• ১৬ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ENT

কলকাতা

‘ওরা প্রতিবাদী, না দাঙ্গাকারী?’ মমতাকে কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর, উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

বারুইপুর কাণ্ডকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তাঁর উপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। এই ঘটনার মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।নিজের সামাজিক মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি লেখেন, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতার রাজনীতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। তাঁর অভিযোগ, তোষণ, মিথ্যাচার এবং উসকানিমূলক রাজনীতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষকে প্রতিবাদী বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই মন্তব্যেরই কড়া সমালোচনা করেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এক নির্দোষ যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পরিচয় দেখে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা পুলিশকে আক্রমণ করেছেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়েছেন, রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং এলাকায় অশান্তি ছড়িয়েছেন, তাঁদের কীভাবে প্রতিবাদী বলা যায়, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রসঙ্গত, গত রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর গোটা রাজ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের মৃত্যু হয় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায়। একই দিনে বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে কালীঘাটে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিল ঘিরে উত্তেজনা, স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরেই নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

জুলাই ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৩ মিনিটে মহাকাব্য! মৃত্যুকূপ থেকে আর্জেন্টিনাকে টেনে তুললেন মেসি, ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আলবিসেলেস্তেরা

এভাবেও ফিরে আসা যায়?প্রথমার্ধেই পেনাল্টি নষ্ট। তারপর যেন কিছুই ঠিক হচ্ছিল না। আক্রমণে ছন্দ নেই, মাঝমাঠে সংযোগ নেই, রক্ষণে একের পর এক ভুল। আর সেই সুযোগে পিরামিডের মতো অটল রক্ষণ গড়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিশর। সময় যত গড়াচ্ছিল, ততই বাড়ছিল হতাশা। মাঠে যেন দিশেহারা বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, নির্বাক লিওনেল মেসি।কিন্তু মহান দলগুলোর পরিচয়ই হলতারা শেষ বাঁশি না বাজা পর্যন্ত হারে না।খেলা শেষ হতে আর মাত্র ১৩ মিনিট বাকি। ঠিক সেই মুহূর্তেই যেন আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ! বদলে গেল ম্যাচের গতি, বদলে গেল ইতিহাসের খাতা। মেসির নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণে ভেঙে পড়ল মিশরের অদম্য রক্ষণ। মাত্র ১৩ মিনিটে তিন গোল! ২-০ পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার।যে ম্যাচে ৭৭ মিনিট পর্যন্ত লেখা হচ্ছিল পরাজয়ের কাহিনি, শেষ ১৩ মিনিটে সেটাই হয়ে উঠল প্রত্যাবর্তনের মহাকাব্য। পেনাল্টি মিসের আক্ষেপ, ২ গোলের পিছিয়ে পড়া, ছন্দহীন ফুটবলসবকিছু ঢেকে দিল এক দুর্দান্ত জয়।ফুটবল আবারও মনে করিয়ে দিলশেষ বাঁশি না বাজা পর্যন্ত কোনও ম্যাচ শেষ হয় না। আর মাঠে যখন মেসি থাকেন, তখন অসম্ভবও কখনও কখনও ইতিহাস হয়ে ওঠে।বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন প্রত্যাবর্তন খুব বেশি দেখা যায় না। একসময় মনে হচ্ছিল, লিয়োনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হতে চলেছে। ০-২ গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা ছিল কার্যত বিদায়ের দোরগোড়ায়। কিন্তু ফুটবলের ইতিহাসে যাঁদের নাম কিংবদন্তির অক্ষরে লেখা থাকে, তাঁরা সংকটের মুহূর্তেই নিজেদের প্রকৃত পরিচয় দেন। সেই কাজটাই করলেন লিয়োনেল মেসি। মাত্র ১৩ মিনিটের বিস্ফোরক ফুটবলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে ৩-২ ব্যবধানে লড়াকু মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনা।তবে এই জয় যতটা আনন্দের, ততটাই সতর্কবার্তাও। কারণ স্কোরলাইন জয় দেখালেও পুরো ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার ফুটবল ছিল উদ্বেগজনক। কাবো ভার্দের বিরুদ্ধে দুর্বল পারফরম্যান্সের পর মিশরের বিপক্ষেও আক্রমণ, মাঝমাঠ ও রক্ষণতিন বিভাগেই একের পর এক ভুল ধরা পড়েছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই ফুটবল ভবিষ্যতে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।প্রথমার্ধ থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে মিশর। দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক এবং মোহাম্মদ সালাহদের তীক্ষ্ণ পাসিংয়ে বারবার বিপাকে পড়ে আর্জেন্টিনার রক্ষণ। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুই গোল করে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আফ্রিকার দল। এমনকি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR) হস্তক্ষেপ না করলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।অন্যদিকে মাঝমাঠেও দেখা যায় অদ্ভুত নিষ্প্রভতা। রদ্রিগো ডি পল কিংবা অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মতো ফুটবলাররা প্রত্যাশামতো খেলতে পারেননি। সামনের দিকে সৃজনশীল পাসের বদলে নিরাপদ ব্যাকপাস বা স্কোয়ার পাসেই সীমাবদ্ধ ছিলেন তাঁরা। ফলে বল তৈরি করার দায়িত্বও এসে পড়ে মেসির কাঁধে। মাঝমাঠ থেকে নেমে বল সংগ্রহ করে আবার আক্রমণে উঠতে হচ্ছিল তাঁকেই।এর মধ্যেই সহজ একটি পেনাল্টি নষ্ট করেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তাঁর দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। কিছুক্ষণ পর একটি দুর্দান্ত ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৭০ মিনিট পর্যন্ত তিনজন ডিফেন্ডারের কড়া নজরে প্রায় নিষ্ক্রিয় ছিলেন তিনি। মনে হচ্ছিল, এ দিন হয়তো মেসির জাদুও কাজ করবে না।কিন্তু ৭৩ মিনিটে বদলে যায় পুরো ছবিটা। মাঝখান ছেড়ে ডান প্রান্তে সরে যান মেসি। সেই কৌশলগত পরিবর্তনই যেন ভেঙে দেয় মিশরের রক্ষণভাগ।৭৯ মিনিটে ডান দিক থেকে তাঁর নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান কমান ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। চার মিনিট পর আবার মেসির পা থেকেই আসে সমতা ফেরানোর গোল। নিজের তৈরি করা আক্রমণ শেষ করেন নিজেই, ফিরতি বলে জোরালো শটে জালে বল জড়িয়ে।ম্যাচ তখন অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে আবারও ডান প্রান্ত থেকে আক্রমণ গড়ে ওঠে। লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত ক্রসে হেড করে জয়সূচক গোল করেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। মাত্র ১৩ মিনিটে তিনটি গোল করে অসম্ভবকে সম্ভব করে আর্জেন্টিনা।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আবেগে ভেঙে পড়েন মেসি। চোখের জল আটকে রাখতে পারেননি তিনি। সতীর্থদের জড়িয়ে ধরেন, আর তাঁরাও অধিনায়ককে কাঁধে তুলে উদ্যাপনে মেতে ওঠেন। সেই দৃশ্যই বুঝিয়ে দেয়, এই জয় শুধুমাত্র একটি ম্যাচ জেতা নয়এটি ছিল বিশ্বকাপে বেঁচে থাকার লড়াই।পরিসংখ্যানও বলছে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে কখনও ০-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে জয় পায়নি আর্জেন্টিনা। এমনকি ড্রও করতে পারেনি। সেই ইতিহাস বদলে দিলেন মেসি ও তাঁর দল। বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি আলবিসেলেস্তেদের অন্যতম সেরা প্রত্যাবর্তন হিসেবে জায়গা করে নিল।তবে এই নাটকীয় জয় কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট এনে দিলেও সব প্রশ্নের উত্তর দেয়নি। বরং নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে আর্জেন্টিনার দুর্বলতাগুলো। রক্ষণে সমন্বয়ের অভাব, মাঝমাঠে সৃজনশীলতার সংকট এবং আক্রমণে অতিরিক্ত মেসি-নির্ভরতাএসব সমস্যা দ্রুত মেটাতে না পারলে ফ্রান্স, স্পেন বা অন্য শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিপদ আরও বাড়বে।মেসি আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি একাই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন। কিন্তু বিশ্বকাপ জিততে হলে শুধু একজন মেসি নয়, প্রয়োজন গোটা দলের সমান লড়াই। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সেই কঠিন পরীক্ষার মুখেই দাঁড়িয়ে লিয়োনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মেসি বিতর্কে ফের চাপে অরূপ! পুলিশের নতুন নোটিসে বাড়ল জল্পনা

মেসি-সংক্রান্ত বিতর্কে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপর চাপ আরও বাড়ল। মামলার তদন্তে তাঁকে ফের তলব করল বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। আগামী সাত জুলাই সকাল এগারোটার মধ্যে থানায় হাজির থাকার নির্দেশ দিয়ে নতুন নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশ মেনে আঠারো জুন প্রথমবার থানায় হাজিরা দেন। এরপর বাইশ জুনও তদন্তে সহযোগিতা করতে থানায় গিয়েছিলেন তিনি।গত বছরের ডিসেম্বর মাসে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসিকে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়ে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, আর্থিক প্রতারণা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো একাধিক বিষয়ের উল্লেখ করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ।অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার থানায় হাজিরার নোটিস পাঠানো হলেও তিনি প্রথমে হাজির হননি। পরে বিষয়টি কলকাতা উচ্চ আদালতে পৌঁছায়। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পুলিশের ডাকা নির্ধারিত দিনে তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দেয়, হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে এবং তদন্তে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।যদিও আদালত প্রাক্তন মন্ত্রীর জন্য অন্তর্বর্তী সুরক্ষাও দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তবে তদন্ত চলবে স্বাভাবিক নিয়মেই।এই মামলার তদন্ত চলাকালীন অরূপ বিশ্বাসের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। থানায় হাজিরা দেওয়ার পর তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যেতে দেখা যায়। পরে নতুন কমিটিতে তাঁকে সহ-সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হয়।

জুলাই ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মারাদোনার রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের শিখরে মেসি! গোলেও একের পর এক নজির

বয়স যত বাড়ছে, ততই যেন নতুন নতুন ইতিহাস লিখে চলেছেন লিওনেল মেসি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুধু দলকে জেতাতেই বড় ভূমিকা নেননি, একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন একটি রেকর্ড গড়েছেন, যা এতদিন ছিল আর্জেন্টিনার আর এক কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার দখলে।ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড় করালেন ৯-এ। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক অ্যাসিস্টের মালিক এখন এককভাবে লিওনেল মেসি। এতদিন ৮টি অ্যাসিস্ট নিয়ে এই রেকর্ডটি ছিল দিয়েগো মারাদোনার নামে। সেই নজির ভেঙে আরও একবার নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখে ফেললেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।গোল করাতেও অতুলনীয় মেসিফুটবল বিশ্বে মেসিকে সাধারণত অসাধারণ গোলদাতা হিসেবেই বেশি চেনা হয়। তবে তাঁর খেলার অন্যতম বড় শক্তি হল সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। নিখুঁত পাস, অসাধারণ ভিশন এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষমতা তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেমেকারেও পরিণত করেছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেই দক্ষতারই আরও একটি উজ্জ্বল প্রমাণ মিলল।বিশ্বকাপে ৯টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কৃতিত্বই নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেরও প্রতীক।গোলেও নতুন মাইলফলকঅ্যাসিস্টের পাশাপাশি গোল করেও ইতিহাস গড়েছেন মেসি। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের বাড়ানো বল থেকে দুরন্ত ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। এটি ছিল বিশ্বকাপে তাঁর ২০তম গোল।এই গোলের সুবাদে আরও একটি অনন্য নজির গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা আটটি ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, দুটি পৃথক বিশ্বকাপে সাত বা তার বেশি গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবেও নিজের নাম লেখান মেসি।গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে২০২৬ বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই সাতটি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন মেসি। তবে লড়াই এখনও শেষ হয়নি। ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে ছয় গোল করে খুব কাছেই রয়েছেন। ফলে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, ততই জমে উঠবে সর্বোচ্চ গোলদাতার প্রতিযোগিতা।নাটকীয় লড়াইয়ের শেষে আর্জেন্টিনার জয়কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে দুই দলই ২-২ গোলে সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান।শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় এক আত্মঘাতী গোলে। অতিরিক্ত সময়ে মেসির নেওয়া একটি শট বিপদমুক্ত করতে গিয়ে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার দিনে বোরজেস নিজের জালেই বল জড়িয়ে ফেলেন। সেই আত্মঘাতী গোলেই ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।এই জয়ের সুবাদে লিওনেল স্কালোনির দল নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট। আর ব্যক্তিগতভাবে লিওনেল মেসি আরও একবার প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু গোল করার জন্যই নন, দলের আক্রমণ গড়ে তোলা এবং ইতিহাস সৃষ্টিদুই ক্ষেত্রেই অনন্য। প্রতিটি ম্যাচে নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি যেন নিজের কিংবদন্তিকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক?' আর্জেন্টিনার জয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা, ভবিষ্যদ্বাণী উল্টে দিল লা অ্যালবিসেলেস্তে

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই চমক, নাটকীয়তা আর নানান ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী। কখনও অক্টোপাসের ভবিষ্যদ্বাণী, কখনও আবার কার্টুন সিরিজ The Simpsons-এর কাকতালীয় মিলপ্রতিটি বিশ্বকাপেই এমন নানা ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এবার সবকিছুকে ছাপিয়ে ভাইরাল হয়ে ওঠেন ঘানার এক স্বঘোষিত তান্ত্রিক।বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে তিনি দাবি করেছিলেন, লিওনেল মেসিদের দল নাকি কেপ ভার্দের কাছেই আটকে যাবে এবং প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারবে না। তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কেউ সেটিকে নিছক বিনোদন হিসেবে নিলেও, অনেকেই আবার ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হবে বলেই ধরে নিয়েছিলেন।কিন্তু মাঠে নেমে সব হিসেবই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ১২০ মিনিট ধরে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-তে জায়গা নিশ্চিত করে লা অ্যালবিসেলেস্তে। কঠিন লড়াইয়ের পর পাওয়া এই জয় শুধু আর্জেন্টিনার সমর্থকদেরই উচ্ছ্বসিত করেনি, একইসঙ্গে ঘানার সেই তান্ত্রিকের দাবিকেও সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে।আর্জেন্টিনার জয়ের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে হাস্যরসের ঝড়। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রামসব জায়গাতেই একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক? কেউ লিখছেন, ধরে আন ব্যাটাকে! আবার কেউ মিম বানিয়ে দেখাচ্ছেন, ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ হতেই তিনি নাকি গায়েব হয়ে গিয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মিম এবং ট্রোল ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।ঘটনার মজার দিক আরও একটি। যে ঘানার তান্ত্রিক আর্জেন্টিনার বিদায়ের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, সেই ঘানার দলই শেষ পর্যন্ত কলম্বিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ফলে সমর্থকদের একাংশ কটাক্ষ করে বলছেন, অন্যের ভাগ্য গণনা করতে গিয়ে নিজের দলের ভবিষ্যৎই দেখতে পেলেন না!ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনও ফলাফল মেনে নেয় না, আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচ যেন তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। কুসংস্কার, অলৌকিক দাবি কিংবা ভাইরাল ভবিষ্যদ্বাণীর চেয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠের লড়াই, কৌশল এবং ফুটবল দক্ষতাই যে আসল কথাতা আরও একবার প্রমাণ করলেন মেসিরা।এখন শেষ ১৬-র লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে মিশর। তবে এই মুহূর্তে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় একটাইঘানার সেই তান্ত্রিক এখন

জুলাই ০৪, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের কোষাগার চাঙ্গা করতে দিল্লি অভিযান! বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতে ও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়াতে বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলার বাড়ি প্রকল্প ও অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। আসন্ন সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীদের দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া ও অতিরিক্ত বরাদ্দ আদায়ই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বাড়ছে আর্থিক চাপবর্তমানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,৯২০ কোটি টাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে। পূর্ববর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগের জেরে কেন্দ্রীয় অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকেই প্রকল্পটি চালিয়ে আসছিল।এবার নতুন সরকার চাইছে, এই প্রকল্পকে আবার প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (PMAY-G)-র আওতায় ফিরিয়ে আনা হোক অথবা অন্তত এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হোক। সেই দাবিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রীয় অংশের দাবিসূত্রের খবর, প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ছাড় করার আবেদন জানানো হবে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য। সেই কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুর করার আবেদনই জানাবে রাজ্য সরকার।সামাজিক প্রকল্পে বাড়তি ব্যয়রাজ্যে বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।গুরুত্বপূর্ণ বিষয়* বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে যাবেন বিভিন্ন দফতরের রাজ্য মন্ত্রীরা।* কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা।* বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক সহায়তার আবেদন।* প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য PMAY-G-এর কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুরের দাবি।* সামাজিক প্রকল্প ও ঋণ পরিশোধের কারণে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতেই এই উদ্যোগ।

জুলাই ০৪, ২০২৬
দেশ

প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, কেউই রেহাই পাবেন না! এক নতুন বিলে বদলে যেতে পারে দেশের রাজনীতি

দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী গুরুতর অপরাধের মামলায় টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলে তাঁকে পদ ছাড়তে হতে পারে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকা সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে আবারও জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনেই এই বিল নিয়ে আলোচনা এবং পাসের উদ্যোগ নিতে পারে কেন্দ্র।জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ জুলাই যৌথ সংসদীয় কমিটি এই বিল নিয়ে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে পারে। সেই রিপোর্টে বিতর্কিত ধারাটি বহাল থাকতে পারে বলেই খবর। প্রস্তাব অনুযায়ী, যে সব অপরাধে পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে, সেই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী যদি টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকেন, তবে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হতে পারে।তবে আইন যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়েও কিছু সুরক্ষামূলক সুপারিশ রিপোর্টে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনেই বিলটি সংসদে তোলা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তামিলনাড়ুর তৎকালীন মন্ত্রী ভি সেন্থিল বালাজি গ্রেফতার হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ঘটনার পরই গত বছর এই সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।বিরোধীদের প্রবল আপত্তির জেরে বিলটি সরাসরি পাস না করে যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গীর নেতৃত্বে একত্রিশ সদস্যের একটি কমিটি বিলটি খতিয়ে দেখছে। তবে তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কমিটিতে যোগ দেয়নি।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমান সংসদীয় সমীকরণে সরকার এই বিল পাস করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন আদায় করতে পারে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ সংবিধান সংশোধনের জন্য লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই আসন্ন বাদল অধিবেশনে এই বিল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে।উল্লেখ্য, এই বিল এখনও আইন হয়ে যায়নি। সংসদের উভয় কক্ষে পাস হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই এটি কার্যকর হতে পারে।

জুলাই ০২, ২০২৬
রাজ্য

ধূলাগড় টোলগেটের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল মালবোঝাই গাড়ি, অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল জাতীয় সড়ক

হাওড়ার ধূলাগড় টোলপ্লাজার অদূরে জাতীয় সড়কে মঙ্গলবার সকালে এক মালবোঝাই ছোট পণ্যবাহী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ায় সাময়িকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা স্বস্তির বিষয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মালবোঝাই গাড়িটি জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার সময় আচমকাই চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর গাড়িটি রাস্তার ডিভাইডারের ধারে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার অভিঘাতে গাড়িতে থাকা ধাতব সামগ্রী রাস্তার উপর ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ওই অংশে যানবাহন চলাচলে সাময়িক সমস্যা দেখা দেয় এবং আশপাশে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশকর্মীরা প্রথমেই দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেন এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনেন। পাশাপাশি রাস্তার উপর ছড়িয়ে থাকা মালপত্র সরিয়ে স্বাভাবিক যান চলাচল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হয়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অতিরিক্ত গতি অথবা ভারসাম্য হারানোর কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। যদিও সঠিক কারণ জানতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে উদ্ধারের জন্য ক্রেন আনার ব্যবস্থাও করা হয়।স্থানীয়দের দাবি, ধূলাগড় টোলগেট সংলগ্ন জাতীয় সড়কের এই অংশে প্রায়শই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি তুলেছেন তাঁরা।পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় কেউ আহত হননি এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করায় বড় ধরনের যানজটও এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ওই রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় ঘোষণা! এবার পাত্রে ডিজেল কেনায় মিলল বড় ছাড়, কারা পাবেন এই সুবিধা?

পাত্রে করে ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে বড় স্বস্তির খবর দিল রাজ্য সরকার। এতদিন যে বিধিনিষেধের কারণে সাধারণ মানুষ এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বহু সংস্থা সমস্যায় পড়ছিল, এবার সেই নিয়মে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্য, খাদ্য সরবরাহ, জনপরিষেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং চা বাগানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির জন্য এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ডিজেল বিক্রিতে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। পাত্রে করে ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয় এবং প্রতিদিন কতটা জ্বালানি দেওয়া যাবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল অযথা মজুত রোখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।এবার সেই নিয়মে বড় পরিবর্তন আনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, জরুরি পরিষেবা এবং রাজ্যের অর্থনীতি যাতে কোনও সমস্যার মুখে না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, আগের বিধিনিষেধের কারণে কৃষক, হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা পরিচালনাকারী সংস্থাকে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল।সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কৃষি, খাদ্য সরবরাহ, জনপরিষেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং চা বাগানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলি এখন থেকে সহজেই পাত্র বা ব্যারেলে ডিজেল কিনে নিয়ে যেতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিদিন ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে যে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটিও শিথিল করা হয়েছে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই ছাড় পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থাকে পেট্রল পাম্পে শুধুমাত্র প্রাথমিক পরিচয়পত্র দেখালেই হবে। এর ফলে জরুরি পরিষেবার কাজে আর জ্বালানির অভাবের কারণে কোনও বাধা তৈরি হবে না বলেই আশা করা হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘স্যাটা ভাঙা মার’ মন্তব্যেই বিপদ! হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নতুন বিতর্কে তোলপাড়

আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্যাটা ভাঙা মার মন্তব্যের জেরে শনিবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চা এবং সামাজিক সংগঠন রাম সীতা সেবা মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির মুখে এমন মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।শুক্রবার রেজিনগরে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বিজেপি সরকার গঠন করেছে, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তবে তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে পরাজিত হওয়ার পরেও কয়েক জন বিজেপি নেতা অযথা দাপট দেখাচ্ছেন। এরপরই তিনি বলেন, যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তাহলে তিনি মুসলিমদের একজোট করে স্যাটা ভাঙা মার দেবেন। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, সেদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ সুপারের কথাও ভাববেন না। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।হুমায়ুন কবির অতীতেও একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে এসেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় তাঁর একাধিক মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা হয়েছিল। পরে বিতর্কের জেরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর তিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নওদা এবং রেজিনগর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন তিনি। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তাঁর ছেলের জন্য।এবারের বিতর্কিত মন্তব্যের পর বিজেপি যুব মোর্চা এবং অভিযোগকারী সংগঠনগুলির দাবি, একজন বিধায়কের এমন বক্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বহরমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমান উদয়চাঁদ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ, জেলাশাসকের দ্বারস্থ ছাত্রীরা

বর্ধমানের মহারাজাধিরাজ উদয়চাঁদ মহিলা কলেজ (MUC Womens College)-এর অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-র পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখা। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, কলেজের এনসিসি ক্যাডেট-সহ সাধারণ ছাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক অসহযোগিতা, মানসিক হয়রানি এবং ন্যূনতম পরিকাঠামোর অভাবের শিকার হচ্ছেন।অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এনসিসি ক্যাম্প ও বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় নথিতে অধ্যক্ষের স্বাক্ষর পেতে ছাত্রীরা বারবার সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বহুবার আবেদন করেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে, এমনকি অনেক সময় কোনও কারণ না দেখিয়েই আবেদন ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে এনসিসি প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ।ছাত্রীদের আরও দাবি, অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করার নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টা থেকে ১টা হলেও সেই সময়েও তিনি প্রায়শই অনুপস্থিত থাকেন অথবা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকেন। ফলে জরুরি প্রয়োজনে ছাত্রীরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।হোস্টেলে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলেও অধ্যক্ষের সহযোগিতা মেলে না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, একাধিকবার সাহায্য চাইলেও তিনি ফোন ধরেননি কিংবা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ছাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অপমানজনক আচরণ করারও অভিযোগ তোলা হয়েছে।পরিকাঠামো নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে অভিযোগপত্রে। প্রায় এক হাজারের বেশি ছাত্রীর জন্য মাত্র দুটি ওয়াশরুম রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ছাত্র কমনরুমে মাত্র একটি ফ্যান থাকলেও কলেজের অন্যান্য অংশে একাধিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) চলতে দেখা যায় বলে অভিযোগ।এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়েছে, অধ্যক্ষ নিজের কক্ষের দরজা অধিকাংশ সময় বন্ধ রাখেন, ফলে ছাত্রীরা বা অভিভাবকরা সহজে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারেন না। একাধিক ছাত্রী একসঙ্গে কোনও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তিনি এড়িয়ে যান বলেও দাবি করা হয়েছে।বৃসস্পতিবার জেলাশাসকের দফতরে হাজিরা হয়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-র পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখা অতিরিক্ত জেলাশাসক শ্রী প্রতীক সিংয়ের কাছে তাঁদের অভিযোগ জমা দেন। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়ে এবিভিপি দাবি করেছে, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং কলেজ প্রশাসনকে উপযুক্ত নির্দেশ দেওয়া হোক।উল্লেখ্য, এই অভিযোগগুলি অভিযোগপত্রে উল্লিখিত ছাত্রছাত্রী ও এবিভিপি-র দাবি। এই বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ বা কলেজ প্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হবে।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
রাজ্য

ম্যানগ্রোভ কেটে ক্যাফে! এবার শওকত মোল্লার ছেলেকে সাত দিনের চরম আলটিমেটাম

মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ক্যাফেকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। অভিযোগ, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে এই নির্মাণ করা হয়েছিল। এবার সেই ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ নিজে ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরে তৈরি হয়েছিল অরণ্যের কূলে নামে একটি ক্যাফে। এই নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। অভিযোগ ছিল, নদীর চর দখল করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলতে হবে। তা না হলে প্রশাসন নিজেই ভাঙার কাজ করবে। ইতিমধ্যেই সেখানে নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।নোটিস জারির পর থেকেই ক্যাফে চত্বরে তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, মালিকপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনও উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। ম্যানগ্রোভ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।শুধু এই একটি নির্মাণ নয়, মাতলা নদীর চর জুড়ে গড়ে ওঠা আরও একাধিক বেআইনি স্থাপনার বিরুদ্ধেও সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। বৈধ নথি দেখাতে না পারা বহু নির্মাণের ক্ষেত্রেই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হতে পারে। ইতিমধ্যেই এলাকায় বেআইনি দখল ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।মাতলা নদীর চর এবং ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণকে ঘিরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় অভিযানের সূচনা কি না, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় স্বস্তি! অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে হাইকোর্টে কী হল জানলে চমকে যাবেন

মেসি সফর ঘিরে বিতর্কের মামলায় আপাতত স্বস্তি বজায় থাকল প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের প্রেক্ষিতে আগে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল, তা এখনই বাতিল করতে রাজি হয়নি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে অন্তত পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত স্বস্তিতেই থাকছেন তিনি।মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। অরূপ বিশ্বাসকে দেওয়া রক্ষাকবচের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন যুবভারতী বিতর্কের অন্যতম অভিযুক্ত শতদ্রু দত্ত। তাঁর পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্তে বিশেষ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতে জানান, তদন্ত চলার সময় অভিযোগকারী পক্ষের এই ধরনের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। আদালতের নির্দেশ মেনে তদন্ত এগোচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হচ্ছে।শুনানির সময় আদালত জানতে চায়, অরূপ বিশ্বাস তদন্তে সহযোগিতা করছেন কি না। এর উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী জানান, প্রাক্তন মন্ত্রী নিয়মিত তদন্তে সহযোগিতা করছেন এবং তদন্তকারী আধিকারিকদের ডাকে হাজিরাও দিচ্ছেন।রাজ্যের এই বক্তব্যের পর ডিভিশন বেঞ্চ মামলার শুনানি আপাতত মুলতুবি রাখে। আগামী দুই জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর ফলে আপাতত অরূপ বিশ্বাসের রক্ষাকবচ বহাল থাকছে।এই মামলার সূত্রপাত গত বছরের মেসি সফরকে কেন্দ্র করে। আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকার ভারত সফর ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ থাকলেও অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। বহু দর্শক অভিযোগ করেন, টাকা খরচ করেও তাঁরা প্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা পাননি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার পর আয়োজকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় মেসির সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত গ্রেপ্তার হন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে মেসির কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং সেই কারণেই গোটা ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল।যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অরূপ বিশ্বাসের পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে। ফলে শেষ পর্যন্ত মামলার মোড় কোন দিকে ঘোরে, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 68
  • 69
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নেতানিয়াহুর গদি কি টলমল? ইজরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতাকে সমর্থন আরব দলগুলির!

ইজরায়েলের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটকে সমর্থন জানাল আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলগুলি। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে আইজেনকোটের পক্ষে ১২০ আসনের সংসদে ৬৭ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েলে সরকার গড়তে প্রয়োজন ৬১ জন সাংসদের সমর্থন। সেই হিসাব অনুযায়ী, সরকার গঠনের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন বিরোধী নেতা।বৃহস্পতিবার যৌথ তালিকা জোট জানায়, তারা দেশের রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগের কাছে আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করবে। এর আগে আর একটি আরব-নেতৃত্বাধীন দল রাআমও একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ তালিকা জোটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।যৌথ তালিকা জোটের হাতে রয়েছে ১১টি আসন। অন্য দিকে, রাআমের আসন সংখ্যা আট। দুই দল মিলিয়ে মোট ১৯ জন সাংসদ রয়েছেন। ইজরায়েলের সংসদে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলির পক্ষে এই সংখ্যা রেকর্ড বলে জানা যাচ্ছে। এই দুই দলের সমর্থন নিশ্চিত হলে আইজেনকোটের পক্ষে মোট ৬৭ জন সাংসদের সমর্থন থাকতে পারে। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে তাঁর শিবির।অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শিবিরের সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁদের হাতে রয়েছে ৫৩টি আসন। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে নেতানিয়াহুকে কত জন সাংসদ সমর্থন করবেন, সেই সংখ্যা আরও কম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর জোটের শরিক ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের একটি অংশও তাঁর পাশে নেই। ওই জোটের সাতটি আসনের মধ্যে চারটি আসন রয়েছে দেগেল হা তোরাহের হাতে। তারা জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বা আইজেনকোটকাউকেই প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করবে না। টাইমস অফ ইজরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের পুরুষদের বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা থেকে ছাড় দেওয়ার আইন পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সেই কারণেই জোটের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ইজরায়েলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য কাকে আমন্ত্রণ জানাবেন, তা ঠিক করবেন। আরব দলগুলির সমর্থনে আপাতত সেই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন গাদি আইজেনকোট। তবে শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলের ক্ষমতা কার হাতে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি নিয়োগে বড় খবর! ইন্টারভিউয়ের তালিকায় কারা, দেখে নিন নাম

এসএসসি-র গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় খবর। বৃহস্পতিবার ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩৮ হাজার প্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। কারা এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, তা কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জমা দেওয়া সংশোধিত শূন্যপদের হিসাবের ভিত্তিতে এই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম রাজ্যস্তরের বাছাই পরীক্ষা বা এসএলএসটি-র মাধ্যমে নন-টিচিং স্টাফের ক্লার্ক পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নাম এই তালিকায় রাখা হয়েছে।প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রকাশিত তালিকায় নিজেদের নাম খুঁজে নিতে পারবেন। নামের পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও মিলিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে প্রার্থীদের মূল নথি, শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি নেওয়া হবে ইন্টারভিউ। তবে নথি যাচাই এবং ইন্টারভিউয়ের দিনক্ষণ এখনও জানায়নি কমিশন। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা হয়েছে ১ মার্চ। অন্য দিকে, গ্রুপ সি পদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ৮ মার্চ। গ্রুপ সি পদে শূন্যপদের সংখ্যা ২,৯৮৯। গ্রুপ ডি পদে শূন্যপদ রয়েছে ৫,৪৮৮টি। এই দুই পদে নিয়োগের জন্যই প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আলাদা দিনে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মন্ত্রী ! কিডনি বিকল, ব্রেন স্ট্রোকের পর কী বলছেন চিকিৎসকেরা?

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। কলকাতার একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় চলছে ডায়ালিসিস। এর পাশাপাশি ব্রেন স্ট্রোক এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যাও রয়েছে তাঁর। চিকিৎসকেরা পেসমেকার বসানোর কথা ভাবলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আপাতত অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। উজ্জ্বল বিশ্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।উজ্জ্বল বিশ্বাসের অসুস্থতা নিয়ে সমাজমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার ধাক্কা তাঁর শরীর ও মনের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কুণাল। অন্য দিকে, মহুয়া মৈত্রও উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা করেছেন তিনি।গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ উজ্জ্বল বিশ্বাস। গত ৫ অক্টোবর কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের বাইপাস অস্ত্রোপচার হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরের দিনই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। প্রায় ১৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা।কিন্তু দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিন ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রাক্তন মন্ত্রী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সপ্তমীর দিন তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর নিউমোনিয়া হয়েছে বলে জানান। সেই সঙ্গে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও কমে যায়। একের পর এক শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। শ্বাস নিতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য গলায় অস্ত্রোপচার করে শ্বাস নেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিস চলছে।উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থ ভাবে কৃষ্ণনগরের মানুষের সেবা করার পরেও উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, জেল থেকে ফেরার পর থেকেই শারীরিক ভাবে ভেঙে পড়তে শুরু করেন প্রাক্তন মন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে হৃদ্যন্ত্রের অস্ত্রোপচার, ব্রেন স্ট্রোক এবং কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হন তিনি।সব মিলিয়ে উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখছেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি তাঁর। পেসমেকার বসানোর বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরে কি ফিরছে গাড়ি কারখানা? শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই বড় ইঙ্গিত শুভেন্দুর!

রাজ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার নতুন শিল্পনীতির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই নীতিতে রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে একাধিক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যুতের শুল্ক থেকে শুরু করে কর্মীদের ভবিষ্যনিধি সংক্রান্ত বিষয়েও বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়েছে সরকার। আর নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই সিঙ্গুর নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সিঙ্গুরের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে নতুন করে কিছু করার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।গত ১৫ বছর তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় বড় শিল্প আসেনি বলে বারবার অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর শিল্পের প্রসার নিয়ে নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। বাংলায় নতুন শিল্প আসুক, তৈরি হোক কর্মসংস্থানএমনটাই চাইছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যে শিল্প ফিরিয়ে আনার কথা বলে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে শিল্প দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা। কয়েকটি ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগও এসেছে। এরই মধ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। তবে সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানো নিয়ে কী ভাবছে সরকার, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিলই।সেই প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সিঙ্গুর নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সিঙ্গুর নিয়ে অবশ্যই আমরা ইতিবাচক পদক্ষেপ করব। সেই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু একটা করব। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি সিঙ্গুরে আবার গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে উঠতে পারে? যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট ঘোষণা করেননি মুখ্যমন্ত্রী।সিঙ্গুরের সঙ্গে বাংলার শিল্পায়নের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ২০০৬ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে হুগলির সিঙ্গুরে প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করে টাটা মোটরসের ন্যানো গাড়ির কারখানা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদ্যোগে বাংলায় ছোট গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন একাংশের কৃষক। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে জমি আন্দোলনের প্রতিবাদে অনশন শুরু করেন তিনি। টানা ২৬ দিন অনশনের পর তা প্রত্যাহার করেন।২০০৮ সালের অগস্ট মাসে সিঙ্গুরে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পরিস্থিতির চাপে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে টাটা মোটরস কারখানার কাজ বন্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর থেকে ন্যানো প্রকল্প সরিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রতন টাটা। পরে গুজরাতের সানন্দে তৈরি হয় ন্যানো গাড়ির কারখানা।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সিঙ্গুরের জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় তৃণমূল সরকার। তবে জমি ফেরত পাওয়ার পরেও সেখানে চাষবাস সেভাবে শুরু হয়নি। অন্য দিকে, নতুন করে শিল্পও গড়ে ওঠেনি। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গুরে শিল্প ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের দিন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য তাঁদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে সিঙ্গুরে ঠিক কী ধরনের শিল্প গড়ে উঠবে, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে ফের ভয়াবহ বিপর্যয়! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল তিনতলা বাড়ি, মৃত ২, ধ্বংসস্তূপে বহু?

দিল্লিতে ফের বাড়ি ভেঙে বড়সড় বিপর্যয়। বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি নির্মীয়মাণ তিনতলা বাড়ি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। চাওরি বাজার মেট্রো স্টেশনের কাছে গলি সিতারা এলাকায় নির্মাণকাজ চলছিল বাড়িটিতে। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তিনতলা বাড়িটি। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এখনও পর্যন্ত দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম চন্দরপাল (৬০) এবং বিজয় কুমার (৩৩)।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বাড়িটির নির্মাণকাজ চলছিল। সেই সময় পুরনো ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। তার জেরেই গোটা বাড়িটি ভেঙে পড়ে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই সব ঘটনায় প্রাণহানিও হয়েছে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন দুর্ঘটনা ঘটল রাজধানীতে। পর পর এই ধরনের ঘটনায় দিল্লির নিরাপত্তা ও নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আম আদমি পার্টি। রাজধানীতে একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের! ফর্ম ৬ জমা দিতে আর লাগবে না এই নথি

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ জমা দিতে গেলে আর দিতে হবে না এসআইআর সংক্রান্ত ডিক্লারেশন বা ঘোষণা। যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন চলছে, সেখানেও এই নিয়ম কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কমিশন। এর ফলে নতুন ভোটারদের জন্য ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হল।এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই ফর্ম ৬-এ ডিক্লারেশন জমা দেওয়ার নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশী। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আপত্তি থাকা সত্ত্বেও এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে ফর্ম ৬-কে যুক্ত করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আপত্তির বিষয়টিই গুরুত্ব পেল বলে মনে করা হচ্ছে।ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তুলতে হলে ফর্ম ৬ পূরণ করতে হয়। এত দিন এসআইআর চলাকালীন এই ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীদের একটি অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হচ্ছিল। সেই ঘোষণায় আবেদনকারীর পরিবারের পুরনো ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হচ্ছিল। বিশেষ করে আবেদনকারীর বাবা-মা, দাদু-দিদার নাম শেষ এসআইআরের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য দিতে হচ্ছিল।অনলাইনে ফর্ম ৬ পূরণ করার সময়ও এই সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছিল। ফর্মের নির্দিষ্ট অংশে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এই নিয়ম নিয়েই আপত্তি ওঠে। বিরোধীরাও প্রশ্ন তোলেন, নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে গেলে কেন এসআইআরের অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে?নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যও এই নিয়ম নিয়ে আপত্তি জানান। কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধুর বক্তব্য ছিল, আইন সংশোধন না করে ফর্মে এই ধরনের পরিবর্তন করা যায় না। সংসদের মাধ্যমে আইন সংশোধনের পরেই ফর্মে প্রয়োজনীয় বদল আনা উচিত। কিন্তু সেই আপত্তি সত্ত্বেও নিয়ম চালু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ফর্ম ৬-এর সঙ্গে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়া ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই নতুন করে ফর্ম ৬ জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার কমিশন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে, সেখানেও ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার সময় আর অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে না। অর্থাৎ, অনলাইনে ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রেও এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হল।এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার ক্ষেত্রে এত দিন যে অতিরিক্ত নিয়ম মানতে হচ্ছিল, তা আর মানতে হবে না। তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে দুই নির্বাচন কমিশনারের আগের আপত্তি এবং বিরোধীদের প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বাবরি মসজিদ নিয়ে সুর বদল হুমায়ুনের! মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন বিধায়ক?

বাবরি মসজিদ বিতর্কে আচমকাই সুর বদল নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। মুর্শিদাবাদে বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে হবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল তৈরি করেন হুমায়ুন কবীর। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে সেই দল গড়ে ভোটের ময়দানে নামেন তিনি। সেই সময়ই মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এর পর মুর্শিদাবাদে মসজিদ তৈরির কাজও শুরু হয়।গত ২ নভেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি সভায় আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সভা থেকেই আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন জাতীয় সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন হুমায়ুন। প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে তাঁকে আটকে দেখাক বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।এর পরেই বুধবার বাবরি মসজিদ বিতর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের অনেক কৃতী মানুষের নামে মসজিদ তৈরি করা যেতে পারে। কিন্তু বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও পরিকল্পনা বা অনুমোদন মিলবে না। এই বিষয়ে জেলার জেলাশাসককে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই বৃহস্পতিবার সকালে সুর নরম করেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই হবে। হুমায়ুনের এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এত দিন যে বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি, সেই অবস্থান থেকে কি তবে সরে আসছেন নওদার বিধায়ক?হুমায়ুনের মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরি হবে না। হুমায়ুনের কথারও কোনও স্থিরতা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। সজলের কটাক্ষ, কখনও এক কথা, কখনও অন্য কথা বলেন হুমায়ুন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি। তাই তাঁর কথায় গুরুত্ব দিতে চান না বলেও জানান বিজেপি বিধায়ক।বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে হুমায়ুনের এই নতুন মন্তব্যে বিতর্কে আরও একটি নতুন মোড় এল। মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির পর সত্যিই কি মসজিদের নাম বদলাবেন তিনি, নাকি ভবিষ্যতে আবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বোতলের ভিতরে মা কালী! মহাদেবের কোলে শিশুর মতো শুয়ে দেবী, বাঁকুড়ার শিল্পীর সৃষ্টি দেখে অবাক নেটপাড়া

কাচের বোতলের ভিতরে আস্ত মা কালী! তাও আবার প্রচলিত রূপে নয়। মহাদেবের বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে নেই দেবী। বরং দেবাদিদেব মহাদেবের কোলেই শিশুর মতো শুয়ে রয়েছেন তিনি। আর এমনই এক অভিনব শিল্পকর্ম তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন বাঁকুড়ার শিল্পী ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।সাধারণত কালীমূর্তিতে মহাদেবের বুকের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দেবীকে। কিন্তু সেই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্য ভাবনায় মূর্তিটি তৈরি করেছেন ইন্দ্রনীল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, গোটা মূর্তিটি তৈরি হয়েছে একটি কাচের বোতলের ভিতরে। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন রঙের সুতো। সরু তারের সাহায্যে একের পর এক সুতো বোতলের ভিতরে ঢুকিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন তিনি।কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন গানটি মা কালীর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রচলিত কালীমূর্তির সঙ্গে এই গানের ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে। তবে ইন্দ্রনীলের তৈরি মূর্তিতে ফুটে উঠেছে দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের এক অন্য দিক।এই শিল্পকর্ম তৈরির পিছনে রয়েছে শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা। ইন্দ্রনীলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অসুর বধের পর প্রচণ্ড ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন দেবী। তাঁকে শান্ত করতে মহাদেব তাঁর সামনে শুয়ে পড়েন। দেবীর পা মহাদেবের বুকে পড়তেই শান্ত হন তিনি। পৌরাণিক কাহিনির এই পরিচিত দৃশ্যের পরের অংশটিই নিজের কল্পনায় সাজিয়েছেন শিল্পী।তাঁর ভাবনায়, দেবী শান্ত হওয়ার পর মহাদেব তাঁকে নিজের কোলে তুলে নেন। ছোট্ট শিশুর মতো বুকে আগলে আদর করেন। দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের মধ্যে থাকা ভালোবাসা, স্নেহ এবং মমতার সেই ছবিই ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রচলিত চিত্রকল্পের বাইরে গিয়ে এমন ভাবনা তাঁর শিল্পকর্মকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ বছর ধরে ছবি আঁকা এবং নানা ধরনের সৃজনশীল শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বোতলের ভিতরে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করাই তাঁর বিশেষ পরিচিতি। বাংলার পরিচিত বোতলশিল্পীদের মধ্যেও তিনি অন্যতম।দীর্ঘ শিল্পীজীবনে দেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সামনে নিজের কাজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন ইন্দ্রনীল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের সাধনা, ধৈর্য এবং অভিনব ভাবনার জোরেই নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন বাঁকুড়ার এই শিল্পী।একটি ছোট্ট কাচের বোতলের ভিতরে রঙিন সুতোর সাহায্যে এমন সূক্ষ্ম কাজ সত্যিই নজর কাড়ার মতো। আর মা কালী ও মহাদেবের পরিচিত সম্পর্ককে এক নতুন ভাবনায় তুলে ধরে শিল্পী বুঝিয়ে দিয়েছেন, শিল্পের জগতে কল্পনার কোনও সীমা নেই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal