• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UP

রাজ্য

গ্রাম বাঁচাতে অবৈধ বালি খাদান বন্ধের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্জি শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দাদের

অন্ধকার নামলেই শুরু হয়ে যায় দামোদরের পাড় লাগোয়া চর থেকে অবৈধ ভাবে বালি তুলে পাচার। তার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার শম্ভুপুর এলাকার দামোদরের পাড়ের বোল্ডার পিচিং। এই ঘটনা দেখে গ্রাম বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা ঘটনা নিয়ে গণস্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ পত্র ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পঠিয়েছেন। পাশাপাশি জেলাশাসকের দফতরেও জমা দিয়েছেন অভিযোগ পত্র। মুখ্যমন্ত্রী কি ব্যবস্থা নেন সেদিকেই আপাতত তাকিয়ে শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, এত কিছুর পরেও যদি নদি পাড়ের বোল্ডার পিচিংয়ের ক্ষতি করে বালি তোলা বন্ধ না হয় তবে তা রুখতেই নিজেরাই আশরে নামবেন। জামালপুর ব্লকের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম শম্ভুপুর। এই গ্রামেের এক পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে দামোদর নদ। পূর্বে নদি পাড়ের ভাঙনে এলাকার অনেক চাষির জমি নদি গর্ভে চলে যায়। বিপন্ন হতে বসে শম্ভুপুর গ্রামের একটা বড় অংশ।বিপর্যয়ের হাত থেকে শম্ভুপুর গ্রামকে বাঁচাতে দামোদর পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা বোল্ডার দিয়ে বাঁধিয়ে দেওয়া হয়। তার পরথেকে শম্ভুপুর গ্রামের মানুষজন স্বস্তিতেই ছিলেন।কিন্তু সম্প্রতি গ্রামবাসীদের রাতের ঘুম ফের কেড়ে নিয়েছে অসাধু বালি কারবারী।গ্রামবাসীরা ওই বালিকারবারীদের বিরুদ্ধেই এখন রুখে দাঁড়িয়েছেন। গ্রামবাসীরা লিখিত ভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, এক বালি কারবারী বর্ধমান সদর ২ ব্লকের বড়শুলের গোপালপুর মৌজায় বালি খাদানের লিজ পেয়েছেন। সেই খাদান থেকে বালি লোড হওয়া ট্রাক ও ডাম্পারগুলির গোপালপুর মৌজার ঘাট দিয়েই যাবার কথা। কিন্তু তা না করে ওই বালি কারবারী জামালপুর ব্লকের শম্ভুপুরে অবৈধ ভাবে নদির বাঁধ কেটে গাড়ি যাতায়াতের ঘাট চালু করেছে। এমনকি সন্ধ্যা নামলেই ওই বালি কারবারীর লোকজন জেসিবি মেশিন নিয়ে গোপালপুর থেকে শম্ভুপুর মৌজা এলাকায় চলে আসছে। এরপর তারাই শম্ভুপুর এলাকার দামোদর পাড়ের বোল্ডার পিচিং লাগোয়া চর থেকে দেদার বালি তুলে নিয়ে ট্রাকে ও ডাম্পারে লোড করে পাচার করাচ্ছে। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, গ্রীন ট্রাইব্যুনালের রায়কে সম্পূর্ণ ভাবে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই শম্ভুপুর এলাকায় অবৈধ ভাবে বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। একারণে শম্ভুপুর গ্রামে দামোদর পাড়ের বোল্ডার পিচিং মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।বোল্ডার পিচিং ধসে পড়লে শম্ভুপুর গ্রাম ফের দামোদরের গ্রামের মুখে পড়ে বিপন্ন হবে বলে গ্রামবাসীরা আশংকা প্রকাশ করেছেন। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক অভিযোগ করেছেন, প্রতিদিন অতিমাত্রায় ওভারলোড বালির লরি ও ডাম্বার এই এলাকা দিয়ে গিয়ে একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে কালাড়াঘাট থেকে পলেমপুর যাবার নবনির্মিত পিচ রাস্তা। এই বিষয়েটি নিয়ে খুব শীঘ্রই তাঁরা রাজ্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন।গ্রামবাসীদের তোলা অভিযোগ যে অমূলক নয় তা ব্লক ভূমি দফতরের আধিকারিকদের কথাতেই এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ভূমি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শম্ভুপুর এলাকা দিয়ে বালির গাড়ি নিয়ে যাবার জন্য যে ঘাট করা হয়েছে সেটি অবৈধ ভাবেই করা হয়েছে। সেই কারণে ভূমি দফতর জামালপুর থানায় এফআইআর করেছে।এছাড়াও জামালপুরের জোড়বাঁধ ও সেলিমাবাদ মৌজা এলাকায় অবৈধ খাদান খোলার অভিযোগ পেয়ে ভূমি দফতর তা নিয়েও এফআইআর করেছে। যদিও এই দুই এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, এফআইআর যাই হোক না কোন, সন্ধ্যায় পর থেকে ভোর পর্যন্ত এই দুই এলাকার অবৈধ খাদান থেকে নিত্যদিন বালি লুঠ চলেই যাচ্ছে। বালি লুঠ বন্ধের কোন ব্যবস্থাও হয়নি । জানা গিয়েছে, শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দাদের আনা অভিযোগের বিষয়টি জানার পরেই পুলিশ বুধবার রাতে ওই অবৈধ ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। চারটি বালির লরি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ ওই লরিগুলির চালককে গ্রেফতার করেছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে বৃহস্পতিবার পুলিশ চার ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। যদিও আদালতের নির্দেশে ধৃত চার লরিটালকই এদিন জামিনে ছাড়া পেয়ে যান।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের ব্যাটে বড় রানের স্বপ্ন বাংলার

বিগত কয়েক মরশুম ধরে বাংলার মূল সমস্যা ছিল ব্যাটিং। বোলাররা জ্বলে উঠলেও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সাফল্য আসেনি। এবছরও রনজির প্রথম দুটি ম্যাচে বরোদা ও হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন বোলাররা। গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন ব্যাটাররা। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও অনুষ্টুপ মজুমদারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে বড় রানের পথে বাংলা। এই জুটির তৈরি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩২৯। আগের দুটি ম্যাচে ওপেনাররা নির্ভরতা দিতে পারেনি বাংলাকে। তৃতীয় ম্যাচেও ছবিটা বদলায়নি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলা। দিনের চতুর্থ বলে ফিরে যান ওপেনার সুদীপ ঘরামি। কোনও রান না করেই জগজিৎ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। এরপর দলকে কিছুটা টানেন অভিমন্যু ও তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরি। উইকেটে থিতু হয়েও ব্যর্থ ঋত্ত্বিক। ১২ রান করে তিনি জসকরণ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। ৪২ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর অভিমন্যুর সঙ্গে দলের হাল ধরেন অনুষ্টুপ মজুমদার। এই দুই ব্যাটারের দাপটে ব্যাকফুটে চলে যান চণ্ডীগড়ের বোলাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অভিমন্যু। শেষ পর্যন্ত ১৭২ বলে ১১৪ রান করে জগজিৎ সিংয়ের বলে আউট হন। এর পরপরই আউট হন অনুষ্টুপ। তিনি যেভাবে ব্যাট করছিলেন, সেঞ্চুরি নিশ্চিত ছিল। গৌরব গম্ভীরের ভেতরে ঢুকে আসা বলে লাইন মিস করে এলবিডব্লু হন অনুষ্টুপ। ১৪৯ বলে ৯৫ রান করে আউট হন তিনি। অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের জুটিতে ওঠে ১৯৩। অনুষ্টুপ ফিরে যাওয়ার পরপরই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। আগের দুটি ম্যাচে নজরকাড়া অভিষেক পোড়েল (০) ও শাহবাজ আমেদ (৬) রান পাননি। দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। একসময় বাংলার স্কোর দাঁড়ায় ২৬৮/৬। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে নিয়ে যান মনোজ তেওয়ারি ও সায়নশেখর মণ্ডল। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে উঠেছে ৬১। দিনের শেষে মনোজ ৪২ রানে ও সায়নশেখর ৩৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। চণ্ডীগড়ের হয়ে জগজিৎ সিং ৫৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নারীকেন্দ্রিক ছবিতে বনি-কৌশানী

বনি-কৌশানী জুটি মানেই দর্শকদের মধ্যে আলাদা উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়। দুজনকে এবার দর্শকরা পেতে চলেছেন একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতে। প্রার্জুন মজুমদারের অন্তর্জাল ছবিটিতে রয়েছেন তাঁরা। নারীকেন্দ্রিক ছবির গল্প বলবেন প্রার্জুন। এখানে কৌশানীর চরিত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে কাহিনি। এই ছবিতে কৌশানীকে লহরীর চরিত্রে দর্শকরা দেখতে পাবেন। তার স্বামী অপূর্বর চরিত্রে রয়েছেন বনি। তাদের প্রথম বিবাহবার্ষিকীর দিনেই হারিয়ে যায় অপূর্ব। সেই অন্তর্ধানকে কেন্দ্র করেই রহস্য ঘনীভূত হয়। প্রার্জুন তার দ্বিতীয় ফিচার ফিল্মেই বনি-কৌশানী জুটিকে নিয়ে কাজ করছেন। বনি জানিয়েছেন নারীকেন্দ্রিক ছবিতে সুযোগ পাওয়াটা তার কাছে বড় বিষয়। ছবিতে লহরী পেশায় লেখিকা। অন্য রকমের বলিষ্ঠ চরিত্র পেয়ে কৌশানীও বেশ উত্তেজিত। এই ছবিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমাল্য দত্ত। মার্চ মাসেই অন্তর্জাল এর শুটিং শুরু হবে।

মার্চ ০১, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, বিজেপির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টেও

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভায়। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। আগেই হাইকোর্টে সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই ভরসা করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর এবার সেই একই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।বিজেপির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে বলা হয়েছে, ১০৮ পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় বিজেপি। বিভিন্ন জেলা থেকে বিরোধীরা হামলার অভিযোগ তুলেছেন। অন্য একটি মামলায় বিজেপি প্রার্থীরা নিরাপত্তার অভাবের কথাও জানিয়েছেন আদালতে। এই সব অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিজেপি।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন, তাহলে কেন দেওয়া হল না, সেই কারণ আদালতে জানাতে হবে কমিশনারকে। আর তারপর যদি ভোটের দিন কোনও অশান্তির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার দায় নিতে হবে কমিশনারকেই।কমিশন সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার ভোটের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশই। মোতায়েন করা হবে ৪৪ হাজার পুলিশ। প্রতি বুথে থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। এছাড়াও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স, ইএফআর জওয়ান, র্যা ফের তত্ত্বাবধানে থাকবে বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিক-এ (KLIKK) মুক্তি পাচ্ছে রাজা চন্দ'র 'কাটাকুটি'

Klikk ওরিজিনালস OTT প্ল্যাটফর্মের জন্যে জনপ্রিয় পরিচালক রাজা চন্দ এবার প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করলেন। ছবির নাম কাটাকুটি। নিবেদনে রাজা চন্দ ফিল্মস। সিরিজের কাহিনি-চিত্রনাট্যকার অর্ণব ভৌমিক। শুধু রাজাই নন, কাটাকুটি-র হাত ধরে টেলিভিশনের ছোট পর্দা থেকে ওয়েব সিরিজে প্রথম পা রেখেছেন নায়িকা মানসী সেনগুপ্ত। তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে সৌরভ দাসকে। অভিনেত্রী পিয়ান সরকার মানসির বোনের চরিত্রে আর দেবতনু তার স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন।ছবির প্রেক্ষাপটে লাজুক আদিত্য আর স্পষ্টভাষী কৌশানি, দুজনের বিয়ে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের আগেই হঠাৎ কৌশানি মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়। আর সেই খুনের কারণ বোঝা যায়, এক নৃশংস গ্যাং রেপ কেস। তার সাজানো স্বপ্নগুলি এরম নির্মম ভাবে চুরমার হতে দেখে ভেঙে পড়ে আদিত্য। কাহিনী এগোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তিনজনের নাম, যারা করেছে এই ঘৃন্য অপরাধ! ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে একজন কৌশানির পরিবারের খুব কাছের সদস্য। আদিত্য বদলে যায়। কৌশানির মৃত্যুর বিচার সে তুলে নেয় নিজের হাতে। বেছে নেয় নির্মম প্রতিশোধের পথ। এই কাহিনীর পরোতে পরোতে রয়েছে রোমহর্ষক চমক আর অনবদ্য অভিনয়। ছয় পর্বের এই সিরিজ দেখা যাবে আগামী মার্চ মাসে Klikk OTT প্লাটফর্মে। কাটাকুটি তে অভিনয় করেছেন সৌরভ দাস, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার, দেবতনু, অভিজিৎ গুহ, বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়, সিরষা রক্ষিত, জ্যামি প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

চতুর্থ দফায় উত্তরপ্রদেশের ৫৯টি আসনে চলছে ভোটপর্ব

উত্তরপ্রদেশে তিন-দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, বুধবার উত্তরপ্রদেশে চলছে চতুর্থ দফার ভোটপর্ব। চতুর্থ দফায় উত্তরপ্রদেশের ৫৯টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, এদিন ভাগ্যপরীক্ষা হচ্ছে মোট ৬২৪ জন প্রার্থীর। ৯টি জেলার ৫৯টি আসনে বুধবার ভোটগ্রহণ চলছে। এই ৯টি জেলা হল-পিলভিট, লখিমপুর খেরি, সীতাপুর, হারদোই, উন্নাও, লখনউ, রায়বেরেলি, বান্দা ও ফতেহপুর। ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল সাতটা থেকে এবং চলবে সন্ধ্যা ৬টা অবধি। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ৫৯ আসনের মধ্যে ৫১টিতেই জিতেছিল বিজেপি।লখিমপুর খেরিতে এবারের ভোটে কী ফল হয়, সে দিকেই নজর সমস্ত রাজনৈতিক দলের। লখিমপুর খেরির হিংসা জাতীয় স্তরে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। ২০১৭ সালের নির্বাচনে লখিমপুর খেরি আসনে বিজেপির যোগেশ বর্মা হারিয়ে দিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টির উৎকর্ষ বর্মা মাধুরকে। এবারের নির্বাচনেও তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বী। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথের সামনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও। সকাল সকাল নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বহুজন সমাজ পার্টির প্রধান মায়াবতী। তিনি লখনউয়ের মিউনিসিপ্যাল নার্সারি স্কুলের পোলিং বুথে ভোট দিয়েছেন। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে বাকি ৩ দফার ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি, ৩ মার্চ ও ৭ মার্চ। ফল ঘোষণা হবে ১০ মার্চ।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

জনগনকে চোর চেনাতে কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশ

ভোট আসলেই পুলিশকে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকায় রোড মার্চ করতে। তা বলে পুলিশ চোরেদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় রোড মার্চ করবে এমনটা বোধহয় সকলের কাছেই কল্পনার অতীত। কিন্তু না, এটা কোন আজগুবি গল্পকথা নয়। বাস্তবেই মঙ্গলবার এমন ঘটনাই ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। একের পর এক দোকানে চুরির ঘটনায় ধৃত চোরেদের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে দীর্ঘ সড়ক পথে ঘোরালো পুলিশ কর্মীরা।যার উদ্দেশ্য ছিল এলাকার সকল মানুষজনকে চোরেদের চিনিয়ে দিয়ে সচেতন করে রাখা।চোর চেনাতে জামালপুর থানার পুলিশের এমন কৌশল প্রথমে সবাইকে হতবাক করে ঠিকই। পরে অবশ্য চোরেদের ছবি তুলে রাখা নিয়ে পথচারীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশজামালপুর থানার সন্নিকটে সড়ক পথের ধারে চা ,পান বিড়ি সিগারেটের দোকান যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে ছোট খাটো স্টেশনারি দোকান।দিন দুই আগে রাতের অন্ধকারে চোরেদের দল ৩টি দোকানের এ্যাজবেসটার্স চাল ভেঙে দোকানের ভিতরে ঢোকে। তার পর তারা দোকানে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে পালায়। পরদিন সকালে দোকান খুলতেই চুরির ঘটনা নজরে আসে দোকান মালিকদের।তাঁরা চুরির সবিস্তার উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ জানান ।অভিযোগ পেয়েই পুলিশ চোরেদের সন্ধানে নামে। মঙ্গলবার বিকালের মধ্যেই পুলিশ দুই চোর সেখ সাবির ও লব বেরা কে জালে পোরে। ধৃতদের মধ্যে সাবিরের বাড়ি জামালপুর থানা থেকে ২ কিমি দূরে সেলিমাবাদ গ্রামে। অপর ধৃত লবের বাড়ি প্রায় একই দূরত্বে থাকা পুলমাথা এলাকায়। জেরায় ধৃতরা দোকানে চুরির কথা স্বীকার করে নেবার পরেই পুলিশ তাঁদের নিয়ে চুরি হওয়া সামগ্রী উদ্ধারে নামে। উদ্ধার হয় প্রচুর প্যাকেট সিগারেট, গুটকা ও গায়ে মাখার সাবান। এর পরেই থানার পুলিশ কর্মীরা ধৃত দুই চোরের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে জামালপুরের সড়পথে ঘোরায়।চুরি যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রপুলিশের লোকজনই পথে থাকা লোকজনকে ডেকে ডেকে বলেন, দেখে রাখুন এই দুই যুবক হল চোর।রাতে এদের আপনার এলাকায় দেখলেই আপনারা সচেতন হবেন। প্রয়োজনে পুলিশকে জানাবেন। পাশাপাশি যে যে দোকানে চোরেরা চুরি করেছিল সেইব দোকান মালিকদেরও পুলিশ ধৃত চোরেদেরকে দেখায়। পুলিশের লোকজনের মুখথেকে এমন কথা শোনার পরেই চোরেদের ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখার হিড়িক পড়ে যায়। এই বিষয়ে জামালপুর থানার এক পুলিশ অফিসার বক্তব্য, এলাকায় মানুষজন যাতে চোরেদের চিনে রাখতে পারে তাই তাঁদের এলাকায় ঘোরানো হয়েছে। বুধবার ধৃতদের পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে। তবে জামালপুর বাস স্ট্যান্ডের কাছে দাঁড়িয়ে দুই চোরের ছবি এদিন মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করেন রায়নার বাসিন্দা হারাধন বৈরাগ্য নামে এক ব্যক্তি। পঞ্চাশ উর্ধ্ব এই ব্যক্তি বলেন, এলাকার লোকজনকে চোরেদের চেনাতে পুলিশের চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ জীবনে এই প্রথম দেখলাম।চোরদেরকেও দেখলাম। চুরি করলে এমন শাস্তি হবে দখলে কোন চোর জামালপুরে চুরি করতে আসার সাহস আর দেখাবে মলে মনে হয় না। হারাধন বাবু এও বলেন, চোর চেনাতে পুলিশের এমন অভিনব কৌশল ক্যামেরা বন্দি না করে ততাই থাকতে পারলাম না। রায়নার বাসিন্দাদেরও এই চেরেদের সম্পর্কে জানাবো।পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিস সেনের ব্যাখ্যা, আমার কাছে এই ঘটনা সম্পর্কে তথ্য নেই। কাউকে এমন করে ঘোরানো যায় না। তবে এটা করে থাকলে অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য করা হয়েছে বলেই মনে হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ ডি মামলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব

গ্রুপ সি-র পর এবার এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতেও সিবিআই অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলার রিপোর্ট কমিটিকে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে।স্কুলের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে প্রায় ৮০০ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেয় একক বেঞ্চ। তবে রাজ্য একক বেঞ্চের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতি মামলাটিতেও স্থগিতাদেশ দেয়।প্রসঙ্গত, গ্রুপ ডি পদে যে ৫৭৩ জনের নিয়োগ দুর্নীতির মামলা হয়েছে তাতে অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ শুক্রবার পর্যন্ত বজায় রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।আদালতের আরও নির্দেশ, আদালতের কাছে জমা পড়া ভুয়া নিয়োগ সুপারিশপত্র সঙ্গে বাগ কমিটির কাছে থাকা নথি মিলিয়ে দেখতে চায় ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার কমিটির কোনও প্রতিনিধি তাদের কাছে জমা পড়া নিয়োগ সুপারিশপত্রের কিছু নমুনা মুখবন্ধ খামে জমা দেবে আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবে থেকে দেখা যাবে 'ফ্যামিলি ম্যান থ্রি'?

দর্শকরা অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। সেই অপেক্ষার এবার অবসান হতে চলেছে। গত বছর মুক্তি পেয়েছিল দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২। তৃতীয় সিজন কবে আসবে অপেক্ষায় ছিল দর্শকরা। প্রায় এক বছর পর তাদের জন্য রয়েছে সুখবর। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক দায়িত্বপূর্ণ পদের ভার বনাম স্বামী ও বাবার কর্তব্যপালনের টানাপড়েনের কাহিনিতে মজে থাকা দর্শক এখন দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর তৃতীয় সিজনের দিন গুনছেন। প্রায় এক বছর বাদে সেই অপেক্ষা ফুরোনোর ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতারা। সবকিছু ঠিক থাকলে এই বছরের শেষেই দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩-র শ্যুটিং শুরু হবে।অ্যামাজন প্রাইমের এই সিরিজের দ্বিতীয় সিজনে চূড়ান্ত পর্বের শেষে ছিল তৃতীয় সিজনের ঝলক। সেখান থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যায় করোনা অতিমারির প্রেক্ষাপটে চিন ও উত্তর পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ঘিরে এগোবে কাহিনি। সম্ভবত কলকাতাও থাকবে সেই গল্পের অলিগলিতে। কোভি়ড-যুদ্ধের নেপথ্যেই কি এ বার জঙ্গি-যোগ ঠেকাবেন ফ্যামিলি ম্যানমনোজ বাজপেয়ী? খুব তাড়াতাড়িই সব উত্তরের অবসান হতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

পৌর ভোটে ২ হাজার ভোটে জয়কে ২০৫০ না করার জন্য কর্মীদের বার্তা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী

রাজ্যে যা উন্নয়ন হয়েছে তার নিরিখেই মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে আশীর্বাদ করবে। পৌর নির্বাচনে ২ হাজার ভোটে জয় হলে সেটাই গণতন্ত্রের আশীর্বাদ। সেটাকে ২০৫০ করার কোনো দরকার নেই। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ বলে শনিবার বর্ধমানে এসে দলের কর্মীদের জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। বিরোধীরা পুর ভোটের প্রচারে বেরিয়ে প্রতিমুহুর্তে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট লুটের অভিযোগ তুলে সোচ্চার হচ্ছেন। ঠিক তেমনই সময়ে তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের এমন বার্তা দেওয়া যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের ১০৮ টি পৌরসভার ভোট হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন পূর্ব বর্ধমানের কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, বর্ধমান, মেমারি ও গুসকরা পৌরসভার নির্বাচন হবে। তার প্রাক্কালে দলে কর্মীদের উদ্দেশ্যে হঠাৎ করেই এমন বার্তা দেওয়ার কারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন ,উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই তৃণমূল কংগ্রেস পুর ভোটে লড়বে। তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে বর্ধমান সহ রাজ্যের সর্বত্র ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। সেই উন্নয়নের নিরিখেই তৃণমূলের প্রার্থীরা মানুষের কাছে ভোট চাইবে। উন্নয়নের জন্যই মানুষ তৃণমূলের প্রার্থীদের আশীর্বাদ করবে। মানুষের আশীর্বাদ পাথেয় করেই তৃণমূল এগিয়ে যাবে। অরুপ বিশ্বাস এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলার একাধিক পৌরসভা এলাকায় কর্মী সভা ও প্রচারে অংশ নেন। প্রথমে বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চে কর্মীসভায় তিনি অংশ নেন। সেখানে তার সাথে ছিলেন দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের অপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস সহ দলের অন্য নেতারা।বর্ধমান পুরসভার ভোটে দলের ৩৫ জন প্রার্থীকে এদিন অরুপ বিশ্বাস উত্তরীয় পরিয়ে দেন। এর পর কর্মীসভা থেকে অরুপবাবু বলেন, আজ একজন প্রার্থী। কাল আপনিও প্রার্থী হতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব নজরে আছে। ভোটে উন্নয়নের কর্মকাণ্ড মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। বাড়ি বাড়ি প্রচারে গিয়ে মানুষের সাথে কথা বলুন। তাঁদের সমস্যার কথা শুনুন। ভোটের পর সেগুলি মাথায় রাখতে হবে। সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্ধমানে সভা শেষে সেরে অরূপ বিশ্বাস জেলা নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মেমারি ও কালনায় প্রচারে যান।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় এখনই সিবিআই অনুসন্ধান নয়। এখনই কারও চাকরিও যাচ্ছে না। শুক্রবার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও একটা দুর্নীতি হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই সিবিআই অনুসন্ধান বা কারও চাকরি যাওয়ার নির্দেশ বহাল রাখছে না আদালত। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।চলতি সপ্তাহে ৩৫০ জন গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন ওঠে আদালতে। ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এই নিয়োগ ঘিরে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। এর আগে গ্রুপ ডি নিয়োগের মামলাতেও একই ধরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মূলত, ৩৫০ জনের নিয়োগ ভুয়ো বলে মামলা দায়ের হয়। অবিলম্বে তাঁদের বেতন বন্ধ করার কথা বলেন বিচারপতি।সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, মামলার আবেদনপত্রে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। এই মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং পর্ষদকে যুক্ত করা হয়নি। তাদের যুক্ত করতে বলেছে আদালত। অন্যদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত আবেদন করেন, মামলাটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য রাখা হোক। এই মুহূর্তে স্থগিতাদেশে তাঁদের কোনও আপত্তিও নেই বলেই জানান তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। এদিন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন দুর্নীতি হয়েছে। তবে আপাতত স্থগিতাদেশ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাহাড় থেকে বাইচুংকে নিয়ে এসে লালহলুদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্তই

কতটা ইস্টবেঙ্গল অন্তঃপ্রাণ ছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত? মোহনবাগানের জার্সি গায়ে প্রথম বড় ক্লাবে খেললেও তাঁর লালহলুদ প্রীতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। বাইচুং ভুটিয়াকে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে। ১৯৭৪ সালে সবুজমেরুণ জার্সি ছেড়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত টানা ৬ বছর তিনি লালহলুদ জার্সি গায়ে কাটিয়েছিলেন। শত প্রলোভন সত্ত্বেও তিনি সবুজমেরুণ জার্সি তুলে নেননি। জীবনের সেরা সময়টা লালহলুদ জার্সি গায়েই কাটিয়েছেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে ইস্টবেঙ্গলে কাটানোর পর তুলে নেন সাদাকালো জার্সি। ১৯৮০ সালে মহমেডানে যোগ দেওয়ার পেছনে অন্য কারণ ছিল। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত টানা ৫ বছর লিগ জেতার পর ১৯৭৯ মরশুমে ভাল পারফরমেন্স হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ইস্টবেঙ্গ শোনা যায়, ঘরের ছেলেদের নাকি শিক্ষা দিতে বেশ কয়েকজন বাইরের ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেন লালহলুদ কর্তারা। এতেই চটে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ৮ জন ফুটবলার মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল ছাড়বেন। যোগ দেবেন মহমেডানে। সেই দলে ভাস্কর গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে প্রশান্ত চক্রবর্তী, শ্যামল ঘোষরাও ছিলেন। মোহনবাগান থেকে একজন ফুটবলারকে নিজেদের জোটে নিয়েছিলেন সুরজিৎ। একবছর মহমেডানে কাটিয়ে ১৯৮১ সালে আবার যোগ দেন মোহনবাগানে। ফুটবল জীবনের শেষ সময়টা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন।ফুটবল ছাড়ার পরও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল সুরজিৎ সেনগুপ্তর। সুখদুঃখে সবসময় লালহলুদের পাশে ছিলেন। পাহাড় থেকে বাইচুং ভুটিয়াকে নিয়ে এসে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলেরই হাতে। স্টেট ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। পাহাড় থেকে ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার একটা প্রকল্প ছিল স্টেট ব্যাঙ্কের। সুরজিৎ সেনগুপ্তর সঙ্গে ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল ভাস্কর গাঙ্গুলির। সিকিমে একটা স্টেট ব্যাঙ্কের ক্যাম্প হয়েছিল। ক্যাম্পে বাইচুংয়ের খেলা নজরে পড়েছিল সুরজিৎ সেনগুপ্ত ও ভাস্কর গাঙ্গুলির। দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিতে হবে বাইচুংকে। সেই কথামতো কাজ। সিকিম থেকে ফিরে এসে লালহলুদ কর্তাদের বাইচুংয়ের কথা বলেছিলেন সুরজিৎ। একপ্রকার জোর করেই লালহলুদ কর্তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। বাকিটা ইতিহাস।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রয়াত সুরজিৎ সেনগুপ্ত, বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তিনিও ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে থাকবেন

মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে তিনি মারা যান। সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ জানুয়ারি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। মাঝে মাঝে চিকিৎসায় সারা দিচ্ছিলেন। পরের দিকে শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়। ২৯ জানুয়ারি থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে বিশেষ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে থেকেই শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত হন এই প্রাক্তন ফুটবলার।১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম সুরজিৎ সেনগুপ্তর। মফঃস্বল থেকে উঠে এসে কলকাতা ময়দানে পদার্পন করেন। কলকাতা ময়দানে প্রথম খিদিরপুর ক্লাবে ফুটবলজীবন শুরু করেন। খিদিরপুরের হয়ে কলকাতা লিগে যথেষ্ট নজর কাড়েন। মোহনবাগান কর্তাদের নজরে পড়ে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭২ সালে খিদিরপুর থেকে মোহনবাগানে সই করেন। দুমরশুম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপানোর পর ১৯৭৪ সালে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গে খেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৮ সালে ইস্টবেঙ্গলের লিগজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁর জায়গায় লালহলুদের অধিনায়ক করা হয় শ্যামল ঘোষকে। সেবছরও ইস্টবেঙ্গল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়।১৯৭৯ মরশুম শেষে লালহলুদ কর্তারা বাঙালী ফুটবলারদের কোনঠাসা করার জন্য বাইরের কয়েকজন ফুটবলারদের সই করান। কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ৮ জন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি মহমেডানে যোগ দেন। মোহনবাগান থেকে নিয়ে যান একজন ফুটবলারকে। ১ বছর সাদাকালো জার্সি গায়ে কাটানোর পর ১৯৮১ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। ফুটবলজীবনের শেষ ৩ বছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।১৯৭৩ সালে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পরেই ভারতীয় দলে সুযোগ পান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে তিনি ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে মারডেকা কাপ, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন সন্তোষ ট্রফিতে খেলেন। ১৯৭৬ সালে বাংলার অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সংযুক্ত দলের বিরুদ্ধে কর্ণার থেকে তাঁর বাঁক খাওয়ানো শটে গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। পরলোকে চলে গেলেও তিনিও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় অনুসন্ধান কমিটিই ভেঙে দিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ

বেনজির নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কুলের গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআইয়ের বদলে অনুসন্ধান কমিটিকে দিয়ে তদন্ত করতে বলে। কিন্তু কমিটি কোনও কাজ করছে না, এই কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার সে কমিটি ভেঙে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার নির্দেশের পরও কেন সেই কমিটি রিপোর্ট দেয়নি তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি ভেঙে দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। কেন অনুসন্ধান কমিটি কাজ করছে না, তাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন বিচারপতি। বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, কমিটি এভাবে আসলে আদালতকেই অসম্মান করছে। কমিটি কেন রিপোর্ট দেয়নি সে ব্যাপার জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে। কমিটি গত দুমাস ধরে কোনও কার্যকরী অনুসন্ধান করেছে কি না, তা নিয়েও বিচারপতি এদিন সন্দেহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে বলেন, মঙ্গলবার থেকে কমিটির অফিসের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা থাকবে। সিবিআই যতক্ষণ না সেখানে গিয়ে কাগজপত্র নিচ্ছে।পাশাপাশি এতদিন যে বেতন তাঁরা পেয়েছেন, তা ফেরানোর কথাও বলা হয়। বিষয়টি সিবিআই অনুসন্ধানের কথাও বলেন বিচারপতি। এরপরই মামলা যায় সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে ডিভিশন বেঞ্চে। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান কমিটি তৈরি করে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। ডিভিশন বেঞ্চ শুধুমাত্র সিঙ্গল বেঞ্চের সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশকে খারিজ করে দেয়। এদিন সেই কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

বুধবার থেকে খুলছে প্রাথমিক-উচ্চ প্রাথমিক স্কুল, শিথিল হচ্ছে নৈশ কার্ফু, উঠছে কোভিড বিধিনিষেধ

কোভিডের নাগপাশ মুক্ত হয়ে অবশেষে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। সোমবার বিবৃতি প্রকাশ করে সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্য সরকার। আগামী ১৬ তারিখ অর্থাৎ বুধবার থেকে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলে দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুল খোলার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং বিধি নিয়ম সহ আলাদা নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর। কোভিড বিধি মেনেই স্কুল চলবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।প্রায় ২ বছর পর রাজ্যে খুলতে চলছে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যে বিধিনিষেধ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকছে। রাত্রীকালীন কার্ফু রাত ১১ টার পরিবর্তে ১২ টা থেকে শুরু হবে, চলবে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। স্কুল খোলা ছাড়াও সব আইসিডিএস সেন্টারও খোলা হচ্ছে আগামী বুধবার থেকে।কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ছোটদের স্কুল খোলা হতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে ছোটদের স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে একদম আগের মতো না হলেও পরিস্থিতি বুঝে রোটেশনে স্কুল খোলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী স্কুল খোলার ব্যাপারে নির্দেশিকা এসেই গেল। আসলে সাম্প্রতিক অনেক রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল যে, রাজ্যের শিক্ষার মান এবং হার দুইই পড়ে গিয়েছে লাগাতার স্কুল বন্ধ থাকার কারণে। বহু পড়ুয়া অক্ষর চিনতে পারছে না, বাক্য গঠন করতে পারছে না। এমনকী পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির অঙ্ক সমাধান করতেও অনেকাংশে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই দ্রুত স্কুল খোলার দাবি বাড়ছিল।রাজ্যে উল্লেখযোগ্য হারে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় অন্তঃদেশীয় বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্ত রকম নিয়ন্ত্রণ তুলে নিল রাজ্য সরকার। ফলে বেঙ্গালুরু থেকেও এবার তিন দিনের বদলে প্রতিদিন বিমান চলাচল করবে। স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা সোমবার অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের সচিব রাজীব বনসলকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে উড়ান এ রাজ্যে আসতে পারে। তবে যাত্রীদের হয় ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা আরটিপিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। একইরকম ভাবে বিদেশ থেকেও এ রাজ্যে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও একই শর্ত থাকছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হলো।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রথমবার অনুপম রায়ের মিউজিক ভিডিওতে ঋদ্ধি-সুরঙ্গনা

সারেগামার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করলেন অনুপম রায়। আর সারেগামার হাত ধরেই ২০২২ এ নতুন কাজ শুরু করলেন অনুপম রায়। তাঁর নতুন প্রোজেক্টটি একটি মিউজিক ভিডিও। যার নাম পুতুল আমি। আগামীকাল ভ্যালেন্টাইন্স ডে অর্থাৎ ভালোবাসার দিনে মিউজিক ভিডিওটি মুক্তি পাবে। প্রথমবার ঋদ্ধি সেন ও সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এখানে অভিনয় করতে দেখা যাবে। এই মিউজিক ভিডিও সংক্রান্ত একটি সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। প্রকাশিত হল মিউজিক ভিডিওর টিজার। অভিনেতা ঋদ্ধি সেন এই মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে জানালেন, অনুপম দার ফ্যান আমরা সবাই। অনুপম দার সঙ্গে সিনেমায় আমি কাজ করেছি। কিন্তু এটা অনুপম দার নিজের গান, সিনেমার নয়। এই মিউজিক ভিডিওতে ফিচার করতে পারাটা আমার আর সুরঙ্গনার জন্য খুবই আনন্দের। অনুপম দার প্রচুর গান শুনে সময় কেটেছে। সেই জায়গা থেকে আই অ্যাম ভেরি হ্যাপি। সুরঙ্গনা জানালেন, অনুপম দা-র সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুব ভালো। আর ঋদ্ধির সঙ্গে আমি প্রথম মিউজিক ভিডিওতে কাজ করছি। সেটা আবার ভ্যালেন্টাইন্স ডের দিন বেরোবে। আমার গান টা খুব ভালো লেগেছে। কাজটা খুব আনন্দ করে করেছি। আমি আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে কাজটা।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে কেন ভর্তি হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

তাহলে কি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট শুক্রবার বেঙ্গালুরুর নারায়না হেলথ সিটি হাসপাতালে যেতেই জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। সৌরভপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র উৎকন্ঠা শুরু হয়ে যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনের কাছে একের পর এক ফোন আসতে থাকে। অবশেষে ঘনিষ্ঠমহল থেকে সকলকে আশ্বস্ত করা হয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলির কিছুই হয়নি। ডাঃ দেবী শেঠির কাছে হৃদযন্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা করাতে তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। শনিবার ও রবিবার বেঙ্গালুরুতে হবে ২০২২ আইপিএলের মেগা নিলাম। সেই মেগা নিলামে হাজির থাকতে বেঙ্গালুরু গিয়েছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। বেঙ্গালুরু পৌঁছনোর পর তিনি চলে যান ডাঃ দেবী শেঠির কাছে। এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুতেই রয়েছেন ডাঃ দেবী শেঠি। তাই সেখানেই হার্টের পরীক্ষার জন্য হাজির হন সৌরভ। চেকআপের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। গতবছর সৌরভের হৃদযন্ত্রে সমস্যা ধরা পড়েছিল। দুদুবার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিও করতে হয়েছে। এখন বেশ ভালোই রয়েছেন সৌরভ। হৃদযন্ত্রে কোনও সমস্যাও নেই। এবছর শুরুতে করোনাতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। আইপিএলের মেগা নিলামে প্রথম দিন ভাগ্য পরীক্ষা হবে ১৬১ জন ক্রিকেটারের। প্রথম দিন যে সব ক্রিকেটার অবিক্রিত থাকবেন দ্বিতীয় দিনেও আবার তাঁদের নিলামে তোলা হবে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ট্রেন্ট বোল্ট, প্যাট কামিন্স, কুইন্টন ডিকক, শিখর ধাওয়ান, ফাফ ডুপ্লেসি, শ্রেয়স আয়ার, কাগিসো রাবাডা, মহম্মদ সামি, ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ১০ জন মার্কি ক্রিকেটারদের প্রথমে নিলামে তোলা হবে। প্রথম দিনের নিলামে ৬২টি সেট থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

হিজাব বিতর্ককে জাতীয় স্তরে না-ছড়ানোর আবেদন সুপ্রিম কোর্টের

ক্রমশ বেড়েই চলেছে কর্নাটকের হিজাব বিতর্ক। বৃহস্পতিবারই কর্নাটক হাইকোর্টের তরফে মামলাটি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো হয়। এরপরই কর্নাটকে ছাত্র সংগঠনের তরফে এই মামলার জরুরি শুনানির আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করা হয়। কিন্তু এদিন শীর্ষ আদালতের তরফে এই আর্জি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং জানানো হয় যে, সঠিক সময়েই আদালতের তরফে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হবে।কর্নাটকের স্কুল-কলেজে হিজাব পরা মুসলিম মেয়েদের ঢুকতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল, তা বর্তমানে রাজ্যের সীমানা পার করে বাকি জায়গাতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি আদালত অবধিও গড়িয়েছে। গতকালই কর্নাটক হাইকোর্টের তরফে পড়ুয়াদের অনুরোধ করা হয় যে, স্কুল-কলেজে হিজাব পরার মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া অবধি তারা যেন কোনও ধরনের ধর্মীয় পোশাক পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না যান। এরপরই কর্নাটকের এক ছাত্রী সুপ্রিম কোর্টে জরুরিভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানান।ওই ছাত্রীর পিটিশন খারিজ করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, দয়া করে জাতীয় স্তরে এই বিষয়গুলিকে ছড়িয়ে দেবেন না। সঠিক সময় এলেই, একমাত্র আমরা হস্তক্ষেপ করব।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

বাসে চালকলের মালিকের ব্যাগ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা গায়েব, গ্রেফতার দুই মহিলা

যাত্রী সেজে বাসে উঠে এক চালকল মালিকের হাতে থাকা ব্যাগ থেকে দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে পগারপাড় হয়ে যায় দুই মহিলা। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশের তৎপরতায় বুধবার রাতে ধরা পড়ে যায় কেপমারি চক্রের দুই মহিলা আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদি। তবে অবশ্য কেপমারি হওয়া চালকল মালিকের লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার হয়নি। এই ঘটনা যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে ভাতারের ব্যবসায়ী মহলে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বছর ত্রিশ বয়সী আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদির বাড়ি বীরভূম জেলার আমোদপুর থানার সাহানিপুরে। কেপমারিতে জড়িত থাকার কথা ধৃতরা কবুল করেছে বলে পুলিশের দাবি। কেপমারি হওয়া টাকা উদ্ধার ও চক্রের চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়।বিচারক ধৃতদের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, টাকা খোয়ানো চালকল মালিক অরূপ ভট্টাচার্যের বাড়ি জেলার রায়না থানার সেহারাবাজারে। ভাতারের নর্জায় তাঁর একটি চালকল রয়েছে। লিখিত অভিযোগে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ভাতার থানায় জানান,অন্য ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে পাওনা টাকা আনতে ওইদিন দুপুরে তিনি বর্ধমান শহরে গিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোট ২ লক্ষ ৪১ হাজার ২৩০ টাকা সেদিন সংগ্রহ করেন। একটি হাত ব্যাগে সেই টাকা ভরে নিয়ে তিনি বাসে চেপে মিলে ফিরছিলেন। বাসটি দেওয়ানদিঘি স্টপেজে দাঁড়াতেই কয়েকজন মহিলা শিশুসন্তান কোলে ওই বাসে ওঠে। মহিলারা তাঁর গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। বাস ভিড়ে ঠাসা থাকার কারনে তিনি অন্যত্র সরতে পারেননি। ফলে গাদাগাদি সহ্য করেই বাসে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। অরুপবাবু জানান, খানিক বাদে ওই মহিলা দলটি মাঝ রাস্তায় বাস থেকে নেমে পড়ে। ভিড় একটু খালি হতেই তিনি দেখেন তাঁর হাত ব্যাগের নিচের দিকের কিছুটা অংশ ধারালো কিছু দিয়ে কাটা। ব্যাগে যে টাকা রেখেছিলেন সেই টাকা আর ব্যাগে নেই। কেপমারির শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে অরূপবাবু নর্জায় আর না নেমে সোজা ভাতার থানায় চলে আসেন। থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে তিনি সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলে অভিযোগ দায়ের করেন।চালকল মালিকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই ভাতার থানার পুলিশ নড়েচড়ে বসে। দেওয়ানদিঘির মুখে বর্ধমান-কাটোয়া রাজ্য সড়কে পুলিশ অভিযানে নামে। তখনই কর্জনার কাছে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় আয়েষা রায় নামে এক মহিলা। তাঁকে জেরা করে পুলিশ বীরভূমের আমাদপুরের এসবেরিয়া বেদির নাম জানতে পারে। রাতে পুলিশ আমাদপুর থেকে এসবেরিয়াকেও পাকড়াও করে। এরপর দুই মহিলাকে একসঙ্গে থানায় বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ভাতার থানার পুলিশ অফিসাররা। জেরায় ধৃতরা পুলিশকে জানায়, বেশ কিছু দিন ধরে তারা অরূপ ভট্টাচার্যের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। এরপর তারা বুধবার পরিকল্পনা মাফিক স্বদলবলে বাস উঠে অপারেশন চালিয়ে চালকল মালিকের ব্যাগ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬০ শতাংশের বেশি

বৃহস্পতিবার প্রায় শান্তিতেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে। বেলা এগারোটা অবধি ভোটের হার ছিল ২০.০৩ শতাংশ, দুপুর একটায় ভোটের হার পৌঁছেছে ৩৫.০৩ শতাংশে। সকাল সাতটা থেকে পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তরপ্রদেশের ১১টি জেলার ৫৮টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরপ্রদেশের যে জেলাগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে সেই জেলা গুলি হল-শামলি, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, মুজফফরনগর, মেরঠ, বাঘপত, গাজিয়াবাদ, বুলন্দশহর, আলিগড়, মথুরা ও আগ্রা। ২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ের মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৮৭ শতাংশ। সর্বাধিক ভোট হয়েছে শামলিতে ৬৬.১৪ শতাংশ, তারপরে মুজাফফরনগর এবং মথুরায় যথাক্রমে ৬৫.৩২ শতাংশ ৬২.৯০ শতাংশ। গৌতম বুদ্ধ নগরে সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ৫৪.৩৮ শতাংশ ভোটারের খবর পাওয়া গেছে। গৌতম বুদ্ধ নগর ব্যতীত সবচেয়ে কম রিপোর্ট করা ভোটার উপস্থিত জেলাগুলি হল গাজিয়াবাদ, মিরাট, আগ্রা যথাক্রমে ৫২.৪৩ শতাংশ, ৬০ শতাংশ এবং ৬০.২৩ শতাংশ৷২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি দুটি করে আসনে জিতেছিল। আরএলডি জিতেছিল একটি আসনে। হাপুর হোক অথবা আলিগড় সকাল সকাল ১১টি জেলার বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • ...
  • 44
  • 45
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal