• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

খেলার দুনিয়া

‌সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলার জয়ে আশার আলো ইস্টবেঙ্গলে

সামনের মরশুমের জন্য আশা বুক বাঁধতেই পারেন লালহলুদ সমর্থকরা। নতুন স্পনসর হয়তো কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। ফুটবলার বাছাইয়ের কাজও চলছে। নতুন মরশুমের জন্য ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটাররা যে খুব একটা খারাপ দল গড়ছেন না, সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেল। সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে শুরু করল বাংলা। বাংলার জয়ের নায়ক শুভম ভৌমিক। তাঁর করা একমাত্র গোলেই জিতল বাংলা।লালহলুদ সমর্থকরা প্রশ্ন করতেই পারেন, বাংলার জয়ের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক কী? আছে। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন শুভম ভৌমিক। তাঁর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের কথাবার্তা চূড়ান্ত। শুভমের গোলে লালহলুদ সমর্থকরা খুশি হতেই পারেন। সামনের মরশুমের দল গঠনের জন্য সন্তোষ ট্রফিকেই বেছে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এই প্রতিযোগিতা থেকেই ফুটবলার তুলে নিতে চান। শনিবার কেরলের মালাপ্পুরমের কোটাপাডি ফুটবল স্টেডয়ামে প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পাঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। প্রথম ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ লিগে রীতিমতো ভাল জায়গায় থাকল রঞ্জন ভট্টাচার্যর দল। প্রথম থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল বাংলার হাতে। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে বারবার পাঞ্জাব রক্ষণে হানা দিচ্ছিলেন শুভম ভৌমিকরা। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিটে। ডানদিক থেকে বসের মধ্যে জয় বাজের সেন্টার ভেসে আসে। বল বক্সে পড়ার মুখে ডানপায়ের ভলিতে জালে পাঠান শুভম ভৌমিক। ম্যাচের বাকি সময়ে পাঞ্জাব মরিয়া হলেও বাংলার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। এদিন বাংলার রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার। বল দখলের লড়াইয়ে হেড করতে উঠলে পাঞ্জাবের এক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে তাঁর মাথা ফেটে যায়। দুটি সেলাইও করতে হয়েছে। দলের খেলায় খুশি বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, দীর্ঘ বাস জার্নি করে এসে মাঝে মাত্র একদিন বিশ্রাম পেয়েছে ফুটবলার। তারপর মাঠে নেমে নতুন পরিবেশে এই গরমের মধ্যেও দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছে। পাঞ্জাবকতে হারিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। পরের ম্যাচ কেরালার বিরুদ্ধে। যথেষ্ট লড়াই করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
ব্যবসা

সরকারের ই-কমার্স নীতি শক্তিশালী করার আবেদন এআইএমআরএ-র

অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্মগুলির অর্থনৈতিক এবং একচেটিয়া ব্যবসায়িক নীতি দেশের দেড় লক্ষ সাধারণ মোবাইল বিক্রেতার ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে এনছে বলে দাবী করেছে দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল বিক্রেতাদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া মোবাইল রিটেলার অ্যাসোসিয়েশন। তাই তারা সতর্কও করছে। সারা দেশে ১.৫ লক্ষের বেশি মোবাইল বিক্রেতাদের যৌথ মঞ্চ এই সংগঠনের সদস্য গোটা দেশের শত শত খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতা এবং সংগঠনের শীর্ষ কর্তারা ১৬ ও ১৭ এপ্রিল কলকাতায় সংগঠনের বার্ষিক সভায় অংশ নেন। এই বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায় খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সামনে উদ্ভূত অস্ত্বিতের সংকট এবং তার মোকাবিলা পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বিষয়ে এআইএমআরএ-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি মোহন বাজোরিয়া বলেছেন, আমরা বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থা ও পোর্টালের অনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশলের সঙ্গে অস্ত্বিত্ব রক্ষার জন্য নিরন্তর লড়াই করে চলা দেশের দেড় লক্ষ তৃণমূল স্তরের মোবাইল বিক্রেতা সুরক্ষার দাবী নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিস্তারিত দাবী সনদ পেশ করতে চলেছে। বড় বড় সংস্থাগুলির এই অর্থনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশল রুখতে সরকারের কাছে আমরা নতুন নিয়ন্ত্রণ বিধি তৈরি অথবা কমপক্ষে বর্তমান বিধিনিষেধগুলোকে আরও শক্তিশালী করার দাবী জানাচ্ছি।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং এর পাশাপাশি সিনেমা, অভিনয়ে নিজের জাত চেনাচ্ছেন পূজা

৪ বছর বয়স থেকেই তার অভিনয়ের স্বপ্ন ছিল। তবে অভিনয়টা শুরু হয় ২০১৪ থেকে মডেলিং-এর মাধ্যমে। মডেল ও অভিনেত্রী পূজা সরকার এরপর মডেলিং-এর পাশাপাশি থিয়েটারেও অভিনয় করেছেন।বর্তমানে তিনি অনেকটাই ব্যস্ত। কারণ ছবির কাজ করছেন। একটা নয়, এক বছরে তার হাতে তিনটে ছবি রয়েছে। এছাড়া ইউটিউবের জন্য একটি ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন পূজা।পরিচালক শিব রাজ শর্মার সুনেত্রা সুন্দরম ছবিতে অভিনয় করেছেন। যেখানে রূপাঞ্জনা মৈত্র, পারনো মিত্রর মত পরিচিত নামের পাশাপাশি রয়েছেন পূজা ও। এর পাশাপাশি অভিনেতা জিতের প্রোডাকশন হাউস থেকে রাজেশ গাঙ্গুলীর ছবি চেঙ্গিজ-এ রয়েছেন পূজা। ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। অভিনেতা শতফ ফিগারের বান্ধবী পূজা। এই বছরেই আবার একটি মজার ছবি আসছে পূজার। যেখানে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। তার অভিনীত ওয়েব সিরিজ ডার্ক টেলস ২২ এপ্রিল থেকে দর্শকরা দেখতে পাবেন। পূজা জানিয়েছেন সিনেমার কাজ সবে শুরু হয়েছে। আরও ভালো ভালো কাজ করতে চান তিনি। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় অভিনয় করার ইচ্ছেও আছে তার। বেশ কয়েকবছর থিয়েটার করলেও এখন ছবির চাপে তার থিয়েটারের কাজ বন্ধ। তবে একটু হালকা হলেই আবার থিয়েটারেও দেখা যাবে পূজা সরকারকে। জনতার কথা-র পক্ষ থেকে পূজার জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্পে চমক রাখছে 'ইনসেন'

আগামীকাল ১লা বৈশাখে মুক্তি পাচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি ইনসেন। এই ছবির কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক স্নেহা কাঁড়ার এবং সৌরনীল সিংহ। গোধূলি প্রযোজনা সংস্থার অধীনে নির্মিত ছবির প্রযোজক রবীন্দ্রনাথ মিত্র। ছবিটি একটি ছেলের কথা বলে, যার নাম বিজিত ভট্টাচার্য। সে একজন বেকার যুবক। তার প্রেমিকা তাকে ছেড়ে দিয়েছে, তার পরিবার বলতে আছে কেবল শুধু তার বাবা - মা। সে বাড়ি থেকে বেরোয় না, ছোটো থেকেই একটু নিজের মধ্যে থাকতো, বিশেষ বন্ধু-বান্ধব নেই, পড়াশোনাতেও সে মোটামুটি ছিল। তার একটি ক্যামেরা আছে আর সে সেটি একদিন চালিয়ে একটি ভিডিও করে এবং তার জীবনের কথা বলে। এমন কিছু কথা উঠে আসবে যা তার ভাব ধারায় খুবই স্বাভাবিক লাগলেও অন্যান্য মানুষের কাছে তা খুবই অস্বাভাবিক এবং অস্বস্তি জনক লাগবে। এরকম মানুষ আমরা সাধারণত দেখে হয়তো চিনতে পারবো না কিন্তু এই ধরনের মানুষ আছে আমাদের সমাজে। বিজিত ভট্টাচার্যের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবপ্রিয় সাধুখাঁ। তিনি অভিনয়ের সাথেই যুক্ত। ছোটো থেকে স্কুলে নাটক করা থেকে অভিনয় প্রতি ভালোবাসা। তারপর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটক নিয়ে পড়াশোনা। বেশ কিছু থিয়েটার গ্রুপ এবং যাত্রা দলের সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি। দুটো ছোটো ছবি এবং দুটো তথ্যচিত্রের পাশাপাশি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতেও ইতিমধ্যে কাজ করে ফেলেছেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি সঙ্গীতেও বিশেষ আগ্রহ। গান শোনা এবং গান গাওয়া দুই তার কাছে ভালোবাসার জায়গা। এই ছবির একটি নিজস্ব গান আছে। যেটির নাম বিলম্বিত। এই গানটি গীতিকার, সুরকার তথাগত। গানটি আয়োজন করেছেন সৈকত মন্ডল। গানটি গেয়েছেন তথাগত। গানটি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে আছে, এছাড়াও গোধূলির অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আছে। ছবিটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতীয় কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়েছিল এবং পুরস্কৃত হয়েছিল। ইংল্যান্ড, গ্রীস, বাংলাদেশ সহ ভারতবর্ষের বেশ কিছু শহরে দেখানো হয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

দুই উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম, ভাঙল অগ্নিমিত্রার গাড়ি

আসানসোল লোকসভা ও বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে তাপ-উত্তাপ বেড়েই চলেছে সকাল থেকে। বালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কেয়া ঘোষ সকালেই অভিযোগ করেন, বুথের মধ্যে কলকাতা পুলিশ থাকছে। তাছাড়া ফলস ভোটের অভিযোগও করেছেন তিনি। এদিকে আসানসোলের উপনির্বাচনের শুরু থেকেই ধুন্ধমার কান্ড। বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর থেকে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এরই পাশাপাশি এদিন বারাবনিতে পুলিশ সংবাদ মাধ্য়মের গাড়ি আটকে দেয়। যদিও কোনও সরকারি নোটিশ দেখাতে পারেনি পুলিশ।আসানসোল ও বালিগঞ্জের উপনির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে প্রেস্টিজ ফাইট। পাশাপাশি আসানসোল কেন্দ্র ধরে রাখার দায় রয়েছে বিজেপির। এদিকে সাংবাদিক আটকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, সাংবাদিকদের কোনও ভাবেই আটকাতে পারবে না পুলিশ। সাংবাদিকরা ফ্রি মুভমেন্ট করতে পারবে। কেউ বাধা দিতে পারবে না।এদিন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি চলে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এমনকী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে অগ্নিমিত্রার নিরাপত্তা রক্ষীরা। অগ্নিমিত্রার অভিযোগ, ফলস ভোট দিয়ে জেতার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বরং তৃণমূলের অভিযোগ, বেশ কিছু জায়গায় বিজেপি ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। এককথায় আসানসোলের উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম অবস্থা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল লোকসভা উপ-নির্বাচনে প্রস্তুতি তুঙ্গে

রাত পোহালেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সেই উপ-নির্বাচন উপলক্ষে এ দিন বিকেল থেকেই বিভিন্ন বুথে বুথে পৌঁছেছেন ভোট কর্মীরা। ইভিএম সহ ভোটের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কর্মীদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন বুথে। বুথে বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। শংকরপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে ২৩৫-২৩৬ নম্বর বুথ, ঠিক তার উল্টো দিকেই শংকরপুর শিশু আলয় রয়েছে ২৩৪ ও ২৩৪ এ । এই চারটি বুথেই শংকরপুর এলাকার মানুষরা ১২ তারিখ সকাল থেকেই নিজেও প্রার্থীর সমর্থনে ইভিএমে ভোট দেবেন। বুথের সামনেই রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছাউনী। সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা এই চারটি বুথের দায়িত্বে রয়েছেন।

এপ্রিল ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তাইতো রোজই গান বেঁধে যান

সময়টা ১৯৯২ সালের ইংরাজীর এপ্রিল বা মে মাস। কলকাতার হাজড়া মোড়ের ঠিক পাশেই আশুতোষ কলেজ থেকে একটি ছেলে নিজের কলেজের শেষে এক মুহূর্ত ও সময় নষ্ট না করে লাফিয়ে উঠে পড়ল একটি সরকারি বাসে। গন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রাইভেট টিউশন্ পড়াতে যাওয়া।তারপর একের পর এক টিউশন্ সেরে রাত ১১ টা বা ১১.৩০ টায় বেরিয়ে নিজের বাড়ি ফেরা। কোন রকমভাবে হাত মুখ ধোয়া। ততক্ষণ অসুস্থ মা অপেক্ষা করছেন ছেলেটির পথ চেয়ে।মা কে জড়িয়ে ধরে সারাদিনের কথা বলা সঙ্গে একসাথে রাতের খাবার খাওয়া। তারপর এক মূহুর্ত সময় আর নষ্ট না করে নিজের পড়াশোনা নিয়ে বসে পড়া। তাঁরই সঙ্গে চলত সারাদিনের লড়াইয়ের কিছু কিছু মূহুর্ত কে নিজের কলমে কবিতা বা গানের আকারে বন্দী করা।কখন যে প্রভাতী আলোর সাড়া পেয়ে পাখির কুজনে শুরু হয়ে যেত আরও একটা দিন। সেই পাখির কুজনেই টের পেত সে, তাঁর জীবনের আরো একটা দিনের লড়াই শুরু হয়ে গেল।কখনও বা ক্লান্ত শরীরে ভোরের ঠান্ডা পরিবেশে জড়িয়ে আসত বহু দিনের জমে থাকা ঘুম। চোখ জুড়ে যেত ঘুমের দেশে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছায়। কিন্তু ছেলেটির যে অবকাশ নেই। লড়তে হবে যে তাঁকে এই সমাজে টিকে থাকতে। আবার শুরু হত জীবনের লড়াই। হ্যাঁ, এমন করেই ছোটবেলা পিতৃবিয়োগের পর থেকেই চলেছে সেই ছেলেটির জীবনের বেঁচে থাকার লড়াই।কেউ কি জানেন সেই ছেলেটি কে?সেই বিশ্রামহীন লড়াকু ছেলেটি আর কেউ নন, আজকের বাংলা আধুনিক গানের সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। যিনি একাধারে যেমন অনায়াসে লিখে ফেলেন গানের কথা, পাশাপাশি তৈরি করে ফেলেন তাঁরই মন ভরানো সুর। হয়ে ওঠে নতুন বাংলা গান। নিজেরই দৃপ্ত ও আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে ছড়িয়ে দিতে থাকেন সমাজের সঙ্গীতপ্রেমীদের মাঝে তাঁর স্বরচিত সেই গানেদের। সেই গানেই দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে আমাদের সঙ্গীত সমাজ।ছোটবেলা তাঁর প্রতিদিনের লড়াইয়ের মুহূর্তগুলোকে কলমে বন্দী করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র অবকাশে নিজের মায়ের কাছে গান শেখা শুরু। তারপর নিজের গান তৈরীর আগ্ৰহে পৌঁছে যান নিজের মায়ের গানের শিক্ষকের কাছে। শুরু হয় সঙ্গীত শিক্ষার আর এক অধ্যায়। গান তৈরীর মূল মন্ত্র গুলোর শিক্ষা গ্ৰহণের সঙ্গে সঙ্গে তৈরী করতে থাকেন তাঁর স্বরচিত বাংলা গানেদের।তাঁর গান ক্রমশ সঙ্গীতপ্রেমী ও শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আজ তাঁর গানের ঝুলিতে কম বেশি ১৩৫ থেকে ১৫০ টি গানের সম্ভার। দিন দিন তার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।তিনি জানিয়েছেন নতুন সৃষ্টিতে আনন্দ পান। নতুন কিছু তাঁকে প্রেরণা দেয়।তাঁরই একটি লেখায় তিনি বলেছেন,তোমার চলা স্রোতের টানে,পুরনো সেই দিনের গানে,আমি আবার অন্যরকম,নতুন খুঁজি তাল ও তানে।একটুখানি অন্যরকম,নতুন গানের চেষ্টা করি,না হয় স্রোতের প্রতিকূলেই,আমার গানের বাইবো তরী।প্রথম প্রথম ভরবে না মন,গাইব যখন সন্ধ্যা ইমন,কয়েকটা বার শোনার পরেই,খুঁজে পাবে তাতেই জীবন।তাইতো রোজই গান বেঁধে যাই,তোমার ভালো লাগার আশায়,নতুন করে পড়বে তুমি,আমার গানের ভালোবাসায়।আজ নতুন বাংলা গানের এক নির্ভরযোগ্য মুখ সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। তাঁর গানে খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের বিভিন্ন স্বাদ যা প্রতিটি হৃদয়ে আন্তরিক ভাবে সাড়া ফেলে দিয়ে যায় জীবনের প্রতিটা মূহুর্তের ভালোলাগা, কষ্ট, দুঃখ, প্রেম ও স্মৃতি গুলোর। তাঁর এই সঙ্গীতময় পথ আরো দীর্ঘ প্রসারী হোক্ জনতার কথা-র পক্ষ থেকে এই শুভকামনা রইল।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে হঠাৎ একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য

শনিবার বর্ধমান দুনম্বর ব্লকের সামন্তী উচ্চ বিদ্যালয় হঠাৎ করে একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। প্রাথমিক অনুমান স্কুলের সামনে বিক্রি হওয়া বরফ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা। এরপরে ওই স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে আসা হয় পাহাড়হাটী ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে।তবে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কোনওরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্কুল পড়ুয়ারা। মূলত ডিহাইড্রেশনের কারণেই এ দিন তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।এদিনের এই ঘটনার পর হাসপাতালে অসুস্থ স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করলেন মেমারি দুই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মামনি মর্মু।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের ভাষণের সময় পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে কল্যান, আপশোষ তৃণমূল কখনও আসানসোল জেতেনি

দলের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে না বলে তোপ দেগেছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। এবার আসনসোলে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার প্রচারে কল্যানের পাশে দাঁড়িয়েই বক্তব্য রাখলেন অভিষেক। হুঙ্কার ছাড়লেন বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিষেকের আপশোষ তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দিন আসানসোল লোকসভা আসনে জয় পায়নি।এবার আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁকে বহিরাগত বলে দাবি করছে বিজেপি। অন্য দিকে এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে বহিরাগত তত্বে অনড় বলতে শোনা গেল অভিষেকর ভাষণে। বরং শত্রুঘ্ন সিনার সঙ্গে আসানসোলের দীর্ঘ বছরের সম্পর্ক বলে তিনি ঘোষণা করলেন। অভিষেক বলেন, এই আসন থেকে তৃণমূল কোনও দিন জিততে পারেনি। এবার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। একটা ইডি, সিবিআইয়ের নোটিশ ধরিয়ে কিছু করতে পারবে না।শ্রীলঙ্কায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে লঙ্কাকান্ড ঘটে চলেছে। ওই দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। ভারতের অর্থনীতির হাল যে শ্রীলঙ্কার থেকেও খারাপ, বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, ১৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ঋণগ্রস্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার। শ্রীলঙ্কার থেকে ভারতের ২০ গুন খারাপ অবস্থা। ৬৭ বছরে ভারতের ঋণের পরিমান ছিল ৫৪ লক্ষ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদী ৭ বছরে ১০২ কোটি টাকা ঋণ করেছে।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসায় বাবুল সুপ্রিয়র প্রশাংসা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোল জয়ের পর ফের খেলা শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বাবুল সুপ্রিয় চলে গিয়েছে তৃণমূলে। গায়ে লাগছে। যে করে হোক সিটটা জিততে হবে! আমি বলছি খেলা এখনও শুরু হয়নি। আসানসোল জেতার পর খেলা শুরু হবে। তারপর দরজা খুলব, কে কে আসবে আর কে কোথায় জিতবে আপনারা দেখবেন। তৈরি থাকুন। কী ভাবছেন তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবেন। তাঁর ভাষণের সময় সারাক্ষণ পাশে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন কল্যান।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‘‌শচীনকে আউট করতে কে বলেছে?‌’ শোয়েবকে কেন বলেছিলেন সৌরভ?‌

২০০৮ আইপিএলে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হাইভোল্টেজের ম্যাচ ছিল। এমনিতেই নাইট রাইডার্স ও মুম্বইয়ের ম্যাচে চরম উত্তেজনা থাকে। ওই ম্যাচ আবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে হচ্ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অন্যদিকে বিপক্ষে ছিলেন শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছিলেন নাইট রাইডার্সের শোয়েব আখতার। আর শচীনকে আউট করার পর সৌরভ গাঙ্গুলি শোয়েবকে বলেছিলেন,শচীনকে আউট করতে কে বলেছে? প্রথমে ব্যাট করে কলতাতা নাইট রাইডার্স ১৫.২ ওভারে মাত্র ৬৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শন পোলক। ১২ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভো, রোহন রাজে ও ডমিনিক থর্নলে ২টি করে উইকেট নেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট করতে নামলে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে শচীন তেন্ডুলকারকে তুলে নেন শোয়েব আখতার। শচীনকে আউট করার পর তাঁর সামনে চিরাচরিত ভঙ্গীতে উচ্ছাসও প্রকাশ করেন। এরপর বাউন্ডারির ধারে ফিল্ডিং করতে যান শোয়েব আখতার। বাইন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকরা শোয়েবকে কটূক্তি করতে থাকে। বিরক্ত হয়ে শোয়েব এসে অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে অভিযোগ জানান। সৌরভ বাধ্য হয়ে শোয়েব আখতারের ফিল্ডিংয়ের জায়গা পরিবর্তন করেন।সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে শোয়েব আখতার বলেছেন, ওই ম্যাচটা ছিল শচীনের সঙ্গে আমার লড়াই। স্টেডিয়ামে শাহরুখ খানও ছিলেন। শাহরুখ ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য গোটা স্টেডিয়াম ঠাসা ছিল। ম্যাচের আগে শচীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডাও দিয়েছিলাম। শচীন এবং আমি দুজনই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম ওভারেই আমি শচীনকে আউট করেছিলাম। সেটা খুব ভুল হয়েছিল। শচীনকে আউট করার পর আমি ফাইন লেগে ফিল্ডিং করতে যাই। ফাইন লেগে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের কটূক্তি শুনতে হয়। তখন সৌরভ আমাকে বলেছিল, ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। মিড উইকেটে চলে এস। তোমাকে কে বলেছে শচীনকে আউট করতে? তাও আবার সেটা মুম্বইতে? শোয়েব আখতার ওই সময় ভেবেছিলেন, তিনি আর হয়তো ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে পারবেন না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। মুম্বইয়ের ভালবাসায় পরে মুগ্ধ হয়েছিলেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেন, আমি মুম্বাইয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছি। অনেক ভালবাসা পেয়েছি। ওয়াংখেড়েতে আমার দেশকে কেউ গালি দেয়নি। কেউ বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেনি। ওয়াংখেড়েতে আরও ম্যাচ খেলতে পারলে ভাল লাগত। ক্রিকেটজীবনে ৯ বার শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছেন শোয়েব আখতার। কিন্তু এর মধ্যে ওই একবারই শচীনকে আউট করে তাঁর মনে হয়েছিল ভুল করে ফেলেছিলেন। ২০০৮ আইপিএলেই শেষ বার শচীনকে আউট করেছিলেন শোয়েব আখতার।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তসমের থিম সং-এ গাইলেন রূপঙ্কর

ফ্যাশন ডিজাইনার প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের তসম ফ্যাশন স্টুডিওর জন্য থিমসং গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়কের গাওয়া থিম সং দিন বদলের স্বপ্ন চাই, নতুন কিছু করতে চাই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উদ্বোধন করলেন প্রবীণ অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। থিমসং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌতম দে, সুচেতনা দে, তমোজ্যোতি মুখোপাধ্যায়, মডেল ও অভিনেত্রী সুচরিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই থিম সং-এর কথা ও সুর অভিজিৎ পাল ও তাঁর টিমের। এই থিম সং প্রসঙ্গে প্রমিত মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানালেন, প্রতিটি কোম্পানির একটা নিজস্ব থিম সং থাকে। সেই চিন্তা থেকেই একটা থিম সং রিলিজ করা হল। নিজের ভাবনা থেকেই পুরো থিম সংটা করা। থিম সংটা শুধু শোনার জন্য নয়, দেখার জন্যও আমরা ভিডিও হিসাবে বার করেছি যাতে গানের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ড্রেসটাকেও ডিসপ্লে করাতে পারি। এই থিম সং-এর মাধ্যমে আমরা হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছেও পৌঁছে যেতে পারবো।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
রাজ্য

গাড়িতে সরকারি স্টিকার ব্যবহার করে ছাগল চুরির অভিযোগ বর্ধমানে, গাড়ি ভাংচুর-আটক দুই

সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ব্যবহার করে চলছে ছাগল চুরি। মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে চুরি করতেই গাড়িতে ব্যবহার সরকারি স্টিকার বলে অভিযোগ। অভিনব এই ছাগল চুড়ির ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপাড়ায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ।গাড়িতে থাকা দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপুর থেকে এক এক করে ছাগল গায়েব হয়ে যাচ্ছে। এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজলেও তা মিলছে না, এই বিষয়ে কেউ কেউ বর্ধমান থানায় ছাগল হারানোর অভিযোগও দায়ের করে। শাকিব হোসেন খান ও রেহেনা বিবি বলেন, ছাগল চুরির পাশাপাশি প্রত্যেকদিন এলাকাতে কালো কাঁচ ও সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ঘোরাফেরা করছে। তাতেই সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। বৃহস্পতিবার ফের এলাকাতে ওই সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি দেখা যায়। তা আটকাতে গেলে পালানোর চেষ্টা করে। কোনওক্রমে স্থানীয়রা গাড়িটা আটকালে গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় চারটি ছাগল। তারপর স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে গাড়িটিতে ভাঙচুর চালায় এবং গাড়ির চালক ও তার সঙ্গে থাকা একজনকে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি স্টিকার লাগিয়ে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে ছাগল চুরির চলছিল।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

গাড়িতে সরকারি স্টিকার ব্যবহার করে ছাগল চুরির অভিযোগ বর্ধমানে, গাড়ি ভাংচুর-আটক দুই

সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ব্যবহার করে চলছে ছাগল চুরি। মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে চুরি করতেই গাড়িতে ব্যবহার সরকারি স্টিকার বলে অভিযোগ। অভিনব এই ছাগল চুড়ির ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপাড়ায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ।গাড়িতে থাকা দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপুর থেকে এক এক করে ছাগল গায়েব হয়ে যাচ্ছে। এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজলেও তা মিলছে না, এই বিষয়ে কেউ কেউ বর্ধমান থানায় ছাগল হারানোর অভিযোগও দায়ের করে।শাকিব হোসেন খান ও রেহেনা বিবি বলেন, ছাগল চুরির পাশাপাশি প্রত্যেকদিন এলাকাতে কালো কাঁচ ও সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ঘোরাফেরা করছে। তাতেই সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। বৃহস্পতিবার ফের এলাকাতে ওই সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি দেখা যায়। তা আটকাতে গেলে পালানোর চেষ্টা করে। কোনওক্রমে স্থানীয়রা গাড়িটা আটকালে গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় চারটি ছাগল। তারপর স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে গাড়িটিতে ভাঙচুর চালায় এবং গাড়ির চালক ও তার সঙ্গে থাকা একজনকে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি স্টিকার লাগিয়ে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে ছাগল চুরির চলছিল।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পূর্ব কলকাতার মাহেশ্বরী সভার উদ্যোগে ১৩ তম বার্ষিক গাঙ্গোর মহোৎসব

সদ্য সমাপ্ত হোলিকা দহনের পরের দিন থেকে অর্থাৎ চৈত্রের নবরাত্রির তৃতীয় দিন (শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি) থেকে ১৬ দিনব্যাপী গাঙ্গোর পুজোর বিধান আছে শাস্ত্রে। উত্তর ও পশ্চিম ভারতে বিশেষ করে রাজস্থানে বাংলার দুর্গাপুজোর মতোই মহা ধুমধামে এই উৎসব পালিত হয়। কলকাতাও এর ব্যতিক্রম নয়। শহরের পশ্চিম প্রান্ত বড়বাজারে আগে এই উৎসব সীমাবদ্ধ ছিল। এখন জন বিস্তৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।২০০৯ সালে পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনায় গাঙ্গোর উৎসব পালন করছে দুদিনব্যাপী। প্রতি বছরই কাঁকুড়গাছি সংলগ্ন রোজ ব্যাঙ্কয়েটে হাজার মানুষের সমাগম হয়। মূলত এই উৎসব পালিত হয় দেবাদিদেব মহাদেব,পার্বতী ও তাঁদের পুত্র গণেশের অর্চনার মধ্য দিয়ে। বিয়ের উপযুক্ত মেয়েরা মানত করেন মহাদেবের মত স্বামীর কামনায়। সদ্য বিবাহিত মেয়েরা অর্চনা করেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত মহাদেবের মত স্বামী পেয়ে । মেয়েরা গাঙ্গোর উৎসবে অংশ নিয়ে স্বামী সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবেন বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের বেশ কিছু ব্যক্তিত্বরা এবং রাজনৈতিক নেতারাও। উৎসবের অন্যতম আয়োজক পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সভাপতি এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী হেমন্ত মার্দা। তিনি জানালেন, ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে মানুষের মিলন মেলায় থাকে তৃপ্তি সুখ। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা বছরব্যাপী সামাজিক দায়িত্বও পালন করে। কোভিড পরিস্থিতিতে মানুষের প্রয়োজনে খাদ্য,ওষুধ, ডাক্তার পরিষেবা এমনকি অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে রোগীদের সহায়তা করেছে। এ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার ব্যবস্থা করে রোগীদের হাসপাতালে পাঠানোরও ব্যবস্থা করেছে। এই বছর উৎসব উপলক্ষে প্রায় ২৫০ জন আর্থিকভাবে দুর্বল ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের প্রয়োজনীয় খাতা, পেন, পেন্সিল তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সামাজিক দায়বদ্ধতাকে প্রচারের আলোয় আনার কথা ভাবা হয় না। সকলের হাসিমুখ দেখার মধ্যেই যে নিবিড় শান্তি ও তৃপ্তি আছে আমাদের কাছে সেটাই কাম্য।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিনব্যাপী উৎসবের শুভ সূচনা করেন বৃহত্তর কলকাতা প্রদেশ মাহেশ্বরী সমাজের সভাপতি বিনোদ জাজু। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চল মাহেশ্বরী সভা প্রতি বছরের মত এবারও উৎসবের আয়োজন যেমন করেছে তেমন বছর ধরে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। যা প্রশংসার যোগ্য। উৎসবের প্রথম দিনে স্থানীয় বিধায়ক ও পুরপিতা পরেশ পাল সংগঠনের প্রশংসা করে বলেন, সামাজিক বিকাশের স্বার্থে সংগঠনের সব কাজেই যথাসাধ্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন - ভাওয়ার রাঠি, সুরেশ ঝাওয়ার, গোপাল দামানী, ভগবতী মুন্দ্রা, নারায়ণ মণিহার প্রমুখ। প্রথম দিনের পূজা পরিচালনা করেন বিজয় কোমল চান্দক। স্ত্রী আচারের অঙ্গ মেহেন্দি র আয়োজন করেন অনিতা রাঠী। প্রায় ২০০ মহিলা ভক্তকে মেহেন্দি পরান মঞ্জু ঝাওয়ার ও অঞ্জু ভূত্রা। মেহেন্দি অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যপূর্ণ রাজস্থানী গাঙ্গোর সঙ্গীত পরিবেশন করে তরুণীরা। সন্ধায় সংগঠনের সদস্য শিলজা ও বানোয়ারি বাহেটির বাসগৃহে অনুষ্ঠিত হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। ভক্তিমূলক গান রচনা করেন শশী কোঠারি ও বিনয় লাহোটি। সঙ্গীতে অংশ নেন প্রায় ১৬ জন নারীপুরুষ।শিল্পীদের তালিকায় ছিলেন ভামিকা মহতা, রুচিকা মাহেশ্বরী, পদ্মাবাগরি, রবি তাপারিয়া, গিরিরাজ কোঠারি প্রমুখ। গাঙ্গর গীত পরিবেশন করেন রাজকুমার দুজারি ও গিরিরাজ কোঠারি। বড়বাজার অঞ্চলে গত ১৫০বছর ধরে এই উৎসব পালিত হচ্ছে। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সদস্যা রতন বাহেটি বলেন, উৎসবের মধ্য দিয়ে রাজস্থানী ঐতিহ্য অবলম্বন করে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধন গড়ে তোলাই লক্ষ্য।দ্বিতীয়দিনের পূজা পরিচালনা করেন রেশমি ও রাজেশ চান্দক। প্রায় দুহাজার মহিলা ভক্তের উপস্থিতিতে উৎসব সফল হয়ে ওঠে। এই উৎসব সফল করে তুলতে সুনিতা বাহেটি, রাজকুমারী দামানী, লীলা মণিহার এর মত সদস্যাদের সহযোগিতা স্মরণীয়। উৎসবের দু দিনে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বহু বিখ্যাত মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

ঘটনার তিন দিন পরেও স্বামীর পারলৌকিক কর্ম হল না, সিবিআই তদন্ত চায় সন্তোষপুরও

খুনের বাদলা নিতে বগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তাঁর পরিজনদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। সোমবার বিকালে পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ এমন ঘটনা ঘটানোর পরেই পুলিশ ব্যাপক ধরপাকড় অভিযানে নামে। পুলিশ ৩৯ জনকে গ্রেফতারের পর থেকে এখন কার্যত পুরুষ শূণ্য রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের সন্তোষপুর গ্রাম। আর তাতেই বিপাকে পড়ে গিয়েছেন উৎপল ঘোষ (৩৩) এর স্ত্রী সাধনা ঘোষ ও তাঁর পরিবার। কারণ গ্রামে এখন নাপিত, ব্রাহ্মণ কেউ নেই।স্বামীর পারলৌকিক কাজ সম্পাদনের জন্য ক্ষৌরকর্ম পর্যন্ত তাঁরা করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য বুধবার পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষেভ উগরে দিয়েছেন সাধনাদেবী। পাশাপাশি তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর ঘটনার সিবিআই তদন্তও দাবি করেছেন।ছেলের সাথে অসহায় উৎপল ঘোষ-র স্ত্রী সাধনা ঘোষকৃষি প্রধান গলসির সন্তোষপুর গ্রাম হঠাৎ করে এই ভাবে খবরের শিরণামে জায়গা করে নেওয়ার নেপথ্য কারণটাও যথেষ্ট শিহরণ জাগানো। স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করেছিলেন এই গ্রামেরই বাসিন্দা উৎপল ঘোষ (৩৩)। শুধু প্রতিবাদ করাই নয়, স্ত্রীকে উত্যক্ত করার ঘটনায় জড়িত প্রতিবেশী মনোজ ঘোষের বিরুদ্ধে তিনি গলসি থানায় অভিযোগও জানিয়ে ছিলেন। তারই বদলা নিতে রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুড়ুর দিয়ে কুপিয়ে উৎপল ঘোষকে নৃশংস ভাবে খুন করে মনোজ ঘোষ। রাতে মাথায় কুড়ুল গেঁথে থাকা অবস্থায় এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে উদ্ধার হয় উৎপলের মৃতদেহ। মৃতর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তে নেমে গলসি থানার পুলিশ ওই রাতেই মনোজ কে আটোক করে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উৎপলকে নৃশংস ভাবে খুন করার কথা জেরায় মনোজ পুলিশের কাছে স্বীকারও করে নেয়। পুলিশ মনোজ ঘোষকে গ্রেফতারের পর সেমবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে ৪ দিন পুলিশি হেপাজতে নিয়েছে।ভষ্মীভুত গাড়িএই পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও মনোজের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকালে উৎপলের মৃতদেহ বাড়িতে ফেরার পর। তা আঁচ করে গ্রামে পুলিশও চলে যায়। তারই মধ্যে গ্রামের উত্তেজিত মানুষজন মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে চড়াও হয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে পোড়ে মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা, কাকার বাড়িতে থাকা একাধিক গাড়ি ও খড়ের পালুই। আগুন নেভানোর জন্য খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও খুনের ঘটনার বদলা নিতে বাগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তার পরিজনদের বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রামের ৩৯ জনকে গ্রেফতার করে।ভষ্মীভুত ট্রাকটারপুলিশের এই গ্রেপ্তারি নিয়ে এদিন প্রশ্ন তুলেছে নিহত উৎপল ঘোষের স্ত্রী সাধনাদেবী। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ নিরপরাধ গ্রামবাসীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। অথচ অপরাধীরা এখনও দিব্যি গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুনি মনোজ ঘোষকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও তার বাবা কার্তিক ঘোষ ও কাকা হারাধন ঘোষকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। এখনও গ্রেফতারির ভয়ে গোটা গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে রয়েছে।গ্রামে ব্রাহ্মণ নেই, নাপিত নেই। স্বামীর মৃত্যুর তিন দিন পরও পারলৌকিক কাজ সম্পাদনে জন্য ক্ষৌরকর্ম করার রীতি থাকলেও তা করতে পারা গেল না। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ সাধনাদেবী এদিন বলেন, আমি চাই সিবিআই আমার স্বামীকে খুনের ঘটনার তদন্তু করুক। নিহত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষও বলেন, পুলিশ ঠিক মত কাজ করছে না। যার বাড়ি থেকে অস্ত্র গেল উৎপলকে খুন করার জন্য তাকে পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনিও সিবিআই তদন্ত চাইছেন। যদিও জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, পুলিশ খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সব দিক বিবেচনা করেই পুলিশ তদন্ত করছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি সরকারকে তুলোধনা করে বিতর্কে রাজ্যের মন্ত্রী

সোমবার বর্ধমান শহরের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে এক সভায় পুর্ব বর্ধমান জেলার ছয় (৬) পুরসভার এম সি আই সি (MCIC) ঘোষণা করেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা পরিষদের সভাপতি সম্পা কুণ্ডু, বর্ধমান ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান কাকলি তা গুপ্তা, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি,প্রানি সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের বিধায়ক খোকন দাস ও নিশিথ মালিক এবং ছটি পুরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান।বক্তব্য রাখে গিয়ে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, একটা মানুষ তিল তিল করে বাংলাকে গড়ে চলেছেন। সৃষ্টিকারী যদি কেউ হোন,তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সৃষ্টি করছেন। আর কেউ যদি ধ্বংসকারী হয়ে থাকে তাহলো বিজেপি সরকার,নরেন্দ্র মোদীর সরকার। আজ ভারতবর্ষ বলুন, ভারতবর্ষের সমাজ ব্যবস্থা বলুন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলুন সব ধ্বংস করে দিচ্ছে বিজেপি সরকার। সরকারি মঞ্চে বক্তব্য রখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে একহাত নেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি আরো বলেন আগে একটা সার্টিফিকেট পেতে গেলে জুতোর শুকতলা ক্ষয়ে যেত। তবুও তা পাওয়া যেত না। আর এখন মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন। একেই বলে পাড়ায় সমাধান।সোমবার বর্ধমানের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে জেলার উপভোক্তাদের হাতে বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সরকারি মঞ্চে এভাবে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করায় ক্ষোভ উগড়ে দেন জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তিনি বলেন সরকারি মঞ্চে যেভাবে মন্ত্রী বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। তা খুবই দুঃখজনক।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন পুর্ব-বর্ধমান জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা'র

পূর্ব বর্ধমান জেলায় স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বারবার অভিযোগ ওঠায় বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে গেলেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা. উল্লাসের কাছের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে তিনি জানান, হাসপাতলে ফ্রণ্ট ডেস্কের স্বাস্থ্য সাথীর ডিসপ্লে থাকার কথা সেটা নাই, তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যসাথী ডিসপ্লে ও স্বাস্থ্যসাথী রেজিস্টার মেইন্টেন করার নির্দেশ দেন তিনি, এরথেকে বোঝা যাবে কতজন রোগী ভর্তি আছেন আর কতজন ছুটি পেয়েছেন তা হাসপাতালে মজুত কার্ডের সাথে মেলানো যাবে।জেলাশাসক সরজমিনে ঘুরে দেখেন এই হাসপাতালে রাজ্য সরকারের প্রকল্প স্বাস্থসাথী-র কোনও গণ্ডগোল হচ্ছে কিনা। তিনি ছাড়াও শনিবারের এই হঠাৎ পরিদর্শনে জেলাশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ অধিকর্তা, সহকারি-স্বাস্থ অধিকর্তা, ও বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের মহুকুমা শাসক। সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।হাসপাতালে উপস্থিত সাধারণ মানুষ জনতার কথাকে জানান, এই ধরনের হঠাৎ হাসপাতালে এলে আধিকারিক রা জানতে পারবেন কি ধরনের পরিসেবা সাধারণ মানুষ এদের থেকে পায়। এবং হাসপাতাল কর্ত্তিপক্ষ ও সদা সতর্ক থাকবে পরিসেবা ব্যাপারে।

এপ্রিল ০২, ২০২২
দেশ

উত্তরপূর্বের একাংশ থেকে প্রত্যাহার শুরু আফস্পা আইন, ঘোষণা করলেন শাহ

নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমের একাংশ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (আর্মড ফোর্সেস স্পেশ্যাল পাওয়ার অ্যাক্ট বা আফস্পা) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৃহস্পতিবার এ কথা ঘোষণা করেছেন।টুইটারে শাহ লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে ভারত সরকার কয়েক দশক পরে নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমে আফস্পার অধীনে অশান্ত এলাকা কমানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার যে তৎপরতার সঙ্গে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে কাজ করেছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলির কারণে সেখানে এখন শান্তির পরিবেশ রয়েছে, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পূর্ব বঞ্চিত ছিল, তবে সেখানে শান্তি, উন্নতি ও অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাস্তবায়ণ করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই।Thanks to PM @NarendraModi Jis unwavering commitment, our North-Eastern region, which was neglected for decades is now witnessing a new era of peace, prosperity and unprecedented development.I congratulate the people of North East on this momentous occassion. Amit Shah (@AmitShah) March 31, 2022কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের একটি নতুন যুগের সূচনা করবে বলে জানান তিনি। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে জঙ্গি তৎপরতা মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনীর হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে ১৯৫৮ সালে আফস্পা আইন জারি করেছিল কেন্দ্র। উত্তর-পূর্বে এখন গোটা অসম, নাগাল্যান্ড, রাজধানী ইম্ফল বাদে মণিপুরের বাকি এলাকা ও অরুণাচলের তিন জেলায় আফস্পা বলবৎ রয়েছে। গত ডিসেম্বরে নাগাল্যান্ডে জঙ্গি সন্দেহে সেনার গুলিতে স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দার মৃত্যুর পর, নতুন করে উত্তর-পূর্বে ওই বিতর্কিত আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সে সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আফস্পা প্রয়োগের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্র একটি কমিটি গঠন করেছিল। শাহের মন্ত্রক জানিয়েছিল, যে সব এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বা নাশকতার সমস্যা নেই, সেই এলাকাগুলি থেকে পর্যায়ক্রমে আফস্পা তুলে নেওয়া হতে পারে। আপাতত ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়ার সূচনা হল।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের অভিষ্টসিদ্ধি, মিথুনের দায়িত্ববৃদ্ধি

মেষ/ARIES: লাভের আশা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: কর্মে সাফল্য পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।কর্কট/CANCER: অভীষ্টসিদ্ধি হতে পারে।সিংহ/LEO: ফাটকা ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: বাড়তি আয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: স্বজনের সান্নিধ্য পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অস্থিরতা ভাব জন্মাতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রশংসিত হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: উন্নতির যোগ রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: বিত্তহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: আঘাত পেতে পারেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 79
  • 80
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal