• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

রাশিফল

রাশিফল: বঞ্চনার শিকার বৃষ, বৃশ্চিকের দুশ্চিন্তা

মেষ/ARIES: কর্মক্ষেত্রে গোলযোগ দেখা দিতে পারে।বৃষ/TAURUS: বঞ্চনার শিকার হতে পারেন।মিথুন/GEMINI: মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।কর্কট/CANCER: কর্মে আগ্রহবৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: ভাবপ্রবণতায় ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: প্রিয়জন সঙ্গ লাভ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: পারিবারিক ব্যস্ততা থাকতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: দুশ্চিন্তা দেখা দিতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: অকস্মাৎ বিপদ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: অঘটন ঘটতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: শুভ যোগাযোগ হতে পারে।মীন/ PISCES: সঠিক সিদ্ধান্তে লাভ হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুখোমুখি সায়ক চক্রবর্তী

ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ সায়ক চক্রবর্তী। তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন পরিচালক শুভেন্দু রাজ ঘোষের পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি বিফোর ইউ ডাই এর প্রিমিয়ারে। জনতার কথাঃ কেমন লাগল ছবিটা?সায়কঃ স্টোরি তো খুবই ভালো। ক্যামেরা খুবই ভালো। আর হিরো খুবই ভালো অভিনয় করেছে। জনতার কথাঃ তুমি তো অভিনয়ের পাশাপাশি ইউটিউবও করছো। দুটো ব্যালেন্স কিভাবে করছো?সায়কঃ আমি প্রচণ্ড ল্যাদখোর। আমার আরেকজন পার্টনার সে ও প্রচণ্ড ল্যাদ খায়। তাই দুজনে দুজনকে চিয়ার আপ করি। চলো আমাদের ভ্লগ করতে হবে। জনতার কথাঃ তোমার এখন প্রোজেক্ট কি চলছে?সায়কঃ প্রোজেক্ট তো আমার এখন কাঞ্চি চলছে। আর পাশাপাশি ইউটিউব চলছে। জনতার কথাঃ আর তোমার তো ছবিও আসছে। শিবু দার প্রোডাকশনে।সায়কঃ আসছে। বাট কবে আসছে আমি নিজেও জানিনা এখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মিথুনের কর্মে ভুল, মকরের আয়বৃদ্ধি

মেষ/ARIES: চোরের উপদ্রবে ধননাশ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: কর্মে ভুলভ্রান্তি হতে পারে।কর্কট/CANCER: পতনাশঙ্কা রয়েছে।সিংহ/LEO: অনুশোচনা করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: উপার্জন বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: সমস্যার সমাধান হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: অপচয় করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: হৃদরোগে কষ্ট পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: আয়বৃদ্ধি পেতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: মানহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: অর্থলাভ করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সিনেমা সরস্বতী নিয়ে জমজমাট অনুষ্ঠান

গত বছরের মতো এই বছরেও সরস্বতী পুজোকে স্মরণীয় করে রাখল সিনেমা সরস্বতী। এই বছর ইন্দ্রপুরী স্টুডিওর বিপরীতে ৯ নম্বর স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হল সিনেমা সরস্বতী। সিনেমা সরস্বতী আয়োজনের মূল ভাবনা পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকের। গতবছর ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সিনেমা সরস্বতী। এবার ৯ নম্বর স্টুডিওতে সিনেমা সরস্বতী আরও জমকালোভাবে করা হয়। মূল আকর্ষণ ছিল টলি তারকা যশ ও নুসরতের উপস্থিতি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ছোটপর্দা ও বড়পর্দার একঝাঁক তারকা। সরস্বতী পুজোর দিন ইন্ডাস্ট্রির সকলে মিলে হইহই করে ৯ নম্বর স্টুডিওতে সরস্বতী পুজো উদযাপন করলেন। খিচুড়ি, বেগুনি, লাবড়ার তরকারি সরস্বতী পুজোর জমাটি খাওয়াদাওয়া ছিল এদিন। এছাড়া দেব অ্যান্ড টি থেকে ছিল মাটির ভাঁড়ের স্পেশাল চা।সন্ধ্যাবেলায় গান গেয়ে সকলকে মাতিয়ে দেন তৃষা চ্যাটারজি। মন কেমনের জন্মদিন গেয়ে সকলের মন জিতে নিলেন মেখলা দাশগুপ্ত। গান গাইলেন সাহেব চট্টোপাধ্যায়। টুম্পা সোনা গানে নাচলেন টুম্পা সোনা খ্যাত সুমনা দাস। সকাল থেকেই তারকাদের ভিড় জমা হয়। রাত পর্যন্ত ছিল সেই ভিড়। সন্ধ্যাবেলায় আসেন রুদ্রনীল ঘোষ। এছাড়া সাধারণ মানুষদের উপস্থিতিও হয়েছিল। অনেকেই প্রিয় তারকাদের দেখতে ৯ নম্বর স্টুডিওতে ভিড় জমান তারা। যশ দাশগুপ্তর ভক্তরা এসে তাদের সঙ্গে ছবি তুলে খুশি মনে বাড়ি ফেরেন। তাই বলা যায় শিল্পীদের এই সিনেমার সরস্বতী গত বছরের তুলনায় এই বছর আরও বেশি জমজমাট হয়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

যতদিন সঙ্গীত থাকবে, ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে

আমার শৈশবটাই শুরু হয়েছে লতাজির গান শুনে। আমার মা আমাকে ছোটো বেলায় লতাজির গান শোনাতো। সেই স্মৃতি যে কত সুন্দর বলে বোঝানো যাবে না। কত সুন্দর সুন্দর গান শুনতে শুনতেই বড় হয়ে উঠেছি। আমি ভাবি আজকের দিনে শৈশবটা এরকম হয় কিনা জানি না। আজকের দিনেও বাচ্ছারা লতাজির গান শুনতে শুনতে বড় হচ্ছে কিনা বলতে পারবো না।আজকের প্রজন্মের কথা না জানলেও আমার শৈশবটা খুবই সুন্দর ছিলো। আমার জীবনে প্রথম লতাজির গাওয়া গান যারে, যারে উরে যারে পাখি। এই গানটি মা-বাবার হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে পাড়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতাম। আজকের দিনের মত সেই সময় এত বেশী রিয়েলিটি শো ছিলো না। পাড়ায় পাড়ায় বিভিন্ন ক্লাবে গানের কম্পিটিশন হত। সেখানে যোগ দিতাম।আমি ছোট বেলায় লতাজির গাওয়া পিয়া বিনা বাসিয়া, দিল হুম হুম করে, এরি পবন আমি গাইতাম। এ ছাড়াও ওনার গাওয়া বিভিন্ন গান আমি মঞ্চে পরিবেসন করতাম। এই কয়েকদিন আগেই আমি ওনার গান ইয়ে শামা শামা হ্যায় প্যার কা...। ওনার গান যেমন শুনতে ভালো লাগে সেরকমই আমরা যাঁরা সঙ্গীত পরিবেশন করি, তাঁদের কাছে ওনার গান গাওয়া-টাও তার থেকে বেশী আনন্দের।আমি ব্যাক্তিভাবে মনে করি ওনার গান শুনেই অনেক কিছু শেখা যায়। আমি নিশ্চিত এই কথাটার সঙ্গে অনেক শিল্পীই সহমত হবেন। তাই আমরা যাঁরা আজও ওনার গান পুনঃনির্মাণ করার চেষ্টা করি সেটা শুধু চেষ্টাই থেকে যাই, তাঁর ধারে কাছে পৌছানো যায় না। একজন শিল্পীকে ওই যায়গায় পৌছাতে গেলে কতটা ডিসিপ্লিনড হতে হয় তাঁর অন্যতম উধাহরণ লতা মঙ্গেশকর। আজকের দিনটা আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে, ভীষণ ভীষণ খারাপ লাগছে বলতে, যাকে আমি মন প্রাণ দিয়ে ছোট বেলা থেকে ভালোবেসে গিয়েছি তিনি আর আজ আমাদের মধ্যে নেই এটা ভাবতে পারছি না। কিন্তু তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে আজও আমাদের মধ্যে থেকে গেছেন এবং থেকে যাবেন। উনি আমাদের কাছে অমর। যতদিন সঙ্গীত থাকবে ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে। আমরা সারাজীবন তাঁকে এই ভাবেই ভালোবেসে যাবো।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি", এই কটাক্ষ জেদ বাড়িয়েছে সৌমিতা সাহার

দেবী সরস্বতীর মূর্তি পূজার প্রচলন বাংলা তথা সমগ্র ভারতে আর সকল বাড়ির মতো আমার বাড়িতেও রয়েছে। চতুর্থীর সকাল থেকেই ঘোর অন্ধকার করে বজ্রপাত সহ যে ভীষণ বৃষ্টিপাত হয় তাঁর অর্থ আজ ষষ্টির সকালে বোঝা গেল। মনে হয় দেবীর উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেই মর্ত্যলোক ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছিল। কালের অমোঘ নিয়মকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা কারও নেই, তাই ষষ্টি-র প্রভাতে দেবী সরস্বতীর ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে তাঁর মানস কন্যা লতা কে নিয়ে দেবী পাড়ি দিলেন সুরোলোকে। যেন দেবী এইবারে ধরাধামে এসেছিলেনই তার মানসকন্যা কে নিয়ে যেতে। দীর্ঘ দিনের অসুস্থতা ভোগ করে ইহলোকের মায়া কাটিয়ে, সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার পরম প্রিয় লতাজি। আজ যেন দেশের প্রতিটি সঙ্গীত প্রেমীর ঘরে নেমে এসেছে প্রিয়জন বিয়োগের শোক। সেই ছেলে বেলা থেকেই আর পাঁচটা মেয়ের মত লতাজির গান শুনে বড় হয়েছি। তিনি যেন আমাদের সকল অভিব্যাক্তিতে রয়েছেন। কখনও বা আছেন আমাদের অহেতুক আক্রমণের ভাষায়। রাত বিরেতে রেওয়াজ করায় পাড়া প্রতিবেশী আড়ালে আবডালে প্রায়ই আমার অভিভাবকদের ঠেস দিয়ে শুনিয়েছেন মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি! প্রথম সেই পেটে প্রজাপতি সুরসুরি দেওয়া প্রেমের জিন্দেগী অউর কুছ ভি নেহি, তেরি মেরি কাহানি হ্যায় অনুভুতিতে যেমন ছিলেন তিনি। তেমনিই ছিলেন আষাঢ় শ্রাবণ মানে না এমন এর স্মৃতি চারণে। লতাজির মতো মানুষের মৃত্যু হয় না। গীতায় আছে, न जायते म्रियते वा कदाचि- न्नायं भूत्वा भविता वा न भूयः | अजो नित्यः शाश्र्वतोSयं पुराणो न हन्यते हन्यमाने शरीरे অর্থাৎ আত্মা অবিনশ্বর, তাঁর মৃত্যু হয় না। শিল্পীর মৃত্যু হয়, শিল্পের নয়। আমার মতো যে মানুষগুলো যাঁদের এতো বোঝার মতো জ্ঞান নেই তাঁদের জন্য লতাজি ছিলেন, আছেন, থাকবেন। কবেই সহজ ভাবে গেয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন নাম গুম জায়েগা, চেহেরা ইয়ে বদল জায়েগা, মেরি আওয়াজ হি পেহচান হ্যাই...গর ইয়াদ রহে

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"ইয়ে মেরে বতন কে লোগো..." শুনে চোখে জল এসেছিল নেহেরুর

সঙ্গীতের আকাশ প্রদীপ চলে গেলেন দুূরে তারার দেশে। না যেও না রজনী এখনও বাকি বলে তাঁকে আর আটকানো যাবে না। বসন্ত পঞ্চমী রজনী পার করে সঙ্গীতের বরপুত্রি মা দেবী সরস্বতীর হাত ধরে চললেন সুরের লোকে। করোনার করাল গ্রাসে চলে গেলেন আরও এক কিংবদন্তী। ২০২০ থেকে এই সর্বগ্রাসী অতিমারিতে এক এক করে অনেক মহান শিল্পী, অভিনেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সাধারন মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। হিন্দী বাংলা সহ মোট ৩৬ টির-ও বেশী আঞ্চলিক ভাষায় তিনি গান করেছেন। ১৯৬২ তে ভারত চীন যুদ্ধের ঠিক পরের বছর ১৯৬২-র প্রজাতন্ত্র দিবসে পণ্ডিত নেহেরু-র আহ্বানে সুর-সম্রাজ্ঞী দিল্লী-র ন্যাশানাল স্টেডিয়ামে রাষ্টপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের উপস্থিতিতে কবি প্রদীপের লেখা ও রামচন্দ্রর সুরারোপিত ইয়ে মেরে বাতন কে লোগো... পরিবেশন করেন। লতা মঙ্গেশকরের অনবদ্য পরিবেশনায় পণ্ডিত নেহেরুর চখে জল এসে যায়। তিনি লাতাজির কন্ঠে দেশাত্মবোধক আবেদনে মুর্ছিত হয়ে ওই রকম জনবহুল পরিবেশে ও নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। এই গানটিকে জাতীয় সংহতির এক আদর্শ গান হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে এবং জন গণ মন, বন্দে মাতরম এবং সারে জাহান সে... র পাশাপাশি অন্যতম জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান হিসেবে বিবেচিত হয়।লতা মঙ্গেশকর প্রায় এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় সিনেমায় ও আধুনিক গানের অ্যালবামে গান গেয়েছেন। তাঁর গাওয়া মোট গানের সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি। এছাড়া ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশি ভাষায় গান গাওয়ার একমাত্র রেকর্ডটি তাঁরই দখলে।কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর তার সঙ্গীত জীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। সঙ্গীতে তাঁর অবদানের জন্য ২০০১ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর পর তিনিই দ্বিতীয় সঙ্গীত শিল্পী যিনি এই সন্মানে ভুষিত হন। ১৯৮৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০০৭ সালে ফ্রান্স সরকার তাকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মননা লেজিওঁ দা ওনার অফিসার খেতাবে ভূষিত করে।এছাড়াও লতাজি ৩টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৫টি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার (বিএফজে), ৪টি শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ২টি বিশেষ ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা (Life Time Achivement Award) পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে লন্ডনে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এক সময় মনে হত তিনি যে উচ্চতায় পৌঁছেছেন তাতে সেই পুরস্কার নিজেই ধন্য হত তাঁর হাতে যেতে পেরে। কারণ পরবর্তী পুরস্কার প্রপকরা বলতে পারবেন এই পুরস্কার লতাজিও পেয়েছেন।লতাজি ১৯৯৯ এ ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ, ১৯৬৯ এ তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৭ এ মহারাষ্ট্র ভূষণ পুরস্কার, ১৯৯৯ এ এনটিআর জাতীয় পুরস্কার, জি সিনে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, ২০০৯ এ এএন আর জাতীয় পুরস্কার। তিনি ১৯৬৯ রে নতুন প্রতিভাদের উঠে আসতে সাহায্য করার জন্য শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তী কালে তিনি ১৯৯৩-এ ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ১৯৯৪ ও ২০০৪ এ দুবার ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার তাঁকে প্রদান করেন।পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতা-ই সর্বজ্যেষ্ঠ। তার বাকি ভাইবোনেরা হলেন - আশা, ঊষা, মীনা ও একমাত্র ভাই হৃদয়নাথ। স্বয়ং মা সরস্বতীর আশির্বাদ-ধন্যা কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯ র ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের (অধুনা মধ্যপ্রদেশ) রাজধানী ইন্দোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর একজন প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ (মারাঠি ও কোঙ্কিণী) এবং নাট্য অভিনেতা ছিলেন। তাঁর মাতা শেবন্তী (পরবর্তী নাম পরিবর্তন করে সুধামতি হন)। মঞ্চাভিনেতা এবং সঙ্গীতজ্ঞ দীননাথ তাঁর ছোট্ট মেয়ে লতাকে প্রথমে হেমা বলে ডাকতেন। পরে দীননাথের ভাব বন্ধন নাটকের লতিকা নামের এক চরিত্রে অনুপ্রানিত হয়ে সে নাম পরিবর্তন করে লতা রাখা হয়। খুব কম বয়সে লতা তাঁর বাবাকে হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো পরিবারের দ্বায়িত্ব এসে পরে কিশোরী লতার কাঁধে। তিনি আশা, ঊষা, মীনা এবং হৃদয়নাথকে প্রতিপালনের জন্য এই ছোট্টো বয়সে উপার্জনের জন্য তাকে রাস্তায় বেরিয়ে পরতে হয়। বাবার অকাল মৃত্যুর পর পরিবারিক বন্ধু বিনায়ক দামোদর কর্নাটকি পাশে না থাকলে হয়ত খুবই সমস্যায় প্রতেন কিশোরী লতা ও পরিবার। নবযুগ চিত্রপট ছায়াছবি সংস্থার মালিক বিনায়কের উদ্যোগে লতা মরাঠি ছবিতে গান গাওয়া ও অভিনয়ের সুযোগ পায়। পরিবারের পাশে থাকতেই ছবিতে অভিনয় করেছেন ছোট্টো লতা। তখন সবে মাত্র ১৩! তিনি রুপালি পর্দার জগত তাঁর মন জয় করতে ব্যর্থ, সেখানে তিনি বেশি দিন থাকেননি। অভিনয় করার কথা মন থেকে ত্যাগ করেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর নিজের জীবন নিয়ে বলতে গিয়ে এই প্রায়ই নিজের অভিনয় জীবন প্রসঙ্গে বলতেন লতা।বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকরের নির্দেশে ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে কোনও সময়েই কে এল সায়গল ব্যতীত অন্য কোনও গান গাইবার অনুমতি ছিল না লতার। বাবা চাইতেন লতা শুধুমাত্র ধ্রপদী গান নিয়েই বড় হয়ে উঠুক। তাঁর আঠারো বছর বয়েসে তিনি তাঁর উপার্যনের পয়সায় জীবনে যেদিন প্রথম রেডিও কিনে আনলেন, এবং সেই রেডিওতে প্রথম যে খবরটা শুনলেন সেটা কে এল সায়গল-র মৃত্যু সংবাদ। রেডিওটি বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গেই ফেরত দিয়ে দেন তিনি।পরিবারের তাগিদে উপার্যনের জন্য তিনি বিভিন্ন মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেসন করতেন। প্রথম বার মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করে লতা ২৫ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। খেমচাঁদ প্রকাশের সুরে অশোককুমার-মধুবালা অভিনীত মহল-এ আয়েগা আনেওয়ালা গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ সেই যে উর্ধমুখী হয়, তাঁর পর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি সুরের সরস্বতী লতাকে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কন্যার পদোন্নতিতে বাধা, মীনের চিত্তচঞ্চল

মেষ/ARIES: মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।বৃষ/TAURUS: সৃষ্টিশীল কাজ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: জ্বরাদিভোগ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: পারিবারিক সমস্যা হতে পারে।সিংহ/LEO: সার্বিক উন্নতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: পদোন্নতিতে বাধা হতে পারে।তুলা/ LIBRA: কাঙ্খিত বস্তুলাভ করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: কলহ-বিবাদ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: ব্যবসায়ীদের জন্য শুভ।মকর/CAPRICORN: অভিনয়ের সুযোগ আসতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS:পরোপকারে শান্তি পেতে পারেন।মীন/ PISCES: চিত্তচঞ্চল হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

রাজ্যসভার সাংসদদের জন্য হুইপ জারি বিজেপির

রাজ্যসভার সাংসদদের জন্য হুইপ জারি করল বিজেপি। ভারতীয় জনতা পার্টির তরফে দলের রাজ্যসভার সব সাংসদদের ৮ ফেব্রুয়ারি সংসদে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের তরফে দলের রাজ্যসভার সাংসদদের উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজ্যসভার সমস্ত বিজেপি সাংসদদের জানানো হচ্ছে যে ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাজ্যসভায় কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যসভায় বিজেপির সমস্ত সাংসদরা তাই ৮ ফেব্রুয়ারি সারা দিন সংসদ ভবনে অবশ্যই যেন উপস্থিত থাকেন এবং সরকারের অবস্থানকে সমর্থন করেন। বিজেপির জারি করা হুইপ নিয়েও রাজনৈতিক মহলে এবং সেই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী বলেছেন, বিশেষ কিছুই ঘটবে না। রাষ্ট্রপতির ভাষণের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাবে রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিরোধীরা এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে একটি সংশোধনীর জন্য চাপ দিতে পারে। এ কারণেই হুইপ জারি করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। এই হুইপ নিয়ে আরও অনেকেই নিজেদের মতামত দিচ্ছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

বীরভূমের ৩০০ বছরের প্রচীন চক্রবর্তী বাড়ির একচালে পাঁচ প্রতিমার সরস্বতী পুজা

সারা রাজ্যে মহা ধুম ধামের সাথে পালিত হচ্ছে বাগদেবীর সরস্বতী পুজো। করোনা-র তৃতীয় ঢেউ-র ভ্রূকুটি এড়িয়ে কচি কাঁচারা মেতে উঠেছে মণ্ডপে মণ্ডপে। হটাৎ সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপের চোখরাঙ্গানিতে ক্ষণিকের ভয় কেটে যাওয়ার পর রাস্তায় নেমে পড়েছে কচি কাঁচারা। পাড়ার ক্লাব থেকে শুরু করে বাড়িতে, স্কুলে স্কুলে ছুটে চলেছে বাঁধভাঙা কিশোরে-কিশোরী-র দল।বীরভুম জেলার তিনশত বছরের প্রচীন হেতমপুরের চক্রবর্তী বাড়ির সরস্বতী পুজার সুচনা হল আজ। প্রথম এই পুজা শুরু হয় হেতমপুরের রাজবাড়ীতে, পরে চক্রবর্তী পরিবার তাঁদের নিজেদের বসতভূমিতে সেই পুজো আয়জন করে। এখানে নীলবসনা দেবী সরস্বতী আরাধনা করা হয়। স্থানীয় সরস্বতী পুকুর থেকে তিনটি ঘট ভর্তি করে এনে এই পুজোার সুচনা হয়। পঞ্চমী থেকে শুরু হয়ে চারদিন ব্যাপী চলে এই পুজো। অষ্টমী-র দিন দেবীর নিরঞ্জন করা হয়।বংশ পরম্পরায় ৩০০ বছর ধরে চলছে এই নীলবসনা দেবী সরস্বতী আরাধনা। কর্মসুত্রে এই পরিবারের অনেক সদস্যই ছড়িয়ে পরেছেন দেশে-বিদেশে। এই পুজো উপলক্ষে সকলে মিলিত হন। চক্রবর্তী পরিবারের সদস্য মনোজ চক্রবর্তী জনতার কথাকে জানান এই পরিবারের আদি পুরুষ কুচিল চক্রবর্তী এই পুজোর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বলেন, আমরা সাধারণভাবে যে দেবী সরস্বতী মুর্তি দেখতে অভ্যস্ত তার থেকে এটা অনেকটাই আলাদা, একটি একচালার কাঠামো-তে তিনটি দেবী মুর্তি থাকে তার মাঝখানে অধিষ্ঠাত্রী নীলবসনা সরস্বতী তাঁর ডান দিকে ভগবতী অর্থাৎ মা দুর্গা এবং বাম দিকে মা লক্ষ্মী। তিন দেবীর দুই দিকে থাকেন জয়া ও বিজয়া।হেতমপুরের রাজপরিবারের সরস্বতী পুজোমনোজ বাবু আরও জানান, এখানে তিনটি মুর্তির বা ত্রিমুর্তি-র অর্থ দেবী সরস্বতী-জ্ঞানের প্রতীক, ভগবতী বা দুর্গা শক্তির প্রতীক আর মা লক্ষ্মী হলেন বিত্ত বা সম্পদের প্রতীক। জয়া ও বিজয়া হলেন সৌন্দর্যের প্রতীক। তিনি জানান তাঁদের এই পূজোয় তিনটি ঘট স্থাপন করা হয়, একটি দেবী সরস্বতীর, বাকি দুটি ভগবতী অর্থাৎ মা দুর্গা ও মা লক্ষ্মীর। তাঁদের প্রথামত বিসর্যনের সময় দেবী সরস্বতী ও ভগবতী-র ঘটদুটি বিসর্যন করে দিলেও দেবী লক্ষ্মীর ঘটটি তাঁরা বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। মনোজ বাবু জানান, তাঁদের পরম্পরা অনুযায়ী লক্ষ্মী র ঘট বিসর্জন দেওয়া যায় না।চক্রবর্তী বাড়ির সদস্য অধ্যাপক কুনাল চক্রবর্তী জনতার কথা কে জানান, আমরা সারাবছর কর্মসুত্রে গ্রামের বাইরে থাকি। মাঝে মাঝে প্রয়োজনে এলেও পরিবারের সকলের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ হয় না। এই পুজোতে মোটামুটি সকলেই মিলিত হওয়ার চেষ্টা করি। আমাদের এই সরস্বতী নীল সরস্বতী নামে পরিচিত। বহু প্রাচীন এই পুজো। তিনি বলেন বৈদিক মতে হোম যজ্ঞ সহকারে পরিবারের সকলে মিলে চারদিন ধরে মহা ধুমধামের সাথে এই পুজার্চনা চলে। যে পুকুর থেকে দেবী-র ঘট আনা হয় তারও এক বিশেষত্ব আছে, এই পুষ্করিণী-টি কোনও সময়ে জল শুকায় না সারা বছরই জলপূর্ণ থাকে, এছাড়াও এই পুকুরের দক্ষিণ প্রান্তে একটি সুড়ঙ্গ আছে যেটি শেষ হয়েছে রাজবাড়ীতে। কথিত আছে রাজবাড়ীতে যখন এই পুজো হত, তখন পুজো উপলক্ষে যাত্রা, কবিগান, কীর্তন-র মহা আয়োজন হত। এখন সে অর্থে অনেকটাই মলিন। তাও পরম্পরা বজায় রেখে পূজো অর্চনা চলছে। অষ্টমীর দিন ঘট বিসর্যনের পর আমরা প্রতিবেশী সকলকে মায়ের খিচুরী ভোগ বিতরণ করে থাকি।পরিবারের পুত্রবধূ অধ্যাপিকা ইন্দ্রানী চক্রবর্তী (মুখার্জী) আমাদের জানান, কর্মসুত্রে সারাবছর বাইরে থাকতে হয়। বিবাহ সুত্রে এই পরিবারের আসার পর থেকে প্রতিবার-ই আমরা সপরিবারে হেতমপুরে আসি। পরিবারের সকলে মিলে চারদিন ধরে খুব আনন্দ করি, সরস্বতী পুজা উপলক্ষে এখানে একটি মেলা বসে, বাচ্চারা ওই মেলায় গিয়ে খুব মজা করে। ইন্দ্রানী জনতার কথা কে জানান, দেবী সরস্বতীর কাছে একটাই পার্থনা, করোনা-র চোখরাঙানি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেন কেটে যায়। বিদ্যলয়, কলেজগুলো যেন আবার আগের মতোই আলোড়িত হয়ে ওঠে কচি-কাঁচাদের কলতানে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের গবেষণায় সাফল্য, ধনুর দাম্ভিকতা

মেষ/ARIES: প্রতারিত হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: পত্নীবিরহ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: দুঃখসংবাদ পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: গবেষণায় সাফল্য পেতে পারেন।সিংহ/LEO: পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।কন্যা/VIRGO: প্রেমে বিঘ্ন ঘটতে পারে।তুলা/ LIBRA: পুরস্কার লাভ করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: সুখকর বদলি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: দাম্ভিকতায় ক্ষতি হতে পারে।মকর/CAPRICORN: পত্নীবিরহ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অনুতাপ হতে পারে।মীন/ PISCES: অনৈতিক কর্ম করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
নিবন্ধ

স্মৃতিকণা (কবিতা)

স্মৃতির ধুলো উড়িয়ে খুঁজে পাওয়াকিছু মুহুর্ত, আজও সোনার চেয়ে দামী।কোথায় হারিয়ে গেল সেই সোনাঝড়াদিন, শুধু জানেন অন্তর্যামী।পৌষ সংক্রান্তির পিঠেপুলির রেশ কাটতেনা কাটতেই, মিশন দেবী সরস্বতী;চাঁদা তোলা, কবিতা মুখস্থ, নাটকের মহড়া,এতেই অর্ধেক প্রসন্ন হতেন দেবী বিদ্যাবতী।কুল না খেয়ে, উপোস থেকে,পুরুতের সঙ্গে, কজ্জল পুরিত, ব্যস;এরপর হোমের ফোঁটা কপালে ঘষে,ষোলোআনা দিয়ে হেটমুণ্ড, টেনশন শেষ।পুরুতের আঙুল ধরে অ লিখছে ছোট্ট বাবাই,মণ্ডপ সেজেছে শিউলির হাতের আলপনায়।আর পাঁচ বছরের ছোট্ট তিতলির বিড়ম্বনাষোলো ফুটের কাপড় সামলানোই মহা দায়।হলুদ গাঁদার ভীড়ে, অতি চুপিসারে,শীতের বিদায়ঘন্টা নিঃশব্দে চলেছে বেজে;একরাশ খোলাচুলে, বাসন্তী শাড়ীতে,স্মিতহাস্যে বসন্ত এসেছে সেজে।সেদিনের স্নিগ্ধ চাহনিতে, ঝাপসা হৃদয়পেয়েছিল অদম্য প্রাণের স্পন্দন;বেজেছিল বীণা, রেঙেছিল মন পলাশের সাথেএক অনন্য অনুভূতি আবিষ্ট করেছিল মন।মন আজও খুঁজে ফেরে ফেলে আসা দিন,ভাবে সেদিনের কথা, করে আঁখি বন্ধ,এক চিলতে মিঠে দখিণা বাতাসবয়ে নিয়ে আসে, ছেড়ে আসা স্কুলের গন্ধ।আজও অশোক-পলাশ মেশে গোধুলিতে,দিগন্তে গোলাপী আভা, তবু রাঙে না মন।চেতনার আকাশ ঢেকেছে উদাসী মেঘ,তাই শুধু মুঠো ফোনে বন্দী জীবন।কবিঃ দীপক কুমার মণ্ডল

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: সিংহের সম্মানপ্রাপ্তি, মিথুনের সপরিবারে ভ্রমণ

মেষ/ARIES: সাহসের অভাব হতে পারে।বৃষ/TAURUS: অস্ত্রোপচারে রোগমুক্তি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: সপরিবারে ভ্রমণ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: বৈষয়িক উন্নতি হতে পারে।সিংহ/LEO: সম্মানপ্রাপ্তি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।তুলা/ LIBRA: জনহিতকর কাজ করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: সম্পত্তিলাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: আলসারে কষ্ট পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: দানধ্যানে ব্যয় করতে পারেন।মীন/ PISCES: যকৃতের রোগে কষ্ট পেতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

রাত পোহালেই সরস্বতী পুজো, হাসি নেই প্রতিমা শিল্পীদের মুখে

একদিন পরেই বাঙালির ভ্যালেন্টাইন-ডে সরস্বতী পুজো। হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনাকে উপলক্ষ্য করে অনুষ্ঠেয় অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। শাস্ত্রমতে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়। তিথিটি শ্রীপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তের আগমন শুরু হয় এই পুজোর মাধ্যমেই। গেঁদা,গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা শোভিত শ্বেতবসনে দেবীর আবহনে মেতে উঠে ৮ থেকে ৮০। প্রচলিত হিন্দু মতে এই দিন ঠাকুরের সামনে হাতে খড়ি দিয়ে অক্ষর পরিচয় হলে নাকি বিদ্বান হয়। কিন্তু সেই খড়িও নেই পাথরের স্লেটও নৈব নৈব চ। যাইহোক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তাতে আনন্দ উপভোগ করাতে কোনও বাধা নেই। গত বছর করোনার বিধিনিশেধ থাকায় স্কুল কলেজ বন্ধ ছিল। যাদের অনুষ্ঠান তারাই ব্রাত্য থাকলে সেই অনুষ্ঠানের কোনও আমেজই থাকে না। তাই মূর্তি পুজোর সংখ্যা অনেকাংশেই কম ছিল।হিন্দু ধর্মের যেকোনও পুজোর মূল আকর্ষণ মূর্তি। সেই মুর্তী-র কারিগড় তথা প্রতিমা শিল্পী-রা মহাসঙ্কটের সন্মুখীন। গত ২০২০ থেকে করোনা মহামারীর কারণে জমায়েতের বিধিনিষেধ, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত অর্থনীতিতে বিরাট ধাক্কা আসাতে বহু পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা শুধু প্রতিমা তৈরি করেই বা প্রতিমার সাজ-সরঞ্জাম তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন, আজ তাঁরা মহা সঙ্কটের মুখে।সরস্বতী পুজোশহর বর্ধমানের প্রবীন মৃৎ শিল্পী দ্বীনবন্ধু রানা, জনতার কথার প্রতিনিধিকে জানান, আমি প্রায় ৪০ বছর এই শিল্পের সাথে যুক্ত, এরকম ভয়ংকর সমস্যার মুখে কোনওদিন পড়তে হবে আগে ভাবিনি। তবে সরকার স্কুল কলেজ খুলে দেওয়াতে আগের বারের থেকে একটু বিক্রি বেড়েছে। কিন্তু অন্যান্য বছরের থেকে বিক্রিবাটা অনেকটাই কম। তিনি আরও জানান, অনান্য বছর এই সময় অর্ধেক ঠাকুর মণ্ডপে চলে যেত। ঠাকুরের আকৃতি একই কিন্তু কম দামে বেচতে হচ্ছে, যে ছোটো ঠাকুরগুলো আগের বার ১০০০-১২০০ টাকা তে বিক্রি করেছি ,সেই একই সাইজের ঠাকুর ৭৫০ টাকাতেও কেউ কিনতে চাইছে না। এদিকে কাঁচামালের দাম প্রায় শতকরা ৩০% থেকে ৪০% বেড়ে গিয়েছে।দ্বীনবন্ধু আরও বলেন, আমাদের পুঁজি কম থাকায় বর্ধমান শহর থেকেই ঠাকুরের সাজ কিনতে হয়, কলকাতা থেকে কিনলে আরও ২% দাম কম হত। তিনি বলেন, আমার পরিচিতি বড় ঠাকুরের কারিগর হিসাবেই। তিনি জানান, সে অর্থে কোনও বড় বাজেটের ঠাকুরের বায়না এবারে পাননি, তিনি সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকার বেশী ঠাকুর এবছর বানাননি। পুরনো অনেক ক্লাব পুজো বন্ধ করে দিয়েছে। বাজেট পুজো প্রায় উঠেই গেছে। কলেজগুলোতে আগে বড় বড় প্রতিমার চাহিদা ছিল। কারোও কারোও ঠাকুরের বাজেট ছিল প্রায় ৪৫০০ টাকার কাছাকাছি, এখন তারাও ছোট ঠাকুর কিনছেন ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে।সরস্বতী পুজোজনতার কথা কলকাতায় ঠাকুরের সাজ সরঞ্জাম বিক্রেতাদের যোগাযোগ করে কাচামালের দাম বৃদ্ধির কারন জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, করোনার পর থেকেই নানাবিধ বিধিনিষেধের জন্য, চীন থেকে খুব কম পরিমাণ কাঁচামাল যেমন, কাপড়, রাংতা ইত্যাদি আসছে। আমদানি করা মালের দামও খুব বেড়ে গিয়েছে। তাই আমাদেরও দাম বাড়াতে হয়েছে। দীনবন্ধু রানার অক্ষেপ, সরকার করোনার আতিমারীর কারণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীদের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা বঞ্ছিত, আপনাদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আমার অনুরোধ রইল, যদি সহৃদয় হয় কখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

অবৈধ বালি খাদান ও ওভারলোড গাড়ি নিয়ে সরব তৃণমূলের একাংশ, বর্ধমানে হামলার মুখে সরকারি আধিকারিকরা, ছড়াল উত্তেজনা

নদ-নদী থেকে বালি লুট ও বালির ওভার লোডিং বন্ধে প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আগেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কে কার কথা শোনে। মুখ্যমন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন তার কোন কিছুই পূর্ব বর্ধমান জেলায় মানা হচ্ছে না বলে এতদিন জেলাবাসী অভিযোগ করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি নিয়ে খোদ খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও ভূমি রাজস্ব কর্মাধ্যক্ষ জেলা প্রশাসনের দফতরে অভিযোগ জানালেন। পাশাপাশি জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল নেতা ভূতনাথ মালিকও ওভারলোড বালির লরি চলাচল নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তারই মধ্যে বৃহস্পতিবার বর্ধমানের ইদিলপুরের বালি খাদানে বালির গাড়ির চালান চেক করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন ভূমি দফতরের আধিকারিকা। যা নিয়ে প্রশাসনিক মহলেও তোলপাড় পড়ে গিয়েছে।খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও ভূমি রাজস্ব কর্মাধ্যক্ষ শ্যামল কুমার পাঁজা ১ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসনের দফতরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। ওই অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, খণ্ডঘোষের শশঙ্গা অঞ্চলে দামোদর নদে বেশ কয়েকটি অবৈধ খাদান চলছে। তার মধ্যে গৈতানপুর মৌজায় থাকা একটি অবৈধ বালি খাদান দীর্ঘদিন যাবৎ ধারাবাহিক ভাবে অনুপম পাঁজা নামে এক ব্যক্তি চালিয়ে যাচ্ছেন।গত ২৮ জানুয়ারি খণ্ডঘোষ বিএলআরও এবং এসডিএলআরও দফতরের আধিকারিকগণও ওই বালি খাদান খতিয়ে দেখতে আসেন। সবকিছু খতিয়ে দেখে তাঁর প্রমাণ করেন খাদানটি সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবেই চলছে। তার পরেও ওই অবৈধ খাদান থেকে আরও বেশি পরিমাণে খননকার্য চলছে। শ্যামলবাবু তাঁর অভিযোগে আরও জানিয়েছেন, এলাকার মানুষজন অবৈধ বালি খাদান বন্ধ করার কথা অনুপম পাঁজাকে বলেছিলেন। প্রত্যুত্তরে অনুপম পাঁজা এলাকার মানুষজনকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তাঁর খাদান নিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না। অনুপম পাঁজার এমন বক্তব্যে এলাকার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ওই অবৈধ বালি খাদান নিয়ে যে কোনওদিন এলাকায় বড়সড় অশান্তির ঘটনা ঘটে যেতে পারে।এমন আশঙ্কার কথাও প্রশাসনকে জানিয়েছেন, খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও ভূমি রাজস্ব কর্মাধ্যক্ষ।অবৈধ বালি খাদানযদিও এইসব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অনুপম পাঁজা। তিনি বালির চালান দেখিয়ে দাবি করেন বৈধ ভাবে লিজ পেয়েই তিনি তাঁর খাদান চালাচ্ছেন। তাঁর খাদান অবৈধ বলে যিনি দাবি করছেন তিনি সঠিক বলছেন না। বিএলআরও দফতরের লোকজন একদিন তাঁর বালি খাদান মাপজোক করতে এসেছিলেন। সেই কাজে তিনিও তাঁদের সাহায্য করেছিলেন। কোনও অনিয়ম ধরা পড়ার কথা বিএলআরও দফতরের কেউ তাঁকে জানায়নি। অনুপম পাঁজা এও জানান, শ্যামল পাঁজা এমন অভিযোগ আগেও তাঁর বিরুদ্ধে করেছিলেন। কারণ ওনার ব্যক্তিগত কিছু দাবিদাওয়া আছে। যা তিনি পূরণ করেননি। তাই শ্যামল পাঁজা প্রশাসনের কাছে এইসব মিথ্য অভিযোগ করছেন বলে অনুপম পাঁজা মন্তব্য করেছেন। খণ্ডঘোষ ব্লকের বিএলআরও রোহিত রঞ্জন ঠাকুর জানিয়েছেন, শশঙ্গা অঞ্চলে অবৈধ বালি খাদান চলছে এমন কোন অভিযোগের এদিন পর্যন্ত পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষ ব্লক ভূমি দফতরে কিছু জানাননি। তবে তাঁরা অনুপম পাঁজার খাদান নিয়ে এনকোয়ারি করে ছিলেন। সব খতিয়ে দেখে তাঁরা অনিয়ম কিছু পাননি। সেই রিপোর্ট জেলার ভূমি আধিকারিককে (এডিএম এলআর ) পাঠিয়ে দিয়েছেন।পরে এসডিএলআরও দফতর থেকেও আধিকারিকরা এসে অনুপম পাঁজার খাদান খতিয়ে দেখে যান। ওনারা কি রিপোর্ট দিয়েছেন সেই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে খণ্ডঘোষের বিএলঅরও জানিয়েছেন।অবৈধ বালি খাদান চলার অভিযোগ শুধু খণ্ডঘোষের বাসিন্দারাই অভিযোগ তুললেন এমনটা নয়।জামালপুরের জোড়বাঁধ, পুলমাথা ও সারাংপুর এলাকায় অবৈধ বালিখাদান চলছে বলে ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসনের দফতরে অভিযোগ জমা পড়েছিল।এখনও জোড়বাঁধ এলাকায় দামোদর থেকে দেদার চলছে বালি লুট। এই বিষয়ে ওই বালি খাদানের প্রাক্তন লিজ হোল্ডার বাসুদেব মাজি ওরফে হোবেকে ফোন করা হলে তিনি জানান, জোড়বাঁধে দামোদর থেকে বালি তোলার লিজ এবার কেউ পায়নি। তাই তিনি জোড়বাঁধ থেকে বালি তোলেন না। স্থানীয় কাঁঠালতলা এলাকায় যাঁর বালি খাদান রয়েছে তাঁরাই জোড়বাঁধ থেকে এখন বালি তোলেন। বালি কারবারি বাসুদেব মাঝির এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় জোড়বাঁধে দামোদর থেকে বালি লুটের অভিযোগ মোটেই অসত্য নয়। জোড়বাঁধের পাশাপাশি জামালপুরের বেরুগ্রাম অঞ্চলের বাসিন্দারাও অবৈধ বালিখাদান ও ওভারলোড বালির লরি চলাচল নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বেরুগ্রাম অঞ্চলেও প্রকাশ্যে অবৈধ বালি খাদান চলছে। বিষয়টি জানার পর সম্প্রতি জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক নিজে ব্লকের ভূমি দফতরে গিয়ে অবৈধ বালি খাদান বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এই অঞ্চলে দামোদরে নৌকা নামিয়েও বালি তুলে পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে পুলিশি অভিযানে বালি চোর ধরা পড়ার পর। বেরুগ্রাম অঞ্চলের ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা ছাড়াও ভূতনাথ মালিক অভিযোগ করেছেন, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে শয়ে শয়ে ওভারলোড পাথর ও বালির লরি কালাড়াঘাট থেকে পলেমপুর যাওয়ার সড়ক পথ দিয়ে যাতায়াত করছে। বহু সংখ্যায় ওভারলোড বালির লরি যাতায়াতের কারণে সদ্য তৈরি হওয়া ওই পাকা পিচ রাস্তা সম্পূর্ণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে। অথচ প্রশাসনের কেউ এই বিষয়টি নিয়ে হেলদোল দেখাচ্ছেন না। ক্ষুব্ধ জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক বলেন, রাস্তা বাঁচাতে এরপর হয়তো জামালপুরের জনপ্রতিনিধিদেরই পথে নেমে ওভারলোড বালি ও পাথরের লরি ধরতে হবে।সরকার ওভারলোড গাড়ি চলাচল বন্ধে কড়া বার্তা দেওয়ার পরেও কিভাবে ওভার লোড বালির লরি সড়ক পথে চলাচল করছে তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার বলেও ভূতনাথ মালিক জানিয়েছেন।বিরোধীরা যদিও দাবি করেছে, কোথায় কিভাবে বালি লুট হচ্ছে তার সবই জানেন পুলিশ ও শাসক দলের জনপ্রতিনিধিরা। তার পরেও জনপ্রতিনিধিদের যে সব অভিযোগ করছেন সেটা নাটক ছাড়া আর কিছু নয়। জনপ্রতিনিধিদের আনা এইসব অভিযোগের মাঝেই বৃহস্পতিবার বর্ধমানের ইদিলপুরে বালি ঘাটে বালির চালান খতিয়ে দেখতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হলেন ভূমি দফতরের আধিকারিকরা। চালান বিহীন বালি বোঝাই একটি ট্র্যাক্টর ধরা নিয়ে বালিঘাটে থাকা লোকজন ভূমি দফতরের আধিকারিদের উপরে চড়াও হয়। তাঁরা আধিকারিকদের গাড়িতেও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ডিএসপি(হেডকোয়ার্টার) অতনু ঘোষালের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে ধরপাকড়। কয়েকদিন আগে তেলিপুকুর সংলগ্ন এলাকায় বলিঘাট পরিদর্শনে এগিয়ে একই ভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন ভূমি দফতরের আধিকারিকরা। অভিযানে বেরিয়ে বারে বারে ভূমি দফতরের আধিকারিকদের এইভাবে হেনস্থার শিকার হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসনের কর্তারা। অতিরিক্ত জেলা শাসক (এডিএম এলআর) ঋদ্ধি ব্যানার্জী জানিয়েছেন, খণ্ডঘোষের শশাঙ্গা অঞ্চলে অবৈধ বালি খাদান চলছে এমন অভিযোগ কেউ তাঁকে জানায়নি। তবে গৈতানপুরে থাকা অনুপম পাঁজার বালি খাদান নিয়ে খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষ অভিযোগ করেছিলেন। বিএলআরও এবং এসডিএলআরও দফতরের আধিকারিকরা ওই খাদান নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। রিপোর্ট এখনও দেখা হয়নি। রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরে ওই খাদানের বিষয়ে জানাতে পারবেন। জামালপুরের জোড়বাঁধ ও বেরুগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ ভাবে বালি খাদান চলা ও কালাড়াঘাট থেকে পলেমপুর যাওয়ার রাস্তায় ওভারলোড বালির গাড়ি অতিমাত্রায় চলছে এমন অভিযোগও কেউ তাঁর দফতরে জানায়নি। আভিযোগ পেলে কড়া ব্যবস্থা নেবেন বলে অতিরিক্ত জেলাশাসক জানিয়েছেন। এদিনের ইদিলপুরের ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, বালির গাড়ির চালান দেখতে চাইলেও বালির গাড়ির লোকেদের গাত্রদাহ হচ্ছে। সেই জন্য তারা বারে বারে ভূমি দফতরের লোকজনের উপর চড়াও হচ্ছে। এদিনের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে বলে অতিরিক্ত জেলাশাসক জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিয়ের ১০ বছর কাটালেন পায়েল-দ্বৈপায়ন

বিয়ের পর ১০টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন অভিনেতা দ্বৈপায়ন দাস ও অভিনেত্রী পায়েল দে। সেই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন পায়েল। দ্বৈপায়নের সঙ্গে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, শুভ ১০ ..শুভ হোক প্রতিদিন ...আসো আমরা একসঙ্গে এইভাবে সময়টা যেন কাটাতে পারি। ...হাসতে থাকো..অনেক ভালোবাসি তোমাকে... খুব শুভ বিবাহ বার্ষিকী . এই পোস্টে অনেকেই ভালোবাসার কমেন্টে ভরিয়ে দিয়েছেন। সঙ্গীতশিল্পী মনস্বিতা ঠাকুর কমেন্ট করে লিখেছেন, দুজনকেই শুভ বিবাহবার্ষিকী। অভিনেতা দেব চ্যাটারজি লিখেছেন, শুভ বিবাহবার্ষিকী , খুব খুব ভালো থেকো তোমরা আজীবন। অনেক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা। এছাড়া বিশেষ দিনে তিনি আরও অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন। চৈতালি দাশগুপ্ত কমেন্টে লিখেছেন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা নিস্পায়ল-গোগোল।বর্তমানে কালারস বাংলায় সোনা রোদের গান ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন পায়েল। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন সৌম্য ব্যানারজি। প্রতিদিন রাত ৮টায় এই ধারাবাহিকটি টেলিকাস্ট করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

'সেক্স র‍্যাকেটে নাম জড়িয়েছে', পুলিশ পরিচয়ে ফোন করে টাকা তোলার ছক, গ্রেপ্তার ৫

ফের জালে ভুয়ো পুলিশ। পুলিশ ইনস্পেক্টর পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগে সাপুরজি কমপ্লেক্স থেকে এক নাবালক-সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছেন কলকাতা পুলিশের সাইবার থানার তদন্তকারীরা।অভিযোগ, ধৃতেরা কলকাতা পুলিশের ইনস্পেক্টর পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে ফোন করেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে ফোন করে বলা হয়, তাঁর নাম সেক্স ব়্যাকেটে জড়িয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে তাঁকে মোটা টাকা দিতে হবে পুলিশকে। ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, তাঁকে প্রতারণার ফাঁদের ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি কলকাতা পুলিশের সাইবার থানায় অভিযোগ জানান। তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচ জনকে।পুলিশ জানিয়েছে ধৃতরা আপাতত জেরায় নিজেদের দোষ স্বীকার করেছে। পুলিশ মনে করছে, এর পিছনে একটা চক্র কাজ করছে। ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের হদিশ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতরা সাপুরজি কমপ্লেক্সে বাড়ি ভাড়া নিয়ে ছিল। তারা প্রত্যেকেই বিহারের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন নাবালক রয়েছে। তারা সম্প্রতি কলকাতার বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে ফোন করে। ওই ব্যক্তির বয়ান অনুযায়ী, ফোনে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁর নাম সেক্স ব়্যাকেটে জড়িয়ে গিয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে চাইলে তাঁকে মোটা টাকা দিতে হবে পুলিশকে।পুলিশ ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে তাঁকে ফোন করা হয়েছিল বলে জানান ওই ব্যক্তি। মোবাইলে কথা বলার সময়েই তিনি বুঝতে পেরে যান, প্রতারক ফোন করেছে তাকে। কথাবার্তাতেই সন্দেহ হয়েছিল ওই ব্যক্তির। তৎক্ষণাৎ তিনি কলকাতার সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নামে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: বৃষের ব্যবসায় লাভ, বৃশ্চিকের বিড়ম্বনা

মেষ/ARIES: অনর্থপাত হতে পারে।বৃষ/TAURUS: ব্যবসায় লাভ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: নতুন উদ্যোগ নিতে পারেন।কর্কট/CANCER: বিত্তসঞ্চয় করতে পারেন।সিংহ/LEO: বিপথে চালিত হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: উচ্চশিক্ষালাভ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: কার্যসিদ্ধি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: বিড়ম্বনার শিকার হতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: সংস্থাগত পরিবর্তন করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: সাহিত্যে সম্মান পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে।মীন/ PISCES: সার্থক প্রচেষ্টা করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সায়ন্তনী এবার প্রযোজক?

অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা কে টলিউডের পরিচিত অভিনেত্রী হিসাবে সকলেই চেনেন। মেগা থেকে শুরু করে শর্টফিল্ম, ওয়েব সিরিজ, ফিচার ফিল্ম সবেতেই তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে। এবার নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে।প্রোডাকশন হাউস খুললেন এই টলি অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়াতে এর পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সেখানে লেখা ম্যাজিকলাইট প্রোডাকশন হাউসের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তার এই পোস্টে অনেকেই কমেন্ট করেছেন।সায়ন্তনীএকজন কমেন্টে লিখেছেন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা সায়ন্তনী।নাম টা খুব সুন্দর হয়েছে। অভিনেতা সুমন ব্যান্রারজি লিখেছেন কনগ্র্যাচুলেশন্স।দেবপ্রতীম দাশগুপ্ত লিখেছেন, বাহ অভিনন্দন। এছাড়া আরও অনেক শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘সিনেমা সরস্বতী’ তে চমক যশ-নুসরত

নিউ থিয়েটার্স স্টুডিয়ো ১ এ এবারের সরস্বতী পুজো সিনেমা সরস্বতী উপলখ্যে বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছেন পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক। এবারের সরস্বতী পুজোর চমক থাকবে নুসরত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত। সেই খবর সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করেছেন শিলাদিত্য। নুসরত ও যশের উপস্থিতি এবারের নিউ থিয়েটার্স স্টুডিয়ো ১ এর সরস্বতী পুজোকে আলাদা মাত্রা দেবে। এছাড়া জানা গেছে কে কে ঠাকুর আনতে যাবেন, কে কে সকালে অঞ্জলি দেবেন সব কিছুই অভিনেতা-অভিনেত্রীরা ঠিক করে নিচ্ছেন। গত বছরের পুজোয় উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক তারকা। এদের মধ্যে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার, সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা, অরিন্দম শীল, ইন্দ্রাশিস আচার্য, শুভ্রজিৎ মিত্র, সায়নী ঘোষ, সাহেব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। পরিচালক আশা করছেন এবারেও তারকাদের সমাবেশ থাকবে। গত বছরের মতোই ভোগে খিচুড়ি, লাবড়া, কুলের চাটনি, নলেন গুড়ের পায়েস থাকবে জানিয়েছেন অন্যতম আয়োজক শিলাদিত্য। সরস্বতী পুজো উপলখ্যে আজ সন্ধ্যে সাতটায় ফেসবুক লাইভের আয়োজন করছেন পরিচালক। লাইভে উপস্থিত থাকবেন পাঁচ পরিচালক প্রেমেন্দু বিকাশ চাকী, অভিজিৎ গুহ, শিলাদিত্য মৌলিক, অর্জুন দত্ত এবং অরুণ রায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ...
  • 75
  • 76
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সুখবর! বকেয়া ডিএ পেতে চলেছেন আরও হাজার হাজার কর্মী

সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আগেই মিটিয়েছে রাজ্য। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও অবসর ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে খবর।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে অর্থ দফতরের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে, নির্বাচনের আগে দ্রুত বকেয়া অর্থ মেটানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মীসংখ্যা এবং বকেয়া ভাতার বিস্তারিত তথ্য দ্রুত জমা দিতে।বিশেষ করে দুই হাজার আট সালের এপ্রিল থেকে দুই হাজার উনিশ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ভাতার হিসাব সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। শিক্ষা, পুর ও নগর উন্নয়ন, পরিবহন, পঞ্চায়েত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন। তাঁদের থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।এর আগে মার্চ মাসে রাজ্য সরকার কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বকেয়া ভাতা মেটানোর কাজ শুরু করেছিল। সেই সময় সরকারি কর্মীদের একটি অংশ বকেয়া অর্থ পেলেও, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী এই সুবিধা পাননি।এবার সেই বাকি থাকা কর্মী এবং পেনশনভোগীদেরও বকেয়া ভাতা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ফলে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অনেকেই তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনে সংঘর্ষ! রোড শোতেই চরম অশান্তি

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে রোড শো চলাকালীন দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।ঘটনাটি ঘটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির সামনে। সেখানে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে এগিয়ে আসতে হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।এ দিন রোড শো চলাকালীন তৃণমূল সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরাও। দুই পক্ষের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অমিত শাহের কনভয় ওই এলাকায় পৌঁছয়। তখন জুতো ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মধ্যে কনভয় এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহকে কনভয় থেকে নেমে যেতে হয়। পরে তিনি একটি ছোট গাড়িতে উঠে ওই এলাকা পার হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এই ধরনের ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াই! “মমতাকে হারাতেই হবে”—মঞ্চ কাঁপালেন অমিত শাহ

ভবানীপুর কেন্দ্রে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সমর্থন জানাতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাজরার সভা মঞ্চ থেকে তিনি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন এবং পরিবর্তনের ডাক দেন।অমিত শাহ বলেন, দুই হাজার চৌদ্দ সালের পর যে সব রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। এবার বাংলাতেও সেই পরিবর্তন দরকার। তিনি ভবানীপুরের ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে। তাঁর কথায়, বাংলাকে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে পরিবর্তন জরুরি।তিনি আরও বলেন, রাজ্যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় বিজেপি সরকার গঠন।অমিত শাহ দাবি করেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে চায়। তাঁর মতে, কোনও গুণ্ডা ভোটারদের আটকাতে পারবে না এবং সবাইকে সাহসের সঙ্গে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু পরাজিত করাই নয়, তৃণমূলকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দিতে হবে।শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তিনি বলেন, তিনি আগে অন্য জায়গা থেকে লড়তে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁকে বলা হয় ভবানীপুর থেকেই লড়াই করতে। তাঁর দাবি, এই কেন্দ্রে জয় পেলেই গোটা বাংলায় পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে যাবে।অমিত শাহ আরও বলেন, বাংলার মানুষ এখন নতুন সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিজেপি সরকার প্রয়োজন। তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য কিছুদিন তিনি বাংলাতেই থাকবেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।এ দিনের সভা থেকে ভবানীপুর-সহ একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন জানান তিনি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং ভবানীপুরে লড়াই যে জমে উঠেছে, তা স্পষ্ট।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

“কালিয়াচকের ঘটনা বিজেপির গেম প্ল্যান!” জনসভা থেকে কড়া আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদিঘির জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং এর পিছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে যা মন্তব্য করেছে তা সঠিক। একই সঙ্গে তিনি মানুষের কাছে আবেদন জানান, কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে এবং মালদহের ঘটনার বিষয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছে।তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যাতে নির্বাচন বাতিল করে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষকে শান্ত থাকতে হবে এবং কোনও উসকানিতে পা দেওয়া চলবে না। তিনি সকলকে বাংলার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেওয়া যাবে নাএই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কার্গিল যোদ্ধার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ! তীব্র চাঞ্চল্য

দেশের জন্য প্রায় তিরিশ বছর কাজ করেছেন, অংশ নিয়েছেন কার্গিল যুদ্ধেও। সেই প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নামই এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি ওই এলাকার দুইশো নয় নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিও তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু নতুন পরিপূরক তালিকা প্রকাশের পর তিনি দেখেন, তাঁর এবং পরিবারের আরও এক সদস্যের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তিনি এবং তাঁর পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজাদ আলি সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। কার্গিল যুদ্ধের পাশাপাশি অপারেশন বিজয় এবং অপারেশন পরাক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন। উনিশশো পঁচানব্বই সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে সুবেদার পদ থেকে অবসর নেন।আজাদ আলির বক্তব্য, দেশের সুরক্ষার জন্য তিনি সবসময় প্রস্তুত ছিলেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। অথচ এখন নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার পরও তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মতো যাঁদের কাছে এত নথি নেই, তাঁদের কী হবে।স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের কাছেও দুঃখজনক, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক পক্ষের দাবি, প্রক্রিয়া সঠিকভাবেই চলছে এবং যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করলে সমাধান সম্ভব।এই ঘটনাকে ঘিরে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

পাথরবৃষ্টি, ভাঙা কাচ, আতঙ্কে বিচারকরা! ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট

মালদহের কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রাখা হয় এবং গভীর রাতে উদ্ধার করা হলেও ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাচ ভেঙে সিটের উপর পড়ে বলে জানা গেছে।এই ঘটনার পর বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, তিনি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিতে চান না, কিন্তু পুরো ঘটনাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, বিকেল থেকেই বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছিল, অথচ রাত পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারি থাকা প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, কেউ দায় এড়াতে পারে না এবং বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বিচারকদের দেওয়া নির্দেশ মানেই আদালতের নির্দেশ, সেটি রক্ষা করা জরুরি।আদালতে শুনানির সময় একাধিক আইনজীবী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগে বিচারকদের ভয় দেখানো হত, এখন তাঁদের উপর সরাসরি হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর উদ্ধার সম্ভব হয়। কিন্তু তারপরও তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়।আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে বিচারকরা কাজ করছেন সেখানে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাঁদের থাকার জায়গাতেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বিচারকদের কোনও ধরনের হুমকি থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।আদালত এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে জানায়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং তাঁদের কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে জানানো হয়েছে।শীর্ষ আদালত আরও জানায়, রাজ্য প্রশাসন তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি এবং কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেওয়া হতে পারে।এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের কড়া অবস্থানের পর এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

কালিয়াচক কাণ্ডে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত! জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নোটিস

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের ঘিরে ধরে রাখার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিল দেশের শীর্ষ আদালত। এই ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছেও বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকে তিনজন মহিলা সহ মোট সাতজন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘিরে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতির বেঞ্চে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আদালত এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে, যেখানে পুরো ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু সেই সময় জেলাশাসক বা পুলিশ সুপার কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিক ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়। এরপর রাত বারোটার পর বিচারকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের গাড়িতে হামলা করা হয় এবং পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।আদালত এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এমন ঘটনা বিচারকদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারে। আদালতের মতে, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই উদাহরণ।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।আদালত আরও জানায়, আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিতে হবে।এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে এবং গোটা বিষয়টি এখন আদালতের কড়া নজরে রয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal