• ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hospital

কলকাতা

চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসককে মারধর ও নার্সিংহোমে ভাঙচুর

রোগী মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা, চিকিৎসককে মারধর ও নার্সিংহোম ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল হাওড়ায়। হাওড়ার বাঁকড়ার জাপানি গেট এলাকার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয় শুক্রবার রাতে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে পরিবারের লোকজন ভাঙচুর চালায়, এমনকী এক চিকিৎসককে মারধরও করা হয়। স্থানীয় দাসনগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। দুপক্ষের অভিযোগই খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।গত ২৬ মে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই নার্সিংহোমে ভর্তি হন ডোমজুড়ের গয়েশপুরের বাসিন্দা আতিয়ার রহমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর অবস্থার অবনতি হয়ে মৃত্যু হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৃত বৃদ্ধের এক আত্মীয়ের অভিযোগ, শ্বাসকষ্ট থাকা সত্ত্বেও করোনা পরীক্ষা না করে ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ বৃদ্ধের চিকিৎসা শুরু করে। করোনায় ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলেন তিনি। ওই নার্সিংহোমে কোভিডের চিকিৎসা হয় না। এমনকী, করোনা পরীক্ষার জন্য ওই বৃদ্ধের লালারস অন্যত্রও পাঠানো হয়নি। ফলে সঠিক চিকিৎসা না হওয়ার জন্যই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বৃদ্ধের পরিবারের। বৃদ্ধ মারা যাওয়ার পরই শুক্রবার রাতে বৃদ্ধের পরিবার ও প্রতিবেশীরা ওই নার্সিংহোমের উপর চড়াও হন। ভাঙচুরের পাশাপাশি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ ওঠে। নার্সিংহোমের সিসিটিভিতে ওদিন রাতের পুরো ঘটনা ধরা পড়ে। অপরদিকে, যে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ও যাঁকে মারধর করার অভিযোগ সেই চিকিৎসক এম আহমেদ রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানান। পাশাপাশি, তিনি জানান, শ্বাসকষ্টের কারণে ভর্তির সময়েই নার্সিংহোমের তরফে আরটিপিসিআর বা কোভিড পরীক্ষা করাতে বলা হয়েছিল মৃতের পরিবারকে। তাঁরা তা করতে চাননি। চিকিৎসকের কথায়, শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসা রোগীদের ওই নার্সিংহোমে সিটি স্ক্যান কিংবা আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাইরে থেকে করাতে হয়। বাইরে থেকে পরীক্ষা করে নিয়ে আসার কথা বলা হলেও মৃতের পরিবার তা করেননি। তাই শ্বাসকষ্ট থাকায় ওই রোগীকে ভেন্টিলেটরে দেওয়া হয়েছিল। কোভিড টেস্ট করা হলে, পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট এলে অবশ্যই ওই বৃদ্ধকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হতো বলে জানান নার্সিংহোমের ওই চিকিৎসক। রোগীর পরিজনরা তাঁকে মারধর করেন বলেও জানান তিনি। এদিকে দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্ত 'ফ্লাইং শিখ'

কিংবদন্তি অ্যাথলিট মিলখা সিংয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে তাঁর। সে কারণেই সোমবার তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল বর্ষীয়ান অ্যাথলিটকে। যদিও কিংবদন্তির ছেলে জিভ মিলখা সিং জানিয়েছেন, তাঁর বাবা আপাতত স্থিতিশীল।গত ২০ মে মিলখা সিংয়ের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি মিলখার বাড়ির দুই কাজের লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপরই বাড়ির প্রত্যেকের টেস্ট নেগেটিভ এলেও, তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তাতে বিন্দুমাত্র চিন্তিত হননি মিলখা। জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকদের মতে তিনি তিন-চারদিনেই সেরে উঠবেন। বুধবার বিকেলে জগিং করে বাড়ি ফেরার পরেই শুনি আমার রিপোর্ট পজিটিভ। কিছুটা অবাকই হয়ে যাই। কারণ আমার দেহে কোনও উপসর্গ নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি। চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত ঠিক হয়ে যাব। একথাই শোনা গিয়েছিল মিলখার গলায়। কিন্তু সোমবার হঠাৎই তাঁর রক্তে অক্সিজেন মাত্রা কমতে শুরু করে।তাঁর স্ত্রী নির্মল কৌর ও ছেলে জিভ জানান, বাড়িতে অসুস্থ বোধ করছিলেন বছর একানব্বইয়ের মিলখা। সম্ভবত ডায়রিয়া ও বমির কারণেই ডিহাইড্রেশনেও ভুগছিলেন। ফলে কোনও ঝুঁকি না নিয়েই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জিভ মিলখা সিং বলেন, গতকাল থেকেই দুর্বল বোঝ করছিলেন। তাই হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে পারবেন বাবা। তবে আপাতত সমস্ত প্যারামিটার স্বাভাবিক রয়েছে। ফ্লাইং শিখ-এর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন অগণিত অনুরাগী।

মে ২৫, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন শোভন, ফিরছেন গোলপার্কের বাড়িতে

নারদা মামলায় অভিযুক্ত শোভন চট্টোপাধ্যায়কে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিচ্ছে এসএসকেম। শনিবার উডবার্ন ওয়ার্ডের বারান্দা থেকে আদালতের নির্দেশে গৃহবন্দি শোভন অভিযোগ করেন তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে এসএসকেএমে। তিনি সুস্থ। বাড়ি নয়ত প্রেসিডেন্সি জেলেও ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে আর এক দণ্ড থাকতে রাজি নন তিনি। এই প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধেবেলা এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ শোভনকে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের হাতে সঁপে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। এদিন এসএসকেএম থেকে বেরিয়ে ফিরহাদ হাকিমের মতো শোভনও গৃহবন্দি থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে তিনি গোলপার্কের বাড়িতেই ফিরছেন তিনি। নারদ মামলা নিয়ে জল ঘোলা শুরু হতেই ফের আলোচনায় এসেছেন শোভন-বৈশাখী জুটি। এবার নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন মেয়রের গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ প্রসঙ্গ কে কেন্দ্র করে ফের তাঁর পারিবারিক কূনাট্য সামনে এসেছে। এতদিন দল হিসাবে এসব পারিবারিক বিবাদ থেকে দূরত্ব রাখছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবার ঘটনাপ্রবাহে যুক্ত হয়ে পড়েছে পড়েছে রাজনীতি। শনিবার শোভন চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতাল থেকে মুক্তি দেওয়া নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, আদালত গৃহবন্দি থাকার রায় দিলেও শোভনকে এসএসকেএম হাসপাতালে একপ্রকার জোর করে আটকে রাখা হচ্ছে। এটা দুই সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার বলে তিনি সরব হন।ব্যক্তিগত রিস্ক বন্ড দিয়ে তাঁকে বাড়ি ফেরানোর আবেদন করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। নিজের আইনজীবীর মারফত একইদিনে হাসপাতাল এবং জেল কর্তৃপক্ষের কাছে মোট পাঁচটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শোভনের ঠিকঠাক চিকিৎসা করাবেন তিনি।এদিকে শনিবার বিকালে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হন শোভন। সেখানে অভিযোগ করেন, যুক্তি দেখাতে গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এভাবে তাঁকে ডমিনেট করা যাবে না। তিনি জানান এসএসকেএমে না খেয়ে রয়েছেন। এখানে যদি না বলা কথা থেকে যায় তাই সাংবাদিকদের কাছে তাঁর আসা।শোভন প্রশ্ন তোলেন, কেন নারদ মামলায় মাত্র চারজনকে আটক করে রাখা হয়েছে? জানান, তাঁর আর শারীরিক অসুবিধা নেই। তাঁকে প্রেসিডেন্সি জেলেও পাঠিয়ে দেওয়া হোক, কিন্তু হাসপাতালে আর তিনি থাকতে রাজি নন।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

এবার করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর স্ত্রীর শরীরেও। মীরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যেরও উপসর্গ ছিল। সেই কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তাঁরা। দুজনেরই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। বুদ্ধদেববাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে মীরাদেবী অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০-৮৫ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলেই খবর। সেই কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বিপর্যস্ত দেশবাসী। রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই বহু রাজনীতিবিদের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। বহু বিশিষ্টজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতিত মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। একাধিক ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

অসুস্থ মদন ও শোভন, ভর্তি এসএসকেএম হাসপাতালে

সোমবার সকালে গ্রেপ্তার, সন্ধেয় জামিন এবং তার কিছুক্ষণ পরে জামিনের নির্দেশের উপর কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ। নারদ কাণ্ডে চার বিধায়ক-মন্ত্রীর গ্রেপ্তারি নিয়ে নাটকীয় টানাপোড়েনে উত্তাল রাজনীতির অলিন্দ। তারই মাঝে সোমবার গভীর রাতে প্রেসিডেন্সি জেলেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, প্রাক্তন তৃণমূল ও বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। মদন এবং শোভন বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি। তবে সুব্রত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি।জেল হেপাজত হওয়ার পর সোমবার রাতে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় নারদ কাণ্ডে ধৃত চার হেভিওয়েটকে। তবে ভোররাতে সেখানেই ঘটে বিপত্তি। আচমকাই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগতে থাকেন মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় । অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও। ভোররাত ৩টে ৪০ মিনিট নাগাদ তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ এবং ১০৬ নম্বর কেবিনে ভরতি রয়েছেন মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। সদ্য করোনাজয়ী মদন মিত্রের সামান্য শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।এছাড়াও একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। যা নিয়ে সোমবার রাতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর ছেলে এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে শোভনের শ্বাসকষ্টের সমস্যাই রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় দুজনের শারীরিক অবস্থাই স্থিতিশীল। এদিকে, ভোররাতে অসুস্থ বোধ করেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও । তাঁকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। যদিও তিনি হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালের দিকে অসুস্থ মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। প্রয়োজন বুঝলে একাধিক চিকিৎসককে নিয়ে তাঁদের চিকিৎসায় তৈরি হতে পারে মেডিক্যাল টিমও।

মে ১৮, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

কোভিডে মৃতের দেহ পড়ে থাকল ৪৮ ঘণ্টা, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সৎকারের ব্যবস্থা

রেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের টানাপোড়েনে কোভিডে মৃতের দেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পড়ে রইল। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অবশেষে দেহটির সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে বেলা ৩টে নাগাদ মৃত্যু হয় বেলুড়ের ৮/১/এ, বিভূতিভূষণ লেনের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র বাইনের(৬৬)। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ১২দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেলুড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে তাঁকে লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি করার কয়েক ঘণ্টা পরে থাকার পর বেলা প্রায় ৩টে নাগাদ পরিজনদের জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর খবর।দেহটি ওইভাবেই পড়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের উপরেই চাপানো হয়। এই চাপানউতোরের জেরে মৃতার কন্যা বাবার দেহ সৎকারের আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে থাকেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রচুর টাকা দাবি করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে কমলিকা বাইন জানান, তাঁর বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে লিলুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। হাসপাতাল থেকে তাদের বলা হয় সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্বে মৃতদেহ তারা নিয়ে যাবেন অথবা মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, রবিবার ছুটির জন্য পুরনিগম গাড়ি পাঠাতে পারেনি। সোমবারও তারা আসতে পারবে না। এতদিন মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা সম্ভব নয় বলে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের নার্সদের

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখালেন নার্সিং কর্মীরা। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে চরম অব্যাবস্থার অভিযোগ। পর্যাপ্ত সাফাই কর্মী ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর অভাবে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোগীর মলমূত্র-সহ বিছানা পরিষ্কার না হওয়ার অভিযোগ রোগীদের। এদিন দুপুরে ডিউটি শেষ করে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নার্সরা। মূলত পরিকাঠামোর অভাবেই এই কোভিড হাসপাতালে সাফাই সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই বিক্ষোভ দেখালেন নার্সরা। তাঁদের অভিযোগ, ড্রপিং এরিয়া, যেখানে ডিউটি শেষে নার্সরা তাঁদের পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট কিট বা পিপিই কিট ছেড়ে রাখেন সেই এলাকা প্রত্যেক শিফটের পরে পরিষ্কার করার কথা থাকলেও তা করা হয় না। ফলে থেকে যায় সংক্রমণের আশঙ্কা। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাথরুমের জল ওয়ার্ডের ভিতরে ঢুকে পড়ছে। এগুলি পরিষ্কার হচ্ছে না। তার উপর হাসপাতালের রোগীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত খাবার জল। এমনকী, কোনও রোগীর মৃত্যু হলে সেই দেহ পড়ে থাকছে শয্যায়। পাশে থাকা অন্য রোগীরা যার ফলে তীব্র সমস্যায় পড়ছেন বলে অভিযোগ। নার্সদের আরও অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না-থাকাতেই এই নরকীয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীর পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে এই কর্মচারী পর্যাপ্ত না থাকায় তৈরি হয়েছে সমস্যা। তাঁরা জানান, ২০০ জন রোগী পিছু ১২ ঘণ্টায় মাত্র এক জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থাকছে। ফলে অপরিষ্কার হয়ে পড়ে থাকছে কোভিড ওয়ার্ড। হাসপাতালের এক নার্সের অভিযোগ, রোগীরা শয্যা থেকে পড়ে গেলে তাঁদের বেডে তোলার মতো লোক থাকছে না। অক্সিজেন দেওয়ার লোক নেই। চূড়ান্ত এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও রোগীর পরিবারে তাদের পেশেন্ট সংক্রান্ত খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হলেও সেই ফোন নম্বরে ফোন এলে রোগীর সেবা করতে গিয়ে পরিজনদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মত সুযোগ পাচ্ছেন না নার্সরা। ফলে রোগীর পরিজনরাও তাঁদের রোগীর খবর না পেয়ে অসহায় বোধ করছেন এবং অভিযোগও করছেন। হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী না থাকায় সমম্বয়ের অভাবে চিকিৎসা পরিষেবা দিতেও সমস্যা হচ্ছে বলে এদিন দাবিপত্রে জানান বিক্ষোভরত নার্সরা। এদিকে এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের একটি দলকে বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমস্যা থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এই কোভিড হাসপাতাল নিয়ে বারে বারেই নানান অভিযোগ তুলেছেন রোগীর পরিজনরা। এবারে পরিকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরে বিক্ষোভে সামিল হলেন নার্সরা। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বিক্ষোভ উঠে যায়।

মে ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দীপিকা পাড়ুকোন, সংক্রমিত গোটা পরিবারও

বলিউডে আরও ভয়াবহ করোনা চিত্র। এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। মঙ্গলবার সকালেই খবর মিলেছিল, দীপিকার বাবা, প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সন্ধেবেলাই দীপিকার করোনা সংক্রমণের দুঃসংবাদ এল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে থাকা দীপিকার শরীরেও মারণ করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। মৃদু উপসর্গ নিয়ে আপাতত তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেক আগে দীপিকার বাবা প্রকাশ, মা উজ্জ্বলা এবং ছোট বোন অনিশার করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সকলের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়। তাঁরা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। প্রকাশ পাড়ুকোনের জ্বর না কমায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এবার দীপিকার করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মাসে মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অভিনেতা রণবীর কাপুরও। দীপিকা নিজের পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন থাকতে চেয়েছিলেন। তবে তা খুব একটা আনন্দদায়ক হল না। পরিবারের সকলেই পড়লেন করোনার কবলে। এই মুহূর্তে দীপিকার হাতে বলিউডের বেশ কিছু কাজ রয়েছে। কিন্তু তিনি আচমকা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেসব কাজই অনেকটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। যদিও খবর, এখনও পর্যন্ত দীপিকার তেমন গুরুতর অসুস্থতা নেই। তাই বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। প্রিয় নায়িকার এই অবস্থার কথা জানতে পেরে মুষড়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তবে এই মুহূর্তে রণবীর কেমন আছেন, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

গুজরাতের কোভিড হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত অন্তত ১৮

কোভিড হাসপাতালে আগুন লেগে জীবন্ত দগ্ধ অন্তত ১৮ জন। ঘটনাস্থল গুজরাতের ভারুচ এলাকা। শুক্রবার মধ্যরাতে প্যাটেল ওয়েলফেয়ার হাসপাতালের একতলায় আগুন ধরে যায়। তবে কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধন্দ রয়েছে।ভারুচের প্যাটেল ওয়েলফেয়ার হাসপাতালের একতলায় কোভিড ওয়ার্ড। স্থানীয় সূত্রে খবর, আইসিইউতে অন্তত ২৪ জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন। আগুন লাগার পরই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে এবং ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়। সকালে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮। তাঁদের মধ্যে ২ জন নার্স রয়েছেন। বাকি ছজনের মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে খবর, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকার্যে হাত লাগান। তাঁরাই স্ট্রেচারে করে অন্তত ৫০ জন রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। আগুন নেভাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন দমকলবাহিনী ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় তাঁদের। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিটের জেরেই হাসপাতালে আগুন লেগেছে। তবে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বারবার কোভিড হাসপাতালে আগুন লাগা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।গতকাল রাতে ভারুচের পুলিশ সুপার রাজেন্দ্র সিং জানিয়েছিলেন, রাত পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে প্রকৃত তথ্য সকালে জানা যাবে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কাই সত্যি হয়। হাসপাতালের এক ট্রাস্টি জুবের প্যাটেল জানিয়েছেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ১৪ জন রোগী ও ২ জন নার্সের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও দমকলবাহিনীর সাহায্যে বাকি রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।

মে ০১, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন না-থাকায় পূর্ব বর্ধমানের হাসপাতালে বন্ধ টিকাকরণ

গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যেও উর্ধ্বমুখী কোভিড আক্রান্তের গ্রাফ।প্রতিদিন মৃতের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে ব্যাপক হারে।এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফে কোভিড টিকাকরণ অভিযানের ব্যপ্তি ঘটানোর কথাও বলা হয়।কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিটা যে সম্পূর্ণ উল্টো তা শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছেই পরিষ্কার হয়ে গেল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে হাসপাতাল চত্বরে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে দিয়ে দাবি করা হয়েছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। টিকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে এদিন সকাল থেকে যেসব বয়স্ক মানুষজন হাসপাতালে আসেন তাঁরা এই ফ্লেক্স দেখার পরেই কার্যত নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান।মারণ ভাইরাস কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিনের সরবরাহই নেই জেনে জামালপুরে বাসিন্দাদের উদ্বেগ বহুলাংশে বেড়ে গিয়েছে ।ভোট উৎসবের মাঝেই রাজ্যের অন্যান জেলার পাশাশাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ব্যাপক হারে বেড়ে চলে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা । স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট বলছে, গত ১৫ এপ্রিল জেলায় ২০২ জনের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়ে। ওই দিন পর্যন্ত জেলায় মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩২৪৪ জন , মৃতের সংখ্যা ছিল ১৮০ জন । তার পর থেকে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত জেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৩০৩ জন । অর্থাৎ ১৪ দিনে জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৫৯ জন। আর ১৪ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুয়ায়ী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশী শহর বর্ধমানে । তার মধ্যে জামালপুর ব্লকেও প্রতিদিন কোভিড আক্রান্তের হদিশ মিলে চলেছে। কয়েকদিন আগেই কোভিড আক্রান্ত হয়ে জামালপুর হাটতলা এলাকা নিবাসী এক ডেকরেটার ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় ।এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই জামালপুরের বাসিন্দা মহলে আতঙ্ক আরও তীব্র হয় । আতঙ্কের কারণে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন একটি পাড়ার এক বৃদ্ধা গত বুধবার মারা যাওয়ার পরেও তাঁর দেহ সৎকারে প্রতিবেশীরা কেউ এগিয়ে যেতে চান না । ওই বৃদ্ধা কোভিড আক্রান্ত ছিলেন, না ছিলেন না তাও কারুর জানা নেই। তবুও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান এলাকার চার জনের হাতে দুষ্প্রাপ্য কিট তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন । তার পর তারা ওই কিট পরিহিত হয়ে বৃদ্ধার মৃতদেহ সৎকারের জন্য জামালপুর শ্মশানে নিয়ে যান ।এইসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করে জামালপুরের বাসিন্দারা কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রিব হয়ে ওঠেন । টিকা পাওয়ার জন্য বিগত কয়েকদিন যাবৎ বহু বাসিন্দা রাত থেকেই জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন । টিকা দেওয়াও চলছিল স্বাভাবিক নিয়ম মেনে । কিন্তু কোভিড ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় শুক্রবার টিকাকরণ একেবারে থমকে থাকে। এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক ঋত্বিক ঘোষ বলেন ,কোভিড ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাওয়ার পর এদিন পর্যন্ত আর ভ্যাকসিন হাসপাতালে পৌঁছয়নি । কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ যে নেই তা জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্যেই ফ্লেক্সে লিখে হাসপাতাল চত্বরে ঝোলাতে হয়েছে । ঋত্বিক বাবু আরও জানান ,গত ২৫ জানুয়ারি থেকে জামালপুর হাসপাতালে কোভিডের টিকা দেওয়া শুরু হয় । প্রথম দিকে টিকা নেওয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ খুব কম ছিল । মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আসার পর থেকে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন জামালপুরের বাসিন্দারা । সংক্রমণের হার ফের বাড়তে শুরু করায় গত তিন সপ্তাহ যাবৎ কোভিডের টিকা নেওয়ার জন্য হাসপাতাল চত্ত্বরে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। ভ্যাকসিন এলে ফের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক প্রণব রায় জানিয়েছেন, জেলায় ভ্যাকসিন অপ্রতুল থাকাতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন ঘাটতির জন্য এদিন জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছাড়া জেলার আর কোনও হাসপাতালে এদিন টিকাকরণ বন্ধ ছিল কিনা সেই বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক কিছু জানাতে পারেননি । এমনকী, ভ্যকসিন সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়েও সিএমওএইচ এদিন কিছু বলতে পারেননি।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

ফের অগ্নিকাণ্ড মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে, মৃত ৪ রোগী

পালঘরের পরে এবার মহারাষ্ট্রের থানে । ফের হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। মঙ্গলবার মাঝরাতে আগুন লেগে যায় ওই বেসরকারি হাসপাতালে। অন্তত ৪ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ২০-র বেশি রোগীকে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে থানের পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে।সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাত ৩টে ৪০ নাগাদ আগুন লাগে থানে জেলার মুম্ব্রা এলাকার প্রাইম ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে। আচমকাই হাসপাতালের এক জায়গা থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। এরপর দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে আগুন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন ও একটি উদ্ধারকারী গাড়ি। জানা গিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। রোগীদের অন্য হাসপাতালে সরানোর সময়ই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ জনই আইসিইউয়ে ভর্তি। একজন বর্ষীয়ান নাগরিক। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন মন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র আওয়াদ। তিনি জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয় পুরসভা দ্রুত এবিষয়ে বিশদে জানাবেন।গত শুক্রবারই মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার এক কোভিড হাসপাতালে আগুন লাগে। অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। তারও আগে ২১ এপ্রিল রাজ্যের নাসিকে অক্সিজেন ট্যাংক লিক করায় ২২ জন রোগীর মৃত্যু হয়।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
দেশ

ফের অক্সিজেনের অভাবে দিল্লির হাসপাতালে ২০ কোভিড রোগীর মৃত্যু

অক্সিজেনের অভাবে ফের মৃত্যুর ঘটনা দিল্লিতে। জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালে শুক্রবার রাতে ২০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেনের অভাবে। ওই হাসপাতালের শীর্ষস্তরের এক আধিকারিক শনিবার এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন। অক্সিজেনের অভাব দিল্লিতে কী ভয়ঙ্কর অবস্থা তৈরি করেছে, তা ফের সামনে আনল এই ঘটনা।জয়পুর মেডিক্যাল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডিকে বালুজা বলেছেন, সরকারের তরফে আমাদের হাসপাতালের জন্য ৩.৫ মেট্রিক টন অক্সিজেন বরাদ্দ করা হয়েছে। সেই অক্সিজেন শুক্রবার বিকাল ৫টার মধ্যে আসার কথা ছিল। কিন্তু তা এসে পৌঁছয় মধ্যরাতে। ততক্ষণে ২০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ওই হাসপাতালে অন্তত ২২৫ জন কোভিড রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক। তাঁদের সব সময়ের জন্য অক্সিজেন দরকার বলেও জানিয়েছেন ওই আধিকারিক। যদিও ওই সব রোগীকে পর্যাপ্ত সরবরাহ করার মতো অক্সিজেন মজুত নেই বলে জানান তিনি।এর আগে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ জন রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। দিল্লির অধিকাংশ হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাব প্রকট। শনিবার সকালে মূলচাঁদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির উপ রাজ্যপাল অনিল বৈজলের উদ্দেশে। সেই জরুরি বার্তার বিষয় অক্সিজেনের অভাব। সেখানে লেখা হয়েছে, জরুরি সাহায্য দরকার। যা অক্সিজেন মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ২ ঘণ্টাও চলবে না। অথচ ১৩৫ জন রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
দেশ

মহারাষ্ট্রের কোভিড হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত ১৩

বিপত্তি যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মহারাষ্ট্রের। একে তো মহামারি মোকাবিলায় নাজেহাল অবস্থা সরকারের। তার উপর একের পর এক দুর্ঘটনা রীতিমতো নাস্তানাবুদ করছে প্রশাসনকে। নাসিকে অক্সিজেন লিক কাণ্ডের পর এবার ভিরারের এক কোভিড হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ।স্থানীয় সূত্রের খবর, গতকাল মাঝরাতে মহারাষ্ট্রের পালঘরের ভিরার এলাকার এক কোভিড হাসপাতালে আগুন লেগে যায়। সেসময় ওই হাসপাতালটিতে ৯০ জন করোনা রোগী ভর্তি ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিজয়বল্লভ হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে আগুন লেগেছিল। যার জেরে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মৃত্যু হয় ১৩ জন কোভিড রোগীর। আরও বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আজ সকালে তাঁদের পাশের কোভিড হাসপাতালে সরানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গতকাল ভোর ৩টে নাগাদ হাসপাতালটির আইসিইউ বিভাগে আগুন লাগে। সেসময় হাসপাতালে যথেষ্ট সংখ্যক নার্স বা চিকিৎসক ছিলেন না। যার জেরে আরও আতঙ্ক ছড়িতে পড়ে। খবর পাওয়ার পর দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। কাঠগড়ায় তলা হচ্ছে জেলা প্রশাসনকেও। হাসপাতালের সিইও দিলীপ শাহ এই ঘটনাকে মর্মান্তিক বলে শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে লিখেছেন, স্বজনহারানো পরিবারগুলির প্রতি সমবেদনা জানাই। আহতরা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। এই ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আর আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। বাকি রোগীদের চিকিৎসায় যাতে কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন ইতিমধ্যে। আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বাকি রোগীদের চিকিৎসা যাতে বিনা বাধায় হয়, এই বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
দেশ

অক্সিজেনের অভাবে হাহাকার দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৫

চারিদিকে কেবল অক্সিজেনের হাহাকার। গত ২৪ ঘণ্টাতেই দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জন করোনা রোগীর। শুক্রবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয় যে মাত্র দুই ঘণ্টার অক্সিজেন পড়ে রয়েছে, এদিকে ৬০ জনেরও বেশি রোগীর অক্সিজেনের দরকার। দ্রুত অক্সিজেন না পৌঁছলে তাঁদের প্রাণসঙ্কট দেখা দেবে।এ দিন, সকাল আটটা নাগাদ কেন্দ্রের কাছে অক্সিজেন চেয়ে একটি জরুরি বিবৃতি প্রকাশ করে হাসপাতাল। তাতে বলা হয়,গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর মাত্র দুই ঘণ্টার অক্সিজেন রয়েছে। ভেন্টিলেটর ও বাইপ্যাপও সঠিকভাবে কাজ করছে না। আইসিইউ ও এমার্জেন্সি বিভাগে ম্যানুয়াল ভেন্টিলেশন চালানো হচ্ছে। যেকোনও সময়ে বড় বিপদ ঘটতে পারে। ৬০ জনেরও বেশি রোগীর প্রাণ সঙ্কটে রয়েছে। দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে দ্রুত আকাশপথে অক্সিজেন সরবরাহ করা হোক।সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে গঙ্গারাম হাসপাতালে ৫০০-রও বেশি করোনা রোগীর চিকিৎসা চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা অক্সিজেনের অভাবেও মারা যেতে পারেন বলে সন্দেহ। তবে একা গঙ্গারাম হাসপাতাল নয়। দিল্লির একাধিক হাসপাতালেই চিত্রটা একই। গতকালই একটি বেসরকারি হাসপাতাল দিল্লি হাইকোর্টের দারস্থ হয় অক্সিজেন ঘাটতি নিয়ে হস্তক্ষেপের দাবিতে। এদিকে কেন্দ্রের তরফে জবাবে বলা হয়, দিল্লি সরকার অখুশি প্রেমিকার মতো ব্যবহার করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
দেশ

নিঃশেষ অক্সিজেন, হাহাকার দিল্লির হাসপাতালে !

যত তীব্র হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, তত বেশি করে হাহাকার বাড়ছে অক্সিজেনের । বুধবারই দিল্লি হাই কোর্ট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, ভিক্ষে করেই হোক কিংবা চুরি-ধার, যেমন করেই হোক অক্সিজেন জোগাতে হবে। ছবিটা যে কতটা ভয়াবহ তা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে দিল্লির মাতা চনন দেবী হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখে। দুশোর বেশি কোভিড রোগী ভর্তি রয়েছেন সেখানে। কিন্তু অক্সিজেন অপ্রতুল। স্বাভাবিকভাবেই রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। খারাপ অবস্থা রাজধানীর বহু ছোট হাসপাতালেরও। সেখানেই জোগান নেই অক্সিজেনের।গোটা দেশেই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানী দিল্লি-সহ বিভিন্ন রাজ্যে অক্সিজেনের অভাব ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে অস্বস্তি। এর মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা দিল্লির। অভিযোগ, দিল্লির জন্য বরাদ্দ অক্সিজেন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্য রাজ্যে। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার সকালে অক্সিজেন ফুরিয়ে গিয়েছে মাতা চনন দেবী হাসপাতালে। রাত থেকেই অক্সিজেনের জোগানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই ডোজ অক্সিজেন এসে পৌঁছলেও পরিস্থিতি এখনও গুরুতর।একই রকম অভিযোগ রয়েছে অন্য হাসপাতালগুলিরও। এমনকী, ৫০ শয্যার ছোট হাসপাতালগুলিতেও অক্সিজেন ফুরিয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে বাওয়ানা নামের একটি জায়গায় অক্সিজেন সিলিন্ডার ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হলেও তা পূর্ব দিল্লি থেকে বেশ দূরে। ফলে সেখানে পৌঁছনোও একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গতকালই দিল্লি হাইকোর্ট সরকারকে মনে করিয়ে দেয়, গুরুতর অসুস্থ নাগরিকদের জীবনরক্ষা করা কেন্দ্রে দায়িত্ব। বিশেষ করিডর করে হোক কিংবা বিমানের মাধ্যমেই হোক, যাঁদের অক্সিজেন প্রয়োজন তাঁদের কাছে তা পৌঁছে দিতেই হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সুজন চক্রবর্তী

এবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। মৃদু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতাবালা ঠাকুর।দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে বুকে স্ক্যান করানোর জন্য মঙ্গলবার গিয়েছিলেন সুজন। কোভিডের মৃদু উপসর্গও ছিল তাঁর। সে সময় পরীক্ষা করা হলে করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। তার পরই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। সেখানে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। তাঁর অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে সুজন চক্রবর্তীর গাড়ির চালক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে সময় অবশ্য সুজনের কোভিড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছিল। সাবধানতা অবলম্বনের জন্য দিন সাতেক নিভৃতবাসে ছিলেন তিনি।সুজনের আগেও রাজ্যের একাধিক প্রার্থী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিডের জেরে প্রাণও হারিয়েছেন বেশ কয়েক জন প্রার্থী। সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক এবং জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীর। যার জেরে দুই কেন্দ্রে পিছিয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ। চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদারও গত সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন কোভিডে। বীরভূম জেলার মুরারইয়ের বিদায়ী বিধায়ক আব্দুর রহমানেরও মৃত্যু হয়েছে কোভিডের জেরে।

এপ্রিল ২১, ২০২১
দেশ

দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান বিহারের কোভিড হাসপাতালের সুপারিটেন্ডেন্ট

দেশে প্রথমবার করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা আড়াই লক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। বাড়ছে উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই কোভিড হাসপাতালে বেডের সংখ্যার অপ্রতুলতা কিংবা অক্সিজেনের অভাবের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিহারের প্রথম কোভিড হাসপাতাল নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তীব্র অক্সিজেনের অভাব দেখা দেওয়ায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন হাসপাতালের সুপারিনটেন্ডেন্ট।যেভাবে অক্সিজেনের অভাবে হাসপাতালে ভর্তি থাকা করোনা রোগীরা ক্রমেই মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছেন তা দেখে উদ্বিগ্ন সুপারিনটেন্ডেন্ট ড. বিনোদকুমার সিং। স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য সচিবকে লেখা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, সমস্যা অত্যন্ত গভীর। রোগীদের মরতে হচ্ছে। এরপর সরকার আমাকে দায়ী করবে।কয়েকদিন আগে এক রোগীর মৃত্যুর পরে তাঁর পরিবারের সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের সংঘর্ষ বাঁধে। এক্ষেত্রেও অভিযোগের মূল কারণ অক্সিজেনের সরবরাহের অভাব।এই পরিস্থিতিতে সুপারিটেন্ডেন্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁর হাসপাতালের অক্সিজেনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে পাটনা জেলা প্রশাসনের হাতে। ফলে নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অক্সিজেন বহু সময়ই চলে যাচ্ছে অন্যান্য হাসপাতালে। এই পরিস্থিতিতে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে যে অচিরেই রোগীমৃত্যু আরও বাড়বে বলে আশঙ্কিত তিনি। আর তাই তাঁর আরজি, তিনি আর হাসপাতালের সুপারিটেন্ডেন্টের দায়িত্বে থাকতে চান না।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী, ভর্তি হাসপাতালে

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। এবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার ১ নং ব্লকের হরিদেবপুর এলাকায়। সেখানেই মহিলা-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা দলবলকে তাড়া করে বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। আচমকা আক্রমণের মুখে পড়ে দীপক হালদার আহত হন। বুকে চোট নিয়ে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি আরও ১৫ জন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। ১১৭ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের দুবারের বিধায়ক দীপক হালদার। একুশের নির্বাচনে তিনি ফের নিজের কেন্দ্র থেকে লড়বেন। তবে ঘাসফুলের বদলে পদ্মশিবিরের সৈনিক তিনি। আগামী ৬ তারিখ, তৃতীয় দফায় ভোট ডায়মন্ডহারবারে। তার আগে প্রচার চলছে জোরকদমে। শুক্রবার সেই প্রচারে বেরিয়েই আক্রান্ত হলেন দীপকবাবু। তাঁর সঙ্গে থাকা ৩৫ জনের উপরও হামলা চলে বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের আঘাত গুরুতর। সকলেই ভর্তি হাসপাতালে। বিজেপি জেলা সভাপতি দেবাংশু পণ্ডার অভিযোগ, তৃণমূল এখানে হেরে যাবে, তা বুঝেই প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গৌতম অধিকারীর পাল্টা দাবি, ওঁর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় জনরোষ ছিলই। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে, প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা হাসপাতালের সামনে ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন, বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালে রোগী, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। খবর পেয়ে পারুলিয়া উপকূল থানা ও ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামানো হয়। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের আইসি সুজন রায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে তাঁদের হটিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করে দেয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি? এবার পুলিশের তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে

তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বাড়ি তৈরির অভিযোগে এবার তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানাকে তলব করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ তাঁকে শক্তিপুর থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটি তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। সেই বাড়িকে ঘিরেই অভিযোগ উঠেছে যে জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে সেটি আগে নালা বা জলাশয়ের অংশ ছিল।এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজার নির্দিষ্ট একটি প্লটে প্রায় শূন্য দশমিক দুই একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নালা প্রকৃতির জমি সাধারণত জল বের হওয়ার ছোট খাল বা ডোবার মতো জায়গাকে বোঝায়। এই ধরনের জমি জলাশয় বা কৃষিজমির অংশ হিসেবে ধরা হয়। আইন অনুযায়ী এমন জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করা বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর চরিত্র বদলানো যায় না।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, যে বাড়ি নিয়ে এখন এত বিতর্ক হচ্ছে সেখানে তিনি প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর ধরে বসবাস করছেন। তিনি জানান, জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ভিটে করার জন্য বাম আমলেও একাধিকবার সরকারি দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরি করার সময় প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তি তোলা হয়নি।এখন তাঁর স্ত্রীর কাছে নোটিস পাঠানোকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়া ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কীর্তি আজাদকে কড়া জবাব গম্ভীরের

ভারতের টি-কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশ্বকাপ ট্রফি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন উনিশশো তিরাশি সালের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। তাঁর সেই মন্তব্যের পালটা জবাব দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। এই বিতর্কে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন উইকেটরক্ষক ঈশান কিষানও।ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই। ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহও। এই ঘটনাকে ঘিরেই প্রশ্ন তোলেন কীর্তি আজাদ। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকাপ ট্রফি দেশের সব ধর্মের মানুষের গর্ব। সেই ট্রফি কেন শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে দলের হয়ে সঞ্জু স্যামসন ও মহম্মদ সিরাজের মতো ক্রিকেটাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশ্বকাপ জয়ের পর ঈশান কিষান পাটনা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকরা কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নে কিছুটা বিরক্ত হয়ে ঈশান বলেন, তাঁরা এত পরিশ্রম করে বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং সেই সাফল্য নিয়েই কথা হওয়া উচিত। পরে যখন তাঁকে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি জানান যে দেশের জন্য এই জয় অত্যন্ত আনন্দের এবং স্মরণীয়।অন্যদিকে কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন গৌতম গম্ভীর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের প্রশ্নের কোনও গুরুত্ব নেই। ভারতের বিশ্বকাপ জয় বড় ঘটনা এবং সেটাই উদযাপন করা উচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য করলে দলের পনেরো জন ক্রিকেটারের কঠোর পরিশ্রমকে ছোট করা হয়।এই বিতর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও। তিনি বলেন, একটি দল চাইলে ট্রফি মন্দিরে, মসজিদে বা গির্জায় যেখানেই খুশি নিয়ে যেতে পারে। যদি কেউ নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা করেন, তাতে সমস্যা কোথায়। তাঁর মতে, দেশের বড় জয়কে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরের রূপ আলাদা হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসের পথ এক। তাই কারও বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আজই বাংলায় আসছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, শপথের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে বুধবারই কলকাতায় আসছেন আর এন রবি । জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা পঁচিশ মিনিটে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে । এরপর বৃহস্পতিবার তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস । তবে নিজের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি গত পাঁচ মার্চ আচমকা দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরই ঘোষণা করা হয় যে আর এন রবি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল হচ্ছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক।নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়া আর কোনও কাজ করেন না এমন একজন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন, তামিলনাড়ুতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু বাংলা সম্পূর্ণ আলাদা।আর এন রবি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি মেঘালয় এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন। এবার তাঁকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে তিনি এসআইআর বিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ধর্মতলা থেকে সরাসরি রাজভবনে যান তিনি।সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে হঠাৎ করে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি আনন্দ বোসকে বলেছেন যে এতদিন বাংলায় থাকার ফলে তিনি এই রাজ্যকে ভালোভাবে চেনেন, তাই ভবিষ্যতে আবার বাংলায় আসার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছেন।এখন নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির আগমনের পর রাজভবন এবং নবান্নের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে ওঠে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
দেশ

কোমায় পড়ে থাকা যুবকের জীবনের শেষ অধ্যায়, আদালতের অনুমতিতে সরানো হবে লাইফ সাপোর্ট

বারো বছরেরও বেশি সময় ধরে কোমায় থাকা এক যুবকের জীবনরক্ষাকারী কৃত্রিম চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই যুবকের শরীরে চলা কৃত্রিম জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ধীরে ধীরে বন্ধ করা হবে।জানা গিয়েছে, হরিশ রানা নামে ওই যুবক দুই হাজার তেরো সালে একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতর মাথায় আঘাত পান। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে তাঁকে উপশমমূলক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হবে। সেখানে পরিকল্পনা মেনে ধাপে ধাপে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা তুলে নেওয়া হবে, যাতে তাঁর মর্যাদা বজায় থাকে।এর আগে আদালত ওই যুবকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ কমিটি তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। আদালতও এই রিপোর্টকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে।নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায় এমন পরিস্থিতি, যখন রোগীর শরীর বাঁচিয়ে রাখতে যে কৃত্রিম চিকিৎসা বা যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমন ভেন্টিলেটর বা খাবার দেওয়ার নল। এতে রোগী স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। সক্রিয় ইউথেনেশিয়ার মতো এখানে কোনও প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হয় না, বরং চিকিৎসা বন্ধ করা হয় যখন সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।ভারতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে সুপ্রিম কোর্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই হাজার এগারো সালে অরুণা শানবাগ মামলায় প্রথমবার আদালত বিশেষ পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে অনুমতি দেয়। অরুণা শানবাগ মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স ছিলেন। উনিশশো তেহাত্তর সালে এক নৃশংস আক্রমণের পর তিনি দীর্ঘ সময় কোমায় ছিলেন। সেই মামলায় আদালত তাঁর জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বন্ধের আবেদন খারিজ করলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি পথ খুলে দেয়।এরপর ২০১৮ সালে একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকারও সংবিধানের জীবনের অধিকারের অংশ। সেই রায়ে জীবনের শেষ পর্যায়ে নিজের ইচ্ছা আগেই লিখে রাখার ব্যবস্থাও স্বীকৃতি পায়।পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত এই নিয়ম আরও সহজ করে দেয় যাতে পরিবারগুলির জন্য প্রক্রিয়াটি বাস্তবসম্মত হয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি বোর্ডকে জানাতে হয় যে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরপর আরেকটি চিকিৎসক বোর্ডও সেই মত নিশ্চিত করে। রোগী যদি নিজের মত জানাতে না পারেন, তবে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয় এই প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।হরিশ রানার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকা রোগীদের চিকিৎসা এবং মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal