• ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Date

রাজ্য

২১ জুলাইয়েও কি নামবে বৃষ্টি? মমতার সভা ঘিরে বড় পূর্বাভাস

গত ১৫ বছর ধরে ২১ জুলাইয়ের সভায় রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজির হতেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। বৃষ্টির মধ্যেই বহুবার মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃষ্টি নামলে মমতা একে বলতেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এবার ২১ জুলাইয়ের আয়োজন বদলেছে, মঞ্চ বদলেছে, সমর্থকদের জমায়েতের ধরনও বদলেছে। কিন্তু আবহাওয়া কি আগের মতোই থাকবে? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মঙ্গলবার সারাদিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র দমদমে ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হয়েছে বীরভূম,মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। বিকেলের পর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট দেখা যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তাই মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে কয়েক দফা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, লাগোয়া জেলা, উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবারের প্রবল বৃষ্টির পর কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। দমদম ও আশপাশের এলাকায় জল নামেনি কৈখালি ও হলদিরামের রাস্তা এখনও জলের তলায়। এর ফলে কৈখালি থেকে হলদিরাম ও চিনার পার্ক পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। সাধারণত ৩-৪ মিনিটের রাস্তা পেরোতে এখন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, বুধবার দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

আবার ভাসবে বাংলা! ঘূর্ণাবর্তের দাপটে আজ থেকেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

নতুন সপ্তাহের শুরুতেই ফের বৃষ্টির মুখে বাংলা। ঘূর্ণাবর্ত ও দুর্বল নিম্নচাপের প্রভাবে আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।জুলাই মাসের শুরুতে নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসেছিল বৃষ্টিতে। গত সপ্তাহে কিছুটা বিরতি মিললেও আবার নতুন করে সক্রিয় হয়েছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপ দুর্বল হলেও ঘূর্ণাবর্ত এখনও সক্রিয় রয়েছে। সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে, যার ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।আজ দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বুধবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর এবং হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার উপকূলবর্তী ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতাতেও সপ্তাহ জুড়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কখনও মাঝারি, কখনও হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাদার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে আজ কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। সেখানে মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে।

জুলাই ২০, ২০২৬
রাজ্য

আকাশ কালো, থামছেই না বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গে ভিজবে আরও, উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতায় আতঙ্ক

সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। বিভিন্ন জেলায় চলছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বইতে পারে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, নিম্নচাপ কিছুটা দুর্বল হলেও তার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও কালিম্পং জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, একদিনে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। কোচবিহারে রবিবার কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত এই জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও হাওড়ায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবারও কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কলকাতার জন্য আপাতত আলাদা কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।এদিকে, টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ধূপগুড়ি শহর। পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের বহু নিচু এলাকায় জল জমেছে। একাধিক বাড়িতে বৃষ্টির জল ঢুকে পড়েছে। নোংরা ড্রেনের জল মাড়িয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

২০ দিনের অনশনে শরীর ভেঙে পড়েছে! সোনমকে ঘিরে বড় আশঙ্কা চিকিৎসকদের

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে শনিবার সকালে দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। টানা ২০ দিন অনশনে থাকার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও তিনি অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, তিনি স্যালাইন, ওষুধ বা অন্য কোনও চিকিৎসা নিতে রাজি হননি। চিকিৎসকেরা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।গত ২৮ জুন থেকে যন্তর-মন্তরে অনশন শুরু করেন সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর প্রায় ৯ কেজি ওজন কমে গেছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, এই অবস্থায় অনশন চলতে থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে কিডনির উপর গুরুতর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শনিবার প্রকাশিত হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের পরামর্শ সত্ত্বেও সোনম কোনও ধরনের স্যালাইন, ওআরএস বা ওষুধ গ্রহণ করতে চাননি। তাই তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর সারাক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে। চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা গ্রহণে রাজি করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল প্রায় পৌনে আটটা নাগাদ ৫৯ বছর বয়সি সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার সময় তিনি সচেতন ছিলেন। তাঁর রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও শরীরে জলের ঘাটতি ধরা পড়ে। দীর্ঘ অনশনের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছেন।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে সোনম ওয়াংচুকের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নিয়মিত নজর রাখার কথাও বলা হয়। সেই নির্দেশ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ঘন কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক একাধিক জেলা

সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা। এখনও সব জায়গায় বৃষ্টি শুরু না হলেও যে কোনও সময় নামতে পারে জোর বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে তৈরি হওয়া জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও হাওড়ায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। এছাড়া হুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, বীরভূম এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় এলাকায় জল জমা এবং যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বৃষ্টি চলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।রাতভর ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় জল বেড়েছে। তিস্তা নদীর জল উঠে এসেছে রাস্তায়। এর ফলে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। তিস্তাবাজার এলাকায় জল নামার অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বুধবার স্বস্তি, কিন্তু রথের দিনই বাড়বে দুর্যোগ! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বাড়ল দুশ্চিন্তা

রথযাত্রার আগে ফের বৃষ্টির দাপট বাড়তে চলেছে বাংলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে আগামী কয়েক দিন। বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। বিহার থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর মৌসুমি অক্ষরেখাও সক্রিয় থাকায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।রবিবার মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবারও একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বুধবার কিছুটা স্বস্তি মিললেও বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ওই দিন উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতায় রবিবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়তে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবার তুলনামূলকভাবে বৃষ্টি কম থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আবারও বৃষ্টির দাপট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় রাতভর তাণ্ডব বৃষ্টি! সোমবার পর্যন্ত আরও ভয়ংকর পরিস্থিতির সতর্কতা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল কলকাতা। শুক্রবার সকাল হতেই শহরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বহু রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় অফিসযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেরই ভোগান্তি বেড়েছে। কোথাও যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে, কোথাও আবার জল জমে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। স্ট্র্যান্ড রোডে রাতের বৃষ্টিতে একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মৌসুমি অক্ষরেখা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দিনভর আকাশ মেঘলা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি, যা রাতভর চলেছে এবং শুক্রবারও তার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নব্বই শতাংশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় একত্রিশ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ছাব্বিশ ডিগ্রি থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের জন্য সোমবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং হাওড়ায় তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতেও আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। সোমবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।এদিকে শুক্রবার ও শনিবার উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুই দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্রে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। তাই অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

আজও রেহাই নেই! বাংলার এই জেলাগুলিতে ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা, জারি লাল সতর্কবার্তা

নিম্নচাপের প্রভাব অনেকটাই কমলেও আজও বাংলার বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে রাজ্যজুড়ে ভালো বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলে জুন মাসে বর্ষার যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তার অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি কমলেও এখনও কয়েকটি জেলায় বর্ষার ঘাটতি রয়ে গেছে। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সেই ঘাটতিও আরও কমতে পারে।উত্তরবঙ্গে আজ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে চরম ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও চব্বিশ ঘণ্টায় দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কালিম্পং এবং কোচবিহারে জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। এছাড়াও উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আগামীকালও পাহাড় এবং ডুয়ার্সে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। টানা বৃষ্টির জেরে পাহাড়ে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি নদীগুলিতে হড়পা বানের ঝুঁকিও রয়েছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের অপ্রয়োজনে পাহাড়ি নদী ও ঝরনার ধারে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরও সতর্কবার্তা জারি করা হতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

এবার আর রক্ষা নেই! নিম্নচাপের দাপটে বাংলায় প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা সবচেয়ে ঝুঁকিতে?

জুন মাসে বৃষ্টির ঘাটতি থাকলেও জুলাইয়ের শুরুতেই বদলে গেল আবহাওয়ার ছবি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুতেরও আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও একদিনে প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার কলকাতার জন্যও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।এই বৃষ্টি একদিকে কৃষকদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে। নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়ো হাওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনও ব্যাহত হতে পারে।নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রও উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। সেই কারণে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সুন্দরবন উপকূল এলাকায় পুলিশ ইতিমধ্যেই মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিতে শুরু করেছে। যাঁরা আগে থেকেই মাছ ধরতে গিয়েছিলেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টির জেরে নদীভাঙনের আশঙ্কাও বাড়ছে। বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় ডাঙ্গি এলাকার নদীতীরে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বনাঞ্চলের একের পর এক গাছ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে বাড়িঘর, চাষের জমি এবং বনাঞ্চলের বড় অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে। তবে একই সময়ে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
রাজ্য

আবহাওয়ার বড় সতর্কবার্তা! এই জেলাগুলিতে নামতে পারে প্রবল বৃষ্টি, সঙ্গে ঝড় ও বজ্রপাত

দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপট বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।আজ কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের বিভিন্ন সময়ে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েক দিনও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বাড়বে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলতে পারে।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। সোমবার পর্যন্ত লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির পরিমাণ দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। উত্তর দিনাজপুরে কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহেও বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে, লাগাতার বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে। নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি নদীগুলির জলস্তর বিপদসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কালো মেঘে ঢাকল আকাশ, বজ্রপাতের দাপট! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বড় সতর্কবার্তা

দুপুর গড়াতেই কালো মেঘে ঢেকে গেল কলকাতার আকাশ। দিনের আলো ম্লান হয়ে অনেকটাই রাতের আবহ তৈরি হয় শহরে। তারপরই শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন একাধিক জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে। আবহাওয়া দপ্তর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল। সেই পূর্বাভাস মেনেই বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন দেখা গেল।কয়েক দিন আগেই প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সপ্তাহের শেষে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।পাহাড়ি এলাকাগুলিতে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরাও।

জুন ২৫, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে বদলাবে আবহাওয়া! দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর দাপট, উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

খাতায়-কলমে বর্ষা ঢুকে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু তার প্রভাব এখনও সেভাবে অনুভূত হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে। কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া মানুষের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। তবে মঙ্গলবার বিকেলের পর আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। রাজ্যের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে জারি হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা।দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর সম্ভাবনাআবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলের পর দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পুরুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়াবিদদের মতে, স্থানীয়ভাবে মেঘ সঞ্চারের ফলে কালবৈশাখী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বিকেল গড়াতেই আকাশের চেহারা বদলাতে পারে। ঝড়বৃষ্টির কারণে কিছুটা স্বস্তি মিললেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।নদিয়া-মুর্শিদাবাদেও বৃষ্টির পূর্বাভাসশুধু পশ্চিমাঞ্চল নয়, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলাতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বৃষ্টি বিচ্ছিন্ন ও স্বল্পস্থায়ী হতে পারে। ফলে বৃষ্টির পর কিছু সময়ের জন্য তাপমাত্রা কমলেও বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় ফের অস্বস্তিকর গরম অনুভূত হতে পারে।কলকাতার আকাশে কি মিলবে স্বস্তির ছোঁয়া?গত কয়েকদিন ধরে গরম ও গুমোট আবহাওয়ায় নাজেহাল কলকাতাবাসী। মঙ্গলবার শহরের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দুপুরের পর থেকে মেঘের আনাগোনা বাড়তে পারে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বিকেল কিংবা সন্ধ্যার দিকে কলকাতার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। যদিও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, তবুও এই বৃষ্টি শহরবাসীকে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে।উত্তরবঙ্গে বর্ষার দাপট অব্যাহতদক্ষিণবঙ্গ যখন বৃষ্টির অপেক্ষায়, তখন উত্তরবঙ্গে বর্ষা কার্যত পূর্ণ শক্তিতে সক্রিয়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি অঞ্চল ছাড়াও জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।ধস ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কাপাহাড়ি এলাকায় টানা বৃষ্টির ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি নদ-নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে বলে জানা গিয়েছে।এক নজরে আজকের আবহাওয়া* পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও পুরুলিয়ায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা।* ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।* নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বা।* কলকাতায় বিকেল বা সন্ধ্যায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।* দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা।* পাহাড়ি এলাকায় ধস এবং নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা।বর্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে প্রবেশ করলেও দক্ষিণবঙ্গে এখনও তার পূর্ণ প্রভাব দেখা যায়নি। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টির পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ফলে গরমে নাজেহাল মানুষের জন্য স্বস্তির সম্ভাবনাও উজ্জ্বল হচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষা ঢুকতেই বিপদ! মঙ্গলবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা ঝুঁকিতে?

উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা। এর মধ্যেই আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতেও ঝড়-বৃষ্টি এবং কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে। ফলে বাংলার বাকি অংশেও বর্ষা প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও বর্ষা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।আজ জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মাঝেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।আজ পূর্ব বর্ধমান এবং বাঁকুড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দুই বর্ধমান জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতাতেও আজ সারাদিন গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী এক সপ্তাহ বাংলার আবহাওয়ায় খুব বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। ঝড়, বৃষ্টি এবং ভ্যাপসা গরমের এই পরিস্থিতিই আগামী কয়েক দিন বজায় থাকতে পারে।

জুন ১১, ২০২৬
রাজ্য

অবশেষে সুখবর! বাংলায় ঢুকল বর্ষা, তবে এখনই মিলবে না গরম থেকে রেহাই

বাংলায় বর্ষার প্রবেশ শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মৌসুমি বায়ু। তবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য এখনই পুরোপুরি স্বস্তির খবর নেই। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। এর মধ্যেই বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এবার জ্যৈষ্ঠ মাস জুড়ে দক্ষিণবঙ্গের মানুষকে চরম গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুমোট পরিবেশ দেখা যাচ্ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় ঘাম এবং অস্বস্তিও বেড়েছে। ফলে বর্ষা কবে আসবে, সেই প্রশ্নই ঘুরছিল সাধারণ মানুষের মনে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে। সিকিম, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের সব অংশে বর্ষা পৌঁছে গিয়েছে। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলার বেশিরভাগ এলাকা এবং দার্জিলিং জেলার কিছু অংশেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাব শুরু হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বাংলার আবহাওয়া বর্তমানে বর্ষা অগ্রগতির জন্য অনুকূল রয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে মৌসুমি বায়ু রাজ্যের আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে। তার আগে দক্ষিণবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টির প্রভাব দেখা যাবে।আগামী কয়েকদিন পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, হুগলি এবং উত্তর চব্বিশ পরগনায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় কালবৈশাখীর পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। অন্যান্য জেলাগুলিতে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।উত্তরবঙ্গের জন্যও জারি হয়েছে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। শনিবার পর্যন্ত কয়েকটি জেলায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আগামী সোমবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টি চলতে পারে।সব মিলিয়ে বর্ষার আগমনে স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও এখনই গরম থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি মিলছে না। তবে আগামী কয়েকদিনের ঝড়বৃষ্টি এবং মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতির দিকে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। বাংলার মানুষও অপেক্ষায়, কবে পুরোপুরি বর্ষার ছোঁয়ায় স্বস্তি ফিরবে।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

গরমকে বিদায়! বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টির জোড়া ধাক্কা

জুনের শুরুতেই রাজ্যবাসীর জন্য স্বস্তির খবর। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে। এরই মধ্যে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলতে পারে। ফলে গরমের দাপট থেকে আরও কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।রবিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা রয়েছে। যদিও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে দিনের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। এই জেলাগুলির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।কলকাতাসহ আশপাশের এলাকাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, সপ্তাহের শুরুতে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এর ফলে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, একটি সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে পূর্ব দিকে বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্তও অবস্থান করছে। এই দুই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির প্রভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে সপ্তাহের শুরুতেই আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। গরমের তীব্রতা কিছুটা কমলেও বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

২ জুনের আগে ফর্ম না জমা দিলে কি মিলবে না ৩০০০ টাকা? সামনে এল বড় আপডেট

মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাওয়ার আশায় অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করতে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মহিলা। বিডিও অফিস, পুরসভা, ওয়ার্ড অফিস থেকে শুরু করে সাইবার ক্যাফে ও জেরক্সের দোকানেও দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম বিলি এবং আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফলে অনেকের মনেই এখন একটাই প্রশ্ন, ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন কবে?সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইন এবং অফলাইন দুই মাধ্যমেই অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করা যাচ্ছে। গত ২৭ মে থেকে অফলাইনে ফর্ম পাওয়া শুরু হয়েছে। আর ২৯ মে থেকে শুরু হয়েছে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ। আবেদনকারীরা বিডিও অফিস, জেলা প্রশাসনিক কার্যালয়, পুরসভা এবং ওয়ার্ড অফিস থেকে ফর্ম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আগামী ২ জুনের মধ্যে যাঁরা আবেদনপত্র জমা দেবেন, তাঁরা জুন মাসের কিস্তিতে ৩ হাজার টাকা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ৩ জুন থেকেই সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে।তবে যাঁরা এখনও আবেদন করতে পারেননি এবং আগে থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধাভোগী, তাঁদের চিন্তার কারণ নেই। তাঁরা এই মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নির্ধারিত ১৫০০ টাকা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। ১২ পাতার আবেদনপত্রে পরিবারের সকল সদস্যের তথ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, বার্ষিক আয়, জমির মালিকানা এবং সন্তানদের শিক্ষার তথ্য দিতে হবে। কোনও তথ্য ভুল বা বিভ্রান্তিকর প্রমাণিত হলে আবেদন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আবেদন করার আগে সমস্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মে ৩০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, আটক নেতাদের মুক্তির আবেদনও! রবিবার কী শুনবে সুপ্রিম কোর্ট?

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার আবহে রবিবার বিশেষ শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারের আন্দোলন এবং তার আগে ও পরে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে শীর্ষ আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। আদালত বন্ধ থাকার দিনেও এই মামলাগুলির শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি মামলা আদালত অবমাননার অভিযোগে, অন্যটি বিক্ষোভকারীদের আটক করার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে গণপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেবারে বন্ধ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাতেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি থারাকে পক্ষ করা হয়েছে। শৈলেন্দ্রের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করেনি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন। রবিবারের শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত, সেদিকেই নজর রয়েছে।অন্য মামলাটি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। শনিবারের বিক্ষোভের সময় একাধিক বিরোধী নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য এ ভাবে আগাম আটক করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আটক ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার আইনি ভিত্তি কী, সেই বিষয়গুলিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুটি মামলারই শুনানি রবিবার বিশেষ বেঞ্চে হওয়ার কথা। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। সিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশের আটক করার পদক্ষেপ এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগসব মিলিয়ে রবিবারের শুনানি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে আদালত এখনও এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, মুম্বইয়ে আটক ৪০০-র বেশি! তালিকায় অভিনেতা ইমরান খান

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বইয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা ইমরান খানও। শনিবার শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের চেষ্টা হলে অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে পদক্ষেপ করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে দক্ষিণ মুম্বইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর সংগঠন হাম ভারত কে লগ-এর সদস্য এবং সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতেই তাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে শহরের অন্য এলাকাতেও ধরপাকড় চলে। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় অভিনেতা ইমরান খানের নাম থাকায় ঘটনাটি ঘিরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা আরও বহু মানুষকেও পুলিশ আটক করে গাড়িতে তোলে। মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগস্ট ক্রান্তি ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং ওই এলাকায় জমায়েত আটকাতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। অন্য দিকে, দক্ষিণ মুম্বইয়ে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির কর্মী-সমর্থকেরাও বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যেও কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আবহে মুম্বইয়ের এই ধরপাকড় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে তারকাদের ঢল! লাল শাড়িতে ইমন, মঞ্চে তসলিমা—আর কী ছিল বিশেষ?

মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। চোখধাঁধানো আলোর খেলা, গান, নাচ এবং ড্রোনের প্রদর্শনীতে জমে উঠল দুর্গার আগমনী। আকাশে ড্রোনের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হল দুর্গার মূর্তি, দেখা গেল পদ্মের ছবিও। একের পর এক শিল্পীর পরিবেশনায় উৎসবের মেজাজে মাতল কলকাতা। অনুষ্ঠানে গান গাইলেন শান, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং অন্তরা মিত্র। সুরের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু মৈত্র ও তাঁর দল। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্য শিল্পীরা। ঢাকের বোল, আদিবাসী নাচ এবং বাংলার নানা প্রান্তের লোকসংস্কৃতির পরিবেশনায় শুরু থেকেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুন মালিয়া, স্বপন দাশগুপ্ত, সুখেন্দুশেখর রায়-সহ বহু পরিচিত মুখ। লাল শাড়িতে দেখা যায় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও।রেড রোড থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ইডেন গার্ডেন্সে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ আরও অনেকে। শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়। এরপর ইডেনে আলো ও শব্দের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহালয়া থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুরখেলা পর্যন্ত দুর্গোৎসবের নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। সবশেষে ড্রোনের প্রদর্শনীতে আকাশে ফুটে ওঠে দুর্গার অবয়ব ও পদ্মের ছবি। এ বারের দুর্গাপুজোর আগে মহালয়াকে ঘিরে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। অনুষ্ঠানে গান, নাচ, আলোর খেলা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ছিল মূল আকর্ষণ। তবে ইডেনের এই বড় আয়োজনের জেরে শহরের যান চলাচলেও জারি করা হয়েছিল বিশেষ বিধিনিষেধ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোডের নির্দিষ্ট অংশে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী অংশেও জারি ছিল নিষেধাজ্ঞা। মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা হয়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আটক মমতা, এ বার কি সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধীরা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয় তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন-সহ দলের আরও কয়েক জন নেতাকে। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে থানায় বসে অবস্থান করেন মমতা। প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় তাঁকে দোলা সেন-সহ অন্যদের সঙ্গে উই শ্যাল ওভারকাম গান গাইতেও শোনা যায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতেই কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মমতার। রাত নটার বিমানের টিকিট থাকলেও তিনি সেই বিমান বাতিল করেছেন বলে সূত্রের দাবি। দিল্লিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে সোমবারের কর্মসূচি রয়েছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা। সোমবার বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা এবং প্রধান বিচারপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও স্পষ্ট নয়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন বিরোধী নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন-সহ একাধিক নেতা। দিল্লি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটক করে। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা ছিল। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়েও তাঁদের আটক করা হয়েছে। মমতাকে আটকের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় ঘুরিয়ে নেত্রীকে কেন নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরোধী জোটের তরফে এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বার সোমবারের কর্মসূচিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা দিল্লিতে থেকে গেলে এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন আরও কোন দিকে গড়ায়, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

রবিবারের মধ্যে আটক নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশন! সিজেপির আন্দোলন ঘিরে ফের বার্তা সোনমের

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক নেতাকে আটক করার ঘটনায় এ বার সরব হলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। আটক ব্যক্তিদের রবিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে অনশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রাও করবেন বলে জানিয়েছেন সোনম। তাঁর এই বার্তাকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক নেতা এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করার খবর সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলের কয়েক জন শীর্ষ নেতাও ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করেন সোনম। তিনি জানান, আন্দোলনের আগে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত জন নেতা-নেত্রী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে জানতে পেরে তিনি উদ্বিগ্ন। সোনমের আশা, আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে রবিবারের মধ্যে অনশন শুরু করার কথা ভাববেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রার পথেও হাঁটতে পারেন বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মী। সোনমের বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এ ভাবে পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে। তবে এ দিনের বিক্ষোভে তিনি নিজে যোগ দেননি। লাদাখে হিমবাহ সংক্রান্ত কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন, যদিও আটক আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুক্তির দাবি তুলেছেন। গত জুলাই মাসেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন হয়। দীর্ঘ বিক্ষোভের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজধানী। আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে সোনমের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটে হার, তার পরেই অরাজকতা? বিরোধীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, ভোটে হেরে বিরোধীরা দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। শুধু তা-ই নয়, বিরোধীদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি নিতিন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে নিতিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নতি বিরোধীরা মেনে নিতে পারছেন না। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এক দিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট, অন্য দিকে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত ককরোচ জনতা পার্টি। এই দুই গোষ্ঠীই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি। নিতিনের অভিযোগ, বিরোধীদের মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছেকে বেশি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাঁর দাবি, ভোটে জনসমর্থন না পেয়ে বিরোধীরা মানুষের রায় মেনে নেওয়ার বদলে দেশে অশান্তি ছড়ানোর পথে হাঁটছেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও কোন বিদেশি শক্তির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিরোধীদের সতর্ক করে নিতিন বলেন, এ ধরনের চেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপের জবাব দেবেন। দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলে সরকার কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও মানুষের মধ্যে থেকে বিরোধীদের এই চেষ্টা ব্যর্থ করবেন বলে দাবি করেন নিতিন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিতিন নবীনের এই আক্রমণ রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

'ভোটচুরি’ বলে গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ঠেলা হচ্ছে? বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি ও ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা খোলা চিঠি লিখে অভিযোগের প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস আধিকারিকেরা রয়েছেন। চিঠিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার তালিকা এবং বিহারের নির্বাচন নিয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য, বারবার ভোটচুরি বা কারচুপির নির্বাচন শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে নির্বাচনে কারচুপির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা প্রয়োজন।চিঠিতে তাঁরা অতীতের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স লুট, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বুথ দখলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, এক সময় বুথ দখল এতটাই সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছিল যে তা বন্ধ করতে আইন করে এই কাজকে অপরাধ ঘোষণা করতে হয়েছিল।বিরোধীদের উদ্দেশে প্রাক্তন আমলাদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকলে তার সুবিধা সাধারণ ভোটারের নয়, বরং অসাধু ব্যক্তিদের হয়। একই নির্বাচন ব্যবস্থায় জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, আর হারলে ভোটচুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।চিঠিতে প্রাক্তন আধিকারিকেরা লিখেছেন, বিরোধীদের নিজেদেরই ভেবে দেখা উচিত, তাঁদের আপত্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে, নাকি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, বিহারে এ বার অত্যন্ত স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে।চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপালকৃষ্ণ, বিবেক ভরদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই খোলা চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চিঠিতে প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য এবং বিরোধীদের অভিযোগদুইয়েরই মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দাবির পক্ষে থাকা প্রমাণ ও তথ্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় চূড়ান্ত প্রস্তুত শিয়ালদহ ডিভিশন, বিশেষ পরিকল্পনা রেলের , বিস্তারিত জানুন

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে যাত্রীদের বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ এবং গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (GRP)-এর পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দিনগুলিতে কার্যকরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজীব সাক্সেনা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM), শিয়ালদহ ডিভিশন। সম্ভাব্য অতিরিক্ত যাত্রীসমাগম সামাল দিতে এবং স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।যাত্রীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট হোল্ডিং এরিয়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং যাত্রী চলাচল মসৃণ রাখতে প্ল্যাটফর্মগুলিতে যথাযথ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) কর্মী মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন মেটাতে ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীর পরিষেবা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্স (RPSF)-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের সম্ভাবনা রয়েছে এমন লেভেল ক্রসিং গেটগুলিতে পর্যাপ্ত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুট ওভার ব্রিজগুলিতেও RPF কর্মীদের পাশাপাশি স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস, সিভিল ডিফেন্স এবং সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্সের স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা করবেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবেন। যেসব স্টেশনে যাত্রীসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসা সহায়তা বুথ ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা রাখা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পান।সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমগ্র ডিভিশনকে বিভিন্ন স্টেশনগুচ্ছের ভিত্তিতে ১১টি নোডাল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনের সমস্ত স্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম চালু রাখা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রয়োজনে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা শিয়ালদহ ডিভিশনের ওয়ার রুমের ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে সমস্ত অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং মোবাইল UTS পরিষেবা সচল থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকিট বুকিং কাউন্টারও চালু করা হবে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে।সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ST), TRD, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং TRS বিভাগের মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ দলগুলি ১৬:০০ থেকে ২৪:০০ ঘণ্টা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রস্তুত থাকবে। এর ফলে যন্ত্রপাতির ত্রুটি বা রেল চলাচল সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমবে।উৎসবের সময় সম্ভাব্য ভিড় ও যানজট এড়াতে ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা বন্ধ থাকবে। যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে গাড়ি শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর (ড্রপ-অফ ও পিক-আপ) কাজে ব্যবহার করুন এবং গাড়ি পার্ক করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে স্টেশনের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের ডিজিটাল লকার পরিষেবা বন্ধ থাকবে। যাত্রীদের এই সময়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছেরাজীব সাক্সেনা বলেন, দুর্গাপুজোর সময় প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কার্যকর ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি। উৎসবের সময় যাত্রীরা যাতে নিরাপদ, মসৃণ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেভাগেই সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে সমন্বিত পরিকল্পনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবার প্রস্তুতি এবং কার্যকর রেল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal