• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বিনোদুনিয়া

বিনোদুনিয়া

কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠানে গানে গানে আসর মাতালেন সুমন চক্রবর্তী

মোটা টাকার আর্কিটেক্ট এর চাকরি ছেড়ে নিজের পছন্দের গানের সমুদ্রে তরী ভাসানো সহজ কাজ নয়। সুমন চক্রবর্তী সেই কাজটা করে দেখিয়েছেন। অনেকেই নিছক পাগলামো বলে এড়িয়ে গিয়েছিল, কেউ বলেছিল এসব রোমান্টিসিজমের সময় এখন নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়েছিল ট্রোলিং, সুমন কিন্তু হার মানেনি। অল্প কিছু বন্ধু আর শুভাকাঙ্ক্ষীর উৎসাহ আর নিজের সাহসে ভর করে সুমন তার সুরের তরী ভাসিয়েছিল। গানের রেওয়াজ ছিল, ছিল তালিম, দরকার ছিল শুধু ঝাঁপ দেওয়ার। সুমন সেটাই করেছে। আজ ইন্টারনেটে তার বাংলা গান অসম্ভব জনপ্রিয়। ২০২০ সালে এই প্রেস ক্লাবেই মুক্তি পেয়েছিল ওর গানের অ্যালবাম আবিরের সকাল। হারিয়ে যাওয়া বাংলার স্বর্ণযুগের সুর, গায়কী ফিরিয়ে দিয়েছিল সুমন। অসম্ভব প্রশংসিত হয় আবিরের সকাল। এর পরে গান মেলায় পারফর্ম, সাড়া ফেলে দেওয়া। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতায় আরও সমৃদ্ধ হল সুমন। কলকাতা প্রেস ক্লাবের বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সুমনকে সন্মানিত করে, তার গান সবার সামনে তুলে ধরার দুর্দান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সলিল চৌধুরী থেকে সুধীন দাশগুপ্ত, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে মুকুল দত্ত, আর ডি বর্মন, কিশোর কুমার, অনায়াস নস্টালজিয়ায় শ্রোতাদের পৌঁছে দিল সুমন। উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই অবাক হয়েছেন সুমনের গান শুনে। একঝলক বসন্তের বাতাসের মত সুমন স্বর্ণযুগের সুবাস ফিরিয়ে দিল যেন।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্কটজনক ঐন্দ্রিলা শর্মা, ভেন্টিলেশনে মরণ-বাঁচন লড়াই অভিনেত্রীর

এর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। মন শক্ত করে লড়াই করে আটকে দিয়েছেন ক্যান্সারকে। ফিরেছেন অভিনয়ে। মঙ্গলবার রাতে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ঐন্দ্রিলা শর্মা। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এই মুহূর্তে। জানা গিয়েছে, হঠাৎই স্ট্রোক করে মাথায় রক্ত জমাট বেধে গিয়েছে অভিনেত্রীর। তাঁকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেটরে। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বলে খবর।ভোলে বাবা পার করেগা-তে অনির্বাণ চক্রবর্তীর মেয়ের চরিত্রে দেখা অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল জীবনযুদ্ধে লড়াকু অভিনেত্রীকে। ভাগাড় সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ক্যান্সারের সময় লড়াইতেও পাশে ছিলেন তাঁর প্রেমিক সব্যসাচী চক্রবর্তী। এখনও তিনি পাশেই আছেন। জানা গিয়েছে, স্ট্রোকের ফলে শরীরের একদিক অসার হয়ে পড়েছে। ৪৮ ঘন্টা না গেলে কিছু বলতে পারছেন না চিকিৎসকরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শুটিঙের ফাঁকে নিয়ম ভেঙে কলকাতার কি কি খাবার চেখে দেখলেন বলি নায়িকা অনুষ্কা?

মুম্বাইয়ানা হিন্দি ছবির বর্তমান প্রজন্মের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম অনুষ্কা শর্মা। তর্কাতীত ভাবেই বলিউডি নায়িকাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই আলোকিত করে থাকেন তিনি। ছায়াছবির জগতে নায়ক-নায়িকাদের শরীর সচেতনতা অনেকটা আরব্য রজনীর গল্পের মত। কেউ ২০ বছর ভাত খাননি তো কেউ আবার তেল মশালা বিহীন খাবার খেয়ে ৩০ বছর বেঁচে আছেন। বয়সকে একটা টাইম ফ্রেমর মধ্যে ধরে আখাটায় চ্যালেঞ্জ।এঁরা কেউই ডায়েটিশিয়ানের কথার অবাধ্য হননা। অনুষ্কা-ও যে শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবেন তা বলা বাহুল্য। বিরাট ঘরনি বিগত বছর ধরেই ঝুলন গোস্বামী বায়োপিক চাকদা এক্সপ্রেস নির্মানের বেশ কয়েকবার কোলকাতায় আসা যাওয়া করছেন। এর আগেও তিনি কোলকাতার সিগনেচার খাবার খেয়েছেন, অনুষ্কা আগেও জানিয়েছেন কলকাতায় এলে লোভনীয় বাঙালি খাবার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন না একেবারেই। সেই প্রমান এবারো দিলেন। শুধু খেলেনই না সামাজিক মাধ্যমে তার আনন্দটাও ভাগ করে নিলেন পর্দার ঝুলন।ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামীর বায়োপিকের শুটিঙে কোলকাতা এসেছিলেন ১৭ অক্টোবর। রুপালি পর্দায় ঝুলন গোস্বামীকে ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রচন্ড পরিশ্রম করছেন এই বলিউডি লাস্যময়ী নায়িকা। ১৮ অক্টোবর তাঁকে ভারতীয় জার্সী পড়ে ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেনে চাকদা এক্সপ্রেসর শুটিঙে দেখা যায়। ছবির শুটিংয়ের চাপের মধ্যেও কলকাতার খাবারের আনন্দ উপভোগ করতে ভুল করেননি। তিনি সে আনন্দ যে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, তার ঝলক-ই ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরেছেন পর্দার ঝুলন। সিটি অফ জয়ে এসে তিনি কী কী খেয়েছেন, তারই এক ঝলক ভক্তদের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন রব নে বানা দি জোড়ি নায়িকা।অনুষ্কা খাবের তালিকায় ছিল উত্তর কলকাতার বিখ্যাত পুঁটিরামের কচুরি, গিরীশ দের মালাই রোল, প্যারামাউন্টের চার রকমের সরবত, মিঠাইয়ের বেকড রসগোল্লা, হরিশ মুখার্জীর গুরুদুয়ারার পাশে বলবন্ত সিংহের কেশর চা সাথে গরম শিঙাড়া, ধর্মতলার আলিয়ার ফিরনি।শুটিংয়ের মাঝে কলকাতার বহুল পরিচিত দোকানগুলির সুস্বাদু খাবারের স্বাদ যে তিনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, সেই কথাই অনুষ্কা জানিয়েছেন। চিত্র বিনোদন জগতের প্রতিটি শিল্পী-ই ঘড়ির কাঁটা ধরে বিধিনিষেধ মেনে খাওয়াদাওয়া করেন। নিয়মমাফিক শরীরচর্চা। কিন্তু কলকাতায় এসে নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যে সমস্ত লোভনীয় খাবার চেখে দেখেছেন টা সত্যি অবাক হওয়ার মত। এর সাথে তিনি ধর্মীয় পীঠস্থান বেলুড় মঠ ও কালীঘাট মন্দিরের নামও তাঁর পস্টে উল্লেখ করেছেন। অনুষ্কা কথা পড়ে নেটিজেনেদের ধারনা শুটিংয়ের মাঝে ওই দুই জায়গাতেও হয়ত ঘুরে এসেছেন তিনি।কলকাতার লোভনীয় খাবারের তালিকা লিখে ইনস্টাগ্রামে যে পোস্ট অনুষ্কা করেছেন অনুষ্কা, তাতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার শুটিং পর্ব আপাতত শেষ হয়েছে। এখন ছবির মুক্তির অপেক্ষায় আপামর বাঙালি সহ সিনেমা প্রেমী ভারতবাসী।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দশমীতে বাপের বাড়িতে সিঁদুর খেলায় মাতলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী

বিজয়া দশমীতে বর্ধমানের বাড়িতে দেবী দুর্গাকে বরণ করলেন চলচিত্র অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। দশমীর দুপুরে কলকাতা থেকে স্বামী বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও ছেলে ইউহানকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে বাজেপ্রতাপপুরে বাবার বাড়িতে আসেন অভিনেত্রী। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে দেখা যায় আত্মীয়দের সঙ্গে সেলফি তুলতে। ঢাকের কাঠি হাতে নিয়ে ঢাক বাজানোর চেষ্টাও করেন বিধায়ক। শুভশ্রী গাঙ্গুলীর দেবী দুর্গাকে বরণ করার গোটা দৃশ্য মোবাইল বন্দী করেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী। পরিবারের সদস্যদের সাথে এদিন সিঁদুর খেলেন অভিনেত্রী। সিঁদুর খেলতে দেখা যায় স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গেও। অতঃপর দেবীর বিদায় বেলায় পরিবারের সদস্যদের সাথে একসাথে নাচতে দেখা যায় টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে অভিনেতা নীল ও পরিচালক সৌম্যজিত

সমাজে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের পাশে এবার এনজিও ক্যালকাটা সোশ্যাল প্রজেক্ট। ৫০ বছরের পূর্তিতে ক্রাফট সেন্টার ডিপার্টমেন্ট থেকে আয়োজিত করা হয় এক অনুষ্ঠান, যার নাম শিল্প নৈপুণ্যর গল্প। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা মাননীয়া বর্ষা মুখার্জী জানান ঊনিশ ছিয়াত্তর সালের জানুয়ারি মাসে কয়েকজন দু:স্থ মহিলাদের নিয়ে শুরু হয় এই সংস্থা। উদয় অস্ত অন্ন সংস্থানের জন্য পরিশ্রম করতে করতে তারা জানতেই পারেনি, তাদের মধ্যে লুকিয়ে আছে এক শিল্পী মন। জানতেই পারেনি সূচীশিল্পের নির্মান প্রতিভার অধিকারী তারা। তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তোলাই এই সংস্থার প্রধান প্রচেষ্ঠা। বছরে বছরে তারা যখন তাদের হাতের কাজের নানাবিধ সম্ভার সাজিয়ে তোলে এবং তা যখন বহু প্রশংসিত হয়, তখন তাদের আত্মবিশ্বাস তাদের প্রেরনা যোগায়। তাদের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়। নানা বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে তারা নিশ্চয়ই এগিয়ে যাবে নতুনতর পথে-জীবনের মূল লক্ষ্যে। পাল্টাতে থাকবে তাদের শিল্প নৈপুন্যের গল্প।এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা নীল ভট্টাচার্য ও পরিচালক সৌম্যজিত আদক। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে তারা খুব খুশী।এছাড়াও সমাজের নানা সমাজকল্যান মূলক কাজ করে চলেছেন এনজিও ক্যালকাটা সোশ্যাল প্রজেক্ট। এই অনুষ্ঠানে অভিনেতা নীল ভট্টাচার্য বলেন এই সমস্ত সমাজকল্যান মূলক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজে পিছিয়ে পড়া নাড়ীদের অনুপ্রেরণা জাগানো একমাত্র কাজ মনে করেন ক্যালকাটা সোশাল প্রজেক্ট।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পুজো মানে আড্ডা, খাওয়া, আর অষ্টমীতে অঞ্জলী অবশ্যই : সুচরিতা বিশ্বাস

শ্যুটিং এ ব্যস্ত সারাদিন। মিউজিক ভিডিও থেকে মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুচরিতা বিশ্বাস। বেশকিছু ব্রান্ডের শ্যুটে নাম কেড়েছেন তিনি। শ্যুটিং এর ব্যস্ত শিডিউলে কি প্ল্যান এই বছরের পুজো? সরাসরি আমাদের সাথে খোলা আড্ডায় এই পুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন অভিনেত্রী, মডেল সুচরিতা বিশ্বাস।১) ব্যস্ত শিডিউল, শ্যুটিং এর পাশাপাশি এই পুজোতে কি প্ল্যান তোমার?উত্তর : পুজো তে সত্যি বলতে কোনো প্ল্যান নেই। তবে ঘুরতে বেরোনো, আড্ডা দেওয়া তো থাকবেই। ২) পুজোতে কলকাতা থাকতে ভালোবাসো? নাকি অন্য কোথাও ছুটি কাটানো?উত্তর : পুজো মানেই কলকাতা। কলকাতা ছেড়ে পুজোর সময় অন্য কোথাও থাকার মানেই হয়না।৩) এই বছরের পুজো প্ল্যান কি?উত্তর : এবার পুজোতে প্রচুর খাওয়াদাওয়া হবে, নতুন পোষাক পরে অঞ্জলী দেবো পরিবারের সাথে। ঠাকুর দেখবো।৪) আষ্টমি তে কি ড্রেশ করবে? আষ্টমীর প্ল্যান কি?উত্তর : অষ্টমী তে সাবেকি সাজে বন্ধু দের সাথে বেরোনোর প্ল্যান আছে। ৫) শ্যুটিং এর মাঝে শপিং কি সব কমপ্লিট?উত্তর : শুটিং এর মাঝে শপিং তো করতেই হবে তাই অনলাইনে ভরসা। কারণ শপিংমলে গিয়ে কেনা সম্ভব না। তবে এখনও কেনাকাটি কমপ্লিট হয়নি, কিছুটা বাকি আছে।৬) এবার পুজোর তোমার ফ্যাশন প্ল্যান কি?উত্তর : সব রকমেরই ট্রেন্ডি ড্রেস পরবো এবার পুজোতে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী ওডিশি'র দুই প্রবাদ প্রতীম মানুষকে জ্ঞান মঞ্চে শ্রদ্ধাঞ্জলি

জ্ঞান মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল শ্রদ্ধাঞ্জলি২২। গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র ও শ্রীমতি সংযুক্তা পানিগ্রহীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনে তিন দিনব্যাপী উৎসবের আয়োজন ও পরিচালনা করে কলকাতার ওড়িশি ডান্সার্স ফোরাম। প্রতি বছরের মতো এই বছরেও বহু নৃত্য সংস্থা এই উৎসবে অংশ নেন। প্রথম দিনের উপস্থাপনায় গুরু পৌষালী মুখার্জির গ্রূপের গতিভেদ পল্লবী, রাজনীতা মেহেরা ও গ্রূপের নাগেন্দ্রহারায়, পিয়ালী ঘোষ ও গ্রূপের শুদ্ধ ধৈবৎ বিভাষ, শিবঙ্গ-এর দেখো গো, কৃষ্ণেন্দু রায় ও গ্রূপের শ্রিতকমলা, পম্পি পাল ও গ্ৰুপের আরভী পল্লবী বিশেষভাবে নজর কাড়ে।ফোরামের কর্মকর্তারা বলেন ওডিসি নৃত্য ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবং সমস্ত ওডিসি নৃত্যশিল্পীকে একই ছাতার নীচে আনাই হবে আমাদের গুরুজির প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাই তাঁদের এই প্রয়াসে কোন অংশগ্রহণ মূল্য ছিলনা।শ্রদ্ধাঞ্জলীর দ্বিতীয় সন্ধ্যায় কাকলি বোস ও তার গ্রূপের দেশ পল্লবীর প্রাঞ্জল উপস্থাপনা ছিল উৎসব দিবসের যথাযথ শুভারম্ভ। এরপর অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় ও গ্রূপের অনন্ত এবং সুবিকাশ মুখার্জী ও গ্রূপের লহরীর ভাবনা ও মঞ্চায়ন ছিল অত্যন্ত সুন্দর। দ্বিতীয় সন্ধ্যার বিশেষ আকর্ষন ছিল যুগলবন্দী। এই ভাবনায় পৃৃথক প্রদেশের পৃথক নৃত্য আঙ্গিকের অপরূপ মেলবন্ধন উচ্চ প্রশংসার দাবি রাখে। ভিন্ন আঙ্গিকের খ্যাতনামা নৃত্য গুরুরা শুনিপুন রূপে নৃত্য নির্মান করেন। প্রথমেই ছিলেন ওড়িশি নৃত্য আঙ্গিকের শ্রী রাজীব ভট্টাচার্য ও কত্থক নৃত্য আঙ্গিকের শ্রীমতি পারমিতা মৈত্র তাঁদের শিষ্যরা। কিরোয়ানী রাগে আধারিত ওড়িশি কত্থকের যুগলবন্দী নৃত্যাঞ্জলীর মধ্য দিয়ে গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র ও বিরজু মহারাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ওড়িশি ভারতনাট্যমের এক বলিষ্ঠ যুগলবন্দী দেবী উপস্থাপনায় ছিলেন সায়মিতা দাশগুপ্ত ও সম্রাট দত্ত। এরপর অর্পিতা ভেঙ্কটেশ ও তার গ্রূপের নিবেদন মঞ্চকে নানান প্রদেশের রঙে রাঙিয়ে তোলে। একত্রে ওড়িশি, মনিপুরী, ভারতনাট্যাম, কত্থকের মেলবন্ধনে নাগেন্দ্র হারায় উৎসবকে করে তোলে আনন্দ মুখর। এদিন সন্ধ্যের সর্বশেষ উপস্থাপনা ছিল ইয়াহি মাধব। দেখা মেলে ওড়িশি মনিপুরী যুগলবন্দীর, ওড়িশি আঙ্গিকে রাধার ভূমিকায় শ্রীমতি সুস্মিতা ভট্টাচার্য ও মনিপুরী আঙ্গিকে কৃষ্ণের ভূমিকায় সুদীপ ঘোষের অভিনয় ইতিতে মন্ত্রমুগ্ধ করে তোলে।শ্রদ্ধাঞ্জলির তৃতীয় দিনে ছিলেন জগতখ্যাত অতিথি শিল্পীরা। ওড়িশি নৃত্যশিল্পী শ্রীমতি সুজাতা মহাপাত্র পরিবেশন করেন রাম স্তুতি ও অর্দ্ধনারীশ্বর, গুরু রতিকান্ত মহাপাত্র নিবেদন করেন জটায়ু মোক্ষ। এরপর ভারতনাট্যম নৃত্যশিল্পী শ্রীমতি রমা বৈদ্যনাথন মীরা ভজন ও সত্রিয় শিল্পী অনিতা শর্মা কৃষ্ণ বন্দনা মঞ্চায়িত হয়। সর্বশেষ উপস্থাপনায় ছিল কত্থক নৃত্য সংস্থা প্রেরণা।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'টোয়াইন টেলস'-এর নতুন সম্ভার

দুর্গাপুজো আসতে আর বেশিদিন বাকি নেই। এবারের দুর্গাপুজো উপলক্ষে টোয়াইন টেলস তাদের নতুন সম্ভার নিয়ে এল। দক্ষিণ কলকাতার হিন্দুস্তান পার্কের কাছে অবস্থিত টোয়াইন টেলস-এ একদিনে যেমন সাবেকিয়ানার ছোঁয়া রয়েছে তেমনি অন্যদিকে অভিনবত্বের ছাপ ও আছে। এর কর্ণধার সনহিতা দে মৌলিক জানিয়েছেন, সারা ভারতে যে সকল উৎসব হয় তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হল দুর্গাপুজো। বাঙালির কাছে দুর্গাপুজো মানে আলাদা আবেগ। দুর্গাপুজো উদযাপন উপলক্ষে আমাদের ষষ্ঠী থেকে দশমী বিভিন্ন কালেকশন রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাঙালির শরৎ-এ জেগে আছেন সুপ্রীতি

স্বনামধন্যা সঙ্গীত শিল্পী সুপ্রীতি ঘোষের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গ্যালারি গোল্ডে এক সঙ্গীতসন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্তা এবং শকুন্তলা বড়ুয়া প্রমুখ। জন্ম- ১৯২২-র ২৮ আগস্ট। নিজের জ্যাঠামশাই ছিলেন বেতারের বড়বাবু। তাঁর হাত ধরেই পা রাখা গার্স্টিন প্লেসে। বাড়িতে ছিল কত-ই না লোকের আনাগোনা, চলত গানের মহরা। পঙ্কজ মল্লিক থেকে হেমন্ত সেই আড্ডায় অংশ নিতেন সকলেই। স্বাধীন ভারতের দেবীপক্ষের ভোরে আকাশবাণী থেকে প্রথম প্রচারিত হল সুপ্রীতি ঘোষের প্রথম গান। রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী প্রথম সবার নজরে আসেন তিনি। মহিষাসুরমর্দিনী-এর বাজল তোমার আলোর বেনু-- বাঙালির মনে তিনি চির অমর হয়ে রয়েছেন।ঐ অনুষ্ঠানে সুপ্রীতি ঘোষ ছাড়াও ছিলেন পঙ্কজকুমার মল্লিক, জগন্ময় মিত্র ও হেমন্ত মুখোপাধ্যাইয়ের মত বিশিষ্ট শিল্পীরা। কিংবন্তী এই শিল্পী রবীন্দ্রসঙ্গীত এর পাশাপাশি বিভিন্ন ছায়াছবিতেও তার সঙ্গীত শিল্পের ছাপ রেখে গেছেন। তিনি মোট ৩০০ এর বেশি গান গেয়েছেন।

আগস্ট ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বর্ধমানে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ

শিশু কিশোর আকাদেমি ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য সংসস্কৃতি দপ্তরের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী জেলাভিত্তিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ হল ২৭ আগস্ট। প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করলেন ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার। দুদিনব্যাপী আবৃত্তি, রবীন্দ্রগীত, নজরুগীত,রাগপ্রধান গান এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতিযোগিতা চলবে। জেলা তথ্য ও সংসস্কৃতি দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বর্ধমান-কাটোয়া ট্রেনে গান গেয়ে ভাইরান হন গায়ক মিলন কুমার, সেই মিলন কুমারকে সরকারি মঞ্চে প্রধান অতিথি করে নিয়ে এসে সম্বর্ধনা দেওয়া খুবই তাৎপর্যপুর্ণ। মিলন নিজেও সে কথা জানান। তিনি মানুষের প্রতিনিধি মানুষের জন্য গান গেয়ে যেতে চান বলে জানান ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সুলগ্না চৌধুরীর 'ডার্ক ট্রাভার্স'

আজকের বিশ্ব এক নতুন ধরনের হুমকি দেখছে - অজানা থেকে হুমকি। এগুলি হল ডিজিটাল হুমকি, যা ভেক্টর থেকে উদ্ভূত হয় যেগুলিকে আগে ঘনিষ্ঠভাবে সুরক্ষিত বলে মনে করা হয়েছিল এবং মিনিটের মধ্যে গতি এবং পরিশীলিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।কোভিড বিশ্বকে অভূতপূর্বভাবে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিদের জন্য শিল্পগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল এবং যখন তারা পুনরায় বাঁধার চেষ্টা করেছিল, বেঁচে থাকার এবং ফলস্বরূপ উন্নতি করার চেষ্টা করেছিল, প্রযুক্তি সম্পূর্ণ নতুন অর্থ গ্রহণ করেছিল।গত এক দশক ধরে, বিশ্ব এমনভাবে সরঞ্জাম এবং প্রযুক্তির অগ্রগতি দেখেছে যে মানুষের জীবন আরও নিরবচ্ছিন্ন, মেশিনগুলিকে আরও স্মার্ট হওয়ার জন্য ধন্যবাদ৷ তাই, সবকিছু এবং প্রত্যেকে নতুন স্বাভাবিকের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সাথে সাথে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ইত্যাদি শব্দগুলি কীভাবে মানুষের জীবনকে স্পর্শ করছে তার একটি সম্পূর্ণ নতুন সংজ্ঞা এনেছে শিল্প থেকে বাড়ি পর্যন্ত।কলকাতা প্রেস ক্লাবে যে পুস্তক প্রকাশিত হয়ে গেল সেই গ্রন্থটির নাম ডার্ক ট্রাভার্স। এই বইটি প্রকাশিত হয় নোশনপ্রেস থেকে এবং লিখেছেন বিশিষ্ঠ লেখিকা সুলগ্না চৌধুরী। লেখিকা বেঙ্গালুরু নিবাসী এবং বহুদিন ধরে সাইবার ক্রাইম ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। এই বইটি বিশেষ করে মহিলাদের নিত্য নতুন সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু সাবধানতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এদিন বুক লঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ও প্রাক্তন নারকোটিক অফিসার অমিত চ্যাটার্জি , সাংবাদিক স্বর্ণালী মিতা সরকার, আরজে নিলম ও প্রভৃতি বিখ্যাত মানুষজন। লেখিকার আশা এই যে সমগ্র দেশে এই পুস্তকটির প্রয়োজনীয়তা ও প্রাপ্য সম্মান লাভ করবে।

আগস্ট ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একটা আলাদা Vibe আছে কিশোর কুমারের

আমরা সকলে প্রথমে সমাজের অংশ, তারপর আমাদের জীবিকাগত পরিচয় গুলো বহনকারী মানুষ। আর সমাজের দিক থেকে দেখলে আমি আমার ছেলেবেলায় যা দেখেছি সেই থেকে বলতে পারি কিশোর কুমারে আমাদের সমাজে অবদান আলীম। ৯০ই এর দশকে দেখেছি প্রচুর সংসার চলত কিশোর কুমারের গান গেয়ে। শিল্পী হিসেবে উনি আমার কেন আমাদের সকলেরই ভীষণ প্রিয়। আমরা যারা Performer বা নিছক গান ভালোবাসি শিল্পীদের concern, television show, performance প্রায়ই শুনে থাকি। পুরোনো শিল্পীদের মধ্যে live show video যা যা available থাকে, তার মধ্যে আমি কিশোর কুমারের ভিডিও দেখি প্রায়ই। আমি ঠিক ভাষায় প্রকাশ করতে পারছিনা হয়ত অনুভূতিটা। একটা আলাদা vibe আছে কিশোর কুমারের performance এ। ঠিক যেন উনি যা ব্যাক্ত করতে চান,শ্রোতা খুব সহজ সরলভাবে ওটা absorb করে নেয়। যেমন zindagi ek safar hai suhana হাজার মন খারাপ কে হারিয়ে দেয় সহজে। নয়ন শরসি এক ছাপা কান্না আবেগকে উষ্কে দিয়ে যায়। আমার বাবা এক সময় youth choir এ ছিলেন। বাবার কাছে শুনেছি উনি মিষ্টি দই পছন্দ করতেন। তা প্রায়ই নেওয়া হতো কলকাতা থেকে। বাবা ও তার কিছু সাথীর সৌভাগ্য হয়েছিল একবার আমাদের এলাকার এক দোকান থেকে দই নেওয়ার। তবে আজ বলতে চাই সেই কিশোর কুমারের কথা যিনি অসংখ্য পরিবারের কাছে পেয়েছেন ঈশ্বরের আসন।খুব অল্প বয়স থেকে শিশু শিল্পী হিসেবে আমার স্তেজের সাথে মিতালী। তাই নানা শিল্পীর সাথে ব্র্যাক স্তেজে আলাপ। এমন কিশোর কন্ঠির সাথেও আলাপ হয়েছে যিনি মঞ্চে ওঠার আগে কিশোর কুমারের ছবিতে প্রণাম করেন। কিশোর কুমারের শিল্পী নন উনি phenomenon...

আগস্ট ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবং নন্দনে শ্রীলেখা, এবার সদর্পে নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হবেন

অবশেষে নন্দনে শ্রীলেখা, তাও আবার নিজের প্রযোজিত ছবি নিয়ে। বারবার তিনি নন্দন-র নন্দনদের দাপাদাপি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিছুদিন আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলচ্চিত্র উৎসবকে রাজনীতির প্রেক্ষাপট বানানো নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবের সময় তাঁর ছবির পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও এক আজানা কারণে।কলকাতা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই আড়ালে মেনে নিয়েছিলেন, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা যা কিনা কলকাতার ওপর আধারিত সেই ছবিটি উৎসবে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল। শ্রীলেখা অপমানিত বোধ করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেছেন, যে অভিনেত্রী ভেনিসে, নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা যায় আসে কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক মনে করেন, হ্যাঁ আসে। তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়। শ্রীলেখা এ ব্যাপারে অনেকবারই দুঃখপ্রকাশ করেছেন।কিছুদিনের মধ্যে ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে। সেখানে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, বিদ্যা বালন, আলিয়া ভাট ও শেফালি শাহদের সঙ্গে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরষ্কারের কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি। কে বিজয়ী হবেন সে সমন্ধে এখনও কোনও খবর প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বলিউডের নামজাদা নায়িকাদের সঙ্গে মনোনীত হওয়া অবশ্যই কৃতিত্বের, একথা শ্রীলেখার চরমতম সমলোচক-ও স্বীকার করবেন।সেই সাফল্যের রেশ টেনে নন্দনের ফ্লোরে পা দেবেন শ্রীলেখা। যে নন্দন তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ব্রাত্য রেখেছে, সেই নন্দনে তাঁর নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শ্রীলেখা। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার নন্দনে তাঁর প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ প্রদর্শিত হবে। ইতিমধ্যে ছবিটি সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালের জুরি মেম্বাররা ছবিটি দেখানোর জন্য নন্দনকেই বেছে নিয়েছেন। যার পরিণাম শ্রীলেখাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নন্দন প্রেক্ষাগৃহ-৩ এ ছবিটি স্ক্রিনিং হবে।এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করছেন। শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে এই ছবিগুলির জন্য ফাইন্যান্সার খোঁজার কথা জানিয়েছেন। এখনও সেই ভাবে কাউকে পাননি, তা নিয়েও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।শ্রীলেখার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, আগামিকাল ৪ আগস্ট তিনি নন্দনে যাবেন। সসম্মানে! নিজের ছবি দেখবেন। জুরিরা তাঁর ছবি এবং ছাদ দেখবেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে সদর্প ঘোষণায় এটুকু আন্দাজ করাই যায় তিনি যথেষ্ট উত্তেজিত কালকের নন্দন অভিযানে। যেখানে তিনি কারুর আনুগ্যতে নয় যোগ্যতায় হাজির থাকবেন বলে মনে করেন শ্রীলেখা। বন্যেরা বনে সুন্দর-শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে আর চলচিত্র শিল্পীরা নন্দনে। আশা করাই যায় কালকের অপেক্ষায় আজকের রজনী বিনিদ্র যাপন করবেন শ্রীলেখা।

আগস্ট ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বড়পর্দায় কামব্যাক রঞ্জিত মল্লিকের

নেহাল দত্তের পরিচালনায় অপরাজেয় ছবির মাধ্যমে কামব্যাক করছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। এছাড়া রয়েছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, সুমিত গাঙ্গুলি, মৃণাল মুখোপাধ্যায়, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, সায়ন ব্যানার্জি, ওরিন, গোপাল তালুকদার প্রমুখ। শ্রীমতী সুমনা কাঞ্জিলাল কর্ণধার - মোজোটেল এন্টারটেনমেন্টস এবং দিব্যা ফিল্মস এর উপস্থাপনায় এই অপরাজেয়।অপরাজেয় তে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ও মৃণাল মুখোপাধ্যায়এই গল্পটা একজন সত্যবাদী নিষ্টাবান উকিল শুভঙ্কর স্যানাল এর জীবন নিয়ে! যে কোনদিন মিথ্যা বা অসৎ কোন কাজ কে মেনে নেননি! কিন্তু জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এলোমেলো হয়ে যায় তাঁর জীবন! এক কেসে তাঁর মক্কেল টাকার জন্য অনৈতিক ভাবে কেস তুলে নেয়, এই কষ্টে অবসর নেন শুভঙ্কর! অবসর জীবনে তাঁর স্ত্রী তাঁদের একমাত্র পুত্র এবং পুত্রবধু ও নাতির প্রতিক্ষায় এক সময়ে নিজেকে শেষ করে দেন! ভেঙ্গে পড়েন শুভঙ্কর বাবু! কিন্ত আবার তাঁকে জাগিয়ে তোলে পাশের বাড়ির এক বৃদ্ধের ওপর বাড়ি বিক্রির ষড়যন্ত্র জড়িত এক সন্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আবারও গর্জে উঠলেন সেই হারানো শুভঙ্কর সান্যাল।

জুলাই ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)...কাদের নাম করলেন শ্রীলেখা?

এই মহুর্তে এসএসসি দুর্নীতি মামলার ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী ও বর্তমান রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এসএসকেএম হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্সেস-এর আইসিসিইউতে চিকিৎসা চলছে। ইন্টেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটের ১৮ নম্বর কেবিনে তিনি ভর্তি আছেন। তাঁকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। আপাতত মন্ত্রীকে কার্ডিওলজি বিভাগের স্পেসাল কেবিনে ভর্তি করে চিকিৎসা হচ্ছে বলে জানা যায়। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাঁর চিকিৎসার জন্য।শনিবার সকাল তখন ১০টা নাগাদ মন্ত্রীর বাসভবন নাকতলাথেকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। । জোকা ইএসআই, সল্টলেক সিজিও কম্পলেক্স ভায়া ব্যাঙ্কশাল কোর্ট তাঁকে সাড়ে সাতটা নাগাদ আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে করে পার্থকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। বিগত ২৬-২৬ ঘণ্টা র জেরা ইতি হয়ে মন্ত্রী গ্রেপ্তার হতেই সামাজিক মাধ্যম ভরে যায় যা নানা সমলোচলনা ও মিমে। বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস তো আছেই। শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলের বিশিষ্ট জনেদের মন্তব্য।জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ইডির টুইট করা ছবি দেখে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন যা দেখছি, কেউ নায়ক ছবির remake করলে স্বপ্নদৃশ্যের জন্যে টাকার পাহাড়ের অভাব হবে না এই বাংলায় !!! তিনি আরেকটা পস্টে লিখেছেন এবার ভুঁড়িটা কমাতেই হবে। ফ্রেঞ্চ কাট বা ঘনিষ্ঠ রূপসী - বা থিম পুজো - নৈব নৈব চ। ইঙ্গিত স্পষ্ট, সাধরণ মানুষের বুঝে উঠতে খুব একটা ক্ষত করতে হয় না।বাংলা চলচিত্র অভিনেতাদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী শ্রীলেখা। চলমান জগতে কোনও গুরুত্বপূর্ন বা স্পর্শকাতর বিষয়-ই তাঁর নজর এড়িয়ে যায় না। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধার মাত্র দুই বান্ধবীর নাম সামনে এসেছে তাতেই ইতিমধ্যে ২১কোটি ২০ লক্ষ টাকা সাথে ৭৯ লক্ষ গহনার হদিস পেয়েছে ইডি। এছাড়াও বীরভুমে ও কোলকাতায় একধিক বাংলো ও ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে ইডি সুত্রে খবর। এবার সামাজিক মাধ্যমে বোমা ফাটালেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)। বলবো নাকি নাম গুলো?। শ্রীলেখা কি কিছু ইঙ্গিত দিলেন?অভিজ্ঞ মহলের ধারনা ইডি কোনও আধিকারিক যদি শ্রীলেখার সামাজিক মাধ্যম ফলো করে থাকেন অবশ্যই এই প্রশ্ন তাঁরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে রাখবেন। এবং তদন্ত করে শ্রীলেখার বক্তব্য থেকে তাঁরা সারমর্ম খুঁজে বার করার চেষ্টা করবেন-ই। তাৎপর্যপূর্ন ভাবে শুক্রবার সাত সকালে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি-র তদন্তকারী দল পৌঁছানোর পরপরই মন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখার্জি নাম সামনে আসে, তারপরই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীর শান্তিনিকেতন (বীরভূম) যোগ নিয়ে সরব হন। আজ সারাদিন সমস্ত সার্চ লাইট বোলপুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এসে যায়। রবীন্দ্র-নজরুল মিলে মিশে একাকার।শ্রীলেখাকে আক্ষেপের সুরে বলতে দেখা যায় সেই সমস্ত (অদৃশ্য) বন্ধুদের কাছে কত কোটি দিয়েছে কে জানে। পরক্ষনেই তিনি এক অজানা কারনে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন। তাঁর ধারনা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে শত্রু বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর আশঙ্কা এসব পাবলিক করলে হয়ত সুপারি কিলার-ও পিছনে লাগাতে পারে।এই মন্তব্যের পর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ফ্যান ফলোয়াররা চেপে ধরতে থাকেন নাম প্রকাশ করার জন্য, কেউ কেউ লেখেন নেশন ওন্টাস টু নো। কিন্তু অভিনেত্রী বরাবরের মতোই বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন এই বিতর্কে থেকে। এমনকি জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়,রূপা ভট্টাচার্যের মত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী দের জোরাজুরিতেও তিনি রা কারেননি। মুখ খুলেও মুখ লোকালেন শ্রীলেখা...... ভয়ে না আশঙ্কায়! নেশন ওন্টাস টু নো

জুলাই ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলবন্দি সরকারি আধিকারিকের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার অপরাধে মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার চিত্র পরিচালক

জেলে বন্দী সরকারি অফিসারের (IAS) সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছবি শেয়ার করায় মঙ্গলবার মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে চলচ্চিত্র নির্মাতা অবিনাশ দাসকে গ্রেফতার করেছে আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ।আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ সুত্রে খবর, অবিনাশ দাস গ্রেফতার হওয়া ঝাড়খণ্ড ক্যাডারের আইএএস অফিসার পূজা সিংঘলর সাথে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি ছবি তাঁর সামাজিক মাধ্যম টুইটারে শেয়ার করেছিলেন এবং সেখানে ক্যাপশন দিয়েছিলেন যে, অফিসারের গ্রেপ্তারের আগে ছবিটি তোলা হয়েছিল।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) অর্থ পাচারের অভিযোগে আইএএস অফিসার পূজা সিংঘলকে গ্রেপ্তার করেছিল। ইডি অফিসারদের সিংঘলের বাড়ি থেকে নগদ বাজেয়াপ্ত করার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।চলচ্চিত্র নির্মাতা অবিনাশ দাসঅবিনাশ দাস, মুম্বাইয়ে এক ব্যস্ততম চিত্র পরিচালক। তিনি আনারকলি অফ আরা মত জনপ্রিয় ছবির পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও রাত বাকি, সি, রানওয়ে লুগাই ছবি গুলির পরিচালনা করেছেন।এফআইআর অনুসারে, দাস মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং শাহের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ৮ মে, ২০২২-এ অমিত শাহের একটি পাঁচ বছর আগের ছবি শেয়ার করেছিলেন। অবিনাশ দাসের বিরুদ্ধে আইপিসি ৪৬৯ ধারা (জালিয়াতি), আইটি আইনের ৬৭ ধারা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইন, ১৯৭১-এর ধারাগুলির অধীনে মামলা করা হয়। দাসকে আগামীকাল আহমেদাবাদ মেট্রো কোর্টে পেশ করা হবে।

জুলাই ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং থেকে অভিনয়ে পা অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই

মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় নাম উপাসনা ঘরুই। বিভিন্ন ব্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। বেশ জনপ্রিয়তার শিখরে উপাসনা ঘরুই। কলকাতা শহর ও মুম্বই শহরে দেখা গিয়েছে তাকে নানান শ্যুটিং এ।তবে এবার তার মডেলিং থেকে অভিনয় জীবনে পা। খুব তাড়াতাড়ি তার নতুন ছবির শ্যুটিং শুরু হবে। কলকাতা শহরে হবে নতুন ছবির শ্যুটিং। তবে ছবির গল্প নিয়ে উপাসনা এখনই সেরকম কিছু জানাতে চান না।এর আগে মিউজিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে উপাসনা ঘরুই কে। তবে অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই জানান, এই মুহূর্তে আমি সিনেমা করতে চাই। ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই।

জুলাই ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পঞ্চম বর্ষে গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন

যাদবপুর গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন স্কুল এবার পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল। স্কুলের কচিকাঁচাদের উপস্থিতিতে কেক কেটে এই ৫ বছর উদযাপন করা হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রিন্সিপাল মৌসুমী ভৌমিক, সহ প্রিন্সিপাল কল্লোল নস্কর, প্রেসিডেন্ট সুরঞ্জিত দাস, সায়ন্তন সেন প্রমুখ। বিশেষ দিনে স্কুলে উপস্থিত হন অভিনেত্রী সুমা দে, শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলের প্রিন্সিপাল কানু দাস, সেক্রেটারি সোমনাথ চক্রবর্তী। গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণে বিশেষ নজর দেয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করে গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে স্কুলের অনেক নতুন ভাবনাও রয়েছে জানিয়েছেন মৌসুমী ভৌমিক। আগামীর জন্য গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশনের জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

জুলাই ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রিন্সটন -এ "ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া"

বৃষ্টির ফোঁটা এবং সুস্বাদু আম খাদ্যরসিকদের জন্য একটি স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে। প্রিন্সটন ক্লাব, প্রিমিয়াম নিউ এজ সোশ্যাল ক্লাব ফলের রাজা এই আম উৎসবের মাধ্যমে সবাইকে মুগ্ধ করবে। ক্রিস্টেনড ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া, উৎসবটি ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই পর্যন্ত রসালো আমের রেসিপি সহ একটি অনন্য গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতা দিতে প্রস্তুত। আগত সদস্য এবং অতিথিরা লাঞ্চ এবং ডিনারে সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে আসতে পারেন। প্রতিটি আমের টুকরোতে পরিপূর্ণ মহাদেশীয় ও এশীয় খাবারের উদ্ভাবনী মিশ্রণ রয়েছে, যা এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ।এই আমের মেনুতে থাকছে স্মোকি ম্যাঙ্গো, ম্যাঙ্গো সালসা সহ চিজ নাচোসের মতো মেক্সিকান অ্যাপেটাইজার। টেপেনেড রুটির সাথে ঠান্ডা আমের পুদিনা স্যুপ, যা ক্ষিদে বাড়াতে জুড়ি মেলা ভাড়। সুস্বাদু আম চেখে দেখার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত গ্রীষ্মকালীন পানীয়! তাজা আমের টুকরো, আমের পিউরি, পুদিনা, সবুজ মরিচ, তামাকের সস এবং রসুনের সাথে পুদিনা এবং চুনের সাথে মিশ্রিত একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু ঠান্ডা স্যুপ।মেইন কোর্স শুরু ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস উইথ ম্যাঙ্গো ভেজ টেরিয়াকি নামের একটি জাপানি খাবার দিয়ে। এই মিষ্টি জাপানি আমের স্টিকি রাইস দিয়ে আপনার ডিনার পার্টির মেনুকে আরো আনন্দে ভরিয়ে তুলতে পারেন। জনপ্রিয় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে টাটকা আমের টুকরো টুকরো করা আঠালো চালের উপরে একটি নারকেল ট্যাপিওকা সস এবং তিলের বীজ এবং সবচেয়ে ভাল অংশ এটি তৈরি করতে শুধুমাত্র কয়েকটি উপাদান প্রয়োজন। গ্রীষ্মমন্ডলীয় চিংড়ি সেভিচে তাদের জন্য রয়েছে একটি নিখুঁত হালকা রাতের খাবার। সবচেয়ে ভাল অংশ হল কোন রান্নার প্রয়োজন নেই। এটি গ্লুটেন-মুক্ত। এই প্রাণবন্ত খাবারটি গ্রীষ্মের রাতের জন্য উপযুক্ত, যখন আপনি বাড়িতে খাবার গরম করতে বা তার জোগাড় করতে পারবেন না কিন্তু তারপরও খুব সুস্বাদু কিছু একটা চাইছেন! এরপর নিজেই তৈরি করে ফেলুন আর পরিবেশন করুন চিপস দিয়ে। এখানেই শেষ নয়। চকলেট গুড়ো এবং আমের ছোট টুকরোর সাথে পরিবেষণ করুন ইতালীয় মিষ্টি। ম্যাংগো ক্রেস্পেল উইথ চকলেট ডাস্ট অ্যান্ড ম্যাংগ রিডাকশন। আমের কাসুন্দি এবং মিষ্টি আলুর চিপস সহ বাঙালির প্রিয় চিকেন কাটলেট স্বাদের মুকুলকেও মুগ্ধ করবে। সালাদ ছাড়া এই ডিস যে অসম্পূর্ণ। ইন্দোনেশিয়ান লেবু কাফির লাইম এবং স্টোন-গ্রাউন্ড সরিষার স্বাদ সহ কাঁচা আমের সালাদ এর স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। এই স্বাস্থ্যকর এবং হৃদয়গ্রাহী সালাদ আপনাকে তাত্ক্ষণিকভাবে উতসাহিত করতে পারে। ভুট্টা, বসন্ত পেঁয়াজ, বেল মরিচ, চেরি টমেটো এবং ভেষজ কাঁচা আমের টুকরো দিয়ে একসাথে একটু নাড়িয়ে চাড়িয়ে নিন। তাহলে তৈরি মিড-ডে মিলের জন্য একটি কুড়কুড়ে ও সতেজ সালাদ। গ্যাস্ট্রোনমিক যাত্রার সমাপ্তি হবে আকর্ষণীয় - ম্যাঙ্গো সিড পুডিং এবং কাটা আমের ফিরনি দিয়ে, পাঁচ হাজার বছরের উত্তরাধিকার সহ ভারতে আম-ই হল সমস্ত ফলের রাজা। রোমান্টিক বর্ষা ঋতুর ব্যবধানের সাথে জ্বলন্ত গ্রীষ্ম হল সেই ঋতু যখন আমরা বিভিন্ন উপায়ে আমের স্বাদ গ্রহণ করি।প্রিন্সটন ক্লাব সব খাবারে সঙ্গে আমের রকমারি খাবার চালু করেছে। ক্লাবের শেফ অভিজিৎ চক্রবর্তী প্রধান উপাদান হিসেবে আমের মহাদেশীয়, প্যান এশিয়ান খাবারের একটি মেডলে উদ্ভাবন করেছেন৷ প্রিন্সটন ক্লাবের ম্যানেজার (অপারেশন)- সঞ্জয় কর্মকার বলেন, আমরা নিশ্চিত যে এই আমের প্রতি ভোজন রসিকরা আমের সুস্বাদু খাবার পছন্দ করবে। ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই প্রিন্সটন ক্লাবে মধ্যাহ্নভোজ এবং রাতের খাবার-এর জন্য চলবে।

জুলাই ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ সম্মানে সম্মানিত আইএনআইএফডি সল্টলেক

প্ল্যাটিনাম সেন্টার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করল সল্টলেকের আইএনআইএফডি। উপস্থিত ছিলেন আইএনআইএফডি গ্লোবালের সিইও অনীক খোসলা সহ আরও বিশিষ্টরা। এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন টলিউড অভিনেতা বিক্রম চ্যাটার্জি ও অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। গত ২৫ বছর ধরে সফলভাবে ফ্যাশন ও ইন্টিরিয়র ডিজাইনে নজর কেড়েছে আইএনআইএফডি সল্টলেক। অ্যাওয়ার্ড পেয়ে সংস্থার সকলেই উচ্ছ্বসিত। এক সাক্ষাৎকারে ম্যানেজার অর্ণব রায় জানিয়েছেন, ভারতের প্ল্যাটিনাম সেন্টার অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত। আইএনাইএফডি সল্টলেকের পরিশ্রমের ফসল হল এই অ্যাওয়ার্ড। ফ্যাশন ও ইন্টিরিয়র ডিজাইনে আগামী দিনে নতুন প্রতিভা তুলে আনার ভাবনা রয়েছে আমাদের।

জুলাই ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • ...
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal