• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

ফের বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম, নয়া রেকর্ড কলকাতায়

ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই পেট্রপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুটিনে পরিণত হয়েছে। মাঝখানে এক-দুদিনের বিরতি থাকলেও প্রায় নিয়মিত বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। রবিবার ফের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশজুড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গেল জ্বালানি তেল। যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে খোলা বাজারে। বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম। অথচ, এখনও ভ্রূক্ষেপ নেই প্রশাসনের।রবিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লিটারপ্রতি পেট্রলের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ১৭ পয়সা। ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি বেড়েছে ২৫-২৯ পয়সা। এই নিয়ে চলতি মাসেই পেট্রলে লিটারপ্রতি প্রায় ২ টাকা ৬০ পয়সা, এবং ডিজেলে লিটারপ্রতি প্রায় ২ টাকা ৯০ পয়সা দাম বাড়ল। কলকাতায় পেট্রলের নতুন দাম লিটারপ্রতি ৯৩ টাকা ২৭ পয়সা। আর ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৬ টাকা ৯১ পয়সা। আজ মুম্বইয়ে পেট্রল বিকোচ্ছে ৯৯ টাকা ৪৯ পয়সা প্রতি লিটার দরে। ডিজেল বিকোচ্ছে ৯১ টাকা ৩০ পয়সা দরে। রাজধানী দিল্লিতে পেট্রলের নতুন দাম হয়েছে ৯৩ টাকা ২১ পয়সা। ডিজেল বিকোচ্ছে লিটারপ্রতি ৮৪ টাকা ৭ পয়সা দরে। চেন্নাইয়ে পেট্রল ও ডিজেলের নতুন দাম যথাক্রমে ৯৪ টাকা ৮৬ পয়সা এবং ৮৮টাকা ৯১ পয়সা। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং রাজস্থানের একাধিক শহরে জ্বালানি তেল এখন বিকোচ্ছে ১০০ টাকার উপরে।

মে ২৩, ২০২১
দেশ

১৫ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাবেন আড়াই লাখ এসবিআই কর্মী

করোনা আর লকডাউনের জেরে যেখানে চাকরি খোয়াতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে, সেখানে সুখবর পেতে চলেছেন স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা। সব ঠিকঠাক থাকলে দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকের প্রায় আড়াই লক্ষ কর্মী ১৫ দিনের অতিরিক্ত বেতন পেতে পারেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্যই ইনসেনটিভ হিসেবে এই অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হতে পারে তাঁদের বলেই শোনা যাচ্ছে।জানা গিয়েছে, ২০২১ অর্থবর্ষে এসবিআইয়ের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রিপোর্ট বলছে, চলতি বছরের আর্থিক বর্ষে ৪১ শতাংশ বেড়েছে ব্যাংকের মোট লাভ। আর সেই কারণেই কর্মীদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে স্টেট ব্যাংক। যা লকডাউনের মধ্যে নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর। কোনও ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য আয় হলে সেই ব্যাংক চাইলে তার কর্মীদের পুরস্কৃত করতে পারে। গত বছর এই প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দিয়েছিল নভেম্বরে ইন্ডিয়ান ব্যাংকস অ্যাসোসিয়েশন। এই চুক্তি অনুযায়ী, কোনও পিএসইউ সেক্টরের ৫ থেকে ১০ শতাংশ লাভ হলে কর্মীরা পাঁচদিনের অতিরিক্ত বেতন পেতে পারে ইনসেনটিভ হিসেবে। এক্ষেত্রে বেসিক এবং ডিএ যোগ করে সেই অর্থ তুলে দেওয়া হয় কর্মীদের হাতে। আবার লভ্যাংশের পরিমাণ ১০-১৫ শতাংশ হলে ১০ দিনের অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হতে পারে কর্মীদের। ১৫ শতাংশের লাভ হলে কর্মচারীরা পেতে পারেন ১৫ দিনের বেতন। তবে লাভের পরিমাণ পাঁচ শতাংশের কম হলে ইনসেনটিভ পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকে না।

মে ২২, ২০২১
দেশ

বায়ুসেনার মিগ-২১ যুদ্ধবিমান ভেঙে মৃত্যু পাইলটের

ফের ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার একটি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান। শুক্রবার ভোরে নিয়মমাফিক ট্রেনিং চলাকালীন আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে সেটি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বিমানটির চালক স্কোয়াড্রন লিডার অভিনব চৌধুরীর। এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এদিন বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পঞ্জাবের মোগা জেলার লাঙ্গিয়ানা খুর্দ গ্রামের কাছে মিগ বিমানটি ভেঙে পড়ে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বায়ুসেনা। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এনিয়ে তিনটি মিগ-২১ বিমান দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছে। গত মার্চ মাসে ভেঙে পড়ে একটি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান। নিয়মমাফিক ট্রেনিংয়ের সময় আকাশে ওড়ার কিছু মুহূর্তের মধ্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় সেটি। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ গুপ্তার। এর আগে জানুয়ারি মাসে রাজস্থানের সুরতগড়ে একটি মিগ-২১ ফাইটার জেট ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে চালক প্রাণে বেঁচে যান। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে সংসদে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার মোট ২৭টি এয়ারক্রাফ্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৫টি ফাইটার জেট।

মে ২১, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত প্রাক্তন এনএসজি প্রধান

২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার সময় দেশকে রক্ষা করতে সামনে থেকে লড়াই করেছিলেন তিনি। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)-এর প্রাক্তন প্রধান, সেনা অফিসার জেকে দত্ত হৃদরোগে প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর করোনা সংক্রান্ত জটিলতাও ছিল বলে পরিবার সূত্রে খবর। তিনি এনএসজি-র শীর্ষ পদে ছিলেন ২০০৬-০৯ সাল পর্যন্ত। এ ছাড়াও তিনি সিবিআই-এর যুগ্ম অধিকর্তার ভার সামলেছেন।বুধবার দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মুম্বইয়ে হামলার সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। উদ্ধার কাজেও দিনরাত পরিশ্রম করেন। তাঁর সহকর্মী বেঙ্গল ক্যাডারের অপর এক অফিসার জুলফিকার হাসান, এডেজি (সিআরপিএফ) জানিয়েছেন, জেকে দত্ত এমন একজন সেনা আধিকারিক ছিলেন, যিনি সর্বদা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতেন। ১৯৭১ সালের আইপিএস জেকে দত্ত ছিলেন বেঙ্গল ব্যাচের ক্যাডেট। সিবিআই-এর বিভিন্ন পদে থাকা ছাড়াও তিনি ছিলেন সিআইএসএফ-এর বিভিন্ন পদেও। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তের দায়িত্বভার সামলেছেন তিনি। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর করেছিলেন তিনি। পুলিশ মেডেল গ্যালান্ট্রি পুরষ্কার, রাষ্ট্রপতির পুলিশ মেডেল পেয়েছিলেন।

মে ২০, ২০২১
দেশ

বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন চেয়ে আর্জি সুপ্রিম কোর্টে

বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবিতে এবার সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল আবেদন। বাংলার ভোট পরবর্তী হিংসার কথা উল্লেখ করে বিজেপি নেতারা এতদিন অস্ফুটে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানাচ্ছিলেন। কার্যত তাঁদের সেই দাবিকেই এবার সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরলেন আইনজীবী ঘনশ্যাম উপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে ৩৫৬ ধারা জারির নির্দেশ দিক শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবীর দাবি, বাংলায় আইনের শাসন ভেঙে পড়েছে। যেভাবে শাসকদলের কর্মী এবং শাসক দল আশ্রিত গুন্ডারা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপর আক্রমণ করছেন, সেটা শুধু অমানবিক এবং বেআইনিই নয়, এটা তালিবানি শাসনের প্রতীক। আবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রকে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আদালত যেন একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে ওই কমিটিকেই বাংলার ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতি খতিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হোক। ঘনশ্যাম উপাধ্যায় দাবি করেছেন, ২ মে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর বাংলায় ১৬ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এই মামলায় অংশীদার হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নাম দাখিল করেছেন মামলাকারী ঘনশ্যাম উপাধ্যায়।প্রসঙ্গত, নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতারা। তবে, তাঁদের থেকেও বেশি সুর চড়িয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে তথাকথিত হিংসা কবলিত এলাকাগুলি খতিয়ে দেখতেও গিয়েছিলেন তিনি। এমনকী, নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে খানিকটা হুঁশিয়ারির সুরেই রাজ্যপালকে বলতে শোনা যায়, ভারতের সংবিধান অনেক শক্তিশালী। দয়া করে সংবিধান মতো পদক্ষেপ করতে বাধ্য করবেন না। তবে এখানে বলে রাখা দরকার, কলকাতা হাইকোর্টে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একটি মামলা ইতিমধ্যেই চলছে। এবং সেই মামলায় হিংসা নিয়ন্ত্রণে রাজ্যের ভূমিকার প্রশংসাও করেছে আদালত।

মে ২০, ২০২১
দেশ

আগামী ৩ মাসেও টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়: সেরাম

করোনা রুখতে দেশজুড়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকাটি। কিন্তু পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় বহু রাজ্যে টিকাদান প্রক্রিয়া ঝিমিয়ে পড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে এক বিবৃতি জারি করে সেরাম ইন্সটিটিউট সাফ জানিয়েছে যে আগামী ৩ মাসেও দেশবাসীর টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়।মঙ্গলবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, মানুষ এটা বুঝতে চাইছে না যে আমরা বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুটি দেশের মধ্যে একটি। এত বিশাল সংখ্যক মানুষের জন্য ২ থেকে ৩ মাসে টিকাকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়। এই প্রক্রিয়ায় অনেকগুলি ধাপ থাকে। গোটা বিশ্বে সবাইকে টিকা দিতে অন্তত ২ থেকে ৩ বছর লাগবে। বিবৃতিতে সেরাম আরও জানিয়েছে যে, ভারতবাসীর স্বার্থে আঘাত দিয়ে কখনওই ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হয়নি। দেশে টিকাদান প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পূর্ণ করতে আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। সমস্ত রকমের চেষ্টা করছে সেরাম। সবাই একসঙ্গে মিলে কাজ করলে এই মহামারিকে পরাস্ত করা যাবে। টিকা উৎপাদন ও সরবরাহে সেরাম বিশ্বে তৃতীয়। কোভ্যাক্স প্রকল্পের অংশ হওয়ায় বিশ্বে কিছু টিকা অন্য দেশগুলির কাছে রপ্তানি করতে হয়। বলে রাখা ভাল, দেশে করোনা পরিস্থিতি উপেক্ষা করে বিদেশি টিকা রপ্তানি করেছে মোদি সরকার বলে লাগাতার তোপ দাগছে বিরোধী দলগুলি। এদিন সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিল সেরাম।উল্লেখ্য, দেশে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাদান শুরু হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে কার্যত ঝিমিয়ে পড়েছে গোটা প্রক্রিয়া। ফলে আঙুল উঠেছে সেরাম ও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, আরও একটি করোনার টিকা বাজারে আনার কথা আগেই জানিয়েছিল সেরাম ইনস্টিটিউট। তবে জুন নয়, আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে আসতে চলেছে সেই ভ্যাকসিনটি বলে খবর। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে কোভোভ্যাক্স নামে ওই করোনা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও। টুইট করে এই খবর জানিয়েছিলেন সেরাম কর্তা আদর পুনাওয়ালা।

মে ১৮, ২০২১
দেশ

ঘূর্ণিঝড় তকত-এর দাপটে কর্নাটক-কেরলে মৃত ৬

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তকতে এগিয়ে চলেছে গুজরাত উপকূলের দিকে। তকতে-র তাণ্ডবে কর্নাটকে ৪ জনের পর রবিবার কেরলেও মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কেরলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২টি জেলায়। এরনাকুলাম ও কোঝিকোড়ে।মৌসম ভবন রবিবার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তকতে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়ে সোমবার সকালে গুজরাতের পোরবন্দর ও নালিয়ার মধ্যবর্তী কোনও উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। গুজরাত ও দিউ উপকূলে ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারির ব্যবস্থা হয়েছে। মৌসম ভবনের সিনিয়র ডিরেক্টর (আবহাওয়া) শুভানি ভুতে জানিয়েছেন, তকতে-র দাপটে রবিবার বিকেল থেকেই তুমুল বৃষ্টি হতে পারে মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। ভারী থেকে খুব ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে গোটা কোঙ্কন ও পশ্চিম মহারাষ্ট্রের পার্বত্য এলাকাগুলিতে। রবি ও সোমবার তুমুল বৃষ্টি হতে পারে মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর ও সাতারায়। এ ছাড়াও তুমুল বৃষ্টি হতে পারে গুজরাতের জুনাগড়, গির সোমনাথ, সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ, দিউ, পোরবন্দর, দ্বারকা, আমরেলি, রাজকোট ও জামনগরে। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কর্নাটকে যে শুধুই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, তা নয়, ৭৩টি বাড়িও ভেঙে পড়েছে বলেও জানিয়েছে কর্নাটক প্রশাসন। যে ৬টি জেলায় ঝড়ের দাপট সবচেয়ে বেশি, তার মধ্যে তিনটি উপকূলবর্তী ও তিনটি পশ্চিমঘাট পর্বত সংলগ্ন। রবিবার বেলা বাড়তেই গোয়ায় ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব বেড়েছে। উপড়ে গিয়েছে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি। গোয়ার একটা বড় অংশে ঝড়ের দাপটে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুসারে শনিবার রাত আড়াইটে নাগাদ এই ঝড়টি ছিল গোয়া থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার, মুম্বই থেকে ৪৯০ কিলোমিটার ও গুজরাত উপকূল থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দূরে। মঙ্গলবার সকালে তকতে গুজরাতের উপকূল, পোরবন্দর ও ভাবনগর জেলার মহুভা এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। ঝড়ের শক্তি অনুমান করার জন্য আগামী ১২ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।ইতিমধ্যেই এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আলোচনায় বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সেই বৈঠকে নির্দেশ দেন যেন এই ঝড়ের কারণে করোনা চিকিৎসায় কোনও সমস্যা না দেখা যায়। হাসপাতালগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বাকি সব পরিষেবা যাতে দেওয়া হয়, সে কথা বলেন তিনি। ঝড়ের সময় দলের কর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়ে টুইট করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধিও।

মে ১৬, ২০২১
দেশ

আগামী সপ্তাহেই বাজারে আসছে ডিআরডিও’র তৈরি ওষুধ

দেশজুড়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে করোনা মহামারি। সমস্ত কিছুকে আরও জটিল করে দিয়েছে হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় ডিআরডিওর তৈরি করোনার ওষুধকে জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। আর আগামী সপ্তাহ থেকেই বাজারে মিলবে এই ওষুধটি। শুক্রবার অর্থাৎ ছাড়পত্র পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই ঘোষণা ডিআরডিওর। ড্রাগ ২ ডিঅক্সি ডি গ্লুকোজ বা সংক্ষেপে ২ডিজি নামে ওষুধটির প্রথম ব্যাচে থাকবে দশ হাজারটি ডোজ। যা ব্যবহার করা যাবে করোনা রোগীদের চিকিৎসায়।সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনার চিকিৎসার জন্য আগামী সপ্তাহেই ২ডিজি ওষুধের প্রথম ব্যাচটি বাজারে আসতে চলেছে। যাতে থাকবে দশ হাজারটি ডোজ। ওষুধটি বাজারে এলেই তা করোনা রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। এর সঙ্গেই তাতে সংযোজন করা হয়েছে, ওষুধটি ডঃ অনন্ত নারায়ন ভাট-সহ ডিআরডিওর বৈজ্ঞানিকদের একটি দল তৈরি করেছে। প্রস্তুতকারক সংস্থা এই ওষুধটির উৎপাদন আরও বাড়াতেও সচেষ্ট হয়েছে, যাতে তা করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়।ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালিড সায়েন্স এবং হায়দরাবাদের ডক্টর রেড্ডিস ল্যাবের সহায়তায় ডিআরডিওর গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এই ওষুধ। গত শনিবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে ডিআরডিও জানিয়েছিল, এই ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে, রোগীর শরীরে অক্সিজেন নির্ভরতা কমাতে সক্ষম এটি। সহজে, ব্যাপক হারে উৎপাদনও করা যায়। করোনা রোগীদের উপর তা প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে, দ্রুতই তাঁদের রিপোর্ট কোভিড নেগেটিভ হয়ে যাচ্ছে। গ্লুকোজের অণু এই ওষুধের প্রধান উপকরণ।জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এই ওষুধের ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফাতেও দুধাপে হয়েছে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালও হয় দুভাগে। ২০২০-র ডিসেম্বর থেকে ২০২১-এর মার্চের মধ্যে দুশোরও বেশি কোভিড রোগীর উপর ২ডিজি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে দাবি ডিআরডিওর। সেসবের সাফল্যের নিরিখেই এবার ডিআরডিও-র তৈরি ওষুধকে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হল। এর আগে রেমডেসিভির, ভিরাফিনকেও একইভাবে জরুরি চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ডিজিসিআই। এবার মিলল ২ডিজি ব্যবহারের ছাড়পত্র। এই মুহূর্তে করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় উপকরণ অক্সিজেনের বড়সড় সংকট। ফলে এই ওষুধ যদি সেই সমস্যার খানিকটা সমাধান করতে পারে, তা ভেবেই দ্রুত আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহারে অনুমোদন দেওয়া হল, এমনই মত স্বাস্থ্যমহলের একাংশের।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

১৫ দিনে বিনামূল্যে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন পাবে রাজ্যগুলি

দেশজুড়ে ভ্যাকসিনের সংকট। বিরোধীরা আক্রমণ শানাচ্ছে কেন্দ্র সরকারকে। কেন্দ্রের ভ্যাকসিন বণ্টন নীতিই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে, বারবার বলছেন রাহুল গান্ধি। রাজ্যগুলিও কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিলেন, আগামী ১৫ দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ দেবে কেন্দ্র। তাও আবার বিনামূল্যে।প্রসঙ্গত, দেশজুড়ে এখন বিভিন্ন পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সি সবাইকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা। কিন্তু, ভ্যাকসিনের জোগানের সমস্যার জন্য এখনও অনেক রাজ্যেই ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। আবার অনেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেলেও দ্বিতীয় ডোজ পাননি। কেন্দ্রের তরফে বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করা হয়েছিল, এখন থেকে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকার ডোজ নিতে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ পরে। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অনেকে মনে করছেন, জোগানের অভাবেই কৌশলে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ পিছিয়ে দিতে চাইছে সরকার। তবে, সে বিতর্ক উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় শুক্রবার সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। আর এদিনই ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ মের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে কেন্দ্র। এর মধ্যে কোভিশিল্ড থাকছে ১৬২.৫ লক্ষ ডোজ এবং কোভ্যাকসিন থাকছে ২৯.৪৯ লক্ষ। কেন্দ্রের দেওয়া এই ভ্যাকসিন রাজ্যগুলি ব্যবহার করতে পারবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিকদের টিকাকরণের জন্য।প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৮ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছেন। আগামী ১৫ দিনে আরও ২ কোটির বেশি মানুষ ভ্যাকসিন কেন্দ্রের আশা খুব শীঘ্রই ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদনের হার অনেকটা বেড়ে যাবে। সরকারের দাবি, আগামী অগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২১৬ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ ভারতে তৈরি হয়ে যাবে। যার অর্থ এবছরের শেষদিক পর্যন্তই পুরো টিকাকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় কেন্দ্র।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

কিষাণ সম্মান নিধির প্রথম কিস্তির টাকা পেলেন রাজ্যের ৭ লক্ষের বেশি কৃষক

রাজ্যের কৃষকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।দীর্ঘ প্রতিক্ষার ও টালবাহানার শেষে রাজ্যের কৃষকরা বুধবার প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। রাজ্যের বিধানসবা নির্বাচনের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ভোটের পরেই রাজ্যের কৃষকেরা ওই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। ভোটে বিজেপির জয় হয়নি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেননি মোদি।তাই এদিন এরাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রকল্পের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।রাজ্য সরকার প্রকল্পে সামিল না হওয়ায় যারা এতদিন ওই প্রকল্পের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সারাদেশে প্রায় ৯ কোটি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। যার মধ্যে এরাজ্যে সাত লক্ষর বেশি কৃষক সুবিধা পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে ছোট ও মাঝারি কৃষকরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। রাজ্য সরকারের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী আগামী দিনে আরো বেশি সংখ্যক কৃষককে এই যোজনার আওতায় আনা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই এই প্রকল্পের সুযোগ বাংলার কৃষকদের কাছে পৌঁছল বলে দাবি করেছে রাজ্য সরকার। তাঁর প্রচেষ্টা এবং হস্তক্ষেপেই রাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষক কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে এদিন এবিষয়ে টুইট করা হয়। যেখানে দাবি করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠানো হয়েছে। রাজ্য সরকার আগামী দিনেও কৃষকদের স্বার্থে লড়াই করে যাবে । যদিও প্রধানমন্ত্রীর কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান অনুষ্ঠানে রাজ্যকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।২০১৮ সালে প্রথম চালু হয়েছিল পিএম-কিষাণ প্রকল্পটি। দেশের কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করেছিল মোদি সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীরা প্রতি বছর ৬০০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পান। ৪ মাস বাদে বাদে ২০০০ টাকা করে করে তিনটি কিস্তিতে এই অর্থ প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পটি মূলত গরিব কৃষকদের জন্যই করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই প্রকল্পের আওতায় এখনও পর্যন্ত ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকা কৃষক পরিবারগুলির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

অসমের নাগরিকপঞ্জি ফের যাচাইয়ের জন্য আবেদন সুপ্রিম কোর্টে

অসমের নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) খতিয়ে দেখার জন্য ফের আবেদন জমা পড়ল সুপ্রিম কোর্টে। সে রাজ্যের এনআরসি কো-অর্ডিনেটর হিতেশ দেব শর্মা শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছেন এনআরসি-র চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় কিছু গুরুতর অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই ওই তালিকা ফের যাচাই করা প্রয়োজন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ও তদারকিতে তৈরি হওয়া এনআরসি-র চূড়ান্ত খসড়া তালিকা ২০১৯-এর ৩১ অগস্ট প্রকাশিত হয়। তাতে অসমের ৩ কোটি ৩০ লক্ষ আবেদনকারীর প্রায় ১৯ লক্ষ ৭ হাজার বাসিন্দার নাম বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে ফের একবার তার যাচাইয়ের জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু ২০১৯-এর ১২ অগস্ট তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বেঞ্চ সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে হিতেশ জানিয়েছেন, অনেক তালিকায় ঠাঁই পাওয়ার যোগ্য অনেক নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। ঘটনাচক্রে, সম্প্রতি অসমের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে যে শরণার্থীরা চলে এসেছিলেন, তাঁদের অধিকাংশের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। কারণ, এনআরসি কর্তৃপক্ষ তাঁদের পেশ করা শরণার্থী শংসাপত্রকে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেনি। প্রসঙ্গত, অসম সরকার এবং কেন্দ্র এর আগে অভিযোগ তুলেছিল অনেক অযোগ্য ব্যক্তির নামও এনআরসি-র খসড়া তালিকায় স্থান পেয়েছে।অসমের পূর্বতন বিজেপি সরকার এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ২০ শতাংশ এবং অন্যত্র ১০ শতাংশ নাগরিকের নথিপত্র ফের যাচাই করা হবে। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে অসমের কিছু বাংলাভাষী এবং সংখ্যালঘু সংগঠন। যদিও বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট এনআরসি-ভুক্ত নাগরিকদের নথিপত্র ফের যাচাইয়ের আবেদন জানিয়েছেন হিতেশ। তাঁর যুক্তি, আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী রাজ্য অসমের অবস্থান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রশ্নটি এ ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ।

মে ১৩, ২০২১
দেশ

কোভিশিল্ডের দুই টিকার ব্যবধান বেড়ে হল ৩ থেকে ৪ মাস

কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার প্রস্তাব গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে ব্যবধান ছিল ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ, এ বার সেটিই বেড়ে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরেই সরকারের বিশেষজ্ঞ প্যানেল কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেয়, দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার। বিকেলের দিকে সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল কেন্দ্র।এই নিয়ে তিন মাসে দ্বিতীয়বার কোভিশিল্ডের দুটি টিকা নেওয়ার ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে টিকাকণের একেবারে শুরুতে কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান ছিল ২৮ দিনের। তারপর বিশেষজ্ঞ কমিটি মার্চ মাসে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে জানায়, ভাল ফলের জন্য টিকা ব্যবধান ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ করতে। সেটিই এখন বাড়িয়ে করা হল ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ।টিকা নিয়ে এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নতুন প্রস্তাব বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারকে দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। তাতে বলা হয়েছে, কোভিডে আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে ওঠার অন্তত ৬ মাস পর টিকা নিতে পারবেন। কারণ, এতে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যাক্তির শরীরে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সুস্থ হওয়ার ১৪ দিন পর টিকা নেওয়া যায়, সেটাই বাড়িয়ে ছমাস করার কথা বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২১
দেশ

উত্তরপ্রদেশে এবার নদীর ধারে মিলল বালি চাপা দেওয়া লাশের সারি

গঙ্গা-যমুনা দিয়ে বয়ে চলেছে সার সার লাশ। কোথাও আবার নদীর ধারে জমা হচ্ছে মৃতদেহ। এবার নদীর ধারে বালিতে পুঁতে মৃতদেহ ফেলার খবর মিলল উত্তরপ্রদেশ থেকে। ঘটনাস্থল উন্নাও।স্থানীয় সূত্রে খবর, রাজধানী লখনউ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে যমুনা নদীর পাড়ে মিলেছে প্রচুর দেহ। যেগুলি বালিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। তবে এগুলি কোভিড আক্রান্তদের দেহ কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, উন্নাওয়ের অন্তত দুটি এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে বালি চাপা দেওয়া লাশের সারি। একসঙ্গে বহু লাশ এভাবে সমাধিস্থ করা হয়েছে। যা দেখে অনেকে মনে করছেন, হাসপাতালগুলি কোভিড মৃত্যু লুকোতে গণকবরের রাস্তা বেছে নিয়েছে। মৃতদের পরিবার পরিজনকে না জানিয়েই দেহ এভাবে লোপাট করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন অনেকে।এই ঘটনায় উন্নাওয়ের জেলাশাসক রবীন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, অনেকে দেহ দাহ করেন না। তাঁরা নদীর ধারে দেহ সমাধিস্থ করে চলে যান। এটা সেরকমই কোনও ঘটনা কিনা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পাওয়া মাত্র আধিকারিকদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে আসল সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করছেন। কোভিড রোগীদের দেহ কি এভাবে চাপা দিয়ে ফেলে রাখা হচ্ছে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে জেলাশাসক জানান, এগুলি কোভিড রোগীদের দেহ, এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। তবে সরকারি আধিকারিকরা যাই বলুন না কেন, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় এভাবে সার সার দেহ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাপে যোগী সরকার।উল্লেখ্য, দিন কয়েক ধরেই বিহার, উত্তরপ্রদেশের পর এবার মধ্যপ্রদেশের নদীতে ভাসতে দেখা গেল মৃতদেহ। পান্না জেলার রুঞ্জ নদীর তীরে ভেসে ওঠে দুটি মৃতদেহ। কোভিড পরিস্থিতিতে যা ফের আতঙ্ক সৃষ্টি করল। যদিও প্রশাসনের দাবি, মৃতদের সঙ্গে করোনা ভাইরাসের কোনও সম্পর্ক নেই। দুজনেরই মৃত্যুর কারণ ভিন্ন।

মে ১৩, ২০২১
দেশ

ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানির দাম

ভোট মিটতেই জ্বালানির দামের ফের ঊর্ধ্বমুখী দৌঁড় শুরু। বুধবারও অব্যাহত সেই ধারা। পর পর তিনদিন দাম বেড়ে কলকাতায় এ বছরে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছল পেট্রল। ডিজেলের দামও জ্বালা ধরাচ্ছে আমজনতার হেঁশেলে। বুধবার লিটারপ্রতি ২৪ পয়সা বেড়ে এ শহরে পেট্রলের দাম হল ৯২ টাকা ১৬ পয়সা। ২৫ পয়সা বেড়ে লিটার প্রতি ডিজেলের দাম দাঁড়াল ৮৫ টাকা ৪৫ পয়সা। গতকাল কলকাতায় প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ছিল ৯১ টাকা ৯২ পয়সা। পরশু দিনের চেয়ে ২৬ পয়সা বেড়েছিল প্রতি লিটারের দাম। ৩০ পয়সা বেড়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম হয়েছিল ৮৫ টাকা ২০ পয়সা। স্বাভাবিকভাবেই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে বাজারেও। উল্লেখ্যা, মে মাসের ১২দিনের মধ্যে ৭দিন বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম।চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটপর্ব চলাকালীন কিছুটা কমেছিল জ্বালানির দাম। তখনই রাজনৈতিক মহল দাবি করেছিল, ভোটের সময় মানুষের মন পেতে দাম কমানো হচ্ছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণা হতেই আবার পারদ চড়ছে জ্বালানির দামের। আর তাপে ছ্যাঁকা খেতে হচ্ছে আমজনতাকে। একে করোনাকালে বিধিনিষেধের গেঁরোয় রুজিরুটিতে চান পড়েছে অনেকের। তার উপর লাফিয়ে বাড়ছে খরচ। এর মাঝে জ্বালানির দামবৃদ্ধির জেরে ক্রমশ অগ্নিমূল্য হচ্ছে বাজার। দাম বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের।শুধু কলকাতা নয়, মুম্বইতেও পেট্রলের দাম বেড়ে হয়েছে প্রতি লিটারে ৯৮.৩৬ টাকা। ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি লিটারে ৮৯.৭৫ টাকা। রাজধানী দিল্লিতে পেট্রলের দাম হয়েছে ৯২.০৫ টাকা। অন্যদিকে,ডিজেলের দাম লিটারে বেড়ে হয়েছে ৮২.৬১ টাকা। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশের পর গতকাল মহারাষ্ট্রে সেঞ্চুরির গণ্ডি পেরিয়েছে পেট্রলের দাম।

মে ১২, ২০২১
দেশ

উত্তরপ্রদেশে মুসলিম ধর্মগুরুর শেষকৃত্যে উপচে পড়া ভিড়

দিল্লির নিজামুদ্দিনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল উত্তরপ্রদেশে। করোনা বিধি উড়িয়ে মুসলিম ধর্মগুরুর মৃত্যুতে উপচে পড়ল হাজার হাজার মানুষের ভিড়। এই মর্মে একটি মামলা দায়ের করেছে প্রশাসন।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁতে। গত রবিবার মৃত্যু হয় আবদুল হামিদ মহম্মদ সলিমুল কাদরি নামের এক মুসলিম ধর্মগুরুর। তারপর ভক্তদের জন্য স্থানীয় একটি মসজিদে রাখা হয়েছিল ওই ধর্মগুরু দেহ। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বদায়ুঁতে হাজির হয় কয়েক হাজার মানুষ। করোনা বিধি শিকেয় তুলে এই বিশাল জমায়েতের ঘটনায় সোমবার মামলা দায়ের করেছে প্রশাসন। বলে রাখা ভাল, করোনা সংক্রমণ রুখতে শেষকৃত্যে সর্বোচ্চ ২০ জন মানুষ উপস্থিত থাকার অনুমতি দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। এছাড়া, মাস্ক না পরে প্রথমবার ধরা পড়লে ১ হাজার টাকা ও দ্বিতীয়বার ১০ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে। তবে এসব কোনও আইন কানুনই সলিমুল কাদরির শেষকৃত্যে ভিড় আটকাতে পারেনি।মানা হয়নি করোনা বিধিও। ফলে মরকজের মতো এই জমায়েত থেকে সুপার স্প্রেডারদের ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১১, ২০২১
দেশ

করোনা রোগীর শেষকৃত্য থেকে ফিরে মৃত ২১!

করোনা রোগীর শেষকৃত্যে গিয়েছিলেন প্রায় শদেড়েক শ্মশানযাত্রী। ফেরার পর তাঁদের মধ্যে ২১ জনের মৃত্যু হল কয়েক দিনের মধ্যে। মৃতদের মধ্যে চারজনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। বাকিদের মৃত্যুও মারণ ভাইরাসের সংক্রণের ফলে হয়েছে কি না তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজস্থানের খিরভা গ্রামে।গত ২১ এপ্রিল গ্রামে নিয়ে আসা হয় করোনায় মৃত এক গ্রামবাসীর দেহ। তাঁর শেষকৃত্যে শামিল হন প্রায় ১৫০ জন শ্মশানযাত্রী। অভিযোগ, করোনা বিধি না মেনেই সেই শেষকৃত্যে অংশ নেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, মৃতদেহটি প্লাস্টিকে মোড়া ছিল। সেই মৃতদেহ অনেকে স্পর্শও করেছিলেন। সেদিনের পর থেকে ৫ মে পর্যন্ত ২১ জন শ্মশানযাত্রীর মৃত্যু ঘটে। তবে তাঁদের মধ্যে ৩-৪ জনের দেহেই করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এপ্রসঙ্গে লক্ষ্মণগড়ের মহকুমা শাসক কুলরাজ মীনা জানিয়েছেন, আমরা মৃতদের পরিবার-পরিজনদের মধ্যে ১৪৭ জনের দেহে করোনা পরীক্ষা করেছি। গ্রামটিতে কোনও গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়িয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতেই ওই পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, গ্রামটিকে জীবাণুমুক্ত করতে ইতিমধ্যেই অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের বারবার বোঝানো হয়েছে পরিস্থিতির গুরুত্ব। তাঁরা সকলেই সহযোগিতাও করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

মে ০৮, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনের করোনার বলি প্রায় ৪০০০

ফের নয়া রেকর্ড গড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ১৮৮ জন। একদিনে করোনার বলি ৩৯১৫। সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০৭ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৩৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৬৪।আইসিএমআর-এর রেকর্ড অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিডের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২১৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৪৯০। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৬ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৮ জনের। যা মোট জনসংখ্যার তুলনায় সামান্যই। টিকাকরণের শ্লথ গতির কথা অবশ্য মেনে নিয়েছে কেন্দ্রও।বৃহস্পতিবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ১২ হাজারের বেশি। আর শুক্রবার তা তৈরি করল নয়া রেকর্ড। মৃত্যুর হারও আগের কয়েকদিনের চেয়ে বেশি। সুস্থতার পরিসংখ্যানেও তেমন স্বস্তি নেই। এখনও পর্যন্ত করোনাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন দেশের ১ কোটি ৭৬ লক্ষ ১২ হাজার ৩৫১ জন। দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে দফায় দফায় জারি হচ্ছে লকডাউন। কোথাও আবার কার্ফু জারির মাধ্যমে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার চেষ্টা চলছে। কোভিড মোকাবিলায় ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে কার্যত গোটা বিশ্বই। ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, সুইডেন-সহ একাধিক দেশ চিকিৎসা সরঞ্জাম, টিকা দিয়ে সাহায্য করেছে। শুক্রবার সকালে সুইজারল্যান্ড থেকেই পণ্যবাহী বিমানে দিল্লিতে নেমেছে ৫০টি রেসপিরেটর, যা এই মুহূর্তে সংকটজনক করোনা রোগীকে বাঁচানোর চিকিৎসায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অক্সিজেনের অভাব মেটাতে বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্লান্ট। এত কিছু সত্ত্বেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিন রেকর্ড ভেঙেই চলেছে। দ্বিতীয় ধাক্কায় যদি এই পরিস্থিতি হয়, তবে আসন্ন তৃতীয় ঢেউ আরও কতটা ভয়ংকর হবে, তা ভেবেই আশঙ্কিত আমজনতা।

মে ০৭, ২০২১
দেশ

টানা তিনদিন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি

ভোট মিটতেই জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যে ফের নাজেহাল দেশবাসীর। বাংলা-সহ চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গত মঙ্গলবার থেকেই চড়তে শুরু করেছে পেট্রল-ডিজেটেল দাম। এই নিয়ে টানা তিনদিন বাড়ল দাম।এবার বিভিন্ন শহরে একলাফে ২০ থেকে ৩০ পয়সা বাড়ল জ্বালানি তেলের মূল্য। অর্থাৎ হিসেব বলছে, তিনদিনের মধ্যে ৪০-৫০ পয়সা পেট্রলের লিটারপ্রতি মূল্যবৃদ্ধি হল। ডিজেল লিটার পিছু বাড়ল ৫০-৬০ পয়সা। যা নিঃসন্দেহে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে আমজনতার কপালে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রাজধানী দিল্লিতে যেমন ২৫ পয়সা বেড়ে লিটারপ্রতি পেট্রলের দাম হল ৯০.৯৯ টাকা। বৃহস্পতিবার ডিজেলের মূল্য বেড়ে হয়েছে ৮১.৪২ টাকা। বুধবারই যা ছিল ৮১.১২ টাকা। কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম ৯০.৯২ টাকা থেকে বেড়ে (২২ পয়সা) হল ৯১.১৪ টাকা। আজ সকাল ৬টা থেকে এক লিটার ডিজেলের জন্য খরচ করতে হবে ৮৪.২৬ টাকা (২৮ পয়সা)।এদিকে মুম্বইয়ে ফের আকাশছোঁয়া জ্বালানি তেলেন দাম। ২২ পয়সা বেড়ে লিটারপিছু পেট্রলের দাম গিয়ে পৌঁছল ৯৭.৩৪ টাকায়। বাণিজ্যনগরীতে লিটারপ্রতি ৩০ পয়সা বাড়ল ডিজেলের মূল্য। ৮৮.৪৯ টাকায় মিলবে এক লিটার ডিজেল। চেন্নাইয়ের বাসিন্দাদের এক লিটার পেট্রল ও ডিজেলের জন্য এখন দিতে হবে ৯২.৯০ এবং ৮৬.৩৫ টাকা।বিশ্বজুড়ে করোনার দাপটে একধাক্কায় অনেকটা কমেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। যার জেরে অপরিশোধিত তেলের দামও নিম্নমুখী। গত বছরও করোনার কোপ আর লকডাউনের জেরে পেট্রল-ডিজেলের আমদানি কমিয়ে ফেলেছিল ভারত। এবছরও নতুন করে মারণ ভাইরাসের চোখ রাঙানির কারণে ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে একাধিক শহর। ফলে চাহিদা কমছে পেট্রল-ডিজেলের। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভোট শেষ হতেই দেশে এই নিয়ে তৃতীয় দিন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় ফের সমালোচনায় বিদ্ধ কেন্দ্র সরকার।

মে ০৬, ২০২১
দেশ

ভোট শেষ হতেই টানা ২ দিন ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল-ডিজেলের দাম

পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ভোট শেষ। আর ভোট মিটতেই ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল-ডিজেলের দাম। বুধবারও ফের দাম বাড়ল জ্বালানির। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন। যা ইতিমধ্যে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে সাধারণ মানুষকে।জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে ১৯ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে লিটারপিছু পেট্রলের দাম। রাজধানী দিল্লিতে এদিন এক লিটার পেট্রলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০.৭৪ টাকা। দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে এক লিটার পেট্রল মিলছে ৯৭ টাকা ১২ পয়সায়। এ শহরেও দামী হয়েছে পেট্রল। কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম ৯০.৭৬ টাকা থেকে বেড়ে হল ৯০.৯২ টাকা। অর্থাৎ এখানে পেট্রলের দাম বেড়েছে ১৬ পয়সা। অন্যদিকে, আরেক মহানগর চেন্নাইয়ে পেট্রল মিলছে লিটারপ্রতি ৯২.৭০ টাকায়।একইভাবে দেশজু়ড়ে দাম বেড়েছে ডিজেলেরও। লিটারপিছু ২১ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে ডিজেলের দাম। দিল্লিতে এক লিটার ডিজেলের দাম ২১ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১.১২ টাকা। দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে এক লিটার ডিজেল মিলছে ৮৮ টাকা ১৯ পয়সায়। এ শহরেও দামী হয়েছে ডিজেল। কলকাতায় এক লিটার ডিজেলের দাম ২০ পয়সা বেড়ে হয়েছে ৮৩.৯৮ পয়সা। অন্যদিকে, চেন্নাইয়ে ডিজেল মিলছে লিটারপ্রতি ৮৬.০৯ টাকায়।বিশ্বজুড়ে করোনার দাপটে একধাক্কায় অনেকটা কমেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। যার জেরে অপরিশোধিত তেলের দামও নিম্নমুখী। গত বছরও করোনার কোপ আর লকডাউনের জেরে পেট্রল-ডিজেলের আমদানি কমিয়ে ফেলেছিল ভারত। এবছরও নতুন করে মারণ ভাইরাসের চোখ রাঙানির কারণে ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে একাধিক শহর। ফলে চাহিদা কমছে পেট্রল-ডিজেলের। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভোট শেষ হতেই দেশে এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় ফের সমালোচনায় বিদ্ধ কেন্দ্র সরকার।

মে ০৫, ২০২১
দেশ

পরপর দু’দিন কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য কোমর বেঁধে নামতেই মিলল ইতিবাচক ফল। একদিকে যেমন টিকাকরণের গতি বেড়েছে, তেমনই একাধিক শহর হেঁটেছে পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে। সমস্ত কোভিড প্রোটোকল মানার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি চলছে। যার ফল মিলল পরিসংখ্যানে। পরপর দুদিন দেশে সংক্রমণ নিম্নমুখী। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠলেন তিন লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে মহারাষ্ট্রেও। তবে জুলাই ও অগস্টে সে রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও উদ্ধব সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত পরিস্থিতির জন্য তারা তৈরি। গোটা দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৩৩-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩,৪৪৯ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪০৮ জন। তবে চিন্তায় রাখছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৩৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৩৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২০ হাজার ২৮৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১৩ হাজার ২৯২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৫ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসি্এমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৪২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

মে ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 49
  • ...
  • 62
  • 63
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র ৮ মাসেই ভেসে গেল কোটি টাকার সেতু! কাটমানির অভিযোগে বিস্ফোরক শুভেন্দু

উত্তরবঙ্গের প্রবল বর্ষণে বড় ধাক্কা খেল দুধিয়া সেতু। মাত্র আট মাস আগে তৈরি হওয়া এই সেতু ভেসে যাওয়ায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের সরাসরি যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন সেতু কীভাবে ভেসে গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুধিয়া সেতু নির্মাণে কোনও অনিয়ম বা কাটমানির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষকে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে দেওয়া।মুখ্যমন্ত্রী জানান, টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় ছোট-বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিং, মিরিক এবং সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। নবান্নের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে। সেচ দপ্তর ও জেলা প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও জানান, বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসন কাজ করছে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুধিয়া সেতু ভেসে যাওয়ার ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত কম সময়ে নতুন নির্মিত সেতুর এমন পরিণতি কেন হল? প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষা করছেন দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal