• ২৮ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে অভিষেকের ক্ষোভের কড়া জবাব দিলীপ ঘোষের, কেন?

ইডির কাছে যে তথ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় দিয়েছেন তা জেনে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ করেছেন অভিষেক। মঙ্গলবার এর জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, না, সবাই জানে তো, আপনি রাজার ছেলে! হাকডাক করে যাচ্ছেন, লোকে জানে না! আপনি কোথায় খান? কোথায় ঘুমোন ? আপনার কত টাকা পয়সা আছে{ সব পাবলিক জেনে গিয়েছে। লুকোনোর আর কিছু নেই। আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের নিয়ে পাবলিক ভাবে না। তাছাড়া সবাই এসব জানেন। আরেকটু বিদেশ মন্ত্রকে খোঁজ করলে সব পাওয়া যায়।অভিষেক দাবি করেছেন তিনি নন্দীগ্রামে ২০ কিমি পদযাত্রা করেছেন, তারই পুরস্কার তাঁর স্ত্রীকে ইডির তলব। এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, জীবনে প্রথম হাঁটাহাঁটি করছেন। সবে তো একটু ঘাম বেরিয়েছে। রোদে একটু মুখটা পুড়ুক! তাহলে রাজনীতি বোঝা যাবে। আপনি কার জন্য হাঁটছেন? নিজের ভবিষ্যতের জন্য! নিজের পার্টির জন্য হাঁটছেন। তাতে জনগণের কি যায় আসে!! মানুষ তো আপনার কথা ভুলেই গিয়েছে।রুজিরাকে তলব করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক। তাঁরও জবাব দিয়েছে দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, কোথায় চাঁদ আর কোথায় বাঁদর! কে কাকে চ্যালেঞ্জ করছে। লোকে হেসে মরে যাচ্ছে এসব দেখে। যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, গলির লোক গলিতেই থাকুন। রাজপথে আসতে পারবেন না কোনদিন। যতই আপনি তুলসী গাছে জল ঢালুন অশ্বত্থ গাছ হবে না কখনও। অশ্বত্থ গাছ অশ্বত্থ গাছই থাকবে। আর ছাগলকে নিয়ে যতই গরুর গোয়ালে বাঁধুন, সে গরু হবে না কোনও দিন।সোমবার রুজিরা ছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইডি তলব করেছে। দিলীপ ঘোষের দাবি, আগেও ডেকেছে। আরও অনেককে ডাকবে। এই যে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকার কয়লা কেলেঙ্কারি চলছে। তার ভাগ অনেকেই পেয়েছে। আমরাও জানি সবাই জানে। ডাকা হয়নি এতদিন। এবার ডাক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কটক সফর নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! উঠল বাই কটক যাই!উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, কেন ইডি ছাড় দিচ্ছে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু ্অধিকারীকে? বিজেপি করে বলে? কেন তাঁদের ডাকছে না? প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক। অন্য দিকে জঙ্গলমহলে কুড়মিদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কুড়মিদের সঙ্গে শুভেন্দুর ভাল সম্পর্ক বলেই জানে জঙ্গলমহল। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই বিবাদ মেটাতে প্রয়োজন শুভেন্দু অধিকারীকে।

জুন ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রী হলে কি রাতারাতি আশ্চর্যসাধন করবেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন? ঘোষণা করে কি বললেন 'মহাগুরু'?

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তীর। শুধু অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি মিঠুন, মুখ্যমন্ত্রী হলে কি করবেন তা-ও ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, এ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। আইএএস, আইপিএস, স্কুল, কলেজ, সরকারি অফিস, যেখানেই হাত দেবেন, দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। পুরো সিস্টেমটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোনও ২-৪ জন নেতাকে গ্রেফতার করলে কিছু হবে না। কারণ একজন দুজনের কাজ এটা নয়। সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত।জাতীয় পুরস্কার প্রাপক অভিনেতা তথা একসময়ের তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইটে লিখেছেন, মিঠুন চক্রবর্তী সারদার টাকা নিয়েছেন, অ্যালকেমিস্ট চিট ফান্ডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর। আরও একাধিক বিতর্কে জড়িত। গ্রেফতারি এড়াতে @MamataOfficial-র দেওয়া রাজ্যসভার এম পি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বেইমানি বিজেপির কথা বলা পুতুল হয়েছেন। এখন তিনি বাংলাকে অপমান করছেন, কুৎসা করছেন। উল্লেখ্য সারদা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারিতে দীর্ঘ দিন জেলবন্দি ছিলেন তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।এরপরই একসময়ের যুবকদের হার্টথ্রব মিঠুনের দাবি, আমায় মুখ্যমন্ত্রী করে দিলে ৬ মাসের মধ্যে গোটা সিস্টেম বদলে দেব। পশ্চিমবঙ্গ আর এই পশ্চিমবঙ্গ থাকবে না। কোনও প্রজন্মকে শেষ করতে গেলে আগে শিক্ষাকে শেষ করো। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাই না। রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে গেলে পরিবর্তন করতে হবে। সেটা ঠিক করবে মানুষ। আর যদি রাজনৈতিক দল বলতে বলেন, তাহলে আমি বলব বিজেপি।রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নীরবতা নিয়েও মিঠুন চক্রবর্তীর তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলায় যখনই কোনও ঘটনা ঘটেছে আমরা কিন্তু জেগেছি। তার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু এখন আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছি। কারণ, যারা প্রতিবাদের সামনে থাকেন তাদের আত্মা বিক্রি হয়ে গেছে। তাদের আত্মা মরে গেছে কি না জানি না। মরে গেলে আর জাগবে না। পড়াশুনো করা লোকেদের আবার কী আবেদন করব? তারা তো সব জেনে শুনে করছেন।

জুন ০২, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী মমতার অনুরোধে পাটনায় বিরোধী জোটের বৈঠকের ডাক নীতীশের

একজোট হয়ে ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বৈঠকে বসতে চলেছে দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলি। আগামী ১২ জুন পাটনায় এই বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বিহারের মুখ্য়মন্ত্রী নীতীশ কুমার। এর আগে তাঁকে এই বৈঠক ডাকতে অনুরোধ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্য়ে বিরোধী জোটে শান দিতে নবান্নে এসে বৈঠক করে গিয়েছেন নীতীশ। এই বৈঠকে থাকার কথা রয়েছে কংগ্রেসেরও। তৃণমূল ছাড়া বৈঠকে অংশ নেবে আরজেডি, জেডিইউ, ডিএমকে, এনসিপি সহ অধিকাংশ বিরোধী দল। এর আগে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন জেডি কুমারস্বামী, নীতীশ কুমার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ভগবন্ত মান। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধীদের বৈঠক সফল হলেই একমাত্র বিজেপির সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব। তবে বিরোধীদের মধ্য়ে যে ধরনের দ্বন্দ্ব রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে জোট কতটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

মে ২৮, ২০২৩
রাজনীতি

অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রার কনভয়ে হামলা, মন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, কি বলছে কুড়মি সমাজ?

অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের নবজোয়ার যাত্রায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের গড় শালবনিতে যাত্রাপথে কনভয় লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টি চলে। দেওয়া হয় চোর চোর স্লোগান। রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ির কাঁচ ভাংচুর করা হয়। বাইক আরোহী তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে গোপীবল্লভপুরের দলীয় কর্মসূচিতে অভিষেক বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি রয়েছে। পাশাপাশি কুড়মি সমাজের এই ঘটনায় কোনও হাত নেই বলেই মনে করেন অভিষেক। তিনি কুড়মি সমাজকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে বিবৃতি দাবি করেছেন তিনি। যদিও কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তাঁরা এই হামলার ঘটনায় নেই। এটা দেখার কথা পুলিশ-প্রশাসনের।পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এক মাস ধরে তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির মাধ্য়মে জনসংযোগ করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধেয় পশ্চিম মেদিনীপুরের গড় শালবনিতে অভিষেকের কনভয় যাওয়ার আগেই রাস্তা পুলিশে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ ছিল। অভিযোগ, কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকেই অভিষেকের কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে।অভিষেকের কনভয়ে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা ঝাড়গ্রামের তৃণমূল বিধায়ক বীরবাহা হাঁসদা। বীরবাহার গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয়। আদিবাসী কুড়মি সমাজের নামে বিজেপি এই বিক্ষোভে উসকানি দিচ্ছে বলে দাবি করেন অভিষেক। গোপীবল্লভপুরের সভায় অভিষেক বলেন, এর পিছনে কারা রয়েছে আমরা সব জানি। আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হয়, গুণ্ডামি হয় না। এর পিছনে কারা আছেন আমরা খুঁজে বের করব। বীরবাহার গাড়িচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে প্ররোচনায় পা না দিতে আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, রাজেশ মাহাতকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। আমি তাঁর কাছে জবাব চাই। আমাদের ১২-১৩ জন আহত হয়েছেন।কুড়মি সমাজের বক্তব্য, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই। অন্য একটা পয়েন্টে তাঁদের বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল। এদিকে আগামিকাল শালবনিতে জনসংযোগ কর্মসূচিতে যেতে পারেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তার আগে এগরায় বেআইনি বাজি কারখানায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মে ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ, অভিষেক বললেন, ‘নির্যাসশূন্য। শুভেন্দুকে কেন ডাকছে না সিবিআই?’

রাজ্য়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। শনিবার সকাল ১১টায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে ঢোকেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েছেন রাত 8টা 40 মিনিটে। জিজ্ঞাসাবাদের পরই সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শূন্য। আমারও সময় নষ্ট। তদন্তকারীদেরও সময় নষ্ট। অযথা তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে এদিনও দাবি করেন অভিষেক। পাশাপাশি অভিষেক তুলোধোনা করেন বিজেপির। নাম না করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিষেক বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমাকে টার্গেট করেছে। বিজেপির জন্য এক আইন, আমার জন্য এক আইন। আমি দিল্লির পোষা কুকুর হয়ে থাকব না। আমরা বশ্যতা স্বীকার করব না। সর্বভারতীয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগিয়েও মাথানত করাতে পারছেন না। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার হয়ে থাকব। সব চোর, দুর্নীতিগ্রস্ত বিজেপির সম্পদ। অভিষেকের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন চিঠি লিখে অধীর, সুজন, শুভেন্দুর নাম বলেছে। একজনকেও ডাকা হয়েছে? সুদীপ্ত সেনের চিঠির ভিত্তিতে কেন শুভেন্দুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না? প্রসন্ন রায়ের বাড়িতে দিলীপের দলিল, তাঁকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ নয়? নারদায় টাকা নিতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে, তাঁকে ডাকা হয়েছে?তদন্ত প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, যাঁদের নাম জিজ্ঞাসা করছেন, তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদে। পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদে দলের দায়িত্বে কে ছিলেন? অথচ, শুভেন্দু অধিকারীকে ডাকছে না। তদন্ত চলছে এর থেকে বেশি বলা যাবে না বলেও জানিয়ে দেন অভিষেক।

মে ২০, ২০২৩
রাজনীতি

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেককে তলব সিবিআইয়ের, তৃণমূলের 'যুবরাজ' বাঁকুড়া থেকে কলকাতায়

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন তিনি নবজোয়ার কর্মসূচিতে বাঁকুড়ায় ছিলেন। শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে কলকাতার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। ইতিমধ্যে বাঁকুড়া থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বাঁকুড়ার জনসভায় অভিষেক হাজির না থাকায় বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবারই হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল কুন্তল ঘোষ ও অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারবে সিবিআই। আর সেই নির্দেশের পরের দিনই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব পাওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমের কাছে তিনি বলেছেন, একটা ডেভালপমেন্ট আছে। আমি আজ কলকাতায় ফিরব। অভিষেক তখন বাঁকুড়ায় ছিলেন। এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ সিবিআইয়ের নোটিস পেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তারপরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন কলকাতায় ফিরবেন।কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ছিল, ধৃত কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে অভিষেককে জেরা করা উচিত। সেই মামলা সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে হাইকোর্টে ফিরে আসে। বেঞ্চ বদল হয়। মামলার শুনানি যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। তিনি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ই বহাল রাখেন। বিচারপতি বদলালেও বিচার বদলায়নি। সেইসঙ্গে আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য অভিষেক ও কুন্তলকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।গতকালের ওই নির্দেশের পর পশ্চিম বর্ধমান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, আমরা পালিয়ে যাওয়ার লোক নই। মাথা উঁচু করে থাকা লোক। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমরা ভয় পাই না। ডিভিশন বেঞ্চ বা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ভাববো। একজন নাগরিক হিসাবে সেই রাস্তা আমার সামনে খোলা আছে। তবে তদন্ত এজেন্সিকে আমি সবসময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। যদি আমায় সমন পাঠানো হয় তাহলে দরকারে আমি জনসংযোগ যাত্রা একদিন থামিয়ে আমি তদন্তে সাহায্য করে আসব।বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের পর ডিভিশন বেঞ্চে আপিলও করেছিলেন অভিষেক। তবে শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খান তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। দ্রুত বিচারের প্রক্রিয়া মানল না হাইকোর্ট। মামলা ফিরে যায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। নতুন বেঞ্চ তৈরি হলে শুনানি হবে বলে জানায় হাইকোর্ট।

মে ১৯, ২০২৩
রাজ্য

দিনভর এগরার গ্রাম ক্ষোভের আগুনে ফুটলো, রাতে এল ৬জনের নিথর দেহ

বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা ৯ জনের মৃত্যুর পর আজ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে যান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না। এর শেষ দেখে ছাড়ব। পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তৃণমূলের নেতৃত্ব গ্রামে এলে চোর চোর বলে স্লোগান তোলে স্থানীয়রা। তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়্যা, দোলা সেন, সৌমেন মহাপাত্রদের বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। পাশাপাশি এই বিষ্ফোরণ কাণ্ডে কোনও বিষ্ফোরক সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তা নিয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয়রা। এই কেস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন রাতে ৬ জনের নিথর দেহ গ্রামে আসে। সমস্ত নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামে প্রিয়জন হারাদের পরিবারে কান্নার রোল ওঠে। অভিযুক্ত ভানু ভাগ এখনও পলাতক। তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে পুলিশ।গ্রামবাসীদের দাবি ভানু বাগের কারখানায় বোমা তৈরি হত। এদিন ফরেন্সিক বিশেজ্ঞরাও নমুমা সংগ্র করে। বাজি প্রস্তুতকারকেদর বক্তব্য, তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে। যেখানে পরিবেশ বান্ধব বাজি ছাড়া কিছু প্রস্তুত করাই বেআইনি সেখানে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা কোথায়? এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রামে পৌঁছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। চোর চোর স্লোগান চলতে থাকে। মানস ভুঁইয়্যারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দেন সঠিক তদন্তের। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে। ভানু বাগের কারখানায় বারে বারে বিষ্ফোরণ ঘটলেও কীভাবে দিনের পর দিন বেআইনি ভাবে কারখানা চালাতে পারে তা নিয়ে এদিনও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় কবে ভানু বাগ কবে গ্রেফতার হন।

মে ১৭, ২০২৩
রাজনীতি

বঙ্গে কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার রাতে দমদমে নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। অমিত শাহর রাজ্য সফর নিয়ে গতকাল নবান্নে কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে মনিপুর যাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মনিপুরে সংঘর্ষে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পর বাড়িতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনিপুর জুড়ে ১৪৪ কার্ফু জারি রয়েছে। সেই মনিপুর ছেড়ে বাংলায় কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, অমিত শাহ বাংলায় আসতেই পারেন। তাতে মনে করার কিছু নেই। কিন্তু আগে মনিপুরে নয় কেন? যে রাজ্য হিংসায় জ্বলছে। বাংলায় কিছু ঘটলে পরের দিনই তো প্রতিনিধি পাঠিয়ে দেন।মঙ্গলবার একাধিক কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহর। ভারত-বাংলাদেশ পেট্রোপল সীমান্তে সরকারি অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে অমিত শাহ যাবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। এদিন বিকেলে সায়েন্স সিটির মঞ্চে খোলা হাওয়া আয়োজিত রবীন্দ্র স্মরণ অনুষ্ঠানেও হাজির থাকবেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিকে বহিরাগত তকমা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে। সেই তকমা ঘোচাতেই বিজেপির রবীন্দ্র স্মরণ। বিজেপি যে বাঙালি বিদ্বেষী নয় তা বোঝাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির।

মে ০৯, ২০২৩
রাজ্য

মালদায় গোষ্ঠীকলহ মেটাতে কড়া বার্তা অভিষেকের, বৈঠক জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে

দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে রীতিমতো ক্লাস নিয়ে কোন্দল মেটানোর পরামর্শ দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুরে মালদা সফর শেষ করে মুর্শিদাবাদে যাওয়ার আগে ইংরেজবাজার ব্লকের সুস্থানি মোড় এলাকায় দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রীকেও ধমক দিয়েছেন তিনি । দলে যাতে কোনোরকম গোষ্ঠী কোন্দল না থাকে এবং যারা সক্রিয় দলীয় নেতা, তারা যাতে হাত গুটিয়ে বসে না থাকে তাদেরকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দুপুর ১২ টা থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠকটি চলে প্রায় দুই ঘন্টা। বৈঠক শেষেই কনভয় নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , এদিনের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের দুই রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ও তাজমুল হোসেন। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম নূর, তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী। ছিলেন অন্যান্য বিধায়ক চন্দনা সরকার, সাবিত্রী মিত্র, মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি রফিকুল হোসেন, ইংরেজবাজার এবং পুরাতন মালদা পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু, চৌধুরী কার্তিক ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠক চলাকালীন এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে উদ্দেশ্য করে বলেন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে প্রার্থী হবে, সেটা ঠিক করবে রাজ্য নেতৃত্ব। আপনার কোনও অনুগামী যাকে, তাকে প্রার্থী করার কথা বলছে। এটা কিন্তু ঠিক নয়, বিষয়টা দেখুন। দলের জেলা সভাপতি রহিম বক্সীকে বলেন রতুয়া মালতিপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় ফজলুল হকের মত বেশ কিছু নেতারা বসে রয়েছেন কেন। তাঁদেরকে দলে গুরুত্ব দিচ্ছেন না কেন। তাঁদেরকে কাজে লাগান। বিষয়টি দেখুন। বিধায়ক নিহার ঘোষের উদ্দেশ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চাচলে একটি ব্লকে দুইজন সভাপতি কেন। বিষয়টি বসে মিটিয়ে ফেলুন।এদিন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সাংসদকে নাকি অভিযোগ করেছিলেন সুজাপুরের বিধানসভার অন্তর্গত কালিয়াচক ১ ব্লক কমিটি ঠিকভাবে গঠন হয়নি। অনেক আজেবাজে মানুষকে নেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দলীয় কমিটিতে কোনরকম দুর্নীতি পরায়ন লোককে রাখা যাবে না। জেলা সভাপতি ও মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনসহ অন্যান্য নেতৃত্বরা বসে এই সমস্যার সমাধান করবেন। হবিবপুরের ব্লক সভাপতি প্রদীপ বাস্কেকে উদ্দেশ্য করে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আপনাকে তো দেখা যায় না। কোথায় থাকেন আপনি। দলের জন্য ঠিকমতো কাজ করুন । মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়ান। ইংরেজবাজার ব্লকের সভানেত্রী প্রতিভা সিংহকে সাংসদ অভিষেক বলেন, কৃষ্ণেন্দু সাথে আপনার এত বিবাদ কেন। পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা প্রতিভা সিংহ কৃষ্ণেন্দুকে এজন্য দায়ী করেছেন। এরকম ভাবেই যেদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা ও ব্লকের দায়িত্ব থাকা বেশ কিছু নেতা-নেত্রীদের কোন দল মেটানোর বিষয়ক রীতিমতো ধমক দিয়েছেন। সবমিলিয়ে দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে এক প্রকার ক্লাস নিয়ে সমস্ত সমস্যা এবং কোন্দল মেটানোর পরামর্শ দিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে উপস্থিত মালদা জেলার সমস্ত নেতা-নেত্রীদের আগামী সাতদিনের মধ্যে যেসব এলাকায় বিক্ষোভ, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে সেগুলি মিটিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চাঁচোল, হরিশ্চন্দ্রপুর, ইংরেজবাজার সহ একাধিক ব্লকে দলীয় নেতৃত্বের কাজকর্ম নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বৈঠক শেষে এসব প্রসঙ্গ নিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন , সকলকে একসঙ্গে চলার বার্তা দিয়েছেন আমাদের প্রিয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন কোথাও কোনওরকম দলের সমস্যা থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে হবে। তবে গোষ্ঠী কোন্দল আমাদের নেই । কিছু বহিরাগত মানুষ লোকজনের সাথে মিশে নানান ধরনের ভুলভাল বার্তা দিয়েছে, সেটাও আমরা জানিয়েছি। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীশূন্য করাটাই আমাদের এখন লক্ষ্য । যা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলে গিয়েছেন । আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের তৃণমূলের ফল খুবই ভালো হবে সে ব্যাপারেও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে

মে ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

বাংলায় বিজেপির লোকসভায় লক্ষ্য ৩৫, অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের ২০২৬ বিধানসভার টার্গেট

বিজেপির লক্ষ্য লোকসভা, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধানসভা। অমিত শাহ বীরভূমে সভা করে এরাজ্যে বিজেপির লোকসভার লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে গিয়েছেন, এবার বিধানসভার লক্ষ্য ঘোষণা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহর ঘোষণা ছিল ২০২৪-এ এরাজ্য থেকে বিজেপির আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫, অন্য দিকে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৪০ আসন।তৃণমূল কংগ্রেসের টার্গেট লোকসভা নয়, বাংলার বিধানসভা। বিপুল সংখ্যক বিধায়ক নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে চায় ঘাসফুল শিবির। রবিবার জনসংযোগ যাত্রায় বের হয়ে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি একের পর এক জেলা সফর করছেন। যা শেষ হবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরে, ২৪ জুন।এদিন এই সফরে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় সভা করেন অভিষেক। সেখানেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দলের লক্ষ্যমাত্রাও ঠিক করে দেন। অভিষেক সভায় বলেন, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৪০ আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে। পাশাপাশি এবারের পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল যে ব্যাপক সাফল্য পাবে, সেটাও স্পষ্ট করে দেন তিনি।অভিষেক আগের মতোই বলেন, সিবিআই আর ইডিকে দিয়ে ধমকে-চমকে কোনও লাভ হবে না। অন্য কোনও দল ভয় পেতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবে ভয় পাওয়ানো যায় না। আমাকেও তো নোটিস পাঠিয়েছে। কিন্তু, তাতে কোনও লাভ হবে না। যত নোটিস আসবে, আন্দোলন ততই বাড়বে। তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকানো যাবে না। তারপরই পরপর বিধানসভা নির্বাচনের সাফল্যের হিসেব পেশ করেন অভিষেক। তিনি জানিয়ে দেন, ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ১৮৪ আসন পেয়েছিল। ২০১৬ সালে পেয়েছে ২১১ আসন। ২০২১ সালে পেয়েছে ২১৪ আসন। ২০২৬ সালে সেটাই বেড়ে হবে ২৪০। যত ধমকাবেন, যত চমকাবেন, তৃণমূল কংগ্রেস ততই শক্তিশালী হবে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরুপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলেক ১১ অগাস্ট সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। এখন তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। এবার গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি তলব করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলকে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এদিন জবাবে অসঙ্গতি মেলায় সুকন্যাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবরক্ষককে। ইডি সূত্রে খবর, বারে বারে ইডিকে বিভ্রান্তি করে চলেছিল সুকন্যা। তিনি নিজে নাকি টাকা পয়সার হিসেব রাখতেন। একধাক্কায় কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি? এই প্রশ্নের সঠিক জবাব তিনি দিতে পারেননি। শেষমেষ এদিন গ্রেফতার করা হয় সুকন্যাকে। আগামিকাল তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, ৫ দিনের হেফাজত চাইবে ইডি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, আইনি প্রক্রিয়ায় দল নাক গলাবে না{ তবে মাতৃহারা সুকন্যাকে বাইরে রেখে কি তদন্ত করা যেত না? বিজেপির প্রতিক্রিয়া, গরুপাচার কাণ্ডে জড়িত বলেই গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রত কন্যাকে। আগেই বলা হয়েছিল অভিযুক্ত কেউ ছাড়া পাবে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে ঘাঁটি গেড়েছেন মুকুল, আদৌ বিজেপি নেতৃত্ব নতুন করে তাঁকে স্বীকৃতি দেবে?

মুকুল রায় গতকাল থেকে দিল্লিতে প্রকাশ্যে এসেছেন, বিজেপির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন। প্রথম সিপিএমের নাম মুখে এনেও পরে তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা করেছেন। ছেলেকে বিজেপি করতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে এখনও অবধি মুকুল রায়ের বৈঠক করতে দেখা যায়নি। কেন্দ্রীয় বিজেপি মুকুল রায় সম্পর্কে কি ভাবছে তা-ও কিছু জানায়নি। বরং তৃণমূল কংগ্রেস মুকুলকে ঝেড়ে ফেলে দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র মুকুল ইস্যুতে উৎপাত থেকে জঞ্জাল বলতেও ছাড়েননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, বঙ্গ রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক মুকুল দিনভর মিডিয়াতে ভেসে থাকলেন। উত্তাপ ছড়ালেন রাজনৈতিক মহলে। মুকুল কেন দিল্লিতে? রাজনৈতিক মহল তাঁর দিল্লি যাত্রা নিয়ে নানা মতে বিভক্ত। সিপিএম সাংসদ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য স্পষ্ট দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় মুকুলকে বিজেপির কাছে পাঠিয়েছে। এটা তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির গট-আপ। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব মুকুলের বক্তব্যকে কোনও গুরুত্ব দিতে চাইছে না। মুকুল রায় নিজে সারদা ও নারদা-কাণ্ডে অভিযুক্ত। অন্য দিকে বিধায়কদের দ্বারা প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে নিয়ে ময়দানে জোরালো ভাবে নেমে পড়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তারপর শুভ্রাংশুর নিখোঁজ তত্ব নিজেই খারিজ করে দিয়েছেন মুকুল রায়। কৃষ্ণনগরের বিধায়ক দিল্লি গিয়েছেন কোনও পারিবারিক সদস্য বা কোনও সক্রিয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে নয়, গাড়ির চালক ও রাধুনিকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, যে উদ্দেশ্যেই মুকুল রায় দিল্লি যাক না কেন বিজেপির হয়ে তার বানী ও তৃণমূলের বিরুদ্ধএ যতই আক্রমণ করুক রাজনীতিতে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। বিজেপি নেতাদের তাঁর সঙ্গে কোনও বৈঠক না হওয়ায় চাতক পাখির মতো মুকুল যেন যেন জল জল করে যাচ্ছেন, অভিমত রাজনৈতিক মহলের। এবার দেখার বিষয় বাংলার রাজনীতিতে চানক্য বলে পরিচিত মুকুল কতদিন ধরে দিল্লিতে থেকে যান। কবে বিজেপি নেতৃত্ব প্রকাশ্যে নতুন করে তাঁকে স্বীকৃতি দেয়, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে 'নিখোঁজ' মুকুল শেষমেশ রাতে ধরা দিলেন, জানালেন তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন

মুকুল রায় নাকি নিখোঁজ? বাবাকে কোন দুজন যুবক সল্টলেকের বাড়ি থেকে এয়ারপোর্টে নিয়ে গিয়েছে। রীতমতো এয়ারপোর্ট অথরিটি, এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। এমনকী বীজপুর থানায়ও অভিযোগ দায়ের করে শুভ্রাংশু। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ দিল্লিও চলে গিয়েছে মুকুল রায়ের খোঁজ করতে। কিন্তু রাতেই সংবাদ মাধ্যমে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি স্বেচ্ছায় দিল্লি এসেছেন। কেউ তাঁকে জোর করেনি। তাঁর সঙ্গে শুভ্রাংশুর সঙ্গে কথা হয়েছে।গতকাল রাতে মুকুল রায় দুজন সঙ্গীকে নিয়ে দিল্লিতে যাওয়ার পর থেকে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড় হয়ে যায়। প্রথম দফায় মুকুল নিখোঁজ বলে তোলপাড় হয়ে যায় শুভ্রাংশুর বক্তব্যের পর। তারপর গতকাল রাতেই দিল্লি বিমানবন্দরে দেখা মেলে মুকুল রায়ের। তিনি দিল্লিতে কয়েক দিন থাকবেন বলেও প্রতিক্রিয়ায় জানিয়ে দেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সারা দিন মুকুলের কোনও খোঁজ মেলেনি। তারই মধ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা ফেসবুক পোস্ট করেন প্রত্যাবর্তন। ফের হইচই শুরু হয়ে যায় এই পোস্টকে কেন্দ্র করে।শেষমেশ রাতে এক সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপিতে থেকেই রাজনীতি করবেন। শুভ্রাংশুর বিজেপিত যোগদান করা উচিত। কোনও দিন আমি তৃণমূল করিনি। ১০০ শতাংশ নিশ্চিত তৃণমূল আর করব না। মুকুলের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আশার পর ফের শোরগোল পরে যায় রাজনৈতিক মহলে। সেভাবে আর মুকুলের প্রতিক্রিয়ার জবাব দিতে পারেননি পুত্র শুভ্রংশু। এখন দেখার বিষয় ফের কি গেরুয়া উত্তরীয় গলায় পরতে চলেছেন মুকুল? এই চর্চাই চলছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে যাওয়ায় অটো টালাতে বাধা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সভায় যাওয়ার অপরাধে দুই আটো চালককে কাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত অটো ইউনিয়নের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে সোমবার আটলা মোড়ে রামপুরহাট-তারাপীঠ রাস্তা অবরোধ করল বিজেপি। পরে পুলিশি আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায়।অবরোধকারীদের বক্তব্য, ১৪ এপ্রিল সিউড়িতে জনসভা করতে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই সভায় কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতার বক্তব্য শুনতে গিয়েছিলেন অটো চালক প্রভাত হাজরা, অসিত মণ্ডল। তারপর থেকেই ওই দুই অটো চালককে রাস্তায় অটো চালাতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি। বাধ্য হয়ে আটলা মোড়ে অবরোধ করে বিজেপি।বীরভূম জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল, বিজেপির মহিলা মোর্চার বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রশ্মি দে অবরোধে হাজির ছিলেন। তাঁদের দাবি, পুলিশ তাঁদের পথ অবরোধ করতে বাধ্য করেছে। অসিত মণ্ডলের বক্তব্য, রামনবমীর দিন আমরা অটোতে গেরুয়া পতাকা ঝুলিয়ে ছিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিন সিউড়িতে বিজেপি কর্মীদের নিয়ে গিয়েছিলাম। সেই কারণে আমাদের অটো চালাতে দিচ্ছে না। বেকার বসে আছি। অটো ইউনিয়নের বক্তব্য, নিয়ম না মেনে যত্রতত্র যাত্রী তোলার জন্য ওই দুজনকে সাত দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

সিবিআইয়ের হানায় বেকায়দায়! বীরভূমে নয়া দলের ঘোষণা প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতির

শনিবার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের তল্লাশি, রবিবার অনুব্রত মন্ডলের জেলায় নয়া দল গঠন। এই দেশে যে কত কিছুই সম্ভব তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সারদা-কাণ্ডের তদন্তের সময় জোর জল্পনা ছিল মুকুল রায় নতুন দল গঠন করবেন। কিন্তু সেই রাস্তায় যেতে দেখা যায়নি তৎকালীন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। সোজা দিল্লি গিয়ে গেরুয়া উত্তরীয় পরেছিলেন মুকুল। কিন্তু এবার সিবিআইয়ের নজরে থাকা তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী নতুন দল গঠন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। রবিবার বিকেলে নলহাটির কৃষ্ণপুর গ্রামে তাঁর ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের আশ্রমেই নতুন দলের আত্মপ্রকাশ করেন। নতুন দলের নাম দেওয়া হয় সাড়া ভারত আর্য মহাসভা।নয়া দল ঘোষণার পর বিভাস চন্দ্র অধিকারী বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে কোন দলের ক্ষতি হবে বা কোন দলের লাভ হবে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে দলের মূল লক্ষ্য হবে আর্য ভারত গঠন। মানুষকে সঠিক দিশা দিতে দল কাজ করে যাবে। বিভাসবাবু জানান, কয়েক দিনের মধ্যে বীরভূম জেলায় একটা সভা করার পর কলকাতার বুকে সভা হবে।এদিনের বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যাদের অধিকাংশই তৃণমূল কর্মী সমর্থক। তবে লাভ ক্ষতি ভাবতে চান না দলের নয়া সর্বভারতীয় সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী। তিনি বলেন, আমাদের দলে যে কেউ আসতে পারে। আমরা কোন সম্প্রদায় নিয়ে দল করি না। ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র চেয়েছিলেন আর্য মহাসভা নামে দল গঠন হোক। যে দলের কাজ হবে মানুষকে সঠিক দিশা দেখানো। আমরা ঠাকুরের সেই ইচ্ছাকে সম্মান দিয়ে এগিয়ে যাব।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
রাজ্য

‘মানুষকে অপমান করেছেন’, অভিষেকের মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের সভামঞ্চ থেকে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা ও শৌচাগারের প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। শৌচাগার প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে তৃণমূলের এক বিধায়ক জড়িত বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, জেলাপ্রশাসনও এই কাজে যুক্ত। এমনকী গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোর করে বিজেপিকে হারানো হয়েছিল বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বাঁকুড়ায় অভিষেকের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শুভেন্দু।এদিন ওন্দার সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়াবাসীকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে বলেছেন। মানুষ ভুল করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ২০১৯ লোকসভা ও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভাল ফল প্রসঙ্গে একথা বলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা। অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, এটা শুধু বাঁকুড়ার অপমান নয়, বাংলার সমস্ত ভদ্র মন্ডলীকে অপমান। শুভেন্দু বলেন এত ঔদ্ধত্য যে একজন বলছেন জনগণ ভুল করেছেন। এ কথা বলার সাহস একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে কেউ কীভাবে পান? আমাদের সংবিধানটাই মানুষকে নিয়ে। সেই জনগণকেই বলছেন পাপ করেছেন প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। হেলিকপ্টার চড়ে গিয়ে বড় বড় কথা।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে ভারতীয় জনতা পার্টির জনসভায় উপস্থিত হয়ে রাজ্য সরকারের অপশাসন, তৃণমূলের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিজেপির প্রার্থীদের বিপুল সংখ্যক ভোটে নির্বাচিত করে এর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এপ্রিল ১২, ২০২৩
রাজনীতি

বাঁকুড়ায় অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি, কেন বললেন প্রায়শ্চিত্তের কথা?

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহল তৃণমূল কংগ্রেসকে খালি হাতে ফিরিয়ে ছিল। ভরিয়ে দিয়েছিল বিজেপিকে। তারপর ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনেও কিছু জমি পুনর্উদ্ধারে তৃণমূল সক্ষম হলেও বিজেপি থেকে পুরোপুরি মুখ ফেরায়নি বাঁকুড়া। এবার সেই বাঁকুড়ার ওন্দায় গিয়ে একরাশ অভিমান ঝরে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বাঁকুড়ার মানুষকে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রায়শ্চিত্তের কথা বললেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। যে বক্তব্য নিয়ো তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।এবারও যদি বাঁকুড়ায় একই দশা হয় সেক্ষেত্রে অভিষেক জানিয়ে দিলেন, তাহলে তৃণমূল আর বাঁকুড়ার মানুষের অধিকার নিয়ে লড়াই আন্দোলন করবে না। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাঁকুড়ার ওন্দার সভা থেকে অভিষেকের এই ঘোষণা চাঞ্চল্য ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের টাকা না দেওয়ায় ফের বিজেপি নেতাদের ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।এদিনের সভায় ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনার টাকা আটকে রাখায় বিজেপিকে আগাগোড়া নিশানা করছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বার্তা, ধর্মের ভিত্তিতে নয়, উন্নয়নের কাজের নিরিখে আসন্ন পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটে যেন বাঁকুড়াবাসী ভোটদানের সিদ্ধান্ত নেন। অভিষেক বলেন, ২০১৯ ও ২১ সালে বিজেপিকে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু কী পেয়েছেন? নিজের বুকে হাত রেখে সেই প্রশ্ন নিজেকেই করুন। আমাদের সকলকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ২০১৯ সালে আপনারা বিজেপিকে দুটি লোকসভা আসনে জিতিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১২টি বিধানসভা আসনের মধ্যে আটটিতে বিজেপিকে জিতিয়েছিলেন। পরে তন্ময় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এলে আমাদের পাঁচজন বিধায়ক হয়। কিন্তু যাঁরা আচ্ছে দিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, কেউ আচ্ছে দিন পেয়েছেন? ধর্মের ভিত্তি, নাকি উন্ননের জন্য, নিজেদের অধিকারের জন্য ভোট দেবেন সেটা নিজেরাই ঠিক করুন। মনে রাখবেন সামনের পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচন আপনাদের কাছে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ।অভিষেকের অভিযোগ, একুশের ভোটে হেরে যাওয়ার প্রতিশোধেই ১০০ দিন ও আবাস যোজনায় বাংলার বকেয়া আটকে রেখেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। বকেয়া আদায়ে দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতিও জোরকদমে করতে নির্দেশ দেন অভিষেক। তাঁর হুঁশিয়ারি, ১ কোটি চিঠি ও বঞ্চিতদের নিয়ে গিয়ে দিল্লিতে কৃষিমন্ত্রকের সামনে বসব। দাবি আদায়ে স্লোগান হবে, ধরনা তীব্র থেকে তীব্রতর হবে। দেখি তারপরও কীভাবে কানে তুলো দিয়ে বসে থাকতে পারে।বক্তব্যের শেষপ্রান্তে এসে অভিমানের সুরে বড় উপলব্ধি প্রকাশ পায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, ১৯ সালে আপনারা মুখ ফিরিয়েছিলেন। ২১শেও ফিরিয়েছেন। আমরা কিন্তু ফেরায়নি। আপনারা ভুল পথে পরিচালিত হয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন, আমরা অভিমান করিনি। কিন্তু এবার বলে গেলাম, আপনিও রক্ত মাংসের মানুষ, আমিও রক্ত মাংসের মানুষ। আপনি যদি নিজেরে অধিকার নিয়ে না লড়েন, আপনার ছেলে, মেয়ে, পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজে না সরব হন তাহলে তৃণমূলও আপনার অধিকার নিয়ে লড়াই করবে না। আমি স্পষ্টভাবে বলছি আপনার অধিকারের জন্য আপনাকে নিজেকেই লড়াই করতে হবে। ভোট হবে উন্নয়নের ইস্যুতে, অন্য কোনও কিছুর উপর ভিত্তি করে নয়। পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে অভিষেকের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসসহ বিরোধী নেতৃত্ব।

এপ্রিল ১২, ২০২৩
রাজ্য

বিডিও দফতরে তৃণমূলের ভার্চুয়াল বৈঠকে বিধায়কসহ নেতৃত্ব, শোরগোল রাজ্য-রাজনীতিতে

রাজ্যের কোথাও বিডিও অফিসে বসে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব আবার কোথাও থানার ওসিকে পরিবার তুলে হুমকি বিজেপি সাংসদের। রাজ্যের দুই প্রান্তে এমন দুই ঘটনায় বেকায়দায় তৃণমূল ও বিজেপি। একটি ঘটনা বাঁকুড়ার সোনামুখিতে, অন্যটি মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায়।অফিসের বাইরে ভগবানগোলা ২ নং ব্লকের বিডিও। তাঁর চেয়ারে বসেই অভিষেকের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিশ আলি। বিধায়ক ছাড়াও ওই বৈঠকে ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক চাঁদ মহম্মদ-সহ দলের আরও ৮ নেতা। সরকারি দফতরে বসেই রাজনৈতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন, অভিযোগটি শুনেছি। কেউ যদি সত্যিই বিডিও-র চেয়ারে বসে রাজনৈতিক বৈঠক করেন সেটা উচিত হয়নি।বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কটাক্ষ, ওদের নেত্রীই তো প্রতিটি প্রশাসনিক বৈঠককে সরকারি খরচায় রাজনৈতিক মঞ্চ বানিয়েছেন। ওটা একটা প্রান্তিক অঞ্চলের বিধায়ক। সরল মনে বিডিও অফিসে গিয়ে বৈঠক করেছেন। পার্টি অফিসে ইন্টারনেট স্লো তাই বিডিও দফতরে বৈঠক, সাফাই দিয়েছেন ইদ্রিশ। ভগবানগোলার বিডিও মহম্মদ ওয়ারসিদ খান সংবাদমাধ্যমে বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম ওটা প্রশাসনিক বৈঠক। পরে জানতে পারি ওটা দলীয় বৈঠক হয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজ্য

জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় কি সর্বভারতীয় স্তরে বড় বিপাকে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস?

তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোর আনন্দে কোথাও বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করলেন, কোথাও আবার আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের তকমা পাওয়ায় মিষ্টিমুখ করালেন সাধারণ মানুষকে। এরইমধ্যে জাতীয় দলের তকমা হারানোর ২৪ ঘন্টার মধ্য়েই দলের সাংসদ পদ ছাড়লেন ফেলাইরো। একইসঙ্গে তিনি ছেড়েছেন দলীয় পদ। যদিও কেউ কেউ মনে করছেন গোয়ার এই তৃণমূল নেতাকে আর দলের প্রয়োজন নেই বলেই তাঁকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এমনই বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের এই মর্যাদা হারানো নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের হয়ে ঘোষণা করেছিলেন, এবার ভিন রাজ্যে শাখা বিস্তার করবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু অন্য রাজ্যে সংগঠন বিস্তার নয়, সেখানে ক্ষমতা দখলের জন্য়ই তৃণমূল লড়াই করবে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, গোয়া ও ত্রিপুরায় একটা বিধানসভা আসন দখল করতে সমর্থ হয়নি। মেঘালয়ে কংগ্রেস বিধায়কদের ভাঙিয়ে আনলেও ৫টি আসনে থমকে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। সামনেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় তৃণমূলের কাছে বড় ধাক্কা বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল। এর ফলে জাতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধী জোটে তৃণমূল কংগ্রেস কতটা গুরুত্ব পাবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কংগ্রেসকে সরিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিজেপি বিরোধী জোটের কেন্দ্র বিন্দুতে থাকার চেষ্টা করতে শুরু করে তৃণমূল। এমনকী নানা ইস্যুতে কংগ্রেসকে জোরালো ভাবে আক্রমণ করে ঘাসফুল নেতৃত্ব। কিন্তু জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় বিজেপি বিরোধী জোটের রাশ হাতে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড়সড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যাওয়ার সঙ্গে আপ সেই মর্যাদা পেয়েছে। তাই এবার বঙ্গ আপ নেতৃত্ব নয়া উদ্য়মে রাজ্য়ব্যাপী সংগঠন জোরদার করতে প্রয়াস নিচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 56
  • 57
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জিতে পরদিনই আওয়ামি লিগের অফিসের তালা খুললেন বিএনপি সাংসদ! পঞ্চগড়ে চমক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আবু দাউদ প্রধান। নির্বাচনে জয়ের পরদিনই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামি লিগ-এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলায়। আবু দাউদ প্রধান পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপির সভাপতি এবং সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর দেশের নানা প্রান্তে দলটির দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার ভিন্ন ছবি দেখা গেল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পরদিন চাকলাহাট ইউনিয়নে আওয়ামি লিগের একটি অফিস খুলে দেন আবু দাউদ।এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। ভিডিওতে স্থানীয় আওয়ামি লিগ নেতারা বলেন, এই পদক্ষেপ মহৎ উদ্যোগ। অন্যদিকে কয়েকজন স্থানীয় নেতা শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দেন।আবু দাউদ প্রধান বলেন, তিনি জানতে পারেন যে অফিসটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্যই তিনি তালা খুলে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, কোনও দলই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, অফিসটি আগে অন্য একটি গোষ্ঠী তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। এখন সেটি খুলে পরিষ্কার করা হচ্ছে। আপাতত সেখানে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম হবে না বলেই জানানো হয়েছে।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই পদক্ষেপ নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। বিরোধী দলের দপ্তর খুলে দেওয়ার ঘটনায় দেশে সহাবস্থানের নতুন ইঙ্গিত মিলছে কি না, তা নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

মোদীর ফোন, জয়শঙ্কর কি যাচ্ছেন শপথে? কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান।যদিও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে নিয়মের কিছু জটিলতার কারণে আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারছেন না তারেক। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার তাঁর শপথ গ্রহণ হতে পারে।শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। সময়মতো আমন্ত্রণ এলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত। এর আগে খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তখন তাঁর সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বাংলাদেশে ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের খবর, ফোনেও কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। শেখ হাসিনা-র সরকারের পতনের পর সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে উন্নতির পথে হাঁটতে পারে বলে আশা কূটনৈতিক মহলের। দিল্লিও সেই দিকেই নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

ঐতিহাসিক মুহূর্ত! জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান

ঐতিহাসিক নজির গড়ল অসম। বিমানবন্দর নয়, জাতীয় সড়কের উপর জরুরি অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান। অসমের মোরানে এই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটির পরীক্ষা করা হয়। একদিনের সফরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে উড়ে এসে প্রধানমন্ত্রীর সি-১৩০জে বিমান ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারিত অংশে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর প্রায় ৪০ মিনিটের এয়ার শো হয়। আকাশে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে তেজস, সুখোই ও রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে এই ধরনের অবতরণ পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সামরিক প্রয়োজনের সময় উদ্ধারকাজে এটি বড় ভূমিকা নেবে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরান বাইপাসে ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশেষ অবতরণ পথ তৈরি হয়েছে।এই পথ অসামরিক ও সামরিকদুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে এটি ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত পরিবহণ বিমান এখানে অবতরণ করতে পারবে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে প্রথম এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।অসম সফরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর তৈরি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন তিনি, যা উত্তর গুয়াহাটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। এতে যানজট কমবে এবং যাতায়াতের সময়ও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এছাড়া গুয়াহাটিতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১০০টি ইলেকট্রিক বাসেরও সূচনা করবেন তিনি। সফরের শেষে গুয়াহাটিতে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ না মেটানোয় বড় ধাক্কা! মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে আদালত অবমাননার নোটিস

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ না মেটানোয় এবার বড় আইনি চাপে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্র-কে আদালত অবমাননার নোটিস পাঠালেন ডিএ মামলাকারীরা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশের এক সপ্তাহ পরেও বকেয়া না মেটানোয় ক্ষুব্ধ মামলাকারীরা ফের আইনি পথে হাঁটলেন।আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের মাধ্যমে পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃত ভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। যা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি ৭৫ শতাংশ কী ভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করার কথাও বলা হয়। তবে এবার অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়নি। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, দ্রুত নির্দেশ মানতে হবে।এর আগেও গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট চার সপ্তাহের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হয় ২৭ জুন। পরে রাজ্য সরকার আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়।মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি বলেই আদালত অবমাননার নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এখন রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

উড়ান থামিয়ে নামানো হল যাত্রীদের, শৌচাগার থেকে মিলল বোমা-হুমকি

সাতসকালে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। শিলংগামী ইন্ডিগো-র 6E-7304 নম্বর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। খবর ছড়াতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে শিলং যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানের। উড়ানের আগে বিমানের শৌচাগার থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেন এক ক্রু সদস্য। চিরকুটে লেখা ছিল, বিমানে বোমা রাখা আছে। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিমান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত একে একে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। সতর্কতাবশে বিমানটিকে আলাদা বে-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো বিমান জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলংগামী ওই উড়ানটি দুপুর ১টা ১০ মিনিট নাগাদ রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত উড়ান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ঝাঁজ! ৩০ ডিগ্রির পথে কলকাতা, শীত কার্যত বিদায়

বসন্তের শুরুতেই চড়া রোদের তেজ টের পাচ্ছে কলকাতা। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ৩০ ডিগ্রির দিকে এগোচ্ছে। শীতের আমেজ প্রায় উধাও। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া অফিস।আগেই বলা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শীত বিদায় নেবে। এখন সেই পূর্বাভাসই মিলছে। কলকাতা সহ গোটা রাজ্যেই তাপমাত্রা বাড়ছে। পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। দিনের বেলায় গরম অনুভূত হচ্ছে, রাতেও ঠান্ডা কমে আসছে।পূর্বাভাস বলছে, আগামী সপ্তাহে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে আরও বাড়তে পারে পারদ। মার্চ মাস থেকে গরম পুরোপুরি দাপট দেখাতে শুরু করবে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিও ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা।আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ১৬ ডিগ্রি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৭ শতাংশ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আজ এবং আগামী কয়েক দিনে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিক থেকে সেখানেও তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।সব মিলিয়ে, ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট। মার্চে পরিস্থিতি আরও বদলাতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal