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা বিজেপির শুভেন্দু বলেন, হ্যামিলটন স্কুলের বক্তব্যে ক্ষুদিরাম বসু ও মাতঙ্গিনী হাজরাকে স্মরণ করেন তিনি। ১৯০১-১৯০৪, এই ৪ বছর ক্ষুদিরাম বসু এই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। সাংসদ থাকাকালীন দেখেছি, স্কুলে ক্ষুদিরামের হাতের লেখা ইত্যাদি সংরক্ষণ করেছেন। তার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এরপরেই ক্ষুদিরাম বসুকে নিয়ে লেখা দুটি বইপ্রকাশ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা বেরিয়ে যান শুভেন্দু। অনুষ্ঠান শেষ হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিধায়ক। প্রশ্ন করা হয়, তাঁর বর্তমান অবস্থান নিয়ে। তিনি সাফ বলেন, আমি বাংলার সন্তান, ভারতের সন্তান। বাংলার সন্তান হিসেবেই মানুষের পাশে, মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করবেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা বিজেপির

রাজ্য সরকারের দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচির পালটা আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা করল বিজেপি। বুধবার রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক সম্মেলনে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করে বলেন, সকলের সামনে তৃণমূলের দুর্নীতি, অত্যাচার, স্বৈরাচারের কথা তুলে ধরা হবে। জানালেন, ৫ তারিখ থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। ওইদিন থেকে সব বুথে বুথে এই অভিযান শুরু হবে। ১ কোটির বেশি মানুষের কাছে যাবে বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন তিনি বলেন, আমফানের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ত্রাণের টাকা পায়নি, শুধুমাত্র তৃণমূলের লোকেরাই ত্রাণের টাকা পেয়েছে। তেমনি করোনার সময় মাস্ক, স্যানিটাইজার নিয়েও দুর্নীতি করেছে এই সরকার। এছাড়াও ২০০৯ সালে আয়লা এসেছিল তখন পাঁচ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র থেকে আসে কিন্তু তখনও সেই টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়। দিলীপের দাবি, আমফানের তদন্তের সাথে সাথে আয়লারও তদন্ত করা হোক। আরও পড়ুন ঃ ভাতা নয় চাকরি চাই , এই দাবিতে যুবশ্রীদের বিক্ষোভ বর্ধমানে দুয়ারে একুশের ভোট। তাই ডিসেম্বরের পয়লা তারিখ থেকেই মানুষের দুয়ারে সরকার। নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত ১২ প্রকল্প-সহ অভাব, অভিযোগ, সমস্যা শুনতে মঙ্গলবার থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। রাজ্যের সমস্ত পঞ্চায়েত এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লকের সমস্ত পরিকাঠামো নিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আগামী দুমাস ধরে চারটি পর্যায়ে হবে শিবির। এখান থেকে ১২টি পরিষেবা সংক্রান্ত প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা কার্যত ঘরের দুয়ারে গিয়ে হাতে হাতে পৌঁছে দেবে প্রশাসন। সেই সঙ্গে জনসাধারণের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথাও শুনবেন প্রশাসনের কর্মীরা। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর হোয়াটসঅ্যাপ প্রসঙ্গে সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দুকে খুশি করতে বুড়ো খোকারা নেমেছিলেন। কাল রাতে আমার কাছে ফোন এল শুনলাম সব ঠিক হয়ে গেছে। সকলের হাসিমুখ। আবার শুনছি এসব। যুবকরা কিছুতেই তৃণমূলের বুড়ো খোকাদের কথা শুনছে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

ভাতা নয় চাকরি চাই , এই দাবিতে যুবশ্রীদের বিক্ষোভ বর্ধমানে

ভাতা নয় চাকরি চাই এই দাবিতে মঙ্গলবার যুবশ্রী এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক কর্মপ্রার্থী সমিতি পূর্ববর্ধমান জেলাকমিটির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হল কার্জনগেট চত্বরে। সংগঠনের পূর্ব বর্ধমানের সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা বলেন, সারা রাজ্য জুড়ে স্থায়ী চাকরির দাবিতে আন্দোলন চলছে। ২০১৩ সালে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, আগামী দু- এক বছরের মধ্যে যুবশ্রীদের স্থায়ী চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু আট বছর হতে চললেও সেই নিয়োগ হয়নি।বহুবার এটা নিয়ে আন্দোলন করেছি, মুখ্যমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রীকে জানানো হলেও কোনও সাড়া পাচ্ছি না। আরও পড়ুন ঃ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না , ক্ষোভ বিধায়কের তাই আমরা আগামী ২২ শে ডিসেম্বর কমিটির পক্ষ থেকে নবান্ন চলো অভিযানের ডাক দিয়েছি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বর্ধমানে সভা করছি। আট বছর ধরে যুবশ্রীদের ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সেই টাকায় সংসার চলে না। কিন্তু আমরা সেই ভাতা চাইছি না। ক আমরা চাইছি, কাজের পরিবর্তে টাকা নিতে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলাশাসককে ৪ দফা দাবীর ভিত্তিতে একটি ডেপুটেশনও দেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না , ক্ষোভ বিধায়কের

দলে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না, এই অভিযোগে ক্ষোভ উগরে দিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পারিয়াল। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিধায়ক এই মন্তব্য করে বলেন, যদি শ্রমিক সংগঠনে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারতাম, তাহলে শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে শ্রমিক স্বার্থ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যা মিটিয়ে দিতে পারতাম। আরও পড়ুন ঃ সভা থেকে ফেরার পর শুভেন্দু অনুগামীর বাড়িতে হামলা বিশ্বনাথবাবু বলেন, যখনই ভাল কোনও কাজ করতে যাচ্ছি, ঠিক তখনই পিছন থেকে টেনে ধরা হচ্ছে। এইভাবে চলতে থাকলে দল সম্পর্কে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাবে। আর দলের নেতৃত্বের একাংশ দুর্গাপুরের সমস্ত কারখানায় শ্রমিক সমস্যাগুলিকে ইচ্ছে করে জিইয়ে রেখে দিচ্ছে, দলে থেকে এই নেতারা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে দিচ্ছে। যারা এগুলি জিইয়ে রাখছেন, তারা দলের ভাল চাইছে না। তারা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করার চেষ্টা করছেন। উচ্চ নেতৃত্বকে সব রিপোর্ট জমা দিয়েছি। এখন সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সবাই। কারণ, সামনেই নির্বাচন। মাথায় রাখতে হবে সেই কথাও। বহিরাগত লোকেরাই গ্রাফাইট কারখানায় কাজের সুযোগ পাচ্ছে। স্থানীয় বেকার যুবকরা বঞ্চিত হচ্ছে। এটা ভোটের মাধ্যমেও প্রতিফলন ঘটছে। স্থানীয় বেকার যুবকরা যদি সেখানে কাজের সুযোগ না পায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে তাদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈ্রি হবে। বিধানসভা নির্বাচনেও এর প্রভাব পড়বে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

সভা থেকে ফেরার পর শুভেন্দু অনুগামীর বাড়িতে হামলা

তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীর বাড়িতে ভাঙচুর ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটল সবংয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের কোলোন্দা গ্রামে। সেখানকার এক বাসিন্দা সোমবার যোগ দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে রাস উৎসবে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও। আরও পড়ুন ঃ খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নন্দীগ্রাম থেকে যখন সবংয়ে ফিরছিলেন, তখন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়ার অনুগামীরা। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি বোমাও ছোড়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি তাজা বোমা। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার পিছনে যুক্ত রয়েছে বিজেপি কর্মীরা। তবে বিজেপির পাল্টা দাবি, শুভেন্দু বনাম মমতার লড়াই ধামাচাপা দিতেই তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরেই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুলিও চলে। আরও পড়ুন ঃ টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 196
  • ...
  • 208
  • 209
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal