• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Date

রাজ্য

প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভে কোনও প্রভাব পড়বে না, মন্তব্য তৃণমূল সাংসদ শতাব্দীর

পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থিদের নামের তালিকা তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ করতেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়ে যায় ক্ষোভ বিক্ষোভ। যার ব্যতিক্রম পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ঘটেনি। যদিও এইসব ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার কিছুই দেখছেন না তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। তাঁর মতে এইসব ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কিছু লাভ হবে না।শনিবার পূর্ব বর্ধমানের রায়নার ধারান বুড়োপীর প্রগতি সংঘের সরস্বতী পূজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন শতাব্দী রায়। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, পৌরসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব শুক্রবার দলের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করছে। তারপর থেকে যাঁরা ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাঁদের উদ্দেশ্য করে শতাব্দী রায় বলেন, অনেকে ভেবে রাখে তাঁর প্রাথী হবেন। কিন্তু তাঁদের ভাবনা যখন মেলে না তখন একটা অভিযোগ তৈরি হয়। তাঁরাএখন কিভাবে অভিযোগটা প্রকাশ করবে সেটা তাঁদের উপর নির্ভর করছে। যদি দলের প্রতি ভালোবাসা থাকে তাহলে দলের ঘোষিত প্রার্থীকে মেনে নিয়েই তাঁদের কাজ করাটা উচিত।টিকিট পাওয়ার আশা তো সবারই থাকে। কিন্তু টিকিটতো সবাই পায় না। কিন্তু এখন কেউ টিকিট না পেলেই এই সমস্যাটা দেখা যায়। তিনি আরো বলেন, এই বিক্ষোভ দলের উপরে কোনো প্রভাব ফেলবে না।কারণ তৃণমূল কংগ্রেস দলে এখন বহু মানুষের সমর্থন রয়েছে। বহু ভালো মানুষের সমর্থনও রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি। তাই আমি মনে করি এইসব ক্ষোভবিক্ষোভে আগেও কোনও প্রভাব পড়েনি। আর এখনো কোনো প্রভাব পড়বে না।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভ সামাল দিতে বর্ধমানে নামাতে হল র‍্যফ

পৌরসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই পূর্ব বর্ধমানেও শুরু হয় যায় ক্ষোভ বিক্ষোভ। শনিবার সকাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তাল হয় শহর বর্ধমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যফও নামাতে হয়।একইরকম ভাবে ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তপ্ত হয় জেলার মেমারি, কালনা ও গুসকরা পৌরসভা এলাকাও। মূলত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতেই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এদিন সকাল থেকে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেদেন। মেমারির ৫ নম্বর ওর্য়াডের তৃণমূল কর্মীদের একাংশ এদিন বিক্ষোভে সামিল হন কৃষ্ণপদ বিশ্বাসকে প্রার্থীপদ থেকে সরানোর জন্য। প্রার্থী বদলের দাবিতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে পোস্টার দেওয়া হয়।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তৃণমূল কর্মীদের দাবী ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বহিরাগত প্রার্থী তাঁরা চান না। অবিলম্বে প্রার্থীপদ পরিবর্তন করে ওয়ার্ডের বাসিন্দাকেই প্রার্থী করতে হবে। একই ভাবে এদিন জেলার গুসকরা পৌরসভা এলাকাতেও প্রার্থী বদলের দাবিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। এখানকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের একাংশ ৩, ৫, ৯ ও ১৬ ওয়ার্ডের প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে স্বোচ্চার হন। দল গুসকরার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করলেও প্রাক্তন কউন্সিলার জগা তুরিকেই ফের প্রার্থী করার দাবি উঠেছে। অন্যদিকে প্রার্থী বদলের দাবি নিয়ে এদিন শহর বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকাতেও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। জিটি রোড অবরোধ করে চলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। তারই মধ্যে বর্ধমান পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী চায়না কুমারীর সমর্থনে প্রচারে বের হন তার অনুগামীরা। তখনই তাদের ঘিরে বিরোধী গোষ্ঠী বিক্ষোভ দেখানো শুরু করলে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ ও র্যফ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একইদিনে বর্ধমান রাজবাড়ির সামনে পথ অবরোধে সামিল হল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। তাঁরা বর্ধমান শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন কাউন্সিলার শাহাবুদ্দিন খানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শাহাবুদ্দিন এলাকায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। উনি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। এমনকি এলাকার এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনাতেও শাহাবুদ্দিন খান পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল বলে বিক্ষুব্ধরা অভিযোগ করেন। দল এবারেও শাহাবুদ্দিন খানকে প্রার্থী করেছে।তাঁকে প্রার্থীপথ থেকে সরানোর দাবি তুলে পথে নামেন তৃণমূল কর্মীদের একংশ। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডও বিক্ষোভে উত্তাল হয়। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দলের নেত্রী মিঠু সিংহের নাম প্রার্থী তালিকায় ঘোষিত হয়েছে। তাঁকে প্রার্থীপদ থেকে সরিয়ে ওয়ার্ডের দলীয় কর্মীকে প্রার্থী করার দাবী তুলেছেন বিক্ষুব্ধরা। তারা শহরের পার্কাস রোডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। প্রার্থী বদলের দাবিতেও শ্লোগানও দেন। প্রার্থী নিয়ে এদিন জেলার কালনা পৌরসভা এলাকাতেও বিক্ষোব ছড়ায়। কালনার ১৩ নম্বর ওয়াডের প্রার্থী মঞ্জু হালদারের বদলের দাবীতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের একাংশ। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য শনিবার কালনার জুবলি স্টারের পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রার্থী তালিকা বেরনোর পর অনেক জায়গায় ক্ষোভ দেখা গেছে, কর্মীদের আমি বলব সংযত থাকতে, যদি প্রার্থী পছন্দ না হয়ে থাকে তাহলে দলের নেতৃত্বকে জানান। পাশাপাশি তিনি আরও সংযোজন করেন অনেকেই ভোটের আগে দুনৌকাতে পা দিয়েছিলেন, সেই সমস্ত মানুষ যদি প্রার্থী হয়ে যান তাহলে এটা হওয়া স্বাভাবিক। তবে জেলার কাটোয়া ও দাঁইহাট পৌরসভায় প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও তা আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা অভিমান।একে বিক্ষোভ বলা যাবে না। আর দলই প্রার্থী ঠিক করেছে। সেটা দলের সিদ্ধান্ত। সবাইকে মেনে নিতে হবে। গুসকরা পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই লাগাতার বিক্ষোভের জেরে দুটি ওর্য়াডে প্রার্থী বদল করল তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বিকালে বোলপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে বৈঠকে প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নেয় গুসকরা পৌরসভার পর্যবেক্ষ অনুব্রত মণ্ডল। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী দীর্ঘদিনের পাঁচবারের কাউন্সিলর মল্লিকা চোংদারের বদলে পূর্নিমা চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়। ৫ ওয়ার্ডের প্রার্থী মুনমুন মালিকের বদলে রিঙ্কু মালিক প্রার্থী করা হয়

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটের পরিবারতন্ত্র থেকেও সরে গেল তৃণমূল

কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন মিটেছে কিছুদিন আগেই। নির্বাচনে জয় প্রাপ্তি হলেও প্রার্থী তালিকায় পরিবারতন্ত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় শাসক দলকে। এমনকী একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেওয়ার নজিরও দেখা যায়। আর এবার সেই নীতি থেকে সরে এল তৃণমূল।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। তার আগে, শুক্রবারই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুনদের সুযোগ দিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। শুধু তাই নয়, এবার কোনও বিধায়ককেও টিকিট দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে টিকিট পেয়েছিলেন ফিরহাদ সহ একাধিক বিধায়ক।প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূল এক ব্যক্তি, এক পদ নীতির কথা ঘোষণা করলেও কলকাতা পুরভোটে দেখা যায় একাধিক মন্ত্রী ও বিধায়ক কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। যদিও প্রথমে ঠিক হয়েছিল, ফিরহাদ হাকিম-সহ মোট পাঁচ বিধায়ককে পুরভোটে টিকিট দেওয়া হবে না। কিন্তু শেষমুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যায়নি।পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কয়েকটি আসন বাদ দিয়ে ১০৮ টি পুরসভার সব আসনের প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছে তৃণমূল। প্রায় তিন হাজার প্রার্থীর নাম বাছাই করা হয়েছে। পার্থ জানান, সুব্রত বক্সি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব খতিয়ে দেখেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দীর্ঘ সময় ধরে এই তালিকা দেখেছেন। পাশাপাশি, প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গেও তালিকা নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে, সব শেষে তালিকা পাঠানো হয়েছিল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। তিনিই চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল- বিজেপিকে টেক্কা, পূর্ব বর্ধমানের ৬টি পৌরসভায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা বামেদের, তৃণমূল বিধায়কের প্রার্থী তালিকা ফাঁস মেমারিতে

রাজ্য রাজনীতিতে ২০১১ সালে পালাবদলের পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে ভোটক্ষয় হয়ে চলেছিল বামেদের। সদ্য সমাপ্ত কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচনে সেইভোটক্ষয়ে কিছুটা লাগাম পরাতে সক্ষম হয় বামেরা। আসন সংখ্যার নিরিখে না হলেও ভোট প্রাপ্তির শতাংশ হারের বিচারে তিলোত্তমা কলকাতায় বিজেপিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বামেরা। আর কলকাতা পুরভোটে অক্সিজেন পেয়েই এবার একদা বাম দুর্গ পূর্ব বর্ধমানের ছয়টি পৌরসভার নির্ফাচনেও জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া সিএপিএম। রাজ্য নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে পৌরসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা করে। এর ঠিক পরেই জেলার ৬ টি পৌরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েই শাসক দলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ভোট প্রচারে নেমে পড়েন সিপিএম নেতা কর্মী ও প্রার্থীরা। শাসক নেতৃত্ব বামেদের প্রার্থি ঘোষণার বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিতে না চাইলেও বিধায়কের তৈরি করা প্রার্থী তালিকা নিয়ে মেমারির তৃণমূল শিবিরে এখন ক্ষোভ বিক্ষোভ চরমে উঠেছে। বাম আমলে বলিষ্ঠ সিপিএম নেতা বিনয় কোঙারের গড় হিসাবেই পরিচিত ছিল মেমারি। সেই মেমারির দলীয় কার্যালয়ে থেকেই এদিন মেমারি পৌরসভার ১৬টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে সিপিএম নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজেপি কেউ এদিন প্রর্যন্ত তাঁদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেনি ।প্রার্থীদের নাম ঘোষণা কেরেই নিবাসী সিপিআইএম জেলা নেতা তাপস চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, এদিন থেকেই তাঁরা ভোট যুদ্ধে নেমে পড়বেন। যেমন কথা তেমনই কাজ। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েই বাম নেতা কর্মীদের একদল দেওয়াল লিখন আর অন্য দল বাড়ি বাড়ি প্রচার চালানো শুরু করেদেন।তবে বামেদের আগে তৃণমূলের মেমারিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে না পারাটা শাসক দলের নিচু তলার কর্মীদের যথেষ্টই হতাশ করেছে। গত পৌরসভা নির্বাচনে মেমারি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। এছাড়াও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন পিডিএস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী ।বাকি সব আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।এখনও মেমারি পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্বে তৃণমূলের মনোনীতরাই রয়েছেন।এদিকে দল মেমারি পুরসভার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ না হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্যের নির্দিষ্ট করা প্রার্থীদের নাম। যা নিয়ে মেমারির পৌর এলাকার তৃণমূল শিবিরে যথেষ্টই ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিক্ষুদ্ধদের দাবি, মেমারির বিধায়ক মধুসূদনবাবু নিজের অনুগতদের মেমারি পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।যাঁদের তিনি চিহ্নিত করেছেন তাঁদের নাম, ফোন নম্বার ও কোন ওয়ার্ডে কে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তার তালিকা নিজের বিধায়ক প্যাডে ছাপিয়েছেন। তাতে স্বাক্ষর ও শিলমোহর দিয়ে মধুসূদনবাবু ওই নামের তালিকার লোকজনকেই মেমারির প্রার্থী হিসাবে মনোনীত করার জন্য সুপারিশ করে ১৭ জানুয়ারি রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়েছেন। ওই সুপারিশ পত্রে মেমারি পৌরসভার দুবারের চেয়ারম্যান ও বর্তমান অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্বপন বিষয়ীকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও তোলাবাজ বলে অবিহিত করেছেন। আর তা নিয়েই পৌরসভা ভোটের প্রাক্কালে মেমারি শহর জড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার কথা। তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব যদি মেমারির তৃণমূল বিধায়কের সুপারির করা ব্যক্তিদেরই পুরভোটে প্রার্থি করে তবে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হবে বলে মনে করছেন দলেরই অনেকে। তেমনটা হলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের লড়াইয়ে জমজমাট হবে মেমারি পৌরসভার নির্বাচন। ওই তালিকা বিষয়ে মেমারির বিধায়ক মধূসূদন ভট্টাচার্য্যের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন , নিজের অবজারভেশন মোতাবেক প্রার্থী প্রস্তাবপত্র তৈরী করে ছিলেন। তারপর দলের উচ্চ নেতৃত্ব জানিয়ে দেন তারাই মেমারি পর ভোটের প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে সার্ভে করছেন। তাই তিনি আর তার প্রস্তাব পত্র রাজ্যে পাঠাননি। বর্তমান অ্যাডমিনিস্ট্রেটার স্বপন বিষয়ী সন্মন্ধে যেসব যে অভিমত লিখেছেন তার প্রসঙ্গে মধুসূদন বাবু বলেন ,অ্যালিগেশন নিয়ে পাবলিকের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে ওনার বিরুদ্ধে আমার পার্সোনাল অবজারভেশন আমি লিখেছি। স্বপন বিষয়ী যদিও বিধায়কের করা প্রার্থী নির্বাচন তালিকা নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, দলের রাজ্য নেতৃত্ব যথা সময়েই মেমারির পৌর ভোটে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করবেন। প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরীন বিরোধ যখন তুঙ্গে সেই সময়েই মেমারির পর বর্ধমান, গুসকরা, কাটোয়া,কালনা ও দাঁইহাট পৌরসভার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেদেন সিপিএম নেতারা। এদিন বিকালে সিপিএমের পূর্ব বর্ধমানের জেলা দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে করে নেতারা ওইসব পৌরসভার বামফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তাপস সরকার, অপূর্ব চ্যাটার্জি সহ অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বর্ধমান পৌরসভার নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য বামেদের এবারের প্রার্থী তালিকায় বেশ কিছু নতুন মুখ স্থান পেয়েছে। তালিকায় ফরোয়ার্ড ব্লকের ৪ জন এবং আর এস পির ২ জনের নাম রয়েছে। মোট ৩৫ টি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নাম ঘোষিত হয়েছে। দলের দুই ছাত্র নেতা অনির্বাণ রায়চৌধুরী; অতনু হুই; অরিন্দম মৌলিক; মুনমুন হালদারের মত তরুণ মুখের প্রতিনিধিরা রয়েছেন এবারের ভোট যুদ্ধে । ২০১৩ সালে বর্ধমান পুরসভা ভোটের দিন সকালেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সব প্রার্থী তুলে নেয় বামেরা। তারা জানিয়েছেন ; এবারে প্রশাসন তার দায়িত্ব পালন করুক।তা সত্বেও তারা শেষ অবধি ময়দানে থাকবেন।গুসকরা, কাটোয়া,কালনা ও দাঁইহাটের প্রার্থী তালিকায় বাম নেতৃত্ব পুরনোদের পাশাপাশি বহু নতুন মুখকে নিয়ে এসেছেন। একেবারে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই জেলার ৬ টি পৌরসভার প্রার্থী তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই মেমারি পুরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিপিএমের

সিপিআইএম র প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি, জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ কোঙার, জেলা কমিটির সদস্য সনৎ ব্যানার্জি, প্রশান্ত কুমার কুমার, পিযুষ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে মেমারি পুরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হল। শাসকদল না পারলেও পুরসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা সাথে সাথে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করল সিপিআইএম নেতৃত্ব।বৃহস্পতিবার মেমারির দলীয় কার্যালয়ে থেকে তারা পৌরসভার ১৬টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। যদিও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজেপি কেউ এখনও পর্যন্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেননি। সিপিআইএম নেতৃত্ব প্রার্থী ঘোষণা করেই জানিয়ে দেন এ দিন থেকেই তারা ভোট যুদ্ধে নেমে পড়বেন। শুরু করে দেবেন বাড়ি বাড়ি প্রচার।সিপিএমের প্রার্থী তালিকামেমারি পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্বে এখন তৃণমূলের মনোনিতারাই রয়েছে। গত পৌরসভা নির্বাচনে মেমারি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। এছাড়াও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন পিডিএস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী। বাকি সব আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেমন আছেন লতা মঙ্গেশকর? তাঁর শারীরিক অবস্থার আপডেট দেওয়া হল

করোনা আক্রান্ত হয়ে লতা মঙ্গেশকরের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়েছেন। আপাতত মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি। ডক্টর প্রতীত সামদানির তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে তাঁর। বর্ষীয়ান গায়িকা কেমন আছেন তাঁর স্বাস্থ্যের আপডেট নিয়মিত দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন লতা মঙ্গেশকরের ভক্তরা। এদিনও তাঁর স্বাস্থ্যের আপডেট দিল চিকিৎসকরা। লতা মঙ্গেশকরের টুইটারে এদিন লেখা হয়েছে, মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালেই লতা দিদির চিকিৎসা চলছে। তাঁকে সকালে কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র থেকে বের করার পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর স্বাস্থ্যে উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ডাক্তার প্রতীত সামদানি ও তাঁর টিমের তত্ত্বাবধানেই চিকিৎসা চলবে তাঁর। সকলকে ধন্যবাদ সেরে ওঠার জন্য প্রার্থনা ও শুভেচ্ছা পাঠানোর জন্য। এর আগে লতা মঙ্গেশকরের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছিল তিনি কেমন আছেন এই নিয়ে অনেক ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। সেই ভুয়ো খবর দেওয়া যেন বন্ধ করা হয়।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

পিছিয়েই গেল রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট! পুনরায় দিনক্ষণ ঘোষণা কমিশনের

অবশেষে পিছিয়ে গেল চার পুরনিগমের ভোটের দিন। শনিবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতকে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল। তা পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হল। শনিবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার যে বকেয়া ভোট তা হবে বলেই এখনও অবধি সিদ্ধান্ত রয়েছে। কারণ, এ নিয়ে এখনও রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনও কিছু বলেনি।আরও পড়ুনঃ চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্নকোভিড কাঁটায় তিন সপ্তাহ পুরনিগমের ভোট পিছিয়ে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে। তবে এই ভোটে নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে না বলেই জানিয়েছে কমিশন। আদালতের নির্দেশে, রাজনৈতিক দলের মতামত শুনে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিল। ভোটের দিন পিছিয়ে গেলেও নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার যেমন কোনও বিষয় নেই, একইভাবে কমিশন জানিয়েছে, এই সময় অবধি প্রচার চালাতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি। অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারির ৭২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোয় কোনও বাধা নেই।আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যানবান্নের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, কমিশন ভোট পিছিয়ে দিলে কোনও আপত্তি নেই সরকারের। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পরে ভোট পিছনোয় শিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অনেকটাই সুস্থ লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বর্ষীয়ান গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। তাঁকে আইসিইউতে রাখতে হয়েছে। তবে এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ আছেন। এমনটাই জানিয়েছেন ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক। এক সংবাদমাধ্যম সূত্র মারফত জানা গেছে আগামী ১০-১২ দিন আইসিইউতে থাকবেন তিনি। সর্বক্ষণ কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতীশীল। চিকিৎসকরা তাঁর চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছে না। এদিকে লতা মঙ্গেশকরের বোন আশা ভোঁসলে জানিয়েছেন,তারা ভিতরে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না। আমি একবার ভিতরে ঢুকেছিলাম কিন্তু কম্পাউন্ডের ভিতরে যেতে দেওয়া হয়নি। করোনার জন্য কিছু বাধানিষেধ মেনে চলা হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রেদেশে কংগ্রেসের প্রার্থী হচ্ছেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মা

উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের জমি শক্ত করতে মরিয়া কংগ্রেস। প্রথম দফার প্রার্থী ঘোষণাতেই সকলকে চমকে দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হল উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মায়ের নাম।প্রিয়াঙ্কা গান্ধির গলায় যে নারীশক্তির জয়জয়কার শোনা গিয়েছিল, প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রেও তারই প্রতিফলন দেখা গেল। কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থীদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে নির্যাতিতা তরুণীর মা আশা সিংকেও প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। নিজের মেয়েকে সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার জন্য তিনি যেভাবে লড়াই করেছিলেন, উত্তরপ্রদেশের বাকি মেয়েদের জন্যও তিনি লড়বেন বলে দাবি করেন প্রিয়াঙ্কা।এ দিন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কংগ্রেসের তরফে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। সাংবাদিক বৈঠকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি ১২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন, তারমধ্যে ৫০ জনই মহিলা। সকলকে চমকে দিয়ে উন্নাওয়ে নির্যাতিতার মা আশা সিংয়ের নাম ঘোষণা করেন।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস শুরু করেছিল লড়কি হু, লড় সকতি হু নামে প্রচার অভিযান। রাজ্য তথা দেশের নারীশক্তিকে তুলে ধরতেই এই প্রচার শুরু করেছে কংগ্রেস। এ দিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বলেন, আমাদের প্রার্থী তালিকা এক নতুন বার্তা দিচ্ছে, আপনি যদি নির্যাতন বা হেনস্থার শিকার হন, তবে কংগ্রেস আপনাকে সমর্থন করবেই। নির্বাচনে কংগ্রেসের ৪০ শতাংশ টিকিটই মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে।उन्नाव में जिनकी बेटी के साथ भाजपा ने अन्याय किया, अब वे न्याय का चेहरा बनेंगी- लड़ेंगी, जीतेंगी!#Election2022 Rahul Gandhi (@RahulGandhi) January 13, 2022প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিও টুইট করে লেখেন, বিজেপি উন্নাওয়ের কন্যার সঙ্গে অবিচার করেছিল। এবার উনি (নির্যাতিতার মা) সুবিচারের মুখ হবেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
দেশ

5 States Election: করোনামুক্ত নির্বাচনের লক্ষ্যে ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোট শুরু ১০ ফেব্রুয়ারি, ফল ঘোষণা ১০ মার্চ, উত্তরপ্রদেশে ৭ দফায় নির্বাচন

দেশে করোনার সংক্রমণ গ্রাফ ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী। তবে গণতন্ত্রের উৎসব থেমে থাকছে না। নির্ঘণ্ট মেনেই ভোট হবে উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ভোট। করোনা আবহে ভোট হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, গোয়া, মণিপুর এবং উত্তরাখণ্ডে। এর আগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ওই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়। উত্তরপ্রদেশের ৪০৩টি আসনে ভোট হয়েছিল সাত দফায়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরের ৬০টি বিধানসভা আসনে দুদফায়। পঞ্জাবের ১১৭, উত্তরাখণ্ডের ৭০ এবং গোয়ার ৪০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল এক দফাতেই।উত্তরপ্রদেশে ভোট হবে সাত দফায় ১০, ১৪, ২০, ২৩, ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ৩ ও ৭ মার্চ। পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড এবং গোয়ায় ভোট হবে এক দফায় ১৪ ফেব্রুয়ারি। মণিপুরে ভোট হচ্ছে দুই দফায় ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ৩ মার্চ। নির্বাচন হচ্ছে, তবে করোনার সংক্রমণ যাতে লাগামছাড়া না হয়ে যায়, তা নিশ্চিত করতে কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কোনও রোড শো, পদযাত্রা, সাইকেল বা বাইক র্যা লি ও মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে এবং তারপরে নতুন নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বর্তমানের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্যই হল ভোট এবং ভোটারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। শনিবার রাজধানীতে বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই এই কথা জানিয়ে দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র। ভোটারদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ৮০ বছরের বেশি বয়সি প্রবীণ নাগরিক, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং করোনা আক্রান্ত রোগীদের ভোট দেওয়ার জন্য বুথে যেতে হবে না বলেই জানিয়েছে কমিশন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমেই তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। মহিলাদের জন্য মহিলা পরিচালিত ভোটকেন্দ্র থাকবে। ১৬২০টি মহিলা পরিচালিত ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
কলকাতা

TMC Candidate List: বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন কৃষ্ণা-সব্যসাচী, মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

বিধাননগর পুরভোটে শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হতে পারেন বিদায়ী মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিধাননগর-সহ শিলিগুড়ি, চন্দননগর ও আসানসোলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা হয় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই সব্যসাচী এবং কৃষ্ণার ফের প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে যায়। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর পুত্র সমুদ্র বসুও বিধানগরের কোনও ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন বলেও সূত্রের খবর।এ দিন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের অন্যান্য শীর্ষস্তরের নেতাদের বৈঠকের পরই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে ফিরহাদ হাকিম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও প্রার্থীদের নাম নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। পরে রাতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায়, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে সব্যসাচীকে। এই ওয়ার্ড থেকেই ২০১৫ তে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।সব্যসাচীর টিকিট পাওয়া নিছক সময়ের অপেক্ষা ছিল বলেই দলের একটি অংশের মত। ২০১৫ সালে নতুন করে বিধাননগর পুরসভার তৈরি হওয়ার পর ওই বছর অক্টোবর মাসে তৃণমূলের হয়ে লড়ে ভোটে জিতে মেয়র হয়েছিলেন সব্যসাচী। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল-সব্যসাচী দূরত্ব তৈরি হলে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা তিনি। পরে কলকাতা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অমিত শাহের হাত ধরে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি-তে।বিধানসভা ভোটে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র প্রার্থীও হন সব্যসাচী। কিন্তু পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর কাছে। চলতি বছর ৭ অক্টোবর বিধানসভায় তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে যোগ দেন তৃণমূলে। এ বার সেই সব্যসাচী ফের তৃণমূলের প্রতীকে প্রার্থী হতে পারেন।আবার ২০১৫ সালে বিধাননগর পুরসভার ভোটে জয়ী হয়ে চেয়ারপার্সন হন কৃষ্ণা। সব্যসাচী মেয়র পদ ছাড়তে তাঁর ওপরেই আস্থা রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবারও তিনি বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন। তাই তাঁর মেয়র হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। সব্যসাচী-কৃষ্ণার মধ্যে মেয়র হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিদায়ী মেয়রই।রাজারহাট নিউটাউটের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় এতদিন বিধাননগরের ডেপুটি মেয়র ছিলেন। কিন্তু এ বারের পুরভোটে তিনি প্রার্থী হবেন না বলেই খবর। বরং তাঁর কন্যাকে পুরভোটে তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করতে দেখা যেতে পারে।অন্যদিকে, শিলিগুড়ি পুরসভা ভোটে প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। আবার আসানসোলের পুরভোটে প্রার্থী হবেন না প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে রানিগঞ্জের বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থী হবেন না বলে তিনি স্বয়ং দলকে জানিয়ে দেওয়ায় তাঁর নামও বিবেচিত হয়নি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Congress: পুরভোটের দিন কংগ্রেস প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মার, হাইকোর্টে মামলা

পুর ভোটের দিন নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ। নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে কংগ্রেস প্রার্থী। আদালতের দ্বারস্থ হলেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী রবি সাহা। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রবিবারের পুরভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে সব বিরোধী দলগুলি। রবিবাবুর হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। তিনি পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন। দুষ্কৃতীরা এখনও কেন গ্রেফতার হয়নি সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।ভোটের রাতে আক্রান্ত হন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রাথী রবি সাহা। তাঁকে রাস্তায় ফেলে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মারধরের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মার খেতে খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ইতিমধ্যে বটতলা থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি লিখেছেন, রাত ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি লোহাপট্টি এলাকায় জিনিস কিনতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই তাঁকে আক্রমণ করে এলাকার কিছু যুবক। রবিবাবুর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বুুুুথের কাছে ভিড় হটিয়ে দিচ্ছিলাম পুলিশকে জানিয়ে। সেই ভিডিও তুলেছি। এই রাগে আমার ওপর আক্রমণ করা হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় গণতন্ত্র নয়, চলছে বর্বর দিদিতন্ত্র। একজন মানুষকে জনসমক্ষে নগ্ন করে বেধড়ক পেটানো হল কলকাতার রাজপথে। কী তাঁর অপরাধ? তাঁর অপরাধ তিনি কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন? ছিঃ দিদি ছিঃ। ধিক্কার।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

BJP: পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ মীনাদেবী পুরোহিতের, রিপোর্ট তলব কমিশনের

২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে জোড়াবাগানে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের কাউন্সিলর মীনাদেবী। তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করা হয় বলে অভিযোগ। মীনাদেবী বলেন, তাঁর ব্লাউজও ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, মাহেশ্বরী ভবনের বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর হামলা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না।মীনাদেবী বলেন, ১০০ জন ছেলেকে নিয়ে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। মাহেশ্বরী ভবনে যে বুথ, সেখানে ভোট কেমন হচ্ছে তা দেখতে এদিন পৌঁছন মীনাদেবী পুরোহিত। অভিযোগ, এসে দেখেন লোকজনের জমায়েত। তার প্রতিবাদ করায় হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একজন মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BJP Candidate list: পুরনোদের উপর ভরসা রাখলেও বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় রইল একঝাঁক তরুণ মুখও

জল্পনা সত্যি করে কলকাতা পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় পুরনোদের উপরই ভরসা রাখল রাজ্য বিজেপি। পুরভোটের প্রার্থী করা হল মীনাদেবী পুরোহিত, সুনীতা ঝাওয়ারদের মতো দলের পুরনো কর্মীদের।২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হয়েছেন মীনাদেবী। এই বার জিতলে টানা ছবার কাউন্সিলর হবেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন মীনাদেবী। একইভাবে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি-র পাঁচ বারের কাউন্সিলর সুনীতা ঝাওয়ার। ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী করা হয়েছে ইন্দিরা গঙ্গোপাধ্যায়কে।তবে বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় সব চেয়ে নজরকাড়া নাম ৫০ নম্বর ওয়ার্ড। প্রার্থী সজল ঘোষ। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন তিনি। গত ১২ অগস্ট মুচিপাড়া থানা এলাকায় একটি গোলমালে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সজল। এর পরই গেরুয়া রাজনীতিতে নতুন করে খ্যাত হয়ে যান তিনি।সজলকে প্রার্থী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে রিঙ্কু নস্করকে প্রার্থী করল না বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে সিপিএম থেকে বিজেপি-তে আসেন তিনি। কলকাতা পুরভোটে যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করছে বিজেপি, সেখানে তরুণ মুখ ৪৫, মহিলা ৫০। আইনজীবী রয়েছেন পাঁচ জন, চিকিৎসক তিন জন, শিক্ষক চার জন।প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের দলের কাজের একটা নির্দিষ্ট ধরন রয়েছে। কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঠিক হয় না। পার্টির ইচ্ছা, পার্টির ঐক্যমতই এখানে শেষ কথা। পার্টির সিদ্ধান্তই শেষ কথা। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় শহিদ পরিবারের সদস্যের নাম থাকতে পারে বলেও শোনা গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে কাঁকুরগাছির নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকারের প্রার্থী হওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল।এ প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তৃণমূল বা কংগ্রেসী ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে বিজেপির এখানেই পার্থক্য। আর শহিদ পরিবারকে রাজনীতির প্রাঙ্গনে নিয়ে এসে সব জায়গায় ব্যবহার করতে নেই। নির্দিষ্ট বিশ্বাস আছে। সেই আঙ্গিকে তাঁরা কথা বলবেন। কিন্তু তাঁদের এনে সামগ্রিক রাজনৈতিক লাভের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

TMC Candidate List: ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা

১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভায় ভোট। শুক্রবারই কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কালীঘাট থেকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী এবং সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।বিদায়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে ৩৫ জনের নাম বাদ গিয়েছে। সেখানে নতুন মুখ আনা হয়েছে। এ ছাড়াও চারজন কাউন্সিলর প্রয়াত হয়েছেন। সেই জায়গাতে স্বভাবতই নতুন প্রার্থী দিয়েছে দল। এই ৩৫ জনের মধ্যে উত্তর কলকাতা থেকে বাদ পড়েছে ১৭ জন কাউন্সিলরের নাম। দক্ষিণ কলকাতায় তালিকাটা ১৮ জনের নামের।একই সঙ্গে নিজের ওয়ার্ড ছেড়ে অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন দেবব্রত মজুমদার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, ঘনশ্রী বাগ, নিজামুদ্দিন শামস, সুশান্ত ঘোষ (স্বরূপ), অরূপ চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়।কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে কোন ওয়ার্ডে কে টিকিট পেলেন, তার তালিকা নিম্নরূপ প্রার্থী কোনও বিধানসভা কেন্দ্রের আওতাধীন১. কার্তিকচন্দ্র মান্না কাশীপুর বেলগাছিয়া২. কাকলি সেন কাশীপুর বেলগাছিয়া৩. দেবীকা চক্রবর্তী কাশীপুর বেলগাছিয়া৪.গৌতম হালদার কাশীপুর বেলগাছিয়া৫. তরুণ সাহা কাশীপুর বেলগাছিয়া৬. সুমন সিং কাশীপুর বেলগাছিয়া৭. বাপি ঘোষ শ্যামপুকুর৮. পূজা পাঁজা শ্যামপুকুর৯. মিতালি সাহা শ্যামপুকুর১০. সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শ্যামপুকুর১১. অতীন ঘোষ মানিকতলা১২. মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় মানিকতলা১৩. অনিন্দ্যকিশোর রাউত মানিকতলা১৪. অমল চক্রবর্তী মানিকতলা১৫. শুক্লা ভোড় মানিকতলা১৬. স্বপন দাস মানিকতলা১৭. মোহনকুমার গুপ্ত শ্যামপুকুর১৮. সুনন্দা সরকার শ্যামপুকুর১৯. শিখা সাহা শ্যামপুকুর২০. বিজয় উপাধ্যায় শ্যামপুকুর২১. মীরা হাজরা শ্যামপুকুর২২. শ্যামপ্রকাশ পুরোহিত জোড়াসাঁকো২৩. সানোয়ারমল আগরওয়াল জোড়াসাঁকো২৪. ইলোরা সাহা জোড়াসাঁকো২৫. রাজেশ সিনহা জোড়াসাঁকো২৬. তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় জোড়াসাঁকো২৭. মীনাক্ষী গুপ্তা জোড়াসাঁকো২৮. অয়ন চক্রবর্তী বেলেঘাটা২৯. ইকবাল আহমেদ বেলেঘাটা৩০. পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস বেলেঘাটা৩১. পরেশ পাল মানিকতলা৩২. শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু মানিকতলা৩৩. চিনু বিশ্বাস বেলেঘাটা৩৪. অলোকনন্দা দাস বেলেঘাটা৩৫. আশুতোষ দাস বেলেঘাটা৩৬. ঘোষণা হয়নি বেলেঘাটা৩৭. সোমা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৩৮. সাধনা বোস জোড়াসাঁকো৩৯. মহম্মদ জসিমুদ্দিন জোড়াসাঁকো৪০. সুপর্ণা দত্ত জোড়াসাঁকো৪১. রীতা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৪২. মহেশ শর্মা জোড়াসাঁকো৪৩. সগুফতা পরভিন জোড়াসাঁকো৪৪. রেহানা খাতুন চৌরঙ্গী৪৫. শক্তিপ্রতাপ সিং চৌরঙ্গী৪৬. প্রিয়াঙ্কা সাহা চৌরঙ্গী৪৭. বিমল সিং চৌরঙ্গী৪৮. বিশ্বরূপ দে চৌরঙ্গী৪৯. মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫০. মৌসুমী দে চৌরঙ্গী৫১. ইন্দ্রনীল কুমার চৌরঙ্গী৫২. সোহিনী মুখোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৩. ইন্দ্রানী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৪. আমিরুদ্দিন ববি এন্টালি৫৫. সবিতারানি দাস এন্টালি৫৬. স্বপন সমাদ্দার এন্টালি৫৭. জীবন সাহা এন্টালি৫৮. সন্দীপন সাহা এন্টালি৫৯. জলি বোস এন্টালি৬০. মহম্মদ ইয়েজুজার রহমান বালিগঞ্জ৬১. মনজর ইকবাল বালিগঞ্জ৬২. সানা আহমেদ বালিগঞ্জ৬৩. সুস্মিতা ভট্টাচার্য বালিগঞ্জ৬৪. সাম্মি জাহান বালিগঞ্জ৬৫. নিবেদিতা শর্মা বালিগঞ্জ৬৬. ফৈয়জ আহমেদ খান কসবা৬৭. বিজনলাল মুখোপাধ্যায় কসবা৬৮. তনিমা চট্টোপাধ্যায় বালিগঞ্জ৬৯. দিলীপকুমার বোস বালিগঞ্জ৭০. অসীম বোস ভবানীপুর৭১. পাপিয়া সিং ভবানীপুর৭২. সন্দীপরঞ্জন বক্সি ভবানীপুর৭৩. কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর৭৪. দেবলীনা বিশ্বাস ভবানীপুর৭৫. নিজামুদ্দিন শামস কলকাতা পোর্ট৭৬. ষষ্ঠী দাস কলকাতা পোর্ট৭৭. শামিমা রেহান খান ভবানীপুর৭৮. সোমা দাস কলকাতা পোর্ট৭৯. রাম পেয়ারি রাম কলকাতা পোর্ট৮০. আনওয়ার খান কলকাতা পোর্ট৮১. জুঁই বিশ্বাস রাসবিহারী৮২. ফিরহাদ হাকিম ভবানীপুর৮৩. প্রবীর মুখোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৪. পারমিতা চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৫. দেবাশিস কুমার বালিগঞ্জ৮৬. সৌরভ বসু রাসবিহারী৮৭. মনীষা বোস সাউ রাসবিহারী৮৮. মালা রায় রাসবিহারী৮৯. মমতা মজুমদার রাসবিহারী৯০. চৈতালি চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৯১. বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় কসবা৯২. অভিষেক মুখোপাধ্যায় কসবা৯৩. মৌসুমী দাস রাসবিহারী৯৪. সন্দীপ নন্দী মজুমদার টালিগঞ্জ৯৫. তপন দাশগুপ্ত টালিগঞ্জ৯৬. বসুন্ধরা গোস্বামী যাদবপুর৯৭. দেবব্রত মজুমদার টালিগঞ্জ৯৮. অরূপ চক্রবর্তী টালিগঞ্জ৯৯. মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১০০. প্রসেনজিৎ দাস টালিগঞ্জ১০১. বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত যাদবপুর১০২. সীমা ঘোষ যাদবপুর১০৩. সুকুমার দাস যাদবপুর১০৪. তারকেশ্বর চক্রবর্তী যাদবপুর১০৫. সুশীলা মণ্ডল যাদবপুর১০৬. অরিজিৎ দাসঠাকুর যাদবপুর১০৭. লিপিকা মান্না কসবা১০৮. সুশান্তকুমার ঘোষ কসবা১০৯. অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১১০. স্বরাজকুমার মণ্ডল যাদবপুর১১১. সন্দীপ দাস টালিগঞ্জ১১২. গোপালচন্দ্র রায় টালিগঞ্জ১১৩. অনিতা কর মজুমদার টালিগঞ্জ১১৪. বিশ্বজিৎ মণ্ডল টালিগঞ্জ১১৫. রত্না শূর বেহালা পূর্ব১১৬. কৃষ্ণা সিং বেহালা পূর্ব১১৭. অমিত সিং বেহালা পূর্ব১১৮. তারক সিং বেহালা পশ্চিম১১৯. ঘোষণা হয়নি বেহালা পশ্চিম১২০. সুশান্ত ঘোষ বেহালা পূর্ব১২১. রূপক গঙ্গোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব১২২. সোমা চক্রবর্তী বেহালা পূর্ব১২৩. সুদীপ পোল্লে বেহালা পূর্ব১২৪. রাজীবকুমার দাস বেহালা পূর্ব১২৫. রত্না সরকার বেহালা পশ্চিম১২৬. ঘনশ্রী বাগ বেহালা পশ্চিম১২৭. মালবিকা বৈদ্য বেহালা পশ্চিম১২৮. পার্থ সরকার বেহালা পশ্চিম১২৯. সংহিতা দাস বেহালা পশ্চিম১৩০. অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩১. রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩২. সঞ্চিতা মিত্র বেহালা পশ্চিম১৩৩. রণজিৎ শীল কলকাতা পোর্ট১৩৪. শামস ইকবাল কলকাতা পোর্ট১৩৫. আখতারি নিজামি শাহজাদা কলকাতা পোর্ট১৩৬. শামসুজ্জামান আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৭. রেহমত আলম আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৮. ফরিদা পারভিন মেটিয়াবুরুজ১৩৯. শেখ মুস্তাক আহমেদ মেটিয়াবুরুজ১৪০. আবু মহম্মদ তারিক মেটিয়াবুরুজ১৪১. শিবনাথ গায়েন মেটিয়াবুরুজ১৪২. রঘুনাথ পাত্র বেহালা পূর্ব১৪৩. ক্রিস্টিনা বিশ্বাস বেহালা পূর্ব১৪৪. শেফালি প্রামাণিক পাত্র বেহালা পূর্ব

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate List: তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় প্রমাণিত নেত্রীর প্রভাব, রয়ে গেলেন ফিরহাদ ও আরও পাঁচ বিধায়ক

পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় কি এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মানল না শাসকদল তৃণমূল? কলকাতা পুরভোটে ৩৯ জন কাউন্সিলারকে টিকিট দিল না শাসক তৃণমূল। কিন্তু বাদ দেওয়া হল না কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ছয় বিধায়ককে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মুজমদার এবং প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। জল্পনা ছিল, এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মেনে এঁদের পুরভোটের টিকিট দেওয়া হবে না।তবে পুরো বিষয়টিই ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষ। দেখা গেল, মমতার অনুমোদন পায়নি সেই সিদ্ধান্ত। মমতা আবার বেছে নিয়েছেন তাঁর পুরোন দিনের লড়াইয়ের সঙ্গীদেরই। বস্তুত, প্রার্থিতালিকায় শেষমুহূর্তের রদবদলের কারণেই ছাপানো প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করতে খানিক বিলম্ব হয়ে যায় তৃণমূলের। পূর্ণাঙ্গ প্রার্থিতালিকা হাতে পেতে সংবাদমাধ্যমকে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।ফিরহাদ যেমন পুরভোটের টিকিট পেয়েছেন, তেমনই প্রার্থিতালিকায় নাম নেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। জল্পনা ছিল, বাবুলকে সম্ভাব্য মেয়র হিসেবে তুলে ধরে পুরভোটের ময়দানে নামবে তৃণমূল। যদিও বদলের একাংশ বলছিলেন, বাবুল সদ্যই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। এত দ্রুত তাঁকে কলকাতা পুরসভার মেয়রের মতো পদে তুলে ধরলে দলের একাংশে অনুযোগ তৈরি হতে পারে।ফিরহাদ নিজে পুরভোটেই দাঁড়াতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। সূত্রের খবর, দলকে তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন। কিন্তু তাঁকে যেন পুরভোটের টিকিট দেওয়া হয়। দেখা গেল, শেষপর্যন্ত তাঁকে পুরভোটের টিকিট দেওয়া হল। মনে করা হচ্ছে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষমুহূর্তের হস্তক্ষেপে ফিরহাদ-সহ অন্য পুরোন অনুগত-রা পুরভোটের টিকিট পেলেন। যা থেকে এটা মনে করা হচ্ছে যে, দলের উপর নেত্রী মমতার প্রভাব এখনও নিরঙ্কুশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Left Candidate List: পুরভোটে আগেভাগেই তালিকা প্রকাশ করল বামেরা, আসুন দেখে নিই সেই তালিকা

পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে। বৃহস্পতিবার থেকেই নমিনেশন জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরপরেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কথা জানিয়েছে বামফ্রন্ট। সূত্রের খবর, এবারও তরুণ মুখেই ভরসা রাখার কথা ভাবছেন বাম নেতৃত্ব।পুরভোটে তৃণমূল ও বিজেপিকে হারানোই বামেদের মূল লক্ষ্য। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই এই বার্তা স্পষ্ট করল বাম নেতৃত্ব। শাসক দল ও গেরুয়া শিবিরকে পরাজিত করার জন্য কিছু আসনে অন্য দলকে সমর্থন করার বার্তা দিয়েছে বামেরা। সেই তালিকায় কংগ্রেস, আইএসএফও থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কলকাতা জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক কল্লোল মজুমদার।শুক্রবার প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কল্লোল মজুমদার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কিছু নির্বাচনে ভোট- পূর্ব জোটের পথে হেঁটেছিল বামেরা। কিন্তু তাতে এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাই এবার রণকৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর জন্য বাম নেতারা দফায় দফায় বৈঠকে বসেছেন। তারপরই আসন নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় রাজ্য নেতৃত্বকে।আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা না করলেও কয়েকটি আসনে জোটের ইঙ্গিত দিয়েছেন বামেরা। জানানো হয়েছে, ওই সব ক্ষেত্রে কংগ্রেস, আইএসএফ বা কোনও প্রতিথজশা প্রাথী হলেও বামেরা সমর্থন করবে।এ দিন বেশির ভাগ আসনের প্রার্থী তালিকাই প্রকাশ করেছে বামেরা। মহিলা প্রার্থী আগের থেকে বেড়েছে, এবারের তালিকায় রয়েছেন ৫৬ জন মহিলা। পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৫৮ জন ও সংখ্যালঘু প্রার্থী ১৭ জন। প্রায় ৫০ শতাংশ প্রার্থীর বয়স ৫০এর নীচে। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রেও তরুণ মুখের ওপর জোর দিয়েছে বামেরা। গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে যাঁদের নাম থাকছে, তাঁরা হলেন পল্লব মুখোপাধ্যায়, অজিত চৌধুরী, মানজার এহসান, দীপু দাস, বরুণ দাস, ফৈয়াজ আহমেদ খান, মধুছন্দা দেব, মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী, মঞ্জু কর, রত্না রায় মজুমদার।শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণতন্ত্র-সহ একাধিক ইস্যুকে সামনে রেখে বামেরা ভোটে লড়বে। মানুষের না পাওয়াগুলো তুলে ধরাই হবে মূল লক্ষ্য। পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে কে লড়ছেন-ওয়ার্ড নম্বর প্রার্থীর নাম১ পল্লব মুখোপাধ্যায়২ দেবলীনা সরকার৩ নমিতা দাস৪ কানাইলাল পোদ্দার৫ রমেশ পাণ্ডে৭ মোহন তাপস কুণ্ডু৮ মাধব ঘোষ৯ দীপিকা ভট্টাচার্য১০ করুণা সেনগুপ্ত১১ প্রদ্যুৎ নাথ১২ পূবালী দেব১৩ বিরোধী দত্ত১৪ স্বপন ঘোষ১৫ দীপা সাহা১৬ সুজিত দেব১৭ মতিলাল ঘোষ১৮ শ্রাবণী চক্রবর্তী১৯ রুমা ভট্টাচার্য২০ অজিত চৌধুরী২১ সুজাতা সাহা২৩ ধীরেন্দ্র পাণ্ডে২৪ মঞ্জু মোহতা২৬ তাপস প্রামাণিক২৭ পাপিয়া গঙ্গোপাধ্যায়২৮ ইজাজ আহমেদ২৯ মহম্মদ সইদ৩০ শাশ্বতী দাশগুপ্ত৩১ তরুণ বসু৩২ জয়দীপ ভট্টাচার্য৩৩ মণীষা বিশ্বাস৩৫ সমীর চক্রবর্তী৩৬ মৌসুমী ঘোষ৩৭ মিঠু দাস৩৮ প্রশান্ত দে৪০ কাবেরী ভট্টাচার্য৪১ নেহাল মহম্মদ কাইজার৪২ প্রদীপ সিং৪৪ সইদ কাশিমুদ্দিন৪৬ অনুশা আকবর৪৮ অণ্বেষা দাস৫১ রেবতী জানা৫২ রুকসানা বেগম৫৪ জাহাঙ্গির মণ্ডল৫৫ চৈতালী ভৌমিক নায়ার৫৬ জয়শ্রী দেব নন্দী৫৯ রুমা কর বসু৬০ মাঞ্জার এহসান৬৩ মহম্মদ সিরাজ খান৬৪ মহম্মদ আজম জাভেদ৬৫ অনুলেখা সিনহা৬৬ সাকিব আখতার৬৭ দীপু দাস ৬৮ ডরথি ভৌমিক ঘোষাল৬৯ গোপাল হাজরা৭০ বরুণ দাস ৭১ কেকা মিত্র৭২ প্রকাশ ভট্টাচার্য ৭৩ মধুমিতা দাস৭৪ দীপা চক্রবর্তী৭৫ খৈয়দ আহমেদ খান৭৬ শাকিল আখতার৭৭ সাজদা পারভিন ৭৮ জ্যোতি দাস৮১ রিঙ্কু দে৮২ পারমিতা দাশগুপ্ত৮৪ বিথিকা নাথ৮৫ গোবিন্দ নস্কর৮৭ যুক্তিশ্রী দাস সোম৮৮ কার্তিক মণ্ডল৮৯ সলিল চৌধুরী ৯১ সুরজিৎ সেনগুপ্ত ৯২ মধুচ্ছন্দা দেব৯৩ গোপা রায়চৌধুরী৯৪ বুলা শীল৯৫ অন্বেষা ভৌমিক৯৬ দীপালি গোস্বামী৯৭ সুশান্ত পাল৯৮ মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী৯৯ শিখা মুখোপাধ্যায়১০১ অতনু চট্টোপাধ্যায়১০২ ভাস্বতী গঙ্গোপাধ্যায়১০৩ নন্দিতা রায়১০৫ নমিতা দত্ত১০৭ গৌতম রায়১০৮ তপন মালিক১০৯ শিখা পূজারি১১১ চয়ন ভট্টাচার্য১১২ সুব্রত কুমার দে১১৪ মোহিতকুমার ভট্টাচার্য১১৫ শুভঙ্কর বাগচি১১৬ চিত্রা পতিত১১৭ সঞ্জয় খান ১১৮ সুজয় অধিকারী১২০ গৌতম অধিকারী১২১ আশিস মণ্ডল১২২ মঞ্জুল কর১২৩ প্রসেনজিৎ ঘোষ১২৪ অরিজিৎ সিনহা১২৫ প্রিয়া রায়১২৬ বিমান গুহঠাকুরতা১২৭ রিনা ভক্ত১২৮ রত্না মজুমদার১৩১ রঞ্জন দাশগুপ্ত১৩২ নীতা ঘোষ১৩৩ জয়ব্রত বেরা১৩৬ শুভাশিস পোদ্দার১৩৮ ফারহানাজ বেগম১৩৯ মহম্মদ আবু কায়েশ মোল্লা১৪০ শেখ মহম্মদ জমির১৪৩ বিভু মণ্ডল ১৪৪ বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate: কালীঘাটে দলীয় বৈঠকের পরই প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরিকল্পনা তৃণমূলের

শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় বৈঠকে বসবেন। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হবে বলে খবর। এবারের তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় যুবক ও মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নতুন নেতৃত্ব তুলে আনার তাগিদে তারুণ্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা।এদিকে তৃণমূলের শীর্ষ সাংগঠনিক স্তর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে আগামী সোমবার। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্যই হাজির থাকতে বলা হয়েছে বলে শুক্রবার তৃণমূলের মুখপত্রে জানানো হয়েছে।দলের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে দলের অভিমুখ কী হবে, সে কথাই বৈঠকে জানাবেন মমতা এবং অভিষেক। পাশাপাশি, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদেরা কী ভূমিকা নেবেন, তা-ও ঠিক করে দেওয়া হবে।গত কয়েক মাসে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সর্বভারতীয় স্তরের কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁদেরই অন্যতম, গান্ধি পরিবারের একদা ঘনিষ্ঠ হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অশোক তানওয়ারকেও ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে বলা হয়েছে, দলের বাকি নেতাদের সঙ্গে তাঁকে (অশোক) আলাপ-পরিচয় করানো হবে।এর মধ্যে বিজেপি সূত্রের খবর, তাদের প্রার্থীতালিকা নিয়ে আলোচনা সেভাবে এগোয়নি। আজ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবে বামফ্রন্টও। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা না হলেও কয়েকটি আসন ছেড়ে রেখেই তারা প্রার্থীদের নাম দেবে। যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের স্বার্থেই এই পথে হাঁটছে বামেরা। শোনা যাচ্ছে, বামফ্রন্টও জোর দিচ্ছে তারুণ্যের উপর।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

covid update west bengal: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত হাজার ছুঁই ছুঁই

বাংলার উৎসবের মরসুমে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এরাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮৯। তার মধ্যে কলকাতায় ২৭৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, ১৪৬ জন আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় হুগলিতে ৮৯, হাওড়াতে ৮৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৪জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মোটের ওপর এভাবে সব জেলাতেই বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে ৪২,৬২২ জনের। এদিন করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮২৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। উৎসবের দিনগুলো ঢালাও ছাড় দেওয়ার ফল ভোগ করতে হতে পারে রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞরা বারে বারে সতর্ক করেছিলেন সরকারকে। কে শোনে কার কথা। তারওপর পুজোর আগে বাজারে ভিড়, পুজোতে মন্ডপে ও রাস্তায় থিকথিকে ভিড়। ফলত ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অনেকে আবার ডবল ডোজ টিকা নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছিলেন। ঠিক ৭ দিন আগে অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর রাজ্যের পরিসংখ্যানটা একবার দেখে নেওয়া যাক। ওই দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯, উত্তর ২৪ পরগনায় ১২৮, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৩, হাওড়ায় ৫১, হুগলিতে ৪৮ জন। ক্রমশ তা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যেতে বসেছে। কমবার কোনও লক্ষণ নেই, বরং বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল শনিবার ও আজ, রবিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি। এর আগে তিন দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আটশোর ঘরে। তার আগে ১৯ অক্টোবর ছিল ৭শোর ঘরে। ৬শোর ঘরে ছিল তার আগের দুদিন। ২৩ অক্টোবর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭৪, ২২ অক্টোবর ৮৪৬ জন, কলকাতায় ২৪২। ২১ অক্টোবর রাজ্যে আক্রান্ত ৮৩৩। কলকাতায় ২৩৩। ২০ অক্টোবর ৮৬৭ আক্রান্ত, কলকাতায় ২৪৪। ১৯ অক্টোবর রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৬। কলকাতায় ১৮৩। ১৯ অক্টোবর ৬৯০। কলকাতায় ১৯৪। মানুষ সতর্ক না হলে তৃতীয় ঢেউও কিন্তু দোরগোড়ায়, একথা বারে বারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবু রাস্তা-ঘাটে-বাজারে মাস্কহীন মানুষজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারও যেন কোনও হেলদোল নেই। এমনভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে ফের লকডাউনের পথে যেতে হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal