• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

এবার অভিষেককে নিয়ে মোদীর দরবারে মমতা, নয়া কৌশল তৃণমূলের

বুধবার বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবারই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই রাজধানী যাবেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের যে প্রতিনিধি দল যাবে তাতে থাকছেন অভিষেক।বাংলার বকেয়া নিয়ে সরব তৃণমূল। দাবি আদায়ে পুজোর আগে দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধরনা কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু, পুজো মিটতেই সেই আন্দোলন গতি হারায়। বদলে শাসক দলের অন্দরের বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। চর্চায় আসে জোড়া-ফুলের অন্দরের এক ব্যক্তি এক পদ ও বয়সসীমা বিতর্ক। স্পষ্টতই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে মতপার্থক্য ধরা পড়ে। আর তাতেই তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। গুঞ্জন চলে ঘাস-ফুলের অন্দরেও।নভেম্বরের শেষে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দেখা যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চোখে রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর গড়হাজিরা বলে দাবি করেছিলেন খোদ দলনেত্রী। এরপর কুণাল ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের শুরু। তিনি বলেছিলেন, কারা এটা করেছেন, আমি বলতে পারব না। তবে এটা ঠিক হয়নি। এখন অভিষেকের ছবি ছাড়া তৃণমূলের মঞ্চ অসম্পূর্ণ। এটা হতে পারে না। যা মমতা-অভিষেককে ঘিরে দলের অন্দরে নেতৃত্বের আড়াআড়ি টানাপোড়েনের ইঙ্গিত জোড়াল করেছিল। তারপর কুণাল বলেছিলেন, ব্যাপারটা কখনওই মমতাদি বনাম অভিষেক নয়। ব্যাপারটা মমতাদি এবং অভিষেক। একজনকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। আর একজন সময়ের কথা বিবেচনা করে দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখছেন। কিন্তু এতে বিতর্কের ইতি ঘটেনি।এরপর মমতা-অভিষেককে একসঙ্গে নজরে পড়েনি। উল্টে খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অভিষেক রাজনীতিতে প্রবীণদের প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজনীতিতে তারুণ্যের পক্ষে সওয়াল করেন। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় অবশ্য আশি ছুঁইছুইঁ সৌগত রায়ের নাম করেই তাঁকে আগামিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও দলে বয়সসীমা ও এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে নিজের অবস্থান অনড় থাকেন। যা পিসি-ভাইপোর প্রকট মতভেদের প্রকাশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
দেশ

জম্মু কাশ্মীরের বাতিল ৩৭০ ধারা নিয়ে ঐতিহাসিক সুপ্রিম রায়, উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির

জম্মু কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা প্রত্যাহারকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতের সংবিধান বেঞ্চে। চার বছর বাদে সোমবার ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় স্পষ্টতই জানিয়ে দেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে সামিল হওয়ার পর তার আর সার্বভৌমত্ব ছিল না। সুপ্রিম কোর্ট এও জানিয়ে দিয়েছে, উপত্যকায় সংবিধানের ৩৭০ ধারা প্রয়োগ করে যে ব্যবস্থা ছিল তা একেবারেই অস্থায়ী। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল না। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ২০১৯ সালের ৩১শে অক্টোবর রাষ্ট্রপতি শাসন প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। কিন্তু লেফটেন্যান্ট গভর্নর বা উপরাজ্যপালের মাধ্যমে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রশাসন চালাচ্ছিল দিল্লি।সংবিধানের ৩৫৬ ধারা মোতাবেক জম্মু ও কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট এদিন বলেছে, সংবিধানের ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হলে কেন্দ্রকে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সব সিদ্ধান্তকেই কথায় কথায় আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। জম্মু-কাশ্মীরে আগামী ৯ মাসের মধ্যে ভোট করাতে হবে। অর্থাৎ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ভোট করাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে লাদাখকে পৃথক করে সেটিকে একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদে সেই প্রস্তাব দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে পাশ করানোর পর রাষ্ট্রপতি তাতে অনুমোদন দিয়েছেন। এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, লাদাখকে পৃথক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে গড়ে তোলার পদক্ষেপও ছিল বৈধ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
দেশ

সুড়ঙ্গের শেষে আলোর দেখা কি মিলবে? পরিযায়ীরা রইলেন সেই তিমিরেই

অবশেষে সুড়ঙ্গ থেকে মুক্তি। আলোর উৎসবের দিন উত্তর কাশির সিল্কিয়ারা- বারকোট সুড়ঙ্গের অন্ধকারে বন্দি হয়েছিলেন একচল্লিশ (৪১) জন শ্রমিক। ১৭ দিন ধরে চলা জীবন মৃত্যুর পাশা খেলায় জিতে আটাশে নভেম্বর এসেছিল মুক্তি। তারপরে দেশ জুড়ে খবরের কাগজ, টেলিভিশন আর সামাজিক মাধ্যমে বীরের অভ্যর্থনা। খবরের কাগজের প্রথম পাতায়, টেলিভিশনের পর্দায় ছবি আর সাক্ষাৎকারের ছড়াছড়ি। তবে তার আয়ু বড় জোর দু থেকে তিন দিন। এরপরেই আবার পর্দার আড়ালে। যাদের নিয়ে এই সাময়িক মাতামাতি তাঁরা সবাই পরিযায়ী শ্রমিক। আচ্ছা, এদের শেষ কবে দেখেছিলেন মনে আছে? বেশ, আমিই আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।সময়ের কাঁটা টাকে একটু পিছিয়ে দিন। তখন বিশ্বজুড়ে মারণ রোগ করোনা ভাইরাসের দাপটে গুটিয়ে গিয়েছে। ভারতেও তার প্রকোপ তীব্র। মারন রোগ ঠেকাতে হঠাৎ ই লকডাউন ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। এই হঠাৎ ঘোষণায় বিদেশ বিভুঁইয়ে রোজগার হারিয়ে, মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের পায়ে হেঁটে ছেলে বৌয়ের হাত ধরে স্বভূমিতে ফেরার আপ্রান চেষ্টা দেখেছিল গোটা দেশ। রাজ্যে রাজ্যে সড়ক পথে স্টেশনে বাস টার্মিনাসে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঢল নেমেছিল। তাঁদের অনেকেই রাস্তায় ক্ষুধায়, তৃষ্ণায়, ক্লান্তিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন। অনেকে আবার বিষন্ন মনে ট্রেন লাইন ধরে চলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ কেউ আবার হাজার মাইল পথ হেঁটে নিজ ভূমে ফিরেছিলেন অবসন্ন দেহ নিয়ে। সেই সময় ও সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়েছিল এদের ছবি আর সাক্ষাৎকার। তারপরে আবার এর চলে গিয়েছিলেন বিস্মৃতির অতল গহ্বরে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় অথবা মহামারিতে প্রান না গেলে এরা তো অগোচরেই থাকেন।দিন প্রতিদিন আমাদের নজর বাতিতে যারা আলোকিত থাকেন তাঁরা হলেন সেলিব্রিটি (Celebrity)। তাই বলিউডের, টলিউডের নায়ক, নায়িকা, ক্রীড়া জগতের নক্ষত্র, রাজনীতিবিদ, অথবা অন্যান্য ক্ষেত্রের দামী ব্যাক্তিদের নামে স্টেডিয়ামের নাম করণ হয়। রাস্তার নাম করণ হয়, মূর্তি তৈরি হয়। কিন্তু যারা স্টেডিয়াম, হাইওয়ে, উড়ালপুল, রেলপথ তৈরি করেন, যাদের শ্রমে ছোট বড়ও কারখানা চলে সেই পুরুষ ও মহিলা শ্রমিকরা নিভৃতবাসেই থেকে যান। অথচ এরাই আমাদের জাতীয় মানবসম্পদ। রুজির খোঁজে পরবাসে গিয়ে অবজ্ঞা, সন্ত্রাস, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে থেকে এরা কাজ করে চলেন। অথচ রাস্ট্রীয় চেতনায় এরা সবাই পরিহার্য। তাই স্বাস্থ বিপর্যয়ে এদের শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া যায়। নির্মীয়মান সুড়ঙ্গ, বহুতল, সেতু অথবা উড়ালপুল ধসে পড়ে এদের মৃত্যু হলে রাস্ট্র নির্বিকার থাকে। কর্মস্থলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জনিত সরঞ্জাম না থাকায় এদের মৃত্যু হলে মালিকদের জবাবদিহি করতে হয় না। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে দেশের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ মানুষ কাজের খোঁজে বাসস্থান ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য হন। পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলো থেকে আর্থিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে থাকা রাজ্যগুলোয় গিয়ে কাজ করেন তাঁরা। পিছনে পড়ে থাকে গ্ৰাম, পরিবার।এদের নিয়ে দেশে একটা আইন রয়েছে। তাহলো Inter State Migrant Work Men Act, 1979. এই আইনে বলা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বাসস্থান, স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা, ন্যুনতম মজুরি এবং সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এর কোনোটাই তাঁদের ধরা ছোঁয়ার মধ্যে থাকে না। হাইওয়ে, স্মার্টসিটি, উড়ালপুল, রেলপথ ও স্টেডিয়াম তৈরির জন্য রাস্ট্রের নীতি রয়েছে। এইসব প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন নিয়ে নেতা মন্ত্রীদের আস্থা রয়েছে। অথচ যারা এই প্রকল্পগুলি গড়ে তোলেন তাদের জন্য আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই। পরিযায়ী শ্রমিকরা আমাদের দেশের অদৃশ্য নাগরিক। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, নির্মান বিপর্যয় এবং মহামারিতে তাঁরা বন্দি অথবা প্রান হারালে তবেই দৃশ্য মান হন। ততদিন এঁরা থাকুন ঘুমিয়ে পড়া অ্যালবামে

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
দেশ

এবার আর অভিষেক নয়, সাংসদদের নিয়ে ডিসেম্বরেই দিল্লি অভিযানের ডাক মমতার

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকও উপস্থিতি ছিলেন। রাজ্যের পাওনাগণ্ডা আদায়ে গত অক্টোবরে রাজধানীর বুকে আন্দোলনে নেমেছিলেন তৃণমূল। যার নেতৃত্বে ছিলেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁকে পুলিশের হাতে হেনস্থাও হতে হয়েছে। দুমাসের মধ্যে ফের একবার দিল্লি অভিযানে নামছে জোড়া-ফুল। তবে এবার আর অভিষেক নয়, অভিযানের নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নেতাজী ইন্ডোরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে এই ঘোষণা করেছেন সুপ্রিমো।আগামী মাসেই দিল্লি চলো-র ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুর চড়াতে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন। নেতাজী ইন্ডোরে এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে আমরা দিল্লিতে যাব। সেই সময় সংসদে অধিবেশন চলবে। আমি দলের সব সাংসদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার সময় চাইব। যদি সময় দেন ভাল, নাহলে রাস্তাই আমাদের পথ দেখাবে। যদি আমাদের মারে, মারুক অসুবিধা নেই। সিপিএমের কাছে অনেক মার খেয়েছি। আপনাদের কাছেও না হয় একটু মার খেলাম। মার খেলে শক্তি বাড়ে, চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। এখন থেকে তৈরি হতে হবে।গত ৩ অক্টোবর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছিল তৃণমূলের সাংসদ-মন্ত্রীরা। অভিষেক তখনই জানিয়েছিলেন, এই আন্দোলনে দিল্লির সরকার বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল। সেইমতই দিল্লির অভিযানের সময় ঘোষণা করলেন দলনেত্রী। তবে এখনও দিনক্ষণ জানাননি। আগামী দিনে রাজধানীতে কি তোলপাড় হয় সেদিকেই এখন নজর।বকেয়া থেকে ইন্ডিয়া জোট- একাধিক ইস্যুতে এ দিন মোদী সরকারকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ইন্ডিয়া জোট প্রসঙ্গে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেছেন, দিল্লি এবার দখল হবে। আর তিন মাস ওঁদের মেয়াদ। কিন্তু আমাদের ১০০ দিনের কাজ, বাংলা আবাস ও রাস্তার টাকা দিতেই হবে। এটা তোমাদের টাকা নয়, জনগণের টাকা। জনগণের টাকা ফেরত দাও, নইলে বিদায় নাও। এর বাইরে আর কোনও কথা নেই।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
দেশ

সিকিমে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ভেসে গেল সেনা ছাউনি, ২৩ সেনা জওয়ান নিখোঁজ

উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ফেটে যাওয়ার কারণে লাচেন উপত্যকার তিস্তা নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। উপত্যকা বরাবর কিছু সেনা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিস্তারিত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। চুংথাং বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে নিম্নধারায় ১৫-২০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত জলস্তর হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সিংটমের কাছে বারডাং-এ পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৩ জন কর্মী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে এবং কিছু যানবাহণ তলিয়ে গিয়ছে বলে জানা গেছে। তল্লাশি অভিযান চলছে।মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে রীতিমতো সিকিমে ধ্বংসলীলা চলেছে। নিখোঁজ হয়েছে ২৩ সেনা জওয়ান, চলছে জোর তল্লাশি। উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে তিস্তা নদী প্লাবিত হয়েছে। সেনা জওয়ানদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ।প্রতিরক্ষা বিভাগের জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদের উপর হঠাৎ মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর জলস্তর বেড়ে যায়। আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দেখা দেয়। এ কারণে সিংগামের কাছে বারডাংয়ে পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়িগুলি তলিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে ২৩ জন সেনা কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। তল্লাশি অভিযান চলছে। ঘটনার পর সিকিম সরকার রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং জনগণকে তিস্তা নদীর পাড় থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

দিল্লিতে অভিষেকদের কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার, প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক বাংলায়

কৃষিভবনে রাজ্যের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ জানাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। শুধু তাই নয় টেনেহিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে আটক করা হয় তৃণমূলের নেতানেত্রীদের। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর কাছে অভিষেকের নেতৃত্বে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। মন্ত্রী দেখা তো করেনইনি। উলটে, রাত ৯টার পর বিশালসংখ্যক পুলিশবাহিনী কৃষিভবনে প্রবেশ করে। পুলিশ তৃণমূল নেতাদের জানায়, অবিলম্বে কৃষিভবন খালি করে দিতে হবে। কৃষিভবন বন্ধ করা হবে। তৃণমূল নেতারা কৃষিভবন থেকে বের হতে না-চাওয়ায় তৃণমূলের প্রতিনিধিদের প্রথমে চ্যাংদোলা করে, জোর করে কৃষিভবন থেকে বের করে দিল্লি পুলিশ।এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল নেতাদের আটক করে বাসে চাপিয়ে পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়। তিনটি বাসে চাপিয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের নিয়ে যাওয়া হয়। পর্যন্ত তৃণমূলের আটক সাংসদদের উৎসব সদন মুখার্জিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানার ভিতর থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বাসে চাপিয়েই পুলিশ নিয়ে চলে যায় উৎসব সদন সশস্ত্র পুলিশের ক্যাম্পে। খবর পেয়ে রাতেই ক্যাম্পের বাইরে জড় হন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। রাত ১১টা নাগাদ তাঁদের পুলিশলাইন থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।এর আগেই তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল কৃষিমন্ত্রী গিরিরাজ সিং থাকবেন না। বদলে কৃষি ভবনে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির কাছে মঙ্গলবার সন্ধে ৬টা নাগাদ বাংলার বঞ্চিত জব কার্ড হোল্ডারদের চিঠি পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল অভিষেক-সহ তৃণমূল নেতৃত্বের। সময় মতই মন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেও গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের নেতারা। তারপর প্রায় ঘন্টা তিনেক অতিক্রান্ত হলেও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দেখা করেননি প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। উলটে তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, পাঁচ জন এলে দেখা করতেন মন্ত্রী। কিন্তু, ৪০ জন এসেছেন, তাই তিনি দেখা করবেন না। এই কথা জানার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।বঞ্চিতদের চিঠি নিজের কাঁধে চাপিয়ে নিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী না দেখয় করায় তিনি কৃষি ভবনের মেঝেতেই বসে পড়েন। তাঁর দাবি, মন্ত্রী দেখা না-করা পর্যন্ত কৃষিভবন ছাড়বেন না। তাঁর দেখাদেখি কৃষিভবনের মেঝেতে বসে ধরনা শুরু করেন তৃণমূলের অন্যান্য প্রতিনিধিরাও। কৃষিভবনে ধরনা চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা অভিযোগ করেন, বিকেলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কৃষিভবনে এসেছিলেন। মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু, বঞ্চিতদের প্রতিনিধি তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে মন্ত্রী দেখা করেননি। উলটে একেকবার একেকরকম কথা বলে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বিভ্রান্ত করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাত ৯টাতেও কৃষি ভবনে মন্ত্রীর অপেক্ষায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা।তার আগে রাত আটটার পর কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির দফতর থেকেই অপেক্ষমাণ তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ভিডিও বার্তায় বলেন, দেখা করব বলেছিলেন। ওঁনার দেওয়া সময় মতই আমরা এসেছি। দুপুরে উনি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন। বাংলার টাকা আটকে রাখার চিঠি নিয়েছেন। আর আমাদের সময় দিয়েও এখন মন্ত্রী বলছেন আসবেন না।কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা বাংলার বকেয়া অর্থের দাবিতে ৪০ জনের প্রতিনিধি নিয়ে এসেছেন। সেই প্রতিনিধিদলে আছেন বাংলার তৃণমূল সাংসদ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বহু মন্ত্রী এবং ১০০ দিনের কাজ করেও মজুরি থেকে বঞ্চিত বেশ কয়েকজন। এত লোকের সঙ্গে মন্ত্রীর দেখা করা সম্ভব নয়। সর্বাধিক তৃণমূলের পাঁচ জন প্রতিনিধি এলে দেখা করতেন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে না-জানিয়েই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কৃষি ভবন থেকে বেরিয়ে যান বলে খবর পান তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূল নেতৃত্ব দিল্লিতে গ্রেফতার হয়েছে, সেই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দিল্লির রাজপথে নেমে পড়েন তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতেও শুরু হয় বিক্ষোভ। রাজ্য বিজেপির দফতরের বাইরেও বিক্ষোভ চলে। দিল্লিতে কৃষিভবনের বাইরেও তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। কিন্তু, কৃষিভবনের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিল।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

ইডির তদন্তে স্বস্তিতে ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়, হাইকোর্টে শুনানি আগামীকাল

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ। এর আগে বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, আজ ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে ইডিকেই। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। আগামিকাল ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেকের মামলার শুনানি হবে।উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল ইডি। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একগুচ্ছ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তারই ভিত্তিতে অভিষেককে ডেকে পাঠিয়ে কলকাতার অফিসে এর আগে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।ফের একবার আজ ৩ অক্টোবর ফের তাঁকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও পরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ ইডির তলবে যাবেন না বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন।অভিষেকের সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের পরেই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বিষয়টি আদালতের সামনে রেখেছিলেন। তারই ভিত্তিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডিকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করবে হবে।যদিও এক্ষেত্রে সরাসরি কারও নাম নেননি বিচারপতি। বিচারপতি সিনহার সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই এবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০৩, ২০২৩
দেশ

আবর্জনা মুক্ত ভারত গড়ার অঙ্গীকার কলকাতার জিএসআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতরে

আবর্জনা মুক্ত ভারত-এর যুগের অঙ্গীকারে ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভে, পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তর, কলকাতা, রবিবার এক ঘন্টা শ্রমদানের মাধ্যমে Swacchata Hi Seva 2023 অভিযান সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়। সল্টলেকের জিএসআই কার্যালয়ে ও আনন্দলোক হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার আবর্জনা অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতার প্রচারের প্রচেষ্টায় ৫০০ জন জিএসআই কর্মীবৃন্দ ও নাগরিক সমবেত হয়েছিলেন। গান্ধী জয়ন্তীর প্রাক্কালে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। জিএসআই, পূর্বাঞ্চল শাখার অ্যডিশেনাল ডিরেক্টার জেনারেল এবং এইচ ও ডি, শ্রীমতি বর্ষা অশোক আগলাওয়ের তত্ত্বাবধানে Ek Tarikh Ek Ghanta এক ঘণ্টার শ্রমদান অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অধ্যক্ষা সারা বছর নিয়মিত কার্যালয়ে ও সংলগ্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার বিষয়ে জোর দেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সকল ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল, ডিরেক্টর, উচ্চপদস্থ কর্মচারী ও অন্যান্য কর্মীবৃন্দ এবং অস্থায়ী স্টাফ পূর্ণ উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন। প্রবীণ নাগরিকসহ স্থানীয় লোকজন ব্যাপকভাবে এই বৃহৎ পরিচ্ছন্নতা কর্মকাণ্ডে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট জাতীয় ফুটবল খেলোয়াড় সন্দীপ নন্দী। তিনি একটি পরিষ্কার পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করেন।

অক্টোবর ০১, ২০২৩
দেশ

সর্বভারতীয় ইন্ডিয়া জোট কি এ রাজ্যেও, পোস্টার ঘিরে জোর বিতর্ক বাংলায়

ইন্ডিয়া জোট নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধীরা একজোট হয়েছে। জোটে রয়েছে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেস ও সিপিএমও। এবার এই ইন্ডিয়া জোটের হোডিং ঘিরে চরম বিতর্ক। সেই হোডিংয়ে একসঙ্গে রয়েছে মমতা-সনিয়া, রাহুল-অভিষেক এবং সেলিম-সুজন-অধীরের মুখ! সেখানে লেখা, ইনক্লাব জয় বাংলা স্লোগান। হুগলির চাঁপদানী, ভদ্রেশ্বর, পোলবা এলাকার বহু জায়গায় এই ধরনের হোডিং পড়েছে। যা নিয়েই বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জল্পনা।দিল্লির মসনদ থেকে মোদী সরকারকে উৎখাত করতে কোমর বাঁধে নেমেছে বিরোধী ২৮টি রাজনৈতিক দল। তৈরি হয়েছে ইন্ডিয়া জোট। কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিআইএম সহ বিজেপি বিরোধী প্রায় সব রাজনৈতিক দলই এই জোটের শরিক। জাতীয়স্তরে জোট হলেও বিভিন্ন রাজ্যে এই জোট কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এদিকে প্রাদেশিক রাজনীতির সমীকরণের জেরে বাংলায় ইন্ডিয়া জোট নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। পঞ্জাব, দিল্লি, কেরলেও একই অবস্থা। পশ্চিমবঙ্গে যখন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা ইস্যুতে সরব কংগ্রেস ও সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্ব, তখন জাতীয়স্তরে ইন্ডিয়া জোটে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ওইসব দলের ভিতর থেকে। সিপিআইএম স্পষ্ট জানিয়েছে, সর্বভারতীয়স্তরে তৃণমূলের সঙ্গে এক শিবিরে থাকলেও বাংলায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে দলের লড়াই চলবে। একই অবস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি চৌধুরীরও। যদিও কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতারা এ নিয়ে কিছু খোলসা করেননি। ফলে কৌস্তভ বাগচির মত কংগ্রেস নেতারা এ নিয়ে সরব।এই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়া জোটের হোডিংয়ে একসঙ্গে মমতা-সনিয়া, রাহুল-অভিষেক এবং সেলিম-সুজন-অধীরের মুখ ঘিরে নানা জল্পনা। কিন্তু কারা লাগিয়েছে ওই হোডিং? এর জবাব নেঔ জোটের শরিক কোনও দলের জেলা নেতার কাছে। কেউ হোর্ডিং-এ সাইন-আপও করেনি।এই হোর্ডিং প্রসঙ্গে সিপিআইএম জেলা সম্পাদক তথা রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দেবব্রত ঘোষের কথায়, পোস্টার বা ব্যানারের তলায় কি কারোর নাম আছে? যখন অজানা কেউ এই ধরণের কিছু ছাপিয়ে শহরে টাঙায় তাহলে তাকে গুরুত্ব দিয়ে লাভ নেই। আর এরকম কিছু আমার চোখেও পড়েনি। তাই এই বিষয় নিয়ে কিছু বলবো না। তাঁর কটাক্ষ, যারা এসব ছাপিয়েছে তারা মোদীর ছবিটাও ওই ব্যানার বা ফ্লেক্সে দিতে পারতো তাহলে তা ষোল কলা পূর্ন হত।হুগলির প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রীতম ঘোষের কথায়, এখনও এই জোটের অনেক পথ চলা বাকি। এখনও অনেক কিছু হবে। সবই প্রাথমিক পর্যায়। তাই এখনও সময় হয়নি এই জোট নিয়ে আলোচনার। ব্যানার পোস্টার ছাপানো তো দূরের ব্যাপার।তৃণমূলের হুগলি জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলছেন, এটা কারা লিখেছে, সেটা আমাদের জানা নেই। ইন্ডিয়া জোট শক্তিশালী হোক, এটা আমরা সবাই চাই। বিজেপিকে আটকাতে হলে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে হবে। তবে এই পোস্টার বা ব্যানার কারা লাগাচ্ছে, সেটা আমাদের জানা নেই।যারপরনাই এই অবস্থা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে বিজেপি। জেলা বিজেপির সম্পাদক দীপাঞ্জন গুহর দাবি, নীতি, আদর্শ চ্যূত জোটের এই অবস্থা মানুষ দেখুক। আমরা এতে চিন্তিত নই। এই লড়াই বিরোধী জোটের অভ্যন্তরীণ লড়াই। সহজেই বোঝা যায় এরা ক্ষমতায় এলে কি করতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩
দেশ

দেশের সেরা পর্যটন গ্রামের শিরোপা বাংলার, ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের

সারা দেশের মধ্যে পর্যটনে শ্রেষ্ঠ গ্রামের শিরোপা ছিনিয়ে নিল বাংলারই একটি গ্রাম। নতুন পালক যুক্ত হল বাংলার মুকুটে। অভূতপূর্ব এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদেশে থেকেও এই গর্বের তথ্য নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে পর্যটনে দেশের সেরা গ্রামের বাসিন্দাদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভারত সরকার পর্যটনে দেশের সেরা গ্রাম হিসেবে মুর্শিদাবাদ জেলার কিরীটেশ্বরীকে সম্মান প্রদান করেছে। ৩১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছিল। ২০২৩ সালে এদের মধ্যে থেকে সেরা পর্যটন গ্রাম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদের কিরীটেশ্বরীকে। পর্যটন মন্ত্রকের তরফে এই স্বীকৃতি ।মুখ্যমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কিরীটেশ্বরীকে ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রক দেশের সেরা পর্যটন গ্রাম হিসেবে নির্বাচিত করেছে। দেশের ৩১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত ৭৯৫টি আবেদনের মধ্যে ২০২৩ সালে সেরা পর্যটন গ্রাম প্রতিযোগিতা হয়েছিল। সেখানেই এই নির্বাচন হয়েছে। পর্যটন মন্ত্রক আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান করবে। আমি ওই গ্রামের বাসিন্দাদের অভিনন্দন জানাই। জয় বাংলা!Glad to share and announce that Kiriteshwari in the Murshidabad district of West Bengal has been selected by the Ministry of Tourism, Government of India, as the Best Tourism Village of India. The selection has happened in the Best Tourism Village Competition,2023, from among 795 Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 21, 2023কিরীটেশ্বরী মন্দিরে মোটামুটি সারা বছরই ভক্তদের ঢল থাকে। দেবী পার্বতীর মুকুট এখানে পড়েছিল বলে পুরাণে কথিত রয়েছে। এলাকাবাসীদের বক্তব্য, মন্দিরটি প্রায় ১ হাজার বছরের পুরনো। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে যান এই মন্দিরে। দেশের সেরা পর্যটন গ্রামের স্বীকৃতি পাওয়ায় এবার পর্যটনের কতটা উন্নয়ন হয় সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
দেশ

এবার হাওড়া-পাটনা বন্দে ভারত যাত্রা শুরু শীঘ্রই, এই ট্রেনগুলিতে যুক্ত একাধিক সুবিধা

আগামী ২৪সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নয়টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। যার মধ্যে রয়েছে পাটনা-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। দেশীয়ভাবে তৈরি আধা-হাই-স্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি ইতিমধ্যেই স্থল পরিবহনের দ্রুততম মাধ্যম হিসাবে যাত্রী এবং ভ্রমণকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। পশ্চিমবঙ্গ ইতিমধ্যেই হাওড়ানিউ জলপাইগুড়ি, নিউ জলপাইগুড়িগুয়াহাটি এবং হাওড়াপুরী রুটে তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পেয়েছে।নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার ভারতের নাগরিকদের সেবায় সমস্ত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আনার জন্য সর্বদা বদ্ধপরিকর। যাত্রীদের আরও সুবিধার জন্য বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের রেকগুলিতে আরও বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে।নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রেকগুলিতে আরও যাযা সুবিধা যুক্ত হল: আসন হেলান কোণ 17.31 ডিগ্রী থেকে 19.37 ডিগ্রী পর্যন্ত বৃদ্ধি করা, আসনের নীচে মোবাইল চার্জিং পয়েন্টের উন্নত ব্যবস্থাপনা, ECC আসনে নানাবিধ সুবিধা, বাথরুমে নানা সুবিধা যুক্ত করা সহ প্রায় ২৫ ধরনের বাড়তি ফিচার যুক্ত হচ্ছে বন্দে ভারতে। নতুন বৈশিষ্ট্যগুলি কেবল যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক উপাদানই নয়, যাত্রীদের নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৩
দেশ

ধূপগুড়িতে জয় তৃণমূলের, উচ্ছ্বসিত মমতা গেলেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয় প্রসঙ্গে বলেন, আমি ধুপগুড়ির মানুষকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। চা বাগান থেকে রাজবংশী সবাই যেভাবে তৃণমূলকে সমর্থন করেছেন। বিজেপির একটা শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির মন্ত্রীরা সবাই ওখানে পড়েছিলেন। উত্তরবঙ্গের বড় জয়। সারা ভারতে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে চারটিতে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট জয়লাভ করেছে। উত্তর প্রদেশের মত জায়গাতে বিজেপি হেরেছে। ত্রিপুরায় দুটো আসনে জিতেছে বিজেপি। সেখানে কাউকে লড়তেই দেয়নি। ৯০ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বড় জয় এটা।ধূপগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত ভোট- ৯৬,৯৬১। বিজেপির তাপসী রায় পেয়েছেন ৯২,৬৪৮। বাং-কংগ্রেসের জোট প্রার্থী পেয়েছেন১৩,৬৬৬ ভোট। তৃণমূল প্রার্থী ভোট জিতেছেন ৪,৩১৩টি ভোটে। শতাংশের বিচারে তৃণমূল পেয়েছে ৪৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
দেশ

এক দেশ এক ভোট

১৮-২২ শে সেপ্টেম্বর সংসদে বিশেষ অধিবেশন বসবে। এই ঘোষণার পরের দিন ই এক দেশ এক ভোটের লক্ষ্যে অর্থাৎ লোকসভা, সব রাজ্যের বিধানসভার, পুরসভা ও পঞ্চায়েতের ভোট একসঙ্গে করার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এক উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি করে কেন্দ্র। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের এই কমিটি সবদিক পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। সংসদের বিশেষ অধিবেশন ও এক দেশ এক ভোটের লক্ষ্যে কমিটি গঠনের মধ্যে কোন যোগসূত্র রয়েছে কিনা তার এখনও পরিষ্কার নয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এক দেশ এক ভোটের বিষয়টি দেশে নতুন কিছু নয়। ১৯৫২ সালে দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত লোকসভার সঙ্গেই সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনে প্রথমবার রাজ্যে ও কেন্দ্রে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, তামিল নাড়ু, ও কেরলে ক্ষমতা হারায় কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই শক্তি ক্ষয়ের ফলে দেশের রাজনৈতিক শক্তির বিন্যাসেও বড়সড় বদল হতে থাকে। রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তনের কারণে দেশের ভোট ক্যালেন্ডারেও পরিবর্তন আসে। যেমন ১৯৬৭-১৯৭২ এই পাঁচ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে চার বার বিধানসভা ভোট হয়। ১৯৬৮-১৯৭২ এই চার বছরে পশ্চিমবঙ্গে চারবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। এই সমস্ত কারণে ১৯৬৭ সালে ই দেশে শেষ বার লোকসভা সঙ্গে সব রাজ্যে বিধানসভা ভোট হয়।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনপরবর্তী সময় এক সঙ্গেই সব নির্বাচন করার বিষয়ে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বহুবার আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে। সারা বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে কোনো না কোনো নির্বাচন হতে থাকায় অর্থ খরচের বহর বেড়েছে। পাশাপাশি ভোটের জন্য আদর্শ নির্বাচন বিধি বিভিন্ন সময় জারি হওয়ায় উন্নয়ন মূলক কাজের পরিকল্পনাও বাধা পায়। এর ওপর ভোটের বৈতরণী পার হতে বিভিন্ন শাসক দল জনতার মন পেতে একেরপর এক চট জলদি লাভের প্রকল্প ঘোষণা করে থাকেন। এর ফলে দেশে দীর্ঘ মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনাও ব্যাহত হয়।কিন্তু প্রশ্ন হল সংসদীয় আইন মেনে এখন লোকসভার সঙ্গে সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট গ্ৰহন কিভাবে সম্ভব? এখন তো বিভিন্ন রাজ্যে বিধানসভার মেয়াদ একসঙ্গে শেষ হয় না। তাহলে সব রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ এক ই সময় শেষ করার বিষয়ে কী পদক্ষেপ হবে?আরও পড়ুনঃ কর্মক্ষেত্রে বার্ধক্যের আধিক্য উদ্বেগজনকএক দেশ এক ভোট নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে দেশের আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করতে কমিশন প্রস্তুত। মুখের নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেছেন দেশের সংবিধান এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুসারে কোনো নির্বাচিত সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছমাস আগে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা যেতে পারে। এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিশন প্রস্তুত।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন সব ভোট একসঙ্গে করতে হলে অন্তত তিরিশ লক্ষ ইভিএম এবং voter verified paper audit trail বা VVPAT য়ের প্রয়োজন। এর পাশাপাশি সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের জন্য দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে ২০২৪ সালে একসঙ্গে সব ভোট গ্রহণ অত্যন্ত কঠিন কাজ। ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার একসঙ্গে ভোট গ্ৰহনের বিষয় নির্বাচন কমিশনকে সুবিধা অসুবিধাগুলি খতিয়ে দেখতে বলে। তখন কমিশন জানিয়েছিল লোকসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট একসঙ্গে করতে হলে সংবিধান ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কিছু সংশোধনী আনতে হবে। এর পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছিল একসঙ্গে ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম ও অন্যান্য যন্ত্রাদি কিনতে যথেষ্ট সময় ও অর্থের প্রয়োজন।আরও পড়ুনঃ ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাববিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশ গত মার্চ মাসে সংসদে আইন মন্ত্রী জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের হাতে ইভিএমের ১৩.০৬ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট ও ১৭.৭৭ লক্ষ ব্যালট ইউনিট রয়েছে। আরো ৯.০৯ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট ও ১৩.২৬ লক্ষ ব্যালট ইউনিট তৈরির কাজ চলছে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে ২২.১৫ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৩১.০৩ লক্ষ ব্যালট ইউনিট কমিশনের হাতে থাকবে। প্রযুক্তিবিদদের মতে ছয় থেকে সাত লক্ষ ইভিএম তৈরি করতে এক বছর সময় লাগে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হল ২০২৪ সালে এক সঙ্গে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম কি কমিশনের হাতে থাকবে?কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি সারা বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন হতে থাকার কারণে নির্বাচনী খরচ যেমন বাড়ছে তেমনি মুল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে কেন্দ্রের এই যুক্তি সঠিক। তবে তাঁদের মতে একসঙ্গে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম ও VVPAT কিনতে অন্তত এক হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। এছাড়াও অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করাও একটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ভোট এলে সব রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি ওঠে। এই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ভোট কর্মীদের দেশের সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজটিও অত্যন্ত কঠিন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সংবাদ পত্রে প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এস কৃষ্ণমূর্তি জানিয়েছেন, একসঙ্গে ভোট হলে আর্থিক ব্যায় প্রশাসনিক কাজের বোঝা যে কমবে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে এই কঠিন কাজ সম্পূর্ণ করতে হলে তিন থেকে চার মাস ধরে ভোট গ্ৰহন পর্ব চলতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩
দেশ

ইন্ডিয়া কেন ভারত? মোদি সরকারের উদ্দেশ্য প্রকাশ্যে আনলেন অভিষেক

দ্য প্রেসিডেন্ট অফ ভারত, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পক্ষ থেকে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে দেশবিদেশের অতিথিদের নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্র, এই লেখা ঘিরেই আপাতত চরম বিতর্ক। তাহলে কী এবার সত্যি ইন্ডিয়ার বদলে শুধুই ভারত? দেশের নামকরণ বিতর্কে গতকালই কেন্দ্রের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন মোদী সরকারের এই নাম বদলের কৌশল? এক বার্তায় সেটাই ব্যাখ্যা করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সংবিধানে ভারত এবং ইন্ডিয়া এই দুয়েরই উল্লেখ রয়েছে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে সব বাদ দিয়ে দেশের নাম শুধু ভারত রাখার দাবি উঠছে। এই নেপথ্যে আরএসএস-এর দর্শন রয়েছে বলে মনে করে বিরোধীীা। পাশাপাশি বিরোধী জোটের নাকরণ হওয়ায় ইন্ডিয়া নামটি মানতে কষ্ট হচ্ছে গেরুয়া শিবিরের। তাই এই পদক্ষেপের ভাবনা। মনে করছে বিরোধী দলগুলো। এদিকে পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, ব্রিটিশদের দেওয়া দেশের ইন্ডিয়া নামটি কেন এখনও ব্যবহার হবে। আগামী সংসদ অধিবেশনে এই নামকরণ সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।INDIA vs BHARAT is just a distraction orchestrated by the BJP. Lets cut to the chase and hold the govt accountable for skyrocketing prices, rampant inflation, communal tensions, unemployment, border disputes and their empty rhetoric of Double Engine and Nationalism. #StayFocused Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 6, 2023কি লিখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?বুধবার দুপুরে দেশের নামবদল বিতর্কে বিরাট ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়। এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ভারত বনাম ইন্ডিয়া আসলে বিজেপির দ্বারা সংগঠিত একটি বিভ্রান্তি মাত্র। আসল ইস্যুগুলি থেকে নজর ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। আসুন আমরা এই প্ররোচনায় পা না দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তুলি। সরাসরি আক্রমণ করি আকাশছোঁয়া দাম, ব্যাপক মূদ্রাস্ফিতি, সাম্প্রদায়িক বিভাজন, বেকারত্ব, সীমান্ত বিরোধ, ডাবল ইঞ্জিন সরকারের শূন্যতা এবং জাতীয়তাবাদের ফাঁকা আওয়াজের জন্য।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
দেশ

কর্মক্ষেত্রে বার্ধক্যের আধিক্য উদ্বেগজনক

দশ বছর ব্যবধানে ভারতে জনগণনা হয়। দেশে শেষ জনগণনা হয় ২০১১ সালে। এই হিসেবে দশ বছর পরে অর্থাৎ ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে বিশ্ব জুড়ে অতিমারির প্রকোপ ছড়িয়েছিল। তার অভিঘাত ভারতেও এসে পড়ে। ফলে নির্দিষ্ট সময় জনগণনার কাজ করা যায় নি। ২০২৩ সাল শেষ হতে আর মাত্র চার মাস বাকি। এই পরিস্থিতিতে জনগণনা কাজ কবে শুরু হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের অনুমান জনগণনার ফল বেরোলে দেখা যাবে ভারতের জনসংখ্যা ১৪০কোটির কাছাকাছি পৌঁছবে। সাম্প্রতিক কালে এমন কিছু সমীক্ষা হয়েছে যাতে দেখা গিয়েছে দেশে মোট জনসংখ্যায় বয়স্কদের তুলনায় অল্পবয়সী দের সংখ্যা অনেক বেশি। এই সংখ্যার অনুপাত ধরে ভারতকে বলা হচ্ছে তারু ন্যের দেশ। আমরা জানি তারুণ্যের বিকাশের জন্য যে মৌলিক উপাদানগুলি তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল শিক্ষা শেষে কাজের সুযোগ।Center for Monitoring Indian Economy র সাম্প্রতিক সমীক্ষায় এক অতি উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষা বলছে গত সাত বছরে দেশের কর্মশক্তিতে ( work force) বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। সমীক্ষার তথ্য বলছে ২০১৬/১৭ সালে দেশের কর্মশক্তিতে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের হার ছিল পঁচিশ শতাংশ। ২০২২/২৩ সালে তার কমে এসে দাঁড়িয়েছে সতেরো শতাংশে। ওই একই সময়কালে ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের হার ছিল ৩৮ শতাংশ। ২০২২/২৩ সালে সেই হার নেমে এসেছে ৩৩ শতাংশে। কর্মশক্তিতে কম বয়সীদের উপস্থিতি এই নিম্নগামী হারের পাশাপাশি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বয়স্কদের উপস্থিতির সংখ্যা অনেকটাই ঊর্ধগামী। উপরে উল্লেখিত সময়কালের মধ্যে কর্মশক্তিতে ৪৫বছর অথবা তার বেশি উপস্থিতির হার ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৯ শতাংশ হয়েছে। আরেকটু সরল করে বললে বলতে হয় বর্তমান ভারতে কর্মশক্তির প্রায় অর্ধেকটাই দখল করে রয়েছেন ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী কর্মীরা। দেশের কর্মশক্তিতে তারুণ্যের অনুপাত কমে যাওয়ার অর্থ, কাজের বাজারেও তারুণ্যের উপস্থিতির হার নিম্নগামী। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের!অতিমারি পরিস্থিতির আগে থেকেই দেশে বেকারের সংখ্যা বাড়ছিলো। করোনা ভাইরাসের দাপটে অসংখ্য মানুষ কাজ হারানোয় বেকারের সংখ্যা বহুগুন বেড়ে যায়। করোনা কালে দেশের অর্থনীতিতে যে বিশাল ধাক্কা লেগে ছিল তার রেশ এখনো রয়ে গিয়েছে। এখনও বহু মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে বেকার তরুনরা কাজের বাজারে প্রবেশ করতে চাইলেও তাদের জন্য যথেষ্ট কাজের সুযোগ নেই। এর-ই মাঝে সাম্প্রতিক কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দেশে কর্মশক্তিতে মেয়েদের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে কম। বিশ্বের যে কয়টি দেশে মেয়েদের উপস্থিতির হার অত্যন্ত কম তার মধ্যে ভারত অন্যতম।দেশের কর্মশক্তিতে বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নীতি নির্ধারকদের অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। কী ভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল তা জানতে গভীর অনুসন্ধানের প্রয়োজন। কিছু বিশেষজ্ঞের অনুমান এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার অন্যতম কারণ হলো কম বয়সীদের মধ্যে কাজ পাওয়ার জন্য যে দক্ষতার প্রয়োজন তার অভাব রয়েছে। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন দেশের জনসংখ্যায় তারুণ্যের হার বাড়লেই যে তাদের কাজের সুযোগ বাড়বে তা নয়। বর্তমানে শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন ও বিপণনে যে পরিবর্তন এসেছে তাতে কাজের বাজারে দক্ষতায় ও অভিজ্ঞতায় বয়স্কদের সঙ্গে কমবয়সীরা প্রতিযোগিতায় পেরে উঠছেনা না। তাই কর্মশক্তিতে তরুনদের তুলনায় বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ছে। এই রেখচিত্র বদলানোর জন্য অতি দ্রুত পদক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। দেরি হয়ে গেলে বিশ্বে ভারত এমন এক দেশ হয়ে উঠবে মোট জনসংখ্যায় তারুণ্যের আধিক্য থাকলেও কর্মশক্তিতে বয়স্কদের সংখ্যা আরও বাড়বে।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
দেশ

ভোট বড় বালাই, এক ধাক্কায় অনেকটাই কমলো রান্নার গ্যাসের দাম

রান্নার গ্যাসের দাম কমালো মোদী সরকার। সামনেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়ে বিধানসভা ভোট। এরইমধ্যে রান্নার গ্যাসের দাম ২০০ টাকা কমানোর কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধীদের চাপের জন্য এই দাম কমেছে বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও বিজেপির দাবি এটা রাখির উপহার।মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উজ্বলা যোজনায় সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি বেড়েছে ৪০০ টাকা। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা ভর্তুকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী উজ্বলা যোজনার আওতাভুক্ত গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা করে কমছে রান্নার গ্যাসের দাম। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা করে কমানো হচ্ছে রান্নার গ্যাসের দাম। লোকসভা নির্বাচনের আগে এবার রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের।রাখী ও ওনাম উপলক্ষ্যে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। প্রায় দেড় বছর পর রান্নার গ্যাসের দাম নামল হাজারের নীচে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রান্নার গ্যাসের দাম কমার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এই মুহূর্তে কলকাতায় ১,০৭৯ টাকায় এলপিজির ১৪.২ কেজির একটি সিলিন্ডার পান গ্রাহকরা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই সিলিন্ডারটি ২০০ টাকা কমে পাবেন তাঁরা। একইভাবে উজ্বলা যোজদনার গ্রাহকরাও সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা কমে পাবেন।রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এদিন বলেছেন, দেশজুড়ে নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান উঠেছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা দাম বেড়েছে তার তুলনায় এই ভর্তুকি কিছুই নয়।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ইন্ডিয়া জোটের দুটি বৈঠকের পর ২০০টাকা কমে গেল রান্নার গ্যাসের। ইন্ডিয়ার দম আছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম তো মোদী জি ১১০০/- টাকা থেকে কমিয়ে ৯০০/- টাকা করে দিলেন। ভারতবর্ষের ৩৩ কোটি গ্রাহক লাভবান হবেন। উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় থাকা ৯ কোটি ৬০ লক্ষ গ্রাহক ৭০০ টাকায় সিলিন্ডার পাবেন, কারণ ওনারা আগে থেকেই ২০০ টাকা কমে পাচ্ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই আরো ৭৫ লক্ষ গ্রাহকদের উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে লাভবান গ্রাহকদের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ হয়ে যাবে।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
দেশ

মাসের শেষদিনে সাক্ষী থাকুন এক অভুতপূর্ব দৃশ্যর, দেখুন পূর্নিমার ‘নীল চাঁদ’

আগামী বৃস্পতিবার ৩১ অগস্ট পৃথিবীর আকাশ থেকে দেখা যাবে এক অভুতপূর্ব দৃশ্য! এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হবে পৃথিবীবাসি। ৩১ অগস্ট রাতের আকাশে নীল চাঁদ দেখার সৌভাগ্য হবে পৃথিবীবাসির। চন্দ্রালোকের মূর্ছনায় ভরে যাবে এই ধরাতল। হয়ত এরকমই কোনও এক জ্যোৎস্না রাতের অপুর্ব সুন্দর চাঁদের আলোয় মুগ্ধ হয়ে কবিগুরু গেয়ে উঠেছিলেন, চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে, উছলে পড়ে আলো। ও রজনীগন্ধা, তোমার গন্ধসুধা ঢালো॥ মহাজাগতিক নিয়মে অমাবস্যার ১৫ দিন পর পূর্নিমা তিথির আগমন হয়, সেক্ষেত্রে একই মাসে দুইবার পূর্নিমার মত বিরল ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।শেষ এই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ২০১৮-র জানুয়ারি মাসে। ঠিক পাঁচ বছর পর ২০২৩ র অগস্টের ১ তারিখে দেখা গিয়েছিল সুপারমুন, ২৮শে আগস্ট দেখা যাবে নীল চাঁদ। যেকোনও পুর্নিমার রাতই মনোরম। চাঁদ, জ্যোৎস্না নিয়ে বাংলা গান ও কবিতা খুঁজতে বসলে রাত কাবার হয়ে যাবে। সাহিত্যপ্রেমীরা বলে থাকেন, চাঁদ বাংঙ্গালীর প্রেমের অবতার। যেকোনো পুর্নিমার চাঁদই জ্যোৎস্নায় পৃথিবীর আকাশ ভরিয়ে তোলে। একটি পুর্নিমার জন্য অপেক্ষা করতে হয় কমপক্ষে ৩০টি দিন। পুর্নিমাকে তো আর রোজ রোজ পাওয়া যায় না। এই অগস্টেই অপুর্ণ সাধ পুড়ন হতে যাচ্ছে,যদি না আকাশ মুখ ভার করে। জোড়া পূর্ণিমার মাসের শেষ দিনে আকাশ ভরা তারার মাঝে রানির মত বিচরণ করবে নীল চাঁদ।আগস্টে জোড়া পূর্ণিমা, আর এই দুটি পূর্ণিমাতেই সুপারমুন দেখা যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, অগস্ট মাসের ১ লা দেখা গিয়েছিলো প্রথম সুপারমুনের। ভর সন্ধ্যায় পুব আকাশে মস্ত থালার মতো উজ্জ্বল চাঁদ উঠেছিল। মাসের শেষদিন ৩১ শেআবার সুপারমুন দর্শণ মিলবে। তবে এবারে পুর্নিমার রাতেদ আকাশে যে সুপারমুনের দেখা মিলবে তার রং হবে হালকা নীলাভ, যাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ব্লু মুন বলে অবিহিত করছেন।এর আগে লাল চাঁদ, গোলাপি চাঁদ, কমলা চাঁদের কথা শুনেছি বা দেখেছিও। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ব্যখা, সূর্য রশ্মির প্রতিসরণে চাঁদের গায়ে যে রং পড়ে চাঁদ তারই প্রতিফলন পৃথিবীর ওপর পড়ে। বিভিন্ন সময় এই রঙের রকমফের হয়। লালচে আভা তৈরি করলেই ব্লাড মুন (Blood Moon) বলে। সাধারণত পূর্ণগ্রাস গ্রহণে লাল রশ্মির প্রতিসরণে চাঁদকে লালচে দেখায়। নীল চাঁদ কি সত্যিই নীল বর্ণের দেখতে হয়? পূর্ণিমার চাঁদের আকার সাধারণ দিনের থেকে বড় হয়, চাঁদের আকার দেখতে গোল থালার মতো। এর রঙ কোনভাবেই নীল নয়, পুর্নিমার চাঁদের রং দুগ্ধ সাদা ই বেশির ভার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়। ব্লু মুন বা নীল চাঁদে এই নামের পিছনে অনেক গল্প চালু আছে। কেউ বলে থাকেন, ব্লু মুন হল হান্টার মুন, পুর্নিমার রাতে চাঁদের জ্যোৎস্নায় আগেকার দিনে রাতে শিকারিরা শিকার করতে বেরোতেন। তাই এমন নাম দেওয়া হয়েছিল। আবার অন্য অনেক ধারনাও প্রচলিত আছে। যে ধারনাই থাকুক না কেনো, বর্তমানে কোনও মাসে দুটি পূর্ণিমা পড়ে গেলে, দ্বিতীয়টিকে ব্লু মুন বলা হয়।

আগস্ট ২৮, ২০২৩
দেশ

ভারতের ‘রকেট ওমেন’, চন্দ্রাভিযানে গুরুদায়িত্ব সামলানো লখনউ-র এই বিজ্ঞানীকে চিনে নিন

চাঁদ মামা এখন দুরের নয় ট্যুরের, সুদুর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরস এই মন্তব্য ঘরে ঘরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। চাঁদের মাটিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। পুর্বনির্ধারিত দিন ও সময় অনুযায়ী বুধবার ঠিক সন্ধ্যা ৬.০৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফট ল্যাণ্ডিং করে ইসরোর চন্দ্রযান-৩। সারা দেশজুড়ে উল্লাস ও উৎসব। ভারতীয় হিসাবে সত্যিই গর্ব করার মত মুহুর্ত। চাঁদ এখন ভারতের বিজ্ঞানীদের হাতের মুঠোয়।বিক্রমের কাঁধে ভর করে প্রজ্ঞান চাঁদে ল্যান্ড করেই একের পর এক চমক দিতে শুরু করেছে। সফল অবতরণের পর প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠের একটি ছবি তুলে পাঠায় ল্যান্ডার বিক্রম। তাতে দেখা যায় চাঁদের ঠিক কোন অঞ্চলে নেমেছে বিক্রম। এর পরই বিক্রমের অন্তঃস্থল থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান।ইসরো তার সামাজিক মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সকালে জানায়,প্রজ্ঞান সঠিক ভাবেই বিক্রমের পেট থেকে চাঁদে ভুমিষ্ট হয়েছে, এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে মুনওয়াকেও বেড়িয়ে পড়েছে সে। ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক স্তম্ভ চাঁদের মাটিতে এঁকে দিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রযান-৩-এর চুড়ান্ত সাফল্যে অনেকের মতই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন লখনউয়ের প্রবাসী এক মহিলা। ইসরো খুব বড় দায়িত্ব দিয়েছিল এঁর কাঁধে।সম্পুর্ন ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইসরোর চন্দ্রযান ৩ সফলভাবে চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ফেলেছে, তথ্য তল্লাস করতে ঘোরাঘুরিও শুরু করে দিয়েছে প্রজ্ঞান। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী হিসাবে প্রথম দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। ভারতের এই ঐতিহাসিক সাফল্যে সামগ্র বিশ্ব থেকে অভিনন্দনের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমের ওয়াল। আজ প্রত্যেক ভারতীয়ের কাছে এই মুহুর্ত খুব আবেগের, আনন্দের ও অত্যন্ত গর্বের। উত্তরপ্রদেশের রাজধানী শহর লখনউতে উৎসবের ঝাঁজ বেশ খানিকটা বেশি। কারণ চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে লখনউ-র এক ভুমিকন্যার যোগসূত্র। এই শহরেরই মেয়ে ডাঃ ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবের কাঁধেই চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের গুরুত্বদায়িত্ব ছিল।ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তব বিজ্ঞানী মহলে ভারতের রকেট ওমেন নামে অধিক পরিচিত। ঋতু করিধাল লখনউ শহরের রাজাজি পুরম এলাকার আদি বাসিন্দা। তার পৈতৃক বাড়ি এখনও রয়েছে এখানে। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর তার বাড়িতে উৎসবের মেজাজ। ঋতু এর আগেও ISRO-র অনেক বড় বড় প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি চন্দ্রযান ৩ মিশনে সফল অবতরণের মতো গুরুদায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হয়েছিল ইসরোর পক্ষ থেকে। ঋতু করিধাল ছিলেন চন্দ্রযান-৩ প্রোজেক্টে মিশন ডিরেক্টর। এর আগে ঋতু মঙ্গলযানের ডেপুটি অপারেশন ডিরেক্টর ও চন্দ্রযান-২ এর মিশন ডিরেক্টর ছিলেন।করিধালের জন্ম উত্তর প্রদেশের লখনউতে। তিনি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠেন। পরিবারে পড়াশোনার চল ছিল অনেক আগে থেকেই। তিনি লখনউ-র এক বেসরকারকারি স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। তিনি ছাড়াও তাঁর দুই ভাই ও দুই বোন রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মহাকাশ নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশী। তিনি যেখানে থাকতেন, সেখানকার পরিবেশ তাঁর পড়াশোনার পক্ষে অনুকুল ছিলনা বলে তিনি সেলফ স্টাডি তে জোড় দেন। ঋতু ছোট থেকেই রাতের আকাশের দিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকিয়ে থাকত এবং মহাকাশের কথা চিন্তা করত, সে চাঁদের কথা ভাবত, কীভাবে এটি তার আকার ও রং পরিবর্তন করে, তারাগুলি কে পর্যবেক্ষণ করে তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে ঐ গভীর অন্ধকারের পিছনে কী রয়েছে? তার কৈশোরে, তিনি মহাকাশ-সম্পর্কিত যেকোনো কার্যকলাপ সম্পর্কে সংবাদপত্রের প্রতিটি কাটিং সংগ্রহ করতে শুরু করেছিলেন এবং ISRO এবং NASA-এর কার্যকলাপের উপর তাঁর সাংঘাতিক রকমের নজর ছিল।ঋতু লখনউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ও মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন। পদার্থবিদ্যা বিভাগেই ডক্টরেট কোর্সে ভর্তি হন। পরে একই বিভাগে শিক্ষকতাও করেন। তিনি ছয় মাস লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা স্কলার ছিলেন। তিনি মহাকাশ প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর করার জন্য IISc, ব্যাঙ্গালোরে যোগদান করেন। বাকিটা ইতিহাস। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় অবদানের জন্য ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবকে রকেট ওমেন হিসাবেই স্মরণ করবে।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
দেশ

মিজোরামে মৃত শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনের চাকরি ও ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি অধীরের

মিজোরামের দুর্ঘটনায় মালদার শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনকে চাকরি। একইসঙ্গে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে ফোনে পাননি, কিন্তু রেলবোর্ডের চেয়ারম্যানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন লোকসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। অসহায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে যে করেই হোক সবাইকে একসঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে, বলেন বহরমপুরের সাংসদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে মালদায় মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এদিন চাঁচল মহকুমার পুখুরিয়া থানার কোকলামারী চৌদুয়ারি গ্রামে যান সাংসদ অধীর চৌধুরী। এই গ্রাম থেকেই ১৬ জন শ্রমিক মিজোরামের কাজ করতে গিয়ে নির্মীয়মান রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। মিজোরামের রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মালদার মোট ২৩ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই রয়েছে চৌদুয়ারি গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও ইংরেজবাজার ব্লকের সাটটারি এবং নরহাট্টা গ্রামেরও শ্রমিকরাও রয়েছেন।এদিন চৌদুয়ারি গ্রামের মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করার পর কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, মিজোরাম সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২ লক্ষ টাকা করে মোট চার লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এই সামান্য টাকায় ওইসব মৃত শ্রমিকদের পরিবারের ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। আমি ওইসব পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দেখলাম, ওরা খুব অসহায়। ওদের পাশে কেউ নেই। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাঁকে পাইনি। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বলেছি মৃত শ্রমিকদের পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যদিও কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃত শ্রমিকদের পরিবারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করবেন।

আগস্ট ২৪, ২০২৩
দেশ

জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন ভারতের, চন্দ্র অভিযানে ইতিহাস গড়ল ইসরো

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) দ্বিতীয় দফার প্রচেষ্টা সফল। চন্দ্রযান-৩ বিক্রম ল্যান্ডার সফট ল্যান্ডিং করল চাঁদের পৃষ্ঠে। ইতিহাস গড়ে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল চন্দ্রযান ৩। বুধবার সকাল থেকে টানটান উত্তেজনা ছিল দেশজুড়ে। সারা বিশ্ব তাকিয়ে ছিল ভারতের চন্দ্র অভিযানের দিকে। এরইমধ্যে রাশিয়ার দ্রুত গতির চন্দ্র অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। চার বছরের মাথায় সফল ইসরো। চাঁদের সহজেই দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল চন্দ্রযান ৩।ইতিহাসে নাম লেখাতেই দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে ইসরোর বিজ্ঞানীদের কৃতিত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছে মোদী। ইসরো প্রধান সোমনাথ আজ সকালেই মিশন সম্পর্কে বলেন, চার বছরের কম সময়ে আমরা আমাদের মিশন উন্নত করতে এবং একটি ব্যাকআপ পরিকল্পনা তৈরিতে আমাদের বিজ্ঞানীরা সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। এই মিশনে এখন পর্যন্ত আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছুই ঠিক ঠাক হয়েছে। আমরা বিভিন্ন স্তরে সিস্টেম যাচাই করে অবতরণের প্রস্তুতি নিয়েছি এবং ল্যান্ডারের স্বাস্থ্য একেবারে ঠিক আছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, চন্দ্রযান-২ মিশনের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগের সকল ভুল সংশোধন করেছে ISRO।১৪ জুলাই ইতিহাস গড়ার অভিযানে নেমেছিল ইসরো। শেষমেশ সফল অবতরণ। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এই প্রথম কোনও দেশ অভিযানে সক্ষম হল। এই অবতরণে সফল হয়ে ইতিহাসে নাম লেখাল ভারত।চন্দ্রযান-২, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯-এ চাঁদে অবতরণের প্রক্রিয়া চলাকালীন ব্যর্থ হয়েছিল, যখন এর ল্যান্ডার বিক্রম একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে চন্দ্রপৃষ্ঠে ভেঙে পড়ে। ভারতের প্রথম চন্দ্র মিশন চন্দ্রযান-১ ২০০৮ সালে চালু হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এবং প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের পরে ভারত মুন মিশনে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হয়ে হয়ে উঠেছে। ১৪ দিন সেখানে ঘুরে ফিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে চন্দ্রযান-৩-এর রোভার প্রজ্ঞান। এই ১৪ দিন চাঁদের জমিতে থাকা জল ও নমুনা সংগ্রহ করবে রোভার।

আগস্ট ২৩, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 24
  • ...
  • 62
  • 63
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal