• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banner

রাজনীতি

Abhishek-Dinhata: দিনহাটায় দাঁড়িয়ে গোয়া জয়ের ডাক অভিষেকের

তিন মাসের মধ্যে গোয়ায় সরকার গঠন করবে তৃণমূল। দিনহাটায় উপনির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে এমনই হুংকার দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী দিনে তৃণমূলের সংগঠনকে সর্বভারতীয় স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার রূপেরখাও তুলে ধরেন অভিষেক। পাশাপাশি বিজেপি-কে নিশানা করে দেগেছেন একের পর এক তোপ। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন সোমবার দুপুরে শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাচক্রে, একই সময়ে দিনহাটায় ভোট প্রচার সারছিলেন অভিষেক। দিনহাটার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহের সমর্থনে জনসভা করেন তিনি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও কয়েকটি রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া তৃণমূলের পাখির চোখ। সেই ইচ্ছার কথা জনসভায় জানান অভিষেক। বলেন, দিনহাটায় উদয়ন গুহ নন, প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের মানুষ এই ফলের দিকে তাকিয়ে আছেন। উপনির্বাচনের ফল ৪-০ হবে। তবে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে হবে। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাত করতে হবে।আমরা ত্রিপুরায় গিয়েছি। গোয়াতেও ঢুকেছি। আরও ৫-৭টা রাজ্যে যাব। এটা কী মাস? অক্টোবর। সামনে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি। হাতে তিন মাস হাতে সময় আছে। গোয়ায় বিধানসভা আসন ৪০টি। দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। তিন মাসে গোয়ায় জোড়াফুল ফুটবে। ওখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। আপনারা লিখে নিন। এর পর ত্রিপুরা, মেঘালয়, অসম এবং উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যেও আমরা যাব। তার কারণ বাংলা পথ দেখিয়েছে। দেশকে পথ দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দেশে বহু রাজনৈতিক দল আছে। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম, যদিও খাতায়-কলমে সর্বভারতীয় দল। মাঠে ময়দানে নেই, হাওয়া...জিরো। এনসিপি জাতীয় দল। তেমন তৃণমূলও সর্বভারতীয় দল। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য কী? যত রাজনৈতিক দল আছে সকলকে ইডি, সিবিআই দিয়ে একটু ধমকে চমকে ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল বিশুদ্ধ লোহা। যত তাতাবে, যত পোড়াবে, যত প্রহার করবে, তত বিশুদ্ধ হবে। আমাকেও তো কত ধমকেছে, চমকেছে। দিল্লিতে ৯ ঘণ্টা জেরা করেছে। ভেবেছে কংগ্রেসের মতো বসে যাবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাসঘাতকের দল নই।বিজেপি-কে ঝাঁঝালো আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, গোসাবা এবং খড়দহে উপনির্বাচন হচ্ছে তার কারণ তৃণমূলের সৈনিকরা ওই কেন্দ্রে জিতেছিলেন। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কিন্তু শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন হচ্ছে কেউ সাংসদ থেকে মন্ত্রী হবেন বলে, নিজেদের রাজনৈতিক লালসা চরিতার্থ করবেন বলে মানুষের ভালবাসাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওঁরা সাংসদ হবেন, মন্ত্রী হবেন। তা হলে দাঁড়ালেন কেন? ভেবেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। ক্ষমতায় এলে মন্ত্রী হবেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

School Opening: ১৫ নভেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খুলবে, বড় ঘোষণা মমতার

শিলিগুড়িতে সোমবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও কলেজ খোলার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বৈঠক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখ্যসচিবকে বলেন, পুজোর মরশুম শেষ হতেই, অর্থাৎ ছট পুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর পর স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়। তার আগে প্রস্তুতির জন্য সময় দেওয়ার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্কুল-কলেজ খোলার আগে প্রস্তুতির সময় দিতে হবে। দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ ছিল। তাই কিছুটা সময় দিতে হবে স্কুলগুলিকে যাতে স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিকাঠামোগত কাজ সেরে ফেলতে পারেন। তার পরেই স্কুল শুরু হবে।গত বছর ১৬ মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পর করোনা সংক্রমণ নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ায় আর স্কুল-কলেজ খোলা হয়নি। বন্ধ করা হয় বেশ কিছু পরীক্ষাও। তার পর করোনা সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় ২০ মাস পর স্কুল খোলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘ দিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে একাধিক পরিকাঠামো গত সমস্যা তৈরি হয়েছে স্কুল কলেজগুলির। সেগুলি আগামী কয়েকদিনে যাতে সামলে নেওয়া যায়, তার জন্যও বেশ কিছুটা সময় নির্দিষ্ট করে রাখার কথা বলেছেন তিনি।স্কুল খোলার সিদ্ধান্তে অবশ্য ভিন্ন মত পোষণ করছে চিকিৎসকমহল। আরও বেশ কিছুটা সময় দেখে নেওয়া উচিত ছিল বলে মত অনেকেরই।আবার অনেকেই মনে করছেন, স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত একেবারেই ঠিক।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Rally: গোসাবা ও খড়দহে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে লোকসভার রাস্তা মসৃণ করা শুরু অভিষেকের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশনেত্রী হিসেবে অভিহিত করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ৩০ অক্টোবর গোসাবা, খড়দহ, শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন। তার মধ্যে গোসাবা ও খড়দহে জয়ী প্রার্থীর মৃত্যুতে এবং শান্তিপুর ও দিনহাটায় জয়ী প্রার্থীরা বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় উপনির্বাচন হচ্ছে। এই আবহে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় দলীয় প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক।আরও পড়ুনঃ ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনেরঅভিষেক বলেন, গোটা ভারত আজ তাকিয়ে দেশনেত্রী মমতার দিকে। কারণ একমাত্র তিনি-ই পারেন বিজেপি-কে হারিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে। অভিষেক বলেন, যেখানে গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করছে বিজেপি, সেখানেই প্রতিবাদের ধ্বজা ধরে এগিয়ে যাচ্ছেন মমতা। গোটা ভারত আজ দেশনেত্রী মমতার দিকে তাকিয়ে। গোয়া ও ত্রিপুরায় সংগঠন কাজ শুরু করে দিয়েছে। তাঁর ঘোষণা, আগামী ৩ মাসের মধ্যে গোয়া এবং দেড় বছরের মধ্যে ত্রিপুরায় তৃণমূলের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার গঠন হবে। বিজেপি-র ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক। পাশাপাশি বিজেপি নেতৃত্বকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি অভিষেক। বিজেপি-র শীর্ষ নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম করে তাঁর কটাক্ষ, বিধানসভা ভোটের আগে এখানে এসে বলে গিয়েছিলেন, সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে তার উন্নয়নে ২ লক্ষ কোটি টাকা দেব। আজ যখন আবারও একটা ভোটের সামনে দাঁড়িয়ে গোসাবা, কোথায় গেলেন বিজেপি-র নেতারা? দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের নেতাদের কথা না হয় ছেড়ে দিলাম, করোনা বা আম্ফানের সময় বিজেপি-র স্থানীয় নেতাদেরও দেখেছেন কি? এটাই হল তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি-র পার্থক্য। গত সাত বছর ধরে তৃণমূলই যে বিজেপি-কে হারিয়ে আসছে, সেই দাবি তুলে ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের মূল পার্থক্যও ফের একবার জানিয়ে দেন অভিষেক।পাশাপাশি এদিন খড়দহের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, দরজা খুলে দিলে দলটাই (বিজেপি) উঠে যাবে। কিন্তু আমরা তা করছি না। আমি দলনেত্রীর পা ধরে অনুরোধ করেছি, কর্মীদের আবেগ সবার আগে। তাদের মনে দুঃখ দিয়ে কাউকে দলে ফেরাবেন না। হ্যাঁ কয়েকজনকে দলে ফিরিয়েছি, কিন্তু এমনি-এমনি নয়। অনেক প্রায়শ্চিত্ত করিয়েই তবে তাদের দলে এনেছি। তা বলে সবাইকে আনব না। আগের তৃণমূলের সঙ্গে এখনকার তৃণমূলের পার্থক্য আছে। সেটা বুঝতে পারছেন তো? পাশাপাশি, তৃণমূলের ভবিষ্যতের ব্লু প্রিন্টও তুলে ধরেন অভিষেক।আরও পড়ুনঃ ৩ দিনের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে কাশ্মীরে অমিত শাহতৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে আরও ৫ রাজ্যে সংগঠন গড়বে তৃণমূল। ১ বছরের মধ্যে ১২-১৫ রাজ্যে আমাদের ওয়ার্কিং কমিটি থাকবে। যেখানে যেখানে বিজেপি মানুষকে উপেক্ষা করেছে, মানুষকে যন্ত্রণা দিয়েছে, গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছে সেখানেই লড়বে তৃণমূল। অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, বিজেপিকে হারাতে পারে একমাত্র তৃণমূল। ত্রিপুরায় গিয়েছি, গোয়াতে গিয়েছি। উত্তরপ্রদেশেও যাব। এদিন নতুন স্লোগানও তোলেন তিনি। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলছেন, গোটা দেশ বলছে, দেশ কি নেত্রী ক্যায়সি হো, মমতা দিদি য্যায়সি হো।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Goa Visit: 'নতুন প্রভাত'-এর লক্ষ্যে গোয়া সফর মমতার

এখন আর শুধু নজরে বাংলা নয়। লক্ষ্য দিল্লিও বটে। সে কারণেই ছোট ছোট রাজ্যগুলিকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা, অসমের পর এবার তাদের নজরে গোয়া। এই পশ্চিমী রাজ্য যে কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে তা বুঝিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল সুপ্রিমোর সফর। স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছেন সেখানে।মমতা নিজেও এই সফর নিয়ে কতটা উচ্ছ্বসিত তা বোঝালেন শনিবার সকালের একটি টুইটে। উত্তরবঙ্গ সফর সেরেই ২৮ অক্টোবর যাবেন গোয়ায়।Together, we will usher in a new dawn for Goa by forming a new govt that will truly be a govt of the people of Goa and committed to realising their aspirations! #GoenchiNaviSakal (2/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 23, 2021টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ২৮ তারিখের গোয়া সফরের জন্য আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি সমস্ত ব্যক্তিত্ব, সংস্থা এবং রাজনৈতিক দলগুলিকে আহ্বান জানাচ্ছি বিজেপিকে হারাতে সঙ্ঘবদ্ধ হোন। গত ১০ বছর ধরে গোয়ার মানুষকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। সকলে যুথবদ্ধ হলে নতুন সরকার গঠিত হবে। যা গোয়ায় এক নতুন সকাল নিয়ে আসবে। নতুন সরকার মানুষের সরকার হোক, মানুষের সমস্যা বুঝুক এটাই কাম্য।২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আগামী সোমবার থেকেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি ময়দানে নেমে পড়ছে বঙ্গের শাসক দল। প্রচারের শুরুতে সৌগত রায়ের সঙ্গী হবেন বিজেপির জার্সি ছেড়ে সদ্য তৃণমূলের জার্সি পরা বাবুল সুপ্রিয়। তৃণমূল গোয়ার জন্য নতুন স্লোগানও প্রকাশ করেছে, গোয়েনচি নভি সকাল। অর্থাৎ, গোয়ায় নতুন প্রভাত।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Dhankhar: মমতাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপাল

৭ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, বিধায়ক হিসেবে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় গিয়ে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মঙ্গলবার বিকেলে টুইট করে ধনখড় এ কথা জানান। একই সঙ্গে বিধায়ক পদে শপথ নেবেন আমিরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন।উল্লেখ্য, বিধায়কদের শপথ পড়ানো নিয়ে প্রবল টানাপোড়েন চলছিল। উপনির্বাচনে জয়ী তিন বিধায়ককে কে শপথবাক্য পাঠ করাবেন, তা নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল। একই সঙ্গে সূত্রের খবর ছিল, এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কোনওরকম জটিলতা চাইছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বিবাদে, বিনা বিতর্কে এই পর্ব হোক বলেই ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছিলেন তিনি।Earlier @itspcofficial had indicated pl administer oath of 3 elected members on 7th October 2021 at 11.45 a.m. and after issuance of order has sought Kindly allow to administer oath at 2 p.m. instead of 11.45 a.m.Now oath will be administered at 2 PM at WBLA by Governor WB. https://t.co/v0qjB0Aq5B pic.twitter.com/RBVA4mdFdG Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) October 5, 2021মমতার শপথ কোথায় হবে, রাজভবন না বিধানসভা, শপথ বাক্যই বা কে পাঠ করাবেন, রাজ্যপাল না অধ্যক্ষ, তা নিয়েও জল্পনা চলছিল। গুঞ্জন ছিল, রাজভবনে মমতার শপথের অনুষ্ঠান হলে সেখানে উপস্থিত নাও থাকতে পারেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আপাতত ধনখড়ের টুইটে সেই জল্পনার অবসান। তবে একই সঙ্গে এটাও স্পষ্ট হল, মমতাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপালই, স্পিকার নন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-DVC: সব টাকা জলে, ডিভিসি-র কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হতে পারে: মমতা

বাংলার বানভাসি অবস্থার জন্য ম্যান মেড তত্ত্ব আগেই খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টিকেও দায়ী করেছেন বাংলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য। আর এবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ফের ডিভিসির বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগলেন তিনি। পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন ঠিক কত কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি-র কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে বলেও উল্লেখ করলেন মমতা। এ দিন আরামবাগে গিয়ে তিনি বলেন, ডিভিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন হেলিকপ্টারে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মমতা। আরামবাগে নেমে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।এদিন মমতা আরামবাগে দাঁড়িয়ে বলেন, ডিভিসি আর ঝাড়খণ্ডের জন্যই বাংলায় এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিভিসি যদি বছরে চারবার এভাবে জল ছাড়ে, তাহলে বহু মানুষের ক্ষতি হয়। সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, যে এলাকায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানে মানুষ সারাতে না সারাতেই আবার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এবারের বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ লক্ষ বাড়ি। ৪ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ দিন পরিদর্শন সেরে নবান্নে ফিরে তিনি বৈঠক করবেন আধিকারিকদের সঙ্গে। নবান্ন থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে বলেও জানান তিনি।তবে, মমতার এই ক্ষতিপূরণের মানুষের জন্য চাইছেন নাকি দলের জন্য? সেই প্রশ্নই তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যে মানুষগুলোর ক্ষতি হয়েছে তাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ভাবছেন নাকি ওই টাকা আম্ফানের মতো কাটমানি হিসেবে নেবে তৃণমূল নেতারা? তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি বেশি হলে জল ছাড়তে হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ভৌগলিক নিয়মেই ঝাড়খণ্ডের জল বাংলায় চলে আসে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য উনি কী করেছেন?

অক্টোবর ০২, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar attacks Mamata: মহাত্মার জন্মদিনে মুখ্যমন্ত্রীকে ফের 'গণতন্ত্র'-খোঁচা ধনখড়ের

গান্ধি জয়ন্তীতে ফের এক বার বাংলার গণতন্ত্র নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ভয় ও হিংসা মেটাতে মমতা সরকারের পদক্ষেপ করা উচিত বলেই দাবি করেছেন তিনি। ধনখড়ের এই সমালোচনার পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল। প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে তাঁর মন্তব্য করা উচিত বলেই দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।অহিংসার বার্তাপ্রেরকের জন্মদিনেও বাদ গেল না রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী টুইট-যুদ্ধ। শনিবার গান্ধিজয়ন্তীর সকালে মহাত্মা গান্ধির বার্তা স্মরণ করার পাশাপাশি রাজ্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফের মুখ্যমন্ত্রীকেই নিশানা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ এদিন টুইট করে ধনখড় লেখেন, বাপুকে তাঁর যোগ্য সম্মান জানিয়ে তাঁর আদর্শায়িত শান্তি ও অহিংসার বাণীগ্রহণ, পালন ও অনুশীলন বিশ্বজুড়ে পাথেয়। গণতন্ত্রের ফুল ফোটাতে ও মানবিক সম্মান রক্ষার্থে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যে ঘটে চলা হিংসার ঘটনায় রাশ টানা। টুইটে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ট্যাগ করেছেন রাজ্যপাল।তবে, এই প্রথম নয়, রাজ্যের শান্তি শৃঙ্খলা ও সংবিধানের মান্যতা প্রসঙ্গে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিশানা করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যে গণতন্ত্র নেই, এমন অভিযোগ বারবারই করেছেন রাজ্যপাল। কখনও টুইটারে কখনও বা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে। সম্প্রতি, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তরজায় জড়ান রাজ্যপাল। ধনখড় এক বিশেষ দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন এমন অভিযোগ বারবারই করে এসেছে তৃণমূল। নির্বাচনের ঠিক পরেই দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন জগদীপ। কেন তাঁর সেই সফর, তা নিয়ে যথেষ্ট জল্পনাও তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। পরে জানা গিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেই সাক্ষাৎ করতে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি, অগস্ট মাসেও দুই দিনের জন্য দিল্লি যান ধনখড়। তার আগে রাজভবনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাত্সারেন।

অক্টোবর ০২, ২০২১
কলকাতা

Mamata-Casting Vote: মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিলেন মমতা

নির্ধারিত সময়েই মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ মিত্র ইনস্টিটিউশনে যান মমতা। সেখানে ভোট দিয়ে মিনিট তিনেকের মধ্যে বেরিয়ে যান তিনি। দুপুর ২ টো নাগাদ সপরিবারে ভোট দেন ফিরহাদ হাকিম।পরিবারের সকলকে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোর পর ভোট দিতে গিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। চেতলা গার্লস স্কুলে ভোট দিয়েছেন তিনি। মিত্র ইনস্টিটিউশনে গিয়ে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্ত্রী এবং পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে ভবানীপুর উপনির্বাচনে ভোট দিলেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Rome: 'প্রতিহিংসাবশত আমায় রোম যেতে দেওয়া হল না', বিদেশ মন্ত্রকের অনুমতি না মেলায় ক্ষুব্ধ মমতা

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ গেলেন, অথচ আমাকে কেন যেতে যেওয়া হল না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোম সফর বিদেশ মন্ত্রক বাতিল করে দেওয়ার পর এই প্রশ্নই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ বক্তব্য, প্রতিহিংসাবশতই আমাকে আটকানো হল। উল্লেখ্য, কী কারণে এই অনুমতি দেওয়া হয়নি তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এই সফরে যেতে পারবেন না। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য বিদেশ মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ ও ৭ অক্টোবর রোমে বিশ্ব শান্তির উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেসরকারি এক সংগঠনের উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিসূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখানে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে নেই। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট। শনিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচারসভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তাঁর রোম সফরে অনুমতি দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। মমতা বলেন, কোভ্যাক্সিন নিয়ে কেউ আমেরিকা, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভ্যাক্সিনকে মান্যতা দেয়নি। কিন্তু বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন। অথচ অনেকেই নিজের কাজে যেতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন, যেতে দাও। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হল না? তিনি আরও বলেন, ওখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম। মুখে তো এত বড় বড় হিন্দুত্বের কথা বলেন। আর কিন্তু প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হল।ক্ষোভের সুরে মমতা আরও বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে একটা সম্মেলন হচ্ছে। দুমাস আগে তাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এত বড় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন এর আগে হয়নি। কিন্তু আজ চিঠি দিয়ে অনুমতি দিতে অস্বীকার করল। বলা হল, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে যাওয়া ঠিক হবে না।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়ার পর বিজেপির জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম থাকে। পররাষ্ট্রনীতি বলে একটা বিষয় আছে। অকারণে এখানে রাজনীতি খোঁজা মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Mamata Bannerjee: 'বাড়ির সামনে পচা কুকুর ফেলে দিয়ে আসলে বুঝবে!' বিজেপির বিক্ষোভ নিয়ে আক্রমণাত্মক মমতা

বৃহস্পতিবার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহার মৃতদেহ নিয়ে কালীঘাটে মমতার বাড়ির অদূরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। সেই ঘটনা নিয়ে শুক্রবার ভবানীপুরে নির্বাচনী প্রচারে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার দাবি, ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত্যু হয়নি। তিনি বলেন,একটি ছেলে মারা গিয়েছে। নির্বাচনের সময় একটা ঘটনা ঘটেছিল। ভালো হয়ে গিয়েছিল। পরে সার্জারি হয়েছিল। সেই সার্জারিতে মারা গিয়েছে। যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক।আরও পড়ুনঃ দিল্লির আদালত কক্ষেই গ্যাংওয়ার, এলোপাথাড়ি গুলিতে নিহত কমপক্ষে ৪বিজেপির বিক্ষোভ নিয়েও বেজায় চটেছেন মমতা। তিনি বলেন, আমার বাড়ির কাছে ডেডবডি নিয়ে ঢুকছে। কত বড় ক্ষমতা বুঝুন! একটা করে কান মুলে দিলে পালিয়ে যাবে। কোনও ক্ষমতা নেই। খালি বড় বড় কথা আর ভাষণ! তাঁর হুঙ্কার, তোমার বাড়ির সামনে যদি পাঠিয়ে দিই একটা কুকুরের ডেডবডি। মেশিনারি আমার নেই? পচা কুকুর তোমার বাড়ির সামনে ফেলে আসব। গন্ধে দশদিন খেতে পাবে না তুমি। বদমাইশি করতে চাইলে কী না করা যায়! এত পাশবিক! এত দানবিক!অন্যদিকে, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেত্রী। বলেন, কাল অসমে কী করেছে! কত লোককে এনআরসি-র নামে খুন করেছে। ফায়ারিং করে খুন করে ডেডবডির উপরে নাচছো! লজ্জা করে না। আর বাংলার মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করছো। আজও দিল্লিতে কোর্টে তিন জন মারা গিয়েছে গুলিতে। ইউপি-তে কোনও আইন আছে! না বিহারে কোনও আইন আছে! বিজেপি শাসিত রাজ্যে কোনও আইন নেই।ভোটের পরবর্তী হিংসার অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বক্তব্য, হিংসায় উন্মত্ত বিজেপি। প্রতিদিন গুন্ডামি করছে। নিজের বাড়িতে নিজে বোম মারছে। আর টিভিতে বলছে আমায় বোমা মেরেছে। কে মারবে রে তোকে? তোর গায়ে ছুঁতেই লজ্জা লাগে। তৃণমূল গুন্ডাদের দল নয়। আগে সিপিএমের আমলে ভোট দিতে গেলে বোমা নিয়ে তাড়া করত। বড় বড় বাড়িগুলি তালা দিয়ে দিত। দেখেননি আপনারা? কলকাতার মানুষ সাক্ষী। ৩০ বছর সিপিএমের সঙ্গে লড়তে পারলে তোমাদের বিরুদ্ধেও লড়তে পারি। ভ-এ ভবানীপুর, ভ-এ ভারতবর্ষ। ভয় দেখিয়ে চমকে লাভ নেই। আমরা লড়াই করি। এজেন্সির ভয় পাই না। জেলে যাব তবু আত্মসমর্পণ করব না।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতার

দেশ ব্যাপী বিজেপির বিরুদ্ধে খেলা হবে স্লোগান আগেই তুলেছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী পদ্মপুকুরের জনসভায় বললেন, ভবানীপুর থেকে দেশশাসন করবেন। পাশাপাশি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ করেছেন, সঠিকভাবে নির্বাচন হলে এরাজ্যে বিজেপি ৩০টার বেশি আসনে জয় পেত না। গায়ের জোরে ৫০টি আসনে জিতেছে।৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার একবালপুরে সভা করেছেন। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোট দিতে আবেদন রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৬ মাসের মধ্যে যে কোনও বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হতে হবে। এদিন পদ্মপুকুরে মমতা বলেন, আমি যতক্ষণ বিধায়ক না হব ততদিন মুখ্যমন্ত্রীর পদটা শোভনীয় হবে না। নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন আমাকে আঘাত করা হয়েছিল। হুইল চেয়ারে করে দেড় মাস নির্বাচনে প্রচার করতে হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ তিন বছরে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করার হুংকার অভিষেকের২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এরাজ্যে ৩টি আসনে জয় পেয়েছিল। এবার ৩ থেকে থেকে ৭৭ হয়েছে। রাজ্য জয় করতে না পেরে বিজেপি নেতৃত্ব এই তত্ব আউরে চলেছে। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির ৭৭ আসনে জয়কেও চ্যালেঞ্জ করেছেন। নির্বাচনী সভায় তৃণমূলনেত্রী বলেন, আগেরবার নির্বাচনে অনেক অত্যাচার হয়েছে, অনেক নির্যাতন হয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি সেই সময় যে ভাবে নির্বাচন করা হয়েছে যদি নির্বাচন সেভাবে না করা হতো তাহলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না। ৫০ টা আসন বিজেপি গায়ের জোরে জিতেছে। তার কারণ সেদিন বাংলার প্রশাসন ছিল না। দিল্লির প্রশাসন বাংলায় এসে হাজির হয়েছিল। ডেলি প্যাসেঞ্জারি করত। সাধারণ মানুষের কোনও কথা শুনত না।এবার রাজ্যে তৃণমূল ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা সংখ্যাটা ২২১ অবধি গড়িয়ে যাবে। মমতা বলেন, কেউ ভাবতেও পারেনি এত আসনে তৃণমূল জিতবে। আমি কিন্তু ২২১ বলেছিলাম। ইতিমধ্যে পাঁচ-ছজন চলে এসেছে। একটা অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল বিষয় থাকে। ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচন করবে আর এই ভবানীপুর থেকেই দেশ পরিচালনা করা হবে সেকথাও এদিন জানিয়ে দেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুর থেকে মুখ্যন্ত্রী হবে। ভাবনীপুর থেকে দেশ দেখবে। ভবানীপুর থেকেই ভারতবর্ষ শুরু হয়। মনে রাখবেন বি-তে ভবানীপুর, বি থেকেই ভারতবর্ষ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Abhishek Bannerjee: তিন বছরে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করার হুংকার অভিষেকের

বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে এসে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রাজ্য বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা এই মুহূর্তে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস দরজা খুলছে না বলে এখনও তাঁরা যোগ দিতে পারেননি। তৃণমূল যদি তার দরজা খুলে দেয় তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে উঠে যাবে।বৃহস্পতিবার সামশেরগঞ্জ মাঠে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলামের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, এই জেলার মানুষ ইতিমধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনে ২০টি আসনের মধ্যে ১৮টি আসন তৃণমূলকে দিয়েছে। বাকি দুটি আসনে এবার তৃণমূল প্রার্থীদের জিতিয়ে জেলা থেকে বহিরাগতদেরকে বিদায় দিতে হবে। এখনও তৃণমূলের আসল খেলা শুরু হয়নি। খেলা শুরু হবে ২০২৪ সালে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এই বছর বিধানসভা নির্বাচনে আমরা ২১৩টি আসনে জয়লাভ করেছি। আরও পড়ুনঃ পেগাসাস কাণ্ডের তদন্ত করবে বিশেষ কমিটি, জানাল সুপ্রিম কোর্টতাঁর কথায়, দেশজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস এবং তৃণমূল দুটো রাজনৈতিক দলই লড়াই করছে। কিন্তু পার্থক্য হল বিজেপির সঙ্গে লড়াই করে কংগ্রেস হারছে কিন্তু তৃণমূল জিতছে। বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদকে আর রাস্তায় দেখা যায় না। অন্যদিকে আমি যাতে ত্রিপুরাতে যেতে না পারি, সে কারণে ওখানে ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছে ওরা। কিন্তু কতদিন ১৪৪ ধারা জারি করে আমাকে আটকে রাখবে? যেখানে যেখানে বিজেপির সরকার আছে, সেখানেই তৃণমূল যাবে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করে সেখানকার ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়ে আসবে। ক্ষমতা থাকলে আমাদের আটকে নিও। তিনি আরও বলেন, আগামী দিন আসানসোল আসনে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় পদত্যাগ করবেন এবং সেখানে নির্বাচন হলে তৃণমূল জিতবেন। অন্যদিকে, ইডি এবং সিবিআইকে একযোগে আক্রমণ করে বিজেপি-র দুই ভাই বলে কটাক্ষ করে বলেন, গত ১৫ দিনে আমাকে ৫টা নোটিস পাঠিয়েছে ওরা। কিন্তু ৫০০টা নোটিস পাঠালেও আমি মাথা নত করব না। ইডি এবং সিবিআই-র মতো আরশোলা দিয়ে বাচ্চাদের ভয় দেখিও, আমাকে নয়। অভিষেক আরও বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করে গণতান্ত্রিক সকার গঠন করা হবে। আগামীদিন তৃণমূল কংগ্রেস যে পাখির চোখ দিল্লিকেই করতে চলেছে, তার ইঙ্গিত দিয়ে অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করব এবং সেখানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপির উন্নয়ন মানে শহর এবং গ্রামের নাম পাল্টে দেওয়া। মুর্শিদাবাদ থেকে যদি তারা যদি জিতে আসত তাহলে হয়তো এই জেলার নাম তারা করে দিত মোদি-শাহ-বাদ । এটুকুই নয়, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর জেলায় দাঁড়িয়ে তাঁকে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক সরাসরি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেতারা বড় বড় ভাষণ দেন। কোনও দিন রাস্তায় নেমে সরব হতে দেখেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। এদের নেতারা বাইরে গিয়ে ফুর্তি করে। ঝড়-জল-খরা-বন্যা বাংলার ভরসা অগ্নিকন্যা। বহরমপুরের সাংসদকে এলাকায় পাওয়া যায় না।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: আপনার একটা ভোট না পেলেও ক্ষতি হয়ে যাবে...কেন এমন বললেন মমতা?

ভবানীপুরের ভোটের দিন এগিয়ে আসছে। মমতার পাড়ায় এসে প্রচার করে যাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মানুষ তাঁর কথা শুনছেনও। আর এতেই কিছুটা হলেও স্নায়ুর চাপে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ভবানীপুরের মাটি মমতার কাছে হাতের তালুর মতো চেনা। তাই এই লড়াই জেতা তাঁর কাছে খুব একটা কঠিন হবে না। কিন্তু তারপরেও একেবারে চিন্তামুক্ত থাকতে পারছেন না মমতা। তাই আজ নিজের পাড়ায় ভোটে প্রচারে নেমে বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে বলেন,আপনার একটি ভোট না পেলে্ও ক্ষতি হয়ে যাবে আমার। আমাকে আর পাবেন না। কিন্তু চেনা মাঠে কেন এমন কথা বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো? তাহলে কী তিনি স্নায়ুর চাপে ভুগছেন?আরও পড়ুনঃ আচমকাই চোখের সামনে নিজেদের বাড়ি দুলতে দেখলেন বাসিন্দারাএদিন ভবানীপুরের জনসভায় মমতা বলেন, ২০২১-এর নির্বাচনে কৃষক আন্দোলনে জায়গা নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। তাই দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু ওখানে যে কী ভাবে হারানো হয়েছে তা প্রকাশ্যে আসবে। আদালতে মামলা চলছে। জানা যাবে, আমার বিরুদ্ধে সেখানে কী করা হয়নি! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হলে ভবানীপুর থেকেই হবে। এটা ভাগ্যের খেলা। আপনাদের ছেড়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সেই সূত্রেই তিনি বলেন, অনেকে ভাবছেন দিদি এমনিই জিতে যাবে। কিন্তু প্রতিটা ভোট দামি। একটা ভোট না দিলে আমার ক্ষতি হবে। ভোট না দিলে আমাকে পাবেন না। নিজেকে জনগণের পাহারাদার বলেও আখ্যাও দিয়েছেন মমতা। এদিনের জনসভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ শানাতেও ভোলেননি তিনি। বলেন, আমি মোদি-শাহকে দাদা-ভাই বলতে পারি। এটা সৌজন্য। কিন্তু তাই বলে দেশে তালিবানি শাসন মেনে নেব না। দেশে সকলে থাকবে। দেশকে টুকরো করতে দেব না। রাজ্যকেও টুকরো করতে দেব না। সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভাজন আসতে দেব না।ত্রিপুরা, অসম, গোয়া এবং উত্তরপ্রদেশে খেলা হবে।মমতার বার্তা, আপনাদের এক একটা ভোট আগামিদিনে দিল্লির পথে পা বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনাদের ভোট দাঙ্গাবাজদের রুখে দিতে সাহায্য করবে। এখানে গাছ পুঁতলে দিল্লিতে গিয়ে গাছ বড় হবে। এখানে গাছের চারাটা পুঁতে দিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Tripura TMC: ত্রিপুরায় নিষিদ্ধ রাজনৈতিক মিছিল, ঘোর অনিশ্চয়তায় তৃণমূল

ত্রিপুরায় অভিষেকের মিছিল করতে দেবে না বি্প্লব দেবের সরকার। ত্রিপুরা হাইকোর্টের তরফে সোমবার ত্রিপুরা সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলের অনুমতি নিয়ে সরকারের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। মঙ্গলবার সেই মর্মেই নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে দিল বিপ্লব দেব সরকার। কোভিড পরিস্থিতি ও পুজোর কথা মাথায় রেখে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক মিছিল বা সভা করা যাবে না। হলফনামায় হাইকোর্টকে এমনটাই জানাল ত্রিপুরা সরকার। আরও পড়ুনঃ এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতাপ্রসঙ্গত, প্রথমে দুবার ধাক্কা খাওয়ার পর আগামী ২২ সেপ্টেম্বর আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মিছিল করতে চেয়ে ত্রিপুরা পুলিশকে চিঠি দেয় তৃণমূল। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা বাতিল করে পুলিশ। ওই একই দিনে, একই রুটে, একই সময়ে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি থাকায় তা বাতিল করা হয়। এমনকী ১৬ সেপ্টেম্বর পদযাত্রার আবেদন করলে, তাও বাতিল করা হয়। এই অবস্থায় ত্রিপুরা আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল শিবির। কোভিড পরিস্থিতি ও পুজোর কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান হয়েছে।এদিকে এমন সিদ্ধান্তের পর ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা ঘিরে স্বভাবতই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সূত্রের খবর, তারপরেই এ বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে পুরো বিষয়টা রাজ্যের নিজস্ব বিষয় বলে হাইকোর্টও এখানে তেমন হস্তক্ষেপ করতে চাইছে না বলে খবর। বারবার করে আবেদন করা সত্ত্বেও সরকারের তরফে কিছু জানান হচ্ছে না, এই অভিযোগেই ত্রিপুরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। তাদের অনুযোগ, এতবার আবেদন করার পরও কিছুই সুনির্দিষ্ট করে জানাচ্ছে না বিপ্লব দেব সরকার। তারপরেই সোমবার হাইকোর্টের তরফে সরকারকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

Mamata-Babul: বাবুলকে কোন মুড়ি খেতে পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঝালমুড়ি খেয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল গেরুয়া শিবির থেকেও। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে বাবুল বলেছেন, উন্নয়নের প্রয়োজনে বিজেপি মন্ত্রীদের সঙ্গে ধোকলা খেতেও তিনি রাজি। সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মুড়ি খাওয়া নিয়ে সতর্ক করলেন সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া বাবুলকে। কোন মুড়ি খাওয়া উচিত, কোন মুড়ি খাওয়া উচিত নয়, সেই পরামর্শও দিয়েছেন গায়ক-সাংসদকে।আরও পড়ুনঃ রাতভর তুমুল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, জারি দুর্যোগের সতর্কবার্তাশনিবার হঠাৎই বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। রবিবার আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক বৈঠক করেছেন তিনি। সোমবার নবান্নে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। সাক্ষাৎ করে বেরিয়ে বাবুল বলেন, উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। বাবার জন্য দিদি বই দিয়েছেন। আগামিদিনে আমার কী ভূমিকা হবে সেটা দিদি ঠিক করে দেবেন। মন খুলে কাজ করতে পারব, মন খুলে গান করতে পারব। দিদি যদি একটা গান গাইতে বলেন। খুশি মনে গান করব। বাবুল আরও জানিয়েছেন, আগামি কর্মসূচি নিয়ে তাঁর সঙ্গে নেত্রীর বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। চারবছর আগে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফরের সময় ভিক্টোরিয়ার সামনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে চড়ে রাজভবনেও গিয়েছিলেন তিনি। সেই প্রসঙ্গ এখনও বাবুলকে তাড়া করে বেড়ায়। এখনও সেই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় বাবুলকে। যদিও তিনি বারে বারেই বলেছেন, ওটা সৌজন্য ছিল। তাছাড়া গাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এদিন নবান্নে মুড়ি খাওয়া নিয়ে বাবুলকে সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বাবুল বলেন, উনি বলেছেন মুড়ি খেলে ওজন বাড়ে। গ্রামের মুড়ি খাওয়া উপকারী। সাদা মুচমুচে মুড়ি খেতে বারণ করেছেন। তাতে ইউরিয়া মেশানো থাকে। উনিও খান না। আমাকে ভাত খেতেও বারণ করেছেন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Campaign: 'এই তো সবে শুরু, দেখুন কি হয়', ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক

ভবানীপুর উপনির্বাচনের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জনসংযোগ ও প্রচার শুরু করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শরৎ বোস রোডে বিখ্যাত লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন তিনি। মূলত হিন্দিভাষী অবাঙালি মানুষজনের সঙ্গে মিলিত হন অভিষেক। নিজের বক্তব্যের পর তাঁদের প্রশ্নের জবাব দেন।আরও পড়ুনঃ বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্তবৈঠক শেষে অভিষেক বেরিয়ে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের বাবুল সুপ্রিয়র তৃণমূলে যোগদান নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। আর কারা লাইনে আছে, মুচকি হেসে অভিষেকের ছোট্ট জবাব, এই তো সবে শুরু। দেখুন কী হয়! প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে শনিবার অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে তৃণমূলে যোগ দেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। গোটা যোগদানপর্ব কার্যত গোপন রাখা হয়েছিল। এরপর তৃণমূলের অফিসিয়াল টুইট পেজে ছবি সহকারে তা প্রকাশ করা হয়। রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে যায়। তারপর সন্ধ্যায় লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের অনুষ্ঠান শেষে অভিষেকের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, এই তো সবে শুরু, দেখুন কী হয়!এদিন লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে হিন্দিভাষীদের বৈঠকেও অভিষেক বাবুল সম্পর্কে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেটা বলে সেটা করে দেখায়। তাই তো বাবুল সুপ্রিয়ের মতো সাংসদরাও এখন মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইছে। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা ভারতের ছবি।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Kunal Ghosh: কুণাল-সহ ৬ জনকে তলব ত্রিপুরা পুলিশের

সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কুণাল ঘোষের নামে এফআইআর। খোয়াই থানায় অবস্থানের ঘটনায় কুণাল ঘোষকে তলব করল ত্রিপুরা পুলিশ। ত্রিপুরা পুলিশের তরফে মূলত একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় -সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। Received notice from Khoai PS, Tripura.All the allegations are baseless. They r trying to harass us. The suo moto case was filed by OC against Abhishek Banerjee 5 of us.I shall comply with the notice.Legal battle will be on.Asking IO for VDO recording of interrogation. pic.twitter.com/mWA70iZj6f Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 18, 2021অভিযুক্ত হিসাবে তলব করে অবিলম্বে কুণাল ঘোষকে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই নোটিস পাওয়ার পরই বলেন, ত্রিপুরাতে বিজেপি জমি হারাচ্ছেন। আর এই ভয় থেকেই এসব কাজ করছেন। হাজিরা দেব, তৃণমূল ভয় পায় না। তিনি আরও বলেন, এটা তো একটা আইনি লড়াই যা ইতিমধ্যেই চলছে। হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই জানিয়েছে চার্জশিট পেশ করা যাবে না। এখন তারা হয়রান করার জন্য নোটিস দিয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে হাজিরা দেওয়ার কথা বলেছেন। নিশ্চিতভাবে উপস্থিত হব। তাদের অনুরোধ করব আমার সমস্ত কথোপকথন যেন ভিডিও রেকর্ড করা থাকে। নইলে বিজেপির হয়ে ওরা মিথ্যাচার করছে।উল্লেখ্য, আগরতলা গিয়ে হামলার মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। গাড়িতে হামলা, যুবনেতাদের হেনস্থার ঘটনায় খোয়াই থানায় গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, দোলা সেন-সহ তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Abhishek-Dilip: 'অভিষেককে কলকাতায় ডাকলে দলীয় কর্মীরা ঢিল মারবে'

কলকাতায় কার্যালয় থাকা সত্বেও কয়লাকাণ্ডে বার বার দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে কেন্ত্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা। তাঁদের দাবি, আইন মেনে কলকাতাতেই ডাকা হোক তাঁদের। এদিকে দিল্লিতে সস্ত্রীক অভিষেককে তলব নিয়ে যুক্তি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, কলকাতায় ডাকা হলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বাধা দেব। তাই যেখানে নিরাপদ সেখানেই ডাকা হবে।আরও পড়ুনঃ ৫০০ টাকা পেতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট থেক উধাও হল ৫ হাজার টাকা!শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে ডাকলে তো ওদের কর্মীরা এসে ঘেরাও করবে, ঢিল মারবে, মুখ্যমন্ত্রী ধর্না দেবেন। এর আগেও অন্য মামলায় ভিন রাজ্যে ডেকে জেরা করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। তাই যেখানে নিরাপদ মনে হবে সেখানেই ডাকা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে হওয়ার মামলার কথা মনে করিয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বম্বে হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করে তাঁদের গুজরাত থেকে সেখানে ডাকা হয়েছে। আমরা গিয়েছি। অশান্তি করিনি। আমাদের আইনের উপর আস্থা ছিল। তাঁর কথায়, আইনের আশ্রয় নিয়ে আমাদের নেতারা সোনার মত চকচকে হয়ে বেরিয়ে এসেছে। অভিষেকের এই ইস্যুতে হাইকোর্টে যাওয়াকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, আমার মনে হয় না এইভাবে বাঁচা যাবে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: অজানা জ্বরের কারণ জানতে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় শিশুদের মধ্যে জ্বর ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত হয়েছে। এই নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতালে বৈঠকে এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। এমনটাই জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনসূত্রে।এদিন একঘণ্টার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ৫ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে অজানা জ্বরের আতঙ্ক ছাড়াও স্বাস্থ্যপরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেখানে হাসপাতালগুলির বেড বাড়ানো, মেডিক্যাল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশভোট প্রচারে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী এদিন বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে উত্তরবঙ্গ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রকোপ ছড়ানো শিশুদের অজানা জ্বর নিয়ে তিনি বৈঠকে স্বাস্থ্যকর তাদের কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে এদিন সকালেই মুখ্যমন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন। জানতে পেরেছেন, কোনও অজানা জ্বর নয়, এমনি সাধারণ জ্বরেই আক্রান্ত হয়েছে শিশুরা। যাদের মৃত্যু হয়েছে, তারা সকলেরই অন্য জটিল অসুখ ছিল। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলেও চিকিৎসার কোনও সুযোগ হয়নি।জ্বরের প্রকোপ ছড়াতেই স্বাস্থ্যদপ্তর তড়িঘড়ি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিল। তাতে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে শিশুদের মধ্যে অজানা জ্বরের নেপথ্যে রয়েছে আরএস ভাইরাস। তবে এই ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি কারণ কী, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এদিনের বৈঠকে এই সংক্রান্ত আলোচনা ছাড়াও কলকাতার ৫ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিকাঠামোর আরও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই হাসপাতালগুলি দেশের অন্যতম সেরা হাসপাতাল হিসেবে ইতিমধ্যেই খ্যাত। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন জেলাগুলি থেকেও প্রচুর মানুষজন এসব হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন। অন্তত ৭৬ শতাংশ মানুষ এর উপর নির্ভরশীল। আরও কীভাবে এসব হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো যায়, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করা যায় এবং মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যাও বাড়ানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Ekbalpur: আচমকাই ভোট-প্রচারে ভবানীপুরে মমতা

শুক্রবারই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। আর সোমবার নবান্ন থেকে ফেরার পথে ঢুকলেন নিজের বিধানসভা এলাকায়। দক্ষিণ কলকাতার প্রাক্তন সাংসদ মমতা এই আসনে ২০১১-র উপনির্বাচন, ২০১৬-র নির্বাচনে লড়েছেন। দুবারই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তিনি। কিন্তু কোনও লড়াইকেই যে তিনি ছোট করে দেখতে চান না তা জানিয়ে আগেই কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। সোমবার নবান্ন থেকে ফেরার পথে আচমকাই মমতা যান কলকাতা পুরসভার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে। জন সংযোগের পাশাপাশি কর্মীদের সঙ্গে আড্ডাও দেন। খিদিরপুরের ২৫-এর পল্লি দুর্গাপুজো যে পাড়ায় হয় সেখানেও যেমন তিনি গিয়েছিলেন, তেমনই যান ১৬ আনা মসজিদ এলাকাতেও।আরও পড়ুনঃ ঘোষিত হল সূচি, আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানএসসি ইস্টবেঙ্গল প্রথম ডার্বি ২৭ নভেম্বরখিদিরপুর এলাকার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড দিয়েই মমতার প্রচার শুরুকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। মমতা ওই এলাকা ছাড়ার প্রায় পর পরই টুইট করেন বাংলায় বিজেপি-র সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। তাঁর দাবি, ভবানীপুরের জয় নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলেই ১৬ আনা মসজিদে গিয়েছিলেন মমতা। এই সফর আচমকা নয় বরং পরিকল্পিত বলেই দাবি করেছেন মালব্য।যদিও এ দিনের বৈঠকে মমতার সঙ্গে ইমামদের ঠিক কী কথা হয়েছে, তা বিশদে জানা যায়নি। তবে এই সাক্ষাতের নেপথ্যে যে ভোট অঙ্ক কাজ করছে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষত, যেভাবে সংখ্যালঘুরা লাগাতার রাজ্যের শাসকদল ও নেত্রীর প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন, সেই ভোটে ভর করেই তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সেই অভিযোগের আবহেই মমতার ইমাম সাক্ষাৎ ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে কোনও জল্পনার জন্ম দেয় কি না, সেই বিষয়টিও বিচার্য হবে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal