• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Football

খেলার দুনিয়া

বাগানের মতো হাল হল না লালহলুদের, প্রথম ম্যাচে ড্র ইস্টবেঙ্গলের

লালহলুদ সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতেই পারেন। মরশুমের প্রথম ম্যাচে ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে অন্তত এটিকে মোহনবাগানের মতো মুখ থুবড়ে পড়তে হল না। ডুরান্ড কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতীয় নৌ বাহিনীর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। একাধিক সুযোগ নষ্ট করে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করলেন পিভি সুহেররা। জয় না এলেও এদিন যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছে লালহলুদ ব্রিগেড।মরশুমের প্রথম ম্যাচ যে কোনও দলের কাছেই কঠিন। তার ওপর অন্য দলগুলির তুলনায় অনেক দেরিতে প্রস্তুতিতে নেমেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। বিদেশিরাও দলে যোগ দিয়েছেন দেরিতে। ফলে এখনও সেভাবে দলকে গুছিয়ে নিতে পারেননি স্টিফেন কনস্টানটাইন ও তাঁর সহকারী বিনু জর্জ। তার মধ্যেই যতটা সম্ভব বোঝাপড়া তৈরি করে নিয়েছেন।এদিন ভারতীয় নৌ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদেশি ছাড়াই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। শুরুতেই চোট পেয়ে বেরিয়ে যান মহেশ সিং। তাঁর পরিবর্তে তুহিন দাসকে মাঠে নামান লালহলুদ কোচ কনস্টানটাইন। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দিলেন এই মিডফিল্ডার। তাঁর দিক দিয়েই এদিন ইস্টবেঙ্গলের অধিকাংশ আক্রমণ গড়ে ওঠে। বলের দখল বেশি থাকলেও প্রথমার্ধে সেরকম সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ইমামি ইস্টবেঙ্গল। তার মধ্যেই ২১ মিনিটে অমরজিৎ সিং গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কাজে লাগাতে পারেননি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুটি পরিবর্তন করেন স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন। অ্যালেক্স লিমার সঙ্গে মাঠে নামান রাকিপকে। রাকিপকে রাইট ব্যাকের জায়গায় নামিয়ে সুমিত পাসিকে আক্রমণভাগে তুলে দেন। এরপর মাঠে নামান মহীতোষ রায় ও শৌভিক চক্রবর্তীকে। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে অনেকবেশি আক্রমণাত্মক ছিল ইস্টবেঙ্গল। ৫৩ মিনিটে গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন সুমিত পাসি। তাঁর শট পোস্টে লাগে। ৭৫ মিনিটে একা গোলকিপারকে সামনে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। ৮২ মিনিটে তুহিনের সেন্টার ফাঁকা গোলে ঠেলতে পারেননি সুহের। সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে জিতেই মাঠ ছাড়ত ইস্টবেঙ্গল।

আগস্ট ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রথম ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল এটিকে মোহনবাগান!‌ অঘটন রাজস্থানের

ডুরান্ড কাপে চ্যাম্পিয়নের অন্যতম দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছিল এটিকে মোহনবাগনকে। ধারেভারে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। এইরকম শক্তিশালী দলই কিনা ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়ল! জুয়ান ফেরান্দোর দলকে ৩২ ব্যবধানে হারিয়ে অঘটন ঘটাল রাজস্থান ইউনাইটেড। তুলে নিল রুদ্ধশ্বাস জয়। দুদুবার এগিয়ে গিয়েও সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল এটিকে মোহনবাগানকে।শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ রাজস্থান ইউনাইটেড ধারেভারে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। তাসত্ত্বেও এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দিল। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই সবুজমেরুণের প্রাধান্য ছিল। একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও হেলায় নষ্ট করেন আশিক কুরুনিয়ান, কিয়ান নাসিরিরা। ম্যাচের ৪০ মিনিট পর্যন্ত কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরি গোল করে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন। মিনিট তিনেক পরেই প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে গোল করে রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে সমতা ফেরান আমনজেলদিয়েভ। এরপর ৪৬ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের গোলে ফের এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। কিয়ান নাসিরি, জনি কাউকোদের বেশ কয়েকটি শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন রাজস্থান ইউনাইটেডের গোলকিপার নীরজ কুমার। ৬১ মিনিটে রেমসাঙ্গার গোলে সমতা ফেরায় রাজস্থান ইউনাইটেড। ৭৬ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন মনবীর সিং। ফাঁকা গোল পেয়েও তিনি ক্রসবারে মারেন। ৭৯ মিনিটে রাজস্থানের উইলিয়ামসও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।শেষ ১০ মিনিটে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। কিয়ান, মনবীর, আশিস রাইরা সহজ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে বাজিমাত রাজস্থান ইউনাইটেডের। একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন নিকুম। শেষ অবধি জেতা ম্যাচ মাঠে ফেলে আসতে হল এটিকে মোহনবাগানকে।

আগস্ট ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চারজন অধিনায়ক এটিকে মোহনবাগানে!‌ শনিবার নামছে ডুরান্ড অভিযানে

শনিবার ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামছে এটিকে মোহনবাগান। যুবভারতীতে তাদের প্রতিপক্ষ রাজস্থান ইউনাইটেড। ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামার আগে ২৭ জনের দল ঘোষণা করেছেন সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। পাশাপাশি এই মরয়শুমের জন্য চারজন অধিনায়ককে বেছে নিয়েছেন তিনি। চারজন অধিনায়ক হলেন প্রীতম কোটাল, শুভাশিস বসু, জনি কাউকো ও ফ্লোরেন্তিন পোগবা। গোটা মরশুম জুড়ে এই চার ফুটবলার এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দেবেন।ডুরান্ড কাপে এটিকে মোহনবাগানের প্রথম প্রতিপক্ষ রাজস্থান ইউনাইটেড তেমন শক্তিশালী নয়। তাসত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আসলে মরশুমের প্রথম ম্যাচ। তাই সতর্কভাবে এগোতে চান ফেরান্দো। রাজস্থান ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সবুজমেরুণ কোচ বলেন, ডুরান্ড কাপ প্রাচীন ও ঐতিহ্যশালী প্রতিযোগিতা। শনিবার প্রতিযোগিতায় আমাদের প্রথম ম্যাচ। রাজস্থান ইউনাইটেডের বেশ কয়েকটি ম্যাচ দেখেছি। আই লিগের ক্লাব হলেও দলটা ভাল। যে কোনও প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ কঠিন হয়। এই ম্যাচ আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সতর্কভাবে শুরু করতে হবে। আই লিগে নিজেদের প্রথম মরশুমে দারুণ পারফরমেন্স করেছিল রাজস্থান ইউনাইটেড। তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দলটা তৈরি। যথেষ্ট গতি আছে। তাই বিপক্ষকে সমীহ করছেন সবুজমেরুণ কোচ।তাঁর দল কঠিন গ্রুপে রয়েছে বলে মনে করছেন জুয়ান ফেরান্দো। সবুজমেরুণ কোচের কথায়, আমরা যথেষ্ট কঠিন গ্রুপে পড়েছি। পরের পর্বে যেতে অন্তত সাতআট পয়েন্ট দরকার। তবে প্রত্যেক ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। ডার্বি নিয়ে এখন থেকে ভাবছি না। ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই। বিদেশি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নতুন ফুটবলার দলে সই করেছে। সব বিদেশিই ফিট। কোন চারজনকে খেলাব, ম্যাচের দিন সকালে ঠিক করব।ডুরান্ড কাপের জন্য ২৭ সদস্যের যে দল এটিকে মোহনবাগান ঘোষণা করেছেন, তাতে রয়েছেনঃগোলরক্ষকঃ বিশাল কাইথ, অর্শ আনোয়ার, অভিলাস পাল, দেবনাথ মণ্ডল।ডিফেন্ডারঃ ফ্লোরেন্তিন পোগবা, ব্রেন্ডন হ্যামিল, প্রীতম কোটাল, শুভাশিস বসু, আশিস রাই, দীপক টাংরি, সুমিত রাঠি,রভী রানা।মিডফিল্ডারঃ জনি কাউকো, কার্ল ম্যাকহিউ, হুগো বুমোস, প্রণয় হালদার, লেনি রড্রিগেজ, লালরিনলিনা হামতে, অভিষেক সূর্যবংশী, রিকি সাবং, এনসন সিং।ফরোয়ার্ডঃ লিস্টন কোলাসো, দিমিত্রিচ পেত্রাতোস, মনবীর সিং, আশিক কুরুনিয়ান, কিয়ান নাসিরি গিরি, ফারদিন আলি মোল্লা।

আগস্ট ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলে লাথি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির, জয় দিয়ে শুরু মহমেডানের

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হল ডুরান্ড কাপ ফুটবল। উদ্বোধনী ম্যাচে এফসি গোয়াকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। একই সঙ্গে গতবছর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল সাদাকালো ব্রিগেড।মঙ্গলবার যুবভারতীতে ফুটবলে শট মেরে ১৩১ তম ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি। মহমেডানএফসি গোয়া ম্যাচের আগে দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব সারেন করেন মমতা ব্যানার্জি। ফুটবলারদের সঙ্গে হাতও মেলান। এবছর ডুরান্ড কাপে ২০টি দল অংশ নিচ্ছে। আইএসএলের ১১টি দলের সঙ্গে খেলছে আই লিগের ৫টি দল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪টি দলও অংশ নিচ্ছে। কলকাতায় যুবভারতী এবং কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে খেলা হবে। ইম্ফল এবং গুয়াহাটিতে খেলা হবে ডুরান্ডের ম্যাচ। ২৮ আগস্ট মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান।গত বছর ডুরান্ড ফাইনালে এফসি গোয়ার কাছে হারতে হয়েছিল মহমেডানকে। এদিন সাদাকালো ব্রিগেডের কাছে ছিল বদলার ম্যাচ। দারুণ ফুটবল উপহার দিলেন আন্দ্রে চেরনিশভের ফুটবলাররা। তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে গড়া এফসি গোয়া শুরু থেকেই দারুণ চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দিয়েছিল মহমেডানকে। গোয়ার ডিফেন্স ছিল যথেষ্ট শক্তিশালী। তিন বিদেশি নুরউদ্দিন, ওসমান ও মার্কাস জোসেফ প্রথমার্ধে গোয়ার জমাট ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি। তার মাঝেই এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। ৩৫ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে এফসি গোয়াকে এগিয়ে দেন নেমিল।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে মহমেডান। ৪৮ মিনিটে সমতা ফেরান প্রীতম। দ্বিতীয়ার্ধে মহমেডানের আক্রমণের ঝাঁঝ যথেষ্ট ছিল। ফজলুর ও আভাসদের মাঠে নামিয়ে দলকে বদলে দেন সাদাকালো কোচ চেরনিশভ। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে আভাসের সেন্টার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফজলুর। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে ৩১ করেন মার্কাস জোশেফ।

আগস্ট ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌তিন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি, বিদেশি বাছাইয়ে চমক দিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

ডুরান্ড কাপকে পাখির চোখ করে জোর কদমে চলছে ইমামি ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতি। এর পাশাপাশি দল গঠনের ব্যাপারেও অনেক তোড়জোড় শুরু হয়েছে। নতুন নতুন স্বদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি বিদেশি ফুটবলার নির্বাচনেও চোখ লালহলুদ কর্তাদের। বিদেশি বাছাইয়ের ব্যাপারে চমক দিতে চলেছে লালহলুদ। অস্ট্রেলিয়ার এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়েছে। লালহলুদ কর্তাদের নজরে রয়েছেন সাইপ্রাসের এক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারও।এশিয়া কোটার বিদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ইভান্সকে নেওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সূত্রের খবর, কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে। আদপে ডিফেন্ডার হলেও ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার পজিশনেও খেলতে পারেন ২৭ বছর বয়সী অ্যারন ইভান্স। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার লিগ ১এ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে এই অসি ডিফেন্ডারের।সাইপ্রাসের মিডফিল্ডার অ্যালেক্স গজিকের এজেন্টের সঙ্গেও একপ্রস্থ কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির দল সোয়ান্স সিটির ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট থেকে উঠে এসেছেন অ্যালেক্স। এই মুহূর্তে সাইপ্রাসের হিবারনিয়ানে খেলছেন তিনি। সাইপ্রাসের জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন অ্যালেক্স।এদিকে, বৃহস্পতিবার তিন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। মূলত কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের সুপারিশেই গোলকিপার কমলজিৎ সিং, ডিফেন্ডার লালচুংনুঙ্গা ও ফরোয়ার্ড সুমিত পাসিকে দলে নেওয়া হয়েছে। কনস্ট্যান্টাইনের প্রিয় ফুটবলার সুমিত। ভারতের কোচ থাকাকালীন তাঁকে জাতীয় দলে সুযোগ দিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। তবে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৮টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গত মরসুমে আই লিগে রাউন্ডগ্লাস এফসির হয়ে খেলেছিলেন সুমিত। তার আগে জামশেদপুর এফসির হয়ে আইএসএলে ৩২টি ম্যাচ খেলেছেন।গোলকিপার কমলজিৎ সিংকে ওড়িশা এফসি থেকে রিলিজ করে নিয়ে আসা হয়েছে। আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ৪৪টি ম্যাচ খেলেছেন কমলজিৎ। ওড়িশা এফসির জার্সি গায়ে খেলেছেন ১২টি ম্যাচ। ওড়িশা ছাড়াও আইএসএলে এফসি পুণে সিটি এবং হায়দরাবাদ এফসির হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। লালচুংনুঙ্গাকে নেওয়া হয়েছে আই লিগের ক্লাব শ্রীনিধি ডেকান এফসি থেকে। গত মরসুমে শ্রীনিধির হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

আগস্ট ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান, ইমামির সঙ্গে চুক্তি হল ইস্টবেঙ্গলের

এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন অগনিত লালহলুদ সমর্থক। অবশেষে যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান। ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি হয়ে গেল। মঙ্গলবার মধ্য কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে দুই পক্ষ চুক্তিপত্রে সই করে। তবে মোহনবাগানের মতো নামের আগে অন্য ক্লাবের নাম জুড়ে খেলতে হবে না ইস্টবেঙ্গলকে।মে মাসে দুই পক্ষের কর্তাদের উপস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ঘোষণা করেছিলেন, এই মরশুমের ইস্টবেঙ্গলে লগ্নি করবে ইমামি গোষ্ঠী। সেই ঘোষণার পর দুমাসের বেশি সময় কেটে গেলেও নানা জটিলতায় সরকারিভাবে চুক্তিপত্রে সই হয়নি। দুই পক্ষের কর্তারা বারবার চুক্তিপত্র নিয়ে আলোচনায় বসেন। নানা সংশোধনী হয়। অংশীদারিত্ব নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত লালহলুদ কর্তারা ৭৭ শতাংশ শেয়ার লগ্নিকারী সংস্থার হাতে ছেড়ে দিতে রাজি হয়। এরপরই সমস্যার সমাধান হয়।ইমামির সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর নতুন সংস্থার নাম হল ইমামি ইস্টবেঙ্গল প্রাইভেট লিমিটেড। নতুন কোম্পানির ৭৭ শতাংশ শেয়ার থাকবে ইমামির হাতে। ২৩ শতাংশ শেয়ার থাকবে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। নতুন বোর্ডে ৭ জন ইমামির প্রতিনিধি থাকবেন, ৩ জন ইস্টবেঙ্গল প্রতিনিধি। কলকাতা লিগ এবং ডুরান্ড কাপে ইমামি ইস্টবেঙ্গল নামে খেলবে লালহলুদ। আইএসএলে শুধুমাত্র ইস্টবেঙ্গল এফসি নাম ব্যবহার করা হবে। মঙ্গলবার চুক্তিপত্রে সই হওয়ার পর ইমামি গোষ্ঠীর কর্ণধার আদিত্য আগরওয়াল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ক্রীড়াজগতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে ইমামির। প্রয়াত মিলখা সিংহ থেকে শুরু করে সৌরভ গাঙ্গুলি, শচীন তেণ্ডুলকার, বীরেন্দ্র শেহবাগ, সাইনা নেহাল, সানিয়া মির্জা, মেরি কম, সুশীল কুমারের মতো ক্রীড়া জগতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বকে আমরা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তুলে এনেছি। ৯০এর দশকে আমরা ইস্টবেঙ্গলের স্পনসর হিসেবে ছিলাম। এ বার বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত হতে পেরে খুশি।ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সচিব কল্যাণ মজুমদার বলেন, ইমামিকে বিনিয়োগকারী হিসেবে পেয়ে আমরা খুব খুশি। ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে দেশের অন্যতম সেরা ফুটবল দল বানানোই আমাদের লক্ষ্য। আপাতত ডুরান্ড কাপ এবং কলকাতা লিগে ভাল দল গড়াই প্রধান লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলের। আইএসএলের জন্য দল গঠন ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে তারা। এদিন চুক্তিপত্রে সই অনুষ্ঠানে ইস্টবেঙ্গলের একঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার হাজির ছিলেন।

আগস্ট ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের সঙ্গে বৈঠক বিনু জর্জের, বুধবার থেকে অনুশীলন শুরু ইস্টবেঙ্গলের

কয়েকদিন আগেই কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য কোচ হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। শুক্রবার রাতেই কলকাতা পৌঁছে যান ইস্টবেঙ্গলের কোচ বিনু জর্জ। শনিবার সাত সকালেই তিনি ক্লাব তাঁবুতে চলে আসেন। ক্লাবে তাঁকে লালহলুদ উত্তরীয় দিয়ে স্বাগত জানান ক্লাবের দুই প্রাক্তন ফুটবলার অমিত দাস এবং বিকাশ পাঁজি। হাজির ছিলেন ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার।এরপরই ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিনু জর্জ। ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি নতুন মরশুমের জন্য চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলেন। ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি ক্লাব তাঁবু, মাঠ, জিম ঘুরে দেখেন। ক্লাবের পরিকাঠামো দেখে আপ্লুত বিনু জর্জ। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পরিকাঠামো এত আধুনিক, ভাবতেই পারিনি। আধুনিকমানের জিম, দুর্দান্ত মাঠ, অত্যাধুনিক ড্রেসিংরুম। সব খুব ভাল লেগেছে। আমার ওপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, চেষ্টা করব ভালভাবে পালন করার। ভারতে দারুণ পরিচিতি এই ক্লাবের। সেই সম্মান রাখতে হবে। ক্লাবের অতীত গৌরব ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চাই। গত দুবছর ক্লাবের পারফরমেন্স ভাল হয়নি। সেটা মাথায় না রেখে নতুন করে শুরু করতে হবে।সোমবার ইস্টবেঙ্গল দিবস। ওই দিনই বাইপাসের ধারে এক হোটেলে ফুটবলারদের মেডিকেল টেস্ট হবে। বুধবার থেকে ফুটবলারদের নিয়ে মাঠে নামবেন বিনু। তাঁর লক্ষ্য ফুটবলারদের দ্রুত ফিটনেসের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া। পাশাপাশি বোঝাপড়া বাড়ানোর। কারণ হাতে খুব বেশি সময় নেই। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে ডুরান্ড কাপে নেমতে হবে। এই নিয়েও ফুটবলারদের মোটিভেট করেন বিনু জর্জ।

জুলাই ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলে আসছেন অভিজ্ঞ গোলকিপার, মোহনবাগান ছেড়ে দিল সন্দেশকে

গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যকে এই মরশুমে রাখছে না ইস্টবেঙ্গল। এই ব্যাপারে আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। নিজের ভবিষ্যত বুঝে আগেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন এই বঙ্গ গোলকিপার। তাংর পরিবর্তে বাংলার আর এক অভিজ্ঞ গোলকিপারকে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। শুভাশিষ রায়চৌধুরির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত লালহলুদের। শুধুমাত্র চুক্তিপত্রে সই করা বাকি।লালহলুদে চূড়ান্ত হয়ে গেছেন বাঙালী মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তী। হায়দরাবাদ এফসিকে ট্রান্সফার ফি দিয়েই তাঁকে নিচ্ছে লালহলুদ। সৌভিক চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করছে ইস্টবেঙ্গল। একসময় খেলে যাওয়া ব্রেন্ডন ভানলালরেমডিকাকেও সই করানোর পথে অনেকটাই এগিয়েছে ইমামি ইস্টবেঙ্গল। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের কভার ছবি পালটে ইস্টবেঙ্গল দলের ছবি রেখেছেন ব্রেন্ডন। ইস্টবেঙ্গলের তালিকায় রয়েছেন আরও তিন ভারতীয় ফুটবলার। এরা হলেন হলেন ভি পি সুহের, ঋত্বিক দাস ও অনিকেত যাদব।এদিকে, সন্দেশ ঝিংঘানকে রিলিজ দিল এটিকে মোহনবাগান। বৃহস্পতিবারই তাঁকে রিলিজ দেওয়ার কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করল সবুজমেরুণ। ২০২০ সালে কেরালা ব্লাস্টার্স থেকে ৫ বছরের চুক্তিতে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেন সন্দেশ। পরের বছর তিনি ক্রোয়েশিয়ার সিবেনিকে যোগ দেন। চোটআঘাতের জন্য সিবেনিকের জার্সি গায়ে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। সিবনিক থেকে ফিরে এসে তিনি আবার এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেন।এবার কি লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে সন্দেশকে? তেমন সম্ভাবনা জোরালো হল। ইস্টবেঙ্গল এই ডিফেন্ডারকে দলে পেতে আগ্রহী। এটিকে মোহনবাগান রিলিজ দেওয়ায় লালহলুদ সুযোগ নেওয়ার জন্য তৈরি। যদিও সন্দেশের ইচ্ছে বিদেশের কোনও ক্লাবে খেলা। বিদেশের ক্লাবে সুযোগ না পেলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দেখা যেতে পারে সন্দেশকে।

জুলাই ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙবে ইস্টবেঙ্গল?‌ এই ফুটবলারের দিকে নজর লালহলুদের

কোচ নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ। আইএসএলের জন্য দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে ব্রিটিশ কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের হাতে। আর কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ। পরে তিনি আইএসএলে কনস্টানটাইনের সহকারী হিসেবে কাজ করবেন। কয়েকদিনের মধ্যেই বিনু জর্জ কলকাতায় চলে আসবেন। তারপরই শুরু হবে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলন।এর মধ্যেই দলগঠনে তৎপরতা শুরু করেছেন লালহলুদ ও ইমামির কর্তারা। বেশ কয়েকজন জুনিয়র ফুটবলারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এবার এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার দিকে নজর ইস্টবেঙ্গলের। সবুজমেরুণের প্রীতম কোটালের দিকে হাত বাড়াচ্ছেন লালহলুদ রিক্রূটাররা। বর্তমানে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন এটিকে মোহনবাগানের এই ডিফেন্ডার। মাসখানেক আগে শোনা গিয়েছিল সবুজমেরুণের সঙ্গে চুক্তি বাড়াতে চলেছেন প্রীতম। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও সরকারিভাবে এখনও চুক্তি হয়নি। এটিকে মোহনবাগানের থেকে বড় প্রস্তাব পেলে সবুজমেরুণ ছাড়তেই পারেন প্রীতম। সেই ইঙ্গিতও তিনি নাকি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন। লালহলুদ কর্তারা এই সুযোগ নিতে আগ্রহী। এখন দেখার সবুজমেরুণের জাল থেকে প্রীতমকে তাঁরা ছিনিয়ে নিয়ে আসতে পারেন কিনা।আরও পড়ুনঃ পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারপ্রীতম ছাড়াও আরও এক হাই প্রোফাইল বাঙালী ফুটবলারকে টার্গেট করেছেন লালহলুদ কর্তারা। ময়দানে গুঞ্জন, হায়দরাবাদ এফসির মিডফিল্ডার শৌভিক চক্রবর্তীকে দলে নেওয়ার জন্য ঝাঁপাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও প্রীতমের মতো শৌভিককে নেওয়া সহজ হবে না লালহলুদের। হায়দরাবাদ এফসির সঙ্গে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে শৌভিকের। তাঁকে নিতে গেলে হায়দরাবাদ এফসিকে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। শৌভিক অবশ্য কলকাতায় খেলতে আগ্রহী। কারণ তাঁর পরিবার কলকাতায় থাকেন। পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্যই কলকাতায় খেলার ইচ্ছে শৌভিকের।এদিকে, কোচ বিনু জর্জের হাত ধরে সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া দুই ফুটবলার জেসিন টিকে ও জিজো জোশেফকে দলে নিতে চায় ইস্টবেঙ্গল। এই দুই ফুটবলারের সঙ্গে বিনু জর্জের সম্পর্ক খুব ভাল। এই দুই ফুটবলারের কাছে অন্য ক্লাবেরও প্রস্তাব আছে।

জুলাই ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন হাই প্রোফাইল ব্রিটিশ কোচ

যাবতীয় জল্পনা-কল্পনার অবসান। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। ইতিমধ্যেই চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর কাছে। শেষ মুহূর্তে বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ইস্টবেঙ্গলের নতুন মরশুমের হেড কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন। যদিও কলকাতা লিগ ও ডুরান্ডে দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ।অনেকদিন আগেই আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচদের তালিকা তৈরি করেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তালিকায় জর্জ কোস্টা, সার্জিও লোবেরার সঙ্গে নাম ছিল স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের। অন্য দলেরও প্রস্তাব ছিল তাঁর কাছে। শেষ পর্যন্ত কনস্ট্যানটাইন লালহলুদকেই বেছে নিয়েছেন। নিজের পছন্দের কোচিং স্টাফ নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন এই ব্রিটিশ কোচ।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাইপ্রাসে কোচিং শুরুর পর বড় দলের দায়িত্ব নেন ১৯৯৯ সালে। তখন থেকে ২০০১ অবধি কনস্টানটাইন নেপালের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলের কোচের পদে ছিলেন। ২০০৫-০৬ মরশুমে তিনি ইংল্যান্ডের মিলওয়ালের প্রথম দলের কোচ হন। ইংল্যান্ডে এএফসি বোর্নমাউথেও কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০৭ সালে মালাউইয়ের কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০০৮ সালে সরে দাঁড়ান। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুদানের দায়িত্ব নেন। এরপর সাইপ্রাসে এপিইপি, নিয়া সালামিস ফামাগুস্তার কোচের পদেও ছিলেন। ২০১২ থেকে ২০১৩ অবধি এথনিকোস আচনার কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৩ থেকে ২০১৪ অবধি ছিলেন গ্রীসের ক্লাব আপোলোঁ স্মিরনির সহকারী ম্যানেজার। তার আগে জামাইকা জাতীয় দলের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ভারতে দ্বিতীয়বার আসার আগে ২০১৪ থেকে ২০১৫ অবধি থিলেন রোয়ান্ডার জাতীয় দলের ম্যানেজার।২০১৫ সালে ভারতের কোচ হিসেবে তিনি প্রত্যাবর্তন করেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর কোচিংয়ে ভারত ২০১৬ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৮ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপও জেতে। ২০১৯ সালে এএফসি এশিয়ান কাপ খেলার যোগ্যতাও অর্জন করে কনস্টানটাইনের কোচিংয়ে। অভিজ্ঞ এই কোচের উপরই তাই আস্থা রাখলেন ইমামি গোষ্ঠীর কর্তারা।কলকাতা লিগ ও ডুরান্ডে ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ। বুধবার তিনি কলকাতায় আসবেন বলে জানা যাচ্ছে। লাল হলুদ ক্লাব সূত্রে খবর, সবকিছু ঠিকঠাক চললে ওইদিনই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ইমামির চুক্তিও স্বাক্ষরিত হবে। কলকাতা আসার সময় কেরলের কয়েকজন ফুটবলারকেও নিয়ে আসতে পারেন বিনু জর্জ।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল, লালহলুদের কোচের পদে বড় চমক

ইমামির সঙ্গে এখনও সরকারিভাবে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থার সম্মতিতেই দল গঠনের কাজে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ফুটবলারদের সঙ্গে পাকা কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে কোচ নিয়োগের দিকেও এক পা বাড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তাব দেওয়া হয়েছেন কেরলকে সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন করা বিনু জর্জকে।সঞ্জয় সেন, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, রঞ্জন ভট্টাচার্যদের কোচ করার কথাও মাথায় ছিল লালহলুদ কর্তাদের। কিন্তু সন্তোষ ট্রফিতে সাফল্যের কথা মাথায় রেখে কেরলের বিনু জর্জকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় সেনদেরও একেবারে তালিকা থেকে ঝেড়ে ফেলছেন না লালহলুদ কর্তারা। একান্তই যদি বিনু জর্জের সঙ্গে চুক্তিতে না পোষায় তাহলে সঞ্জয় সেন কিংবা শঙ্করলাল চক্রবর্তীদের কথা ভাবা হবে। বিনু জর্জ ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। আগেও কলকাতা ময়দানে কোচিং করিয়েছেন বিনু জর্জ। একসময় তিনি ইউনাইটেড স্পোর্টসের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ আপনি কি আধার কার্ডের আপনার ছবি নি খুশি নন? জেনে নিন আপনার আধার কার্ডের ছবি কীভাবে পরিবর্তন করবেন২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত গোকুলাম কেরলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ছিলেন বিনু জর্জ। মূলত কলকাতা লিগের কথা মাথায় রেখেই বিনু জর্জকে প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড ও আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচ নিয়োগ করবে ইস্টবেঙ্গল। তখন তিনি বিদেশি কোচের সঙ্গে ডুরান্ড এবং আইএসএলে সহকারি হিসেবে কাজ করবেন। এখন দেখার বিনু জর্জ লালহলুদের দায়িত্ব গ্রহন করেন কিনা।এদিকে, এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার উদ্যোগ ইস্টবেঙ্গলের। দীপক টাংরিকে প্রস্তাব দিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। গত মরসুমে এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলার দীপক টাংরি নজর কেড়েছিলেন। ডিফেন্সের পাশাপাশি প্রয়োজনে মাঝমাঠে ব্লকারের কাজটাও করতে পারেন তিনি। সন্দেশ ঝিংঘানে মতো দীপককেও বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। যা যথেষ্ট ভাবাচ্ছে তাঁকে। গত মরসুমে দীপক টাংরির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করে এটিকে মোহনবাগান। যার ফলে ২০২৩ সালের ৩১ মে দীপকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হবে সবুজমেরুনের। তার আগে এই তরুণ ফুটবলারটিকে লালহলুদ জার্সিতে খেলাতে হলে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

জুলাই ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মেজর লিগ সকারে খেলা স্ট্রাইকারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত ইস্টবেঙ্গলের

দুএকদিনের মধ্যেই ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে যাবে ইস্টবেঙ্গলের। চুক্তিপত্রে সইয়ের অপেক্ষা না করে সোমবার থেকেই দলগঠনে ঝাঁপিয়ে পড়লেন লালহলুদ কর্তারা। এদিনই ইমামি কর্তাদের হাতে সামনের মরশুমের জন্য ফুটবলারদের তালিকা তুলে দেওয়া হল। আর সেই তালিকা ধরেই চুক্তি চূড়ান্ত করা হল আমেরিকার মেজর লিগ সকারে খেলা স্ট্রাইকার দেশর্ন ব্রাউনের সঙ্গে। চুক্তিপত্রে শুধু সই করা বাকি।ভারতীয় ফুটবলে যদিও যথেষ্ট পরিচিত নাম দেশর্ন ব্রাউন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আইএসএলে খেলছেন। ২০১৯ সালে ডিসি ইউনাইটেডের হয়ে খেলা এই তারকা স্ট্রাইকারকে সই করায় বেঙ্গালুরু এফসি। দুই মরশুম তিনি বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন নর্থইস্ট ইউনাইটেডে। ২০২০২১ মরশুমে ২২ ম্যাচে তিনি ১২টি গোল করেন। গত মরশুমেও তিনি নর্থইস্ট ইউনাইটেডে ছিলেন। কিন্তু বারবার চোটের কবলে পড়ায় সব ম্যাচে খেলতে পারেননি। মাত্র ১২টি ম্যাচে মাঠে নামতে পেরেছিলেন। গোল করেছিলেন ৭টি।এই মরশুমে নর্থইস্ট ইউনাইটেড দেশর্ন ব্রাউনের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি। মহমেডান ব্রাউনকে সাদাকালো জার্সি গায়ে খেলার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ব্রাউন আইএসএল খেলা ক্লাবের অপেক্ষায় ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ব্রাউনের সঙ্গে কথা বলেন। লালহলুদের প্রস্তাব পছন্দ হয় ব্রাউনের। তিনি লালহলুদ কর্তাদের পাকা কথা দেন। কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গেলেই এখনও সই হয়নি। আসলে ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় সইসাবুদ পর্ব সম্ভব হয়নি। কয়েকদিনের মধ্যেই তা হয়ে যাবে। ইমামির সঙ্গে সরকারিভাবে সই পর্ব মিটে যাওয়ার পরই একে একে নতুন ফুটবলারের নাম ঘোষণা করবে ইস্টবেঙ্গল। তখনই সরকারিভাবে দেশর্ন ব্রাউনকে সই করানোর কথা ঘোষণা করা হবে।

জুলাই ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ সমর্থকদের জন্য সুখবর, সোমবারই দলগঠন নিয়ে বৈঠক

দুদফায় ইস্টবেঙ্গল কর্তাদেরল কাছে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছিল ইমামি। সেই চুক্তিপত্র আইনজীবীদের দেখিয়ে আবার ইমামি কর্তাদের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে। চুক্তিপত্রে সই না হলেও দলগঠন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে চাইছে না দুই পক্ষের কর্তারা। কারণ দেরি করলে আর ফুটবলার পাওয়া যাবে না। তাই চুক্তিপত্রে সই হওয়ার আগেই দল গঠন শুরু করতে চাইছেন কর্তারা। এই নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসছেন দুই পক্ষের কর্তারা।রবিবার ইমামি ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের মধ্যে সামনের মরশুমের দল গঠন নিয়ে আলোচনা হয়। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে সোমবার আবার সামনাসামনি আলোচনায় বসা হবে। সেই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা লগ্নিকারী সংস্থা ইমামির কর্তাদের হাতে ফুটবলারদের তালিকা তুলে দেবেন। সেই তালিকা অনুযায়ী দলগঠন শুরু হবে। আপাতত কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য দল গঠন করা হবে। পরে আইএসএলের জন্য নতুন ফুটবলার নেওয়া হবে। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপে নজরকাড়া ফুটবলারদেরও আইএসএলের জন্য দলে রাখা হবে। ১৬ আগস্ট ডুরান্ডে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ। হাতে একমাসেরও কম সময়। তাই দুই পক্ষের কর্তারা চাইছেন দ্রুত দল গড়ে অনুশীলনে নামতে।চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষের আর টালবাহনা নেই। ইমামির কর্তাদের সঙ্গে লালহলুদ কর্তাদের যে আলোচনা হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই চুক্তিপত্রের খসড়া তৈরি করা হয়েছিল। সেটা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে পাঠানো হয়েছিল। সেই চুক্তিপত্রে অবশ্য কোনও বদলের দাবি করেননি লালহলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, আর কোনও জটিলতা তৈরি হবে না। এই সপ্তাহেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কলকাতা ছেড়ে এবার বেঙ্গালুরু পাড়ি দিচ্ছেন বাগানের এই তারকা স্ট্রাইকার

মরশুম শেষেই এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। মাঝে শোনা গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিতে পারেন। অনেকেই মনে করেছিলেন হয়তো অস্ট্রেলিয়ার পুরনো ক্লাবেই ফিরে যাবেন রয় কৃষ্ণা। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এদেশেই থেকে যাচ্ছেন ফিজির এই তারকা ফুটবলার। তবে কলকাতায় নয়, রয় কৃষ্ণাকে সামনের মরশুমে দেখা যেতে পারে বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে।২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের দল ওয়েলিংটন ফিনিক্স থেকে ভারতীয় ফুটবলে আগমন ঘটেছিল রয় কৃষ্ণার। তিনি যোগ দিয়েছিলেন এটিকেতে। সেই মরশুমে দলকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি মুখ্য ভুমিকা নেন। এরপর মোহনবাগানের সঙ্গে এটিকের সংযুক্তি ঘটে। সবুজমেরুণেই থেকে যান রয় কৃষ্ণা। গত দুই মরশুম এটিকে মোহনবাগানে কাটানোর পর তিনি সবুজমেরুণের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ছিল রয় কৃষ্ণার। জুয়ান ফেরান্দো এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেওয়ার পর চিত্রনাট্যে বদল ঘটে। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে কোচের। আইএসএলের একাধিক ম্যাচে রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে হয়েছিল ফিজির এই তারকা ফুটবলারকে। দলের কর্তারাও ওই বিষয়ে রয় কৃষ্ণার পাশে দাঁড়াননি। তাই একরাশ অভিমান নিয়েই এটিকে মোহনবাগানেরস সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন রয় কৃষ্ণা।গত মরশুমে রয় কৃষ্ণর পারফরম্যান্স আহামরি কিছু ছিল না। যদিও বারবার রয় নিজের সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরে দলকে টেনে গিয়েছেন। তিনি মানেই ছিল বাগানের তারকার তারকা, গোলের জন্য সমর্থকরা তাঁর দিকে চেয়ে থাকতেন।আইএসএল কেরিয়ারে ৬০ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন রয়। ১৮টি গোলের পাসও দিয়েছেন তিনি। গত কয়েক মরশুম ধরে খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বেঙ্গালুরু এফসি। এ বার ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে অভিজ্ঞ প্লেয়ারদের দলে নিয়ে বাজিমাত করতে চাইছে তারা। সেই লক্ষ্যেই টিম গড়ছে বেঙ্গালুরু।সুনীল ছেত্রি তো রয়েছেনই, প্রবীর দাস যোগ দিয়েছেন। এছাড়া জাভি হার্নান্ডেজকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলকে ভরসা করতে পারলেন না, লালহলুদ ছাড়লেন তারকা গোলকিপার

কবে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হবে, সেটাই এখন কলকাতা ময়দানে বড় প্রশ্ন। লালহলুদ সমর্থকরা যেমন তিতিবিরক্ত, তেমনই ভরসা করতে পারছেন না ফুটবলাররাও। একের পর এক ফুটবলার ইস্টবেঙ্গলের আশা ছেড়ে অন্য ক্লাব খুঁজে নিয়েছেন। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে তিনি অন্য ক্লাব বেছে নিলেন। ঢাকঢোল পিছিয়ে গতমরশুমে এটিকে মোহনবাগান থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০২০২১ আইএসএলে গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী এই গোলকিপারকে রেকর্ড অর্থে সই করিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত আইএসএলে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরমেন্স করতে না পারায় মাঝপথেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন অরিন্দম। এমনকি টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বিতর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। অনেক টাকা খরচ করে নিয়ে এসেও পারফর্ম করতে না পারায় টিম ম্যানেজমেন্টের ক্ষোভও বেড়েছিল অরিন্দমের ওপর। জঘন্য পারফরমেন্সের জন্য, তাঁকে বাধ্য হয়ে বেঞ্চে বসাতে হয়েছিল। এই মরশুমে অরিন্দমকে যে রাখা হবে না, তা পাকাই ছিল। নিজের ভবিষ্যত বুঝে নতুন ক্লাব খুঁজে নিলেন অরিন্দম। সামনের মরশুমে তাঁকে মুম্বই সিটি এফসির জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। অমরিন্দার সিং গত মরশুমে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর আরও একজন গোলকিপারের খোঁজে ছিল মুম্বই সিটি এফসি। অরিন্দম ভট্টাচার্যকে নিয়ে ফাঁক ভরাট করাল। নিজের খেলার উন্নতির জন্য স্পেনে গিয়ে ট্রেনিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিন্দম। ২০০৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সিতে খেলেছেন অরিন্দম। ২০১২১৩ মরসুম তিনি খেলেন মোহনবাগানের হয়ে। ২০১৩১৪ মরসুমে ফের চার্চিল ব্রাদার্সে ফিরে যান তিনি। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পুনে সিটি এফসির হয়ে মাঠে নামেন। ২০১৫ সালে ভারত এফসি, ২০১৬ সালে স্পোর্টিং ক্লাব দ্যা গোয়া এবং ২০১৭ সালে বেঙ্গালুরু এফসিতে লোনে খেলেন তিনি। ২০১৭-১৮ মরসুমে তিনি খেলেন মুম্বই সিটি এফসির হয়ে। ২০১৮ সালে তিনি যোগ দেন এটিকেতে। এর পর এটিকে এবং মোহনবাগানের ফুটবল দলের সংযুক্তির পর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপান অরিন্দম। তারপর লালহলুদে।

জুলাই ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ অন্তঃপ্রান শ্যাম থাপাকে মোহনবাগানরত্ন!‌

লালহলুদের ঘরের ছেলে বলে পরিচিত ছিলেন শ্যাম থাপা। খেলা ছাড়ার পরও মোহনবাগানের থেকে ইস্টবেঙ্গলের প্রতি তাঁর আবেগ বেশি। সেই লালহলুদপ্রেমী শ্যাম থাপাকে কিনা এবছর মোহনবাগানরত্ন দেওয়া হচ্ছে! হ্যাঁ, এটাই বাস্তব। এবছর মোহনবাগান রত্ন পেতে চলেছেন শ্যাম থাপা। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে তাঁর হাসে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।১৯৬৬ সালে কলকাতা ময়দানে পেশাদার ফুটবলে আবির্ভাব ঘটে শ্যাম থাপার। সুব্রত কাপে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা শ্যামের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৬৬ সালে তাঁকে সই করায় ইস্টবেঙ্গল। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত গোর্খা ব্রিগেডের জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন মফতলাল মিলসে। ১৯৭৫ সালে আবার লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গলের টানা ষষ্ঠ বার কলকাতা লিগ জয়ের দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭ সালে শ্যাম থাপাকে তুলে নেয় মোহনবাগান। ১৯৮২ পর্যন্ত সবুজমেরুন জার্সি গায়েই খেলেন তিনি।এবছর জীবনকৃতি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন গোলকিপার বলাই দেকে। কয়েকমাস আগে মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল, সুভাষ ভৌমিকের নামে একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবছর সেই পুরস্কার পাচ্ছেন কিয়ান নাসিরি। শিবদাস ভাদুড়ি নামাঙ্কিত বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। রণব ব্যানার্জির নামাঙ্কিত সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বাপি শেখকে। অরুণলালের নামাঙ্কিত সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিনান দত্ত। এবছর থেকেই চালু হচ্ছে ক্রীড়া সাংবাদিক পুরস্কার। প্রয়াত মতি নন্দীর নামাঙ্কিত এই পুরস্কার পাচ্ছেন অশোক দাশগুপ্ত। সেরা ক্রীড়া সংগঠকের পুরস্কার পাচ্ছেন গোকুলম কেরলের সভাপতি ভিসি প্রবীণ।করোনা মহামারীর কারণে বিগত দুই বছর ধরে ভার্চুয়ালভাবে মোহনবাগান দিবস পালন করা হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। কোভিডের প্রকোপ কিছুটা কমেছে তাই এবারের মোহনবাগান দিবসকে চিরাচরিত উজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে চায় সবুজমেরুনের নতুন কার্যকরী কমিটি। প্রাক্তনদের একটি ম্যাচ আয়োজিত হবে মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠান শুরুর আগে। অনুষ্ঠান শুরু হবে পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান দিয়ে। সবশেষে অনুষ্ঠান করবে চন্দ্রবিন্দু।

জুলাই ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাবালিকা মহিলা ফুটবলারকে যৌন হেনস্থা কোচের!‌ কলঙ্কিত ভারতীয় ফুটবল

আবার কলঙ্কিত ভারতীয় ক্রীড়াজগত। এবার যৌন হেনস্থার শিকার ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের এক সদস্য। অভিযোগের তির দলের সহকারী কোচ অ্যালেক্স অ্যামব্রোজের দিকে। তাঁকে নির্বাসিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর।অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য এই মুহূর্তে নরওয়েতে রয়েছে ভারতীয় মহিলা দল। সেখান থেকেই অ্যালেক্স অ্যামব্রোজকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও ঘটনাটি ঘটেছিল ভারতীয় দলের ইতালি সফরের সময়। দলের এক নাবালিকা মহিলা ফুটলারকে যৌন হেনস্থা করেন অ্যালেক্স অ্যামব্রোজ। যে নাবালিকা ফুটবলারের সঙ্গে ওই ঘটনা ঘটে, তার রুমমেটের মাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ওই রুমমেট দলের এক কর্মীকে জানায়, নাবালিকা ফুটবলারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয় ভারতীয় মহিলা দলের হেড কোচ টমাস ডেনারবিকে। এরপর খুঁজতে খুঁজতে সহকারি কোচ অ্যালেক্স অ্যামব্রোজের ঘরে নাবালিকা ফুটবলারকে পাওয়া যায়।অ্যালেক্স অ্যামব্রোজ যৌন হেনস্থার অভিযোগ মানতে চাননি। তবে তাঁর ফোন ঘেঁটে ওই নাবালিকার সঙ্গে অপ্রীতিকর কিছু ছবি এবং মেসেজ দেখতে পাওয়া যায়। ভারতীয় দলের হেড কোচ ডেনারবি পুরো ঘটনা ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভকে জানান। কমিটির পক্ষ থেকে তা জানানো হয় সাইকে। সাই তৎক্ষণাৎ অ্যালেক্স অ্যামব্রোজকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেয়। ইতিমধ্যেই সাই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অ্যালেক্স অ্যামব্রোজ দেশে ফিরলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ভারতীয় দলের সঙ্গে থাকা মনোবিদকে ওই নাবালিকা ফুটবলারের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অ্যালেক্স অ্যামব্রোজের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও তাংর বিরুদ্ধে অভিষোগ উঠেছিল। জামশেদপুরে ভারতীয় দলের শিবির চলার সময় নাকি এক ফুটবলারের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। যদিও সরকারিভাবে কোনও অভিযোগ সেই সময় করা হয়নি। কেবলমাত্র মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছিল। কারণ সেইসময় অ্যালেক্স অ্যামব্রোজের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমাণ ছিল না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বৃহস্পতিবার ফুটবল ফেডারেশনের কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউরোপে প্রস্তুতি প্রতিযোগিতায় থাকা দলের এক ফুটবলারের সঙ্গে সহকারি কোচের খারাপ আচরণ করার অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। শৃঙ্খলার ব্যাপারে এআইএফএফ কোনও আপস করে না। প্রাথমিক ভাবে ওই ব্যক্তিকে নির্বাসিত করা হয়েছে। তাঁকে দলের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশে ফেরার পর তাঁকে সশরীরে তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুন ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেরা ডিফেন্ডারকে হারাল ইস্টবেঙ্গল, বেঙ্গালুরুতে লালহলুদের ‘‌হীরে’‌

একের পর এক ফুটবলার সই করিয়ে নতুন মরশুমের জন্য দল গুছিয়েই চলেছে এটিকে মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিং। কলকাতার অন্য প্রধানে চররম দুরাবস্থা। ইস্টবেঙ্গলে চলছে দল ছাড়ার হিড়িক। এবার ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন গতবছর আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দুরন্ত ফুটবল উপহার দেওয়া ডিফেন্ডার হীরা মণ্ডল। সুনীল ছেত্রির বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিলেন গত মরশুমে ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে নজরকাড়া এই ডিফেন্ডার। ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ফলে ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কখা হলেই চুক্তিপত্রে সই করাতে পারছেন না কর্তারা। ইমামির কর্তারাও আগেই জানিয়েছিলেন, চুড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দল গঠন করা যাবে না। সেইমতো ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি থমকে ছিল। ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন হীরা মণ্ডল। কিন্তু ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় অপেক্ষা করতে পারলেন না। ঝুঁকি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের জন্য অপেক্ষা করে নিজের ফুটবলজীবন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে চাননি। তাই বেঙ্গালুরু এফসির প্রস্তাব তিনি গ্রহন করেন। গত মরশুমে আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল জঘন্য পারফরমেন্স করলেও যে কজন ফুটবলার নজর কেড়েছিলেন, হীরা মণ্ডল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। বেঙ্গালুরু এফসি ছাড়াও তাঁর কাছে চেন্নাইন এফসি, ওডিশা এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব ছিল। চেন্নাইনের দিকেই ঝুঁকে ছিলেন হীরা। কিন্তু বেঙ্গালুরুর দুরন্ত অফার এবং দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিকে তিনি আকৃষ্ট হন। কিছুদিন আগে এটিকে মোহনবাগানের প্রবীর দাসকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। এবার তুলে নিল লালহলুদের সেরা ডিফেন্ডারকে। গত আইএসএলে ১৬টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন হীরা মণ্ডল। মাত্র চারটি ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। একটিও লাল কার্ড তিনি দেখেননি। গোটা মরসুমে ফাউল করেছেন মাত্র ১০টি। ৪৯টি ট্যাকেল করেছিলেন। যার মধ্যে অধিকাংশই ছিল সঠিক। ২৯টি সঠিক ইন্টারসেপশন করেছেন। ৫৭টি ক্লিয়ারেন্স করেছেন হীরা। ফলে তাঁর পরিসংখ্যাই বলে দিচ্ছে কতটা পরিষ্কার ডিফেন্ডিং করেন তিনি। ১৬ ম্যাচে ৫৬.১৯ শতাংশ সঠিক পাস বাড়াতে পেরেছিলেন।

জুন ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌জুলাইয়েই সুখবর পেতে চলেছেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা, চুড়ান্ত হবে ইমামির সঙ্গে চুক্তি

আশার আলো দেখতেই পারেন লালহলুদ সমর্থকরা। অবশেষে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি সংক্রান্ত জট কাটতে চলেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মাসের প্রথম দিনেই ইমামির সঙ্গে চুক্তিপত্রে সই হতে পারে। এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে ইমামির এক শীর্ষকর্তা। মাসখানেক আগে নবান্নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উপস্থিতিতে লগ্লি করা নিয়ে ইমামি ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের মধ্যে প্রাথমিক কথা হয়েছিল। তারপর লালহলুদ কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন ইমামির কর্তারা। বৈঠকের পর ইমামির পক্ষ থেকে চুক্তির একটা খসড়া ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে পাঠানো হয়। সেই খসড়ায় ইমামি ক্লাবের ৮০ শতাংশ স্বত্ব দাবি করে। চুক্তির খসড়া ক্লাবে আসার পর ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ইমামির কাছে অনুরোধ করেন, ৮০ শতাংশের পরিবর্তে কিছু কম সত্ব নিজেদের কাছে রাখার। লালহলুদ কর্তাদের সেই অনুরোধে রাজি হয়েছেন ইমামির কর্তারা। তাঁরা ৭৬ শতাংশ শেয়ার নিজেদের কাছে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে। সূত্রের খবর, লালহলুদ কর্তারাও ইমামির প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। আগের দুই লগ্নিকারী সংস্থা কোয়েস ও শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সংঘাত হয়েছিল স্পোর্টিং রাইটস নিয়ে। ওই দুই সংস্থাকেই পুরো স্পোর্টিংস রাইটস দেওয়া হয়েছিল। ইমামির হাতে কোনও স্পোর্টিং রাইটস তুলে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু ক্লাবের ৭৬ শতাংশ সত্ব থাকবে। ইমামি গ্রুপের পক্ষ বলা হয়েছে, আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে আবদ্ধ হতে চলেছি। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা সঠিক পথেই এগোচ্ছে। সমর্থকরা খুব তাড়াতাড়ি ভাল খবর পাবেন। আমরা আমাদের সেরাটা করার চেষ্টা করছি। যদিও দুই পক্ষের কোনও কর্তা সরকারিভাবে সত্ব নিয়ে মুখ খোলেননি। চুক্তি সাক্ষরিত না হওয়ায় গঠনের প্রক্রিয়া এখনও পুরোদমে শুরু করেনি ইস্টবেঙ্গল। দল বদলের বাজারে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে লালহলুদ। ইমামি গ্রুপের ডিরেক্টর আদিত্য আগরওয়াল আগেই জানিয়েছিলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পরেই তাঁরা দল গঠন শুরু করবেন। ক্লাব এবং লগ্নিকারী সংস্থার সদস্যদের নিয়ে কোম্পানি গঠন হবে এবং তারাই দলগঠন করবেন।

জুন ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কার্ল ম্যাকহিউকে ছেড়ে দেবে এটিকে মোহনবাগান?‌ তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে

আইএসএলে তিরির অবর্তমানে এটিকে মোহনবাগানের ডিফেন্সকে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন কার্ল ম্যাকহিউ। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেও দারুণ নজর কেড়েছিলেন। সামনের মরশুমে কোপ পড়তে চলেছে এই বিদেশি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ওপর। তাঁকে না রাখার পথে হাঁটছে সবুজমেরুণ কর্তারা।সামনের মরশুমের জন্য দারুণভাবে দল গুছিয়ে নিচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। দল অনেকটাই ঢেলে সাজাচ্ছে। শূন্যস্থান ভরাট করার জন্য স্বদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি নতুন বিদেশি ফুটবলার নেওয়ার দিকেও নজর দিয়েছে। তিরির বিকল্প হিসেবে কয়েকদিন আগে চুক্তি করেছে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন হামিলের সঙ্গে। এরপরই সই করিয়েছে পল পোগবার দাদা ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে। এই দুই ফুটবলারই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। চোট পেয়ে ৮ মাস মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়া তিরিকে আবার দারুণ পছন্দ এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোর। চোট সারিয়ে ফিট হয়ে গেলে তাঁকেও দলে রাখতে চান ফেরান্দো।ইতিমধ্যেই ব্রেন্ডন হামিল, ফ্লোরেন্টিন পোগবার সঙ্গে চুক্তি করেছে এটিকে মোহনবাগান। সঙ্গে তিরি যোগ হলে তিনজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। অন্যদিকে জনি কাউকো এবং হুগো বোমাসকে ছাড়বে না এটিকে মোহনবাগান। সময় যত গড়িয়েছে ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছেন জনি কাউকো। রয় কৃষ্ণা ও ডেভিড উইলিয়ামস দল ছাড়ায় নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ফলে কার্ল ম্যাকহিউয়ের জায়গা নেই। ম্যাকহিউকে দলে রাখতে গেলে বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে পারবেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। ফলে তাঁকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন।শুধু কার্ল ম্যাকহিউ নন, সন্দেশ ঝিংঘানকেও ছেড়ে দিতে পারে এটিকে মোহনবাগান। কারণ জুয়ান ফেরান্দো ৩৫২ ছকে দল সাজাতে পছন্দ করেন। তাঁর সেই সিস্টেমে সন্দেশ খাপ খাওয়াতে পারবেন না। জুয়ান ফেরান্দো রক্ষণে যে ব্রেন্ডন হামিল ও ফ্লোরেন্টিন পোগবার ভরসা করবেন, এই দুই ফুটবলারকে দলে নেওয়াতেই তার প্রমাণ। এটিকে মোহনবাগানের এক কর্তা বলছিলেন, কোচের পরিকল্পনা অনুসারেই আমরা দল সাজাচ্ছি। ওর পরামর্শ অনুসারেই নতুন ফুটবলার নেওয়া হচ্ছে।

জুন ২৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal