• ২৭ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

বিদেশ

জিতে পরদিনই আওয়ামি লিগের অফিসের তালা খুললেন বিএনপি সাংসদ! পঞ্চগড়ে চমক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আবু দাউদ প্রধান। নির্বাচনে জয়ের পরদিনই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামি লিগ-এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলায়। আবু দাউদ প্রধান পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপির সভাপতি এবং সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর দেশের নানা প্রান্তে দলটির দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার ভিন্ন ছবি দেখা গেল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পরদিন চাকলাহাট ইউনিয়নে আওয়ামি লিগের একটি অফিস খুলে দেন আবু দাউদ।এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। ভিডিওতে স্থানীয় আওয়ামি লিগ নেতারা বলেন, এই পদক্ষেপ মহৎ উদ্যোগ। অন্যদিকে কয়েকজন স্থানীয় নেতা শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দেন।আবু দাউদ প্রধান বলেন, তিনি জানতে পারেন যে অফিসটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্যই তিনি তালা খুলে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, কোনও দলই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, অফিসটি আগে অন্য একটি গোষ্ঠী তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। এখন সেটি খুলে পরিষ্কার করা হচ্ছে। আপাতত সেখানে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম হবে না বলেই জানানো হয়েছে।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই পদক্ষেপ নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। বিরোধী দলের দপ্তর খুলে দেওয়ার ঘটনায় দেশে সহাবস্থানের নতুন ইঙ্গিত মিলছে কি না, তা নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়নি কেন? জবাব চাইল কমিশন

এসআইআর ও ভোটার তালিকা পরিমার্জন নিয়ে দিল্লিতে প্রশ্নের মুখে বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। কাজ বিলম্বের দায় রাজ্যের ওপর চাপাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের প্রস্তুতি নিয়েও চাইল রিপোর্ট।ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন এবং এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে দিল্লিতে প্রশ্নের মুখে পড়লেন বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। সূত্রের খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশন-এর ফুল বেঞ্চের বৈঠকে তাঁকে একাধিক বিষয়ে জবাব দিতে হয়।কমিশনের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য যে পদমর্যাদার আধিকারিকদের চাওয়া হয়েছিল, রাজ্য সময়মতো তা দেয়নি। তার ফলেই ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়নি। এই বিলম্বের দায় রাজ্যের ওপরই চাপিয়েছে কমিশন।তবে মুখ্যসচিব বৈঠকে জানান, রাজ্যের প্রশাসনিক পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এক দফতর থেকে অন্য দফতরে আধিকারিকদের দ্রুত সরানো সম্ভব হয়নি। কিন্তু কমিশনের দাবি, যেসব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে।এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশনের দরবারে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। রাজ্যকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে বলা হলেও তা জমা পড়েনি বলে অভিযোগ। চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। এই সমস্ত বিষয়েই ব্যাখ্যা চাইতে মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছিল। সমন মেনে তিনি দিল্লিতে হাজির হন এবং বৈঠকে অংশ নেন।এদিনের বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভোটের আগে নির্দেশিকা অনুযায়ী আধিকারিক বদলির কী অবস্থা, তা জানতে চেয়েছে কমিশন। প্রশাসনিক প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, সে সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকার যে রিপোর্ট দেবে, তার ভিত্তিতেই কত দফায় ভোট হবে, তা নির্ধারণ করবে কমিশন। পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ও প্রশাসনিক পরিকাঠামো পাওয়া গেলে ভোটের দফা কমানো সম্ভব হতে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ছোট দলের বিরুদ্ধে জয়, তবু স্পষ্ট দুর্বলতা — পাকিস্তান ম্যাচের আগে চিন্তায় ভারত

নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ৯৩ রানের দাপুটে জয়। স্কোরবোর্ড বলছে একতরফা ম্যাচ। কিন্তু মাঠের ছবিটা অন্য কথা বলছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটে ২০৯ রান তুলে ভারত জিতলেও, ব্যাটিংয়ের শেষভাগের ধস ও স্পিন-দুর্বলতা পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।ঝড়ো শুরু, কিন্তু শেষটা ধসঅভিষেক শর্মার অসুস্থতায় সুযোগ পান সঞ্জু স্যামসন। ৮ বলে ২২ রান করে শুরুটা ভালো হলেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না। নিউ জিল্যান্ড সিরিজেও ব্যর্থ সঞ্জু বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না।তবে পাওয়ারপ্লেতে ভারত ছিল অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ৬.৫ ওভারে ১০০ রান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এত দ্রুত ১০০ করার নজির আগে ছিল না। এই কৃতিত্বের বড় অংশ জুড়ে ঈশান কিশন। অনুশীলনে চোট পাওয়ার পরও ২৪ বলে ৬১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন তিনি। ৬টি চার ও ৫টি ছয়ে নামিবিয়ার বোলিং ছিন্নভিন্ন করে দেন।কিন্তু মাঝের ওভারে তাল কাটে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে মাত্র ১২ রান করেন। তিলক বর্মা ২৫ করে থামেন। শেষদিকে ইনিংস টেনে নেন হার্দিক পান্ডিয়া ২৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস ভারতকে ২০০ পার করায়।তারপরই চরম ধস। শেষ ১১ বলে ৫ উইকেট, শেষ দুই ওভারে মাত্র ১০ রান। ২০৯ থেকে স্কোর আরও বড় হতে পারত, কিন্তু নামিবিয়ার স্পিনে ছন্দ হারায় ভারত। অধিনায়ক গেরহার্ড ইরাসমাস ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ভিত কাঁপিয়ে দেন। স্পিনারদের দাপটে ভারতের ৯ উইকেটের মধ্যে ৫টিই স্পিনে।ছোট দলের বিরুদ্ধে বড় সতর্কবার্তানামিবিয়ার মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিরুদ্ধেও স্পিন সামলাতে হিমশিম খেল ভারত। বিশেষ করে ইনিংসের শেষভাগে ব্যাটারদের শট-নির্বাচন ও রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। রিঙ্কু-শিবমের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট, অক্ষরের প্রথম বলেই বোল্ড এসব বিশ্বচ্যাম্পিয়নসুলভ নয়।আরও বিস্ময়, নতুন বলে জসপ্রীত বুমরাহ-কে আনা হয়নি। সপ্তম ওভারে আক্রমণে আসেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে ৫.৪ ওভারে ৫০ তোলে নামিবিয়া যা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম ৫০। প্রথম ম্যাচে তিন উইকেট নেওয়া মোহাম্মদ সিরাজ-কে একাদশে না রাখাও কৌশলগত প্রশ্ন তুলেছে।বোলারদের হাত ধরে রক্ষাতবে ম্যাচ জেতালেন বোলাররাই। বরুণ চক্রবর্তী ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন। হার্দিক ও অক্ষর দুটি করে উইকেট নেন। ১৮.২ ওভারে ১১৬ রানে থামে নামিবিয়া।পাকিস্তান ম্যাচের আগে উদ্বেগস্কোরলাইন বড় জয় দেখালেও বাস্তব বলছে ভারতের ব্যাটিং এখনও স্থিতিশীল নয়। আমেরিকার বিরুদ্ধে সমস্যার ইঙ্গিত মিলেছিল, নামিবিয়ার বিরুদ্ধেও তা স্পষ্ট হল। স্পিনের বিরুদ্ধে দুর্বলতা, ইনিংসের শেষভাগে ধস, নতুন বলের ব্যবহার নিয়ে দ্বিধা সব মিলিয়ে পাকিস্তান ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।নামিবিয়ার মতো ছোট দলের বিরুদ্ধেও যদি এমন ফাঁকফোকর দেখা যায়, তবে পাকিস্তানের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের সামনে ভারত কতটা প্রস্তুত সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। জয় এসেছে, কিন্তু বিশ্ব ত্রাস দলের ভিত যে পুরোপুরি মজবুত নয়, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

পুণেতে খুন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক! বজরং দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ, বিজেপিকে বয়কট পরিবারের

বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রের পুণেতে বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বজরং দলের সদস্যরা তাঁদের ছেলেকে খুন করেছে। সেই কারণে বিজেপির কোনও নেতা বা মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বরাবাজারের তুমড়াশোলের বাঁধডি গ্রামের বাসিন্দা সুখেন মাহাতো পুণেতে কাজ করতেন। বুধবার রাতে তাঁর খুনের ঘটনা সামনে আসে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের প্রতিনিধি দল নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। সমবেদনা জানানো হয় পরিবারের সদস্যদের।বৃহস্পতিবার বিজেপির পক্ষ থেকেও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা নিহতের বাড়িতে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু সেই খবর পেতেই পরিবার বিজেপিকে কার্যত বয়কট করার ঘোষণা করে। কুড়মি জনজাতির ওই পরিবার জানিয়ে দেয়, তারা বিজেপির কোনও নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবে না।এই ঘটনায় জঙ্গলমহলের বিভিন্ন কুড়মি সংগঠন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। নিহতের কাকা দীনেশচন্দ্র মাহাতো অভিযোগ করেন, বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে বজরং দলের সদস্যরা তাঁদের ছেলেকে নির্মমভাবে খুন করেছে। তাঁর দাবি, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চান।নিহতের বাবা ধীরেন মাহাতো বলেন, পেটের দায়ে ছেলে মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়েছিল। অর্থের অভাবে ছেলেদের বেশি পড়াশোনা শেখাতে পারেননি। মারাঠি ভাষা জানত না। হয়তো বাংলা ভাষায় কথা বলেছিল, সেটাই কারও অপছন্দ হয়েছিল। সেই কারণেই ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে তাঁর সন্দেহ।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছেন, তিনি ওই পরিবারের পাশে রয়েছেন। অন্যদিকে পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, যে কোনও মৃত্যু দুঃখজনক। তিনি স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, জঙ্গলমহল থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ কাজের জন্য ভিনরাজ্যে যাচ্ছেন, তাহলে উন্নয়ন কোথায় হয়েছে?পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শান্তিরাম মাহাতো অভিযোগ করেন, বাংলা ভাষায় কথা বলায় বাংলাদেশি সন্দেহে প্রান্তিক কুড়মি সম্প্রদায়ের ওই যুবককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা জঙ্গলমহল মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।পুণে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

‘ভাষার জন্য অত্যাচার, তারপর খুন’— পুণে কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মমতা, গ্রেপ্তারের দাবি

মহারাষ্ট্রের পুণেতে পুরুলিয়ার এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত এবং একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ। মৃত শ্রমিকের পরিবারের পাশে পুরো বাংলা রয়েছে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার সকালে সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, এক যুবককে তাঁর ভাষা, পরিচয় এবং শিকড়ের কারণে অত্যাচার করা হয়েছে। শেষে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, আমি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সুখেনের পরিবারকে বলছি, এই অকল্পনীয় শোকের মুহূর্তে বাংলা আপনাদের পাশে আছে।নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম সুখেন মাহাতো, বয়স ৩১ বছর। তাঁর বাড়ি পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বরাবাজারের তুমড়াশোলের বাঁধডি গ্রামে। তিনি পুরুলিয়ার ৭৮ নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। পুণের কোরেগাঁও ভিমা এলাকার সনৎ বাড়ি অঞ্চলে একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় কাজ করতেন সুখেন। তাঁর দাদা তুলসিরাম মাহাতোর সঙ্গেই একই সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তিনি।অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই রাজ্যের পিছিয়ে পড়া কুড়মি জনজাতির এই পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করা হয় এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার শিফটে কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুখেন। কর্মস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।বুধবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি মহারাষ্ট্র পুলিশ। পুণের শিকারপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা এবং ভিনরাজ্যে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষা নিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

আরএসএস প্রধানের টেবিলে আদনান শামি, ‘দেশদ্রোহিতা’ তকমা দিল কংগ্রেস

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার আদনান শামির সঙ্গে নৈশভোজ করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে আরএসএস। পাকিস্তানি বায়ুসেনার প্রাক্তন আধিকারিকের পুত্র আদনানের সঙ্গে ভাগবতের নৈশভোজকে দেশবিরোধী বলে কটাক্ষ করেছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। এই ঘটনাকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।আরএসএস-এর শতবর্ষ উপলক্ষে মুম্বইয়ে দুদিনের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বলিউডের একাধিক শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আদনান শামিও। তাঁর সঙ্গে মোহন ভাগবতের নৈশভোজের ছবি সামনে আসতেই কংগ্রেসের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়, আদনান শামির বাবা আরশাদ শামি খান ছিলেন পাকিস্তানি বায়ুসেনার পাইলট। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে তিনি পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিলেন। সেই ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করা আরএসএস-এর পক্ষ থেকে দেশদ্রোহিতার সামিল বলে দাবি কংগ্রেসের।তবে এই মন্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ আরএসএস এবং পদ্মশ্রী প্রাপক আদনান শামি। সোশাল মিডিয়ায় ভাগবতের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, তাঁর সঙ্গে একটি চমৎকার দিন কাটিয়েছেন। দীর্ঘ আলোচনায় ভাগবত তাঁর অনেক ভুল ধারণা দূর করে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন শামি। তিনি ভাগবতকে অত্যন্ত ভদ্র ও ব্যক্তিত্ববান মানুষ বলেও প্রশংসা করেন।ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ভাগবত। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু বাস করেন। তাঁরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তবে বিশ্বের সব হিন্দু তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন এবং সাহায্য করবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মিমির মামলায় জামিন পেলেন তনয়, তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর করা মামলায় অবশেষে জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী। তবে এখনই জেল থেকে মুক্তি মিলছে না তাঁর। পুলিশের কাজে বাধা ও পুলিশকে হেনস্থার মামলায় তনয় শাস্ত্রী-সহ আরও দুজনকে চার দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।ঘটনাটি ঘটে গত ২৫ জানুয়ারি। সেদিন বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠান চলাকালীনই তাঁকে হেনস্থা করা হয়। গান বন্ধ করে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার জন্য ক্লাবের এক কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি।/pএরপর ২৯ জানুয়ারি তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত তনয়কে গ্রেফতার করা হয়। মিমিকে হেনস্থার অভিযোগের পাশাপাশি পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও পুলিশকে হেনস্থার অভিযোগেও তনয়-সহ আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।/p৩০ জানুয়ারি অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সাত দিনের জেল হেফাজতের আবেদন জানালেও বিচারক চার দিনের হেফাজতের নির্দেশ দেন। সেই মেয়াদ শেষ হলে চলতি মাসের ৩ তারিখ ফের আদালতে তোলা হয় তাঁদের। আবারও সাত দিনের হেফাজতের আবেদন করে পুলিশ এবং মামলায় শ্লীলতাহানির ধারা যোগ করার আবেদন জানানো হয়। তনয়ের আইনজীবীরা জামিন চাইলেও তা খারিজ করে দেন বিচারক। একই সঙ্গে মিমি চক্রবর্তীর গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই সেই জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে মিমি চক্রবর্তীর করা হেনস্থার মামলায় জামিন মিললেও পুলিশের কাজে বাধা ও হেনস্থার মামলায় আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তনয় শাস্ত্রীকে। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সব পক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে নাটকীয় মোড়, হঠাৎ নিয়ম বদলে ডোমিসাইল মানল কমিশন

এসআইআর শুনানির একেবারে শেষ পর্বে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের লাগাতার চাপের মুখে এবার থেকে কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেটকেও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। শনিবার এই সিদ্ধান্তের কথা রাজ্য নির্বাচনী দপ্তরকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।তবে এই ক্ষেত্রে শর্তও স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই করা ডোমিসাইল সার্টিফিকেটই গ্রহণযোগ্য হবে। অন্য কোনও আধিকারিকের সই করা শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রাহ্য করা হবে না। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় এই নতুন সংযুক্তি নিঃসন্দেহে বহু ভোটারের কাছে বড় স্বস্তির খবর।এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের একাধিক নির্দেশিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকায় নাম থাকার জন্য যে নথিগুলির তালিকা দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কিংবা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট না থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বিহারে এসআইআর চলাকালীন যদি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তবে বাংলায় তা করা হচ্ছে না কেন।এই একই প্রসঙ্গ ওঠে সুপ্রিম কোর্টেও। গত বুধবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সওয়াল করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের চাপ এবং বিহার ও বাংলার জন্য আলাদা নিয়ম করা নিয়ে সমালোচনার মুখেই শুনানির শেষ দিনে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন।ডোমিসাইল সার্টিফিকেট হল স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অনুমোদিত আধিকারিকদের দেওয়া শংসাপত্র। সাধারণত যাঁরা অন্তত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছেন, তাঁরাই এই সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য। এই নথিতে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই থাকে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০২৫ সালে বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেটকেই প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে তা বাদ দেওয়ায় বহু ভোটারকে নথি জোগাড় করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। আজ, ৭ ফেব্রুয়ারি, শুনানির শেষ দিনে কমিশনের তরফে জানানো হল, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এবার গ্রহণযোগ্য হবে। কয়েকটি জেলায় এখনও শুনানি শেষ হয়নি। সেই জেলাগুলিতে যদি শুনানির সময় বাড়ানো হয়, তবে ওই অতিরিক্ত সময়ে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সময় ফুরোল, কাজ বাকি! ভোটার তালিকা প্রকাশ পিছোল, বড় ঘোষণা কমিশনের

নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় এখনও ভোটার তালিকার কাজ অসম্পূর্ণ। কোথাও শুনানি শেষ হয়নি, আবার কোথাও নথি আপলোডের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসকদের আবেদনের ভিত্তিতে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন।শনিবার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, আপাতত আরও সাত দিন শুনানির কাজ চলবে, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিনই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তবে সময় বাড়ানোয় সেই তালিকা প্রকাশও পিছিয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে সমস্ত কাজ শেষ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্বে এসে দেখা যায়, বেশ কিছু জেলায় এখনও ভোটারদের নথি যাচাই এবং শুনানির কাজ শেষ করা যায়নি।এই কারণেই কয়েকটি জেলার জেলাশাসক কমিশনের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানান। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির সময় যেমন বাড়ল, তেমনই পিছোল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনও।এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শুনানির কাজ বাকি রয়েছে। তবে মোট কাজের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। খুব বেশি কাজ বাকি নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর আশা, আগামী সাত দিনের মধ্যেই সব শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে।চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ফেব্রুয়ারির শেষে যাবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি জানান, শুনানির কাজ শেষ হলে তার পর আরও কয়েক দিন সময় লাগবে তথ্য চূড়ান্ত করতে। সেই হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সংখ্যালঘু বাজেট নিয়ে আগুন মন্তব্য, থমকে গেল বিধানসভার কাজ

বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে শুক্রবার নজিরবিহীন উত্তেজনা ছড়াল। সংখ্যালঘু উন্নয়নের বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ও তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমের মধ্যে তীব্র বাক্বিতণ্ডা শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘাতে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিধানসভা।বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে অগ্নিমিত্রা পাল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি অনুপ্রবেশকারী ও অপরাধের প্রসঙ্গ এনে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন। তাঁর মন্তব্যে বিধানসভায় তুমুল হইচই শুরু হয়। তিনি বলেন, সরকার মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেট বাড়ালেও সেই শিক্ষা থেকে কেন ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সংখ্যালঘু উন্নয়নের নামে সরকার অপরাধীদের রক্ষা করছে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বহু মানুষের আত্মত্যাগ রয়েছে। তাঁদের অপরাধী বলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি কাজী নজরুল ইসলাম ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের নাম উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, তাঁরা কি অপরাধী ছিলেন। অগ্নিমিত্রার মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান তিনি।এরপর বিধানসভায় তুমুল হইচই শুরু হয়। তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদে স্লোগান দিতে থাকেন। বিজেপি বিধায়করাও পাল্টা স্লোগান শুরু করেন। দুই পক্ষের উত্তেজনার মধ্যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এমন কোনও মন্তব্য করা যাবে না, যাতে কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায় আঘাত পান। সংখ্যালঘু ও অপরাধ সংক্রান্ত অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার।অধিবেশন শেষে বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, তিনি কোনও অন্যায় কথা বলেননি। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার তোষণের রাজনীতি করছে, যা সকলেই জানেন। ধর্মের রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে ফিরহাদ হাকিমকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য গত ১৫ বছরে কী উন্নয়ন হয়েছে এবং মাদ্রাসা থেকে কতজন উচ্চপদস্থ পেশাদার তৈরি হয়েছেন, তার হিসাব দিতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

আমেরিকার পর নজর পশ্চিম এশিয়ায়! ভারতের বাণিজ্য কৌশলে বড় বদল

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার পর এবার পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে নতুন বাণিজ্যচুক্তির পথে এগোচ্ছে ভারত। উপসাগরীয় সহযোগিতামূলক পর্ষদ বা গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করল নয়াদিল্লি। এই পর্ষদে রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরিন।এই ছটি দেশের সঙ্গে ভারতের আগে থেকেই বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ও জিসিসি-র দেশগুলির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় ১৭ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারে। এবার সেই সম্পর্ক আরও শক্ত করতে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে জিসিসি-র ছটি দেশে শুল্ক ছাড়াই পণ্য রপ্তানি করতে পারবে ভারত। গত বৃহস্পতিবারই এই নিয়ে প্রাথমিক চুক্তিতে সই হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি বলেন, হাজার হাজার বছর ধরে ভারতের সঙ্গে এই দেশগুলির বাণিজ্যিক যোগাযোগ রয়েছে। নতুন চুক্তি হলে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হবে।বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, খাদ্যশস্য উৎপাদনে ভারত বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। অন্য দিকে, জিসিসি-র দেশগুলি তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে এগিয়ে। ফলে এই চুক্তি কার্যকর হলে দুপক্ষই লাভবান হবে বলে মত তাঁর।এই প্রসঙ্গে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রসংঘের উপদেষ্টা জেফ্রি স্যাক্স বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল ভারতের জন্য একটি বড় বাজার। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিও দ্রুত বাড়ছে। চিনের সঙ্গেও ভারতের বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, শুধু আমেরিকার বাজারের উপর নির্ভর না করে ভারতের উচিত বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বাজেটে মমতার চমক, পাল্টা তিন হাজারের প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর—ভাতার লড়াই তুঙ্গে

ভাতার পাল্টা ভাতা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পর লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি তৃণমূল ও বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর রাজ্য বিধানসভায় পেশ হয়েছে অন্তর্বর্তী বাজেট। সেই বাজেটেই একের পর এক জনমুখী ঘোষণায় কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী, মত রাজনৈতিক মহলের।ভোটের আগে শেষ বাজেটে আবারও নারী ভোটব্যাঙ্ককে গুরুত্ব দিয়েছে তৃণমূল, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এর ফলে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অসংরক্ষিত শ্রেণির মহিলারা লক্ষ্মীর ভান্ডারে পাবেন মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা করে।তবে এই ঘোষণার পাল্টা বড় দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হবে। বৃহস্পতিবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, বিজেপির সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরের উপস্থিতিতেই তিনি এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, এপ্রিল মাসে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে পয়লা জুনের আগেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢুকে যাবে।লক্ষ্মীর ভান্ডারে ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ভোটমুখী বলেও অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর দাবি, শুধুমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্পের টাকা বাড়ানো হয়েছে। তাঁর মতে, সিভিক ভলান্টিয়ার, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী প্রকল্পের টাকা এপ্রিল মাসে দেওয়া হলেও লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মার্চের মধ্যেই দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এছাড়াও গোয়ার উদাহরণ টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিজেপি সেখানে মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাহলে বাংলায় মহিলাদের দেড় হাজার টাকা কেন দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই বিষয়টি বিধানসভাতেও তিনি তুলেছেন বলে জানান বিরোধী দলনেতা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 103
  • 104
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জিতে পরদিনই আওয়ামি লিগের অফিসের তালা খুললেন বিএনপি সাংসদ! পঞ্চগড়ে চমক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আবু দাউদ প্রধান। নির্বাচনে জয়ের পরদিনই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামি লিগ-এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলায়। আবু দাউদ প্রধান পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপির সভাপতি এবং সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর দেশের নানা প্রান্তে দলটির দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার ভিন্ন ছবি দেখা গেল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পরদিন চাকলাহাট ইউনিয়নে আওয়ামি লিগের একটি অফিস খুলে দেন আবু দাউদ।এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। ভিডিওতে স্থানীয় আওয়ামি লিগ নেতারা বলেন, এই পদক্ষেপ মহৎ উদ্যোগ। অন্যদিকে কয়েকজন স্থানীয় নেতা শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দেন।আবু দাউদ প্রধান বলেন, তিনি জানতে পারেন যে অফিসটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্যই তিনি তালা খুলে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, কোনও দলই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, অফিসটি আগে অন্য একটি গোষ্ঠী তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। এখন সেটি খুলে পরিষ্কার করা হচ্ছে। আপাতত সেখানে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম হবে না বলেই জানানো হয়েছে।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই পদক্ষেপ নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। বিরোধী দলের দপ্তর খুলে দেওয়ার ঘটনায় দেশে সহাবস্থানের নতুন ইঙ্গিত মিলছে কি না, তা নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

মোদীর ফোন, জয়শঙ্কর কি যাচ্ছেন শপথে? কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান।যদিও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে নিয়মের কিছু জটিলতার কারণে আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারছেন না তারেক। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার তাঁর শপথ গ্রহণ হতে পারে।শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। সময়মতো আমন্ত্রণ এলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত। এর আগে খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তখন তাঁর সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বাংলাদেশে ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের খবর, ফোনেও কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। শেখ হাসিনা-র সরকারের পতনের পর সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে উন্নতির পথে হাঁটতে পারে বলে আশা কূটনৈতিক মহলের। দিল্লিও সেই দিকেই নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

ঐতিহাসিক মুহূর্ত! জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান

ঐতিহাসিক নজির গড়ল অসম। বিমানবন্দর নয়, জাতীয় সড়কের উপর জরুরি অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান। অসমের মোরানে এই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটির পরীক্ষা করা হয়। একদিনের সফরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে উড়ে এসে প্রধানমন্ত্রীর সি-১৩০জে বিমান ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারিত অংশে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর প্রায় ৪০ মিনিটের এয়ার শো হয়। আকাশে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে তেজস, সুখোই ও রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে এই ধরনের অবতরণ পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সামরিক প্রয়োজনের সময় উদ্ধারকাজে এটি বড় ভূমিকা নেবে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরান বাইপাসে ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশেষ অবতরণ পথ তৈরি হয়েছে।এই পথ অসামরিক ও সামরিকদুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে এটি ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত পরিবহণ বিমান এখানে অবতরণ করতে পারবে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে প্রথম এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।অসম সফরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর তৈরি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন তিনি, যা উত্তর গুয়াহাটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। এতে যানজট কমবে এবং যাতায়াতের সময়ও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এছাড়া গুয়াহাটিতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১০০টি ইলেকট্রিক বাসেরও সূচনা করবেন তিনি। সফরের শেষে গুয়াহাটিতে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ না মেটানোয় বড় ধাক্কা! মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে আদালত অবমাননার নোটিস

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ না মেটানোয় এবার বড় আইনি চাপে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্র-কে আদালত অবমাননার নোটিস পাঠালেন ডিএ মামলাকারীরা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশের এক সপ্তাহ পরেও বকেয়া না মেটানোয় ক্ষুব্ধ মামলাকারীরা ফের আইনি পথে হাঁটলেন।আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের মাধ্যমে পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃত ভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। যা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি ৭৫ শতাংশ কী ভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করার কথাও বলা হয়। তবে এবার অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়নি। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, দ্রুত নির্দেশ মানতে হবে।এর আগেও গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট চার সপ্তাহের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হয় ২৭ জুন। পরে রাজ্য সরকার আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়।মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি বলেই আদালত অবমাননার নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এখন রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

উড়ান থামিয়ে নামানো হল যাত্রীদের, শৌচাগার থেকে মিলল বোমা-হুমকি

সাতসকালে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। শিলংগামী ইন্ডিগো-র 6E-7304 নম্বর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। খবর ছড়াতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে শিলং যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানের। উড়ানের আগে বিমানের শৌচাগার থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেন এক ক্রু সদস্য। চিরকুটে লেখা ছিল, বিমানে বোমা রাখা আছে। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিমান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত একে একে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। সতর্কতাবশে বিমানটিকে আলাদা বে-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো বিমান জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলংগামী ওই উড়ানটি দুপুর ১টা ১০ মিনিট নাগাদ রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত উড়ান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ঝাঁজ! ৩০ ডিগ্রির পথে কলকাতা, শীত কার্যত বিদায়

বসন্তের শুরুতেই চড়া রোদের তেজ টের পাচ্ছে কলকাতা। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ৩০ ডিগ্রির দিকে এগোচ্ছে। শীতের আমেজ প্রায় উধাও। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া অফিস।আগেই বলা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শীত বিদায় নেবে। এখন সেই পূর্বাভাসই মিলছে। কলকাতা সহ গোটা রাজ্যেই তাপমাত্রা বাড়ছে। পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। দিনের বেলায় গরম অনুভূত হচ্ছে, রাতেও ঠান্ডা কমে আসছে।পূর্বাভাস বলছে, আগামী সপ্তাহে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে আরও বাড়তে পারে পারদ। মার্চ মাস থেকে গরম পুরোপুরি দাপট দেখাতে শুরু করবে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিও ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা।আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ১৬ ডিগ্রি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৭ শতাংশ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আজ এবং আগামী কয়েক দিনে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিক থেকে সেখানেও তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।সব মিলিয়ে, ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট। মার্চে পরিস্থিতি আরও বদলাতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal