• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

হাতরাসে যেতে বাধা, উত্তরপ্রদেশে ঢুকতেই আটক রাহুল

হাতরাসে মৃতা তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কিন্তু যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের কাছে তাদের গাড়ি আটকে দেয় যোগী রাজ্যের পুলিশ। এরপর তাঁদের হেনস্থা করা হয়। আক্রান্ত হয় তাঁদের সঙ্গে যাওয়া কং কর্মীরা। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের উদ্দেশে রওনা দেন রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা। অভিযোগ গাড়ি থেকে নামতেই রাহুলকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় পুলিশ। এমনকী তাঁকে লাঠিপেটা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এরপরই রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোনকে আটক করে অতিথিশালায় নিয়ে যাওয়া হয়।একাধিক বিরোধী দলের নেতা দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন। বৃহস্পতিবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন তথা কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। হাথরাস পৌঁছনোর আগেই রাহুল-প্রিয়াঙ্কার পথ আটকায় উত্তরপ্রদেশ পুলিস। গ্রেটার নয়ডায় তাঁদের কনভয় ঢুকতেই পথ আটকায় পুলিশ। গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে যান রাহুল গান্ধী।জানতে চান , কেন তাকে আটকানো হচ্ছে। পুলিশ জানায় , সেখানে ১৪৪ ধারজারি রয়েছে। কেউ যেতে পারবেন না। এরপর পুলিশের সঙ্গে তাঁরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, এরপরেই রাহুল গান্ধীকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। রাহুলকে পুলিশ লাঠিপেটা করে বলেও অভিযোগ ওঠে। এরপরই পুলিশ রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করে। করোনার জেরে এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোন রয়েছে, সেই কারণেই বাইরের কাউকে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া যাচ্ছে না। কংগ্রেস নেতাদের আটকাতে এমনই যুক্তি সাজিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

​ফের যোগীরাজ্যে ধর্ষণ, বুলান্দশহরে নির্যাতিতা ১৪ বছরের নাবালিকা

উত্তরপ্রদেশ: হাথরাসে গনধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের যোগীরাজ্যে ঘটল ধর্ষণের ঘটনা। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বুলান্দশহরে বছর ১৪ বয়সী এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছে তাঁরই প্রতিবেশী। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার। আপাতত চিকিৎসার জন্য সে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কিশোরীর পরিবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে অভিযুক্ত আপাতত পলাতক। এদিকে আবার ৩০ তারিখেই উত্তরপ্রদেশে আরও এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। জানা যাচ্ছে, আজমগড়ের এক ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও পলাতক অভিযুক্ত। পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। তবে হাথরাসকাণ্ডের পর দেশজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছে সাধারণ মানুষ। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগ দাবি করেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তিতিবিরক্ত হয়ে উঠছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমুন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কার্যকলাপ দেখে। সেই কারণে গতকালই হাথরাস কাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যার জেরে কার্যত চাপে পড়ে এই ঘটনায় তদন্তের জন্য গতকালই স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট গঠন করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই সঙ্গে এই মামলার শুনানি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে হবে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, তিন সদস্যের এই স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিমকে বলা হয়েছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে। কোনওভাবেই যাতে দোষীরা রেয়াত না পায় সেদিকে লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পাক সেনার, শহীদ এক জওয়ান

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ফলে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে। বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা এলোপাথারি গুলি চালায় সীমান্তে এমনটাই জানিয়েছেন সেনাকর্তারা।পাক সেনার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। জম্মুর প্রতিরক্ষা পিআরও, লেঃ কর্নেল দেবেনদার আনন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল রাতে কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ল্যান্স নায়েক কর্ণাইল সিং প্রাণ হারিয়েছেন। সেনা সূত্রে আরও জানানো হয়েছে আরও এক জওয়ান রাইফেলম্যান বীরেন্দ্র সিং আহত হয়েছেন। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে এবং গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজৌরির সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হোয়াইট নাইট কর্পসের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সমস্ত পর্যায়ের মৃত সৈনিকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় মানকোট সেক্টরের পুঞ্চে পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন শুরু করেছিল। ১৯৯৯ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পরেও চলতি বছরের শুরু থেকেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আসছে। চলতি বছরে এলওসি-তে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনায় মোট ২৪ জন মানুষ মারা গিয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।মর্টার শেল ছোঁড়ার ফলে কাশ্মীর সীমান্তের মানুষদের জীবন, জীবিকা ও কৃষি কার্যক্রম বিপন্ন। প্রতি মুহূর্তে তাঁরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ১৫০০ বারের বেশী।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

মুকুল রায়ের হাতে বাংলার দায়িত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

নয়াদিল্লি: রাজ্য বিজেপির একটাই লক্ষ্য বাংলার শাসনভার নিজেদের হাতে নেওয়া। সেই নিয়ে একাধিকবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বাংলার শীর্ষ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের আলোচনা ও বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার ডাকে দিল্লিতেই রয়েছেছেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষেরা। আজকের বৈঠকে দিলীপ ঘোষের হাতে নয় বরং মুকুল রায়ের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে নির্বাচনের আগে বঙ্গ সামলানোর দায়িত্ব। প্রসঙ্গত বিজেপি পার্টির নিয়মে রয়েছে জাতীয় সহ সভাপতি এবং জাতীয় সম্পাদকদের এক একটি রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে কে কোন দায়িত্ব পাবে তা ঠিক করে দেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি। তবে এতদিন মুকুল রায় বাংলার প্রতিনিধি ছিলেন তাই হিসেব মতো তাঁর হাতে রাজ্যের ভার না যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই কথা যাতে না ওঠে সেই কারণে আগেই তিনি দিল্লির ভোটার ও দিল্লি থেকে বিজেপির সদস্যও হয়ে গিয়েছেন। বলা বাহুল্য যে হয়ত বাংলা সামলানোর দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আগেই মুকুল রায়কে বিজেপি জাতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে বাধা দূর করতে। তাই এখন যদি বাংলার দায়িত্ব মুকুল রায়কে দেওয়া হয় সেই নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবেন না।এটা বলার আর অপেক্ষা রাখে না যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর নয় বরং বাংলা জয়ের জন্য মুকুল রায়ের উপর আস্থা রাখছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। এক সময় তৃণমূলের দাপুটে নেতা ছিলেন মুকুল রায়। সেই কারণে বাংলার খুঁটিনাটি তাঁর থেকে ভালো করে জানা বিজেপির অন্যান্য সদস্যদের পক্ষে সম্ভব নয় সেটা খুব ভালো করেই জানে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কারণে দিলীপ ঘোষ বা অন্যান্য বিজেপি নেতাদের থেকে ভোট যুদ্ধে জিততে মুকুল রায়ের হাতেই বৃহস্পতিবার বাংলার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। বঙ্গে ২০২১-এর নির্বাচনী যুদ্ধে জিতেতে বিজেপি চাইছে বাংলায় সমগ্র নেতৃত্ব দিক মুকুল রায়।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

প্রয়াত যশবন্ত

প্রয়াত বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তথা বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার সদস্য যশবন্ত সিং। রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির সেনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮২। বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত ২৫ জুন থেকে এই হাসপাতালে ছিলেন। এদিন সকালে প্রয়াত হন। যশবন্তের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, "প্রথমে একজন সেনা ও পরে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেশসেবা করেছেন। অটলবিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় সামলেছেন অর্থ, বিদেশ ও প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্ব।" যশবন্তের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৩৮ সালের ৩ জানুয়ারি রাজস্থানের জসোল গ্রামে জন্ম যশবন্ত সিংয়ের। পঞ্চাশ দশকের শেষ দিকে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। মেজর পদেও কর্মরত ছিলেন। আশির দশকে যোগ দেন রাজনীতিতে। ১৯৯৬ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। ২০০২ সালে ফের বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্ব পান। ১৯৯৮ সাল থেকে দীর্ঘ ৪ বছর দায়িত্ব সামলান বিদেশ মন্ত্রকেরও। ২০০০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০১-এর অক্টোবর অবধি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। প্রাক্তন সতীর্থর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রাজ্যসভা ছাড়াও চারবারের লোকসভা সাংসদ ছিলেন যশবন্ত। ২০০৯ সালে দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে লোকসভায় যান তিনি। তবে ২০১৪ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেন। রাজস্থানের বারমেড় থেকে নির্দল সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। ওই বছরেই বাথরুমে পড়ে যান যশবন্ত। মাথায় গুরুতর চোট পান। ভর্তি করা হয় দিল্লির সেনা হাসপাতালে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে নেমেছে শোকের ছায়া। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে টুইটে পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে জঙ্গি মদতে চিনের হাত

লাদাখের পর এবার জম্মু-কাশ্মীরের দিকে হাত বাড়াল চিন। নয়াদিল্লিকে বিপাকে ফেলতে উপত্যকায় বহুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। আর এ ব্যাপারে ইসলামাবাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে চিন, গোয়েন্দা সূত্রে এমনই খবর। সম্প্রতি ভূস্বর্গে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র মজুত করেছে সেনা। আর সেই অস্ত্রভাণ্ডারেই মিলেছে চিনের তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জাম। আর এক্ষেত্রে পাক-চিন যোগসূত্র নিয়ে সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে নয়াদিল্লির। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জম্মু ও কাশ্মীরে বারুদের স্তূপ বানাতে ইসলামাবাদকে তোল্লাই দিচ্ছে বেজিং। ভারতের সেনা সূত্রে খবর, সম্প্রতি উপত্যকায় নিরস্ত্র জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে‌। জঙ্গিদের অস্ত্র পাঠানো হয়েছে ড্রোন মারফত। গত কয়েক মাসে ভূস্বর্গের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কয়েকটি জায়গায় অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও ড্রোন উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি যে চিনের সেই প্রমাণও মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

বিস্ফোরক ক্যাগ, নিশানায় কেন্দ্র

কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে একের পর এক তির ছুঁড়ে চলেছে 'দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব ইন্ডিয়া' বা ক্যাগ। রাফাল যুদ্ধ বিমান ক্রয়ে ফরাসি সংস্থা দাসোর বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছিল ক্যাগ। এবার কেন্দ্রকে নিশানা করল জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে। এক্ষেত্রে কেন্দ্র নিজের নিয়ম নিজেই ভেঙেছে বলে বিস্ফোরক দাবি ক্যাগের। দাবি করা হয়েছে ৪৭ হাজার ২৭২ কোটি টাকা জিএসটি কমপেনসেশন সেস ফান্ডে কেন্দ্র পাঠায়নি। নিয়ম লঙ্ঘনে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের ঘটনা রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। সিএফআইতে ওই টাকা না পাঠিয়ে অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগ উঠেছে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে। জিএসটি ক্ষতির জন্য রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান কোনও আইনে নেই বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এখানেই শেষ নয়। খনিজ তেল, শিল্প, উন্নয়ন ও পরিকাঠামো খাতে সংগৃহীত শুল্ক নির্দিষ্ট ফান্ডে স্থানান্তরিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ ক্যাগের। বর্তমানে সংসদ বন্ধ। শীতকালীন অধিবেশনে সরকারকে চেপে ধরতে ক্যাগের রিপোর্টই যে বিরোধীদের প্রধান অস্ত্র, তা বলাই যায়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের দামামা

ভোট বড় বালাই। দিন দিন করোনা সংক্রমণ যেভাবে হাইজাম্প দিচ্ছে, তাতে নো পড়োয়া ভোেটর ক্ষেত্রে। করোনা আবহেই শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ‍্যনির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। দিনক্ষণের পাশাপাশি ঘোষিত হল ভোটের আচরণবিধিও। তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে ৩ ও ৭ নভেম্বর। প্রথম দফায় ৭১ কেন্দ্রে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৯৪ ও ৭৮টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণের জন‍্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও ১ ঘণ্টা বেশি সময় বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অরোরা। শেষ এক ঘণ্টায় ভোটদান করতে পারবেন কেবলমাত্র কোভিড আক্রান্তরাই। ৮০ বছরের বেশি ভোটারদের জন‍্য থাকছে পোস্টাল ব‍্যালটের ব‍্যবস্থা। ভোটপ্রচার জন‍্য রাজনৈতিক দলগুলি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবে। বাড়ি বাড়ি ভোটপ্রচারে প্রার্থী সহ পাঁচ জনের বেশি কর্মী থাকতে পারবে না। অনলাইনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। টাকাও জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বাধিক ২ জন কর্মী প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে সর্বাধিক এক হাজার ঢুকতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোট দিতে এসে কেউ যাতে সংক্রমিত না হন তার জন‍্য থাকছে ৪৬ লক্ষ মাস্ক, ৬ লক্ষ পিপিই কিট, ২৩ লক্ষ গ্লাভস ও ৭ লক্ষ স‍্যানিটাইজারের বোতল। ইভিএসে বোতাম প্রেসের আগে ভোটারদের দেওয়া হবে গ্লাভস। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ‍্যে তৎপরতা। বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে চতুর্থবার রাজ‍্যে শাসন ক্ষমতার দখলের দৌঁড়ে আছেন নীতীশ কুমার। লোকজনশক্তি পার্টি ছাড়াও, নতুন বন্ধু হিেসবে নীতীশ পেয়েছেন জিতন রাম মাজির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাকেও। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতু‍্যকে হাতিয়ার করে ইতিমধ‍্যে এনডিএ নেমে পড়েছে প্রচারেও। চ‍্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি আরজেডি ও কংগ্রেস জোটও। জেলে থেকেই লাল্লুপ্রসাদ রণকৌশল তৈরি করে দিচ্ছেন বলে খবর। আরজেডি ও কংগ্রেসের হাতে নতুন অস্ত্র নয়া কৃষি বিল। লড়াইটা শেয়ানে শেয়ানে হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শেষ হাসি কে হাস‍বে, তারজন‍্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারণ ওই দিনই তো ফল ঘোষণা বিহার বিধানসভা নির্বাচনের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল, মোদীর নিশানায় বিরোধীরা

সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়া সত্ত্বেও, কৃষি বিল ক্রমশ চেপে বসছে বিজেপির উপর। শুক্রবার দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন বিলের প্রতিবাদে ভারত বন্ধে সামিল হয়। শুধু কৃষক সংগঠন নয়, রাজনৈতিক দলগুলিও বিলের প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তার মধ্যে গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতো হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচন। এদিনই নির্বাচনের নির্ঘন্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কৃষি বিল নির্বাতনে বোমেরাং হয়ে ফিরবে না তো? আর সেটা মাথায় রেখেই কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানোর অভিযোগ করে বিরোধীদের ফের নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। সংঘ পরিবারের পথপ্রদর্শক দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ১০৪ তম জন্মদিবসের মঞ্চ থেকে অলআউট খেললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের দুরবস্থার দায় যেমন কংগ্রেসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন, তেমনি কৃষকদের আয় বাড়াতেই নয়া কৃষি বিল বলে প্রচার চালালেন মোদী। বিরোধীরা নতুন বিল নিয়ে শুধু ভুল বোঝাচ্ছে না, একই সঙ্গে কৃষকদের বিপথে চালিত করছে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। এখানেই থামলেন না। নতুন কৃষি বিলের সমর্থনে পথে নামার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের দিলেন বার্তা। নতুন বিলে আগের থেকে বেশি সহায়ক মূল্য কৃষকরা পাবেন বলে আশ্বাস দেন। শুধু কৃষি বিল নয়, নয়া শ্রমিক বিল নিয়েও কংগ্রেসকে তুলোধুনা করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের মতো শ্রমিকদের দূরবস্থার পিছনে কংগ্রেসের নীতিকে দায়ি করেন। দেশের ৫০ কোটির বেশি শ্রমিক যাতে সময়ে বেতন পান, তা নিশ্চিত করতেই নতুন শ্রম বিল বলে সওয়াল করেন মোদী। যদিও মোদী সওয়ালে মন গলেনি বিরোধীদের। বিলের প্রতিবাদে সরব হয়ে জোড়া আক্রমণ চালিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। টুইট বার্তায় মোদীকে কটাক্ষ করে রাহুল লেখেন, ত্রুটিতে ভরা জিএসটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ধ্বংস করেছে। এবার কৃষি বিল কৃষকদের দাসে পরিণত করবে। কৃষক সংগঠনের ডাকা ভারত বনধকে সমর্থন করে, এই বিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কথা মনে করিয়ে দিল বলে জানান প্রিয়াঙ্কা। তিনি লেখেন, কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিনিয়ে নিয়েছে মোদী সরকার। চুক্তিভিত্তিক চাষ আসলে কোটিপতিদের হাতে কৃষকদের বেচে দেওয়ার কৌশল। দাম ও সম্মান কিছুই মিলবে না। নিজেদের জমিতেই দিনমজুর হবেন কৃষকরা। কৃষি বিল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবির। বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ কেন্দ্র কতটা সামাল দিতে পারে, সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
দেশ

মোদীর মেক ইন ইন্ডিয়ায় ধাক্কা

যুদ্ধ বিমান রাফাল ক্রয়ে ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে চুক্তি করেছিল মোদী সরকার। ছত্রিশটির মধ‍্যে ইতিমধ‍্যে পাঁচটি বিমান চলে এসেছে ভারতের হাতে। কিন্তু ফরাসি সংস্থা দাসো রাফাল ক্রয়ের চুক্তি ঠিকমতো পালন করেনি বলে সংসদে পেশ করা রিপোর্টে অভিযোগ তুলল সিএজি অর্থাৎ কম্পট্রোলার অ‍্যান্ড অডিটর জেনারেল। রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাফাল ক্রয়ের শর্ত হিসেবে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা গবেষণায় উন্নতি প্রযু্ক্তি দিয়ে সাহায‍্য করবে । কিন্তু সেই চুক্তি দাসো পালন করেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে খবর। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, চুক্তির শর্ত হিসেবে দেশীয় সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার আগে প্রযুক্তি ও উন্নত সংস্করণ নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু চুক্তির পর দাসো দায়বদ্ধতা দেখায়নি বলে জানা গেছে। এছাড়া লাইট কমব‍্যাট এয়ারক্রাফ্টের ইঞ্জিন তৈরিতেও দাসো প্রযুত্তিগত কোনও সাহ‍ায‍্য করেনি বলেও অভিযোগ রয়েছে রিপোর্টে। বিদেশি সংস্থা কীভাবে দায় এড়াচ্ছে, তা নিয়ে রিপোর্টে তোলা হয়েছে প্রশ্ন। রাফাল চুক্তি নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করেছিলেন রাহুল গান্ধী। ইতিমধ‍্যে কেন্দ্রে নয়া কৃষি বিল নিয়ে বিরোধীরা ঐক‍্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নেমেছেন। সিএজি রিপোর্ট বিরোধীদের হাতে নতুন করে অস্ত্র তুলে দিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে রাফাল নিয়ে সিএজি রিপোর্টকে ঘিরে বিতর্কের মধ‍্যেই বারাণসীর শিবাঙ্গী সিংহের মুকুটে নতুন পালক। দেশের প্রথম মহিলা পাইলট হিসেবে রাফাল যুদ্ধবিমান চালাবেন বারাণসীর এই বাসিন্দা। ২০১৭ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলন শিবাঙ্গী। ইতিমধ‍্যে উড়িয়েছেন মিগ-২১। এক যুদ্ধবিমান থেকে আরেক যুদ্ধবিমান চালাতে গেলে নিতে হয় বিশেষ প্রশিক্ষণ। ইতিমধ‍্যে সেই প্রশিক্ষণ শুরু করেছেন। শেষ হলেই আম্বালা এয়ারবেসে যোগ দেবেন তিনি। এখনও পর্যন্ত বায়ুসেনায় মোট ১০ জন মহিলা পাইলট রয়েছেন। শিবাঙ্গীই প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমান চালানোর কৃতিত্ব দেখাবেন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
দেশ

দিল্লি হিংসা, চার্জশিটে খুরশিদ

দিল্লি হিংসা মামলায় পুলিশের চার্জশিট বিতর্ক কিছুতেই থামছে না। সীতারাম ইয়েচুরি, যোগেন্দ্র যাদবের পর এবার নাম জড়াল প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদের। সতরো হাজার পাতার চার্জশিটে খুরশিদের নাম থাকায় স্বভাবতই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কৌতূহল চেপে রাখতে পারেননি প্রবীণ কংগ্রেস নেতাও। হিংসার পিছনে কী উস্কানি তিনি দিয়েছেন, তা জানার জন‍্য উদগ্রীব বলে জানিয়েছেন খুরশিদ। তাঁর মন্তব্যে হিংসার ইন্ধন যুগিয়ে থাকলে তখন কেন গ্রেফতার করা হয়নি, তা নিয়েও বিস্ময়প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ইতিমধ্যে দিল্লি পুলিশের পেশ করা এই চার্জশিট নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র, অনুরাগ ঠাকুররা উস্কানিমূলক মন্তব‍্যের অভিযোগের পরও কেন চার্জশিটে নাম নেই, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল: বিরোধী ঐক‍্য অটুট

বিতর্কিত কৃষি বিলকে ঘিরে রবিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল বিরোধী ঐক্য। দিন যত গড়াচ্ছে ঐক্য তত জমাট বাঁধছে। বিলে আপত্তি জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে নালিশ ঠোকার আগে পর্যন্ত বুধবার আলোচনা ও রণকৌশল তৈরিতে ব্যস্ত রইলেন বিরোধী নেতৃত্ব। বৈঠক ছাড়াও প্ল্যাকার্ড হাতে সংসদ চত্বরে মিছিল করতে দেখা যায় সমস্ত বিরোধী দলকে। গুলাম নবি আজাদ, ডেরেক ওব্রায়েন, জয়া বচ্চন-সহ তাবড় বিরোধী নেতারা কৃষি বিলের প্রতিবাদে প্যাকার্ড হাতে মিছিল করেন। কোনও প্যাকার্ডে লেখা ছিল শ্রমিক বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাওয়ের স্লোগান, আবার কোনও প্ল্যাকার্ডে ছিল মোদী সরকারের গৃহীত নীতির সমালোচনা। কৃষি বিল নিয়ে তাঁকে ঘিরে বিরোধীদের প্রতিবাদ নিয়ে ক্ষোভ ছিল ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের। সন্ধির বার্তা দিতে সংসদ চত্বরে সাসপেন্ডের ধর্না মঞ্চে গিয়ে দিয়েছিেলন চায়ে পে চর্চার বার্তাও। কিন্তু সাসপেন্ডেড সাংসদরা সেই বার্তা খারিজ করায় চটে গিয়েছিেলন ডেপুটি চেয়ারম্যান। মঙ্গলরবাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন একদিনের প্রতিকী অনশনের। বিরোধীরা যখন বিলের প্রতিবাদে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন, তখন নিঃশব্দে অনশন ভঙ্গ করলেন হরিবংশ নারায়ণ। সাংসদ সাসপেন্ড ও কৃষি বিলের প্রতিবাদে আগেই রাজ্যসভা অধিবেশন বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দলগুলো। আর বুধবার বিরোধী শূন্য রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল শ্রম বিল। বিরোধী শূন্য সভায় বিল পাসকে গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। সেই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি হয়ে গেল রাজ্যসভার অধিবেশনও।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটকে মাথায় রেখেই হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট মোদীর?

আট বিরোধী সাংসদকে সাসপেনশনের জেরে রাজ্যসভায় জোরালো প্রতিবাদ। রাতভর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করেন সাসপেন্ড হওয়া সাংসদ-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা। বিজু জনতা দল, বহুজন সমাজ পার্টি বাদে বিরোধী দলগুলি মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর শর্ত আরোপ করে অধিবেশন বয়কট করে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুর অনুরোধেও কাজ হয়নি। কংগ্রেসের সাংসদ গুলাম নবি আজাদ বলেন, সাংসদদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হবে। মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইসের কমে যাতে কোনও বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত পণ্য না কিনতে পারে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। মূল্য নির্ধারণে স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ মানতে হবে। সরকার বা এফসিআই কৃষকদের কাছ থেকে যে শস্য কিনবে তার মূল্য নির্দিষ্ট রাখতে হবে যাতে কৃষকদের কোনও ক্ষতি না হয়। এই শর্তগুলি না মানা অবধি বিরোধীরা রাজ্যসভার চলতি অধিবেশন বয়কটের রাস্তা থেকে সরবে না। এর মধ্যে আবার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ বিক্ষোভরত সাংসসদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করেন। যদিও সকলেই হরিবংশকে কৃষকবিরোধী আখ্যা দিয়ে চা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর হরিবংশ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে আবেগমথিত চিঠি লিখে জানান, তিনি একদিনের জন্য অনশন করবেন। রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যানের পক্ষে সওয়াল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটে লেখেন, দুদিন আগে গণতন্ত্রের মন্দিরে যে ঘটনা ঘটেছে, যাঁরা হরিবংশজিকে হেনস্থা ও আক্রমণ করেছেন এবং তারপর তাঁরাই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তাঁদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করে হরিবংশজি উদারতা ও মহানতার পরিচয় রেখেছেন। বিহার থেকে আমরা গণতন্ত্রের শিক্ষা পাই। সেখানকার জনপ্রতিনিধি হয়ে ডেপুটি চেয়ারম্যান যে ভূমিকা নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। রাষ্ট্রপতিকে লেখা তাঁর চিঠিটিও সকলের পড়া উচিত। বিহার ভোটের কথা মাথায় রেখেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামা মোদী হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছেন বলে মত বিরোধীদের। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী বিহারের কথা বলেন, ভোটের পর ভুলে যান। আমরা কৃষকদের স্বার্থে বিরোধিতা চালিয়ে যাব। সাসপেন্ডেড সাংসদদের আন্দোলনকে সমর্থন করে একদিনের অনশন করবেন বলে জানিয়েছেন শরদ পাওয়ার। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দোলা সেন জানিয়েছেন, অনেক দল রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ঘনঘন খবর নিয়েছেন। ধরনা তুলে নিয়ে সকলে মিলে একসঙ্গে এই আন্দোলন গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে দিতে হবে। তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন টুইটে লেখেন, আমাকে সাসপেন্ড করতে পারো, চুপ করাতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
দেশ

সাংসদ সাসপেন্ড, সরব তৃণমূল

রাজ্য সরকারের কৃষি বিলের প্রতিবাদ করার ফল হাতেনাতে পেয়েছেন দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ আপ, কংগ্রেস ও সিপিআইএমের মোট আটজন সাংসদ। শাস্তি হিসেবে আগামী সাত দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের। যার অর্থ সংসদের বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলি আর তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এরপরই সাসপেনশনের প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে লেখেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ৮ সাংসদ সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। এতে সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রকাশ দেখা গেল, যারা গণতান্ত্রিক নীতি, আদর্শের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাশীল নয়। তবে আমরা নত হবো না। সংসদ থেকে রাস্তায় নেমে সর্বত্র এই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইটে লিখেছে, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের আগেই বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। রাজ্যসভায় যে ঘটনা ঘটেছে তা অবিশ্বাস্য। নিষ্ঠুরভাবে বিরোধী দলের নেতাদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর একনায়কতন্ত্র আর বিজেপির গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে প্রতিবাদে মুখর হতে হবে। তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আট সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে টুইটে লিখেছেন, রাজ্যসভায় যা হয়েছে তা সাংবিধানিক রীতিবিরুদ্ধ। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি নীতি কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী। তারই প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীরা। কিন্তু বিরোধী সাংসদদের ভোটাধিকার কেড়ে নিল কেন্দ্র। এভাবে বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যাই করল। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, সংসদীয় রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে বুলডোজ করিয়ে কৃষি বিল রাজ্যসভায় পাশ করাল কেন্দ্র। রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই বলেই কি ভোটাভুটিতে না গিয়ে জোর করে ধ্বনি ভোটে বিলগুলি পাশ করানো হলো? সকলকে জাগ্রত হতে হবে, সংসদে জঙ্গলের রাজত্ব চলতে পারে না। গণতন্ত্র ও আইনি বিধানকে সাসপেন্ড করে বিজেপি সংসদে বিরোধী কণ্ঠস্বরকেই সাসপেন্ড করতে চাইছে। সাংসদদের সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে চলা তুমুল বিক্ষোভে দফায় দফায় রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। গান্ধী মূর্তির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। সবমিলিয়ে কৃষি বিল নিয়ে সংসদ যে আগামী দিনগুলিতেও উত্তপ্ত হবে তা সহজেই অনুমেয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

রাজ্যসভায় বিক্ষোভ দেখিয়ে সাসপেন্ড দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ ৮

কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর উত্তপ্ত হয়েছিল রাজ্যসভা। ওয়েলে নেমে চলে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। এর জেরে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ৮ সাংসদকে এক সপ্তাহের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। তাঁরা হলেন তৃণমূলের ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিং, কংগ্রেসের রাজু সাতাভ, রিপুন বোরা, সৈয়দ নাসির হুসেন, সিপিআইএমের কে কে রাগেশ ও এলামারান করিম। এই শাস্তির ঘোষণা করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু। এরপর বিরোধীদের বিক্ষোভে সকাল ১০টা অবধি মুলতুবি করা হয় অধিবেশন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

পিএম কেয়ারস ফান্ড আর করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

পিএম কেয়ারস ফান্ড তৈরি হয়েছিল করোনা অতিমারি মোকাবিলায়। এর হিসেব নিয়ে চলছে জোর চাপানউতোর। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর লোকসভায় এই বিষয়টি উত্থাপন করেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান ওই ফান্ড থেকে তাঁর মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারগুলি কতো টাকা পেয়েছে এবং কোন খাতে? জবাবে হর্ষ বর্ধন বলেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক পিএম কেয়ারস ফান্ড থেকে ৮৯৩.৯৩ কোটি টাকা পেয়েছে এবং তা দিয়ে ভারতে তৈরি ৫০ হাজার ভেন্টিলেটর কেনা হয়েছে। ভ্যাকসিনের প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বিশ্বে ১৪৫টি ভ্যাকসিন প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ে রয়েছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে ৩৫টি ভ্যাকসিনের। ভারতে ৩০ জনের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ হচ্ছে। এক থেকে তিন নম্বর ধাপ অবধি ভ্যাকসিন প্রয়োগ ও মূল্যায়নের প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন ৩ জন, ৪ জনের বেশি রয়েছেন প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

তুমুল অশান্তিতে পাশ কৃষি বিল, ঐতিহাসিক দিনকে গণতন্ত্রের হত্যা বলল বিরোধীরা

লোকসভায় নির্বিঘ্নে পাশ হলেও রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ যে সহজে হবে না তার ইঙ্গিত ছিল। কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদলের পদত্যাগকে হাতিয়ার করে বিরোধীরা যে অল আউট যাবে তাতে আশ্চর্যের কী! অশান্তির আশঙ্কা মিলে গেল রবিবারের রাজ্যসভায়। কৃষি বিলের বিরোধিতায় হই-হট্টগোল, ওয়েলে নেমে বিরোধীদের তপ্ত স্লোগান, রুল বুক ছিঁড়ে ফেলা, মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনও কিছুই বাদ গেল না। সবই হলো, কিন্তু শেষ হাসি হাসল সরকারপক্ষই। ধ্বনিভোটে রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল কৃষি সংস্কার সংক্রান্ত দুটি বিল। কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। এক সময় করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিলের প্রতিবাদে ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিরোধী সদস্যদের। সরকারপক্ষের পাল্টা স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে অধিবেশন। তখন সভা পরিচালনা করছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। তিনি সদস্যদের আসন গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা? তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে দেখা যায় রুল বুক-সহ কাগজপত্র ও মাইক নিয়ে টানাটানি করতে। পরে ডেরেক টুইটে বলেন, সরকারপক্ষ প্রতারণা করেছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে, তাঁদের কথা যাতে দেশের মানুষের কাছে না পৌঁছয় সেজন্য রাজ্যসভা টিভির সম্প্রচার সেন্সর করা হয়েছে। সাংসদদের সাংবিধানিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদে আজ সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত রাখল বিজেপি। যদিও নরেন্দ্র মোদী এদিনও একাধিক টুইট করে বোঝাতে চেয়েছেন এই বিল পাশের ফলে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে। এদিন বিরোধীরা ভোটাভুটি চাইলেও শেষে বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ করিয়ে হাঁফ ছাড়ে সরকারপক্ষ। ৭০ বছর পর ভারতের কৃষকরা বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা পেল বলে সওয়াল করেন বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা। যদিও কৃষি বিলকে কৃষকদের মৃত্যু পরোয়ানা বলে দাবি করে সরব হয় বিরোধীরা। দুই নতুন কৃষি বিল চাষিদের ক্রীতদাসে পরিণত করবে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বিলের বিরোধিতা করছে এনডিএ শরিক শিরোমণি অকালি দল। বিলকে কৃষক-বিরোধী বলে দাবি করে প্রতিবাদে সরব হয় তারা। বিলের বিরোধিতায় এনডিএ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে শিরোমণি অকালি দল। সঙ্গ ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন হরিয়ানার দুষ্মন্ত চৌতালাও। সংসদের দুই কক্ষে বিল পাশ হলেও আগামী দিনে মোদী সরকারকে এই বিল বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন বিলের বিরোধিতা করে পথে নেমেছে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের পর এবার প্রতিবাদে শরিক হয়েছে উত্তর ভারতে প্রভাবশালী কৃষক সংগঠন ভারতীয় কৃষক ইউনিয়ন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

ঝুলি থেকে বের হলো বেড়াল

মাত্র চার দিনে বদলে গেল সরকারি বয়ান। গত সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে করোনা এবং লকডাউনে কতো শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, তার তথ‍্য সরকারের কাছে নেই বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার। এ নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করে সরব হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। যেহেতু শ্রমিক মৃত্যু নিয়ে কোনও তথ‍্য নেই, তাই প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রয়োজন নেই বলে শুক্রবার লোকসভায় সরকারের মনোভাবকে কটাক্ষ করে টুইট করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ পর্যন্ত শ্রমিক স্পেশালে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের এক প্রশ্নের উত্তরে শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর রাজ‍্যসভায় জানালেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। রেলমন্ত্রী আরও বলেন, ৯৭ জনের মধ‍্যে ৮৭ জনের দেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এর মধ‍্যে এখনও পর্যন্ত ৫১ জনের রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেছে। মৃত্যুর ক্ষেত্রে হার্টের রোগ, লিভারের অসুখ, মাথায় আঘাতকে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান গোয়েল।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

করোনা যোদ্ধাদের রক্ষায় বিল

করোনা অতিমারির মধ্যেও বেশ কয়েকটি জায়গায় ঘটেছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনা। হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিল চিকিৎসকদের সংগঠনও। এবার হামলা রুখতে ও কোভিড যোদ্ধাদের পাশে থাকার বার্তা দিল কেন্দ্র। কড়া পদক্ষেপ হিসেেব চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের রক্ষায় আনা হলো নতুন বিল। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর রাজ্যসভায় পাশ হল দ্য এপিডেমিক ডিজিজ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২০। করোনা মোকাবিলায় কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা হলে কমপক্ষে তিন মাস ও সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাবাসের বিধান রয়েছে নতুন বিলে। পাশাপাশি রয়েছে ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ব্যবস্থাও। রাজ্যসভায় বিলটি পেশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেন, করোনা মোকাবিলায় যুক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্থা রুখতে গত এপ্রিল মাসে অধ্যাদেশ জারি করেছিল কেন্দ্র। করোনা দূর হলেও, এই আইন লাগু থাকবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এই বিলের আওতায় শুধু চিকিৎসক, নার্স নন, একই সঙ্গে প্যারামেডিক্যাল কর্মী, হেলথ ওয়ার্কার ছাড়া অতিমারি নিয়ন্ত্রণে যুক্তদেরও আনা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল: ড‍্যামেজ কন্ট্রোলে আসরে মোদী

নয়া কৃষি বিল নিয়ে বেশ চাপে বিজেপি। চাপ আরও বাড়িয়েছে বিলের বিরোধিতা করে কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউরের পদত্যাগ। ড্যামেজ কন্ট্রোলে এবারে তাই আসরে নামতে হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার ১৮ অক্টোবর বলেন, নয়া কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যারা দশকের পর দশক ধরে দেশ চালিয়েছে তারাই এখন কৃষকদের বিভ্রান্ত করছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে কৃষিক্ষেত্রে ফোঁড়ে বা দালাল রাজের অবসান হবে। একই সঙ্গে নয়া কৃষি বিল বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলেও সওয়াল করেন মোদী। এতে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি হবে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনেও ফসলের ন্যায্যমূল্য বেঁধে দেওয়া হবে। কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য আগের মতোই কিনবে সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপ কৃষকদের স্বাধীনতা বাড়াবে। তাঁদের উৎপাদিত ফসল বিপণনের ক্ষেত্র শুধু বিস্তৃতই হবে না কৃষকদের জন্য নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হবে। কৃষকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আবেদনও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার লোকসভায় পাশ হয় ফার্মার্স প্রডিউস ট্রেড কমার্স বিল ও ফার্মার্স এগ্রিমেন্ট অন প্রাইস অ্যান্ড ফার্মস সার্ভিসেস বিল। লোকসভায় বিল দুটি পাশ হলেও, রাজ্যসভায় পাশ হওয়া বাকি। কিন্তু বিলের প্রতিবাদী শরিকি দল শিরোমণি অকালি দলের একমাত্র মন্ত্রী হরসিমরত কউর পদত্যাগ করায় নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এটাকে ঢাল করে আসরে নেমে পড়েছে বিরোধী দলগুলিও। দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 67
  • 68
  • 69
  • 70
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal