• ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

উৎসব

উৎসব

ভারাক্রান্ত মন, তবুও নিয়ম মেনে পুজো হচ্ছে মিরিটির প্রণব মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে

এবারের পুজোতে মন খারাপ মিরিটির। প্রতি বছর তাঁর চণ্ডীপাঠেই মুখর হয়ে উঠত বীরভূম কীর্ণাহারের পাশে মিরাটি গ্রামের মুখোপাধ্যায় বাড়ি। কিন্তু এবার সেই বাড়ি ভারাক্রান্ত। কারণ ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় আর নেই। চলতি বছর ৩১ অগস্ট দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর প্রয়াত হয়েছেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি হন বা বিদেশমন্ত্রী, প্রতি বছরই পুজোর সময় নিয়ম করে গ্রামে আসতেন প্রণববাবু। বছরের পর বছর নিজেই করে এসেছেন চণ্ডীপাঠ। একটা সময়ের পর পুরোটাই তাঁর মুখস্থ হয়ে যায়, এমনটাই জানিয়েছেন ওই পুজোর প্রধান পুরোহিত। নবপত্রিকা স্নানসহ বিভিন্ন রীতিনীতি নিজে হাতে পালন করতেন। সেই পুজোয় আজ তিনি নেই। এ বছর চণ্ডীপাঠ করবেন পুরোহিত। তবে অসৌচ চলছে বলে কোনও কিছুতেই অংশ নিতে পারবেন না প্রণবপুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ সামর্থ্য নাই থাকুক, ইচ্ছেটাই সব , এই ভাবনাকেই ফুটিয়ে তুলেছে হাতিবাগানের নবীন পল্লি অভিজিৎবাবু জানান, এই প্রথম কর্তাহীন, প্রণবহীন দুর্গাপুজো। আমি জন্মের পর থেকে কয়েকবার ছাড়া তাঁকেই এই পুজো করে আসতে দেখেছি। শুধু কয়েকবার সরকারি কাজের জেরে এবং ১৯৭৮ সালের বন্যায় তিনি আসতে পারেননি মিরিটিতে। সে বার ঘটপুজো হয়েছিল। তারপর থেকে আমরা কখনওই পুজো থেকে দূরে সরে থাকিনি। তবে প্রণববাবু না থাকলেও এবারও কোনও প্রথাই বাদ যাচ্ছে না বলে জানান ছেলে অভিজিৎ।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
উৎসব

সামর্থ্য নাই থাকুক, ইচ্ছেটাই সব , এই ভাবনাকেই ফুটিয়ে তুলেছে হাতিবাগানের নবীন পল্লি

সামর্থ্য নাই থাকুক, ইচ্ছেটাই সব, এই আপ্তবাক্যকে সম্বল করেই এবার পুজো করছে হাতিবাগানের নবীন পল্লি। শহরের নামজাদা পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম এই পুজো। হাতিবাগানের এই পুজোয় কয়েক হাজার দর্শক সমাগম হয়। কিন্তু চলতি বছর তাতে বাধ সেঁধেছে কলকাতা হাইকোর্টের রায়। কোভিড পরিস্থিতিতে তাদের বাজেটে কাটছাঁট হয়েছে অনেকটাই। তাই সামর্থ্য না থাকলেও ইচ্ছাকেই সম্বল করে কোমর বেঁধে চলছে পুজো প্রস্তুতি। চলতি বছর থিমভাবনা ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পী প্রশান্ত পাল। আরও পড়ুনঃ শক্তিক্ষয় নিম্নচাপের , দূর্যোগের মেঘ কেটে গিয়ে ফিরছে পুজোর আমেজ তিনি জানান, মণ্ডপটিতে কার্যত একটি পুজো প্রাঙ্গনের রূপ দেওয়া হয়েছে। পুজোর বিভিন্ন সামগ্রীই মণ্ডপসজ্জায় কাজে লাগানো হয়েছে। লালপাড় সাদা শাড়ি, শাঁখাপলা, কুলো, দ্বারঘট দিয়ে তৈরি ফুলঘটই মণ্ডপসজ্জার মূল আকর্ষণ। এছাড়া পটচিত্রকেও নানাভাবে মণ্ডপ সজ্জায় কাজে লাগানো হয়েছে। একচালার প্রতিমাকেই তারা এবার বেছে নিয়েছেন। দেবী প্রতিমার স্নিগ্ধ রূপ সকলকে মুগ্ধ করবে বলেই আশা পুজো উদ্যোক্তাদের।আলোকসজ্জায় রয়েছে বিশেষ চমক। কাগজের ঠোঙার উপর নানা আঁকিবুঁকি করে ভিতরে আলোর বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
উৎসব

শক্তিক্ষয় নিম্নচাপের , দূর্যোগের মেঘ কেটে গিয়ে ফিরছে পুজোর আমেজ

আবহাওয়া অফিস বলছে, যে নিম্নচাপটি নিয়ে পুজোয় বৃষ্টির ভয় ছিল তা স্থলভাগে এসে শক্তি হারাবে ফলে ভয়ের কোনও কারণ থাকছে না। জানা গিয়েছে , ওড়িশা উপকূল থেকে বাংলাদেশের দিকে নিম্নচাপটি সরে যাচ্ছে। কাজেই রাজ্যজুড়ে কমল দুর্যোগের আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে শুধুমাত্র রাজ্যের উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়া রাজ্যের অন্য কোথাও বৃষ্টির আশঙ্কা নেই। যদিও অন্য কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে না। সপ্তমীর পর থেকে ধীরে ধীরে কাটবে মেঘ। অষ্টমী থেকে ঝকঝকে দিনের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার সারাদিন কলকাতায় মেঘলা আকাশ থাকবে। আরও পড়ুনঃ সপ্তমীর সকাল থেকে শুরু বৃষ্টিপাত , পুজো পণ্ড হওয়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গত , গত কয়েক দিন ধরেই অন্ধ্র থেকে অভিমুখ ঘুরিয়ে ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছিল নিম্নচাপ। আবহাওয়া অফিস সঙ্কেত দেয়, শুক্রবারই তা অতিগভীর নিম্নচাপের চেহারা নিতে পারে। ফলে সোমবার থেকেই দুই চব্বিশ পরগণা, দুই মেদিনীপুরে অতিভারী বৃষ্টির আভাস জানানো হয়। একই সঙ্গে কলকাতাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল বলে জানানো হয়। উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে ফেরি বন্ধ রেখে, মৎস্যজীবীদের সতর্ক করে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল প্রশাসন।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
উৎসব

সপ্তমীর সকাল থেকে শুরু বৃষ্টিপাত , পুজো পণ্ড হওয়ার আশঙ্কা

সপ্তমীর সকালে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত। এদিন সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। যে ক জন হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে সকাল থেকেই ঠাকুর দেখতে বেড়িয়েছিলেন , এই বৃষ্টির জেরে তারাও ভীষণভাবে বাধার সম্মুখী্ন হলেন। শেষে কো্নও উপায় না পেয়ে ছাতা হাতেই মণ্ডপে হাজির হয়েছেন অনেকে। আরও পড়ুনঃ গভীর নিম্নচাপ , পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গত , মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে আগেই পুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। বলা হয়েছিল, ষষ্ঠী-সপ্তমী প্রবল বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ওই নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। পরে তা অভিমুখ পরিবর্তন করে। আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোতে থাকে। যত পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি আসে ততই গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে থাকে। এর জেরেই এদিন বৃষ্টির পাশাপাশি সমুদ্র উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
উৎসব

গভীর নিম্নচাপ , পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপ বাংলার দিকে। সব পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়। প্রসঙ্গত , শুক্রবার বিকেলে রাজ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নিম্নচাপের। ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের রায় ও বৃষ্টির জের , পুজোর ষষ্ঠীতে চেনা ভিড় উধাও এই মুহূর্তে কলকাতা থেকে ৩৫০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষি্ণ পূর্বে ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ৪৯০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষিণ পশ্চি্ম দিকে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রভাবে শুক্রবার কলকাতা সহ দক্ষি্ণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। তাই মুখ্যমন্ত্রী এদিন সকল পুজো কমিটিকে সতর্ক করলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
উৎসব

হাইকোর্টের রায় ও বৃষ্টির জের , পুজোর ষষ্ঠীতে চেনা ভিড় উধাও

রাস্তাঘাটের ষষ্ঠীর সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য উধাও। পুজো হচ্ছে , কিন্তু রাস্তায় লো্ক নেই। শুধু পাড়ায় নয়, শহর কলকাতার হেভিওয়েট পুজোগুলিতে উধাও চিরচেনা ভিড়। বোধনে কার্যত শুনশান মণ্ডপ। উধাও ভিড়। যে গুটিকয়েক মানুষ ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন, তাঁরাও নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কারণ, হাইকোর্টের রায় মেনে কাউকে পুজো মণ্ডপে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। দর্শকদের আটকাতে বসেছে পুলিশের ব্যারিকেড। ঝুলছে নো-এন্ট্রি বোর্ড। এ অবস্থায় প্রতিমা দর্শন তো দূরের কথা, মণ্ডপের ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছেন না। আরও পড়ুনঃ এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন মোদি সকাল তো বটেও, সন্ধে পর্যন্ত পরিচিত ভিড় দেখা যায়নি চেতলা অগ্রণী, সুরুচি সঙ্ঘ, বেহালা নতুন দল, নতুন সঙ্ঘ, এসবি পার্ক সর্বজনীনের মতো পুজো মণ্ডপে। অবশ্য করোনা পাশাপাশি মানুষকে এদিন ঘরবন্দি রেখেছে বৃষ্টি। নিম্নচাপের কারণে সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে অনেকেই মণ্ডপমুখী হয়নি। অবশ্য হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ভিড় এড়াতে বেশিরভাগ পুজো উদ্যোক্তারা বড় পর্দার ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়াও কোভিড বিধি মেনে স্যানিটাইজেশন টানেল বসেছে বেশি কিছু পুজো মণ্ডপে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
উৎসব

এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন মোদি

হাওড়ার ইছাপুরের এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের ১৬তম বর্ষের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার মহাষষ্ঠীর সকালে এই পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর এই ভার্চুয়াল মাধ্যমে উদ্বোধন অনুষ্ঠান পুজো উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে সরাসরি দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন পুজো মন্ডপের বাইরে এবং ইছাপুর শিয়ালডাঙা চৌরাস্তা মোড়ে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে উদ্বোধনের সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তবে বৃষ্টির কারণে পুজো প্রাঙ্গনে সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনে দর্শকদের বসার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন ক্লাব প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু , বিজেপি নেতা মনোজ পান্ডে, জেলা সদর বিজেপির সভাপতি সুরজিৎ সাহা, সাধারণ সম্পাদক নবকুমার দে সহ দলের জেলার কর্মকর্তারা। এছাড়াও ৯৭২৭২৯৪২৯৪ এই নম্বরে মিসড কলের মাধ্যমে এর সরাসরি সম্প্রচার ঘরে বসেই সকলের জন্য দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন সকলকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুনঃ কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ এদিনের অনুষ্ঠান শেষে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, আজকে প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী বাঙালীর প্রধান উৎসবের সাথে যুক্ত হয়েছেন, এটা আপামর বাঙালির পক্ষে গর্বের বিষয়। তিনি আরো বলেন, মা দূর্গার হাতে অস্ত্র থাকবে না তা ঠিক নয়। তিনি অস্ত্রহীন দুর্গা ও মহরমের কারণে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন বন্ধ রাখা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেন। এর সাথে আগামী নির্বাচন বা রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানান তিনি। এদিনের অনুষ্ঠান দেখতে বহু মানুষ জড়ো হন। মানুষের মধ্যে বিপুল আগ্রহ দেখা যায়।

অক্টোবর ২২, ২০২০
উৎসব

কবিগুরুর "দুঃসময়" কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ

কলকাতার মেগাপুজোগুলোর অন্যতম চেতলা অগ্রণী। এই পুজো মন্ত্রী ববি হাকিমের পুজো হিসেবে বেশি পরিচিত। প্রত্যেক বছরই লক্ষ লক্ষ মানুষের পদার্পণ হয় এই মণ্ডপে। এবার পরিস্থিতিটা একটু অন্যরকম। হাইকোর্টের নির্দেশে মণ্ডপের ভিতরে দর্শকদের প্রবেশাধিকার নেই। তাই এখানকার পুজো কমিটির সঙ্গে যু্ক্ত সকলেরই মন খারাপ। প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান করেছেন। চক্ষুদান করার পর, ১৯ তারিখ থেকেই খুলে দেওয়া হয় এই মণ্ডপ। আরও পড়ুনঃ ভারতচক্রের পুজোয় এবার মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি গত বছর তাদের থিম ছিল কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। আঠাশতম বর্ষেও তাঁদের মণ্ডপভাবনায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা। কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে এবারের মণ্ডপ। অতিমারী ও ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত বঙ্গে এই কবিতাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করছেন শিল্পী। বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিরাট একটা পাখি। মহাশূন্যে ডানা মেলে উড়ছে সে। প্রদীপ হাতে অভয় দিচ্ছেন ভয়ঙ্করী চামুণ্ডারূপিণী মা দুর্গা। কঠিন সময় কাটিয়ে আশার প্রতীক ওই বিরাট ডানামেলা পাখিটি, যাকে উদ্দেশ্য করে ধ্বনিত হয় লক্ষ মানুষের মানুষের বেঁচে থাকার আর্তি ---এখনই অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।

অক্টোবর ২২, ২০২০
উৎসব

ভারতচক্রের পুজোয় এবার মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি

গত কয়েক বছর ধরে কলকাতার পুজোয় থিমের রমরমা বেড়েছে। এবার করোনা পরিস্থিতিতে পুজো অন্যরকম হতে চলেছে। দমদম পার্ক ভারতচক্রের কথাই ধরা যাক। ২০ বছরে পা দেওয়া এই পুজোর থিমে প্রতিবছরই থাকে চমক। উত্তরের যে পুজোগুলোয় প্রতি বছর ভিড় হয় , তার মধ্যে দমদম পার্ক ভারতচক্র অন্যতম। তাদের এবারের থিমে উঠে এসেছে মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি। থিমের নাম দেওয়া হয়েছে, দুখ জাগানিয়া। মণ্ডপ ভাবনায় উঠে এসেছে, কীভাবে সাত মাস ধরে থমকে থাকা শহর আলোর স্পর্শ পেয়ে আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠেছে। এই আশার আলোই রয়েছে মায়ের আগমণী বার্তায়। আরও পড়ুনঃ বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের সবারই আশা, মায়ের ত্রিশুলের আঘাতে খণ্ডবিখণ্ড হয়ে এবার মিলিয়ে যাবে করোনাসুর। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে জীবন। এই পুজোর থিম ভাবনা শিল্পী অনির্বাণ দাসের। দমদমের ভারতচক্রের এবারের প্রতিমা নির্মাণ করছেন শিল্পী সৌমেন পাল। আলোয় রয়েছেন প্রেমেন্দু বিকাশ চাকী, আবহ সঙ্গীতে সংবর্ত জানা গানওয়ালা। উদ্যোক্তারা জানালেন, করোনার কথা মাথায় রেখে সুরক্ষার বিষয়ে কোনওরকম আপস করবেন না তাঁরা। মানুষ যাতে সমস্ত সতর্কতা মেনে তবেই ঠাকুর দেখতে বেরোন, সেই অনুরোধও করেছেন তাঁরা।

অক্টোবর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার স্টেট এডেড কলেজ টিচার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (SACTWA)-এর যৌথ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রেডক্রশ সভাগৃহে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় স্টেট এডেড কলেজ টিচারদের (SACT) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা, দীর্ঘদিনের বেতন-বৈষম্য এবং হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিই ছিল সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য পীযূষ দাস মহাপাত্র, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননীগোপাল দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বনাথ দাস ও সুজাতা গোস্বামী, কোষাধ্যক্ষ সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ দুই জেলার বিভিন্ন কলেজের স্যাক্ট (SACT) শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ী।সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ চক্রবর্তী বলেন, বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলিতে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের তুলনায় স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি। অথচ একইভাবে পাঠদান, পরীক্ষা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং কলেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামলালেও তাঁদের বেতনে রয়েছে ব্যাপক বৈষম্য। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে সমকাজে সমবেতন-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। তাঁর কথায়, সামান্য বেতন বৃদ্ধি করে সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সুযোগ পেলে এই বিষয়টি সরকারের নজরে আনব।সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্তমানে ১২ হাজারেরও বেশি স্টেট এডেড কলেজ টিচার কর্মরত, যা পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। বহু কলেজে বিভিন্ন বিভাগের মূল দায়িত্বও স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকেরাই বহন করছেন। তবুও গত ছয় বছর ধরে এই শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, আমরা হরিয়ানা মডেলের সুবিধা চাই। সেখানে যেভাবে স্টেট এডেড শিক্ষকদের আর্থিক ও পরিষেবা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেই মডেল কার্যকর করা হোক। নতুন সরকারের কাছে আমাদের এটাই প্রধান দাবি।সম্মেলনে দুই জেলার বিভিন্ন কলেজে স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যা, তাঁদের কর্মদায়িত্ব এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁদের অবদানের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়। সংগঠনের দাবি, উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠলেও SACT শিক্ষকরা এখনও বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত।সম্মেলন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, সমকাজে সমবেতন, চাকরির মর্যাদা এবং হরিয়ানা মডেলে পরিষেবা সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন ও দাবি অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

দিলজিৎকে নিশানা করে বিস্ফোরক আক্রমণ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু তুমুল বিতর্ক

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়। এরই মধ্যে পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গায়ক রবিন্দর সিং, যিনি কাকা নামেই পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপক কাকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইনিও একজন শিল্পী। এই মন্তব্যকে অনেকেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ বলেই মনে করছেন।কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়েছিলেন দিলজিৎ। সেখানে তাঁকে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যন্তর মন্তর প্রতিবাদের জায়গা কি না, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি আরও বলেন, তিনি একজন শিল্পী, কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চান।দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীর সব সমস্যা একসঙ্গে কখনও মিটবে না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন, তাঁদের সম্পর্কেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু জানেন না।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মানুষের বিনোদন করাই তাঁর কাজ। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পরপর লজ্জার হারের পর বড় ধাক্কা! গম্ভীরের শিবিরে ভাঙন, দল ছাড়ছেন ঘনিষ্ঠ দুই সহকারী?

পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এবং শেষ সাত ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে হার। টানা ব্যর্থতার পর ভারতীয় ক্রিকেটে চাপ বাড়ছে। এবার সেই প্রভাব পড়তে পারে দলের কোচিং স্টাফেও। সূত্রের খবর, প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের বেছে নেওয়া দুই সহকারী কোচ জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে একজনের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে কথা হয়েছে। অন্যজনও নতুন দায়িত্বের খোঁজ করছেন বলে জানা গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গৌতম গম্ভীরের কোচিং স্টাফের একজন খুব শিগগিরই জাতীয় দল ছেড়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে যোগ দিতে পারেন। আর এক সহকারীর ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। বর্তমানে গম্ভীরের কোচিং দলে রয়েছেন রায়ান টেন দুশখাতে, মর্নি মর্কেল, সীতাংশু কোটাক এবং টি দিলীপ। তবে তাঁদের মধ্যে ঠিক কে দল ছাড়বেন, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।ভারতীয় দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ বোর্ড। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক দুই সিরিজে হারের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। শুধু ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নয়, কোচিং স্টাফের কাজও পর্যালোচনা করা হবে। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।যদিও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি রয়েছে দুই হাজার সাতাশ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই তাঁর পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে সাম্প্রতিক ফলাফলের পরে তাঁর কোচিং দল নিয়ে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বোর্ডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর ভারতীয় ক্রিকেট মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কা! ‘ধর্মতলা চলো’ উধাও, হঠাৎ কেন ‘কলকাতা চলো’ পোস্টার কালীঘাট তৃণমূলের?

একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। অন্যদিকে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কৌশল নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। বহু বছরের পরিচিত ধর্মতলা চলো স্লোগানের বদলে এবার প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা চলো পোস্টার।প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মতলা চলো পোস্টার দেখা যেত। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্মতলা এলাকায় বিধিনিষেধ জারি থাকায় সেখানে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। সেই কারণেই স্থান উল্লেখ না করে নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে কালীঘাট শিবির। পোস্টারে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং কলকাতা চলো বার্তা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি বড় সমাবেশের অনুমতি না মেলে, তা হলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। সেই সভাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন।অন্যদিকে শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। জানা গিয়েছে, কর্মসূচির আগে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনও করবেন তাঁরা।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দুই পক্ষই প্রথমে ধর্মতলায় সমাবেশ করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে বিকল্প জায়গার আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবং শেষ পর্যন্ত গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুমতি পান। এখন কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় রায়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! ‘আসল তৃণমূল’ কার, আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল চাপ

তৃণমূলের আসল সংগঠন কোনটি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক চলছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর আদালতের একটি রায়কে সামনে এনে বড় দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিই আইনগতভাবে স্বীকৃত তৃণমূলের সংগঠন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়েছে। একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কোন সংগঠনকে অনুসরণ করা হবে, সেই প্রশ্নেই কয়েকজন কর্মী আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আদালত সেই কমিটিকেই আইনগতভাবে স্বীকৃত বলে উল্লেখ করেছে। তাঁর দাবি, এই কমিটির বাইরে অন্য কোনও সংগঠন নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে তা আইনসম্মত নয়।ঋতব্রত আরও জানান, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

মধ্যরাতে তাজ হোটেলে বোমা! দাউদের নাম উচ্চারণ করতেই তোলপাড়, তারপর যা জানা গেল...

মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক তাজ হোটেলকে ঘিরে রবিবার গভীর রাতে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক। পুলিশের কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। ফোনে দাবি করা হয়, দাউদ ইব্রাহিমের লোকজন তাজ হোটেলে বোমা রেখে গিয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হোটেলে পৌঁছে যায় পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকেরা। গোটা হোটেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনও সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় সাড়ে বারোটার সময় এই ফোনটি আসে। ফোন পাওয়ার পর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হোটেলের প্রতিটি অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু উদ্ধার না হওয়ায় স্বস্তি ফেরে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি একটি ভুয়ো ফোন ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের তুরভে এলাকা থেকে ফোনটি করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই নম্বরটি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তকে খুঁজতে ওই এলাকায় বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।উল্লেখ্য, তাজ হোটেল ২০০৮ সালের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। সেই ঘটনার পর থেকে হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। তাই নতুন করে বোমা আতঙ্কের খবর ছড়াতেই পুলিশ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত তল্লাশি অভিযান চালায়। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জুলাই ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal