• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

শুক্রবারও কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা মোট বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৫ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৮৮ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৮.১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৭৮৪ জন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি সংক্রমণের নিরিখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত ৮৬৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩ হাজার ৭৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লক্ষ ১২ হাজার ২৭০ জনের।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
স্বাস্থ্য

বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৯ জন। এদিনের হিসেব অনুযায়ী রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৯২ জন। বাংলায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৭২৫। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ২১ হাজার ৮৭৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৮৮.০২ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃ্ত্যুর হার দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা । সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৮৯৪ জন। এর ঠিক পিছনেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ৮৭৮ জন। ওদিকে উত্তরবঙ্গে শতাধিক করোনা আক্রান্ত হয়েছে দার্জিলিং ও মালদা জেলায়। এই দুই জেলায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছে যথাক্রমে ১১৯ ও ১০৮ জন। শতাধিক সংক্রমিত হয়েছেন নদিয়াতেও।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃ্ত্যুর হার

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২৪ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৭০৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৭ হাজার ১১১। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২৫ জন। আরও পড়ুনঃ চার হাজারের নীচে বাংলার করোনা সংক্রমণ সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৯২৮ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৯০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৬৬৪। একদিনে ৪২ হাজার ৫৫৩ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৪৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৭৮ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

চার হাজারের নীচে বাংলার করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৭ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ৭৭৯ জন। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৭ হাজার ১৭২। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৬০৪। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৭৬ শতাংশ। মঙ্গলবার ৪২ হাজার ১০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ আশা জাগিয়ে বাংলায় কমল করোনায় মৃত্যু্র হার কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগণায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭৫ জন। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে ১৩২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানে একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৩২ জন। প্রসঙ্গত , সংক্রমণ ও মৃত্যু্র নিরিখে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলা। তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে বাংলায় কমল করোনায় মৃত্যু্র হার

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪১২১ জন। এনিয়ে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হলেন মোট ৩,৫৩,৮২২ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ৩৭,১৯০ জন। তবে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৩,১০,০৮৬ জন। গত একদিন সুস্থ হয়েছেন ৩,৮৮৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের। আরও পড়ুনঃ বাড়ল সুস্থতার হার , উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণার সংক্রমণ এনিয়ে রাজ্যে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ৬,৫৪৬ জনের। বাংলায় মৃত্যুর হার কমে হয়েছে ১.৮৫ শতাংশ৷ এখনও পর্যন্ত রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৬ শতাংশ। গত একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হলেন ৮৯২ জন, মৃত্যু হল ১৪ জনের। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৭৬,৮০৮ জন, মৃত ২,১২৫ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

বাড়ল সুস্থতার হার , উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণার সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,১২৭ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩,৪৯,৭০১ জন। এদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩৭ হাজার ১৭ জন৷ রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩,৮৫৭ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৩,০৬,১৯৭ জন সুস্থ হয়েছেন। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৮৭.৫৬ শতাংশে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের। রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৬,৪৮৭ জন। আরও পড়ুনঃ উদ্বেগ বাড়িয়ে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,৫৩৪ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,৯৮,৩৩৯ জনের। নমুনা পরীক্ষার পর বর্তমানে কোরোনায় আক্রান্তের হার ৮.১৪ শতাংশ। এদিকে, কলকাতায় বেড়েই চলেছে করোনা রোগীর সংখ্যা। গত একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হলেন ৯১০ জন, মৃত্যু হল ১৪ জনের। উত্তর ২৪ পরগনায় গত একদিনে আক্রান্ত ৯১৫ জন। মৃত্যু হল ১৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৭৬ জন, হুগলিতে ২৫১ জন, হাওড়ায় ২১৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

উদ্বেগ বাড়িয়ে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা হয়েছেন ৪ হাজার ১৪৮ জন। এদিন বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫৭৪ জন। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৯ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এর ফলে রাজ্যে মোট মৃ্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৬ হাজার ৪২৭ জন। যদিও একদিনে করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৭৫৩ জন। ফলে সুস্থ হলেন মোট ৩ লক্ষ ২ হাজার ৩৪০ জন। সুস্থতার হার ৮৭.৪৯ শতাংশ। এদিন আরও ৪৪ হাজার ৭২৪ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে । এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৪২ লাখ ৫৫ হাজার ৮০১ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে । আরও পড়ুনঃ করোনা সংক্রমণের নিরিখে এগিয়ে কোন কোন জেলা ? অন্যদিকে , পুজো্র মধ্যে কলকাতার পরিস্থিতি ক্রমশ চিন্তা বাড়িয়ে চলেছে। একদিনে কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৫ জন৷ ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৫ হাজার ৬ জন৷ এই পর্যন্ত কলকাতায় মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৫ হাজার ৫০০ জন৷ শহরে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে ৭,৪০৯ জন৷ একদিনে বেড়েছে ২৩ জন৷ একদিনে উত্তর ২৪ পরগণায় আক্রান্ত ৮৯৬ জন৷ এই পর্যন্ত উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭০ হাজার ২৭ জন৷ অন্যদিকে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৬১ জন৷ তার ফলে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬১ হাজার ৩১২ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে ৭,২৫১ জন৷ এছাড়াও দার্জিলিংয়ে একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৭৫ জন। নদিয়াতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও হাওড়ায় একদিনে ২৪৪ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২৯ জন।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা সংক্রমণের নিরিখে এগিয়ে কোন কোন জেলা ?

কলকাতায় করোনা সং ক্রমণ কমার কোনও লক্ষণই নেই । বরং প্রতিদিন তা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত হয়েছে কলকাতায়। সেখানে ৮৯৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর সামান্য পিছনেই রয়েছ উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৬ জন। হাওড়ায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ২৭৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় একইদিনে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ২৪৪ জন। হুগলিতে সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে ১৯৭ জন। উত্তরে সর্বাধিক আক্রান্ত হয়েছে পর্যটকে ঠাসা দার্জিলিং-এ। সেখানে একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৮৯ জন। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদিয়া ও জলপাইগুড়িও। নদিয়ায় একইদিনে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ১৬১ জন। জলপাইগুড়িতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪২ জন। আরও পড়ুনঃ সমস্ত রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪১৫৭ অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৪,১৪৩ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৪২৬ জন। এছাড়াও একইদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৬৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩,৬৭৬ জন। বাংলায় মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৮৭ জন। সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৭.৪৫ শতাংশ।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

সমস্ত রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪১৫৭

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৫৭ জন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ২৮৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৬৪। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৮ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯১১ জন। আরও পড়ুনঃ সংক্রমণে রেকর্ড ভেঙে একইদিনে আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯ রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৩০৮। বৃহস্পতিবার ৪৪ হাজার ২৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

সংক্রমণে রেকর্ড ভেঙে একইদিনে আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ১২৬। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৫৭৯ জন। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৩০৩ জন। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে চার হাজারের গণ্ডি পেরল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৫ শতাংশ।গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬২৪৪। বুধবার ৪৩ হাজার ৫৯২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪১ লক্ষ ২২ হাজার ২৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে চার হাজারের গণ্ডি পেরল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

পুজোর চতুর্থীতেই চার হাজারের গণ্ডি পেরল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৯ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৭ জন। রাজ্যে দৈনিক মৃতের সংখ্যা যদিও সামান্য কমেছে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৮০ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৮৭.৪৩ শতাংশ। একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৩ হাজার ৭৬২ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪০ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৫১ জনের। তাঁদের মধ্যে ৮.০৭ শতাংশ ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

অক্টোবর ২১, ২০২০
স্বাস্থ্য

পুজোর আগে উদ্বেগ বাড়িয়ে একইদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংখ্যক করোনা আক্রান্ত

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ২৮। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৫৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬১১৯। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭২ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩২৫ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৮ শতাংশ।

অক্টোবর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৩,৯৮৩ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪০০০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৮৩ জন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে তিন লক্ষ ২০ হাজারের গণ্ডি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ২১, ০৩৬ জন। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জন সংক্রমিতের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৬, ০৫৬। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন রাজ্যের ৩,১১৩ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ২, ৮১, ০৫৩। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েেছে ৪৩, ৫২০ জনের। এখনও অবধি মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৯, ৯১, ২৭০ জনের।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা সংক্রমণে রেকর্ড , রাজ্যে একইদিনে আক্রান্ত ৩,৮৬৫

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৮৬৫ জন।এখনও পর্যন্ত এটাই সর্বাধিক দৈনিক সংক্রমণ। ফলে রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩ জন।পুজোর মুখে করোনা সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ নিঃসন্দেহে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫৯৯২। আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ হাজার ৭৭১ জন গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৬১ জন। বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগী ৩৩,১২১ জন। তবে সুস্থতাও বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২,৭৭ ,৯৪০ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩১৮৩। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৬৬ শতাংশ।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ হাজার ৭৭১ জন

শুক্রবার রাত পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৭৭১ জন। এই নিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ১৩ হাজার ১৮৮ জন। মৃ্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯৩১ জন। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাল্লাবোল মিছিল বিজেপি র গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের। তবে দৈনিক সুস্থতার হার গতকাল সামান্য কমলেও শুক্রবার সুস্থতার হার ছিল ৮৭.৭৩ শতাংশ। উৎসবের আগেই যদি এই পরিসংখ্যান তাহলে আগামী দুর্গাপুজোর পরে কী রূপ নিতে চলেছে সংক্রমণ, তা ভাবাচ্ছে রাজ্য প্রশাসনকে।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনায় মৃত্যু হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপারের

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপার প্রণীত দাসের(৫৮)। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসায় পরের দিনই তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা। সেদিনই তিনি মারা যান। কয়েক মাস আগে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার করোনায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দেন তিনি। এছাড়াও হাওড়া জেলা হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আবার সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতা তোয়াক্কা না করে তিনি কাজ করছিলেন হাসপাতালে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

বীরাঙ্গনা আশা কর্মীদের সংবর্ধনা

বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের বঙ্গজননী বাহিনীর তরফে সংবর্ধিত করা হলো আশা কর্মীদের। বীরাঙ্গনাদের সংবর্ধনা প্রদানের কর্মসূচি পালিত হলো কালনা ১ নং ব্লকের কৃষ্ণদেবপুরে। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সংবর্ধিত করেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ সদস্য আরতি হালদার। তিনি বলেন, যেভাবে এই বীরাঙ্গনারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েও করোনা আবহে নিজেদের কর্তব্যে অবিচল রয়েছেন তাতে তাঁদের সংবর্ধনা জানানো সঠিক ও মানবিক পদক্ষেপ। কেন্দ্র প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলেও আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানাভাবে আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের পাশে রয়েছেন। তাঁরাও মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা মতো প্রতিটি বাড়িতে একাধিকবার ঘুরে করোনা মো

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

কালনা হাসপাতালে রক্তের আকাল, সঙ্কটাপন্ন শিশুকে রক্তদান টিএমসিপি-র শহর সম্পাদকের

পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রক্তের আকাল। সবচেয়ে সমস্যায় পড়ছেন থ্যালাসেমিয়া রোগীরা। কালনা ২ নং ব্লকের হাঁসপুকুরের বাসিন্দা বছর ছয়েকের বর্ষা মালিক থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত। কালনা হাসপাতালে বি পজিটিভ গ্রুপের রক্ত না থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়ে বর্ষার পরিবার। শুরু হয় সহৃদয় কোনও রক্তদাতার খোঁজ। খবর যায় কালনা কলেজে। কালনা কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ঋতব্রত সুর জানিয়েছেন, খবর পেয়েই আমি যোগাযোগ করি কালনার বাসিন্দা তথা কালনা শহর টিএমসিপি সম্পাদক সেলিম শেখের সঙ্গে। সেলিম এর আগেও বহু মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদান করেছেন। সেলিম আর বর্ষার রক্তের গ্রুপ মেলায় আপাতত আমাদের ছোট্ট বোন সঙ্কট কাটাতে পেরেছে, এটাই তৃপ্তির। বিপদে ত্রাতা হয়ে এসে মেয়ের জীবন রক্ষা করায় সেলিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বর্ষার পরিবারও।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে নির্দেশ অনুসারে কোভিড টেস্ট করার পর আজ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে ১০ দিনের Self Isolation এ আছি। আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি, গত সাত দিনে আমার সাথে যারা সংস্পর্শে এসেছিলেন অনুগ্রহ করে আপনারা প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal