• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UP

খেলার দুনিয়া

সম্প্রীতির অন্য ছবি, ছোট্ট ফাতিমা মিলিয়ে দিল ভারত–পাকিস্তানকে

ভারতের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিশ্বকাপে ম্যাচ খেলার জন্য মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে পাকিস্তান টিম বাস এসে দাঁড়াতেই একেএকে নেমে আসছিলেন পাক ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক বিসমা মারুফের কোলে মাস ছয়েকের এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। অনেকেই অবাক চোখে দেখছিলেন। এইটুকু বাচ্চা নিয়ে বিশ্বকাপের আসরে! অবাক হওয়ারই কথা। ওই ফুটফুটে শিশুই ম্যাচের পর মিলিয়ে দিয়েছিল ভারতপাকিস্তানকে। ধরা পড়ে সম্প্রীতির এক অন্য ছবি। মন ভাল করে দেওয়ার এক অনন্য মুহূর্ত।পাকিস্তান টিম হোটেলেই বলুন কিংবা ড্রেসিংরুমে, অন্য আবহ এনে দিয়েছে অধিনায়ক বিসমা মারুফের ৬ মাসের ফুটফুটে কন্যাসন্তান ফাতিমা। গোটা দলের অনুপ্রেরণা। তাকে দেখেই ক্রিকেটাররা উজ্জীবিত। ছোট্ট ফাতিমাই এখন পাকিস্তান শিবিরের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাকে দেখার জন্য, খুনসুটি করার জন্য বিসমার ঘরে ছুটে আসেন অন্য ক্রিকেটাররা। পাক অধিনায়ক বলেন, দলের সতীর্থরা ওর সঙ্গে খেলা করার জন্য, আদর করার জন্য আমার ঘরে ছুটে আছে। দলের মধ্যে অন্যরকম এনার্জি এনে দিয়েছে আমার ছোট্ট মেয়ে। প্র্যাকটিসের পর অনেকেই আমার ঘরে ছুটে আসে। কয়েক ঘন্টা ওকে কাছে না পেলে খুব মিস করে। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমার ঘরে ফাতিমার সঙ্গে খেলা করে। ওকে কাছে পেলে সবাই রিল্যাক্স থাকে। কোনও বিষয়ের ওপর যেখন বেশি ফোকাস, চাপ তৈরি হয়। একজন শিশু কাছে থাকলে, সব চিন্তা দূর হয়ে যায়।Bismah Maroofs legacy will go far beyond her achievements on the field. In a society that often tells women to make choices between career and family, shes showing that you can have both! Such an inspiring person.pic.twitter.com/Vp7EB2iwKd Aatif Nawaz (@AatifNawaz) March 6, 2022ছোট্ট মেয়েকে সামলাতে কোনও সমস্যা হয়না বিসমার। মেয়ে ঘুম থেকে ওঠার আগেই প্র্যাকটিসে চলে যান। যদি কোনও দিন বিসমার প্র্যাকটিসে যাওয়ার আগেই বিসমা উঠে পড়ে, সামলানোর দায়িত্ব বিসমার মায়ের। অধিকাংশ দিনই প্র্যাকটিস থেকে ফেরার পর মেয়ের সঙ্গে দেখা হয় বিসমার। মাকে কাছে না পেলেও অস্বাভাবিক আচরণ করে না ছোট্ট ফাতিমা। তবে মা ফিরে এলে ছাড়তেই চায় না।চলতি বিশ্বকাপে বিসমা ছাড়াও আরও ৭ জন ক্রিকেটার খেলছেন, যাদের সন্তান রয়েছে। তবে পাকিস্তানী ক্রিকেটার হিসেবে তিনিই প্রথম, যিনি সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও ক্রিকেট থেকে সরে যাননি। এই ব্যাপারে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তান কোচ ডেভিড হেম্প ও পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেটের চেয়ারম্যান উরুজ মুমতাজ। ২০২১ সালের আগস্টে তিনি মা হন। তার আগেই কোচ ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মিসবা। তাঁদের কাছ থেকে দলে ফেরার আশ্বাস পেয়েছিলেন। মিসবা বলেন, বোর্ড এ ভাবে পাশে না দাঁড়ালে হয়তো ক্রিকেট ছাড়তে হত আমায়। এখন আমি মা-কে সব সময় সঙ্গে রাখি। জানি মেয়ে নিরাপদে রয়েছে। মা হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসা এক অসাধারণ অনুপ্রেরণা। গোটা বিশ্বের সমস্ত মহিলা ক্রীড়াবিদদের জন্যেই বিসমা মারুফ এক অনুপ্রেরণা।চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জেতার পর বিসমা মারুফ যখন ম্যাচ শেষে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন তখন দেখা যায় ড্রেসিংরুমের বাইরে বিসমার মেয়ের সঙ্গে খেলছেন ভারতীয় দলের সদস্যরা। কেউ গাল টিপছেন, কেউ আদর করছেন। বিসমা মারুফ এসে তাকে কোলে তুলে নেওয়ার পরও হরমনপ্রীত কউর, স্মৃতি মন্ধনা, একতা বিস্তদের দিকে হাসি হাসি মুখে চেয়ে ছিল খুদেটি। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তাঁকে ঘিরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মাতামাতি বেশ উপভোগ করছেন পাক অধিনায়কের কন্যা।

মার্চ ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ সম্মানে সম্মানিত পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

ইতিমধ্যে অরূপ সেনগুপ্ত নামটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত। বলিউড থেকে একাধিক স্বপ্ন নিয়ে অরূপ বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। পরিচালনা করতে থাকেন চার এক্কে প্যাঁচ, এ.কে.Ray, Unethical-র মতো শর্টফিল্ম। এর আগেও বেশ কয়েকটি অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছে তার পরিচালিত শর্টফিল্ম আনএথিক্যাল। কিন্তু এবার তামিল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ মনোনীত হয় অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আরোহন প্রোডাকশন এর প্রযোজিত ছবি আনএথিক্যাল এবং জিতে নেন বেস্ট কনসেপ্টচুয়্যাল অ্যাওয়ার্ডস। অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আনএথিক্যাল-এ অভিনয় করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য, পৌলমী দাস, পূজা গাঙ্গুলি এবং সুপর্ণা চ্যাটার্জী। অরূপ সেনগুপ্তের হাত ধরে প্রথম বাংলা সিনেমার জগতে পা রাখতে চলেছে তন্ময়। এই ছবির অ্যাওয়ার্ড নিয়ে জনতার কথা কে অরূপ জানান, এই ছবিটা ২৭ মিনিটের। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি অনুষ্ঠিত হয়েছে অনলাইনে। খুব ভালো লাগছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌টানা ৩ ম্যাচ জিতেই রনজি নক আউটে বাংলা

বছর দুয়েক আগে রনজি ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি বাংলার। সৌরাষ্ট্রর কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। করোনার জন্য মাঝে একটা মরশুম রনজি হয়নি। তাতেও যে ছন্দ নষ্ট হয়নি বাংলা শিবিরের, এই মরশুমেই প্রমাণ। টানা তিন ম্যাচ জিতে রনজি নক আউটে পৌঁছে গেল বাংলা। বরোদা, হায়দরাবাদের পর তৃতীয় ম্যাচে চণ্ডীগড়কে হারাল ১৫২ রানে। প্রথম দুই ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে নক আউটে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল বাংলা। হায়দরাবাদ যদি শেষ ম্যাচে বরোদার বিরুদ্ধে ৭ পয়েন্টসহ জিতত এবং বাংলা যদি চণ্ডীগড়ের কাছে হারত, তাহলেই অভিমন্যু ঈশ্বরণদের লিগ পর্ব থেকেই ছিটকে যেতে হত। সেই সুযোগ দেয়নি বাংলা শিবির। টানা ৩ ম্যাচ জিতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে নক আউটে। চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে বাংলা তুলেছিল ৪৩৭। জবাবে ২০৬ রানে শেষ হয়ে যায় চণ্ডীগড়ের প্রথম ইনিংস। বাংলা দ৮ উইকেটে ১৮১ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে। জয়ের জন্য ৪১৩ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায় চণ্ডীগড়ের সামনে। ২৬০ রানে শেষ হয়ে যায় চণ্ডীগড়ের দ্বিতীয় ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে চণ্ডীগড়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জশকরণ সিং (৬০)। অমৃত লুবানা করেন ৫৭। অধিনায়ক মনন ভোরা ৪০। বাংলার হয়ে ঈশান পোড়েল ৩টি, মুকেশ কুমার, নীলকন্ঠ দাস দুটি করে, সায়নশেখর মণ্ডল, শাহবাজ আমেদ ও অনুষ্টুপ মজুমদার ১টি করে উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। ম্যাচের পর বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, দুর্দান্ত জয় পেয়েছি। এই ম্যাচ না জিতলেও আমরা নক আউটে পৌঁছতাম। প্রতিটা ম্যাচেই ছেলেরা ভাল খেলেছে। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৮৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও যেভাবে জয় পেয়েছিলাম তা ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাস বাকি ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছে। ধারাবাহিকতা দেখাতে পেরেছি। এখনই নক আউট নিয়ে ভাবছি না। বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ বলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে থেকে পরের পর্বে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পরেও সকলে যে ভাবে জয়ের জন্য লড়াই করেছে সেটা অবিশ্বাস্য। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ জেতা নক আউট পর্বে আমাদের সাহায্য করবে।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে রেকর্ড বাংলার মেয়ে রিচা ও মিতালি'র, পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করল ভারত

ক্রিকেটে ভারতপাকিস্তান মানেই টানটান উত্তেজনা। গতবছর পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপে এই ছবিটা দেখা যায়নি। একপেশে ম্যাচে ভারতকে বিধ্বস্ত করেছিলেন বাবর আজমরা। বিরাট কোহলিদের সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিলেন মিতালি রাজরা। মহিলাদের বিশ্বকাপের একপেশে ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০৭ রানে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। একদিনের বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই উইকেটের পেছনে পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন বাংলার রিচা ঘোষ। একমাত্র মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের অধিনায়ক মিতালি রাজও। নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই আউট হন শেফালি ভার্মা (০)। এরপর স্মৃতি মান্ধানা ও দীপ্তি শর্মা জুটি দলকে টেনে নিয়ে যান। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ৯২ রান তুলে চাপ কাটান। ৪০ রান করে বাইশতম ওভারের শেষ বলে আউট হন দীপ্তি। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ২ ওভার পরেই আউট হন ওপর ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা। ৭৫ বলে তিনি করেন ৫২। স্মৃতি আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান হরমনপ্রীত কাউর (৫), রিচা ঘোষ (১), মিতালি রাজরা (৯)। একসময় ১১৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর রুখে দাঁড়ান স্নেহ রানা ও পূজা বস্ত্রকার। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে পাকিস্তান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন। দুজনে মিলে জুটি বেঁধে তোলেন ১২৪। ৫৯ বলে ৬৭ রান করে আউট হন পূজা বস্ত্রকার। ৪৮ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন স্নেহ রানা। ৩ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ঝুলন গোস্বামী। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত তোলে ২৪৪/৭। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সিদ্রা আমিন ও জাভেরিয়া খান ভারতের দুই প্রারম্ভিক বোলার ঝুলন গোস্বামী ও মেঘনা সিংয়ের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের রান তোলার গতি খুবই মন্থর ছিল। পরের দিকে রানের গতি বাড়াতে গিয়ে রাজেশ্বরীকে উইকেট উপহার দেন জাভেরিয়া (১১)। আর পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমা মারুফকে (১৫) তুলে নেন দীপ্তি শর্মা। ওমাইমা সোহেলকে (৫) ফেরান স্নেহ রানা। দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে সিদ্রা আমিন (৩০) ও নিদা দারকে (৪) তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। এরপরই রাজেশ্বরীর দাপটে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং। ৪৩ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান। ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন রাজেশ্বরী। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন ঝুলন গোস্বামী। ২৭ রানে ২ উইকেট স্নেহ রানার। এদিকে, প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন রিচা শর্মা। উইকেটের পেছনে সিদ্রা আমিন, বিসমা মারুফ, নিদা দার ও নাশরা সান্ধুর ক্যাচ ধরেন। আলিয়া রিয়াজকে দুর্দান্ত স্টাম্পড করেন। অন্য কোনও ক্রিকেটারের এই নজির নেই। ৬টি বিশ্বকাপ খেলে নজির গড়েছেন মিতালি রাজও। ৫টি করে বিশ্বকাপ খেলার নজির রয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেবি হকলে ও ইংল্যান্ডের শার্লট এডওয়ার্ডসের। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে দিলেন মিতালি। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার নজির স্পর্শ করলেন। এই কৃতিত্ব রয়েছে জাভেদ মিয়াঁদাদ ও শচীন তেন্ডুলকারের।

মার্চ ০৬, ২০২২
রাজ্য

গ্রাম বাঁচাতে অবৈধ বালি খাদান বন্ধের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্জি শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দাদের

অন্ধকার নামলেই শুরু হয়ে যায় দামোদরের পাড় লাগোয়া চর থেকে অবৈধ ভাবে বালি তুলে পাচার। তার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার শম্ভুপুর এলাকার দামোদরের পাড়ের বোল্ডার পিচিং। এই ঘটনা দেখে গ্রাম বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা ঘটনা নিয়ে গণস্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ পত্র ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পঠিয়েছেন। পাশাপাশি জেলাশাসকের দফতরেও জমা দিয়েছেন অভিযোগ পত্র। মুখ্যমন্ত্রী কি ব্যবস্থা নেন সেদিকেই আপাতত তাকিয়ে শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, এত কিছুর পরেও যদি নদি পাড়ের বোল্ডার পিচিংয়ের ক্ষতি করে বালি তোলা বন্ধ না হয় তবে তা রুখতেই নিজেরাই আশরে নামবেন। জামালপুর ব্লকের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম শম্ভুপুর। এই গ্রামেের এক পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে দামোদর নদ। পূর্বে নদি পাড়ের ভাঙনে এলাকার অনেক চাষির জমি নদি গর্ভে চলে যায়। বিপন্ন হতে বসে শম্ভুপুর গ্রামের একটা বড় অংশ।বিপর্যয়ের হাত থেকে শম্ভুপুর গ্রামকে বাঁচাতে দামোদর পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা বোল্ডার দিয়ে বাঁধিয়ে দেওয়া হয়। তার পরথেকে শম্ভুপুর গ্রামের মানুষজন স্বস্তিতেই ছিলেন।কিন্তু সম্প্রতি গ্রামবাসীদের রাতের ঘুম ফের কেড়ে নিয়েছে অসাধু বালি কারবারী।গ্রামবাসীরা ওই বালিকারবারীদের বিরুদ্ধেই এখন রুখে দাঁড়িয়েছেন। গ্রামবাসীরা লিখিত ভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, এক বালি কারবারী বর্ধমান সদর ২ ব্লকের বড়শুলের গোপালপুর মৌজায় বালি খাদানের লিজ পেয়েছেন। সেই খাদান থেকে বালি লোড হওয়া ট্রাক ও ডাম্পারগুলির গোপালপুর মৌজার ঘাট দিয়েই যাবার কথা। কিন্তু তা না করে ওই বালি কারবারী জামালপুর ব্লকের শম্ভুপুরে অবৈধ ভাবে নদির বাঁধ কেটে গাড়ি যাতায়াতের ঘাট চালু করেছে। এমনকি সন্ধ্যা নামলেই ওই বালি কারবারীর লোকজন জেসিবি মেশিন নিয়ে গোপালপুর থেকে শম্ভুপুর মৌজা এলাকায় চলে আসছে। এরপর তারাই শম্ভুপুর এলাকার দামোদর পাড়ের বোল্ডার পিচিং লাগোয়া চর থেকে দেদার বালি তুলে নিয়ে ট্রাকে ও ডাম্পারে লোড করে পাচার করাচ্ছে। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, গ্রীন ট্রাইব্যুনালের রায়কে সম্পূর্ণ ভাবে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই শম্ভুপুর এলাকায় অবৈধ ভাবে বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। একারণে শম্ভুপুর গ্রামে দামোদর পাড়ের বোল্ডার পিচিং মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।বোল্ডার পিচিং ধসে পড়লে শম্ভুপুর গ্রাম ফের দামোদরের গ্রামের মুখে পড়ে বিপন্ন হবে বলে গ্রামবাসীরা আশংকা প্রকাশ করেছেন। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক অভিযোগ করেছেন, প্রতিদিন অতিমাত্রায় ওভারলোড বালির লরি ও ডাম্বার এই এলাকা দিয়ে গিয়ে একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে কালাড়াঘাট থেকে পলেমপুর যাবার নবনির্মিত পিচ রাস্তা। এই বিষয়েটি নিয়ে খুব শীঘ্রই তাঁরা রাজ্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন।গ্রামবাসীদের তোলা অভিযোগ যে অমূলক নয় তা ব্লক ভূমি দফতরের আধিকারিকদের কথাতেই এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ভূমি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শম্ভুপুর এলাকা দিয়ে বালির গাড়ি নিয়ে যাবার জন্য যে ঘাট করা হয়েছে সেটি অবৈধ ভাবেই করা হয়েছে। সেই কারণে ভূমি দফতর জামালপুর থানায় এফআইআর করেছে।এছাড়াও জামালপুরের জোড়বাঁধ ও সেলিমাবাদ মৌজা এলাকায় অবৈধ খাদান খোলার অভিযোগ পেয়ে ভূমি দফতর তা নিয়েও এফআইআর করেছে। যদিও এই দুই এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, এফআইআর যাই হোক না কোন, সন্ধ্যায় পর থেকে ভোর পর্যন্ত এই দুই এলাকার অবৈধ খাদান থেকে নিত্যদিন বালি লুঠ চলেই যাচ্ছে। বালি লুঠ বন্ধের কোন ব্যবস্থাও হয়নি । জানা গিয়েছে, শম্ভুপুর গ্রামের বাসিন্দাদের আনা অভিযোগের বিষয়টি জানার পরেই পুলিশ বুধবার রাতে ওই অবৈধ ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। চারটি বালির লরি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ ওই লরিগুলির চালককে গ্রেফতার করেছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে বৃহস্পতিবার পুলিশ চার ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। যদিও আদালতের নির্দেশে ধৃত চার লরিটালকই এদিন জামিনে ছাড়া পেয়ে যান।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের ব্যাটে বড় রানের স্বপ্ন বাংলার

বিগত কয়েক মরশুম ধরে বাংলার মূল সমস্যা ছিল ব্যাটিং। বোলাররা জ্বলে উঠলেও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সাফল্য আসেনি। এবছরও রনজির প্রথম দুটি ম্যাচে বরোদা ও হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন বোলাররা। গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন ব্যাটাররা। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও অনুষ্টুপ মজুমদারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে বড় রানের পথে বাংলা। এই জুটির তৈরি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩২৯। আগের দুটি ম্যাচে ওপেনাররা নির্ভরতা দিতে পারেনি বাংলাকে। তৃতীয় ম্যাচেও ছবিটা বদলায়নি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলা। দিনের চতুর্থ বলে ফিরে যান ওপেনার সুদীপ ঘরামি। কোনও রান না করেই জগজিৎ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। এরপর দলকে কিছুটা টানেন অভিমন্যু ও তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরি। উইকেটে থিতু হয়েও ব্যর্থ ঋত্ত্বিক। ১২ রান করে তিনি জসকরণ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। ৪২ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর অভিমন্যুর সঙ্গে দলের হাল ধরেন অনুষ্টুপ মজুমদার। এই দুই ব্যাটারের দাপটে ব্যাকফুটে চলে যান চণ্ডীগড়ের বোলাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অভিমন্যু। শেষ পর্যন্ত ১৭২ বলে ১১৪ রান করে জগজিৎ সিংয়ের বলে আউট হন। এর পরপরই আউট হন অনুষ্টুপ। তিনি যেভাবে ব্যাট করছিলেন, সেঞ্চুরি নিশ্চিত ছিল। গৌরব গম্ভীরের ভেতরে ঢুকে আসা বলে লাইন মিস করে এলবিডব্লু হন অনুষ্টুপ। ১৪৯ বলে ৯৫ রান করে আউট হন তিনি। অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের জুটিতে ওঠে ১৯৩। অনুষ্টুপ ফিরে যাওয়ার পরপরই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। আগের দুটি ম্যাচে নজরকাড়া অভিষেক পোড়েল (০) ও শাহবাজ আমেদ (৬) রান পাননি। দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। একসময় বাংলার স্কোর দাঁড়ায় ২৬৮/৬। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে নিয়ে যান মনোজ তেওয়ারি ও সায়নশেখর মণ্ডল। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে উঠেছে ৬১। দিনের শেষে মনোজ ৪২ রানে ও সায়নশেখর ৩৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। চণ্ডীগড়ের হয়ে জগজিৎ সিং ৫৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নারীকেন্দ্রিক ছবিতে বনি-কৌশানী

বনি-কৌশানী জুটি মানেই দর্শকদের মধ্যে আলাদা উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়। দুজনকে এবার দর্শকরা পেতে চলেছেন একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতে। প্রার্জুন মজুমদারের অন্তর্জাল ছবিটিতে রয়েছেন তাঁরা। নারীকেন্দ্রিক ছবির গল্প বলবেন প্রার্জুন। এখানে কৌশানীর চরিত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে কাহিনি। এই ছবিতে কৌশানীকে লহরীর চরিত্রে দর্শকরা দেখতে পাবেন। তার স্বামী অপূর্বর চরিত্রে রয়েছেন বনি। তাদের প্রথম বিবাহবার্ষিকীর দিনেই হারিয়ে যায় অপূর্ব। সেই অন্তর্ধানকে কেন্দ্র করেই রহস্য ঘনীভূত হয়। প্রার্জুন তার দ্বিতীয় ফিচার ফিল্মেই বনি-কৌশানী জুটিকে নিয়ে কাজ করছেন। বনি জানিয়েছেন নারীকেন্দ্রিক ছবিতে সুযোগ পাওয়াটা তার কাছে বড় বিষয়। ছবিতে লহরী পেশায় লেখিকা। অন্য রকমের বলিষ্ঠ চরিত্র পেয়ে কৌশানীও বেশ উত্তেজিত। এই ছবিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমাল্য দত্ত। মার্চ মাসেই অন্তর্জাল এর শুটিং শুরু হবে।

মার্চ ০১, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, বিজেপির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টেও

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভায়। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। আগেই হাইকোর্টে সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই ভরসা করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর এবার সেই একই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।বিজেপির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে বলা হয়েছে, ১০৮ পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় বিজেপি। বিভিন্ন জেলা থেকে বিরোধীরা হামলার অভিযোগ তুলেছেন। অন্য একটি মামলায় বিজেপি প্রার্থীরা নিরাপত্তার অভাবের কথাও জানিয়েছেন আদালতে। এই সব অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিজেপি।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন, তাহলে কেন দেওয়া হল না, সেই কারণ আদালতে জানাতে হবে কমিশনারকে। আর তারপর যদি ভোটের দিন কোনও অশান্তির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার দায় নিতে হবে কমিশনারকেই।কমিশন সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার ভোটের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশই। মোতায়েন করা হবে ৪৪ হাজার পুলিশ। প্রতি বুথে থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। এছাড়াও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স, ইএফআর জওয়ান, র্যা ফের তত্ত্বাবধানে থাকবে বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিক-এ (KLIKK) মুক্তি পাচ্ছে রাজা চন্দ'র 'কাটাকুটি'

Klikk ওরিজিনালস OTT প্ল্যাটফর্মের জন্যে জনপ্রিয় পরিচালক রাজা চন্দ এবার প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করলেন। ছবির নাম কাটাকুটি। নিবেদনে রাজা চন্দ ফিল্মস। সিরিজের কাহিনি-চিত্রনাট্যকার অর্ণব ভৌমিক। শুধু রাজাই নন, কাটাকুটি-র হাত ধরে টেলিভিশনের ছোট পর্দা থেকে ওয়েব সিরিজে প্রথম পা রেখেছেন নায়িকা মানসী সেনগুপ্ত। তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে সৌরভ দাসকে। অভিনেত্রী পিয়ান সরকার মানসির বোনের চরিত্রে আর দেবতনু তার স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন।ছবির প্রেক্ষাপটে লাজুক আদিত্য আর স্পষ্টভাষী কৌশানি, দুজনের বিয়ে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের আগেই হঠাৎ কৌশানি মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়। আর সেই খুনের কারণ বোঝা যায়, এক নৃশংস গ্যাং রেপ কেস। তার সাজানো স্বপ্নগুলি এরম নির্মম ভাবে চুরমার হতে দেখে ভেঙে পড়ে আদিত্য। কাহিনী এগোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তিনজনের নাম, যারা করেছে এই ঘৃন্য অপরাধ! ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে একজন কৌশানির পরিবারের খুব কাছের সদস্য। আদিত্য বদলে যায়। কৌশানির মৃত্যুর বিচার সে তুলে নেয় নিজের হাতে। বেছে নেয় নির্মম প্রতিশোধের পথ। এই কাহিনীর পরোতে পরোতে রয়েছে রোমহর্ষক চমক আর অনবদ্য অভিনয়। ছয় পর্বের এই সিরিজ দেখা যাবে আগামী মার্চ মাসে Klikk OTT প্লাটফর্মে। কাটাকুটি তে অভিনয় করেছেন সৌরভ দাস, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার, দেবতনু, অভিজিৎ গুহ, বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়, সিরষা রক্ষিত, জ্যামি প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

চতুর্থ দফায় উত্তরপ্রদেশের ৫৯টি আসনে চলছে ভোটপর্ব

উত্তরপ্রদেশে তিন-দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, বুধবার উত্তরপ্রদেশে চলছে চতুর্থ দফার ভোটপর্ব। চতুর্থ দফায় উত্তরপ্রদেশের ৫৯টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, এদিন ভাগ্যপরীক্ষা হচ্ছে মোট ৬২৪ জন প্রার্থীর। ৯টি জেলার ৫৯টি আসনে বুধবার ভোটগ্রহণ চলছে। এই ৯টি জেলা হল-পিলভিট, লখিমপুর খেরি, সীতাপুর, হারদোই, উন্নাও, লখনউ, রায়বেরেলি, বান্দা ও ফতেহপুর। ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল সাতটা থেকে এবং চলবে সন্ধ্যা ৬টা অবধি। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ৫৯ আসনের মধ্যে ৫১টিতেই জিতেছিল বিজেপি।লখিমপুর খেরিতে এবারের ভোটে কী ফল হয়, সে দিকেই নজর সমস্ত রাজনৈতিক দলের। লখিমপুর খেরির হিংসা জাতীয় স্তরে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। ২০১৭ সালের নির্বাচনে লখিমপুর খেরি আসনে বিজেপির যোগেশ বর্মা হারিয়ে দিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টির উৎকর্ষ বর্মা মাধুরকে। এবারের নির্বাচনেও তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বী। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথের সামনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও। সকাল সকাল নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বহুজন সমাজ পার্টির প্রধান মায়াবতী। তিনি লখনউয়ের মিউনিসিপ্যাল নার্সারি স্কুলের পোলিং বুথে ভোট দিয়েছেন। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে বাকি ৩ দফার ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি, ৩ মার্চ ও ৭ মার্চ। ফল ঘোষণা হবে ১০ মার্চ।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

জনগনকে চোর চেনাতে কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশ

ভোট আসলেই পুলিশকে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকায় রোড মার্চ করতে। তা বলে পুলিশ চোরেদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় রোড মার্চ করবে এমনটা বোধহয় সকলের কাছেই কল্পনার অতীত। কিন্তু না, এটা কোন আজগুবি গল্পকথা নয়। বাস্তবেই মঙ্গলবার এমন ঘটনাই ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। একের পর এক দোকানে চুরির ঘটনায় ধৃত চোরেদের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে দীর্ঘ সড়ক পথে ঘোরালো পুলিশ কর্মীরা।যার উদ্দেশ্য ছিল এলাকার সকল মানুষজনকে চোরেদের চিনিয়ে দিয়ে সচেতন করে রাখা।চোর চেনাতে জামালপুর থানার পুলিশের এমন কৌশল প্রথমে সবাইকে হতবাক করে ঠিকই। পরে অবশ্য চোরেদের ছবি তুলে রাখা নিয়ে পথচারীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।কোমরে দড়ি পরিয়ে চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ করলো পুলিশজামালপুর থানার সন্নিকটে সড়ক পথের ধারে চা ,পান বিড়ি সিগারেটের দোকান যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে ছোট খাটো স্টেশনারি দোকান।দিন দুই আগে রাতের অন্ধকারে চোরেদের দল ৩টি দোকানের এ্যাজবেসটার্স চাল ভেঙে দোকানের ভিতরে ঢোকে। তার পর তারা দোকানে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে পালায়। পরদিন সকালে দোকান খুলতেই চুরির ঘটনা নজরে আসে দোকান মালিকদের।তাঁরা চুরির সবিস্তার উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ জানান ।অভিযোগ পেয়েই পুলিশ চোরেদের সন্ধানে নামে। মঙ্গলবার বিকালের মধ্যেই পুলিশ দুই চোর সেখ সাবির ও লব বেরা কে জালে পোরে। ধৃতদের মধ্যে সাবিরের বাড়ি জামালপুর থানা থেকে ২ কিমি দূরে সেলিমাবাদ গ্রামে। অপর ধৃত লবের বাড়ি প্রায় একই দূরত্বে থাকা পুলমাথা এলাকায়। জেরায় ধৃতরা দোকানে চুরির কথা স্বীকার করে নেবার পরেই পুলিশ তাঁদের নিয়ে চুরি হওয়া সামগ্রী উদ্ধারে নামে। উদ্ধার হয় প্রচুর প্যাকেট সিগারেট, গুটকা ও গায়ে মাখার সাবান। এর পরেই থানার পুলিশ কর্মীরা ধৃত দুই চোরের কোমরে দড়ি পরিয়ে রোড মার্চের মতন করে জামালপুরের সড়পথে ঘোরায়।চুরি যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রপুলিশের লোকজনই পথে থাকা লোকজনকে ডেকে ডেকে বলেন, দেখে রাখুন এই দুই যুবক হল চোর।রাতে এদের আপনার এলাকায় দেখলেই আপনারা সচেতন হবেন। প্রয়োজনে পুলিশকে জানাবেন। পাশাপাশি যে যে দোকানে চোরেরা চুরি করেছিল সেইব দোকান মালিকদেরও পুলিশ ধৃত চোরেদেরকে দেখায়। পুলিশের লোকজনের মুখথেকে এমন কথা শোনার পরেই চোরেদের ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখার হিড়িক পড়ে যায়। এই বিষয়ে জামালপুর থানার এক পুলিশ অফিসার বক্তব্য, এলাকায় মানুষজন যাতে চোরেদের চিনে রাখতে পারে তাই তাঁদের এলাকায় ঘোরানো হয়েছে। বুধবার ধৃতদের পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে। তবে জামালপুর বাস স্ট্যান্ডের কাছে দাঁড়িয়ে দুই চোরের ছবি এদিন মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করেন রায়নার বাসিন্দা হারাধন বৈরাগ্য নামে এক ব্যক্তি। পঞ্চাশ উর্ধ্ব এই ব্যক্তি বলেন, এলাকার লোকজনকে চোরেদের চেনাতে পুলিশের চোরেদের নিয়ে রোড মার্চ জীবনে এই প্রথম দেখলাম।চোরদেরকেও দেখলাম। চুরি করলে এমন শাস্তি হবে দখলে কোন চোর জামালপুরে চুরি করতে আসার সাহস আর দেখাবে মলে মনে হয় না। হারাধন বাবু এও বলেন, চোর চেনাতে পুলিশের এমন অভিনব কৌশল ক্যামেরা বন্দি না করে ততাই থাকতে পারলাম না। রায়নার বাসিন্দাদেরও এই চেরেদের সম্পর্কে জানাবো।পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিস সেনের ব্যাখ্যা, আমার কাছে এই ঘটনা সম্পর্কে তথ্য নেই। কাউকে এমন করে ঘোরানো যায় না। তবে এটা করে থাকলে অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য করা হয়েছে বলেই মনে হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ ডি মামলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব

গ্রুপ সি-র পর এবার এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতেও সিবিআই অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলার রিপোর্ট কমিটিকে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে।স্কুলের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে প্রায় ৮০০ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেয় একক বেঞ্চ। তবে রাজ্য একক বেঞ্চের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতি মামলাটিতেও স্থগিতাদেশ দেয়।প্রসঙ্গত, গ্রুপ ডি পদে যে ৫৭৩ জনের নিয়োগ দুর্নীতির মামলা হয়েছে তাতে অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ শুক্রবার পর্যন্ত বজায় রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।আদালতের আরও নির্দেশ, আদালতের কাছে জমা পড়া ভুয়া নিয়োগ সুপারিশপত্র সঙ্গে বাগ কমিটির কাছে থাকা নথি মিলিয়ে দেখতে চায় ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার কমিটির কোনও প্রতিনিধি তাদের কাছে জমা পড়া নিয়োগ সুপারিশপত্রের কিছু নমুনা মুখবন্ধ খামে জমা দেবে আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবে থেকে দেখা যাবে 'ফ্যামিলি ম্যান থ্রি'?

দর্শকরা অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। সেই অপেক্ষার এবার অবসান হতে চলেছে। গত বছর মুক্তি পেয়েছিল দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২। তৃতীয় সিজন কবে আসবে অপেক্ষায় ছিল দর্শকরা। প্রায় এক বছর পর তাদের জন্য রয়েছে সুখবর। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক দায়িত্বপূর্ণ পদের ভার বনাম স্বামী ও বাবার কর্তব্যপালনের টানাপড়েনের কাহিনিতে মজে থাকা দর্শক এখন দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর তৃতীয় সিজনের দিন গুনছেন। প্রায় এক বছর বাদে সেই অপেক্ষা ফুরোনোর ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতারা। সবকিছু ঠিক থাকলে এই বছরের শেষেই দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩-র শ্যুটিং শুরু হবে।অ্যামাজন প্রাইমের এই সিরিজের দ্বিতীয় সিজনে চূড়ান্ত পর্বের শেষে ছিল তৃতীয় সিজনের ঝলক। সেখান থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যায় করোনা অতিমারির প্রেক্ষাপটে চিন ও উত্তর পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ঘিরে এগোবে কাহিনি। সম্ভবত কলকাতাও থাকবে সেই গল্পের অলিগলিতে। কোভি়ড-যুদ্ধের নেপথ্যেই কি এ বার জঙ্গি-যোগ ঠেকাবেন ফ্যামিলি ম্যানমনোজ বাজপেয়ী? খুব তাড়াতাড়িই সব উত্তরের অবসান হতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

পৌর ভোটে ২ হাজার ভোটে জয়কে ২০৫০ না করার জন্য কর্মীদের বার্তা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী

রাজ্যে যা উন্নয়ন হয়েছে তার নিরিখেই মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে আশীর্বাদ করবে। পৌর নির্বাচনে ২ হাজার ভোটে জয় হলে সেটাই গণতন্ত্রের আশীর্বাদ। সেটাকে ২০৫০ করার কোনো দরকার নেই। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ বলে শনিবার বর্ধমানে এসে দলের কর্মীদের জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। বিরোধীরা পুর ভোটের প্রচারে বেরিয়ে প্রতিমুহুর্তে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট লুটের অভিযোগ তুলে সোচ্চার হচ্ছেন। ঠিক তেমনই সময়ে তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের এমন বার্তা দেওয়া যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের ১০৮ টি পৌরসভার ভোট হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন পূর্ব বর্ধমানের কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, বর্ধমান, মেমারি ও গুসকরা পৌরসভার নির্বাচন হবে। তার প্রাক্কালে দলে কর্মীদের উদ্দেশ্যে হঠাৎ করেই এমন বার্তা দেওয়ার কারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন ,উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই তৃণমূল কংগ্রেস পুর ভোটে লড়বে। তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে বর্ধমান সহ রাজ্যের সর্বত্র ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। সেই উন্নয়নের নিরিখেই তৃণমূলের প্রার্থীরা মানুষের কাছে ভোট চাইবে। উন্নয়নের জন্যই মানুষ তৃণমূলের প্রার্থীদের আশীর্বাদ করবে। মানুষের আশীর্বাদ পাথেয় করেই তৃণমূল এগিয়ে যাবে। অরুপ বিশ্বাস এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলার একাধিক পৌরসভা এলাকায় কর্মী সভা ও প্রচারে অংশ নেন। প্রথমে বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চে কর্মীসভায় তিনি অংশ নেন। সেখানে তার সাথে ছিলেন দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের অপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস সহ দলের অন্য নেতারা।বর্ধমান পুরসভার ভোটে দলের ৩৫ জন প্রার্থীকে এদিন অরুপ বিশ্বাস উত্তরীয় পরিয়ে দেন। এর পর কর্মীসভা থেকে অরুপবাবু বলেন, আজ একজন প্রার্থী। কাল আপনিও প্রার্থী হতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব নজরে আছে। ভোটে উন্নয়নের কর্মকাণ্ড মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। বাড়ি বাড়ি প্রচারে গিয়ে মানুষের সাথে কথা বলুন। তাঁদের সমস্যার কথা শুনুন। ভোটের পর সেগুলি মাথায় রাখতে হবে। সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্ধমানে সভা শেষে সেরে অরূপ বিশ্বাস জেলা নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মেমারি ও কালনায় প্রচারে যান।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় এখনই সিবিআই অনুসন্ধান নয়। এখনই কারও চাকরিও যাচ্ছে না। শুক্রবার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও একটা দুর্নীতি হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই সিবিআই অনুসন্ধান বা কারও চাকরি যাওয়ার নির্দেশ বহাল রাখছে না আদালত। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।চলতি সপ্তাহে ৩৫০ জন গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন ওঠে আদালতে। ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এই নিয়োগ ঘিরে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। এর আগে গ্রুপ ডি নিয়োগের মামলাতেও একই ধরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মূলত, ৩৫০ জনের নিয়োগ ভুয়ো বলে মামলা দায়ের হয়। অবিলম্বে তাঁদের বেতন বন্ধ করার কথা বলেন বিচারপতি।সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, মামলার আবেদনপত্রে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। এই মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং পর্ষদকে যুক্ত করা হয়নি। তাদের যুক্ত করতে বলেছে আদালত। অন্যদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত আবেদন করেন, মামলাটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য রাখা হোক। এই মুহূর্তে স্থগিতাদেশে তাঁদের কোনও আপত্তিও নেই বলেই জানান তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। এদিন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন দুর্নীতি হয়েছে। তবে আপাতত স্থগিতাদেশ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাহাড় থেকে বাইচুংকে নিয়ে এসে লালহলুদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্তই

কতটা ইস্টবেঙ্গল অন্তঃপ্রাণ ছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত? মোহনবাগানের জার্সি গায়ে প্রথম বড় ক্লাবে খেললেও তাঁর লালহলুদ প্রীতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। বাইচুং ভুটিয়াকে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে। ১৯৭৪ সালে সবুজমেরুণ জার্সি ছেড়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত টানা ৬ বছর তিনি লালহলুদ জার্সি গায়ে কাটিয়েছিলেন। শত প্রলোভন সত্ত্বেও তিনি সবুজমেরুণ জার্সি তুলে নেননি। জীবনের সেরা সময়টা লালহলুদ জার্সি গায়েই কাটিয়েছেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে ইস্টবেঙ্গলে কাটানোর পর তুলে নেন সাদাকালো জার্সি। ১৯৮০ সালে মহমেডানে যোগ দেওয়ার পেছনে অন্য কারণ ছিল। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত টানা ৫ বছর লিগ জেতার পর ১৯৭৯ মরশুমে ভাল পারফরমেন্স হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ইস্টবেঙ্গ শোনা যায়, ঘরের ছেলেদের নাকি শিক্ষা দিতে বেশ কয়েকজন বাইরের ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেন লালহলুদ কর্তারা। এতেই চটে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ৮ জন ফুটবলার মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল ছাড়বেন। যোগ দেবেন মহমেডানে। সেই দলে ভাস্কর গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে প্রশান্ত চক্রবর্তী, শ্যামল ঘোষরাও ছিলেন। মোহনবাগান থেকে একজন ফুটবলারকে নিজেদের জোটে নিয়েছিলেন সুরজিৎ। একবছর মহমেডানে কাটিয়ে ১৯৮১ সালে আবার যোগ দেন মোহনবাগানে। ফুটবল জীবনের শেষ সময়টা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন।ফুটবল ছাড়ার পরও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল সুরজিৎ সেনগুপ্তর। সুখদুঃখে সবসময় লালহলুদের পাশে ছিলেন। পাহাড় থেকে বাইচুং ভুটিয়াকে নিয়ে এসে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলেরই হাতে। স্টেট ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। পাহাড় থেকে ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার একটা প্রকল্প ছিল স্টেট ব্যাঙ্কের। সুরজিৎ সেনগুপ্তর সঙ্গে ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল ভাস্কর গাঙ্গুলির। সিকিমে একটা স্টেট ব্যাঙ্কের ক্যাম্প হয়েছিল। ক্যাম্পে বাইচুংয়ের খেলা নজরে পড়েছিল সুরজিৎ সেনগুপ্ত ও ভাস্কর গাঙ্গুলির। দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিতে হবে বাইচুংকে। সেই কথামতো কাজ। সিকিম থেকে ফিরে এসে লালহলুদ কর্তাদের বাইচুংয়ের কথা বলেছিলেন সুরজিৎ। একপ্রকার জোর করেই লালহলুদ কর্তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। বাকিটা ইতিহাস।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রয়াত সুরজিৎ সেনগুপ্ত, বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তিনিও ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে থাকবেন

মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে তিনি মারা যান। সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ জানুয়ারি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। মাঝে মাঝে চিকিৎসায় সারা দিচ্ছিলেন। পরের দিকে শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়। ২৯ জানুয়ারি থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে বিশেষ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে থেকেই শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত হন এই প্রাক্তন ফুটবলার।১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম সুরজিৎ সেনগুপ্তর। মফঃস্বল থেকে উঠে এসে কলকাতা ময়দানে পদার্পন করেন। কলকাতা ময়দানে প্রথম খিদিরপুর ক্লাবে ফুটবলজীবন শুরু করেন। খিদিরপুরের হয়ে কলকাতা লিগে যথেষ্ট নজর কাড়েন। মোহনবাগান কর্তাদের নজরে পড়ে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭২ সালে খিদিরপুর থেকে মোহনবাগানে সই করেন। দুমরশুম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপানোর পর ১৯৭৪ সালে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গে খেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৮ সালে ইস্টবেঙ্গলের লিগজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁর জায়গায় লালহলুদের অধিনায়ক করা হয় শ্যামল ঘোষকে। সেবছরও ইস্টবেঙ্গল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়।১৯৭৯ মরশুম শেষে লালহলুদ কর্তারা বাঙালী ফুটবলারদের কোনঠাসা করার জন্য বাইরের কয়েকজন ফুটবলারদের সই করান। কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ৮ জন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি মহমেডানে যোগ দেন। মোহনবাগান থেকে নিয়ে যান একজন ফুটবলারকে। ১ বছর সাদাকালো জার্সি গায়ে কাটানোর পর ১৯৮১ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। ফুটবলজীবনের শেষ ৩ বছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।১৯৭৩ সালে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পরেই ভারতীয় দলে সুযোগ পান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে তিনি ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে মারডেকা কাপ, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন সন্তোষ ট্রফিতে খেলেন। ১৯৭৬ সালে বাংলার অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সংযুক্ত দলের বিরুদ্ধে কর্ণার থেকে তাঁর বাঁক খাওয়ানো শটে গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। পরলোকে চলে গেলেও তিনিও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় অনুসন্ধান কমিটিই ভেঙে দিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ

বেনজির নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কুলের গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআইয়ের বদলে অনুসন্ধান কমিটিকে দিয়ে তদন্ত করতে বলে। কিন্তু কমিটি কোনও কাজ করছে না, এই কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার সে কমিটি ভেঙে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার নির্দেশের পরও কেন সেই কমিটি রিপোর্ট দেয়নি তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি ভেঙে দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। কেন অনুসন্ধান কমিটি কাজ করছে না, তাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন বিচারপতি। বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, কমিটি এভাবে আসলে আদালতকেই অসম্মান করছে। কমিটি কেন রিপোর্ট দেয়নি সে ব্যাপার জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে। কমিটি গত দুমাস ধরে কোনও কার্যকরী অনুসন্ধান করেছে কি না, তা নিয়েও বিচারপতি এদিন সন্দেহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে বলেন, মঙ্গলবার থেকে কমিটির অফিসের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা থাকবে। সিবিআই যতক্ষণ না সেখানে গিয়ে কাগজপত্র নিচ্ছে।পাশাপাশি এতদিন যে বেতন তাঁরা পেয়েছেন, তা ফেরানোর কথাও বলা হয়। বিষয়টি সিবিআই অনুসন্ধানের কথাও বলেন বিচারপতি। এরপরই মামলা যায় সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে ডিভিশন বেঞ্চে। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান কমিটি তৈরি করে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। ডিভিশন বেঞ্চ শুধুমাত্র সিঙ্গল বেঞ্চের সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশকে খারিজ করে দেয়। এদিন সেই কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

বুধবার থেকে খুলছে প্রাথমিক-উচ্চ প্রাথমিক স্কুল, শিথিল হচ্ছে নৈশ কার্ফু, উঠছে কোভিড বিধিনিষেধ

কোভিডের নাগপাশ মুক্ত হয়ে অবশেষে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। সোমবার বিবৃতি প্রকাশ করে সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্য সরকার। আগামী ১৬ তারিখ অর্থাৎ বুধবার থেকে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলে দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুল খোলার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং বিধি নিয়ম সহ আলাদা নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর। কোভিড বিধি মেনেই স্কুল চলবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।প্রায় ২ বছর পর রাজ্যে খুলতে চলছে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যে বিধিনিষেধ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকছে। রাত্রীকালীন কার্ফু রাত ১১ টার পরিবর্তে ১২ টা থেকে শুরু হবে, চলবে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। স্কুল খোলা ছাড়াও সব আইসিডিএস সেন্টারও খোলা হচ্ছে আগামী বুধবার থেকে।কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ছোটদের স্কুল খোলা হতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে ছোটদের স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে একদম আগের মতো না হলেও পরিস্থিতি বুঝে রোটেশনে স্কুল খোলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী স্কুল খোলার ব্যাপারে নির্দেশিকা এসেই গেল। আসলে সাম্প্রতিক অনেক রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল যে, রাজ্যের শিক্ষার মান এবং হার দুইই পড়ে গিয়েছে লাগাতার স্কুল বন্ধ থাকার কারণে। বহু পড়ুয়া অক্ষর চিনতে পারছে না, বাক্য গঠন করতে পারছে না। এমনকী পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির অঙ্ক সমাধান করতেও অনেকাংশে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই দ্রুত স্কুল খোলার দাবি বাড়ছিল।রাজ্যে উল্লেখযোগ্য হারে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় অন্তঃদেশীয় বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্ত রকম নিয়ন্ত্রণ তুলে নিল রাজ্য সরকার। ফলে বেঙ্গালুরু থেকেও এবার তিন দিনের বদলে প্রতিদিন বিমান চলাচল করবে। স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা সোমবার অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের সচিব রাজীব বনসলকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে উড়ান এ রাজ্যে আসতে পারে। তবে যাত্রীদের হয় ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা আরটিপিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। একইরকম ভাবে বিদেশ থেকেও এ রাজ্যে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও একই শর্ত থাকছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হলো।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রথমবার অনুপম রায়ের মিউজিক ভিডিওতে ঋদ্ধি-সুরঙ্গনা

সারেগামার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করলেন অনুপম রায়। আর সারেগামার হাত ধরেই ২০২২ এ নতুন কাজ শুরু করলেন অনুপম রায়। তাঁর নতুন প্রোজেক্টটি একটি মিউজিক ভিডিও। যার নাম পুতুল আমি। আগামীকাল ভ্যালেন্টাইন্স ডে অর্থাৎ ভালোবাসার দিনে মিউজিক ভিডিওটি মুক্তি পাবে। প্রথমবার ঋদ্ধি সেন ও সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এখানে অভিনয় করতে দেখা যাবে। এই মিউজিক ভিডিও সংক্রান্ত একটি সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। প্রকাশিত হল মিউজিক ভিডিওর টিজার। অভিনেতা ঋদ্ধি সেন এই মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে জানালেন, অনুপম দার ফ্যান আমরা সবাই। অনুপম দার সঙ্গে সিনেমায় আমি কাজ করেছি। কিন্তু এটা অনুপম দার নিজের গান, সিনেমার নয়। এই মিউজিক ভিডিওতে ফিচার করতে পারাটা আমার আর সুরঙ্গনার জন্য খুবই আনন্দের। অনুপম দার প্রচুর গান শুনে সময় কেটেছে। সেই জায়গা থেকে আই অ্যাম ভেরি হ্যাপি। সুরঙ্গনা জানালেন, অনুপম দা-র সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুব ভালো। আর ঋদ্ধির সঙ্গে আমি প্রথম মিউজিক ভিডিওতে কাজ করছি। সেটা আবার ভ্যালেন্টাইন্স ডের দিন বেরোবে। আমার গান টা খুব ভালো লেগেছে। কাজটা খুব আনন্দ করে করেছি। আমি আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে কাজটা।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ...
  • 42
  • 43
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal