• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

শোভনদেবকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে চাওয়ায় ফের আলোচনায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

কখনও তৃণমূলের মন্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম আবার কখনও প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য....। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির আয়োজিত রক্তদান শিবিরেও ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলেন তিনি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি প্রণাম জানানোর প্রসঙ্গ তুলতেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক।মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপাচার্য জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কে শুনে আসছেন, কিন্তু কখনও কাছ থেকে সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। সেই আবেগ থেকেই তিনি প্রকাশ্যে মন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিতে চান বলে জানান। বক্তব্য থামিয়ে তিনি এগিয়ে যেতেই মুহূর্তে পরিস্থিতি ঘুরে যায়।উপাচার্যের সৌজন্যমূলক উদ্যোগের জবাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেই এগিয়ে এসে তাঁর হাত ধরে ফেলেন। মন্ত্রী বলেন, তাঁর পরিবারে বহু শিক্ষক রয়েছেনস্ত্রী, পুত্রবধূ থেকে শুরু করে প্রয়াত বাবাও শিক্ষক ছিলেন। সেই কারণে তিনি শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাশীল। পায়ে হাত না দিয়ে হাতজোড় করেই প্রণাম জানানো যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রীর কথাতেই উপাচার্য হাতজোড় করে প্রণাম করেন এবং শোভনদেবও একইভাবে সৌজন্য প্রদর্শন করেন।তবে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথ। এক অনুষ্ঠানে ক্রিকেট আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে করা মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। সেই সময় সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর জীবনে মা, স্ত্রী ও কন্যার ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও তাঁর কার্যকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্মে ধর্মের উল্লেখ, সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্য, রাজ্য সরকারের মনোনীত রেজিস্ট্রারকে অপসারণ, শাসকদলের বিধায়কের প্রশংসা কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গণেশ পুজোর আয়োজনপ্রতিটি বিষয়ই কমবেশি বিতর্ক তৈরি করেছে।সব মিলিয়ে মঙ্গলবারের এই প্রণাম-প্রসঙ্গ নতুন করে উপাচার্যের ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিতর্কের তালিকায় আরও একটি অধ্যায় যোগ হলো বলেই মনে করছেন অনেকে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান পৌরসভার পৌরপতি পরেশ চন্দ্র সরকার সহ তৃণমূলের বিশেষ পদাধিকারিকেরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
রাজ্য

মৃত ভোটারের তালিকায় জীবিত কাউন্সিলর! নিজের সৎকার করতে শ্মশানে হাজির তৃণমূল নেতা

ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য হুগলির ডানকুনিতে। মৃত ভোটারের তালিকায় উঠে এল এক জীবিত কাউন্সিলরের নাম। আর সেই তালিকা দেখে নজিরবিহীন প্রতিবাদে নামলেন তিনি নিজেই। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের আয়োজন করে শ্মশানে পৌঁছে গেলেন ওই কাউন্সিলর। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।ঘটনাটি ডানকুনি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সূর্য দে দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। মঙ্গলবার সকালে যখন ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হয়, তখন দেখা যায় সূর্য দে-র নাম মৃত ভোটারের তালিকায় রয়েছে। তাঁর ক্রমিক নম্বর ৪০ এবং বুথ নম্বর ২২৬। জীবিত কাউন্সিলর নিজের চোখেই দেখেন, তাঁকে সরকারি নথিতে মৃত দেখানো হয়েছে।এই ভুলে ক্ষুব্ধ হয়ে কাউকে কিছু না জানিয়েই অভিনব প্রতিবাদে নামেন সূর্য দে। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করেন তিনি। তারপর সেগুলি সঙ্গে নিয়ে সরাসরি শ্মশানে পৌঁছে যান। কাউন্সিলরের এমন প্রতিবাদে ডানকুনি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।শ্মশানে বসেই নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করেন সূর্য দে। তিনি বলেন, তিনি নিজেই হেঁটে এসেছেন নিজের সৎকার করতে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে কীভাবে মৃত দেখানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেহেতু তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাই এসে যেন তাঁকেই চুল্লিতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।ভোটার তালিকার খসড়ায় এমন গরমিল ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

বোমা-গুলির লড়াইয়ে প্রাণ গেল ১২ বছরের কৌসেরার! ইসলামপুরে তীব্র উত্তেজনা

এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর। বোমাবাজি ও গুলির মাঝেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক নাবালিকার। শনিবার গভীর রাতে এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত নাবালিকার নাম কৌসেরা বেগম। বয়স ১২ বছর। সে ইসলামপুর থানার মাটিকুণ্ডা ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ঝলঝলি এলাকার বাসিন্দা। কৌসেরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই রফিক আলম ও নুর আলমের মধ্যে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ চলছিল।মৃত নাবালিকার বাবা জাহিদ আলম রফিক আলমের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে নুর আলমের অনুগামীরা জাহিদ আলমের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় একের পর এক বোমা ফাটানো হয় এবং গুলিও চলে। এই হামলার মধ্যেই ছররা গুলিতে গুরুতর জখম হয় কৌসেরা।তড়িঘড়ি নাবালিকাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নাবালিকার মৃত্যুর খবর ছড়াতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।রবিবার সকালেও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল চলছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইলাল আগরওয়াল বলেন, পুরনো জমি বিবাদ থেকেই এই অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তিনি এলাকায় যাবেন। ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেন্ডুক শেরপা বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

ভিআইপি কালচারের বলি ফুটবলপ্রেমীরা? মেসি বিতর্কে বিজেপি-সিপিএমের তোপ

পাহাড়প্রমাণ প্রত্যাশা মুহূর্তে যেন জল হয়ে গেল। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও প্রিয় তারকা লিয়োনেল মেসিকে ঠিকমতো দেখতে পেলেন না দর্শকরা। মেসি মাঠ ছাড়তেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সাধারণ মানুষের মুখে ঘুরছে একটাই কথাভিআইপি কালচারের জন্যই বঞ্চিত হল সাধারণ দর্শক। ক্ষোভে ফেটে পড়ে তছনছ হয়ে যায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। ভাঙা হয় চেয়ার, তোরণ। গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।অব্যবস্থার জেরে মাঠে ঢুকতেই পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তা থেকেই কনভয় ঘুরিয়ে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। পরে মেসির কাছে ক্ষমা চেয়ে গোটা ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও বিতর্ক থামেনি। একের পর এক তোপ দাগছে বিরোধীরা।বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, সাধারণ মানুষ সাড়ে তিন হাজার থেকে আট হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন। একশো দিনের কাজের শ্রমিকের প্রায় এক মাসের মজুরি একটি টিকিটের দামের সমান। তাঁর অভিযোগ, একদল প্রভাবশালী মানুষ মেসিকে ঘিরে রেখে সাধারণ দর্শকদের বঞ্চিত করেছেন। গোটা ঘটনাকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন।বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর দাবি, টিকিটের কালোবাজারি হয়েছে এবং পুরো ব্যবস্থাই ছিল চরম বিশৃঙ্খল। তিনি বলেন, যাঁরা বোতল ছুড়েছেন তাঁদের মধ্যেও শাসকদলের লোকজন রয়েছেন বলে তাঁর কাছে খবর আছে। পুলিশ ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থ বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।সিপিএমও এই ঘটনায় সরব। দলের নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, বাংলায় যেখানে অনুষ্ঠান হবে, সেখানে দুর্নীতি, কালোবাজারি আর বিশৃঙ্খলা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলাধুলো থেকে মেলাসব ক্ষেত্রেই একই ছবি দেখা যাচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ।এ দিকে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আবেগে আঘাত করেছে এবং ফুটবলপ্রেমীদের অপমান করেছে। সব মিলিয়ে মেসিকে ঘিরে এই বিশৃঙ্খলা শুধু মাঠেই নয়, রাজ্য রাজনীতিতেও ঝড় তুলে দিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

রাতের গোপন বৈঠক, তীব্র ধমক—কোচবিহারে কী বার্তা দিলেন মমতা?

একজন প্রাক্তন মন্ত্রী, অন্যজন বর্তমান। দুজনই তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তাঁদের মধ্যে চলা বিবাদে অস্বস্তি বাড়ছে দলে। সেই ঘটনাই সামনে এল ঠিক তখনই, যখন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহার সফরে গিয়েছেন। সামনে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই উদয়ন গুহ এবং রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে ঘিরে দলীয় অমিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।সোমবার মুখ্যমন্ত্রী কোচবিহারে পৌঁছনোর পর বিকেলে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেদিন তাঁর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। কিন্তু তৃণমূল সূত্রের খবর, রাতেই সার্কিট হাউসে জেলার নেতাদের নিয়ে আলাদা বৈঠক ডেকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মমতা। সেখানেই বর্তমান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের মধ্যে চলা বিরোধ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। দলের ভেতরকার এই টানাপোড়েন বন্ধ করতে মুখ্যমন্ত্রী নাকি স্পষ্ট বার্তা দেন।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দুজন মন্ত্রী-সহ সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া এবং গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা বংশী বদন বর্মন। সূত্রের দাবি, মমতা পরিষ্কার জানিয়েছেনদলে প্রবীণ-নবীন কোনও বিভেদ চলবে না। সবাইকে একসঙ্গে চলতে হবে।রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা ভোটে কোচবিহারের ৯টি বিধানসভার মধ্যে ৫টিতে তৃণমূল অল্প ব্যবধানে এগিয়েছিল, বাকি চারটিতে এগিয়েছিল বিজেপি। বরাবরই উত্তরবঙ্গ তৃণমূলের জন্য কঠিন এলাকা বলে ধরা হয়। লোকসভা নির্বাচনে সেই ছবি খানিক বদলালেও, সামনে বিধানসভা ভোট। এখন যদি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও বাড়ে, তা হলে দল আবারও পুরনো সমস্যায় পড়তে পারেএমন আশঙ্কা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

সাসপেন্ড, বাবরি, নতুন দল! ভোটের আগে হুমায়ুন কবীরের সম্পত্তির অজানা তথ্য ফাঁস

দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর থেকেই ফের শিরোনামে উঠে এসেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। প্রথমে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, তারপর নতুন দল গঠনের ইঙ্গিতসব মিলিয়ে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, বাবরি মসজিদের জন্য কোটি কোটি টাকার অনুদান আসছে তাঁর কাছে। পেশায় ব্যবসায়ী হুমায়ুনের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে।হলফনামার হিসেব অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে হুমায়ুনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা। ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লক্ষ টাকার উপরে। পরের বছরেও আয়ে সামান্য বৃদ্ধি হয়। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে তাঁর আয় নেমে আসে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকার কাছে। আর ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে, অর্থাৎ ভোটের ঠিক আগের বছরে হুমায়ুনের আয় ছিল প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের স্ত্রী মীরা সুলতানার আয়ও কম নয়। ২০১৫-১৬ সালে তাঁর আয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষেও তিনি প্রায় একই অঙ্কের আয় করেছেন। ২০১৮-১৯ সালে তাঁর আয় নেমে আসে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার কাছে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তিনি আয় করেন প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের ছেলে গোলাম নবী আজাদ, যিনি বর্তমানে পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, তিনিও বছরে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মতো আয় করেন। ২০১৯-২০ সালে তাঁর আয় ছিল ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা।২০২১ সালের হলফনামা বলছে, হুমায়ুনের হাতে নগদ ছিল ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর হাতে ছিল ২৫ হাজার টাকা। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কে মোট কয়েকটি জমা ছিল, যার মধ্যে একটি অ্যাকাউন্টে ছিল ২৮ হাজার টাকা। পেনশন অ্যাকাউন্টে ছিল ১৭২৬ টাকা। অন্যদিকে স্ত্রীর দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৩ লক্ষ টাকার মতো ছিল।বিনিয়োগের অঙ্ক কিন্তু আরও বড়। হুমায়ুনের নামে ছিল প্রায় ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকার জীবনবিমা, এছাড়া ১ লক্ষ ৯৯ হাজার, ৩ লক্ষ এবং ২ লক্ষ টাকার আরও তিনটি বিমা ছিল। ৫০ হাজার টাকার তিনটি এলআইসিও ছিল তাঁর নামে। এছাড়া তিনি নিয়েছিলেন প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার লোন।হুমায়ুনের নামে রয়েছে ৪ লক্ষ টাকার একটি টাটা সাফারি গাড়ি। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৮ লক্ষ টাকার একটি জেসিবি মেশিন। হুমায়ুনের নামে স্থাবর সম্পত্তি হিসাবে রয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার সম্পত্তি। মীরার নামে রয়েছে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকার সোনা।সব মিলিয়ে, ২০২১ সালের হিসাবে, হুমায়ুনের মোট সম্পত্তির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার সামান্য বেশি।অস্থাবর সম্পত্তির দিক থেকেও হুমায়ুন যথেষ্ট স্বচ্ছল। তাঁর নামে মোট ১.৭ একর জমি রয়েছে। রেজিনগরে দুটি এবং বহরমপুরে একটি জমি রয়েছে, যার দাম মিলিয়ে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার মতো। পাশাপাশি কলকাতার রাজারহাট এবং কলিন স্ট্রিটে তাঁর নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

জনসভার আগে তাণ্ডব! তৃণমূলের উপর হামলা, “খুনের ছক ছিল”— বিস্ফোরক অভিযোগ

ভাঙড়ে আবারও গুলিবিদ্ধ হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিবেশ। তৃণমূল নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে আইএসএফের বিরুদ্ধে। ঘটনা উত্তর কাশিপুর থানার কাঠালিয়া সংলগ্ন এলাকায়। আগামী রবিবার শোনপুরে তৃণমূলের ছাত্র-যুব জনসভা রয়েছে। সেই সভার প্রস্তুতির জন্য তৃণমূলের ভোগালী দুনম্বর অঞ্চলের সভাপতি আলিনুর মোল্লা-সহ কয়েকজন নেতা কাঠালিয়া থেকে শোনপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। তখনই আইএসএফের কিছু কর্মী-সমর্থক তাঁদের দেখে গালিগালাজ শুরু করে, এমনটাই অভিযোগ। অভিযোগ আরও, এর পরই হঠাৎ এক রাউন্ড গুলি চলে, যার ফলে মুহূর্তে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই উত্তর কাশিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই পক্ষের কর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ থাকলেও আইএসএফ এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক অস্বীকার করেছে। এলাকায় এখনো চাপা উত্তেজনা রয়েছে এবং পুলিশ টহল দিচ্ছে।তৃণমূল নেতা আলিনুর মোল্লা বলেন, তাঁরা জনসভার প্রস্তুতি দেখতে যাচ্ছিলেন, তখনই আইএসএফ আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। তাঁর দাবি, নাটু, ক্ষুদ, সালাউদ্দিন এদের মতো সমাজবিরোধীরা অস্ত্র নিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তিনি আরও বলেন, পুরো বিষয়টি পরিকল্পিত এবং নওশাদ সিদ্দিকীর প্ররোচনায় এই হামলা হয়েছে। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তিনি জানান, অপরাধীরা ধরা না পড়লে আন্দোলনে নামবেন।অন্যদিকে আইএসএফ নেতা ওহিদুল ইসলাম বলেন, তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর কথায়, তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে বলেই তারা এখন উসকানি ও মিথ্যা প্রচারে নামছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মদিনা থেকে কাজি, লাখের বিরিয়ানি—হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ঘিরে বিশাল উৎসব বেলডাঙায়

হাজার বিতর্ক, দল থেকে সাসপেন্ড হওয়াকিছুই আটকাতে পারেনি ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। নিজের ঘোষণামতোই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তিনি। প্রবল ভিড়ের মধ্যে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে ফিতে কেটে শিলান্যাস করেন হুমায়ুন। অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল এলাহি আয়োজন এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা। মদিনা থেকে এসেছেন দুইজন মৌলবী। সকালেই তাঁরা কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ কনভয়ে বেলডাঙায় পৌঁছন।হুমায়ুন আগেই জানিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে প্রায় তিন লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। বিভিন্ন এলাকাসন্দেশখালি, ক্যানিং ও দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ মাথায় ইট নিয়ে আসেন ভিত্তিপ্রস্তরের জন্য। শিলান্যাস উপলক্ষে বিশাল খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় এক লক্ষ মানুষের জন্য শাহী বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের সাতটি ক্যাটারিং এই দায়িত্ব পেয়েছে।হুমায়ুন ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির দাবি, ৪০ হাজার অতিথির জন্য আলাদা বিরিয়ানির প্যাকেট তৈরি হয়েছে, স্থানীয় মানুষের জন্য আরও ২০ হাজার প্যাকেট রাখা হয়েছে। শুধু খাবারেই প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা খরচ হবে। সভামঞ্চ তৈরি ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ব্যয় ৬০৭০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়েছে। ৪০০ অতিথির বসার জন্য ১৫০ ফিট লম্বা মঞ্চ তৈরি হয়েছে, যার খরচই প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। পাশাপাশি ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বিশাল পুলিশি নিরাপত্তা গড়ে তোলা হয়েছে। বেলডাঙা ও রানিনগর থানার মিলিয়ে তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আরও ১৯ কোম্পানি অতিরিক্ত বাহিনী রাখা হয়েছে। বিকেল চারটার মধ্যে পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি মসজিদ নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া! হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল, প্রকাশ্যে ‘আসল খেলা’ বললেন কুণাল ঘোষ

গত কয়েক মাস ধরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একাধিক মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়ছিল দলের মধ্যে। তাঁকে বহুবার সতর্ক করা হলেও তিনি নিজের অবস্থান বদলাননি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য দলনেতৃত্বকে আরও চাপে ফেলে। অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করল, হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনিও কঠোর প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।এই সিদ্ধান্তের পরে প্রশ্ন ওঠেশুধু মসজিদ তৈরির কথার জন্যই কি এমন কঠোর ব্যবস্থা? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানান, বিষয়টি শুধুমাত্র মসজিদ তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। তাঁর দাবি, বাংলায় যে কেউ নিজের জায়গায় মন্দির, মসজিদ বা যে কোনও ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি করতে পারেন। তার জন্য কাউকে কখনও শাস্তি দেয়নি তৃণমূল, ভবিষ্যতেও দেবে না।কুণালের কথায়, সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন ধর্মকে ব্যবহার করে কোনও রাজনৈতিক দল ভোটের আগে বিভাজনের চেষ্টা করে। যদি কেউ সেই ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বহিরঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায়, মেরুকরণ তৈরি করতে চায়, দলকে অস্বস্তিতে ফেলে এবং দলবিরোধী কাজ করেসেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়াই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, শুধু মসজিদ তৈরির জন্য কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। এটা পুরোপুরি সংগঠন বিরোধী কাজের কারণে।কুণাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন কেউ গীতা পাঠের অনুষ্ঠান করলে গীতার বিরোধিতা তৃণমূল করে না, কিন্তু যদি সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়, তখন সেটাই সমস্যা। মসজিদ তৈরি করাও অপরাধ নয়, কিন্তু যদি তার পিছনে অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত থাকে এবং তা রাজনৈতিক ইভেন্টে পরিণত হয়, তবে তা তদন্তের বিষয়।এর আগে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমও বলেছিলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে যে রাজনীতি করবে, তার সঙ্গে তৃণমূল কোনও সম্পর্ক রাখবে না। হুমায়ুন কেন বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির কথা বললেন, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বিজেপির ভূমিকার অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভোটের আগে বিভাজন তৈরির জন্য বিজেপি এ ধরনের গদ্দার কার্ড ব্যবহার করে। এবারও সেই চেষ্টাই চলছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

মোদী গেলে বিজেপি শেষ, মমতা থাকলে তৃণমূল অজেয়—কল্যাণের বিস্ফোরক মন্তব্য

বিজেপিতে যেমন নরেন্দ্র মোদি সবার মূল মুখ, তেমনই তৃণমূলে একমাত্র মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনই মন্তব্য করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, যত দিন মোদী রয়েছেন, তত দিন বিজেপি টিকে থাকবে। ঠিক সেই ভাবেই যত দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, তত দিন তৃণমূলকে কেউ নড়াতে পারবে না। কল্যাণের কথায়, দল চলে মমতার নামেই, বাকিরা কী বলছেন, তাতে দলের কিছু আসে যায় না।মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত মন্তব্যে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, মোদী থাকলে যেমন পদ্মফুল ফুটবে, তেমনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকলে তৃণমূলকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। আগেও একাধিকবার তিনি বলেছেন, তাঁর কাছে একমাত্র নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্য কিছু তাঁর মাথায় থাকে না।তৃণমূলের অন্দরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্ব নিয়ে টানাপোড়েন নতুন নয়। এক সময় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা নিয়ে বক্তব্য রাখায় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তখন অনেকেরই মত ছিল, এতে তৃণমূলের অন্দরের নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণ নেতাদের অবস্থান বারবার আলোচনায় এসেছে।এই প্রসঙ্গে বিজেপির সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃণমূলে এখনও এমন অনেক প্রবীণ নেতা রয়েছেন, যাঁরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন। অন্য দিকে, তৃণমূলের মুখপাত্রের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখই আসলে তৃণমূলের মুখএ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৫
দেশ

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কমিশনের কঠোর বার্তা, চাপ বাড়ছে শাসক দলের অভ্যন্তরে

এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি সরগরম। একদিকে, একাধিক ব্লক লেভেল অফিসারের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ, অন্যদিকে ডিজিটাইজেশনের ক্ষেত্রে রাজ্য অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূলের শাসক দল শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে পথে নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের দফতরে হাজির হয় তৃণমূলের ১০ প্রতিনিধি। সূত্রের খবর, কমিশন প্রতিনিধি দলকে আইন ও প্রক্রিয়ার সব দিক পরিষ্কার করে বোঝায়।কমিশন জানিয়েছে, রাজনৈতিক বক্তব্য থাকতে পারে, তবে এসআইআর নিয়ে ভুল প্রচার বা বিএলওদের হুমকির কোনো সুযোগ নেই। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ভারতীয় ভোটাররা ভোট দেবে, অনুপ্রবেশকারীরা নয়। নির্বাচনের সব কাজ নির্বাচনী আইন মেনে হবে।কমিশনের বার্তার পর তৃণমূল অভিযোগ করেছে, আদতে বিএলওদের হুমকি দিচ্ছে বিজেপি। তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, এটা কি শুধু পশ্চিমবঙ্গের জন্য বলছে? গুজরাটেও বিএলও আত্মহত্যা করেছে। শুভেন্দু অধিকারী তো বিএলওদের জেলে ঢোকানোর হুমকি দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে কমিশন কেন কোনো পদক্ষেপ নিল না?অন্যদিকে, বিজেপি জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে ৮৫ শতাংশ ফর্ম ইতিমধ্যেই ডিজিটাইজড করা হয়েছে। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ফুল বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় তৃণমূলকে বলেছে নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষা করতে। এবার তৃণমূলকেও লাইনে আসতে হবে।এসআইআর প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধানের জন্য রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তিনি জেলায় জেলায় গিয়ে প্রক্রিয়ার কাজ খতিয়ে দেখবেন। সঙ্গে থাকবেন মোট ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসার। প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে তারা রিপোর্ট পাঠাবেন বিশেষ পর্যবেক্ষককে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বাবু মণ্ডলকে গুলি করে চুপ করাতে চাওয়া হয়েছিল? বিস্ফোরক অভিযোগ মৃত পরিবেশকর্মীর স্ত্রীর

তৃণমূল নেতা বাবু মণ্ডলকে কেন গুলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন নিহত পরিবেশকর্মী তপন দত্তর স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি খুনের উদ্দেশ্য থাকত, তবে মাথায় গুলি না করে কোমরে গুলি করা হল কেন। তাঁর দাবি, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল খুন নয়, শুধুমাত্র ভয় দেখানো।গত শুক্রবার বসুকাঠি সাঁপুইপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দেবব্রত মণ্ডল ওরফে বাবু মণ্ডলকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রতিমা দত্ত জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর খুনের মামলায় শুরুতে চার্জশিটে বাবু মণ্ডলের নাম ছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাদ পড়ে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার নামও। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, তাঁরাও পরে ছাড়া পেয়ে যান।সেই সময় সুবিচার ও সিবিআই তদন্তের দাবিতে প্রতিমা দত্ত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। ২০২২ সালের ৯ জুন আদালতের নির্দেশে CBI তদন্ত শুরু করে। তাঁর দাবি, আগামী মাসেই এই মামলায় চার্জশিট জমা দিতে পারে সিবিআই। প্রতিমা দত্তের অভিযোগ, তদন্তে গতি আসায় এবং সত্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বাবু মণ্ডলকে গুলি করে ভয় দেখানো হয়েছে, যাতে তিনি কিছু বলতে না পারেন।তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে খুন করার চেষ্টা নয়, শুধু আতঙ্ক তৈরি করাই ছিল আসল উদ্দেশ্য। তাঁর দাবি, তপন দত্ত খুনের মামলার মূল মাথারাই এই গুলি চালানোর নেপথ্যে রয়েছে।২০১১ সালের ৬ মে বালিতে খুন হয়েছিলেন পরিবেশবিদ তপন দত্ত। তৎকালীন CID-এর চার্জশিটে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম ছিল, যার মধ্যে বাবু মণ্ডলও ছিলেন। পরে সেই নাম বাদ পড়ে। প্রতিমা দত্তের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চললেও এখন সিবিআই তদন্তে নতুন গতি এসেছে। আর ঠিক সেই কারণেই এই গুলি চালানোর ঘটনা বলে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

শাসক দলই বাধা দিচ্ছে”—মমতা সফরের আগে তৃণমূলকে তুলোধোনা হুমায়ুন কবীর

গত কয়েক মাস ধরেই বারবার শিরোনামে উঠে আসছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কখনও নতুন দল গঠনের ইঙ্গিত, আবার কখনও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে বৈঠক করে মুচকি হেসে বেরিয়ে আসারাজনীতি জুড়ে তাঁকে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। তবে সম্প্রতি হুমায়ুনের মুখে একটাই স্লোগানবাবরি মসজিদ হবেই। আর সেই ঘোষণা ঘিরেই এবার সরাসরি নিজের দলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি।হুমায়ুনের দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরির উদ্যোগ শুরু হতেই প্রশাসনিক বাধা দেওয়া হচ্ছে। আর সেই বাধা আসছে শাসক দলের মদতেই। প্রকাশ্যেই তিনি বলেন, বাধা দিচ্ছে প্রশাসন। শাসক দলের মদতে এই বাধা আসছে। বেলডাঙা থানার আইসি-র ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর আসন্ন মুর্শিদাবাদ সফরের ঠিক আগেই হুমায়ুনের এই প্রকাশ্য ক্ষোভ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।মুখ্যমন্ত্রীর মুর্শিদাবাদ সফরের কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন কি না, সেই প্রশ্নেও এদিন স্পষ্ট উত্তর এড়িয়ে যান হুমায়ুন। শুধু বলেন, আমাকে দলের তরফে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। যাব কি না, এখনই বলার সময় আসেনি। এখন এই প্রশ্নের উত্তর দেব না। তাঁর এই অস্পষ্ট অবস্থান ঘিরে তৃণমূলের অন্দরেও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।বাবরি মসজিদ প্রসঙ্গে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে হুমায়ুন বলেন, জগন্নাথ মন্দির হলে যদি বিতর্ক না হয়, তা হলে বাবরি মসজিদে বিতর্ক হবে কেন? তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে পুরনো শিল্প প্রকল্পের প্রসঙ্গও। তিনি জানান, রেজিনগরে একসময় শিল্পতালুকের উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই জমি আজও পড়ে আছে। গত ১৪ বছরে সেখানে কোনও কাজই হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।সবচেয়ে বড় চমক অবশ্য ৬ ডিসেম্বরের ঘোষণাকে ঘিরে। হুমায়ুন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস হবেই। রেজিনগর থেকে বহরমপুর এনএইচ-৩৪ ব্লক করে দেব। দেখি কোন শক্তি আছে, যে আটকে দেখাক। তাঁর এই হুঁশিয়ারির পরই প্রশাসনিক মহলেও তৎপরতা বেড়েছে বলে খবর।যে ছ বিঘা জমিতে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা বলছেন হুমায়ুন, সেই জমি আদতে নিজামুদ্দিন চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বলেও জানা গিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর থেকে কেউ জমি কেনেননি। অথচ এরপরই রাতারাতি সেই জমি ঘিরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। জমির মালিকানা, প্রশাসনিক অনুমতি এবং রাজনৈতিক সংঘাতসব মিলিয়ে এবার বাবরি মসজিদ ইস্যুতে মুর্শিদাবাদে বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

‘ভুয়ো ভোটারে সরকার বৈধ?’ কমিশনের সামনে বিস্ফোরক প্রশ্ন তৃণমূলের

একুশ জুলাই শহিদ মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারিই দিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা SIR ঘিরে সমস্যা তৈরি হলে বাংলা ছেড়ে দিল্লি যেতে এক মুহূর্তও দেরি হবে না। কয়েক মাসের ব্যবধান। বাংলায় SIR শুরু হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই সেই হুঁশিয়ারি বাস্তবে রূপ নিল। শুক্রবার সকালে দিল্লির বুকে নির্বাচন কমিশনের দরজায় হাজির হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল।দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন-এর নেতৃত্বে মোট ১০ জন সাংসদ কমিশনের দফতরে যান। উল্লেখযোগ্যভাবে, সোমবার ভার্চুয়াল বৈঠক থেকেই এই প্রতিনিধি দল গঠন করে দিয়েছিলেন অভিষেক নিজেই। সেই দলে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, প্রকাশ চিক বরাইক, সাজদা আহমেদ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রতিমা মণ্ডল এবং সাকেত গোখলে।শুক্রবার প্রায় দুঘণ্টা ধরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর সঙ্গে বৈঠক করেন ডেরেকরা। বৈঠক শুরুর আগেই কমিশনারের হাতে একটি তালিকা তুলে দেন তৃণমূল সাংসদরা। সেই তালিকামৃতের তালিকা। ডেরেকের দাবি, SIR-এর জেরে এখনও পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই তালিকাই আমরা কমিশনারের হাতে তুলে দিয়েছি। ওদের হাতে রক্ত লেগে আছে।বৈঠকে মোট পাঁচটি প্রশ্ন তুলে ধরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। প্রথম প্রশ্ন ছিল, ভুয়ো ভোটার এবং অনুপ্রবেশকারীদের বাদ দিতেই যদি শুধু SIR শুরু হয়, তা হলে ত্রিপুরার মতো রাজ্য বাদ কেন? দ্বিতীয় প্রশ্নযাঁদের আজ কমিশন ভুয়ো বলছে, তাঁদের ভোটেই তো গঠিত হয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার, তা হলে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারও কি অবৈধ? তৃতীয় প্রশ্নে বিএলও-দের মৃত্যুর দায় কারসেই প্রশ্ন তোলা হয় কমিশনের সামনে। চতুর্থ প্রশ্নে তৃণমূল দাবি করে, বাংলায় বিজেপির নেতারা যখন প্রকাশ্যে বলছেন ১ কোটি ভোটার বাদ যাবে, তখন মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে কেন এবং কেন তা থামানো হচ্ছে না। পঞ্চম প্রশ্ন ছিল, বিহারে ভোটের আগে মহিলাদের ১০ হাজার টাকা দেওয়া হল, অথচ বাংলায় সহায়তা কেন্দ্রের কর্মীদের দিয়ে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের কাজ পর্যন্ত করাতে রাজি নয় কমিশনএর কারণ কী?তৃণমূল সাংসদদের দাবি, এই পাঁচটি প্রশ্নের কোনওটারই সরাসরি উত্তর কমিশন দেয়নি। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক থেকে ডেরেক বলেন, তৃণমূল SIR-এর বিরোধী নয়। আমরা চাই এটা সঠিকভাবে হোক। কিন্তু আমরা যে প্রশ্নগুলি করেছি, তার কোনওটারই উত্তর দেওয়া হয়নি। নানা কথা বলা হয়েছে, শুধু মূল বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। শতাব্দী রায় যখন মৃতের তালিকাটি কমিশনারের হাতে দেন, তখন তাঁর মুখে বিস্ময় ধরা পড়ে বলেও দাবি তৃণমূল নেতাদের।রাজনৈতিক মহলের মতে, SIR ঘিরে রাজ্য-দিল্লি সংঘাত এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। একুশ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে যে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছিল, তারই বাস্তব রূপ দেখা গেল শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের দরজায়। এই সংঘাত আগামী দিনে আরও তীব্র আকার নেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক শিবির।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

ভোটের মুখে হাওড়ায় ৬ রাউন্ড গুলি! পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা

ভোটের মুখে ফের গুলির আতঙ্ক রাজ্যে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাওড়ার সাঁপুইপড়া বসুকাঠি এলাকায় চাঞ্চল্যকর হামলার শিকার হলেন পঞ্চায়েত প্রধান দেবব্রত মণ্ডল ওরফে বাবু মণ্ডল। তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ছ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গী অনুপম রানাও গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বাবু মণ্ডল। সেখান থেকে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথেই ওঁত পেতে থাকা দুষ্কৃতীরা আচমকাই গুলি চালায়। বাইক চালাচ্ছিলেন অনুপম রানা। প্রথমেই গুলি লাগে তাঁর গায়ে। এরপর আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চলে, তার একাধিকটি লাগে বাবু মণ্ডলের কাঁধ ও পেটে। রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হাওড়ার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের এক জন জানিয়েছেন, প্রধানের বাইকের ঠিক পিছনেই ছিলেন তিনি। হঠাৎই সামনে থেকে নয়, পাশ দিক থেকে গুলি ছোড়ে এক দুষ্কৃতী। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। রাস্তায় ছুটোছুটি শুরু হয়। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শাসক দল তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই হামলার পিছনে রয়েছে বিজেপি। যদিও স্থানীয় সূত্রে উঠছে আরেকটি তত্ত্বতৃণমূলের অন্দরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এই হামলার অন্যতম কারণ হতে পারে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে। তবে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে আসছে আরও ভয়াবহ তথ্য। গত বুধবার রাতেই কসবা এলাকায় এক যুবককে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। বছরখানেক আগেই সেই এলাকাতেই এক কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। একই দিনে দিনের আলোতেই মালদাতেও গুলিচালনার ঘটনা সামনে আসে। ভোটের মাস কয়েক আগে রাজ্যের একের পর এক প্রান্তে এভাবে গুলি চলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগে প্রশাসনও।এলাকাবাসীর বক্তব্য, ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই যেন মাথাচাড়া দিচ্ছে হিংসা। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেনরাস্তায় বেরোতেও ভয় পাচ্ছেন অনেকে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ কি এবার আরও বড় আকার নিতে চলেছে, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যজুড়ে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

"আমি খেলতে নামলে কেউ ধরতে পারবেন না.." বনগাঁ থেকে বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যের রাজনীতি যখন SIR ঘিরে তপ্ত, ঠিক তখনই বনগাঁর ত্রিকোণ পার্কে সভামঞ্চে আগুনঝরা ভাষণ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি প্রশ্ন তুললেন, কেন মাত্র দুই মাসে SIR করার এত তাড়াহুড়ো? তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট। জনগণকে আশ্বস্ত করে মমতার ঘোষণাআমরা থাকতে আপনাদের তাড়াতে দেব না। আমি বলছি, ভয় পাবেন না।সভা শুরুর আগেই ঘটে অদ্ভুত এক ঘটনা। নির্ধারিত সময়ের আগে হেলিকপ্টারের ইনস্যুরেন্স শেষ হয়ে যাওয়ায় বাতিল হয় উড়ান। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এটি জানার পরই তাঁর মনে হয়েছেনির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই যেন কোথাও কোনও কনফ্রন্টেশন তৈরি করা হচ্ছে। তবু তিনি হাস্যরসের সুরে বলেন, মজার খবর তো! এতে আমারই ভাল হয়েছে। রাস্তা দিয়ে আসতে এসে বহু মানুষের সঙ্গে দেখা হয়েছে। এটাই আমার জনসংযোগ।এরপরই বিজেপিকে সরাসরি উদ্দেশ করে তাঁর স্পষ্ট চ্যালেঞ্জবারবার বলছি, আমার সঙ্গে খেলতে যাস না। আমি খেলতে নামলে যে খেলাটা খেলব, সেখানে আমাকে ধরতেও পারবে না, ছুঁতেও পারবে না, নাগালও পাবে না।বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ব্যবহারের অভিযোগও তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, সব এজেন্সি নিয়ে বসে থাক, কোটি কোটি টাকা খরচ করো। মানুষ টাকা নেবে, কিন্তু ভোট দেবে না। একবার টাকা দিলে সারা বছর চলবে কী করে?নিজের রাজনৈতিক পথচলার প্রসঙ্গ টেনে মমতার মন্তব্য, তিনি কেবল ভোটের রাজনীতি করেন না, মানুষের রাজনীতি করেন। তাঁর কথায়, আমি যদি কিছু ধরি, শেষ করে ছাড়ি। তৃণমূল কংগ্রেস থাকতে কারও গায়ে হাত দিতে দেব না। রাস্তাই আমাকে রাস্তা দেখায়।SIR-প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, SIR করতে তিন বছর লাগে। আমরা SIR-এর বিরোধী নই। কিন্তু দুই মাসে করার কারণ কী? এর পিছনে কী উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে?বনগাঁর মঞ্চে তাঁর এই তীব্র আক্রমণ নিঃসন্দেহে নতুন করে গতি ফেলেছে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপে। SIR, মতুয়া ভোট, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাসবকিছু মিলিয়ে আগামী সময় রাজ্য রাজনীতিতে আরও ঝড় তুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
কলকাতা

মঞ্চ প্রস্তুত, ভিড় তৈরি—তবু কেন উড়তে পারল না মমতার হেলিকপ্টার? সামনে এল চাঞ্চল্যকর কারণ

মতুয়াগড়ে প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। মঞ্চ তৈরি, নিরাপত্তা মোতায়েন, রুটমার্চের পথ পুরোপুরি খালি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেনএই প্রত্যাশায় ঘিরে ফেলেছিল এলাকা। কিন্তু ঠিক শেষ মুহূর্তেই বদলে গেল পুরো সফরসূচি। হেলিকপ্টারে যাত্রা করার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হল না। বাধ্য হয়ে সড়কপথেই পৌঁছতে হল তাঁকে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্ধারিত হেলিকপ্টারের ইনস্যুরেন্স বা বিমা মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে উড়ান বাতিল করতে হয়। এত বড় গলদ জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। যে সংস্থা হেলিকপ্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষেবার দায়িত্বে ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই শোকজ নোটিশ জারি হয়েছে।পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এদিন স্পষ্ট জানান, সংস্থারই দায়িত্ব ছিল হেলিকপ্টারের বিমা সঠিক সময়ে নবীকরণ করা। কিন্তু তারা দাবি করেছে, লন্ডনের একটি সংস্থার মাধ্যমে এই ইন্সুরেন্স করানো হয়। সময়ের ফারাকের কারণ দেখিয়ে তারা জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার আগে বিমা নবীকরণ সম্ভব নয়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে শেষ মুহূর্তে তৈরি হল এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।যেখানে সমস্ত প্রস্তুতি আঁটসাঁট, সেখানে এমন প্রশাসনিক ফাঁক চোখে লাগার মতোই। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি আয়োজনের মাঝে এই ভুলে একপ্রকার অস্বস্তি ছড়িয়েছে প্রশাসনের মধ্যেই।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
কলকাতা

৯ দিনের মিশন! ব্যাগ গুছিয়ে মাঠে নামার নির্দেশ অভিষেকের—তৃণমূলের ভিতরে কি চাপা উত্তেজনা?

ব্যাগ গুছিয়ে ৯ দিনের জন্য বেরিয়ে পড়ুন, এই কদিন আর বাড়ি ফেরা চলবে নাসোমবারের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত এমনই কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন দলের নেতাদের। SIR-এর কাজ প্রায় শেষের দিকে, তবুও জেলার কাজের গতিপ্রকৃতি এবং দিদির দূত অ্যাপে তথ্য আপলোডে নিয়মিত ঢিলেমি নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। সেই কারণেই নতুন করে ১৩ জনের একটি বিশেষ টিম তৈরি করে দিলেন অভিষেক। এই সদস্যরা আগামী ২৬ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত একটানা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে দেখবেন SIR প্রকল্প ঠিকমতো হচ্ছে কি না, বিএলএ২রা কাজ কীভাবে সামলাচ্ছেন এবং অ্যাপে যেসব তথ্য তোলা দরকার, তা আদৌ ঠিকভাবে আপলোড হচ্ছে কি না।পার্টির তরফে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, যে সব নেতা বিএলএ২ হিসেবে কাজ করছেন, তাঁদের অ্যাপে তথ্য দেওয়ার নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়। কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, তথ্য ঠিকমতো তুলছেন না তাঁরা। অভিষেক এদিন বৈঠকে সেই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপরই ১৩ জন নেতাকে পৃথক পৃথক জেলায় পাঠানো হয়। তাঁদের বলা হয়েছে কোঅর্ডিনেটর। কাজ সম্পূর্ণ না হলে কেউ ফিরতে পারবেন না। জেলায় জেলায় তৃণমূলের তৈরি ওয়ার রুমেও যেতে হবে তাঁদের।এই তালিকায় রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, মানস ভুঁইয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বেচারাম মান্না, দিলীপ মণ্ডল, সুজিত বসু, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, উদয়ন গুহ, সামিরুল ইসলাম-সহ আরও কয়েকজন। তাঁদের মূল দায়িত্বমাঠ পর্যায়ে SIR কাজ গতি পাওয়া, অভিযোগ শুনে সমাধান করা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে প্রতিদিন রিপোর্ট দেওয়া।এদিকে বিজেপি মনে করছে, তৃণমূলের এই জরুরি মোতায়েন আতঙ্কেরই প্রমাণ। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা মন্তব্য করেছেন, যখন শিয়রে যম থাকে তখন এমনই উত্কণ্ঠা দেখা দেয়। তৃণমূলের মধ্যেও সেই একই অবস্থা। এখন অবিশ্বাস আর হতাশা বাড়বে। এটা গৃহযুদ্ধের আগের পর্ব। এভাবেই তৃণমূল শেষ হয়ে যাবে।cরাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে অভিষেকের এই কড়া শৃঙ্খলাবিধান এবং সংগঠনকে আবার মাঠে নামানোর উদ্যোগদলের ভিতরে চাপা অস্থিরতারই প্রতিফলন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব বলছে, এটি কেবলই সংগঠনের কাজ দ্রুত সম্পূর্ণ করার রুটিন ব্যবস্থা।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
কলকাতা

বিহারের ফল বাংলায় প্রভাব ফেলবে? কুণাল ঘোষের মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক

আর মাত্র কয়েক মাস পরে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক সেই সময়েই বিহারে এনডিএ-র বিপুল আসনজয় বাংলার রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপি শিবিরে এখন একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছেবিহার পারলে বাংলা-ও পারবে। বিহারের জয়ের পর থেকেই গেরুয়া শিবিরের বহু নেতা প্রকাশ্যে দাবি করছেন, এবার পালা বাংলার।এই উচ্ছ্বাসের পাল্টা জবাব দিতে বেশি সময় নিলেন না তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্যবাংলার মাটি আলাদা, বাংলার ভোটের চরিত্রও আলাদা। বিহারের ফল বাংলায় কপি-পেস্ট হবে না। রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় এসেছে আরেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া। বিহারে SIR শেষ হওয়ার পরই ভোটগ্রহণ হয়েছে। বাংলাতেও ইতিমধ্যে SIR শুরু হয়ে গিয়েছে, আর সে কারণেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রক্রিয়া শেষ হলেই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং অবশ্য দাবি করেছেন, বাংলায় SIR-এর প্রভাব বিজেপির পক্ষে যাবে।কিন্তু কুণাল ঘোষ এই দাবিকে সরাসরি নস্যাৎ করেছেন। বিহারের প্রাথমিক গণনা চলাকালীনই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে দেনবিহারের ভোট বাংলায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষের কাছে উন্নয়ন, ঐক্য, সম্প্রীতি, অধিকার, আত্মসম্মানএই সবই সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আবারও আড়াইশোর বেশি আসন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।কুণালের অভিযোগ, বাংলায় SIR এবং তার সঙ্গে জড়িত নানা প্রক্রিয়ায় বিজেপি ও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে চক্রান্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি ও ক্ষমতার অপব্যবহারও হতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা। তবে তৃণমূল যে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবে এবং মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে BJP-র সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেবে, সেকথা তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন।এ প্রসঙ্গে কংগ্রেসকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কুণাল। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেস যে বিজেপি বিরোধীতায় সম্পূর্ণ ব্যর্থবিহারের ফল আরও একবার তা প্রমাণ করে দিল।বিজেপির হুমকিকে তিনি কড়া সুরে এদিন আক্রমণ করেছেন। বলেন, বিহার দেখিয়ে বাংলাকে হুমকি দেওয়ার কোনো মানে নেই। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান ও অধিকারকে আঘাত করে অন্য রাজ্যের উদাহরণ দেখালে ভোট পাওয়া যায় না। বাংলায় বছরজুড়ে একটাই নামমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উন্নয়ন-মডেল অনুসরণ করছে বহু রাজ্য। তাই বাংলার মানুষও সার্বিক স্বার্থেই তৃণমূলকে সমর্থন করে, ভবিষ্যতেও করবে। শেষেই বিজেপিকে কটাক্ষ করে কুণাল বলেনবাংলার সঙ্গে বিহারের কষ্টকল্পিত তুলনা করে সময় নষ্ট করবেন না।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

'কেন দল পাশে দাঁড়াল না?’— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিতে প্রশ্ন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

তিন বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে গৃহে ফিরলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার নাকতলার বাড়িতে ফিরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য। জেলবন্দি জীবনের শেষপ্রান্তে এসে নাকি পার্থ চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন একটি চিঠি সরাসরি দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে! আর সেই চিঠিই এখন সামনে এসেছে।সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে পার্থ লিখেছেন, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারলাম, দল আমাকে সাসপেন্ড করেছে। কিন্তু দলীয় সংবিধানের কোন ধারায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। চিঠিটি ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে চিঠির কপি পাঠানো হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর কাছেও।২০২২ সালের ২৩ জুলাই, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেদিন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি কারও সঙ্গে কথা বলতে চান কি না। উত্তরে পার্থ বলেছিলেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু ফোনে সংযোগ পাননি। পরে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, চেষ্টা করেছিলাম, পাইনি। পরবর্তীতে ফিরহাদ হাকিম জানান, তল্লাশির সময় ফোন নিয়ে নেওয়া হয়, তাই যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।গ্রেফতারের পাঁচ দিন পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করেন দলের সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সমস্ত পদ থেকে সরানো হল। সেই সিদ্ধান্তের পর দল থেকে সাসপেনশন, মন্ত্রিত্ব হারানো একে একে সবই ঘটে যায় পার্থর জীবনে।আর আজ, দীর্ঘ তিন বছর পর, সেই পার্থ আবার মুক্ত আকাশের নিচে। আর ঠিক সেই সময়ই প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর জেলবন্দি অবস্থায় লেখা চিঠি। সূত্রের দাবি, ওই চিঠিতে পার্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে উল্লেখ করেছেন নব্য সেনাপতি হিসেবে। লিখেছেন, অনেক সময়ে দল অভিযুক্ত নেতাদের পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে দল কেন দাঁড়াল না, তার উত্তর আজও পাইনি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই চিঠি নতুন করে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অস্বস্তি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে এমন সময়, যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখনও দলের বাইরে, কিন্তু তাঁর প্রত্যাবর্তনে দলের ভেতরে চলছে নানা গুঞ্জন।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 56
  • 57
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal