• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

কলকাতা

ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের নাম! সরাসরি কমিশনকে চিঠি মমতার, তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের মানুষের নাম ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। এই অভিযোগ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। চিঠিতে ডিয়ার সিইও সম্বোধন করে মমতা লিখেছেন, এই অভিযোগ সত্যি হলে তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং গণতন্ত্রবিরোধী কাজ ।চিঠিতে তিনি আরও জানান, নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় বিপুল পরিমাণে ফর্ম ছয় জমা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিক নয় এবং এর মাধ্যমে এমন মানুষদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে, যাঁরা এই রাজ্যের বাসিন্দা নন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি ।এর আগেই একই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিপুল পরিমাণ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ে কমিশনের দফতরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজার হাজার ফর্ম জমা পড়েছে, যেগুলির সঙ্গে ভিনরাজ্যের ভোটারদের নাম জড়িত থাকতে পারে। সেই সময় তিনি কমিশনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও জানান ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে আরও অভিযোগ করেছেন, এই ধরনের কার্যকলাপের ফলে বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই চিঠি তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী হিসেবে পাঠিয়েছেন। ফলে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ডিউটি ফেলে পার্টি অফিসে ক্যারাম! মুহূর্তে সাসপেন্ড তিন জওয়ান, কঠোর বার্তা নির্বাচন কমিশনের

তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বাংলায় শান্তি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু সেই গুরুদায়িত্বের মাঝেই বড় গাফিলতির অভিযোগ উঠল তিন জওয়ানের বিরুদ্ধে। ডিউটির সময়েই তাঁরা একটি রাজনৈতিক দলের পার্টি অফিসে ঢুকে ক্যারাম খেলায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ। ঘটনা সামনে আসতেই দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেয় নির্বাচন কমিশন। ওই তিন জওয়ানকে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, শনিবার বীরভূম জেলার একটি এলাকায় টহল দেওয়ার দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই জওয়ানদের। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা তাঁরা স্থানীয় একটি পার্টি অফিসে ঢুকে পড়েন। সেখানে উপস্থিত কর্মীদের সঙ্গে গল্পগুজব করতে শুরু করেন। অভিযোগ, এরপরই শুরু হয় ক্যারাম খেলা, যা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে।সিউরির এই ঘটনা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা পৌঁছে যায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কমিশনের কর্তারা। তাঁদের মতে, এই ধরনের কাজ নিরপেক্ষতা এবং পেশাদারিত্বের উপর বড় প্রশ্ন তোলে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ওই তিন জওয়ানকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।এর আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল এবং তখনও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়নি বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে কড়া নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন।এই ঘটনার পর জেলার অন্যান্য এলাকায় থাকা জওয়ানদেরও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ডিউটির সময় কোনও ধরনের গাফিলতি বা পক্ষপাতমূলক আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। এই সাসপেনশনের মাধ্যমে কমিশন জানিয়ে দিল, ভোটের সময় নিয়ম ভাঙলে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজনীতি

শাহের ‘জনতার চার্জশিট’-এ বারবার শুভেন্দু, বাংলায় বিজেপির মুখ নিয়ে জোরালো জল্পনা

বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথম সফরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, তা ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু ঘোষণা না হলেও, তাঁর বক্তব্য এবং জনতার চার্জশিট-এ একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারী-র উল্লেখ বিজেপির অন্দরেই তাঁর বাড়তি গুরুত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।শনিবার প্রকাশিত বিজেপির তথাকথিত জনতার চার্জশিট-এ রাজ্যের শাসক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ১৫ বছরের শাসনকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আক্রমণ করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ, দুর্নীতি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি থেকে শুরু করে শিল্প, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা মোট ১৫টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি এই অভিযোগপত্রে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।তবে এই চার্জশিটের একটি বিশেষ দিক নজর কেড়েছে গণতন্ত্রের উপর আঘাত অধ্যায়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার প্রসঙ্গ আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু নথিতেই নয়, নিজের বক্তব্যেও শাহ বারবার সেই প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা বেড়েছে এবং বিরোধী নেতারাও তার শিকার।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজ্যের অন্যান্য বিজেপি নেতারাও অতীতে হামলার মুখে পড়লেও তাঁদের প্রসঙ্গ এ ভাবে তুলে ধরা হয়নি। ফলে শুভেন্দুকে ঘিরে এই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার মধ্যে রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট বলেই মনে করা হচ্ছে।শাহের বক্তব্যে আরও একটি দিক উঠে আসে রাজ্যে বিজেপির ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রসঙ্গে শুভেন্দুর ভূমিকা। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০২১ সালে বিজেপির ভোট শতাংশ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিধায়ক দলের নেতা হিসেবে শুভেন্দু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং রাজ্য জুড়ে তিনি দলের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।মঞ্চে উপস্থিত রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং নেতা শমীক ভট্টাচার্য-র উপস্থিতি সত্ত্বেও শাহের বক্তব্যে শুভেন্দুর নামই বেশি করে উঠে আসে। এমনকি, দলীয় সূত্রে দাবি, প্রার্থী তালিকা তৈরিতেও তাঁর প্রভাব উল্লেখযোগ্য।বিজেপি এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা না করার নীতি বজায় রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে নির্বাচনের আগে এই প্রথম বড় কর্মসূচিতে শুভেন্দুকে ঘিরে শাহের বিশেষ উল্লেখ রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।সব মিলিয়ে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকলেও, বিজেপির নির্বাচনী কৌশলে শুভেন্দু অধিকারীর গুরুত্ব যে ক্রমশ বাড়ছে, শাহের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বিস্ফোরক চার্জশিট অমিত শাহর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

বাংলায় এসে তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এই চার্জশিট প্রকাশ করেন তিনি। শাহর দাবি, এটি শুধু বিজেপির চার্জশিট নয়, বাংলার মানুষের অভিযোগের প্রতিফলন।তিনি বলেন, দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, শিল্প ও স্বাস্থ্যসব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে এই নথিতে। তাঁর কথায়, গত ১৫ বছরে বাংলায় ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বিভেদের রাজনীতি চলেছে। এবার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা ভয়ের পক্ষে থাকবে, না উন্নয়নের পক্ষে।অমিত শাহ অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জীবিকা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করা হবে।বাংলায় বিজেপির ভোটের বৃদ্ধি নিয়েও তথ্য দেন শাহ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে বিজেপির ভোটের হার অনেক বেড়েছে এবং রাজ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।অমিত শাহ বলেন, এই নির্বাচন বাংলার মুক্তির নির্বাচন। অনেক মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পরিবর্তন চান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তিনি বারবার সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল নেন। তবে বাংলার মানুষ এখন সেই রাজনীতি বুঝে গিয়েছেন।নারী নিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণও তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় একই দলের সরকার গঠন হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর নামও উঠে আসে, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

বড় চমক ২৮ মার্চ! অমিত শাহের উপস্থিতিতে রাজ্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক চার্জশিট বিজেপির

বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট প্রকাশের পর এবার গোটা রাজ্যকে নিয়ে বড় চার্জশিট প্রকাশ করতে চলেছে বিজেপি। আগামী ২৮ মার্চ এই চার্জশিট প্রকাশ করা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র উপস্থিতিতে। গত পনেরো বছরে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে এই রিপোর্টে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এবং তার বাস্তব প্রয়োগ নিয়েও একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে ধাপে ধাপে এগোতে চাইছে বিজেপি। আপাতত তাড়াহুড়ো না করে সংগঠিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮০টি কেন্দ্রের পর্যালোচনা হয়েছে সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-এর উপস্থিতিতে। একটি বিশেষজ্ঞ দল এই চার্জশিট তৈরি করেছে।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চার্জশিট আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্যের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর প্রকাশ করা হবে নির্বাচনী সংকল্পপত্র। সেই সংকল্পপত্র তৈরির জন্য বাংলার প্রায় দশ হাজার বিশিষ্ট মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে।বিজেপির নির্বাচনী কৌশলে এবার মূল স্লোগান ভয় বনাম ভরসা। স্থানীয় ইস্যুকে সামনে রেখেই আন্দোলন ও প্রচার চালানো হবে। যে সব প্রার্থীর আসন পরিবর্তন করা হয়েছে, তাঁদের জন্য দলের মধ্যে আলাদা একটি নামও ব্যবহার করা হচ্ছে।এই চার্জশিটে রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলার সমস্যা, নারী নিরাপত্তা, গণতন্ত্রের পরিস্থিতি, শিল্পের অবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সমস্যা, কৃষকদের দুর্দশা, উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা, চা শ্রমিকদের অবস্থা, কলকাতার পরিস্থিতি এবং সিন্ডিকেট প্রথার মতো একাধিক ইস্যু।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ৩০ মার্চ থেকে তারকা প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে শুরু করবেন। অন্যদিকে, শুক্রবার রাতে দিল্লি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা অমিত শাহের। রাতেই তিনি শহরে পৌঁছে নিউটাউনে যাবেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই চার্জশিট প্রকাশকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

আবার কি লকডাউন আসছে? জ্বালানি সঙ্কটে দেশজুড়ে আতঙ্ক, মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে, আবার কি লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারের মতো কয়েকটি দেশ জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই কারণেই ভারতে একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও।তবে এই জল্পনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশে আবার লকডাউন জারি করার কোনও পরিকল্পনা নেই। কোভিডের সময় যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তেমন কিছু ফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন নিয়ে যে খবর ছড়াচ্ছে তা পুরোপুরি ভুল। এই সময়ে শান্ত থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও কেন্দ্রের দাবি, ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ তৈরি হলেও দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন এবং আগাম জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, কোনও ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য দেশ প্রস্তুত।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

রামনবমীতে অবিশ্বাস্য দৃশ্য! সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠল রামলালার তিলক, চমকে গেল অযোধ্যা

রামনবমীর পুণ্য তিথিতে অযোধ্যায় এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকলেন ভক্তরা। ঠিক দুপুর বারোটার সময় জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারদিক। সেই সময়েই নবনির্মিত রাম মন্দির অযোধ্যা-র গর্ভগৃহে রামলালার কপালে এসে পড়ে সূর্যের উজ্জ্বল আলো। মুহূর্তের মধ্যে চন্দনের তিলক যেন জ্বলে ওঠে। প্রায় চার মিনিট ধরে এই দৃশ্য চলে, যা দেখে আবেগে ভেসে যান উপস্থিত ভক্তরা।এই সূর্য তিলক কেবল ধর্মীয় অনুভূতির বিষয় নয়, এর পেছনে রয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানের প্রয়োগ। সিবিআরআই রুরকি এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স-এর বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন। আয়না ও লেন্সের সাহায্যে সূর্যের আলোকে বিশেষভাবে প্রতিফলিত করে মন্দিরের গর্ভগৃহে পৌঁছে দেওয়া হয়। সেই আলোর একটি নির্দিষ্ট বিন্দু রামলালার কপালে এসে পড়ে, যা দেখে মনে হচ্ছিল সূর্য যেন আশীর্বাদ করছেন।এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-ও। তিনি সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও পর্দায় এই দৃশ্য দেখেন এবং হাত জোড় করে প্রার্থনা জানান। সারা দেশের কোটি কোটি মানুষও বিভিন্ন মাধ্যমে এই দৃশ্য দেখেছেন।ভোর থেকেই অযোধ্যায় উৎসবের পরিবেশ ছিল। সকাল পাঁচটা থেকেই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। সরযূ নদী-তে স্নান করে ভক্তরা মন্দিরে প্রবেশ করেন। প্রশাসনের হিসেবে, এদিন দশ লক্ষেরও বেশি মানুষের ভিড় জমেছিল। সকালেই বিশেষ পূজার পর রামলালাকে সাজানো হয় এবং দুপুরে সূর্য তিলকের সময় নিবেদন করা হয় নানা রকম ভোগ।এই ঘটনা প্রমাণ করল, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রাচীন বিশ্বাস একসঙ্গে মিলেও নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। অযোধ্যার এই সূর্য তিলক শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের এক অনন্য মিলন হিসেবে মনে রাখা হবে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
বিদেশ

ক্ষেপণাস্ত্রে লেখা বার্তা ঘিরে চাঞ্চল্য! ভারতের উদ্দেশে ইরানের এই ধন্যবাদ কেন?

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ইরান থেকে ইজরায়েল-এর উদ্দেশে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রে লেখা ছিল ভারতের জনগণের উদ্দেশে ধন্যবাদবার্তা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার পর যে দেশগুলি তেহরানের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের প্রতিই কৃতজ্ঞতা জানাতে এই পদক্ষেপ করেছে ইরান। ভারতের পাশাপাশি স্পেন, জার্মানি এবং পাকিস্তান-কেও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। সেই হামলায় তেহরান-সহ একাধিক এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-র মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। এরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় থাকা আমেরিকার সেনাঘাঁটি এবং ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক আক্রমণ চালানো হয়।এই পরিস্থিতিতে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যদিও তার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইজরায়েলের দিকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে বন্ধু দেশগুলির উদ্দেশে বার্তা লিখছেন এক ইরানি সেনা। ভাইরাল ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রে ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। একইভাবে জার্মানি, স্পেন এবং পাকিস্তানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, যুদ্ধের পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভারত সরাসরি কোনও পক্ষ না নিলেও বারবার শান্তির পক্ষে বার্তা দিয়েছে। পরে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুতেও শোকপ্রকাশ করে ভারত।অন্যদিকে, ইরানও সে দেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং তাঁদের দেশে ফেরার ক্ষেত্রেও সাহায্য করেছে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ভারতের জন্য উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় তেহরান, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য! ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে মৃত্যু ভারতীয়ের

প্রায় এক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আকাশে বারুদের গন্ধ, দিনরাত সাইরেনের শব্দ আর একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই যুদ্ধের প্রভাব থেকে রক্ষা পাননি ভারতীয়রাও। এবার ইরান ও আমেরিকার সংঘর্ষে আরও এক ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে।সম্প্রতি আবু ধাবি শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়। পাল্টা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটিকে আটকানো সম্ভব হয়। তবে আকাশে দুই ক্ষেপণাস্ত্রের সংঘর্ষের পর তার ধ্বংসাবশেষ গিয়ে পড়ে সুয়েইহান স্ট্রিট এলাকায়। সেখানেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মোট দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন ভারতীয় এবং অন্যজন পাকিস্তান-এর নাগরিক।ভারতীয় দূতাবাসের তরফে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। শোক প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিবারের পাশে থাকার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী-এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।পরে জর্ডন-এর বিদেশ মন্ত্রক হতাহতদের পরিচয় প্রকাশ করে জানায়, এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যেও একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে মোট সাতজন ভারতীয়র মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে এখন পর্যন্ত মোট এগারো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছিল নয়। সাম্প্রতিক হামলার পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এগারোতে। নিহতদের মধ্যে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন সদস্যও রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং প্যালেস্টাইনের নাগরিকরাও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।সেদেশের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ইরানের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আবু ধাবির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনশোরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজারের বেশি ড্রোন হামলা। তবুও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় বিতর্ক! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে বসানোয় তৃণমূলের বিস্ফোরক অভিযোগ, নড়েচড়ে কমিশন

ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী-র ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে চিঠি পাঠানো হয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে কমিশন এবং রাজ্যের কাছে নতুন করে নাম চাওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়কে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার করা নিয়ে আপত্তি জানায় তৃণমূল। এই কেন্দ্রের প্রার্থী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এ নিয়ে সরব হন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি, তাই এমন নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।গত সোমবার একসঙ্গে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকাতেই ছিল সুরজিৎ রায়ের নাম। তিনি আগে নন্দীগ্রামের বিডিও ছিলেন, যে কেন্দ্রের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে ভবানীপুর কেন্দ্রেই বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লড়ছেন এবং সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। ফলে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে তৃণমূলের সতর্কতা আরও বেড়েছে।সূত্রের খবর, তৃণমূলের পক্ষ থেকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠানো হয়। গত চব্বিশ মার্চ সেই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপর কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিওয়ালাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে রিটার্নিং অফিসার পদে তিনজনের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে।এদিকে বৃহস্পতিবার রাতেও আরও ২৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। যাদবপুর, কাঁথি, হলদিয়া, ময়না, সোনামুখী-সহ একাধিক কেন্দ্রে এই পরিবর্তন করা হয়েছে। যে কোনও নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুরো ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব তাঁদের উপরেই থাকে।এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, গেটের বাইরে রামনবমী! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র উত্তেজনা

রামনবমীকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনার ছবি দেখা গেল কলকাতার শিক্ষাঙ্গনে। এ বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে রামনবমী পালন হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে রামনবমী পালনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন এবিভিপি সমর্থিত ছাত্রছাত্রীরা, কিন্তু সেই অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ।শুধু পুজো নয়, ক্যাম্পাসের ভিতরে মিছিল করার জন্যও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তাতেও না মেলায় সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই পক্ষের মধ্যে চাপানউতোর চলতে থাকে।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরে রামের মূর্তি এনে বসানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাইরে বসেই পুজো শুরু করেন উদ্যোক্তারা। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্যাম্পাসের ভিতরে শুধুমাত্র সরস্বতী পুজোর অনুমতি রয়েছে, অন্য কোনও পুজোর নয়। অন্যদিকে এক ছাত্র উদ্যোক্তার দাবি, যদি অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসে পালন করা যায়, তাহলে রামনবমীও করা যেত। তবু পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা বাইরে পুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।উল্লেখ্য, দুই বছর আগে রামনবমীকে কেন্দ্র করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল। সেই ঘটনায় ধস্তাধস্তি, সংঘর্ষ এবং রক্তারক্তির ঘটনাও ঘটে। এমনকি উপাচার্যও আহত হন। তবে গত বছর থেকে সেখানে নির্বিঘ্নেই রামনবমী পালন করা হচ্ছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই বড় ধরপাকড়! এক মাসে উদ্ধার প্রায় ৪০০ কোটি টাকার অবৈধ সামগ্রী

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কড়া নজরদারিতে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা, তার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক মাসে বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৪০০ কোটিরও বেশি টাকার অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি পাঁচটি নির্বাচনী রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, সঙ্গে তাদের ১২টি সীমান্তবর্তী রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। সেখানে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, নির্বাচন যেন সম্পূর্ণভাবে হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত এবং প্রলোভনমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।এই লক্ষ্যেই বড় পরিসরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাঁচটি বিধানসভা নির্বাচনে ৫ হাজার ১৭৩টিরও বেশি উড়ন্ত দল মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে যে কোনও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশির জন্য ৫ হাজার ২০০টিরও বেশি নজরদারি দল কাজ করছে।সূত্রের খবর, ইলেকট্রনিক জব্দ ব্যবস্থাপনা চালু হওয়ার পর ২৫ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থার যৌথ অভিযানে মোট ৪০৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকারও বেশি অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা নগদ, ৩৭ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার মদ, প্রায় ১৬ লক্ষ লিটারেরও বেশি মদ উদ্ধার হয়েছে। মাদকদ্রব্যের মূল্য প্রায় ১৬৭ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। এছাড়া প্রায় ২৩ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু এবং আরও ১৬৩ কোটির বেশি টাকার অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে।অভিযোগ দ্রুত মেটানোর জন্য জেলা স্তরে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক দলগুলিও একটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারছেন। জানা গিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার ৯৪৪টি অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৭০ হাজার ৮৩১টি অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কমিশনের দাবি, প্রায় ৯৫ শতাংশ অভিযোগ ১০০ মিনিটের মধ্যেই সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

রামনবমীর মিছিল মানেই কড়া বিধি! নজরে ড্রোন, সর্বত্র পুলিশি ঘেরাটোপ

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে কোনও রকম অশান্তি এড়াতে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় রামনবমীর মিছিল বের হবে। তার আগেই বুধবার নবান্ন থেকে ভিডিও বৈঠকের মাধ্যমে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালা। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, মিছিল যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সেই জন্য পুলিশকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাওড়া, চন্দননগর এবং ইসলামপুরের মতো এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। অতীতে এই সব এলাকায় মিছিলকে ঘিরে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রশাসন বিশেষ সতর্ক।সারা রাজ্যে প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে কলকাতায় থাকবে প্রায় এক হাজার পুলিশ। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যও নেওয়া হতে পারে। একইসঙ্গে উসকানিমূলক বার্তা বা পোস্ট ছড়ানো বন্ধ করতে সাইবার নজরদারিও চালানো হচ্ছে। ২৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই মিছিল করতে হবে। কোনওভাবেই অস্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রা করা যাবে না। নির্দিষ্ট সময় ও রুট মেনে মিছিল করতে হবে এবং কোনও মিছিলে পাঁচশোর বেশি মানুষ থাকতে পারবেন না। এই নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নবান্নে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা থাকবে, সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হবে।কলকাতা পুলিশও বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। শহরে প্রায় ষাটটি মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বড় মিছিল শুরু হবে এন্টালি, পিকনিক গার্ডেন, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হেস্টিংস এবং কাশীপুর এলাকা থেকে। প্রতিটি মিছিলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।পুলিশকর্মীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক পোশাক রাখা হবে। কোথাও কোনও সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিছিলগুলির উপর ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং পুলিশ সেই ফুটেজ নজরে রাখবে।পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে, বাইক নিয়ে মিছিল করা যাবে না এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট রুটেই শোভাযাত্রা করতে হবে। প্রতিটি মিছিলের আগে ও পরে পুলিশ থাকবে এবং আশপাশের এলাকাতেও টহলদারি চালানো হবে। পুলিশকর্মীদের পোশাকে বডি ক্যামেরাও থাকবে, যাতে পুরো পরিস্থিতি রেকর্ড করা যায়।সব মিলিয়ে রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও রকম অশান্তি না ঘটে এবং উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে তীব্র সংঘাত! মমতা ও শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তাল রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে কমিশনের কাছে গিয়েছে তৃণমূল। দুই শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির অভিযোগ, আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার পরেও ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ছবি এবং কাটআউট এখনও লাগানো রয়েছে। এই বিষয়টিকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে তারা এবং সেই কারণেই কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।এর মধ্যে আরও একটি বিষয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। জানা যায়, ভোটে প্রার্থী হওয়ার আগে নিয়ম মেনে একাধিক লাভজনক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে খবর আসে তিনি ২৬ থেকে ২৮টি পদ ছেড়েছেন। তবে পরে জানা যায়, সেই ইস্তফা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং পরে নতুন করে জমা দেওয়া হবে।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বুধবার নন্দীগ্রামে একটি সভায় তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি কর্মীরা অসম্মানজনক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে দুই শিবিরের এই সংঘাতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কমিশন এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

মার্চ ২৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 114
  • 115
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র ৮ মাসেই ভেসে গেল কোটি টাকার সেতু! কাটমানির অভিযোগে বিস্ফোরক শুভেন্দু

উত্তরবঙ্গের প্রবল বর্ষণে বড় ধাক্কা খেল দুধিয়া সেতু। মাত্র আট মাস আগে তৈরি হওয়া এই সেতু ভেসে যাওয়ায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের সরাসরি যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন সেতু কীভাবে ভেসে গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুধিয়া সেতু নির্মাণে কোনও অনিয়ম বা কাটমানির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষকে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে দেওয়া।মুখ্যমন্ত্রী জানান, টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় ছোট-বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিং, মিরিক এবং সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। নবান্নের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে। সেচ দপ্তর ও জেলা প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও জানান, বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসন কাজ করছে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুধিয়া সেতু ভেসে যাওয়ার ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত কম সময়ে নতুন নির্মিত সেতুর এমন পরিণতি কেন হল? প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষা করছেন দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal