• ৯ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TTE

বিনোদুনিয়া

এখনও সংকট পুরোপুরি কাটেনি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

প্রবীণ অভিনেতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও, সংকট এখনও পুরোপুরি কাটেনি। শরীরে মাঝেমধ্যেই অক্সিজেন ও রক্তচাপ ওঠানামা করছে। শুক্রবার থেকে স্নায়ুর সমস্যা খানিকটা বেড়ে গিয়েছে বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে চলেছেন বেলভিউয়ের চিকিৎসকেরা। আরও পড়ুনঃ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি পর্ন হাব ছাড়া কিছুই নয়ঃ কঙ্গনা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক অরিন্দম কর জানিয়েছেন, শারীরিক অবস্থা সামান্য স্থিতিশীল। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক নেই। কিছুটা কমলেই রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তাঁর রক্তচাপ এবং অক্সিজেনজনিত সমস্যা ধরা পড়েছে। তবে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি। কোভিড পরবর্তী এক জটিল রোগে আক্রান্ত বর্ষীয়ান অভিনেতা। কোভিড ১৯-কে জয় করার পর অনেক রোগীর শরীরেই এই অটোইমিউন এনসেফ্যালাইটিস ধরা পড়ে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ও আপাতত সেই রোগেই কষ্ট পাচ্ছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌমিত্রর জ্ঞান নেই বললেই চলে। সকলকে চিনতে পারছেন না তিনি। খুবই আচ্ছন্ন। চিকিৎসকদের কথাতেও কখনও কখনও সাড়া দিয়ে উঠছেন। কখনও কোনও সাড়াই পাওয়া যাচ্ছে না তাঁর।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
কলকাতা

সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন , প্রার্থনা ধনকড়ের

মা দুর্গা সমস্ত দুঃখ, যন্ত্রণা দূর করবেন। মা দুর্গা সবসময় তাঁর ভক্তদের সাহস জোগান। ভয়কে দূরে সরিয়ে চলতে সাহায্য করেন। মায়ের কাছে প্রার্থনা সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন। মহাসপ্তমীর সকালে পরপর দুটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রথম টুইটে তিনি একথা লেখেন। আরও পড়ুনঃ একতার বার্তা দিয়ে ষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি পরের টুইটে তিনি সকলকে সচেতন থাকতে বলেন, সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। করোনার সঙ্গে লড়াই করতে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলেন। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, গত ২৪ ঘণ্টার রাজ্যের করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। টুইটে বেঁধেন মুখ্যমন্ত্রীকেও।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার অবনতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার তেমন কোনও উন্নতি হয়নি বলে জানাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত দুদিন ধরে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আরও কিছুটা নিস্তেজ এবং অসংলগ্ন অবস্থায় রয়েছেন। চিকিৎসকরা মনে করছেন, মস্তিষ্কে করনাজনিত সংক্রমণের এটা দীর্ঘায়িত অভিঘাত। আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল নুসরত- মিমি অভিনীত এসওএস কলকাতা এই প্রবীণ অভিনেতাকে দ্রুত সুস্থ করে তুলতে ওই বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামত নিচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই দীর্ঘায়িত অভিঘাত বা এনকেফ্যালোপাথির পর্ব তিন মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই অভিনেতার পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে।এই প্রবীণ অভিনেতা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন সেজন্য বিভিন্ন জায়গায় তাঁর ভক্তরা মন্দিরে পুজো দিচ্ছেন। এমনকি যজ্ঞের আয়োজন করেছেন বলে খবর।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের

রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের প্রশংসা করে বুধবার টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি এদিন তাঁর টুইটে লেখেন , সাহসী পুলিশকর্মীদের কুর্নিশ। তাঁরা যেভাবে পারিবারিক দায়িত্বকে তুচ্ছ প্রমাণ করে করোনার মতো মহামারী এবং আমফানের মতো প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে লড়াই চালাচ্ছে, তাঁদের নিঃস্বার্থ ত্যাগকে সম্মান জানাই। তবে টুইটের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। প্রসঙ্গত , বিভিন্ন সময় টুইট করে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন তিনি। এহেন রাজ্যপালেরই ফের পুলিশের প্রশংসা দেখে তাজ্জব প্রায় সকলেই।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে এমবিবিএস পড়ার আসন বেড়ে ৪০০০

পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারি পড়ার আসন বেড়ে হল ৪ হাজার। মঙ্গলবার টুইটে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, পুরুলিয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এমবিবিএস পড়ুয়াদের ব্যাচ শুরু হচ্ছে। একইসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০০টি এমবিবিএস আসন নিয়ে এই ব্যাচ শুরু হচ্ছে । আরও পড়ুনঃ আগামীকাল দুর্গাপুজো নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হাইকোর্টে পাশাপাশি দুর্গাপুরের গৌরী দেবী মেডিক্যাল কলেজে আরও ১৫০টি এমবিবিএস আসন বাড়ানো হয়েছে। করোনা আবহে এমবিবিএস পড়ুয়াদের আরও আসন বাড়ার ঘোষণা চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক।

অক্টোবর ২০, ২০২০
রাজ্য

পুজোয় বাংলা গান বাজানোর আবেদন জানিয়ে চিঠি বাংলাপক্ষের

সামনেই পুজো। তার আগে পুজো প্যান্ডেলে বাংলা গান বাজানো এবং বাংলার সংস্কৃতি রক্ষার আবেদন জানিয়ে বাংলার নানা পুজো কমিটি ও ক্লাবকে আবেদন জানাচ্ছে বাংলা পক্ষ। আরও পড়ুনঃ নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকবঃ শুভেন্দু শিলিগুড়ি বাংলাপক্ষের তরফ থেকে সম্পাদক রাজাদিত্য সরকার শিলিগুড়ির প্রতিটা ক্লাবে দুর্গা পুজোয় বাংলা গান বাজানো ও বাংলার সংস্কৃতি রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বাংলাপক্ষের তরফ থেকে কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, আগামীদিনে রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই বাংলা গান বাজানো এবং বাংলার সংস্কৃতি রক্ষার আবেদন জানানো হবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
বিনোদুনিয়া

আচ্ছন্নভাব থাকলেও শারীরিক উন্নতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

শারীরিক অবস্থায় ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের । সামান্য আচ্ছন্নভাব রয়েছে। এখন তাঁকে ২ লিটার করে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা অনেকটা কমেছে। অক্সিজেন স্যাচুরেশনের পরিমান ৯৮। রক্তচাপ ১৭২/৭৬। পালস রেট ৮৮। পটাশিয়ামের ঘাটতি সিরিঞ্জ দিয়ে পূরণ করা হচ্ছে। রাতে ভাল ঘুমও হচ্ছে তাঁর। হাসপাতালের তরফ থেকে রবিবার একথা জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মিঠুনের ছেলে ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর তাঁর শরীরের তাপমাত্রা এখন স্বাভাবিক। ফুসফুসের সংক্রমণ সমস্যাও প্রায় কেটে গিয়েছে। নিয়ন্ত্রণে স্নায়ুরোগও সমস্যাও। তাঁর আচ্ছন্নভাব কাটাতে মিউজিক থেরাপি চলছে। আর এতেই কাজ হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে নতুন করে কোনও শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি হয়নি বলে জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফ থেকে ।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার ক্রমেই উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

ভাল করে ঘুমিয়েছেন কিংবদন্তী অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার নিজের পছন্দের গান শুনেছেন বর্ষীয়ান এই অভিনেতা। আপাতত তাঁর জ্বর নেই। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিক। যদিও হাসপাতালে আইটিইউ-তেই কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে। সবাইকে যেমন চিনতে পারছেন তেমনই অন্যের ডাকে সাড়াও দিচ্ছেন তিনি। শনিবার সকালের বুলেটিনে এমনটাই জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী প্রদীপ ঘোষ নতুন করে তাঁর কোনও শারীরিক জটিলতা দেখা না দেওয়ায় স্বস্তিতে চিকিৎসকরা। শুক্রবার সৌমিত্রবাবুর শারীরিক পরীক্ষার পর হাসপাতাল জানিয়েছে, সব রিপোর্ট সন্তোষজনক ও হৃদযন্ত্র, কিডনি, যকৃৎ-সহ অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল রয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেতার।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
কলকাতা

পটাশপুরে মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল বিজেপি কর্মী মদন ঘোড়ইয়ের । এই ঘটনায় দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এরপর রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করা হয়। ডিভিশন বেঞ্চ এদিন রাতে এই রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল। এছাড়াও তারা জানিয়ে দিয়েছে, আরজিকর হাসপাতালে মরদেহ রাখা থাকবে। হাইকোর্টের তরফে বলে দেওয়া হয়েছে, এসএসকেএম হাসপাতালে নয়। ময়নাতদন্ত হবে আরজি কর হাসপাতালে। বিচারপতি রাজশেখর মন্থা এই নির্দেশ দিয়ে বলেছেন , হাসপাতালে ময়নাতদন্ত বিভাগের প্রধানকে দিয়েই এই ময়নাতদন্ত করতে হবে। ময়নাতদন্তের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ভিডিওগ্রাফি আগামী ২১ অক্টোবরের জমা দিতে হবে হাইকোর্টে। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থানার কনকপুর গ্রামের বাসিন্দা যুবক কিশোর ঘোড়ই কয়েকমাস আগে বাসুদেরপুর এলাকার গৌরাঙ্গ পাখুরিয়ার যুবতীকে নিয়ে পালিয়ে যায়। আগে থেকে তাদের দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলেই দাবি স্থানীয়দের। যুবতীর বাড়ি থেকে পটাশপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ছেলেটির মা এই ঘটনার পর আত্মগোপন করেন। দীর্ঘ খোঁজাখুজি করেও মেলেনি মা, ছেলের খোঁজ। গত ২৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ ওই যুবকের কাকা মদন কুমার ঘোড়ইকে পটাশপুর থানার পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। আদালত তার জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। জেল হেফাজতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে তাঁকে ভরতি করা হয়। সেখান থেকে কলকাতায় পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ খবর দেয় মদনবাবুর মৃত্যু হয়েছে। আরও পড়ুনঃ সরকারের দেওয়া অনুদান বিনোদনের জন্য খরচ করতে পারবে না পুজো কমিটিগুলি : হাইকোর্ট শুক্রবার বিজেপি কর্মীর দেহ কলকাতায় আনা হয়। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নিহত বিজেপি কর্মীর মৃতদেহ নিয়ে মিছিল হয়। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে মিছিল আটকায় পুলিশ। প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, পরিবারকে অন্ধকারে রেখে পুরো বিষয়টি করা হয়েছে। বিজেপি করার অপরাধে লকআপে পুলিশ পিটিয়ে মেরেছে মদন ঘোড়ইকে। দেহটিকে নিয়ে তারা দাহ করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, যাতে কোনও প্রমাণ না থাকে। গ্রামের প্রত্যেকটি পরিবারকে আটকে রাখা হয়েছিল। লক আপের ভিতরে পুলিশ তাকে পিটিয়ে মেরেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে এফআইআর ও মামলা করা উচিত। আমাদের আইনি সেলের তরফ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পুনরায় ময়নাতদন্ত করতে হবে। এই ময়নাতদন্তের রিপো্র্ট কেউ বিশ্বাস করছে না। এছাড়া এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
কলকাতা

সরকারের দেওয়া অনুদান বিনোদনের জন্য খরচ করতে পারবে না পুজো কমিটিগুলি : হাইকোর্ট

দুর্গাপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন ক্লাব রাজ্য সরকারের কাছ থেকে যে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান পেয়েছে , বিনো্দনের জন্য সেই টাকা খরচ করতে পারবে না পুজো কমিটিগুলি। এছাড়াও পুজো্র কাজেও এই টাকা খরচ করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে আদালত জানিয়েছে, এই টাকা থেকে ২৫ শতাংশ টাকা পুলিশের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক দৃঢ় করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।বাকি ৭৫ শতাংশ টাকা মাস্ক ও স্যানিটাইজার কেনার জন্য খরচ করতে হবে। আরও পড়ুনঃ ফের রাজ্য সরকারের সমালোচনা ধনকড়ের এরপর বিল ও ভাউচার সমেত সব হিসেব পুজো কমিটিগুলি সরকারকে বুঝিয়ে দেবে। টাকা খরচের পূর্ণাঙ্গ হিসেব রাজ্য সরকারকে হলফনামা আকারে আদালতে জমা দিতে হবে। এদিন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, দল নির্বিশেষে আপনারা আমলাতন্ত্র ধ্বংস করেছেন। আমলাতন্ত্র মজবুত হলে এই অবস্থা হয় না।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার উন্নতি অভিনেতা সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

কিংবদন্তী অভিনেতা সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ঘুম ভাল হয়েছে। গত ৪০ ঘণ্টায় নতুন করে জ্বর আসেনি বলে হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। তিনি সকলের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁকে মিউজিক থেরাপি দেওয়া হয়েছে। রবীন্দ্রসংগীত এবং তাঁরই ছবির কিছু গান সেই থেরাপিতে রাখা হয়েছে । আরও পড়ুনঃ এখনও সংকটে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় , রয়েছেন বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশনে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে বাইপ্যা্প দেওয়া হয়েছে। তাঁর শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ ৯০ শতাংশেরও বেশি । ৪০ শতাংশ অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে । স্যাচুরেশনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রাও স্বাভাবিক রয়েছে। আজ তাঁর শরীরের বিভিন্ন পরীক্ষা করা হবে। লিভার, কিডনি, হার্ট ভাল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা ।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
কলকাতা

নবান্ন অভিযানে জলকামানের রং নিয়ে অমিত শাহকে চিঠি লকেটের

নবান্ন অভিযানে বিজেপির সঙ্গে পুলিশ ভীষণই ন্যক্কারজনক ব্যবহার করেছে। সেদিন বিজেপির বিক্ষোভ প্রতিহত করতে পুলিশ যে জলকামান ব্যবহার করেছিল , তাতে রঙের ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই রং গায়ে লাগার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। অনেক দলীয় সদস্যও সেদিন গায়ে রং লাগার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চিহ্নিত করতেই পুলিশ রাসায়নিককে হাতিয়ার হিসাবে প্রয়োগ করেছিল। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাস্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠিতে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের বিষয়ে এভাবেই তোপ দাগলেন তিনি। শান্তিপূর্ণ মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করতে এভাবে রং ছোঁড়া হল , এটা ভারতীয় রাজনীতিতে প্রথম। আরও পড়ুনঃ বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখা হোক, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা চিনে কমিউনিস্টরা যে প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের আন্দোলন দমিয়ে দেন সেই প্রক্রিয়াতেই বিজেপির নবান্ন চলো অভিযান আটকানোর চেষ্টা করেছে মমতা সরকারের পুলিশ। এই রংয়ে কোনও ক্ষতিকারক রাসায়নিক ছিল বলে বিজেপি সাংসদ অভিযোগ করেছেন। আপনি যদি এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। এছাড়াও এদিনের চিঠিতে মণীশ শুক্লা হত্যা ও বলবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে হওয়া ঘটনারও প্রতিবাদ জানিয়ে কড়া সমালোচনা করেন বিজেপি সাংসদ।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
রাজ্য

বিক্ষোভ কর্মসূচি মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির

মুক্ত মঞ্চ বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার দুর্গাপুরে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর মহকুমার সমস্ত সংগীতশিল্পী, বাদ্যযন্ত্র শিল্পী ও বাচিকশিল্পীরা। আরও পড়ুন ঃ আমরা দাদার অনুগামীদের উদ্যো্গে মাস্ক বিতরণ শিল্পী সুমন দাস বলেন, দুর্গাপুর ও আসানসোল মহকুমায় প্রায় ১ হাজার শিল্পী গত সাত মাস ধরে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে । করোনার জন্য অনুষ্ঠান কোথাও করা যাচ্ছে না। খুব কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে, তাই আমাদের আবেদন রাজ্য সরকার অনুষ্ঠানের অনুমতি দিক।

অক্টোবর ১২, ২০২০
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল

করোনা আক্রান্ত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। নিঃশ্বাস নিতেও অসুবিধা হচ্ছে না। তাঁর রক্তচাপ স্বাভাবিক বলেই শনিবার হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা গিয়েছে । প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার জানা যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। শোনা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এরপরই মধ্য কলকাতার এক বেসরকারি হাস্পাতালে তাঁকে ভরতি করা হয়। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত খবর ছিল ভালই আছেন তিনি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই শোনা যায়, কিবদন্তি অভিনেতার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাঁর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হচ্ছে। রক্তচাপও অনিয়মিত। সেই কারণেই নাকি তাঁকে আইটিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সৌমিত্রবাবুকে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য নাকি চার সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাঁরাই নিয়মিত বর্ষীয়ান অভিনেতার স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখছেন। প্রবীণ এই প্রবাদপ্রতীম শিল্পীর আরোগ্যকামনা করছেন টলিউডের শিল্পী, কলাকুশলী থেকে শুরু করে ভক্তরা।

অক্টোবর ১০, ২০২০
দেশ

‘ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা’, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের

নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করা হয়নি। উত্তরপ্রদেশের ওই দলিত তরুণীকে মেরে ফেলেছেন ওঁর মা ও দাদা। পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্টকে লেখা এক চিঠিতে এমনই দাবি করেছেন হাথরাস কাণ্ডের অভিযুক্তরা। পাশাপাশি এই মামলায় যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হয়, এমনই দাবি জানিয়েছে তারা। এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ ওই চিঠিতে দাবি করেছে, ১৯ বছরের ওই তরুণীর মৃত্যুর জন্য দায়ী ওঁর পরিবার। এখন তাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। চিঠিতে সে ছাড়াও সই করেছে বাকি তিন অভিযুক্ত রামু, লবকুশ ও রবি। অভিযুক্ত সন্দীপের দাবি, তার সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মেয়েটির পরিবার এই সম্পর্ককে মেনে নেয়নি। নির্যাতিতার দাদা ও মা এ কারণে মারধরও করত ওই তরুণীকে। তার ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি অভিযুক্তের। এদিকে মঙ্গলবারই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ দাবি করে, নির্যাতিতার ভাইয়ের সঙ্গে সন্দীপের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে ফোনে কথাও হত। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টা কথোপকথন হয়েছে। যদিও তরুণীর দাদা এই দাবিকে অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সন্দীপের কখনও ফোনে কথা হয়নি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

করোনায় আক্রান্ত কিংবদন্তী অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সকালে তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। এরপর তাঁর করোনা পরীক্ষা হলে জানা যা্য় , তিনি কোভিড পজিটিভ। তিনি কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠন করা হয়েছে একটি মেডিক্যাল টিম। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার রাতেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ফোন করা হয় হাসপাতালে। তখনই অভিনেতার জন্য বেড বুকিং করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, করোনার রিপোর্ট পজিটিভ হলেও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। তাঁকে আপাতত কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।জানা গিয়েছে, তাঁর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা রয়েছে। বেশ কয়েকমাস আগেও তিনি হাসপাতালে এই কারণেই ভর্তি করা হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই শুটিংয়ে যোগ দিয়েছিলেন প্রবাদপ্রতীম শিল্পী। পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নিজের জীবন নির্ভর সিনেমা অভিযান-এর শুটিং সম্পূর্ণ করেছিলেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছে টলিপাড়া।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
রাজ্য

পড়ে গেলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী, ভরতি হাসপাতালে

বাসভবনে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এরপরই তাঁকে শিলিগুড়ির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করেন পরিবারের সদস্যরা।এর জেরে শনিবার নাটাবাড়িতে মন্ত্রীর একাধিক দলীয় কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,এদিন সকালে বাসভবনে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে যান মন্ত্রী। বেশ কয়েকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন।ফলে শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর মিটিংয়ের দ্বিতীয় দিন সেখানে না থেকেই বাড়ি ফিরে আসেন।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
কলকাতা

পলিটেকনিক কলেজের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বেহালায় সর্বপ্রথম সরকারি পলিটেকনিক কলেজের উদ্বোধন হবে।এছাড়াও কিছুদিনের মধ্যেই সরশুনা বিএড কলেজের যাত্রা শুরু হবে।সরশুনা কলেজের অতিরিক্ত জায়গা থাকলে সেখানেই ক্লাস শুরু করা হবে।ত্বরান্বিত করা হবে ভবনের কাজ। শুক্রবার একথা জানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন দক্ষিণ কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, বেহালা সংলগ্ন এলাকায় এই পলিটেকনিক কলেজ হলে প্রত্যেকেই কারিগরি শিক্ষা নিতে পারবেন।কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে।সবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সক্রিয় সহযোগিতায় সম্ভব হচ্ছে।কাজ ফেলে রাখা যাবে না। এই ব্রতয় দীক্ষিত হয়ে আমরা কন্যাশ্রী কলেজ তৈরি করার চেষ্টা করছি।জমির সমস্যা ছিল তবে একটা জায়গা পাওয়া গিয়েছে।সেখানকার সমস্ত কিছু দেখে নিয়ে কন্যাশ্রী কলেজ তৈরি করা হবে।এছাড়াও বেহালা এলাকাকে আলোকোজ্জ্বল করার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। সম্পূর্ণ এই কাজের তদারকি নিজে করবেন বলে জানান তিনি।

অক্টোবর ০২, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েও অনড় নিত্যানন্দ

নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর। কয়েক মাস আগে দলে যোগ্য মর্যাদা না পেয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা করেছিলেন। তারপর বিভিন্ন ফেসবুক পোস্টে দলের নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষ, বিধানসভা ভোটে জিততে দলে সংস্কারের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। এমনকী আউশগ্রামের এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এবার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে নিজেই গ্রেফতার হলেন। তাও আবার যাকে তাকে নয়। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে! আরও পড়ুন- নন্দীগ্রামে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় অনুব্রতকে এনকাউন্টার করে বিকাশ দুবের মতো মারার হুমকি দিয়ে গ্রেফতার না হলেও, অনুব্রতকেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন গুসকরা পুরসভার বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুসকরা শহরের স্কুল মোড় এলাকা থেকে নিত্যানন্দবাবুকে গ্রেফতার করা হয়। গুসকরার ইটাচাঁদার বাসিন্দা এক তৃণমূলকর্মী শেখ সুজাউদ্দিনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে। এদিনই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পাঠায় পুলিশ। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। বলেন, এটা ঠিক অনুব্রতকে হুমকি দিয়েছি, তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অডিওর গলা আমার নয়। কেষ্ট মণ্ডল ওর স্ত্রীর অসুখের সময় আমার কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিল। সেই টাকা ফেরত দিচ্ছে না।বারবার চেয়েও ফেরত পাইনি। তাই আমি ওকে হুমকি দিয়েছিলাম। ক্ষমতা চিরদিন থাকে না। জামিনে ছাড়া পেয়ে টাকা চেয়ে আমি ওর কলার ধরব। প্রয়োজনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাব। টাকা নেওয়ার কথা এখন অস্বীকার করছে কেষ্ট। ও নিজেকে সিএমের উপরে ভাবে। মাগুর মাছ কাটত আগে, এখন হাজার কোটির মালিক হলো কীভাবে? দুশোর উপর মার্ডার করেছে। একটা ক্রিমিনাল। ওর মেয়ের দুটো চাকরি হয় কী করে? ওকে যারা তৃণমূল বলে তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। আরও পড়ুন- তৃণমূলকে সার্কাসের জোকার বললেন সায়ন্তন, দলের লোকেরা ওকেই বলে, প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে দলের সঙ্গে যুক্ত। বাম আমলেও গুসকরা পুরসভায় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিগত পুর বোর্ডে পুরসভার পূর্ত বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বিদায়ী কাউন্সিলর নিত্যানন্দবাবু দলের মধ্যেই একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। তবে তাঁর ওয়ার্ড এলাকায় সাধারণ মানুষ অনেকেই তাঁকে পছন্দ করেন। তবে ইঁটাচাদা এলাকার বাসিন্দা শেখ সুজাউদ্দিন নামে ওই তৃণমূল কর্মী জানান, অনুব্রত মণ্ডলের উদ্দেশে ওই হুমকি অডিও এলাকায় ভাইরাল হয়। তারপর তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অনুব্রত মণ্ডল বলেন, নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের কাজই সবাইকে হুমকি দেওয়া। ওর কাছে লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র আছে, বিনা লাইসেন্সের আগ্নেয়াস্ত্র আছে বলে হুমকি দিয়ে বেড়ায়। যত সব পাগলামো। আমি ওর কাছে কোনও টাকা নিইনি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দশকের পর দশক বেহাল রাস্তা, আজও দুর্ভোগ! খাটিয়ায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন গ্রামবাসীরা

গ্রামের যাতায়াতের রাস্তা এতটাই বেহাল যে সেখানে প্রবেশ করতে পারে না কোনও জরুরি পরিষেবার যানবাহন। ফলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য ভরসা বলতে গ্রামবাসীদের কাঁধে চাপানো খাটিয়া। সোমবার সকালে এমনই এক অসহায় পরিস্থিতির ছবি সামনে আসতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার চাঁচল মহকুমার হরিশ্চন্দ্রপুরে। অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ব্লকপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় শুইয়ে কাঁধে করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পরেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ব্লকপাড়া গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত। অন্যদিকে, বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান। প্রশাসন ও বিধায়ক, উভয় পক্ষের তরফেই দ্রুত চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কয়েক দশকের দুর্ভোগ, সরু আলই এখন যাতায়াতের ভরসাব্লকপাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে এলাকায় মাটির রাস্তা ছিল। কিন্তু গ্রামের একটি বিশাল জলাশয়ের কারণে সেই রাস্তা ক্রমশ কেটে যেতে থাকে। বর্তমানে একসময়ের মাটির রাস্তা কার্যত সরু আলের আকার নিয়েছে। ভাঙাচোরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করাই এখন রীতিমতো দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।গ্রামবাসীদের দাবি, রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি তাঁরা আগেও বহুবার পেয়েছেন। বিশেষ করে ভোটের সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। তাই এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসে কতটা কাজ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁদের মনে।হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি নিজে এলাকায় গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছে।পেটের যন্ত্রণায় কাতর বৃদ্ধা, শেষ ভরসা খাটিয়াস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্লকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৬২ বছর বয়সি বেলি ঋষি সোমবার সকাল থেকেই পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। পরিবারের লোকজন জলপড়া দিয়েও তাঁর যন্ত্রণা কমাতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত আশপাশের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে খাটিয়ায় শুইয়ে তাঁকে কাঁধে করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অসুস্থ বৃদ্ধার প্রতিবেশী সুমিতা মণ্ডল, বি ফল মণ্ডল ও অনিতা দাসদের অভিযোগ, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের দাবি, রাস্তার অভাবে অনেক সময় ওঝা-গুনিনদের দ্বারস্থ হতে হয়। গ্রামে প্রায় দুই কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা থাকলেও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এদিন বৃদ্ধার পেটের যন্ত্রণা না কমায় বাধ্য হয়েই তাঁকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই রাস্তা তৈরির আশ্বাসএই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অজয় পাশোয়ান বলেন, তৎকালীন শাসকদলের উদাসীনতার কারণেই ব্লকপাড়া এলাকার এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দুর্দশার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে, হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান অভিযোগের একাংশের বিরোধিতা করে জানান, যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি দেখার পর তিনি ওই এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।সব মিলিয়ে, অসুস্থ বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ঘিরে ব্লকপাড়ার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যাটি ফের সামনে এসেছে। এখন গ্রামবাসীদের নজর প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত কার্যকর হয়, তার দিকেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বিয়ের চার দিন আগে প্রি-ওয়েডিং শুটে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পূর্ববর্ধমানের ভাতারে মৃত তিন

বিয়ের বাকি আর মাত্র চার দিন। নতুন জীবনের সূচনার আগে হবু স্ত্রীকে নিয়ে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনা করেছিলেন যুবক। সেই উদ্দেশ্যেই দুই ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে নিয়ে গুসকরার পথে রওনা দিয়েছিলেন হবু দম্পতি। কিন্তু আনন্দের সেই যাত্রা মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। স্করপিয়ো ও মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন দুই ফটোগ্রাফার ও এক বাইক আরোহী। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন হবু দম্পতি। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার ঝর্ণা মোড়ের কাছে ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন ভাতার থানার ওরগ্রামের বাসিন্দা সাধুজামাল শেখ ওরফে বচ্চন (৪৭), বর্ধমানের কমলসায়েরের শেখ নওয়াজ (২৩) এবং জামালপুরের মশাগ্রামের সুদেব ঘোষ (২৮)। সাধুজামাল মোটরবাইকের আরোহী ছিলেন। অন্যদিকে, স্করপিয়োয় থাকা শেখ নওয়াজ ও সুদেব পেশায় ফটোগ্রাফার ছিলেন। প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য তাঁদের সঙ্গে গুসকরার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন বর্ধমানের দিঘীরপাড় এলাকার বাসিন্দা হবু দম্পতি আসরফ মল্লিক ওরফে রাজা এবং জিন্নাতুর খাতুন।নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানজমিতে উল্টে যায় স্করপিয়োপ্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমানের দিক থেকে একটি স্করপিয়োয় চড়ে গুসকরার দিকে যাচ্ছিলেন হবু দম্পতি ও দুই ফটোগ্রাফার। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি মোটরবাইকের সঙ্গে গাড়িটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কার অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে মোটরবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। অন্যদিকে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্করপিয়োটি জাতীয় সড়কের পাশে একটি ধানজমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে।বিকট শব্দে দুর্ঘটনা ঘটতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। মৃতদেহগুলি উদ্ধারের পাশাপাশি দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িগুলিও আটক করেছে পুলিশ।ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, প্রাথমিক অনুমান পুলিশেরপুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জাতীয় সড়কের উপর আচমকা একটি ছাগল চলে আসায় সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে স্করপিয়োর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তার জেরেই মোটরবাইকের সঙ্গে গাড়িটির সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে। যদিও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বিয়ের আনন্দের আগে ভয়াবহ অভিজ্ঞতাহবু দম্পতির বিয়ের আর মাত্র চার দিন বাকি। জীবনের অন্যতম বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরা। গুসকরার মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ছবি তোলার জন্য দুই ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়েছিলেন আসরফ ও জিন্নাতুর।কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই দুর্ঘটনা তাঁদের সমস্ত পরিকল্পনায় ছেদ টেনে দিল। একদিকে বিয়ের প্রস্তুতির মধ্যেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার আতঙ্ক, অন্যদিকে দুই ফটোগ্রাফার ও এক বাইক আরোহীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। যে যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল নতুন জীবনের স্মৃতি তৈরি করা, সেই যাত্রাই হয়ে উঠল এক মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরের পর গাইঘাটা! নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের মামলায় অভিযুক্তের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে, কী ঘটেছিল ভোররাতে?

উত্তর ২৪ পরগনা: নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলাকে কেন্দ্র করে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের ঘটনার পর এবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল এক অভিযুক্ত যুবকের। মৃতের নাম প্রহ্লাদ দাস, যিনি কল্যাণ দাস নামেও পরিচিত। পুলিশের দাবি, অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য তাঁকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। পরিস্থিতি সামাল দিতে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায় বলে দাবি তদন্তকারীদের। তবে কী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।লক্ষ্মীপুজোর দিন উদ্ধার কিশোরীর দেহ, ঘনীভূত হয় রহস্যপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত লক্ষ্মীপুজোর দিন উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় এক প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহটি ছিল বিবস্ত্র, রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগ ছিল, কিশোরীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তদন্ত শুরু করে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ এবং তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহের তালিকায় আসেন প্রহ্লাদ দাস নামে এক যুবক। তিনি নির্যাতিতার আত্মীয় বলেও জানা গিয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ঠিক কী ঘটেছিল, তার উত্তর খুঁজতে শুরু হয় তদন্ত।ঘটনাস্থলে নিয়ে যেতেই কি বদলে গেল পরিস্থিতি?তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের একটি দল। পুলিশি সূত্রে দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।পুলিশের দাবি, নিজেদের নিরাপত্তা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই পাল্টা গুলি চালানো হয়। তাতেই গুরুতর জখম হন প্রহ্লাদ দাস। এরপর দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।যদিও গোটা ঘটনাক্রম সম্পর্কে পুলিশের এই বক্তব্যই এখনও মূল বিবরণ হিসেবে সামনে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি, গুলি চালানোর প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।বারুইপুরের ঘটনার সঙ্গে মিল, বাড়ছে চর্চাগাইঘাটার এই ঘটনার সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনার তুলনা টানা হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রেও অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। পুলিশের গুলিতে তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর এবার গাইঘাটার ঘটনায় একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানানো হয়েছে।পরপর দুই ঘটনায় অভিযুক্তদের মৃত্যুর ধরন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে মিল থাকলেও, প্রত্যেকটির পরিস্থিতি ও প্রমাণ আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তদন্তের পাশাপাশি উঠছে জবাবদিহির প্রশ্ননাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধের তদন্তে যেমন দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ জরুরি, তেমনই পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনাও যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালানো হয়েছিল। সেই দাবির সত্যতা নির্ধারণে ঘটনার পারিপার্শ্বিক তথ্য, প্রাসঙ্গিক প্রমাণ এবং তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।একদিকে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ন্যায়বিচারের দাবি, অন্যদিকে পুলিশি অভিযানে অভিযুক্তের মৃত্যুর পরিস্থিতিদুই বিষয়ই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। গাইঘাটার এই ঘটনা তদন্তের পর কোন তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: পুলিশের গুলি চালানোর পরিস্থিতি ঠিক কী ছিল এবং তদন্তে কী কী তথ্য উঠে আসে? তার উত্তর মিলবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশের পরেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

তিন সপ্তাহেই বক্সা ছাড়ল বাঘিনী, বাঘ ফেরানোর উদ্যোগে বড় ধাক্কা

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হল নতুন করে অনিশ্চয়তা। বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা বাঘিনী টি ১৩৮ বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে চলে গিয়েছে বলে বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।গত ২ অক্টোবর সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে অত্যন্ত ঘটা করে বাঘিনীটিকে বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তার নাম রাখা হয় বিটিআর টিএফ-১। দীর্ঘ দুই দশক ধরে বাঘের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি, পর্যাপ্ত শিকারের ব্যবস্থা এবং জলাশয় গড়ে তোলার কাজ হয়েছে বলে দাবি করেছিল বন দপ্তর। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও বাঘিনীর অন্য জঙ্গলে চলে যাওয়ার ঘটনায় গোটা পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বন দপ্তর সূত্রের খবর, বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার পর প্রথম দেড় সপ্তাহ বাঘিনীটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। পরে ধীরে ধীরে তার বিচরণক্ষেত্র বাড়তে থাকে। একসময় প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ঘুরে অসম ও বাংলার সীমান্তবর্তী সংকোশ নদীর আশপাশে পৌঁছে যায় সে। শেষ পর্যন্ত তার গন্তব্য হয় অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যান।বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সঙ্গী বা মর্দা বাঘের সন্ধান কিংবা স্বাভাবিক বিচরণ প্রবৃত্তির কারণেই বাঘিনীটি বক্সা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে গিয়ে থাকতে পারে। তাঁদের মতে, বক্সায় বাঘের বংশবিস্তার ও স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একসঙ্গে একাধিক বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেখানে মাত্র একটি বাঘিনীকে এনে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।বাঘিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখতে তার গলায় পরানো হয়েছিল হাই-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও কলার। স্যাটেলাইট ও গ্রাউন্ড ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা তার অবস্থান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। তা সত্ত্বেও বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যদিও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যে সহজ নয়, সেই যুক্তিও সামনে আসছে। তবে এত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরেও বাঘিনীর গতিপথ নিয়ে বন দপ্তরের পরিকল্পনা ও নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বনকর্তার বক্তব্য, নজরদারির ব্যবস্থা থাকলেও বন্যপ্রাণীকে নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুযায়ী সে অন্যত্র চলে যেতেই পারে।এদিকে বাঘিনীটিকে ঘিরে বন দপ্তরের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, একবার অসমের জঙ্গলের পথ চিনে নেওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনা হলেও ভবিষ্যতে সে আবার একই পথে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের একটি বিশেষ দল অসমে পৌঁছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। অন্যদিকে, অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে ইতিমধ্যেই ছয়টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বাঘিনীটি স্থায়ীভাবে থেকে যায়, নাকি আরও গভীরে মানস ব্যাঘ্র প্রকল্পের দিকে চলে যায়, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।সব মিলিয়ে, বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার শুরুতেই এই ঘটনা বন দপ্তরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির দাবি এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বাঘিনীর অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া নতুন করে ভাবাচ্ছে বনকর্তা ও বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বক্সায় বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বেহালায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে অমানবিকতার চরম নজির, বাবা-ছেলেকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ, গ্রেফতার ৩

কলকাতার বেহালায় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তাঁর বাবার উপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠল তরুণীর পরিবারের বিরুদ্ধে। তিনজনকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো, মারধর এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়ায়। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর সরশুনা থানার অন্তর্গত বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। ওই যুবকের সঙ্গে তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। সেই আক্রোশ থেকেই যুবক ও তাঁর বাবাকে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটি নাবালিকা বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর ওই যুবক ও তরুণীকে একসঙ্গে দেখতে পান তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। এরপর যুবককে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামার জড়িত থাকার দাবি উঠেছে। পরে যুবকের বাবাকেও ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠানো হয়।অভিযোগ, সেখানে ছেলের সামনেই যুবকের বাবার হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁকে ভয় দেখানো হয়। ছেলেকে গুলি করতে হবে, না হলে বিবস্ত্র হয়ে রাস্তায় হাঁটতে হবে, এমন শর্ত দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি। এরপর যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় যুবকের এক বন্ধুকেও মারধর করা হয় এবং একইভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সমাজমাধ্যমে ভিডিও ছড়াতেই উত্তেজনা বাড়েঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তরুণীর বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সরশুনা থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের খবর, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই তরুণীর বাবা-সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, তরুণীর মামাকে স্থানীয় বাসিন্দারা ধরে মারধর করার পর পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অস্ত্র আইন ও বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলাজানা গিয়েছে, এই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সরশুনা থানায় ২২২/২০২৬ নম্বর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। অস্ত্র আইনের ২৫(১বি)(ক) ধারা-সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৯, ১১৮(১), ১১৭(২), ১২৭(২), ৩৫৬(২), ৩৫১(৩), ১৪০(৩) এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পাশাপাশি, তরুণীর পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলেও কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এই দাবির বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। সূত্রের খবর, ঘটনার তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকজন স্থানীয় সাক্ষীকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, নির্যাতনের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

জোড়াফুলের দখল কার? ঋতব্রতদের ১০ দিনের সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট, পালটা হলফনামার সুযোগ কালীঘাট শিবিরকেও

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ঘাসের উপর জোড়াফুল কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে আইনি লড়াই এখনও অব্যাহত। এই বিতর্কের নিষ্পত্তির জন্য এবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে (ঋতব্রত শিবির) আরও ১০ দিন সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে, প্রতিপক্ষের জমা দেওয়া নথি ও হলফনামা খতিয়ে দেখে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরও অতিরিক্ত ১০ দিন সময় পাবে। ফলে দুই পক্ষের নথি আদানপ্রদান ও পালটা বক্তব্য পেশের প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগবে। অন্যদিকে, আদালতে নথি জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কালীঘাটের তরফে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।নথি জমার সময়সীমা বাড়ল, কী বলল আদালত?সোমবার ছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দুই পক্ষের প্রয়োজনীয় নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা। আদালতের নির্দেশ মেনে কালীঘাট শিবির তাদের নথি জমা দিলেও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এরপরই অতিরিক্ত সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী।আদালতে তাঁদের তরফে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় দরকার। দুর্গাপুজোর কারণে স্ট্যাম্প পেপার সংগ্রহ করতে সমস্যা হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি বলেও যুক্তি দেওয়া হয়। সেই কারণে আরও দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছিল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস।তবে এই আবেদনের বিরোধিতা করেন কালীঘাট শিবিরের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে চাওয়া দুই সপ্তাহের পরিবর্তে ১০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় আদালত। পাশাপাশি, ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে পালটা হলফনামা পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরকেও আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।উপনির্বাচনে আলাদা নাম-প্রতীক, কিন্তু স্থায়ী সমাধান কোথায়?তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের জেরে দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। দলের পরিচিত নাম এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনী প্রতীক নিজেদের দখলে রাখার প্রশ্নেই মূলত এই আইনি লড়াই।গত ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করেছিল। সেই সময় অস্থায়ী সমাধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নামে ফুটবল প্রতীক পায়। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ হয় খাম প্রতীক।কিন্তু উপনির্বাচনের জন্য করা সেই ব্যবস্থা স্থায়ী সমাধান নয়। দলের পুরনো পরিচয় এবং ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি-পালটা দাবি অব্যাহত রয়েছে। সেই কারণেই বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। কোন পক্ষ শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ঐতিহ্যবাহী প্রতীকের অধিকার পাবে, তা নির্ধারণের আগে দুই শিবিরের বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক নথি খতিয়ে দেখতে চাইছে আদালত।হরিয়ানায় নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ ঋতব্রতরআদালতে নথি জমা দেওয়া নিয়ে যখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক সেই সময়ই নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নথিপত্র দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়া হয় এবং সেগুলি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে।ঋতব্রতর দাবি, কালীঘাট শিবির ২৫ অক্টোবর, রবিবার রাতে চার্টার্ড বিমানে নিজেদের নথি দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ২৪ অক্টোবর, শনিবার সড়কপথে নথিপত্র নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। সেই নথি নিয়ে যাওয়ার সময় সোমবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ হরিয়ানায় তাঁদের ট্রাক আটকানো হয় বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার।তাঁর আরও দাবি, ওই সময় নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে দলের কর্মীরা সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাট শিবিরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।চার্টার্ড সংস্কৃতি বনাম তৃণমূল স্তর, কটাক্ষ বিরোধী দলনেতারঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণের সুরও চড়িয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, একদিকে চার্টার্ড বিমানে নথি পাঠানোর ব্যবস্থা, অন্যদিকে দলের কর্মীদের সড়কপথে নথি নিয়ে যাওয়াএই দুই পরিস্থিতির মধ্যে যেন একটি সংঘাত তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতা ও গায়ের জোর দেখিয়ে সবকিছু দখল করার চেষ্টা করা হলেও তা সবসময় সফল হয় না।যদিও নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী সময়ে কী প্রতিক্রিয়া আসে, সেদিকেও নজর থাকবে।পুরসভা নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক গুরুত্বকলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন সামনে আসায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নির্বাচনের আগে দলের পরিচয় ও প্রতীকের প্রশ্নে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।এখন নজর সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারে কি না, তার পরিপ্রেক্ষিতে কালীঘাট শিবির কী পালটা বক্তব্য পেশ করে এবং শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার কার হাতে যায়সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। আপাতত আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় দুই শিবিরই।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
দেশ

মোদির বাবা তুলে খাড়গের কটাক্ষ, দেশজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ! ‘ভারতের অপমান’ বলে তীব্র আক্রমণ রাজনাথের

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। খাড়গের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবিতে সরব গেরুয়া শিবির। বিতর্কে কংগ্রেসকে পালটা আক্রমণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়েরও।নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজনৈতিক মহল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যে রাস্তায় নেমে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে, এই মন্তব্যকে ভারতের অপমান বলে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বিজেপির অভিযোগ, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমালোচনা করতে গিয়ে খাড়গে ব্যক্তিগত আক্রমণের সীমা অতিক্রম করেছেন। এই মন্তব্যের জন্য তাঁর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। শুধু ক্ষমাপ্রার্থনাই নয়, কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশ।বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিক্ষোভে বিজেপিখাড়গের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোমবার বিহারে বড়সড় মিছিল বের করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মিছিল থেকে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক স্লোগান তোলা হয়। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে খাড়গের কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।একই ইস্যুতে উত্তেজনা ছড়ায় জম্মুতেও। সেখানে বিজেপি কর্মীরা খাড়গের পোস্টার পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি, আরও কয়েকটি রাজ্যে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বিজেপির বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বিরোধিতা করতে গিয়ে কোনও ব্যক্তির পরিবারকে টেনে এনে আক্রমণ করা রাজনৈতিক শালীনতার পরিপন্থী। সেই কারণেই খাড়গের মন্তব্যের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছে দল।এটা ভারতের অপমান, খাড়গেকে নিশানা রাজনাথেরএই বিতর্কে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্য, খাড়গের মতো একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। যে দল নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়, সেই দলের সভাপতির মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলেও দাবি করেছেন তিনি।রাজনাথের কথায়, এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে এই মন্তব্যগুলি কোনও সাধারণ কংগ্রেস কর্মী বা যুব নেতা করেননি, বরং এমন এক দলের সভাপতি করেছেন, যে দলটি নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে।এখানেই থামেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। খাড়গের মন্তব্যকে দেশের মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, খাড়গের এহেন মন্তব্য আসলে ভারতের অপমান।রাজনাথের আরও অভিযোগ, নিজেদের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করার পরিবর্তে কংগ্রেসের তরফে খাড়গের মন্তব্যকে সমর্থন করা হচ্ছে। তাঁর মতে, এই ধরনের আচরণ রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও তিক্ত করে তুলছে। ফলে শুধু খাড়গে নন, গোটা কংগ্রেস নেতৃত্বকেই এই বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে দাবি বিজেপি শিবিরের।কী বলেছিলেন খাড়গে? কোথা থেকে বিতর্কের সূত্রপাত?এই বিতর্কের সূত্রপাত রবিবার বিহারের পাটনায়। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সেই সভায় বক্তৃতা করার সময়ই ঘটে বিতর্কিত ঘটনাটি।খাড়গে যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। তবে ওই ব্যক্তির বক্তব্যের সম্পূর্ণ অংশ খাড়গে শুনতে পাননি বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি কথাটির অর্থ বুঝেছিলেন অন্যভাবে। তাঁর কানে পৌঁছয়, মোদি কোথাও যাবেন না।এরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই সময় তিনি বলেন, মোদির বাপকেও যেতে হবে।খাড়গের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাঁর বাবাকে টেনে এনে এমন মন্তব্য করা অনভিপ্রেত এবং নিন্দনীয়। এই বক্তব্যের জন্য খাড়গের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজনৈতিক সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কাঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে খাড়গের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করছে বিজেপি। অন্যদিকে, এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত আগামী দিনে কতটা বাড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধিতা নতুন নয়। তবে সেই বিরোধিতা ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছলে তা রাজনৈতিক শালীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। খাড়গের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কেও উঠে এসেছে সেই প্রশ্নই। এখন দেখার, এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কী অবস্থান নেয় এবং বিজেপির ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত কোন দিকে এগোয়।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে ফিরুক পাস-ফেল, মোবাইল নিষিদ্ধের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

স্কুলশিক্ষায় একাধিক পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা এবং পড়ুয়াদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলার উপরে জোর দিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি (NCC) এবং এনএসএস (NSS) চালু করার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশ ঘটানোও জরুরি।রবিবার রামনগরে চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণ নিয়েও কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিরোধীদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্যও করেন মুখ্যমন্ত্রী।স্কুলশিক্ষার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা এবং পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস এবং আধুনিক ভাষার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচিত করে তোলার উপরেও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, শিক্ষার পরিসর শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ছাত্রছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য সহপাঠক্রমিক কার্যকলাপেও গুরুত্ব দিতে হবে।প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি এবং এনএসএস ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও স্কুলে থাকা উচিত। পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভা খুঁজে বের করে তা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শিক্ষানীতি নিয়েও আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এনসিসি তুলে দিয়ে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করা হয়েছিল। ব্রতচারী কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভাষা ও শব্দের ব্যবহার নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal