• ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মেলেনি, এবার যুব সাথীর লাইনে এমএ পাশ তরুণী

বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনের জটিলতায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠল হুগলির চুঁচুড়া এলাকার এক শিক্ষিতা যুবতীর ক্ষেত্রে। এমএ পাশ করার পরও চাকরি না পেয়ে বাড়িতে বসে রয়েছেন তানিয়া মণ্ডল দাস। তিনি জানান, পদবি পরিবর্তনের কারণে দুবার আবেদন করেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাননি। তাই নতুন আশায় এবার রাজ্যের যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন। তবে তাঁর মনে এখনও আশঙ্কা, পদবি সংক্রান্ত একই সমস্যায় এই প্রকল্পের সুবিধাও হাতছাড়া হতে পারে। তানিয়া বলেন, পড়াশোনা শেষ করেও কাজ না পাওয়ায় আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করতেও খরচ হয়, তাই এই ভাতা পেলে কিছুটা সাহায্য হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাতার থেকে চাকরি পেলে আরও ভালো হতো, কারণ কেউ অন্যের উপর নির্ভর করে থাকতে চান না। তানিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু হুগলির হুগলি মহসিন কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার মাধ্যমে। পরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিয়ের আগে তাঁর পদবি ছিল মণ্ডল, কিন্তু বিয়ের পর তা পরিবর্তিত হয়ে দাস হওয়ায় বিভিন্ন নথিতে ভিন্নতা তৈরি হয়েছে। মাধ্যমিকের প্রবেশপত্র ও ভোটার পরিচয়পত্রে পুরনো পদবি থাকলেও আধার, ব্যাঙ্কের নথি ও বিবাহের শংসাপত্রে নতুন পদবি থাকায় পরিচয় সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন বাতিল হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্থানীয় পুর প্রশাসনের তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ জানান, প্রয়োজনীয় নথির সংশোধন করলে সুবিধা পেতে অসুবিধা হবে না এবং কোনও সমস্যা হলে পুরসভা সহযোগিতা করবে। তানিয়ার মতো অনেক মহিলার ক্ষেত্রেই বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনকে ঘিরে এমন সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যা প্রশাসনিক স্তরে সমাধানের দাবি তুলছে সাধারণ মানুষ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রকল্পে নাম লিখালেন বিজেপি নেত্রী, সামনে আসতেই তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষিত যুব সাথী প্রকল্প ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভাতার রাজনীতি করে ভোটে প্রভাব ফেলতে চাইছে সরকার। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই হুগলির আরামবাগ এলাকায় যুব সাথীর ফর্ম জমা দেওয়ার লাইনে দেখা গেল বিজেপি নেত্রী সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তকে। শুক্রবার গোঘাট দুই নম্বর ব্লক অফিসে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম পূরণ করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি জানান, ছেলের জন্য ফর্ম জমা দিচ্ছেন, তবে নথিতে গ্রাহক হিসেবে তাঁর নিজের নামই দেখা যায়। ক্যামেরার সামনে তিনি বলেন, বহু শিক্ষিত যুবক এখনও বেকার, তাঁদের তথ্য নথিভুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এই অর্থ কোনও দলের নয়, সরকারের, তাই সকলের প্রাপ্য বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্প চালুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক বেকার যুবকযুবতীর চাকরির আবেদন করতে অর্থের অভাব থাকে, তাঁদের জন্য এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গোঘাট দুই ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সৌমেন দিগার বলেন, সব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করার ফলেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পে বিরোধীরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যদিও বিজেপির তরফে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটি ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ভোটের আগে এই ছবি নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

দলের আপত্তি সত্ত্বেও মসজিদ নির্মাণে সাহায্য, নতুন করে চর্চায় তৃণমূল নেতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চায় উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। বিভিন্ন বিরোধী নেতার সঙ্গে বৈঠক এবং প্রকাশ্যে মতামত দেওয়ার পর এবার বাবরি মসজিদ ইস্যু নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এরই মধ্যে মসজিদ নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ রমজান মাসের প্রথম দিনেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য এক লক্ষ এগারো হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে মসজিদ ট্রাস্টের নামে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার নামে চেক প্রদান করা হয়। এর আগে এই মসজিদ নির্মাণের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। এবার সমর্থনের পাশাপাশি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতায় বিতর্ক আরও বেড়েছে।কয়েক দিন আগে এক সভা থেকে সফিউজ্জামান শেখ দাবি করেছিলেন, জেলার মানুষই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই অনুদান দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জেরে কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করা হয়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণের মতো বিষয় নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো দল সমর্থন করে না। তৃণমূলের তরফে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দল ভালো চোখে দেখছে না। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা নিয়েই আপত্তি রয়েছে শাসকদলের একাংশের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক, স্কুলের পাতে বাড়ছে ডিমে ভরা মধ্যাহ্নভোজ

স্কুলের মধ্যাহ্নভোজে বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে শিক্ষা মহল থেকে অভিভাবক সমাজসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে আলোচনা। এতদিন মাথাপিছু অল্প বরাদ্দের কারণে বহু স্কুলে সপ্তাহে একদিন গোটা ডিম দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ত। এবার ভোটের আগে রাজ্য সরকার বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা করায় পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই পড়ুয়াদের পাতে ডিম দেওয়া সম্ভব হবে, আর ডিম না মিললে মরসুমি ফল দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।এর আগে প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য মাথাপিছু প্রায় ছয় টাকা আটাত্তর পয়সা বরাদ্দ ছিল। চাল আলাদা করে দেওয়া হলেও ওই সামান্য অর্থে সবজি, ডাল, মশলা এবং রান্নার জ্বালানি জোগাড় করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হত স্কুল কর্তৃপক্ষকে। ফলে অনেক স্কুলে সপ্তাহে এক বা দুদিন ডিম দেওয়া যেত, আবার ডিমের দাম বাড়লে কোথাও আধখানা ডিম দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দিতে হত। দীর্ঘদিন ধরেই বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।অবশেষে বাড়তি প্রায় আটাত্তর কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অতিরিক্ত অর্থে মাসে অন্তত বারো দিন পড়ুয়াদের ডিম বা মরসুমি ফল দেওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। তবে সাধারণ পড়ুয়া ও অভিভাবকদের বড় অংশ বলছেন, কারণ যাই হোক, এতে শিশুদের পুষ্টি ও খাবারের মান বাড়বে, যা অত্যন্ত জরুরি।বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মরসুমি ফল নিয়মিত দেওয়া কতটা সম্ভব তা নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকলেও শিক্ষকদের মতে, বাড়তি বরাদ্দে অন্তত সপ্তাহে আরও কয়েকদিন ডিম দেওয়া সম্ভব হবে। বহু পরিবারেই শিশুদের পুষ্টির বড় অংশ নির্ভর করে স্কুলের খাবারের উপর, তাই এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি মিলেছে বলে মত অভিভাবকদের। অনেকেই হাসিমুখে বলছেন, যদি এমন সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের খাবারের মান বাড়ে, তবে ভোট এলেও আপত্তি নেই। এতে নিরামিষ পাতে অন্তত কিছুটা আমিষ ও পুষ্টির যোগান বাড়বে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সপ্তাহান্তে বড় ধাক্কা, হাওড়া ডিভিশনে একসঙ্গে তিরিশ লোকাল বাতিল

সপ্তাহান্তে ফের ট্রেন বাতিলের জেরে ভোগান্তির আশঙ্কা বাড়ল নিত্যযাত্রীদের। পূর্ব রেলের পূর্ব রেল হাওড়া ডিভিশনে একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন বাতিলের ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী একুশ ও বাইশ ফেব্রুয়ারি মিলিয়ে মোট তিরিশটি লোকাল ট্রেন চলবে না বলে জানানো হয়েছে। ফলে সপ্তাহান্তে যাতায়াতের পরিকল্পনা করা বহু যাত্রী সমস্যায় পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা।রেলের তরফে জানানো হয়েছে, তারকেশ্বর শাখায় শেওড়াফুলি ও দিয়াড়া স্টেশনের মধ্যে বিদ্যুৎ ও ট্রাফিক ব্লক নিয়ে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। দিয়াড়া স্টেশনেও একই কারণে বিশেষ ব্লক নেওয়া হবে। একুশ ফেব্রুয়ারি রাত এগারোটা কুড়ি থেকে বাইশ ফেব্রুয়ারি সকাল নটা কুড়ি পর্যন্ত এই কাজ চলবে। সেই কারণেই বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।শনিবার বাতিল থাকবে রাত দশটা আঠারো মিনিটের গোঘাট থেকে হাওড়া লোকাল, রাত নটা আটত্রিশ মিনিটের তারকেশ্বর থেকে হাওড়া লোকাল, সন্ধ্যা সাতটা চল্লিশ মিনিটের হাওড়া থেকে গোঘাট লোকাল এবং রাত এগারোটা পাঁচ মিনিটের হাওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকাল।রবিবার ভোর থেকে একাধিক ডাউন ট্রেন বাতিল থাকবে। তারকেশ্বর থেকে হাওড়াগামী ভোর তিনটে পঞ্চাশ, ভোর চারটে পঞ্চাশ, ভোর পাঁচটা পঁয়ত্রিশ, ভোর ছটা কুড়ি, সকাল সাতটা, সকাল সাতটা চল্লিশ, সকাল সাতটা পঞ্চান্ন এবং সকাল আটটা পঞ্চাশের লোকাল ট্রেন চলবে না। এছাড়াও আরও কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল।একই দিনে আপ লাইনের ক্ষেত্রেও একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ভোর চারটে পাঁচ, ভোর পাঁচটা ত্রিশ, ভোর পাঁচটা আটচল্লিশ, ভোর ছটা বত্রিশ এবং ভোর ছটা পঁয়তাল্লিশের হাওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকাল সহ আরও কয়েকটি ট্রেন বাতিল থাকবে। সপ্তাহান্তে যাত্রীসংখ্যা তুলনামূলক কম থাকলেও অনেকেই বেড়াতে যান বা জরুরি কাজে যাতায়াত করেন, ফলে ভোগান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।এদিকে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ভবিষ্যতেও মাঝেমধ্যে ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল। বাঁশবেড়িয়া-তে রেলওভারব্রিজ নির্মাণের কাজের জন্য বাঁশবেড়িয়া ও ত্রিবেণী স্টেশনের মধ্যে নির্দিষ্ট দিনে প্রায় তিন ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ ও ট্রাফিক ব্লক নেওয়া হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের উনিশ, কুড়ি, পঁচিশ, ছাব্বিশ, সাতাশ ও আঠাশ তারিখ এই ব্লক কার্যকর থাকবে এবং আগামী মাসগুলিতেও একই ধরনের ব্লক নেওয়া হবে। এর জেরে কয়েকটি ট্রেনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। যাত্রীদের স্টেশনের ঘোষণায় নজর রাখার অনুরোধ জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বিদায় নিচ্ছে শীত! রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে ২-৩ ডিগ্রি, সপ্তাহের শেষে বদলে যাবে আবহাওয়া

পশ্চিমবঙ্গে শীতের মরশুম প্রায় শেষের পথে। এতদিন দিনে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছিল। সোয়েটার বা মাফলারের প্রয়োজনও কমে গিয়েছিল। তবে রাতে হালকা ঠান্ডা থাকছিল। এবার সেই রাতের ঠান্ডাও কমতে চলেছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোগান কমে গিয়েছে। ফলে রোদের তেজও বাড়বে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ শক্তি বাড়াচ্ছে। এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। তবে এই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। সব জেলাতেই আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। উপকূলের জেলা যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশিরের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুটোই কিছুটা বাড়বে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। কালিম্পং ও সংলগ্ন এলাকায় ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি, মালদা ও আশপাশের জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৭ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সব মিলিয়ে শীতের আমেজ ফুরিয়ে এখন ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

১ লক্ষের বেশি আবেদন ঝুলে, বাদ পড়ছেন হাজার হাজার ভোটার

২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তা। প্রযুক্তিগত সমস্যায় ১ লক্ষের বেশি নথি আপলোড বাকি। আরও ৩৫ হাজার আবেদনকারী অযোগ্য ঘোষিত। বিস্তারিত পড়ুন।বিধানসভা ভোটের আগে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নাও হতে পারে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এই বিলম্ব হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।শুনানির সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও এখনও লক্ষাধিক আবেদনকারীর তথ্য অনলাইনে তোলা হয়নি। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, মোট ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২টি নথি আপলোড বাকি রয়েছে। ফলে তথ্য যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। মঙ্গলবার আরও প্রায় ৩৫ হাজার আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের জমা দেওয়া নথি গ্রহণযোগ্য নয় বলেই জানানো হয়েছে।জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কয়েকটি জেলায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কোচবিহারে ১০,৪৭৯টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০,২৮৫টি, উত্তর কলকাতায় ১৫,০৩১টি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ২০,৭০৭টি নথি এখনও সিস্টেমে আপলোড হয়নি। হাওড়ায় বাকি রয়েছে ১০,৪৯৯টি নথি। দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি এখনও তোলা হয়নি। অন্যদিকে মালদহ, ঝাড়গ্রাম ও কালিম্পংয়ে আপলোড নিয়ে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানা গিয়েছে।Election Commission of India জানিয়েছে, যে ১২টি রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে, সব রাজ্যেই আপলোডের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। নতুন করে আর আপলোড করা সম্ভব নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।তবে কাদের গাফিলতিতে এত বিপুল সংখ্যক আবেদন ঝুলে রইল, তা খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। ভোটের মুখে এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সকলের নজর, আদৌ ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পায় কি না।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

২০০ লিটার ডিজেল ভরা ড্রাম ফেটে তাণ্ডব! হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে শিশু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হল চার নাবালক। রাস্তার ধারে খেলতে খেলতেই পাশে রাখা রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনে দগ্ধ হয়ে চার জনই গুরুতর আহত হয়। অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক নাবালক পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়।ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত চলা রাস্তা মেরামতির কাজে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে শুরু হওয়া সংস্কারের সময় প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল ভর্তি একটি ড্রাম রাস্তার ধারে ফেলে রাখা ছিল। সেই ড্রামের কাছেই খেলছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী চার পড়ুয়া। হঠাৎ বিকট শব্দে ড্রামটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় এক শিশু মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। বাকি তিনজনও দগ্ধ হয়।আহতদের নাম সাদিকুল মোল্লা, সামিউল মোল্লা, রায়হান মোল্লা এবং রিয়াজ হাসান মোল্লা। তারা সকলেই স্থানীয় খড়গাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কলকাতার এনআ. বাঙুর পাঠানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সাদিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানতে বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাস্তা মেরামতির সময় যথাযথ নিরাপত্তা ছিল কি না এবং দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এলাকায় চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

গভীর রাতে গেট ভেঙে পালালেন বাংলাদেশী আবাসিকরা! কীভাবে ভাঙল নিরাপত্তার বলয়? তদন্তে পুলিশ

গভীর রাতে হোমের গেটের তালা ভেঙে পালিয়ে গেলেন ১০ জন আবাসিক। তাঁদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি মহিলা, ২ জন নাবালিকা এবং ১ জন এ রাজ্যের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।পুলিশ জানায়, সোমবার রাত প্রায় ১২টা নাগাদ ওই মহিলা হোম থেকে একসঙ্গে ১০ জন আবাসিক পালিয়ে যান। অভিযোগ, তাঁরা গেটের তালা ভেঙে বেরিয়ে যান। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁদের থামানো যায়নি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় মধ্যমগ্রাম থানায়। পুলিশ রাতেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে।শেষ পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ গঙ্গানগর কাটাখাল এবং সংলগ্ন এলাকা থেকে ১০ জনকেই উদ্ধার করে। তাঁদের ফের হোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কীভাবে এতজন একসঙ্গে পালাতে পারলেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হোমটি শুধুমাত্র মহিলা আবাসিকদের জন্য। বিদেশি নাগরিক বা সিডব্লিউসি-র মাধ্যমে পাঠানো মেয়েরাই এখানে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরেই হোমের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কয়েকজন আবাসিকের অসন্তোষ ছিল বলে খবর। সেই ক্ষোভ থেকেই পালানোর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।ঘটনা প্রসঙ্গে বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, হোম কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে তালা ভাঙা হল এবং কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।এই ঘটনায় হোমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এতজন আবাসিক একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের নজর এখন ওই হোমের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ! বসন্তের মুখে আবহাওয়ার নতুন বার্তা, বাড়বে নাকি বৃষ্টি?

দুয়ারে বসন্তের আমেজ। সকাল ও রাতে হালকা শীতের ছোঁয়া এখনও রয়েছে। ঠিক এই সময়েই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার খবর দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে আপাতত বাংলায় এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানানো হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল। সেটিই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সেটি মধ্য দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী দিনে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে বাংলার আবহাওয়ায় তার কোনও বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।এদিকে রাজ্যে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৩৫ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। সকালে ও রাতে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলা শীতের অনুভূতি অনেকটাই কমছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরও দুদিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে দিনের বেলা শীত কার্যত বিদায় নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এক থেকে দুই ডিগ্রি কম রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে তা বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা আপাতত স্বাভাবিকের কাছাকাছিই থাকবে। সপ্তাহের শেষের দিকে গরমের আভাস মিলতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার পরিমাণ কিছুটা বেশি হতে পারে। সকালবেলায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।সব মিলিয়ে বসন্তের শুরুতে আবহাওয়া মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও সমুদ্রের নিম্নচাপ নিয়ে নজর রাখছে আবহবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পড়ুয়াদের সামনে শিক্ষকের অপমান? ঝাড়ু হাতে স্কুলে সাফাই অভিযানে বিধায়ক, তুমুল বিতর্ক

বলা নেই, কওয়া নেই। ক্লাস চলার সময় হঠাৎ করেই শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়লেন বিধায়ক। কেন ক্লাসরুমের মেঝে নোংরা, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করলেন শিক্ষকের কাছে। শিক্ষক অনুমতি ছাড়া এভাবে ঢুকে পড়ার প্রতিবাদ করতেই পড়ুয়াদের সামনেই শুরু হয়ে যায় তুমুল বাগবিতণ্ডা। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি হাইস্কুলে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্য দিনের মতো এ দিনও চতুর্থ পিরিয়ডে ক্লাস চলছিল। দোতলার একটি হলঘরে অষ্টম শ্রেণির বাংলা পড়াচ্ছিলেন শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আচমকাই কোনও অনুমতি না নিয়েই শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়েন ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া। তিনি ঢুকেই জানতে চান, কেন ক্লাসরুমের মেঝে এত নোংরা।শিক্ষক জানান, স্কুলে কোনও চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা সাফাইকর্মী নেই। পড়ুয়ারাই নিজেরাই ক্লাসরুম পরিষ্কার রাখে। শিক্ষকরাও হাত লাগান। চতুর্থ পিরিয়ডের পরেই ঘর পরিষ্কার করার কথা ছিল বলেও তিনি জানান।এরপর শিক্ষক বিধায়কের কাছে প্রশ্ন তোলেন, কেন অনুমতি না নিয়ে ক্লাসরুমে ঢোকা হল। এই প্রশ্নে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন বিধায়ক। পড়ুয়াদের সামনেই শুরু হয় দুজনের তর্কাতর্কি। বিধায়ক আঙুল তুলে বলেন, তাঁকে কেন অনুমতি নিতে হবে। বেশ কিছুক্ষণ বচসার পর তিনি শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঝাড়ু হাতে নিয়ে স্কুল চত্বর পরিষ্কার করতে শুরু করেন।এই ঘটনায় অপমানিত বোধ করছেন শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ছাত্রছাত্রীদের সামনে এভাবে আচরণ করা ঠিক হয়নি। যদিও পরে অনুমতি না নিয়ে ক্লাসে ঢোকার বিষয়টি নিজের ভুল বলে স্বীকার করেছেন বিধায়ক নির্মল ধাড়া।ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইন্দাস ব্লক সভাপতি শেখ হামিদ এই আচরণের কড়া নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় রোদের তেজ বাড়ছে, সপ্তাহেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে হাওয়া অফিস?

বসন্তের শুরুতেই গরমের আভাস মিলতে শুরু করেছে। শীতের মেয়াদ কার্যত শেষের পথে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দিনের বেলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং রোদের তেজও বাড়তে পারে। তার ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের অনুভূতি বাড়বে। তবে ভোর ও রাতের দিকে এখনও কয়েক দিন হালকা ঠান্ডা থাকবে।রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। চলতি সপ্তাহেই ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ চড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং এই সপ্তাহে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যেতে পারে। সপ্তাহের শেষে সেখানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটোই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং-সহ সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস।তবে আগামী তিন থেকে চার দিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার প্রকোপ কিছুটা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে শীত বিদায়ের মুখে, আর ধীরে ধীরে গরমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে জঙ্গলমহলে ‘মাওবাদী’ পোস্টার! তৃণমূল নেতাদের নামে গণ-আদালতের হুঁশিয়ারি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টারকে ঘিরে। রবিবার ভোরে বান্দোয়ান থানার কুমড়া অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় এবং যজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা একাধিক পোস্টার দেখা যায়। স্থানীয় মানুষ বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কে বা কারা এই পোস্টার সাঁটিয়েছে এবং এর পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পোস্টারে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ভবতোষ দাস-সহ মোট আট জনের নামে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গণ-আদালতে তাঁদের বিচার হবে। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে ওই পোস্টারে।এর আগেও সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার হয়েছিল। তালডাংরা ও ওন্দা থানা এলাকার গাছের গুঁড়ি এবং বাসস্ট্যান্ডের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা পোস্টার মিলেছিল। সেখানেও নিহত মাওবাদী নেতা হিডমাকে সম্মান জানানো হয়েছিল।ভোটের আগে জঙ্গলমহলে এই ধরনের পোস্টার ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকাজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি তবে বিদায় নিচ্ছে? ৩০ ডিগ্রির পথে কলকাতা, হাওয়া অফিসের বড় ইঙ্গিত

শীতের আমেজ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৯ ডিগ্রি কম। তবে নতুন সপ্তাহেই শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সিউড়ি ও কল্যাণীতে। সেখানে পারদ নেমেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের সমতলেও ঠান্ডা রয়েছে। পুন্ডিবাড়িতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে পাহাড়ে শীতের আমেজ এখনও স্পষ্ট। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।তবে এই শীত বেশিদিন স্থায়ী হবে না বলেই ইঙ্গিত মিলছে। ফেব্রুয়ারি শেষ হতে আর কয়েকদিন বাকি। শেষ সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আলিপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় পারদ ৩০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। উত্তরবঙ্গেও রোদের তেজ বাড়ছে। জলপাইগুড়িতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।একই সঙ্গে রাজ্যের দুই প্রান্তেই কুয়াশার দাপট রয়েছে। সকালে কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গিয়েছে। দৃষ্টিসীমা ছিল ২০০ মিটার থেকে ১০০০ মিটারের মধ্যে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও কোচবিহারে কুয়াশা বেশি ছিল।আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে ফেব্রুয়ারির শেষেই শীত আরও কমে গিয়ে গরমের আভাস স্পষ্ট হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা, একই কলেজে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল দ্বিতীয় বর্ষের এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। মৃতের নাম লাবণ্য প্রতাপ, বয়স ২২। তিনি বিহারের পাটনার বাসিন্দা। শনিবার রাতে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, তাঁদের কেউ আগে কিছু জানায়নি। দরজা খুলে তিনি দেখেন, তাঁর ছেলে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এরপরই প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাবা বলেন, অভিভাবকেরা টাকা দেন পড়াশোনার জন্য, কিন্তু ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কলেজেরই।সম্প্রতি কলেজে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সেই ফল ভাল না হওয়ায় মানসিক চাপে এই ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর এই একই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরে জঙ্গলে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন স্থানীয় যুবক এবং একজন সহপাঠী। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই কলেজে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

১৫০০ টাকার আশায় লম্বা লাইন! যুবসাথী ক্যাম্পে ভিড়, তবু মুখে একটাই দাবি—চাকরি চাই

১ এপ্রিল চালু হবে যুবসাথী প্রকল্প। তার আগে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ক্যাম্প। ২১-৪০ বছরের বেকার যুবক-যুবতীদের আবেদন, তবে অনেকেরই দাবিভাতা নয়, চাকরি চাই।রবিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন শিবির। আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রকল্প চালু হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। তার আগে আবেদন গ্রহণের জন্য টানা এগারো দিন ধরে চলবে ক্যাম্প।কলকাতা-সহ জেলায়-জেলায় একই ছবি দেখা গেল। ক্যাম্পের সামনে লম্বা লাইন। তরুণ-তরুণীরা দাঁড়িয়ে আবেদনপত্র জমা দিচ্ছেন। অনেকেই উচ্চশিক্ষিত। বিএ, বিকম, বিএসসি এমনকি এমএ পড়ুয়ারাও এসেছেন ভাতার আবেদন করতে।এক তরুণী বলেন, কলকাতায় চাকরি নেই, তাঁর পড়াশোনার ক্ষেত্রেও সুযোগ খুব কম। এক যুবক জানান, ভাতা দেওয়ার বদলে যদি চাকরির সুযোগ তৈরি করা হতো, তা হলে ভালো হতো। আর এক যুবতীর কথায়, আপাতত ভাতা ঠিক আছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হল চাকরি। কেউ কেউ বলছেন, যে টাকা ভাতা দেওয়া হচ্ছে, সেই টাকাতেই যদি চাকরি দেওয়া যায়, তাতেও রাজি।মালদহে বারোটি বিধানসভা এলাকায় ব্লকভিত্তিক ক্যাম্প বসেছে। সকাল থেকেই সেখানে আবেদনকারীদের ভিড়। এক স্নাতক স্তরের পড়ুয়া বলেন, ১৫০০ টাকায় কিছুই হয় না, তাঁর দরকার চাকরি। ইতিহাসে এমএ পড়ুয়া এক তরুণী জানান, ভাতা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না, বাধ্য হয়েই আবেদন করতে এসেছেন।আর এক যুবক বলেন, তিনি প্রতিদিন দুলিটার তেল ভরেন, সামান্য সাহায্য হলেও কাজে লাগবে। সাক্ষী নামে এক তরুণী জানান, চাকরি আছে কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না, তাই আপাতত ভাতার আশ্রয়।যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ যেমন রয়েছে, তেমনই শোনা যাচ্ছে ক্ষোভ ও হতাশার সুর। এখন দেখার, ১ এপ্রিল থেকে ভাতা চালু হলে কতটা স্বস্তি পান রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ...
  • 173
  • 174
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত, হঠাৎ সক্রিয় নির্বাচন কমিশন, কী ঘটতে চলেছে জানেন?

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ এখন শেষের পথে। বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ চলছে। শুরুতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কবে শুরু হবে বা আদৌ সব রাজ্যে হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে এবং কমিশনও পরবর্তী পদক্ষেপে এগোতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ এখনও শুরু হয়নি, সেই সব জায়গার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের জন্য আগাম সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকাঠামো, কর্মী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বাকি থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই বিশেষ পরিমার্জনের কাজ শুরু হতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।মেটা বিবরণ: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বিহারের পর বাকি রাজ্যগুলিতে এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে কাজ, প্রস্তুতির নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

ভিসা জট কাটছে অবশেষে, ভারত সফরের পথ খুলতেই স্বস্তি দুই দেশের মানুষের

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক। অন্তর্বর্তী পর্বের অবসান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। এই পরিবর্তনের পরই ভ্রমণ ভিসা-সহ বিভিন্ন ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক হতে চলেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কূটনৈতিক মহল। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ থাকায় সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন এবং মূলত চিকিৎসা ভিসা ও সীমিত প্রবেশের ভিসাই দেওয়া হচ্ছিল।সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস জানান, ভ্রমণ ভিসা-সহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের অগস্ট মাস থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল, যার ফলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াতে বড় অসুবিধা তৈরি হয়। এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার ইঙ্গিত মিলছে।তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং দুই দেশের মানুষই এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাঁর কথায়, ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক নৈকট্য, বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথাও উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ করার দিকেই দুই দেশ এগোতে চায়।প্রসঙ্গত, ছাত্র আন্দোলনের জেরে দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। পরে মুহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। সেই সময় আঞ্চলিক কূটনীতিতে নানা টানাপোড়েন দেখা দেয় এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও দূরত্ব তৈরি হয়। দীর্ঘ প্রায় সতেরো মাসের অস্থিরতার পর নতুন স্থায়ী সরকার গঠনের মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে বাংলাদেশে গম রপ্তানির উপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ভারত, যা ইতিবাচক কূটনৈতিক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে আগের উষ্ণ অবস্থায় ফিরতে পারে এবং ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়া সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক, স্কুলের পাতে বাড়ছে ডিমে ভরা মধ্যাহ্নভোজ

স্কুলের মধ্যাহ্নভোজে বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে শিক্ষা মহল থেকে অভিভাবক সমাজসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে আলোচনা। এতদিন মাথাপিছু অল্প বরাদ্দের কারণে বহু স্কুলে সপ্তাহে একদিন গোটা ডিম দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ত। এবার ভোটের আগে রাজ্য সরকার বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা করায় পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই পড়ুয়াদের পাতে ডিম দেওয়া সম্ভব হবে, আর ডিম না মিললে মরসুমি ফল দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।এর আগে প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য মাথাপিছু প্রায় ছয় টাকা আটাত্তর পয়সা বরাদ্দ ছিল। চাল আলাদা করে দেওয়া হলেও ওই সামান্য অর্থে সবজি, ডাল, মশলা এবং রান্নার জ্বালানি জোগাড় করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হত স্কুল কর্তৃপক্ষকে। ফলে অনেক স্কুলে সপ্তাহে এক বা দুদিন ডিম দেওয়া যেত, আবার ডিমের দাম বাড়লে কোথাও আধখানা ডিম দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দিতে হত। দীর্ঘদিন ধরেই বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।অবশেষে বাড়তি প্রায় আটাত্তর কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অতিরিক্ত অর্থে মাসে অন্তত বারো দিন পড়ুয়াদের ডিম বা মরসুমি ফল দেওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। তবে সাধারণ পড়ুয়া ও অভিভাবকদের বড় অংশ বলছেন, কারণ যাই হোক, এতে শিশুদের পুষ্টি ও খাবারের মান বাড়বে, যা অত্যন্ত জরুরি।বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মরসুমি ফল নিয়মিত দেওয়া কতটা সম্ভব তা নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকলেও শিক্ষকদের মতে, বাড়তি বরাদ্দে অন্তত সপ্তাহে আরও কয়েকদিন ডিম দেওয়া সম্ভব হবে। বহু পরিবারেই শিশুদের পুষ্টির বড় অংশ নির্ভর করে স্কুলের খাবারের উপর, তাই এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি মিলেছে বলে মত অভিভাবকদের। অনেকেই হাসিমুখে বলছেন, যদি এমন সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের খাবারের মান বাড়ে, তবে ভোট এলেও আপত্তি নেই। এতে নিরামিষ পাতে অন্তত কিছুটা আমিষ ও পুষ্টির যোগান বাড়বে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

দল ছাড়ছেন দীপ্সিতা? সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাম রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর তাঁর দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ এখনও না করায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ থেকেই এই দূরত্ব, আবার কেউ বলছেন বিষয়টি সম্পূর্ণই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। যদিও দীপ্সিতা নিজে সমস্ত জল্পনাকে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন সদস্যপদ নবীকরণের জন্য মার্চ মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে।দলীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ সদস্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন। আবেদন প্রথমে জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হয়। তবে দলীয় সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও দীপ্সিতার নবীকরণ হয়নি। এদিকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ঘোষণা সামনে থাকায় আপাতত সংগঠনের কাজের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে তিনি আদৌ সদস্যপদ চালিয়ে যেতে চান কি না।দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনার সময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এ থাকাকালীন দলের সদস্য হন এবং সেই সূত্রে তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ দিল্লিতেই হওয়ার কথা। তাই রাজ্যে নবীকরণ না হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সময় শেষ হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে অযথা জল্পনা ছড়ানো হচ্ছে। তবে মার্চের মধ্যে নতুন করে ফর্মে সই করবেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতীক উর রহমান এর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দলের সমালোচনা মানেই দলবিরোধী অবস্থান নয়। এতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইদানিং দলীয় কর্মসূচিতে দীপ্সিতাকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিতর্কসভা ও মিছিলেও তাঁর উপস্থিতি কমেছে। ২০২৪ সালে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজয়ের পর কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে একই প্রজন্মের নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি করে চলেছেন। দীপ্সিতার এলাকাতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দীপ্সিতা? নাকি সবটাই সাময়িক দূরত্ব? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

ভোটের আগে টাকা বিলি নিয়ে কড়া প্রশ্ন, শীর্ষ আদালতের মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়

ভোটের আগে নগদ সহায়তা ও বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্প ঘোষণা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলল দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার এই ধরনের প্রকল্পকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর নেতৃত্বে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলি-র বেঞ্চ জানতে চায়, ভোটের আগে কেন বিভিন্ন রাজ্য সরকার হঠাৎ করে নগদ অর্থ বা সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প চালু করে। আদালতের মতে, এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে এবং এতে তোষণের রাজনীতির ইঙ্গিতও রয়েছে।এদিন তামিলনাড়ু-এর একটি মামলার শুনানির সময় এই প্রশ্ন ওঠে। বিদ্যুৎ সংশোধনী নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তামিলনাড়ু পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড মামলা দায়ের করেছিল। সেই শুনানির মধ্যেই বিনামূল্যে পরিষেবা ও নগদ সহায়তা দেওয়ার রাজনীতি নিয়ে আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিচারপতিরা মন্তব্য করেন, ভোটের আগে হঠাৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ঘোষণা করা হলে তা মানুষের কর্মপ্রবণতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আদালত আরও জানায়, কে বিল দিতে সক্ষম আর কে নয়, সেই বিভাজন তৈরি করা সহজ নয় এবং এই সংস্কৃতি নিয়ে আদালত উদ্বিগ্ন।এই মন্তব্য এমন সময় সামনে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গ-এ সম্প্রতি যুব সহায়তা প্রকল্পে বেকারদের নগদ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা হয়েছে এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, মধ্য প্রদেশ ও ছত্তিসগঢ়-সহ একাধিক রাজ্যেই ভোটের আগে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রকল্প সামনে এসেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্র মনে করেন, আদালতের পর্যবেক্ষণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, দেশের সম্পদ সঠিকভাবে বণ্টন হলে মানুষের আর্থিক কষ্ট অনেকটাই কমতে পারত। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতায় তা সবসময় সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, আর্থিক সহায়তা মানুষের জন্য উপকারী হলেও দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থান ও আয়ের স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরি করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

পালানোর ছক ভেস্তে গেল শেষ মুহূর্তে, ইউরোপে যাওয়ার আগেই গ্রেপ্তার বাংলাদেশের ছাত্রনেতা

দুই হাজার চব্বিশ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ-এর পরিস্থিতি। সেই অশান্ত সময়ে এক হিন্দু পুলিশ কর্মী সন্তোষ চৌধুরি-কে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে এক ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। অবশেষে তাঁকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি নামে ওই ছাত্রনেতা বাংলাদেশের পুলিশের খাতায় ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত ছিলেন এবং ভারতে আত্মগোপন করে ছিলেন। দিল্লি থেকে ইউরোপে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরেই তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। যদিও ঠিক কবে তিনি গ্রেপ্তার হন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।জানা যায়, হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন সন্তোষ চৌধুরি। দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট থানার মধ্যেই তাঁকে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং পরে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে তাঁর দগ্ধ দেহ একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়, যা ঘিরে দেশ-বিদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।তদন্তে সন্তোষের খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে মেহেদির নাম সামনে আসে। এমনকি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছিলেন বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারিকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় নতুন করে বিচারপ্রক্রিয়া এগোবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সরকার, ভারত ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই সক্রিয় চিনের দূত

দীর্ঘ সতেরো মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে বাংলাদেশ-এ নতুন স্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করে নরেন্দ্র মোদী-র আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন বলে সূত্রের খবর। চিঠিতে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।এই ঘটনার পরই ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছেন। জানা গিয়েছে, তিনি পৃথক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের আবেদন জানান। দ্রুত এই বৈঠক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রককে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধও করেছেন তিনি।অন্যদিকে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার বর্মা-ও নতুন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় চান। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানের পর ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রী-সহ দূতাবাসের অন্যান্য আধিকারিকরা। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। হাসিনা পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং তা আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।এই পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী চিন ও পাকিস্তান-এর উদ্বেগ বাড়ছে বলেও কূটনৈতিক মহলের ধারণা। নতুন সরকারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চিনা রাষ্ট্রদূতের চিঠিকে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এর আগেও চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি চিন আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাতের অনুরোধ করেছিল, কিন্তু শপথ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস তেরোটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ভারত-সহ একাধিক দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সেই অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিল্লি ও ঢাকার নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে এআই মহাসম্মেলন, মোদীর সতর্কবার্তা—ডিপফেক থামাতে চাই ‘অথেনটিসিটি লেবেল’

তীব্র কৌতূহল ও আন্তর্জাতিক নজরের মধ্যেই রাজধানী দিল্লির ভারত মণ্ডপমে শুরু হল বিশ্বজুড়ে আলোচিত এআই সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন এই সামিটের মূল পর্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ, প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব বিল গেটস, গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই এবং ওপেনএআই প্রতিষ্ঠাতা স্যাম অল্টম্যান সহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা। দিল্লির ভারত মণ্ডপম প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সম্মেলনকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বৈঠক বলে দাবি আয়োজকদের।ছয় দিনের এই সম্মেলন সোমবার শুরু হলেও বৃহস্পতিবার থেকে মূল আলোচনা ও নীতিগত পর্ব শুরু হয়েছে। সর্বজনের কল্যাণ ও সুখকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন এর আগে ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ফ্রান্স-এ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আয়োজকদের মতে, পাঁচশোর বেশি বৈশ্বিক এআই বিশেষজ্ঞ ও শিল্পনেতার অংশগ্রহণে এটি নতুন রেকর্ড গড়তে পারে এবং প্রযুক্তি নীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।উদ্বোধনী ভাষণে ভারত-এর অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এআই নিয়ে বিশ্বে ভয় ও সম্ভাবনাএই দুই ধরনের মনোভাব দেখা যাচ্ছে। তবে ভারত এই প্রযুক্তিতে বিশাল সুযোগ দেখছে এবং দেশের তরুণ প্রজন্ম দক্ষতা দিয়ে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে। সম্মেলনে তিনটি ভারতীয় সংস্থা নিজেদের তৈরি এআই মডেল ও নতুন পণ্যও প্রকাশ করেছে।প্রধানমন্ত্রী ডিপফেক ও বিকৃত তথ্যের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে বলেন, ডিজিটাল কনটেন্টে খাবারের প্যাকেটের মতো সত্যতা যাচাইয়ের লেবেল থাকা দরকার। এতে সাধারণ মানুষ সহজেই আসল ও নকল আলাদা করতে পারবেন। তিনি জলছাপ প্রযুক্তি ও স্পষ্ট উৎস মানদণ্ড তৈরির ওপর জোর দেন এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এআইকে শিশু-বান্ধব করার আহ্বান জানান।ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান মানবকেন্দ্রিক হবে বলে মন্তব্য করে তিনি জানান, দক্ষতাই হবে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। অনেক দেশ এআইকে কৌশলগত সম্পদ হিসেবে গোপনে উন্নয়ন করলেও ভারতের লক্ষ্য জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া, যাতে কোটি কোটি তরুণের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, এআই শুরু হওয়ার সময় এত কর্মসংস্থান তৈরি হবে তা কেউ কল্পনাও করেনি, আর এর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে মানুষের দায়িত্বশীল ব্যবহারের উপর। মানুষ ও বুদ্ধিমান প্রযুক্তির যৌথ কাজ আগামী দিনের নতুন অর্থনীতি গড়ে তুলবে বলেও মত তাঁর।প্রধানমন্ত্রী এআই মানব দর্শনের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে নৈতিকতা, দায়িত্বশীল শাসন, জাতীয় নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং বৈধ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষ যেন শুধু ডেটা সরবরাহকারী হয়ে না পড়ে, বরং প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে মানুষকেই রাখতে হবে। জিপিএস পথ দেখালেও কোন পথে চলতে হবে সেই সিদ্ধান্ত মানুষেরএই উদাহরণ টেনে তিনি প্রযুক্তির সচেতন ব্যবহারের বার্তা দেন।বিশ্বজুড়ে এআই নিয়ে প্রতিযোগিতা ও উদ্বেগের মধ্যেই দিল্লির এই সম্মেলন ভারতের ভবিষ্যৎ কৌশল ও বৈশ্বিক সহযোগিতার দিশা স্পষ্ট করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নীতি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal