• ৬ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডলের গড়েই তৃণমূল সাংসদের 'বিদ্রোহ', শোরগোল রাজনীতিতে

ইতিমধ্যে এক সাংসদসহ একাধিক তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনেকেই দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে কথা বলছেন। এবার নবতম সংযোজন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সেই জেলার সাংসদ ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। বৃহস্পতিবার শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাব ফেসবুক পেজে তাঁর লেখা বয়ানে বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট বলেই মনে করেন রাজনৈতিক মহল। তাঁর বক্তব্যে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার রাজনীতিতে।কী লিখেছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়--বীরভূমে আমার নির্বাচন কেন্দ্রের মানুষের প্রতি-2021 খুব ভালো কাটুক। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। আমি তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়। গত দশ বছরে আমি আমার বাড়ির থেকে বেশি সময় আপনাদের কাছে বা আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে কাটিয়েছি, আপ্রাণ চেষ্টা করেছি কাজ করার, এটা শত্রুরাও স্বীকার করে। তাই এই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। 2009 সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব। সাংসদ অনেক পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবেই বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছেন। আমিও আমার কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে যাব।যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিই আগামী 16 জানুয়ারি 2021 শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব। শতাব্দী রায়

জানুয়ারি ১৪, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় 'বড় চানক্য' ছিল, এবার রাজনীতির ময়দানে 'ছোট চানক্য'

বাংলায় রাজনীতির চানক্য হিসাবে পরিচিত তৃণমূলের একসময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এখন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। এবার আরেক জনের নাম উঠে এল। একজন বড় চানক্য, অন্যজন ছোট চানক্য। শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির জনসভায় দুই চানক্য-এর কথা বলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।এদিন নন্দীগ্রামের স্টেট ব্যাংক সংলগ্ন ময়দানে জনসভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই সভায় বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঞ্চে বসা মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখিয়ে বলেন, এখানে দুজন চাণক্য হাজির আছেন। বড় চাণক্য মুকুল রায়, ছোট চাণক্য শুভেন্দু অধিকারী। এই দুজন এখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী বানিয়েছেন। এঁরা এখন আমাদের সঙ্গে আছেন। নন্দীগ্রামে গুলি চালানো পুলিশ আধিকারিক সত্যজিৎ মুখোপাধ্যায়কে তৃণমূল দলে নিয়েছে, আর এক পুলিশ আধিকারিককে অবসর গ্রহণের পর নিজের অফিসে নিয়োগ করেছেন। এভাবেই নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে ধোকা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এদিকে এদিন তাঁর বক্তব্যে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি নন্দীগ্রামের মাটিতে একাধিকবার এসেছেন। আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন। তিনি চেনেন নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী সেভাবে বক্তব্য না রাখলেও তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি সভা ডাকা হয়েছিল। ৭ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেস সভার পর জবাব দেব বলে। আমরা জানতে পেরেছি ১৮জানুয়ারি তৃণমূল সভা করবে, তাই ১৯ জানুয়ারি ফের সভা হবে খেজুরিতে। সেখানে ১৮ জানুয়ারি সভার বক্তব্যের জবাব পাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। সভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজ্য

আজ নন্দীগ্রামে বিজেপির মেগা-সমাবেশ, নতুন কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

আজ, শুক্রবার সকলের নজরে নন্দীগ্রামে বিজেপির সমাবেশ। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন ৮ জানুয়ারি এক লক্ষ লোকের সমাবেশ হবে নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রামে স্টেট ব্যাংকের পাশের ময়দানে এই সভার আয়োজন করেছে বিজেপি। ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভা হবার কথা ছিল। সেই কারণেই ৮ জানুয়ারি পাল্টা জনসভার কথা ঘোষণা করেছিলেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তৃণমূল নেতা অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে তৃণমূলের সভা বাতিল করা হয়েছিল। এদিকে বৃহস্পতিবার শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছে যদি তৃণমূল কংগ্রেস ১৮ জানুয়ারি সভা করে সেক্ষেত্রে আজ নন্দীগ্রামের সভায় ফের নতুন ঘোষণা করবেন। আজকের নন্দীগ্রামের সভায় হাজির থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়, দলের পর্যবেক্ষক তথা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল উত্থান হয়েছিল। সেই নন্দীগ্রামকে আঁকড়ে ধরেই রাজনীতির ময়দানে জায়গা পেতে চাইছে বিজেপিও। সেদিন আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী এবার পদ্ম পতাকাতলে থেকে বিজেপিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সেই নন্দীগ্রামকেই সামনে রেখেছেন তিনি। দেখার বিষয় এদিনের সমাবেশে কত মানুষ ভিড় করেন এবং শুভেন্দু নতুন কী ঘোষণা করেন?

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, তোপ অভিষেকের

নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সভা-সমাবেশে বক্তব্যে ঝড় বইছে। বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য চলছে। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরে এক জনসভায় বিজেপিকে একহাত নিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ সরাসরি আক্রমণ করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে।অভিষেক এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বহিরাগতদের নিয়ে এসে বাংলার ঐতিহ্য, কৃষ্টি নষ্ট করতে চাইছে। ভোট নেওয়ার সময় বিজেপি আসে। পরিষেবা দেয় তৃণমূল। চোর, ছেঁচড়, চিটিংবাজরা সবাই বিজেপিতে গিয়েছে। বাংলায় নির্বাচন হবে, পরিযায়ী নেতারা এখানে এসে জুড়ে বসবেন। এখানকার সাংসদ সুকান্ত মুজমদার বলেছেন, আমি বহিরাগত। বাংলায় জন্ম, বাংলায় কথা বলি, ব্রাহ্মন সন্তান আমি বহিরাগত? ইন্দোরের কৈলাস বিজয়বর্গীয় বাংলা বলতে পারে না, বাংলা লিখতে পারে না, বাংলা পড়তে পারে না, তিনি দিনাজপুরের বা বাংলার ভূমিপুত্র? চাটুকারিতা আর তল্পিবাহক হয়ে গিয়ে বাংলাকে গুজরাট ও দিল্লির হাতে বন্ধক রাখতে চলেছে।বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে আক্রমণের সময় নাম না করে ভাইপো সম্বোধন করছেন। তোলাবাজ ভাইপো বলছেন সদ্য বিজেপি যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও{ অভিষেক বলেন, কথায় কথায় আমাকে আক্রমণ করছে। বলছে তোলাবাজ ভাইপো হঠাও। আমার তোলাবাজি কেউ যদি প্রমান করতে পারে, কোনওরকম তোলাবাজির সঙ্গে আমি বিন্দুমাত্র জড়িত তাহলে আমার পিছনে ইডি, সিবিআই করতে হবে না একটা ফাঁসির মঞ্চ করবেন। আমি গিয়ে মৃত্যুবরণ করে নেব।নাম নিয়ে কথা বলার বুকের পাটা নেই। বলে ভাইপো। ভাইপো বললে মামলা করা যায় না।অভিষেক বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, নাম নিয়ে কথা বলতে পারে না। আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, আমি নাম করে বলছি দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, অমিত শাহ বহিরাগত, বিজেপির দিল্লির নেতারা বহিরাগত। তোমার ক্ষমতা থাকলে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে দেখাও। জেলে ঢোকাও।শুভেন্দু সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলছেন বাংলাটাকে নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দিতে হবে। বিজেপি এলে এসএসসি হবে, টেট হবে, চাকরি হবে যুবকদের। অভিষেক বলেন, বাংলা কী একটা বস্তু। তাহলে চুরি করতে সুবিধা হবে। অভিষেক নাম না করে এদিন তোলাবাজ নিয়ে প্রশ্ন করেন হাজির জনতাকে। তিনি প্রশ্ন করেন, আপনারা টিভির পর্দায় কাকে টাকা নিতে দেখেছেন? একটু জোরে? জবাব আসে, শুভেন্দু অধিকারীকে। একাধিকবার একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে থাতেন। কিন্তু নিজে নাম নেননি মুখে। এদিকে শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা তোপ দেগেছেন বিনয় মিশ্রকে নিয়ে। শুভেন্দুর বক্তব্য, তৃণমূল যুবার সহসভাপতি ছিলেন, তারপর ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। টুইট করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শুভেন্দুর প্রশ্ন, বিনয় মিশ্রের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক?

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজনীতি

মন্ত্রী, বিধায়ক বা প্রক্তন মেয়র নয়, ক্ষোভ উগরে দিতে সাংবাদিক বৈঠক হাওড়ার পঞ্চায়েত প্রধানের

এবারে বিস্ফোরক তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। নাম করে সরাসরি আক্রমণ অরূপ রায়কে। দলের ওই ভাঙনের জন্যে দায়ী করলেন মন্ত্রী অরূপ রায়কে। একের পর এক তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসছে। মঙ্গলবার দলের সভাপতি ও মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন হাওড়ার মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এদিকে বুধবার সকালে হাওড়ার মহানাগরিক বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ রথীন চক্রবর্তীর পরে নাম করে জেলা সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায়কে সরাসরি দলের ভাঙনের জন্য দায়ী করলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধান। বুধরার নিজের অফিসে বসেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের কান্ডারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন জগদিশপুরের পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা। হাওড়ায় দলের ভাঙ্গন আরো বড় হবে। এরজন্যে সরাসরি জেলা সদরের তৃণমূল চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করেন তিনি। আগামিদিনে হাওড়ার মানুষ স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন গোবিন্দ হাজরা। আধিকারিকরা ঠিকভাবে কাজ করছে না। সকালে জানানো হচ্ছে আগামীকাল স্বাস্থ্য সাথি কার্ডের জন্যে ছবি তোলা হবে। লিস্ট ধরে সারাদিন ধরে ফোন করে ২হাজার মানুষকে সেই কথা জানানোর পরে রাত ৮টার সময়ে বিডিও অফিস থেকে আবার জানানো হচ্ছে কিট না আসায় আগামীকাল ছবি তোলা যাবে না। মানুষ ভোর চারটে থেকে লাইন দিয়ে তারপরে এই কথা জানতে পারছেন। এত বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বাস্থ্য সাথীর কথা প্রচার করে মানুষকে পরিষেবা দিতে না পারলে ভোটের বাক্সে তার প্রতিফলন পড়বে বলেও মনে করেন তিনি। আগামী দিনে দলে আরো বড় ভাঙন আসতে পারে বলেও অভিমত ব্যাক্ত করেন তিনি। ক্ষমতায় আসার পরে সরকার ভালো কাজ করলেও বর্তমানে সরকারি কাজ ভালো হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের এক বিধায়ক কল্যান বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে গোবিন্দ হাজরা বলেন, ওনাকে আমি ঘৃনা করি। পাশাপাশি তিনি জানান, দিদি আমাকে কোর কমিটির সদস্য করেন। কালেঘাটে দিদির মিটিং এ ডাক পেলেও হাওড়ায় অরূপ রায়ের মিটিং এ ডাক পেতেন না বলে অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা কমিটির বর্তমান সদস্যদের চোর গুন্ডা বলে অবিহিত করেন। ভালো লোকদের নিয়ে কমিটি করলে দলের এমন হাল হতো না। চোর গুন্ডাদের নিয়ে কমিটি নিয়েছেন অরূপ রায়। হাওড়ায় ভরাডুবি অনিবার্য। নতুন সভাপতি প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ভরাডুবির দায় থেকে নিজের বাঁচার তাগিদে অন্যের কাঁধে বন্দুক রাখা। যদিও আগামীদিনে দল বদল করবেন কি না তা স্পষ্ট করেন নি গোবিন্দ হাজরা। পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি। এদিন সকালে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মূখ খোলেন হাওড়ার প্রাক্তন তৃণমূল মেয়র ডঃ রথীন চক্রবর্তী। তৃণমূল দল থেকে বিদায় নিয়েছে সৌজন্যবোধ এই ভাষায় নিজের ক্ষোভ ব্যাক্ত করেন তিনি। তিনি আরো জানান, হাওড়ার মানুষের জন্যে যে জল প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি, সেই প্রকল্পের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় এই ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তৃণমূল দলকে প্রাইভেট কোম্পানির সাথে তুলনা করে বলেন এখানে শুধুমাত্র নেতার ঘনিষ্ঠ কারো কথা শুনে চলাই রীতি। অন্য কিছুই দেখা বা শোনা হয়না। চোখ কান ইত্যাদি ইন্দ্রিয় গুলো ঢাকা পড়ে রয়েছে এমন মন্তব্য করেন প্রাক্তন মহানাগরিক। এখানে যারা কাজ করে তাদের এক ঘরে করে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়। যারা কাজ করে তারা ব্যাকসিটে চলে যায়। আগামী দিনে যেখানে থেকে মানুষের সেবা করা যাবে, মানুষের কাজ করা যাবে, সেখানেই সে তার পাশেই তিনি থাকবেন বলেও জানান তিনি। হাওড়া জেলা সদর সভাপতির পদ থেকে ও মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষীরতন শুক্লা জানানোর পরেই একে একে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মূখ খুলছেন অনেকেই। এদিকে নবনিযুক্ত তৃণমূল সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্য সকলকে নিয়ে চলতে চাইছেন। মান-অভিমান ভুলে আলোচনা করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

ভোটের আগে মন্ত্রীত্ব, পদ দুই ছাড়লেন লক্ষ্মীরতন, এরপর কে?

শুভেন্দু অধিকারীর পর ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন আর এক মন্ত্রী। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ক্রীড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চাইছেন। দলের হাওড়া জেলা সভাপতি পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন লক্ষ্মীরতন। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন এরপর তালিকায় কে আছেন?জানা গিয়েছে, রাজনীতি থেকে অবসর নিয়ে ফের ক্রিকেটের জগতে ফিরতে চান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। রাজনৈতিক মহলের মতে, জেলার দুই মন্ত্রীর বিবাদের মাঝে পড়ে হাওড়া উত্তরের এই তৃণমূল বিধায়ক বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছিলেন। তিনি কী করবেন তাই বুঝে উঠতে পারছিলেন না।সূত্রের খবর, মন্ত্রিত্ব ও তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও বিধায়ক পদ থেকে এখনই তিনি ইস্তফা দিচ্ছেন না। মেয়াদ শেষ হওযা পর্যন্ত বিধায়ক পদে থাকবেন। একথা তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেনও। বিগত কয়েকদিন ধরেই লক্ষ্মীরতন বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তিনি দলবদলে নেই বলেই চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে উত্তর হাওড়া কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয় পান। তাঁকে ক্রীড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়।রাজনীতির কারবারিদের মতে, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই পদত্যাগ তৃণমূলের কাছে বড় ধাক্কা। প্রথমত মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগ। তারওপর দলের জেলা সভাপতির পদও ছেড়েছেন। একেই হাওড়ায় অরূপ রায় ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে মতবিরোধ তুঙ্গে। ভবিষ্যতে খেলার ময়দানে ফিরে যান কীনা তারই অপেক্ষা। শুভেন্দু, লক্ষ্মীরতনের পর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক মন্ত্রীকে নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২১
রাজ্য

পটাশপুরে রাতভর বোমাবাজি, টার্গেট বিজেপি কর্মীদের বাড়ি, অভিযুক্ত তৃণমূল

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর-২ ব্লকের সাউথখন্ড এলাকায় তাজা বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গতকাল রাতভর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি চলে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পটাশপুর থানার পুলিশ। বম্ব স্কোয়াড গিয়ে বোমা নিষ্ক্রিয় করে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বর অভিযোগ, গত ১ জানুয়ারি বিজেপির ২৩৪ এবং ২৩৫ নম্বর বুথের বিজেপি কার্যকর্তারা মিলে বনভোজন করেন। সেখানে বোমাবাজি করে তৃণমূল। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারপরই থেকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে বলে জানান তিনি। এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

জানুয়ারি ০৫, ২০২১
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার দশকের সঙ্গী মানিক মজুমদার প্রয়াত

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার দশকের সঙ্গী মানিক মজুমদারের। কোভিড আক্রান্ত হয়ে তিনি ভর্তি ছিলেন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। কো-মর্বিডিটি থাকায় সাত দিনের বেশি লড়াই করতে পারলেন না মানিকবাবু। মমতার কালিঘাটের বাড়ির অফিস দীর্ঘ বছর ধরে তিনি সামলেছেন। মানিক মজুমদারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। মানিক মজুমদারের মৃত্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস এদিনের সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করেছে। জেলা ও রাজ্য স্তরের ঘোষিত সাংবাদিক বৈঠক স্থগিত রাখা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর টুইট বার্তায় মানিক মজুমদারের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন চার দশকের সঙ্গী ছিলেন মানিকবাবু। কালিঘাটের অফিসে মাানিকবাবুর হাসিমুখ আর দেখা যাবে না।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

অনুব্রত মন্ডলের মাথায় রুপোর মুকুট, কটাক্ষ দিলীপের

কেউ বলছেন ঝেঁটিয়ে সাফ করে দিন। কেউ বলছেন থেকে ঠেঙিয়ে পগার পার করে দিন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে জানুয়ারির প্রথমেই তাপ উত্তাপ চরমে উঠেছে। এসবের মাঝেই বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডল মাথায় রুপোর মুকুট পড়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।কোথায় পেলেন এই মুকুট? অনুব্রত গিয়েছিলেন নানুরের একটি মেলাতে। সেই মিলন মেলায় উদ্যোক্তারা তাঁকে একটি দু কেজি ওজনের রুপোর মুকুট উপহার দেন। তিনি সেই রুপোর মুকুট পরে মঞ্চে বসেছিলেন। সেই দৃশ্য দেখতে মঞ্চের সামনে হাজির জনতা হা করে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলেন। অদ্ভুত সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।মুকুট পরে হালকা মেজাজে থাকলেও বিজেপির বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিতে ছাড়েননি বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর হুঁশিয়ারি, ঠেঙিয়ে বিজেপিকে পগার পার করে দিন। এডাল থেকে ওডাল উঠলেই হবে নাকি। বড় হনু নাকি? মন্তব্য অনুব্রতর।এদিকে তাঁর মাথায় রুপোর মুকুট দেখে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর মুখ বন্ধ করে রাখতে পারেননি। তিনি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অনুব্রত মন্ডলকে। দিলিপের বক্তব্য, রাজ্য, রাজ্যপাট চলে যাবে। আর মুকুট পরার সময় পাবে না। তাই আগেভাগেই মুকুট পড়ে নিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত রুপোর মুকুট নিয়ে রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

হাওড়ায় তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে গড়হাজির দুই মন্ত্রী, বাড়ছে জল্পনা

শুক্রবার হাওড়াতেও পালিত হল তৃণমূলের ২৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই প্রতিষ্ঠা দিবসেও পিছু ছাড়ল না গোষ্ঠীকলহের বিতর্ক। এদিন দলের হাওড়ার কদমতলার জেলা সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে রাজের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও গরহাজির ছিলেন তৃণমূলের সদর সভাপতি তথা মন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা। দেখা মিলল না দলের কোর্ডিনেটর তথা আর এক মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মুল অনুষ্ঠানে জেলার দুই মন্ত্রী তথা হেভিওয়েট নেতার অনুপস্থিতিতে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই প্রসঙ্গে, তৃণমূলের সদর চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, কে বা কারা আসেননি জানি না। তবে আসা উচিত ছিল। প্রথম থেকে দল করে আসা তৃণমূল কর্মীরা সবাই এসেছে। যাঁরা আসেননি তাঁদেরকে আসার জন্য অনুরোধ করব। অন্যদিকে এদিন জেলা নেতৃত্বের এমন ধরনের মনোভাবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হাওড়ার সাংসদ প্রসূণ বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠা দিবসে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। দলীয় কর্মীরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন। ক্ষোভের সঙ্গে সাংসদ বলেন, আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি জেলার তিন নেতা তিন দিকে আলাদা আলাদা কেন র্যালি করছে? আমার খুব মন খারাপ, আমি খুব শকড। এইভাবে চললে হাওড়ার ১৬টা আসন ধরে রাখা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। দলীয় হোর্ডিং নিয়েও এদিন তিনি ক্ষোভ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দল না থাকলে লালবাতি নীলবাতি পাব না এই বার্তাও দিলেন দলীয় নেতৃত্বকে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তথা হাওড়ার হেভিওয়েট নেতা অরূপ রায় এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে চলছে ঠান্ডা লড়াই। সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে হাজির হতে দেখতে পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। তাই জল্পনাও শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে। তারই মধ্যে এদিন প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লার উপস্থিতি না থাকা উষ্কে দিচ্ছে নয়া বিতর্ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দলে গিয়ে বদহজম হচ্ছে শুভেন্দুর, কটাক্ষ পার্থর

শুভেন্দু অধিকারী আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুক্রবার কাঁথিতে দাদার হাত ধরে দলে যোগ দিলেন কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারী। এদিন একই সঙ্গে আরও ১৪ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে সামিল হন। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন দলের নতুন নেতা হয়ে নতুন ভাবে ভাবছেন। রামের টিকিটে জিতব করবো বিজেপি, এমন কথা যাঁরা বলতে চান সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের নিশ্চয় অভিজ্ঞতা আছে! তবে এসব চটুল কথায় রাজনীতিতে স্থান পাওয়া যায় না। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন হরিশচন্দ্র চ্যাটার্জী এবং হরিশ মুখার্জি রোড থেকে দেড় জন লোক বাংলা চালাচ্ছে। এই প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২১ বছর পর মনে হল। সূর্য উদয় হল। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয় এঁদের মাথা ঠিক আছে তো! অতীত ভুলে গেলে হয় না। মেদিনীপুরের মানুষ মমতার সঙ্গে আছে। মেদিনীপুরের মানুষ সংগ্রাম বোঝে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগ্রাম করেছে। নতুন দলে গেছেন তাই বদহজম হচ্ছে বলে মন্তব্য় করেন পার্থবাবু।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যপালকে ঘুমের ওষুধ খেতে পরামর্শ তৃণমূল মহাসচিবের

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যপালকে রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র বলে অভিহিত করেছেন তিনি। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যপালের প্রতিদিন কিছু না কিছু বললে ঘুম হয় না। ওনাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো উচিত। কেন না কোনও না কোনও দিন কোনও না কোনও বিষয়ে ওনাকে বলতেই হবে। রাজনৈতিক দলের মুখপাত্রের মত লাগছে তাঁকে। বাংলার রক্তাক্ত নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূলের মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন দেখবে কিভাবে ভোট হবে। কিন্তু রাজ্যপাল নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। রাজ্যপাল রাজ্যের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন না। বছরের প্রথম দিনই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এদিন ঘুরে মনে হল দল আরও শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন বাংলার ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র। পাঁচিল তোলা হচ্ছে, পৌষ মেলা বন্ধ করা হচ্ছে এসব করে সেখানকার ঐতিহ্য ম্লোন করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলে পা মিলিয়ে এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শান্তিনিকেতনের মানুষ।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির সঙ্গে কী 'ডিল' হয়েছে শুভেন্দুর? নিজেই জানালেন বিস্তারিত

পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরানোর তিন দিনের মাথায় দাদার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন সৌমেন্দু অধিকারীসহ কাঁথি পৌরসভার ১৫ জন কাউন্সিলর। শুক্রবার কাঁথির ডরমেটরি ময়দানে বিজেপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান পর্বে শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য প্রশাসক থাকতে পারেন, তাহেরপুরে সিপিএমের প্রশাসক থাকতে পারে কাঁথিতে শুভেন্দু ভাই আছে অর্থাৎ তাঁকে সরিয়ে দাও। রামনগরের লোককে এনে কাঁথিতে পুরপ্রশাসক করা হয়েছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে শুভেন্দুর ডিল নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সেই ডিল-এর জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে ডেপুটি চিফ মিনিস্টার, বাবাকে রাজ্যপাল, ভাইকে মন্ত্রী এমন নানা বিষয় বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করে আসছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর সঙ্গে ডিল হয়েছে, প্রথমত প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষা হবে। নিয়োগ করতে হবে। টেট পরীক্ষা হবে প্রত্যেক বছর। ২-৪ হাজার টাকা মাইনের চাকরি থাকবে না। এখানে আয়ুস্মান ভারত চালু করা হবে। কৃষকরা ৬০০ টাকা পাবে। রাজ্যে সুশাসন আসবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, সব ডিল কি বাইরে প্রকাশ পায়। এদিনও হরিশ চ্যাটার্জি ও হরিশ মুখার্জি রোড থেকে বাংলা চলতে পারে না বলে তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর মতে, উত্তর কলকাতার বাটখাড়া মন্ত্রী, হাওড়া অবহেলিত।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পরও সংবিধান রক্ষার আন্দোলন চলবে: সুব্রত বক্সী

১ জানুয়ারি। এ বছর ২৪-এ পদার্পণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক বার্তায় লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে বাংলার মা-মাটি-মানুষ, দলের যে কর্মীরা প্রতিনিয়ত বাংলাকে উন্নততর ও আরও শক্তিশালী করার লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন তাঁদের সকলকে জানাই প্রণাম ও শ্রদ্ধা। বাংলা মায়ের স্বার্থে, বাংলার মাটিকে সুরক্ষিত রাখতে, বাংলার মানুষের পক্ষে তৃণমূল কংগ্রেস লড়ছে, লড়বে। আপনাদের প্রত্যেকের ভালোবাসায়, আশীর্বাদে ও দোয়ায় মানুষের সেবায় আমরা বদ্ধপরিকর। এদিন রাজ্যের সব জায়গায় দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। তৃণমূল ভবনে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন সাংসদ মণীশ গুপ্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলনের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী বলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নকে প্রতিহত করতে জোট হয়েছিল, তাতে আর্থিক-সহ সবরকম মদত দিয়েছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। কিন্তু বাংলার মানুষ ভোটের লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে ২১১টি আসন পাইয়ে দিয়ে কেন্দ্রের শাসক দলের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছিলেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন আমাদের কাছে কঠিন না হলেও তাৎপর্যপূর্ণ। কেন না, এর দিকে তাকিয়ে গোটা দেশের মানুষ। কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধানকে ধ্বংস করতে চাইছে। তার প্রতিবাদ করছেন আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই বিধানসভা নির্বাচনে জিতলেই আমাদের কাজ, আমাদের আন্দোলন শেষ নয়, এ কথা কর্মীদের মনে রাখতে হবে। বাংলার মানুষকে সংঘবদ্ধ করে বাংলার মাটি থেকেই সংবিধান রক্ষার আন্দোলন শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এরপর তিনি বিভিন্ন রাজ্যে যাবেন, তাঁকে দিল্লির মসনদ অবধি পৌঁছে দিতে হবে। কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় থাকা সংবিধান ধ্বংসকারী দলকে ২০২৪-এ খতম না করা অবধি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলন থামবে না। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক বার্তায় দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বাংলার মা-মাটি-মানুষকে প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস আমার আপনার আন্দোলনের ধাত্রীভূমি। মা-মাটি-মানুষের লড়াইয়ের ময়দানে জিতবোই আমি-তুমি। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের টুইট-বার্তা, এই ২৩ বছরে আমাদের তৃণমূল পরিবার বিভিন্ন সংগ্রামের সম্মুখীন হয়েছে এবং প্রতিটি সংগ্রামেই অসংখ্য মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বাংলার ঐতিহ্যের রক্ষক হিসেবে আস্থা রেখেছেন। আমরা আজ দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রতিজ্ঞা করছি যে, আমরা সর্বদা বাংলার মানুষের সেবায় এবং সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকবো।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
কলকাতা

অবৈধ অর্থ ভান্ডারের খোঁজে তৃণমূল নেতার সন্ধানে সিবিআই

কয়লা ও গরু পাচারকারীদের লিংক ম্যান বিনয় মিশ্রের অফিস ও বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। বিনয় মিশ্র গরু পাচারকারী এনামুল ও কয়লার বেআইনি কারবারি অনুপ মাঝি ওরফে লালা এই দুজনেরই খুবই ঘনিষ্ঠ। সিবিআই তদন্তে তেমনি তথ্য উঠে আসে। বিনয় মিশ্রের নামে লুকআউট নোটিশও জারি করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। উল্লেখ্য, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন বিনয় মিশ্র। এই প্রথম সরাসরি তৃণমূলের কোনও নেতার নাম জড়িয়ে গেল গরু ও কয়লা পাচারচক্রে।সিবিআই সূত্রের খবর, এনামুল ও লালার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা পৌঁছে যেত বিনয় মিশ্রর কাছে। তদন্তকারীদের মতে, সম্ভবত সেই কালো টাকা ঘুরপথে বিদেশ থেকে ঘুরে সাদা টাকায় পরিণত হত। আবার কখনও ভুয়ো সংস্থার নামে ওই টাকা সাদা হতে সময় লাগত না। কিন্তু সেই টাকা কোথায়? অবৈধ টাকার ভান্ডারের সন্ধান খুঁজতেই সিবিআই তদন্ত শুরু করেছে। এদিন তল্লাশিতে বহু নথি উদ্ধার হলেও বিনয় মিশ্রের খোঁজ পায়নি সিবিআই।বেশ কিছু দিন ধরেই রাজ্য় রাজনীতি তোলপাড় গরু ও কয়লা পাচারচক্র নিয়ে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পাচার নিয়ে বিভিন্ন জনসভায় সরব হয়েছেন। কিন্তু এই প্রথম শাসকদলের কোনও নেতার কলকাতার তিনটে অফিস-বাড়িতে তল্লাশি চালাল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়েছে রাসবিহারী, চেতলা ও লেকটাইউনে। সিবিআইয়ের মাথা যন্ত্রনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃণমূলের এই যুব নেতা কয়লা ও গরুর টাকা কোথায় গচ্ছিত রেখেছেন তা নিয়ে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যপালকে সরাতে রাষ্ট্রপতির দরবারে তৃণমূল

রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে মমতা সরকারের বিবাদ পৌঁছে গেল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের দরবারে। তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে জাগদীপ ধনকড়কে রাজ্যপাল পদ থেকে প্রত্যাহার করে নিক রাষ্ট্রপতি। তৃণমূল লিখিতভাবে এই আবেদন করেছে রাষ্ট্রপতির কাছে। জানিয়েছেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। সংবিধানের ১৫৬ (১) ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর সম্মতি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের অভিযোগ, সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টকে অগ্রাহ্য করা এবং নানাভাবে রাজ্য সরকারকে অসুবিধায় ফেলা যেন রাজ্যপালের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অযথা রাজ্য মন্ত্রিসভার সমালোচনা করা, রাজ্য পুলিশকে বিষোদগার করা, নানাভাবে রাজ্য সরকারকে পর্যুদস্ত করছেন রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকড়। এমনটাই অভিযোগ তৃণমূলের। তৃণমূল চায় এই অবস্থার অবসান হোক। রাজভবন বিজেপির দফতরে পরিনত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও করেছেন রাজ্যপাল। বলেছেন সুখেন্দুবাবু। তাঁর বক্তব্য, গত ৭৫ বছরে এমন রাজ্যপাল দেখিনি। উল্লেখ্য, জাগদীপ ধনকড় এখানে রাজ্যপালের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে চরম সংঘাত শুরু হয়। প্রতিটি বিষয় নিয়েই রাজ্যের সঙ্গে বিরোধ বাধে। কোনও ঘটনা না পছন্দ হলেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছে তার প্রতিবাদ করেছেন রাজ্যপাল। গত এক বছরে প্রায় নিত্যদিন রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত ঘটেছে। শেষমেষ তৃণমূল কংগ্রেস রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হল রাজ্যপালকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের সামনেই তৃণমূল নেতাকে বিজেপির দালাল বলে বিক্ষোভ, উত্তপ্ত বর্ধমান

বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে গোষ্ঠীকলহ যেন ক্রমশ বেড়ে চলেছে। এবার প্রকাশ্যে রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের সামনেই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। শুধু তাই নয়, বিজেপির দালাল বলে মঞ্চে বসে থাকা খোকন দাসের দিকে তেড়েও গেলেন ওই দলীয় কর্মীরা। মঙ্গলবার কার্জনগেটের সভাস্থল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কোনরকমে পরিস্থিতি সামাল দেয় তৃণমূল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই মঞ্চ ছেড়ে যান মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বিগত কিছু দিন ধরেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে বর্ধমান শহর। বর্ধমানের লোকোতে দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে জখম হন তৃণমূল নেতা শিবু ঘোষ। তখন মারধরেই অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে। যদিও সেলিম অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। মঙ্গলবার বঙ্গধ্বনি যাত্রা সমাপ্তি উপলক্ষ্যে বর্ধমানে মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস। মিছিলে নেতৃত্বে ছিলেন স্বপন দেবনাথ। সেই মিছিলে সব গোষ্ঠীর নেতৃত্বই হাজির ছিলেন। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বঙ্গধ্বনি যাত্রার আয়োজন করা হয়। উল্লাস থেকে মিছিল শুরু হয়ে কার্জনগেটে শেষ হয়। কার্জনগেটের সামনে সভামঞ্চে বক্তব্য রাখছিলেন জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুবু। তখনই তাল কাটে সভার। মঞ্চের সামনে থেকেই শ্লোগান শুরু হতে থাকে। তখনও মঞ্চে হাজির ছিলেন দলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ সহ অন্য নেতৃত্ব। এরপর শুরু হয় বিক্ষোভ। মঞ্চের দিকে তেড়ে যেতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। শ্লোগান ওঠে জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাসের নাম করে, বিজেপির দালাল দূর হটো। কোনরকমে পরিস্থিতি সামাল দেয় জেলা নেতৃত্ব। এই বিক্ষোভ নিযে কিছু বলতে চাননি খোকন দাস। তিনি বলেন, এবিষয়ে যা বলার জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ বলবেন। এদিকে স্বপন দেবনাথকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সমস্ত বিষয় এড়িয়ে যান। তিনি জানান, মিছিলে প্রচুর জনসমাগম হয়েছিল। কোথায় কী বিশৃঙ্খলা হয়েছে তা আমার জানা নেই। তবে বর্ধমান জেলা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যে এদিনের ঘটনার পর নতুন মাত্রা পেল তা বলার অপক্ষা রাখে না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

শালিমারে গুলি করে খুন করা হল তৃণমূলের যুব নেতাকে

আবারও প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটল হাওড়ায়। এই নিয়ে তৃতীয় বার এমন ঘটনার স্বাক্ষী থাকল হাওড়া। হাওড়ার বোটানিক্যাল থানা এলাকার বাসিন্দা, পেশায় প্রমোটার ধর্মেন্দ্র সিং(৪৫) কে পেছন থেকে বাইকে করে এসে গুলি চালিয়ে খুন করে দূষ্কৃতিরা। মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটে শালিমার ৩নম্বর গেটের কাছে। এই ঘটনার পেছনে চক্রান্তের অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। একের পর এক প্রকাশ্যে খুনের ঘটনা ঘটেছে হাওড়ায়। মঙ্গলবার বিকেলে সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটল শালিমারে। স্থানীয় ও পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল চারটে নাগাদ ধর্মেন্দ্র সিং বাইক চালিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন, পেছনে ছিলেন এক সঙ্গী যুবক। শালিমার ৩নম্বর গেটের কাছে ব্রীজে ওঠার সময়ে পেছন থেকে তিনটি বাইক নিয়ে দূষ্কৃতিরা এসে তাঁকে লক্ষ করে পর পর ছটি গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানেই মাটিতে পড়ে যান ধর্মেন্দ্র, হাতে গুলি লাগে তাঁর সঙ্গীর। দ্রুত গতিতে বাইক চালিয়ে চম্পট দেয় দূষ্কৃতিরা। স্থানীয়রা তাঁকে তুলে নিয়ে আন্দুল রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়সুত্রে জানা গিয়েছে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির ক্ষত হওয়ার পাশাপাশি মাথাও গুলি লাগে ধর্মেন্দ্রের। এই ঘটনার জেরে এলাকায় থাকা তিনটি বাইকে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। ভাঙচুর চালানো হয় কয়েকটি দোকানে। ভাঙচুরের হাত থেকে বাদ যায়নি বাসও। স্থানীয় বাসিন্দা রঞ্জিত কুমার চৌধুরী জানান, বিকেল চারটে নাগাদ ছটি গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন তিনি। এসে দেখেন রাস্তায় পড়ে রয়েছেন ধর্মেন্দ্র। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দূষ্কৃতিদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এই প্রসঙ্গে হাওড়া সদরের তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, ধর্মেন্দ্র যুব তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। এই ঘটনার পেছনে একটা চক্রান্ত আছে, তারমধ্যে বিরোধী দলের হাতও থাকতে পারে। শালিমার এলাকায় দলের নেতৃত্বও দিতেন ধর্মেন্দ্র।মানুষের সেবামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি আরও জানান , পুলিশকে বলা হয়েছে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া সদর সভাপতি সুরজিৎ সাহা জানান, গত ১৬ আগস্ট বেলিলিয়াস রোডে তৃণমূলেরই একটি রক্তদান শিবিরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢুকেছিল এই ধর্মেন্দ্র। তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুরজিৎ আরও বলেন, ওই নেতা এলাকায় তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট চালাতো। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই ধর্মেন্দ্র সিংয়ের মৃত্যু হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

কর্মসূচি ঘোষণা করে পগার পার! বলছে পরে কর্মসূচি করব। আমরাও তার পরে করব। ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অন্তত ১ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। ভোটের পর আমিও দেখিও দেব নন্দীগ্রামের মানুষ আমার সঙ্গে আছেন কিনা। আজ বজরঙ্গবলীর মন্দির চত্ত্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমার ছবিতে কালি লেপছে, ছবি ছিঁড়ছে। আমি এখানকার কাউকে দোষ দিই না। তোলাবাজ ভাইপোর অফিস থেকে এ সব করে ছবি পাঠাতে বলছে। আমি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী। মানুষের সেবার কথা সব সময় বলি। আমি যে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা আজ ফের এখানে এসে বুঝলাম। তিনি বলেন, এটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সেখানে আসার সময় ভুতা মোড়ে যে হামলা হয়েছে হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। আমাদের দুর্বল ভাবার কারণ নেই। খড়দহে দলীয় কর্মসূচি সেরে আমি নন্দীগ্রাম ফিরব। যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সেখানে আমার মন পড়ে আছে। বিজেপিতে যোগদানের পর এদিন প্রথম নন্দীগ্রামে গেলেন শুভেন্দুবাবু। অরাজনৈতিক ধর্মীয় রোড শো ঘিরে নন্দীগ্রামে ফের জনসমুদ্র বুঝিয়ে দিল, মানুষ রয়েছেন জননেতার সঙ্গেই।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

সৌমেন্দুকে নিয়ে এবার অখিলের মিথ্যাচার!

দাদা তথাগত রায় বিজেপিতে, তবু নারদ ফুটেজে বান্ডিল পকেটে ঢোকানো অধ্যাপক-সাংসদ সৌগত রায় তৃণমূলের মুখপাত্র। আরও লম্বা তালিকা আছে। যত দোষ কি অধিকারী পরিবারের? এ প্রশ্ন উঠছে, কেন না শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যাওয়ার পর থেকে যেভাবে অধিকারী পরিবারকে অসম্মান করছেন তৃণমূলের তথাকথিত হেভিওয়েট থেকে চুনোপুঁটি নেতারা, তাতে তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ তথা পূর্ব মেদিনীপুরের দলের জেলা সভাপতি শিশির অধিকারীর একটা কথা কানে বাজছে। শুভেন্দুবাবু বিজেপিতে যোগদানের আগে শিশিরবাবু খেদ প্রকাশ করেছিলেন, দলের একাংশ শুভেন্দুবাবুকে বিজেপির দিকে ঠেলে দিচ্ছে! এবার এক অবস্থা শিশিরবাবুর পাশাপাশি কি তাঁর আরও দুই পুত্র দিব্যেন্দু ও সৌমেন্দু অধিকারীর জন্যও অপেক্ষা করে আছে? শিশিরবাবুর পরিবারকে কোণঠাসা করে অসম্মান করতে অধিকারী পরিবারের বিরোধী অখিল গিরির গোষ্ঠীকে খুব তোল্লাই দেওয়া হচ্ছে। দলের সভায় শিশিরবাবুদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। এমনকী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নন্দীগ্রাম সফরে সভা আয়োজনের দায়িত্ব থেকেও দূরে রাখা হয়েছে সভাপতিকে। অখিলের মিথ্যাচার! ভিডিও-টি দেখার জন্য এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন। এর মধ্যেই বিতর্ক বাড়িয়েছেন দলের জেলা কো-অর্ডিনেটর তথা রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি। তাঁর নিশানায় শিশিরবাবুর কনিষ্ঠ পুত্র তথা কাঁথি পুরসভার প্রশাসক সৌমেন্দু অধিকারী। অখিল গিরি বলেছেন, দাদার (শুভেন্দুবাবুর) অনুগামীদের বা বিজেপির কর্মসূচি আয়োজন করছেন সৌমেন্দু। তিনি মিছিলেই শুধু হাঁটছেন না, বাকি সব করছেন। কাঁথির প্রশাসকের দ্বিচারিতা দল ও সরকার ধরে ফেলেছে। কিছুদিনের মধ্যেই প্রশাসক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে। প্রশ্ন এখানেই, এ কথা বলার এক্তিয়ার অখিল গিরিকে কে দিল? তাঁর কাছে কী প্রমাণ রয়েছে? জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে বাড়িতেই রয়েছেন সৌমেন্দু অধিকারী। তা সত্ত্বেও এমন বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলেই তিনি ঘনিষ্ঠমহলে দাবি করেছেন। বিতর্কিত বিষয়টি তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরেও আনতে চান। তবে রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যেভাবে অধিকারী পরিবারের দিকে একের পর এক অসম্মানজনক বিবৃতি দিচ্ছেন দলীয় নেতারা, তা শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সঙ্কেত ছাড়া হতে পারে? আর যদি তাই হয় যে শুভেন্দুবাবু বিজেপি যেতেই চক্ষুশূল অধিকারী পরিবার, তাহলে সৌগত রায়ের পরিবারের প্রতি দলের কৌশলে কেন দ্বিচারিতা থাকবে? সম্প্রতি দেখাও যাচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় সমালোচকরাই এখন বড় পদ পাচ্ছেন দলে। এই অবস্থায় অধিকারী পরিবারের প্রতি অসম্মান দেখেও দলনেত্রী কেন চুপ, তা অবাক করছে সকলকে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • ...
  • 59
  • 60
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal