• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hospital

খেলার দুনিয়া

সৌরভ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, খোঁজ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী

মৃদু হৃদরোগে আক্রান্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার বাড়িতে জিম করার সময় মাথা ঘুরে পড়ে যান সৌরভ। তড়িঘড়ি তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আপাতত সৌরভের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।সৌরভের আরোগ্য কামনায় টুইট করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌরভের অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জানা গেছে সৌরভের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় প্রমুখ। প্রয়োজনে সৌরভকে দিল্লির এইমসে নিয়ে চিকিৎসা করা হলে সবরকম সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এদিকে সৌরভের এই অসুস্থতার খবরে বাংলার ক্রীড়াজগতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা।সৌরভকে জরুরি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে হাসপাতালে। ইতিমধ্যে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আ্যাঞ্জিওগ্রাফি করার জন্য মহারাজকে ক্যাথ ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর ইসিজি করা হয়েছে। সেখানেই বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। এছাড়া, ইকো কার্ডিওগ্রাম করা হয়েছে। রাজ্য সরকার তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে সবরকম সহযোগিতা করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফিরলেন নিজের প্রিয় ঘরে। আগের থেকে অনেকটাই স্থিতিশীল তিনি। তাই হাসপাতালে তাঁকে রাখার প্রয়োজন আর নেই বলেই মনে হয়েছে চিকিৎসকদের। মঙ্গলবার সকালে কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়। তারপরই ছাড়া পান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে বাড়িতেও বহু নিয়ম মানতে হবে তাঁকে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখবেন চিকিৎসকরা। পাম অ্যাভিনিউতেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আইসিইউর মতো ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। বাই প্যাপের সুবিধাও রয়েছে। আগামী কয়েকদিন হালকা ডায়েটই চলবে বলে জানা গিয়েছে। বুদ্ধবাবুর বাড়িতেই নেবুলাইজেশনের ব্যবস্থা ও পোর্টেবল ভেন্টিলেটর রয়েছে, তাই সেদিক থেকেও অসুবিধা হবে না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রক্তচাপসহ অন্যান্য প্যারামিটার স্বাভাবিক। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির অভিযোগ নস্যাৎ করে টুইট ডেরেকের ৯ ডিসেম্বর দুপুরে শ্বাসকষ্ট নিয়ে দক্ষিণ কলকাতার উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভরতি হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। প্রথমদিকে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকটা কমে যাওয়ায় বেশ উদ্বেগ ছিল। ক্রিটিক্যাল কেয়ার ডিপার্টমেন্টে তাঁকে ভরতি করানোর পর অক্সিজেন দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তে থাকে। দলীর নেতাদের পাশাপাশি তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

ভাল আছেন বুদ্ধদেব, মঙ্গলবার ফিরছেন বাড়ি

ভাল আছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে তাঁর।মঙ্গলবারই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, রবিবার রাতেও ভালভাবে ঘুমিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সকালে তাঁকে খবরের কাগজ পড়ে শোনানো হয়েছে। তবে চোখের সমস্যার কারণে তাঁকে টিভি দেখতে দেওয়া হয়নি। নরম খাবারের বদলে তাঁকে ফল ও কিছুটা শক্ত খাবার দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুন ঃ আমি একশোবার চাইব, রাজ্যে ৩৫৬ জারি হোকঃ মুকুল পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছেন বুদ্ধদেববাবু। তাঁর ক্যাথিটারও খুলে দেওয়া হয়েছে। অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হওয়ায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তাঁর শরীরের বিভিন্ন মাপকাঠি স্বাভাবিক রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন রিপোর্ট খতিয়ে দেখে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

সঙ্কট মুক্ত রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

অনেকটাই সুস্থ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শুক্রবার রাতে ভাল ঘুম হয়েছে তাঁর। চেতনাও একেবারে স্বাভাবিক। অল্প অল্প কথাও বলছেন তিনি। শনিবার সকালে এমনই স্বস্তি খবর শোনাল উডল্যান্ডস হাসপাতাল। এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, ৭৬ বছরের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বর্তমানে বিপদমুক্ত। আরও পড়ুন ঃ মোদী সরকারের সমালোচনা করলে দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেনঃ অপর্ণা সেন গত রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হয়েছে তাঁর। জ্ঞানও রয়েছে। কথা বলতেও পারছেন। রক্তচাপের মাত্রা ও মূত্রত্যাগের পরিমাণও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। জানা গিয়েছে, জ্ঞান ফেরার পরই চিকিৎসক ও সবসময়ের সঙ্গীকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন, আমি বাড়ি যেতে চাই। এদিনই সরিয়ে দেওয়া হতে পারে তাঁর ইউরিনারি ক্যাথিটারও। তবে এখনও অ্যান্টি বায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধগুলি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। অর্থাৎ সব ঠিকঠাক থাকলে শীঘ্রই তাঁকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। উল্লেখ্য, শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত বুধবার দুপুরে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। প্রথমদিকে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকটা কমে যাওয়ায় বেশ উদ্বেগ ছিল। ক্রিটিক্যাল কেয়ার ডিপার্টমেন্টে তাঁকে ভরতি করানোর পর অক্সিজেন দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তে থাকে। দলীয় নেতাদের পাশাপাশি তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে

ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আনা হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। শুক্রবার বিকেলের আগেই সুখবর শোনালেন উডল্যান্ডস হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। এদিন বিকেল নাগাদ উডল্যান্ডস হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, বেলা ১১.৩০ নাগাদ ধীরে ধীরে ৭৬ বছরের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে ভেন্টিলেশনের বাইরে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ডেকে পাঠালেও দিল্লি যাচ্ছেন না মুখ্যসচিব ও ডিজি পরবর্তী দুঘণ্টা ধরে তাঁকে পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছিলেন চিকিৎসকরা। স্বাভাবিকভাবে তিনি শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারছেন কি না, রক্তচাপ কিংবা রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে কি না, এসবই নজরে ছিল চিকিৎসকদের। শেষপর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা সফল হয়েছে বলেই বুলেটিনে জানিয়েছেন তাঁরা। আপাতত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে আরও বেশ খানিকটা সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

শারীরিক অবস্থার উন্নতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর

শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর। শুক্রবার সকালে উডল্যান্ডস হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ আর তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না। রক্তচাপ, অক্সিজেনের মাত্রা আপাতত স্বাভাবিক। ধীরে ধীরে সাড়া দিচ্ছেন। তবে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থা এখনও কাটেনি তাঁর। ভেন্টিলেশনের মাত্রা কমলেও, তা চলছে। এই মুহূর্তে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৬, যা স্বাভাবিক। তাকে রাইস টিউব দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। তিনি ধীরে ধীরে তা গ্রহণ করতে পারছেন। ডাকলে খুব ধীরে চোখ খুলে সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বেশ কয়েকটি স্টেরয়েড, অ্যান্টিবায়োটিক এখনও দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। সর্বক্ষণ তাঁকে নজরে রেখেছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুন ঃ কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করে দিল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রসঙ্গত, শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার দুপুরে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভরতি হন ৭৬ বছর বয়সি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। প্রথমদিকে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকটা কমে যাওয়ায় বেশ উদ্বেগ ছিল। তবে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ডিপার্টমেন্টে তাঁকে ভরতি করানোর পর অক্সিজেন দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তে থাকে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

এখনও সঙ্কটজনক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে এখনই সঙ্কটমুক্ত বলতে নারাজ চিকিৎসকেরা। ভেন্টিলেশনেই রাখা হয়েছে প্রক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর শরীরের একাধিক প্যারামিটার অবশ্য সন্তোষজনক। বৃহস্পতিবার বিকেল এক মেডিক্যাল বুলেটিনে এমনটাই জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফে। মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে এখনও পর্যন্ত ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। তন্দ্রাচ্ছন্ন রয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ প্রচার না পেয়ে গুন্ডাদের দিয়ে হামলার নাটক করাচ্ছেঃ মমতা তাঁর দেহে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ শতাংশ। রক্তচাপ, পালস রেট ঠিক আছে। ইউরিন ঠিকমতো হয়েছে। সকালে বৈঠকের পরে মেডিক্যাল বোর্ডের তরফে জানানো হয় বুদ্ধবাবুর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি। আচ্ছন্ন থাকলেও জ্ঞান আছে। এখনও মেক্যানিক্যাল ভেন্টিলেশনেই আছেন। এবং আপাতত সেখানেই থাকবেন। তবে যাতে তাঁকে সেখান থেকে বের করে আনা যায় ধীরে ধীরে সেই চেষ্টাই চলছে। বিকেলের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে স্যালাইনের মাধ্যমে। খাবার দেওয়া হচ্ছে রাইস টিউবের সাহায্যে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জেরে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। বুধবার দুপুরে তাকে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভরতি করা হয়। হাসপাতালে ভরতি করার সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সেখানে তাঁর কন্যা উপস্থিত হয়। তাঁর চিকিৎসায় চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অক্সিজেনের স্যাচুরেশন লেভেল ৭০ হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করে অক্সিজেন দিতে হয়েছে। এর জেরে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা আগের থেকে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শারীরিক অবস্থার কারণেই দীর্ঘদিন জনসমক্ষে দেখা যায়নি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। আরও পড়ুন ঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ তৃণমূলের সিপিএমের কোনও দলীয় কর্মসূচিতেও তিনি এখন আর যোগ দিতে পারেন না, যেতে পারেন না দলীয় দফতরে। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি চোখের সমস্যাতেও ভুগছেন তিনি। বাড়িতেও কৃত্রিম অক্সিজেন সাপোর্টের রাখা হয়েছিল তাঁকে। মাস কয়েক আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। সেসময় তাঁর খোঁজ নিতে বুদ্ধবাবুর বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়িতে গিয়ে তাঁকে দেখে আসেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

অভিযু্ক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট লঘু করা হয়েছেঃ অগ্নিমিত্রা

ধর্ষণের ঘটনায় অভিযু্ক্ত তথা ধৃ্ত মনোহর ঘোষ কতদিন পুলিশ হেফাজতে থাকবে , তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি অভিযোগ করেন, চার্জশিট লঘু করা হয়েছে। শনিবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুদবুদের ধর্ষিতাকে দেখতে এসে এভাবেই রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি বলেন, প্রতিবাদ করতে গেলে আমার নামে এফআইআর করা হচ্ছে। দিদিমণি যে আমাকে অত্যন্ত ভালবাসেন , এটা জেনে ভাল লাগল। উনি যদি ভাবেন, আমাকে বা আমাদের মহিলা মোর্চার সদস্যাদের কেস দিয়ে আটকাতে পারবেন, পারবেন না। দশ বছর ধরে মহিলাদের উপর যে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে না তিনি প্রতিবাদ করছেন। কোনও ব্যবস্থাও গ্রহণ করছেন না। দিনের পর দিন ধর্ষণ হচ্ছে। কোনও শাস্তি নেই, বিচার নেই। তৃ্ণমূল দল থেকে টাকা নিয়ে কেস তোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমাকে এফআইআর দিয়ে যদি নারী নিগ্রহের ঘটনা বন্ধ হয় , তা হলে আমায় আরো এফআইআর দিন। আরও পড়ুন ঃ কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি সিবিআইয়ের প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর বুদবুদের মৌগ্রামে এক তপশিলী বালিকা ধর্ষিতা হয়। বিজেপির তরফে অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত তৃণমূল গ্রাম প্রধানের ছেলে পাপাই ঘোষ। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে শুক্রবার বিজেপি যুব মোর্চা ওই গ্রামে যায়। ওই নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ওই মেয়েটি কিছু জিনিস আনার জন্য দোকানে যাচ্ছিল। সে সময় তাকে জোর করে মুখ বন্ধ করে ঝোপে টেনে নিয়ে নির্যাতন চালায় অভিযুক্ত। বিজেপির অভিযোগ, অভিযুক্ত মনোহর ঘোষ পঞ্চায়েতে তৃণমূল পদাধিকারীর ছেলে। নির্যাতিতাকে মানকর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদিন অগ্নিমিত্রা হাসপাতালে আসেন ও নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন ওই মেয়েটিকে কার্যত একটি ১২ ইঞ্চি জায়গায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে মাননীয়া দাবি করছেন রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এদিন অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন রাজ্যে জলপাইগুড়ি সহ নানা স্থানে একাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে অভিযুক্ত যদি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বা সমর্থক হন তাহলে পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে থাকছে। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। কেস লঘু করে দেওয়া হচ্ছে। এই চুক্তিতে যে ভবিষ্যতে তাকে দিয়ে আরো নানা কাজ করানো যাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ তিনি আরও বলেন, আমি কি কোনও ্মিথ্যা কথা বলেছি? আপনি যদি ধর্ষিতাদের টাকা না দিয়ে নির্ভয়ার মতো শাস্তি দিতেন, তাহলে আমরা বেশি খুশি হতাম। তাহলে আমাদের আন্দোলন করার দরকার হতো না। কিন্তু আপনি সেটা করেননি। আপনি এবং আপনার পুলিশ সমস্ত কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এনসিআরবির রিপোর্ট এখনও জমা পড়েনি কেন, সে বিষয়ে ্প্রশ্ন তোলেন তিনি। সব অপরাধের শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, এই মন্তব্য করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ নিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, পদত্যাগ করার কথা। ও্নার মতো দক্ষ সংগঠক যাদের অন্য কাউকে তোষামো্দ করার প্রয়োজন পড়ে না, তারা টিএমসিতে থাকতে পারবেন না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাইপো ছাড়া কাউকে মান্যতা দেন না। কোনো দায়িত্ববান গুণী, কাজের মানুষ ওদের সঙ্গে থাকতে পারবেন না। তাই কোনো যোগ্য মানুষ ওই দলে থাকতে পারবেন না। ও্নার বিজেপিতে যোগ দেওয়া উচিত। বিজেপির দরজা সবার জন্য খোলা।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের

অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাইপাসের একটা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে এসেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও তাঁকে দেখতে আসেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মুকুল রায়কে দেখে এসে দিলীপবাবু বলেন, মুকুলদা এখন ভালো আছেন। তিনি খুব শীঘ্রই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আজ সকালে তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। দু-একদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটিও দেওয়া হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন দলীয় নেতা - কর্মীরা।

নভেম্বর ২০, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে ডায়ালিসিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের

একইরকম রয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা। বুধবার ডা. অরিন্দম কর জানান, নতুন করে সৌমিত্রবাবুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি যেমন হয়নি, তেমনই পরিস্থিতির অবনতিও হয়নি। তাঁর রক্তক্ষরণ বন্ধ করা গিয়েছে। হিমোগ্লোবিন-সহ অন্যান্য বিষয়গুলিও স্থিতিশীল। গত ২৪ ঘণ্টায় ১.৫ লিটার ইউরিন হয়েছে। তবে রেনাল ফাংশানের উন্নতির প্রয়োজন। এর জন্য ২-৩টি এপিসোডের ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য এতে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ কমবে। যার ফলে আচ্ছন্নভাব কিছুটা হলেও কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফুসফুসের অবস্থাও মোটামুটি স্থিতিশীল। প্রবীণ অভিনেতার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যেই রয়েছে। গত ৬ অক্টোবর থেকে তিনি বেলভিউ হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। করোনা আক্রান্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। কিন্তু বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি হওয়ায় তাঁকে ডায়ালিসিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কতৃ্পক্ষ ।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অনুপম হাজরা

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন বিজেপির জাতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। সোমবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। কয়েকদিন আগে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে বিপি পোদ্দার হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। তার কোনও কো- মরবিডিটি ছিল না। আরও পড়ুনঃ রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর তিনি দলের এক কর্মীসভায় বলেছিলেন , আমার করোনা হলে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জড়িয়ে ধরব। তার কয়েকদিন বাদে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর থেকেই তিনি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ আরও বিপজ্জনক হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদেরও। এই পরিস্থিতি সোমবার রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত বেডের ব্যবস্থা ও রাজ্যের নানা প্রান্তে পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পুজোর আগে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ডিজি, কলকাতা, হাওড়ার পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও ছিলেন কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের কমিশনার, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অন্যান্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুনঃ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের নবান্নের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিজে উপস্থিত না থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে আরও একবার পুজোয় মাস্কের আবশ্যকতার কথাও উল্লেখ করেন। এছাড়া সকলে মাস্ক পরছেন কিনা সেদিকে পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের নজর রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া সকলকে পুজোয় ঠাকুর দেখার সময় মাস্ক (Mask) পরার কথাও বলেন তিনি। সকলে আদৌ মাস্ক পরছেন কিনা তা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সুনিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

জ্বর নেমেছে দিলীপ ঘোষের, কো মর্বিডিটি না থাকায় স্বস্তি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবারই রাত দশটা নাগাদ সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শনিবার সকালে অনেক ভাল আছেন দিলীপ ঘোষ। জ্বর অনেকটাই কমেছে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক নয় বলে জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফ থেকে। কারণ , কোনও কোমর্বিডিটি নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আজ নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র জানা গিয়েছে, গত তিনদিন ধরেই হালকা জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। অসুস্থ থাকায় বাতিল করেছিলেন একাধিক দলীয় কর্মসূচিও।শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হলে সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১০২ ডিগ্রি জ্বর থাকায় তাঁকে শুক্রবার এইচডিইউতে ভর্তি করা হয়। তাঁর আক্রান্ত হওয়ার খবরে রীতিমতো চিন্তায় বিজেপিকর্মী সমর্থকরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
রাজ্য

কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো্র নির্দেশ বিচারকের

ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদকে কেন্দ্র করে খুন হয় ইশরার। তিনি আসানসোল উত্তর থানার রেলপাড়ের বাসিন্দা। তার পিতার নাম হাজি ইমতিয়াজ। ইশরারের শশুর মুস্তাফিজ আলম আসানসোল দক্ষিণ থানায় ইশরারকে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা আদালতে গেলে বিচারক কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ পালন করতে গিয়ে স্থানীয় লো্কজনের বাধায় ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। এরপর শুক্রবার বিশাল পুলিশ বাহিনী, বিচারক, চিকিৎসকের উপস্থিতিতে কবর থেকে মৃতদেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও ১ জানা গিয়েছে, কাপড়ের দোকানের সামনে ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদ। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় ইশরার।এরপর মহঃ জালোর পাঁচ ছেলে মিলে ইশরারকে মারধর করে। ঘটনাটি ঘটেছে, গত রবিবার আসানসোল বাজারে। এরপর ইশরারকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই মারা যান তিনি। এরপর তার মৃতদেহ শীতলাডাঙ্গা কবরস্থানে কবর দেওয়া হয়।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

পড়ে গেলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী, ভরতি হাসপাতালে

বাসভবনে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এরপরই তাঁকে শিলিগুড়ির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করেন পরিবারের সদস্যরা।এর জেরে শনিবার নাটাবাড়িতে মন্ত্রীর একাধিক দলীয় কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,এদিন সকালে বাসভবনে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে যান মন্ত্রী। বেশ কয়েকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন।ফলে শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর মিটিংয়ের দ্বিতীয় দিন সেখানে না থেকেই বাড়ি ফিরে আসেন।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনায় মৃত্যু হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপারের

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপার প্রণীত দাসের(৫৮)। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসায় পরের দিনই তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা। সেদিনই তিনি মারা যান। কয়েক মাস আগে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার করোনায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দেন তিনি। এছাড়াও হাওড়া জেলা হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আবার সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতা তোয়াক্কা না করে তিনি কাজ করছিলেন হাসপাতালে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

শিশুমৃত্যুর অভিযোগে তুলকালাম কালনা হাসপাতালে, চিকিৎসক, নার্স নিগ্রহে গ্রেফতার ৪

শিশুমৃত্যুর অভিযোগকে ঘিরে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর উত্তেজনা ছড়ায় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। প্রসূতীর পরিবার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ আনার পর নার্সরা তাঁদের ও চিকিৎসক, স্বাস্থ‌্যকর্মীদের নিগ্রহের পাল্টা অভিযোগ আনেন। হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে আপাতত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কালনার নিভূজির বিউটি বিবির শ্বশুরবাড়ি নান্দাইয়ে। সন্তানসম্ভবা অবস্থায় তিনি বাপের বাড়িতে ছিলেন। প্রসব যন্ত্রণা ওঠায় রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় ভর্তি করা হয় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। তাঁর নিকটাত্মীয় খাদেম শেখের অভিযোগ, রাতভর বিউটির কোনও চিকিৎসা হয়নি। অন্যত্র নিয়ে যেতে চাইলে ছাড়তে রাজি হয়নি হাসপাতাল, উল্টে দুর্ব্যবহার করেন নার্সরা, অভিযোগ এমনই। সোমবার বেলা ১টা নাগাদ পরিবারকে জানানো হয়, বিউটির সন্তান মারা গিয়েছে। নার্সদের অভিযোগ, এরপর বিউটির পরিবার ও ঘনিষ্ঠ লোকজনরা আচমকা হাসপাতালের পাঁচ তলায় উঠে গিয়ে নার্স, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধর করে তাণ্ডব চালাতে থাকে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাও ছিল না বলে অভিযোগ। এরপর দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে নার্সরা কালনার হাসপাতাল সুপার ডা. কৃষ্ণচন্দ্র বরাইকে ঘেরাও করে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি দেন। সুপার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, প্রসূতীর শারীরিক জটিলতা ছিল। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তবে সিজার করেও শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। প্রসূতীর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের নিরাপত্তাও বাড়ানোর আবেদন করেছি। এরপর থেকে আরও বেশি পুলিশ থাকবে বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে যান কালনার এসডিপিও, ওসি-সহ বিশাল পুলিশবাহিনী। হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে চলছে তল্লাশি। কোনও অভিযুক্তকে ছাড়া হবে না, পুলিশের এমন আশ্বাস পেয়ে দুপুর থেকে চলতে থাকা আংশিক কর্মবিরতি বিকেলে উঠে যায়‌। কর্মবিরতির ফলে চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল সুপার। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal