ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যাতে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয় সেই আবেদন জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে ফের এই দাবি তুলেছে বাংলা পক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই এই দাবি করে আসছে বাঙালির জন্য লড়াই করা এই সংগঠন।গতকাল ট্যুইটার ক্যাম্পেনও করেছিল বাংলা পক্ষ।হ্যাসট্যাগ ছিলঃ#Bengali_Regiment_in_Indian_Armyবাংলা পক্ষর দাবি, ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরির পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই। বাংলার সরকার দিল্লির যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের কাছে এই দাবি জানাক।সংগঠনের দাবি, এই ঘোষণা হলে তবেই বীর সুভাষ চন্দ্র বসু ও অসংখ্য বাঙালি বিপ্লবীদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জ্ঞাপন হবে। এদিন রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে বীর সুভাষের ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী পালন করে বাংলা পক্ষ। নানা জেলায় ট্যাবলো বেরিয়েছে এবং শোভাযাত্রা হয়েছে।
বন্ধুকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল এক যুবক। ধৃতের নাম উত্তম রায়। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার শাঁকারি গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় তার বাড়ি। বন্ধু প্রসেনদীপ রায়কে খুনের অভিযোগে পুলিশ বুধবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনা বিশদে জানতে এবং বাকি জড়িতদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতের ৪ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, শাঁকারি গ্রামের যুবক প্রসেনদীপ রায়ের বাড়ি শাঁকারি গ্রামেই। গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে বের হয়। গ্রামের ফুলশিরে পুকুরপাড়ে কয়েকজন বন্ধুর সাথে তাকে গল্পগুজব করতে দেখাযায়। তারপর রাতে প্রসেনদীপ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় তার খোঁজ শুরু করেন। পুকুরপাড়েও প্রসেনদীপের হদিশ পাওয়া যায় না। পরেরদিন দুপুরে ফুলশিংরে পুকুরে জাল ফেলে তল্লাশি চালানো হয়। তখনই উদ্ধার হয় প্রসেনদীপের দেহ। তাঁর কান ও নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়েছিল। ঘাড়ে কালশিটে দাগ ছিল। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের পরিবারের দাবি, প্রসেনদীপকে খুন করা হয়েছে। এনিয়ে পরিবারের তরফে থানায় জানানো হয়। থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় মৃতের দাদা সন্দীপ রায় বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রসেনদীপকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় প্রসেনদীপের বন্ধুরাই জড়িত। সিজেএম খুন ও প্রমাণ লোপাটের ধারায় কেস রুজু করে তদন্তের জন্য খণ্ডঘোষ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। অভিযোগে সন্দীপ জানান, একই গ্রামের হওয়া সত্বেও প্রসেনদীপকে তাঁরা অভিযুক্তদের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেন। ঘটনার কয়েকমাস আগে প্রসেনদীপের সঙ্গে তাদের ঝগড়া হয়। ঘটনার ৫-৬ দিন আগে থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ফের মেলামেশা শুরু করেন তিনি। ঘটনার দিন রাতে উত্তম সহ কয়েকজনের সঙ্গে ফুলশিংরে পুকুর পাড়ে তাঁকে আড্ডা মারতে দেখা যায়। তাঁর বন্ধুরা মদ খাচ্ছিল। গ্রেপ্তারি এড়াতে উত্তম সহ ৫ অভিযুক্ত আগাম জামিনের আবেদন করে। সেই আবেদন খারিজ করে দেন জেলা জজ।
আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আবারও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় তাঁকে একই সপ্তাহে দ্বিতীয় বার চিঠি লিখতে হল বলেই জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এ বারও মমতা চিঠিতে লেখেন, নয়া ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাব আগের চেয়ে অনেক বেশি দমনমূলক এবং তা সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে মমতা লেখেন, এই প্রস্তাবিত সংশোধনী শুধু দেশেরই ক্ষতি করবে না, দেশের গণতন্ত্রকেও ধ্বংস করে দেবে।আইএএস ক্যাডার আইনে সংশোধন করতে চেয়ে কিছু দিন আগেই রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রস্তাব, রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও আমলাকে তাঁর এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই সরিয়ে দিতে পারে কেন্দ্র। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা, এ ক্ষেত্রে আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পুরোটাই কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এবং আধিকারিকদেরও মনোবল ভাঙতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, আমলাদের ডেপুটেশনের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মতি থাকা প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বার্থে।আগের চিঠিতে মমতা লিখেছিলেন, আপনি নিজেও অনেক বছর একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাই আমার বক্তব্যের সত্যতা আপনি বুঝতে পারবেন। দ্বিতীয় চিঠিতেও মোদির উদ্দেশে মমতা লিখেছেন, আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা থেকে রাজ্যকে বঞ্চিত করবেন না। তা হলে ভবিষ্যতে দেশের শাসনব্যবস্থার উপর বড় প্রভাব পড়বে। এটা ভুলে গেলে চলবে না, কেন্দ্রে যে দলই ক্ষমতায় থাকবে, তারাই এই প্রস্তাবিত সংশোধনীর অপব্যবহার করবে।
সারা পৃথিবী যখন ওমিক্রন ঝড়ে বেসামাল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী-র গলায় অন্য সুর, তিনি সরকারি ভাবে বিবৃতি দিয়ে জানালেন আর মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তাঁর অর্থ কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলেও তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। বুধবার ব্রিটেনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,০৮,০৬৯ যা গত সাত দিনের তুলনায় ৩৭.২% কম, এবং ৩৫৯ জন করোনা আক্রন্তের মৃত্যু হয়েছে, সেক্ষেত্রেও ৮.২% কম। প্রধানমন্ত্রী বাইডেন আরও জানিয়েছেন যে, এখন থেকে থাকছে না ওয়ার্ক ফ্রম হোমও, সকলকে অফিসে এসে কাজ করতে হবে। করোনা ও ওমিক্রনের সংক্রমণ খুব দ্রুত হ্রাস পাওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করলেন বরিস। তিনি জানিয়েছেন, সামনের সপ্তাহ থেকেই কোভিড সংক্রান্ত আরও অন্য যে সমস্ত বিধিনিষেধ আছে সেগুলিও প্রত্যাহার করা নেওয়া হবে।সামাজিক মাধ্যমে টুইট করে বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গিয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাউকেই বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করতে বলবে না, সকলেই অফিসে এসে কাজ করতে পারে। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনই বিশ্বে প্রথম টিকা তৈরি করে এবং সমগ্র ইউরোপের সমস্ত দেশের আগে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু করে।We were the first nation in the world to administer a vaccine, and one of the fastest in Europe to roll it out.This was because we made the big call to pursue our own vaccine procurement, outside of the EMA.1/5 Boris Johnson (@BorisJohnson) January 19, 2022তিনি টুইট করে আরও জানান, আমরা নিজেদের উদ্যোগে টিকা তৈরি হওয়ার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে ৷ আমরা যখন আগের গ্রীষ্মকালে সবকিছু স্বাভাবিক রাখার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন বাকিরা বলেছিল এটা করা উচিত নয়৷ এই শীতেও যখন অন্যান্য দেশ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়ছে, তখনও আমাদের সবকিছু স্বাভাবিক খোলা ছিল ৷ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে ব্রিটেনের অর্থিনীতিতে ক্ষতি বাকিদের থেকে অনেক কম হয়েছে। বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গেছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার আরও জানান ইউরোপে মধ্যে কেবলমাত্র আমাদেরই অর্থনীতি এবং সমাজ সবচেয়ে উন্মুক্ত এবং জি-৭ অন্তভুক্ত দেশ গুলির মধ্যে ব্রিটেন-ই সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে চলা অর্থনীতির দেশ৷ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, খুব দ্রুত বুস্টার ডোজের প্রচারের জন্য এবং প্ল্যান-বি নির্দেশিকায় মানুষ খুব ভালো সাড়া দেওয়ায়, তাঁরা প্ল্যান-এ-তে আবার ফিরে যাচ্ছেন এবং প্ল্যান বি-র নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন৷ প্ল্যান-বি নির্দেশিকা বলতে তিনি জানিয়েছেন বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক, বাধ্যতামূলক কোভিড পাস ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মত পরামর্শের কথা অখানে বলা হয়েছে৷We delivered the biggest and fastest vaccine roll out in Europe, resisted lockdown, and can now restore freedoms with the end of Plan B.Labours answer was 𝐥𝐨𝐜𝐤𝐝𝐨𝐰𝐧.Ours is a plan thats protecting health, kept unemployment low and restored the economy. pic.twitter.com/noX3j5ihy7 Oliver Dowden (@OliverDowden) January 19, 2022ব্রিটেনে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫,২১,৫১,৬৪৩ (৯০.৭০%) প্রথম ডোজ নিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪,৮০,১৯,০৬৯ (৮৩.৫%) এবং বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩,৬৬,২১,৬৭১ (৬৩.৭%) জন ৷ এখানে বিশেষ উল্লেখ্য ভারতে যেখানে ১৫ বছরের উর্ধে করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে, ব্রিটেনে ১২ বছর বয়সের উর্ধে সকলকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেন-ই সেই দেশ যারা প্রথম সারা বিশ্বকে কোভিড-১৯-এর রূপ বদল (ভেরিয়েন্ট) নিয়ে সতর্ক করেছিল এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রোখার জন্য তাঁরা ডিসেম্বরের প্রথমেই আন্তর্জাতিক উড়ানে সফর নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ নিয়েছিল ও তাদের প্ল্যান-বি শুরু করে দিয়েছিল।
ভোটের দামামা বেজে গেল তৃণমূলের অন্দরে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন। ৩১ মার্চ ঘোষিত হবে নতুন কার্যকরী সমিতি। ঘোষণা করলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।২ ফেব্রুয়ারি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে ভোট। কারা কারা ভোট দিতে পারবেন তা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা ঘোষণা করলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে স্বাভাবিকভাবেই ভোট হবে না তৃণমূল চেয়ার পার্সন পদে।এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে পার্থবাবু বলেন, দলের সঙ্গে এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর সভাপতি সুব্রত বক্সির সঙ্গে আলোচনার পর সেই আলোচনার ভিত্তিতে ঘোষণা করছি ২ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নেতাজি ইনডোরে হবে নির্বাচন। আমায় রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করেছে। তিনি আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী চেয়ারপার্সন নির্বাচন হয় প্রথমে। তারপর সব পদে পরপর নির্বাচন হয়। ২০১৭ সালে শেষবার তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছিল। সে বার একমাত্র দলনেত্রী পদে নির্বাচন হয়। তাতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কয়েকদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন টলিউড ইন্ডাস্ট্রি প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়। কদিন যেতে না যেতেই তাঁর বোন অভিনেত্রী পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ল। জ্বর, মাথাব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা রয়েছে তাঁর। আবার বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি এবং সব নিয়ম মেনে চলছেন। খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠবেন আশাবাদী পল্লবী। এই পরিস্থিতিতে সবাইকে সাবধানে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। কয়েকদিন আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে টুইট করে প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আমি কোভিড পজিটিভ। চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে আপাতত বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছি। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠব।বছরের শুরু থেকেই অনেক টলি তারকার কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাঁরা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি প্রসেনজিত ছাড়াও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রূপম ইসলাম, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে। করোনা বাসা বেঁধেছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের শরীরেও।
করোনা ছাড় দিলনা টলিউড ইন্ডাস্ট্রি বুম্বা দা অর্থাৎ অভিনেতা প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায় কে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রসেনজিত জানিয়েছেন তিনি কোভিড পজিটিভ। টুইট করে প্রসেনজিৎ লিখেছেন, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আমি কোভিড পজিটিভ। চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে আপাতত বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছি। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠব।প্রসেনজিত ছাড়াও স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে গায়ক রুপম ইসলামের। তবে রুপম একা নন, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে দুজনেই কোভিড পজিটিভ।উল্লেখ্য, এর আগে যে টলি তারকারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁরা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এবার বুম্বাদার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন তাঁর অগুনিত ভক্তরা।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করতে নাজেহাল হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য।সাম্প্রতিক কোভিড স্ফীতিতে সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুপাত কিছুটা কম। তবে এই পরিসংখ্যান বাড়তে পারে ধরে নিয়ে রাজ্যগুলিকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে বলল কেন্দ্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে, কীভাবে করোনা মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তার ২৪ ঘণ্টা আগেই সব রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।দুই পাতার সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যের কাছে এই আবেদন করা হচ্ছে, যাতে কমপক্ষে আগামী ৪৮ ঘণ্টা সময় ধরে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের সুবিধা থাকে। পাশাপাশি, যথাযথ পরিমাণে অক্সিজেন সিলিন্ডারের যোগান, পিএসএ প্লান্ট তৈরি, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর-সহ উপযুক্ত পরিষেবার ব্যবস্থা যাতে থাকে সেদিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত তথ্য তুলে দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। প্রয়োজনে তাহলে সমস্ত রাজ্যকেই মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করতে সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।কিছুদিন আগেই পাঁচটি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। পাশাপাশি ভোটমুখী রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি কী তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়, জেলাস্তরে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
গঙ্গাসাগর মেলায় শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে উল্লেখ্য, নতুন নজরদারি কমিটি থেকে বাদ পড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো তিন সদস্যের কমিটি বাতিল করে ২ সদস্যের কমিটি গঠন করল হাইকোর্ট। কমিটির নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। কমিটিতে রয়েছেন লিগ্যাল সার্ভিসেসেস সদস্য সচিব। রাজ্যের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৭ থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে আদালতের দেওয়া অন্যান্য যাবতীয় নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। বিধি লঙ্ঘন হলে নজরদারি কমিটি তৎক্ষণাৎ মেলা বাতিলের নির্দেশ দিতে পারবে। তবে মঙ্গলবারের নির্দেশে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, গোটা গঙ্গাসাগর এলাকাটাই এখন নোটিফায়েড এরিয়া অর্থাৎ যেখানে রাজ্যের বিধি কায়েম হতে পারে যে কোনও সময়ই।রাজ্যে করোনা বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এই পরিস্থিতিতে এ বছর গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখা উচিত। এই আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন চিকিৎসক অভিনন্দন মণ্ডল। এর সঙ্গে আরও পাঁচটি মামলা হয়। সব মামলাগুলি একত্র করে হাইকোর্টে শুনানি হয়েছিল। শুনানির পর তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেখানে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রশ্ন ওঠে, ওই কমিটিতে যে সব সদস্য রয়েছেন, তাঁরা কোভিড নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না।শুধু শুভেন্দুর থাকা নয়, আগের কমিটি নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। পুরনো কমিটিতে রাখা হয়েছিল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে। ওই পদে নিয়োগ এখনও আটকে রয়েছে। প্রশ্ন ওঠে, যে পদে নিয়োগই হয়নি, সেই পদের পদাধিকারী কী করে কমিটিতে থাকেন? এর পরই নতুন কমিটি গড়ার পক্ষে রায় দেয় হাইকোর্ট।
করোনা আক্রান্ত ভারতের নাইটঅ্যাঙ্গেল লতা মঙ্গেশকর। ৯২ বছরের কিংবদন্তি গায়িকাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আপাতত মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আইসিইউতে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে লতা মঙ্গেশকরের ভাইঝি রচনা জানিয়েছেন, উনি আপাতত স্থিতিশীল। এই বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য তাঁকে আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য ধন্যবাদ। দয়াকরে ওঁর জন্য প্রার্থনা করবেন।Legendary singer Lata Mangeshkar admitted to ICU after testing positive for Covid-19. She has mild symptoms: Her niece Rachna confirms to ANI(file photo) pic.twitter.com/8DR3P0qbIR ANI (@ANI) January 11, 2022এমনিতেই লতা বেশ কয়েক বছর ধরে গৃহবন্দি। বাইরে খুব বেশি বেরোন না। তবে নেটমাধ্যমে সক্রিয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুইট করতে দেখা যায় তাঁকে। মনে করা হচ্ছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও ব্যক্তি অথবা পরিচারিকার থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন তিনি।এদিকে দেশে কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৬৩ জন। সোমবারই এই সংখ্যাটা ছিল, ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭২৩ জন। সেই নিরিখে কিছুটা হলেও সংক্রমণ কমেছে গোটা দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪৬ জন। কেরলে ৩৫০ জন আক্রান্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়। একদিনে দেশে সংক্রমণের পজিটিভিটি রেট ১০.৬৪ শতাংশ।
বাংলার সব থেকে বড় বাজার হলো কলকাতার বড়বাজার। সেখান থেকেই সমগ্র বাংলা জুড়ে মাল সরবরাহ হয়। কিন্তু বাংলার এই বিপুল সরবরাহে বাঙালির অংশীদারত্ব নগন্য। সমগ্র বড়বাজার এখন বহিরাগতদের দখলে। বাঙালি শূন্য করার চেষ্টা চালাচ্ছে বহিরাগতরা। এমতাবস্থায় বাঙালিদের বড়বাজারে বারবার হেনস্থার শিকার হতে হয়। সম্প্রতি বাঙালি ভাই রামেশ্বর হালদারকে বড়বাজারে বেওসায়ী রূপী বহিরাগত গুন্ডারা মেরেছে বাংলায় কথা বলার অপরাধে, বাংলায় কথা বলার জন্য বাঙালি বোন ফতেমা আখতারকে হেনস্থা ও শ্লীলতাহানি করেছে বহিরাগত বেওসায়ী আনুরাগ আগরওয়াল।বড়বাজার তৈরি করেছিল শীল, বসাক-সহ বাঙালি ব্যবসায়ীরা। বহিরাগতরা বড়বাজার দখল করে বাঙালিদের মারে, বাঙালিকে অপহরণ করে, বাঙালির দোকান জ্বালায়, ভয় দেখায়, জাতি তুলে গালি দেয়। এর প্রতিবাদ করেছিল বীর বাঙালি শহিদ সব্যসাচী মণ্ডল। বহিরাগত গুন্ডা, মাফিয়াদের হাতে তাকে খুন হতে হয়।বড়বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বড়বাজার বাংলায় অবস্থিত কিন্তু বড়বাজারে বাংলায় কথা বলা যায় না। বাঙালি বিদ্বেষের এই অবস্থার বদল চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাংলা পক্ষ টুইটার ক্যাম্পেইনের ডাক দেয়। #AntiBengaliBarabazar এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর এবং প্রধানকে মেনশন করা হয় টুইটে। টুইটারে অংশগ্রহণ করে বাংলা পক্ষর বহু সহযোদ্ধা- সমর্থক। টুইটারে অংশগ্রহণকারী সাধারণ বাঙালীর সংখ্যাও ছিলো চোখে পড়ার মতো। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সকল বাঙালি এক হচ্ছে। আগামীদিনে বড়বাজারের মাটি হবে বাঙালির ঘাঁটি। যতদিন পর্যন্ত বাঙালির ক্ষোভ ত্রাসে পরিণত হবে বহিরাগত গুন্ডাদের ততদিন পর্যন্ত বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে।
শনিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্স আর্টিস্টস ফোরামের বার্ষিক সাধরণ সভায় অনিষ্ঠিত হয়। এই সভায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হলেন টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। কার্যনির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হলেন জীতেন্দ্র মাদনানি ওরফে জিৎ। সহ- সভাপতি পদে মোট পাঁচ জনের নাম আছে, তাঁরা হলেনঃ১। সব্যসাচী চক্রবর্তী২।সুমন্ত মুখোপাধ্যায়৩।কৌশিক সেন৪।অপরাজিতা আঢ্য৫। ভরত কল।সাধারণ সম্পাদকের পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়। যুগ্ম সম্পাদক পদে দিগন্ত বাগচীর সঙ্গে নতুন নাম অঙ্কুশ হাজরা। নতুন দায়িত্ব পেয়ে খুশি অভিনেতা। তিনি জানিয়েছেন দায়িত্ব আরও বেড়েছে।শিল্পী সংগঠনের নতুন কমিটিতে সহকারী সম্পাদক কুশল চক্রবর্তী এবং শুভাশিস মিত্র। তাপস চক্রবর্তী কোষাধ্যক্ষ। সোহন বন্দ্যোপাধ্যায় থাকছেন সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদে। পার্থসারথি দেব, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, আবীর চট্টোপাধ্যায়, পায়েল দে, শুভ্রজিৎ দত্ত, অনিন্দ্য চক্রবর্তী এবং শঙ্কর চক্রবর্তীকে নিয়ে তৈরি হয়েছে সাত সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদ।
একমাত্র ছেলে মিশুকের জন্মদিন। ছেলের জন্মদিন উদযাপনের ছবি কোলাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন টলিস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই সব ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, শুভ জন্মদিন মিশুক। তোমার জন্মদিনে ফিরে দেখা কিছু সুন্দর মুহূর্ত। যেমন সুন্দর তোমার মন, তেমনটাই থাকুক চিরকাল।শুভ জন্মদিন মিশুক। On your special day, heres a throwback to some special moments. Always be the good soul that you are ❤️ pic.twitter.com/ifVbr94Gk0 Prosenjit Chatterjee (@prosenjitbumba) January 6, 2022বাড়িতেই ঘরোয়া পরিবেশে ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালন করেন প্রসেনজিৎ এবং অর্পিতা। বুম্বাদার সেই কোলাজে দেখা যাচ্ছে মিশুকের সামনে রাখা আছে দুটি কেক। ফুটবলপ্রেমী মিশুকের জন্য রয়েছে ফুটবল কেক। প্রসেনজিৎ-পুত্রকে নেটমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টলিউডের একাধিক ব্যক্তিত্ব।উল্লেখ্য, ছোটবেলা থেকেই ফুটবল ভালোবাসে তৃষাণজিৎ। ভবিষ্যতে তার লক্ষ্য ফুটবলার হওয়া। এমনকি দেশের হয়েও খেলতে চায় মিশুক।
ওমিক্রন পরিস্থিতি নজরে রেখে কলকাতায় ব্রিটেন থেকে আগত বিমান নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে চলেছে নতুন নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন।বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। চিঠিতে তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনে সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের আবহে কেন্দ্র যে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে, ওই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন।ঝুঁকিপূর্ণ নয়, এমন দেশ থেকে আসা বিমান যাত্রীদের কলকাতায় এসে নিজেদের খরচেই কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে বিমানবন্দরে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বিমান সংস্থাকেই বিমানে ওঠা ১০ শতাংশ যাত্রীর কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে। আর বাকিদের র্যা পিড অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। এই পদ্ধতিতে রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁদের আবার আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা করাতে হবে। বিমানবন্দরে কোভিড পরীক্ষার কাজে যাতে খুব বেশি সময় নষ্ট না হল, তার জন্য যাত্রীদের আগে থেকেই পরীক্ষার বুকিং করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে।
ফার্ম হাউসের রাঁধুনির মেয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করলেন ভারতের প্রবীন জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তাঁর পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি খুদে মেয়ে সবুজে ঘেরা বাগানের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে। উজ্জ্বল সাদা এবং গোলাপি রঙের পোশাকে দেখা যাচ্ছে তাকে।ছবি শেয়ার করে ধর্মেন্দ্র লিখেছেন, আদিতি, আমার ডার্লিং পুতুল, আমার ফার্ম হাউসের রাঁধুনির মেয়ে। তাঁর পোস্ট করা ছবির কমেন্ট বক্সে প্রচুর অনুরাগী ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। যারা টুইট করেছেন তারা আবার পোস্টের নীচে পুরনো একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন।শীঘ্রই করণ জোহর পরিচালিত ছবি রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে ৮৬ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান অভিনেতাকে। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর সিং এবং আলিয়া ভাট। রণবীর কে রকি এবং আলিয়া ভাট কে রানীর চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাজাবে। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন সাবানা আজমি এবং জয়া বচ্চন।
আকাশ মেঘলা থাকলেও গত দুদিন বৃষ্টি হয়নি কলকাতায়। বৃহস্পতিবার মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। তা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার সকালে হালকা কুয়াশায় ঢেকেছিল কলকাতা। জেলাতেও কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে। বেলা বাড়লেও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেই সঙ্গে কলকাতার কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও হয়েছে।আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতে হাজির হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া বাধা পেয়েছে। সেই ঝঞ্ঝা ক্রমশ পূর্বভারতের দিকে বয়ে আসার ফলে রাতের পারদ পতনেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই ঝঞ্ঝার প্রভাব কাটলেই বাধাহীন ভাবে বইবে উত্তুরে হাওয়া। তখন ফের ফিরবে ঠান্ডার আমেজ।কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। বুধবার অবশ্য তা পৌঁছে গিয়েছিল সাড়ে ১৭ ডিগ্রিতে। বড়দিনের সময় থেকে কলকাতায় উধাও শীতের কনকনানি। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও একই অবস্থা। কলকাতার থেকে কম হলেও সেখানে তাপমাত্রা গত কয়েক দিনে বেড়েছে।
পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর নতুন ছবি জতুগৃহ-র শুটিং শেষ হয়ে গেল। শুটিং ফ্লোরে জনতার কথা-র মুখোমুখি এই ছবির প্রধাণ চরিত্র পিয়ালী চ্যাটার্জি। জনতার কথাঃ তোমার ফার্স্ট প্রোজেক্ট অ্যাস অ্যা লিড। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?পিয়ালীঃ ভীষণ ভালো এক্সপিরিয়েন্স। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার কো-অ্যাক্টর, ডিরেক্টর ভীষণ পরিমাণে সাপোর্টিভ। জনতার কথাঃ বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?পিয়ালীঃ বনি কো-অ্যাক্টর পরে। আগে ভীষণ ভালো বন্ধু। ও শুটিং-এর মাঝে এত মজা করে। ওকে টিভির পর্দায় দেখে মনেই হয় না ও এতটা ফ্রি, ফ্র্যাঙ্কলি। ভীষণ সাপোর্টিভ-ও।জনতার কথাঃ পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু কে নিয়ে কি বলবে?পিয়ালীঃ আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল। আমরা ভীষণ মজা করেছি। জুন থেকে আমাদের শুটিং স্টার্ট হয়। জুন টু আজকে ডিসেম্বরের লাস্ট ডে শুট। পাঁচ মাসের জার্নি। ভীষণ ভালোভাবে কাটিয়েছি।জনতার কথাঃ প্রোডিউসারের কথা কি বলবে? প্রোডিউসার না থাকলে হয়তো তোমাকে এইভাবে লিড কাস্টে দেখতে পেতাম না।পিয়ালীঃ একদম। প্রোডিউসারের কথা তো সবার আগে। রক্তিম চ্যাটার্জি না থাকলে হয়তো পিয়ালী চ্যাটার্জি থাকতো না। আমি তো এটাই উইশ করবো সব মেয়েরা এরকম সাপোরটিং হাজব্যান্ড পাক।
বাংলা সিনেমা বাংলা তথা বিশ্বের গর্ব। বাংলায় একের পর এক কালজয়ী সিনেমা তৈরি হয়েছে ও হচ্ছে। বাংলার সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম বাংলা সিনেমা। কিন্তু দুঃখের কথা হল অধিকাংশ বাঙালি পরিচালকরা জানান, বাংলা সিনেমা হল পাচ্ছে না। যে বাংলার চিত্র জগতের প্রবাদপ্রতিম সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক, উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সুচিত্রা সেন এর মতো তারা-রা সারা ভারত বর্ষের আকাশকে আলোকিত করে ছিলো সেই বাংলা সিনেমাকে বাংলার সিনেমা হলে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না! জায়গা পেলেও প্রাইম টাইমে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বলিউডি সিনেমার কাছে বাংলা সিনেমার পেরে ওঠা সম্ভব নয়। তাই বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি নিয়ম ও সাহায্য খুবই প্রয়োজন।দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রের মত রাজ্যগুলোতে এ-বেপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়। নানা রাজ্যে প্রাইম টাইমে সেই রাজ্যের সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক। বাংলাতেও একই নিয়ম কার্যকর করার দাবি করা হয়েছে। নিজের মাটিতেই কেন বঞ্চিত হবেন অভিনেতা-অভিনেত্রী- পরিচালক ও কলাকুশলীরা?বাংলার সমস্ত সিনেমা হলে প্রতিদিন প্রাইম টাইমে ৫০ শতাংশ স্লটে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করা হোক এমনই আবেদন করজোড়ে বাংলা পক্ষ-র তরফে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।বাংলার সব সিনেমা হলে প্রাইম টাইমে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করতে হবে- এই দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা বাংলা পক্ষ-র চিঠিতে সই করলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক অরিন্দম শীল, অরিন্দম ভট্টাচার্য, শৈবাল মিত্র, জেনি দীপায়ন, অমিতাভ ভট্টাচার্য, সৌম্য সেনগুপ্ত এবং অভিনেতা রজতাভ দত্ত, স্বনামধন্য পরিচালক গৌতম ঘোষও। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য, অয়ন চক্রবর্তীও সই করেছেন। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে জানানো হয় আরও অনেক বিশিষ্ট মানুষ এই চিঠিতে সই করবেন।
ফুচকা অতি জনপ্রিয় সুস্বাদু মুখরোচক খাদ্যবস্তু। সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে জনপ্রিয় হলেও জানা যায় এর সৃষ্টি মুলত বাংলা এবং ওড়িশা-য়। খাদ্যবস্তুটি বাংলাদেশ এবং ভারতে শহর থেকে শহরতলি হয়ে গ্রামাঞ্চলেও সমান জনপ্রিয়। বিভিন্ন জায়গায় এটিকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। যেমন পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় এর নাম ফুচকা, উত্তর ভারতে গোল-গাপ্পা নামে জনপ্রিয়। মুম্বাই সহ সমগ্র মহারাষ্ট্রতে এর জনপ্রিয়তা পানি-পুরি। আবার আমাদের বাংলাতেই পশ্চিম-বর্ধমানের আসানসোল, বরাকরে এটিকে গুপচুপ বলা হয়ে থাকে।আরও পড়ুনঃ নগিডি, রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন, তৃতীয় দিন কেন ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের?সাধারণভাবে আটা এবং সুজি দিয়ে তৈরি একটি গোলাকৃতি পাপড়ির মধ্যে নানাবিধ মসলামিশ্রিত সেদ্ধ আলুর পুর (ছোলা, ধনেপাতা, মটর,কাঁচা লঙ্কা) ভরে তেঁতুলজল সহযোগে পরিবেশন করা হয় ফুচকা। বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় মানুষের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী মশালারও প্রকারভেদ হয়। নানারকমের নামের পাশাপাশি ফুচকা পরিবেশনের রীতিটিও বিভিন্নতা লাভ করেছে। কোনও কোনও অঞ্চলে তেঁতুলজলের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় পুদিনামিশ্রিত জল। আবার পশ্চিমবঙ্গে ফুচকার পুর হিসেবে ব্যবহৃত আলুতে পেঁয়াজের প্রচলন কম থাকলেও, ওড়িশাতে পেঁয়াজ ছাড়া ফুচকার কথা ভাবাই যায় না। এছাড়াও সারা ভারতেই দই-ফুচকা জনপ্রিয়তা প্রবল, এটি সাধারনত এলিট শ্রেনী-র পদ হিসাবেই বিবেচনা হয়।আরও পড়ুনঃ রোগীদের চিকিৎসা করছেন ডাক্তার বিডিও, গর্বের অন্ত নেই ভাতারবাসীরফুচকার ইতিহাস ঘেঁটে গ্রহণযোগ্য আর প্রমাণসাপেক্ষ যা জানা যায় তা হল, এর সৃষ্টি মহাভারতের দ্রোপদীর হাতে। কথিত আছে দ্রোপদী বিয়ে পর পান্ডবদের কাছে আসার পরে তাঁর শাশুরি মাতা কুন্তি তাঁকে আগের রাতের বেচে যাওয়া আলুর সব্জি আর আটার মন্ড দিয়ে বলেছিল তাঁর স্বামীদের (পান্ডব) জন্য খাবার বানাতে। তখন দ্রোপদী আটা দিয়ে একটি গোলাকৃতি পাপড়ির মধ্যে মসলা মিশিয়ে সেদ্ধ আলুর পুর ভরে তেঁতুলজল সহযোগে পরিবেশন করেন এই পদটি। কুন্তি পরে দ্রোপদীর বানানো খাবারকে অমরত্বের আশীর্বাদ দান করেন। সেই থেকে মগধে এই পদটিকে ফুলকি নামে ও পরে কালক্রমে নাম পরিবর্তন হয়ে ফুচকার নামে রূপান্তর হয়।শ্রীনাথ ও নিহা রায়ফুচকার নাম মনে পড়লেই তেঁতুল জলের কথা মনে আসবেই। কচি-কাঁচা থেকে অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদেরও জিভে জল এসে যায় এই পদের নাম শুনলে। কালান্তরে এর প্রকারভেদ হতে হতে হালের আধুনিক প্রগতিশীলদের হাতে পরে ফুচকার কর্পোরেটাইজেশন হয়ে গিয়েছে। অতিমারী কোভিড-র প্রকোপে লকডাউনে কলকাতায় কাজ হারান বর্ধমানবাসী শ্রীনাথ। তিনি জনতার কথা কে জানান, আমি বর্ধমান সেন্ট জেভিয়ার্স-এ স্নাতক স্তরের পড়াশোনা চলিয়ে যাবার সাথে সাথেই আমার ড্রিম ফুলফিলমেন্টের জন্য নানা ধরনের কাজে যুক্ত হতে শুরু করি। স্নাতক পড়াশনার মাঝেই কলকাতা পাড়ি দিয়ে একটা কলসেন্টারে জব জয়েন করি। পাশ করার পর তিনি কলকাতার গড়িয়াতে একটি স্পোকেন-ইংলিস সেন্টারে শিক্ষকতা শুরু করেন। কিন্তু বিধি বাম! শ্রীনাথের সুখ বেশি দিন স্থায়ী হল না। সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তড়িঘড়ি বর্ধমানে ফিরে আসেন। দু-মাস ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার পর কলকাতা থেকে চাকরী যাবার ফোন আসে।আরও পড়ুনঃ আগ্নেআস্ত্র নিয়ে দাদাগিরি করার দায়ে বর্ধমানে গ্রেফতার যুবকসদ্য বিবাহিত মানুষটি দিশেহারা হয়ে পড়েন, দুমাস বসে থাকার পর এক বন্ধুর পরামর্শে ডেলিভারি বয়ের কাজে লেগে পড়েন। তিনি বলেন কাজের সঙ্কোচ কোনওদিন-ই আমি করিনি, যে-কোনোও কাজকেই আমি সন্মান করি। কোনও কাজই আমার কাছে ছোটো নয়। কিছুদিন যেতেই তিনি বুঝতে পারেন এই কাজ করে তাঁর স্বপ্নপুরন স্বম্ভব নয়। তিনি বলেন, সেই কারনে আমার স্ত্রী নিহা কে নিয়ে আমি নিজে কিছু করার উদ্যোগ নিতে শুরু করি, আমি নিজে খেতে খুব ভালো বাসি, আমার এবং আমার স্ত্রী দুজনেই বাড়িতে লোকজন এলেই নানা রকম পদ রান্না করে খাওয়ানোর চেষ্টা করি। আমাদের দুজনে মিলেই সিদ্ধান্ত নিই যে আমরা খাবারের ব্যবসা-ই করবো।ভাবনার রুপদান করতে লেগে পড়েন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাঁকে সঙ্গ দেন তাঁর স্ত্রী নিহা। বর্ধমান শহরের এক প্রান্তে বিজয়রাম-এ খুলে ফেলেন তাঁর স্বপ্নের ঝাঁপি, নাম দিলেন জিভে জল। সত্যি-ই ফুচকা নামেই সাধারণ মানুষের জিভে জল আসবেই। তাঁর রেশ ধরেই এই নামকরণ বলে মনে করছেন স্থানীয় মানুষজন। বিভিন্ন প্রকারের সম্ভার এই কাফেতে। জল ফুচকা, ধনিয়া জল ফুচকা, মিষ্টি জল ফুচকা, চিকেন ফুচকা,আইসক্রিম ফুচকা, আগুন ফুচকা, দই ফুচকা,পনির ফুচকা আরও অনেক রকমের ফুচকা। আরও পড়ুনঃ এবার বিজেপিতে বিদ্রোহী পাঁচ মতুয়া বিধায়কখেতে খেতে হটাৎ যদি শোনেন What else can I do for you? বা Will you eat anything else! অবাক হবেন না, প্রথাগত ফুচকা ওয়ালা দের থেকে স্পোকেন-ইংলিস টিচার-র আদব কায়দা একটু হলেও আলাদা। সেটা দেখতেই কিশোর-কিশোরী থেকে কলেজ পড়ুয়ারা ভিড় জমাচ্ছে তাঁর এই কাফেতে। সেখানে আসা কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল তাঁরা ফুচকার সঙ্গে সঙ্গে এই শিক্ষিত ইংরাজি বলা মানুষটিকে চাক্ষুষ করতেই ভিড় জমাচ্ছেন। শ্রীনাথ জনতার কথা কে জানান আপাতত আপনারা জিভে জলএ গেলে ২২ রকমের ফুচকা, ৮ রকমের লস্যি, ৮ রকমের সরবত, ১০ রকমের চা, ও ভেজ ও চিকেন ফ্রাইড এবং ষ্টীম মোমো পাবেন, এই ভরা ক্রিসমাস ও নতুন বছরের প্রাক্কালে বর্ধমানবাসীরা ভিড় জমাচ্ছেন এই স্পোকিং ইংলিশ-বলা ফুচকার দোকানে।আরও পড়ুনঃ সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানেশুধু ফুচকা নয়, এখানে আপনি চাএর ভ্যারাইটি পাবেন যেমন, মিল্ক টি, মসালা টি, লবঙ্গ টি, এলাচি টি, ব্ল্যাক টি, লেমন টি, মালাই টি। পাবেন নানা রকমের মোমো, ঠান্ডা পানীয়। বছরের শেষ লগ্নে ঘুরতে ঘুরতে একবার স্পোকেন-ইংলিস টিচারর জিভে জল-এ ঘুরে যেতেই পারেন। উপাদেয় নানা ধরনের খাবার তো পাবেন-ই আর যেটা অতিরিক্ত পাবেন সেটা হল আত্মবিশ্বাস, তাঁকে দেখে কবির সুমনের একটা গান আপনার মনে পরবেই হাল ছেড়োনা বন্ধু...
করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সকালেই প্রাথমিক পরীক্ষায় সৌরভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরে তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষা করানো হয়। তাতেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রের খবর।আপাতত দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে সৌরভ অসুস্থ হলেও তাঁর স্ত্রী ডোনা এবং কন্যা সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।রাতেই সৌরভকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সোমবার রাত থেকে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা হাসপাতালে হবে না বাড়িতে এনে তাঁকে নিভৃতবাসে রাখা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সৌরভ চাইছেন, বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা হোক।সোমবার সকালে অসুস্থ বোধ করায় সৌরভের টেলিভিশন শোয়ের শ্যুটিং বাতিল করা হয়। তার আগে অবশ্য তিনি কয়েকটি পণ্যের বিজ্ঞাপনী শ্যুটিং করেছেন। শ্যুটিং করেছেন তাঁর টেলিভিশন শোয়েরও। কী ভাবে এবং কোথা থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত কিছুদিনে সৌরভ দেশ এবং বিদেশের কিছু শহরে সফরেও গিয়েছিলেন। সর্বশেষ সফরে গিয়েছিলেন মুম্বই। সেই সূত্রে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভ স্থিতিশীল রয়েছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রের খবর।