• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hospital

রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা মঞ্চে গিয়ে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমি ছুটে এসেছি। কাল সারারাত ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। আপনারা কষ্ট পেয়েছেন। আমিও রাতে ঘুমোতে পারিনি। আমারও কষ্ট হয়েছে। আমি নিজে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে এসেছি। আমি যখন এসেছি কাজ করবই। অনেক কষ্ট পেয়েছেন আপনারা। আপনাদের দাবিগুলো নিয়ে আমি কথা বলব। আপনাদের দাবিগুলি আমি ভাবব, আমি চিন্তা করব। দোষী শাস্তি পাবেই। সিবিআইকে অনুরোধ করব যত তাড়াতাড়ি বিচার হোক। তিন মাসের মধ্যে তারা যেন ফাঁসির অর্ডার দেয়। আপনাদের প্ল্যাটফর্ম থেকেই সিবিআইকে অনুরোধ জানাব।আমাকে একটু সময় দিন। আমার উপর যদি ভরসা থাকে আমি কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। আমার পোস্টটা বড় কথা নয়। মানুষের পোস্টটাই বড় কথা। আপনারা এত কষ্ট করে ঝড় জলে রয়েছেন। আপনাদের পরিবারও কষ্টে রয়েছে। আপনারা কাজে যোগ দিন। আপনাদের প্রতি আমি কোনও অবিচার করব না। হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। সব হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতিতে অধ্যক্ষদের চেয়ারম্যান করব। সদস্য হিসেবে, জুনিয়র-সিনিয়র ডাক্তার, নার্স ও একজন পাবলিক রিপ্রেসেন্টেটিভ থাকবেন এবং পুলিশও থাকবে। আরজি কর মেডিকেল কলেজ সহ সব মেডিকেল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দিলাম। আপনাদের বাদবাকি যা দাবি আছে যদি সত্যি কেউ দোষী হয় তারা শাস্তি পাবে। দোষীরা আমার বন্ধু নয়। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক। এই খুনের সাথে ও দুর্নীতির সাথে কেউ জড়িত থাকলে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। কথা বলে ব্যবস্থা নেব। আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। উত্তর প্রদেশ পুলিশ স্ট্রাইক, মিছিল বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি এসব করব না। কোনও ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আমি বিরুদ্ধে। আপনারা চাইলে কাজে যোগ দিন। ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। আমি যখন আপনাদের ধরনামঞ্চে আসতে পেরেছি ভরসা করলে বাদ বাকিটাও আমি আস্তে আস্তে করে দেব।দুর্নীতির একটা টেন্ডার কেসও আমার কাছে আসেনি। কোনও রোগী করলেন সমিতি কি কাজ করে সেটা আমার কাছে আসে না। আপনাদের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করব, সাজাও দেব। ১৭ তারিখ কেসের ডেট আছে সুপ্রিম কোর্টে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বলতে আসিনি। আমি আপনাদের দিদি হিসেবে বলতে এসেছি। আপনাদের আন্দোলনকে কুর্নিশ জানাই। আপনাদের আন্দোলনের আমিও সমব্যথী ও সমসাথী। অনুরোধ করছি আমার কথা শুনুন।যে যা খাবার দিচ্ছে সব খাবারটা খাবেন না। হ্যাঁ জাস্টিস হবে। আমি ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। সিপিএমের সরকার একদিনের জন্যও কথা বলতে আসেনি। তা সত্ত্বেও আমি এখন এসেছি। আপনাদের আবারও আবেদন বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন। আমার এটা লাস্ট চেষ্টা আপনাদের জন্য করে গেলাম। অবিচার হবে না আপনার বিচার পাবেন, এটুকু আমি বলতে পারি। আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা অবস্থানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সল্টলেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান বিক্ষোভে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন আগে নবান্নে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল জুনিয়র চিকিৎসক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এদিন সল্টলেকে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। সহমর্মিতা প্রকাশ করেন মমতা। কাজে ফেরার আবেদন জানান। আপনাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জুনিয়র চিকিৎসকদের জানান। বলেন, তিলোত্তমার বিচার হোক। ৩ মাসে শাস্তি দিক সিবিআই, যেন ফাঁসির আদেশ হয়।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের নার্কো টেষ্টের অনুমতি দিল না আদালত

আরজি কর কাণ্ডে নার্কো টেস্টে রাজি হল না ধৃত সঞ্জয় রায়। ধৃত সঞ্জয় রায়ের নার্কো টেস্ট করাতে চেয়ে শিয়ালদহ আদালতের দ্বারস্থ হয় CBI। তবে সঞ্জয় নার্কো পরীক্ষা করাতে রাজি না হওয়ায় সিবিআইয়ের আবেদন মঞ্জুর করেনি শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের নার্কো পরীক্ষার আবেদন করে সিবিআই। এর আগে সঞ্জয়ে পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হয়েছিল। সেই সময় ওই হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষ সহ আরও কয়েকজনের পলিগ্রাফ টেষ্ট হয়। সমস্ত পলিগ্রাফ টেস্টের রিপোর্ট দিল্লি পাঠানো হয়েছে। সিবিআই সূত্রের দাবি, এর আগে পলিগ্রাফ পরীক্ষায় সঞ্জয় যে প্রশ্নগুলির উত্তর দিয়েছে, সেগুলি সঠিক কিনা তা জানতেই এবার নার্কো পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল সিবিআইয়ের তরফে।শুক্রবার সঞ্জয় রাজি না থাকায় নার্কো পরীক্ষায় সায় দেয়নি শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর মেডিক্যালে চিকিৎসক খুনে সঞ্জয় ছাড়া এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের লালারস ও কামড়ের নমুনা কিংবা টিথ ইম্প্রেশন সংগ্রহ করেছে সিবিআই।তরুণী চিকিৎসকের শরীরে যে কামড়ের দাগ মিলেছে, সেগুলির সঙ্গে ওই কামড়ের নমুনা এবং লালারস মিলিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। আপাতত সঞ্জয় রায়ের কামড়ের নমুনা সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতির জন্য বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু ২৯, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের, দাবি রাজ্য সরকারের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেছেন, মৃত ২৯ জনের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। মমতা এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজ্য সরকার ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করছে। ২৯ জন মৃতের পরিবারকে ওই টাকা দেওয়া হবে।রাজ্যের অভিযোগ, ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে বহু মানুষ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের হিসাবে মৃতের সংখ্যা ২৯। তবে রাজ্যের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারী ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, কোনও হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি। সিনিয়র চিকিৎসকরা পরিষেবা দিচ্ছেন। বাড়তি পরিশ্রম করছেন। কোথাও বিনা চিকিৎসায় রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে না।পাল্টা তাঁদের দাবি, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশাতেই এমনতিই বহু মানুষ প্রতিদিন উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবার অভাবে মারা যান। সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই আন্দোলনকারীদের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে রাজ্য সরকার। কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে কর্মবিরতিকে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

কেন নবান্নের বৈঠকে লাইভ স্ট্রিমিং নয়? কারণ জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী

লাইভ স্ট্রিমিং প্রশ্নে জুনিয়র চিকিৎসক ও মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যে ঘরে বসে অপেক্ষা করছিলেন, সেই ছবি সরকার প্রকাশ করলো আদালতকে প্রভাবিত করতে। লাইভস্ট্রিমিংয়ের সাথে সুপ্রিমকোর্টের রায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। সুপ্রিমকোর্টের শুনানি তো লাইভস্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশ দেখছে। নবান্নের সভাঘরে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল তার সাথে আদালত অবমাননার কোনো সম্পর্ক নেই। নবান্নের সভাঘরে কি বিচার প্রক্রিয়া চলার কথা ছিল !নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাটক, লাইভস্ট্রিমিংয়ে আসলে ওনার মুখোশ খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল তাই জুনিয়র ডাক্তারদের ন্যায্য দাবি মানলেন না। জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা করতেন, তাতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে যান। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই চান না এই অচলাবস্থা কাটুক। পরবর্তী শুনানির আগে রাজ্যের উকিল কপিল সিব্বলের হাতে ভুয়ো যুক্তির অস্ত্র তুলে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা কৌশল অবলম্বন করছেন।নবান্ন থেকে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে লাইভ দেখতে অভ্যস্ত রাজ্যের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর বকাঝকাও ওই বৈঠকগুলিতে দেখা গিয়েছে। শুভেন্দু লিখেছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী প্রসাশনিক বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করেন, তাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করতে তাঁর আপত্তি কোথায়? আইনের যে যুক্তি দিচ্ছেন তা পুরোপুরি ভুয়ো। মুখ্যমন্ত্রী আসলে লাইভ স্ট্রিমিং করতে ভয় পেয়েছিলেন এই ভাবনা থেকে যে প্রাথমিক পুলিশি তদন্তে যে ফাঁকফোকর রয়েছে, তদন্তের নামে প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা ও তাড়াহুড়ো করে দেহ দাহ করা হয়েছে, এই সংক্রান্ত কেনো প্রশ্ন উঠলে উনি জবাব দিতে পারতেন না।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

ভেস্তে গেল নবান্নের বৈঠক, "বিচার নয়, চেয়ার চায়", মন্তব্য মমতার, পাল্টা চিকিৎসকরা

টানা তৃতীয় দিনেও বৈঠকের আয়োজনই ব্যর্থ। বৃহস্পতিবারও রাজ্য সরকারের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকই হল না। নবান্নে পৌঁছেও জুনিয়র চিকিৎসকরা সভা ঘরে ঢুকলেন না। বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই দাবি মানেনি রাজ্য সরকার। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ৪টে ৪৫ মিনিট থেকে অপেক্ষা করছি। এখন ৭ টা বাজতে ৫ মিনিট বাকি। আন্দোলনকারীরা সভা ঘরে এলেন না। তিন দিনের প্রচেষ্টায় বৈঠক হল না। লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, ওরা বিচার চায় না, চেয়ার চায়। পাল্টা দিয়েছেন চিকিৎসকরাবৃহস্পতিবারর রাজ্যের সঙ্গে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আলোচনা শেষমেষ হল না। নবান্নের বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং না হলে কোন ভাবেই আলোচনা নয়। রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এদিকে সরকারের তরফে কোন ভাবেই লাইভ সম্প্রচার হবে না বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা জানান। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে টানা ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলেছে টানটান স্নায়ুযুদ্ধ। বৈঠক না হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনেও মিলল না কোন সমাধান সূত্র। এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বলেন, আজকে ইমেল করেছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিপ্তে ওরা এখানে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ৫টা থেকে অপেক্ষা করছেন। ওরা ৩২ জন এসেছে। আমরা ওদের আসতে অনুমতি দিয়েছি। ওদের একটা ইস্যু আছে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের। আমরা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কথা বলেছিলাম। ওরা লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অনড়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছেন। এখনও ওরা মিটিং হলে আসেনি। ওদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। ওদের যা দাবি আছে, সুপ্রিম কোর্টের যা নির্দেশ আছে সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আমরা অনুরোধ করব ওরা মিটিংয়ে আসুক। যাই হোক জুনিয়র চিকিৎসকরা মিটিংয়ে যাননি।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে আন্দলনরত চিকিৎসকরা। বাতিল হয় আজকের বৈঠক। এরপর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পৌনে ৫টা থেকে প্রায় সাতটা বাজে! আমরা ২ ঘন্টা ১০ মিনিট অপেক্ষা করেছি, আমার ভেবেছিলাম তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আমরা প্রথমে চিঠি দিয়েছিলাম, মুখ্যসচিব, ডিজি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-সহ হোম সেক্রেটারি আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা বলেছিলাম খোলা মনে আসুন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে নয়। আলোচনার মাধ্যমে পাঁচটা নতুন কথা আসতে পারে। কথা বললে সমাধান হয়। এর আগেও গতকাল ও গত পরশু অপেক্ষা করেছিলাম তাঁরা আসেনি।মমতা আরও বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে তাঁদের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে ক্ষমা করে দেওয়া। আজকেও মুখ্যসচিব তাদের চিঠি দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। আগের বার ঘটনা ছিল ভিন্ন। সুপ্রিম কোর্ট বা সিবিআইয়ের কাছে ছিল না। আমরা আজকের বৈঠকে রেকর্ডিংয়ের সুযোগ রেখেছিলাম। সুপ্রিম কোর্ট যেটা পারে আমরা তা পারি না। এই নিয়ে কোন আলোচনা আইনত সঠিক নয়। যেহেতু তদন্ত বিচারাধীন, আগামী ১৭ তারিখ শুনানি। তাই লাইভ সম্প্রচারে আমাদের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। আমরা ভিতরে যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে, সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তখন রেকর্ডিং করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। আমরা ওনাদের ৪.৪৫ মিনিটে আসতে বলেছিলাম। তারা অনেকটা দেরি করে এসেছেন। তাতেও আমরা কিছু মনে করিনি। বাংলার মানুষের একটা আবেগ আছে। আমরা সবাই চাই নির্যাতিতা বিচার পাক। এটা আমাদের হাতে নেই। সিবিআই তদন্ত করছে বলে আমি কোন মতামত জানাবো না। আজ আমাদের আলোচনা ছিল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গঠনমূলক উন্নতি, তাদের সেফটি ও সিকিউরিটি। টেলিকাস্টের বিষয়েও আমরা ওপেন মাইন্ড, কিন্তু এই মামলা বিচারাধীন। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। আমরা চিঠিতে উল্লেখ করেছিলাম। আমরা খোলা মন নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলাম। যদি মিটিংটা সফল হত আমরা যৌথভাবে প্রেস মিট করতে পারতাম। আমরা ভেবেছিলাম খোলামেলা আলোচনায় রাগারাগি না করে ডাক্তার ও রোগীদের স্বার্থে মানবিক ভাবে আলোচনা করবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছোটদের ক্ষমা করা আমাদের সৌজন্য। সেটা আমরা মেনে চলছি। ১৫ জন বলার পরও ওরা ৩৪ জন এসেছেন তাও মেনে নিয়েছি। কেন ঢুকলেন না আমরা জানি না। ওদের সাহায্য করার জন্য আমি চন্দ্রিমা ছাড়া কাউকে ডাকিনি। যাতে তাঁরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। আমি ৩ বার চেষ্টা করলাম। ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে ২৭ জন মারা গিয়েছেন, সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাননি, দেড় হাজার সিরিয়াস রোগী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। ১১ বছরে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ঢালাও উন্নতি করেছি। কর্মবিরতির জেরে যাদের মৃত্যু তাদের জন্য আমরা সহানুভুতি জানাবো না? আমার হৃদয় কাঁদছে সবার জন্য। বিনা চিকিৎসায় কত রোগী মারা গেছেন তার পরিসংখ্যান নেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সময় দিয়ে দিয়েছে। তারপরও কোন অ্যাকশন নিইনি। অনেক সিনিয়ার ডাক্তার কষ্ট করেও কাজ করছেন। তাদের অভিনন্দন। ডাক্তারদের কাছে আবেদন কাজে যোগ দিন, রোগীদের সেবা দিন। এরপরও বসতে চাইলেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। ধৈর্য্য ধরাটাও একটা পরীক্ষা। আমাকে অনেক অপমান অসম্মান করা হয়েছে। অনেকে জানতেন না এর মধ্যে রঙ আছে, ওরা বিচার নয় ওরা চায় চেয়ার, আমি পদত্যাগ করতেও রাজি। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক, সাধারণ মানুষ বিচার পাক। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছে, এখানে চেয়ারের কোনও প্রশ্নই নেই। লাইভ না করে কি লুকোতে চাইছে সরকার, প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে রাজনীতির খেলা দেখছেন মন্ত্রী, কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার?

জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের পিছনে রাজনীতির খেলা দেখছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি তাঁরা শর্ত রেখে বৈঠকে আসতে চাইছে। একথা বলছেন স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকরী করতে পদক্ষেপ করবে রাজ্য। কি পদক্ষেপ তা পরে জানিয়ে দেবে রাজ্য। তাহলে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলতে কি কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্য তোলপাড় হয়ে যায়। টানা কর্মবিরতি করে চলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আরজি কর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে আন্দোলন চলছে। এর আগে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে লালাবাজার অভিযান করে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রায় ২৪ ঘন্টা লালবাজারের সামনে অবস্থান করে তাঁরা। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে চলেছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁদের কোনও আলোচনা হয়নি। শুধু মেইল চালাচালি চলছে। গতকাল রাজ্যর মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী দেড় ঘন্টা নবান্নে বসে থেকে বাড়ি চলে গিয়েছেন। জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন যাঁর পদত্যাগ চাইছি সেই স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিব মেইল করে মিটিংয়ে ডেকেছেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা কি করে জানবেন মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে থাকবেন। তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না। জুনিয়র চিকিৎসকদের আজ বৃহস্পতিবার দাবি ছিল, তাঁরা বৈঠকে ৩০ জন প্রতিনিধি যাবে। পুরো বৈঠক লাইভ টেলিকাস্ট হতে হবে। জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকের শর্ত রাজ্য মানবে না, জানান চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শেষমেশ আজ জুনিয়র চিকিৎসক ও রাজ্য সরকারের বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলে নিতে হবে। নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্য সরকারকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এদিন রাজ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার ও মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দুপাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের গলায় কর্মবিরতি নিয়ে কড়া সুর শোনা গিয়েছে। এখনও অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৪
রাজ্য

নবান্নে অপেক্ষা করে চলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, সরকারের মেইলে অপমানিত জুনিয়র চিকিৎসকরা

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিবের পক্ষে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে একটি মেল পাঠানো হয় সন্ধে ৬টা১০মিনিট নাগাদ। নবান্নে এসে সরকারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দল এসে দেখা করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নবান্নে হাজির ছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের এই মেলকে ভালো ভাবে নেননি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা এই মেলকে অপমানজনক বলে মনে করছেন। তাই মেইলের জবাব দেবে না বলেও তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে। সরকারের তরফে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করার জন্য অপেক্ষা করে বেরিয়ে গিয়েছেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জন্য অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৭টা নাগাদ নবান্ন ছেড়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। এদিন তাঁরা ওই ভবনের সামনে অবস্থান করছে। মুখ্যমন্ত্রী যে ওই বৈঠকে থাকবেন তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না, বলছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের জানিয়ে দেন, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা বা আন্দোলন, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি নিয়ে যা বলার তিনিই বলবেন। বৈঠক শেষে তৎপরতা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, তারপরেই স্বাস্থ্যসচিবের ইমেল থেকে মেল পাঠানো হয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কাছে।জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, যাঁর পদত্যাগ দাবি করছি তিনি মেইল করছেন। এটা অত্যন্ত অপমানজনক। মেলের জবাব দেওয়ার কোন প্রশ্ন নেই, বলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বৈঠকের জন্য নবান্নে অপেক্ষা করেছিলেন। আমাদের সে কথা বলা হয়নি। মেইলে তার কোনও উল্লেখ ছিল না। ইমেলে লেখা হয়েছে, রেসপেক্টেড স্যার। জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেছেন, মনে রাখবেন, এই আন্দোলনে শুধু স্যারেরা নেই, ম্যাডামেরাও রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের রাজপ্রাসাদের সন্ধান মিলল ক্যানিং-এ

এবার সন্দীপ ঘোষের প্রাসাদোপম বাংলোর হদিশ মিলল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর খোঁজ মিলেছে। মাঝেমধ্যেই সপরিবারে সেই বাংলোয় যেতেন সন্দীপ ঘোষ। এমনই জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সন্দীপ ঘোষের বিরাট সাম্রাজ্যের হদিশ মিলল। ক্যানিংয়ের মধ্য নারায়নপুরে সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর হদিশ মিলেছে। সন্দীপ ঘোষের সেই বাড়ির নাম সঙ্গীতা-সন্দীপ ভিলা। অনেক সময় বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েও এই বাড়িতে আসতেন সন্দীপ ঘোষ, এমনও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর ওই বিশাল বাংলোটি বাড়ি বানিয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই এলাকায় একটি বিরাট প্রকল্পের কাজ চলছিল। সেই প্রকল্প থেকেই প্রায় দুই বিঘা জায়গা কিনে নেন সন্দীপ। সেই জমির উপরেই তৈরি হয় তাঁর বিশাল বাংলো।আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন প্রাসাদপম ওই বাংলো ক্যানিংয়ে তৈরি করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই বাংলোর নিরাপত্তারক্ষী বলেন, মাঝেমধ্যে উনি আসতেন এখানে। ওনার বাবা-মা, ছেলে সবাই আসতেন। মাঝেমধ্যে এখানে এসে সন্ধের আগেই চলে যেতেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর আর্থিক দুর্নীতির মামলায় দিনভর ইডির তল্লাশি, উদ্ধার নথিও সোনার গয়না

এবার ইডির নজরে সন্দীপ ঘোষের সম্পত্তি। শুক্রবার সকালে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ED-র অভিযান। কয়েক ঘন্টা অপেক্ষার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকতে সক্ষম হন ইডির আধিকারিকরা। শুধু সন্দীপ ঘোষই নন, তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে আজ সকালে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজি কর মেডিকেল কলেজের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে ইডির এই অভিযান। সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে ED। আরজি কর মেডিক্যালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সাঁড়াশি অভিযানে ইডি। শুক্রবার সকালে সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ইডির চার আধিকারিক পৌঁছে যান। এদিন সকাল ৬.৪০ মিনিট নাগাদ ইডির অফিসাররা সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে বহুক্ষণ ডাকাডাকির পরেও বাড়ির দরজা খোলা হয়নি। শেষমেষ ঘন্টা তিনেক অপেক্ষার পর বাড়ির দরজা খোলা হলে ইডির অফিসাররা ভিতরে ঢোকেন।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে এদিন অভিযান চলে। হাওড়ার সাঁকরাইলে ভেন্ডর বিপ্লব সিংহের বাড়িতে এদিন অভিযানে যায় ইডি। বিপ্লব ঘনিষ্ঠ কৌশিক কোলের বাড়িতেও চলে অভিযান। সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে নিয়ে যাচ্ছে ইডি। সেই সঙ্গে এদিন ইডির অভিযান চলে সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও। সম্প্রতি আরজি কর মেডিকেল কলেজের সেমিনার হলের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল প্রসূনকেও। প্রসূন নিজেকে সন্দীপ ঘোষের PA বলে দাবি করতেন। এদিন প্রসূনের বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় ইডি।আরজি করের আর্থিক অনিয়মের মামলায় আজ রাজ্যজুড়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু সম্পত্তির নথি এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। সল্টলেকের বিই ব্লকের একটি বাড়ি থেকে তল্লাশি করে বেশকিছু সোনার গয়না উদ্ধার করেছে ইডি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের বিচার চাই, এবার ভোর দখলের ডাক শিলিগুড়িতে

এবার শিলিগুড়িতে ভোর দখলের ডাক। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর আরজি করের ঘটনার একমাস পূর্তি হচ্ছে। সেই দিনই ভোর ৪টে ১০ মিনিট থেকে ৬টা পর্যন্ত শিলিগুড়ির রাস্তায় মঙ্গল প্রার্থনা ও শপথবাক্য পাঠের ডাক দেওয়া হয়েছে। এদিন শিলিগুড়ি জার্নালিস্টস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠক করে টেবিল টেনিস তারকা অর্জুন মান্তু ঘোষ, সমাজসেবী ও শিক্ষিকা সুনন্দা সরকার ও পৌলমী চাকি নন্দীরা জানান, আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা এখনও বিচার পায়নি। দ্রুত যাতে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত যারা তাদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়, এই দাবিতে তাঁরা পথে নামবেন। শুধু শিলিগুড়ি নয়, অন্যান্য জায়গাতেও একই ভাবে সকলকে পথে নামার ডাক দিয়েছেন তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৪
রাজ্য

চোর চোর স্লোগান তো ছিলই সঙ্গে জুটলো থাপ্পড়, সন্দীপের সিবিআই হেফাজত ৮ দিনের

চোর চোর, সঙ্গে থাপ্পর। এভাবেই দিন কাটলো আরজি করের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষের। পাশাপাশি ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত হল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৪ জনের। গতকাল রাতেই আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ-সহ ৪। আজ তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। বিচারক সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকিদের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সিবিআই হেফাজতে। একটানা দুসপ্তাহেরও বেশি দিন ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর গতকাল, সোমবার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সেই সঙ্গে আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গতরাতেই তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর আজ সন্দীপ-সহ বাকিদের আলিপুর আদালতে তোলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। বিচারক ধৃতদের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আলিপুর আদালতে তোলার সময় পিছনের দরজা দিয়ে সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকিদের নিয়ে ঢোকে সিবিআই। ততক্ষণে কোর্ট চত্বর ফেটে পড়ছে চোর-চোর স্লোগানে। মাস্ক পরা অবস্থায় কাঠগড়ায় ওঠেন সন্দীপ ঘোষ। সন্দীপকে মাস্ক খুলতে বলেন উপস্থিত আইনজীবীরা। তুমুল হট্টগোল শুরু হয় কোর্ট চত্বরে। তখনই বিচারক চারজনকে সামনে ডেকে নেন। প্রবল অস্বস্তির মুখে কার্যত মাস্ক খুলে ফেলতে বাধ্য হন সন্দীপ।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাহাড় প্রমাণ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই। দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে সন্দীপ-সহ বাকিদের জেরা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে আদালতে দাবি করে সিবিআই। এদিন ১০ দিনের জন্য তাদের হেফাজতে চাওয়া হয়েছিল। বিচারক সন্দীপ ঘোষ-সহ চারজনকে ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।এদিকে আজ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে জাস্টিস ফর আরজি কর স্লোগানে ইএম বাইপাসে দীর্ঘ ১৪ কিলোমিটার মানববন্ধন করলেন চিকিৎসক, নার্স, অন্য স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে বহু সাধারণ মানুষ। তিলোত্তমা আজ দেখাল প্রতিবাদের অন্য ভাষা। রাস্তার ধারে সুশৃঙ্খলভাবে বাইপাস জুড়ে নজিরবিহীন মানববন্ধনের সাক্ষী থাকল শহর কলকাতা। রাস্তার ধারে অভিনব এই কর্মসূচি পালন করলেও সচল থাকল যান চলাচল। উল্টোডাঙা থেকে পাটুলি পর্যন্ত দীর্ঘ মানববন্ধন চলল কলকাতার একাংশে। ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মানববন্ধনে বহু সিনিয়র চিকিৎসকরাও এদিন সামিল ছিলেন। সুশৃঙ্খল নীরব আন্দোলন চলল শহরে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

যাঁর পদত্যাগ দাবি তাঁকেই দিলেন স্মারকলিপি, অবস্থান উঠলেও আন্দোলন চলবে জুনিয়র চিকিৎসকদের

পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর মেলেনি। সিপির পদত্যাগের দাবিতে জুনিয়র চিকিৎসকরা স্মারকলিপি দিয়েছে সিপিকেই। অবস্থান তুললেও আন্দোলন চলিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় । দেড় ঘণ্টা ধরে লালবাজারে আজ পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করেন চিকিৎসকদের ২২ জনের প্রতিনিধিদল। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের ব্যর্থতার দায়ে সিপি বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে একটানা অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আপাতত কলকাতা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর সেই অবস্থান চিকিৎসকরা তুলে নিয়েছেন।মঙ্গলবার লালবাজার থেকে বেরিয়ে এক চিকিৎসক প্রতিনিধি বলেন, আমরা আমাদের স্মারকলিপি সিপিকে দিয়েছি। উনি আমাদের স্মারকলিপি জমা নিয়েছেন। আমরা প্রতিটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করেছি। পুলিশ কমিশনার স্বীকার করেছেন পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে। তথ্য-প্রমাণ লোপাটের ঘটনা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। উনি বলেছেন তিনি তাঁর কাজে খুশি, তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বললে তিনি পদত্যাগ করবেন।সোমবার রাতভর ফিয়ার্স লেনের উপরেই অবস্থানে বসে থাকেন জুনিয়র ডাক্তাররা। পুলিশ কমিশনার পদত্যাগ করুন, এই দাবিতে চলে অবস্থান বিক্ষোভ। ফিয়ার্স লেনে ট্রাম লাইনের উপর রাত পেরিয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বসে থাকেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। পরে তাঁরা রওনা দেন লালবাজারের উদ্দেশে।জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল আটকাতে সবরকম প্রস্তুতি সেরে রেখেছিল কলকাতা পুলিশ। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন রুখতে লালবাজারের সামনে বসেছে ভারী, চওড়া ব্যারিকেড। যাতে সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে না পারেন আন্দোলনকারীরা। নবান্ন অভিযান থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার এমন অভিনব প্রস্তুতি পুলিশের। আন্দোলনকারীদের সোমবার লালবাজারের আগেই মিছিল আটকে দেওয়ায় আন্দোলনকারীরা ফিয়ার্স লেনের সামনে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের কুশপুতুল পোড়ান। তাঁদের দাবি, লালবাজারে কমিশনারের সঙ্গে তাঁদের দেখা করতে দিতে হবে। আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিরা কমিশনারকে ডেপুটেশন দিতে চান। বিনীত গোয়েলকে ইস্তফা দিতে হবে। নাহলে তাঁরা যাবেন না। মিছিল এগোতে না দিলে সেখানেই বসে থাকবেন তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষ, সিজিও কমপ্লেক্স থেকে নিয়ে যাওয়া হয় নিজাম প্যালেসে

অবশেষে ২৪ দিনের মাথায় গ্রেফতার আরজি করের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষ। তাকে গ্রেফতার করে সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখা। আরজি করের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চলেছে সিবিআই। টানা ১০-১২ ঘন্টা ধরে প্রতিদিন জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করছে এই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার সিবিআই ক্রাইম ব্রাঞ্চ আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল। তাঁকে আটক করে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যায় সিবিআইয়ের অ্যান্টি করাপশনের অফিসাররা।সোমবার আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ জন্য ডাকে সিবিআই। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছিল। এরপরেই আজ সন্ধ্যেবেলা সিজিও কমপ্লেক্সে এসে ক্রাইম ব্রাঞ্চ এর দপ্তর থেকে তাকে বের করে নিয়ে যায় সিবিআই এর অ্যান্টি করাপশন উইং। সিবিআইয়ের অ্যান্টি করাপশন উইং এর পক্ষ থেকে আরজিকর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলা তদন্ত চালানো হচ্ছিল। সূত্রের খবর, সেই তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যই সন্দীপ ঘোষকে আটক করলো সিবিআই এর অ্যান্টি করাপশন উইং।সিবিআইয়ের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। সেখানে বহু কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এদিনই লালবাজারে অভিযান করে জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগ দাবি করে। ফিয়ার্স লেনে অবস্থানের সময় তাঁরা খবর পান সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৪
রাজ্য

কাকলির মন্তব্যে সমালোচনার ঝড়, ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল সাংসদ

প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ চিকিৎসক কাকলি ঘোষ দস্তিদার। রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে মহিলা চিকিৎসকদের একাংশের উদ্দেশ্যে তাঁর করা মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থী বারাসাতের তৃণমূল সাংসদ। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে কাকলি লিখেছেন, কারও ভাবাবেগে আঘাত দিয়ে থাকলে ক্ষমা চাইছি। আমি আমার মন্তব্য প্রত্যাহার করছি। আমি বরাবর মহিলাদের অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে থেকেছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে গিয়ে মহিলা চিকিৎসকদের একাংশকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি বলেছিলেন, ছাত্রীদের কোলে বসিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার একটা চল শুরু হয়েছিল। যার আমি তীব্র নিন্দা করি, ঘৃণা করি। আমার ছেলেরাও নিন্দা করেছিল বলে ওদের কম নম্বর দিয়েছিল। কিন্তু আজ তাঁরা এখন প্রথিতযশা চিকিৎসক। তবে কোলে বসিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার চলটা যে এখন এখানে এসে দাঁড়াবে, মুখ খোলার সাহস করলে তাঁর থিসিস আটকে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি।I am sorry for any statement made in ABP anondo talk show and apologize if my recent words have hurt anyones sentiments. I retract my statement. My intention has been and will always be to champion cause of well-being and rights of women. Dr. KakoliGDastidar (@kakoligdastidar) September 1, 2024আরজি কর আবহে মহিলা চিকিৎসকদের নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এমন মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় বয়ে যায়। সমাজের বিভিন্ন মহলে ওঠে তীব্র প্রতিবাদ। এমনকী ইন্ডিয়ান সাইক্রিয়াটিক সোসাইটির চিকিৎসকেরা বিবৃতি দিয়ে জানান, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এই মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়। সাংসদের মন্তব্যে চিকিৎসকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেষ নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৪
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে মুক্ত সায়ন লাহিড়ী, জানিয়ে দিলেন বিচার না পাওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আজ বেলা ১.৪১ মিনিট নাগাদ মুক্তি দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের অন্যতম আহ্বায়ক সায়ন লাহিড়ীকে। জেল থেকে মুক্তি পেয়েই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সায়ন। আরজি করে নির্যাতিতা তরুণীর নৃশংস পরিণতির বিচার না হওয়া অবধি তাঁদের লড়াই চলবে বলে এদিন জানিয়েছেন সায়ন। তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্ট যাচ্ছে রাজ্য সরকার।আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। নবান্ন অভিযানের দিন তুমুল অশান্তি ছড়ায় কলকাতা ও হাওড়ার দিকে দিকে। আন্দোলনকারী-পুলিশ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকায়। পরবর্তী সময়ে একটি টিভি চ্যানেলের টক শো থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় গাড়ি আরকে গ্রেফতার করা হয় সায়ন লাহিড়ীকে। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ সায়নকে মুক্তির নির্দেশ দেন। রাজ্যকে আজ বেলা ২টোর মধ্যে সায়নকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।উচ্চ আদালতের নির্দেশ মতো এদিন বেলা ১.৪১ মিনিট নাগাদ সায়নকে মুক্তি দেওয়া হয়। জেল থেকে বেরিয়ে সায়ন এদিন বলেন, পাশে থাকার জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-বৃষ্টির ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। যতদিন পর্যন্ত নির্যাতিতা দিদি বিচার না পাবেন ততদিন আন্দোলন চলবে। হাইকোর্টের রায়ে খুশি। এদিন জেল থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হয়েছেন সায়ন লাহিড়ী। পুলিশ দমন-পীড়নের ধারা তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে নবান্ন অভিযানে ধৃত বাকিদের মুক্তির জন্যও তাঁদের লড়াই জারি থাকবে বলে এদিন সায়ন জানিয়েছেন।সায়নের গ্রেফতারি নিয়ে গতকালই বিচারপতি হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা রাজ্যকে তুলোধনা করেছিলেন। প্রভাবশালী যুক্তি দেখিয়ে সায়নের মুক্তি ঠেকাতে রাজ্য নানা যুক্তি খাড়া করেছিল। তবে কোনও যুক্তিই ধোপে টেকেনি। সায়নকে মুক্তির নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। জানা গিয়েছে, এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য সরকার।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
রাজ্য

কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষীর

সিপিএম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবার কলকাতা পুলিশের এক অফিসারের বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তুলেছেন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের কাছে মীনাক্ষীর অভিযোগ, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ চলাকালীন একজন অফিসার তাঁকে ছু়ড়ে ফেলে দেন এবং তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করেছেন।৯ আগস্ট, আরজি কর মেডিক্যাল হাসপাতালের মহিলা পিজিটি ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে, ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী, ডিওয়াইএফআই নেতা কলতান দাশগুপ্ত এবং কিছু সমর্থক ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং নির্যাতিতার দেহ বহনকারী শকট গাড়িটি থামান। মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। মীনাক্ষীরা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের জন্য দেহ সংরক্ষণের দাবি জানান।সেই বিক্ষোভ চলাকালীন, পুলিশ মীনাক্ষীর সঙ্গে গাড়ির সামনে ধস্তাধস্তি করে বলে অভিযোগ। সেইসময় এক পুরুষ পুলিশ অফিসার তাঁকে ধাক্কা মারেন, মারধর করেন বলে অভিযোগ। একটি ছবি পরে অনলাইনে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে কোনও মহিলা পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।মীনাক্ষীর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। প্রশাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আমাদের আন্দোলনের সময় আমরা প্রতিদিন এমন অপমানের সম্মুখীন হচ্ছি। কখনও কখনও মহিলা পুলিশের উপস্থিতিতেও পুরুষ পুলিশ আমাদের মহিলা কর্মীদের উপর হামলা চালায়। আমি জানি না আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি,।তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিনই ধর্ষণ এবং হত্যা ঘটে, এমনকি আরজি কর কাণ্ডের পরেও।মীনাক্ষী বলেছেন, গতকাল যদি ঘোলায় ঘটে থাকে, তবে পরশু কোচবিহারে ঘটেছিল। পুলিশ শুধু এ ধরনের অপরাধ বন্ধ করতেই ব্যর্থ হয় না, তারা এ ধরনের অপরাধীদের গ্রেফতার করতেও ব্যর্থ হয়। কোনও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ যদি কিছু করতে না পারে তাহলে পুলিশি ব্যবস্থার কী দরকার! অপরাধীরা কেন পুলিশকে ভয় পাবে? কলকাতা পুলিশ ওই ঘটনার তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৪
রাজ্য

বিক্ষোভের জেরে মালদা মেডিক্যাল কলেজে এদিনও যোগ দিতে পারলেন না আরজি করের চিকিৎসক

মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের অফিস ঘরে বসে রয়েছেন আরজিকর থেকে বদলি হয়ে আসা চিকিৎসক অরুণাভ দত্ত চৌধুরী। আর তাঁকে মালদা মেডিকেল কলেজে কোনওভাবেই দায়িত্ব নিতে দেওয়া হবে না বলে দাবি জানিয়ে আন্দোলন শুরু করেছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের ঘরে নিজেকে আটকে রেখেই কোনরকমে আন্দোলনকারীদের থেকে রেহাই পেয়েছেন আরজি কর থেকে আসা চিকিৎসক অরুণাভ দত্ত চৌধুরী। কিন্তু জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও আন্দোলন যেন আবার নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করে দিয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে এমন ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মালদা মেডিকেল কলেজে। যদিও মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ পার্থপ্রতিম মুখার্জি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা কাজ করবো। ওই চিকিৎসক আরজি কর থেকে মালদা মেডিকেল কলেজে দায়িত্ব নিতে এসেছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। পাশাপাশি যাতে কোন সমস্যা না হয়, সেব্যাপারে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গেও আলোচনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক ছাত্রীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তোলপাড় গোটা দেশ। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীরা কর্মবিরতি ও আন্দোলন করেছেন। প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতির মধ্যে আরজি কর মেডিকেল কলেজের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অরুনাভ দত্ত চৌধুরীকে আপাতত মালদা মেডিকেল কলেজে কর্মক্ষেত্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই ডাক্তার যাতে মালদা মেডিকেল কলেজে যোগ না দেন, তার জন্যই নতুন করে চিকিৎসক পড়ুয়াদের আন্দোলন প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এদিন কয়েক ঘন্টা ধরে মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে প্রতিবাদ বিক্ষোভে সোচ্চার হন জুনিয়র ডাক্তারেরা। বিক্ষোভকারী জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, আরজি করে ওই চিকিৎসকের অধীনে মৃত ওই ছাত্রী পাঠরত ছিল। ওই মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তার অরুনাভ দত্ত চৌধুরীকে আমরা কোনভাবেই মালদা মেডিকেল কলেজে কাজ করতে দেব না। আরজি করে চিকিৎসক ছাত্রী খুনের ঘটনায় ইনিও হয়তো জড়িত রয়েছেন বলে আমাদের ধারণা। তাই প্রতিবাদ জানিয়েছি। অবস্থান বিক্ষোভ চলছে। মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ পার্থপ্রতিম মুখার্জি বলেন, জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে আরজি কর থেকে আসি ওই চিকিৎসক অরুনাভ দত্ত চৌধুরীর জয়েনিং-এর বিষয়টি দেখা হচ্ছে। প্রায় দুঘণ্টা অপেক্ষা করার পর জয়েন না করে খালি হাতে ফিরে গেলেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে বদলি হয়ে আসা অরুণাভ দত্ত চৌধুরী। আরজিকর আবহে অরুণাভ দত্ত চৌধুরীকে যোগদান করতে দেওয়া হবে না। আরজিকর ঘটনার পর দোষীরা চিহ্নিত হোক শাস্তি পাক ,তারপর তাকে আমরা ওয়েলকাম জানাবো, স্পষ্ট বক্তব্য মালদা মেডিকেল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের।

আগস্ট ২৯, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেক কন্যাকে হুমকি, সরব তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক

আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। দিকে দিকে পথে নেমে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে সাধারণ মানুষ। এই আবহে অভিষেক কন্যাকে হুমকির ঘটনায় এক্স-এ ট্যুইট করে ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৯ অগাস্ট তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এবার এনিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে ব্যর্থ হয়ে নোংরা রাজনীতির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আজ সহ্যের সব সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে । দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নাবালিকা কন্যাকে আজ হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ধরণের ঘটনার নিন্দা জানানোর কোন ভাষা নেই। অবিলম্বে এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন।আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এনিয়ে বিরোধীদের নিশানায় তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টির জন্য বিরোধী বাম-বিজেপির আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায় সহ সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতিতে অনড় আন্দোলনরত চিকিৎসকরা, ভরসা নেই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে

আরজি কর কাণ্ডে সর্ষের মধ্যে ভূত দেখতে পাচ্ছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। তাই সুপ্রিম কোর্টের আবেদন সত্ত্বেও কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন তাঁরা। সিবিআই তদন্তের উপর ভরসা থাকলেও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের উপর তাঁরা ভরসা রাখতে পারছেন না। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁরা জানিয়েছেন, আড়াল থেকে ক্ষমতাশীল একটা চক্র সক্রিয় হয়ে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করছে। যাদের চাপের কাছে নতিস্বীকার করছে স্বাস্থ্যভবনও।আন্দোলনকারী জানিয়েছেন, এই চক্রের কারণেই আসল দোষী বহাল তবিয়তে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মেডিক্যাল কলেজ মুড়ে দিলেও তাঁরা নিরাপদ বোধ করছেন না। সে কারণেই তাঁরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছেন না এখনই। কেন তাঁরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন তার স্বপক্ষে বেশ কিছু প্রমাণ এবং যুক্তি পেশ করেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। তাঁরা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কলকাতা পুলিশের উপর। পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।আরজি কর কাণ্ডে ব্যর্থতার জন্য পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা বলেছেন, হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের ভয় দেখানো এবং তথ্য প্রমাণ লোপাট এটা কার্যত স্পষ্ট। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা সেদিন রাতে এমার্জেন্সি গেট দিয়ে ঢুকে কোথাও কোনও ভাঙচুর না করে সেমিনার রুম খুঁজতে গিয়ে বাকি ফ্লোরগুলিতে ভাঙচুর চালায়। ওই সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল, যা বেদনাদায়ক। তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। অত্যন্ত অসংবেদনশীল এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার উপর পুরো দোষ চাপিয়ে আসল দোষীদের আড়াল করেছে। সুবিচার পাওয়ার পথে বাধা দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।দুষ্টচক্র পুলিশের মতোই ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বাধা তৈরি করছে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, ২১ আগস্ট আমরা স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক করেছিলাম। জানতে চেয়েছিলাম, সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকি কর্তৃপক্ষকে প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন এখনও তাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে না। তখন প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়া আর কোনও সদুত্তর মেলেনি। তাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় এঁদের বাঁচানোর পিছনে এক অশুভ দুষ্টচক্র প্রবলভাবে সক্রিয়। যারা এতকিছুর পরেও সন্দীপ ঘোষ-সহ কর্তৃপক্ষকে আড়াল করতে ব্যস্ত এবং তাদের চাপের কাছে স্বাস্থ্যভবনও কার্যত অসহায়। যাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে তাঁকে কেন এখনও সাসপেন্ড করা হল না, শুধু হাইকোর্টের নির্দেশে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সমস্ত অভিযোগে নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কেন তাঁকে স্বাস্থ্যভবন বরখাস্ত করছে না, কে বা কারা বাধা দিচ্ছে?চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা বেহাল হয়ে পড়েছে বলে যে প্রচার চলছে তা অসত্য বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা। জুনিয়র ডাক্তাররা বলেছেন, এমার্জেন্সি-সহ সমস্ত বিভাগ চালু। সিনিয়র চিকিৎসকরা বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন। আমরাও কাজে যোগদান করতে চাই। কিন্তু যাঁরা ন্যায়বিচারের পথে বাধা দিচ্ছে, তাঁরা যদি সক্রিয় থাকে তাতে যদি কীভাবে নিরাপদ বোধ করব। সিআইএসএফ দিয়ে আরজি করতে মুড়ে দিয়ে কী হবে যদি আসল অপরাধীদের আড়াল করার জন্য ভিতরেই কোনও চক্র সক্রিয় থাকে?আন্দোলনকারীরা তাঁদের চার দফা দাবি জানিয়েছেনঃ-১। ৯ই আগস্টের ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করা। হয়তো দোষীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাই তাঁরা মোটেও নিরাপদ নন। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।২। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনায় যে বা যাঁরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত তাঁদের তদন্ত কের বিচারের আওতায় আনতে হবে। স্বাস্থ্যভবনকে অবিলম্বে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করতে হবে।৩। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কলকাতা পুলিশ সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ। এই ব্যর্থদার দায় নিয়ে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রয়োজনে তাঁকেও বিচার এবং তদন্তের আওতায় আনতে হবে।৪। প্রতিটি কলেজে ভয়ের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছভাবে নির্বাচন করতে হবে। সমস্ত কলেজ এবং হাসপাতালে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটিতে জুনিয়র ডাক্তার এবং মেডিক্যাল পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে হবে। তাঁদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে বেছে নিতে হবে।

আগস্ট ২৫, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal