• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

কলকাতা

ভোটের আগের রাতেই বড় চাল! দ্বিতীয় দফা নিয়ে গোপন বৈঠক শাহের

রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট, আর তার আগেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে দীর্ঘ বৈঠক হল, যেখানে ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। এই নেতারাই বাংলার দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন।প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ১৬টি জেলায় এই ভোট চলছে। মঙ্গলবারই প্রথম দফার প্রচার শেষ হয়েছে। সেই দিন একাধিক জনসভা করেন অমিত শাহ। প্রচার শেষ হতেই রাতেই তিনি দ্বিতীয় দফার রণকৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাঁরা দ্বিতীয় দফার আসনগুলির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার যে ১৪২টি আসনে ভোট হবে, সেখানে আগের নির্বাচনে বিজেপির ফল খুব ভালো ছিল না। এমনকি সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনেও প্রত্যাশামতো ফল পায়নি দল। তাই প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে আলাদা করে কৌশল তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছেন অমিত শাহ।সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যেই থাকতে পারেন অমিত শাহ। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তাঁর রাজ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার দাবি করছে, এবারের নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে দ্বিতীয় দফার আসনগুলিতে ভালো ফল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে বিজেপি।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোররাতে তালিকা প্রকাশ, চমকে দিল সংখ্যা! শুরু রাজনৈতিক তরজা

সংবিধানের ১৪২ ধারার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে এবং যাঁরা অনুমোদন পাবেন, তাঁরা প্রথম দফার ভোটে অংশ নিতে পারবেন। সেই নির্দেশ মেনেই বুধবার ভোররাতে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই তালিকা ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে মাত্র ১৩৬ জন ভোটারই প্রথম দফায় ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়েছেন। অন্যদিকে, ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের মধ্যেই আবার ২ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই সংখ্যা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।এই তালিকা প্রকাশের পর তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, প্রায় ২৭ লক্ষ বিচারাধীন মানুষের মধ্যে মাত্র ১৩৬ জনের নাম নিষ্পত্তি হওয়া অত্যন্ত নগণ্য। তাঁর কথায়, এত মানুষের অধিকার খর্ব করা হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া কার্যত অকার্যকর।প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময় প্রায় ৬০ লক্ষ নাম বিবেচনাধীন ছিল। পরে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই নামগুলির যাচাই করেন। যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, তাঁরা ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের মধ্যে যাঁদের নাম তালিকায় থাকবে, তাঁরা ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটে অংশ নিতে পারবেন। একইভাবে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া নামের ভিত্তিতে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে অংশ নেওয়া যাবে।তবে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এই কারণে যে, ট্রাইব্যুনাল আগেই জানিয়েছিল, ভোটারদের বক্তব্য না শুনে কোনও নাম বাদ দেওয়া হবে না। অথচ প্রকাশিত তালিকায় ২ জনের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিরোধী শিবির।অন্যদিকে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা দাবি করেছেন, তথ্যপ্রমাণের অভাবেই বহু নাম বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, যাঁরা সঠিক তথ্য দিচ্ছেন, তাঁদের নামই তালিকায় রাখা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে প্রথম দফার ভোটের আগে সম্পূরক তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ভোটার তালিকা নিয়ে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

শেষবেলায় পাহাড়ে অমিত শাহের বিস্ফোরক প্রতিশ্রুতি! গোর্খা ইস্যুতে বড় ঘোষণা

প্রথম দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিনে মঙ্গলবার একাধিক সভায় অংশ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কার্শিয়াং, কুলটি, শালবনি এবং চণ্ডীপুরএই চারটি জায়গায় তাঁর সভা হওয়ার কথা ছিল। কার্শিয়াংয়ের সভা থেকেই গোর্খা সমস্যা নিয়ে বড় ঘোষণা করেন তিনি।অমিত শাহ দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হলে ৬ মে-র মধ্যেই প্রত্যেক গোর্খার মুখে হাসি ফিরবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোর্খা ইস্যু ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং এর জন্য কংগ্রেস ও তৃণমূলকে দায়ী করেন তিনি।সভার শুরুতেই তিনি জানান, আগে দার্জিলিংয়ে আসার পরিকল্পনা থাকলেও হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি না মেলায় এবং আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ২১ তারিখ অবশ্যই পাহাড়ে আসবেন এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই তিনি পৌঁছেছেন।কার্শিয়াংয়ের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। মমতাদিদিকে বিদায় জানানোর সময় এসে গেছে।উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। ৫০০ বেডের ক্যানসার হাসপাতাল, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস এবং একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথাও বলেন তিনি।এছাড়াও উত্তরবঙ্গকে ইকো অ্যাডভেঞ্চার ও হেরিটেজ ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। অনুপ্রবেশ রোধ, নতুন শিল্পশহর গঠন, চা বাগানের শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়া এবং মজুরি বৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

এবার ভোটে বাইক বন্ধের ‘মেগা রুল’! জারি হল চাঞ্চল্যকর নিষেধাজ্ঞা

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কঠোর হল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ। এবার বাইক চলাচল নিয়েও জারি হল একাধিক কড়া নিয়ম। স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথ সংলগ্ন এলাকায় আগেই বাইক রিকুইজিশন করে নেওয়া হয়েছিল। এবার তার থেকেও কড়া নির্দেশ দিল কমিশন।নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভোটের দুদিন আগে থেকে কোনও বাইক র্যালি বা মিছিল করা যাবে না। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন সকাল ছটা পর্যন্ত বাইক চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে।ভোটের দুদিন আগে সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত বাইকে কাউকে বসিয়ে যাতায়াত করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাতে যাওয়া, স্কুলে শিশু আনা-নেওয়া বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের দিন সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইকে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। এছাড়াও চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতিতে চলাচল করা যাবে। কিন্তু এই কারণ ছাড়া বাইক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।যদি বিশেষ কোনও প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়ে তবেই চলাচল করা যাবে। সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে হঠাৎ নতুন নিয়ম! বুথে যাওয়ার আগে কেন মুচলেকা দিতে হবে অফিসারদের? তীব্র প্রশ্ন

প্রথম দফা ভোটের আগে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের মুচলেকা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এই নির্দেশ সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেন এই মুচলেকা দিতে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএলও ঐক্যমঞ্চ।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য কুড়ি থেকে তিরিশ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ হবে। এই প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর তাঁদের একটি মুচলেকা জমা দিতে হবে। সেখানে উল্লেখ করতে হবে, তাঁরা সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেয়েছেন কি না। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ব্রিফিংয়ের সময় ডিউটি সংক্রান্ত সব নির্দেশ বিস্তারিতভাবে বোঝানো হবে। এরপর একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করে সেই মুচলেকা জমা দিতে হবে।এই নতুন নিয়ম ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিএলও ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, আগে কখনও এই ধরনের নিয়ম ছিল না। তাঁর কথায়, ভোটের ঠিক আগে আবার নতুন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, সেটাই একেবারে নতুন বিষয়। কিন্তু তার থেকেও বড় প্রশ্ন হল, প্রশিক্ষণের পর আবার মুচলেকা কেন দিতে হবে। তিনি জানান, প্রিসাইডিং অফিসাররা দায়িত্ব নেওয়ার সময় আগেই সই করেন, তাহলে আবার আলাদা করে মুচলেকার প্রয়োজন কী, তা স্পষ্ট নয়।উল্লেখযোগ্য, কয়েক দিন আগেই প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল হাইকোর্ট। কেন অধ্যাপকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সেই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে দেওয়া হয়। তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে অংশ নিতে পারবেন বলে জানানো হয়।ভোটের মুখে এই নতুন নির্দেশিকা ঘিরে রাজনৈতিক মহল এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের বড় ধাক্কা! অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার করা যাবে না

ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হয়েছে।এই মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে। শুনানির সময় বিচারপতি কড়া ভাষায় কমিশনকে ভর্ৎসনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন কলেজের অধ্যাপকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। আগের দিনই কমিশনের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু নির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেনি তারা।কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, ভোটের আগে নতুন করে লোক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আদালত সেই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি। বিচারপতির মতে, শুধু সময়ের অভাব দেখিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।শুক্রবারের শুনানিতে কমিশন সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হয়। এরপরই আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না এবং সেই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হল।তবে ইতিমধ্যে যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য হবে না। যাঁরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, সেই অধ্যাপকদের ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, যাঁরা আপত্তি জানাননি এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আগে কখনও অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। সাধারণত এই পদে যাঁরা থাকেন, তাঁদের ব্লক স্তরের প্রশাসনিক আধিকারিকদের অধীনে কাজ করতে হয়। কিন্তু অধ্যাপকদের পদমর্যাদা বেশি হওয়ায় সেই নিয়মের সঙ্গে এই নিয়োগ সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আতঙ্ক! একসঙ্গে অসুস্থ বহু জওয়ান, তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব কমিশনের

ভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি, তার মধ্যেই কোচবিহারে হঠাৎ একের পর এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়তেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল, কী কারণে জওয়ানরা অসুস্থ হলেন, সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের থাকার জন্য স্কুল ও অন্যান্য ভবনে অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের একটি স্কুলেও এমনই একটি শিবিরে ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার সন্ধ্যায় আচমকা ২৪ জন জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাকি ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফিরে যান বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।অসুস্থ জওয়ানদের মধ্যে বেশিরভাগই তীব্র পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। দ্রুত তাঁদের তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে জানা যাচ্ছে, জওয়ানরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছিলেন।ঠিক কোন খাবার বা পানীয় থেকে এই সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাঁদের খাওয়ার জল ও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে বড় প্রতিশ্রুতি! ভিডিও বার্তায় বিস্ফোরক অভিযোগ অমিত শাহের

পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার দার্জিলিঙের লেবংয়ে তাঁর একটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর হেলিকপ্টার নামতে না পারায় তিনি সেখানে পৌঁছতে পারেননি। তবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের কাছে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দেন তিনি।সেই বার্তায় রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে বহু গোর্খা যুবক এবং সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে পাহাড়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।অমিত শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পরিস্থিতি বদলে যাবে। তাঁর আশ্বাস, সরকার গঠন হলে সমস্ত মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজার কথাও বলেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে এবং পাহাড়ের মানুষ তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায়বিচার পাবেন।অমিত শাহের এই বার্তা ভোটের আগে পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আশঙ্কা ফিরতেই তেলের দামে আগুন! ভারতে কি বাড়বে পেট্রোল-ডিজেল?

টানা চলা সংঘর্ষের পর ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধবিরতি বিশ্বজুড়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিল। সেই সময় তেলের দাম কমতেও শুরু করেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করেছে। ফের বেড়ে গেল অপরিশোধিত তেলের দাম এবং তা আবার ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করেছে। ফলে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ মেটাতে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল হয়নি। এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে আবার উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। সোমবার সকালে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। একইভাবে ব্রেন্ট তেলের দামও ১০০ ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাজারে দাম বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরাও সতর্ক হয়ে পড়েছেন। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকার তরফে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্বের তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং সঙ্কট আরও গভীর হতে পারে।কয়েক দিন আগেও ছবিটা অন্যরকম ছিল। এপ্রিলের শুরুতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৭ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এরপর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হতেই তা কমে প্রায় ৯১ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু নতুন করে আলোচনা ভেস্তে যাওয়া এবং উত্তেজনা বাড়ার কারণে আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতির টানাপোড়েন সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ মানুষের জীবনে। তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়বে পরিবহণ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে।এদিকে আমেরিকার তরফে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত মিলতেই ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাগের গালিবাফ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং তার প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে চরম টানাপোড়েন, চুক্তি ছাড়াই ফিরল আমেরিকা

দীর্ঘ একুশ ঘণ্টার বৈঠক, তবু মেলেনি কোনও সমাধান। ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ম্যারাথন আলোচনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। বৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানান, তাদের পক্ষ থেকে সব চেষ্টা করা হলেও ইরান শর্ত মানতে রাজি হয়নি। ফলে কোনও চুক্তি ছাড়াই ফিরতে হয়েছে তাঁদের।এই মন্তব্যের পরই পাল্টা সুর চড়ায় ইরান। তেহরানের দাবি, আমেরিকার শর্তগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ছিল এবং সেই কারণেই আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। ইরানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই তারা দীর্ঘ সময় আলোচনা চালিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি।এই বৈঠকে অন্যতম বড় জট ছিল হরমুজ প্রণালী নিয়ে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের উপর তাদের অবস্থান বদলাবে না। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, হরমুজ খুলতেই হবে এবং সেই লক্ষ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।প্রায় এক মাসের উত্তেজনার পর দুই দেশের এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। বৈঠকের পরে ভান্স জানান, আমেরিকা তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেকোন বিষয়ে আপস সম্ভব এবং কোথায় নয়। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে, তবুও চুক্তি না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিলই রয়ে গেছে।সূত্রের খবর, আবারও নতুন করে আলোচনায় বসতে পারে দুই দেশ। ইসলামাবাদের তরফে বৈঠক বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হতে পারে। তবে সেই বৈঠক আদৌ হবে কি না এবং হলেও কোনও সমাধান মিলবে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে অনিশ্চয়তা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

প্রণালী খুলেও বিপদ কাটেনি! নিজের পোঁতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান, আতঙ্কে জাহাজ চলাচল

যুদ্ধবিরতির ফলে আপাতত থেমেছে গোলাগুলি ও হামলা। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ কিছুটা থামলেও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে। শর্ত মেনে ইরান প্রণালী খুলে দিলেও আগের মতো জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি।এর মূল কারণ জলের নীচে পোঁতা মাইন। জানা যাচ্ছে, এই প্রণালী জুড়ে বহু জায়গায় মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হল, এখন সেই মাইন ঠিক কোথায় রয়েছে, তা নিজেরাই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না ইরান। ফলে সেগুলি সরানোও সম্ভব হচ্ছে না।এক মার্কিন আধিকারিকের দাবি, জলের নীচে থাকা মাইনগুলির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা যাচ্ছে না বলেই পুরোপুরি প্রণালী খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। এমনকি যেখানে কিছু মাইনের অবস্থান জানা রয়েছে, সেখান থেকেও সেগুলি সরানোর মতো প্রযুক্তিগত দক্ষতা ইরানের নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন যাতে দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ খুলে দেওয়া হয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি অবশ্য জানিয়েছেন, কিছু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণেই পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে সময় লাগছে। যদিও মার্কিন পক্ষের দাবি, আসল সমস্যা হল এই মাইন।বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান এই পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি সমুদ্রপথে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এই মাইন।জানা গিয়েছে, ছোট নৌকা ব্যবহার করে দ্রুততার সঙ্গে এই মাইন পোঁতা হয়েছিল। কিন্তু তাড়াহুড়োর কারণে তা সঠিকভাবে নথিবদ্ধ করা হয়নি। ফলে এখন নিজেরাই বুঝতে পারছে না কোথায় কত মাইন রয়েছে। এর মধ্যে আবার স্রোতের কারণে মাইন সরে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যা বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও জাহাজের নোঙর বা প্রপেলার যদি এই মাইনের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তাহলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড বাহিনী নিরাপদ পথের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে সেই পথের আশেপাশেও অজানা মাইন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সামান্য ভুল হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

পনেরো লক্ষ কোথায়? বারাসত থেকে বিস্ফোরক প্রশ্ন মমতার

বাংলায় নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পরেই শুরু হল তীব্র রাজনৈতিক তরজা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর ঘোষণার জবাবে বারাসতের সভা থেকে সরাসরি আক্রমণে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও তার কোনওটাই বাস্তবে পূরণ হয়নি। তাঁর কথায়, আগে বলা হয়েছিল সবার অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে, কিন্তু কেউই সেই টাকা পাননি। এবারও একইভাবে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, ভোটের সময়েই শুধু বিজেপি নেতারা আসেন, প্রতিশ্রুতি দেন এবং ভোট শেষ হলেই চলে যান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে শাসক দলের সরকার থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা হচ্ছে না, অথচ বাংলায় এসে উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে।ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টিও এদিন জোরালোভাবে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রায় নব্বই লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে, যার মধ্যে প্রায় ষাট লক্ষ হিন্দু এবং ত্রিশ লক্ষ মুসলিম ভোটার রয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি অসমের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে নাগরিকপঞ্জির মাধ্যমে বহু মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল, এবার বাংলাতেও সেই একই প্রচেষ্টা চলছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না এবং মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।এদিন ইভিএম নিয়ে কারচুপির আশঙ্কাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী এবং সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, হলদিয়ায় মাছ উৎপাদন নিয়ে করা মন্তব্যেরও পাল্টা জবাব দেন তিনি। ব্রিগেডে এক হকারকে মারধরের ঘটনাও তুলে ধরেন নিজের বক্তব্যে। তাঁর কথায়, অন্যায় হলে তার জবাব আইন মেনেই দেওয়া হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ছোটরা ভুল করলে যেমন বকাঝকা করা হয়, তেমনই যারা বড় হয়েও অন্যায় করে, তাদেরও মানুষ গণতান্ত্রিক উপায়ে জবাব দেবে। নাম না করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, জোর করে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তারও জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় বদলের ঝড় বইছে! অমিত শাহর বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বাংলায় জোরদার প্রচারে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। একের পর এক সভা ও প্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি দলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পর থেকেই প্রচারে আরও গতি এসেছে। সেই ইস্তাহারে পনেরোটি বড় সংকল্পের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ডেবরার সভা থেকেও অমিত শাহ তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দিয়েছেন। বাংলায় পরিবর্তন আনা এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ দাবি করেছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে বিপুল মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে, তা শুধুই জনসমাগম নয়, বরং বড় পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। তাঁর মতে, ভোটের শুরুতেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। আগের নির্বাচনে যেসব জেলায় দল তেমন ভালো ফল করতে পারেনি, সেখানেও এবার অভূতপূর্ব জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও, অমিত শাহ পাল্টা বলেন, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর উপর আস্থা রেখেছেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, আগে সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ভয়ে আতঙ্কে থাকত, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন তৃণমূলের কর্মীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে ভয় পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে সরাসরি বর্তমান নির্বাচনের যোগ খোঁজা ঠিক নয়।সাম্প্রতিক এক সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ বাংলায় বিজেপির বাড়তে থাকা শক্তির প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভোটের হার প্রায় একচল্লিশ শতাংশে পৌঁছয় এবং দল আঠারোটি আসন পায়। দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে সেই হার কিছুটা কমে প্রায় ঊনচল্লিশ শতাংশ হয় এবং দল বারোটি আসন পায়। দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেখানে বিজেপি মাত্র দশ শতাংশ ভোট ও তিনটি আসন পেয়েছিল, সেখানে দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনে তাদের ভোটের হার বেড়ে প্রায় আটত্রিশ শতাংশ হয় এবং আসনের সংখ্যা বেড়ে সাতাত্তরে পৌঁছয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় ক্ষমতায় এলে মাসে তিন হাজার! বিজেপির ইস্তাহারে বড় চমক

নির্বাচনের আগে বড় চমক! বাংলার জন্য নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইস্তাহার প্রকাশ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। এই ইস্তাহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান, প্রায় দশ হাজার বিশিষ্ট মানুষের সঙ্গে আলোচনা করে এই সংকল্পপত্র তৈরি করা হয়েছে এবং এটি বাংলাকে নতুন দিশা দেখাবে। তাঁর কথায়, এই পরিকল্পনা মহিলাদের থেকে শুরু করে কৃষক, যুব সমাজসব স্তরের মানুষের উন্নয়নের পথ দেখাবে এবং একটি বিকশিত ভারতের রূপরেখা তুলে ধরবে। তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন থেকেই নতুন বাংলা গঠনের কাজ শুরু হবে।এই ইস্তাহারে মোট পনেরোটি বড় প্রতিশ্রুতি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মহিলা, যুবক, কৃষি ও শিল্প ক্ষেত্রে। বহুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতিই এবার স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের পাল্টা হিসেবে আনা হয়েছে অন্নপূর্ণা প্রকল্প। এই প্রকল্প অনুযায়ী, বিজেপি সরকার গঠন করলে বাংলার মহিলারা প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে পাবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সেই টাকা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।শুধু মহিলারাই নন, বেকার যুবকদের জন্যও মাসে তিন হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার কথাও বলা হয়েছে। মহিলাদের নিরাপত্তা জোরদার করতে গঠন করা হবে বিশেষ মহিলা পুলিশ বাহিনী, যার নাম রাখা হয়েছে দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড। সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য তেত্রিশ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের এককালীন একুশ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া সরকারি বাসে মহিলাদের ভাড়া মকুব করার পরিকল্পনাও রয়েছে।সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং ডিএ নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি শূন্যপদ দ্রুত পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট রাজ ও কাটমানি সংস্কৃতি বন্ধ করার দাবি করা হয়েছে। গত পনেরো বছরে দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।কৃষকদের জন্য ধান, আলু ও আম চাষে বিশেষ সহায়তা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীদের প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্যকে একটি বড় শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি মাছ রপ্তানিতে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। চা ও পাট শিল্পের উন্নয়নেও জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে দার্জিলিং চায়ের বিশ্বমানের ব্র্যান্ডিংয়ের কথা বলা হয়েছে।অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার লক্ষ্যে আইন আনার কথা বলা হয়েছে এবং গবাদিপশু পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালুর পাশাপাশি মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে এইচপিভি টিকাকরণ ও স্তন ক্যানসার পরীক্ষা চালু করার কথা বলা হয়েছে। উত্তরবঙ্গে নতুন এইমস, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস তৈরির কথাও উল্লেখ রয়েছে।এছাড়া কুড়মালি ও রাজবংশী ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বন্দে মাতরম সংগ্রহশালা তৈরি এবং ধর্মাচরণে স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য নতুন আইন আনার কথাও বলা হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

মোদী-শাহ ঝড়ে কাঁপবে বাংলা! তিন দিনে আধ ডজন সভা, বাড়ছে ভোটের উত্তাপ

বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে রাতে রাজ্যে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী তিন দিনে দুজনের একাধিক জনসভা ও কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিনটি জেলায় তিনটি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম সভা পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। তার পর তিনি যাবেন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। সেখান থেকে বীরভূমের সিউড়িতে তৃতীয় সভা করবেন তিনি। তিনটি সভা শেষ করে সেদিনই তিনি রাজ্য ছেড়ে চলে যাবেন।প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পরই রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন অমিত শাহ। শুক্রবার ও শনিবার টানা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরে জনসভা করবেন তিনি। পাশাপাশি খড়্গপুরে একটি রোড শো-ও করবেন। শনিবার আবার বাঁকুড়ার ছাতনা ও পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে দুটি জনসভা করবেন তিনি। সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দলের সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হতে পারে, যদিও তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।ভোট ঘোষণার আগে ব্রিগেডে বড় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর কোচবিহারেও সভা করেছেন তিনি। অন্যদিকে অমিত শাহও সম্প্রতি রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শাহ। সেই সময় হাজরা এলাকা জুড়ে রোড শো ঘিরে উত্তেজনাও ছড়িয়েছিল।এবার আবার ভোটের মুখে মোদী ও শাহের এই টানা কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা। বিশেষ করে মালদহের ঘটনা, অনুপ্রবেশ, জনবিন্যাস ও এসআইআর প্রসঙ্গ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। বিজেপির তরফে প্রকাশিত জনতার চার্জশিট-এ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সব বিষয় নিয়েই সভা থেকে সরব হতে পারেন মোদী ও শাহ।ভোটের আগে এই জোড়া প্রচার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও বাড়ছে কৌতূহল। সব মিলিয়ে, ভোটের লড়াই আরও জমে উঠতে চলেছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
বিদেশ

সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণার ঘণ্টা পেরোতেই যুদ্ধ! ইরান-আমেরিকা চুক্তি প্রশ্নের মুখে

খাতায়কলমে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হলেও বাস্তবে যুদ্ধ থামল না মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে নতুন করে হামলার খবর সামনে এসেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের লাভান দ্বীপে একটি তেল শোধনাগারে আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার সকালে এই হামলার পর আগুনে জ্বলে ওঠে গোটা এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।অন্যদিকে, কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলার খবর মিলেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এই হামলার দায় এখনও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি ইরান।উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। দুপক্ষ জানিয়েছিল, আগামী দুসপ্তাহ আলোচনা চলবে এবং সেই সময়ের মধ্যে কোনও পক্ষই হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।কিন্তু এই ঘোষণার অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘর্ষবিরতি খুবই নড়বড়ে ছিল। কারণ, এই চুক্তির মধ্যে লেবাননের পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে সংঘাত আবারও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে, সংঘর্ষবিরতির পরও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বেড়েছে। এখন বড় প্রশ্ন, এই সংঘাত আদৌ থামবে কি না।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 114
  • 115
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal