• ২২ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Murder

দেশ

মৃত্যুর পর প্রেমিকাকে মেসেজ—“তোমার জন্যই খুন করলাম!” বেঙ্গালুরুর চিকিৎসকের কাণ্ডে শিউরে উঠছে গোটা দেশ

বেঙ্গালুরুতে ভয়ঙ্কর এক হত্যাকাণ্ডে বেরিয়ে এল রোমহর্ষক তথ্য। শল্যচিকিৎসক স্বামী নাকি বেশ কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে অ্যানাস্থেশিয়া দিয়ে খুন করেছেন তাঁর স্ত্রীকে! আর খুন সফল হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রেমিকাকে মেসেজতোমার জন্যই স্ত্রীকে খুন করলাম! শিউরে উঠছে গোটা দেশ। চিকিৎসার নামে মৃত্যু, আর তার নেপথ্যে প্রেম আর ষড়যন্ত্রযেন রুদ্ধশ্বাস ক্রাইম থ্রিলারের বাস্তব রূপ।চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কৃতিকা রেড্ডি ২১ এপ্রিল আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন বাড়িতে। ছুটে হাসপাতালে নিয়ে যান স্বামী, সার্জন ড. মহেন্দ্র রেড্ডি। হাসপাতালে পৌঁছেই চিকিৎসকরা ঘোষণা করেনকৃতিকার মৃত্যু হয়েছে। প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মামলা শুরু হলেও পরে দেহের বিশ্লেষণে মিলল ভয়াবহ তথ্য। কৃতিকার শরীরে পাওয়া গেল উচ্চমাত্রার অ্যানাস্থেটিক ওষুধ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, অনেক দিন ধরেই স্ত্রীকে গোপনে অ্যানাস্থেশিয়া দিচ্ছিলেন মহেন্দ্র। তাঁর সার্জারি জ্ঞানের অপব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে স্ত্রীকে শেষ করে দেন তিনি।পুলিশ সূত্রের খবর, মহেন্দ্র বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। পুলিশের অনুমানস্ত্রীকে পথের কাঁটা মনে করেই এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করেন। কৃতিকার মৃত্যুর পরপরই ফোনে প্রেমিকাকে বার্তা পাঠানতোমার জন্যই স্ত্রীকে খুন করলাম! তাঁর ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় মিলে যায় সেই প্রমাণ। যুগলপক্ষ এ বার নতুন তথ্য সামনে এনেছে, প্রেমিকাকেও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে তদন্তের স্বার্থে।১৫ অক্টোবর মহেন্দ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এখন তাঁকে জেরা করে খোঁজা হচ্ছে আরও তথ্য। কীভাবে এত ঠান্ডা মাথায়, এতটা নিষ্ঠুরভাবে একজন চিকিৎসক খুন করল নিজের স্ত্রীর? প্রশ্নে উত্তাল চিকিৎসামহল, ক্ষোভে ফুঁসছে নেটপাড়া। বিচার চাইছেন নিহত ডাক্তারের সহকর্মীরা।বাস্তব কখনও কখনও সিনেমাকেও হার মানায়এই ঘটনা তার নির্মম প্রমাণ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

দেহ ট্রলিতে, মুখে হাসি—সোনার গয়না কিনে ফিরল খুনি মা-মেয়ে! কঠোর শাস্তি আদালতের

সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, আর সেই থেকেই জন্ম এক শীতল, রোমহর্ষক খুন। মাঝরাতে স্যুটকেসে দেহ, ফেরি ঘাটে দেহ ফেলার পরিকল্পনা, কিন্তু শেষমেশ ধরা পড়ল দুই মহিলামা ও মেয়ে। কলকাতার আহিরীটোলা ঘাটে ট্রলি ব্যাগে এক নারীর দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় সোমবার বারাসতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক আদালত দোষীদের সাজা ঘোষণা করে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেলেন মূল অভিযুক্ত আরতি ঘোষ এবং তাঁর মেয়ে ফাল্গুনী ঘোষ। তাঁদের এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা না দিলে ৬ মাস বাড়তে পারে জেল।ঘটনা এই বছরের ফেব্রুয়ারি। উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দক্ষিণ বীরেশপল্লির একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন আরতি ও তাঁর মেয়ে ফাল্গুনী। সেখানে কয়েক দিনের জন্য থাকতেই এসেছিলেন সুমিতা ঘোষ, যিনি ফাল্গুনীর পিসি-শাশুড়ি। ২৪ ফেব্রুয়ারি অসমে বাড়ি ফেরার কথা ছিল সুমিতার। কিন্তু তার আগের দিনই ঘটে ভয়ানক ঘটনা। সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়ার জেরে তাঁকে নৃশংসভাবে খুন করে আরতি ও ফাল্গুনীপ্রথমে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে দেওয়া হয় সুমিতার, এরপর শরীরজুড়ে আঘাত। তারপর বাড়ির ভিতরেই তাঁর দেহ ট্রলিব্যাগে ভরে রেখে দেয় তারা।এখানেই শেষ নয়। খুনের পরদিনই নিহতের ফোনপে অ্যাপ ব্যবহার করে বড় ট্রলি ব্যাগ কেনে মা-মেয়ে। মৃতার টাকায় হোটেলে খায়, সোনার গয়না কেনে, এমনকি আনন্দেও মাতেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে নতুন ট্রলি ব্যাগে দেহ ভরে প্রথমে ভ্যানে, তারপর ক্যাবে করে দেহ লোপাট করতে চলে যায় আহিরীটোলা ঘাটে।কিন্তু ঘাটে উপস্থিত মানুষ সন্দেহ করলে ধরা পড়ে যায় সব। স্থানীয়রা ট্রলি খুলতেই বেরিয়ে আসে রক্তমাখা দেহ। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে দুজনকে গ্রেফতার করে। পরে তদন্তভার নেয় মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায়সংহিতার ১০৩(১), ২৩৮ এবং ৩(৫) ধারায় মামলা চলে। ৩০ অক্টোবর আদালত তাঁদের দোষী ঘোষণা করে। আর ৩ নভেম্বর শুনানো হয় সাজাআজীবন কারাদণ্ড।এ ঘটনা এক বীভৎস সত্য তুলে ধরলসম্পর্ক, আত্মীয়তা আর বিশ্বাস আজ কতটা মূল্যহীন হয়ে পড়েছে লোভ আর সম্পত্তির লালসায়। আদালতের সাজা যেন সমাজকে সতর্ক করেঅপরাধ যত পরিকল্পিতই হোক, শেষমেশ ধরা পড়বেই।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
দেশ

ভোটের উত্তাপে বিস্ফোরণ, গুলির আতঙ্ক! জন সূরজ পার্টির কর্মী খুনে ধরা জেডিইউ নেতা

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫-এর আগেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজনৈতিক আক্রমণপ্রতিআক্রমণের মাঝেই এবার সামনে এল রক্তাক্ত ঘটনা। প্রশান্ত কিশোরের দল জন সূরজ পার্টির কর্মী দুলারচন্দ যাদবের মৃত্যুর মামলায় গ্রেফতার হলেন ক্ষমতাসীন জেডিইউ-র মোকামা কেন্দ্রের প্রার্থী অনন্ত সিং। পটনা পুলিশের হাতে শনিবার, ১ নভেম্বর তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকেও পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।ুীদুলারচন্দ যাদব গত বৃহস্পতিবার মোকামায় জন সূরজ পার্টির প্রার্থী পীযূষ প্রিয়দর্শীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সেই ভরা সভাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রথমে গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা শোনা গেলেও ময়নাতদন্তে প্রকাশগুলি নয়, গুরুতর শারীরিক আঘাত, বিশেষত পাঁজরের হাড় ভেঙে যাওয়া ও ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।দুলারচন্দ অনেক দিন আরজেডি-র প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। লালু প্রসাদ যাদবের ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিত। পরে PKর জন সূরজ পার্টিতে যোগ দেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সভার মাঝেই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধেছিল। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই ঘটে এই মৃত্যুর ঘটনা। এবং সে সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন জেডিইউ প্রার্থী অনন্ত সিং।গ্রেফতারের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পীযূষ প্রিয়দর্শী বলেন, পুলিশ ঠিক কাজ করেছে। তবে এই পদক্ষেপ আরও আগে হওয়া দরকার ছিল। এটা কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়। এফআইআর হওয়ার পরই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল। দেরিতে হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এখন দেখার তদন্ত কতদূর এগোয়।অন্য দিকে গ্রেফতারির আগে অনন্ত সিং দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। প্রাক্তন সাংসদ সূরজভান সিংকে দায়ী করেন তিনি। উল্লেখ্য, সূরজভান সিংয়ের স্ত্রী বীণা দেবী এবার আরজেডি-র প্রার্থী।ঘটনার গুরুত্ব দেখে ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আদর্শ আচরণবিধি কড়াভাবে বজায় রাখতে হবে এবং রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন বিন্দুমাত্র নষ্ট না হয়।বিহারের ভোটযুদ্ধ এখনও শুরুই হয়নি, আর তার আগেই রক্তঝরা সংঘর্ষে জর্জরিত রাজনৈতিক ময়দান। আগামীর দিনগুলো যে আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
রাজ্য

RG Kar কাণ্ডে তৃণমূলের দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভয়ার বাবার! উত্তাল রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ!আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করতেই কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে পালটা বোমা ফাটালেন নির্যাতিতার পরিবার।কী অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, আমাদের সঙ্গে উনি টাকা দিয়ে ব্যাপারটা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়িতে আসেননি, তবে বলেছিলেন আপনাদের এত টাকা দিচ্ছি, ব্যাপারটা মিটিয়ে নিন। পাশাপাশি বেশ কিছু হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটও সাংবাদিকদের দেখান নির্যাতিতার বাবা। তিলোত্তমার মা-বাবা আরও অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই কুণাল ঘোষ তাঁদের ফোন ও মেসেজ করতেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর কথায়, তিলোত্তমার বাবা বলছেন আমি নাকি ফোন করে রফার চেষ্টা করতাম! এতদিন পর এসব বলছেন? কত বড় মিথ্যা বলছেন ভেবে দেখুন। আমি অনুরোধ করছি, কোর্টে গিয়ে মাননীয় বিচারকের কাছে সব প্রমাণ দিন। সাংবাদিকদেরও প্রিন্ট আউট দিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবটা দিয়ে দিন। সবাই দেখুক কুণাল ঘোষ কী লিখেছিলেন। অকারণে রহস্য বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।কোনও ভাবেই মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার যে অঙ্গীকার তা থেকে আমাদের পিছু হটানো যাবে না। তৃণমূল সরকার বারে বারে যাতে ন্যায় বিচার না পাই তার চেষ্টা করেছে। এবার এক সন্তানহারা বাবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তৃণমূলেরই মুখপাত্র। তবে মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনবই। কোনও শক্তি সেই ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার লড়াই থেকে আমাদের বিরত করতে পারবে না। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই হবে আইনি পথেই। এভাবেই বছর পেরোলেও মনোবল অটূট রেখে লড়াই জারির বার্তা দিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নির্যাতিতার বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে আরজি করের নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ ছিল, CBI টাকা নিয়ে তদন্ত চেপে দিয়েছে। সিবিআইকে টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কুণাল ঘোষ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টা দেখাশোনা করেছেন। আরজি করের নির্যাতিতার বাবার এই মারাত্মক অভিযোগের ব্যাপারে আগেই কুণাল ঘোষ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন তিনি।এর আগে গত সপ্তাহে নিহত চিকিৎসকের বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, নিহত চিকিৎসকের বাবার প্রতি ম্পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে, তবে ইচ্ছেমতো বা অন্য কারও প্ররোচনায় মিথ্যে অভিযোগ করা যায় না। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ সতর্ক করে বলেন,ক্ষমা না চাইলে আদালতে প্রমাণ হাজির করতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর চার দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র।কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি মিথ্যে ও নাটকের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বুঝি, মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণায় থাকা এক বাবার বেদনা কতটা গভীর। কিন্তু তাই বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করলে প্রশ্ন উঠবেই। কার নির্দেশে বা কোন তথ্যের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন? উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ডিউটিতে থাকা ৩১ বছর বয়সি এক চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে সিবিআই তদন্তেও দোষী হিসাবে উঠে আসে সঞ্জয়ের নামই। শিয়ালদা আদালতে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়।নিহত চিকিৎসকের বাবা সিবিআই তদন্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সিবিআই শুধু কলকাতা পুলিশের সেই পুরনো তত্ত্বকেই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। আমরা শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি জানালেও সিবিআই আমাদের বক্তব্য উপেক্ষা করেছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার সিবিআইকে ঘুষ দিয়েছে এবং কুণাল ঘোষই এই সমঝোতা করিয়েছেন।

আগস্ট ২১, ২০২৫
রাজ্য

চায়ের দোকানে খুন, গ্রেফতার তৃণমূলের উপ-প্রধানের দুই ভাই

পূর্ব আক্রোশ বসত এক ব্যক্তিকে রড দিয়ে পিটিয়ে মারা হয় বলে অভিযোগ। সোমবার সন্ধ্যায় ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম মোহাম্মদ বাবলু (৪৫)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার গিরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতলাটোলা গ্রামে। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। এদিন বাড়ির পাশের চায়ের দোকানে বসে ছিলেন বাবলু। আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী রড দিয়ে আঘাত করে। তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে জঙ্গি পুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। গত লোকসভা নির্বাচনে ওই এলাকার একটি বুথে তৃণমূল কম ভোট পায়, তা নিয়ে এলাকায় গন্ডগোল বাধে। সেই গন্ডগোলের জেরে এখনও অনেকেই বাড়ি ছাড়া। পূর্বের আক্রোশ বসে এই হামলা বলে দাবি করা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে কংগ্রেস বেশি ভোট পাওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কিছু মাস্তান তাদের ধমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। খুনের ঘটনায় উপপ্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। বাবলু শেখের খুনের ঘটনায় পুলিস উপপ্রধান কারু শেখের দুই ভাই তানজিল শেখ ও আসগার শেখ ওরফে হারু শেখকে গ্রেপ্তার করে। দুইজনকে এদিন ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের আবেদন জানিয়ে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।

জুন ১০, ২০২৫
রাজ্য

খুন করে টুকরো টুকরো দেহ বালি, সিমেন্টে ঢালাই, গ্রেফতার কাকিমা

এ যেন বলিউডের সেই বিখ্যাত হান্ডেড ডেজ সিনেমা। ১৫ দিন নিখোঁজ থাকার পর একটি নির্মীয়মান বাড়ির ঢালাই সিমেন্টের মেঝে খুঁড়ে এক ঠিকাদারের টুকরো করা দেহ উদ্ধার করলো পুলিশ। কাকিমার সঙ্গে ওই ঠিকাদারের পরকীয়া সম্পর্কের জের এবং মোটা টাকার লেনদেনকে ঘিরেই এই খুনের ঘটনা বলে প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে পুলিশ। চাঁচল মহকুমার পুখুরিয়া থানার কোকলামারি এলাকার বাসিন্দা ওই ঠিকাদার সাদ্দাম নাদাপ (৩৬)। তার কাকিমা মৌমিতা হাসানের বাড়ি ইংরেজবাজার শহরের কৃষ্ণপল্লী বাপুজী কলোনি এলাকায়। মৌমিতার স্বামী রহমান নাদাপ, তিনি পেশায় সরকারি স্কুলের শিক্ষক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইংরেজবাজার শহরের বাপুজি কলোনি এলাকার কাকিমা মৌমিতা হাসানের বাড়ির নিচতলা ভাড়া নিয়ে অফিস করেছিল ভাইপো সাদ্দাম। লেবার সরবরাহের পাশাপাশি জমি জায়গার বেচা কেনার সঙ্গে যুক্ত ছিল সাদ্দাম নাদাল। গত ১৮ মে ইংরেজবাজার শহরের বাপুজী কলোনি এলাকার অফিস থেকে রাতে বাড়ি ফেরার সময় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় সাদ্দাম। সেই সময় তার কাছে ছিল ব্যবসার ২৫ লক্ষ টাকা। এই বিষয়ে ইংরেজবাজার থানায় পুখুরিয়া থেকে এসে তার পরিবারের লোকেরা নিখোঁজের লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে সাদ্দামের কাকিমাকে সন্দেহ করে নির্দিষ্ট নাম দিয়ে ২৩ মে আবারপ অভিযোগ দায়ের করেন স্ত্রী নাসরিন খাতুন। এরপরই পুলিশ রবিবার সাদ্দামের কাকিমা মৌমিতাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশি জেরায় মৌমিতা স্বীকার করে তার বাবার বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে নিয়ে গিয়ে ভাইপোকে সুপারি কিলারের সাহায্যে খুন করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন এলাকায় মৌমিতার বাবার বাড়ি। সেখানেই তাদের একটি বাড়ি তৈরি হচ্ছে। সেই বাড়িতেই গত ১৮ মে সাদ্দামকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে আসে তার কাকিমা মৌমিতা। সাদ্দামের সঙ্গে তার কাকিমার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল গত পাঁচ বছর ধরে। এরপরই সেখানে সুপারি কিলারের সাহায্য নিয়ে খাসি কাটার মতো সাদ্দামের দেহ টুকরো করা হয়। সেই দেহের অংশ নির্মীয়মান বাড়ির মেঝেতে পুঁতে দিয়ে রীতিমতো বালি সিমেন্টের ঢালাই করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পিছনে তিন থেকে চারজন দুষ্কৃতীর সাহায্য নিয়েছে ধৃত ওই মহিলা। সোমবার তপন এলাকা থেকেই মৃত ওই ঠিকাদারের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মোটা টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই কাকিমার সঙ্গে গোলমাল চলছিল ভাইপো সাদ্দামের। তার জেরে এই খুনের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। এদিকে আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত মৌমিতা হাসান জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তাকে ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল। তার স্বামী ও নাবালক সন্তানকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। পথের কাঁটা দূর করতে তিনি এভাবে খুন করেছে।

জুন ০৩, ২০২৫
রাজ্য

মেমারিতে বাবা-মাকে খুন করে বনগাঁয় গিয়ে তান্ডব, গ্রেফতার গুণধর ছেলে, ধুন্ধুমার কাণ্ড

শুরু মেমারিতে, যার শেষ হল বনগাঁতে। গুনধর ইঞ্জিনিয়ার ছেলে বাবা-মাকে নৃশংস ভাবে খুন করে পালিয়েছিল বনগাঁয়। সেখানে গিয়ে এলোপাথারি ছুরি চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে জখম করেছে। তাকে জোর করে বের করার জন্য থানা আক্রমণ করেছে স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। ধুন্ধুমার কাণ্ড। বুধবার সকালে গলার নলি কাটা অবস্থায় বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার হয় বৃদ্ধ মা ও বাবার রক্তাত মৃতদেহ। মোস্তাফিজুর রহমান (৬৫) ও মমতাজ পারভীন (৫৫)। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিয়ারা মুক্তারবাগান এলাকায়। জোড়া খুনের খবর পেয়ে জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তবে মৃত দম্পতির ছেলে বাড়িতে না থাকায় পুলিশের সন্দেহ বাড়তে থাকে। তবে এটা যে খুনের ঘটনা তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত ছিল পুলিশ। খুনের পর বৃদ্ধ দম্পতিকে ঘর থেকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে বের করে আনা হয়েছিল। সেই কারণে গোটা নানা জায়গায় রক্তের দাগ দেখা গিয়েছে। রাতে দিকে এই ঘটনার আঁচ গিয়ে পড়ে সীমান্ত এলাকায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয়। জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির ছেলে হুমায়ূন কবির বাইরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতো। হুমায়ুনের মানসিক সমস্যা আছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তাছাড়া বাড়ির সিসিটিভির হার্ড ডিস্ক উধাও বলে জানা গিয়েছে। বৃদ্ধ দম্পতির দেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এদিকে বুধবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি বনগাঁ খান শরীফে ঢুকে বেশ কয়েকজনের ওপরে ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। এই ঘটনায় কয়েকজন আহত অবস্থায় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বনগাঁ খান শরীফের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করে সংখ্যালঘুরা। জানা গিয়েছে, একদল বনগাঁ থানায় এসে আসামিকে ছাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে এবং বনগাঁ থানায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং কয়েকজনকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বনগাঁর এসপি দীনেশ কুমার। পরে পুলিশ জানতে পারে ওই যুবক মেমারিতে বাবা-মাকে খুন করে বনগাঁয় এসে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার সাংবাদিকদের জানান, আক্রমণকারী যুবকের নাম হুমায়ন কবির। বয়স ৩৫ বছর, বাড়ি বর্ধমানের মেমারি। আজ সকালে এই ব্যক্তি তার বাবা-মাকে খুন করে এখানে এসেছে। তারা ছুরির আঘাতে চার জন আহত হয়েছে। এদিকে থানা ভাঙচুরের ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আঘাত পেয়েছেন একজন কনস্টেবল ও একজন এএসআই। এদিকে রাতেই মেমারি থানার পুলিশ পৌঁছে গিয়েছে বনগাঁ থানায়।

মে ২৯, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় ফের শুট আউট, লিচুবাগানে গুলিবিদ্ধ যুবক

গুলিকাণ্ড থামছেই না মালদায়। ফের শুট আউট। লিচুবাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ যুবক উদ্ধার। কালিয়াচক থানার মোজমপুর এলাকার ঘটনা। করিম খান নামে ওই যুবক বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশেই লিচু বাগান জোগাচ্ছিল ওই যুবক। গতকাল রাত দশটা নাগাদ পরিবারের সদস্যরা খবর পান করিম খানকে কেউ বা কারা গুলি করেছে। এরপর পরিবারের সদস্যরা লিচু বাগানে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় নীচে পড়ে রয়েছে করিম। এরপরই তাকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে কে বা কারা করিম শেখকে গুলি মেরেছে কিছুই বুঝতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন কালিয়াচকের মজমপুর কয়েক মাস ধরে শান্ত ছিল। কিন্তু নতুন করে আবার উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। এর আগে মালদার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বাবলা সরকারকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে খুন করেছিল।

মে ২৬, ২০২৫
রাজ্য

বুথ কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে খুন, ৬ জনের যাবজ্জীবনের নির্দেশ

ভোট গ্রহন কেন্দ্রে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় ৬ ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন করাদন্ডের নির্দেশ দিলেন লালবাগ আদালতের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা বিচারক জিতেন্দ্র গুপ্তা। এছাড়া প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস জেল। শুক্রবার বিচারকের এই রায় শুনে আদালত চত্ত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন আসামী পক্ষের লোকজন। এই ব্যাপারে সরকারি পক্ষের আইনজীবী আব্দুল খালেক ফিটু বলেন, এই কেসে মোট ১৯ জনের সাক্ষী গ্রহণ করা হয়। এছাড়া অন্যান্য তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ৩০২ ধারায় খুন ও ৩৪ ধারায় সম্মিলিত কার্যকলাপের অভিযোগে দোষীদের সাজা ঘোষণা করেন বিচারক।২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হন আবুল কালাম ওরফে টিয়ারুল শেখ।নতুন ভোটার দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে রানিতলা থানার অনুপনগরের বাসিন্দা টিয়ারুল সকাল সকাল বালিপাড়া সরকার পাড়া ১৮৮ নম্বর বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ান। অভিযোগ ভোটের লাইনে দাঁড়াতেই তৃণমূল কর্মী লালু শেখ, বিয়ারুল শেখ, মাসু শেখ, কামারুন শেখ, তাহজুল শেখ এবং আবু হেনা বিভিন্ন ভাবে উত্যক্ত করতে থাকে টিয়ারুল ও তার পরিবারকে। এর প্রতিবাদ করলে ভোটের লাইন থেকে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে ভারি সজনে গাছের ডাল দিয়ে বেধড়ক ভাবে পেটান তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডা বাহিনী। এই অবস্থায় বাবাকে বাঁচাতে ছুটে যায় তার ছেলে মাহাতাব। ততক্ষণে বুথের কংক্রিটের দেওয়ালে চেপে ধরে এলোপাতাড়ি ধারল অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় ওই কংগ্রেস কর্মীকে। রক্তাক্ত টিয়ারুল বাড়ির দিকে ছুটতে থাকে এক সময় পেট চিরে নাড়ি ভুড়ি বেরিয়ে গেলে ছেলে মাহাতাব তাকে উদ্ধার করে নসিপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। জখমের অবস্থার অবনতি হতে থাকলে তাকে লালবাগ হাসপাতালে পাঠানো হয়, কিন্তু রাস্তায় টিয়ারুলের মৃত্যু হয়। এর আগে ওই বুথে তৃণমূল কংগ্রেস ছাপ্পা ভোট করছিল বলে অভিযোগ তোলে বাম-কংগ্রেস জোট। সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল বুথে। সেক্টর আধিকারিক বুথে পৌঁছালে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্ত কিছুক্ষণ পরেই আবার উত্তেজনা শুরু হয়। আর তাতেই খুন হতে হয় কংগ্রেস কর্মী টিয়ারুল শেখকে। মৃতের দাদা আইজুদ্দিন শেখ বলেন, রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সক্রিয় হলে ভাইকে এই ভাবে দফায় দফায় আঘাত করে খুন করতে পারত না তৃণমূলের গুণ্ডা বাহিনী। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের পুলিশ গ্রেপ্তার করে। অবশ্য তাদের মধ্যে ৫ জন জামিনে মুক্ত হলেও এতদিন জেল হেফাজতে ছিল লালু শেখ। এই খুনের ঘটনায় তদন্তকারী পুলিশ অফিসার গদাধর ঘোষাল ও সাব-ইন্সপেক্টর সাহাবুদ্দিন আদালতে প্রায় ৪৭০ পাতার চার্জশিট জমা করেন। এদিনের আদালতের রায় শুনে মৃতের পুত্র মাহাতাব শেখ বলেন, আদালতের প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল। আদালতের এই রায় শোনার অপেক্ষায় ছিলাম। এদিকে আসামী পক্ষেরআইনজীবী সাহানা পারভিন বলেন, আমার মক্কেলদের ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আমরা উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

মে ২৪, ২০২৫
রাজ্য

শেষমেষ পুলিশের জালে মালদার তৃণমূল নেতা খুনের মাস্টামাইন্ড

প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত। শেষমেশ পুলিশের জালে মালদার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।বৃহস্পতিবার কৃষ্ণ রজক ওরফে রোহানকে বিহারের কাটিহার থেকে গ্রেফতার করে মালদা পুলিশ। বিহারের পুলিশ ও গোয়েন্দা অফিসারদের সহযোগিতা নিয়েই বাবলা সরকার খুনের মূল চক্রীকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার মালদা নিয়ে আসা হয়। এদিন ধৃতকে মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় আরও এক অভিযুক্ত বাবলু যাদবকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কৃষ্ণ এবং বাবলুর বিরুদ্ধে বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ২ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল মালদা জেলা পুলিশ।এদিকে বাবলা সরকার খুনের মাস্টারমাইন্ড কৃষ্ণ রজক গ্রেফতার হতেই ফের নতুন করে বড়মাথার তথ্য উঠে আসতে শুরু করেছে। নিহত বাবলা সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরকার বলেন, পুলিশ ভালো কাজ করেছে। ধৃত কৃষ্ণ রজক গ্রেফতার হওয়ার পর এতদিন যারা আড়ালে অথবা অন্তরালে রয়ে গিয়েছে, তাদের নাম হয়তো উঠে আসতে পারে। মালদার একজন জনপ্রিয় নেতাকে তার এলাকায় ঢুকে দিনের আলোতেই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন করছে দুষ্কৃতীরা। এত বড় সাহস হয় কি করে? অবশ্যই এর পিছনে বড় কারও প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি বাবলা সরকার নিজের এলাকা মহানন্দাপল্লিতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন। একটি মোটর বাইকের করে আসা চারজন দুষ্কৃতী তৃণমূল নেতা বাবলা সরকারের গাড়ি ধাওয়া করেই মহানন্দাপল্লীতে এসে তাঁকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। এই ঘটনার পর ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং একদা সিপিএমের নেতা স্বপন শর্মা, বিহারের তিন পেশাদার খুনিসহ মোট আটজন গ্রেফতার হয়েছিল। কৃষ্ণ রজক গ্রেফতারের পর সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো মোট ৯ জন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত কৃষ্ণ রজকের বাড়ি ২২ নম্বর ওয়ার্ডের রেল কলোনি এলাকায়। পেশায় গোয়ালা কৃষ্ণ রজক মানুষের বাড়ি বাড়ি গরুর দুধ সরবরাহ করত। একটা সময় গরুর দুধ সরবরাহের কাজ বন্ধ করে জমি জায়গার ব্যবসায় নেমে পড়েছিল অভিযুক্ত কৃষ্ণ রজক। কোনও কারণবশত বাবলা সরকারের সঙ্গে অভিযুক্তের জমি জায়গার টাকা পয়সা হিসাব নিয়ে গোলমাল হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা পুলিশের। পাশাপাশি গরুর দুধ বাড়ি বাড়ি সরবরাহ করার ক্ষেত্রেও পরিচয় হয়েছিল ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মার সঙ্গে কৃষ্ণ রজকের। বাবলা সরকার খুনের ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে এই কৃষ্ণ রজকের সঙ্গে ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মার ফোনে একাধিকবার কথা হয়েছে। তাদের বাড়িতেও যাতায়াত ছিল, সিসিটিভি ফুটেছে সেই তথ্য উঠে এসেছে। কিন্তু তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় যে ৫০ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছিল, মূলত সেই টাকা এই কৃষ্ণ রজক এবং আরেক অভিযুক্ত বাবলু যাদবের হাত দিয়েই সরবরাহ করা হয়। এত মোটা অংকের টাকা কোথায় পেয়েছিল তারা। সেটি নিয়েও এখন উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে জেলা পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, বাবলা সরকার খুনের ঘটনার পর কৃষ্ণ রজক এবং বাবলু যাদবের গ্রেফতারের জন্য দুই লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। কৃষ্ণ রজক গ্রেফতার হলেও এখনপ গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে বাবলু যাদব। মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, বিহারের কাটিহার থেকে বাবলা সরকার খুনের মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণ রজককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাবলু যাদবের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৫
কলকাতা

সল্টলেকে বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড়ের বাড়িতে খুন, গ্রেফতার এক

বিশ্ববরেন্য ফুটবলার পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঘটে গেল খুনের ঘটনা। প্রয়াত খ্যাতনামা এই ফুটবল কোচের পরিবারের দুই পরিচারকের মধ্যে ঝগড়া বিতন্ডা থেকেই ঘটে যায় খুন। এই ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মদের আসরে খুন হয়েছে বলে খবর। রান্না ঘরের ছুরি দিয়ে এলোপাথারি কোপ। দুই পরিচারকের মধ্যে বচসা। আর তার ছেড়েই খুন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করল বিধান নগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। প্রাক্তন ফুটবলার PK ব্যানার্জীর বাড়িতই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সল্টলেকে জিডি ব্লকের ২৭৩ নম্বর বাড়িতে মদের আসর বসে। সেখানেই দুই পরিচারকের মধ্যে ঝামেলা হয়। ঝামেলা চলাকালীন বরুন ঘোষ রান্নাঘর থেকে একটি ছুরি নিয়ে এসে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে গোপীনাথ মুহুরিকে। বিধান নগর মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এর পরে খবর যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বরুণ ঘোষকে গ্রেফতার করে। তবে কি কারণে এই ঝামেলা, সেই বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মার্চ ১৫, ২০২৫
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে স্ট্যাটাস রিপোর্ট CBI-এর, কি আছে রিপোর্টে

আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিল CBI। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার জমা দেওয়া সেই স্ট্যাটাস রিপোর্টে আরও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত স্পষ্ট। আরজি করের ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা করছে সিবিআই। স্ট্যাটাস রিপোর্টেও এই আশঙ্কার উল্লেখ রয়েছে। এদিকে, আরজি করের নির্যাতিতার ন্যায়বিচার চেয়ে দিল্লিতে সিবিআই অধিকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা-মা।আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত এখনও জারি রয়েছে। আগামী ১৭ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের পরবর্তী শুনানি রয়েছে। তার আগে শিয়ালদহ আদালতে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে আরজি করের ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত স্পষ্ট। এক্ষেত্রে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত এখনও চালিয়ে যাচ্ছে সিবিআই। এ ব্যাপারে দ্রুত চার্জশিট পেশ করা হবে বলেও তারা জানিয়েছে। তবে টালা থানার প্রাক্তন ওসি-র মোবাইল ফোনের সিম এখনই ফেরত দেওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে সিবিআই। সেক্ষেত্রে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা করছেন তদন্তকারীরা। সিবিআইয়ের সেই আশঙ্কাকে মান্যতা দিয়েছে আদালত।এদিকে আরজি করের নির্যাতিতা তরুণীর বাবা-মা ন্যায়বিচারের দাবিতে দিল্লিতে সিবিআই অধিকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছেন। আরজি করের তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
কলকাতা

ট্যাংরার তিন মহিলা কি পরিকল্পিত খুনের শিকার? কেন এমন কাণ্ড?

আত্মহত্যা না খুন? ট্যাংরার বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের পর এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকেই সন্দেহ ক্রমশ বাড়ছিল ৷ খুনের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সেই সন্দেহ আরও ঘণীভূত হয়। এদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর দেখা গেল সেই সন্দেহই কার্যত সত্যি হল৷ খুনই করা হয়েছে ট্যাংরার রোমি দে, সুদেষ্ণা দে ও এক নাবালিকাকে ৷বুধবার ট্যাংরা থানা এলাকার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ৷ সেই তিনজন রোমি-সুদেষ্ণা ও এক নাবালিকার দেহের ময়নাতদন্ত হয় বৃহস্পতিবার ৷ সেখানে ওই নাবালিকার শরীরে বিষ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান (জয়েন্ট সিপি-ক্রাইম) রূপেশ কুমার ৷ তিনি বলেন, ওই নাবালিকার শরীরে বিষ মিলেছে ।কলকাতা পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী রোমির দুই হাতের কবজির শিরা কাটা ছিল ৷ তাঁর গলা বাঁদিক থেকে ডানদিকে কাটা হয় ৷ রোমির হাতের শিরা যখন কাটা হয়, তখন তিনি বেঁচেছিলেন ৷ সুদেষ্ণাকেও একইভাবে হত্যা করা হয় ৷ অন্যদিকে নিহত নাবালিকার বুক, দুই পা, ঠোঁট-সহ বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। মাথাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে৷ পাকস্থলিতেও রক্তক্ষরণের প্রমাণ মিলেছে ৷ এছাড়া পাকস্থলিতে সামান্য পরিমাণে আংশিকভাবে হজম হওয়া খাবার, হলুদ ও সাদা দানাজাতীয় পদার্থ মিলেছে। যার গন্ধ অনেকটা ওষুধের মতো ৷ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ফরেনসিক তদন্তেও একাধিক তথ্য উঠে এসেছে ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, ওই বাড়ি থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার হয়েছে ৷ বেসিনে রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে ৷ ফলে তদন্তকারীদের ধারনা, অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয় ৷ তার পর রক্তমাখা জামাকাপড় বাড়িতে রেখে সাফসুতরো হয়ে বেরিয়ে যান৷এক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন হল, খুন কে করল? আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ ৷ সন্দেহের তির প্রাথমিকভাবে দুই ভাই প্রণয় দে ও প্রসূন দের ওপর৷ কারণ, আত্মহত্যার যে তত্ত্ব বুধবার পুলিশকে দিয়েছিলেন এই দুই ভাই, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর অনেকটাই ভুল বলেই তদন্তকারীরা মনে করছে৷বৃহস্পতিবার ওই পরিবারের গাড়ির চালক কৈলাস দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ৷ তার পরই তদন্তকারীদের ধারণা, পুরো ঘটনাই পূর্ব পরিকল্পিত৷ কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দাদের কৈলাস কী জানিয়েছেন? পুলিশ সূত্রে খবর, কৈলাস সোমবার শেষবার ডিউটিতে এসেছিলেন ৷ সকালে বাচ্চাদের স্কুলে ছেড়ে আসেন। পরে সন্ধ্যায় টিউশনে ছেড়ে আসতে যান তিনি। পরে তিনি বাড়ি চলে আসেন।মঙ্গলবার তাঁকে আসতে বারণ করা হয়, পুলিশকে জানিয়েছে কৈলাস৷ কৈলাস সাড়ে ১৫হাজার টাকা বেতন পেতেন ৷ সেই টাকা পেতেও এতদিন কোনও সমস্যা হয়নি ৷ এছাড়া দে পরিবারের কারখানার কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলে আর্থিক অনটনের বিষয়ে কোনও তথ্য মেলেনি ৷ ফলে ঋণের যে বিষয়টি বুধবার সামনে এসেছিল, সেটাও সঠিক নয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা ৷এর আগে ট্যাংরায় এই তিনজনের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করল পুলিশ। মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিনভর পাওনাদাররা ডাকাডাকি করলেও কেউ দরজা খোলেনি বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারীর? এখানেই বড় প্রশ্ন, তাহলে মহিলাদের মৃত্যু কি আরও আগেই হয়েছে? রহস্য ক্রমশ বাড়ছে।কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছিলেন, সুইসাইড নোট কিছু আমরা পাইনি। আসলে কারণ কী, কেন মারা গেছে, সেটা পোস্টমর্টেম থেকে বোঝা যাবে। ভিসেরার কেমিক্যাল পরীক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ। ৩জন মহিলা মারা গেলেন! তিনজন পুরুষ এখনও বেঁচে! এটাও বড় রহস্য।মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ব্য়বসায়ে ক্ষতির ফলেই এমন ঘটনা, সেই প্রশ্নও উঠছে। নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে? খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
কলকাতা

খাস কলকাতায় ভয়াবহ কাণ্ড, ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন মহিলার রহস্যমৃত্যু

সাতসকালেই খাস কলকাতায়, ভয়ঙ্কর ঘটনা, তুমুল চাঞ্চল্য। ট্যাংরায় একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু। পথ দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে মিলল এই তিন মহিলার মৃতদেহের খোঁজ। দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন ভোরে একটি গাড়ি রুবি হাসপাতালের মোড় থেকে অভিষিক্তার মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি ইএম বাইপাসের উপর কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের পিলারে ধাক্কা মারে। ঘটনার তদন্তে নেমে ট্যাংরার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিন মহিলার নিথর দেহ। আদৌ দুর্ঘটনা না আত্মহত্যার চেষ্টা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িতে কোনও ঘটনা ঘটিয়ে তাঁরা গাড়িতে বাইরে বেরিয়ে ছিল কিনা সেই প্রশ্নও উঠছে।পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদের হাতের শিরাকাটা অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটে ঘর থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তিন জনের মধ্যে একজনের স্বামী দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে তিনজনই আত্মঘাতী হয়েছেন। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ জোগার করা হচ্ছে। তদন্ত নিয়ে মুখে না খুললেও পুলিশের দৃঢ়় ধারনা ওই পরিবারের নিজেদের মধ্যে বড় কোনও সমস্যা আছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
রাজ্য

মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ অভয়ার পরিবারের, দোষীদের শাস্তির দাবিতে লড়াই জারি

আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে দেখা করলেন আর জি কর মেডিকেল কলেজের মৃত ছাত্রীর বাবা মা। নিউটাউনের একটি অতিথি নিবাসে তাঁদের মধ্যে প্রায় দেড় ঘন্টা আলোচনা হয়। আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা নিয়ে সিবিআই ঠিকভাবে তদন্ত করছে না বলে দাবি করেছেন নির্যাতিতার পরিবার। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন বলেও ইচ্ছা প্রকাশ করেন নির্যাতিতার পরিবার। পাশাপাশি কিছুদিন আগেই রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করে অভয়ার পরিবার। তাঁরা চাইছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। এবার সেই নির্যাতিতার পরিবার দেখা করলেন আরএসএস প্রধানের সঙ্গে। আজ দীর্ঘ দেড় ঘন্টা ধরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেন মোহন ভাগবত।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৫
রাজ্য

মেয়ের জন্মদিনে পথে নামার ডাক আরজি করের নির্যাতিতার পরিবারের

আরজি করের কাণ্ডের বিচারের দাবিতে ফের পথে নামতে চলেছে তাঁর বাবা-মা। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি জন্মদিন অভয়ার। ওই দিন পথে নেমে বিচারের দাবি জানাবেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা সকলকে ৯ ফেব্রুয়ারি পথে নামার আবেদন জানিয়েছেন। অভয়ার বাবা - মা স্পষ্ট জানিয়েছেন তাঁরা বিচার ছিনিয়ে আনবেন। সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন। এদিকে আরজি কর মামলায় নির্যাতিতার পরিবারকে নয়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির পরেই হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। এদিন মামলার শুনানিতে নির্যাতিতার পরিবারকে এমনই জানিয়েছেন বিচারপতি। সেই সঙ্গে এই শুনানিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবীর উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে উচ্চ আদালত।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৫
রাজনীতি

ফের বাংলায় শুট আউট, নৈহাটিতে গুলিতে ঝাঁঝরা ত়ৃণমূল কংগ্রেস কর্মী

এবার শুট আউটের ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনর নৈহাটি। ফের গুলিতে ঝাঁঝরা সক্রিয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। এর আগে মালদায় পর পর একাধিকবার শুট আউট হয়েছে। তার মধ্যে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা থেকে দলের কর্মীও নিহত হয়েছেন।ফের বাংলায় শুট আউট। নৈহাটির বিধায়ক সনৎ দে জানিয়েছেন, তৃণমূল কর্মী সন্তোষ যাদবকে গৌরীপুরে ৪ রাউন্ড গুলি করেছে দুষ্কৃতীরা। বিজেপি তাঁকে খুন করেছে। এর পিছনে রয়েছে ব্য়ারাকপুরের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। সন্তোষ আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। এই ঘটনার পর নৈহাটির সিং ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। এমনকী আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে দমকলের ইঞ্জিন আসে। এই সিং ভবনে বসতেন অর্জুন সিং। যদিও অর্জুন সিং ঘটনার দায় স্বীকার করেননি। বরং বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রসের অন্তর্কলহের বলি সন্তোষ যাদব।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় ফের খুন , এবার ন্যায্য ভাড়া চাওয়াই কাল হল টোটো চালকের

দুই তৃণমূল নেতা ও কর্মী খুনের পর ফের মালদায় খুন। এবার সামান্য টোটো ভাড়া নিয়ে গন্ডগোলের জেরে মানুষের প্রাণ গেল। একজন পুলিশ ফাঁড়ির অদূরেই টোটো চালককে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ কয়েকজন মদপ্যদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মালদার ইংরেজবাজার থানার বেলবাড়ি ঘাট এলাকায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে ওই এলাকায় তদন্তে পৌঁছায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত টোটো চালকের নাম কাজল ঘোষ(৫২)। তাঁর বাড়ি রামকেলির বারোদুয়ারি এলাকায়। এদিন রাতে বেলবাড়ি ঘাট শ্মশানে কাজল ঘোষ তার টোটো করে যাত্রী ভাড়া নিয়ে যায়। অভিযোগ যাত্রী নামানোর পর টোটো ভাড়া চাওয়াই হল তার কাল। ভাড়া দিতে অস্বীকার করা নিয়ে গন্ডগোল বাঁধে মদ্যপ অবস্থায় থাকা টোটো যাত্রী শ্যামল মন্ডল ও বিমল মন্ডলের সাথে। অভিযোগ, ঠিক সেই সময় তারা দুজন ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাথারি কোপ মারে ওই টোটো চালককে। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে পথেই মৃত্যু হয় কাজল ঘোষের। এই ঘটনায় শ্যামল মন্ডল, বিমল মন্ডল সহ বেশ কয়েকজনের নামে ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মৃতের এক ভাই উজ্জ্বল ঘোষ জানিয়েছেন, এলাকারই একটি শ্মশানে জোর করে অভিযুক্তরা আমার দাদাকে টোটো চালিয়ে নিয়ে যেতে বলে। মদ্য়প ছিল ওরা সেইজন্য আমার দাদা টোটো নিয়ে যেতে চাইছিল না। কিন্তু অভিযুক্ত দুইজন কলার ধরে জোর করিয়ে দাদাকে নিয়ে যায়। বারোদুয়ারি থেকে বেলবাড়ি শশান ঘাটের দূরত্ব অনেকটাই। দুইজনের ভাড়া ১০০ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু সেই টাকা দিতে ওরা অস্বীকার করে। ভাড়া চাওয়ার জন্য দাদাকে ওরা অতর্কিতে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুন করে। এই ঘটনায় ইংরেজবাজার থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্তরা। তাদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লি এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলর বাবলা সরকার খুন হয়েছিলেন। তারপর মালদার কালিয়াচকে আরও এক তৃণমূল কর্মী খুন হয়। এরপর এদিন রাতে ইংরেজবাজারের আবারো এই টোটো চালকের খুনের ঘটনায় জেলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ফের প্রতিবাদ মিছিল অভয়া মঞ্চের

অবশেষে আরজি কর মামলার সাজা ঘোষণা করল শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস। এদিন ফের দোষী সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির সাজার সওয়াল করেছিলেন সিবিআই আইনজীবী। অন্যদিকে, সঞ্জয় রায়ের আইনজীবী তার মক্কেলকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন। আরজি কর কাণ্ডে গত শনিবার সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করেছিল শিয়ালদহ আদালত।সোমবার নির্ধারিত সময়ে সঞ্জয় রায়কে শিয়ালদহ আদালতে আনা হয়। প্রথমে সঞ্জয় নিজের বক্তব্যে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, মেডিকেল না করেই কেন্দ্রীয় সংস্থা তাকে হেফাজতে নিয়েছিল বলেও দাবি করে সঞ্জয়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলে সঞ্জয় রায়। তখন বিচারক জানিয়ে দিয়েছিল বিকেল ২.৪৫ রায় ঘোষণা হবে। ঠিক ঘোষিত সময়ে আরজি কর কাণ্ডে সাজা ঘোষণা করেন শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস। সঞ্জয় রায়কে আজীবন কারবাসের নির্দেশ দেন বিচারক অনির্বান দাস।এদিন বিচারক আরজি করের নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সরকারকে। সাজা ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতের তিনতলার বারান্দা থেকে আইনজীবীরা চিৎকার করে জানিয়ে দেন সঞ্জয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এদিন রায়ের পর অভয়া মঞ্চ শিয়ালদাহ থেকে মৌলালি পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেন। উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান চলতে থাকে। এই রায় নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন অভয়ার পরিবার, চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের বড় অংশ।

জানুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে একা সঞ্জয় রায়ই দোষী সাব্যস্ত, সাজা ঘোষণা সোমবার

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হালপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। রায় শোনাল শিয়ালদা কোর্টের বিচারক অনির্বান দাস। আগামী সোমবারই সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করবে শিয়ালদা আদালতের বিচারক। বিএনএসের ৬৪,৬৬,১০৩/১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে সঞ্জয়কে। ৯ অগাস্ট তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার রুমে। কর্তব্যরত অবস্থায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংস খুনের ঘটনার পর ৫ মাস ৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করল শিয়ালদা আদালত। নিহত তরুণী চিকিৎসকের সুবিচারের আশায় গর্জে উঠেছে রাজপথ। দেশ থেকে বিদেশ সর্বত্র আছড়ে পড়েছিল প্রতিবাদের ঢেউ। অবশেষে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। বিএনএসের তিনটি ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে শিয়ালদা আদালত। তবে এখনও যে মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক প্রশ্নের উত্তর অধরা রয়ে গিয়েছে তা রায় ঘোষণার আগেই স্পষ্ট জানিয়েছেন মৃতার বাবা-মা। অবশেষে শনিবার ১২ মিনিটেই সিবিআই তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করল শিয়ালদা আদালতের বিচারপতি। ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি করে নারকীয় হত্যাকাণ্ড! কী কারণে খুন? খুনের ঘটনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে দেশ জুড়ে বেনজির প্রতিবাদ চলতে থাকে। আদালতের নির্দেশে তদন্ত হাতে নেয় সিবিআই। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট তারপর সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার বাআব্রু পরিস্থিতি ধরা পড়ে। তরুণী চিকিৎসক খুন-ধর্ষণের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। যদিও এদিনও কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সঞ্জয় রায় বলেন, আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আরও কিছু বলার চেষ্টা করলে বিচারপতি দাস বলেন, আপনার সব বক্তব্য সোমবার শোনা হবে। গত ১১ নভেম্বর শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। তার পর কেটে গিয়েছে দুমাস। অবশেষে আজ শনিবার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করলেন শিয়ালদা কোর্টের বিচারপতি অনির্বান দাস। দোষী সাব্যস্ত হলেন সঞ্জয় রায়। সাজা ঘোষণা আগামী সোমবার।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal