• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UP

বিনোদুনিয়া

প্রকাশ্যে "পরিচয় গুপ্ত"-র প্রথম লুক, ভিন্ন চরিত্রে ঋত্বিক চক্রবর্তী

পরিচয় গুপ্ত সিনেমার চরিত্রদের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এল। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, অয়ন্তিকা ব্যানার্জী, জয় সেনগুপ্ত। ছবির পরিচালনার দ্বায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক রন রাজ। ছবিতে দেখা যাবে ১৯৫০ সালের ঘটনায় এক জমিদার ও তার প্রিয় বন্ধু আর্কেলজিস্ট এর গল্প।পরিচালক রন রাজ জানান পরিচয় গুপ্ত এই নাম টা থেকে বোঝা যাচ্ছে কোনো কিছুর সিক্রেট আইডেন্টিটি। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে এই সিক্রেট আইডেনটিটি থেকে থাকে। কিন্তু হয়তো পরিবারের চাপে, সমাজের চাপে সেই প্রতিভাকে নিজেরা আটকে রাখে।পরিচয় গুপ্ত ছবিতে দেখা যাবে থ্রিলার এর ছোঁয়া। যার প্রতিটি বাকে রয়েছে টুইস্ট। ছবিতে সঙ্গীতের দায়িত্বে রয়েছেন সঙ্গীত পরিচালক সুভেন্দু অধিকারী। ছবিটি মুক্তি পাবে পূর্ণাঞ্জলী মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এর ব্যানারে।তবে ছবির আরো একটু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল ছবিতে গান গাইছেন অরিজিৎ সিং। ইতিমধ্যে অরিজিৎ সিং এর সঙ্গে কথা বলা হয়ে গিয়েছেন পরিচালক ও মিউজিক ডিরেক্টর এর। ইতিমধ্যে ছবির অনেকটা পার্ট শ্যুটিং শেষ হয়ে গিয়েছে আউটডোরে।

মে ০৬, ২০২২
দেশ

জোর করে করোনার টিকাকরণ নয়, বিধিনিষেধও ঠিক নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

কাউকে করোনা টিকাকরণে জোর করা যাবে না। সোমবার করোনার টিকা সংক্রান্ত মামলায় এই রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, টিকাকরণ নীতিকে অযৌক্তিকও বলা যায় না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, টিকা না নেওয়ার ফলে জনগণকে যে সব বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হয়, তা ঠিক নয়।কেন্দ্র টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করেছিল, ওই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জনৈক চিকিৎসক মামলা দায়ের করেন। এদিন সেই মামলার রায়দান ছিল। বেশ কয়েকদিন ধরেই মামলার সওয়াল-জবাব চলছিল। তার প্রেক্ষিতে এদিন এই রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও এবং বিআর গাভাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন।জনবহুল এলাকায় টিকাহীন ব্যক্তিদের প্রবেশের উপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে ঘোষণা করেছে আদালত। এই ধরনের নির্দেশ জারি থাকলে তা এখনই সরকারকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, বৃহত্তর জনকল্যাণের জন্য কিছু শর্ত আরোপ করতে পারে সরকার। আদালত রায়ে বলেছে, টিকাকরণের ফলে কোনও ব্যক্তি অসুস্থ হলে সেই বিষয়টা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এর আগে দেখা গিয়েছে করোনার টিকা না নিলে অনেক জায়গায় ঢোকা নিষেধ ছিল। টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলকও ছিল। রায়ের পর এই ধরনের বিধিনিষেধ রইল না।

মে ০২, ২০২২
রাজ্য

অবশেষে জটিলতা কাটল বাবুলের শপথের, ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা রাজ্যপালের

শেষমেশ তৃণমূল সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র শপথের জটিলতা কাটল। প্রায় দুই সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বাবুল। জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়র শপথবাক্য পাঠ করাবেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন।আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়ে প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন, তিনি প্রথম একাদশে খেলতে চান। শেষমেশ বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বিধায়কপদে শপথ নিয়ে জটিলতা বেড়ে যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বাবুলের শপথের ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দেন। তাঁর শপথ নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের বক্তব্য ছিল, রাজ্য সরকার রাজভবনের কোনও প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে না। যাই হোক শেষমেশ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে ক্ষমতা দেওয়ায় এবার শপথ নিতে চলেছেন বাবুল। বাংলায় প্রবাদ আছে। মচকাবেন কিন্তু ভাঙবেন না। নিজে না করে ডেপুটি স্পিকারকে শপথের দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যপাল। অর্থাৎ শপথ হলেও নিজে হাজির থাকবেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যপাল এই সিদ্ধান্ত দ্বারা বুঝিয়ে দিলেন তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরছেন না। রাজ্য সরকারের নানা কর্মকান্ডে তিনি যে সন্তুষ্ট নয়, তা এর আগে নানা মন্তব্য করে স্পষ্ট করেছেন জগদীপ ধনখড়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নূপুর ডান্স একাডেমির বার্ষিক উৎসব

কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে সম্প্রতি হয়ে গেলো কৃষ্ণনগর নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমির বার্ষিক উৎসব। শহর জুড়ে তার প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। উক্ত অনুষ্ঠানের জন্যে কৃষ্ণনগর নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমি ও উড়ান মানুষের কাছে আবেদন করেছিলো এটি কে যাতে শহরের একটা বড় উৎসব করে তোলা যায়। উৎসবের জন্যে এসে হাজির হয়েছিলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার কুমার শর্মা এবং তার টিম কত্থক রকার্স । এবং তাঁরা হাজির করলেন ত্রিনাদ, যা এর আগে দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত হলেও দেশে এই প্রথম। কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ কানায় কানায় দর্শক পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে নির্দিষ্ট দিন। প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। মঞ্চ থেকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে কুমার শর্মা জি কে বরণ করে নেন ইন্ট্রোলিঙ্ক-এর কর্ণধার শ্রী তন্ময় সাহা। নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমির একাধিক ছাত্র ছাত্রীরা শুরুতেই করেন নৃত্য পরিবেশন, নৃত্য এবং গানের মধ্য দিয়ে উঠে আসে ধর্ষণের বিরুদ্ধে স্বর। এরপর শুরু হয় কাঙ্খিত সেই ত্রিনাদ। নাচ, গান, তাল মিলিয়ে সে এক অদ্ভূত আবেশ মেতে ওঠেন দর্শকরা। কত্থক রকার্স বুঝিয়ে দেয় বিদেশের মাটিতে তাঁরা যেমন জমিয়ে এসেছেন, দেশের মাটিতেও তার অন্যথা হবে না। শব্দ, আলোর এক মায়াবী পরিবেশে মোহিত হয়ে ওঠেন দর্শকাসনের প্রতিটি মানুষ। এক দর্শকের কথায়, যারা আসেন নি তাঁরা বুঝতেও পারলেন না কত বড় একটা ইতিহাস মিস করে গেলেন তাঁরা। ধর্ষণের উপর তৈরি হওয়া কাজ টি দেখে, দর্শক হিসেবে আসা এক ডাক্তার বাবুর কথায়, আমার দুই মেয়ে আছে, বেনাকাব প্রযোজনা টি দেখার পর মুখ লুকিয়ে আমি হাও হাও করে কেঁদে ফেলেছি। এই সময়ে দাঁড়িয়ে কতটা প্রাসঙ্গিক কাজ হয়েছে এটি।আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে গোপা মুখার্জি বলেন, দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করে তারপর উৎসবটি সম্পন্ন করা গেলো । নূপুর এর এই পার্বন পুরো শহরের উৎসব হয়ে উঠবে সেই কামনা করেছিলাম, এবং সবাই কে আহবান করেছিলাম! মানুষ যে এভাবে এরকম অভাবনীয় সাড়া দেবেন আমি ভাবতেই পারি নি! আগামী দিনে শহরের তথা জেলার জন্যে আরো কিছু ভালো ভালো উপহারের পরিকল্পনা করছি আমরা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
দেশ

টাটাদের সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল অসমে, অনুপমের খোঁচা

অসমে সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করছে টাটা। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টাটাদের অসমের প্রকল্প বাংলাতেও হতে পারত বলে মনে করছে প্রাক্তন সাংসদ ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. অনুপম হাজরা। সিঙ্গুর থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে টাটারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে বলে অনুপম মনে করেন।সিঙ্গুর কাণ্ডের পর এরাজ্য থেকে পুরোপুরি দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করে টাটা গোষ্ঠী। নতুন কোনও প্রকল্পের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ দেখা যায়নি। শুধু টাটা নয়, অন্য শিল্পগোষ্ঠীও বাংলায় আসতে অস্বস্তি প্রকাশ করেছে। তবে রাজ্য সরকার শিল্প সম্মেলন করে আদানিসহ বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীকে এরাজ্যে হাজির করেছে। শিল্প পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সিঙ্গুরের শিল্পে ব্যাঘাত নিয়ে এখনও খোঁচা মারতে ছাড়েন না বিরোধীরা। সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে টাটাদের সঙ্গে রাজ্যের ক্যানসার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রকল্পের কথা জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন pic.twitter.com/RDxyvjqKdg Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 28, 2022অনুপম হাজরা টুইটে লিখেছেন, শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন{

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাতের জের, বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়র শপথ কবে?

বিজেপির সাংসদ হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রীত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর বিজেপি ছেড়ে দেন। রাজনীতি ছেড়ে দেব ঘোষণা করেও তৃণমূলে যোগ দেন। বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কিন্তু এখনও বিধায়ক হয়ে শপথ নিতে পারেননি বাবুল সুপ্রিয়। প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এখনও জয়ী প্রার্থী হিসাবেই রয়ে গিয়েছেন বাবুল। কবে শপথ হবে তার দিনক্ষণও ঠিক হয়নি।রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত যেন কিছুতেই কমছে না। এবার সংঘাতের বলি হলেন বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তার শপথগ্রহণ সংক্রান্ত ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, শপথের বিষয়ে রাজ্যপাল সাংবিধানিক ভাবে দায়বদ্ধ। তিনি কোনও শর্ত আরোপ করতে পারেন না। সূত্রের খবর, এবার একেবারে শপথের তারিখ উল্লেখ করে ফাইল পাঠাচ্ছে পরিষদীয় দফতর।বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব রাজ্যের কাছ থেকে মেলেনি রাজ্যপালের। সূত্রের খবর, এই কারণেই নাকি গোঁসা হয়েছে রাজ্যপালের। যদিও সরকারি ভাবে রাজ্যপাল বা রাজভবন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজ্য অপেক্ষা করে আছে রাজ্যপাল কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর। অন্যদিকে নয়া বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় হতাশ। বিধায়ক না হলে বিধানসভার কোনও কমিটিতেও থাকতে পারছেন না। আবার মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ থাকলেও বিধায়ক পদে শপথ নিতে হবে বাবুলকে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুজনের, সিবিআই তদন্ত দাবি অনুপমের

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। গতকাল রাতে বীরভূমের ইলামবাজারে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষীর গাড়ির সঙ্গে ডাম্পারের ধাক্কা লাগে। মৃত্যু হয় শিশু কন্যাসহ দুজনের। ঈদের বাজার সেরে ওই দেহরক্ষী বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সায়গল হোসেন। গরুপাচার কাণ্ডে এই দেহরক্ষীও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই।অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এদিন টুইটে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক লিখেছেন, আশা করব সিবিআইয়ের সঙ্গে লুকোচুরি খেলাকালীন ওনার আর কোনও খুবই কাছের দেহরক্ষীর এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। অতিশীঘ্রই সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে আমার চিঠি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছাবে।গরুপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্য়ে সিবিআই ৬ বার তলব করেছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁকে সিবিআই তলব করেছে। এর আগে সিবিআই তলবের দিন অনুব্রত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর চিনার পার্কে নিজের ফ্লাটে যান। তাঁর আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়ে দেয় তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তারপর ফের অনুব্রতর তরফে জানানো হয় মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তিনি সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন। সেখানে তিনি কয়েকটি শর্তও আরোপ করেছেন। এসবের মধ্যেই তাঁর দেহরক্ষীর গাড়ি গতকাল, মঙ্গলবার দুর্ঘটনার কবলে পরে। মৃত্যু হয় তার এক শিশু সহ দুজনের। দেহরক্ষীর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক।pic.twitter.com/jhRl42VtXD Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 27, 2022এদিন অনুপম হাজরা টুইটে আরও লেখেন, গতকাল রাতে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। সায়গলের মেয়ে মারা যায় ঘটনাস্থলেই। সায়গল হোসেনের অবস্থা সংকটজনক। যতদূর জানি, ওনার সবথেকে বিশ্বস্ত এবং কাছের দেহরক্ষী হলেন সায়গল হোসেন ....যাঁর ঘারে হাত রেখে বেশিরভাগ সময় উনি হাঁটাচলা করতেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে কেন আমন্ত্রণ জেটেনি? কী জানালেন শ্রীলেখা

সোমবার সন্ধ্যায় নজরুল মঞ্চে জমকালো ভাবে শুরু হল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২৭তম বছরে পদার্পণ করল। গতবছর করোনা বিধিনিষধের কারণে এই উৎসব বাতিল করা হয়েছিল। তারকা-খচিত ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার তথাকথিত বিশিষ্ট শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়, গৌতম ঘোষ এছাড়াও অভিনেতা রঞ্জিৎ মল্লিক, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরত জাহান, শতাব্দী রায়, অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার, অভিনেত্রী ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সায়নী ঘোষ, সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়-সহ অন্যান্যরা।এবছর বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন সদ্য আসানসোল উপ-নির্বাচনে জয়ী তৃণমূল সাংসদ সস্ত্রীক শত্রুঘ্ন সিনহা। বিগত কয়েকবছর ধরেই কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সুরটা একটা অন্য মাত্রায় বেঁধে দিয়ে গিয়েছিলেন বাংলার জামাই ভারতীয় চলচিত্রের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। তাঁর উদ্বোধনী ভাষণ ছিল এক সুত্রে বাঁধা চলচিত্র ইতিহাসের মালা। চলচিত্র সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞ্যান না থাকা ব্যাক্তিও ভারতীয় চলচিত্রের ইতিহাস অবলীলায় গলধকরণ করে ফেলতে পারতেন। এবছরের অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না, ছিলেন না বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসাডার শাহরুখ খান।মে মাসের প্রথম দিন পর্যন্ত চলবে চলচ্চিত্র উৎসব। চল্লিশটি দেশের মোট ১৬৩টি চলচিত্র দেখানো হবে শহরের ১০টি প্রেক্ষাগৃহে। ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ফোকাস কান্ট্রি ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের সাতটি ছবি এবারের উৎসবে দেখানো হবে। এছাড়াও ভারতবর্ষের স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী পূর্তির জন্য কয়েকটি বিশেষ ছবি রাখা হয়েছে।  চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শতবর্ষ উপলক্ষে সম্মান জানানো হচ্ছে দুই কিংবদন্তী সত্যজিৎ রায় ও চিদানন্দ দাশগুপ্তকে।ভেনিস চলচিত্র উৎসবউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকাতার খ্যাত / অখ্যাত চিত্র ও টেলিভিশন দুনিয়ার নামী বা উঠতি অভিনেতা অভিনেত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি শ্রীলেখা মিত্র। নব্বইয়ের দশকে যাঁর অভিনয় যাত্রা শুরু, প্রচুর জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়ালে তিনি সাফল্য ও যোগ্যতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। একাধিক পুরস্কারের বিজয়িনী শ্রীলেখা ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে গেছেন। কিন্তু তাঁর প্রাণের শহর মনের শহরে অনুষ্ঠিত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ-ই পেলেন না শ্রীলেখা! সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী- লিখেছেন এটা কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? প্রশ্ন অভিনেত্রীর।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব থেকে কোনও ইনভাইট আসেনি। এমনকি একটা ফোন পর্যন্ত না। এটা কি আমার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ান-এর কারণে না অন্য কোনও অজ্ঞাত কারণ আছে? টিএমসি সরকার কি ভিন্ডিক্টটিভ মাইরি! অভিনেত্রী জনতার কথা কে জানিয়েছেন তাঁর বামপন্থী মনোভাবাপন্নতার জন্যই সংগঠকরা প্রতিহিংশাপরায়ণ হয়ে তাঁকে ব্রাত্য করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি সেই ভাবে তোষামোদ করতে পারেন না বলেই তাঁকে কাজ দেওয়া হয় না। শ্রীলেখা জনতার কথা কে আরও বলেন, সমগ্র বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে শিল্পীর কোনও রাজনৈতিক সত্ত্বা দেখা হয় না। সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত। কিন্তু এই চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চের মানুষজনকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে এটা তৃণমূল সরকারের প্রোগ্রাম।সামাজিক মাধ্যমে তাঁর কোনও এক গুনাগ্রাহীর প্রশ্নের প্রত্যুত্তরে তিনি লেখেন যে আন্তর্যাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে উঠেছে তাঁর কাছে এই মঞ্চ...। তাঁর এই শ্লেষ থেকে এটুকু বুঝতে অসুবিধা হয় না, তিনি আমন্ত্রণ পেয়ে উপস্থিত হওয়ার থেকে তাঁর কাছে অনেক মূল্যবান তাঁর শিল্পী সত্তার সন্মান। কিছুদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের রেড কার্পেটে হেঁটে এসেছেন। যে চলচিত্র উৎসবকে বিশ্বের সেরা তিন চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যে একটি ধরা হয়। তিনি নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা সিনেমার জন্য। আর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেই স্বনামধন্য অভিনেত্রীকেই তাঁর নিজের রাজ্যের চলচ্চিত্র উৎসবে নিমন্ত্রণ করা হল না!নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টলিপাড়ার ছোট বড় মাঝারি বহু তারকার দেখা মিললেও, শ্রীলেখার দেখা মেলেনি। শ্রীলেখা বরাবরই বামপন্থী রাজনীতির সমর্থক। এমনকী গত বিধানসভা নির্বাচনে চিত্র জগতের যখন ফুলমেলা চলছিল, কে কোন ফুল হাতে নেবে তাঁর প্রতিযোগিতা চলছিল, তখনও তিনি তাঁর মতাদর্শ আঁকড়ে কাস্তেকেই বেছে নিয়েছিলেন। শ্রীলেখা মিত্র ওই নির্বাচনে সারা বাংলা জুড়ে বাম শিবিরের হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি বরাবরই প্রতিবাদী, শ্রীলেখা টলি-ইন্ড্রাস্ট্রির স্বজনপোষণ ও নানা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও সরব হয়েছেন একাধিকবার। অভিজ্ঞ মহলের মতে, হয় তো তারই মাশুল গুণতে হল অভিনেত্রীকে!

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ধাওয়ান, রানের শিখরে পাঞ্জাব কিংস

দুরন্ত ছন্দে শিখর ধাওয়ান। একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন করার করার সঙ্গে সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে গেলেন। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তুলল পাঞ্জাব কিংস। ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব কিংস ও চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এদিনের ম্যাচ ছিলই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন মাঠে নামার আগে ৭ ম্যাচ খেলে পাঞ্জাব কিংসের পয়েন্ট ছিল ৬। চেন্নাই সুপার কিংসের পয়েন্ট ছিল ৪। অষ্টম স্থানে থাকা পাঞ্জাবের পরেই চেন্নাই সুপার কিংস রয়েছে নবম স্থানে।এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।এদিন ৩৭ বলে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় তথা আইপিএল কেরিয়ারে ৪৬ তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শিখর ধাওয়ান। চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ধাওয়ান করেছিলেন ৪৩। এরপর নাইট রাইডার্স ম্যাচে ১৬, লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩৩, গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৭০ রান করেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে ৮ ও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯ রানে আউট হয়েছিলেন। তারপর আজ দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

খোলা চিঠি, বিরাট কোহলিকে এ কী পরামর্শ দিলেন এক ভক্ত!

চলতি আইপিএলে ব্যাটে রান নেই বিরাট কোহলির। হতাশ কোহলিভক্তরা। চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই কোহলিকে নিয়ে মিম ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, এক বলের খদ্দের। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভক্ত আবার কোহলিকে উদ্দেশ্য করে খোলা চিঠি লিখেছেন।কোহলির উদ্দেশ্যে ওই ভক্ত লিখেছেন, বিরাট ভাই, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের তাড়াহুড়ো এবং মুম্বাইয়ের প্রচণ্ড উত্তাপ একটানা ম্যাচ খেলতে অনেক সমস্যা তৈরি করছে। এই সবের মাঝে, করোনার কারণে দলগুলির জন্য তৈরি বায়ো বাবলটিও একটি কঠিন বিষয়, যেখানে আপনি আপনার পরিবার এবং কাছের মানুষদের থেকে দূরে রয়েছেন। করোনার মাঝামাঝি সময়ে অনেকেই এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও আপনি একটানা ক্রিকেট খেলছেন, যেটা একটা দারুণ ব্যাপার।কিন্তু আইপিএলের এই মরশুমে ব্যাট নিয়ে যা হয়েছে তা দেখার মতো নয়। টানা দুই ম্যাচে গোল্ডেন ডাকে আউট হওয়া কোনও ব্যাটারের জন্য সাধারণ ব্যাপার নয়। আমরা ক্রিকেট ভক্ত, আমরা সমালোচক, আমরা দুঃখ বোধ করি, কিন্তু আমরা জানি আপনি নিশ্চয়ই এর থেকেও বেশি কষ্ট, কষ্ট ও যন্ত্রণা ভোগ করছেন।এই ঘটনা শুধু চলতি আইপিএলের কথা নয়। এটা ২০১৯ সাল থেকে চলছে। যখন আপনি আপনার শেষ আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করেছিলেন। আপনার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবন যখন শুরু হয়েছিল, তখন থেকেই সেঞ্চুরির ঝাপটা ছিল। তখন সবাই বলত এই ছেলেটা একদিন শচীন তেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙবে। তখন আমরা বিশ্বাস করিনি। কিন্তু আপনি আমাদের সকলকে ভুল প্রমাণ করেছেন।পরপর দুই ম্যাচে প্রথম ম্যাচেই গোল্ডেন ডাকে আউট হওয়া কোনও ব্যাটারের জন্য সাধারণ ব্যাপার নয়। বিশেষ করে আপনার মতো ব্যাটারের জন্য তো নয়ই। ২০১৯ এবং ২০২২ এর মধ্যে যা কিছু ঘটেছে তা সেই বিশ্বাসের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সবকিছু সবসময় এক রকম থাকে না, সকাল হলে সন্ধ্যাও হবে। ব্যাটার ভালো ফর্মে থাকলে খারাপ সময়ও আসবে। যা আপনার প্রিয়জনরা অনুভব করছেন।আপনাকে আর আগের মতো মাঠের মধ্যে আবেগে ভাসতে দেখা যায় না। আপনার অধিনায়কত্ব চলে যাওয়ার পর এটি আরও দৃশ্যমান হয়েছে। সেই রকম উৎসাহ, সেই রকম আবেগ মাঝে মাঝে মাঠে দেখা যায়। কিন্তু রানের জন্য ক্ষুধার্ত বিরাটকে আর প্রতিপক্ষ দলে দেখা যাচ্ছে না। খারাপ ফর্মের চেয়েও, এটি একজন ভক্তের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ, আমরা যে রাজা কোহলিকে চিনি তা হারিয়ে গেছে।টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে আপনার সাথে কাজ করেছেন এবং আরও অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন যে আপনার বিরতি নেওয়া উচিত। লম্বা বিরতি. বর্তমান যুগে যে সমস্ত ক্রিকেট হচ্ছে তার মাঝে আপনি ঘন ঘন বিরতি নিচ্ছেন। তবে এটা একটা সিরিজ, কয়েকটা ম্যাচ, তার মধ্যেও আপনি একটা অ্যাড ফিল্মের শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই পর্বটি শেষ করতে, আপনার রবি শাস্ত্রী এবং অন্য সবার কথা শোনা উচিত, সম্ভবত এটি আরও ভাল প্রমাণিত হবে।আপনাকে অবশ্যই বিজ্ঞাপন ফিল্মের জগৎ থেকে বিরতি নিতে হবে, ক্রিকেট মাঠ থেকে দূরে। যেখানে শুধু আপনি, আপনার স্ত্রী, কন্যা এবং পরিবারের সদস্যরা আছেন। জনগণের তাড়াহুড়ো বা আমাদের মতো ভক্তরাও নয় যারা আপনার প্রতিটি কাজের উপর নজর রাখছে। এই বিরতি সম্ভবত আপনার ফর্ম, আপনার মনোবল এবং ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য একটি লাইফলাইন হবে। যাই হোক, একটা কথা প্রচলিত আছে যে সিংহ যখন দুই পা পিছিয়ে যায় তার মানে এই নয় যে সে হেরে যাচ্ছে, বরং সে তার লক্ষ্যের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।এই আইপিএলে এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচে ১১৯ রান করেছেন। আমরা যদি সমস্ত ইনিংসের দিকে তাকাই, আপনার স্কোর হল ৪১, ১২, ৫, ৪৮, ১, ১২, ০, ০। প্রথম ম্যাচে আপনাকে রান করতে দেখে আশা জাগে এবং মনে হয়েছিল এই আইপিএলে ইতিহাস তৈরি হবে। কিন্তু ইতিহাসের ভাষা বদলে গেছে। এটা একজন আন্তর্জাতিক স্তরের ব্যাটারের সঙ্গে ঘটে। কিন্তু আপনি আলাদা এবং আপনি যেভাবে আউট হন এবার সেটা একেবারেই আলাদা। আপনি রানে ফিরবেন আমরা নিশ্চিত। আমাদের থেকে আপনি নিজের ওপর বেশি বিশ্বাস রাখুন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন! এ কী করলেন শিখর ধাওয়ান!

চলতি আইপিএলে একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন। দুর্দান্ত নজির গড়লেন শিখর ধাওয়ান। এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন শিখর ধাওয়ান। এটা একটা মাইলস্টোন। আর আইপিএলে ২০০ তম ম্যাচ খেলার দিনেও আরও দুটি নজির গড়লেন পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনার। এদিন তিনি আইপিএলে ৬০০০ রানের সীমা অতিক্রম করে গেলেন। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, টি২০ ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলস্টোনেও পৌঁছে গেলেন শিখর ধাওয়ান। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন।টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির মোট রান ১০৩৯২। আর রোহিত শর্মা টি২০ ক্রিকেটে করেছেন ১০০৪৮ রান। চলতি আইপিএলেই তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন। আর শিখর ধাওয়ান সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৯ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছলেন। এদিন মহেশ থিকসানাকে স্লগসুইপ করে ছক্কা মেরে টি২০ ক্রিকেটে ৯ হাজার রানে পৌঁছন শিখর ধাওয়ান।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আইপিএলে ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শিখর ধাওয়ান। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। তিনি করেছেন ৫২টি হাফ সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরির দিক দিয়ে শিখর ধাওয়ান রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। সবথেকে বেশি বাউন্ডারি মারার রেকর্ড অবশ্য পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনারের দখলে। তিনি মোট ৬৭৫টি বাউন্ডারি মেরেছেন। ২০১৯ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে ৫০০র বেশি রান করেছেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ৭ ম্যাচে শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ছিল ২১৪ রান। সর্বাধিক ৭০। গড় ৩০.৫৭, স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৩। আইপিএলে শিখরের দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে শিখর ধাওয়ানের। দুটিই সেঞ্চুরিই এসেছিল ২০২০ সালে। এবছরও খুব একটা খারাপ ফর্মে নেই। বছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকভাবে রানের মধ্যে থাকলে আবার জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে ধাওয়ানের।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
রাজ্য

ছাত্র-মৃত্যুতে বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা

বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অধ্যাপক অনুপম হাজরা। বিশ্বভারতীর দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের আবেদন ছিল উপাচার্য যেন একবার কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে। সেই আবেদন রাখেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্য়াপক অনুপম হাজরা সোশাল মিডিয়ায় উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।গতকাল, শুক্রবার রাতে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে মৃত ছাত্র অসীম দাসের দেহ শববাহী গাড়িতে রেখে চলে তুমুল বিক্ষোভ চলে। তাঁর বাড়িতে ঢোকার বড় ফটক ভেঙে ঢোকে বিক্ষোভকারীরা। তবে পরের গেটটি আর ভাঙতে পারেনি। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, উপাচার্য বেরিয়ে এসে একবার কথা বলুন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। কিন্তু মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই ঘটনার জেরে উপাচার্য নিরাপত্তা চেয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিকে, উপাচার্যের এই মনোভাবের বিরুদ্ধে সরব বিভিন্ন মহল। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এব্যাপারে সরব হয়েছেন।গত বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর পাঠভবনের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ছাত্রাবাসের একটি ঘর থেকে ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। অসীমের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। অসীমের শরীরের একাধিক জায়গায় ক্ষতচিহ্ন মিলেছে বলেও তাঁদের দাবি। পুলিশ আসার আগেই মৃতদেহ নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখছে ছাত্রের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। শান্তিনিকেতন থানায় খুন, প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।#Death_of_student_in_VisvaBharati #বিশ্বভারতীতে_ছাত্রের_মৃত্যু pic.twitter.com/OBT9CokNNM Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 23, 2022শুক্রবার অসীমের পরিবারের সদস্যরা উপাচার্যের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন। তাঁরা একবারের জন্য উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলতে চাইছিলেন। বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের একাংশ তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। তারপর রাত শববাহী গাড়ি জোর করে গেট খুলে উপাচার্যের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। তবুও দেখা মেলেনি উপাচার্যের। এই ঘটনার পর উপাচার্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে তৎপর হয়েছে পুলিশ।বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা বলেন, বিশ্বভারতীর ছাত্র মৃত্যু যথেষ্ট বেদনাদায়ক। সদ্য সন্তানহারা বাবা-মায়ের ব্যাকুল আর্তির কথা মাথায় রেখে উপাচার্যের উচিত ছিল অন্তত একবার ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে অন্তত এটুকু মানবিকতা কাম্য।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয়ের স্বীকৃতি, নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন শ্রীলেখা মিত্র

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অভিনয় দক্ষতার পরিচয় তিনি বার বার দিয়েছেন। যার পরিনাম স্বরূপ আজও দর্শকদের মনের মণিকোঠায় তিনি। এবার অভিনেত্রী ও তাঁর অগণিত ভক্তদের জন্য রয়েছে একটা বিশেষ সুখবর। আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা। ভালো অভিনয়ের পুরস্কারও পেলেন তিনি। নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন। সুখবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী লিখেছেন, হ্যাঁ ২০২২ নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য সেরা অভিনেতা (মহিলা)-র মনোনয়ন পেয়েছি। মগ্ন শ্রীলেখাগতবছর থেকেই আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর এই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই ছবির প্রিমিয়ার হয়। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা। এবার এই ছবির জন্যই সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পরিচালক হিসাবে অভিষেক হয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর। তাঁর পরিচালিত ছবি এবং ছাদ বেঙ্গালুরু কোলাজ চলচ্চিত্র উৎসব-এ দেখানো হয়। এই খুশির খবরের মধ্যেই আরও একটি খুশির খবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন টলি হার্টথ্রব শ্রীলেখা।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

গরমে চাহিদা বাড়লেও বাড়ন্ত বিয়ার - তা নিয়ে হতাশ বিয়ার প্রেমীরা

বৈশাখের শুরু থেকেই চরমে উঠছে তাপমাত্রা। এই অবস্থায় আবহাওয়া দফতর এখনই কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা যেমন কিছু দেখছে না তেমনি মদের দোকানেও দেখা নেই বিয়ারের। আর গরমে বিয়ার অমিল হয়ে পড়ায় হতাশ বিয়ারপ্রেমীরা। গরম পড়লেই মদের দোকান গুলিতে বিয়ারের চাহিদা বহুগুন বেড়ে যায়। পূর্বেকার বছর গুলিতে বিয়ারের যোগান নিয়ে কোন সমস্যা না থাকলেও এই বছর আশ্চর্যজনক ভাবে বিয়ারের যোগান ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গলসি নিবাসী ব্যবসায়ী শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন সপ্তাহে মাত্র ১৭ ক্রেট বিয়ার পাওয়া যাচ্ছে। এক ক্রেট ৬৫০ মিলিলিটারের ১২টি বোতল থাকে। অথচ এখন বিয়ারের চাহিদা এর থেকেও অনেক গুন বেশী। একই জায়গায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মেমারির সাতগেছিয়ার ব্যবসায়ী প্রলয় ঘোষ দাবী করেন, এখন তিনি যদি সপ্তাহে ১৪০ ক্রেট বিয়ার পান। সেটাই হুড়িয়ে বিক্রী হয়ে যাবে। কিন্তু এখন মিলছে মাত্র ১০ ক্রেট। অপর ব্যবসায়ী সনাতন সিংহ দাবী করেন, গত বছর গাড়ি গাড়ি বিয়ার তুলেছিলাম। আর এখন গাড়ি তো দূরের কথা, চাহিদার অর্ধেকও বিয়ার মিলছে না।একই আক্ষেপের কথা শুনিয়েছেন বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, গুসকরার ও জামালপুর ও মেমারির মদ ও বিয়ারের ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য বিয়ারপ্রেমী খরিদ্দারদের বিয়ার দিতে পারছি না। বিয়ার না পেয়ে খরিদ্দাররা হতাশ হয়েই মুখ ঘুরিয়ে চলে যাচ্ছে। হঠাৎ করে এই বছর বিয়ারের চাহিদা এত বেড়ে যাওয়ার কি কারণ তা জানার জন্যে বিয়ারপ্রেমীদেরও কৌতুহলের শেষ নেই। এই বিষয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি, বিয়ারের দাম আগের থেকে কমে গিয়েছে। তাই যে সব সুরাপ্রেমীরা আগে পচাই বা দেশি মদ খেতেন তারাও এখন এই গরমে বিয়ারের দিকে ঝুঁকেছেন। এর কারণে বিয়ারের চাহিদা এখন আনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। অপর কারণ হিসাবে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমান জেলার ৩১৩ টি দোকানে বিয়ারের পর্যাপ্ত সরবরাহের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকা। আবগারি দফতরের তরফে যদিও বলা হচ্ছে, এপ্রিল-মে মাসে প্রতি সপ্তাহে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৮-২০ হাজার ক্রেট বিয়ার লাগে। সেই চাহিদা মতোই চলতি সপ্তাহে যোগান দেওয়া হয়েছে। বিক্রীও গত বছরের চেয়ে ৮-৯ শতাংশ বেশি হয়েছে। তারপরেও এখন দোকানে দোকানে বিয়ার বাড়ন্ত।এদিকে বিয়ারের যোগান কম থাকায় ফরেন লিকার বা বিদেশি মদের চাহিদাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। দফতর সূত্রে খবর এপ্রিল মাসেই ফরেন লিকারের বিক্রি ২৯ হাজার লিটার বেড়েছে। যা গত মার্চ মাসের চেয়ে ২৩% বেশী। জেলা আবগারী দফতরের তথ্য অনুযায়ী গত এক মাসে শুধু মাত্র দোকানের হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ২০ কোটি টাকারও বেশি মদ-বিয়ার বিক্রি হয়েছে। এই বিষয়ে আবগারি দফতরের সুপার এনায়েত রব্বির দাবী,জোগানে ঘাটতি নেই বললেই চলে। তবে গরমের জন্যে বিয়ারের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। যদিও বিয়ারের জোগান কবে থেকে স্বাভাবিক হবে তার উত্তর আবগারি দফতরের কোন কর্তারাই দিতে পারেন নি।এদিকে মদের দোকানে বিয়ারের বাড়ন্তের মাঝেই আবার ওয়েস্টবেঙ্গল পচাই অ্যান্ড কান্ট্রি স্পিরিট ভেন্ডর অ্যাসোসিয়েশন চাহিদা মতো বিয়ার চেয়ে আবগারি দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে। ওই সংগঠনের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক গুসকরার বাসিন্দা মেঘনাদ সাহা। তিনি দাবি করেছেন, চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না বলে ব্যবসায়ীদের যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি রাজ্য সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে।

এপ্রিল ২১, ২০২২
রাজ্য

এবার দিলীপ ঘোষের নিশানায় সুকান্ত মজুমদার, অন্তর্দ্বন্দ্বে জীর্ণ বঙ্গ বিজেপি

এর আগে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বিষ্ণপুরের দলীয় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তাছাড়া বিভিন্ন জেলা নেতৃত্ব তো রাজ্য সংগঠনের পদ ছাড়ার জন্য ইস্তফাপত্রই পাঠিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছে। এবার বোমা ফাটালেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপির ঘর ফাঁকা হতে শুরু করে। তারপর একের পর এক নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে দলের। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দলের ভিতর থেকেই। দিলীপ ঘোষ বলেন, সুকান্ত সবে দায়িত্ব পেয়েছেন, অভিজ্ঞতা কম। তবে যাঁরা এতদিন আন্দোলন করেছেন তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যাঁদের বিশ্বাস করে মানুষ রাস্তায় নেমেছে তাঁদেরও গুরুত্ব দিতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বকে বাদ দিলে হবে না।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের মন্তব্য, অন্য দলের বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। তবে আদি বিজেপি, তৎকাল বিজেপির মধ্যে ভয়ঙ্কর দ্বন্দ্ব তো রয়েছেই। সিপিএমের বক্তব্য, বিজেপিতে মুষল পর্ব চলছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের বক্তব্য, বিজেপি এরাজ্যে আন্দোলনে নামলে বাংলার মানুষেরই ক্ষতি। এককথায় দলের অভ্যন্তরে শুধু নয়, বিরোধীরাও কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিত।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পায়নি আদি বিজেপির অনেকেই। তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চরম বিক্ষোভ ছিল। কিন্তু ঘরের ভিতরেই চোখে জল ফেলেছেন তাঁরা, প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলেননি। কিন্তু বিধানসভা ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই ক্রমশ দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। তৃণমূল থেকে আসা নেতৃত্ব ঘরে ফিরে গিয়েছেন। যাঁরা থেকে গিয়েছেন তাঁদের একটা বড় অংশ নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেই চলেছেন। দিল্লী পর্যন্ত পৌঁছেছে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর। যদিও দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্রমশ দলীয় সংগঠন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। নির্বাচনে গো-হারা হেরেই চলেছে গেরুয়া শিবির। সব মিলিয়ে প্রচারে থাকার জন্য দলের নেতৃত্বের বিতর্কিত মন্তব্য করা ছাড়া অন্য কোনও উপায়ও নেই বিজেপির।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবাহনীর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো?‌

এএফসি কাপের মূলপর্বে ওঠার প্লে অফের লড়াইয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশের ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। পরের রাউন্ডে পৌঁছতে গেলে আবাহনীর বিরুদ্ধে জিততেই হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ধারেভারে এগিয়ে থাকলেও নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ঘরের মাঠে খেলা হলেও বরং ওপার বাংলার দলকে যথেষ্ট সমীহের চোখে দেখছেন তিনি। তবে জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জুয়ান ফেরান্দো। এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে উড়িয়ে দিয়েছে ৫০ ব্যবধানে। সেই ম্যাচ এখন অতীত জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে নতুন করে শুরু করতে চান। ওপার বাংলার দলের খেলার ভিডিও দেখেছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোল তুলে নেওয়া। চোটের জন্য রক্ষণে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকে এই ম্যাচেও পাবেন না জুয়ান ফেরান্দো। রয় কৃষ্ণাও নেই। তা সত্ত্বেও চিন্তিত নন সবুজমেরুণ কোচ। আসলে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে তাঁর দলের ফুটবলারদের খেলা ভরসা জোগাচ্ছে জুয়ান ফেরান্দো। ঢাকা আবাহনী কিন্তু একেবারেই অবহেলা করার মতো দল নয়। রাফায়েল অগাস্তোর মতো আইএসএল খেলা ফুটবলার রয়েছে ওপার বাংলার দলে। এছাড়াও রয়েছেন কোস্টারিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। আর এক বিদেশি হুসেনিও যথেষ্ট ভাল। তাঁদের দিকে আলাদা নজর দিতে চান ফেরান্দো। তবে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল মাথায় রাখছেন না। ফেরান্দো বলেন, আগের ম্যাচে পাঁচ গোলে জিতেছি ঠিকই। তবে প্রতিপক্ষ যে হেতু নতুন তাই আগের ম্যাচের পারফরমেন্স তেমন কাজে আসবে না। আমরা এক সপ্তাহ বিশ্রাম পেয়েছি, যে হেতু ওরা আগের ম্যাচে ওয়াক ওভার পেয়েছে তাই আমাদের থেকে বেশি বিশ্রাম পেয়েছে। তবে এসব নিয়ে ভাবছি না। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে এটিকে মোহনবাগান অধিনায়ক প্রীতম কোটাল বলেন, এটা আমাদের কাছে ফাইনাল ম্যাচ। গ্যালারিতে আমাদের সমর্থক ভর্তি থাকবে। ফলে আমরা ওদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থেকে মাঠে নামব। তবে ম্যাচটা ততটাও সহজ হবে না।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইপিএল এলেই বারবার কেন চোটের কবলে পড়েন হার্দিক?‌ এবার কুঁচকিতে

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে টস করছে রশিদ খান। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার হলটা কী? কেন খেলছেন না? তাহলে কি আবার চোটের কবলে? আশঙ্কাই সত্যি হল। কুঁচকির চোটের জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারেননি হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রশিদ খান। চোট পাওয়াটা হার্দিকের কাছে নতুন কিছু নয়। ২০১৯ বিশ্বকাপের মাঝপথে চোট পেয়ে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল এই অলরাউন্ডারকে। তারপর দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রিহ্যাবে ছিলেন। সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরলেও আবার চোট পান। অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছিল। পরে নানা সময়ে চোটের কবলে পড়েছেন। গতবছর আইপিএলের আগেও চোট পেয়েছিলেন। পুরো ফিট না হয়েই আইপিএলে খেলেন। ব্যাট করলেও পিঠে চোটের জন্য বোলিং করেননি। চোট নিয়ে গতবছর বিশ্বকাপেও খেলতে গিয়েছিলেন। যা নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সুস্থ হয়ে চলতি আইপিএলে মাঠে নেমেছিলেন। বোলিং করছিলেন। কিন্তু আবার সেই চোটের কবলে। তবে এবার আর পিঠে নয়, কুঁচকিতে চোট। হার্দিকের চোটের ব্যাপারে গুজরাট টাইটান্সের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, হার্দিকে কুঁচকিতে হালকা চোট রয়েছে। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট ওকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায়নি। হার্দিককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচে খেলতে পারবে। রশিদ খান পরের ম্যাচে হার্দিকের খেলার কথা বললেও আদৌও খেলতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। হার্দিকের পরিবর্তে এদিন আলজেরি জোশেফ প্রথম একাদশে সুযোগ পান। অন্যদিকে, ম্যাথু ওয়েডের পরিবর্তে প্রথম একাদশে নেওয়া হয় ঋদ্ধিমান সাহাকে। এই দুজনের হাতেই এদিন টুপি তুলে দেওয়া হয়। কারণ, এই দুই ক্রিকেটারের এদিন গুজরাট টাইটান্সের হয়ে অভিষেক হল। হার্দিকবিহীন গুজরাট টাইটান্স এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠায়। চলতি আইপিএলে প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতেছিল গুজরাট টাইটান্স। তারপর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হয়েছিল ৮ উইকেটে। আগের ম্যাচে অবশ্য আবার জয়ের সরণিতে ফিরেছে হার্দিক পাণ্ডিয়ার দল। রাজস্থান রয়্যালসকে হারায় ৩৭ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লড়াই। হার্দিকে অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পড়েছে রশিদ খানের ওপর।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
রাজ্য

বঙ্গ বিজেপিতে একাধিক শীর্ষ নেতার পদত্যাগ, রহস্য খুঁজছেন কেন্দ্রীয় সম্পাদক

বঙ্গবিজেপি থেকে একাধিক শীর্ষ পদাধিকারী পদত্যাগ করায় রহস্য খুঁজছেন দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষ রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। জেলা সভাপতি সম্পর্কে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন গৌরিশংকর ও বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। এই প্রসঙ্গে ফেসবুক পোস্টে প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা লিখেছেন যাঁরা মাটি কামড়ে পড়ে রইল তাঁরা পদত্যাগ করছেন। অন্যদিকে যাঁদের এতদিন গুরুত্ব দেওয়া হল তাঁরা দল ছেড়ে চলে গেলেন। তাঁর কথায়, রাজ্য থেকে দূরে গিয়ে সংগঠনের কাজ করতে চাইছেন অনেকেই।গৌরীশংকর ঘোষ জেলায় মন্ডল সভাপতি নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, জেলা পদাধিকারী, বিধানসভার প্রার্থী, দুই বিধায়ক, জেলা অবজার্ভার, জোন অবজার্ভারের উপস্থিতিতে ৫১টি মন্ডলে সর্বসম্মত মন্ডল সভাপতি স্থির হয়েছিল। পরে দেখা ১৮ জন মন্ডল সভাপতিকে নিজের ইচ্ছেমত পরিবর্তন করেছেন জেলা সভাপতি। পুরো বিষয়টা সংগঠনের রাজ্য সংগঠন মন্ত্রী ও জেলা সভাপতিকে লিখিত ও মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু বিষয়টিকে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাই আমার মনে হয়েছে রাজ্য সম্পাদক পদে থাকার কোনও যৌক্তিকতা আমার নেই। গৌরীশঙ্করবাবু রাজ্য সভাপতিকে এই মর্মে লিখে পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। যদিও রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।গৌরীশঙ্কর ঘোষের মতো রাজ্য কর্মসমিতির সদস্য বাণী গঙ্গোপাধ্যায়, দীপঙ্কর চৌধুরীও দক্ষিণ মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে রাজ্য সভাপতির কাছে পদত্যাগের ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। একসঙ্গে একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব পদত্যাগ করায় তোলপাড় রাজ্য বিজেপি। আসানসোল লোকসভা ও বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পর রাজ্য শীর্ষ নেতৃত্বের অকর্মন্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এদিন পদত্যাগ প্রসঙ্গে রাজ্য নেতৃত্বকে ব্যাঙ্গ করলেন অনুপম হাজরা।ফেসবুকে অনুপম লিখেছেন...আসল রহস্যটা কিকেন এতগুলো ইস্তফা একসঙ্গে, সেটা রাজ্য বিজেপির খুব গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিশ্লেষণ করা উচিত !!!আমি যতদূর জানি গৌরীশংকর বাবু একজন ভালো সংগঠক !!! যাদেরকে এতদিন গুরুত্ব দেয়া হলো তারা সব দল ছেড়ে চলে গেছে, আর যারা এতদিন মাটি কামড়ে পড়ে ছিলো, তারা ইস্তফা দিচ্ছেন !!!আর এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা আমার মতো, যারা বঙ্গ-বিজেপির অসময়ে -----...মানে যখন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ বিজেপিতে যোগ দিতে ভয় পেত অর্থাৎ বঙ্গ-বিজেপির সুসময়ে যোগ দেওয়া রাজিব-সব্যসাচী এবং কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মত জামাই আদর খাওয়া মানুষদের বিজেপিতে আসার অনেক আগে....------ বিজেপিতে যোগদান করে, রাস্তায় নেমে যথেষ্ট পরিমাণে আন্দোলনও করেছিলো যখন অন্যদের মাঠে নেমে আন্দোলন করতে দেখা যেত না, তৃণমূলের কাছ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে পুলিশ কেসও খেয়েছে আর এখন প্রতিনিয়ত দাদা মাঠে নামুন, আপনাদের আর আন্দোলনে দেখা যায় না কেন? শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতে লেকচার দিলে হবে ?? - এই ধরনেরপ্রশ্নের সম্মুখীন হন.......কিন্তু তবুও রাজ্য বিজেপি থেকে দূরে, দিল্লিতে বা অন্য রাজ্যে পার্টির কাজ করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করে !!!....আসল রহস্যটা কি ???!!!

এপ্রিল ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মেকআপ আর্টিস্ট কনটেস্টে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা

আজ পয়লা বৈশাখ। বাংলা পরবের সূত্রপাত। আর বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালে বেলগাছিয়ার শুভক্ষন হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এইচডি স্টুডিওসের পরিচালনায় মেগা মেকআপ আর্টিস্ট কনটেস্ট। এখানে বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার বৈভব (সন্দীপ শীল)এর ব্র্যান্ড এস এস ট্র্যাডিশনাল স্টাইল লফ্টের ডিজাইনার পোষাক ও শিল্পী রায়ের মেকআপের ছোঁয়ায় মডেল ডোনা খান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ৫৪ জন মডেলের মধ্য থেকে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। ডোনা ও শিল্পীর হাতে সংস্থার পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় সুদৃশ্য মেমেন্টো ও সার্টিফিকেট। আগামী দিনে মডেলিং জগতে আরও শ্রীবৃদ্ধি ঘটানোই লক্ষ্য তাদের।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 44
  • 45
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal