• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

দেশ

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল শচীন্দ্রলালের বাড়ি, সেখানেই থাকতেন বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা শচীন্দ্রলাল সিংয়ের বাড়ি, অরুন্ধতি নগরের বাড়িতে থাকতেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান এবং রাতে শচীনবাবুর সরকারি বাসভবনে থাকতেন। মুজিব ও তাঁর সহকারীদের রান্না করে খাওয়াতেন শচীন্দ্রলালে-র ভগিনী হেমাঙ্গিনী সিং। শচীন্দ্রলাল এখনও ত্রিপুরার মানুষের মনে গেঁথে রয়েছেন। উন্নয়নের কান্ডারী টানা ২৪ বছরের মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং জন্মসুত্রে ভিন রাজ্যের হলেও, কার্যত তিনি ত্রিপুরার ভূমিপুত্রই। ত্রিপুরার রূপকার বললে অত্য়ুক্তি হবে না।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নায়ক মুজিবর রহমান। যিনি বঙ্গবন্ধু নামে অধীক পরিচিত। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকাও দেশবাসী অবগত রয়েছেন। পাকিস্তান ভেঙে নতুন দেশ গঠন না হলে এখন হয়তো অন্য ইতিহাস লেখা হত। কিন্তু একজনের কথা দেশবাসীকে স্মরণ করতেই হবে, তিনি হলেন ত্রিপুরার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী তথা টানা ২৪ বছর প্রশাসনিক প্রধান শচীন্দ্রলাল সিং। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় মুজিবর রহমানের এদেশের ঘর ছিল শচীন্দ্রলালবাবুর বাড়ি। সেখানে থেকে যাবতীয় পরকল্পনা রচিত হত। তাছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়নের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত শচীন্দ্রলাল সিং।স্বাধীনতা সংগ্রামী হওয়ার কারণে শচীন্দ্রলাল সিং ১৭ বছর ব্রিটিশ জেলে কাটিয়েছেন। ভারত সরকার স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ ভুমিকার জন্য ৯৭ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ, অতুল্য ঘোষ, গোপিনাথ বড়দলুই, হরেকৃষ্ণ মহাতাব, প্রফুল্ল্য সেনেদের সাথে শচীন্দ্রলাল সিংও ছিলেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনসান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।শচীন্দ্রলাল সিং যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ত্রিগুনা সেনকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন ত্রিপুরা থেকে। ওনার সঙ্গে ত্রিগুনা সেনের কথা ছিল কেন্দ্রে মন্ত্রী হলে ওএনজিসি দেবেন। ত্রিগুনা সেনের ঠিকানা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ওই ডিমান্ড ফুলফিল করেছিলেন ত্রিগুনা সেন। শচীন্দ্রলাল সিংয়ের আমলেই রাজ্যে গোবিন্দ বল্লভ হাসপাতাল হয়েছিল। তারপর ত্রিপুরায় বড় কোনও হাসপাতাল হয়নি। পাওয়ার প্রোজেক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কী হয়নি তখন পরশি রাজ্যে।বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সব থেকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল সিং। বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন জেল থেকে বেরিয়ে শচীন্দ্রলাল সিংকে বাংলাদেশের ঢাকায় নিয়ে যান মুজিবর রহমান। সেখানে রেড কার্পেটে তাঁকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। মুজিবর রহমান শচীনবাবুর জন্য চেয়ার ছেড়ে দেন। তখন শচীনবাবু বলেছিলেন, এটা হয় না, আপনি বসুন। শচীন্দ্রলাল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্য়তম হোতা। মুজিবর রহমানের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। শচীন্দ্রলালবাবুর ছোট ছেলে ঢাকায় গিয়েছিলেন। বাবার সৌজন্যে তাঁকে সোনার নৌকা দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। একসময় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল ত্রিপুরা, রাজ্য গঠন করার ক্ষেত্রেও অগ্রনী ভূমিকা ছিল শচীন্দ্রলাল সিংয়ের। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দাবি করেছিলেন রেললাইন চাই, ধর্মনগর অবধি সেই রেললাইন স্থাপিত হয়। ১৯৭৭ এ যখন তিনি সাংসদ হন সে সময় তৎকালীন রেলমন্ত্রী মধু দণ্ডবতকে অনশন করার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ধর্মনগর থেকে আগরতলা রেললাইন করতে হবে। যেদিন সংসদ ভবনের সামনে অনশনে বসার কথা, সেদিন সকালে মধু দন্ডবতে তাঁর দিল্লী বাসভবনে এসে সরকারের অর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে বলেন আপাতত কুমারঘাট অবধি রেললাইন দেওয়া হচ্ছে, পড়ে ওটা বর্ধিত করা হবে।শচীন্দ্রলাল সিং খেলার প্রসারের জন্য স্টেডিয়াম করেছিলেন। উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র। মহারাণী কাঞ্চনপ্রভাদেবী বনমালীপুরে একটি বাড়ি দিয়েছিলেন ত্রিপুরার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শচীনবাবুকে বসবাস করার জন্য। ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল খোঁজ নিয়ে জানলেন ত্রিপুরাতে কোনও মহিলা কলেজ নেই। তিনি মহিলাদের শিক্ষাপ্রসারের জন্য সেই বাড়ি দান করে দেন কলেজ করার জন্য। এখন সেখানে স্থাপিত হয়েছে আগরতলা উইমেন্স কলেজ। শচীনবাবুর প্রধান সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখ্যগয় হলেন তসলাম ফা, ওয়াজেদ আলি, মনসুর আলি, চক্র ফা, বুলু কুকি, কৃষ্ণদাস ভট্টাচার্য। এই কৃষ্ণদাস তাঁর মন্ত্রী সভায় অর্থ মন্ত্রী ছিলেন।২০১২-এর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্র, ঢাকাতে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বাঙালি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা তাঁকে প্রদান করেন।মুজিবর রহমান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই থাকতেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী, জহরলাল নেহরুর সময় থেকেই। ১৯৭১ ১লা নভেম্বর সারাদিন বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্প ঘুরে দেখেন সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ও শচীন্দ্রলাল সিংকে নিয়ে। ফিরে এসে আগরতলা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে কথাবার্তা চলাকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, আপনি সীমান্ত খুলে দিয়েছেন, অস্ত্র ও অর্থ সাহায্য করছেন, আপনি তো দেশকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দিরাকে ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল জবাব দেন, আমি যা করছি তা দেশের মঙ্গলের জন্যই করেছি এবং আপনার জন্যই করছি। আমি একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সমগ্র বিশ্ব আপনার নামই করবে, আমার নই। ইতিহাস আপনাকেই স্মরণ করবে। আরও বলেন, আমি আপনার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আপনি আমাকে রাজনীতি শেখাবেন না। একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হজম না করতে পেরে দিল্লী ফিরেই ১লা নভেম্বর ১৯৭১ রাতে ত্রিপুরাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলেন ইন্দিরা। ভেঙে দিলেন কংগ্রেসের-ই সংখ্যাগড়িষ্ট সরকার। তবুও দমলেন না দেশ তথা ত্রিপুরার প্রতি দায়বদ্ধ শচীন্দ্রলাল সিং, তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে ফোন করে বলেন Imposition is a great sin। সেই রাতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন ত্যাগ করে পৈতৃক ভিটে জয়নগরের বাসভবনে ফিরে যান। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন দাপুটে ইন্দিরা গান্ধীকে। তখনও তাঁর পাশে ছিলেন ত্রিপুরার আপামর সাধারণ মানুষ। অনবরত সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছেন শচীনবাবুকে। নির্দল প্রার্থী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল।জাতপাতের উর্দ্ধে রাজনীতি করতেন শচীন্দ্রলাল সিং। মানুষকে মানুষ ভাবতেন। সাধারণের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন অনায়াসে। এই দেশে এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন অমিল। ত্রিপুরার আদিবাসীরা মনে করতে শচীন্দ্রনাথবাবু তাঁদের ঘরের লোক। আদিবাসী সমাজে তাঁর নাম ফাটা ছিলুম তার মানে ছেঁড়া কাপড়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে এতটাই আপন ছিলেন তিনি। কাছে টেনে নিয়েছিলেন মনিপুরি, সংখ্যালঘুসহ সকলকেই। কোনও ভেদাভেদ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারেননি। ২০০০ সালে ইহলোক ত্যাগ করলেও ত্রিপুরার মানুষ ভোলেনি শচীন্দ্রলাল সিংকে। এখনও তাঁর জন্মদিনের উৎসবে হাজির হন অগনিত মানুষ।শচীন্দ্রলালবাবুর বড় ছেলে আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। এখন দলের কোর কমিটির সদস্য। তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাছেও আশিসবাবু কাছের মানুষ, মাটির মানুষ। পাহাড় থেকে সমতল হোক রাত-বিরেতে কেউ বিপদে পড়লেই পাশে থাকেন শচীন্দ্রপুত্র আশিসলাল। তিনিও মহান পিতার মতোই কোনও জাতিগত ভেদাভেদে বিশ্বাস করেন না। তাঁর ভাবনাতেও রয়েছে বাবার মতোই ত্রিপুরার উন্নয়ন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশিত হলো মৌমিতা পালিতের রবীন্দ্রসংগীতের সিডি "কোন অচিনপুরে"

বাইপাস সিংহবাড়ি পূর্বলোক এর কাছে অডিও ভিজুয়াল থিয়েটার হলে স্টুডিও পিয়ানি সিমো কোম্পানি থেকে প্রকাশিত হলো সংগীত শিল্পী মৌমিতা পালিতের প্রথম রবীন্দ্র সংগীতের অ্যালবাম কোন অচিনপুরে। সিডিটি প্রকাশ করেন প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সুবিনয় রায়ের ছেলে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সুরঞ্জন রায়, হিন্দুস্তানী ক্লাসিকাল শিল্পী পণ্ডিত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণী র প্রধান ও রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী দেবাশিস রায় চৌধুরী, আবৃত্তিকার মধুমিতা বসু, স্টুডিও পিয়ানি সিমোর কর্ণধার দেবাশিস সাহা ও শিল্পী মৌমিতা পালিত। সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করেন বহুদিন বাদে এই রকম সিডি আকারে রবীন্দ্রসংগীত এর অ্যালবাম প্রকাশিত হল। মৌমিতার গানের ভূয়সী প্রশংসা করেন সকলে। কোন অচিনপুরে এই সিডিতে মৌমিতা গেয়েছেন ১২ টি গান। তার কণ্ঠে ভালো লাগে শুনতে ওদের সঙ্গে মেলাও, আমারে তুমি অশেষ করেছ, এত আনন্দধনী, ওগো তুমি পঞ্চদশী, নিত্য নব সত্য, উতল ধারা বাদল ঝরে, তোমার গীতি জাগালো স্মৃতি, আমার খেলা যখন ছিলো, দূরে কোথায় দূরে দূরে, শিউলি ফোটা ফুরোল প্রমুখ গানগুলি। শিল্পী মৌমিতা ক্লাসিক্যাল শিখেছেন আগ্রা ঘরানার পন্ডিত যসপাল, সুবোধ পরদকার ও প্রয়াত পন্ডিত নাথ নিরলকর এর কাছে। রবীন্দ্রসংগীত শিখেছেন ড চিত্রলেখা চৌধুরীর কাছে। বর্তমানে ক্লাসিক্যাল ও রবীন্দ্রসংগীতে তালিম নিচ্ছেন পন্ডিত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুরঞ্জন রায় এর কাছে। এইদিন সিডি উদ্বোধনের পর শিল্পী মৌমিতা পালিত সিডির কিছু গান গেয়ে শোনান। তাকে কি বোড, তবলা ও এস রাজ এ সহযোগিতা করেন দেবাশীষ সাহা, স্বাগতম দাস ও নন্দন দাসগুপ্ত। সমগ্র অনুষ্ঠান টি পাঠে ও সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মধুমিতা বসু।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
দেশ

ফের কংগ্রেসে বড় ভাঙন, তৃণমূলে যোগ প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির

কংগ্রেসের ঘরে হানা দিয়েই চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে গোয়ায় একাধিক কংগ্রেস নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে অসমের কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দিয়ে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। রবিবার অসম কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রিপুন বোরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। কয়েকদিন আগে রাজ্যসভার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন বিপুন। এদিনই পূর্বাঞ্চলের এই কংগ্রেস নেতা টুইটে কংগ্রেসের সভানেত্রীকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। এই তৃণমূলযোগের ফলে উত্তর-পূর্বে কংগ্রেসের ঘরে ভাঙন অব্যাহত রইল। এর আগে মেঘালয়ের ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।It gives us immense joy to welcome Shri @ripunbora, who joined the @AITCofficial family in the presence of our National General Secretary Shri @abhishekaitc pic.twitter.com/qfJka4PVIq All India Trinamool Congress (@AITCofficial) April 17, 2022উত্তর পূর্ব ভারতে কংগ্রেসের ভাঙন অব্যাহত। এদিন কলকাতায় রিপুন বোরার হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মেঘালয়ের পর এবার কংগ্রেসের ঘর ভেঙে অসমে সংগঠন বিস্তার করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে শনিবারই ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে সনিয়া গান্ধিসহ কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের বৈঠক হয়। প্রশান্ত কিশোর আবার তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ।Extending a very warm welcome to Shri @ripunbora, a stalwart and skilled politician, who joined the @AITCofficial family today.We are extremely pleased to have you onboard and look forward to working together for the well-being of our people! pic.twitter.com/Tz0Q691Egd Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) April 17, 2022অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৩ ও ৪ মে মেঘালয়ে যাবেন। সেখানে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। মেঘালয়ের প্রাক্তন কংগ্রেসী মুখ্য়মন্ত্রীসহ একাধিক নেতা তৃণমূলে ভিড়েছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন দক্ষ রাজনীতিক রিপুন বোরাকে তৃণমূল পরিবারে স্বাগত।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পেন মহোৎসবে উপস্থিত তারকারা

কিশলয় ইভেন্ট এন্ড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এবং পেন ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে কলকাতার আইসিসিআর এ উদ্বোধন হয়ে গেল পেন মহোৎসব ২০২২ । এই পেন উৎসব। তিনদিন ব্যাপী এই পেন মহোৎসবে ১৫ এপ্রিল শুরু হয়ে চলে ১৭ই এপ্রিল পর্যন্ত। এই অভিনব পেন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যারা তারা হলেন অধ্যাপক ড: সুরঞ্জন দাস,ভাইস চ্যান্সেলর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়,শুভ্র কমল মুখার্জি,মাননীয় বিচারপতি, ড: স্বাথী গুহ,ডিরেক্টর ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজ স্টাডিস এন্ড রিসার্চ, শিউলি রামানী গোমস, চিত্র পরিচালক,সুরঞ্জন দে,চিত্র পরিচালক, হুসেন মুস্তাফি, বিশিষ্ঠ ফুটবলার,নাসির আহমেদ, বিশিষ্ট ফুটবলার, বিমল দে, সেক্রেটারি EIMPADA, নুপুর মুখার্জি, ড্যান্স থেরাপি, অনিন্দিতা সিনহা, ইমন কর্নধর, সুরভি দাস,মডেল,মৌমিতা সাহা,ফ্যাশন ডিজাইনার, সায়নদ্বীপ রায়,ফটোগ্রাফার। এই অভিনব পেন উৎসবের আয়োজক ছিলেন সুব্রত দাস, শায়ক কুমার আঢ্য, এবং প্রসেনজিৎ গুছাইত।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলার জয়ে আশার আলো ইস্টবেঙ্গলে

সামনের মরশুমের জন্য আশা বুক বাঁধতেই পারেন লালহলুদ সমর্থকরা। নতুন স্পনসর হয়তো কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। ফুটবলার বাছাইয়ের কাজও চলছে। নতুন মরশুমের জন্য ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটাররা যে খুব একটা খারাপ দল গড়ছেন না, সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেল। সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে শুরু করল বাংলা। বাংলার জয়ের নায়ক শুভম ভৌমিক। তাঁর করা একমাত্র গোলেই জিতল বাংলা।লালহলুদ সমর্থকরা প্রশ্ন করতেই পারেন, বাংলার জয়ের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক কী? আছে। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন শুভম ভৌমিক। তাঁর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের কথাবার্তা চূড়ান্ত। শুভমের গোলে লালহলুদ সমর্থকরা খুশি হতেই পারেন। সামনের মরশুমের দল গঠনের জন্য সন্তোষ ট্রফিকেই বেছে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এই প্রতিযোগিতা থেকেই ফুটবলার তুলে নিতে চান। শনিবার কেরলের মালাপ্পুরমের কোটাপাডি ফুটবল স্টেডয়ামে প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পাঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। প্রথম ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ লিগে রীতিমতো ভাল জায়গায় থাকল রঞ্জন ভট্টাচার্যর দল। প্রথম থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল বাংলার হাতে। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে বারবার পাঞ্জাব রক্ষণে হানা দিচ্ছিলেন শুভম ভৌমিকরা। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিটে। ডানদিক থেকে বসের মধ্যে জয় বাজের সেন্টার ভেসে আসে। বল বক্সে পড়ার মুখে ডানপায়ের ভলিতে জালে পাঠান শুভম ভৌমিক। ম্যাচের বাকি সময়ে পাঞ্জাব মরিয়া হলেও বাংলার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। এদিন বাংলার রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার। বল দখলের লড়াইয়ে হেড করতে উঠলে পাঞ্জাবের এক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে তাঁর মাথা ফেটে যায়। দুটি সেলাইও করতে হয়েছে। দলের খেলায় খুশি বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, দীর্ঘ বাস জার্নি করে এসে মাঝে মাত্র একদিন বিশ্রাম পেয়েছে ফুটবলার। তারপর মাঠে নেমে নতুন পরিবেশে এই গরমের মধ্যেও দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছে। পাঞ্জাবকতে হারিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। পরের ম্যাচ কেরালার বিরুদ্ধে। যথেষ্ট লড়াই করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
ব্যবসা

সরকারের ই-কমার্স নীতি শক্তিশালী করার আবেদন এআইএমআরএ-র

অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্মগুলির অর্থনৈতিক এবং একচেটিয়া ব্যবসায়িক নীতি দেশের দেড় লক্ষ সাধারণ মোবাইল বিক্রেতার ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে এনছে বলে দাবী করেছে দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল বিক্রেতাদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া মোবাইল রিটেলার অ্যাসোসিয়েশন। তাই তারা সতর্কও করছে। সারা দেশে ১.৫ লক্ষের বেশি মোবাইল বিক্রেতাদের যৌথ মঞ্চ এই সংগঠনের সদস্য গোটা দেশের শত শত খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতা এবং সংগঠনের শীর্ষ কর্তারা ১৬ ও ১৭ এপ্রিল কলকাতায় সংগঠনের বার্ষিক সভায় অংশ নেন। এই বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায় খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সামনে উদ্ভূত অস্ত্বিতের সংকট এবং তার মোকাবিলা পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বিষয়ে এআইএমআরএ-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি মোহন বাজোরিয়া বলেছেন, আমরা বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থা ও পোর্টালের অনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশলের সঙ্গে অস্ত্বিত্ব রক্ষার জন্য নিরন্তর লড়াই করে চলা দেশের দেড় লক্ষ তৃণমূল স্তরের মোবাইল বিক্রেতা সুরক্ষার দাবী নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিস্তারিত দাবী সনদ পেশ করতে চলেছে। বড় বড় সংস্থাগুলির এই অর্থনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশল রুখতে সরকারের কাছে আমরা নতুন নিয়ন্ত্রণ বিধি তৈরি অথবা কমপক্ষে বর্তমান বিধিনিষেধগুলোকে আরও শক্তিশালী করার দাবী জানাচ্ছি।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং এর পাশাপাশি সিনেমা, অভিনয়ে নিজের জাত চেনাচ্ছেন পূজা

৪ বছর বয়স থেকেই তার অভিনয়ের স্বপ্ন ছিল। তবে অভিনয়টা শুরু হয় ২০১৪ থেকে মডেলিং-এর মাধ্যমে। মডেল ও অভিনেত্রী পূজা সরকার এরপর মডেলিং-এর পাশাপাশি থিয়েটারেও অভিনয় করেছেন।বর্তমানে তিনি অনেকটাই ব্যস্ত। কারণ ছবির কাজ করছেন। একটা নয়, এক বছরে তার হাতে তিনটে ছবি রয়েছে। এছাড়া ইউটিউবের জন্য একটি ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন পূজা।পরিচালক শিব রাজ শর্মার সুনেত্রা সুন্দরম ছবিতে অভিনয় করেছেন। যেখানে রূপাঞ্জনা মৈত্র, পারনো মিত্রর মত পরিচিত নামের পাশাপাশি রয়েছেন পূজা ও। এর পাশাপাশি অভিনেতা জিতের প্রোডাকশন হাউস থেকে রাজেশ গাঙ্গুলীর ছবি চেঙ্গিজ-এ রয়েছেন পূজা। ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। অভিনেতা শতফ ফিগারের বান্ধবী পূজা। এই বছরেই আবার একটি মজার ছবি আসছে পূজার। যেখানে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। তার অভিনীত ওয়েব সিরিজ ডার্ক টেলস ২২ এপ্রিল থেকে দর্শকরা দেখতে পাবেন। পূজা জানিয়েছেন সিনেমার কাজ সবে শুরু হয়েছে। আরও ভালো ভালো কাজ করতে চান তিনি। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় অভিনয় করার ইচ্ছেও আছে তার। বেশ কয়েকবছর থিয়েটার করলেও এখন ছবির চাপে তার থিয়েটারের কাজ বন্ধ। তবে একটু হালকা হলেই আবার থিয়েটারেও দেখা যাবে পূজা সরকারকে। জনতার কথা-র পক্ষ থেকে পূজার জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্পে চমক রাখছে 'ইনসেন'

আগামীকাল ১লা বৈশাখে মুক্তি পাচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি ইনসেন। এই ছবির কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক স্নেহা কাঁড়ার এবং সৌরনীল সিংহ। গোধূলি প্রযোজনা সংস্থার অধীনে নির্মিত ছবির প্রযোজক রবীন্দ্রনাথ মিত্র। ছবিটি একটি ছেলের কথা বলে, যার নাম বিজিত ভট্টাচার্য। সে একজন বেকার যুবক। তার প্রেমিকা তাকে ছেড়ে দিয়েছে, তার পরিবার বলতে আছে কেবল শুধু তার বাবা - মা। সে বাড়ি থেকে বেরোয় না, ছোটো থেকেই একটু নিজের মধ্যে থাকতো, বিশেষ বন্ধু-বান্ধব নেই, পড়াশোনাতেও সে মোটামুটি ছিল। তার একটি ক্যামেরা আছে আর সে সেটি একদিন চালিয়ে একটি ভিডিও করে এবং তার জীবনের কথা বলে। এমন কিছু কথা উঠে আসবে যা তার ভাব ধারায় খুবই স্বাভাবিক লাগলেও অন্যান্য মানুষের কাছে তা খুবই অস্বাভাবিক এবং অস্বস্তি জনক লাগবে। এরকম মানুষ আমরা সাধারণত দেখে হয়তো চিনতে পারবো না কিন্তু এই ধরনের মানুষ আছে আমাদের সমাজে। বিজিত ভট্টাচার্যের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবপ্রিয় সাধুখাঁ। তিনি অভিনয়ের সাথেই যুক্ত। ছোটো থেকে স্কুলে নাটক করা থেকে অভিনয় প্রতি ভালোবাসা। তারপর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটক নিয়ে পড়াশোনা। বেশ কিছু থিয়েটার গ্রুপ এবং যাত্রা দলের সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি। দুটো ছোটো ছবি এবং দুটো তথ্যচিত্রের পাশাপাশি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতেও ইতিমধ্যে কাজ করে ফেলেছেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি সঙ্গীতেও বিশেষ আগ্রহ। গান শোনা এবং গান গাওয়া দুই তার কাছে ভালোবাসার জায়গা। এই ছবির একটি নিজস্ব গান আছে। যেটির নাম বিলম্বিত। এই গানটি গীতিকার, সুরকার তথাগত। গানটি আয়োজন করেছেন সৈকত মন্ডল। গানটি গেয়েছেন তথাগত। গানটি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে আছে, এছাড়াও গোধূলির অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আছে। ছবিটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতীয় কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়েছিল এবং পুরস্কৃত হয়েছিল। ইংল্যান্ড, গ্রীস, বাংলাদেশ সহ ভারতবর্ষের বেশ কিছু শহরে দেখানো হয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

দুই উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম, ভাঙল অগ্নিমিত্রার গাড়ি

আসানসোল লোকসভা ও বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে তাপ-উত্তাপ বেড়েই চলেছে সকাল থেকে। বালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কেয়া ঘোষ সকালেই অভিযোগ করেন, বুথের মধ্যে কলকাতা পুলিশ থাকছে। তাছাড়া ফলস ভোটের অভিযোগও করেছেন তিনি। এদিকে আসানসোলের উপনির্বাচনের শুরু থেকেই ধুন্ধমার কান্ড। বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর থেকে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এরই পাশাপাশি এদিন বারাবনিতে পুলিশ সংবাদ মাধ্য়মের গাড়ি আটকে দেয়। যদিও কোনও সরকারি নোটিশ দেখাতে পারেনি পুলিশ।আসানসোল ও বালিগঞ্জের উপনির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে প্রেস্টিজ ফাইট। পাশাপাশি আসানসোল কেন্দ্র ধরে রাখার দায় রয়েছে বিজেপির। এদিকে সাংবাদিক আটকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, সাংবাদিকদের কোনও ভাবেই আটকাতে পারবে না পুলিশ। সাংবাদিকরা ফ্রি মুভমেন্ট করতে পারবে। কেউ বাধা দিতে পারবে না।এদিন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি চলে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এমনকী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে অগ্নিমিত্রার নিরাপত্তা রক্ষীরা। অগ্নিমিত্রার অভিযোগ, ফলস ভোট দিয়ে জেতার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বরং তৃণমূলের অভিযোগ, বেশ কিছু জায়গায় বিজেপি ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। এককথায় আসানসোলের উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম অবস্থা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল লোকসভা উপ-নির্বাচনে প্রস্তুতি তুঙ্গে

রাত পোহালেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সেই উপ-নির্বাচন উপলক্ষে এ দিন বিকেল থেকেই বিভিন্ন বুথে বুথে পৌঁছেছেন ভোট কর্মীরা। ইভিএম সহ ভোটের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কর্মীদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন বুথে। বুথে বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। শংকরপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে ২৩৫-২৩৬ নম্বর বুথ, ঠিক তার উল্টো দিকেই শংকরপুর শিশু আলয় রয়েছে ২৩৪ ও ২৩৪ এ । এই চারটি বুথেই শংকরপুর এলাকার মানুষরা ১২ তারিখ সকাল থেকেই নিজেও প্রার্থীর সমর্থনে ইভিএমে ভোট দেবেন। বুথের সামনেই রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছাউনী। সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা এই চারটি বুথের দায়িত্বে রয়েছেন।

এপ্রিল ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তাইতো রোজই গান বেঁধে যান

সময়টা ১৯৯২ সালের ইংরাজীর এপ্রিল বা মে মাস। কলকাতার হাজড়া মোড়ের ঠিক পাশেই আশুতোষ কলেজ থেকে একটি ছেলে নিজের কলেজের শেষে এক মুহূর্ত ও সময় নষ্ট না করে লাফিয়ে উঠে পড়ল একটি সরকারি বাসে। গন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রাইভেট টিউশন্ পড়াতে যাওয়া।তারপর একের পর এক টিউশন্ সেরে রাত ১১ টা বা ১১.৩০ টায় বেরিয়ে নিজের বাড়ি ফেরা। কোন রকমভাবে হাত মুখ ধোয়া। ততক্ষণ অসুস্থ মা অপেক্ষা করছেন ছেলেটির পথ চেয়ে।মা কে জড়িয়ে ধরে সারাদিনের কথা বলা সঙ্গে একসাথে রাতের খাবার খাওয়া। তারপর এক মূহুর্ত সময় আর নষ্ট না করে নিজের পড়াশোনা নিয়ে বসে পড়া। তাঁরই সঙ্গে চলত সারাদিনের লড়াইয়ের কিছু কিছু মূহুর্ত কে নিজের কলমে কবিতা বা গানের আকারে বন্দী করা।কখন যে প্রভাতী আলোর সাড়া পেয়ে পাখির কুজনে শুরু হয়ে যেত আরও একটা দিন। সেই পাখির কুজনেই টের পেত সে, তাঁর জীবনের আরো একটা দিনের লড়াই শুরু হয়ে গেল।কখনও বা ক্লান্ত শরীরে ভোরের ঠান্ডা পরিবেশে জড়িয়ে আসত বহু দিনের জমে থাকা ঘুম। চোখ জুড়ে যেত ঘুমের দেশে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছায়। কিন্তু ছেলেটির যে অবকাশ নেই। লড়তে হবে যে তাঁকে এই সমাজে টিকে থাকতে। আবার শুরু হত জীবনের লড়াই। হ্যাঁ, এমন করেই ছোটবেলা পিতৃবিয়োগের পর থেকেই চলেছে সেই ছেলেটির জীবনের বেঁচে থাকার লড়াই।কেউ কি জানেন সেই ছেলেটি কে?সেই বিশ্রামহীন লড়াকু ছেলেটি আর কেউ নন, আজকের বাংলা আধুনিক গানের সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। যিনি একাধারে যেমন অনায়াসে লিখে ফেলেন গানের কথা, পাশাপাশি তৈরি করে ফেলেন তাঁরই মন ভরানো সুর। হয়ে ওঠে নতুন বাংলা গান। নিজেরই দৃপ্ত ও আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে ছড়িয়ে দিতে থাকেন সমাজের সঙ্গীতপ্রেমীদের মাঝে তাঁর স্বরচিত সেই গানেদের। সেই গানেই দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে আমাদের সঙ্গীত সমাজ।ছোটবেলা তাঁর প্রতিদিনের লড়াইয়ের মুহূর্তগুলোকে কলমে বন্দী করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র অবকাশে নিজের মায়ের কাছে গান শেখা শুরু। তারপর নিজের গান তৈরীর আগ্ৰহে পৌঁছে যান নিজের মায়ের গানের শিক্ষকের কাছে। শুরু হয় সঙ্গীত শিক্ষার আর এক অধ্যায়। গান তৈরীর মূল মন্ত্র গুলোর শিক্ষা গ্ৰহণের সঙ্গে সঙ্গে তৈরী করতে থাকেন তাঁর স্বরচিত বাংলা গানেদের।তাঁর গান ক্রমশ সঙ্গীতপ্রেমী ও শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আজ তাঁর গানের ঝুলিতে কম বেশি ১৩৫ থেকে ১৫০ টি গানের সম্ভার। দিন দিন তার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।তিনি জানিয়েছেন নতুন সৃষ্টিতে আনন্দ পান। নতুন কিছু তাঁকে প্রেরণা দেয়।তাঁরই একটি লেখায় তিনি বলেছেন,তোমার চলা স্রোতের টানে,পুরনো সেই দিনের গানে,আমি আবার অন্যরকম,নতুন খুঁজি তাল ও তানে।একটুখানি অন্যরকম,নতুন গানের চেষ্টা করি,না হয় স্রোতের প্রতিকূলেই,আমার গানের বাইবো তরী।প্রথম প্রথম ভরবে না মন,গাইব যখন সন্ধ্যা ইমন,কয়েকটা বার শোনার পরেই,খুঁজে পাবে তাতেই জীবন।তাইতো রোজই গান বেঁধে যাই,তোমার ভালো লাগার আশায়,নতুন করে পড়বে তুমি,আমার গানের ভালোবাসায়।আজ নতুন বাংলা গানের এক নির্ভরযোগ্য মুখ সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। তাঁর গানে খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের বিভিন্ন স্বাদ যা প্রতিটি হৃদয়ে আন্তরিক ভাবে সাড়া ফেলে দিয়ে যায় জীবনের প্রতিটা মূহুর্তের ভালোলাগা, কষ্ট, দুঃখ, প্রেম ও স্মৃতি গুলোর। তাঁর এই সঙ্গীতময় পথ আরো দীর্ঘ প্রসারী হোক্ জনতার কথা-র পক্ষ থেকে এই শুভকামনা রইল।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে হঠাৎ একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য

শনিবার বর্ধমান দুনম্বর ব্লকের সামন্তী উচ্চ বিদ্যালয় হঠাৎ করে একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। প্রাথমিক অনুমান স্কুলের সামনে বিক্রি হওয়া বরফ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা। এরপরে ওই স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে আসা হয় পাহাড়হাটী ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে।তবে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কোনওরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্কুল পড়ুয়ারা। মূলত ডিহাইড্রেশনের কারণেই এ দিন তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।এদিনের এই ঘটনার পর হাসপাতালে অসুস্থ স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করলেন মেমারি দুই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মামনি মর্মু।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের ভাষণের সময় পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে কল্যান, আপশোষ তৃণমূল কখনও আসানসোল জেতেনি

দলের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে না বলে তোপ দেগেছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। এবার আসনসোলে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার প্রচারে কল্যানের পাশে দাঁড়িয়েই বক্তব্য রাখলেন অভিষেক। হুঙ্কার ছাড়লেন বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিষেকের আপশোষ তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দিন আসানসোল লোকসভা আসনে জয় পায়নি।এবার আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁকে বহিরাগত বলে দাবি করছে বিজেপি। অন্য দিকে এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে বহিরাগত তত্বে অনড় বলতে শোনা গেল অভিষেকর ভাষণে। বরং শত্রুঘ্ন সিনার সঙ্গে আসানসোলের দীর্ঘ বছরের সম্পর্ক বলে তিনি ঘোষণা করলেন। অভিষেক বলেন, এই আসন থেকে তৃণমূল কোনও দিন জিততে পারেনি। এবার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। একটা ইডি, সিবিআইয়ের নোটিশ ধরিয়ে কিছু করতে পারবে না।শ্রীলঙ্কায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে লঙ্কাকান্ড ঘটে চলেছে। ওই দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। ভারতের অর্থনীতির হাল যে শ্রীলঙ্কার থেকেও খারাপ, বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, ১৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ঋণগ্রস্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার। শ্রীলঙ্কার থেকে ভারতের ২০ গুন খারাপ অবস্থা। ৬৭ বছরে ভারতের ঋণের পরিমান ছিল ৫৪ লক্ষ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদী ৭ বছরে ১০২ কোটি টাকা ঋণ করেছে।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসায় বাবুল সুপ্রিয়র প্রশাংসা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোল জয়ের পর ফের খেলা শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বাবুল সুপ্রিয় চলে গিয়েছে তৃণমূলে। গায়ে লাগছে। যে করে হোক সিটটা জিততে হবে! আমি বলছি খেলা এখনও শুরু হয়নি। আসানসোল জেতার পর খেলা শুরু হবে। তারপর দরজা খুলব, কে কে আসবে আর কে কোথায় জিতবে আপনারা দেখবেন। তৈরি থাকুন। কী ভাবছেন তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবেন। তাঁর ভাষণের সময় সারাক্ষণ পাশে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন কল্যান।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‘‌শচীনকে আউট করতে কে বলেছে?‌’ শোয়েবকে কেন বলেছিলেন সৌরভ?‌

২০০৮ আইপিএলে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হাইভোল্টেজের ম্যাচ ছিল। এমনিতেই নাইট রাইডার্স ও মুম্বইয়ের ম্যাচে চরম উত্তেজনা থাকে। ওই ম্যাচ আবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে হচ্ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অন্যদিকে বিপক্ষে ছিলেন শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছিলেন নাইট রাইডার্সের শোয়েব আখতার। আর শচীনকে আউট করার পর সৌরভ গাঙ্গুলি শোয়েবকে বলেছিলেন,শচীনকে আউট করতে কে বলেছে? প্রথমে ব্যাট করে কলতাতা নাইট রাইডার্স ১৫.২ ওভারে মাত্র ৬৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শন পোলক। ১২ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভো, রোহন রাজে ও ডমিনিক থর্নলে ২টি করে উইকেট নেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট করতে নামলে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে শচীন তেন্ডুলকারকে তুলে নেন শোয়েব আখতার। শচীনকে আউট করার পর তাঁর সামনে চিরাচরিত ভঙ্গীতে উচ্ছাসও প্রকাশ করেন। এরপর বাউন্ডারির ধারে ফিল্ডিং করতে যান শোয়েব আখতার। বাইন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকরা শোয়েবকে কটূক্তি করতে থাকে। বিরক্ত হয়ে শোয়েব এসে অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে অভিযোগ জানান। সৌরভ বাধ্য হয়ে শোয়েব আখতারের ফিল্ডিংয়ের জায়গা পরিবর্তন করেন।সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে শোয়েব আখতার বলেছেন, ওই ম্যাচটা ছিল শচীনের সঙ্গে আমার লড়াই। স্টেডিয়ামে শাহরুখ খানও ছিলেন। শাহরুখ ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য গোটা স্টেডিয়াম ঠাসা ছিল। ম্যাচের আগে শচীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডাও দিয়েছিলাম। শচীন এবং আমি দুজনই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম ওভারেই আমি শচীনকে আউট করেছিলাম। সেটা খুব ভুল হয়েছিল। শচীনকে আউট করার পর আমি ফাইন লেগে ফিল্ডিং করতে যাই। ফাইন লেগে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের কটূক্তি শুনতে হয়। তখন সৌরভ আমাকে বলেছিল, ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। মিড উইকেটে চলে এস। তোমাকে কে বলেছে শচীনকে আউট করতে? তাও আবার সেটা মুম্বইতে? শোয়েব আখতার ওই সময় ভেবেছিলেন, তিনি আর হয়তো ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে পারবেন না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। মুম্বইয়ের ভালবাসায় পরে মুগ্ধ হয়েছিলেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেন, আমি মুম্বাইয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছি। অনেক ভালবাসা পেয়েছি। ওয়াংখেড়েতে আমার দেশকে কেউ গালি দেয়নি। কেউ বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেনি। ওয়াংখেড়েতে আরও ম্যাচ খেলতে পারলে ভাল লাগত। ক্রিকেটজীবনে ৯ বার শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছেন শোয়েব আখতার। কিন্তু এর মধ্যে ওই একবারই শচীনকে আউট করে তাঁর মনে হয়েছিল ভুল করে ফেলেছিলেন। ২০০৮ আইপিএলেই শেষ বার শচীনকে আউট করেছিলেন শোয়েব আখতার।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তসমের থিম সং-এ গাইলেন রূপঙ্কর

ফ্যাশন ডিজাইনার প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের তসম ফ্যাশন স্টুডিওর জন্য থিমসং গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়কের গাওয়া থিম সং দিন বদলের স্বপ্ন চাই, নতুন কিছু করতে চাই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উদ্বোধন করলেন প্রবীণ অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। থিমসং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌতম দে, সুচেতনা দে, তমোজ্যোতি মুখোপাধ্যায়, মডেল ও অভিনেত্রী সুচরিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই থিম সং-এর কথা ও সুর অভিজিৎ পাল ও তাঁর টিমের। এই থিম সং প্রসঙ্গে প্রমিত মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানালেন, প্রতিটি কোম্পানির একটা নিজস্ব থিম সং থাকে। সেই চিন্তা থেকেই একটা থিম সং রিলিজ করা হল। নিজের ভাবনা থেকেই পুরো থিম সংটা করা। থিম সংটা শুধু শোনার জন্য নয়, দেখার জন্যও আমরা ভিডিও হিসাবে বার করেছি যাতে গানের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ড্রেসটাকেও ডিসপ্লে করাতে পারি। এই থিম সং-এর মাধ্যমে আমরা হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছেও পৌঁছে যেতে পারবো।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
রাজ্য

গাড়িতে সরকারি স্টিকার ব্যবহার করে ছাগল চুরির অভিযোগ বর্ধমানে, গাড়ি ভাংচুর-আটক দুই

সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ব্যবহার করে চলছে ছাগল চুরি। মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে চুরি করতেই গাড়িতে ব্যবহার সরকারি স্টিকার বলে অভিযোগ। অভিনব এই ছাগল চুড়ির ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপাড়ায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ।গাড়িতে থাকা দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপুর থেকে এক এক করে ছাগল গায়েব হয়ে যাচ্ছে। এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজলেও তা মিলছে না, এই বিষয়ে কেউ কেউ বর্ধমান থানায় ছাগল হারানোর অভিযোগও দায়ের করে। শাকিব হোসেন খান ও রেহেনা বিবি বলেন, ছাগল চুরির পাশাপাশি প্রত্যেকদিন এলাকাতে কালো কাঁচ ও সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ঘোরাফেরা করছে। তাতেই সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। বৃহস্পতিবার ফের এলাকাতে ওই সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি দেখা যায়। তা আটকাতে গেলে পালানোর চেষ্টা করে। কোনওক্রমে স্থানীয়রা গাড়িটা আটকালে গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় চারটি ছাগল। তারপর স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে গাড়িটিতে ভাঙচুর চালায় এবং গাড়ির চালক ও তার সঙ্গে থাকা একজনকে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি স্টিকার লাগিয়ে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে ছাগল চুরির চলছিল।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

গাড়িতে সরকারি স্টিকার ব্যবহার করে ছাগল চুরির অভিযোগ বর্ধমানে, গাড়ি ভাংচুর-আটক দুই

সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ব্যবহার করে চলছে ছাগল চুরি। মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে চুরি করতেই গাড়িতে ব্যবহার সরকারি স্টিকার বলে অভিযোগ। অভিনব এই ছাগল চুড়ির ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপাড়ায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ।গাড়িতে থাকা দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে সড়াইটিকর পঞ্চায়েতের শান্তিপুর থেকে এক এক করে ছাগল গায়েব হয়ে যাচ্ছে। এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজলেও তা মিলছে না, এই বিষয়ে কেউ কেউ বর্ধমান থানায় ছাগল হারানোর অভিযোগও দায়ের করে।শাকিব হোসেন খান ও রেহেনা বিবি বলেন, ছাগল চুরির পাশাপাশি প্রত্যেকদিন এলাকাতে কালো কাঁচ ও সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি ঘোরাফেরা করছে। তাতেই সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। বৃহস্পতিবার ফের এলাকাতে ওই সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়ি দেখা যায়। তা আটকাতে গেলে পালানোর চেষ্টা করে। কোনওক্রমে স্থানীয়রা গাড়িটা আটকালে গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় চারটি ছাগল। তারপর স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে গাড়িটিতে ভাঙচুর চালায় এবং গাড়ির চালক ও তার সঙ্গে থাকা একজনকে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি স্টিকার লাগিয়ে সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে ছাগল চুরির চলছিল।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পূর্ব কলকাতার মাহেশ্বরী সভার উদ্যোগে ১৩ তম বার্ষিক গাঙ্গোর মহোৎসব

সদ্য সমাপ্ত হোলিকা দহনের পরের দিন থেকে অর্থাৎ চৈত্রের নবরাত্রির তৃতীয় দিন (শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি) থেকে ১৬ দিনব্যাপী গাঙ্গোর পুজোর বিধান আছে শাস্ত্রে। উত্তর ও পশ্চিম ভারতে বিশেষ করে রাজস্থানে বাংলার দুর্গাপুজোর মতোই মহা ধুমধামে এই উৎসব পালিত হয়। কলকাতাও এর ব্যতিক্রম নয়। শহরের পশ্চিম প্রান্ত বড়বাজারে আগে এই উৎসব সীমাবদ্ধ ছিল। এখন জন বিস্তৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।২০০৯ সালে পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনায় গাঙ্গোর উৎসব পালন করছে দুদিনব্যাপী। প্রতি বছরই কাঁকুড়গাছি সংলগ্ন রোজ ব্যাঙ্কয়েটে হাজার মানুষের সমাগম হয়। মূলত এই উৎসব পালিত হয় দেবাদিদেব মহাদেব,পার্বতী ও তাঁদের পুত্র গণেশের অর্চনার মধ্য দিয়ে। বিয়ের উপযুক্ত মেয়েরা মানত করেন মহাদেবের মত স্বামীর কামনায়। সদ্য বিবাহিত মেয়েরা অর্চনা করেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত মহাদেবের মত স্বামী পেয়ে । মেয়েরা গাঙ্গোর উৎসবে অংশ নিয়ে স্বামী সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবেন বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের বেশ কিছু ব্যক্তিত্বরা এবং রাজনৈতিক নেতারাও। উৎসবের অন্যতম আয়োজক পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সভাপতি এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী হেমন্ত মার্দা। তিনি জানালেন, ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে মানুষের মিলন মেলায় থাকে তৃপ্তি সুখ। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা বছরব্যাপী সামাজিক দায়িত্বও পালন করে। কোভিড পরিস্থিতিতে মানুষের প্রয়োজনে খাদ্য,ওষুধ, ডাক্তার পরিষেবা এমনকি অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে রোগীদের সহায়তা করেছে। এ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার ব্যবস্থা করে রোগীদের হাসপাতালে পাঠানোরও ব্যবস্থা করেছে। এই বছর উৎসব উপলক্ষে প্রায় ২৫০ জন আর্থিকভাবে দুর্বল ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের প্রয়োজনীয় খাতা, পেন, পেন্সিল তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সামাজিক দায়বদ্ধতাকে প্রচারের আলোয় আনার কথা ভাবা হয় না। সকলের হাসিমুখ দেখার মধ্যেই যে নিবিড় শান্তি ও তৃপ্তি আছে আমাদের কাছে সেটাই কাম্য।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিনব্যাপী উৎসবের শুভ সূচনা করেন বৃহত্তর কলকাতা প্রদেশ মাহেশ্বরী সমাজের সভাপতি বিনোদ জাজু। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চল মাহেশ্বরী সভা প্রতি বছরের মত এবারও উৎসবের আয়োজন যেমন করেছে তেমন বছর ধরে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। যা প্রশংসার যোগ্য। উৎসবের প্রথম দিনে স্থানীয় বিধায়ক ও পুরপিতা পরেশ পাল সংগঠনের প্রশংসা করে বলেন, সামাজিক বিকাশের স্বার্থে সংগঠনের সব কাজেই যথাসাধ্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন - ভাওয়ার রাঠি, সুরেশ ঝাওয়ার, গোপাল দামানী, ভগবতী মুন্দ্রা, নারায়ণ মণিহার প্রমুখ। প্রথম দিনের পূজা পরিচালনা করেন বিজয় কোমল চান্দক। স্ত্রী আচারের অঙ্গ মেহেন্দি র আয়োজন করেন অনিতা রাঠী। প্রায় ২০০ মহিলা ভক্তকে মেহেন্দি পরান মঞ্জু ঝাওয়ার ও অঞ্জু ভূত্রা। মেহেন্দি অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যপূর্ণ রাজস্থানী গাঙ্গোর সঙ্গীত পরিবেশন করে তরুণীরা। সন্ধায় সংগঠনের সদস্য শিলজা ও বানোয়ারি বাহেটির বাসগৃহে অনুষ্ঠিত হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। ভক্তিমূলক গান রচনা করেন শশী কোঠারি ও বিনয় লাহোটি। সঙ্গীতে অংশ নেন প্রায় ১৬ জন নারীপুরুষ।শিল্পীদের তালিকায় ছিলেন ভামিকা মহতা, রুচিকা মাহেশ্বরী, পদ্মাবাগরি, রবি তাপারিয়া, গিরিরাজ কোঠারি প্রমুখ। গাঙ্গর গীত পরিবেশন করেন রাজকুমার দুজারি ও গিরিরাজ কোঠারি। বড়বাজার অঞ্চলে গত ১৫০বছর ধরে এই উৎসব পালিত হচ্ছে। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সদস্যা রতন বাহেটি বলেন, উৎসবের মধ্য দিয়ে রাজস্থানী ঐতিহ্য অবলম্বন করে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধন গড়ে তোলাই লক্ষ্য।দ্বিতীয়দিনের পূজা পরিচালনা করেন রেশমি ও রাজেশ চান্দক। প্রায় দুহাজার মহিলা ভক্তের উপস্থিতিতে উৎসব সফল হয়ে ওঠে। এই উৎসব সফল করে তুলতে সুনিতা বাহেটি, রাজকুমারী দামানী, লীলা মণিহার এর মত সদস্যাদের সহযোগিতা স্মরণীয়। উৎসবের দু দিনে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বহু বিখ্যাত মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

ঘটনার তিন দিন পরেও স্বামীর পারলৌকিক কর্ম হল না, সিবিআই তদন্ত চায় সন্তোষপুরও

খুনের বাদলা নিতে বগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তাঁর পরিজনদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। সোমবার বিকালে পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ এমন ঘটনা ঘটানোর পরেই পুলিশ ব্যাপক ধরপাকড় অভিযানে নামে। পুলিশ ৩৯ জনকে গ্রেফতারের পর থেকে এখন কার্যত পুরুষ শূণ্য রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের সন্তোষপুর গ্রাম। আর তাতেই বিপাকে পড়ে গিয়েছেন উৎপল ঘোষ (৩৩) এর স্ত্রী সাধনা ঘোষ ও তাঁর পরিবার। কারণ গ্রামে এখন নাপিত, ব্রাহ্মণ কেউ নেই।স্বামীর পারলৌকিক কাজ সম্পাদনের জন্য ক্ষৌরকর্ম পর্যন্ত তাঁরা করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য বুধবার পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষেভ উগরে দিয়েছেন সাধনাদেবী। পাশাপাশি তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর ঘটনার সিবিআই তদন্তও দাবি করেছেন।ছেলের সাথে অসহায় উৎপল ঘোষ-র স্ত্রী সাধনা ঘোষকৃষি প্রধান গলসির সন্তোষপুর গ্রাম হঠাৎ করে এই ভাবে খবরের শিরণামে জায়গা করে নেওয়ার নেপথ্য কারণটাও যথেষ্ট শিহরণ জাগানো। স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করেছিলেন এই গ্রামেরই বাসিন্দা উৎপল ঘোষ (৩৩)। শুধু প্রতিবাদ করাই নয়, স্ত্রীকে উত্যক্ত করার ঘটনায় জড়িত প্রতিবেশী মনোজ ঘোষের বিরুদ্ধে তিনি গলসি থানায় অভিযোগও জানিয়ে ছিলেন। তারই বদলা নিতে রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুড়ুর দিয়ে কুপিয়ে উৎপল ঘোষকে নৃশংস ভাবে খুন করে মনোজ ঘোষ। রাতে মাথায় কুড়ুল গেঁথে থাকা অবস্থায় এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে উদ্ধার হয় উৎপলের মৃতদেহ। মৃতর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তে নেমে গলসি থানার পুলিশ ওই রাতেই মনোজ কে আটোক করে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। উৎপলকে নৃশংস ভাবে খুন করার কথা জেরায় মনোজ পুলিশের কাছে স্বীকারও করে নেয়। পুলিশ মনোজ ঘোষকে গ্রেফতারের পর সেমবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে ৪ দিন পুলিশি হেপাজতে নিয়েছে।ভষ্মীভুত গাড়িএই পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও মনোজের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকালে উৎপলের মৃতদেহ বাড়িতে ফেরার পর। তা আঁচ করে গ্রামে পুলিশও চলে যায়। তারই মধ্যে গ্রামের উত্তেজিত মানুষজন মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে চড়াও হয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে পোড়ে মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা, কাকার বাড়িতে থাকা একাধিক গাড়ি ও খড়ের পালুই। আগুন নেভানোর জন্য খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও খুনের ঘটনার বদলা নিতে বাগটুইয়ের কায়দায় খুনি ও তার পরিজনদের বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রামের ৩৯ জনকে গ্রেফতার করে।ভষ্মীভুত ট্রাকটারপুলিশের এই গ্রেপ্তারি নিয়ে এদিন প্রশ্ন তুলেছে নিহত উৎপল ঘোষের স্ত্রী সাধনাদেবী। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ নিরপরাধ গ্রামবাসীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। অথচ অপরাধীরা এখনও দিব্যি গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুনি মনোজ ঘোষকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও তার বাবা কার্তিক ঘোষ ও কাকা হারাধন ঘোষকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। এখনও গ্রেফতারির ভয়ে গোটা গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে রয়েছে।গ্রামে ব্রাহ্মণ নেই, নাপিত নেই। স্বামীর মৃত্যুর তিন দিন পরও পারলৌকিক কাজ সম্পাদনে জন্য ক্ষৌরকর্ম করার রীতি থাকলেও তা করতে পারা গেল না। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ সাধনাদেবী এদিন বলেন, আমি চাই সিবিআই আমার স্বামীকে খুনের ঘটনার তদন্তু করুক। নিহত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষও বলেন, পুলিশ ঠিক মত কাজ করছে না। যার বাড়ি থেকে অস্ত্র গেল উৎপলকে খুন করার জন্য তাকে পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনিও সিবিআই তদন্ত চাইছেন। যদিও জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, পুলিশ খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সব দিক বিবেচনা করেই পুলিশ তদন্ত করছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • ...
  • 78
  • 79
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal